সবার জন্য


  • মুখের কালো দাগ দূর করতে লেবু

    লেবু: লেবু ত্বকের কালো দাগ ছোপ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। তুলোর সঙ্গে লেবুর রস মাখিয়ে নিন, তারপর কালো দাগের উপর ৫ মিনিট ধরে ঘষুন। তারপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। তবে মুখে বা শরীরের কোথাও লেবু মাখার পর সরাসরি সূর্যের আলোতে বেরনো যাবে না।

  • কম্পিউটারে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন চালাতে পারে bluestacks

    প্রকাশ চন্দ্র মন্দল ঃ উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা যেন তাঁদের কম্পিউটারে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন চালাতে পারেন, কয়েক বছর ধরেই তার ব্যবস্থা করে আসছে ব্লুস্ট্যাক। ব্যাপারটাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে ব্লুস্ট্যাককে সমর্থন জোগালো চিপ নির্মাতা অ্যাডভান্সড মাইক্রো ডিভাইস (এএমডি)। ব্লুস্ট্যাকের নতুন এই সংস্করণ মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ-চালিত অপারেটিং সিস্টেমের ডেস্কটপ, ট্যাবলেট বা নোটবুক কম্পিউটারে সম্পূর্ণ অ্যান্ড্রয়েড চালানো যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে এএমডি। বর্তমানে ব্যবহূত ভার্চুয়ালাইজেশন পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে ব্লুস্ট্যাক অ্যাপ প্লেয়ারের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন চালানোর বদলে নতুন এই সফটওয়্যারটি পুরো অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করবে। এতে অ্যান্ড্রয়েড ইন্টারফেস, সেটিংস, কনফিগারেশন এবং আরও অনেক কিছুর সুবিধা পাওয়া যাবে। এর ওপর গুগল অপারেটিং সিস্টেমে চালিত অ্যাপসগুলো হোস্ট কম্পিউটারের ফাইলে প্রবেশ করতে পারবে। যদিও ব্লুস্ট্যাক এখনো উইন্ডোজের পুরো পর্দায় অ্যাপ চালাতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, চতুর্থ প্রজন্মের এক্সেলারেটেড প্রসেসিং ইউনিটের (এপিইউ) বদৌলতে এ ধরনের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। সফটওয়্যারটি শুধু তাদের সিলিকন দিয়ে তৈরি যন্ত্রে চলবে কি না, এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটি পরিষ্কার করে কিছু বলেনি। 

  • অনলাইন নজরদারিতে আপনার কি করা উচিত ?

    ডেস্ক ঃ অনলাইন নজরদারিতে যুক্তরাষ্ট্রের এনএসএ (ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি) এখন আলোচিত একটি নাম। অনলাইনের এই গোপন নজরদারি বা হ্যাকারদের সাইবার আক্রমণ থেকে নিজেদের কীভাবে রক্ষা করা যায়, এ নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। তবে এ ব্যাপারে ব্যবহারকারীর নিজেরও কিছু করার আছে। একটু সতর্কতা আর ছোট ছোট কিছু পদক্ষেপ নিলে অনলাইনে নিজের নিরাপত্তা অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে। ওয়েব এনক্রিপশনঃ ইন্টারনেট যোগাযোগে যতটুকু সম্ভব নিরাপদ ওয়েব পথ (ট্রাফিক) ব্যবহার করা উচিত। এ জন্য এইচটিটিপিএস এভরিহোয়্যার নামের একটি ছোট প্রোগ্রাম (অ্যাড-অন) ফায়ারফক্স বা ক্রোম ব্রাউজারে ব্যবহার করতে হবে। যেসব ওয়েবসাইটে এইচটিটিপি সিকিউর (https) সুবিধা রয়েছে, সেখানেই এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে এসএসএল এনক্রিপশনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ট্রাফিক নিরাপদ করে ফেলে। অ্যাড-অন নামানোর ঠিকানা https://www.eff.org/https-everywhere।   টর ব্রাউজারঃ ওয়েবসাইট দেখার মুক্ত এই প্রোগ্রামটি স্বেচ্ছাসেবীদের গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এবং সার্ভার ব্যবহার করে অন্যের নজরদারি থেকে ব্যবহারকারীকে বাঁচায়। পাশাপাশি তার প্রকৃত অবস্থান গোপন রাখে। আর ঠিক এ কারণেই টর বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। www.torproject.org ঠিকানা থেকে নামানো যাবে। প্রাইভেট ব্রাউজিংঃ সাইবার ক্যাফে বা পাবলিক ওয়াই-ফাই এলাকা থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ব্রাউজারের প্রাইভেট মোড চালু (অন) করে ওয়েবসাইট দেখার সময় বিভিন্ন তথ্য (ক্যাশ, কুকি, পাসওয়ার্ড) নিরাপদ রাখা যায়। ফায়ারফক্স হলে Firefox>New Private Window -এ ক্লিক করে; গুগল ক্রোমের ক্ষেত্রে Customize and control Google Chrome>New incognito window-এ ক্লিক করে এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে Safety>InPrivate Browsing-এ ক্লিক করে প্রাইভেট মোড চালু করতে হবে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ডঃ ই-মেইল অ্যাকাউন্ট, বিভিন্ন মুঠোফোন ও ওয়েব-সেবায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ঠিক নয়। আবার সহজ, সংক্ষিপ্ত বা পুরাতন কোনো পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ। ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর (স্মল ও ক্যাপিটাল লেটার), সঙ্গে সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন-সংবলিত একটু লম্বা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত। অনেক বেশি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করা যেতে পারে। যেকোনো ব্রাউজারে ব্যবহার উপযোগী তেমনি একটি নিরাপদ এবং বিনা মূল্যের প্রোগ্রাম হলো লাস্টপাস। এটি ডাউনলোড করতে হবে https://lastpass.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। ইনস্টল করার পর ই-মেইল ঠিকানা এবং প্রধান (মাস্টার) পাসওয়ার্ড দিয়ে লাস্টপাসে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর যেকোনো ওয়েবসাইটের লগইন তথ্য সেভ করলে পরবর্তী সময়ে প্রোগ্রামটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেই পূরণ করে দেবে। দুই ধাপের নিরাপত্তাঃ গুগল, টুইটার, ফেসবুক কিংবা ড্রপবক্সসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এই সুবিধা আছে। দুই ধাপের ব্যাপারটি হলো, কোনো ওয়েব কিংবা ক্লাউড-সেবায় পাসওয়ার্ড লেখার পাশাপাশি নিয়মিত পরিবর্তন ঘটে এমন কোনো নিশ্চিতকরণ নম্বরও বসাতে হয়। যখনই কোনো ওয়েব-সেবায় এই ধরনের সুবিধা থাকবে, তখনই সেটি চালু করতে হবে। যেমন, ফেসবুকে লগইন অ্যাপ্রুভাল কোড চালু থাকলে, পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার পর মুঠোফোনে একটি নিশ্চিতকরণ সংকেত আসবে, সেটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসানোর পরই কেবল ফেসবুকে প্রবেশ করা যাবে। সংযুক্ত ফাইলে ক্লিক না করাঃ ই-মেইল অথবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার সহজেই কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ অন্যের হাতে চলে যেতে পারে। তাই সন্দেহজনক কোনো ওয়েব ঠিকানা, ই-মেইলে পাঠানো অপরিচিত কারও সংযুক্ত (অ্যাটাচমেন্ট) ফাইলে হুট করে ক্লিক করবেন না। এ ছাড়া নামানো কোনো ফাইল অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে স্ক্যান করে তবেই ব্যবহার করুন। নিরাপত্তা সফটওয়্যারঃ কম্পিউটারের নিরাপত্তায় একটি ইন্টারনেট নিরাপত্তা বা অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। প্রোগ্রামটি শুধু ইনস্টল করলেই হবে না বরং এর কার্যকারিতা পেতে হলে সর্বশেষ সংস্করণ অবশ্যই ইন্টারনেট থেকে হালনাগাদ করে নিতে হবে। 

  • পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ 2018 - (18,000) আসন্ন পুলিশ এসআই, কনস্টেবল বিজ্ঞপ্তি, খালি পদ

    ডেস্কঃ(I.D). ৩০ মার্চ ২০১৮ঃ-পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ পুলিশ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সাব ইন্সপেক্টর ও কনস্টেবল পোস্টের 1২,500 পদে নিয়োগের জন্য নির্ধারিত আবেদন দাখিল করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে চাকরি খুঁজছে এবং সরকারি সেক্টরে তাদের কর্মজীবন নিশ্চিত করার জন্য আবেদনকারীদের, এই তাদের জন্য একটি সুবর্ণ কাজের সুযোগ। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ 2018 এর যোগ্যতা মাপকাঠি পূরণকারী প্রার্থীগণ যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে শেষ তারিখের নীচে অথবা তার আগে তাদের অ্যাপ্লিকেশনগুলি জমা দিতে পারেন। আবেদনকারীরা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ 2018 এসআই, কনস্টেবল মত যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। মানদণ্ড, নির্বাচন প্রক্রিয়া, ইত্যাদি কিভাবে প্রয়োগ করা হয় ভাল।পুলিশ ডিপার্টমেন্টে যোগদানের স্বপ্ন দেখছে এমন সম্ভাব্য প্রার্থীদের জন্য গ্রেট নিউজ এখানে আছে। সম্প্রতি, বোর্ড একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে যেখানে এটি নির্দিষ্ট করা হয়েছে যে তারা 18,000 সাব ইন্সপেক্টর, কনস্টেবল চাকরির জন্য তরুণ এবং দক্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী নিয়োগের খোঁজ করছে। তাই 2018 সালে এই পুলিশ জবসের জন্য অপেক্ষা করছে এমন প্রার্থীরা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ডিপার্টমেন্টে অবস্থান করার জন্য এই সুযোগটি ব্যবহার করতে পারেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদনকারীদের 10 টি শ্রেণী / ম্যাট্রিকুলেশন / 1২ তম শ্রেণি / ইন্টারমিডিয়েট / স্নাতক শ্রেণীর কোনও সরকারি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান / বোর্ড হতে ন্যূনতম পাসের শতকরা পাস নম্বর থাকতে হবে। আমরা ইন্টেন্ডার্সগুলিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিই এবং এই পোস্টে আমরা আরও কিছু আপডেট করে রেখেছি। প্রতিষ্ঠানের নাম-পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ 2018 পোস্টের নাম (গুলি)-কনস্টেবল, সাব ইন্সপেক্টর খালি সংখ্যা-18,000 যোগ্যতা-10th, 12th, ডিগ্রী শেষ তারিখ-শুরুর তারিখ শীঘ্রই আপডেট করা হবে।  পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কনস্টেবল এসআই যোগ্যতা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের জন্য আবেদন করতে আগ্রহী এমন প্রতিদ্বন্দ্বীরা যদি যোগ্যতা অর্জন করতে চায় তবে তাদের যোগ্যতা থাকতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বীগণ এছাড়াও অফিসিয়াল সাইট বা অফিসিয়াল ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিস্তারিত নিশ্চিত করতে পারেন: বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদনকারীদের 10 টি শ্রেণী / ম্যাট্রিকুলেশন / 1২ তম শ্রেণি / ইন্টারমিডিয়েট / স্নাতক শ্রেণীর কোনও সরকারি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান / বোর্ড হতে ন্যূনতম পাসের শতকরা পাস নম্বর থাকতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ চাকরি বয়স সীমা এবং বয়স আতিথ্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ চাকরি বয়স সীমা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী হওয়া উচিত। ন্যূনতম বয়স হল 18 বছর এবং সর্বাধিক বয়স ২5 বছর। আর এসসি, এসটি, পিডব্লিউডি, পিএইচ, নারী ও অন্যান্যদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা তেলঙ্গানা সরকারের নিয়ম অনুযায়ী 05 বছরের বেশি সময় পর্যন্ত সর্বোচ্চ বয়স সীমাবদ্ধতার জন্য উপযুক্ত। নির্বাচন প্রক্রিয়া ভুক্তভোগীদের রক্ষণাবেক্ষণ রাউন্ডের সময় প্রদর্শিত কর্মক্ষমতা ভিত্তিতে 12,500 খালি জন্য নির্বাচিত করা হবে। কেরালার পুলিশ এসআই কনস্টেবলের জন্য 1২ হাজার টিকিটের চূড়ায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে লিখিত পরীক্ষা, শারীরিক পরিমাপের পরীক্ষা, শারীরিক দক্ষতা পরীক্ষা এবং ব্যক্তিগত সাক্ষাতকার / ডকুমেন্ট যাচাইকরণ। নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য আবেদনকারীকে সেই রাউন্ডগুলি পরিষ্কার করতে হবে। আবেদন ফী জেনারেল বা ওবায়দর প্রতিদ্বন্দ্বীগণকে 400 / -র আবেদন ফি প্রদান করতে হবে, তবে অন্যান্য সংরক্ষিত শ্রেণীর সকল প্রার্থীকে ২00 / - টাকা দিতে হবে। আবেদনকারীদের আবেদন ফি সম্পূর্ণ করতে ফি প্রদান করতে হবে। আমরা আবেদনকারীদের অর্থ প্রদানের আগে আঞ্চলিক ওয়েবসাইট বা অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি চেক করতে ইন্টেন্ডারদের পরামর্শ দিই। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ 2018 এর জন্য আবেদন করতে হবে প্রার্থীরা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নীচের লিঙ্ক দেখতে পারেন অনলাইনে অনলাইন লিঙ্কটি সন্ধান করুন প্রয়োজনীয় তথ্য সহ আবেদনপত্র পূরণ করুন। আবেদন ফি (কোনও অগ্রগতি ছাড়াই বিজ্ঞপ্তি / ওয়েবসাইট পুনর্বিবেচনা করুন) আবেদন ফর্ম পুনর্বিবেচনা করুন। তারপর অনলাইন মোডে আবেদনপত্র জমা দিন ভবিষ্যতের রেফারেন্স জন্য মুদ্রণ আউট নিন শারীরিক দক্ষতা টেস্ট (পুরুষ ও মহিলা) পুরুষ উচ্চতা: 167.6 সেমি,,বুকে: 86.3 সেন্টিমিটার কম হতে হবে না্‌,বিস্তারযোগ্য: 5 সেমি মহিলা উচ্চতা - 157.5 সেমি্‌,ওজন - 47 কিলোগ্রাম অন্য টেস্ট 15 সেকেন্ডে 100 মিটার,170 মিটার 170 সেকেন্ডে,উচ্চ ঝাঁপ: 1.20 মিটার,লম্বা ঝাঁপ দাও: 3.80 মিটার,শট রাখা,(7.26 কেজি): 5.60 মিটার চোখের দৃষ্টিশক্তি দূরত্ব দৃষ্টি: ডান চোখ 6/6,বাম চোখ 6/6 দৃষ্টি কাছাকাছি: ডান চোখের 0/5,বাম চোখ 0/5

  • পশ্চিমবঙ্গের বন বিভাগের নিয়োগ 2018

    ডেস্কঃ(I.D). ৩০ মার্চ ২০১৮ঃ-পশ্চিমবঙ্গের সকল কর্মী শিকারীদের জন্য সর্বশেষ সংবাদ আপডেট এখানে, বিশ্বব্যাংক পুলিশ নিয়োগ বোর্ডটি পশ্চিমবঙ্গের বন বিভাগের নিয়োগ 2018 বিজ্ঞপ্তি ঘোষণা করেছে। বিষয়বস্তু অনুমোদিত ওয়েবসাইট www.policewb.gov.in এ অনলাইন ফর্ম নির্দেশ পূরণ করতে সক্ষম। 259 টি খালি পদে প্রার্থী নিয়োগের জন্য বিশ্বব্যাংকের চাকরি শুরু হয়েছে। ডব্লিউবি ফরেস্ট রবার্ট জব 2018 বিজ্ঞাপনের জন্য নির্ধারিত তারিখের আগে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিশ্বব্যাংকের বন গার্ডের রিক্যুইটি প্রতিটি যোগ্যতা প্রার্থীদের জন্য প্রযোজ্য। ডব্লুবি বন বিভাগের রিক্যিটি নোটিফিকেশন 2018 ফর্মের জন্য অনুসন্ধানকারী সকল আবেদনকারীরা 1 9 মে ২018 তারিখে শেষ হবে। ২9 9 জন বন বিভাগের নিয়োগ 2018 www.policewb.gov.in- এ খালি রাখার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।২018 সালের মধ্যে ২01২ সালের ভর্তির যোগ্যতা অনুযায়ী মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পাস করা হবে। ছাত্রছাত্রীরা কমপক্ষে 18 বছর থেকে সর্বোচ্চ 32 বছর বয়সী সীমা পশ্চিমবঙ্গে লগইন করতে পারবেন ২5 9 ফরেস্ট গার্ডের চাকরির মেয়াদ ২01888। অফিসের মতে, বিশেষ শ্রেণীর জন্য কিছু বয়স সীমা সংরক্ষিত থাকে। অনলাইন আবেদন করার আগে আপনাকে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি পরীক্ষা করতে হবে।wbprb.applythrunet.co.in হল অ্যাপ্লিকেশন ডকুমেন্ট ওয়েব ঠিকানা এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল বেঙ্গল রেজিমেন্টের ২01২ সালের জন্য আবেদন। WB পুলিশ ভর্তি বোর্ড (WBPRB) প্রতিরক্ষা পেশা উদ্বোধন সংস্থার সদস্য যারা ফ্রস্টের ছেলে / মেয়েদের ফাঁকা পোস্টে কনস্টেবল, ড্রাইভার, সাব ইন্সপেক্টর, সহকারী উপ-পরিদর্শক, কুক, কম্পিউটার অপারেটর, সাফাইওয়ালা, পানি পুরুষ, বন দফতর সম্প্রতি ডব্লিউবি ফোরাম বিভাগের পুরুষ / মহিলা প্রার্থীকে জবাবদিহিমূলক কাজের জন্য জারি করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অনলাইন ফর্ম পূরণ করতে হবে এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি শুরু করতে হবে, বিভাগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শারীরিক মান পরীক্ষা। বিশ্বব্যাংক ফরেস্ট গার্ড সিরিজ 2018 এবং পরীক্ষার প্যাটার্নে সাধারণ সচেতনতা ও সাধারণ জ্ঞান, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত (মধ্যম মানের), রিজনিং অন্তর্ভুক্ত হবে।

  • নতুন ইমোজি অ্যাপেলের

    ডেস্কঃ (I.D). ২৭ মার্চ ২০১৮ঃ- বন্ধু, প্রিয়জনদের সঙ্গে সারাদিন চ্যাটে কথাবার্তা লেগেই রয়েছে। সাধারণ মোবাইলের থেকে পেরিয়ে স্মার্টফোন আসার পর চ্যাট বা মেসেজ এখন আরও মজাদার। এখন তো মানুষ ABCD লেখার থেকে বেশি ইমোজিতে কথা বলেন।খুশি হলে এক গাল হাসি মুখের ছবি। দুঃখ পেলে কান্না ভরা মুখ। রেগে গেলে একরকম। আবার যখন তখন যে কাউকে খুশি এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বলতে পারবেন, না চললাম নয়, বরং ভালোবাসলাম। এরকম আরও কত। হ্যাঁ, এরকমভাবে যা বলতে চাইছেন, তাই ইমোজির মাধ্যমে বলে চ্যাটিং জমে ওঠে প্রতি মুহূর্তে। তবে, এবার শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যেও বেশ কিছু নতুন ইমোজি নিয়ে আসার প্রস্তাব দিয়েছে অ্যাপেল।শারীরিকভাবে যাঁরা অক্ষম, তাঁদের পাশে আমাদের সবসময় দাঁড়ানো উচিত্‌। তাঁদের অক্ষমতাকে নিয়ে হাসাহাসি নয়, বরং তাঁদের সঙ্গে এমন ব্যবহার করা উচিত্‌, যাতে তাঁরা নিজেদের অক্ষম না মনে করেন। আর এই কথাটাই ফের আর একবার মনে করিয়ে দিল অ্যাপেল। সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষদের পাশাপাশি শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিরাও যে ততটাই স্পেশাল, তা বোঝানোর জন্য নতুন ১৩টি ইমোজি নিয়ে আসতে চলেছে অ্যাপেল।হিয়ারিং এইড লাগানো কান, হুইলচেয়ারে বসা এক ব্যক্তি, নকল হাত, সার্ভিস ডগ প্রভৃতি এরকম আরও বেশ কয়েকটি নতুন ইমোজি নিয়ে আসতে চলেছে অ্যাপেল। শোনা যাচ্ছে ২০১৯-র প্রথম দিকেই পাওয়া যাবে ইমোজিগুলি।

  • মুসাফির - by Aparna

    মুসাফির অপর্না চক্রবর্তী ,মালদা                         আমি হলাম ক্লান্ত পথিক জীবন যুদ্ধে আমি বার বার হেরে গেছি। তবুও এই ছিন্ন মন নিয়ে  হেঁটে চলেছি এক অজানা পথের সন্ধানে।  জানিনা তার শেষ কোথায়! আমি সচক্ষে দেখেছি  জীবন দিয়ে অনুভব করেছি- - এই জীবন নামক অঙ্কটা কি দুর্বিসহ,কি কঠিন। বাস্তবতার কছে বারে বারে হেরে যাচ্ছি। আমি সীমাবদ্ধ আমার সেই ছোট্ট আমিটাতেই।  তবুও এই শূন্য মনটা বারে বারে স্বপ্ন সাজাই।  এই স্বপ্নই সবকিছু শেষ করে দিল। গ্রাস করে ফেলল   আমার ছোট্ট আমিটাকে। আর আমায় করল  ঘর ছাড়া মুসাফির।                                        

  • ঝড়ের সময়ে কী করবেন,আসছে কালবৈশাখি

    ডেস্কঃ(I.D). ২৫ মার্চ ২০১৮ঃ- চৈত্রের শুরু, আর তাতেই মেজাজ দেখাতে শুরু করেছে কালবৈশাখি। ইতিমধ্যেই তার হালকা ঝলক দেখিয়ে গিয়েছে প্রকৃতি। কালবৈশাখির প্রচণ্ড এলোমেলো ঝড় হলে কী করবেন? প্রচণ্ড ঝড়ে তছনছ হয়ে যেতে পারে জনজীবন। কালবৈশাখি আসলেই নানা জায়গা থেকে খবর পাওয়া যায় নানা দুর্ঘটনার। আপনিও যাতে ঝড়ের প্রভাবে দুর্ঘটনায় না পড়েন, তাই জেনে নিন প্রচণ্ড ঝড়ে কীভাবে বাঁচবেন। ড্যাম্প বা অন্য কোনও কারণে যদি বাড়িতে কোথাও কোনও ফাটল ধরে থাকে, তাহলে অবশ্যই এখনই সারিয়ে ফেলুন, জানালা-দরজার লক ঠিক আছে কিনা দেখে নিন,হ্যারিকেনে সবসময় কেরোসিন তেল ভরে হাতের কাছে রাখুন। এছাড়া, মোমবাতি কিংবা ব্যাটারি চালিত কোনও আলো সবসময় হাতের কাছে রাখুন। যাতে লোডশেডিং হলে অন্ধকারে অসুবিধা না হয়,ঘরে পর্যাপ্ত পরিমানে শুকনো খাবার, জল, ওষুধ হাতের কাছে রাখবেন,অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওয়াটারপ্রুফ ফাইলে ভরে রাখুন,মোবাইলে সবসময় পুরো চার্জ দিয়ে রাখুন, ঝড়-বৃষ্টির সময়ে ঘরের বাইরে বেরোবেন না। বাচ্চাদের সবসময় নজরে রাখুন। যাতে তারা কোনওভাবেই ঘরের বাইরে যেতে না পারে,ঝড়ের সময়ে বাড়ির ইলেক্ট্রিক কানেকশন বন্ধ করে দিন। মেন সুইচ বন্ধ রাখুন।

  • সম্পর্কের যেকোনো সমস্যার একমাত্র সমাধান ব্রেক-আপ নয় ! সম্পর্ক ভাল রাখতে কিছু টিপস মেনে চলুন

     সম্পর্ককে টিকিয়ে বা আগলে রাখার দায়ভার কার- নারী না পুরুষের? উত্তরটি সহজ- দু’জনেরই। কিন্তু কৌশলগত দিক থেকে এই দায়িত্ব-কর্তব্য ও বোঝাপড়াগুলো দু’জনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।   দায়িত্ব নিন দু’জনেই একটি কথা উভয়েরই মনে রাখা উচিত, একতরফা আর যাই হোক সম্পর্ক হয় না। আমরা প্রায়ই ভুল করি, রিলেশনশিপ টিকিয়ে রাখা ও ভাঙনের সমস্ত দায়িত্ব ও সম্ভাবনা একটি পক্ষের ওপর ছেড়ে দিই। পুরুষেরা নারীদের আর নারীরা পুরুষদের দোষারোপ করেন। আপনিই ভাবুন, একটি সম্পর্ক কী করে একটি পক্ষ সামলে নেবেন? বাকি যিনি থাকবেন তার কোনো রেসপনসিবিলিটি, সেনসিবিলিটি ও যত্নের প্রয়োজন নেই? যদি না-ই থাকে, তাহলে তা সম্পর্ক নয়। সম্পর্কটা দাড়িপাল্লার মতো, যার দু’টো দিক সমান ভার নিলেই ভারসাম্য বজায় থাকে।     নিজেকে দিয়ে বিচার করুন আপনি কর্মজীবী, আপনার সঙ্গীও তাই। কর্মক্ষেত্র ছাড়াও আপনাদের উভয়েরই পরিবার, বন্ধু ও অন্যান্য সামাজিক কিছু সম্পর্ক রয়েছে। দু’জনের দিক থেকেই এ বিষয়গুলোকে ছাড় দিন। লক্ষ্য করুন, আপনার আচরণে আপনার সঙ্গী এসব সম্পর্ক সহজভাবে সচল রাখতে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন কিনা। যদি তিনি আপনাকে এ বিষয়ে ছাড় দিতে পারেন তাহলে আপনিও দিন। যদি আপনি তাকে চাপে রাখেন, তার স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধার কারণ হন, তাহলে একটা সময় পর আপনার সহজ বিষয়গুলোকেও আপনার সঙ্গীর কাছে কঠিন হয়ে ঠেকবে। তৈরি হবে তুলনাবোধ। তার মনে হবে- তিনি আপনাকে ছাড় দিচ্ছেন, তবে আপনি কেন নন?     ভয় নয় আশ্রয় হোন   সঙ্গীর কাছে আপনার প্রতিমূর্তি কী বা কেমন তা নিয়ে ভেবেছেন কখনও? তিনি কি আপনাকে ভয় পান নাকি আশ্রয় ভাবেন? আপনার কথা বা আচরণ কি তার ভয়ের কারণ? সম্পর্কে ভয় দূরত্ব সৃষ্টি করে। বর্তমান সময়ে রিলেশনশিপে স্ট্যাবিলিটির চেয়ে ব্রেক-আপের সংজ্ঞা বেশি স্পষ্ট। এসময়ের অনেক  ব্যস্ততম মানুষটিও সবচেয়ে বেশি সম্পর্কযুক্ত থাকার ক্ষমতা রাখেন। শুধু চাই ইচ্ছেটা। কাজের ফাঁকে ফাঁকে দু’একটা ফোন করে খোঁজখবর নিন- তিনিকেমন আছেন, খেয়েছেন কিনা। আদতে একদম সময় নেই বলে কিছু নেই, ভুলে যাওয়াটা ভিন্ন বিষয়।     মনোযোগ দিন, বাধা নয় প্রিয় মানুষের প্রতি মনোযোগ মানেই এই নয়, তার দিকে সর্বক্ষণ নজর রাখতে হবে, তাকেই সারাক্ষণ ভাবতে হবে। তবে খেয়াল রাখা জরুরি। হতে পারে আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি একটু বেশিই যত্নশীল, স্নেহপরায়ণ বা অবসেসড। কিন্তু এতে আপনি বিরক্ত। একটু ভেবে দেখুন তো- তিনি আপনাকে ভালোবাসেন বলেই আপনাকে নিয়ে ভাবেন, এতে বিরক্তি প্রকাশের কিছু নেই। হ্যা, যদি তার এই যত্নশীলতা আপনার স্বাভাবিক চলাফেরাকে বাধাগ্রস্ত করে তবে সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। ব্যাপারটি আপনার সঙ্গীকে ঠাণ্ডা মাথায় বুঝিয়ে বলুন। সুন্দরভাবে বললে বা বোঝালে সবই সম্ভব।   অযথা দোষারোপ করবেন না   কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দোষারোপ করবেন না। ভুল সবারই হয়, ক্ষমা করুন। আর যদি আপনার ভুলের জন্য সে আপনাকে দোষারোপ করে তাহলে ক্ষমা চেয়ে নিন। সম্পর্কটাই যদি মূখ্য হয়, তবে ক্ষমা চাইতে বা করতে ক্ষতি কী।  তবে এখানেও কথা আছে- আপনি কী চান সম্পর্কটা নিয়ে? যদি নিতান্ত ওই ব্যক্তিটিকেই আর সহ্য না হয় বা ভালোলাগা কেটে যায় অথবা নতুন কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাহলে ভিন্ন বিষয়। সেক্ষেত্রে নতুন সম্পর্ককে আমন্ত্রণ জানানোর খাতিরে বর্তমান সঙ্গীর সঙ্গে নেতিবাচক আচরণ বা তাকে অহেতুক দোষারোপ না করে সরাসরি বলে দিন সত্যটা। অযথা সম্পর্কের সমস্ত অসময়ের দোষ তার কাঁধে চাপাবেন না।                                   - শঙ্কর চক্রবর্তী          

  • আপনি কি নিরামিষ খাবার খেতে চান ? কাঁঠাল সহ বিভিন্ন সবজীর নিরামিষ খাবার অনেক রেসিপি

    ডেস্ক ঃ সামনেই আসছে নব রাত্রি  বা রাম নবামী ।এও সময় অনেক মানুষ নিরামিষ খাবার খেয়ে থাকেন । তাদের কথা চিন্তা করেই বেশ কিছু নিরামিষ রান্নার রে সি পি আমরা তুলে ধরলাম । রেসিপি গুলি লিখেছেন লোপা মুদ্রা ঘোষ ...                                                                  এঁচোড়ের চপ উপকরণঃ সিদ্ধ আলু ৫০০ গ্রাম, কচি এঁচোড় ১ টা, পেঁয়াজ ১০০ গ্রাম, আদা-রসুন বাটা ২ চামচ, জিরে গুঁড়ো ১ চামচ, লঙ্কা-হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ করে, স্লাইজ পাউরুটি ৪ টে, ঘি অথবা তেল ভাজার জন্য, প্রয়োজন মতো নুন, চিনি আন্দাজ মতো। প্রণালীঃ এঁচোড় সিদ্ধ করে বাটা মশলা দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। পরে গুঁড়ো মশলা মিশিয়ে কড়াইতে ঘি গরম করে কষে নিন। এবারে পাউরুটিগুলো ১৫ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখুন। একটু নরম হলে জল থেকে তুলে সিদ্ধ আলুর সাথে লঙ্কা গুঁড়ো, নুন, মিষ্টি মিশিয়ে ভাল করে মেখে ছোট ছোট গুলি করে তার মধ্যে এঁচোড়ের পুর দিয়ে চ্যাপ্টা করে গরম ভেজে শশা কুচি ও পেঁয়াজ সহয়োগে পরিবেশন করুন।                                                                                                                                                                   এঁচোড়ের কাবাব উপকরণঃ ছোট ছোট করে কাটা এঁচোড় সিদ্ধ মিহি করে বাটা ২ কাপ, লঙ্কা গুঁড়ো ও হলুদ গুঁড়ো ১/২ চামচ করে, জয়িত্রি ১ চামচ, জিরে গুঁড়ো ২ চামচ, আদা রসুন ও পেঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ, ১/২ চামচ দুধ, ২ টা ডিম, ভাজার জন্য ঘি, বিস্কুটের গুঁড়ো প্রয়োজন মতো। প্রণালীঃ এঁচোড় সিদ্ধর সাথে সমস্ত মশলা মাখিয়ে কড়াইতে ঘি দিয়ে দুধ মিশিয়ে কষিয়ে রাখুন। এবারে কষানো এঁচোড় থেকে গোল গোল করে মাঝখানে একটু চাপ দিয়ে চ্যাপ্টা করে ফেটানো ডিমের মধ্যে ডুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়ো তে গড়িয়ে গরম ঘি-তে সোনালী করে ভাজুন। পুদিনা চাটনি দিয়ে চায়ের সাথে এই কাবাব পরিবেশন করুন।                                                                                                                                                                                     এঁচোড়ের ডালনা                                                উপকরণঃ এঁচোড়ের শাঁসটা বার করে ডুমো ডুমো করে কাটবেন। আলু ডুমো করে কাটা দুটি। এঁচোড় সিদ্ধ করে রাখুন, ফোড়নের জন্য জিরে ও তেজপাতা, নুন, হলুদ, মিষ্টি প্রয়োজন মতো, ৪ টি কাঁচা লঙ্কা , টম্যাটো ইচ্ছা করলে, ঘি, গরম মশলা ১ চামচ, ধনে পাতা কুচানো ১ চামচ।            প্রণালীঃ কড়াইতে তেল গরম করে তেজপাতা সাদা জিরে ফোড়ন দিন। সিদ্ধ এঁচোড় ও আলু একসাথে বাটা মশলা দিয়ে রান্না করুন। অল্প নুন দিয়ে ফুটতে দিন। আলু সিদ্ধ হলে নামিয়ে গরম মশলা ঘি দিয়ে ধনেপাতা কুচানো ছড়িয়ে ঢেকে রাখুন।

  • বেতন ২ লাখের ওপর! ঃ চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে শিরোনামে ব্রিটেনের 'সেক্স টয়' প্রস্তুতকারক সংস্থা

    ডেস্ক ঃ আবার  শিরোনামে ব্রিটেনের 'সেক্স টয়' প্রস্তুতকারক সংস্থা 'সিলিকন সেক্স ওয়ার্ল্ড'। বিজ্ঞাপনে এই সংস্থা জানিয়েছে, চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যেই আবেদন জমা করতে হবে। তারপর আবেদনকারীদের মধ্যে নাম বাছাই পর্ব শেষ করে ২০ মার্চ তালিকা প্রকাশ করা হবে। মাসে বেতন ২ লাখের ওপর। বাৎসরিক হিসেবে 'সিটিসি' (কস্ট টু কোম্পানি) ৩০ লাখের কাছাকাছি। যোগ্য চাকরি প্রার্থী খুঁজছে লন্ডনের 'অ্যাডল্ট টয়' প্রস্তুতকারক সংস্থা 'সিলিকন সেক্স ওয়ার্ল্ড'।                                                      কাজটা আসলে কী? 'সিলিকন সেক্স ওয়ার্ল্ড' যে অ্যাডাল্ট টয়গুলি বানিয়েছে তা পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে ফিডব্যাক জানাতে হবে কোম্পানিকে। হ্যাঁ। আপনি ঠিক পড়েছেন। কোম্পানি নির্মিত অ্যাডাল্ট টয় ব্যবহার করে তার গুণাবলী এবং ত্রুটি জানাতে হবে কর্মীকে। বিজ্ঞাপনে কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে, "আমরা আমাদের দলে এমন কয়েকজন নতুন সদস্যের সন্ধান করছি, যারা এই আধুনিক আবিষ্কারগুলির গুণগত মান পরীক্ষায় আমাদের সহায়তা করবে এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সেক্স প্রোডাক্ট নির্মাণের কর্মকাণ্ডে আমাদের সঙ্গে থাকবে।"  বছরে ২২টি ছুটি আর ৩৫ হাজার ইউরো বাৎসরিক বেতন। এছাড়াও কর্মীর পরিবার কিংবা কোনও বন্ধু যদি এই কোম্পানির পণ্য কেনেন সেখানেও দেওয়া হবে আকর্ষণীয় ছাড়। এখানেই শেষ নয়, থাকছে বিশ্ব ভ্রমণের হাতছানিও। এই চাকরিতে যোগ দিলেই কোম্পানি তাদের নতুন সদস্যের হাতে তুলে দেবে একটি ব্র্যান্ড নিউ স্মার্টফোনও।  

  • আমার স্কুল   -  সুমন বিশ্বাস

        আমার স্কুল   -  সুমন বিশ্বাস   তেল মেখে স্নান করে গরম ভাত খাওয়া, বইয়ের ব্যাগ নিয়ে রোজ ইস্কুলে যাওয়া।   ফাস্ট বেঞ্চে বসার জন্য স্কুলে যেতাম আগে,   পেছন সীটে বসতে কি আর কারো ভাল লাগে? নালিশের খাতা ছিল মনিটারের কাছে,   ভয় ছিল সে খাতায় নাম উঠে যায় পাছে।   সেই জন্য মনিটারকে দিত সবাই তেল,   মনিটারেরও ভয় ছিল যদি করে সে ফেল?   পরীক্ষাতে সে বসত আমাদের মাঝখানে।   আমরা যে কি জিনিস ছিলাম মনিটারই তা জানে।   স্কুলের প্রেয়ার ছিল জন-গণ-মন   মানে না জেনেই গেয়েছিলাম, বুঝিনি তখনো। দূরে কোথাও স্কুলে যখন প্রেয়ারের ঘণ্টা পড়ে,   ছোট্ট বেলার স্কুল বাড়িটা বড্ড মনে পড়ে।   ক্লাস রুমের দেওয়াল জুড়ে উপপাদ্য লেখা,   দেওয়াল লিখন পড়েই আমার জ্যামিতি শেখা।   দেওয়াল জুড়ে নিউটন আর সিন্ধু সভ্যতা,   আর ছিল ইঁচড়ে পাকা কিছু অসভ্যতা।   স্কুলে সেই দেওয়াল আজও একই রকম আছে,   আমরাই নেই শুধু সেই দেওয়ালের কাছে।   আজও কোনও স্কুল বাড়ির দেওয়াল লিখন পড়ে,   ছোট্ট বেলার স্কুল বাড়িটা বড্ড মনে পড়ে। প্রতি বছর স্কুলে হত বানী বন্দনা সেই দিনের স্মৃতিটাও ছিল মন্দ না।   স্কুল ড্রেস ছেড়ে সেদিন রঙিন পোশাক পড়া,   স্কুল বাড়িটা হাসি-খুশিতে ছিল সেদিন ভরা।   পুজোর শেষে পাল্লা দিয়ে চলত খিচুড়ি খাওয়া,   এমন করেই লেগেছিল প্রানে খুশির হাওয়া।   আজও, সরস্বতী পুজো যখন হয় আমাদের ঘরে,   ছোট্ট বেলার স্কুল বাড়িটা বড্ড মনে পড়ে। পরীক্ষার আগে ছিল রিভিশনের ধুম,   টেনশনে চোখ থেকে উড়ে যেত ঘুম।   পরীক্ষার সময় তাই সব কিছু ভুলে,   সারা দিন পড়াশোনা বই খাতা খুলে।   কেউ কেউ টুকলিতে ছিল হাত পাকা, পকেট ভর্তি জ্ঞান, মাথা ছিল ফাঁকা।   সিঁড়ি আর বাথরুমে টুকলিরা পেত ঠায়।   সেদিনের স্মৃতি গুলো কি ভাবে ভোলা যায়?   আজও কোনও স্কুলে গিয়ে টুকলি যখন চোখে পড়ে, ছোট্ট বেলার স্কুল বাড়ি তোমায় বড্ড মনে পড়ে। এক মাইল পায়ে হেঁটে যেতে হত ইস্কুলে,   সাইকেল ছিলনা যখন পড়ে ছিলাম মুশকিলে।   ক্লাস এইট পাশ করে সাইকেল ছড়েছি,   তারপর এই সাইকেল-ই সাথী ছিল, যত দিন পড়েছি।   আজও, একই আছে সে স্কুল, আর একই আছে পথের ধুলো   একই আছে সেই উচ্ছ্বাস, শুধু বদলে গেছে সে মুখ গুলো।   আজ, সে পথ দিয়ে যায় যখন, সেই স্কুল চোখে পড়ে,   ছোট্ট বেলার স্কুল বাড়িটা তোমায় বড্ড মনে পড়ে।

  • অগ্নিসাক্ষী  -পূজা মৈত্র ( রানাঘাট )

       অগ্নিসাক্ষী  -পূজা মৈত্র ( রানাঘাট )   মেয়ের কাছাকাছি থাকবেন বলে বিদেশবাবুর এখানে আসা,এখানে বলতে মদনপুরে। মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন কল্যানীতে। শ্বশুর,শাশুড়ি,জামাই আর মেয়ে-এই নিয়ে সংসার। বছর দেড়েক হল নাতনি হয়েছে। সে এই সংসারে ছোট্ট সদস্য। অত দূরে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার ইছা ছিল না। নিজে থাকতেন ত্রিপুরায়। ফরেস্ট রেঞ্জার ছিলেন। বদলির চাকরি,সেই সুবাদে ত্রিপুরায় সব বন জঙ্গল ঘাঁটা।রিটায়ারকরেছেন মাস চারেক। তারপর একা মানুষের আর ত্রিপুরায় থাকার মানে হয় না। মেয়ের কাছাকাছি থাকলে মন চাইলে ওকে যখন তখন দেখতে অন্তত পাবেন। বিদেসবাবুর মেয়ে অন্তরা এতে খুব একটা খুশি হয়নি,তবুও মুখের উপর না করতে পারেনি। জামাই আভিজিৎ বরং খুব উৎসাহী ছিল। ভারী চমৎকার ছেলে,ইঞ্জিনিয়ার। কল্যাণীতেই সরকারি চাকরি করে, অন্তরাও একটা স্কুলে পাড়ায়,কাগজে বিঙ্ঘাপন দিয়ে বিয়ে ঠিক করেছিলেন বিদেশবাবু, ফরেস্ট রেঞ্জারের শিক্ষিতা একমাত্র কন্যাকে বিয়ে করার জন্য অনেকেই আগ্রহী ছিল। তার উপর অন্তরা ফর্সা, মাঝারি উচ্চতার, মোটের উপর সুন্দরী বলা যায়। সবার মধ্যে বেছে ঠিক পাত্রকেই পছন্দ করেছিলেন বলে মনেমনে গর্ব বোধ করেন বিদেশবাবু। জামাই চেয়েছিলেন বিদেশবাবু ওদের বাড়িতেই উঠুন। কিন্তু মেয়ের বাড়িতে থাকার কথা ভাবতে পারেননি বিদেশবাবু,ছি! ওতে মান সম্মান ডুবে যায়। তার থেকে একা থাকবেন স্থির করেছিলেন। একটা বাড়ি ভাড়াও দেখেছিলেন কল্যানীতে। কিন্তু মেয়ে নারাজ। একা একা যাবে না! আপদ বিপদ হলে রাতবিরেতে কি হবে? তাই সব দিক ভেবে এখানে আসা। মদনপুর থেকে ভিতরে গ্রামের মধ্যে জায়গাটা। খোলা মেলা পরিবেশ। জনা কুড়ি ওরই মত মানুষ থাকেন ওখানে। বৃদ্ধাশ্রমটা গ্রামেরই জমিদারের দেবোত্তর ত্রাস্তি বোর্দের তদারকিতে তৈরী হয়েছে। বছর পনেরো বয়স। অন্তরাই ওর স্কুলের এককলিগের কাছ থেকে খবর এনেছিল। তার দূর সম্পর্কের এক মাসিকে নাকি গত তিন বছর ধরে এখানেই রাখা হয়েছে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কিনা এই নিয়ে অন্তরার খুঁতখুঁতানি ছিল। সরেজমিনে দেখে ফিরে ফোন করে জানিয়ে দিয়েছিল- না ভয়ের কিছু নেই। বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন জায়গাটা। বিদেশবাবুও আর অন্য কিছু ভাবেননি। তল্পিতল্পা গুটিয়ে ত্রিপুরা থেকে মদনপুরে চলে এসেছেন মাসখানেক আগে।                               নিজের একটা আলাদা ঘর নিয়েছেন বিদেশবাবু রুম শেয়ার করবেন কি করে?বছর পনেরো হল একাই আছেন। একা থাকাটা একটা অভ্যাস। অলকানন্দা চলে যাওয়ার পর নিঃসঙ্গতাই ওনার একমাত্র সঙ্গী। অভিষেক দেরাদুনে আর্মি স্কুলে পড়ত, অন্তরা শিলং –এ কনভেনটে মানুষ। ছেলে মেয়ে ছোট থেকেই বোর্ডিং জীবনে অভ্যস্ত ছিল বলে ওদের সাথেও খুব একটা সহজ হতে পারেন না। বরাবর দূরে থেকেছে বলে ওদের মনেও বাবার প্রতি খুব একটা অ্যাটাচমেনট ছিল না কোনকালেই। বাড়িতে ছুটিতে এলে মা’কে নিয়েই ব্যস্ত থাকত ওরা, অলকানন্দা খুব ভালোভাবে মিশতে পারত ওদের সাথে। বিদেশবাবুর সেসব ধাতে নেই। ছেলেমেয়ে মানুষ করতে গেলে একটা গাম্ভীর্যর আবরণ থাকা উচিত,নিজের বাবাকে দেখেই বরাবর জেনে এসেছিলেন। নিজের ছেলেমেয়েদেরও কাঠিন্যের বলয়ের বাইরেই রেখে এসেছেন বরাবর। স্নেহ থাকবে, তবে তা ফল্গুধারার মত সুপ্ত হয়ে বইবে। কথায় কথায় তার প্রকাশ হবে না। অভিষেক আর অন্তরা তাই ছোট থেকেই বাবার থেকে সম্ভ্রমের দুরত্ব বজায় রাখত। দিনান্তে ডিনার টেবিলে দু’ চারটে কথা- ব্যাস,অলকানন্দা দুপক্ষের মধ্যে সেতুর কাজ করত।               ও না থাকায় সেতুটাও ছিল না আর। ওরা ছুটি পেলেও বাড়ি ফিরতে চাইত না তেম্ন,অভিষেক এলেও, অন্তরা আসত না। বাবার থেকে সম্পূর্ন সরিয়ে নিয়েছিল নিজেকে। অভিষেকের বাইক অ্যাক্সিডেন্টে মৃত্যু না হলে,অন্তরা বোধহয় বাবার প্রতি কর্তব্যের খাতিরে যেটুকু করছে,তাও করত না। অভিষেক চলে গেছে তাও বছর দশেক হল। সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হয়ে জয়েন করেছিল আর্মিতে। চাকরির মেয়াদ মাত্র মাস তিনেক হয়েছিল। তারই মধ্যে একদিন ব্রেক ফেল হয়ে ওর বাইক খাদে পড়ে যায়। কেউ বলেছিল দুর্ঘটনা, কেউ বলেছিল র‍্যাশ ড্রাইভিং,কেউ বা অন্তর্ঘাতের গন্ধ পেয়েছিল। বাইকের ধবংসাবশেষ উদ্ধার হলেও ছেলের দেহ পাননি বিদেশ বাবু। তিস্তার জলে ভেসে গিয়েছিল বাইশ বছরের তরতাজা যুবক। অন্তরা তখন বছর আঠারো, ওকে শিলং থেকে নিয়ে এসে আগরতলার কলেজে ভর্তি করতে চেয়েছিলেন বিদেশবাবু। কাছে রাখতে চেয়েছিলেন,মেয়ে নারাজ,এক জেদ তার-কলকাতায় পড়বে,সন্তান হারানোর ভয়ে সন্তানকে আঁকড়াতে চাইলেও, সে চেয়েছিল দূরত্ব। মায়ের মৃত্যুটা অন্তরার মনে স্থায়ী দাগ কেটে গেছে। আজও হয় তো বাবাকেই মায়ের মৃত্যুর জন্যে দায়ী করে। নিজে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিল বলে-বাবাকে ক্ষমা করতে পারে না। হয়তো কোনদিন করতেও পারবে না। অথচ অলকানন্দার মৃত্যুর জন্য কি বিদেশবাবু দায়ী? নিজেকে অসংখ্যবার প্রশ্নটা করেছেন। কোন উত্তর খুঁজে পাননি। মুহুর্তের জাড্য,সিদ্ধান্ত নিতে না পারার ব্যর্থতা, হাত-পাগুলো অবশ হয়ে যাওয়া-এসবই কি অলকানন্দাকে বাঁচাতে পারতেন না। বরং তার নিজের বিপদের সম্ভাবনা ছিল ষোলআনা। অন্তরা ভাবে বাবা ভয় পেয়েছিল। ভয় যে পেয়েছিলেন,এটা নিজেও অস্বীকার করেন না। তবে সেটা প্রানভয়, নাকি নাবালক সন্তানদের ভবিষ্যৎ চিন্তা-শত বিশ্লেষণেও সদুত্তর পাননি বিদেশবাবু। বেশি ভাবনা চিন্তা করেন না তাই। যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে। বাকি জীবনটা অন্তরাকে চোখের দেখাটুকু দেখতে পারবেন- এই যথেষ্ট। সপ্তাহে একদিন আসার কথা অন্তরার। রবিবার,এরমধ্যেই দুই রবিবার আসতে পারেনি। বিদেশবাবু অধীর আগ্রহে বসে থাকলেও ফোন করে বিরক্ত করেননি মেয়েকে। সারা সপ্তাহ স্কুল থাকে ওর। সপ্তাহে একদিন তো পরিবারের জন্য সময় পায়। মেয়ের সাথে,স্বামীর সাথে, শ্বশুর, শাশুড়ির সাথে কাটাবে না ট্রেন ঠেঙিয়ে মদনপুর আসবে বাবাকে দেখতে? এলে তো একটা গোটা বেলা নষ্ট। তাও প্রত্যেক শনিবার  সন্ধ্যা থেকেই মনটা আকুল হয়ে ওঠে। অভিজিৎ ফোন করলে জিজ্ঞাসা করতে বাধোবাধো লাগে, তবুও জিজ্ঞাসা করেই ফেলেন, “কালকে কি মামনি আসবে? অভিজিৎ -এর ও উত্তরটা জানা থাকে না! বিচক্ষণ ছেলে,বিদেশবাবুকে সান্তনা দেয়, ‘হ্যাঁ,আসবে,আসবেই তো, কাল তো ছুটি’। জামাই-এর গলার স্বরের মধ্যে জোর খুঁজে পান না বিদেশবাবু। ওকে আর বিব্রত করেন না। ফোনটা ছেড়ে দেন।                  নিজে রান্না করে খেতে ভালো লাগে বিদেশবাবুর। বৃদ্ধাশ্রমের খাওয়ার মুখে তোলা যায় না। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বটে জায়গাটা –কিন্তু কেয়ারটেকারের সংখ্যা খুব কম। রাতে যে দু’ জন থাকত, তার মধ্যে অসিত দিন দশেক হল কাজ ছেড়ে দিয়েছে। পড়ে আছে হারাধন। সে আবার নিজেই অকেজো, একটা পা জখম, টেনে টেনে হাঁটে। এতগুলো বৃদ্ধ মানুষ থাকেন এখানে। রাত বিরেতে আপদ বিপদ হতেই পারে। ডাক্তার বলতে গ্রামের হাতুড়ে পরেশ মন্ডল। তাও পরেশ ডাক্তারের চেম্বার আশ্রম থেকে মাইলখানেক দূরে। তার বাড়ি আরো ভিতরে। পাশের ঘরের প্রদ্যুৎবাবুর হাঁফেরটান বাড়াবাড়ি হলে হারাধন কি যে করবে বুঝতে পারছিল না। বিদেশবাবু ওকে সঙ্গে নিয়ে পরেশ ডাক্তারকে কল দিয়ে ডেকে এনেছিলেন। ইনজেকশন করে পরেশ ডাক্তার হাঁফ কমালে,হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন সবাই। না হলে তো হাসপাতালে নিয়ে যেতে হত। এত রাতে কল্যানীতে নিয়ে যাওয়া যাবে কি করে এই ভেবেই সবার মাথায় হাত পড়ে গিয়েছিল। গ্রামের সবে ধন নীলমণি একটা অ্যাম্বুলেন্স। মারুতি ভ্যান আর কি।তাও সেটা সেদিন ডেলিভারি কেস নিয়ে জওহরলালে ছিল। পরেশ ডাক্তার সামলাতে না পারলে ভ্যানে করে ষ্টেশন,ষ্টেশন থেকে কল্যানী–কে ছুটোছুটি করবে ভেবেই হারাধনের মুখ চুন হয়ে গিয়েছিল। ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারীর নাম্বারে বারবার ফোন করছিলেন বিদেশবাবু। দুজনেরই সুইচড অফ। মানুষ এতটা কেয়ারলেস কি করে হতে পারে,ভেবেই রেগে গিয়েছিলেন বিদেশবাবু। কুড়ি বাইশজন কে আশ্রয় দেওয়ার,দেখভাল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েও কিভাবে হাত পা ছেড়ে বসে থাকতে পারেন এরা? ডোনেশন তো কম নেন না। বিদেশবাবুই তো সিঙ্গলরুম নেবেন বলে তিন লাখ টাকা ডোনেশন দিয়েছেন, অন্যরাও কম বেশি লাখ দেড়েক-দুয়েক দিয়েছেন। এতটাকা নিয়েও এত অযত্ন করার সাহস হয় কি করে? কয়েক দফা দাবি ট্রাস্টের ম্যানেজমেন্টের কাছে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন বিদেশবাবু। প্রথমত-রাতে অন্তত তিনজন কেয়ারটেকার থাকতে হবে,দ্বিতীয়ত- সপ্তাহে একবার করে মেডিক্যাল চেকআপের ব্যবস্থা করতে হবে, তৃতীয়ত- আশ্রমের রান্না খাওয়ার মানের উন্নয়ন করতে হবে, চতুর্থত-কিছু জীবনদায়ী ওষুধ  আশ্রমেই মজুত রাখতে হবে। এই দাবীপত্র তৈরী করে সবাইকে দিয়ে সই করাতে গিয়ে ধাক্কা খেয়েছেন বিদেশবাবু। কেউ সই করতে চাননি। সবার একই মত-এসব দাবি দাওয়া পেশ করতে গিয়ে যদি যেটুকু পাওয়া যাচ্ছে, তাও হাতছাড়া হয়ে যায়?কারোর তো কথাও যাওয়ার জায়গা নেই আর। সব কিছু ছেড়ে এখানে এসেছেন। এখান থেকে চলে যেতে হলে কোথায় যাবেন? কথাটার সত্যতা বিচার করে চুপ করে গিয়েছেন বিদেশবাবু। তার মত স্বেচ্ছায় কেউ এখানে আসেননি। তার মত কেউ শারীরিকভাবে সক্ষমও নন। সবাইকে সংসারের গলগ্রহ ভেবে এখানে পরিত্যক্ত আসবাবের মত ফেলে যাওয়া হয়েছে। কাউকে ছেলে ফেলে গেছে,কাউকে মেয়ে,কাউকে বা ভাইপো ভাইঝি। ফেলে গেছে মানেই ফেলেই গেছে। চোখের দেখাও দেখতে আসে না কেউ। খুব শরীর খারাপ করলে ট্রাস্ট বাড়িতে খবর পাঠায়। মুখ ব্যাজার করে ছেলে মেয়েরা দেখতে আসে তখন। কখন ফিরবে সেই চিন্তায় অধীর হয়ে বারংবার ঘড়ি দেখে ওরা। তাদের ডেকে এনে যেন ভয়ানক অন্যায় করাহয়েছে, এমনি তাদের হাবভাব।থাক,কারোর যদি মত না থাকে,এসব নিয়ে নাড়াঘাটা না করাই ভাল। তবে সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত মানুষের কাছে থেকে সই পেয়েছেন বিদেশবাবু। মিসেস চৌধুরী। বিদেশবাবুর থেকে বছর দুয়েকের ছোট হবেন মহিলা। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন। অভিজাত বংশীয়া-দেখেই বোঝা যায়। উনিও স্বপাকে খান। সিঙ্গল রুমে থাকেন। কারোর সাথে মেশেন না। আশ্রমের বাকিরা আড়ালে আবডালে বলে ‘বড্ড দেমাক’। উনার সামনে কেউ বলতে সাহস পায় না। উনার গাম্ভীর্জ সে সাহস দেয় না। বিদেশবাবুও এড়িয়ে চলেন উনাকে। আশ্রমে এসে প্রথম প্রথম উনার ব্যাপারে না জেনে কুশল জিজাসা করে ফেলেছিলেন বার দুয়েক। এড়িয়ে যাওয়া দেখে আহত হয়েছিলেন। তারপর থেকে এড়িয়ে চলেন।ভদ্রমহিলা নিঃসন্তান। স্বামী বছর দশেক হল মারা গেছেন। নিজের সব সম্পত্তি নাকি স্কুলকে দান করে দিয়েছেন। সারাদিন নিজের ঘরে বন্দী থাকেন। বিকাশদা বলেছিলেন ম্যাডামের ঘর নাকি বইদিয়ে ঠাসা। সারাক্ষন বই এর মধ্যেই ডুবে থাকেন,সে থাকুন, যার যেভাবে থাকতে ভালোলাগে, তার সেভাবে থাকা ভাল। তবে একই ছাদের নীচে থাকতে গেলে পারস্পরিক আলাপচারিতারও প্রয়োজন আছে। নয়া হলে এক ঘরে হয়ে যেতে হয়। মিসেস চৌধুরীও তাই এক ঘরে।                         একটা ইনডাকশন কিনেছেন বিদেশবাবু। ইনডাকশনে রান্না করার কৌশল শিখে নিয়েছেন। খুব সহজ ব্যাপারটা। আর আগুনের সামনে যেতে হয় না। আগুন জিনিসটা যতটা পারেন এড়িয়ে যান বিদেশবাবু।ছোট থেকেই উনার আগুনে ভয়, ছোটবেলায় উনাদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল পূর্বপাকিস্থানেরসংখ্যাগুরুরা, কোনক্রমে প্রান নিয়ে সীমান্ত টপকে এদেশে এসেছিলেন বাবা, মা- সাথে পাঁচ ভাইবোন। আগুনের লেলিহান শিখায় সব পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল। দোতলা বাড়ি, বাগান –সব। তখন বিদেশবাবুর বয়স মাত্র দশ। ভাইবোনদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ছিলেন উনি। ‘আগুন-আগুন-পালাও-পালাও’-চিৎকারটা কানে ভাসে আজো,প্রানের ভয় ঐ বয়সে প্রথম পেয়েছিলেন। ঐ ভয়টা মজ্জায় ঢুকে গেছে,তাই আগুন দেখলে স্থানু হয়ে যান। কাছে যাওয়ার বদলে সরে যান, পালিয়ে যান। রান্নাঘরের গ্যাস থেকে অলকানন্দার সারা শরীরে যখন আগুন লাগল- ‘বাঁচাও! বাঁচাও!’ চিৎকারে যখন রান্নাঘর পেরিয়ে,ডাইনিং পেরিয়ে সদর দরজা খুলে, বাইরের খোলা জায়গাটায়  ছুটে গেল অলকানন্দা,তখন বিদেশবাবু স্থির হয়ে গিয়েছিলেন। এক পা-ও এগোতে পারেননি।ছুটে গিয়ে যে জল ঢালবেন, কি কম্বল চাপা দেবেন-মাথায় আসেনি কিছুই। বছর তেরোর অন্তরা পাগলের মত মায়ের দিকে ছুটে যেতে ছেয়েছিল। ওকে টেনে ধরে রেখেছিলেন। যেতে দেননি। অলকানন্দা তো পুড়ছেই, যদি মেয়েটাও পুড়ে যায়?আশেপাশের বাড়ি থেকে প্রতিবেশিরা ছুটে এসে উদ্ধার করে অলকানন্দাকে। হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতেই সব শেষ। অলকানন্দা যখন পুড়ছিল তখন ওর দুই চোখে কষ্ট,যন্ত্রনার পাশাপাশি অবিশ্বাসও দেখতে পেয়েছিলেন বিদেশবাবু। ঐ চোখদুটো এখনো ঘুমের মধ্যে তাড়া করে। আর তাড়া করে অন্তরার একটা কথা।বাবাকে কোন অভিযোগ সে করতে পারেনি কখনো। মায়ের কাজ করতে অভিষেক বোর্ডিং থেকে ফিরলে একান্তে দাদাকে বলেছিল, ‘বাবার জন্য মা মরে গেল দাদাভাই,বাবা চাইলেই বাঁচাতে পারত। আমি বাবাকে কখনো ক্ষমা করব না’ দরজার আড়াল থেকে কথাগুলো শুনেছিলেন বিদেশবাবু। মেয়ের সামনে যেতে পারেনি। মেয়েকে কখনো প্রশ্ন করতে উঠতে পারেন নি,এতদিন পরেও সে বাবাকে ক্ষমা  করেছে কিনা। উত্তরটা নঞর্থক হবে,সেটা নিজের মনেই জানেন। মেয়েকে কখনো বলতে পারেননি,অলকানন্দাকে বাঁচাতে চেয়েছিলেন উনি, খুব করেই বাঁচতে চেয়েছিলেন। অথচ তার সমস্ত চেতনার ভেতর থেকে ভেসে আসছিল চিৎকার,‘আগুন, আগুন-পালাও-পালাও!’করে কণ্ঠের চৎকার এখন আর বুঝতে               পারেন না। বাবা,বড়দা,মা,বড়দি...নাকি সবার মিলিত কণ্ঠস্বর ওনার কানে বাজতে থাকে, বাজতেই থাকে।   -কাকু... হারাধনের গলা পেয়ে চমকে ওঠেন   বিদেশবাবু। হাঁফাচ্ছেন কেন? কার কি হল?   -কি হল হারাধন? -চৌধুরী ম্যাডাম সিঁড়ি থেকে পরে গেছেন।জামা কাপড় তুলতে গিয়েছিল,পা ফস্কে পড়ে... -সে কি রে! চল শিগগির চল... প্রায় দৌড়ে সিঁড়ির কাছে পৌঁছলেন বিদেশবাবু। আরো জনা দশেক তার আগেই  চলে এসেছেন। কেউ কাছে এগোবার সাহস করছে না। বারান্দার বাল্বের আলোয় দেখা যাচ্ছে কপালটা ফেটে গেছে। রক্ত ঝরছে।  মিসেস চৌধুরী নিজের হাতেই কপাল চেপে ধরে বসে আছেন। এত যন্ত্রনাতেও কোন কষ্ট প্রকাশ করছেন না। সরুন দেখি সবাই, হারাধন, পরিস্কার কাপড় আন একটা। বিদেশবাবু ভিড় সরিয়ে মিসেস চৌধুরীর কাছে গেলেন। বলিহারি মহিলা বটে। কষ্ট পেলে তা মুখেবলতে ক্ষতি কি? কারোর সাহায্য চাইলে কি ছোট হয়ে যেতে হয়? হারাধন দৌড়ে কাপড় নিয়ে আসে। -দেখি, হাতটা সরান, কাপড়টা বাঁধতে হবে। -আঃ! ডেটল লাগিয়ে নেব। সামান্য তো কাটা... -সামান্য? কপাল ফেটেছে আপনার, হাঁ হয়ে আছে। বিদেশবাবু জোর করে হাত সরিয়ে কাপড়টা বেঁধে দিলেন। হারাধনকে ডাকলেন -ভ্যান ডাক। পরেশ ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। -কোথাও যাবো না। আমি ঠিক আছি। উঠে পড়তে গেলেন মিসেস চৌধুরী। পারলেন না। মাথা ঘুরে পড়ে যাবেন,বিদেশবাবু ধরে নিলেন। জওহরলালে আরো একদিন থাকতে হত। ডাক্তাররা কিছুতেই ছাড়বেন না, মিসেসচৌধুরীও থাকবেন না। শেষে বন্ডে সই করেবিদেশবাবু ফেরৎ নিয়ে আসছেন ওনাকে।জেদও বটে। সেদিন  রাতে পরেশ ডাক্তার কপালে সেলাই কোনক্রমে করেই হাত তুলে নিল। কপালে চোট, জ্ঞান নেই- এমন রোগী হাতে রাখবেন না। ভাগ্যে অ্যাম্বুলেন্সটা ছিল। হারাধন আর বিদেশবাবু নিয়ে এসে জওহরলালে ভর্তি করেন। ইনজেকশন,স্যালাইন চলতেই  এসেছিল। জ্ঞানফিরতেই আশ্রমে ফেরার জেদ শুরু। কোনক্রমে দিন দুয়েক কেবিনে রেখেদিয়েছিলেন বিদেশবাবু, সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে। না। ব্রেনে হ্যামারেজ হয়নি, নিশ্চিন্তহয়েছিলেন বিদেশবাবু। টানা দুদিন তিনরাত হাসপাতালে থেকে নিজেরও শরীর চলছিলনা। হারাধন তো ভর্তি করিয়েই পগার পার।আশ্রম থেকেও কেও আর চোখের দেখাও দেখতে আসেনি, মিসেস চৌধুরীর তিন কুলে কেউ নেই,যে আসবে। ফলত বিদেশবাবুর ঘাড়েই সব দায়িত্ব এসে পড়েছিল। সমস্ত খরচ খরচাও ওনাকে করতে হয়েছে। মিসেস চৌধুরী অবশ্য ঐ অবস্থাতেও বারবার বলে গেছেন, ‘আমার চেক বইটা এনে দিতে বলুন’। ভাঙবেন তবু মচকাবেন না। বিদেশবাবুও শুনিয়ে দিয়েছেন, ‘আগে সুস্থ হয়ে উঠুন ,পরে ঐ সব হিসাব নিকাশ হবে,’কিন্তু আপনি এসব আমার জন্য করবেন কেন? আর করলেও আমি দয়া নেব কেন?’ ‘দয়া নয়। মানবিকতার খাতিরে করছি, শোধ দিয়ে দেবেন’। বিদেশবাবুর কথায় এমন কিছুছিল, আর কথা বাড়াত পারেন নি মিসেস চৌধুরী। -কাকু ,কাকিমা এখন একদম সুস্থ বল? অ্যাম্বুলেন্স চালাতে চালাতে সুশান্ত বলল।ও অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার। ও–ই মিসেস চৌধুরীকে কল্যানীতে এনেছিল,বিদেশবাবু আড়চোখে তাকালেন মিসেস চৌধুরীর দিকে। -সুস্থ মানে, ঐ আর কি। আরো কয়েকটা দিন থাকা উচিৎ ছিল। তা উনি থাকবেন না। -না, না, ভালো করেছে চলে এসেছে। কাকিমা তোমার কাছে থাকলেই ফিট হয়ে যাবে একদম। জানো কাকিমা, কাকু তোমার জন্য একভাবে হাসপাতালে বসেছিল। যখন যা লেগেছে, নিয়ে এসেছে। কাকু ন থাকলে তুমি সুস্থ হতে না। খুবভালোবাসে তোমায়,বুঝলে?   বিদেশবাবু চমকে উঠলেন। কি বলছেটা কি ছেলেটা? ভুল বুঝেছেও, যেমন কেবিনের বাচ্চা মেয়ে নার্সটাও বুঝেছিল। ‘তাড়াতাড়ি এই দুটো ইনজেকশন নিয়ে আসুন,আপনার ওয়াইফের লাগবে’। ওর ভুল ভাঙাননি বিদেশবাবু, সুশান্তর ভুলটা ভাঙানো উচিত। উনি ভাঙাবেন, নাকি মিসেস চৌধুরী.. -আমি তোমার কাকুর কাছে কৃতজ্ঞ তাই। শান্ত ধীর গলায় মিসেস চৌধুরী। ওনার ভালো নাম অনুরাধা। হাসপাতালে ভর্তি করতে গিয়েই জেনেছেন বিদেশবাবু।ভারী অবাক হলেন। সুশান্তর ভুলটা ভাঙলেন না তো। বিদেশবাবুর চোখে অবাক ভাবটা দেখেও দেখলেন না মিসেস চৌধুরী। চোখ সরিয়ে বাইরের দিকে তাকালেন, অপলকে। রাস্তার দুপাশের দৃশ্য দেখছিলেন, একটা অদ্ভুত মুগ্ধতা ভরা ছিল চোখ দুটোতে।এভাবে আরো একজন রাস্তা দেখত, তার চোখেও একই মুগ্ধতা ভিড় করে থাকত।বিদেশবাবু চোখ সরালেন না। অপলকে দেখতে থাকলেন তাকে। -অনুরাধা,আপনি এই অসুস্থ শরীরে রান্না করবেন? -এখন তো আমি বেশ সুস্থ, রান্না করা যেতেই পারে। -না,বলছিলাম কি,আরো কয়েকদিন আমার ঘরেই খান না। আনুরাধা মৃদু হাসেন। বিদেশবাবু সে হাসির অর্থ বোঝেন না। -খাবেন? -মায়া বাড়াব? -মায়া কিসের? আপনি অসুস্থ বলেই না... -সুস্থ হলে? আমি রান্না করব,আর আপনি খাবেন? -বাঃ রে! তা কেন? তখন নিজেই নিজের রান্না করে নেব। ঋণী করে রাখতে চান? বিদেশবাবু থমকান। -আপনাকে কথায় হারনো যাবে না। ঋণ তো সব শোধ করেই দিয়েছেন। চেক লিখে দিলেন যে। -প্রান বাঁচানোর ঋণ কি এ জীবনে শোধ হবে বিদেশবাবু? নরমস্বরে বলেন মিসেস চৌধুরী। এই ক’দিনে অনুরাধাকে কাছথেকে চিনেছেন বিদেশবাবু। কাঠিন্যটা তারমুখোশ। আদতে মানুষটি খুব নরম মনের। -অত ঋন ঋন করবেন না, আমার যা ঠিক মনে হয়েছে, তা-ই করেছি। -তাও, সত্যিটা তো বলতেই হয়। -তাহলে আপনি রাঁধবেন? -আজ রাঁধি? আপনার মেয়ে আসবে আজ। রবিবার তো, ওর সাথে কথা বলবেন, সেখানে আমার যাওয়াটা বেমানানহবে। বিদেশবাবু দমে যান। সত্যিই তো আজ অন্তরা আসবে বলেছে। অনুরাধার সেবাকরা, ওকে রেঁধে খাওয়ানো-ভালোভাবে না-ই মানতে পারে। অথচ বিদেশবাবু যা করেছেন, সবই মানবিকতার খাতিরে। এর মধ্যে কোন চাওয়া পাওয়ার খাদ নেই। -আচ্ছা সাবধানে রান্না করবেন। অনুরাধা মিষ্টি করে হাসলেন,অলকানন্দার হাসির কথা মনে পড়ল বিদেশবাবুর। সে-ও কিছু কিছু কথার জবাব দিত না, শুধু হাসত। অন্তরা এসেছিল। অভিজিৎও এসেছিল সাথে। কুট্টুসকেও নিয়ে এসেছিল। নাতনিকে অনেকদিন পরে দেখে মনটা ভরে গিয়েছিল বিদেশবাবুর। কুট্টুসের সাথে খেলছিলেন, হঠাৎ চেঁচামেচি শুনে চমকে উঠলেন। -কি হল আবার? অন্তরা বিরক্ত হল, হারাধন ছুটতে ছুটতে এল। -কাকু...তাড়াতাড়ি চল... -কেন রে? কি হয়েছে? -চৌধুরি ম্যাডাম... আর শোনার প্রয়োজন বোধকরলেন না বিদেশবাবু। একপ্রকার ছুটেই অনুরাধার ঘরের সামনে গেলেন। অন্তরা,আভিজিৎও পিছু নিল। -বিদেশবাবু যাবেন না...আগুন লেগেছে..। প্রদ্যুৎবাবু নিরস্ত করতে চাইলেন। চমকে তাকালেন বিদেশবাবু, সত্যিই আগুন লেগেছে, অনুরাধার ঘরে আগুন লেগেছে। অনুরাধা চেঁচাচ্ছে। ওর গায়েও কি আগুনলেগেছে? -স্টোভ বার্স্ত করেছে মনে হয় -আওয়াজ তো শুনলাম না। জটলা থেকে গুঞ্জন শোনা যায়।বিদেশবাবুর কানে ভাসে চিৎকার,‘আগুন,আগুন...পালাও...পালাও...’পালাতে চান উনি। চলে যেতে যান। যেতে পারেন না। স্থানু হয়ে যান যেন। ‘বাঁচাও,বাঁচাও--- চিৎকার শোনা যায়। কে ডাকছে?অলকানন্দা অলকানন্দাই তো, বাঁচাতে হবে ওকে –বাঁচাতেই হবে, অথচ কি করে আগুনের কাছে যাবেন বিদেশবাবু?অন্তরার দিকে তাকান বিদেশবাবু ,ফ্যাকাশে হয়ে গেছে মেয়েটা। ভয় পাচ্ছে। ওর ভয় কেবলমাত্র ওর বাবাই কাটাতে পারেন,অথচ হাত পা চলছে না যে? ‘জল আন, জল’- ‘কম্বল আন’---। কথাগুলো কানের মধ্যে ঢুকেও ঢোকে না, অন্তরা আড়চোখে ওনার দিকে তাকায়। কি ভাবছে মেয়েটা? ভাবছে, বাবা এখনো অমন কাপুরুষই রয়ে গেছে? ওর চোখে কি লেগে আছে? ধিক্কার? নাকি ঘেন্না? ‘প্রান বাঁচানোর ঋণ এ জীবনে শোধ হবেবিদেশবাবু? প্রশ্নটি স্পষ্ট শুনতে পান যেন।কেউ যেন ধাক্কা দেয় ওকে, ছিলে ছেঁড়া ধনুকের মত ছিটকে যান। দৌড়ে যান অনুরাধার ঘরের দিকে। ‘বিদেশবাবু, যাবেননা...‘কাকু, যেও না’...সব কথাগুলোর                      ভিড়ে অন্তরার গলা থেকে বেরোনোবাক্যবন্ধটা ডুবে যায়। ‘বাবা,যেওনা...যেওনা’...বলতে চায় ও ওর গলা ধরে  আসে। অনুরাধাকে পাঁজাকোলা করে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন বিদেশবাবু, জল দিয়ে আগুন ততক্ষনে অনেকটাই নেভানো গেছে,কম্বলে মুড়ে নিয়েছিলেন অনুরাধাকে। আগুন ততদূর যাওয়ার আগেই বিদেশবাবু গিয়ে উদ্ধার করেছেন ওনাকে। জ্ঞানহারিয়েছেন অনুরাধা। সবাই চোখে মুখে জল দিচ্ছে,অন্তরা অবাক হয়ে দেখে বাবার দুহাতের পাঞ্জা ভালোভাবেই পুড়ে গেছে। যন্ত্রণা হচ্ছে নিশ্চয়। কষ্ট হচ্ছে, এত কষ্ট বাবা টেরও পাচ্ছেন না? অবাক হয় অন্তরা,বাবা বিড়বিড় করে কি বলে চলেছেন। কান পাতে ও, ‘অলকানন্দা...ওঠো, চেয়ে দেখ...আমি এসে গেছি--- ‘অভিজিত’ বিস্মিত হলেও অন্তরা হয় না। ‘বাবা, বাবা...জ্ঞান ফিরে আসবে...ওনার কিছু হয়নি...তুমি ওঠো--- তোমার হাত পুড়ে গেছে-চিকিৎসা দরকার!’ মেয়ের গলা শুনে মুখ তুলে তাকান বিদেশবাবু। অন্তরা দেখে বাবার মুখে শিশুর হাসি লেগে আছে। ‘মামণি.. -হ্যাঁ, বাবা...ওঠো... -তোর মা’কে আমি বাঁচাতেপেরেছি...বাঁচাতে পেরেছি... অন্তরা বোঝে না একথার জবাব কি দেবে?একথার কি জবাব হয়? শুধু বোঝে, বাবা মা’ কে বাঁচাতে চেয়েছিল,কখনো পেরেছে,কখনো পারেনি।    

  • কৃষ্ণা    - পুজা মিত্র ( রানাঘাট )

             কৃষ্ণা   - পুজা মিত্র ( রানাঘাট )   সামান্যা নও তুমি নারী তোমার নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে কুরুক্ষেত্রের কারণ একদিন তার কাপড় টেনেছিল দুঃশাসন তাই ঘুম ভেঙেছিল সুপ্ত পান্ডবদের দেবতুল্য যারা এতদিন নিশ্চুপ হয়ে মেনে নিয়েছিল বনবাস নির্বাসন তাচ্ছিল্য আদি সমস্ত বঞ্চনা তাদের শীতল রক্তেও বাণ এসেছিল প্রতিবাদ প্রতিরোধের মত শব্দগুলি শিখেছিল তারা অক্ষরে অক্ষরে   নারী তুমি সত্যবতীও ধীবরকন্যার মতই ক্ষুরধার বুদ্ধি তোমার তোমাকে সবক শেখায় এমন সাধ্য কার আছে বলো ভর করো নিজের মেধায় জাগাও আত্মবিশ্বাস অসংখ্য মনে যারা অসুরের তকমা পেয়েও অম্লানবদনে বাঁচিয়ে যায় জীবনের পর জীবন নিজের সমস্তটুকু বাজি রেখে তুমিই পারবে নারী পথ দেখাতে নতুন অভ্যুত্থানের রচিত হোক ন্যায় যুদ্ধ ধর্ম আর অধর্মের মধ্যে আবার।

  • কথান্ত    - পুজা মিত্র ( রানাঘাট)

        কথান্ত                    - পুজা মিত্র ( রানাঘাট) অতঃপর আমাদের সমস্ত কথা ফুরালো বসন্তের শেষে যেমন গ্রীষ্ম আসে দিনের শেষে রাত তেমনি কথার পরে কথারা যে আসতেই থাকবে এমন কোন অনিবার্যতা নেই বোধহয় তাই পাশাপাশি চলতে চলতে অকস্মাৎ ফুরিয়ে যায় পথ হাতে হাত রাখা থাকলেও অসাবধানতায় স্পর্শের আয়ু মেয়াদ পার করে ফেলে নিম্নমধ্যবিত্ত ঘরের বাড়ন্ত হাড়ির মত নিঃশেষিত হয় প্রেম  তাকে আটকে রাখার উপায় জানা থাকে না আমাদের সমস্ত কথা ফুরিয়েছে তাই এ জন্মের মত অচেনা আমরা আগন্তুক সেই প্রথম দিনের মতই যেখানে পরিচয়ই নেই সেখানে শুভেচ্ছার বিনিময় অনর্থক শব্দখরচ হয়ে ওঠে জেনো সমস্ত সম্পর্কের মত আমাদেরটিও সমস্ত কথা হারিয়ে মূক আজ,বধিরও  ।

  • ************* ঐচ্ছিক ************* .- -দিলীপ তলয়ার

    ঐচ্ছিক -দিলীপ তলয়ার   আমি সব পারি। আমার কাছে কোনো ফিক্সড ইনকাম, শেষ বয়সের ভরসা এন্ড অল দ্যাট বোগাস থিংস...আই ডোন্ট বদার, ইউ নো ? কিন্তু জীবন সুরক্ষিত হওয়াই কাম্য, তাই না অরিত্র ? নট এট অল!ইন দ্যাট রেসপেক্ট। সোজাসাপ্টা হও না কেন। বাঁচো কিন্তু লড়াই করে। লড়াই করে এবং কৌশলে। হাত পা আছে, মাথা বুদ্ধি আছে, চোখ আছে আর বাজার আছে। বাজার থাকলে পণ্য আছে। সেল পারচেজ আছে। এনিথিং ইউ ক্যান সেল এন্ড বাই।  দেন? দেন ইউ অয়াচ অনলি বিদি, আই মিন বিদিশা, বিদিশা সিরকার!   হ্যাঁ,সব পারে। অরিত্র সব পারে। ইনকামটা ওর কাছে একটা গেম। একটা  ফানি রেস। ঠিক ঠিক বয়সে ভালো একটা চাকরী পেতে হবে। ভালো একটা বাড়ি বানাতে হবে। রুটিন করে দিনযাপনের সব কটা স্টেপ নির্মাণ করতে হবে ও ফলো করতে হবে। ঘর গেরস্থালি কুটুম সাপ্তাহিক ছুটি কাটানো ট্যুর আর নিয়ম করে হাসি আর সেই হাসির ছবি জোর করে ক্যামেরা ভরানো। উফ হাঁপিয়ে ওঠা । এও কি আজকের দিনে বাস্তব ? অরিত্র যা পারে তা নিয়ে ওর মধ্যে কোনো দ্বিধা দ্বন্দ্ব নেই, পরিবর্তে আছে অফুরান প্রাণশক্তি আর উচ্ছল ঢেউ এর মতো জীবন্ত আর স্বপ্নময়...জীবন। জীবন-বিদ্যা ...  দেন ? দেন প্লিজ স্টে উইথ মি বিদিশা। স্টে এ্যাজ এ ফ্রেন্ড এন্ড বি সুপার ডুপার জুটি। উই স্যাল অভারকাম...! আট বছর। আট বছর শেষ করে নয় এ পা। অরিত্র-বিদিশা এখন বেশ আছে। বিনি চাকরির অরিত্র দুম করে বিদিশাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। ঠিক বিয়ের মত নয়... এক সঙ্গে থাকা। ঘর করা। টাফ জগতটার সঙ্গে বুল ফাইটে পুরো রিঙের মধ্যে ঢুকে পড়া। তো সেরকমই বিয়ের পর কিছুদিন আনন্দ করে কাটানোর পর এক জানুয়ারীর প্রথম দিনে রক্সি মোড়ের কাছে বড় একটা ঘর ভাড়া নিয়ে বাড়ি ছেড়ে আসে ওরা। এত রাতে কোথায় যাও ? রাতের গভীরতা মাপতে নেই মানে ? রাত আড়াইটা বাজে। আজকাল এত রাতে কেউ বের হয়? কাজ থাকলে বের হয়। রুগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়। এমার্জেন্সি কাজগুলো কি শুধু দিনেই হয় ? এখন আবার কী এমন কাজ অরি? এমার্জেন্সি ? কিসের ? আছে আছে। দাস বাড়ির বড় বুড়ি ট্রেন ধরবে। তো ! ওকে রেখে আসতে যাচ্ছি। মনে নেই বড় বুড়ির বাবা আর কাকা তোমাকে কেমন ভাবে অপমান করেছিলো ! শোনো ওদের কাজ নেই। সক্ষমও কেউ নেই। ঐ মেয়েটা ছাড়া। দাসবাবু অসুস্থ । যখন ভালো ছিলো তখন আমাকে ঐ একটা ব্যাপারে দু’কথা শুনিয়েছে ঠিকই কিন্তু মেয়েটার রোজগারেই যে সংসারটা চলছে  আর বুড়ির মা একা। কি করবে? দিশেহারা পরিবার একটা । আসলেই অকেজো। হুঁ  বুড়ি সকালে বলেছিলো ... জেঠু তুমি যে বাড়িতে থাকো না, ওদের না একটা গাড়ি আছে ! তুমি বললে কি ড্রাইভার দিয়ে আমাকে স্টেশনে ছেড়ে আসবে ? ডাউন সামার এক্সপ্রেশ। রাত্রিবেলা? অন্য গাড়িতে টিকিট পাইনি তো... তাই। যা নেবে আমি দেবো জেঠু । আমাকে অফিসে যেতেই হবে। রাত কিন্তু বেশিই। তোমাকে ভাবতে হবে না। আমি ভাবি না কিন্তু তোমার আর বুড়ির নিরাপত্তা নিয়ে ভাবনা যে এমনি এমনি চলে আসে।  মেয়েটাকে তো যেতে হবে ! না কি ?  অরিত্র স্কুটার বের করে। মাঝরাতে পাড়াটা বিকট আওয়াজে কেঁপে ওঠে। মনের মধ্যে উথাল পাথাল ভয়-ঢেউ ভাঙতে থাকে বিদিশার। অরিত্র বরাবর অন্য রকমের। ওর কথায় - জগত কাঁপিয়ে দাপিয়ে বেড়াব। কথাটা কি বীরত্বের নয়? কিন্তু এ জগত যে বড়ই দিশেহারা করে রাখে সবাইকে। বীর-পুঙ্গব তারাই যারা মাথায় ছাতা পায়। বল পায়। আশীব্বাদ পায়। ভাগ পায়। অরিত্রর এসব কিচ্ছু নেই। শুধু অংক আর চোখ ভরা স্বপ্ন।    চাকরী নেই ব্যাবসা নেই স্থির আয়ও নেই কিন্তু সংসার চলছে। ভালোই আছে ওরা। সব পারে অরিত্র, সব। কোনো কাজে লজ্জা নেই, না নেই, আমতা আমতা করে না। স্পষ্ট দরদাম করে নেয়। কী পারে না আর কীই বা পারেনি, করেনি ! এই তো সেদিন ডি বি এল খুলতেই ভোর থাকতে মানে রাত থাকতেই কোথায় যে বের হল সকাল আটটায় বার’শ টাকা আয় করে নিয়ে এলো। কি না কাগজ বিক্রী... ডিটেলে যখন শুনলো তখন ক্লীয়ার... এই দুলু কোথায় যাচ্ছিস?  বছর আঠারোর এক যুবক। গরিব। ছেলেটার একটা হাত একটু ছোটো আর তাতে কোনো স্বাভাবিকতা নেই, হাতটা দুলে দুলে চলে। ঐ জন্য ওর নাম দুলু কিন্তু আসল নাম মুকুন্দ। মুকুন্দ বাতাসি। ওর বাবা নেই এখন থেকে তিন চৈত্র আগে একবার রাণীবাঁধের মেলায় শোলার পুতুল,চরকি–পাখি,তালপাতার সেপাই আর পাটের ফেঁসুয়া আঠা দিয়ে লাগানো কেশরের নকল ঘোড়া বিক্রী করতে করতে হার্ট ফেল করে মারা গেছে। ওর মা মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে। তো দুলুকে মোক্ষম সময়ে মোড়ের মাথায় পেয়ে অরিত্র ডাকে- এই দুলু কোথায় যাস? কাজ করবি? মেলা টাকা হবে। কী কাজ? কোম্পানী খুলেছে? হ তো তো! সব অফিসার বাবুরা আজই দেশের বাড়ি থেকে উড়ে উড়ে আসবে। ডিউটি শুরু। কাজ শুরু। তুইও পাখির মতো কাগজের ডানা ঝাপ্টে বারান্দা-ব্যাল্কনিতে উড়ে বেড়াবি আর গলা ফাটাবি। কগজ বিক্রী করবি, পয়সা হবে... দুলু রাজি হয়। মাথা নেড়ে সায় দেয়।  এই নে সাইকেল। ও দিয়া কি হবি? কোম্পানীর মেন গেট দিয়ে ঢুকবি। হ নতুন বিল্ডিং এর দোতলায় সব ঘরে ঘরে কাগজ দিবি আর নগদ নিবি, পারবি না? পারুম গিয়া। এখন পাঁচটা তেইশ। কাগজ হাতে আছে। এই নে বিস্কুট আর চায়ের পয়সা। দোড় দে। এত? চার’শ। চার রকম। সব কাগজের দাম তো জানিস? হ সে তুই দুনিয়ার সব জানিস, আমি জানি। যা। তোর কামাই হবে আমারও...  দুলু ঠিক সকাল সাতটা চল্লিশেই সাইকেল আর কুড়িটা বিক্রী না হওয়া কাগজ ফেরত দিয়ে নিজের কমিশন বাবদ এক’শ কুড়ি টাকা বুক পকেটে গুঁজে দে ছুট। অরিত্র সাত সকালেই বিদিশার হাতে বারো’শ টাকা ধরিয়ে বাথরুমে যায়।          ট্রেন এসে থেমে ছিল? তাড়াতাড়ি চলে এলে যেন! হ্যাঁ, দশ মিনিট আগেই ট্রেন ঢুকেছে। রাস্তায় সব ঠিক ছিল? হ্যা রে বাবা। ভীতু...তুমি খুব ভীতু। নাও নতুন করে শোও। বুড়ির কাছে ভাড়া নিয়েছ আবার নাকি ? কিসের? স্কুটারের তেলের? নো। বুড়ির কাছে নেব কেন? সমাজসেবা করেছি। ইস রে! কথাটা তিযর্কতায় বের হলেও বিদিশার গবির্ত ভাবটাও ছিল।   তবে ফেরার সময় এক ব্যাগওয়ালা মাঝবয়সী প্যাসেঞ্জারকে তুলে ঢিবুর আইল্যান্ডে নামিয়েছি। জোর করে দশ টাকা দিয়েছে।  সেই বলো। তো! আচ্ছা কাল তাহলে সক্কাল সক্কাল কাজ নেই তো কোনো? না। একদম দুপুরে। দুপুরে বায়না আছে। কিসের গো! রসের। হোয়াট? রস্বাদনের। কিছুই বুঝলাম না। কাল বায়না। ইউ পি এস হয়েছে। এবার কম্পুটার টেবিল হবে। কালই হবে। সামনের সপ্তাহেই মনিটর অথবা সি পি ইউ। কোন কাজের বায়না গো বল না... সুবিদা ডেকেছেন। গ্যালারী খুঁজে দিতে হবে না কি যেন একটা ঐরকমের কাজ আর কি ফোনে সবটা শোনা হয়নি। ও!  রাত তিনটে চল্লিশ। তারা গোনো। ঘুম যাও। স্বপ্ন দ্যাখো। স্বপ্নে আকাশ আর বাড়িঘর...কী বোর্ড মাউস... দেন ক্লীকিং দ্য পাজলস, কঙ্কোয়ারিং দ্য ড্যাফোডিলস...   আরিত্রকে সুবিমলদা ডেকে পাঠিয়েছিলেন। গ্যালারী গ্যালারী কথাটাও এক লাইন হয়েছিল। সবটা শোনা হয়নি। কাজটা নাকি একমাত্র অরিত্রই পারবে। সুবিমলদা বলছিলেন। তবে সুবিমলদার মত দিলদরিয়া মানুষ ডাকলে সত্যি সত্যি মনে বান ডেকে ওঠে। অনেক কিছু একসঙ্গে মনে পড়ে যায় ওর। ... এক সময় কি না সঙ্গ দিয়েছি আমরা ক’জন। যেমন ব্যক্তিত্ব তেমন গুণপনা, পান্ডিত্ব আর রসবোধ। তার ওপরে রাইটার প্রডিউসার...। সুবিদা আমাকে ডেকেছিলেন যে... এসেছি... কথাটা গ্রীলের বারান্দায় পা রাখতে না রাখতেই একটু উঁচু স্বরে বলে ওঠে অরিত্র... ইয়েস ম্যান... তোমাকেই চাই। ঘরে ঢোকা মাত্র অরিত্র দেখতে পায় সামনের সোফায় এবং চেয়ারে বেশ ক’জন বসে। চেনা নয়। বাইরের...কারা হতে পারে! কাম ইন অরিত্র। এসো । বসো । আগে পরিচয় করিয়ে দিই বরং। তোমার সামনে তিনজন ম্যাডাম ইনি সুস্মিতা আইল পাশে রনীতা পূরবে, দিশা সিরকার, এই যে প্রফেসর রায় আর মি. ওয়েজির।  অরিত্র সবাইকে হাত জোড় করে নমস্কার করে, আমি অরিত্র সেনরায়। সামনেই থাকি।  ওহ ফাইন! মাঝখান থেকে দিশা নামের ভদ্রমহিলাটি বলে উঠলেন।  হ্যাঁ আপনারা সবাই গুণী ব্যাক্তি...সবাই আজ এভাবেই  পরিচিত হলাম তাহ’লে... কিন্তু আমাকে কেন ডাকলেন দাদা? সুবিদার দিকে মুখ রেখে অরিত্র জিজ্ঞাসা করে। শোনো অরিত্র, ইনারা আমাদের শহরে একটা আর্টের কর্মশালা কাম একজিবিশন করতে চাইছেন। তিনদিন। তোমাকে গ্যালারি এন্ড এভরিথিং ম্যানেজ করে নামিয়ে দিতে হবে। আপনি বলছেন তাহলে তো করতেই হবে। হ্যাঁ তোমাকেই চাই। ঠিক আছে দাদা। বাজেট বলে যাও... এখনই বলতে পারছি না দাদা, বিকেলে হবে সে সব। আমি একটু সময় নিলাম আর কি। ও কে... সবার মুখেই হাসির ঝিলিক। অরিত্র গুছি মোড়ের সামনের ইনডোর টি টি হল বুক করে যাবতীয় আয়োজন করে। ভেবেছিল তিন-সাড়ে তিন হাজার হবে হয়তো। সুবিদা চাইলে কিছু মাইনাস হয়ে গেলেও ঐ তিন তো থাকবে! কিন্তু মিরাকেল হয়েছে। মি. ওয়েজার এবং দিশা ম্যাডামের বদান্যতায় পাঁচ হাজার হয়ে গেল। প্লাস ফেরার টিকিট ইত্যাদি থেকেও কিছু। নাও পাঁচ। পুরো পাঁচ হাজার। টেবিল কিনতে যাব বিকেলে।  ইরিব্বাস! বিদিশা নাচতে থাকে। ওটা কিনেও যত টাকা বাঁচবে তা দিয়ে? কিছু আগের ফান্ড থেকে মিশিয়ে এ মাসের ভাড়াটা মিটিয়ে দাও। তারপর দেখছি। পারেও ভাই লোকটা! কি অদ্ভুত ক্ষমতা! উফ... তারা গোনো। ঘুম যাও। স্বপ্ন দ্যাখো। স্বপ্নে আকাশ আর বাড়িঘর...কী বোর্ড মাউস... দেন ক্লীকিং দ্য পাজলস, কঙ্কোয়ারিং দ্য ড্যাফোডিলস... বিদিশা ঘুম ঘুম কিন্তু অরিত্র জেগে আছে। মাঝে মাঝে মাথার কাছে ডায়েরীটা খুলে আর কোথায় কী কাজ থাকতে পারে একবার করে অংক কষে নিয়ে মিলিয়ে নিচ্ছে আবার বালিশে এলিয়ে পড়ে। মাঝে মাঝে কনুই এর ভরে আধশোয়া হয়ে হাতের কাছে রাখা ভিক্টর হুগোর বিখ্যাত একটা উপন্যাসের ভাঁজ করে রাখা পাতা মেলে নীরবে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছে। আহঃ কি জীবন কি দুঃখময় আনন্দ যাপন! তারা গুনতে গুনতে ঘুম হয় নাকি ভোর হয়। পাখি ডাকে। বিদিশার মাথার মধ্যে ড্যাফোডিল জ্বলে আর নেভে। বেজে ওঠে। গান হয়। বাঁশী হয়। মেঘে মেঘে রোদ্দুর ওঠে!   ১০.২০১৬

  • দ্বিতীয়বার বাবা হয়েছেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী।

    ডেস্কঃ (I.D). ১২ মার্চ ২০১৮ঃ- টলি পাড়ায় এল আরও এক খুশির খবর। দ্বিতীয়বার বাবা হয়েছেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। ২০১২ সালে তনয়ার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। এরপর ২০১৬ সালে তনয়ার কোলে আসে তাঁদের প্রথম পুত্র সন্তান। নাম রাখেন সাঁঝ চক্রবর্তী।   শুক্রবার দ্বিতীয়বারের জন্য সোহমের পরিবারে আসে খুশির খবর। এবারও ফের পুত্র সন্তানেরই বাবা হয়েছেন সোহম। তবে এবার তিনি কী নাম রাখতে চলেছেন তা এখনও জানা যায় নি। শিশু শিল্পী হিসাবেই প্রথম অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন সোহম। তখন তাঁকে সকলে মাস্টার বিট্টু বলেই চিনত। তারপর পরবর্তীকালে অভিনয়কেই নিজের পেশা হিসাবে বেছে নেন। 'প্রেম আমার', 'বোঝে না সে বোঝে না ',  'অমানুষ ',  'শুধু তোমারি জন্য ' সহ অসংখ্য ছবিতে কাজ করেছেন তিনি।

  • মালদার বাঙালি ছেলের হাত ধরে ভারতের সর্বপ্রথম সোশ্যাল নেটওয়ার্ক: jiodost

    ডেস্ক ঃ বর্তমানে বিদেশি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক যেমন-ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটস এয়াপ ইত্যাদি সারা ভারতে দারুন ভাবে বাজিমাত করছে। এতে প্রচুর ফেক আইডিও ভাইরাল হয়ে উঠেছে। এতে ইউজারের নিরাপত্তা নষ্ট হয়ে পড়ে। মানুষ বর্তমানে নিরাপত্তার খোঁজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।এই দুর্বলতাকে ভিত্তি করে মালদহের এক পল্লীগ্রামে মোথাবাড়ির মানস কুমার, সামীম আব্বাস, আনওয়ার হোসেন, বাপন এন্ড গ্ৰপ, ওয়াসিম, আরও কিছু লোকের সহযোগিতায় ভারতের সর্ব প্রথম সোশ্যাল নেটওয়ার্ক jiodost.com এর উদ্ভব হয়েছে । এতে ইউজারের নিরপত্তা রয়েছে। তাছাড়াও এর মাধ্যমে chatting, audio-video call, file transfer, online shopping, points earning ইত্যাদি করা যাবে।

  • ভাঙছে সুপারস্টারের দ্বিতীয় বিয়েও

    ডেস্কঃ(I.D).০৮ মার্চ ২০১৮ঃ- ভাঙছে সুপারস্টারের দ্বিতীয় বিয়েও,যে কোনও সময় বন্ধনহীন হয়ে যেতে পারে সাতপাকের বাঁধনগুলো। শুধু স্ত্রী-র উপরই নয়, বলিউডের এই সুপারস্টার নাকি তাঁর সন্তানকেও ভুলতে বসেছেন। এক সহকর্মীর প্রেমে পড়েছেন এই সুপারস্টার। শুটিংয়ের সময় নাকি মাঝে মধ্যেই ওই মহিলা সহকর্মীর বাড়িতে চলে যেতেন তিনি। ফলে, মাঝে মধ্যেই একসঙ্গে বেপাত্তা হয়ে যেতেন তাঁরা। বিষয়টি জানাজানি হতেই চটে যান ওই সুপারস্টারের স্ত্রী। শুরু হয় অশান্তি। এরপর থেকেই স্ত্রী এবং সন্তানের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে তাঁর। জানা যাচ্ছে, মুম্বইতে ভাড়া বাড়ি ছেড়ে সুপারস্টারের বান্ধবী নাকি এখন তাঁর বাবা-মায়ের বাড়িতে রয়েছেন। এবং সেখানেই নাকি যাতায়াত করছেন ওই জনপ্রিয় অভিনেতা। বিষয়টি নিয়ে প্রথম ঢাক গুড়গুড় শুরু হলেও, বর্তমানে ওই সুপারস্টার বেশ খোলাখুলি তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে। শোনা যাচ্ছে, বেশিদিন আর টিকবে না সুপারস্টারের ঘর, সংসার। বাঁধন তো আলাদা হয়েছেই, এবার শুধু ছাদ আলাদা হওয়ার পালা বলে শোনা যাচ্ছে।

  • আমি মন বলছি

    আমি মন বলছি শিপ্রা মুখার্জি , বিষ্নুপুর, বাঁকুড়া জীবন থেকে সব কিছু কেমন যেন হারিয়ে যাচ্ছে। ইচ্ছা করলেই আর আগের মত করে ভাবতে পারি না। কেমন যেন অপারগতা           আর ভয় চার দিক থেকে     আমাকে ঘিরে রেখেছে। কেমন যেন পরিচিত পথ গুলোও অচেনা লাগে মাঝে মাঝে এই অচেনা পথে এদিক ওদিক ছুটে বেড়াই আমি । ফেরারি কিছু স্বপ্নের পিছনে ছুটে বেড়াচ্ছি আমি মাঝে মাঝে ক্লান্ত হই আমি আমার কাছে । কিছু পাওয়ার এক তীব্র বাসনা আমাকে নতুন করে পথ চলতে সাহায্য করে । কিন্তু এভাবে আর কত দিন আর কতটা সময় এই স্বপ্ন পূরণের পিছনে আমি ছুটে বেড়াব। আদৌ কি আমি পাবো আমার অপেক্ষিত সেই স্বপ্নের দেখা ?? না! আর কাঁদতে পারছি না, ক্লান্ত শ্রান্ত শরীরে যেমন কাজ করা যায় না, তেমনি ক্লান্ত মন কাঁদতে ও চায় না, আজ যে আমি ক্লান্ত। থমকে গেছি হঠাত্ করে, সব কিছু থেমে গেছে, শুধু অশ্রু ধারা ছাড়া । ওরা থামতেই চায় না, আমাকে কাঁদাতে ভালোবাসে, তার মতো ঘড়ির কাঁটা ও যেনো থেমে আছে, তবে হ‍্যাঁ আরেকজন চলছে, আমার হৃদপিন্ড, প্রতি মুহুর্তে ঢিব্ ঢিব্ শব্দ করে জানিয়ে দিচ্ছে যে, আমি এখনো বেঁচে আছি ।

  • গ্রহণ

    গ্রহণ দিলীপ তলয়ার সাতসমুদ্র তেরোনদী আর বাহান্নটা নমুনা পাথর নিয়ে জীবন কারো কথাই যখন সত্যি হয়না তখন আকাশে চোখ রাখি সমুদ্র গর্জন করে নদীগুলো পার্বনের ফুল ও গান গ্রহণ করে পাথরের চারদিকে আমাদের লোক থাকে...কুড়িয়ে নেয় টুকরো। ০৫.০৯.২০১৭

  • কবিতা মা

    মা   অপর্না চক্রবর্তী ,মালদা মা ....এই মা ডাকে কি আছে? ওই মা ডাকে কি জাদু আছে? মা ডাক ডেকেও যেমন আনন্দ, মা ডাক শুনেও তেমন আনন্দ।               জনমেও ডাকি মাকে মরনেও ডাকি মাকে             ভয় পেলেও ডাকি মাকে, ব্যাথা পেলেও ডাকি মাকে।           কেন ডাকি?         কিসের জন্য ডাকি?       কেউতো বলে দেয়না-     তাহলে ?...............কেন ডাকি?    আসলে ঐ সময় চিৎকার করে-   একটাই ডাক ডাকতে ইচ্ছা করে মা---- মা হল জীবনের গতি , মা হল প্রেরনা, মা দিয়ে জীবনের শুরু,মা দিয়ে জীবনের শেষ।  মা ছাড়া কোন কিছুই হয় না।   সবকিছু থাকলেও যেন মনে হয়-     কি একটা নেই।       মা মানে হাজার বিপদ থেকে সন্তানদের বাঁচানো,          মা মানে অভাবের সংসারে-              একমুঠো অন্ন নিজে না খেয়ে সন্তানদের মুখে তুলে দেওয়া, মা মানে হাজার যন্ত্রণা সয়েও ঘরের কোনে গুমরে কাঁদা। মায়ের কোন বিকল্প হয় না,মায়েয় কোন তুলনা হয়না এই স্বর্থপর পৃথিবীতে কেউ কারো না। একমাত্র মা-ই বুঝতে পারে সন্তানের ব্যাথা একমাত্র মা-ই পারে স্নেহের আঁচল দিয়ে সন্তানদের হাজার দূর্জোগ থেকে বাঁচিয়ে রাখতে। আর যাদের মা নেই তাদের উদ্দেশ্যে বলি ভগবান এমন একটা পৃথিবি দাও- যেন মায়ের আঁচলের মতো----

  • কবিতা হে ধরণী

    হে ধরণী অপর্না চক্রবর্তী ,মালদা   হে ধরণী আমি যদি হতে পারতাম তোমার বুকে একফোঁটা শিশির বিন্দু শান্ত স্নিগ্ধ হয়ে যেত আমার হৃদয়টা হে ধরণী আমি যদি হতে পারতাম তোমার বুকে সবুজ বনানী ঝোড় হাওয়া হয়ে বইয়ে যেতাম। আমি যদি হতে পারতাম তোমার আকাশে এক ফালি চাঁদ- তোমার আঙিনা আলোয় আলোয় ভরিয়ে দিতাম আমি যদি হতে পারতাম তোমার বুকে একরাশ কালো মেঘ- বৃষ্টি হয়ে ঝড়ে যেতাম। হে ধরণী আমি যদি হতে পারতাম তোমার আকাশে ডানা মেলে ওড়া ছোট্ট একটা পাখি হয়তো তার জীবনে কোন দাম নেই, যখন তখন কেউ কেড়ে নিতে পারে- তার নিস্পাপ প্রানটা। তবুও ছিল অনেক ভালো। আমি যদি হতে পারতাম তোমার বুকে নরকের কীট তবুও ছিল অনেক শ্রেয়। হে ধরণী আমি যদি পরজন্মে তোমার বুকে কোনোদিন ফিরে আসি মানুষ হয়ে যাতে জন্মগ্রহন না করি, এ যে বড় লজ্জার। তোমার দুনিয়া ভরে গেছে মানুষে মানুষে লড়াই হিংসা বিবাদ নোংরা রাজনীতি আর সার্থসিদ্ধির প্রতিযোগিতা। হে ধরণী কবে আসবে সেই সুদিন? কবে আসবে সেই বিনয় বাদল দিনেশ আর নেতাজীর সেই যুগ? আগামী দিনের সমাজ যেদিন তুলে ফেলবে ওই নোংরা আগাছার মূল।

  • একুশ আমার একুশ

    ডেস্ক ঃ(I.D)২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ঃ-  একুশ আমার একুশ মালদার বনি আদর্শ প্রকাশনীর প্রকাশিত কবিতার বইটি দুই বাংলার কবি সাহিত্যদের মধ্যে যথেষ্ট প্রশংসা পেয়ে চলেছে।এই বইএর সব কয়টি কবিতায় কবি আব্দুস সামাদের সুরটিত কবিতা।সুন্দর অক্ষর বিন্যাস ঝকঝকে ছাপানো বইএর প্রচ্ছদ দেখলে ২১ ফেব্রুয়ারী দিন্তির কথা সারা বছর ধরে মনে করিয়ে দেয়।  "এ অমর একুশের", 'এই একুশের ভাষা', "এই একুশের দশ খ্যাতি যশ", "একুশে শহীদ একুশে শহীদ" এই কবিতাগুলো যে কবির লেখাটা ও চিন্তাশক্তি মানসিকতার পরিচয় দেয় তেমনটা কবির দুরদর্শিতার ও প্রশংসা রাখে। বইটি সর্বত্র পাওয়া যাচ্ছে। দাম মাত্র ২০ টাকা।

  • বাজারে সব থেকে দ্রুতগামী ব্যাটারিচালিত স্কুটার

    ডেস্ক ঃ  পিছনের চাকায় সিঙ্গল ব্রেক। সঙ্গে রয়েছে এলইডি হেডল্যাম্প। ফুল ডিজিটাল ইনফরমেশন ক্লাস্টার। না কোনও সুপারবাইক নয়। এই স্পেসিফিকেশন একটি স্কুটারের। তাও আবার ব্যাটারিচালিত।  মঙ্গলবার ভারতের বাজারে তাদের দ্বিতীয় স্কুটার লঞ্চ করেছেন জাপানি সংস্থা ওকিনাওয়া। দিল্লিতে ৫৯,৮৮৯ টাকা এক্স - শোরুম দামে মিলবে 'প্রেইস' নামে এই স্কুটার। ব্যাটারিচালিত এই স্কুটার গতি ও ফিচারে টক্কর দিতে পারে যে কোনও জ্বালানিচালিত স্কুটারকে।  ওকিনাওয়ার দাবি, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৫ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে এই স্কুটার। ব্যাটারিচালিত স্কুটারের শ্রেণিতে ভারতে যা সর্বোচ্চ। স্কুটারটিতে রয়েছে ১০০০ ওয়াটের ব্রাশলেস  ডিসি মোটর। একবার চার্জে ১৭০-২০০ কিলোমিটার ছুটতে পারে এই স্কুটার। একবার চার্জ হতে সময় লাগে মাত্র ২ ঘণ্টা। সামনের চাকায় রয়েছে ডাবল ডিস ব্রেক। পিছনের চাকায় রয়েছে সিঙ্গল ডিস ব্রেক।  সামনে রয়েছে ডাবল টেলিস্কোপিক সাসপেনশন। রয়েছে এলইডি হেডল্যাম্প ও সিটি লাইট। রয়েছে ইলেক্ট্রনিক অ্যাসিস্ট্যান্ট পার্কিং সিস্টেম।