সবার জন্য


  • নিয়মিত সেক্স-এ ওজন হুড়মুড়িয়ে বাড়ে,জেনে নিন

    newsbazar24: জীবনে ভাল থাকতে সুস্থ সেক্স-এর বিকল্প খুব কমই আছে ! বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়মিত যৌনতায় হৃদযন্ত্র ভাল থাকে, রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখে, ঘুমের সমস্যা থাকে না! শুধু শরীর নয়, মনও থাকে ফুরফুরে! আর ওজন? এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মত দু’রকম! একাংশের দাবি– নিয়মিত সেক্স-এ ওজন হুড়মুড়িয়ে বাড়ে, একাংশ বলছেন, নিয়মিত যৌনতায় ওজন কমে!সেক্স-এর সময় ইসট্রোজেন, প্রোজেস্টেরনের মতো সেক্স হরমোনের অস্থিতিশীলতা দেহের ওজন বাড়ায়।একাধিক পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, সেক্স-এর পর চূড়ান্ত খিদে পায় ! ফলে বেশি খাওয়া হয়ে যায়! সুযোগ পেয়ে ওজনও বাড়ে চড়চড়িয়ে !অন্যদিকে, বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, সেক্স দেহের অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরিয়ে দেয়! প্রতি আধ ঘণ্টা সেক্স-এ ১০০ থেকে ৩০০ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরে যায়।অনেক সময় সেক্স পোজিশনের উপরও ওজন নির্ভর করে! কেউ যদি নিজে শান্ত থাকেন, যাবতীয় কসরৎ তার পার্টনার করে যান, তাহলে নিঃসন্দহে তাঁর ক্যালোরি ক্ষয় হবে না! ওজনও কমবে না!

  • গরমে ঠান্ডা থাকার উপায়, জেনে নিন-

    newsbazar24 : তাপমাত্রার পারদ যে ভাবে বাড়ছে তাতে এই আলোচনা খুবই স্বাভাবিক।  বাঙলা ও বাঙালি চায়ের কাপে তুফান তুলবে না, তা হয় না।  কিন্তু তাপমাত্রা যখন ৪০ পেরিয়ে ৪২ এর দিকে যাচ্ছে তখন চায়ের প্রতিও আসছে অনীহা।  আবার রবিবারের বাজারের ব্যাগে মাটনটাও এখন বাদ দিতে হচ্ছে।  তাহলে উপায়! ভোজন রসিক বাঙালি কি তাহলে এখন উপোসি থাকবে? একেবারেই নয়, বরং বেছে নিন এমন কিছু খাবার এবং পানীয়, যাতে আপনার স্বাদকোরকেও তৃপ্তি থাকে, আবার যে পরিমাণ ঘামছেন, তাতে কাহিলও না হয়ে পড়েন।তরমুজ কিনে নিন, এতে থাকা ৯২ শতাংশ জল আপনার ডিহাইড্রেশন কমাতে সাহায্য করবে।  এদিকে পেটও ভরা থাকছে, তাই ভাজাভাজি খাবারের প্রতিও নজর কম যাবে, আপনার ওজনও থাকবে আয়ত্তে।  লো ব্লাড প্রেশারের সমস্যা, কার্ডিও ভাসকুলার ডিসিজ় বা হার্টের সমস্যা থাকলে, তরমুজের ভিটামিন আপনাকে তরতাজা রাখবে এই গরমেও।  ফলে যে পরিমাণ ঘেমে নেয়ে একশা হচ্ছেন আপনি, তাতে শরীরের যতটা সোডিয়াম বেরিয়ে যাচ্ছে তার রিকভারির দায়িত্ব নিচ্ছে তরমুজ।টোম্যাটোটোম্যাটোর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপেন, ভিটামিন সি, জলীয় পদার্থ আপনাকে এই গরমে কী কী সুবিধা দেয় আপনার জানা নেই।  প্রথমত আপনি জলীয় পদার্থতে পেট ভরালে বেশি ক্যালোরি খরচ হচ্ছে না তা হজম করতে, দ্বিতীয়ত লাইকোপেন আপনার স্কিনের উপরে আল্ট্রাভায়োলেট রে-র যে ক্ষতিকর প্রভাব তাকে আটকায়, তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যাওয়া আটকে দেয়।  আপনার স্মৃতিশক্তি প্রখর করে, হার্টের অসুখ থেকে সুরাহা দেয়, এমনকি আটকে দিতে পারে স্ট্রোকও।  সকলেই জানি ভিটামিন সি ঠাণ্ডা লাগতে দেয় না।  আর এই ঘেমে নেয়ে থাকায় আমরা বারবার সর্দি গর্মিতে ভুগি।  সেটা থেকে প্রোটেক্ট করে টোম্যাটো।শশা খেয়ে তো আপনি ওজন কমান, কেন জানেন? শশায় থাকে ৯৫ শতাংশ জল! আর শশার ফাইবার যে আপনার কন্স্টিপেশন কমায় সেটা জানেন তো? কাজেই সিস্টেম ক্লিয়ার থাকাটা এই গরমে খুবি জরুরি।  সঙ্গে পেট ভরা ভাব আর ৯৫ শতাংশ জল হওয়ায় গরমে সহজেই শরীরের ভিতরের কলকব্জা ঠাণ্ডা থাকছে।  যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  তাই টুকটাক মুখ চালাতে খেয়ে নিন শশা।ব্লু বেরি, ব্ল্যাকবেরি বা স্ট্রবেরি খেতে তো দিব্যি লাগে।  জানেন কি, এতে আছে প্রচুর ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।  যা আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, খিদে কমায়, শরীরের যে কোনও ক্ষত সারিয়ে দেয় সহজেই।  এই গরমে আপনাকে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচায় এই বেরিগুলোই।  তাই বেরি রাখুন আপনার স্যালাডে, কাসটার্ডে আর গরমে থাকুন ফিট অ্যাণ্ড ফাইন।দই এর চেয়ে ভালো যে আর কিছুই নেই, তা আমি আপনি সকলেই জানি।  দইয়ে থাকে প্রোটিন, ব্যাকটিরিয়া, ভিটামিন, মিনারেলস।  যা আপনার মুড ভালো করার দায়িত্ব নেয়, সঙ্গে শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমায়, প্রয়োজনীয় প্রোটিনও দেয়, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।  তাই এই গরমে ভরসা রাখুন দইয়ে।যখন ঘেমে নেয়ে আপনি ক্লান্ত হন, বুঝবেন শরীরের সোডিয়াম পটাশিয়াম ম্যাগনেশিয়াম বেরিয়ে যাচ্ছে অনেকটাই, তাই আপনি ক্লান্ত।  ডাবের জল খেলে আপনার এই ঘাটতিগুলো সহজেই মিটবে। তাছাড়াও এতে কোনও অ্যাডেড সুগার থাকে না, ফলে ফলের জল থেকে শরীরের প্রয়োজনীয় সুগার আপনি পাচ্ছেন, এছাড়াও পাচ্ছেন এমন কিছু, যা হার্টের স্বাস্থ্য, স্কিনের যত্ন নিচ্ছে।  সঙ্গে  ডায়াবেটিকদের খেয়ালও রাখছে।  আপনার ওজনও থাকছে আয়ত্তে।  তাই চা কফি ভুলে এই গরমে ডুব দিন ডাবের জলেই।দুধের ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি প্রোটিন ৪০-৪২ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও আপনাকে স্বস্তি দেয়।  তাই দুধ শুধুই বাচ্চাদের খাবার ভাববেন না, ভাববেন না এটা জলের থেকে ঘন, তাই এতে কোনও হাইড্রেশনের ব্যবস্থা নেই।  এতে যা কিছু আছে তা আপনার শরীরকে গরমে সমস্যা থেকে দূরেই রাখবে।গরমে ধোঁয়া ওঠা চা আপনার ভালো নাই লাগতে পারে, তবে চাইলে আইসড টি খেতেই পারেন।  যে কোনও ভেষজ চা এই সময়ে আমাদের খুব আরাম দেয়।  এতে শরীরে জলও যায় আবার রিফ্রেশিংও লাগে।  আই এই আইসড টি খেলে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস আর মধু মিশিয়ে নিন।  অনেকটাই রিফ্রেশিং লাগবে।  সারাদিনে দুবার এই চা খান, আর দেখুন শরীর কতটা ঝরঝরে থাকে।  লেবুর গন্ধে আপনি থাকবেন তরতাজা।লেবুর চা তো হল, এবার বলি লেবুর জলের কথা।  ভিটামিন সি-এর উৎস এই লেবুর জল।  ঘন্টার পর ঘন্টা যখন আপনার ঘাম বেরিয়ে আপনি ক্লান্ত , খেয়ে নিন এক গ্লাস লেবুর জল।  পরের কয়েকটা ঘণ্টা থাকবেন ঠাণ্ডা।  রিফ্রেশড থাকতে তাই লেবু আনুন বাড়িতে।এক গ্লাস শশার রস খেয়ে নিতে পারেন, এই গরমে শশায় থাকা নব্বই শতাংশ জলই আপনাকে ঠাণ্ডা রাখবে সারাটাদিন।  সারাদিন তাই হাইড্রেটেড থাকতে, হেল্দি থাকতে শশার রস খেতেই পারেন, মিক্সিতে দিয়ে এত ঝক্কি না করতে চাইলে কাঁচা শশাও যে খেতে পারেন সে তো আগেই বলা হয়েছে,  তাতেও লাভ ছাড়া ক্ষতি নেই।

  • আপনার জন্য হাজির! সজনে ডাটার নতুন রেসেপি

    তাপসী সরকার:  এখন বাজারে সজনে ডাটা পাওয়া যাচ্ছে, তাই আপনার ব্যাগে সজনে থাকা স্বাভাবিক। চলুন শিখে নিন এক নতুন রেসিপি। সজনে ডাটার তরকারি সজনে ডাটা -৫০০গ্রাম আলু-১ টি (খোসা ছাড়ানো ও স্লাইস করে কাটা) পেঁয়াজ -মাঝারি আকারের ১ টি (বাটা) কাঁচা মরিচ-৬-৮ টি ( বাটা) জিরার গুরা- ৩/৪ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া - ৩/৪ চা চামচ সরিষার দানা -১ চা চামচ (বাটা) হলুদের গুঁড়া -১/২ চা চামচ লবন-৩/৪ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ মত তেল-১/৪ কাপ পদ্ধতি : প্রথমে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ বেটে নিন। সজনে ডাটার খোসা ছাড়িয়ে ৩ ইঞ্চি করে কেটে নিন। প্যানে তেল হালকা গরম করে তাতে ডাটা ও সব উপকরণ একসাথে দিয়ে একমিনিট নেড়ে তাতে এক কাপ জল দিয়ে ঢেকে দিয়ে রান্না করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত পানি শুকিয়ে না যায়। এরপর তেল ভেসে না উঠা পর্যন্ত নেড়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। আরো দেড় কাপ জল দিয়ে ৬-৭ মিনিট রান্না করুন। সাদা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

  • চুল কালো করতে কলপের পরিবর্তে ঘরোয়া উপায়, জেনে নিন

    newsbazar24: কলপ ব্যবহারে পরিবর্তে এই ঘরোয়া উপায়গুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। পাকা চুল কালো করার জন্য যারা হেয়ার কালার ব্যবহার করতে চান না তাদের জন্য রয়েছে ঘরোয়া উপায়। এই উপায়গুলো আপনার চুলকে কালো করতে সাহায্য করবে।১) ব্ল্যাক কফি দ্রুত সাদা চুল কালো করতে চাইলে ব্ল্যাক কফি অতুলনীয়। তরল ব্ল্যাক কফি দিয়ে চুলের গোঁড়া থেকে আগা পর্যন্ত ধুয়ে নিন। এটি স্থায়ীভাবে চুল কালো না করলেও কিছু সময়ের জন্য চুল কালো করবে।৩। পেঁয়াজ এবং লেবুর রস তিন চা চামচ পেঁয়াজের রস এবং দুই চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে তালুতে ভাল করে লাগান। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার ব্যবহার করুন। শরীরে ভিটামিন এ, জিঙ্ক ও কপারের অভাব চুলকে প্রভাবিত করে। মেলানিন কমে যাওয়ায় চুলের রং কালো থেকে ধূসর বা সাদা হওয়ার দিকে ঝোঁকে। অকালে চুল পেকে গেলে অনেকেই অবসাদে ভোগেন। কালো চুল রং হারিয়ে তার সৌন্দর্যও হারায়। তাই সহজ এই ঘরোয়া উপায় জানা থাকলে পাকা চুলের হাত থেকে মুক্তি তো ঘটবেই এবং চুলের কোনও ক্ষতিও হবে না। ২)আমলকি একটি পাত্রে নারকেল তেল নিয়ে এর সঙ্গে শুকনো আমলকি বা আমলকির গুঁড়ো দিয়ে জ্বাল দিন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে এই তেলটি চুলে ব্যবহার করুন। এটি সপ্তাহে একবার বা দুইবার ব্যবহার করুন। এছাড়া এক টেবিল চামচ আমলকির পেস্ট এবং লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি চুলে ভাল করে ম্যাসাজ করুন। পরের দিন শ্যাম্পু করে ফেলুন। 

  • উৎসব,অনুষ্ঠানে মিষ্টি দই বানাবেন জেনে নিন রেশিপি-

    newsbazar24: উৎসব,অনুষ্ঠান বা পুজো পার্বণ হোক,বাঙালি বাড়িতে মিষ্টি দই এক অপরিহার্য অঙ্গ। ঘন দুধের সাথে চিনি গলিয়ে সেটাকে এমনি দই-র মত গেঁজিয়ে বা বসিয়ে তৈরি করা হয় মিষ্টি দই। এই মিষ্টি দেওয়া দইটি বানানো খুবই সোজা। কিন্তু দইটা বসতে সময় লেগে যায় প্রায় ১০-১২ ঘন্টা মত। সরযুক্ত ঘন দুধকে আরও ঘন করে প্রায় শুরু থেকে অর্ধেকে পরিণত করতে হবে। তারপর তাতে মেশাতে হয় গলানো চিনি। এরপর এতে দই মিশিয়ে বসতে দেওয়া হবে ফ্রিজে। এই যে সাদা টক দই এর টক ভাব, তার সাথে গলানো চিনির মিষ্টত্ব, দুটো মিলিয়ে একটা দারুণ স্বাদ নেয় এই পদটি। যদি মনে হয় একবার বাড়িতে চেষ্টা করে দেখবেন, চিন্তার কী আছে! মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। বাঙালি মিষ্টি দই-র প্রণালী। মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। দই কী করে মিষ্ট বানাবেন। মিষ্টি ইয়োগার্টের প্রণালী। মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। বাঙালি মিষ্টি দই-র প্রণালী। মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। দই কী করে মিষ্ট বানাবেন।  দুধ - ৭৫০ মিলি চিনি - ৭ ১/২ টেবিল চামচ জল - ১/৪ কাপ টাটকা দই - ১/২ কাপ বাদাম - সাজানোর জন্য অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ১.একটা গরম প্যানে দুধটা ঢালুন। ২.এরপর এটা ফুটিয়ে অর্ধেক করে দিন। ৩.অন্যদিকে অন্য একটা প্যানে চিনিটা দিন। ৪.হালকা আঁচে নাড়তে থাকুন। ৫.এই নাড়াচাড়া করার মধ্যে মাঝে মাঝে গ্যাসটা বন্ধ করুন, আবার চালান। যাতে চিনিটা নিচে না ধরে যায়। ৬.বারবার এরকম করতে করতে এক সময় দেখবেন চিনিটা পুরো গলে গেছে এবং একটা হালকা বাদামি রঙ ধরবে। ৭.এবার গ্যাসটা পুরো বন্ধ করে জল দিন। ৮.ভাল করে মিশিয়ে একপাশে রেখে দিন। ৯.দুধটা অর্ধেক হয়ে গেলে,এবার এতে এই চিনির শিরাপটা ঢেলে দিন। ১০.ভাল করে মিশিয়ে গ্যাস থেকে নামিয়ে নিন। ১১.ঠাণ্ডা হতে দিন। মোটামুটি উষ্ণ গরম অবস্থায় এলে দেখুন। ১২.এবার টাটকা টক দইটা এর মধ্যে দিয়ে মেশান। ১৩.পরিবেশনের জন্য কেনা ছোট মাটির মটকায় এটা এবার ঢেলে নিন। ১৪.এবার এই মাটির মটকাগুলো অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে মুড়িয়ে দিন। ১৫.১০-১২ ঘন্টার জন্য ফ্রিজে রাখুন। ১৬.পরিবেশনের আগে ফয়েল সরিয়ে ওপরে কুচনো বাদাম দিয়ে সাজিয়ে দিন।

  • নুন করবে বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ, জেনে নিন

    newsbazar24: নুন করবে বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ। ফেংসুই বিদ্যার উপর লেখা একাধিক বই অনুসারে অল্প পরিমাণ সি সল্ট বা সন্ধক লবন কিন্তু বাস্তবিকই আমাদের জীবন বদলে দিতে পারে। আসলে সন্ধক লবনের মধ্যে এমন কিছু শক্তি মজুত রয়েছে, যা আমাদের আশেপাশে উপস্থিত খারাপ শক্তির প্রভাবকে কমাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ সময় কেটে যেতে সময় লাগে না। আর এমনটা যখন হয়, তখন গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। আর ভাগ্য একবার সহায় হয়ে উঠলে অনেক অনেক টাকায় পকেট ভরে উঠতে যে সময় লাগে না, তা তো বালাই বাহুল্য! এখন প্রশ্ন হল ভাগ্য ফেরানোর পাশাপাশি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে কেমনভাবে ব্যবহার করতে হবে সি সল্টকে? ১. এক চামচ নুন টাকার ব্যাগে: এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এক চামচ সি সল্ট নিয়ে একটা প্লাস্টিকে মুড়িয়ে যদি টাকার ব্যাগে রেখে দেওয়া যায়, তাহলে নাকি টাকা-পয়সা সংক্রান্ত নানা ঝামেলা মিটে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে একের পর এক এমন সব সুযোগ আসতে শুরু করে যে অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটতেও সময় লাগবে না। তবে এক্ষেত্রে একটা জিনিস মাথায় রাখাতে হবে, তা হল প্রতি ১০ দিন অন্তর অন্তর নুনটা বদলে ফেলতে হবে। এমনটা করলে দেখবেন আরও বেশি মাত্রায় উপকার মিলবে। ২. গুড লাককে রোজের সঙ্গী বানাতে: একথা তো মানবেন যে ভাগ্য সহায় হলে যে কোনও কাজে সফলতা লাভের সম্ভাবনা যেমন বাড়ে, তেমনি কর্মক্ষেত্রে থেকে রোজকার জীবন, সব ক্ষেত্রেই অফুরন্ত সুখের সন্ধান মেলে। তাই তো বলি বন্ধু, ব্যাড লাক যাতে কোনও মতে আপনার ধারে কাছে ঘেঁষতে না পারে, সেদিকে সদা নজর রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর ঠিক এই কারণেই বাড়ির সদর দরজার সামনে অল্প করে সি সল্ট ফেলে রাখতে হবে। এমনটা করলে খারাপ শক্তি গৃহস্থে যেমন প্রবেশ করতে পারবে না, তেমনি গুড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে উঠবে। ৩. টাকা-পয়সা সংক্রান্ত ঝামেলা মিটে যাক এমনটা যদি চান: ফেংশুই বিশেষজ্ঞদের মতে বাড়ির প্রতিটি কোণায় অল্প করে সি সস্ট রেখে দিলে গৃহস্থে উপস্থিত খারাপ শক্তির প্রভাব কমতে শুরু করে। ফলে কোনও ধরনের খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি পরিবারের কারও কোনও জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার বা হঠাৎ করে অ্যাক্সিডেন্টে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে। শুধু তাই নয়, সি সল্ট বাড়ির প্রতিটি কোণায় পেজেটিভ শক্তির মাত্রাকে বাড়য়ে তোলে, যার প্রভাবে অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। তা হল প্রতি দশ দিন অন্তর অন্তর কিন্তু নুনটা বদলে ফলতে হবে। না হলে তেমন কোনও উপকারই পাবেন না!  ৪. সুখে শান্তিতে থাকতে চান তো: এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতিদিন সি সল্ট মেশানো জল দিয়ে ঘর মুছলে খারাপ সময় কেটে যেতে সময় লাগে না। ফলে হারিয়ে যাওয়া সুখ-শান্তি যেমন নিমেষে ফিরে আসে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রসঙ্গত, এই ঘরোয়া টোটকাটিকে কাজে লাগালে চার দেওয়ালের অন্দরে পজেটিভ শক্তির মাত্রা এতটাই বেড়ে যায় যে নানাবিধ সুফল মিলতে সময় লাগে না। বাকি জীবনটা যদি সুখে-শান্তিতে থাকতে হয়, তাহলে নুন জল দিয়ে ঘর মোছা শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে একেবারে হাতে-নাতে! ৫. একবাটি জলে অল্প নুন: ফেংসুই শাস্ত্রের উপর লেখা একাধিক বই অনুসারে বাড়ার সদর দরজার সামনে অথবা কোনও একটা কোণে যদি ছোট একটা বাটিতে জল নিয়ে তাতে অল্প করে সি সল্ট মিশিয়ে রাখা যায়, তাহলে গৃহস্থের অন্দরে খারাপ শক্তির প্রবেশ আটকে যায়। আর এমনটা হলে খারাপ সময় কেটে যেতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে চোখে পরার মতো।

  • আপনি কি নিমন্ত্রিত ? আগামীকাল শুক্রবার ৪ ঠা বৈশাখ শ্রাবন্তীর তৃতীয় বিয়ে।

    রাজকুমার দাস: ২০০৩ থেকে ২০১৯ এই ১৬ বছরের মধ্যে তৃতীয় বার, ফের একবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন টালিগঞ্জের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়।বিয়ের সময় পাশেই থাকবে শ্রাবন্তীর ছেলে ঝিনুক। উল্লক্ষ্যে, টলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন আগামীকাল শুক্রবার ৪ বৈশাখ পাঞ্জাবি প্রেমিক রোশন সিং-এর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন অভিনেত্রী। টালিগঞ্জে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, রোশনের দেশের বাড়ি চণ্ডীগড়ে বসছে শ্রাবন্তীর বিয়ের অনুষ্ঠান। অনেকে বলছেন গত পয়লা বৈশাখেই রোশন সিংয়ের সঙ্গে বাগদান সেরে ফেলেছেন অভিনেত্রী। ইতিমধ্যেই শ্রাবন্তী ও রোশনের পরিবারের সদস্যরা চণ্ডীগড়ে পৌঁছে গিয়েছেন বলে খবর। যদিও বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এটেঁছেন শ্রাবন্তীর পরিবারের সদস্যরা। এমনকি তাঁর তৃতীয় বিয়ের কোনও খবর যাতে প্রকাশ্যে না আসে সেবিষয়ে সদা তৎপর ছিলেন অভিনেত্রী। টলিপাড়ায় বহুদিন ধরে গুঞ্জন ছিল তৃতীয়বারের জন্য প্রেমে পড়েছেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। পাত্রের নাম রোশন সিং ওরফে মন্টি। জন্ম সূত্রে রোশন সিং পাঞ্জাবি, পেশায় একটি বিমান সংস্থার কেবিন ক্রু তিনি। বর্তমানে পার্ক সার্কাস এলাকাতেই থাকেন বলে রোশন। জানা যাচ্ছে, মন্টি ওরফে রোশন শ্রাবন্তীর জামাইবাবুর পরিচিত। সেখান থেকেই তাঁর সঙ্গে শ্রাবন্তীর আলাপ। , মাত্র মাস চারেকের পরিচিত রোশনের সাথে শ্রাবন্তীকে দোল খেলতেও দেখা গিয়েছিল রোশনের ফ্ল্যাটে। প্রসঙ্গত, গত ১৫ জানুয়ারি শ্রাবন্তী তাঁর দ্বিতীয় স্বামীর থেকে মিউচুয়াল ডিভোর্স চেয়ে আলিপুর জাজেস কোর্টে আবেদন করতে গিয়েছিলেন। গতবছর ১০ জুলাই শ্রাবন্তী ও কৃষ্ণ ভিরাজ বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন। বিয়ের তিনমাস যেতে না যেতেই তাঁদের বিচ্ছেদের খবর সামনে আসে। যদিও ঠিক কী কারণে তাঁদের বিয়ে টিকল না সেবিষয়ে শ্রাবন্তী কিংবা কৃষ্ণ ভিরাজ কেউই মুখ খোলেননি। এর পরেই নতুন করে এই সম্পর্ক। রোশন সিংহ ও শ্রাবন্তী বহুদিন ধরেই একে অপরের বাড়িতে ইতিমধ্যেই যাতায়ত শুরু করেছিলেন। বেশকিছু পার্টিতে তাঁদের একসঙ্গে দেখাও গিয়েছিব তাঁদের। এমনকি শ্রাবন্তীর ছেলে ঝিনুকেরও নাকি রোশনকে ভীষণ পছন্দ। ঘনিষ্ঠ মহলে শ্রাবন্তী বলেছেন রোশন সিংহ ভীষণই ভালো মানুষ। আমি বাকি জীবন টা ওর সাথেই কাটাতে চাই।

  • চোখের উপরে চাপ না ফেলে রাতের অন্ধকারেও চ্যাট করুন ফেসবুকের ‘ডার্ক মোড’ দিয়ে

    newsbazar24: চোখের উপরে চাপ না ফেলে রাতের অন্ধকারেও চ্যাট করুন ফেসবুকের ‘ডার্ক মোড’ দিয়ে। ফেসবুকে এবার ‘ডার্ক মোড’। চমকে দেওয়া এই নতুন উপায়ে রাতের অন্ধকারেও দিব্যি চ্যাট করা যাবে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্ল্যাটফর্মে এই ‘ডার্ক মোড’-এর দেখা মিলবে।  কী ভাবে নিজের ফোনে এই মোড ব্যবহার করবেন? জেনে নিন—  প্রথমেই আপনার ফোনে মেসেঞ্জারের অ্যাপটি আপডেট করুন। এবার যে কোনও একজনের চ্যাটে ক্লিক করুন। তাকে চাঁদের ইমোজি পাঠাতে হবে। তাহলেই ফোনের স্ক্রিনে গুচ্ছ চাঁদ নেমে আসবে। তাহলেই চালু হবে ডার্ক মোড।প্রসঙ্গত, গত বছরই ফেসবুকের তরফে জানানো হয়েছিল শীঘ্রই তারা নিয়ে আসবে ‘ডার্ক মোড’। অবশেষে এসে গেল সেই মোড। ফেসবুক কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, এই মোড ব্যবহারের ফলে অন্ধকারে চোখের উপরে চাপ পড়া থেকে মিলবে রেহাই।

  • মিলনের স্থায়িত্ব বাড়াতে তরমুজ আর পাতি লেবু দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ভায়াগ্রা

    newsbazar24: গবেষকরা বলছেন, যৌন মিলনের স্থায়িত্ব বাড়াতে যে সমস্ত পন্থার সাহায্য নেন পুরুষরা, তার মধ্যে অন্যতম হল ভায়াগ্রার ব্যবহার৷ এই ওষুধের মধ্যে থাকে সিট্রুলিন, লাইকোপেনের মতো পদার্থ। যা পুরুষদের যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। আর সেই জাদুতেই দীর্ঘক্ষণ সঙ্গিনীর সঙ্গে রতিক্রিয়ায় মত্ত থাকেন পুরুষরা৷ তবে একথাও ঠিক যে কোনও কোনও ভায়াগ্রার সাইড এফেক্ট বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে মারাত্মক৷ এর ব্যবহারে জীবনে নেমে আসতে পারে চরম বিপদ৷ তবে একথা অনেকেরই অজানা যে, ঘরোয়া উপায়েই এড়ানো যায় ভায়াগ্রার এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া৷ অর্থাৎ, ঘরোয়া সরঞ্জাম দিয়েই চটজলদি বানিয়ে ফেলা যায় ভায়াগ্রা৷ যা কোনও ভাবেই শরীরে কোনও কুপ্রভাব ফেলবে না৷জানা গিয়েছে, আমাদের চোখের সামনেই এমন দুই ফল রয়েছে, যা ভায়াগ্রা তৈরির মূল উপকরণ হিসাবে কাজে লাগে। প্রথমটি ফলটি হল তরমুজ এবং দ্বিতীয়টি ফল পাতি লেবু। এবার বলা যাক কীভাবে ঘরে বসেই এই ভায়াগ্রা তৈরি করা যাবে৷এক্ষেত্রে প্রথমে ছোট ছোট করে তরমুজ কেটে নিতে হবে। তারপর সেটিকে মিক্সার বা জুসারের মিশিয়ে নিতে হবে৷ তরমুজের খানিকটা সাদা অংশও ওই মিশ্রণে যোগ করতে হবে৷ এরপর ওই তরমুজের জুস একটি পাত্রে ঢেলে তাকে ফোটাতে হবে। এরপর ওই মিশ্রণে একটা গোটা পাতিলেবুর রস মেশাতে হবে৷ এবং নজরে রাখতে হবে যেন মিশ্রণটি পুড়ে না যায়৷ যতক্ষণ না মিশ্রণটি ঘন হয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ নাড়িয়ে যেতে হবে৷এবার আগুন থেকে সরিয়ে মিশ্রণটিকে ঠান্ডা হতে দিতে হবে। এবং সম্পূর্ণ ঠান্ডা হলে সেটিকে ছেঁকে নিতে হবে৷ একটি পরিষ্কার কাঁচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। প্রত্যেকদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এবং রাতে খাবার আগে দু’চামচ করে খেতে হবে। ওজন বেশি হলে ৩ থেকে ৪ চামচও খেতে হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একসপ্তাহের মধ্যেই হাতেনাতে এর ফল পাওয়া যাবে৷ এবং মিশ্রণটি সমস্ত বয়সের জন্যই খুবই কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন৷ মিশ্রণে কোনও ভাবেই যেন নুন, চিনি মেশান না হয়৷ তবে এর উপযোগিতা হারিয়ে যাবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

  • গৃহস্থলির কোন কোন জিনিস নির্দিষ্ট সময় পর পর বদলে ফেলা ভালো, জেনে নিন

    newsbazar24: এ কথা আমরা প্রায় সকলেই জানি, ভাল ফল পেতে ৩-৪ মাস অন্তর টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত । কিন্তু টুথব্রাশের মতোই গৃহস্থলির কাজে ব্যবহৃত এমন অনেক কিছুই একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর বদলে ফেলা প্রয়োজন। আসুন এ বিষয়ে সবিস্তারে জেনে নেওয়া যাক... গামছা বা তোয়ালে আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় একটি সামগ্রি। স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে প্রতিদিন ব্যবহারের পর গামছা বা তোয়ালে ভাল করে ধুয়ে দিন। গামছা প্রতি ৬ মাস অন্তর আর দুই থেকে তিন বছর অন্তর তোয়ালে বদলে ফেলা উচিত। স্নানের সময় গায়ে সাবান মাখার কাজে ব্যবহৃত স্পঞ্জ বা লুফা প্রতি ৩-৪ মাস অন্তর বদলে ফেলা প্রয়োজন। স্নানের সময় ব্যবহারের পর ভাল করে ধুয়ে রাখুন। ঘরে পরার স্লিপার বা হাওয়াই চটি প্রতি ৬ মাস অন্তর বদলে ফেলা উচিত। মনে রাখবেন, খুব পাতলা বা শক্ত চটি আমাদের পায়ের জন্য ক্ষতিকর। আরামদায়ক ঘুম অনেকটাই নির্ভর করে বিছানা, বালিশ এবং ঘুমানোর পরিবেশের উপর। বিশেষ করে বালিশ ঠিকঠাক না হলে অনেকেই ঘুমোতে পারেন না ঠিক মতো। তাই বালিশটা হওয়া চাই একদম ‘পারফেক্ট’! বছরের পর বছর একই বালিশ ব্যবহার করবেন না। প্রতি ২-৩ বছর পর পর বালিশ বদলে ফেলুন বা বালিশের তুলো বদলে ফেলুন। আরামদায়ক ঘুম আসবে সহজেই। ভাল ফল পেতে ৩-৪ মাস অন্তর টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত।শিশুদের ব্যবহৃত ল্যাটেক্স পেসিফায়ার বা চুশি কখনওই ৩-৪ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রতিদিন অন্তত ২ বার ল্যাটেক্স পেসিফায়ার গরম জলে ভাল করে ধুয়ে নেওয়া জরুরি। বেশি দিন থাকলে রান্নার মশলাপাতির স্বাদ বা গন্ধ নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় তাতে ছত্রাকও জন্মে যায়। তাই বিশেষ করে গুঁড়ো মশলা ৬ মাসের বেশি না রাখাই ভাল। পারফিউমের বোতলের ঢাকনা যদি খুলে না ফেলা হয়, সে ক্ষেত্রে সেটি ৩ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে। আর বোতলের ঢাকনা খুলে ফেলার পর বছর দুয়েক পর্যন্ত ভাল থাকে। তাই প্রতি দুই থেকে তিন বছর পর পর পারফিউম বদলে ফেলাই ভাল।