স্বাস্থ্য


  • আজ থেকেই শরীরের মেদ দ্রুত ঝরান, জেনে নিন টিপস

    newsbazar24:কাজের চাপে অনেকেই বাড়ি থাকতে না পারার কারণে বাইরের খাবারে ভরসা রাখছেন। খেতে ভালোবাসলে ওজন নিয়েও সবার সচেতন থাকা উচিত বলে আজকাল ডাক্তাররা মনে করছেন। অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড বা অন্যান্য বাড়ির খাবার যেক্ষেত্রে অতিরিক্ত চর্বি বা তেল রয়েছে, সেগুলো মাত্রাধিক খেলে নানান রোগের সাথে শরীরে বাড়ছে ওজন। যা কম বেশি কুফল আমাদের সবার জানা। শীত হোক বা গ্রীষ্ম, শরীর তরতাজা আর ফিট রাখার জন্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ওজন না হওয়াটাই ভালো। কিন্তু কিভাবে শরীরের জমা অতিরিক্ত ফ্যাট ঝরাবেন-১.সঠিক পুষ্টি ২. জল খান ৩. ঘুমের পরিমাণ একটু বাড়ান ৪. ভিনিগার খান ৫. ফ্যাট খেলেও হেলদি ফ্যাট খান ৬. পানীয় বাছুন বুঝে ৭. ফাইবার রাখুন খাবারে ৮. রিফাইন এবং প্রসেসড ফুড বন্ধ করুন ৯. শরীরচর্চা আবশ্যক ১০. আয়রনের প্রয়োজন আছে ১১. উপবাস দরকার ১২. শেষ পাতে দই রাখুন ১৩. অল্প পরিমাণে খান, বারেবারে খান ১৪.প্রোটিন ডায়েট ১৫. স্ট্রেংথ ট্রেনিং শুরু করুন

  • গর্ভাবস্থায় ভুলেও খাবেন না এসব জিনিস !

    newsbazar24: চিকিৎসাশাস্ত্রে এর মেয়াদ ১০ মাস ১০ দিন হলেও এই সময় একটা মেয়ে অনেক কিছু দেখে এবং শেখে। নতুন করে এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়। এক নতুন জীবন জন্ম দেওয়ার জন্যে নানান দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পড়ে। যে আসছে তার ভালো থাকার জন্যে নিজের ভালো থাকাটাও যে অনেক জরুরী, এই বোধ একটা মেয়েকে এই সময় সচেতন করে তোলে। দায়িত্ববোধ আর কর্তব্যের মেলবন্ধন তাকে বারবার নতুন নতুন ভালো কিছু শিখতে সাহায্য করে। এই সময়টা একটা মেয়ের কাছে খুব গুরত্বপূর্ণ। ভালো থাকার জন্যে নানা বিধি নিষেধ মেনে চলতে হয়। পরিবারের বড়রা তাকে গাইড করার জন্যে থাকলেও নিজের ব্যাপারে নিজের কিছু কিছু জিনিস জেনে রাখা জরুরি। হাঁটাচলা, ঘুম সমস্ত কিছুর পাশাপাশি খাওয়া দাওয়ার উপরেও সমান ভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অনেক কিছু পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত, আবার অনেক কিছু খাওয়া উচিত নয়। আজকের বিষয়ে আলোচনা করবো কী কী গর্ভাবস্থায় খাওয়া উচিত নয়। ১. চিজ থেকে দূরে থাকুন: চীজ অনেকেই খেতে ভালোবাসেন। কিন্তু আনপ্রসেসড চীজ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। কারণ এতে লিস্টেরিয়া নামক ব্যাক্টেরিয়া থাকে। একই ভাবে নরম চীজ এ জল বেশি থাকে যাতে ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ বেশি হয়। ২. কাঁচা ডিম ভুলেও না: কাঁচা ডিম বা হাফ সিদ্ধ ডিম খেতে যারা ভালোবাসেন, এবার সময় এসেছে এগুলোকে না বলার। একই ভাবে প্রসেসড মিট বা রোস্ট খাওয়াকেও না বলুন। এক্ষেত্রে টকসোপ্লাজমা ব্যাক্টেরিয়া শরীরের মধ্যে গেলে শরীরের ক্ষতি করতে পারে। সি ফিশ বা সমুদ্রের মাছ খাওয়া ভালো, এতে ওমেগা -৩ থাকে। তবে সেই মাছও খান পরিমিত পরিমাণে। ৩. মাল্টিভিটামিনের আগে ডাক্তারের পরামর্শ: অনেক খাবার আমরা এই সময় খেয়ে থাকি যাতে ভিটামিনের অভাব শরীরে না হয়। এমন কোনো খাবার খাবেন না যাতে বেশি পরিমাণে ভিটামিন-A আছে। এমনকি মাল্টি ভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়ার আগেও ডক্টরের পরামর্শ নিয়ে খান। ৪. বাসি স্যালাড বা কাটা ফল খাবেন না: সবুজ স্যালাড স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। অবশ্যই স্যালাড খান কিন্তু কখনোই অনেকক্ষন আগের কেটে রাখা স্যালাড খাবেন না। বাইরের কাটা স্যালাডকেও এখন না বলুন। অনেক আগের কাটা স্যালাডে লিষ্টেরিয়া প্যারাসাইট থাকে। ৫. ধুমপান ও মদ্যপান থেকে দূরে থাকুন: কোনো রকম নেশাকে না বলুন। ধূমপান বা অ্যালকোহল কোনোটাই এই সময় নেওয়া উচিত না। অতিরিক্ত ডোপামিন হরমোন ক্ষরণ এই সময় বাচ্চার ক্ষতি করে। ঘুমানোর সময় ওজন কমানোর প্রক্রিয়া( আজ রাতেই চেষ্টা করুন) ওজন কমানোর একমাত্র সমাধান-৩০ দিনের মধ্যে 28কেজি ওজন কমান ঘুমানোর সময় ওজন কমানোর প্রক্রিয়া( আজ রাতেই চেষ্টা করুন) ৬. বেশি চা, কফি খাবেন না: অনেকের মধ্যেই চা বা কফি খাওয়ার প্রবণতা আছে। স্ট্রেস কমাতে অনেকে এক কাপ চা বা কফি বেছে নেন। চেষ্টা করুন এই প্রবণতা কমানোর। অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে গেলে মিসক্যারেজের সম্ভাবনা বা কম ওজনের শিশু হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। ৭. পেঁপে ও কলা থেকে দূরে: ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো। এই সময় ফল বা ফলের রস শরীরের পক্ষে উপকারী। কিন্তু ফলের ক্ষেত্রেও একটু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। কলা বা পেঁপে এমনি সময় স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী হলেও গর্ভাবস্থায় না খাওয়া উচিত। কলা বা পেঁপে তে যে ফাইবার থেকে তা দেহের তাপ বাড়িয়ে তোলে। তেঁতুলে ভিটামিন - সি থাকলেও এই ভিটামিন এই সময় শরীরে অতিরিক্ত যাওয়া উচিত নয়। ৮. ঠান্ডা পানীয়কে না বলুন: অনেকেই আছেন যারা বাজার চলতি ঠান্ডা পানীয় খেতে ভালোবাসেন। খাওয়ার পর বা যে কোনো সময় একটু গলা ভিজিয়ে আরাম পান। অনেকে কাজের চাপে খেতে চান এনার্জি ড্রিংক। চেষ্টা করুন এগুলো এই সময়ে এড়িয়ে চলার। কারণ এতে থাকে সংরক্ষক বা preservatives, যা শরীরের জন্যে ক্ষতিকারক। ৯. অ্যালার্জি হয় এমন খাবার খাবেন না: বাইরে বা অন্য কোথাও গেলে খাবার খাওয়ার আগে জেনে নিন খাবারে এমন কিছু দেওয়া আছে কিনা যা থেকে আপনার অ্যালার্জি হয়। ডাক্তারের পরামর্শ জুরুরি: ভালো ডক্টরের সঙ্গে পরামর্শ করে নিজের ডায়েট বেছে নিন।

  • দিনে কতগুলো ডিম খওয়া হৃদ রোগের কারণ হতে পারে?

    News Bazar24: ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো কিনা এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বহুদিন ধরেই বিতঅসু করে আসছেন। আমেরিকান মেডিক্যাল জার্নাল জে এ এম এ-র প্রকাশিত এক জরিপ রিপোর্টে বলা হচ্ছে, প্রতিদিন মাত্র দুটি ডিম খেলেই হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হয়, এবং অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। এতে বলা হয়, আসলে ডিম খাওয়াটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো কিনা – তা হয়তো নির্ভর করে আপনি কতগুলো ডিম খাচ্ছেন তার ওপর। ডিম নিয়ে এ উদ্বেগের কারণ হচ্ছে: ডিমের কুসুমে থাকে বিপুল পরিমাণ কোলেস্টেরল। একটি বড় আকারের ডিমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১৮৫ মিলিগ্রাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে মানুষের খাদ্যে দিনে সর্বোচ্চ ৩০০ মিলিগ্রামের বেশি কোলেস্টেরল থাকা উচিত নয়। অথচ এর অর্ধেকেরও বেশি কোলেস্টেরল আছে একটি মাত্র ডিমে। ঝুঁকি আসলে কতটা? এ জরিপে মোট ৬টি পরীক্ষার উপাত্ত ব্যবহৃত হয়েছে – যা ১৭ বছর ধরে ৩০ হাজার অংশগ্রহণকারীর কাছ থেকে সংগ্রহ করা। গবেষকরা এর পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে – খাবারের সাথে দিনে ৩০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল গ্রহণ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে ১৭ শতাংশ, আর অকালমৃত্যুর সম্ভাবনা বাড়ে ১৮ শতাংশ। বিশেষ করে ডিমের ক্ষেত্রে গবেষকরা দেখতে পান যে প্রতি দিন তিন থেকে চারটি ডিম খাবার সাথে হৃদরোগের ৬ শতাংশ বাড়তি ঝুঁকি এবং অকালমৃত্যুর ৮ শতাংশ বাড়তি ঝুঁকির সম্পর্ক আছে। তবে এর মধ্যে বেশ কিছু ‘যদি’ আছে জরিপটি বলছে, হৃদরোগ বা অকালমৃত্যুর সাথে ডিমের এই সম্পর্কের সাথে বয়স, ফিটনেসের স্তর, তামাক ব্যবহার, বা উচ্চ রক্তচাপের মতোআগে থেকে বিদ্যমান কোন স্বাস্থ্য সমস্যার সম্পর্ক নেই। “আমাদের জরিপে দেখা গেছে যে দুজন লোক যদি হুবহু একই খাবার খায়, এবং একজনের ক্ষেত্রে শুধু ডিমের পরিমাণটিই আলাদা হয় – তাহলে এ লোকটির হৃদযন্ত্রের সমস্যার ঝুঁকি বেশি হবে” – এ কথা বলছেন জরিপ রিপোর্টটির অন্যতম প্রণেতা, এবং নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক নোরিনা এ্যালেন। ‘আগেকার গবেষণার সাথে এ ফলাফল মিলছে না’ এর আগের গবেষণায় বলা হয়েছিল, ডিম খাওয়া এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ার মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু নতুন এই গবেষণার সাথে সেসব ফলাফল মিলছে না। নোরিনা এ্যালেন বলছে, আগেকার জরিপগুলোতে নমুনার বৈচিত্র্য কম ছিল এবং অংশগ্রহণকারীদের ওপর নজর রাখা হয়েছিল কম সময় ধরে। তবে এই গবেষকরাও স্বীকার করছেন যে তাদের জরিপ পদ্ধতি বা বিশ্লেষণেও ভুল থাকতে পারে। কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন, নতুন এ গবেষণার ফল ‘পর্যবেক্ষণমূলক’ – তারা ইঙ্গিত করছেন যে ডিম খাওয়ার সাথে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক থাকতে পারে – কিন্তু ‘একটার কারণেই যে অন্যটা হচ্ছে’ তা প্রমাণ করতে পারেননি। তাহলে এবার বলুন, দিনে ক’টা ডিম খাওয়া যাবে? কতগুলো ডিম খাওয়া নিরাপদ – এ প্রশ্ন করা হলে নোরিনা এ্যালেন বলছেন, সপ্তাহে তিনটির বেশি নয়। তিনি আরো বলেন, “আমি ডিম খাওয়া একেবারে বাদ দিতে বলছি না, শুধু কমাতে বলছি – এবং কুসুম বাদ দিয়ে প্রধানত ডিমের শ্বেতাংশটাই খেতে বলছি।” এক জরিপে বলা হয়, একজন আমেরিকান বছরে গড়ে ২৫২টি ডিম খায়। সেদেশে ২০ শতাংশ মৃত্যু হয় হৃদরোগের কারণে। কিন্তু জাপানে এক জন লোক বছরে গড়ে ৩২৮টি ডিম খায়, কিন্তু সেখানে হৃদরোগে মৃত্যু হয় মাত্র ১১ শতাংশ লোকের।

  • হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠী কি বলেন, হৃরোগ সম্পর্কে ?

    News Bazar24: বিশ্বখ্যাত ভারতীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠী। হৃরোগ সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পড়ুন এই প্রতিবেদন ১. হৃদপিন্ড আমাদের মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। একজন সাধারণ মানুষ তার নিজের হৃদযন্ত্রের যত্ন নেয়ার জন্য কী করতে পারেন? -ডায়েট: শর্করা জাতীয় খাবার কম, প্রোটিন বেশি এবং যতটা সম্ভব কম তেল। ব্যায়াম: দৈনিক জোরে আধঘন্টা করে সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন হাঁটা, লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি ব্যবহার, সম্ভব হলে নিকট দূরত্ব হেঁটে চলাচল এবং পারতপক্ষে দীর্ঘক্ষণ স্থবির বসে থাকা পরিহার করা। ধূমপান ত্যাগ করা। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে ও ডায়াবেটিস থাকলে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা ২. আমরা কি আমাদের চর্বিকে পেশিতে রুপান্তর করতে পারি? -এটা প্রচলিত ভয়ানক ধারণাগুলোর মধ্যে একটি। চর্বি চর্বিই, দেহের জন্য অত্যন্ত বাজে। পেশি আর চর্বির গঠন, টিস্যু এসব আলাদা। চর্বিকে পেশিতে রূপ দেয়ার ধারণাটি একটি মিথ্যা গুজব। ৩. একটা ব্যাপার খুবই ভয়ের যে, আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ-সবল মানুষও আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং কোনো লক্ষণ ছাড়াই। এই ব্যাপারটা আসলে কী? -হ্যাঁ, এটাকে আমরা আসলে ‘সাইলেন্ট অ্যাটাক’ বলে থাকি। আর সেজন্যই আমরা বয়স ত্রিশের বেশি এমন সবাইকে উপদেশ দিয়ে থাকি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে। ত্রিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের এটা মাথায় রাখা উচিত। ৪. অনেকেই বলে থাকেন, হৃদরোগ ব্যাপারটা বংশানুক্রমিক। আসলেই কি তা-ই? -হ্যাঁ। হৃদরোগ ব্যাপারটা বংশানুক্রমিক। ৫. হাঁটা না জগিং- কোনটা বেশি ভালো? নাকি অধিকতর তীব্র ব্যায়ামগুলো হৃদযন্ত্রের জন্য বেশি ভালো? -দুইয়ের মধ্যে সব দিক দিয়ে হাঁটাই ভালো। জগিং করলে আপনি অল্প সময়ে হাঁপিয়ে যাবেন। এছাড়াও পায়ের গোড়ালি ও হাঁটুর উপর বাজে প্রভাব পড়ে। জগিং থেকে আপনি হৃদযন্ত্রের জন্য যতটা উপকার আশা করেন হাঁটা থেকে তার সবটাই পাবেন, উল্টো এর কোনো বাজে দিক নেই। ৬. যারা নিম্ন রক্তচাপে ভোগেন, তারাও কি হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন? ব্যাপারটা খুবই বিরল বলা যায়। ৭. কোলেস্টেরল কি ছোটবেলা থেকে জমা হওয়া শুরু হয়? নাকি পরিণত বয়সে বা ত্রিশের পর জমা শুরু হয়? -না, তা নয়। কোলেস্টেরল ছোটবেলা থেকেই নালীগাত্রে জমতে থাকে, এর জন্য পরিণত বয়স লাগে না। ৮. অনিয়মিত ও বাজে খাদ্যাভ্যাস কি হৃদপিণ্ডের উপর কোনো বাজে প্রভাব ফেলে থেকে? -যদি আপনি ভাজাপোড়া জাতীয় বিভিন্ন তৈলাক্ত খাবার খান বা এগুলোকেই ‘অনিয়মিত’ বুঝিয়ে থাকেন, তবে হ্যাঁ, এগুলো আপনার হৃদযন্ত্রের উপর বাজে প্রভাব ফেলে। অন্য ডাক্তারদের মতো তাঁরও পরামর্শ জাংক ফুড বর্জন করার। ৯. ঔষুধের সাহায্য ছাড়া কীভাবে আমরা কোলেস্টেরল কমাতে পারি বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি? -আপনার খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন, সুষম খাবারে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন আর নিয়মিত হাঁটুন। খাদ্যতালিকায় বাদাম জাতীয় খাবার রাখুন। এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। ১০. খুব সোজা ভাষায় হৃদযন্ত্রের জন্য কোন খাবারগুলো ভালো আর কোনগুলো খারাপ? -ফল ও শাকসবজি হচ্ছে সবচেয়ে ভালো, আর সবচেয়ে খারাপ বলতে গেলে তেল। ১১. কোন তেল সবচেয়ে ভালো- সয়াবিন, অলিভ ওয়েল নাকি সরিষা? -সব তেলই খারাপ, বিশেষত আমরা যেভাবে খাই! ১২. নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা বলতে আসলে কী কী পরীক্ষা করাতে হবে? আপনি কি বিশেষ কিছু বলতে চান? -সাধারণ রক্ত পরীক্ষা, যেগুলোর দ্বারা আপনি বুঝতে পারবেন আপনার সুগার নিয়ন্ত্রণে কি না, ইসিজি, সামর্থ্য থাকলে ট্রেডমিল টেস্ট ও ইকোকার্ডিওগ্রাম। আর হ্যাঁ, রক্তচাপও পরিমাপ করাতে হবে। ১৩. হার্ট অ্যাটাক হলে প্রাথমিকভাবে কী করা উচিত? -ব্যক্তিকে আগে শোয়ান এবং তার জিহবার নিচে অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষুধ দিন। খুব দ্রুত নিকটস্থ কোনো করোনারি ইউনিটে নিয়ে যান। মনে রাখবেন, মোটামুটি বড় ক্ষতিটা একঘন্টার মাঝেই হয়, আর এক্ষেত্রে সময় মহামূল্যবান। তাই কোনোভাবেই সময় নষ্ট করবেন না। ১৪. আমরা হার্ট অ্যাটাকের জন্য বুকের ব্যথা আর গ্যাসের জন্য বুকের ব্যথার মধ্যে কীভাবে ফারাক করবো? -অনেক ডাক্তারের জন্যেও ব্যাপারটা কঠিন, যদিও অভিজ্ঞ ডাক্তাররা প্রায়ই সঠিক অনুমান করতে পারেন। ইসিজি ছাড়া বোঝা মুশকিল। আর তাছাড়া এটা নিজেরা না করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। ১৫. তরুণ প্রজন্মের মাঝে হৃদরোগ বাড়ছে, আপনার মতে এর কারণ কী? -আমি ৩০-৪০ বছর বয়সের অনেকের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া ও জটিল নানা জিনিস দেখি। আলসে জীবনযাত্রা, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, নেশা, ভাজাপোড়া, ফাস্ট ফুড ইত্যাদিই মূল কারণ। আপনি জেনে অবাক হবেন, আমরা জাতিগতভাবেই ইউরোপিয়ানদের চেয়ে তিনগুণ বেশি হৃদরোগের ঝুঁকিতে। ১৬. একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে কি ১২০/৮০ এর বাইরে রক্তচাপ থাকার পরেও তার সুস্থ থাকা সম্ভব? -হ্যাঁ, সম্ভব। ১৭. এটা কি সত্য যে, নিকটাত্মীয়ের মধ্যে বিবাহ হলে সেক্ষেত্রে সন্তানের হৃদরোগের ঝুঁকি থাকে? -হ্যাঁ, এটা প্রায়ই হয় এবং অবৈজ্ঞানিক কিছু না। ১৮. আমরা অনেকেই অনিয়মিত জীবনযাপন করি, রাত জাগি। এগুলো কি হৃদযন্ত্রের জন্য খারাপ? -আপনি যখন বয়সে তরুণ, প্রকৃতিই আপনাকে এসব অনিয়মিত জীবনের কুপ্রভাব থেকে আপনাকে প্রতিরক্ষা দেয়। কিন্তু যখন বয়স বাড়বে, নিজের দেহঘড়িকে সম্মান করুন ও যত্ন নিন। ১৯. উচ্চ রক্তচাপের ঔষুধের কি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে? -হ্যাঁ, প্রায় সব ঔষুধেরই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। তবে আধুনিক উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধী ঔষধগুলো বেশ নিরাপদ। ২০. অ্যাসপিরিন ও মাথাব্যথার ঔষধগুলো কি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়? -না। ২১. রাতজাগা কর্মীদের কি হৃদরোগের ঝুঁকি দিনের কর্মীদের চেয়ে বেশি হয়? -না। ২২. ডায়াবেটিস আর হার্ট অ্যাটাকের মাঝে কি কোনো যোগসূত্র আছে? -হ্যাঁ, অবশ্যই নিবিড় যোগসূত্র আছে। ডায়াবেটিস রোগীদের যাদের সুগার নিয়ন্ত্রণে নেই, তাদের ঝুঁকির মাত্রা বেশি। ২৩. ব্যস্ত সূচীর মাঝে সেভাবে হাঁটা হয় না, সেক্ষেত্রে কী করা? -সোজা ভাষায় বলি, একটানা বসে থাকবেন না। লাগলে অফিসে এক ডেস্ক থেকে অন্য ডেস্কে যান। কোনো কারণ ছাড়া অন্য ফ্লোরে সিঁড়ি দিয়ে যান। এতেও অনেক কাজ হয়। বাড়িতে টুকিটাকি কাজ করুন, এটাও ভাল। ২৪. ইয়োগা কি উপকারী? -হ্যাঁ, অবশ্যই। এটি চাপমুক্ত রাখে, যা হার্টের জন্য উপকারী। ২৫. আমাদের জীবনে নানা চাপ। নানা কারণে আমাদের হৃদযন্ত্র অত্যধিক চাপের মুখোমুখি হয়? একজন ডাক্তার হিসেবে আপনি চাপমুক্ত থাকার জন্য কি উপদেশ দেবেন? -জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো জরুরি। দেখুন, জীবনের প্রতিটা ব্যাপারই যে একদম নিখুঁত হতে হবে, সবই যে সাফল্যমন্ডিত হতে হবে- এমন তো নয়। একটু অন্য আঙ্গিকে দেখুন জীবনটাকে।

  • জেনে নিন ,কখন যোগ ব্যায়াম করা উচিত

    টানু হালদার : শরীর সুস্থ রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী যোগ ব্যায়াম। দিনের যে কোনও সময় যোগাসন করা সম্ভব। যোগাভ্যাস না থাকলে, আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের দিন থেকেই তা শুরু করা যায়। কীভাবে করবেন তা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা কখন যোগ ব্যায়াম করা উচিত যে কোনও সময়ই যোগাসন করা যায়। সকাল-সন্ধ্যা যে কোনও সময় যোগাসন করা সম্ভব। খাবার খাওয়ার ৩-৪ ঘণ্টা পরে, হালকা খাবারের পরে, চা বা এই জাতীয় পানীয়ের ৩০ মিনিট পরে এবং জল খাওয়ার ১০-১৫ মিনিট পরে আসন করলে উপকৃত হবেন। কে কে যোগ করতে পারেন? ৩ বছরের ঊর্ধ্বে যে কেউ যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। শিশুদের ক্ষেত্রে খেলাধূলার মাধ্যমেই যোগ করানো সম্ভব। ১২ বছরের নাবালক/নাবালিকা’দের জন্য হালকা যোগাসন ও প্রাণায়ম প্রয়োজনীয়। তবে কপালভাতি বা মুশকিল আসান-এর মতো ক্রিয়া থেকে দূরে থাকে তারা। গর্ভবতীদের জন্যও এই ধরনের ক্রিয়া অনুচিত। হার্টের রোগীদের যোগ শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। হারনিয়া, হাঁটু, কোমরে ব্যথা-র ক্ষেত্রেও সামনে এবং পিছনে ঝুঁকে দাঁড়ানোর বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কোথায় এবং কীভাবে করা উচিত? ১) খোলা আকাশের নীচে যোগাসন সবসময় সাহায্য করে। তা সম্ভব না হলেও, যে কোনও জায়গাতেই যোগ করা সম্ভব। তবে মনে রাখতে হবে, যোগাসন করার সময় আশপাশের পরিবেশ শান্ত থাকে। ২) মাটিতে যোগা ম্যাট বা কোনও কাপড় রেখে যোগাসন করুন। যোগ-এর সময় সুতির কাপড় পরলে সুবিধা হবে। তবে ট্র্যাক প্যান্ট ও টি শার্টও পরতে পারেন। ৩) যোগাসন করার সময় চোখ বন্ধ রাখুন। এর ফলে যোগ-এর প্রভাব আরও বেশি হয়। শরীরের যে অংশে যোগ-এর প্রভাব পড়ছে, সেখানে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করুন। ৪) যোগা-তে শ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার গুরুত্ব আলাদা। যখন শরীর পিছনের দিকে যাবে, তখন শ্বাস নিতে হবে। যখন শরীর সামনের দিকে এগোবে, তখন শ্বাস ছাড়তে হবে। নাক দিয়ে শ্বাস নেবেন এবং মুখ দিয়ে ছাড়বেন। ৫) ক্লান্ত অবস্থায়, অসুস্থতার সময়ে, যোগ করার চেষ্টা করা উচিত নয়। ৬) যোগাসন-এর ৩০ মিনিট পর স্নান ও আহার করা উচিত। ৭) যোগ-এর সুফল পেতে সময় লাগে। তাই অধৈর্য্য হওয়া উচিত নয়। মাত্র ১০ মিনিটে কীভাবে যোগ করবেন? ১) ৫ মিনিটে ঘাড়, কাঁধ, হাত, কোমর, হাঁটু, পা, গোড়ালি-কে বিভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে (সুক্ষম) প্রসারিত করুন। ২) ২-৩ মিনিট সূর্য নমস্কার করুন। ৩) ২-৩ মিনিট উঠে, একই অবস্থানে দাঁড়িয়ে জগিং করুন। অফিসে বসে কীভাবে যোগ করবেন? ১) সুক্ষম ক্রিয়া: ৭-৮ ঘণ্টার অফিস ডিউটিতে দু’বার ঘাড়, কাঁধ, কোনুই, হাত, কোমর, হাঁটু, পা, গোড়ালি-তে সুক্ষম ক্রিয়া করতে পারেন। ২) তদাসন: অফিসে সিট থেকে উঠে একই অবস্থানেই তদাসন করা যেতে পারে। ৩) গভীর শ্বাস নেওয়া: ক্লান্তির সময় নিজের সিটে বসেই ২-৩ মিনিট পর্যন্ত গভীর শ্বাস নিন এবং ছাড়ুন। এতে রিল্যাক্সড অনুভব করবেন। প্রতিদিন এই যোগ ব্যায়াম-গুলি করুন ১) প্রার্থনা ২) সুক্ষম ক্রিয়া ৩) তদাসন ৪) পদাহস্তাসন ৫) অর্ধচক্রাসন ৬) ত্রিকোণাসন ৭) ভদ্রাস ৮) বজ্রাসন ৯) ভুজঙ্গাসন ১০) উত্তনপদাসন ১১) পবনমুক্তাসন ১২) শবাসন প্রাণায়ম আসনের পর প্রাণায়মের অভ্যাস করা উচিত। তিন ধরনের প্রাণায়ম-এর বিষয়ে এখানে জানানো হচ্ছে। কপালভাতি প্রকৃত অর্থে প্রাণায়ম না হলেও, এই শ্রেণিতে উল্লেখ করা রইল। ধ্যান প্রাণায়মের পর ধ্যান করুন। ধ্যান করার জন্য কোনও শান্ত পরিবেশ প্রয়োজন। কাঁধ ও ঘাড়কে সোজা রাখুন এবং চোখ বন্ধ রাখুন। ধ্যানের পর ধীরে ধীরে চোখ খুলতে হবে। সকাল ও সন্ধ্যায় ২০ মিনিটের জন্য ধ্যান করলে লাভবান হবেন। তবে অফিসে কাজের সময়ও ধ্যানে বসা সম্ভব।

  • দোল উৎসব,উপলক্ষে হোলি খেলার আগে চর্ম বিশেষজ্ঞ ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারবাবুদের পরামর্শ মেনে চলুন

    মালদা, ২১ মার্চ : রঙের উৎসব দোল উৎসব, আর এই দোল উৎসবে যেন আনন্দ ফিকে না হয়ে যায়, তেমন কিছু পরামর্শ দিলেন চর্ম বিশেষজ্ঞ ডাঃ কপিল দেব দাস ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ মলয় সরকার।  বসন্ত উৎসব মানে রঙ আর আবিরের উৎসব। অনেক সময় কেমিক্যাল রং এর কারনে চোখে বা শরীরের চামড়ায় ক্ষতি হতে পারে। কিভাবে রং খেলবেন, কিভাবে সেই আবির বা রং থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন, কি ধরনের রং বা আবির মাখা উচিত, সমস্ত বিষয়গুলি চিকিৎসকেরা জানান। আনন্দের উৎসবে যদি কোন কারনে কোন সমস্যা দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই যেন তারা চিকিৎসক বা হাসপাতালে চিকিৎসা করাবেন। তারা এও জানান, আনন্দের এই রঙের উৎসব যেন কোন কারণে দুঃখের না হয় সেই কারণে আগাম সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

  • যেসব গাছ লাগালে, মশা পালাবে এলাকা ছেড়ে! জেনে নিন

    newsbazar24: একটু একটু করে প্রতিদিনই চড়ছে তাপমাত্রার পারদ! গরম বাড়তেই ফের বেড়েছে মশার উপদ্রব। তাই মশা তাড়ানোর ধূপ, তেলের বিক্রি বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু মশা তাড়ানোর বাজার চলতি ওই সব ধূপ, তেলের রাসায়নিক যুক্ত ধোঁয়া মশা তাড়ায় ঠিকই, তবে তা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যেও মারাত্মক ক্ষতিকর! রাসায়নিক যুক্ত এই ধোঁয়ার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আমাদের শ্বাসযন্ত্র।ভাবছেন, তাহলে কি সারাদিন মশারি টাঙিয়ে তার মধ্যে ঢুকে বসে থাকবেন? মোটেই না! এমন বেশ কয়েকটি গাছ আছে, যেগুলির গন্ধ মশা মোটেই সহ্য করতে পারে না। ওই গাছগুলি যদি বাড়ির আশেপাশে লাগানো যায়, তাহলে তার গন্ধের চোটে এলাকা ছেড়ে পালাবে মশার দল! আসুন এ বার জেনে নেওয়া যাক কোন কোন গাছ লাগালে মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব- ১) গাঁদা ফুলের গন্ধে শুধু মশা নয়, যে কোনও পোকা-মাকড়ই এর ধারে কাছে ঘেঁষে না। তাই বাড়ির চারপাশে গাঁদা গাছ লাগান। দূরে থাকবে মশা, মাছি, পোকা-মাকড়। একই সঙ্গে বাড়বে বাড়ির শোভাও! ২) তুলসির একাধিক স্বাস্থ্য ও আয়ুর্বেদিক গুণের আমরা অনেকেই জানি। তুলসি গাছ পরিবেশকে জীবাণুমুক্ত, বিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করে। তুলসির গন্ধ মশা, মাছি, পোকা-মাকড়কে দূরে রাখে। তাই বাড়িতে টবে হলেও তুলসি গাছ লাগান। ৩) লেবু পাতার গন্ধ মশা, মাছি একেবারেই সহ্য করতে পারে না। তাই মশা তাড়াতে বাড়িতে লেবু গাছ লাগাতে পারেন। ৪) রসুন শুধু রান্নায় স্বাদ বাড়ায় না, একই সঙ্গে দ্রুত ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। কিন্তু জানেন কি, বাড়িতে রসুন গাছ লাগালে মশার উপদ্রব থেকেও সহজে মুক্তি পাওয়া যায়! বিশ্বাস না হলে বাড়িতে রসুন গাছ লাগান আর ফল পান হাতেনাতে।    

  • মধু ও আমলকি একসাথে খেলে আপনার কি কি উপকার হবে ?

    মধু ও আমলকি একসাথে খেলে আপনার কি কি উপকার হবে ? কীভাবে তৈরি করবেন মধু আমলকী একটি মাঝারি আকৃতির বয়ামে অর্ধেক পরিমাণ মধু নিন। এর মধ্যে কয়েকটি আমলকি দিন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে দিন। কিছুদিন পর দেখবেন আমলকি নরম হয়ে গেছে। এটি অনেকটা জ্যামের মতো হয়ে যাবে। মিশ্রণটি প্রতিদিন সকালে খেতে পারেন। তবে যেকোনো খাবার নিয়মিত খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এবার জেনে নিন মধু আমলকীর গুণাগুণ মধু ও আমলকি একসাথে খেলে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এটি লিভার থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। এটি লিভারের কার্যক্ষমতা ভালো করতে সাহায্য করে। বার্ধক্যের চিহ্ন প্রতিরোধ করে মধুর মধ্যে আমলকি মিশিয়ে খেলে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার গতিকে ধীর করে। এই উপকার পেতে মিশ্রণটি প্রতিদিন এক চা চামচ করে খেতে হবে। এটি বলিরেখা দূর করতেও সাহায্য করে। অ্যাজমা প্রতিরোধ করে মধুর মধ্যে আমলকি ভিজিয়ে খেলে অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস এবং অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা অনেকটাই কমে। এরমধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এটি ফুসফুস থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে এবং ফ্রি রেডিকেলস দূর করতে সাহায্য করে। এটি ফুসফুসের নালীকে সরু করে দেয় এবং অ্যাজমার আক্রমণ প্রতিরোধ করে। কফ, ঠান্ড প্রতিরোধ করে কফ, ঠান্ডা এবং গলার সংক্রমণ প্রতিরোধে এই মিশ্রণ বেশ সাহায্য করে। ঠাণ্ডার সময় এক টেবিল চামচ আমলকি ও মধুর মিশ্রণ খেলে আরাম পাওয়া যায়। এর সাথে একটু আদার রস মেশাতে পারেন। আমলকি ও মধু গলার সংক্রমণের সাথে লড়াই করে। হজমের সমস্যা সমাধানে এসিডিটি আর হজমের সমস্যা সমাধানে আমলকি ও মধু খুব ভালো উপাদান। এটি খাবার ভালোভাবে হজমে সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধেও সাহায্য করে। শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে আমলকি ও মধুর মিশ্রণ শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে এই মিশ্রণ খেলে অন্ত্র ও রক্তের বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়।

  • ব্রেস্ট ক্যান্সার “ কি করে রোধ করবেন ? জানতে হলে লিংক এ ক্লিক করুন…..

    এখন প্রচুর মানুষের এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এই সমস্যা থেকে দূরে থাকতে অনেকটাই সাহায্য করে ব্রেস্ট ম্যাসাজ। ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং মেয়েদের শরীরে প্রয়োজনীয় হরমোনের পরিমাণ বাড়ে। যা কিনা ব্রেস্ট ক্যান্সার রোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই হরমোন ব্রেস্ট ক্যান্সার হাওয়া থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে ব্রেস্টের টিস্যুগুলির পরিবর্তন হয়। যা ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে। ব্রেস্টে ব্যথা অনেকেরই ব্রেস্টে ব্যথা হয় যখন পিরিয়ড চলে। এই ব্যথা কমাতে ব্রেস্ট ম্যাসাজ করা দরকার। নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে এই ধরনের ব্যথা, অস্বস্তি কমে যায়। কিন্তু যদি খুব বেশি ব্যথা করে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। ব্রেস্ট স্যাগিং অনেকেরই ব্রেস্ট খুব অল্প বয়সেই ঝুলে যায়। এতে খুবই অস্বস্তি হয় ও বাজে দেখতে লাগে। এটি আটকাবার জন্য ব্রেস্ট ম্যাসাজ দরকার। রোজ একটু করে, বা সপ্তাহে তিনদিন করলে এই সমস্যা আটকান যায়। ব্রেস্ট ম্যাসাজ ব্রেস্টকে টাইট রাখতে বেশ সাহায্য করে। তার ফলে ব্রেস্ট ঝুলে যায় না। ব্রেস্ট শেপ অনেকেরই শরীরের বৃদ্ধি ঘটার সাথে সাথে ব্রেস্টের বৃদ্ধি সেই ভাবে ঘটে না। এর জন্য নিজের খুবই অস্বস্তি হয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ব্রেস্ট ম্যাসাজের থেকে ভালো আর কিছু হয়না। নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে ব্রেস্টে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। টিস্যুগুলির পরিবর্তন হয়। তার ফলে ধীরে ধীরে ব্রেস্ট বাড়তে থাকে। রোজ স্নানের সময় ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে দেখবেন আস্তে আস্তে ব্রেস্টের বৃদ্ধি ঘটছে। ডিপ্রেশন ব্রেস্ট ম্যাসাজ শুধু ব্রেস্টের বৃদ্ধি ঘটাতে, বা ব্রেস্ট ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে না, বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে, নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ নাকি ডিপ্রেশন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ব্রেস্ট ম্যাসাজ তিনটি এমন হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায় যা এই ডিপ্রেশনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ সাহায্য করে। এগুলি শরীরের এজিং প্রসেসকেও নিয়ন্ত্রণ করে। যেটি ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। ব্রেস্ট ম্যাসাজ করার কিছু নিয়ম আছে:- ১. ব্রেস্ট যদি বেশি ঝুলে যায় তাহলে, অয়েল ম্যাসাজ করুন। অলিভ তেল বা নারকেল তেল ম্যাসাজ করতে পারেন। এছাড়াও বরফ ম্যাসাজ ব্রেস্টকে সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। কয়েকটা বরফের টুকরো নিয়ে ব্রেস্টের চারপাশে গোল করে ম্যাসাজ করুন। বা কাপড়ের মধ্যে বরফ নিয়েও ম্যাসাজ করতে পারেন। এতেও কাজ হবে। ২. এছাড়াও সরষের তেল সবার বাড়িতেই থাকে। একটু সরষের তেল গরম করে ব্রেস্টএর চারপাশে গোল করে হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। বা ব্যবহার করতে পারেন খাঁটি মধু। এটি ব্রেস্টের শেপ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। সাথে সাথে ম্যাসাজের ফলে রক্ত সঞ্চালনও বাড়ে। ৩. যদি হাতের কাছে কোন তেল না থাকে তাহলে, হাত দুটো ঘষে প্রথমে গরম করে নিন। তারপর গরম হাত দুটো ব্রেস্টের তলায় রাখুন। এরপর দুটো হাত দুদিক থেকে, একটা হাত ঘড়ির কাঁটার দিকে আর অন্য হাতটি ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে ম্যাসাজ করুন। রোজ ১০ থেকে ১৫ মিনিট এই ম্যাসাজ করুন। তাহলে দেখলেন তো ব্রেস্ট ম্যাসাজেরও কত গুণ রয়েছে। তাই ব্রেস্ট ম্যাসাজ শুধু ব্রেস্টের সৌন্দর্য বাড়াতে নয়, ব্রেস্ট ক্যান্সারের মত ভয়াবহ রোগের হাত থেকে নিজেকে দূরে রাখতে রোজ একটু করে ব্রেস্ট ম্যাসাজ করুন ।              - জিৎ বর্মন

  • খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখুন মিষ্টি কুমড়া, ক্যানসার ছাড়াও আটকাবে অনেক রোগ

    পারমিতা দাস: খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে। পারে ক্যান্সার রোগকে আটকাতে। নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ো খেলে মানব শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে না বলেই জানা গেছে , কেননাটি কুমড়া এমন একটি সবজি, যার রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ। তাই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মিষ্টি কুমড়া ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে। আর্টারির দেয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে মিষ্টি কুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদরোগও প্রতিরোধ করা যায়। চকচকে উজ্জ্বল চুল ও সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন। পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে অক্টোবরের শেষে মিষ্টি কুমড়ার চাহিদা থাকে ভীষণ। কারণ মিষ্টি কুমড়া বা Pumpkin দিয়ে তৈরি করা হয় হ্যালোইনের বিশেষ বাতি। সবজি হিসেবেও এর অবদান কম নয়। মিষ্টি কুমড়ার মতো সুস্বাদু সবজি খুব কমই রয়েছে। হালকা মিষ্টি স্বাদের এই সবজিটি পাওয়া যায় সারা বছর জুড়ে। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে। কেননা মিষ্টি কুমড়া এমন একটি সবজি, যার রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ। শুধু তরকারি হিসেবেই নয়, অন্যান্য ফলের মতো মিষ্টি কুমড়া ব্যবহার করতে পারেন সালাদ বা স্যুপ তৈরিতেও। জেনে নিন মিষ্টি কুমড়ার কিছু উপকারিতা। এবং চেষ্টা করুন নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ো খেতে। ১)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। বিটাক্যারোটিন সমৃদ্ধ এই সবজিটি তাই চোখের জন্য খুবই ভালো। বয়সজনিত রোগ বিশেষ করে রেটিনার বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শুধু চোখের অসুখ নয়, ভিটামিন এ-এর অভাবজনিত অন্যান্য রোগেও মিষ্টি কুমড়া উপকারী। ২)গাজরের তুলনায় মিষ্টি কুমড়াতে অধিক পরিমাণে বিটাক্যারোটিন। গাজরে যেখানে ১৩ মিলিগ্রাম বিটাক্যারোটিন রয়েছে, মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে ৩৩ মিলিগ্রাম বিটাক্যারোটিন। বিটাক্যারোটিন এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। শরীরের ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন দূষণ, স্ট্রেস ও খাবারে যে সব কেমিক্যাল ও ক্ষতিকর উপাদান থাকে সেগুলোর কারণে ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ হতে শুরু করে। ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজের ফলে শরীরের ভালো কোষগুলো নষ্ট হতে শুরু করে এবং খারাপ কোষের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। সবুজ, কমলা, হলুদ রঙের সবজিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি পরিমাণে থাকে। তাই মিষ্টি কুমড়া ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ প্রতিরোধ করতে পারে। ৩)অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মিষ্টি কুমড়া ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে। আর্টারির দেয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে মিষ্টি কুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদরোগও প্রতিরোধ করা যায়। ৪)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে সর্দি-কাশি, ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। মিষ্টি কুমড়ার ভিটামিন এ ও সি চুল ও ত্বক ভালো রাখে। তাই চকচকে উজ্জ্বল চুল ও সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন। ৫)মিষ্টি কুমড়াতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। তাছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম যা হাইপারটেনশন এবং হৃদরোগ দূরে রাখে। এছাড়া মিষ্টি কুমড়ার বিভিন্ন উপাদান। ইউরিনেশনের সমস্যা কমায় ও কিডনিতে পাথর হতে বাধা প্রদান করে। ৬)মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় তা সহজেই হজম হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে মিষ্টি কুমড়ার জুড়ি নেই। ৭)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিংক ও আলফা হাইড্রোক্সাইড। জিংক ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো রাখে ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়া বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও মিষ্টি কুমড়া সাহায্য করে। শুধু তরকারি হিসেবেই নয়, অন্যান্য ফলের মতো মিষ্টি কুমড়া ব্যবহার করতে পারেন সালাদ বা স্যুপ তৈরিতেও। এক কথায়  মিষ্টি কুমড়া সম্পর্কে বলতে গেলে সস্তার সবজি মিষ্টি কুমড়া ১২ মাস পাওয়া যায়। আর এর রেসিপি ও অনেক। নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও বেড়ে ওঠে।