সম্পূরক


  • আপনার জীবনে অর্থের আগমন কবে এবং কী ভাবে হবে,জেনে নিন

    newsbazar24: যদি আপনার কনিষ্ঠা এবং অনামিকা আঙুলকে একে অপরের গায়ে গায়ে লাগানোর পর মাঝখানে ফাঁক দেখা যাচ্ছে, তা হলে বুঝবেন, আপনার আর্থিক স্থিতি ভালো নয়।এই ফাঁক যদি মধ্যমা এবং অনামিকার মধ্যে থাকে, তা হলে এর অর্থ হল, যৌবনে আপনি আর্থিক দিক থেকে সঙ্কটাপন্ন ছিলেন। তবে এখন অবস্থা অনেকটাই ভালোর দিকে।জীবনে ধন-সম্পত্তির আগমন যতটা আপনার দক্ষতার ওপর নির্ভর করে, ততটাই নির্ভর করে আপনার হাতের রেখার ওপরও। আজ পড়ুন, নিজের আঙুল দেখে আপনি কি করে জানবেন যে, আপনার জীবনে অর্থের আগমন কবে এবং কী ভাবে হবে, বা আপনার জীবনে কিসের অভাব থাকবে। * যদি আপনার কনিষ্ঠা এবং অনামিকা আঙুলকে একে অপরের গায়ে গায়ে লাগানোর পর মাঝখানে ফাঁক দেখা যাচ্ছে, তা হলে বুঝবেন, আপনার আর্থিক স্থিতি ভালো নয়। * এই ফাঁক যদি মধ্যমা এবং অনামিকার মধ্যে থাকে, তা হলে এর অর্থ হল, যৌবনে আপনি আর্থিক দিক থেকে সঙ্কটাপন্ন ছিলেন। তবে এখন অবস্থা অনেকটাই ভালোর দিকে। * যদি মধ্যমা এবং তর্জনীর মধ্যে এই ফাঁক থাকে, তা হলে শৈশবে জাতকের আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।* যদি এই ফাঁক কোনও আঙুলের মধ্যে দেখা না-যায়, তা হলে এর অর্থ হল জাতকের জীবনে কখনও অর্থাভাব হবে না। * যদি আঙুলের সমস্ত পর্ব লম্বা হয়, তা হলে ওই ব্যক্তি ধনবান হন। * যদি মধ্যমার তৃতীয় পর্বের পাশে অনামিকা এসে মিলে যায়, তা হলে এমন ব্যক্তি শিল্পী, বুদ্ধিমান, বিদ্বান এবং বিচারশীল হন। এই সব ক্ষেত্রেই তিনি আয় করে থাকেন। * অনামিকা সোজা এবং লম্বা হওয়ার মানে, জাতক অর্থ রোজগারের বিষয়ে কুশলী। * অনামিকা তর্জনীর সমান লম্বা হলে এবং তার প্রথম পর্ব চ্যাপ্টা হলে সেই ব্যক্তি সম্মানিত হন এবং তার জীবনে প্রচুর অর্থের আগমনও হয়। * কোনও ব্যক্তির অনামিকা অন্যান্য আঙুলের তুলনায় বেশি লম্বা হলে, তিনি কোনও সমস্যা ছাড়াই অর্থ আয় করে থাকেন। * যদি জীবনরেখার মধ্য থেকে ছোট ছোট উপরেখা বার হয় এবং সেটা ওপরের দিকে ওঠে, তা হলে বুঝবেন, ব্যক্তি, ওই নির্দিষ্ট বয়সে প্রচুর ধন-সম্পত্তি এবং সম্মান পাবেন। * যদি মস্তিষ্ক রেখা থেকে কোনও রেখা গুরু পর্বতের দিকে যায় এবং তার শেষে কোনও কাটা দাগ থাকে বা কোনও বাঁকা রেখা থাকে, তা হলে এমন ব্যক্তি চেষ্টা করেও অর্থ আয় করতে পারেন না। * বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠের দুই পর্বই যদি কঠিন এবং সমান হয়, তা হলে এটি সম্পত্তি এবং ব্যবসাকে খুব বাড়ায়। 

  • বাস্তু মতে প্রতিটি দিকের আলাদা আলাদা গুরুত্ব, জেনে নিন

    newsbazar24: বাস্তুশাস্ত্রর আটটি দিক। উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম, ঈশান, নৈর্ঋত, অগ্নি এবং বায়ু। বাস্তু মতে, এই প্রতিটি দিকের আলাদা আলাদা গুরুত্ব, আলাদা ভূমিকা। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সেগুলো। ১। উত্তর : শাস্ত্র মতে, এটা কুবেরের দিক। অর্থাৎ ধণসম্পত্তির প্রতিপত্তির দিক। বাড়ির এই দিকটায় ব্যবসার অফিস করুন। অফিস ভাড়া নিলে বিল্ডিং-এর উত্তর দিকে নিন। সিন্দুক বা টাকা রাখার জায়গা বাড়ির উত্তরে করুন। এই দিকে শৌচালয় বানাবেন না। ২। পূর্ব: এটা দেবরাজ ইন্দ্র দিক। বাস্তুমতে, নতুন কিছু এ দিকে মুখ করে শুরু করতে পারে। পড়ার ঘর, পুজোর ঘর, কাজের ঘর এদিকে মুখ করা হতে পারে। সিন্দুক এদিকে মুখ করে খুললে ভালো। শৌচালয়, স্নানঘর এদিকে বানাবেন না। এদিকে খানিক খোলা জায়গা থাকলে বাড়ির প্রধানের আয়ু বৃদ্ধি হয়। ৩। পশ্চিম : এটা বরুণের দিক। এদিকে শুভ কিছু রাখার দরকার নেই। সিঁড়ি বা জলের ট্যাংক এদিকে বানাতে পারেন। স্টোর বা জঞ্জাল রাখার জায়গা বাড়ির এদিকে করুন। ৪। দক্ষিণ : এটা বাস্তুমতে ভয়ের দিক, কারণ এটি যমের দিকয়। এদিকেও সিঁড়ি বা জলের ট্যাংক রাখুন। বাড়ির গুরুত্বপূর্ণ কিছু এদিকে বানাবেন না। খাবারের টেবিল বা খাবার ঘর যেন কোনওভাবেই না এই দক্ষিণ অভিমুখে হয়। ৫। ঈশান : ঈশান মহাদেবের দিক। এই দিকটি বাড়ির জন্য খুবই শুভ। এদিকে কিছুটা ফাঁকা জায়গা রাখুন। তাতে বাড়ির উপকার হবে। এই দিকটি বংশ বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে গণ্ডগোল হলে বংশবৃদ্ধির ক্ষেত্রেও সমস্যা হয়। ৬। অগ্নি : এটা অগ্নিদেবের দিক। এদিকের বৈশিষ্ট্য বাস্তুমতে, যৌক্তিকতা। তাই এদিকে স্নানাগার, শৌচালয়ের মতো কিছু রাখবেন না। শক্তি উৎপাদন করে এমন জিনিস এদিকে রাখতে পারেন। টেলিভিশন, ব্যাটারি, ইনভারটার, রুম হিটার এদিকে রাখতে পারেন। ৭। নৈর্ঋত : নৈর্ঋত শব্দের অর্থ দানব। এই দিকটি আপনার জীবন থেকে দানবদের রক্ষা করে। এদিকে দামী সামগ্রী রাখতে পারেন। সেগুলো রক্ষা পাবে। জলের ট্যাংক এই দিকে রাখবেন না। ৮। বায়ু : এটা বায়ু বা পবন দেবের দিক। ভালো স্বাস্থ্য বা দীর্ঘজীবন দিতে পারে এই দিক। কিন্তু এই দিকটা পারস্পরিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য খুব দরকারি। এদিকে যেন কোনওভাবেই মাস্টার বেডরুমটি না হয়। খাবার ঘরও এদিকে করা ঠিক নয়। এদিকে বাড়ির কোনও বৃদ্ধি যেন না হয়, তাতে শত্রুর সংখ্যা বাড়তে পারে।বাস্তু বিচার অতি প্রাচীন এক রীতি। যে কোনও বৈষয়িক কাজে এগোনের আগে, যেমন নতুন বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনা থেকে শুরু করে বাড়ির ভিতরের ঘরের পরিবর্তন, বাগান তৈরি, বা বাড়ির কোথায় কোন আসবাব রাখবেন- তার প্রতিটা ক্ষেত্রই বাস্তু মেনে এগোন অনেকেই। এবং এর সুফল পেয়েছে, এমনই দাবি অনেকের।

  • মা মঙ্গলচন্ডীর ব্রত করলে কী ফল পাওয়া যায় জানেন? মা মঙ্গলচন্ডীর ব্রত করলে কী ফল পাওয়া যায়

    মঙ্গলচণ্ডী সকল বিশ্বের মূল স্বরূপা প্রকৃতি দেবীর মুখ হইতে মঙ্গলচণ্ডী দেবী উৎপন্না হইয়াছেন। তিনি সৃষ্টিকার্য্যে মঙ্গলরূপা এবং সংহারকার্য্যে কোপরূপিণী, এইজন্য পণ্ডিতগণ তাঁহাকে মঙ্গলচণ্ডী বলিয়া অভিহিত করেন। দেবীভা-৯স্ক-১। দক্ষ অর্থে চণ্ডী এবং কল্যাণ অর্থে মঙ্গল। মঙ্গলকর বস্তুর মধ্যে দক্ষা বলিয়া তিনি মঙ্গলচণ্ডী নামে প্রসিদ্ধ হইয়াছেন। প্রতি মঙ্গলবারে তাঁহার পূজা বিধেয়। মনু বংশীয় মঙ্গল রাজা নিরন্তর তাঁহার পূজা করিতেন। দেবীভা-৯স্ক-৪৭। মঙ্গলচণ্ডী ব্রত প্রতি মঙ্গলবারে মা চণ্ডীর আরাধনা করা হয় বলে এ ব্রতের নাম মঙ্গলচণ্ডী ব্রত। জীবনে শ্রেষ্ঠ মাঙ্গল্যের প্রতিষ্ঠার জন্যই এ ব্রতের অনুষ্ঠান। মঙ্গলচণ্ডী ব্রতের নানা রূপ আছে। কুমারীরা যে মঙ্গলচণ্ডী ব্রতের আচরণ করে, তা অতি সহজ ও সংক্ষিপ্ত। দেবী অপ্রাকৃত মহিমার প্রশস্তিগীতি ব্রতের ছড়ায় এসে ধরা দেয়। যথা --- সোনার মা ঘট বামনী। রূপোর মা মঙ্গলচণ্ডী।। এতক্ষণ গিয়েছিলেন না কাহার বাড়ি? হাসতে খেলতে তেল সিন্দুর মাখতে পাটের শাড়ি পরতে সোনার দোলায় দুলতে হয়েছে এত দেরী। নির্ধনের ধন দিতে কানায় নয়ন দিতে নিপুত্রের পুত্র দিতে খোঁড়ায় চলতে দিতে হয়েছে এত দেরী।   অভীষ্ট সিদ্ধিমানসে হিন্দু মহিলাগণ মঙ্গলবারে মঙ্গলচণ্ডী দেবীর অর্চনা ও ব্রত উপসাবাদি করিয়া থাকেন। [ধনপতি সওদাগরের পত্নী খুল্লনা প্রথম মঙ্গলচণ্ডীদেবীর পূজার প্রবর্তন করেন।] দেবীর করুণাশক্তি অমোঘ। তাঁর শরণাগত হলে নির্ধন ধনী হয়, অন্ধ নয়ন পায়, বন্ধ্যা পুত্র লাভ করে, খঞ্জ চরণযুক্ত হয়। সংসারজীবনে এই মঙ্গলময়ীর আরাধনা তাই একান্তই প্রয়োজন।

  • জানেন কি কবে থেকে বাংলায় শুরু হয় হাল খাতা?

    News Bazar24: হাল খাতার আক্ষরিক অর্থ হলো,আগের বছরের দেনা-পাওনার হিসেব সমন্বয় করে এদিন নতুন করে হিসেবের খাতা খোলেন তাঁরা। এই উপলক্ষ্যে নববর্ষের প্রথম দিনে দোকানে আসা ক্রেতাদের মিষ্টিমুখও করান তাঁরা। বাংলা নববর্ষের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে হালখাতা উদযাপন। হালখাতা বাঙালি ঐতিহ্য ও ইতিহাসের একটি অংশ। তবে বর্তমান কালে হালখাতার উদযাপন আগের থেকে অনেকটাই কমে এসেছে। আগে রীতিমত নিমন্ত্রণ পত্র ছাপিয়ে উত্‍সবের আয়োজন করতেন ব্যবসায়ীরা। এখনওর অনেক জায়গাতেই দোকান পরিষ্কার করে, ফুল দিয়ে সাজিয়ে, লক্ষ্মী-গণেশের পুজো করে শুরু হয় হালখাতা। অনলাইন শপিং, মোবাইল ব্যাংকিং-এর দাপটে হালখাতা আগের মতো পালিত না হলেও এদিনও দোকানে দোকানে ক্রেতাদের জন্য মিষ্টিমুখের ব্যবস্থা থাকে। সঙ্গে উপহার হিসেবে অন্তত একটা বাংলা ক্যালেন্ডার থাকবেই। ইতিহাস থেকে জানা যায়, মোগল সম্রাট আকবরের সময়কাল থেকেই পয়লা বৈশাখ উদযাপন শুরু হয়। আর এর সঙ্গে শুরু হয় বাংলা বছরের প্রথম দিনে দোকানপাটের হিসাব আনুষ্ঠানিক ভাবে হালনগদ করার প্রক্রিয়া। মোগল আমল থেকেই পয়লা বৈশাখে অনুষ্ঠান করা হত। প্রজারা চৈত্র মাসের শেষ পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করতেন এবং পয়লা বৈশাখে জমিদাররা প্রজাদের মিষ্টিমুখ করানোর পাশাপাশি আনন্দ উৎসব করতেন। তবে বাংলা নববর্ষে মানুষ দিন টিকে পবিত্র দিন হিসেবেও মনে করেন। তাই অনেকে এদিন বাড়িতে বা মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন।নতুন নতুন পোশাক পড়েন ও উপহার দেন।

  • ধান ফলন বৃদ্ধিতে কি কি করণীয়, জেনে নিন -

    newsbazar24: আউশ ধান আমন-বোরোর মতো যত্ন নিলে ফলন কোনো অংশেই কম হয় না। ধান সালোকসংশ্লেষণ বেশি হয়, জীবনকাল কম এবং জল সাশ্রয়ী। কথায় আছে জ্যৈষ্ঠে খরা ধানে ভরা। অথ্যাৎ জ্যৈষ্ঠ মাসে একটু বৃষ্টি পেলেই ধানের জমি সবুজ ধানে ভরে যায়। এ জন্য ধান আবাদে বৃষ্টি ছাড়া অতিরিক্ত পানির তেমন দরকার হয় না। সার দেয়ার প্রয়োজনীয়তাও বোরোর চেয়ে কম। এক সময় সারাদেশে অনেক এলাকাজুড়ে এ ধানের আবাদ করা হতো। আমাদের দেশে শুকনো মওসুমে বোরো চাষে সেচ কাজে জলের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়- যা মেটাতে ভূ-গর্ভস্থ জল অধিক উত্তোলন করা হয়। ফলে ভূ-গর্ভস্থ জলের ওপর ব্যাপক চাপ পড়ে ও ভৌগোলিক পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। তাই বোরো এলাকা আর না বাড়িয়ে বরং আউশ ধানের ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।বাংলা আশু শব্দ থেকে আউশ শব্দের উৎপত্তি। আউশ মানে আশু ধান্য। আশি থেকে একশ বিশ দিনের ভেতর এ ধান ঘরে তোলা যায়। দ্রম্নত (আশু) ফসল উৎপন্ন হওয়ার বিচারে এই ধানের এমন নামকরণ হয়েছে। খনার বচনে আছে 'আউশ ধানের চাষ, লাগে তিন মাস, কোল পাতলা ডাগর গুছি, লক্ষ্ণী বলে হেথায় আছি অর্থাৎ আউশ ধান চাষে তিন মাস লাগে। ফাঁক ফাঁক করে লাগালে গোছা মোটা হয় এবং ফলনও বেশি হয়'। আরো সহজ কথায় আউশে আমন-বোরোর মতো যত্ন নিলে ফলন কোনো অংশেই কম হয় না। আউশ সালোকসংশ্লেষণ বেশি হয়, জীবনকাল কম এবং জল সাশ্রয়ী। কথায় আছে জ্যৈষ্ঠে খরা ধানে ভরা। অথ্যাৎ জ্যৈষ্ঠ মাসে একটু বৃষ্টি পেলেই আউশের জমি সবুজ ধানে ভরে যায়। এ জন্য আউশ আবাদে বৃষ্টি ছাড়া অতিরিক্ত পানির তেমন দরকার হয় না। সার দেয়ার প্রয়োজনীয়তাও বোরোর চেয়ে কম। এক সময় সারাদেশে অনেক এলাকা জুড়ে এ ধানের আবাদ করা হতো। আমাদের দেশে শুকনো মওসুমে বোরো চাষে সেচ কাজে জলের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়- যা মেটাতে ভূ-গর্ভস্থ পানি অধিক উত্তোলন করা হয়। ফলে ভূ-গর্ভস্থ জলের ওপর ব্যাপক চাপ পড়ে ও ভৌগোলিক পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। ব্রির গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি কেজি চাল উৎপাদনে ২০০০-২৫০০ লিটার জলের প্রয়োজন যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল তাই বোরো এলাকা আর না বাড়িয়ে বরং আউশের ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। স্বাধীনতার পরপর আউশের জমি ছিল ৩.০ মিলিয়ন হেক্টর। আর বোরোর জমি ছিল ১ মিলিয়ন হেক্টরের কাছাকাছি। বোরো শুধু হাওর আর বিল এলাকার আশপাশে চাষ করা হতো। আউশ করা হতো কিছুটা উঁচু জায়গায়। দুরকমের আউশ হয়। যেমন- বোনা ও রোপা আউশ।  বোনা আউশ: বোনা আউশে সাধারণত মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের ২৫ তারিখের মধ্যে (১০ চৈত্র হতে ১০ বৈশাখ) বীজ বপন করতে হয়। বীজ বপনের জন্য হেক্টর প্রতি ৭০-৮০ কেজি বীজ ছিটিয়ে বপন করে হালকাভাবে একটা চাষ ও মই দিয়ে মাটি সমান করতে হয়। সারি করে ২৫ সে.মি. দূরত্বে ৪-৫ সি.মি. গভীর সারি করতে হয়। এতে হেক্টর প্রতি ৪০-৫০ কেজি বীজ প্রয়োজন হয়। তারপর মই দিয়ে মাটি সমান করতে হয়। ডিবালং পদ্ধতিতে বাঁশ বা কাঠের দন্ড দিয়ে ২০ সি.মি. পরপর মাটিতে গর্ত করে প্রতি গর্তে ২/৩ বীজ বপন করে মই দিয়ে সমান করে দিতে হয়। এই পদ্ধতিতে বীজ হার হলো ২৫-৩০ কেজি/হেক্টর। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন কোনো বীজ মাঠের ওপরে না থাকে। জমিতে প্রচুর পরিমাণে রস থাকলে বীজ বপন করতে হবে। চারাগুলোর ১ সপ্তাহ পর আঁচড়া দিয়ে জমির মাটি আলাদা করে দিতে হবে। এতে চারার ঘনত্ব ঠিক থাকবে গাছের বাড় বাড়তি ভালো হবে, আগাছা নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে।  রোপা আউশ: বীজ বপনের সময় হলো ১৫ চৈত্র হতে ৫ বৈশাখ (৩০ মার্চ-১৫ এপ্রিল) এবং চারা রোপণের সময় ৫-৩০ বৈশাখ (১৫ এপ্রিল -১০ মে)। উর্বর ও উঁচু জমিতে বীজতলা করতে হবে যেখানে হঠাৎ বৃষ্টিতে/বন্যায় জল উঠার সম্ভবনা নেই। এ ক্ষেত্রে চারার বয়স হবে ১৫-২০ দিনের এবং রোপণ দূরত্ব রাখতে হবে সারি থেকে সারি ২০ সে.মি. ও চারার দূরত্ব ১৫ সে.মি.। সম্পূরক সেচঃ আউশ চাষাবাদ পুরোটাই বৃষ্টি নির্ভর। তবে প্রতি বৎসর সব স্থানে বৃষ্টিপাতের ধরন এক রকম হয় না। এমন কি একই বছরে একই স্থানে সবসময় সমানভাবে বৃষ্টিপাত হয় না। বিশেষত বোনা আউশে এশটি বৃষ্টিপাতের পর জমিতে জো আসলে বীজ ছিটানো হয়। যদি সময়মতো বৃষ্টিপাত না হয় তাহলে যে কোনো পর্যায়ে সাময়িকভাবে বৃষ্টির অভাব দেখা দিলে অবশ্যই সম্পূরক সেচ দিতে হবে। একইভাবে রোপা আউশের সময়ও যদি প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না হয় তবে বৃষ্টির আশায় না থেকে প্রয়োজনে একাধিক সম্পূরক সেচ দেয়া যেতে পারে। এ জন্য আউশ মৌসুমে নিশ্চিত ভালো ফলনের জন্য ধান জমিতে প্রতিষ্ঠিত করতে সম্পূরক সেচের প্রয়োজন পড়ে। বীজ বপনঃ বোনা আউশের বীজ তিনভাবে বপন করা যায়-ছিটিয়ে- এতে শতকরা ৮০ ভাগ অঙ্কুরোদগম সম্পন্ন ভালো বীজ হেক্টরপ্রতি ৭০-৮০ কেজি হারে বুনে দিতে হবে, এরপর হাল্কাভাবে একটা চাষ ও মই দ্বারা মাটি সমান করতে হবে। সারি করে- এতে ২৫ সেন্টিমিটার দূরত্বে ৪-৫ সে.মি. গভীর করে সারি তৈরি করতে হবে এবং হেক্টর প্রতি ৪৫-৫০ কেজি হারে বীজ বপন করতে হবে। এবার মই দিয়ে মাটি সমান করতে হবে। ডিবলিং পদ্ধতিতে- এতে বাঁশ বা কাঠের দন্ড দিয়ে ২০ সেন্টিমিটার পর পর মাটিতে গর্ত করে গর্তপ্রতি ২/৩ টি করে বীজ বপন করে মই দিয়ে মাটি সমান করে দিতে হবে। এ পদ্ধতিতে বপনের জন্য বীজের হার হলো হেক্টর প্রতি ২৫-৩০ কেজি। সার ব্যবস্থাপনাঃ মাটির উর্বরতার মান যাচাই এবং ফলন মাত্রার ওপর ভিত্তি করে সারের মাত্রা ঠিক করা প্রয়োজন। বোনা/রোপা আউশে ইউরিয়া- টিএসপি-এমওপি-জিপসাম- দস্তা (মনোহাইড্রেট) হেক্টর প্রতি ১৩৫ - ৫৫- ৭৫ - ৩৫- ৫ হারে প্রয়োগ করতে হবে। জমি তৈরির শেষ চাষের সময় বোনা আউশের সব সারই প্রয়োগ করতে হবে। বৃষ্টিবহুল বোনা আউশে ইউরিয়া সমান দুকিস্তিতে প্রয়োগ করলে গাছের বাড় বাড়তি ভালো হয় ও ফলন বৃদ্ধি পায়। ১ মণ কিস্তি শেষ চাষের সময় ও ২য় কিস্তি ধান বপনের ৩০-৪০ দিন পর।রোপা আউশে ইউরিয়া ১ কিস্তি (১/৩) শেষ চাষের সময়, ২য় কিস্তি (১/৩) ৪-৫টি কুশি দেখা দিলে (সাধারণত রোপনের ১৫-১৮ দিন পর) এবং ৩য় কিস্তি (১/৩) ইউরিয়া কাইচথোড় আসার ৫-৭ দিন পূর্বে প্রয়োগ করতে হবে। বাকি সার জমি তৈরির সময় প্রয়োগ করতে হবে। জমিতে গন্ধক এবং দস্তার অভাব থাকলে শুধুমাত্র জিপসাম এবং দস্তা (মনোহাইড্রেট) প্রয়োগ করতে হবে। আগাছা ব্যবস্থাপনাঃ উচ্চ তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার কারণে বোনা আউশ ধানে আগাছার খুবই উপদ্রব হয়। সময়মতো আগাছা দমন না করলে শতকরা ৮০-১০০ ভাগ ফলন কমে যায়। সাধারণত হাত দিয়ে, নিড়ানি যন্ত্রের সাহায্যে অথবা আগাছানাশক ব্যবহারের মাধ্যমে আগাছা দমন করা যায়। হাত দিয়ে আগাছা নিড়ানো কষ্টকর ও শ্রমসাধ্য। এ ক্ষেত্রে বীজ বপনের ১৫-২০ দিন পর প্রথমবার এবং ৩৫-৪০ দিন পর দ্বিতীয়বার আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। সারি করে বপন বা রোপণ না করলে নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহার করা যায় না। আগাছানাশক ব্যবহারের মাধ্যমে আগাছা দমন করা সহজ ও সাশ্রয়ী।  পোকামাকড় ব্যবস্থাপনাঃ নিবিড় চাষাবাদের কারণে আউশে পোকামাকড়ের প্রাদুর্ভাব ও আক্রমণ আগের চেয়ে বেড়েছে। ফলে ক্ষতিকর পোকা দমন এবং ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। আউশে মুখ্য পোকাগুলো হলো- মাজরা পোকা, পামরী পোকা, থ্রিপস, পাতা মোড়ানো পোকা, সবুজ পাতা ফড়িং, গান্ধি পোকা ইত্যাদি উলেস্নখযোগ্য। পোকার ক্ষতির মাত্রা, পোকার প্রজাতি, পোকার সংখ্যা, এলাকার সামগ্রিক পরিবেশ, উপকারী পরভোজী ও পরজীবী পোকামাকড়ের সংখ্যা ইত্যাদি দেখে প্রয়োজনে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। প্রধান প্রধান ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ দমন করলে বোরো, আউশ এবং রোপা আমন মওসুমে যথাক্রমে শতকরা ১৩, ২৪ এবং ১৮ ভাগ ফলন বেশি হতে পারে। রোগ ব্যবস্থাপনাঃ আউশে ৬টি রোগকে প্রধান বলে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এগুলো হলো- খোলপোড়া ও খোলপচা রোগ, বাকানি রোগ, ব্যাকটেরিয়াজনিত পাতা পোড়া ও লালচে রেখা রোগ এবং টুংরো রোগ ইত্যাদি।  সম্ভাবনা ও সুপারিশঃ কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েব পোর্টাল থেকে জানা যায়, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমি ৮৫.৭৭ লাখ হেক্টর, মোট সেচকৃত জমি ৭৪.৪৮ লাখ হেক্টর, আবাদযোগ্য পতিত জমি ২.২৩ লাখ হেক্টর। সেচ নির্ভর জমি বোরো উৎপাদনে ছেড়ে দিয়ে দেশজুড়ে থাকা আবাদযোগ্য পতিত জমিতে আউশ আবাদ সম্প্রসারণ করা গেলে গড় ফলন ৩.০ টন/ হে. ধরলেও বিপুল পরিমাণ ফলন জাতীয় উৎপাদনে যোগ হবে। সেচ নির্ভর বোরো ধান আমাদের খাদ্য নিরাপত্তায় সর্বাধিক অবদান রাখা সত্ত্বেও ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে ও ভৌগলিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন্ন রাখার স্বার্থে বোরো আবাদি এলাকা যথাসম্ভব কমিয়ে পানি সাশ্রয়ী আউশের আবাদ বৃদ্ধি করা জরুরি। 

  • বিয়ে মানেই কেনাকাটার লম্বা ফর্দ, খরচ করুন প্ল্যান করে

    newsbazar24: বিয়ের কেনাকাটা করার আগে থেকেই একটা প্ল্যান করে নিতে হবে কখন কোনটা কিনবেন৷ না হলে প্রয়োজনের সময় হাতের কাছে ঠিক জিনিসটি নাও পেতে পারেন৷ প্ল্যানিং-এ সাহায্য করলো ‘অন্য সময়’ বিয়ে মানেই কেনাকাটার লম্বা ফর্দ৷ কনের বেনারসি থেকে বরের আংটি, তত্ত্বে পাঠানোর হাজারো টুকিটাকি কোনও কিছুই তো ফেলনা নয়৷ তাই এই লম্বা লিস্টের কোনও কিছুই যাতে বাদ না যায়, তার জন্য আগে থেকেই পরিকল্পনা করুন৷ কখন কোনটা কিনে নেবেন আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন৷ যেমন ধরুন বিয়েতে কনের বেনারসিটা অন্তত তিন মাস আগে কিনে ফেলাটা খুব দরকার৷ অথবা বিয়ের দিন ডিজাইনার শাড়ি পড়ার প্ল্যান থাকলেও সেটাও আগে ভাগেই তৈরি করিয়ে নিন৷ না হলে শাড়ির সঙ্গে মানানসই ব্লাউজটা বানাবেন কী করে৷ অনেক সময়েই বিয়ের গয়না আগে থাকতেই কেনা থাকে৷ যদি না থাকে তাহলে শাড়ি কেনার সঙ্গে সঙ্গে গয়নাগাটি কেনার ব্যাপারটাও মিটিয়ে ফেলুন৷ সঙ্গে কিনে ফেলতে হবে বরের ধুতি পাঞ্জাবি, আঙটি ইত্যাদি৷ দেখবেন এগুলো কিনে ফেললেই অনেকটাই নিশ্চিন্ত বোধ করবেন৷ তবে শুধু বর কনের সাজ নয়, বিয়ের তত্বের কেনাকাটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ৷ তত্ত্বে বর কনের জন্যও যেমন আলাদা করে জামাকাপড়, প্রসাধনী থাকে, তেমনই বরের পরিবারের অন্যান্যদের জন্যও উপহার স্বরূপ পোশাক ও অন্যান্য সামগ্রী থাকে৷ খুব ভালো হয় যদি কনের বেনারসি কেনার সঙ্গে সঙ্গেই তার অন্য প্রয়োজনীয় পোশাক ও প্রসাধনীগুলো কিনে নেওয়া হয়৷ প্রসাধনী কেনার সময় মাথায় রাখুন, যেগুলি একান্তই প্রয়োজনীয়, কেবল সেগুলিই কিনুন৷ এবং অন্য আর একটা দিন ঠিক করুন পরিবারের অন্যদের জন্য উপহার কেনার৷ আগে থেকেই কার জন্য কী কেনা হবে তা ঠিক করে রাখুন৷ প্রয়োজনে লিখেও রাখতে পারেন৷ তবে তত্বের কেনাকাটা মানেই শুধু পোশাক আশাক আর প্রসাধনী নয়, তত্বের মিষ্টিও একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার৷ তাই তত্বের জন্য আলাদা মিষ্টি ও নোনতা খাবার আগে থেকেই অর্ডার করুন, যাতে ঠিক সময় পাঠাতে পারেন৷ ড্রাই ফ্রুটস দিতে চাইলে বিয়ের দুই একদিন আগেই সেগুলি কিনে ফেললুন৷ বিয়ের খাওয়া দাওয়া ঃ খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারটা বিয়েতে খুব গুরুত্বপূর্ন৷ সুতরাং এব্যাপারেও আগে থেকেই নজর দেওয়াটা খুব জরুরি৷ এখনকার বিয়ের খাওয়াদাওয়ার চিত্রটা কিন্তু আগের চেয়ে অনেক বদলে গেছে৷ তাই রুচি ও চাহিদার কথা ভেবে বিয়ে বাড়ির মেনুতে রোজই নতুন নতুন খাবার নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করা হচ্ছে৷ আর শীতের মরশুমে নতুন ধরনের ডিশ পরিবেশন করার অনেক সুযোগও থাকে৷ কারণ বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়েও এই সময়টাই নানান সবজি, ফল ইত্যাদি পাওয়া যায়৷ আগে থেকেই ক্যাটারারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন৷ কী ধরনের খাবার মেনুতে রাখতে চান, আলাদা করে আলোচনা করে নিন৷ আজ কাল কিন্ত্ত আগে থেকেই খাবার টেস্ট করিয়ে নেওয়ার একটা চল হয়েছে৷ যদি নতুন কোনও খাবার পরিবেশন করার কথা ভাবা হয়, তাহলে খাবারটা আদতে নিমন্ত্রিত অতিথিদের কতটা ভালো লাগবে, তার একটা ধারণা তৈরি হয়ে যাবে৷ আলাদা করে নিরামিষ ও আমিষ মেনুর তালিকাও তৈরি করুন৷ শেষ পাতে মিষ্টিমুখের কথাটাও মাথায় রাখুন৷ শীতের মরশুমে মিষ্টি নিয়ে নানান ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করা যেতেই পারে৷ নতুন ধরনের মিষ্টি খাইয়ে অতিথিদের চমকে দিতে পারেন৷ নানান ফল দিয়ে তৈরি মিষ্টি কিন্ত্ত এখন বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে৷ তাছাড়া মাথায় রাখতে পারেন সুগার ফ্রি বা লো ক্যালোরি মিষ্টির কথাও৷ তবে সবার আগে বিয়ের রাতে নিমন্ত্রিতদের সংখ্যার একটা আন্দাজ থাকাটা খুবই জরুরি৷ সেই মতোই খাবার দাবারের ব্যবস্থা করুন৷ আগে পরিবারে কোনও বিয়ে লাগলে, আত্মীয় স্বজনরাই সকলে মিলে সমস্ত দায়িত্ব সামলে দিতেন৷ কিন্তু এই ব্যস্ত জীবনে সেটা আর সম্ভব নয়৷ সেই জন্যই এখন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাগুলির এতটা রমরমা৷ এঁদের সাহায্য নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ৷ আপনি বিয়ের দিন ঠিক যেমন আয়োজন চাইছেন, এঁরা ঠিক তেমনটাই করে দেবেন৷ মণ্ডপ সজ্জা থেকে, ফুল কেনাকাটা, খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করা, নিমন্ত্রিত অতিথিদের দেখাশোনা করা, সব কিছুই এঁদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে৷ শুধু আপনি ঠিক কী চান সেটা কিন্ত্ত এঁদের পরিষ্কার করে জানিয়ে দিলেই হবে৷

  • মন্ত্র শুরু ‘ওম’ দিয়ে, শেষ ‘স্বহা’য়, কারণ জেনে নিন

    newsbazar24: হিন্দুশাস্ত্রে যখনই কোনও মন্ত্র উচ্চারিত হয়, তা শুরু হয় ‘ওম’ দিয়ে। আর শেষ হয় ‘স্বহা’ উচ্চারণ করে।  ইষ্টদেবতা যেই হন, তাঁর উদ্দেশে মন্ত্র সব সময়ই শুরু হয় ‘ওম’ দিয়ে। বৈদিক, পৌরাণিক বা বীজমন্ত্র— কোথাওই এর অন্যথা হয় না। ‘ওম’ শব্দের উল্লেখ প্রথম পাওয়া যায় উপনিষদে। এবং সেখানেই বলা হয়েছে এই শব্দের নানা অর্থ। যেমন, ওম মানে ব্রহ্মাণ্ড, ওম মানে আত্মা, ওম মানে পরমাত্মা।অন্য দিকে, ঋগ্বেদে ‘স্বহা’ শব্দের অর্থ ‘আহুতি’। পুরাণে কথিত, কোনও এক সময়ে দেবতাদের খাওয়ার মতো কিছু ছিল না। ব্রহ্মার কাছে গিয়ে সেই দুর্দশার কথা জানালে, যজ্ঞে উৎসর্গিত বস্তুকে তিনি খাদ্যদ্রব্যে রূপান্তরিত করেন। কিন্তু, সঙ্গে এমন এক শর্তও রাখেন যে, মন্ত্রের শেষে ‘স্বহা’ উচ্চারণ না করলে উৎসর্গিত দ্রব্য দেবতাদের কোনও কাজেই লাগবে না। সেই থেকেই স্বহা ও অগ্নিদেবের সহাবস্থান। 

  • মেয়েরা বিয়ের পরে তাদের আইনি অধিকারগুলি সম্পর্কে সচেতন হন

    newsbazar24: শ্বশুরবাড়িতে যে মেয়েরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাঁদের যোগ্য অধিকার এবং সম্মান পান না, তার সাম্প্রতিক উদাহরণ হল ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়, যেখানে বিচারপতি কে এস রাধাকৃষ্ণন ও দীপক মিশ্রের বেঞ্চ জানায় যে, বাড়ির বউয়ের সঙ্গে পরিবারের সদস্যের মতো ব্যবহার করতে হবে, অপরিচিতের মতো নয়। সে পরিবারের অংশ, বাড়ির কাজের লোক নয়। এবং কোনও পরিস্থিতিতেই তাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া যাবে না। ভারতীয় আইনে ঠিক কী কী অধিকারের কথা বলা আছে, সেই সম্পর্কে মেয়েদের ভাল ভাবে ধারণা থাকা উচিত—সবধর্মনির্বিশেষে: ১. সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বাঁচার অধিকার। পূত্রবধূর উপর কোনও রকম শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অ্যাক্টের লঙ্ঘন। তাই শুধু যে গায়ে হাত তুললেই নয়, দুর্ব্যবহার ও ইচ্ছাকৃত মানসিক অত্যাচারও ভায়োলেন্সের মধ্যে পড়ে। ২. স্বামী ও পরিবার যে জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত, বধূকে ঠিক সমমানের জীবনযাত্রা দিতে হবে। এমনকী, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে গেলেও স্ত্রী ও তার সন্তানের খাওয়াদাওয়া, থাকার জায়গা, পরিধান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত খরচ বহন করা স্বামীর ‘আইনি’ কর্তব্য। হিন্দু বধূদের অধিকার: ৩. স্ত্রীধন হল সেই সমস্ত উপহার যা বিয়ের আগে বা পরে অর্থাৎ বিয়ে উপলক্ষে এবং সন্তানের জন্মের সময় একজন ভারতীয় বধূ পেয়ে থাকেন। এর মধ্যে পড়ে যে কোনও স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, গয়না, উপহার, টাকা সব কিছুই। হিন্দু সাকসেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী, এই স্ত্রীধনের উপর একজন বধূর সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে। এমনকী, যদি তার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের থাকে, তবেও তিনি যে কোনও সময় স্ত্রীধন তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করতে পারেন। একজন বিবাহিত নারীর স্ত্রীধনের অধিকারকে নস্যাৎ করা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অ্যাক্ট ২০০৫-এর অন্তর্গত একটি অপরাধ। আবার স্ত্রীধন নষ্ট বা তার অপব্যবহারও সেকশন ৪০৫ অনুযায়ী একটি অপরাধ। ৪. যতক্ষণ না বিবাহবিচ্ছেদের সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত স্বামীর উপর স্ত্রীর অধিকারই শেষ কথা। স্ত্রীর সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোনও বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক রাখতে পারেন না কোনও স্বামী। ৫. স্বামী যে বাড়িতে থাকেন, সেই বাড়িতে থাকার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে বিবাহিত স্ত্রীর, সেটা হতে পারে স্বামীর পারিবারিক সম্পত্তি, ভাড়া করা বাড়ি অথবা কর্মসূত্রে পাওয়া থাকার জায়গা। স্ত্রীর সেই বাড়ির মালিক হোন বা হোন, তিনি যতদিন বাঁচবেন, ততদিন সেই বাড়িতে থাকার আইনি অধিকার রয়েছে তাঁর।  মুসলিম বধূদের অধিকার: ৬. হিন্দুদের স্ত্রীধনের মতোই অনেকটা মুসলিমদের মেহের। বিয়ের সময় এটি স্ত্রীকে স্বামীর উপহার এবং একই সঙ্গে একটা প্রতিশ্রুতিও বটে। এর মধ্যে গয়না, নগদ অর্থ, বাড়ি অথবা যে অর্থমূল্য রয়েছে এমন যে কোনও সম্পত্তি হতে পারে। মেহের-এর সম্পূর্ণ অধিকার কিন্তু সেই নারীর এবং সহবাস শুরু করার আগে মেহের স্ত্রীকে দান করতে হয়। তা না হলে স্ত্রী সহবাস আটকে দিতে পারেন। অনাদায়ী মেহেরের জন্য স্ত্রী আইনের দ্বারস্থ হতে পারেন। সেকশন ১২৫-এর মধ্যেও রক্ষণাবেক্ষণের মধ্যে ধরা হয় মেহেরের অর্থ। ৭. শরিয়তী আইন অনুযায়ী স্বামীর মৃত্যুর পরে একজন মুসলিম নারী তাঁর স্বামীর সম্পত্তির আট ভাগের একভাগের ভাগীদার হবেন যদি তাঁদের সন্তানাদি থাকে। সন্তান না থাকলে স্বামীর সম্পত্তির চারভাগের একভাগ স্ত্রীর প্রাপ্য। ৮. বিবাহবিচ্ছেদের পরে, ইদ্দত পর্যায় পর্যন্ত খরচা বহন করা স্বামীর দায়িত্ব। ইদ্দত শেষ হলে যদি সেই নারীর পুনর্বিবাহ না হয় এবং সে নিজের খরচা বহন করতে অক্ষম হয় তবে তার পরিবারের পক্ষ থেকে রক্ষণাবেক্ষণ খরচের জন্য আবেদন করা যায় মুসলিম নারীদের বিবাহবিচ্ছেদ সংক্রান্ত আইনের আওতায়। 

  • জুন মাসে ‘থোকায় থোকায়’ জ্বলে জোনাকি, যাবেন নাকি এমন জায়গায়

    newsbazar24:বর্ষার শুরু, অর্থাৎ জুন মাস নাগাদ পুরুষওয়াদিতে সন্ধে হলেই জ্বলে ওঠে হাজার হাজার জোনাকি।এখনও অনেক সময় রয়েছে। প্ল্যান করে ফেলুন আগামী জুন মাসের জন্য। বাণিজ্য নগরী মুম্বই থেকে মাত্র ৪ ঘণ্টা দূরত্বেই রয়েছে এক স্বপ্নপুরী। মুম্বই বা পুণে থেকে নাসিক যাওয়ার পথেই পড়ে আদিবাসী অধ্যুষিত একটি গ্রাম। নাম পুরুষওয়াদি। মহারাষ্ট্রের আকোল জেলার দু’টি নদী, কুরকুন্ডি ও মুলার মাঝে রয়েছে সবুজে ঢাকা এই গ্রাম। গত কয়েক বছর ধরে, জুন মাস এলেই পুরুষওয়াদিতে শুরু হয় ‘ফায়ারফ্লাইজ ফেস্টিভ্যাল’।মহারাষ্টের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পুরুষওয়াদিতে ইকো-ট্যুরিজিম গড়ে তোলার চেষ্টা করছে বর্তমানে। হোম-স্টে, স্থানীয় খাবার, শহুরে জীবন থেকে একটু দূরেই সম্পূর্ণ প্রকৃতির মাঝে সপ্তাহান্তের দু’টি দিন কাটানোর সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলাই তাদের লক্ষণ। কিন্তু, এ সবের জন্য নয়, পুরুষওয়াদির জনপ্রিয়তা বেড়েছে একেবারেই অন্য কারণে। বিভিন্ন পর্যটন সংস্থা ও সংবাদমাধ্যমের সূত্র ধরে জানা যায় যে, বর্ষার শুরু, অর্থাৎ জুন মাস নাগাদ পুরুষওয়াদিতে সন্ধে হলেই জ্বলে ওঠে হাজার হাজার জোনাকি।   

  • বাস্তুশাস্ত্রের হিসাব বলছে এই নবরাত্রি মরশুমেই টাকার পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা

    newsbazar24: বাস্তুশাস্ত্রের হিসাব বলছে এই নবরাত্রি মরশুমেই টাকার পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা সেদিক থেকে দেখে নেওয়া যাক কয়েকটি টিপস। যাঁরা ধনলাভে আগ্রহী তাঁরা এই সময়ে দূর্গার পূজাপাঠ করুন। নবরাত্রির অষ্টমীর দিন বিশেষত মা দবর্গার পূজায় মনো নিবেশ করলেই ধনলাভের সম্ভাবনা বাড়বে বলে দাবি বাস্তুশাস্ত্রবিদদের।দরজায় মা লক্ষ্মীর ছবি নবরাত্রির সময় দরজায় মা লক্ষ্নীর ছবি রাখলে তা রীতিমত কার্যকরী হতে পারে। এরমাধ্যমে ঘরে আর্থাগম বাড়তে পারে বলে দাবি বিভিন্ন বাস্তুবিদদের। ঘরের ওপর ওম চিহ্ন যে ঘরে থাকছেন সেই ঘরের মাথায় ওম চিহ্ন টাঙিয়ে রাখতে পারেন। তাহলে তা ঘরে আর্থিক আগমন বাড়িয়ে দিতে পারে বলে দাবি বাস্তুশাস্ত্রকারদের।