স্বাস্থ্য


  • বুকে কোনও ধরণের ব্যথা ছাড়াই হতে পারে হার্ট অ্যাটাক: জেনে নিন কি করবেন ?

    News bazar 24: যখন জমাট বেঁধে হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি করে তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। বয়স, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, উচ্চ কোলেস্টোরলের সমস্যা, অতিরিক্ত মেদ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মদ্যপান, মানসিক চাপ—এগুলি মূলত হার্ট অ্যাটাকের কারণ। অনেক সময় হার্ট অ্যাটাক হলেও সঠিকভাবে বোঝা সম্ভব হয় না। সমস্যা হল কোনও কোনও সময় বুকে কোনও ধরণের ব্যথা ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে, ফলে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কিনা তা খুব ভাল করে বোঝা যায় না। তাই জেনে নেওয়া যাক হার্ট অ্যাটাকের অন্যান্য লক্ষণগুলি সম্পর্কে। ১) হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ট অ্যাটাকের প্রায় ১ মাস আগে থেকেই দুর্বলতা এবং ঘন ঘন শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা শুরু হয়ে যায়। কোনও কারণ ছাড়াই শারীরিক দুর্বলতা এবং খুব সহজেই হাঁপিয়ে উঠে ঘন ঘন শ্বাস নেয়ার সমস্যা শুরুর বিষয়ে সতর্ক থাকুন। এই রকম শারীরিক দুর্বলতা এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা হলে বুঝতে হবে হৃদপিণ্ডের বিশ্রামের প্রয়োজন ২) হটাত্ করে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার সমস্যা শুরু হলে সে তা অবহেলা করবেন না। কারণ, এটিও হার্ট অ্যাটাকের একটি লক্ষণ। যখন হার্ট ব্লক হয় তখন রক্ত সঞ্চালনে হৃদপিণ্ডের অনেক বেশি কাজ করতে হয়। এই অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে ঘামের সৃষ্টি হয় এবং এই ঘাম সাধারণত অনেক ঠাণ্ডা হয়ে থাকে। এই ধরনের সমস্যাকে অবহেলা না করে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। ৩) একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, হার্ট অ্যাটাকের আগে থেকে বেশিরভাগ আক্রান্তরই বদহজমের সমস্যা এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও বুক জ্বালা যা আমরা অনেকে স্বাভাবিক বদহজমের সমস্যা ভেবে অবহেলা করি, তা-ও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের ইঙ্গিত। এর পাশাপাশি আচমকা কোনও কারণ ছাড়াই মাথা ঘোরানো, বমি বমি ভাব এবং বমি করার বিষয়গুলি অবহেলা করবেন না। ৫) শুধু বুকে ব্যথাই নয়, শরীরের অন্যান্য বিশেষ কিছু অঙ্গে ব্যথা অনুভব হওয়াও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। পেটের উপরের অংশ, কাঁধ, পিঠ, গলা, দাঁত ও চোয়াল এবং বাম বাহুতে হুট করে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া বা চাপ অনুভব অথবা আড়ষ্টতা অনুভব করাও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। তাই এই বিষয়গুলিকে মোটেই অবহেলা করবেন না। ৫) শুধু বুকে ব্যথাই নয়, শরীরের অন্যান্য বিশেষ কিছু অঙ্গে ব্যথা অনুভব হওয়াও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। পেটের উপরের অংশ, কাঁধ, পিঠ, গলা, দাঁত ও চোয়াল এবং বাম বাহুতে হুট করে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া বা চাপ অনুভব অথবা আড়ষ্টতা অনুভব করাও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। তাই এই বিষয়গুলিকে মোটেই অবহেলা করবেন না।এরকম সমস্যা হলে সাথে সাথে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। আশে পাশে ডাক্তার না পেলে কাছের যে কোনো স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রুগীকে নিয়ে যান। আপনি এই প্রতিবেদন টি পড়লেন newsbazar24.com এ

  • জেনেনিন কি ভাবে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেও ছানির প্রতিকার করা সম্ভব ?

    news bazar24: যখন আপনার চোখে ছানি পড়বে তখন আপনার চারপাশের সবকিছুই ঝাপসা হয়ে আসবে। সব কিছুই অস্পষ্ট দেখাবে। চোখের ছানি অত্যন্ত ধীর গতিতে বাড়ে। এই ছানি যখন বাড়তে বাড়তে মারাত্মক আকার নেয়, তখনই চোখে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেও ছানির প্রতিকার করা সম্ভব। কিন্তু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বনের আগে অবশ্যই একজন চক্ষু চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এ বার জেনে নেয়া যাক চোখের ছানি দূর করার কিছু সহজ উপায়। ভিটামিন সি: শরীরের অন্যান্য অঙ্গের চেয়ে চোখের লেন্স ভিটামিন সি বেশী ধারণ করে। যদি আপনার চোখে ছানি (প্রাথমিক পর্যায়ে) হয়ে থাকে তাহলে চক্ষু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে সম্পূরক ভিটামিন সি গ্রহন করুন। পেঁপে: পেঁপের মধ্যে যে এনজাইম থাকে তা প্রোটিন জাতীয় খাবার হজমে সহায়তা করে। চোখে ছানি আছে এমন অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যে তাঁদের প্রোটিন জাতীয় খাবার হজম করতে সমস্যা হয়। এই অতিরিক্ত প্রোটিন চোখের লেন্স-এ গিয়ে জমা হয়ে ছানি তৈরি করতে পারে। তাই ছানি প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত পেঁপে খাওয়া উচিত। গ্রীন টি: চোখের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে গ্রীন টি চমৎকার কাজ করে। গ্রীন টিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা চোখকে সজীবতা প্রদান করে। দুধ ও কাজুবাদাম: চোখে ছানি হলে চোখ জ্বালা করে এবং লাল হয়ে যায়। এক্ষেত্রে দুধের মধ্যে সারারাত কাজুবাদাম ভিজিয়ে রেখে সেই দুধ যদি চোখের পাতায় লাগানো যায় তাহলে চোখ জ্বালা করা এবং লাল হয়ে যাওয়া অনেকটাই কমে যায়। কাঁচা শাক-সব্জি: একাধিক মেডিকেল জার্নাল অনুযায়ী, কাঁচা শাক-সব্জি ভিটামিন এ এর উৎস। তাছাড়া এগুলি বিটা ক্যারোটিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে। রসুন: ছানি পড়া চোখের জন্য রসুন খুবই উপকারী। আপনার চোখ জল দিয়ে ধুয়ে নিলে দৃষ্টি যে রকম পরিষ্কার মনে হবে, রসুনও ঠিক সেই কাজটি করে থাকে। তাই প্রতিদিন ২-৩টি কোয়া রসুন খেতে পারলে উপকার পাওয়া যাবে।

  • কেরলে বাদুড় বা শুয়োর থেকে ছড়ায়নি নিপা ভাইরাস : পুনের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজি।

    ডেস্ক:কেরল সরকারকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল পুনের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজি। কেরলের কোঝিকোড় ও মালাপ্পুরম জেলায় ইতিমধ্যে নিপায় আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। ভয়াল এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুহার খুব বেশি। ফলে কেরল-সহ দক্ষিণ ভারতের একাংশে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে রিপোর্ট পেশ করে পুনের সংস্থাটি। এর পরই এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, কেরলে শুয়োর, বাদুড় বা অন্য কোনও প্রাণী থেকে ছড়ায়নি নিরা ভাইরাস। তাহলে ভাইরাস এল কোথা থেকে? জানতে তদন্ত শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। কেরলের মোট ২১টি নমুনা পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষায়। এর মধ্যে সাতটি বাদুড়, দু'টি শুয়োর, একটি গবাদি পশু ও একটি ছাগলের নমুনা ছিল। এর মধ্যে করলের পেরাম্বরায় মৃত চামচিকার নমুনাও ছিল। পেরাম্বরায় যে এলাকায় প্রথম নিপার প্রকোপ দেখা গিয়েছিল সেখানে একটি কুয়ো থেকে উদ্ধার হয়েছিল বেশ কয়েকটি মৃত চামচিকা। ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজির তরফে রিপোর্টে জানানো হয়েছে, মৃত কোনও পশুর নমুনাতেই নিপা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। কেরলের পাশাপাশি হিমাচল প্রদেশে মৃত বাদুড়ের নমুনাও পাঠানো হয়েছিল পুনেতে। সেগুলিতেও ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। ভাইরাস মেলেনি হায়দরাবাদ থেকে পাঠানো নমুনাতেও।

  • সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই করা উচিত নয়।

    news bazar24:সাপে কামড়ালে অধিকাংশ মানুষেরই যে ভয় পেয়ে মৃত্যু হয়, এই তথ্য হয়তো অনেকেরই জানা। প্রচলিত কিছু ধারণা, কুসংস্কারের বশে অনেকেই সাপের কামড়ে আক্রান্তের উপরে এমন কিছু টোটকা প্রয়োগ করেন, যাতে হিতে বিপরীত হয়। কিন্তু সাপের কামড়ালে ভয় না পাওয়াটা যেমন জরুরি, তেমনই সাপের কামড়ানোর পরে সঠিক পদক্ষেপগুলি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই করা উচিত নয়।শরীরের যে অংশে সাপ কামড়েছে, সেই জায়গাটি বেশি নড়াচড়া করাবেন না। আক্রান্তকে হাঁটাচলাও করতে দেবেন না। বেশি হাঁটাচলার ফলে মাংসপেশিতে টান পড়ে বিষ দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।সাপে কামড়ানোর পরে কখনওই কোনও ব্যথা কমানোর ওষুধ (পেইন কিলার) আক্রান্তকে খাওয়াবেন না। এর ফলে আক্রান্তের শরীরের প্রকৃত অবস্থা বোঝা কঠিন হবে। অনেক সময় আক্রান্তের যন্ত্রণা আরও বেড়ে যেতে পারে।যেখানে সাপে কামড়েছে, তার আশেপাশে কখনওই চিড়ে বা কেটে দেবেন না। এমন করলে উল্টে রক্তে দ্বিগুণ গতিতে সাপের বিষ ছড়িয়ে পড়ে। যার প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কেও। এর ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।। সাপে কামড়ালে আক্রান্তকে দ্রুত নিয়ে যান হাসপাতালে।যাঁকে সাপে কামড়েছে, তাঁকে কখনওই কাত করে শোয়াবেন না। সব সময়ে সোজা করে শোওয়াবেন। ঠিক যে ভাবে স্ট্রেচারের উপরে শোওয়ানো হয়।

  • চল্লিশের পরও চেহারায় যৌবন ধরে রাখুন এই উপায়ে

    news bazar24:চোখের নিচে দিনের পর দিন বলিরেখা বাড়ছে? ক্রমশ কুচকে যাচ্ছে মুখের চামড়া? তাহলে আর দেরি না করে ত্বকের যত্ন নিতে শুরু করুন। শুধু মহিলাদের নয়, পুরুষদেরও ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। না হলে অকালেই বুড়িয়ে যেতে হবে। কিন্তু এমন বেশ কিছু উপায় রয়েছে যেগুলি ঠিক মতো মেনে চললে পঞ্চাশেও চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে পারবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়গুলি কী কী... স্নানের আগে গোটা শরীরে অলিভ অয়েল মেখে নিতে পারলে তা ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা উষ্ণ জলের সঙ্গে এক চামচ মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারলে পেট থাকবে পরিষ্কার আর শরীর থাকবে ঝরঝরে। ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মসৃণ। পুরুষদের চূড়ান্ত  কর্মব্যস্ততার মধ্যেও ১৫ দিন অন্তর অন্তত একবার ফেশিয়াল করা উচিত। না, তার জন্য পার্লারে যাওয়ার দরকার নেই। মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। বা মুলতানি মাটিতে সামান্য গোলাপজল মিশিয়েও মুখে মাখিয়ে রাখুন। ১০-১৫ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন। জলে ভেজানো খেজুর ও ছোলা মিশিয়ে খেতে পারলে পেট থাকবে পরিষ্কার, ত্বক হয়ে উঠবে ঝকঝকে ও তারুণ্য ভরা।   বিভিন্ন ফলের রস ত্বকের জন্য খুব উপকারী। যেমন, গাজর, শসার রস, টোম্যাটো, কমলাবেলুর মতো ফলের রস খেতে পারলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। এই নিয়মগুলি মেনে চলতে পারলেই  আপনার চেহারায় যৌবন হবে দীর্ঘস্থায়ী।    

  • দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলে গা গোলায় বা বমি বমি ভাব? জেনে নিন সহজ সমাধান

    news bazar24:দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলে গা গোলায় বা বমি বমি ভাব? জেনে নিন সহজ সমাধান..... মানুষের শরীরে ৩টি অংশ গতি নির্ণয় করতে পারে এবং সেই তথ্য মস্তিষ্কে পৌছে যায়। এই তিনটি অংশ হল- চোখ, অন্তঃকর্ণ এবং ত্বক। এদের 'সেন্সরি রিসেপ্টর' বলা হয়। যখনই এই ৩ সেন্সরের মধ্যে কোনও অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়, তখনই মূলত মোশন সিকনেস দেখা দেয়।ট্যাক্সি বা বাসে উঠলে এ তো ভারী জ্বালা! কাজের সূত্রে বাড়ির বাইরে বেরোতেই হবে। বাসে-ট্রামেও চড়তে হবে। কিন্তু দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলেই যদি মাথার যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায় বা গা গোলাতে থাকে, তাহলে তো গাড়িতে ওঠাই মুশকিল। তাই লজ্জা এড়াতে বাস-ট্যাক্সিতে ওঠা বন্ধ করে দিয়েছেন? কিন্তু কীভাবে কাটাবেন এই সমস্যা? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েকটা সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই এই সমস্যা এড়ানো যেতে পারে। ১)গাড়িতে বসে সামনের দিকে না তাকিয়ে রাস্তার দিকে তাকানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। ২)যাত্রাপথের গতির বিরপীতে তাকাতেও নিষেধ করছেন ডাক্তাররা। ৩)তেলের গন্ধ কাটাতে ভাল মানের এবং ভাল গন্ধের এয়ারফ্রেশনার কাজে দিতে পারে। ৪)চলতি পথে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিতে পারলে ভাল হয়। ৫)গাড়ির ভেতর মোবাইল ফোন বা ট্যাব ব্যবহার না করাই ভাল। ৬)যে সিটে কম ঝাঁকুনি, তা বেছে নিতে হবে। ৭)জোরে জোরে শ্বাস নিয়ে আস্তে আস্তে ছাড়তে হবে। ৮)সুন্দর, সুরেলা, স্নিগ্ধ গান শোনা যেতে পারে।

  • জানেন কি, তরমুজের বীজের কত গুণ? মারণ ব্যাধি থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে তরমুজে বীজ।

    ডেস্ক ঃ গ্রীষ্মের শুরু থেকেই বাজার ছেয়ে যায় তরমুজে। আর গরমে শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে যে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার তাও আমাদের সবার জানা। কিন্তু তরমুজ খাওয়ার সময় বীজ ফেলে দেওয়াই দস্তুর। কিন্তু জানেন কি, তরমুজের বীজের কত গুণ? মারণ ব্যাধি থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে তরমুজে বীজ।  গবেষকরা বলছেন, তরমুজের বীজে এমন এক রাসায়নিক থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী।  তাছাড়া তরমুজের বীজে থাকা একাধিক খনিজ গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষ উপকারী।  তরমুজের বীজে থাকা লাইসিন নামে উত্সেচক ডায়াবেটিস বা মধুমেহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিসে চমকে দেওয়ার মতো ফল দিতে পারে তরমুজের এই বীজ। এছাড়া তরমুজের বীজে ক্যালোরির মাত্রা অত্যন্ত কম। এছাড়া তার মধ্যে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও ফোলেট, যা গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তবে এ সবই থাকে তরমুজের বীজের খোলের নীচে থাকা অভ্যন্তরীণ অংশে। ফলে তরমুজের বীজ চিবিয়ে খেলেই তার সম্পূর্ণ উপকার মেলা সম্ভব।

  • একবারও কি ভেবে দেখেছেন, কোথায় যাচ্ছে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ?

    ডেস্কঃ(I.D). ৩০ মার্চ ২০১৮ঃ-শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমলে তা থেকে বিভিন্ন অসুখের সৃষ্টি হতে পারে। তাই স্থূলতাকে বিভিন্ন রোগের কারণ বলে থাকেন চিকিত্সকরা।মেদ ঝরানোর জন্য মানুষ কত কী না করে। সারাদিন শরীরচর্চা থেকে শুরু করে নিয়ম মেনে খাওয়া দাওয়া, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সবই মানুষ করে চলেছে ওজন কমানোর জন্য।চিকিত্‌সক এবং ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ মেনে ওজন কমানোর জন্য তো কত কীই না করছেন। আর নিয়ম মেনে চললে সাফল্য তো মিলবেই। অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে অনেকেই হয়ে উঠেছেন ফিট। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছেন, কোথায় যাচ্ছে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ?বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নিয়ম মেনে শরীরচর্চা করলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ বিপাক প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে জল এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইডে পরিবর্তিত হয়ে যায়। যা পশরীর থেকে বেরিয়ে যায় পরবর্তীকালে ঘাম এবং প্রস্রাবের সঙ্গে।

  • জেনে নিন জাঙ্ক ফুড বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের কী কী ক্ষতি করে?

    ডেস্কঃ (I.D).২৮ মার্চ ২০১৮ঃ-এখনকার আধুনিক বাবা-মায়েরাও আজকাল বাড়ির তৈরি খাবারের পরিবর্তে দোকানের কেনা খাবার তুলে দিচ্ছেন বাচ্চাদের মুখে। বাচ্চারা একবার পিত্‌জা, বার্গার, স্যান্ডউইচ দেখলে আর কোনও খাবারের দিকে তাকায় না।বাড়ির খাবারের পরিবর্তে রোজ রোজ জাঙ্ক ফুড বাচ্চাদের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছে।  কীভাবে বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে এই সমস্ত জাঙ্ক ফুড? জেনে নিন-স্বাস্থ্যকর বাচ্চাও যদি টানা ৫ দিন জাঙ্ক ফুড খান, তাহলে তাদের মুড, মেজাজ, চিন্তাশক্তির উপর প্রভাব পড়ে। এমনকী বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে জাঙ্ক ফুডের কারণে। জাঙ্ক ফুডে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে। প্রত্যেকদিন জাঙ্ক ফুড খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরির প্রভাবে বাচ্চাদের ওজন বেড়ে যাওয়া এবং অন্যান্য আরও স্বাস্থ্যের সমস্যা হতে পারে। ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুডে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকায় রক্তে সুগারের মাত্রার ভারসাম্য হারিয়ে যায়। যার ফলে উত্তেজনা, বিভ্রান্তি এবং ক্লান্তি দেখা দেয়।

  • কিডনির অসুখের ঝুঁকি কমাতে পারে ওবেসিটি অপারেশনে

    ডেস্কঃ (I.D). ২৮ মার্চ ২০১৮ঃ-অতিরিক্ত পরিমাণে মেদ জমে গেলেই ওবেসিটির মতো রোগ দেখা দিতে পারে। আর এর ফলে অন্য বিভিন্ন রোগের প্রকোপ দেখা দিতে পারে শরীরে। হৃদরোগ, রক্তচাপ, টাইপ টু ডায়েবিটিস, কার্ডিভ্যাসকুলার রোগের মতো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফিট আর সুস্থ থাকার জন্য মানুষ কত কি-ই না করে চলেছেন। ডায়েট মেনে খাবার খাওয়া থেকে শুরু করে শরীরচর্চা, সব কিছুই চলছে নিয়ম মেনে। ওজন কমানোর জন্য চিকিত্সকের পরামর্শও নিচ্ছেন। তবে, ওজন কমানোর চিকিত্‌সা করানো নিয়ে অনেক মানুষের মধ্যেই সংশয় থাকে। তাঁরা মনে করেন, ওজন কমানোর চিকিত্‌সা এবং অপারেশন ডেকে আনতে পারে আরও নানা অসুখ। কিন্তু চিকিত্‌সকরা এ ব্যাপারে ইতিবাচক কথাই বলছেন।হৃদরোগ, রক্তচাপ, টাইপ টু ডায়েবিটিস, কার্ডিভ্যাসকুলার রোগের মতো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। শুধু তাই নয়, ওবেসিটির কারণে দেখা দিতে পারে কিডনির সমস্যাও। তাই শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলা খুবই দরকারি। ওবেসিটি বা শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ ঝরানোর জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় চিকিত্‌সা করা হয়। যেমন, ডায়েটারি মডেফিকেশন, ফার্মালজিক্যাল এবং সার্জিক্যাল ট্রিটমেন্টও করা হয় মেদ ঝরানোর জন্য। একটি তথ্য প্রকাশ হয়েছে। যেখানে বলা হচ্ছে, কিডনির সমস্যা মারাত্মক আকার নিলে তা প্রাণঘাতীও হতে পারে। তথ্যে জানানো হচ্ছে, সার্জিক্যাল ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে মেদ ঝরানো একদিকে যেমন ওবেসিটির হাত থেকে মুক্তি দেয়, তেমনই কিডনির অসুখের ঝুঁকিও কমিয়ে দিতে পারে।সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অফ গথেনবার্গের গবেষকরা একটি পরীক্ষা করেন। যেখানে তাঁরা ৩৭ থেকে ৬০ বছর বয়সী প্রায় ৪ হাজার রোগীর মধ্যে একটি সমীক্ষা চালান। ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চালানো হয় এই সমীক্ষা। নজর রাখা হয় ওই ৪ হাজার মানুষের উপর। ওই ব্যক্তিদের অর্ধেকের মেদ ঝরানোর জন্য সার্জারি ট্রিটমেন্ট করা হয়। এবং বাকি ব্যক্তিদের নন-সার্জিক্যাল উপায়ে মেদ ঝরানো হয়। সমীক্ষা শেষে গবেষকরা জানাচ্ছেন, যাঁদের অপারেশনের মাধ্যমে মেদ ঝরানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে কিডনির সমস্যা, ক্যানসার, বিভিন্ন কার্ডিওভ্যাসকুলার রোগের ঝুঁকি অনেক কমে গিয়েছে বাকিদের তুলনায়।