স্বাস্থ্য


  • কেরলে বাদুড় বা শুয়োর থেকে ছড়ায়নি নিপা ভাইরাস : পুনের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজি।

    ডেস্ক:কেরল সরকারকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল পুনের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজি। কেরলের কোঝিকোড় ও মালাপ্পুরম জেলায় ইতিমধ্যে নিপায় আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। ভয়াল এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুহার খুব বেশি। ফলে কেরল-সহ দক্ষিণ ভারতের একাংশে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে রিপোর্ট পেশ করে পুনের সংস্থাটি। এর পরই এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, কেরলে শুয়োর, বাদুড় বা অন্য কোনও প্রাণী থেকে ছড়ায়নি নিরা ভাইরাস। তাহলে ভাইরাস এল কোথা থেকে? জানতে তদন্ত শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। কেরলের মোট ২১টি নমুনা পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষায়। এর মধ্যে সাতটি বাদুড়, দু'টি শুয়োর, একটি গবাদি পশু ও একটি ছাগলের নমুনা ছিল। এর মধ্যে করলের পেরাম্বরায় মৃত চামচিকার নমুনাও ছিল। পেরাম্বরায় যে এলাকায় প্রথম নিপার প্রকোপ দেখা গিয়েছিল সেখানে একটি কুয়ো থেকে উদ্ধার হয়েছিল বেশ কয়েকটি মৃত চামচিকা। ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজির তরফে রিপোর্টে জানানো হয়েছে, মৃত কোনও পশুর নমুনাতেই নিপা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। কেরলের পাশাপাশি হিমাচল প্রদেশে মৃত বাদুড়ের নমুনাও পাঠানো হয়েছিল পুনেতে। সেগুলিতেও ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। ভাইরাস মেলেনি হায়দরাবাদ থেকে পাঠানো নমুনাতেও।

  • সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই করা উচিত নয়।

    news bazar24:সাপে কামড়ালে অধিকাংশ মানুষেরই যে ভয় পেয়ে মৃত্যু হয়, এই তথ্য হয়তো অনেকেরই জানা। প্রচলিত কিছু ধারণা, কুসংস্কারের বশে অনেকেই সাপের কামড়ে আক্রান্তের উপরে এমন কিছু টোটকা প্রয়োগ করেন, যাতে হিতে বিপরীত হয়। কিন্তু সাপের কামড়ালে ভয় না পাওয়াটা যেমন জরুরি, তেমনই সাপের কামড়ানোর পরে সঠিক পদক্ষেপগুলি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই করা উচিত নয়।শরীরের যে অংশে সাপ কামড়েছে, সেই জায়গাটি বেশি নড়াচড়া করাবেন না। আক্রান্তকে হাঁটাচলাও করতে দেবেন না। বেশি হাঁটাচলার ফলে মাংসপেশিতে টান পড়ে বিষ দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।সাপে কামড়ানোর পরে কখনওই কোনও ব্যথা কমানোর ওষুধ (পেইন কিলার) আক্রান্তকে খাওয়াবেন না। এর ফলে আক্রান্তের শরীরের প্রকৃত অবস্থা বোঝা কঠিন হবে। অনেক সময় আক্রান্তের যন্ত্রণা আরও বেড়ে যেতে পারে।যেখানে সাপে কামড়েছে, তার আশেপাশে কখনওই চিড়ে বা কেটে দেবেন না। এমন করলে উল্টে রক্তে দ্বিগুণ গতিতে সাপের বিষ ছড়িয়ে পড়ে। যার প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কেও। এর ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।। সাপে কামড়ালে আক্রান্তকে দ্রুত নিয়ে যান হাসপাতালে।যাঁকে সাপে কামড়েছে, তাঁকে কখনওই কাত করে শোয়াবেন না। সব সময়ে সোজা করে শোওয়াবেন। ঠিক যে ভাবে স্ট্রেচারের উপরে শোওয়ানো হয়।

  • চল্লিশের পরও চেহারায় যৌবন ধরে রাখুন এই উপায়ে

    news bazar24:চোখের নিচে দিনের পর দিন বলিরেখা বাড়ছে? ক্রমশ কুচকে যাচ্ছে মুখের চামড়া? তাহলে আর দেরি না করে ত্বকের যত্ন নিতে শুরু করুন। শুধু মহিলাদের নয়, পুরুষদেরও ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। না হলে অকালেই বুড়িয়ে যেতে হবে। কিন্তু এমন বেশ কিছু উপায় রয়েছে যেগুলি ঠিক মতো মেনে চললে পঞ্চাশেও চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে পারবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়গুলি কী কী... স্নানের আগে গোটা শরীরে অলিভ অয়েল মেখে নিতে পারলে তা ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা উষ্ণ জলের সঙ্গে এক চামচ মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারলে পেট থাকবে পরিষ্কার আর শরীর থাকবে ঝরঝরে। ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মসৃণ। পুরুষদের চূড়ান্ত  কর্মব্যস্ততার মধ্যেও ১৫ দিন অন্তর অন্তত একবার ফেশিয়াল করা উচিত। না, তার জন্য পার্লারে যাওয়ার দরকার নেই। মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। বা মুলতানি মাটিতে সামান্য গোলাপজল মিশিয়েও মুখে মাখিয়ে রাখুন। ১০-১৫ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন। জলে ভেজানো খেজুর ও ছোলা মিশিয়ে খেতে পারলে পেট থাকবে পরিষ্কার, ত্বক হয়ে উঠবে ঝকঝকে ও তারুণ্য ভরা।   বিভিন্ন ফলের রস ত্বকের জন্য খুব উপকারী। যেমন, গাজর, শসার রস, টোম্যাটো, কমলাবেলুর মতো ফলের রস খেতে পারলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। এই নিয়মগুলি মেনে চলতে পারলেই  আপনার চেহারায় যৌবন হবে দীর্ঘস্থায়ী।    

  • দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলে গা গোলায় বা বমি বমি ভাব? জেনে নিন সহজ সমাধান

    news bazar24:দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলে গা গোলায় বা বমি বমি ভাব? জেনে নিন সহজ সমাধান..... মানুষের শরীরে ৩টি অংশ গতি নির্ণয় করতে পারে এবং সেই তথ্য মস্তিষ্কে পৌছে যায়। এই তিনটি অংশ হল- চোখ, অন্তঃকর্ণ এবং ত্বক। এদের 'সেন্সরি রিসেপ্টর' বলা হয়। যখনই এই ৩ সেন্সরের মধ্যে কোনও অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়, তখনই মূলত মোশন সিকনেস দেখা দেয়।ট্যাক্সি বা বাসে উঠলে এ তো ভারী জ্বালা! কাজের সূত্রে বাড়ির বাইরে বেরোতেই হবে। বাসে-ট্রামেও চড়তে হবে। কিন্তু দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলেই যদি মাথার যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায় বা গা গোলাতে থাকে, তাহলে তো গাড়িতে ওঠাই মুশকিল। তাই লজ্জা এড়াতে বাস-ট্যাক্সিতে ওঠা বন্ধ করে দিয়েছেন? কিন্তু কীভাবে কাটাবেন এই সমস্যা? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েকটা সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই এই সমস্যা এড়ানো যেতে পারে। ১)গাড়িতে বসে সামনের দিকে না তাকিয়ে রাস্তার দিকে তাকানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। ২)যাত্রাপথের গতির বিরপীতে তাকাতেও নিষেধ করছেন ডাক্তাররা। ৩)তেলের গন্ধ কাটাতে ভাল মানের এবং ভাল গন্ধের এয়ারফ্রেশনার কাজে দিতে পারে। ৪)চলতি পথে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিতে পারলে ভাল হয়। ৫)গাড়ির ভেতর মোবাইল ফোন বা ট্যাব ব্যবহার না করাই ভাল। ৬)যে সিটে কম ঝাঁকুনি, তা বেছে নিতে হবে। ৭)জোরে জোরে শ্বাস নিয়ে আস্তে আস্তে ছাড়তে হবে। ৮)সুন্দর, সুরেলা, স্নিগ্ধ গান শোনা যেতে পারে।

  • জানেন কি, তরমুজের বীজের কত গুণ? মারণ ব্যাধি থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে তরমুজে বীজ।

    ডেস্ক ঃ গ্রীষ্মের শুরু থেকেই বাজার ছেয়ে যায় তরমুজে। আর গরমে শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে যে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার তাও আমাদের সবার জানা। কিন্তু তরমুজ খাওয়ার সময় বীজ ফেলে দেওয়াই দস্তুর। কিন্তু জানেন কি, তরমুজের বীজের কত গুণ? মারণ ব্যাধি থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে তরমুজে বীজ।  গবেষকরা বলছেন, তরমুজের বীজে এমন এক রাসায়নিক থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী।  তাছাড়া তরমুজের বীজে থাকা একাধিক খনিজ গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষ উপকারী।  তরমুজের বীজে থাকা লাইসিন নামে উত্সেচক ডায়াবেটিস বা মধুমেহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিসে চমকে দেওয়ার মতো ফল দিতে পারে তরমুজের এই বীজ। এছাড়া তরমুজের বীজে ক্যালোরির মাত্রা অত্যন্ত কম। এছাড়া তার মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও ফোলেট, যা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে এ সবই থাকে তরমুজের বীজের খোলের নীচে থাকা অভ্যন্তরীণ অংশে। ফলে তরমুজের বীজ চিবিয়ে খেলেই তার সম্পূর্ণ উপকার মেলা সম্ভব।

  • একবারও কি ভেবে দেখেছেন, কোথায় যাচ্ছে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ?

    ডেস্কঃ(I.D). ৩০ মার্চ ২০১৮ঃ-শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমলে তা থেকে বিভিন্ন অসুখের সৃষ্টি হতে পারে। তাই স্থূলতাকে বিভিন্ন রোগের কারণ বলে থাকেন চিকিত্সকরা।মেদ ঝরানোর জন্য মানুষ কত কী না করে। সারাদিন শরীরচর্চা থেকে শুরু করে নিয়ম মেনে খাওয়া দাওয়া, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সবই মানুষ করে চলেছে ওজন কমানোর জন্য।চিকিত্‌সক এবং ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ মেনে ওজন কমানোর জন্য তো কত কীই না করছেন। আর নিয়ম মেনে চললে সাফল্য তো মিলবেই। অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে অনেকেই হয়ে উঠেছেন ফিট। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছেন, কোথায় যাচ্ছে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ?বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নিয়ম মেনে শরীরচর্চা করলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ বিপাক প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে জল এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইডে পরিবর্তিত হয়ে যায়। যা পশরীর থেকে বেরিয়ে যায় পরবর্তীকালে ঘাম এবং প্রস্রাবের সঙ্গে।

  • জেনে নিন জাঙ্ক ফুড বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের কী কী ক্ষতি করে?

    ডেস্কঃ (I.D).২৮ মার্চ ২০১৮ঃ-এখনকার আধুনিক বাবা-মায়েরাও আজকাল বাড়ির তৈরি খাবারের পরিবর্তে দোকানের কেনা খাবার তুলে দিচ্ছেন বাচ্চাদের মুখে। বাচ্চারা একবার পিত্‌জা, বার্গার, স্যান্ডউইচ দেখলে আর কোনও খাবারের দিকে তাকায় না।বাড়ির খাবারের পরিবর্তে রোজ রোজ জাঙ্ক ফুড বাচ্চাদের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছে।  কীভাবে বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে এই সমস্ত জাঙ্ক ফুড? জেনে নিন-স্বাস্থ্যকর বাচ্চাও যদি টানা ৫ দিন জাঙ্ক ফুড খান, তাহলে তাদের মুড, মেজাজ, চিন্তাশক্তির উপর প্রভাব পড়ে। এমনকী বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে জাঙ্ক ফুডের কারণে। জাঙ্ক ফুডে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে। প্রত্যেকদিন জাঙ্ক ফুড খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরির প্রভাবে বাচ্চাদের ওজন বেড়ে যাওয়া এবং অন্যান্য আরও স্বাস্থ্যের সমস্যা হতে পারে। ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুডে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকায় রক্তে সুগারের মাত্রার ভারসাম্য হারিয়ে যায়। যার ফলে উত্তেজনা, বিভ্রান্তি এবং ক্লান্তি দেখা দেয়।

  • কিডনির অসুখের ঝুঁকি কমাতে পারে ওবেসিটি অপারেশনে

    ডেস্কঃ (I.D). ২৮ মার্চ ২০১৮ঃ-অতিরিক্ত পরিমাণে মেদ জমে গেলেই ওবেসিটির মতো রোগ দেখা দিতে পারে। আর এর ফলে অন্য বিভিন্ন রোগের প্রকোপ দেখা দিতে পারে শরীরে। হৃদরোগ, রক্তচাপ, টাইপ টু ডায়েবিটিস, কার্ডিভ্যাসকুলার রোগের মতো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফিট আর সুস্থ থাকার জন্য মানুষ কত কি-ই না করে চলেছেন। ডায়েট মেনে খাবার খাওয়া থেকে শুরু করে শরীরচর্চা, সব কিছুই চলছে নিয়ম মেনে। ওজন কমানোর জন্য চিকিত্সকের পরামর্শও নিচ্ছেন। তবে, ওজন কমানোর চিকিত্‌সা করানো নিয়ে অনেক মানুষের মধ্যেই সংশয় থাকে। তাঁরা মনে করেন, ওজন কমানোর চিকিত্‌সা এবং অপারেশন ডেকে আনতে পারে আরও নানা অসুখ। কিন্তু চিকিত্‌সকরা এ ব্যাপারে ইতিবাচক কথাই বলছেন।হৃদরোগ, রক্তচাপ, টাইপ টু ডায়েবিটিস, কার্ডিভ্যাসকুলার রোগের মতো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। শুধু তাই নয়, ওবেসিটির কারণে দেখা দিতে পারে কিডনির সমস্যাও। তাই শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলা খুবই দরকারি। ওবেসিটি বা শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ ঝরানোর জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় চিকিত্‌সা করা হয়। যেমন, ডায়েটারি মডেফিকেশন, ফার্মালজিক্যাল এবং সার্জিক্যাল ট্রিটমেন্টও করা হয় মেদ ঝরানোর জন্য। একটি তথ্য প্রকাশ হয়েছে। যেখানে বলা হচ্ছে, কিডনির সমস্যা মারাত্মক আকার নিলে তা প্রাণঘাতীও হতে পারে। তথ্যে জানানো হচ্ছে, সার্জিক্যাল ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে মেদ ঝরানো একদিকে যেমন ওবেসিটির হাত থেকে মুক্তি দেয়, তেমনই কিডনির অসুখের ঝুঁকিও কমিয়ে দিতে পারে।সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অফ গথেনবার্গের গবেষকরা একটি পরীক্ষা করেন। যেখানে তাঁরা ৩৭ থেকে ৬০ বছর বয়সী প্রায় ৪ হাজার রোগীর মধ্যে একটি সমীক্ষা চালান। ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চালানো হয় এই সমীক্ষা। নজর রাখা হয় ওই ৪ হাজার মানুষের উপর। ওই ব্যক্তিদের অর্ধেকের মেদ ঝরানোর জন্য সার্জারি ট্রিটমেন্ট করা হয়। এবং বাকি ব্যক্তিদের নন-সার্জিক্যাল উপায়ে মেদ ঝরানো হয়। সমীক্ষা শেষে গবেষকরা জানাচ্ছেন, যাঁদের অপারেশনের মাধ্যমে মেদ ঝরানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে কিডনির সমস্যা, ক্যানসার, বিভিন্ন কার্ডিওভ্যাসকুলার রোগের ঝুঁকি অনেক কমে গিয়েছে বাকিদের তুলনায়।

  • জেনে নিন কীভাবে মুক্তি পাবেন বাতের ব্যাথা থেকে -

    ডেস্কঃ (I.D).২৭ মার্চ ২০১৮ঃ-শুধু বেশি বয়সের মানুষই নন, কমবয়সীরাও বাতের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে। অনেক ওষুধ খেয়েও কিছুতেই বাতের ব্যাথা থেকে মুক্তি পান না বহু মানুষ। কিন্তু এমন কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে, যাতে বাতের কষ্ট থেকে কিছুটা রেহাই পেতে পারেন।  অনিয়মিত জীবনযাপন, বংশগত, অন্য বিভিন্ন রোগের প্রভাবে, এছাড়া আরও অনেক কারণে বাতের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শুধু বেশি বয়সের মানুষই নন, কমবয়সীরাও বাতের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে। অনেক ওষুধ খেয়েও কিছুতেই বাতের ব্যাথা থেকে মুক্তি পান না বহু মানুষ। কিন্তু এমন কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে, যাতে বাতের কষ্ট থেকে কিছুটা রেহাই পেতে পারেন। জেনে নিন উপায়গুলো- চিকিত্সকদের মতে, বাত সাধারণত আমাদের দুটো হাড়ের সংযোস্থলে হয়ে থাকে। তাই ছোটবেলা থেকেই হাড়ের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। আমাদের এমন সমস্ত খাবার খেতে হবে, যা হাড়কে মজবুত রাখে। বাতের সমস্যা তৈরি করে যে সমস্ত খাবার যেমন, মিষ্টি, ডিম, সোয়াবিন এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য খাওয়া কম করতে হবে।বাতের ব্যাথায় কষ্ট পেলেও অস্থির না হয়ে মনকে শান্ত রাখতে হবে। উত্তেজিত হলে কষ্ট বাড়ে। তাই মন এবং মস্তিষ্ককে শান্ত রাখতে যোগাসন অভ্যাস করুন।বাতের ব্যাথা কমাতে প্রচুর পরিমাণে তাজা শাক-সব্জি, ফল খাওয়া খুব জরুরি। মিহি চিনি, শস্যদানা, রিফাইন্ড অয়েল এবং ট্রান্স ফ্যাট খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এবং অতিরিক্ত নুন খাওয়া ত্যাগ করতে হবে।ব্যাথা, যন্ত্রণা কমানোর জন্য দারুণ উপকারী হল ব্যায়াম। বাতের সমস্যা অতিরিক্ত হলে একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তিনিই বিভিন্ন ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনার কষ্টের উপশম ঘটাতে পারবেন। আমরা সকলেই জানি, হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। ব্যাথা, যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে রোজকার খাবারে হলুদের ব্যবহার করুন।

  • গলার ক্যানসারের ফলে রয়েছে প্রাণ সংশয়ে,গলার ক্যানসারের লক্ষণগুলি জেনে নিন-

    ডেস্কঃ (I.D).২৭ মার্চ ২০১৮ঃ- সব জটিল রোগে বিশেষ করে আক্রান্ত হন পুরুষরা। গলার ক্যানসারের ফলে রয়েছে প্রাণ সংশয়েও। তবে, প্রথম পর্যায়ে ক্যানসার ধরা পড়লে, চিকিত্‌সা তাড়াতাড়ি শুরু হলে সেরে ওঠার সম্ভাবনাও থাকে। এর জন্য জানা থাকা দরকার গলার ক্যানসারের লক্ষণগুলি। জেনে নিন- যদি আপনার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কাশি হয়, তাহলে অবশ্যই সঙ্গে সঙ্গে চিকিত্‌সকের কাছে যান। গলার ক্যানসারের প্রথম লক্ষণ হতে পারে কাশি,গলার ক্যানসারে আক্রান্ত হলে গলায় ব্যথা এবং খাবার গিলতে সমস্যা হতে পারে । এমন কোনও লক্ষণ যদি দেখেন, তাহলে অবহেলা করবেন না,৪-৫ দিন টানা যদি কানে ব্যথা থাকলে অবহেলা করবেন না। ফেলে না রেখে চিকিত্‌সকের সঙ্গে পরামর্শ করুন,কখনও কখনও অনেক কারণেই মুখে ঘা হয়। কিন্তু সেই ঘা যদি ১৫ থেকে ২০ দিনেও না সারে, তাহলে অবশ্যই চিকিত্‌সকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন,বয়ঃসন্ধির কারণে ছেলেদের গলার স্বর বদলে যায়। কিংবা ঠান্ডা লাগার কারণেও আমাদের গলা কখনও কখনও ভেঙে যায়। এটা স্বাভাবিক। কিন্তু অসময়ে গলা ভেঙে গেলে, এবং তা অনেক দিন ধরে না সারলে চিন্তার কারণ হতে পারে।        

  • গরমে যে পানীয়গুলো অবশ্যই খাবেন

    ডেস্কঃ(I.D). ২৫ মার্চ ২০১৮ঃ-স্বাস্থ্যকর পানীয় খেলেই চলবে না। তার জন্য রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট সময়েও। সময় মেনে খেলে তা শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।গরমকালটা এসেই গেল। একটু বেলা বাড়লেই রোদের তাপে আর বাইরে বেরনো যাচ্ছে না। গরমের তাপ এতটাই। এই সময়ে বেশিরভাগ মানুষই শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য কোল্ড ড্রিঙ্কস বা আইসক্রিম খেয়ে থাকেন। কিন্তু নিউট্রিশনিস্টরা জানাচ্ছেন, গরমে শরীর সুস্থ রাখতে কোল্ড ড্রিঙ্কস বা আইসক্রিম নয়, বরং এমন কিছু পানীয় খেতে হবে, যা স্বাস্থ্যকরও। তবে শুধু স্বাস্থ্যকর পানীয় খেলেই চলবে না। তার জন্য রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট সময়েও। সময় মেনে খেলে তা শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। ডাবের জল- গরমে শরীর সুস্থ রাখতে সকালে বা দুপুরের আগে ডাবের জল খান। বদহজমের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে ডাবের জল। বাটারমিল্ক- দুপুরের খাবারের পর বাটারমিল্ক খান। লেবুর সরবত- সন্ধের খাবারের আগে এক গ্লাস লেবুর সরবত খান। লেবুর সরবতে একটু নুন, চিনি, জিরে গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। গরমে এই সমস্ত পানীয় শরীরের কী কী উপকার করে?  বদহজম, অম্লতা, পেট ফাঁপার হাত থেকে রক্ষা করে,ত্বক ভালো রাখে, জ্বর প্রতিরোধ করে,শরীরের বিভিন্ন ব্যথা প্রতিরোধ করে।

  • দুধ নিঃসন্দেহে একটি সুপারফুড

    ডেস্কঃ (I.D). ১০ মার্চ ২০১৮ঃ-  সমস্ত বয়সের মানুষের জন্য দুধ উপকারী। দুধে এমন কিছু উপদান থাকে, যা শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। দুধ নিঃসন্দেহে একটি সুপারফুড। সম্প্রতি ফুড সায়েন্স এবং নিউট্রিশন জার্নালে একটি তথ্য প্রকাশ হয়েছে, যে সমস্ত গরু শুধুমাত্র ঘাস খায়, সেই গরুর দুধ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। ঘাস খাওয়া গরুর দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ওমেগা থ্রি, যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরের উপকারের জন্য ওমেগা সিক্স এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড খুবই প্রয়োজনীয় দুটি উপাদান। তবে, প্রচুর পরিমাণে ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড এবং খুব কম পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। পাশাপাশি ওবেসিটি এবং ডায়াবিটিসের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। তাই গবেষকরা পরামর্শ দিচ্ছেন শুধুমাত্র ঘাস খায় এমন গরুর দুধ খেতে। কারণ, একমাত্র ঘাস খাওয়া গরুর দুধেই রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এবং এই দুধ আমাদের শরীরে ওমেগা সিক্স এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে। এর ফলে হৃদরোগ সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

  • ওজন কমছে না কিছুতেই,ওজন কমাতে খাবার খান ধীরে সুস্থে

    ডেস্কঃ(I.D). ০৯ মার্চ ২০১৮ঃ-ওজন কমানো এত সহজ কাজ নয়। তার জন্য দরকার কঠিন পরিশ্রম, নিয়ম মেনে চলা, ডেডিকেশন, নিজের উপর সংযম। এ সব মেনে না চললে অনেক চেষ্টা করেও কিছুতেই ওজন কমাতে পারবেন না। সম্প্রতি গবেষকরা জানাচ্ছেন, ওজন কমানোর জন্য শুধু সঠিক ডায়েট মেনে খাবার খেলেই চলবে না। খাবার খেতে হবে ধীরে ধীরে। তাড়াতাড়ি খাওয়া চলবে না একেবারেই।ওজন কমানোর উপর জাপানের কিউসু বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সমীক্ষা চালানো হয়। যেখানে ৬০ হাজার মানুষের খাওয়ার ধরন, তাঁদের ওজন বাড়া-কমার দিকে নজর দেওয়া হয়। সমীক্ষায় ৬০ হাজার মানুষকে ২টি দলে ভাগ করে দেওয়া হয়। প্রথম দলের ব্যক্তিরা তাড়াতাড়ি খাবার খান। দ্বিতীয় দলের ব্যক্তিরা ধীরে ধীরে। সমীক্ষা শেষে দেখা যায়, যাঁরা খাবার ধীরে ধীরে খেয়েছিলেন, তাঁদের ওজন কমেছে, তাড়াতাড়ি খাবার খাওয়া লোকেদের তুলনায়। তাঁদের মধ্যে শুধু ওবেসিটির মাত্রাই কমে গিয়েছে, তাই নয়, শারীরিক অসুস্থতার মাত্রাও কমে গিয়েছে। চিকিত্‌সকরা জানাচ্ছেন, ধীরে ধীরে খাবার চিবিয়ে খেলে পাকস্থলী সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। চিবিয়ে খাওয়ার সময়ে আমাদের শরীর থেকে অনেক উপকারী হরমোন নির্গত হয়। তাড়াতাড়ি গিলে খেলে যা সম্ভব হয় না। তাই ওজন কমাতে হলে শুধু ডায়েট মেনে খাবার খেলেই চলবে না, খেতে হবে ধীরে সুস্থে।

  • হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নারকেল তেল খাওয়া খুবই জরুরি

    ডেস্ক ঃ ভারতের বেশ কিছু অংশে নারকেল তেলে রান্না করলেও এ ক্ষেত্রে ব্যবহার খুবই কম বললেই বলা যায়। সে কারণেই রান্নায় এই তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা খুবিই কম জানি। গবেষকরা বলছেন অন্যান্য তেলের থেকে নারকেল তেল খেলে হার্ট ভাল থাকে। কীভাবে? কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কে-টি খয়ো এবং অধ্যাপক নীতা ফরৌহি একটি সমীক্ষা করেন। যেখানে ৫০ থেকে ৭৫ বছর বয়সী ৯৪ জন মানুষকে নিয়ে ওই সমীক্ষা করা হয়। হৃদরোগ কিংবা ডায়াবিটিস হয়নি এমন ব্যক্তিদের নিয়ে গবেষণায় তাঁদের বলা হয় প্রত্যেকদিন ৫০ গ্রাম কিংবা ৩ চামচ নারকেল তেল, নাহলে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল কিংবা আনসল্টেড বাটার টানা ৪ সপ্তাহ ধরে খান। গবেষকরা এই সমীক্ষার মাধ্যমে দেখতে চেয়েছিলেন, এই ধরনের ফ্যাট প্রত্যেকদিন শরীরে গেলে তাঁদের কোলেস্টেরলের মাত্রায় কী তফাত্ দেখা দেয়। ৪ সপ্তাহ পর দেখা যায়, যাঁরা বাটার খেয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে LDL কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা ১০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। যাঁরা অলিভ অয়েল খেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে LDL কোলেস্টেরল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে গিয়ে HDL বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা ৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। সব থেকে চমকদার বিষয়, যাঁরা ৪ সপ্তাহ ধরে রান্নায় নারকেল তেল খেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে HDL বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা ১৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে।

  • কোষ্ঠকাঠিন্য হলে এই খাবারগুলো একদম খাবেন না

    ডেস্কঃ(I.D).২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ঃ- অনিয়মিত জীবন-যাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুডের কারণে বহু মানুষ কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যায় ভোগেন। একবার কোষ্ঠকাঠিন্য হলে অনেক নিয়ম মানা প্রয়োজন। জেনে নিন কোন কোন খাবার একেবারেই খাওয়া উচিত্‌ নয় এই সময়ে। ১) প্রচুর পরিমানে ফ্যাট থাকার কারণে অতিরিক্ত ভাজাভুজি খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত্‌ নয় এই সময়ে। কারণ, এই ধরনের খাবার হজম হতে অনেক সময় নেয়। ২) ভাতে প্রচুর পরিমানে কার্বোহাইড্রেট থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্যর সময়ে সাদা ভাত খাওয়া একেবারেই উচিত্‌ নয়। বরং এই সময়ে ব্রাউন রাইস খাওয়া উপকারী। ৩) অ্যালকোহলের কারণে আমাদের শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যায়। এর ফলে মাথা যন্ত্রণা এবং মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ডিহাইড্রেশন এবং কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা অ্যালকোহল বর্জন করুন। পরিবর্তে প্রচুর পরিমানে জল খান। ৪) চিপস খেতে যতই ভালো লাগুক না কেন, কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যায় চিপস শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

  • ঘুমের সমস্যা ? তাড়াতাড়ি ঘুমানোর যদি কোন উপায় থাকে, তাহলে কেমন হয়?

    ডেস্ক ;২০ ফেব্রুয়ারী -বহু মানুষ ঘুম না হওয়ার সমস্যায় ভোগেন। হাজার রকম পদ্ধতি অবলম্বন করেও কোনও উপকার পান না। কিন্তু তাড়াতাড়ি ঘুমানোর যদি কোন উপায় থাকে, তাহলে কোমন হয়?সম্প্রতি বেলর ইউনিভার্সিটির গবেষক ড. মিশেল স্কালিন একটি পরীক্ষা করেন। সেই পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি তাড়াতাড়ি ঘুম আসার উপায় খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি। কিন্তু কেমন ছিল ড. স্কালিনের পরীক্ষা পদ্ধতি?প্রথমে, ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সী ৫৭ জন প্রাপ্ত বয়ষ্ক ব্যক্তিকে দুটি দলে বিভক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর দু'টি দলকেই ড. স্কালিন তাঁর ল্যাবরেটরিতে ঘুমাতে বলেন। প্রথম দলকে তিনি বলেন, তাঁরা যেন তাঁদের শেষ করে ফেলা কাজগুলোর কথা লিখে ফেলেন। দ্বিতীয় দলকে বলা হয়, আগামিতে যে যে কাজ তাঁরা করতে চান, সেগুলো লিখে ফেলতে।পরীক্ষায় দেখা যায়, যাঁরা শেষ করা কাজ লিখছিলেন, তাঁদের তুলনায় ৯ মিনিট আগে ঘুমিয়ে পড়েছেন যাঁরা আগামিতে কী কী কাজ করবেন, সেগুলো লিখেছিলেন। তাই পরীক্ষা শেষে ড. মিশেল স্কালিনের পরামর্শ, আপনি যদি তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়তে চান, তাহলে আগামিতে কোন কোন কাজ করতে চান, সেগুলো লিখতে থাকুন।

  • শিশুদের জন্মগত ককলিয়া জনিত সমস্যা সম্পর্কে সেমিনার

    ডেস্ক ঃ জন্মগত ককলিয়া জনিত সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে রবিবার একটি সেমিনার আয়োজিত হতে চলেছে দক্ষিণ কলকাতায়। সেখানে হাজির থাকবেন শহরের নামজাদা নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞরা। ডেসিবেল হিয়ারিং ক্লিনিক নামে ওই সংস্থার দাবি, গত ১৮ বছরে ভারতে চল্লিশ হাজারের বেশি ককলিয়া প্রতিস্থাপন করে বধির শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরানো গিয়েছে। বিশ্বজুড়ে সংখ্যাটা প্রায় ৫ লক্ষ। ডেসিবেল হিয়ারিং ক্লিনিক নামে ওই সংস্থার শিবিরে রবিবার থাকবেন চিকিত্সক রবিনকুমার রায়চৌধুরী, অমিতাভ রায়চৌধুরী, এনভিকে মোহন, জয়তী সেনগুপ্ত, মানবেন্দ্র নারায়ণ ভট্টাচার্য ও কৃত্তিকা আয়াঙ্গার। 

  • শিশুদের জন্মগত ককলিয়া জনিত সমস্যা সম্পর্কে সেমিনার

    ডেস্ক ঃ জন্মগত ককলিয়া জনিত সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে রবিবার একটি সেমিনার আয়োজিত হতে চলেছে দক্ষিণ কলকাতায়। সেখানে হাজির থাকবেন শহরের নামজাদা নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞরা। ডেসিবেল হিয়ারিং ক্লিনিক নামে ওই সংস্থার দাবি, গত ১৮ বছরে ভারতে চল্লিশ হাজারের বেশি ককলিয়া প্রতিস্থাপন করে বধির শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরানো গিয়েছে। বিশ্বজুড়ে সংখ্যাটা প্রায় ৫ লক্ষ। ডেসিবেল হিয়ারিং ক্লিনিক নামে ওই সংস্থার শিবিরে রবিবার থাকবেন চিকিত্সক রবিনকুমার রায়চৌধুরী, অমিতাভ রায়চৌধুরী, এনভিকে মোহন, জয়তী সেনগুপ্ত, মানবেন্দ্র নারায়ণ ভট্টাচার্য ও কৃত্তিকা আয়াঙ্গার। 

  • চিনির বদলে পাতে রাখুন গুড়। রান্নাতেও গুড়, রুটি দিয়েও গুড়।

    ডেস্ক ঃ রান্নায় চিনি, রুটিতেও চিনি? উল্টে দিন। চিনির বদলে পাতে রাখুন গুড়। রান্নাতেও গুড়, রুটি দিয়েও গুড়। গুড়ের অঢেল গুণ। মার গুড় দিয়ে রুটি চিনি দিয়ে চা....। সিনেমার পর্দায় ফাটাফাটি ডায়ালগ। জিতের মুখে শুধু নয়, রক বা চায়ের দোকানে এ ডায়ালগ শুনে চায়ের ভাঁড়ে বা গ্লাসে কখনও চা চলকে ওঠেনি, এমনটা হওয়ার কথা নয়। চিনি না গুড়, বিতর্ক চিরকালের। শীতের ব্রেকফাস্টে চিনি দিয়ে রুটি খাবেন নাকি নলেন গুড়ে ডুবিয়ে, তা ঠিক করবেন খাদ্যরসিকই। তবে, সতর্ক থাকতে হবেই। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু চিনি ছাড়া কি চা চলে? চিনির চেহারা ভদ্রলোকের মতো শুভ্র ও পবিত্র। আর গুড়ের চেহারায় কোনও কৌলীন্য নেই। তাই গুড়ের চেয়ে চিনিই বেশি সমাদৃত। চিনি তৈরি হয় আখের রস থেকে। আর গুড় হয় সাধারণ আখের রস বা খেজুর রস জ্বাল দিয়ে। চিনিতে রয়েছে সুক্রোজ নামে শর্করা। আর গুড়ে সুক্রোজের সঙ্গে থাকে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লোহা। সেই সঙ্গে সামান্য প্রোটিনও থাকে গুড়ে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, উপকারের প্রশ্ন উঠলে এগিয়ে থাকবে গুড়। চিনির চেয়ে কেন এগিয়ে গুড়? কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ। শরীরে হজমের এনজাইমের কার্যকারিতা বেড়ে যায় গুড় খেলে। যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাঁরা লাঞ্চ বা ডিনারের ২০ মিনিট পর অল্প গুড় খেয়ে নিতে পারেন। অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। গুড়ে রয়েছে প্রচুর আয়রন। ফলে, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। লিভার পরিষ্কার রাখে। ১৫দিন অন্তর অল্প পরিমাণ গুড়। শরীরের থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বের করে দেয়। ফ্লু সারায় গুড়। কাশি, ঠান্ডা লেগে নাক দিয়ে জল পড়া, মাইগ্রেন, পেট ফাঁপার মতো রোগে উপকারি গুড়। হালকা গরম জলে অল্প গুড় মিশিয়ে সেই জল খেলে উপকার। বা চায়ে চিনির বদলে গুড় দিয়ে খেলে উপকার। প্রি-মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম কমায়। পিরিয়ডসের আগে অল্প পরিমাণ গুড়। এন্ড্রোফাইন বা হ্যাপি হরমোন বেরিয়ে শরীরকে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গুড়ে থাকে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, জিঙ্ক আর সেলেনিয়ামের মতো মিনারেল। ফলে, শরীরে ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ রোধ করে। এ ছাড়া বিভিন্ন ইনফেকশন থেকে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।   তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, গুড়ে থাকে প্রচুর ক্যালরি। তাই যাঁদের ডায়াবেটিস আছে বা যাঁরা ওজন কমাচ্ছেন, তাঁদের গুড় না খাওয়াই ভাল।

  • হার্ট অ্যাটাকের প্রথম লক্ষণগুলো কী কী? জেনে নিন এখনই

    ডেস্ক ঃ বুকের বাঁদিকে হালকা ব্যথা, কাঁধ, ঘাড়, সারা শরীরে ব্যথা এবং অস্বস্তি...এমন উপসর্গ হতে হতেই হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। এতদিন পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাকের এই সমস্ত লক্ষণগুলোই জানা ছিল আমাদের। কিন্তু সম্প্রতি গবেষণায় জানা গিয়েছে, হার্ট অ্যাটাক হওয়ার বেশ কিছুক্ষণ আগে থেকেই বিভিন্ন লক্ষণ দেখা যায়। গবেষণায় জানা যাচ্ছে, কোনওরকম শারীরিক কসরত্‌ ছাড়াই হঠাত্‌ করে ঘেমে যাওয়াও হার্ট অ্যাটাকেরই লক্ষণ। যে লক্ষণটা আমরা সবথেকে বেশি এড়িয়ে যাই, তা হল, মহিলাদের ক্ষেত্রে মেনোপজের কারণেও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। যাঁদের ধূমপানের অভ্যাস রয়েছে, ডায়াবিটিসের সমস্যা রয়েছে, উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে এবং অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেশি থাকে।