���������������������������


  • কি কি নিয়ম মানলে ডায়াবেটিস দূরে রাখা যায় জানেন কি ?

    newsbazar24:  নিত্যদিন অনেক তরুণও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। ডায়াবেটিসের সরাসরি নিরাময় হয়না তাই এতে আক্রান্ত হলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। তবে কিছু উপায় রয়েছে যা আগে থেকে পালন করলে ডায়াবেটিস দূরে রাখা যায়।  ১।ধূমপানে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এর কারণ হলো দেহের হরমোনজনিত পরিবর্তন। এ কারণে ডায়াবেটিস থেকে দূরে থাকতে ধূমপান বর্জন করা উচিত।  ২। আপনি যদি নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন করেন তাহলে তা নানাভাবে আপনার স্বাস্থ্যের উপকার করবে। বিশেষ করে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন রোগ দূরে রাখায় এর ভূমিকা রয়েছে। এতে ডায়াবেটিসের মতো রোগও দূরে থাকবে।  ৩। মাত্রাতিরিক্ত খাবার খাওয়া ডায়াবেটিসের অন্যতম কারণ। এ কারণে খাবারের পরিমাণ কমানো উচিত আগেভাগেই। খাবার খাওয়া কমানোর জন্য ছোট ছোট প্লেটে অল্প করে খাবার নিতে পারেন। এছাড়া খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস জল খেয়ে নিলেও তাতে খাবারের পরিমাণ কমতে পারে।  ৪। ধবধবে সাদা আটা-ময়দা বাদ দিয়ে লাল আটার তৈরি রুটি ও অন্যান্য খাবার খান। এটি আপনার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাবে।  ৫। সকালের খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাবার। এটি কখনোই বাদ দেওয়া ঠিক নয়। সকালের নাস্তায় প্রোটিন যুক্ত করলে তা সারাদিনের ক্ষিদা কমায়। এতে শরীর যেমন সুস্থ থাকে তেমন ডায়াবেটিসও দূরে থাকে।  ৬। ফাস্ট ফুড দোকানের জাংক খাবার ও অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর খাবারে উচ্চমাত্রায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে, যা আপনার রক্তে ক্ষতিকর কোলস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি রক্তের শর্করার মাত্রাও বাড়ায়। তাই এসব খাবার বাদ দিতে হবে।  ৭। আপনি যদি বিকালের ক্ষুধা নিবৃত্ত করার জন্য অস্বাস্থ্যকর পিজা বা ফাস্ট ফুড বাদ দিয়ে তাজা ফলমূল কিংবা স্যালাড খেতে পারেন তাহলে তা ডায়াবেটিস থেকে আপনাকে রক্ষায় সহায়তা করবে।  ৮। মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ আপনার রক্তের শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এ কারণে মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। প্রয়োজনে ইয়োগা, মেডিটেশন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করুন।  ৯। রাতে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমান। এতে আপনার দেহের ওপর চাপ কমবে এবং ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ দূরে থাকবে। ঘুমের অভাবে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষতি হয়।  ১০। নিয়মিত গ্রিন টি পান করুন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ বিভিন্ন উপাদান রয়েছে, যা রক্তের শর্করা কমাতে ভূমিকা রাখে।  ১১। শরীরের ইনসুলিনের ভারসাম্যহীনতায় রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিক হয়ে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি হয়। সময় থাকতেই ডায়াবেটিস সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো। এতে আগে থেকেই রোগটি সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা যায়।

  • গরমকালে চর্মরোগে কম-বেশি সবাই ভোগেন ! কিন্তু এর থেকে মুক্তি পাবেন কি ভাবে ?

    গরমকালে চর্মরোগে কম-বেশি সবাই ভোগেন।আর আপনি যদি মনে করেন বা নিয়ম মেনে চললে রোগের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। ঘামাচি : গরমের সময় ঘামাচি একটি সাধারণ সমস্যা। ঘামাচি সাধারণত তখনই হয়, যখন ঘর্মগ্রন্থির মুখ বন্ধ হয়ে যায়, ঘাম বের হয় না এবং ত্বকের নিচে ঘাম আটকে যায়। ফলে ত্বকের উপরিভাগে ফুসকুড়ি এবং লাল দানার মতো দেখা যায়। কিছু কিছু ঘামাচি খুব চুলকায়।ঘামাচি সাধারণত এমনিতেই সেরে যায়। তবে ঘামাচি সারানোর জন্য ত্বক সব সময় শুষ্ক রাখতে হবে এবং ঘাম শুকাতে হবে। ব্রণ : সাধারণত বয়ঃসন্ধিকালে এই রোগটি দেখা দেয়। তাই একে টিনএজারদের রোগও বলা যেতে পারে। ১৮ থেকে ২০ বছরের ছেলেমেয়েদের মধ্যে এ রোগটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে তৈলাক্ত, ঝাল, ভাজাপোড়া খাবারসহ চকোলেট, আইসক্রিম ও অন্যান্য ফাস্টফুড খাওয়া কমাতে হবে। এ ছাড়া বেশি করে জল ও শাকসবজি খেতে হবে। দাদ : শরীরের যেকোনো স্থান ফাঙ্গাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে একে দাদ বলে। এই আক্রমণ মাথার চামড়া, হাত-পায়ের আঙুলের ফাঁকে কিংবা কুঁচকিতে হতে পারে। এটি ছোঁয়াচে রোগ। আক্রান্ত স্থান চাকার মতো গোলাকার হয় এবং চুলকায়। প্রতিকার পেতে সাবান ও পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থান প্রতিদিন ধুতে হবে। আক্রান্ত স্থান শুকনো রাখা জরুরি। পাঁচড়া : শিশুদের মধ্যে এই রোগ বেশি দেখা যায়। পরিষ্কার কাপড়-চোপড় ব্যবহার ও নিয়মিত স্নান করলে খোসপাঁচড়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়। একজিমা : একজিমা হলো ত্বকের এমন একটি অবস্থা, যেখানে ত্বকে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। একেক ধরনের একজিমার লক্ষণ একেক ধরনের হয়। তবে সাধারণভাবে লালচে, প্রদাহযুক্ত ত্বক; শুষ্ক, খসখসে ত্বক; ত্বকে চুলকানি; হাত ও পায়ের ত্বকের মধ্যে ছোট ছোট জলীয় ফুসকুড়ি ইত্যাদি হলো একজিমার লক্ষণ। ডিটারজেন্ট, সাবান অথবা শ্যাম্পু থেকে একজিমার সংক্রমণ হতে পারে। অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠা-া ও স্যাঁতসেঁতে ভেজা আবহাওয়াও একজিমার কারণ। সোরিয়াসিস : সোরিয়াসিস ত্বকের একটি জটিল রোগ। তবে এটি কেবল ত্বক নয়, আক্রমণ করতে পারে শরীরের অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গেও। যেমন সন্ধি, নখ ইত্যাদি। সাধারণত ত্বকের কোষস্তর প্রতিনিয়ত মারা যায় এবং নতুন করে তৈরি হয়। সোরিয়াসিসে এই কোষ বৃদ্ধির হার অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। ত্বকের কয়েক মিলিমিটার থেকে কয়েক সেন্টিমিটার জায়গা জুড়ে এই সমস্যা দেখা দেয়। রোগ যত পুরনো হয়, ততই জটিল হতে থাকে। তাই দ্রুত শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার আওতায় আসা জরুরি। আক্রান্ত ব্যক্তিকে আজীবন চিকিৎসা নিতে হয়। আর্সেনিকের কারণে চর্মরোগ : আর্সেনিকযুক্ত জল খেলে ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন : ত্বকের গায়ে ছোট ছোট কালো দাগ কিংবা পুরো ত্বক কালো হয়ে যেতে পারে, হাত ও নখের চামড়া শক্ত ও খসখসে হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া ত্বকের বিভিন্ন স্থানে সাদা-কালো দাগ দেখা দেওয়াসহ হাত ও পায়ের তালুর চামড়ায় শক্ত গুটি বা গুটলি দেখা দিতে পারে। তবে চিন্তার বিষয় হলো, আর্সেনিকযুক্ত জল পানের শেষ পরিণতি হতে পারে কিডনি ও লিভারের কর্মক্ষমতা লোপ পাওয়া; ত্বক, ফুসফুস ও মূত্রথলির ক্যানসার হওয়া; কিডনির কার্যক্ষমতা লোপ পাওয়া ইত্যাদি।

  • রোটাভাইরাস থেকে আপনার শিশুকে বাঁচান, সময় মত এই টীকা নিন

    newsbazar24: রোটা ঠেকাতে টীকাকরণে অবহেলা নয়।পাঁচ বছরের কমবয়সিদের মধ্যে ডায়রিয়ার যত সংক্রমণ হয়, তার চল্লিশ শতাংশই রোটা ভাইরাসঘটিত। তাই এই টীকাকরণ এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে দিনকে দিন। রোটা ভাইরাসের হানা ঠেকাতে গেলে সচেতন থাকতে হবে অভিভাবকদেরও। চিনতে হবে রোগের লক্ষণও।গরমে বা বর্ষায় সামান্য নিয়মের অদলবদল বা খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম যে সব অসুখ ডেকে আনে, তার মধ্যে ডায়রিয়া অন্যতম। দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই এই সময় ডায়রিয়া দাপিয়ে বেড়ায়। আবহাওয়া পরিবর্তনের হাত ধরে এই অসুখ গুঁড়ি মেরে ঢুকে পড়ে কিছু অসাবধানতাকে সঙ্গী করে। তাই একে ঠেকিয়ে রাখাই তখন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় চিকিৎসকদের কাছে। বিশেষ করে শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হয় সবচেয়ে বেশি।শিশুদের শরীরে এই ভাইরাসের হানা ঠেকাতে দেশের অন্যান্য অনেক রাজ্যের মতো এ রাজ্যেও এ বার শিশুদের জন্য শুরু হতে চলেছে রোটা ভাইরাস টীকাকরণ। পাঁচ বছরের নিচে বয়স, এমন শিশুদের ডায়রিয়ায় মৃত্যুর জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী এই রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ। ইউনিসেফের তথ্য অনুসারে, আমাদের দেশে পাঁচ বছরের কমবয়সিপ্রায় নয় লক্ষ শিশু প্রতিবছর হাসপাতালে ভর্তি হয় শুধু এই সংক্রমণের কারণে।যার মধ্যে প্রায় আশি হাজার শিশু মারাও যায়। এদের মধ্যে প্রায় ষাট হাজার শিশুর মৃত্যু হয় জন্মের দু’বছরের মধ্যেই।রোটা ভাইরাসের হানা ঠেকাতে গেলে সচেতন থাকতে হবে অভিভাবকদেরও। চিনতে হবে রোগের লক্ষণও। কী ভাবে সংক্রামিত হয় রোটাভাইরাস? উপসর্গই বা কী? এক শিশুর মল থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই ভাইরাস অন্য শিশুর শরীরে প্রবেশ করে এবং প্রবেশ করার এক থেকে তিনদিনের মধ্যে শিশুটির বারবার পাতলা পায়খানা, বমি, জ্বর, পেটব্যথা ইত্যাদি শুরু হয়।  রোগ নির্ণয় কী ভাবে হয় ? অন্যান্য কোনও কারণে হওয়া রোগীকে দেখেসাধারণ ডায়রিয়া ও রোটাভাইরাসের আক্রমণে হওয়া ডায়রিয়ার মধ্যে কোনও পার্থক্য করতে পারেন না চিকিৎসকরা। মলের নমুনা সংগ্রহ করে এলাইজা বা পিসিআর পরীক্ষার মাধ্যমে ধরা যায় এই ভাইরাস। তবে তা খরচসাপেক্ষ। সঙ্গে দ্রুততাও প্রয়োজন। সময় নষ্ট করা চলবে না একেবারেই। চিকিৎসা কী? যদি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে জানাও যায় যে রোটাভাইরাস থেকেই ডায়রিয়া হয়েছে, তবুও এর কোনও সুনির্দিষ্ট ওষুধ নেই। অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিভাইরালের কোনও ভূমিকা নেই এক্ষেত্রে। মূলত ওআরএস বা প্রয়োজনে স্যালাইন দিয়েই চিকিৎসা করা হয়। তাই এই টীকাকরণ আরও বেশি জরুরি হয়ে পড়ছে। তা হলে প্রতিরোধের উপায় কী? রোটাভাইরাস টীকাই প্রতিরোধের একমাত্র উপায়।  কখন, ক’বার দিতে হবে টীকা? শিশুর দেড় মাস, আড়াই মাস ও সাড়ে তিন মাস বয়সে অন্যান্য টীকার (ওরাল ও ইঞ্জেক্টেবল পোলিও টীকা, পেন্টাভ্যালেন্ট টীকা) সঙ্গে এই টীকা খাওয়াতে হবে। কোথায় কী ভাবে খাওয়ানো হবে? গ্রাম ও শহরের সমস্ত সরকারি টীকাকরণ কেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মীরা ফ্রিজ-ড্রায়েড এই ভ্যাকসিনটি ওর সঙ্গেই সরবরাহকৃত অ্যান্টাসিড ডাইলুয়েন্টে মিশিয়ে একটি সূচবিহীন সিরিঞ্জে আড়াই মিলিলিটার টেনে তা ফোঁটা ফোঁটা করে শিশুর মুখের ভিতর গালের দিকে ঢেলে দেবেন। তবে এই টীকার জোগান দেশে কম, সেটাও একটি চিন্তার বিষয় বইকি। কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কি? তেমন কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এই টীকার। অন্যান্য অনেক টীকার তুলনায় এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নগন্যই বলা যেতে পারে, তাও সামান্য জ্বরজ্বালা হলেতা চিকিৎসায় নিরাময়যোগ্য। কতখানি সুরক্ষা দেবে এই টীকা? রোটাভাইরাল ডায়রিয়ার অধিকাংশ বিপজ্জনক সেরোটাইপ বা স্ট্রেনের বিরুদ্ধে নব্বই শতাংশ বা তারও বেশি সুরক্ষা দেবে এই টীকা। অবশ্য অন্য যেসব কারণে ডায়রিয়া হয়ে থাকে, সেগুলোর প্রতিরোধও নানা ভাবে করা যায়। তার জন্য কিছু মূল নিয়মনীতি মানলেই চলে।

  • জানেন কি শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে ডাবের জলের গুণাবলী ?

    newsbazar24: জানেন কি শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে ডাবের জলের গুণাবলী ?এই প্রচণ্ড গরমে অনেকেই ধোঁয়া ওঠা চায়ের চেয়ে ঠান্ডা কিছু দিয়ে গলা ভেজাতে ভালবাসেন। আর সে ক্ষেত্রে কচি ডাবের জল যেন অমৃত! এই গরমের তীব্র দাবদাহে ডাবের জলের মতো শান্তি ও তৃপ্তি বোধহয় আর কিছুতেই নেই! তবে শুধু তেষ্টা মেটাতেই নয়, গরমে শরীর ভাল রাখতেও ডাবের জল অত্যন্ত উপকারী। জেনে নিন ১) প্রচণ্ড গরমে শরীরে ঘামের সঙ্গে অনেকটা জল বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দেয়। একই সঙ্গে ডি-হাইড্রেশনের সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে ডাবের জল অত্যন্ত উপকারী। ডাবের জলে থাকা কার্বোহাইড্রেড শরীরে শক্তির ঘাটতিও পূরণ করে।২) গরমের তীব্র দাবদাহে রক্তচাপ মারাত্মক বেড়ে যেতে পারে! অনেকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে অনেকটা জল বেরিয়ে যাওয়ায় রক্তচাপ অস্বাভাবিক ভাবে কমে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাবের জল অত্যন্ত কার্যকরী! ডাবের জলে থাকা ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম আর পটাশায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।৩) গরমে কচি ডাবের জল শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি শরীরে পটাশিয়াম, সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।৪) ডাবের জলে যেহুতু চিনি খুব কম পরিমাণে থাকে, তাই সহজেই ওজন কমাতে সাহায্য করে। ফাইবারে ভরপুর ডাবের জল খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে।৫) ডাবের জল রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই এই গরমে ডায়াবিটিক রোগীদর জন্য ডাবের জল খুবই উপকারী।

  • জানেন কি মুরগীর মেটে কতটা উপকারী?

    newsbazar24: মাংসের লিভার (যকৃৎ) বা মেটে আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী, এ কথা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু মুরগির মাংসের মেটেও কি ততটাই উপকারী? জেনে নেওয়া যাক এ বিষয়ে পুষ্টিবিদদের মতামত।১) মুরগির লিভারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রন, ফাইবার ছাড়াও আরও অনেক স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর উপাদান।২) মুরগির লিভার বা মেটেতে রয়েছে দস্তা বা জিঙ্ক যা জ্বর, সর্দি-কাশি, টনসিলাইটিস সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে।৩) মুরগির লিভারে রয়েছে ভিটামিন-এ এবং বি যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি ও মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক।৪) মুরগির লিভারে রয়েছে কোলাজেন ওইলাস্টিন নামের একটি উপাদান যা আমাদের শরীরের শিরা-উপশিরায় রক্ত প্রবাহ সহজ ও স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।৫) মুরগির লিভারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আর ফাইবার যা শরীর ও হৃদযন্ত্রের পক্ষে খুবই উপকারী।৬) মুরগির লিভার বা মেটেতে রয়েছে সেলেনিয়াম নামের একটি জরুরি উপাদান যা কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এই সেলেনিয়াম শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ছোট-বড় সংক্রমণ, শরীরের গাঁটে গাঁটে ব্যথা, কৃমির সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম।৭) শরীরের বিভিন্ন অপুষ্টিজনিত সমস্যা দূর করতে এবং দ্রুত ওজন বাড়াতে মুরগির লিভার বা মেটে অত্যন্ত কার্যকর! এ ছাড়াও, ডায়বেটিসের মতো অসুখে আক্রান্তদের জন্য মুরগির লিভার বা মেটে খুবই উপকারী। পুষ্টিবিদদের মতে, মুরগির মাংসের তুলনায় মুরগির লিভারের পুষ্টিগুণ কোনও অংশে কম নয়। তবে একটা বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন, যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের মুরগির মেটে না খাওয়াই ভাল। কারণ, মুরগির মেটে খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। ফলে বাড়বে উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের সমস্যা।

  • হেঁচকি বন্ধ করার এই ১০টি অব্যর্থ উপায়

    newsbazar24: আপনাকেও হয়তো কখনও না কখনও হেঁচকি নিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে! এই রকম পরিস্থিতিতে চট করে হেঁচকি বন্ধ করতে হলে কী করবেন? আসুন জেনে নিন এমন ১০টি অব্যর্থ উপায়, যেগুলির যে কোনও একটি কাজে লাগালেই এই সমস্যার থেকে দ্রুত নিস্তার পাবেন...হেঁচকি বন্ধ করার সেরা ১০ কৌশল:১) চট করে ১ চামচ মাখন বা চিনি খেয়ে নিন। হেঁচকি দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।২) বেশি করে জল খান। বিশেষ করে এই সময় ঠান্ডা জল খেলে হেচকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।৩) হেচকির সমস্যা শুরু হলে নিশ্বাস নেওয়ার সময় নাক হালকা চাপ দিয়ে চেপে ধরুন। এই পদ্ধতি হেঁচকির সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে।৪) হঠাৎ করে হেঁচকি শুরু হলেই, লম্বা শ্বাস নিয়ে নাক-মুখ বন্ধ রেখে বাতাস ভেতরে বেশ কিছু ক্ষণ রাখুন। যত ক্ষণ সম্ভব দম ছাড়বেন না। সমস্যা মিটে যাবে।৫) হেচকির সমস্যা শুরু হলে হাতের কাছে কাগজের ব্যাগ বা বড় ঠোঙা থাকলে তার ভেতরে মাথা ঢুকিয়ে নিশ্বাস নিন। কিছু ক্ষণের মধ্যেই হেঁচকি বন্ধ হয়ে যাবে।৬) লম্বা শ্বাস নিন। এ বার হাঁটুকে বুকের কাছাকাছি এনে দু’ হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরুন। কয়েক মিনিট এ ভাবেই থাকুন। এই পদ্ধতিতে হেঁচকি দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।৭) হেঁচকি বন্ধ করতে লেবুর রসের সঙ্গে সামান্য আদার কুচিও একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে কিছু ক্ষণের মধ্যেই সমস্যা মিটে যাবে।৮) হঠাৎ করে হেঁচকি শুরু হলেই, দুই কানে দুই আঙ্গুল ঢুকিয়ে যত ক্ষণ সম্ভব দম বন্ধ করে থাকুন। দেখবেন হেঁচকি নিমেষেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।৯) দ্রুত হেঁচকি বন্ধ করার জন্য জিভে এক টুকরো পাতিলেবু রেখে কিছু ক্ষণ চুষুন। এটি হেঁচকি বন্ধ করতে খুবই কার্যকর একটি।১০) মুখের ভেতরে উপরের অংশটিতে ভাল করে মালিশ করুন। প্রয়োজনে গলার পেছনের অংশে হালকা মালিশ করুন। এই পদ্ধতিতে হেঁচকি দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।

  • নার্ভের সমস্যা দূর করতে রোজ খান হরীতকী

    newsbazar24: আয়ুর্বেদিক বিজ্ঞানে ত্রিফলা নামে পরিচিত তিনটি ফলের একটি হল হরীতকী। এই ফলটি আদৌ স্বাদু নয়। তাই শুধু খাওয়া একটু কষ্টকর। স্বাদে তেঁতো হলেও এই ফলটির নানা গুণ আছে। এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ফ্রুকটোজ ও বিটা সাইটোস্টেবল সমৃদ্ধ। হরীতকী দেহের অন্ত্র পরিষ্কার করে এবং একই সঙ্গে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। এটা রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমায়। হৃদপিণ্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে।এই ফল রেচক, পিচ্ছিলকারক, পরজীবীনাশক, পরিবর্তনসাধক, অন্ত্রের খিঁচুনি রোধক এবং স্নায়ুবিক শক্তিবর্ধক। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়ুবিক দুর্বলতা, অবসাদ এবং অধিক ওজনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। হরীতকীতে অ্যানথ্রাইকুইনোন থাকার কারণে রেচক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হরীতকী। অ্যালার্জি দূর করতে হরীতকী বিশেষ উপকারী। হরীতকী ফুটিয়ে খেলে সেই অ্যালার্জি কমে যায়। হরীতকী ফলের গুঁড়ো নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে মাথায় লাগালে চুল ভালো থাকবে। হরীতকীর গুঁড়ো জলে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরীতকী জলে ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন। দাঁতে ব্যথা হলে হরীতকী গুঁড়ো লাগান, ব্যথা দূর হবে।রাতে শোয়ার আগে অল্প বিট নুনের সঙ্গে ২ গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরীতকীর গুঁড়ো মিশিয়ে খান। পেট পরিষ্কার হবে।হরীতকী একটি ডালপালা বহুল মাঝারি আকারের গাছ। এ গাছের কাণ্ড গোলাকার। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে হরীতকী গাছের বীজ সংগ্রহ করতে হয়।

  • কি করে ভালো রাখবেন আপনার স্বাস্থ্য, জেনে নিন

    newsbazar24: শরীর ভালো থাকলে বাড়ে কাজের স্পৃহা। নিয়মিত যোগব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি, খাদ্য তালিকা নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতির মাধ্যমে মানুষ স্বাস্থ্য ঠিক রাখার উপায় খোঁজেন। কিন্তু ব্রিটেনের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস ও এক্সারসাইজ বিষয়ক শিক্ষক ড. নেডাইন স্যামি বলেছেন, আমাদের নিজেদের মনের ওপরে বিশেষ খেয়াল রাখা দরকার। আত্ম-সচেতনতা বাড়িয়ে মনের ওপরে আমাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো সম্ভব। ড. স্যামির মতে, আত্ম-সচেতনতা এমন এক জিনিস যা মানুষকে তার নিজের আবেগ, অনুভূতি ও ইচ্ছা-অনিচ্ছা অনেক নিবিড়ভাবে বুঝতে সহায়তা করে। নিজের অনুভূতিকে বোঝার মধ্য দিয়েই মানুষ নিজের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার দিকে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে পারে। বলা যায় এটাই হতে পারে স্বাস্থ্য ভালো রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়।ড. নেডাইনের মতে, নিজের সম্পর্কে ব্যক্তির ধারণা যত নির্ভুল ও গভীর হবে, ততই সে তার নিজের শক্তি ও দুর্বলতার দিকগুলো জানবে। এই জানার মাধ্যমেই নিজের দুর্বলতাগুলোকে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এজন্য তিনি এমন কিছু কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন যা শারীরিকভাবে কর্মক্ষম থাকতে জিমে যাওয়া কিংবা ভোরবেলা দৌড়ানোর চেয়ে অনেক বেশি কায়িক শ্রমের ব্যবস্থা করবে।এই যেমন আপনাকে অনেক বেশি কায়িক পরিশ্রমে ব্যস্ত রাখতে পারে আপনার পোষা কুকুরটি। এবারিস্টউইথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের শিক্ষক ড. রিস থেচারের বক্তব্য, জিম হয়ত কারো কারো জন্য একটা ভালো সমাধান হতে পারে। কিন্তু তা সবার জন্য নয়। তাই এক্ষেত্রে মোক্ষম উপায় হতে পারে একটি কুকুর পোষা। কারণ কুকুরকে যদি দিনে দুই বার অন্তত ৩০ মিনিট করে হাঁটাতে হয় তখন আপনিও নিজে থেকেই হাঁটবেন। আর এভাবেই রোজকার হাঁটার ভেতর দিয়ে শরীর ও মনের সুরক্ষা হবে। সুস্বাস্থ্য অর্জন করতে হলে তারা পরামর্শ দিয়েছেন বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিজ্জ খাদ্য গ্রহণের। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সপ্তাহে অন্তত ৩০ পদের সবজি ও ফল-ফলাদি গ্রহণ করলে সুস্বাস্থ্য অর্জন করা সম্ভব। লন্ডন কিংস কলেজের একজন গবেষণা ফেলো ড. মেগান রসি বলেন, শুধু বেশি করে সবজি ও ফল-ফলাদি খেলেই হবে না। এর মধ্যে বিভিন্ন জাতের ভিন্নতাও থাকা জরুরি। প্রতি সপ্তাহে সব পদ মিলিয়ে যদি ভিন্ন-ভিন্ন ৩০ পদের সবজি ও ফল-ফলাদি খাওয়া যায় তাহলে তা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। আমাদের পাকস্থলীতে মাইক্রোবায়োম নামের একটি ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। এই ব্যাকটেরিয়া মানুষের সুস্বাস্থ্যের ওপরে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে। তাই বেশি বেশি লতা-পাতা ও উদ্ভিজ্জ সবজি খেতে পরামর্শ দিয়েছেন ড. রসি।সুস্থ থাকার জন্য বেশি বেশি হাসার পাশাপাশি দৈনিক গড়ে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দিয়েছে বিজ্ঞানীরা। একটানা ঘুমের ঘাটতি চলতে থাকলে শরীরের উপরে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এক্সেটার ইউনিভার্সিটির স্পোর্ট এন্ড হেলথ সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক ড. গেভিন বাকিংহাম বলেছেন, ঘুম কম হলে মানুষের নতুন জিনিস শেখার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। তাই দেহ ও মনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।-বিবিসি

  • আজ থেকেই শরীরের মেদ দ্রুত ঝরান, জেনে নিন টিপস

    newsbazar24:কাজের চাপে অনেকেই বাড়ি থাকতে না পারার কারণে বাইরের খাবারে ভরসা রাখছেন। খেতে ভালোবাসলে ওজন নিয়েও সবার সচেতন থাকা উচিত বলে আজকাল ডাক্তাররা মনে করছেন। অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড বা অন্যান্য বাড়ির খাবার যেক্ষেত্রে অতিরিক্ত চর্বি বা তেল রয়েছে, সেগুলো মাত্রাধিক খেলে নানান রোগের সাথে শরীরে বাড়ছে ওজন। যা কম বেশি কুফল আমাদের সবার জানা। শীত হোক বা গ্রীষ্ম, শরীর তরতাজা আর ফিট রাখার জন্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ওজন না হওয়াটাই ভালো। কিন্তু কিভাবে শরীরের জমা অতিরিক্ত ফ্যাট ঝরাবেন-১.সঠিক পুষ্টি ২. জল খান ৩. ঘুমের পরিমাণ একটু বাড়ান ৪. ভিনিগার খান ৫. ফ্যাট খেলেও হেলদি ফ্যাট খান ৬. পানীয় বাছুন বুঝে ৭. ফাইবার রাখুন খাবারে ৮. রিফাইন এবং প্রসেসড ফুড বন্ধ করুন ৯. শরীরচর্চা আবশ্যক ১০. আয়রনের প্রয়োজন আছে ১১. উপবাস দরকার ১২. শেষ পাতে দই রাখুন ১৩. অল্প পরিমাণে খান, বারেবারে খান ১৪.প্রোটিন ডায়েট ১৫. স্ট্রেংথ ট্রেনিং শুরু করুন

  • গর্ভাবস্থায় ভুলেও খাবেন না এসব জিনিস !

    newsbazar24: চিকিৎসাশাস্ত্রে এর মেয়াদ ১০ মাস ১০ দিন হলেও এই সময় একটা মেয়ে অনেক কিছু দেখে এবং শেখে। নতুন করে এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়। এক নতুন জীবন জন্ম দেওয়ার জন্যে নানান দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পড়ে। যে আসছে তার ভালো থাকার জন্যে নিজের ভালো থাকাটাও যে অনেক জরুরী, এই বোধ একটা মেয়েকে এই সময় সচেতন করে তোলে। দায়িত্ববোধ আর কর্তব্যের মেলবন্ধন তাকে বারবার নতুন নতুন ভালো কিছু শিখতে সাহায্য করে। এই সময়টা একটা মেয়ের কাছে খুব গুরত্বপূর্ণ। ভালো থাকার জন্যে নানা বিধি নিষেধ মেনে চলতে হয়। পরিবারের বড়রা তাকে গাইড করার জন্যে থাকলেও নিজের ব্যাপারে নিজের কিছু কিছু জিনিস জেনে রাখা জরুরি। হাঁটাচলা, ঘুম সমস্ত কিছুর পাশাপাশি খাওয়া দাওয়ার উপরেও সমান ভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অনেক কিছু পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত, আবার অনেক কিছু খাওয়া উচিত নয়। আজকের বিষয়ে আলোচনা করবো কী কী গর্ভাবস্থায় খাওয়া উচিত নয়। ১. চিজ থেকে দূরে থাকুন: চীজ অনেকেই খেতে ভালোবাসেন। কিন্তু আনপ্রসেসড চীজ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। কারণ এতে লিস্টেরিয়া নামক ব্যাক্টেরিয়া থাকে। একই ভাবে নরম চীজ এ জল বেশি থাকে যাতে ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ বেশি হয়। ২. কাঁচা ডিম ভুলেও না: কাঁচা ডিম বা হাফ সিদ্ধ ডিম খেতে যারা ভালোবাসেন, এবার সময় এসেছে এগুলোকে না বলার। একই ভাবে প্রসেসড মিট বা রোস্ট খাওয়াকেও না বলুন। এক্ষেত্রে টকসোপ্লাজমা ব্যাক্টেরিয়া শরীরের মধ্যে গেলে শরীরের ক্ষতি করতে পারে। সি ফিশ বা সমুদ্রের মাছ খাওয়া ভালো, এতে ওমেগা -৩ থাকে। তবে সেই মাছও খান পরিমিত পরিমাণে। ৩. মাল্টিভিটামিনের আগে ডাক্তারের পরামর্শ: অনেক খাবার আমরা এই সময় খেয়ে থাকি যাতে ভিটামিনের অভাব শরীরে না হয়। এমন কোনো খাবার খাবেন না যাতে বেশি পরিমাণে ভিটামিন-A আছে। এমনকি মাল্টি ভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়ার আগেও ডক্টরের পরামর্শ নিয়ে খান। ৪. বাসি স্যালাড বা কাটা ফল খাবেন না: সবুজ স্যালাড স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। অবশ্যই স্যালাড খান কিন্তু কখনোই অনেকক্ষন আগের কেটে রাখা স্যালাড খাবেন না। বাইরের কাটা স্যালাডকেও এখন না বলুন। অনেক আগের কাটা স্যালাডে লিষ্টেরিয়া প্যারাসাইট থাকে। ৫. ধুমপান ও মদ্যপান থেকে দূরে থাকুন: কোনো রকম নেশাকে না বলুন। ধূমপান বা অ্যালকোহল কোনোটাই এই সময় নেওয়া উচিত না। অতিরিক্ত ডোপামিন হরমোন ক্ষরণ এই সময় বাচ্চার ক্ষতি করে। ঘুমানোর সময় ওজন কমানোর প্রক্রিয়া( আজ রাতেই চেষ্টা করুন) ওজন কমানোর একমাত্র সমাধান-৩০ দিনের মধ্যে 28কেজি ওজন কমান ঘুমানোর সময় ওজন কমানোর প্রক্রিয়া( আজ রাতেই চেষ্টা করুন) ৬. বেশি চা, কফি খাবেন না: অনেকের মধ্যেই চা বা কফি খাওয়ার প্রবণতা আছে। স্ট্রেস কমাতে অনেকে এক কাপ চা বা কফি বেছে নেন। চেষ্টা করুন এই প্রবণতা কমানোর। অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে গেলে মিসক্যারেজের সম্ভাবনা বা কম ওজনের শিশু হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। ৭. পেঁপে ও কলা থেকে দূরে: ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো। এই সময় ফল বা ফলের রস শরীরের পক্ষে উপকারী। কিন্তু ফলের ক্ষেত্রেও একটু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। কলা বা পেঁপে এমনি সময় স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী হলেও গর্ভাবস্থায় না খাওয়া উচিত। কলা বা পেঁপে তে যে ফাইবার থেকে তা দেহের তাপ বাড়িয়ে তোলে। তেঁতুলে ভিটামিন - সি থাকলেও এই ভিটামিন এই সময় শরীরে অতিরিক্ত যাওয়া উচিত নয়। ৮. ঠান্ডা পানীয়কে না বলুন: অনেকেই আছেন যারা বাজার চলতি ঠান্ডা পানীয় খেতে ভালোবাসেন। খাওয়ার পর বা যে কোনো সময় একটু গলা ভিজিয়ে আরাম পান। অনেকে কাজের চাপে খেতে চান এনার্জি ড্রিংক। চেষ্টা করুন এগুলো এই সময়ে এড়িয়ে চলার। কারণ এতে থাকে সংরক্ষক বা preservatives, যা শরীরের জন্যে ক্ষতিকারক। ৯. অ্যালার্জি হয় এমন খাবার খাবেন না: বাইরে বা অন্য কোথাও গেলে খাবার খাওয়ার আগে জেনে নিন খাবারে এমন কিছু দেওয়া আছে কিনা যা থেকে আপনার অ্যালার্জি হয়। ডাক্তারের পরামর্শ জুরুরি: ভালো ডক্টরের সঙ্গে পরামর্শ করে নিজের ডায়েট বেছে নিন।