news bazar24: কোমর ও পিঠের ব্যথায় ভুগছেন ? কারণ খুঁজতে গেলে কী মনে আসে ? কোমর ও পিঠের ব্যথা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকা এবং দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকার ফলে কোমর ও পিঠে ব্যথা হতে পারে।
অনেকেই কাজের সময় ঠিকমতো চেয়ারে বসে থাকেন না। অফিসে ডেস্কে একটানা কাজ করার সময় অনেকেই হঠাৎ করে পিঠে ও কোমরে ব্যথা অনুভব করেন। কেউ কেউ শুরুতেই এতে মনোযোগ দেন না। কিন্তু সেখানেই ভুল হয়। যদি দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে কোমর ব্যথা না চলে যায়, তাহলে সাবধান থাকা দরকার। যদি আপনি ডাক্তারের কাছে যান, তাহলে তারা আপনাকে পিঠে ও কোমরের ব্যথা কমাতে বিভিন্ন ওষুধ দেন। আর যদি আপনি ওষুধের কাছে যেতে না চান, তাহলে আপনি বিভিন্ন উপায়ে এই ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এটি নিচে আলোচনা করা হল।
১) নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম: কোমর ও পিঠের ব্যথার কারণে অনেকেই অনেক কষ্ট পান। অনেকেই নড়াচড়াও করতে পারেন না। চিকিৎসকদের মতে, যদিও এই সময়টা কঠিন, তবুও যদি আপনি কিছু সহজ যোগাসন এবং স্ট্রেচিং করতে পারেন, তাহলে আপনি আরাম পেতে পারেন। নিয়মিত ব্যায়াম উপকারী হতে পারে।
২) ঠান্ডা বা গরম কম্প্রেস: আঘাত বা আঘাতের কারণে যদি আপনার পিঠে ব্যথা হয়, তাহলে বরফ ঠান্ডা কম্প্রেস লাগালে আরাম পাওয়া যাবে। রক্ত জমাট বাঁধলেও, কম্প্রেস লাগালে সমস্যার সমাধান হবে। আবার গরম কম্প্রেস লাগালে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকবে।
৩) শরীরের ভঙ্গিতে পরিবর্তন: অফিসে দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে কাজ করলে পিঠ ও কোমরে ব্যথা হতে পারে। অনেকেই ঘুমের দিকে মনোযোগ দেন না। অনেক সময়, এমনকি যখন তারা ঘুমাতে ভুলে যান, তখনও তাদের কোমরে চাপ পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার সঠিকভাবে ঘুমানোর অভ্যাস করা উচিত। টেবিল ও চেয়ারে বসে কাজ করার সময়ও আপনার মেরুদণ্ড সোজা রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
৪) আপনার মন সুস্থ রাখুন: যদিও এটি আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে, বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে মানসিক চাপ বা বিষণ্ণতা এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথার মধ্যে একটি সংযোগ রয়েছে। তাই, ব্যথামুক্ত জীবনযাপনের জন্য মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
৫) পর্যাপ্ত ঘুম: অনেকেই ভাবতে পারেন যে ঘুমের সাথে পিঠ ও কোমর ব্যথার কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু সত্যিই একটি বিশেষ সংযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কম ঘুম কোমরের ব্যথা বাড়িয়ে দিতে পারে। সারাদিন কঠোর পরিশ্রমের পর ঘুমের সময় শরীরের পেশী এবং স্নায়ু শিথিল হয়। তাই সুস্থ এবং ব্যথামুক্ত থাকার জন্য ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো গুরুত্বপূর্ণ।



