���������������������������


  • মধু ও আমলকি একসাথে খেলে আপনার কি কি উপকার হবে ?

    মধু ও আমলকি একসাথে খেলে আপনার কি কি উপকার হবে ? কীভাবে তৈরি করবেন মধু আমলকী একটি মাঝারি আকৃতির বয়ামে অর্ধেক পরিমাণ মধু নিন। এর মধ্যে কয়েকটি আমলকি দিন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে দিন। কিছুদিন পর দেখবেন আমলকি নরম হয়ে গেছে। এটি অনেকটা জ্যামের মতো হয়ে যাবে। মিশ্রণটি প্রতিদিন সকালে খেতে পারেন। তবে যেকোনো খাবার নিয়মিত খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এবার জেনে নিন মধু আমলকীর গুণাগুণ মধু ও আমলকি একসাথে খেলে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এটি লিভার থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। এটি লিভারের কার্যক্ষমতা ভালো করতে সাহায্য করে। বার্ধক্যের চিহ্ন প্রতিরোধ করে মধুর মধ্যে আমলকি মিশিয়ে খেলে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার গতিকে ধীর করে। এই উপকার পেতে মিশ্রণটি প্রতিদিন এক চা চামচ করে খেতে হবে। এটি বলিরেখা দূর করতেও সাহায্য করে। অ্যাজমা প্রতিরোধ করে মধুর মধ্যে আমলকি ভিজিয়ে খেলে অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস এবং অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা অনেকটাই কমে। এরমধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এটি ফুসফুস থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে এবং ফ্রি রেডিকেলস দূর করতে সাহায্য করে। এটি ফুসফুসের নালীকে সরু করে দেয় এবং অ্যাজমার আক্রমণ প্রতিরোধ করে। কফ, ঠান্ড প্রতিরোধ করে কফ, ঠান্ডা এবং গলার সংক্রমণ প্রতিরোধে এই মিশ্রণ বেশ সাহায্য করে। ঠাণ্ডার সময় এক টেবিল চামচ আমলকি ও মধুর মিশ্রণ খেলে আরাম পাওয়া যায়। এর সাথে একটু আদার রস মেশাতে পারেন। আমলকি ও মধু গলার সংক্রমণের সাথে লড়াই করে। হজমের সমস্যা সমাধানে এসিডিটি আর হজমের সমস্যা সমাধানে আমলকি ও মধু খুব ভালো উপাদান। এটি খাবার ভালোভাবে হজমে সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধেও সাহায্য করে। শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে আমলকি ও মধুর মিশ্রণ শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে এই মিশ্রণ খেলে অন্ত্র ও রক্তের বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়।

  • ব্রেস্ট ক্যান্সার “ কি করে রোধ করবেন ? জানতে হলে লিংক এ ক্লিক করুন…..

    এখন প্রচুর মানুষের এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এই সমস্যা থেকে দূরে থাকতে অনেকটাই সাহায্য করে ব্রেস্ট ম্যাসাজ। ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং মেয়েদের শরীরে প্রয়োজনীয় হরমোনের পরিমাণ বাড়ে। যা কিনা ব্রেস্ট ক্যান্সার রোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই হরমোন ব্রেস্ট ক্যান্সার হাওয়া থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে ব্রেস্টের টিস্যুগুলির পরিবর্তন হয়। যা ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে। ব্রেস্টে ব্যথা অনেকেরই ব্রেস্টে ব্যথা হয় যখন পিরিয়ড চলে। এই ব্যথা কমাতে ব্রেস্ট ম্যাসাজ করা দরকার। নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে এই ধরনের ব্যথা, অস্বস্তি কমে যায়। কিন্তু যদি খুব বেশি ব্যথা করে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। ব্রেস্ট স্যাগিং অনেকেরই ব্রেস্ট খুব অল্প বয়সেই ঝুলে যায়। এতে খুবই অস্বস্তি হয় ও বাজে দেখতে লাগে। এটি আটকাবার জন্য ব্রেস্ট ম্যাসাজ দরকার। রোজ একটু করে, বা সপ্তাহে তিনদিন করলে এই সমস্যা আটকান যায়। ব্রেস্ট ম্যাসাজ ব্রেস্টকে টাইট রাখতে বেশ সাহায্য করে। তার ফলে ব্রেস্ট ঝুলে যায় না। ব্রেস্ট শেপ অনেকেরই শরীরের বৃদ্ধি ঘটার সাথে সাথে ব্রেস্টের বৃদ্ধি সেই ভাবে ঘটে না। এর জন্য নিজের খুবই অস্বস্তি হয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ব্রেস্ট ম্যাসাজের থেকে ভালো আর কিছু হয়না। নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে ব্রেস্টে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। টিস্যুগুলির পরিবর্তন হয়। তার ফলে ধীরে ধীরে ব্রেস্ট বাড়তে থাকে। রোজ স্নানের সময় ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে দেখবেন আস্তে আস্তে ব্রেস্টের বৃদ্ধি ঘটছে। ডিপ্রেশন ব্রেস্ট ম্যাসাজ শুধু ব্রেস্টের বৃদ্ধি ঘটাতে, বা ব্রেস্ট ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে না, বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে, নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ নাকি ডিপ্রেশন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ব্রেস্ট ম্যাসাজ তিনটি এমন হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায় যা এই ডিপ্রেশনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ সাহায্য করে। এগুলি শরীরের এজিং প্রসেসকেও নিয়ন্ত্রণ করে। যেটি ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। ব্রেস্ট ম্যাসাজ করার কিছু নিয়ম আছে:- ১. ব্রেস্ট যদি বেশি ঝুলে যায় তাহলে, অয়েল ম্যাসাজ করুন। অলিভ তেল বা নারকেল তেল ম্যাসাজ করতে পারেন। এছাড়াও বরফ ম্যাসাজ ব্রেস্টকে সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। কয়েকটা বরফের টুকরো নিয়ে ব্রেস্টের চারপাশে গোল করে ম্যাসাজ করুন। বা কাপড়ের মধ্যে বরফ নিয়েও ম্যাসাজ করতে পারেন। এতেও কাজ হবে। ২. এছাড়াও সরষের তেল সবার বাড়িতেই থাকে। একটু সরষের তেল গরম করে ব্রেস্টএর চারপাশে গোল করে হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। বা ব্যবহার করতে পারেন খাঁটি মধু। এটি ব্রেস্টের শেপ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। সাথে সাথে ম্যাসাজের ফলে রক্ত সঞ্চালনও বাড়ে। ৩. যদি হাতের কাছে কোন তেল না থাকে তাহলে, হাত দুটো ঘষে প্রথমে গরম করে নিন। তারপর গরম হাত দুটো ব্রেস্টের তলায় রাখুন। এরপর দুটো হাত দুদিক থেকে, একটা হাত ঘড়ির কাঁটার দিকে আর অন্য হাতটি ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে ম্যাসাজ করুন। রোজ ১০ থেকে ১৫ মিনিট এই ম্যাসাজ করুন। তাহলে দেখলেন তো ব্রেস্ট ম্যাসাজেরও কত গুণ রয়েছে। তাই ব্রেস্ট ম্যাসাজ শুধু ব্রেস্টের সৌন্দর্য বাড়াতে নয়, ব্রেস্ট ক্যান্সারের মত ভয়াবহ রোগের হাত থেকে নিজেকে দূরে রাখতে রোজ একটু করে ব্রেস্ট ম্যাসাজ করুন ।              - জিৎ বর্মন

  • খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখুন মিষ্টি কুমড়া, ক্যানসার ছাড়াও আটকাবে অনেক রোগ

    পারমিতা দাস: খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে। পারে ক্যান্সার রোগকে আটকাতে। নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ো খেলে মানব শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে না বলেই জানা গেছে , কেননাটি কুমড়া এমন একটি সবজি, যার রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ। তাই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মিষ্টি কুমড়া ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে। আর্টারির দেয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে মিষ্টি কুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদরোগও প্রতিরোধ করা যায়। চকচকে উজ্জ্বল চুল ও সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন। পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে অক্টোবরের শেষে মিষ্টি কুমড়ার চাহিদা থাকে ভীষণ। কারণ মিষ্টি কুমড়া বা Pumpkin দিয়ে তৈরি করা হয় হ্যালোইনের বিশেষ বাতি। সবজি হিসেবেও এর অবদান কম নয়। মিষ্টি কুমড়ার মতো সুস্বাদু সবজি খুব কমই রয়েছে। হালকা মিষ্টি স্বাদের এই সবজিটি পাওয়া যায় সারা বছর জুড়ে। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে। কেননা মিষ্টি কুমড়া এমন একটি সবজি, যার রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ। শুধু তরকারি হিসেবেই নয়, অন্যান্য ফলের মতো মিষ্টি কুমড়া ব্যবহার করতে পারেন সালাদ বা স্যুপ তৈরিতেও। জেনে নিন মিষ্টি কুমড়ার কিছু উপকারিতা। এবং চেষ্টা করুন নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ো খেতে। ১)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। বিটাক্যারোটিন সমৃদ্ধ এই সবজিটি তাই চোখের জন্য খুবই ভালো। বয়সজনিত রোগ বিশেষ করে রেটিনার বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শুধু চোখের অসুখ নয়, ভিটামিন এ-এর অভাবজনিত অন্যান্য রোগেও মিষ্টি কুমড়া উপকারী। ২)গাজরের তুলনায় মিষ্টি কুমড়াতে অধিক পরিমাণে বিটাক্যারোটিন। গাজরে যেখানে ১৩ মিলিগ্রাম বিটাক্যারোটিন রয়েছে, মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে ৩৩ মিলিগ্রাম বিটাক্যারোটিন। বিটাক্যারোটিন এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। শরীরের ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন দূষণ, স্ট্রেস ও খাবারে যে সব কেমিক্যাল ও ক্ষতিকর উপাদান থাকে সেগুলোর কারণে ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ হতে শুরু করে। ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজের ফলে শরীরের ভালো কোষগুলো নষ্ট হতে শুরু করে এবং খারাপ কোষের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। সবুজ, কমলা, হলুদ রঙের সবজিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি পরিমাণে থাকে। তাই মিষ্টি কুমড়া ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ প্রতিরোধ করতে পারে। ৩)অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মিষ্টি কুমড়া ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে। আর্টারির দেয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে মিষ্টি কুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদরোগও প্রতিরোধ করা যায়। ৪)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে সর্দি-কাশি, ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। মিষ্টি কুমড়ার ভিটামিন এ ও সি চুল ও ত্বক ভালো রাখে। তাই চকচকে উজ্জ্বল চুল ও সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন। ৫)মিষ্টি কুমড়াতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। তাছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম যা হাইপারটেনশন এবং হৃদরোগ দূরে রাখে। এছাড়া মিষ্টি কুমড়ার বিভিন্ন উপাদান। ইউরিনেশনের সমস্যা কমায় ও কিডনিতে পাথর হতে বাধা প্রদান করে। ৬)মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় তা সহজেই হজম হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে মিষ্টি কুমড়ার জুড়ি নেই। ৭)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিংক ও আলফা হাইড্রোক্সাইড। জিংক ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো রাখে ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়া বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও মিষ্টি কুমড়া সাহায্য করে। শুধু তরকারি হিসেবেই নয়, অন্যান্য ফলের মতো মিষ্টি কুমড়া ব্যবহার করতে পারেন সালাদ বা স্যুপ তৈরিতেও। এক কথায়  মিষ্টি কুমড়া সম্পর্কে বলতে গেলে সস্তার সবজি মিষ্টি কুমড়া ১২ মাস পাওয়া যায়। আর এর রেসিপি ও অনেক। নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও বেড়ে ওঠে।

  • আনারস ! চলুন জেনে নিন আপনার জন্য উপকারী না অপকারি ফল

    News Bazar24: বর্ষা কালের পর থেকে শরৎ কাল পর্যন্ত মৌসুমী ফল গুলির মধ্যে আনারস অনেক সুস্বাদু ও উপকারী একটি ফল। তবে স্বাদের পাশাপাশি এর রয়েছে অনেক গুনও। তবে অনেকের ক্ষেত্রেই আবার আনারস আবার অপকারী ফল। ফলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে আনারস না খওয়াই ভালো। চলুন জেনে নিন আনারসের গুণাগুণ ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। ১. আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ এ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। যেগুলো শরীরের কোষকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। ফলে অথেরোস্ক্লেরোসিস, হার্ট রোগ, বাত এবং বিভিন্ন ক্যান্সার থেকে সুরক্ষিত থাকা যায়। ২. আনারসে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। যা জীবাণুর সংক্রমণ বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবনের পাশাপাশি আনারস খেলে সর্দি-কাশি থেকে কার্যকরভাবে আরোগ্য লাভ সহজ হয়। ৩. প্রচুর পরিমাণ ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে আনারসে। যা হাড় ও কানেক্টিভ টিস্যুকে করে শক্তিশালী। এক কাপ আনারসের জুস আমাদের দৈনিক প্রয়োজনীয় ম্যাঙ্গানিজের ৭৩ ভাগ পূরণ করতে সক্ষম। ৪. আনারস খেলে ভালো থাকবে আপনার দাঁতের মাড়ি আর দাঁত দুটোই। আর ভুলে যাবেন না এতে আছে ক্যালসিয়াম। ৫. আনারস জ্বর ও জন্ডিস রোগের জন্য বেশ উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালরি, যা আমাদের শক্তি জোগায়। গবেষণায় দেখা গেছে, আনারস গলা ব্যথা, সাইনোসাইটিসজাতীয় অসুখগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে। হজমে সাহায্য করে। সঙ্গে শরীরের অন্য অঙ্গগুলোকেও ভালো রাখে। এবার জেনে নিন , সুস্বাদু এই আনারসের বেশ কিছু খারাপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। চলুন জেনে নিন বিষয় গুলো। ১। অ্যালার্জীর আক্রমনঃ আনারস খাওয়ার ফলে অনেক নারী ও পুরুষের দেহে অ্যালার্জী দেখা দিতে পারে। আনারস খাওয়ার ফলে অ্যালার্জীর উপসর্গ হল ঠোঁট ফুলে যাওয়া ও গলায় সুরসুরি বোধ হওয়া।তাই আনারস খাওয়ার আগে তা কেটে লবন পানি দিয়ে ধুয়ে নেয়া উচিত। এভাবে ধুয়ে নিয়ে খেলে কোন সমস্যা হওয়ার সম্ভবনা থাকেনা। ২। নারীর গর্ভপাত ঝুঁকিঃ আনারসের কারণে নারীদের গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। গর্ভাবস্থায় থাকলে নারীদের আনারস খেতে বারণ করা হয়। তাছাড়া গর্ভাবস্থার পরে চাইলে আনারস খেতে পারেন কিন্তু শরীরের অবস্থা বুঝে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে। ৩। বাতের ব্যথা হওয়ার ঝুঁকিঃ যখন আপনি আনারস খাবেন তখন এটি আপনার গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল নালীর কাছে পৌঁছানোর পর এটি অ্যালকোহলে পরিনত হয়। এবং এই কারণে মানুষের দেহে বাতের ব্যথা শুরু হতে পারে। তাই যে সকল মানুষের দেহে বাতের ব্যথা আছে কিংবা সন্দেহ করা হচ্ছে বাত হতে পারে তাদের আনারস না খাওয়াটাই ভালো। ৪। রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়ঃ আনারসে আছে অনেক বেশি পরিমানে প্রাকৃতিক চিনি। আনারসের ২ টি চিনি উপাদান সুক্রোজ এবং ফ্রুক্টোজ যা ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু দেহের ক্ষতি, এটি খাওয়ার উপর নির্ভর করে। এবং আনারসের মধ্যে অতিরিক্ত চিনি আমাদের দেহে রক্তের চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই আনারস বেশি না খেয়ে সপ্তাহে ২ দিন খেতে পারেন। ৫। ওষুধের প্রতিক্রিয়াঃ আনারসে আছে ব্রমিলেইন যা দিয়ে ওষুধ বানানো হয়ে থাকে এবং কোন রোগীর প্রয়োজন পরলে তাকে তা দেয়া হয়ে থাকে। তাছাড়া আপনি যদি কোন কারণে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিকনভালসেন্ট ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আনারস খেতে ডাক্তাররা নিষেধ করে থাকেন। কারন এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ৬। কাঁচা আনারসে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ অনেকেই কাঁচা আনারস ব্যবহার করে থাকেন জুস বানানোর জন্য কিন্তু এটি দেহের জন্য ক্ষতিকর এবং খুব বিষাক্ত। এবং মাঝে মাঝে কাঁচা আনারস খাওয়ার কারণে বমির প্রবনতা দেখা দেয়। ৭। কাঁচা আনারস মুখ ও গলার জন্য ক্ষতিকরঃ কাঁচা আনারসে আছে অনেক বেশি পরিমানে এসিডিটি যা আমদের মুখের ভিতর ও গলায় শ্লেষ্মা তৈরি করে। এবং ফলটি খাওয়ার পর মাঝে মাঝে অনেকের পেটে ব্যথাও হতে পারে। ৮। রক্ত তরলিকরন ওষুধঃ রক্ত তরল করার জন্য যে ওষুধ বানানো হয় তাতে আনারস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই ফল দেহে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াতে বাঁধা প্রদান করে থাকে। ৯। আনারসের ব্রমিলেইনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ ব্রমিলেইন আনারসের একটি উপাদান যা আমদের দেহের প্রোটিনের পরিমাণ নষ্ট করাতে দায়ী থাকে। এবং এই ফল দেহে ডার্মাটাইটিস ও অ্যালার্জী সংক্রামন করে। ১০। দাঁতের জন্য ক্ষতিকরঃ আনারস আমাদের দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। যাদের দাতে কেভিটিস ও জিংজাইভেটিভস এর সমস্যা আছে তাদের আনারস না খাওয়াই ভালো। তবে একটা কথা না বললেই নয়, সেটা হলো ( গর্ভ বতী মহিলা ) ব্যতীত, যাদের পক্ষে আনারস খতিকারক তারা অল্প সল্প আনারস খেলে খেতে পারেন। তবে বেশি মাত্রায় যেন না হয় ।

  • দক্ষিণের হৃদরোগ অভিজ্ঞ ডাক্তারদের মালদায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিলেন ডাক্তার ডি, সরকার

    শঙ্কর চ্ক্রবরতী : হৃদ রোগে আক্রান্ত রুগী রা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঘটি বাটি বেঁচে পারি দিচ্ছে দক্ষিন ভারতে। এবং এর সংখ্যা নিয়মিত বাড়ছে। কলকাতায় প্রচুর হৃদ রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার থাকলেও মানুষ তাদের উপর ভরসা করতে পারছে না। আর এর জন্যই দক্ষিণের হৃদরোগ অভিজ্ঞ ডাক্তারদের উত্তবঙ্গের সদর দরজা মালদায় নিয়ে উদ্যোগ নিয়েছেন   গ্লো  নার্সিং হোমের কর্নধার ডাক্তার দ্বিজেন্দ্র সরকার। সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্তের উপসর্গ এবং নানা সচেতনতা নিয়ে একটি আলোচনা চক্রের আয়োজন করা হল মালদা শহরের রবীন্দ্র ভবন এলাকায় একটি বেসরকারি হোটেলে। জানা গিয়েছে, শহরের এক       গ্লো নার্সিংহোম এর উদ্যোগে মূলত সাধারণ মানুষদের স্বার্থে আয়োজন করা হয়েছিলো এই অনুষ্ঠানের। উপস্থিত ছিলেন, ডাঃ প্রীয়ঙ্কর সিনহা, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা ডি, সরকার, কাউন্সিলার নরেন্দ্রনাথ তেওয়াড়ী, অঞ্জুনাথ তেওয়ারী সহ অন্যান্যরা। আলোচনা চক্রে হৃদরোগে আক্রান্তের উপসর্গ, হৃদরোগে আক্রান্তের আগে করণীয়, কোথায় গেলে সঠিক চিকিৎস পাওয়া যাবে সহ নানা সচেতনতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন নারায়না হেলথ কেয়ারের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডঃ প্রিয়াঙ্ক র সিনহা। যিনি ডাক্তার দেবী শেঠির টিমের অভিজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে পরিচিত।

  • জ্বর নিয়ে হাজার মতামত ! জেনেনিন জ্বর হলে আপনার করনীয় কি?

    News bazar24: রাজ্য জুড়ে ভাইরাল জ্বরের কবলে অসংখ্য মানুষ। জ্বর নিয়ে মানুষের মধ্যে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। বেশ কিছু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান মানুষের অনভিজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে লুটে চলেছে পয়শা। অথচ একটু সচেতন হলেই মানুষ জানতে পারবেন জ্বরের প্রকার ভেদ ও লক্ষ্মণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক জ্বর নিয়ে নানা তথ্য আমাদের জানালেন  ডা: সূর্য কান্ত ত্রিপাঠী।     চিকেন পক্সের লক্ষণ, চিকিৎসা, প্রতিকার জীবানুঃ ভ্যারিসেলা জোস্টার নামক ভাইরাস। বিবরণঃ খুব ছোয়াচে একটি রোগ, মূলত শিশুরাই এর আক্রমনের শিকার হয় তবে বয়স্করাও এর হাত থেকে নিরাপদ নয়। লক্ষনঃ সাধারণত আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সংষ্পর্শে এলে ২-৩ সপ্তাহ পরে এই রোগের লক্ষন দেখা দেয়। প্রথম দিকে হঠাৎ করেই জ্বর আসে, পিঠের পিছনের দিকে ব্যথা হয় এবং গা ম্যাজ ম্যাজ করে। জর আসার ১ অথবা ২ দিন পর প্রথমে শরীরের উপরের অংশে এবং পরে মুখ ও হাতে পায়ে ফুস্কুরির মতো গোটা উঠে। ১ দিনের মধ্যেই এটা পেকে যায় বা এতে পুঁজ জমে। অল্প কিছু দিনেই এটা শুকিয়ে চল্টা পড়ে। জটিলতাঃ অনেক সময় এর জটিলতা হিসাবে                নিউমোনিয়া, এনকেফেলাইটিস, গ্লুমেরুলোনেফ্রাইটিস সহ ইত্যাদি রোগ হতে পারে। চিকিৎসাঃ শিশুদের লক্ষন উপশম ব্যতিত তেমন কোন চিকিৎসার প্রয়জন নেই। তবে ফুস্কুরিতে ইনফেকশন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়টিক খেতে হতে পারে। যেসব রোগীর রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কম অথবা যাদের বয়স বেশী কিংবা রোগের তীব্রতা বেশী তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিভাইরাল (এসাইক্লোভির) খেতে হতে পারে। টাইফয়েড টাইফয়েড রোগের জীবাণু হলো সালমোনেলা টাইফি (প্যারা টাইফয়েডের-সালমনেলা প্যারা টাইফি)। লক্ষণঃ প্রথমে অল্প মাত্রার জর হলেও এর তীব্রতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং ৪ -৫ দিন পর তা অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় পৌছে। এর সাথে মাথা ব্যথা, শরীর ও হাতে পায়ে ব্যথা সহ গা ম্যাজ ম্যাজ করা ভাব ও থাকে। পরীক্ষাঃ ব্লাড কালচার এর নির্দিষ্ট পরীক্ষা, এ ছাড়া ভিডাল (widal) টেষ্ট দ্বারাও এরোগ নির্ণয় করা যায় । চিকিৎসাঃ ব্লাড কালচার এর ফলাফল অনুযায়ী অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিক সেবন করতে অথবা শিরায় গ্রহন করতে হয়। সাবধাণতাঃ চিকিৎসা না নিলে এ রোগের জটিলতা হিসাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।      কালাজ্বর কালাজ্বরের কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা হিন্দি দুটি শব্দ কালা এবং আজর থেকে কালাজ্বর শব্দটি এসেছে। কালা অর্থ কাল এবং আজর শব্দের অর্থ ব্যাধি। তাই যে অসুখে ভুগলে শরীর কালো হয়ে যায় তাকে কালাজ্বর বলে। লিশমেনিয়া ডোনোভানি জাতীয় প্রটোজোয়া যা স্যান্ড ফ্লাই দাড়া মানুষে সংক্রমিত হয়। লক্ষনঃ প্রথমে অল্প মাত্রার জর থাকলেও পরবর্তীতে তা তীব্র মাত্রা ধারণ করে এবং নিয়মিত বিরতিতে আসা যাওয়া করে। ধীরে ধীরে মুখের রঙ কালচে হয়ে যাওয়া সেই সাথে কাশি এবং ডায়রিয়া ও থাকতে পারে। পরীক্ষাঃ অস্থি মজ্জা থেকে স্মেয়ার নিয়ে জীবানু সনাক্ত করা হয়, লিম্ফ নোড, লিভার বা প্লিহা (spleen) থেকেও স্মেয়ার নেয়া যায়, এসব কালচার করেও জীবানু নিশ্চিত করা যায়। রক্ত (সেরোলোজিকাল) পরীক্ষার মাধ্যমে ও এই রোগ নির্ণয় (৯৫%) করা যায়। চিকিৎসাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সোডিয়াম স্টিলবোগ্লুকোনেট নামক ঔষধ শিরায় প্রয়োগ করতে হয়।              ইনফ্লুয়েঞ্জা ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু) এর কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এ অথবা বি মানব দেহে এই রোগ করে থাকে। লক্ষনঃ কাপুনি দিয়ে জর, সমস্ত শরীর ও হাতে পায়ে ব্যথা, তীব্র মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা এবং শুকনো কাশি এই রোগের লক্ষন হিসাবে পরিচিত। পরীক্ষাঃ তেমন কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়না তবে সি,এফ,টি পরীক্ষাটি করে অনেক সময় রোগ নির্ণয় করা হয়। চিকিৎসাঃ বিশ্রাম নেয়া সেই সাথে জর উপশমের জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষুধ খেলে এই রোগ এমনিতেই ভালো হয়ে যায়, তবে সাথে অন্য ইনফেকশন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক সেবন করতে হয়। জটিলতাঃ এ রোগের জটিলতা হিসাবে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন, নিউমনিয়া সহ অন্যান্য রোগ দেখা দিতে পারে।       ম্যালেরিয়া ম্যালেরিয়া জ্বরের কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা প্লাজমোডিয়াম, ফেলসিপেরাম*, ভাইভক্স, ওভালে অথবা ম্যালেরি এর যেকোনো একটি জীবানু বহনকারী মশার দংশন থেকে এ রোগ হয়। লক্ষনঃ খুব উচ্চ তাপমাত্রায় (চল্লিশ ডিগ্রি ফাঃ পর্যন্ত) কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা এবং তা ঘাম দিয়ে ছেড়ে যাওয়া। জ্বর আসা যাওয়া নিয়মিত ও নির্দিষ্ট বিরতিতে (যেমন ১ দিন পর পর ৩-৪ ঘন্টা দীর্ঘ) হতে পারে তবে এটা ঠিক কোন জীবানু টি আক্রমণ করেছে তার উপর নির্ভরশীল। পরীক্ষাঃ রক্তের ব্লাড ফিল্ম নামক পরীক্ষাটি দ্বারা জীবানু নিশ্চিত করা যায়। চিকিৎসাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্লোরোকুইন, কুইনাইন, ফেন্সিডার ইত্যাদি নির্দিষ্ট নিয়মে সেবন করতে হয়। জটিলতাঃ রক্ত শুন্যতা, প্লিহা (Spleen) বড় হয়ে যাওয়া, কোমা সহ মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। প্রতিরোধঃ কোনো অঞ্চলে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব থাকলে সে স্থানে যাবার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কলোরোকুইন বা প্রগুয়ানিল জাতীয় ঔষধে এ রোগের প্রকোপ থেকে বাচা যায়।               ডেংগু / ডেঙ্গী জ্বরের কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা দুই ধরণের ডেঙ্গু রোগ লক্ষ্য করা যায়, ক্লাসিকাল ডেংগু ও হেমোরেজিক ডেংগু। ক্লাসিকাল ডেংগু রোগ হলে হঠাৎ করে তীব্র জর, মাথা ব্যাথা, তীব্র শরীর ব্যাথা সেই সাথে rash উঠতে পারে, যা প্রথমে পায়ে এবং পরে বুকে এবং পিঠের দিকে ছড়ায়। সাধারণত ৩-৪ দিন পর জর চলে যায় এবং পরে তা আবার অল্প মাত্রায় আসতে পারে। হেমোরেজিক ডেংগু হলো দুই ধরণের ডেঙ্গুর সবচেয়ে খারাপ ধরণ টি। সাধারণত একই রোগীর দ্বিতীয় বার ডেংগু জর হলে এমনটি হয় বলে ধরে নেয়া হয়। রোগটি শুরু হয় অল্প মাত্রার জর দিয়ে এবং শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়। এ রোগ হলে হঠাৎ করেই রোগী শক এ চলে যেতে পারে এবং ত্বক, কান, নাক এমনকি পায়ুপথ দিয়ে রক্তপাত শুরু হতে পারে। এই ধরনের ডেংগু জরে রোগীর মৃত্যুর হার বেশী। পরীক্ষাঃ বিভিন্ন পরীক্ষার (নিউট্রালাইজেশন, সিএফটি, হিমাগ্লুটিনেশন) মাধ্যমে রক্তে ডেংগুর এন্টিবডি দেখে এই রোগ শনাক্ত করা হয়। রক্তে প্লাটেলেট কমে যায় বলে বার বার প্লাটেলেট কাউন্ট ও এস,জি,পি,টি পরীক্ষা সহ অন্য পরীক্ষাও করা হয়ে থাকে। চিকিৎসাঃ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি হয়েই এই রোগের চিকিৎসা নেয়া উচিত। এর পরেও কোনো সমস্যা হলে আপনার নিকটতম স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। জ্বর সংক্রান্ত যে কোনো পরীক্ষা বিনামূল্যে করা হয়। আপনি খবরটি পড়লেন newsbazar24 এ।  

  • বুকে কোনও ধরণের ব্যথা ছাড়াই হতে পারে হার্ট অ্যাটাক: জেনে নিন কি করবেন ?

    News bazar 24: যখন জমাট বেঁধে হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি করে তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। বয়স, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, উচ্চ কোলেস্টোরলের সমস্যা, অতিরিক্ত মেদ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মদ্যপান, মানসিক চাপ—এগুলি মূলত হার্ট অ্যাটাকের কারণ। অনেক সময় হার্ট অ্যাটাক হলেও সঠিকভাবে বোঝা সম্ভব হয় না। সমস্যা হল কোনও কোনও সময় বুকে কোনও ধরণের ব্যথা ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে, ফলে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কিনা তা খুব ভাল করে বোঝা যায় না। তাই জেনে নেওয়া যাক হার্ট অ্যাটাকের অন্যান্য লক্ষণগুলি সম্পর্কে। ১) হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ট অ্যাটাকের প্রায় ১ মাস আগে থেকেই দুর্বলতা এবং ঘন ঘন শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা শুরু হয়ে যায়। কোনও কারণ ছাড়াই শারীরিক দুর্বলতা এবং খুব সহজেই হাঁপিয়ে উঠে ঘন ঘন শ্বাস নেয়ার সমস্যা শুরুর বিষয়ে সতর্ক থাকুন। এই রকম শারীরিক দুর্বলতা এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা হলে বুঝতে হবে হৃদপিণ্ডের বিশ্রামের প্রয়োজন ২) হটাত্ করে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার সমস্যা শুরু হলে সে তা অবহেলা করবেন না। কারণ, এটিও হার্ট অ্যাটাকের একটি লক্ষণ। যখন হার্ট ব্লক হয় তখন রক্ত সঞ্চালনে হৃদপিণ্ডের অনেক বেশি কাজ করতে হয়। এই অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে ঘামের সৃষ্টি হয় এবং এই ঘাম সাধারণত অনেক ঠাণ্ডা হয়ে থাকে। এই ধরনের সমস্যাকে অবহেলা না করে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। ৩) একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, হার্ট অ্যাটাকের আগে থেকে বেশিরভাগ আক্রান্তরই বদহজমের সমস্যা এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও বুক জ্বালা যা আমরা অনেকে স্বাভাবিক বদহজমের সমস্যা ভেবে অবহেলা করি, তা-ও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের ইঙ্গিত। এর পাশাপাশি আচমকা কোনও কারণ ছাড়াই মাথা ঘোরানো, বমি বমি ভাব এবং বমি করার বিষয়গুলি অবহেলা করবেন না। ৫) শুধু বুকে ব্যথাই নয়, শরীরের অন্যান্য বিশেষ কিছু অঙ্গে ব্যথা অনুভব হওয়াও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। পেটের উপরের অংশ, কাঁধ, পিঠ, গলা, দাঁত ও চোয়াল এবং বাম বাহুতে হুট করে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া বা চাপ অনুভব অথবা আড়ষ্টতা অনুভব করাও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। তাই এই বিষয়গুলিকে মোটেই অবহেলা করবেন না। ৫) শুধু বুকে ব্যথাই নয়, শরীরের অন্যান্য বিশেষ কিছু অঙ্গে ব্যথা অনুভব হওয়াও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। পেটের উপরের অংশ, কাঁধ, পিঠ, গলা, দাঁত ও চোয়াল এবং বাম বাহুতে হুট করে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া বা চাপ অনুভব অথবা আড়ষ্টতা অনুভব করাও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। তাই এই বিষয়গুলিকে মোটেই অবহেলা করবেন না।এরকম সমস্যা হলে সাথে সাথে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। আশে পাশে ডাক্তার না পেলে কাছের যে কোনো স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রুগীকে নিয়ে যান। আপনি এই প্রতিবেদন টি পড়লেন newsbazar24.com এ

  • জেনেনিন কি ভাবে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেও ছানির প্রতিকার করা সম্ভব ?

    news bazar24: যখন আপনার চোখে ছানি পড়বে তখন আপনার চারপাশের সবকিছুই ঝাপসা হয়ে আসবে। সব কিছুই অস্পষ্ট দেখাবে। চোখের ছানি অত্যন্ত ধীর গতিতে বাড়ে। এই ছানি যখন বাড়তে বাড়তে মারাত্মক আকার নেয়, তখনই চোখে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেও ছানির প্রতিকার করা সম্ভব। কিন্তু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বনের আগে অবশ্যই একজন চক্ষু চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এ বার জেনে নেয়া যাক চোখের ছানি দূর করার কিছু সহজ উপায়। ভিটামিন সি: শরীরের অন্যান্য অঙ্গের চেয়ে চোখের লেন্স ভিটামিন সি বেশী ধারণ করে। যদি আপনার চোখে ছানি (প্রাথমিক পর্যায়ে) হয়ে থাকে তাহলে চক্ষু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে সম্পূরক ভিটামিন সি গ্রহন করুন। পেঁপে: পেঁপের মধ্যে যে এনজাইম থাকে তা প্রোটিন জাতীয় খাবার হজমে সহায়তা করে। চোখে ছানি আছে এমন অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যে তাঁদের প্রোটিন জাতীয় খাবার হজম করতে সমস্যা হয়। এই অতিরিক্ত প্রোটিন চোখের লেন্স-এ গিয়ে জমা হয়ে ছানি তৈরি করতে পারে। তাই ছানি প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত পেঁপে খাওয়া উচিত। গ্রীন টি: চোখের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে গ্রীন টি চমৎকার কাজ করে। গ্রীন টিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা চোখকে সজীবতা প্রদান করে। দুধ ও কাজুবাদাম: চোখে ছানি হলে চোখ জ্বালা করে এবং লাল হয়ে যায়। এক্ষেত্রে দুধের মধ্যে সারারাত কাজুবাদাম ভিজিয়ে রেখে সেই দুধ যদি চোখের পাতায় লাগানো যায় তাহলে চোখ জ্বালা করা এবং লাল হয়ে যাওয়া অনেকটাই কমে যায়। কাঁচা শাক-সব্জি: একাধিক মেডিকেল জার্নাল অনুযায়ী, কাঁচা শাক-সব্জি ভিটামিন এ এর উৎস। তাছাড়া এগুলি বিটা ক্যারোটিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে। রসুন: ছানি পড়া চোখের জন্য রসুন খুবই উপকারী। আপনার চোখ জল দিয়ে ধুয়ে নিলে দৃষ্টি যে রকম পরিষ্কার মনে হবে, রসুনও ঠিক সেই কাজটি করে থাকে। তাই প্রতিদিন ২-৩টি কোয়া রসুন খেতে পারলে উপকার পাওয়া যাবে।

  • কেরলে বাদুড় বা শুয়োর থেকে ছড়ায়নি নিপা ভাইরাস : পুনের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজি।

    ডেস্ক:কেরল সরকারকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল পুনের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজি। কেরলের কোঝিকোড় ও মালাপ্পুরম জেলায় ইতিমধ্যে নিপায় আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। ভয়াল এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুহার খুব বেশি। ফলে কেরল-সহ দক্ষিণ ভারতের একাংশে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে রিপোর্ট পেশ করে পুনের সংস্থাটি। এর পরই এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, কেরলে শুয়োর, বাদুড় বা অন্য কোনও প্রাণী থেকে ছড়ায়নি নিরা ভাইরাস। তাহলে ভাইরাস এল কোথা থেকে? জানতে তদন্ত শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। কেরলের মোট ২১টি নমুনা পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষায়। এর মধ্যে সাতটি বাদুড়, দু'টি শুয়োর, একটি গবাদি পশু ও একটি ছাগলের নমুনা ছিল। এর মধ্যে করলের পেরাম্বরায় মৃত চামচিকার নমুনাও ছিল। পেরাম্বরায় যে এলাকায় প্রথম নিপার প্রকোপ দেখা গিয়েছিল সেখানে একটি কুয়ো থেকে উদ্ধার হয়েছিল বেশ কয়েকটি মৃত চামচিকা। ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজির তরফে রিপোর্টে জানানো হয়েছে, মৃত কোনও পশুর নমুনাতেই নিপা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। কেরলের পাশাপাশি হিমাচল প্রদেশে মৃত বাদুড়ের নমুনাও পাঠানো হয়েছিল পুনেতে। সেগুলিতেও ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। ভাইরাস মেলেনি হায়দরাবাদ থেকে পাঠানো নমুনাতেও।

  • সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই করা উচিত নয়।

    news bazar24:সাপে কামড়ালে অধিকাংশ মানুষেরই যে ভয় পেয়ে মৃত্যু হয়, এই তথ্য হয়তো অনেকেরই জানা। প্রচলিত কিছু ধারণা, কুসংস্কারের বশে অনেকেই সাপের কামড়ে আক্রান্তের উপরে এমন কিছু টোটকা প্রয়োগ করেন, যাতে হিতে বিপরীত হয়। কিন্তু সাপের কামড়ালে ভয় না পাওয়াটা যেমন জরুরি, তেমনই সাপের কামড়ানোর পরে সঠিক পদক্ষেপগুলি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই করা উচিত নয়।শরীরের যে অংশে সাপ কামড়েছে, সেই জায়গাটি বেশি নড়াচড়া করাবেন না। আক্রান্তকে হাঁটাচলাও করতে দেবেন না। বেশি হাঁটাচলার ফলে মাংসপেশিতে টান পড়ে বিষ দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।সাপে কামড়ানোর পরে কখনওই কোনও ব্যথা কমানোর ওষুধ (পেইন কিলার) আক্রান্তকে খাওয়াবেন না। এর ফলে আক্রান্তের শরীরের প্রকৃত অবস্থা বোঝা কঠিন হবে। অনেক সময় আক্রান্তের যন্ত্রণা আরও বেড়ে যেতে পারে।যেখানে সাপে কামড়েছে, তার আশেপাশে কখনওই চিড়ে বা কেটে দেবেন না। এমন করলে উল্টে রক্তে দ্বিগুণ গতিতে সাপের বিষ ছড়িয়ে পড়ে। যার প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কেও। এর ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।। সাপে কামড়ালে আক্রান্তকে দ্রুত নিয়ে যান হাসপাতালে।যাঁকে সাপে কামড়েছে, তাঁকে কখনওই কাত করে শোয়াবেন না। সব সময়ে সোজা করে শোওয়াবেন। ঠিক যে ভাবে স্ট্রেচারের উপরে শোওয়ানো হয়।