সবার জন্য


  • উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করার পর থেকেই আপনাকে সমস্যাই পড়তে হচ্ছে ? জেনে নিন কিভাবে সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন

    উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করার পর থেকেই  আপনাকে সমস্যাই পড়তে হচ্ছে ?  জেনে নিন কিভাবে সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন-                                           শঙ্কর চক্রবর্তী উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করার পর থেকেই এর ব্যবহারকারীকে পড়তে হচ্ছে নিত্যনতুন সমস্যায়।যদিও এগুলো কোন সমস্যা নয়,মাইক্রোসফট তার বিভিন্ন ফিচার পরিবর্তনের কারনে এই ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।এগুলোর রয়েছে সহজ কিছু সমাধান,তাই নিয়েই আজকের এ পোস্ট। আপনি যদি সরাসরি উইন্ডোজ একটিভ করতে না পারেন তাহলে কে এম এস এক্টিভেটরের সাহায্যে শজেই এক্টিভ করে নিতে পারেন আপনার উইন্ডোজটি। কে এম এস এক্টিভেটর ডাউনলোড করতে kms activator   ২.বন্ধ করুন অটো আপডেট প্রথমে কম্পিউটার এর icon এ right click করে  manage  এ যান এর পর  service এ ক্লিক করুন এখন নিচের দিক থেকে windows update খুজে বের করুন এবং ক্লিক করুন এখন start up type  এ গিয়ে disabled করে stop এ ক্লিক করুন এবং  prosessing হবার পর ok ক্লিক করুন বন্ধ হয়ে গেল আপনার অটো আপডেট। ৩.বাংলা ফন্ট সমস্যা Control panel এ যান Language a Click করুন Add Language click করুন তারপর বাংলা তে ক্লিক করুন বাংলাদেশের জন্য বাংলা নির্বাচন করুন Language preference a click করুন বাংলা (বাংলাদেশ) সিলেক্ট করুন Option এ ক্লিক করুন ৪. ডিলেট করুন windows.old ফোল্ডার সি ড্রাইভে গিয়ে রাইট বাটন ক্লিক করে প্রপার্টিজ এ ক্লিক করুন এবার ডিস্ক ক্লিন আপ এ ক্লিক করুন এবার অপেক্ষা করুন একটু পর দেখাবে আপনি কোন কোন ফোল্ডার ডিলেট করতে চান ঐখান থেকে windows.old ফোল্ডারটি সিলেক্ট করে ওকে করুন। আরো কিছু সমস্যা এবং সমাধান  নিয়ে আমরা হাজির হব পরবর্তী লেখায় । উইন্ডোজ নিয়ে আপনার কোন সমস্যা থাকলে লিখুন আমাকে। sankar.akantoapan@gmail.com

  • নিজেই বানিয়ে নিন টুথপেস্ট , জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন টুথপেস্ট

    newsbazar24: মুখের স্বাস্থের দিক দিয়ে চিন্তা করলে সকালে ও রাতে অন্তত দু’বার ব্রাশ করা উচিত। কিন্তু বাজার চলতি কোন টুথপেস্ট ভাল বা কোনটায় ক্ষতিকারক রাসায়নিক রয়েছে, তা বোঝা মুশকিল। এমন অবস্থায় বিকল্প হিসেবে যদি ঘরে তৈরি টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘরে টুথপেস্ট তৈরির পদ্ধতি। টুথপেস্ট তৈরি করতে যা যা লাগবে: ১. বেকিং সোডা আধা কাপ। ২. সামুদ্রিক লবণ ১ চামচ। ৩. পিপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল ১০ থেকে ১৫ ড্রপ এর পরিবর্তে লবঙ্গের তেলও ব্যবহার করতে পারেন। ৪. ফুটানো বিশুদ্ধ জল। টুথপেস্ট তৈরির পদ্ধতি: ১. প্রথমে সব উপকরণ জোগাড় করে নিন। এ বার একটি পাত্রে বেকিং সোডা নিয়ে নিন। ২. বেকিং সোডার মধ্যে একে একে লবন, পিপারমিন্ট অয়েল বা লবঙ্গের তেল মিশিয়ে নিন। ৩. সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নেওয়ার পর তাতে ধীরে ধীরে জল মেশাতে শুরু করুন। মিশ্রণটি যখন ঘন, থকথকে হয়ে যাবে তখন জল মেশানো বন্ধ করে দিন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল টুথপেস্ট। ৫. এবার একটি পাত্রে মিশ্রণটি ঢেলে নিন এবং সংরক্ষণ করুন।তবে হ্যাঁ এই তুথ পেস্ট ফ্রিজে নয়। সাধারন আদ্রতায় রাখুন।  

  • ঘরোয়া পদ সব সময় ভাল লাগে না।তাই আজ রেস্তোরাঁর মতো চিকেন দো পেঁয়াজা হয়ে যাক

    news bazar24: চিকেন দো পেঁয়াজা বানাতে লাগবে:চিকেন ৫০০ গ্রাম মাঝারি সাইজের টুকরো করা, টমেটো বাটা (পিউরি) ৪টি, পেঁয়াজ (পাতলা করে কাটা) ২-৩টি, রসুন (কুচি করা) ৬-৭ কোয়া।আদা (কুচি করা) ১ ইঞ্চি।ঘি ২ চামচ।লঙ্কা গুঁড়ো ২ চামচ।হলুদগুঁড়ো আধা চামচ।ধনেগুঁড়ো ২ চামচ।গরমমশলা গুঁড়ো ১ চামচ।লেবুর রস ১ চামচ।আদা (লম্বা সরু সুরু করে কাটা) ২ ইঞ্চি।পেঁয়াজ (রিং করে কাটা) ১টা।টমেটো (রিং করে কাটা) ১টা।ক্যাপসিকাম (রিং করে কাটা) ১-২টি।ধনেপাতা (কুচি) আধা কাপ।মাখন আধা চামচ।নুন স্বাদমতো।তেজপাতা ১টি।দারুচিনি ১টি, ছোট এলাচ ২টি, বড় এলাচ ১টি, লবঙ্গ ৩-৪টি।গোলমরিচ ৩-৪ টি।গোটা জিরে আধা চামচ।জয়িত্রী ১-২টি।জায়ফল সামান্য (সব মশলা গুঁড়ো করা)   চিকেন দো পেঁয়াজা বানানোর পদ্ধতি: চিকেন পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। নুন, লংকাগুঁড়ো, লেবুর রস দিয়ে চিকেন ম্যারিনেট করে ১ ঘন্টা রেখে দিন।ম্যারিনেট করা চিকেনে দই, হলুদগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো, গরমমশলা গুঁড়ো মিশিয়ে ৩০-৪০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন।কড়াইতে ঘি গলিয়ে তার মধ্যে গোটা গরমমশলা ফোড়ন দিন।কয়েক সেকেন্ড নাড়াচাড়া করার পর সুন্দর গন্ধ বের হলে গরমমশলা আলাদা পাত্রে ঢেলে রাখুন।আবার কড়াইতে ঘি গরম করে এরপর আদা, রসুন এবং পেঁয়াজ কুচি দিন।কয়েক সেকেন্ড নাড়াচাড়া করার পর টমেটো পিউরি দিন।ভাল করে মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। কম আঁচে ৩-৪ মিনিট কষিয়ে নিন।এরপর কড়াইতে চিকেন ও গুঁড়ো করে রাখা মশলা দিয়ে আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে আস্তে আস্তে নাড়ুন।১৫-২০ মিনিট কষিয়ে নিন, চিকেন সেদ্ধ হয়ে যাবে। চিকেনটা ছড়ানো পাত্রে ঢালুন।রিং করে কাটা সবজি ওপরে গোল করে সাজিয়ে দিন এবং লম্বা সরু সুরু করে কাটা আদা, ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন।মাখন দিয়ে ৩-৪ মিনিটের জন্য রেখে পরিবেশন করুন।

  • কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ে মুখের দাগ সহজে দূর করুন

    news bazar24: মুখের দাগ মেটাতে নানা বাজার চলতি ক্রিম, লোশন ব্যবহার করেও ফল মিলছে না?জেনে নেওয়া যাক কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিঃ- তৈলাক্ত ও সাধারণ ত্বকে শশার রস, আলুর রস দিয়ে দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এই রস ব্যবহার করতে পারেন। শুধু মধুও প্রতিদিন দাগের উপরে লাগাতে পারেন। এতে করে দাগ কমে আসবে। তবে খেয়াল রাখবেন আপনার ত্বকে মধুর ব্যবহারে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হচ্ছে কিনা।  অ্যালোভেরার রস প্রতিদিন দাগের জায়গায় লাগালে দ্রুত তা কমে যাবে। চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে একটু গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান। এরপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মিশ্র ও সাধারণ ত্বকে দাগ হলে ল্যাভেন্ডার তেল লাগাতে পারেন।  রসুন ও লবঙ্গের মিশ্রণ করে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে লাগিয়ে নিন। সকালে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন। যে কোনও ত্বকের দাগ কমাতে পাকা কলার পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন।  টমোটোর রস মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এতেও দাগ দূর হয়। কাঁচা হলুদ ও মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন।  নারকেল তেল ও টি-ট্রি অয়েল প্রতিদিন দু’বার করে দাগের জায়গায় ব্যবহার করা যেতে পারে।  নিয়মিত লেবুর রস মুখে দিতে পারেন। আমন্ড অয়েল ও মধু মুখে লাগিয়ে হালকা করে ঘষুন। এর পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন। অ্যালোভেরা জেল ও আলুর পেষ্ট নিয়মিত মুখে লাগাতে পারেন। গুঁড়ো দুধ ও গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। কমলা লেবুর খোসা গুঁড়ো করে তার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। দ্রুত ফল পাবেন। লেবুর রস, মধু ও কাচা পেঁপে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। দাগ কমাতে এটি ব্যবহার করতে পারেন। উপকার পাবেন। মেছেতার জায়গায় লেবুর রস, সামান্য ভিনেগার ব্যবহার করা যেতে পারে। কেউ চাইলে এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে জল মিশিয়ে নিতে পারেন। কোনও প্রসাধন সামগ্রী কেনার আগে ভাল করে দেখে শুনে নিন।তবে বেশি দাগ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

  • শেষ হলো ডাইনী প্রথার বিরুদ্ধে রাজকুমার দাসের পরিচালনায় "অন্তরালে"শর্ট ফিল্ম

    news bazar24: ডাইনী প্রথার বিরুদ্ধে  রাজকুমার দাসের পরিচালনায় "অন্তরালে"শর্ট ফিল্মের শুটিং শেষ হলো সম্প্রতি :----নিজস্ব প্রতিনিধিঃ-- গ্রামের দিকে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা দের নিয়ে প্রায় ৪৫মিনিটের শর্ট ফিল্মের শুটিং শেষ করলেন পরিচালক রাজকুমার দাস। তিনি নিজেও  এই অভিবক্ত জেলায় জন্মেছেন।তাই একটা নাড়ির টান তো থেকেই যায়। সম্প্রতি তিনি বেলদা পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা ডক্টর যোগেন্দ্র নাথ বেরা র কাহিনী অবলম্বনে  "অন্তরালে..."" ছবির শুটিং শেষ করেছেন। শুটিং হয়েছে আহারমুন্ডা জঙ্গলে,সুবর্ণ রেখা নদীর পার্শ্ব বর্তী এলাকা সহ দাঁতন ও বেলদার ময়না পাড়া মহাপ্রভু মন্দিরের নিকট।উল্লেখ্য ছবিতে অভিনয় করেছেন স্থানীয় লোকজন।তাঁদের গ্রূমিং এর দ্বারা উক্ত ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে।প্রযোজনায় যোগেন্দ্র ফিল্ম এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।চিত্রগ্রহণে -সন্দীপ পাত্র(দ্বীপ),সম্পাদনায় অনিতেষ অধিকারী, স্থির চিত্রে ---বিপ্লব দেবনাথ ও সাহেব।মেকআপ -অসীম কুন্ডু,।গ্রামের বাড়িতে পিছিয়ে পড়া আদিবাসী সমাজ।তাদের রীতি নীতি ও অন্ধ কুসংস্কার এখনও পর্যন্ত মানুষকে বিপথে পরিচালনা করে, ডাইনী প্রথা এখনও শোনা যায়, সেই অন্ধ বিশ্বাসের প্রতিবাদে সামাজিক অবক্ষয় কে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে ছবির মাধ্যমে পরিচালক।রাজকুমার দাস এই ছবির মাধ্যমে সামাজিক বার্তা দিতে পিছুপা হয়নি।তিনি অবশ্য গঠন মূলক ছবি এর আগেও করেছেন।তাই তিনি দর্শকদের প্রতি একটা দায়বদ্ধতা  আছে জেনে ডক্টর যোগেন্দ্র নাথ বেরার কাহিনী নিয়ে তার ছবি তৈরি করেছেন।বর্তমানে ছবির শুটিং শেষ করে সম্পাদনার কাজ চলছে। আদিবাসী মানুষের দৈনন্দিন দিন যাপন ও তাঁদের আচার আচরণ প্রায় সবটাই এই ছবিতে অভিনয়ের দ্বারা তুলে ধরতে চেষ্টা করা হয়েছে তা বলা যায়।নেশা করলে যে মানুষের এনার্জি বাড়ে না বৈ কমে তা "অন্তরালে..."ছবিতে ম্যাসেজ দিয়েছে।মায়ের কাছে সব সন্তান রাই ভালো,কিন্তু অন্তরালে থেকেই বেশির ভাগ বাবা মা নিজেদের বিসর্জিত দিতে পিছুপা হয় না তার সন্তানের মঙ্গলের জন্য।সেই আন্তরিকতার মেল বন্ধন গড়ে উঠেছে ছবির দৃশ্যে।ছবিতে অভিনয় করেছেন নবাগত বিশ্বজিৎ বৈলদা,মমতা জানা, পরেশ নন্দী,আব্দুল্লা মোল্লা,স্মৃতিলেখা ভুঁইয়া, বিনোদ বিহারী শিট, স্বপন ঘোষ,শ্যাম হাঁসদা,মধুমিতা শিট, গৌরাঙ্গ জানা,সুশান্ত,গৌর গোপাল দাস,সুবল বারিক,অমিতাভ মাইতি,কালিপদ,ডক্টর যোগেন্দ্র নাথ বেরা ও রাজকুমার দাস প্রমুখ।নিবেদনে  ডি  ইউনিক সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি,ও চিত্রসাথী ফিল্মস।ছবিতে গান গেয়েছেন বিশ্বজিৎ বৈলদা। ডাইনী প্রথার বিরুদ্ধে জন সচেতনতা বাড়াতে এই ছবির গুরুত্ব অনেকটাই।ছবিটি খুব শিগগিরই মুক্তি পাবে।দেশ বিদেশের চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ গ্রহন করবে ছবিটি।পরিচালক রাজকুমার দাসের আশা ছবিটি সকলের ভালো লাগবে।

  • মানসিক চাপ, ক্ষোভ কাটাতে গালিগালাজ দেওয়া ভালো

    news bazar24: পরিবারের গুরুজনদের সামনে বা পাড়া-প্রতিবেশীদের সামনে মুখ ফসকে ভাষা খুব খারাপ বেরিয়ে পড়লেই মুশকিল, ইদানীং চিকিত্সকেরা কিন্তু ‘কু-কথা’ বলার এই অভ্যাসকেই সুস্থ থাকার সহজ চাবিকাঠি ব্লেছেন। মানসিক চাপ, অবসাদ, মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রে গালিগালাজ খুবই কার্যকরী প্রমাণ মিলেছে মার্কিন গবেষণায়। এই ধারণার সঙ্গে একমত ব্রিটিশ গবেষক এবং মনোবিজ্ঞানীরাও।কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক ও ফলিত ভাষাতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ডঃ কিরিকুস অ্যান্টনিও জানান, যে সব মানুষ উত্তেজিত হলেও গালিগালাজ দিতে পারেন না বা দেন না তাঁদের মধ্যে মানসিক অবসাদ, উচ্চ রক্তচাপ, নানা স্নায়বিক সমস্যা দেখা যায়।গালিগালাজ আসলে মন থেকে রাগ, ক্ষোভ বের করে মানসিক চাপ কাটানোর সহজ উপায়। 

  • শরীরের নমনীয়তা বাড়াতে এই আসনগুলি নিয়মিত করুন

    news bazar24:  জেনে নিন কিছু আসন যা প্রতিদিন নিয়মিত চর্চা করলে আপনার শরীরের নমনীয়তা বাড়বে। বাড়বে যৌন মিলনের স্ফুর্তি। শরীর ও মন— দুয়ের উপরেই যোগের প্রভাব অপরিসীম। ১)চক্রাসন: চক্রাসন বা হুইল পোজ আপনার মেরুদণ্ডের নমনীয়তা বাড়ায়। একই সঙ্গে গোটা শরীরের নমনীয়তা বাড়ায়। ২)সুপ্ত বদ্ধ কোনাসন: এই আসন উরু ও নিতম্বের শক্তি বাড়ায়। যৌন মিলন এবং সন্তান প্রসবকালে এই আসন অত্যন্ত উপযোগী। ৩)আনন্দ বলাসন: এই আসন আপনার উরু, হাঁটু, জঙ্ঘা সহ শরীরের নীচের অংশের নমনীয়তা বাড়ায় এই আসন। জরায়ুর সংকোচন, প্রসারণে সাহায্য করায় এই আসন মেয়েদের ঋতুকালে (মেনস্ট্রুরেশন) ও যৌন মিলনের সময় আনন্দ বলাসন অত্যন্ত উপযোগী। ৪) হলাসন: মেরুদন্ডের নমনীয়তা বাড়াতে, পিঠ, কোমররে ব্যথা সারাতে অবশ্যই রোজ করুন এই আসন। হাতের পেশীর জোরও বাড়ায় হলাসন। ৫) অধমুখ শ্বনাসন: এই আসন গোটা শরীরের নমনীয়তা, ব্যালান্স যেমন বাড়ায় তেমনই মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে আপনাকে রিল্যাক্সড করে। মনোসংযোগ বাড়ায়। ৬) প্রসারিত পদোত্তাসন: প্রসারিত পদত্তোসন বা স্ট্যান্ডিং স্ট্রেডল ফরওয়ার্ড বেন্ড মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, শরীরের ব্যালান্স বাড়ায়। শরীরের নীচের অংশের পেশীর নমনীয়তা বাড়ায়। ৭) সেতুবন্ধন আসন: সেতুবন্ধন আসন বা ব্রিজ পোজ গোটা শরীরের নমনীয়তা বাড়ায়। নীচের অংশের পেশী যেমন সবল করে, তেমনই ঘাড়ের ব্যালান্সও বাড়ায়।

  • আসছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি "মনবারে"

    news bazar24; খুব শীঘ্র আসছে  স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি "মনবারে"। varada entertainment প্রোডাকশন হাউসের এক অন্য ধরনের মিষ্টি প্রেমের গল্প নিয়ে তৈরী এই ছবিটি ডিরেকশন করেছেন সমীর সিংহ, মেকাপ বাবন ইসলাম। ছবিটিতে মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করেছেন  দেবাংশু রায়। তার সাথে অভিনেত্রী ছিলেন দিল্লীর মেয়ে পুনম রানা।এই ছবিটির পুরোতাই শ্যুটিং হয়েছে দিল্লিতে। ছবিটির নির্দেশক সমীর সিংহ ছবি টা নিয়ে খুব আশাবাদী। তিনি বলেন এই ছবিটি একটি প্রেমের গল্প হলেও একদম অন্যরকম ঘরানায় তৈরি। যার ফলে এই ছবিটি আমরা বিভিন্ন ফ্লিম ফেস্টিভ্যালেও নিয়ে যাব। এবং সেখানেও ভাল কিছু করার বিষয়ে আমরা খুব আশাবাদী। দেবাংশুকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন মালদা থেকে গিয়ে ছবিতে অভিনয় করবার রাস্তা টা খুব সহজ ছিল না এর আগে আমি বাংলাদেশের অনেক শর্ট ফ্লিম করেছি এছারা একটি পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবি " হার মানা হার" করেছি। আগামী দিনে পুনম রানার সাথে অনেক গুলি কাজ আসছে।

  • বিয়ে করতে চলেছেন প্রত্যুষার মৃত্যুতে অভিযুক্ত বয়ফ্রেন্ড 'রাহুল রাজ সিং'

    news bazar24:প্রত্যুষা ব্যানার্জি ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল আত্মহত্যা করেন। প্রত্যুষার আত্মহত্যার জন্য ওঁর বয়ফ্রেন্ড রাহুল রাজ সিং কে অভিযুক্ত করা হয়। তারপর কেটে গেছে দু“বছর ‚ দেখা যাচ্ছে রাহুল পুরনো কথা ভুলে গেছেন এবং খুব তাড়াতাড়ি ওঁর এখনকার প্রেমিকা অভিনেত্রী সালোনি শর্মার সঙ্গে বিয়ে করতে চলেছেন। জন্মদিনের পার্টির কয়েকটা ছবি রাহুল সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেন। সেখানেই উনি জানিয়েছেন আর কিছুদিনের মধ্যে সালোনি ওঁর স্ত্রী হতে চলেছেন। রাহুল ছবির তলায় লেখেন ‘গত বছরটায় আমার ওপর দিয়ে অনেক কিছু গেছে। কিন্তু এতে আমি ভেঙে না পড়ে আরো দৃঢ় হয়েছি। আমার জন্মদিনে যারা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। বিশেষ ধন্যবাদ জানাতে চাই সালোনিকে, ও আমার পাশে সব সময় থেকেছে। ও খুব তাড়াতাড়ি আমার স্ত্রী এবং জীবনসঙ্গী হতে চলেছে। রাহুলের জীবনে প্রত্যুষা আসার আগে থেকেই সালোনির সঙ্গে পরিচয় ছিল রাহুলের, তখন উনি বুঝতে পারেননি ওঁদের মধ্যে প্রেম ছিল নাকি বন্ধুত্ব। এই ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে রাহুল বলেন‘তখনো আমারা দুজনেই দুজনকে ভালোবাসতাম। কিন্তু সিদ্ধান্ত নিতে পারি নি। এর কিছুদিনর মধ্যে সারা খানের পার্টিতে আমার প্রত্যুষার সঙ্গে আলাপ হয়। এরপর অন্য একটা পার্টিতে আবার দেখা হয় প্রত্যুষার সঙ্গে। এরপরেই প্রত্যুষা সবাইকে জানিয়ে দেয় ‘রাহুল রাজ সিং আমার বয়ফ্রেন্ড। এর ফলে সালোনি আমার ওপর খুব রেগে যায়। আমার আর সালোনির সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়।সালোনিকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম ।কিন্তু ও কিছু শুনতে রাজি ছিল না।ধীরে ধীরে আমি আর প্রত্যুষা একে অপরের প্রেমে পড়লাম। আমরা ১০ মাস একসঙ্গে ছিলাম। 

  • ব্রেড কাটলেট বানানোর সহজ রেসিপি

    news bazar24: বিকেল বা সন্ধেয় চা-কফির সঙ্গে কিছু একটা মুচমুচে পদ হিসাবেও পাউরুটিকে কাজে লাগানো যেতেই পারে। হাতের কাছে থাকা উপকরণ দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ব্রেড কাটলেট। এই পদটি বানানো খুবই সহজ আর খেতেও মজাদার।আজ রইল ব্রেড কাটলেট বানানোর সহজ রেসিপি- ছোট সাইজের পাউরুটি: ১০ থেকে ১২টি কুচিয়ে কাটা পনির (২০০ গ্রাম) চিলি ফ্লেক্স: ১ চামচ অরিগ্যানো: ১ চামচ (না হলেও চলবে) গোলমরিচ গুঁড়ো: আধা চামচ নুন, চিনি: স্বাদ মতো কর্নফ্লাওয়ার: ২ চামচ কাটলেট বানানোর পদ্ধতি:   কুচিয়ে কাটা পনির একটি পাত্রে রাখুন। পাউরুটিগুলোর ধার বাদ দিয়ে দিন।এরপর একে একে বাকি উপকরণগুলো পনিরের সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন।সামান্য জল ছিটিয়ে পাউরুটিগুলোকে নরম করে রুটির মতো করে বেলুন। দেখবেন পাউরুটি পাতলা রুটির মতো হয়ে যাবে।এর ভেতর পনিরের পুর ভরে কাটলেটের আকারে মুড়ে ফেলুন। ধারগুলোয় কর্নফ্লাওয়ারের ব্যাটার লাগান।এতে ধার জুড়তে সুবিধা হবে। ছাঁকা তেলে লাল করে ভেজে নিয়ে টোম্যাটো সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন গরম গরম ব্রেড কাটলেট।

  • ৮,৫০০টি স্টেশনে সুলভে ন্যাপকিন আর কন্ডোম কেনার জন্য কাউন্টার খোলা হবে

    news bazar24:ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ডের নতুন নতুন টয়লেট পলিসি অনুযায়ী, স্টেশন চত্বরে পুরুষ, মহিলা এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা আলাদা শৌচাগার তৈরি করা হবে। এই শৌচাগারগুলি ব্যবহারের জন্য কোনও টাকা দিতে হবে না সাধারণ মানুষকে।কেন এই পদক্ষেপ? স্টেশন ও স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের অনেকের বাড়িতেই শৌচাগার না থাকায় স্টেশন চত্বরেই শৌচকর্ম করেন তাঁরা। স্টেশনের শৌচাগারে টাকা দিতে হয় বলে সেখানেও অনেকে যেতে চান না। যত্রতত্র শৌচকর্মের ফলে গোটা এলাকাটাই অস্বস্থ্যকর হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতি বদলের জন্যই রেল স্টেশনের শৌচাগারগুলি বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে রেলওয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে।জানা গিয়েছে,রেল স্টেশনেও মিলবে স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং কন্ডোম। শুধুমাত্র যাত্রীরাই নয়, সস্তার এই ন্যাপকিন আর কন্ডোম কেনার সুযোগ পাবেন স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারাও। সম্প্রতি এই সিদ্ধান্তে শিলমোহর দিয়েছে ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ড৷ এই সামগ্রিগুলি বাজার চলতি দামের থেকে অনেকটাই কম দামে পাবেন সাধারণ মানুষ। গোটা দেশের মোট ৮,৫০০টি স্টেশনে এমন কাউন্টার খোলা হবে যেখানে সুলভে ন্যাপকিন আর কন্ডোম কেনার সুযোগ পাবেন সকলে। একটি কাউন্টার থাকবে স্টেশনের বাইরে আর একটি রাখা হবে স্টেশন চত্বরের ভিতরে।শৌচাগার দেখভালের জন্য প্রত্যেকটিতে তিনজন করে কর্মী থাকবেন। 

  • মাছের একঘেয়ে পদ থেকে মুক্তি পেতে বাড়িতেই বানিয়ে নিন সুস্বাদু গার্লিক ফিশ।

    news bazar24:মাছের একঘেয়ে পদ থেকে মুক্তি পেতে বাড়িতেই বানিয়ে নিন সুস্বাদু গার্লিক ফিশ।রেস্তোরাঁর মত সুস্বাদু অথচ সহজ এই রেসিপি,শিখে নেওয়া যাক সুস্বাদু গার্লিক ফিশ বানানোর কৌশল। ৪ জনের জন্য গার্লিক ফিশ বানাতে লাগবে: ৮ থেকে ১২ টুকরো বোনলেস ভেটকি বা ভোলা মাছ, হাফ চা চামচ লবন, হাফ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, ১ টেবল চামচ সয়া সস, ১ টেবল চামচ ভিনিগার । ব্যাটারের জন্য: ১টা ডিম, ২ টেবল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার, ২ টেবল চামচ ময়দা, ১ চিমটি লবন, হাফ চা চামচ বেকিং পাউডার, ফ্রাই করার জন্য তেল। সসের জন্য: ৮টা (কুচনো) কাঁচা লঙ্কা, ৮ কোয়া রসুন, ১ টেবল চামচ সয়া সস। ১ চা চামচ চিলি সস, ১ টেবল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার, ১ কাপ জল, ১ টেবল চামচ তেল । গার্লিক ফিশ বানানোর পদ্ধতি: মাছ লবন, সয়া সস, গোল মরিচ গুঁড়ো, ভিনিগার দিয়ে হাফ ঘণ্টা ম্যারিনেড করে রাখুন। একটা বড় বাটিতে ডিম, নুন, কর্ন ফ্লাওয়ার, ময়দা, বেকিং পাউডার মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করে নিন। প্রয়োজন হলে একটু জল দিন। এই ব্যাটারে মাছ ডুবিয়ে সোনালি বাদামি করে ভেজে তুলুন। এ বার সস বানানোর জন্য: প্যানে তেল গরম করুন। কাঁচা লঙ্কা কুচি ও রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে জল দিয়ে দিন। ফুটতে শুরু করলে সয়া সস দিন। কর্ন ফ্লাওয়ার জলে গুলে এর সঙ্গে মিশিয়ে দিন। চিলি সস দিয়ে ঘন গ্রভি তৈরি নিন। মাছ পরিবেশন করার প্লেটে সাজিয়ে উপর থেকে গরম এই সস ঢেলে দিন। সুস্বাদু গার্লিক ফিশ তৈরী।

  • ভোট ব্যাঙ্ক আর বাম পকেট•••• __জীবনদীপ বৈঠা(জেপি)

    ভোট ব্যাঙ্ক আর বাম পকেট•••• ___জীবনদীপ বৈঠা(জেপি) রক্তাক্ত পঞ্চায়েতি ডায়েরি, দেশ বাড়িতে অবাধ মৃত্যুর সন্ধন লক্ষ্য- ব্যালট বক্স ক্ষমতা আসুক বছর পাঁচেক ক্যাশ বাক্সের অস্তিত্ব বিছানা তলায়। ফুল কুড়ি'রা আনন্দ মাখে পোষ্টার ছিঁড়ে, লুটিয়ে পড়ছে শৈশব আর বার্ধক্য, নল বোম শান্ত মনে দ্বায়িত্ব পালনে ব্যস্ত। বয়স্কা চোখের একটা অভিজ্ঞতায়- আমরা আছি ভালো রোজ-ই সারি স্নান চোখ সাগরে আইরিশ পয়েন্টে। কেননা বাম পকেটেই- ভোট ব্যাঙ্কের ওঠানামা

  • রবি ঠাকুরের প্রতি- সুমন বিশ্বাস

    রবি ঠাকুরের প্রতি -সুমন বিশ্বাস সহজ পাঠে তোমার সাথে প্রথম পরিচয় বয়স তখন কত হবে, পাঁচ কিংবা ছয়। তার পর ফি-বছরে তোমার সাথে দেখা, সব ক্লাসের পাঠ্যবই-এ থাকতো তোমার লেখা। কবিতা, ছড়া, নাটক কিংবা রম্যরচনা, কিছুতেই পাইনি খুঁজে তোমার তুলনা। পরশমণির ছোঁয়া পেয়ে মোদের ভাষা শিক্ষা, তোমার সুরেই বঙ্গবাসীর সুর সাধনার দীক্ষা। তোমার বাণী, তোমার লেখা, তোমার গানের সুরে অমর হয়ে থাকবে তুমি মোদের হৃদয় জুড়ে। রাখির বাঁধনে ভুলিয়েছিলে ধর্মের ভেদাভেদ, রাখিবন্ধন আজও চলেছে, পড়েনিকো তাতে ছেদ। দেশপ্রেমের মরা গাঙে আনলে জোয়ার তুমি, তোমার কলমে স্বাধীন হলো মোদের ভারতভূমি। বাংলা ভাষাকে জগৎসভায় শ্রেষ্ট আসন দিলে, বিশ্বলোকে চেতনার রং তুমিই ছড়িয়েছিলে। আপন মনের মাধুরী মিশায়ে এঁকেছিলে তুমি ছবি, দেশ ও কালের সীমানা পেরিয়ে তুমিই বিশ্বকবি। তোমার রচনা চির শাশ্বত চির আধুনিক তুমি, সার্ধশত বছর পরেও তাইতো তোমায় নমি। শত-শত বছর পরেও রবে তুমি অমলিন, তোমার চিন্তা তোমার চেতনা রয়ে যাবে চিরদিন। কিন্তু কবি বং-এর যুগে বাংলা ভুলেছি মোরা, তোমার গানে সুর চড়িয়েছে স্বর বদলেছে ওরা। নব প্রজন্ম টেগোর পড়ে ইংরাজি অনুবাদে, তোমাকেও শেষে পড়তে হল প্রাশ্চাত্যের ফাঁদে। পাইনা ভেবে তোমায় নিয়ে কেন এত কাটা-ছেঁড়া, স্বাধীনভাবে রচনা করতে কিছুই পারেনা এরা! নিন্দুকেরা যে যাই বলুক, যতই তোমায় কাটুক ছিঁড়ুক, জানি তুমি থাকবে অমলিন। চির শাশ্বত তোমার রচনা, তোমার চিন্তা, তোমার চেতনা, রবির কিরণে রয়ে যাবে চিরদিন।

  • আসছে নতুন নিয়ম ঃ মোবাইল ফোনে সিমকার্ড না-থাকলেও কল করা যাবে যে কোনও মোবাইল ফোনে

    news bazar 24 : সিম কার্ডের জামানা শেষ হতে চলেছে ।  মোবাইল ফোনে সিমকার্ড না-থাকলেও কল করা যাবে যে কোনও মোবাইল ফোন বা ল্যান্ডলাইন ফোনে।  মোবাইল ফোনের সিগনাল নিয়ে নালিশ নতুন নয়। এখনো বহু জায়গায় মোবাইল সিগনাল না থাকায় সমস্যায় পড়েন গ্রাহকরা। আর কথা বলতে বলতে কল ড্রপ তো নৈমিত্তিক ঘটনা। এসবের সমাধানে কেন্দ্রীয় সরকারকে দূরসঞ্চারের বিকল্প মাধ্যম ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলে টেলিকম নিয়ামক সংস্থা TRAI. পরামর্শ ছিল ইন্টারনেট টেলিফোনিকে ছাড়পত্র দিক সরকার। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় ইন্টার মিনিস্টিরিয়াল টেলিকম কমিশন। 

  • জানেন কি ? চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্যেও কলা খুবই উপকারি।

    ডেস্ক ঃ সারাবছরই পাওয়া যায় ক্লা । জানেন কি, চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্যেও কলা খুবই উপকারি। শুধুমাত্র কলা বা কলার সঙ্গে অন্য কোনও উপাদানের মিশ্রণ চুলের খুশকি দূর করে। পাশাপাশি চুলের রুক্ষতা ও চুল ঝরা নিয়ন্ত্রণেও কলা অত্যন্ত কার্যকরী। কলায় থাকে প্রচুর পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট, পটাশিয়াম, প্রাকৃতিক তেল ও ভিটামিন, যা চুলকে মসৃণ ও ঝলমলে করে তোলে। এ বার জেনে নেওয়া যাক চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য কলার নানান ব্যবহার। কলা, পাতিলেবু ও টকদই: চুলের খুশকি দূর করতে অর্ধেক পাকা কলার সঙ্গে তিন চামচ টক দই ও এক চামচ পাতিলেবুর রস মেশিয়ে চটকে নিন। মিশ্রণটি শুধুমাত্র চুলের গোড়া ও মাথার তালুর ত্বকে ভাল করে লাগান। খেয়াল রাখতে হবে, এই মিশ্রণটি যাতে কোনও ভাবেই মাথার বাকি চুলে না লাগে। ২০-২৫ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। পাতিলেবু আর টকদই চুলকে খুসকিমুক্ত করতে সাহায্য করে। এই মসৃণ করতে কলার ব্যবহার আসলে কন্ডিশনারের কাজ করে। কলা ও মধুর মিশ্রণ: চুল যাঁদের রুক্ষ হয়ে গিয়েছে, তাঁরা কলা এবং মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। এর ব্যবহারে চুলের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে আর সেই সঙ্গে চুল হয়ে উঠবে মোলায়ম। দুটি পাকা কলা এবং দুই চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ভাল করে চটকে নিন। এ বার এই মিশ্রণটি চুলে ভাল ভাবে লাগিয়ে নিন। শাওয়ার ক্যাপ বা ওই জাতীয় কিছু দিয়ে মাথা ঘণ্টাখানেক ঢেকে রাখার পর ঠান্ডা জল দিয়ে চুল ধুয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে মোটামুটি দু’বার এই মিশ্রণ ব্যবহার করলেই চুল হয়ে উঠবে ঝলমলে আর উজ্জ্বল। কলা, ডিম ও লেবুর রস: চুলের বৃদ্ধি এবং নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে এই মিশ্রণ খুবই কার্যকরী। সপ্তাহে অন্তত দুদিন এই মিশ্রণটি ব্যবহার করা যেতে পারে। দুটি চটকে নেয়া কলা, একটি ডিমের শুধু কুসুমের অংশটুকু ও এক চামচ লেবুর রস ভাল করে মিশিয়ে এই মিশ্রণটি তৈরি করে নিন। এই মিশ্রণটি ভাল করে মাথার ত্বকে ও চুলে মাখিয়ে একটি প্লাস্টিক বা ফয়েল জাতীয় কিছু দিয়ে মাথা মুড়ে ফেলুন। এর ওপরে একটি তোয়ালে বা কাপড় জড়িয়ে নিন। এ ভাবে এক ঘণ্টা রাখার পর ভালো করে জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

  • মুখের কালো দাগ দূর করতে লেবু

    লেবু: লেবু ত্বকের কালো দাগ ছোপ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। তুলোর সঙ্গে লেবুর রস মাখিয়ে নিন, তারপর কালো দাগের উপর ৫ মিনিট ধরে ঘষুন। তারপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। তবে মুখে বা শরীরের কোথাও লেবু মাখার পর সরাসরি সূর্যের আলোতে বেরনো যাবে না।

  • কম্পিউটারে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন চালাতে পারে bluestacks

    প্রকাশ চন্দ্র মন্দল ঃ উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা যেন তাঁদের কম্পিউটারে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন চালাতে পারেন, কয়েক বছর ধরেই তার ব্যবস্থা করে আসছে ব্লুস্ট্যাক। ব্যাপারটাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে ব্লুস্ট্যাককে সমর্থন জোগালো চিপ নির্মাতা অ্যাডভান্সড মাইক্রো ডিভাইস (এএমডি)। ব্লুস্ট্যাকের নতুন এই সংস্করণ মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ-চালিত অপারেটিং সিস্টেমের ডেস্কটপ, ট্যাবলেট বা নোটবুক কম্পিউটারে সম্পূর্ণ অ্যান্ড্রয়েড চালানো যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে এএমডি। বর্তমানে ব্যবহূত ভার্চুয়ালাইজেশন পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে ব্লুস্ট্যাক অ্যাপ প্লেয়ারের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন চালানোর বদলে নতুন এই সফটওয়্যারটি পুরো অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করবে। এতে অ্যান্ড্রয়েড ইন্টারফেস, সেটিংস, কনফিগারেশন এবং আরও অনেক কিছুর সুবিধা পাওয়া যাবে। এর ওপর গুগল অপারেটিং সিস্টেমে চালিত অ্যাপসগুলো হোস্ট কম্পিউটারের ফাইলে প্রবেশ করতে পারবে। যদিও ব্লুস্ট্যাক এখনো উইন্ডোজের পুরো পর্দায় অ্যাপ চালাতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, চতুর্থ প্রজন্মের এক্সেলারেটেড প্রসেসিং ইউনিটের (এপিইউ) বদৌলতে এ ধরনের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। সফটওয়্যারটি শুধু তাদের সিলিকন দিয়ে তৈরি যন্ত্রে চলবে কি না, এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটি পরিষ্কার করে কিছু বলেনি। 

  • অনলাইন নজরদারিতে আপনার কি করা উচিত ?

    ডেস্ক ঃ অনলাইন নজরদারিতে যুক্তরাষ্ট্রের এনএসএ (ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি) এখন আলোচিত একটি নাম। অনলাইনের এই গোপন নজরদারি বা হ্যাকারদের সাইবার আক্রমণ থেকে নিজেদের কীভাবে রক্ষা করা যায়, এ নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। তবে এ ব্যাপারে ব্যবহারকারীর নিজেরও কিছু করার আছে। একটু সতর্কতা আর ছোট ছোট কিছু পদক্ষেপ নিলে অনলাইনে নিজের নিরাপত্তা অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে। ওয়েব এনক্রিপশনঃ ইন্টারনেট যোগাযোগে যতটুকু সম্ভব নিরাপদ ওয়েব পথ (ট্রাফিক) ব্যবহার করা উচিত। এ জন্য এইচটিটিপিএস এভরিহোয়্যার নামের একটি ছোট প্রোগ্রাম (অ্যাড-অন) ফায়ারফক্স বা ক্রোম ব্রাউজারে ব্যবহার করতে হবে। যেসব ওয়েবসাইটে এইচটিটিপি সিকিউর (https) সুবিধা রয়েছে, সেখানেই এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে এসএসএল এনক্রিপশনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ট্রাফিক নিরাপদ করে ফেলে। অ্যাড-অন নামানোর ঠিকানা https://www.eff.org/https-everywhere।   টর ব্রাউজারঃ ওয়েবসাইট দেখার মুক্ত এই প্রোগ্রামটি স্বেচ্ছাসেবীদের গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এবং সার্ভার ব্যবহার করে অন্যের নজরদারি থেকে ব্যবহারকারীকে বাঁচায়। পাশাপাশি তার প্রকৃত অবস্থান গোপন রাখে। আর ঠিক এ কারণেই টর বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। www.torproject.org ঠিকানা থেকে নামানো যাবে। প্রাইভেট ব্রাউজিংঃ সাইবার ক্যাফে বা পাবলিক ওয়াই-ফাই এলাকা থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ব্রাউজারের প্রাইভেট মোড চালু (অন) করে ওয়েবসাইট দেখার সময় বিভিন্ন তথ্য (ক্যাশ, কুকি, পাসওয়ার্ড) নিরাপদ রাখা যায়। ফায়ারফক্স হলে Firefox>New Private Window -এ ক্লিক করে; গুগল ক্রোমের ক্ষেত্রে Customize and control Google Chrome>New incognito window-এ ক্লিক করে এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে Safety>InPrivate Browsing-এ ক্লিক করে প্রাইভেট মোড চালু করতে হবে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ডঃ ই-মেইল অ্যাকাউন্ট, বিভিন্ন মুঠোফোন ও ওয়েব-সেবায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ঠিক নয়। আবার সহজ, সংক্ষিপ্ত বা পুরাতন কোনো পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ। ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর (স্মল ও ক্যাপিটাল লেটার), সঙ্গে সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন-সংবলিত একটু লম্বা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত। অনেক বেশি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করা যেতে পারে। যেকোনো ব্রাউজারে ব্যবহার উপযোগী তেমনি একটি নিরাপদ এবং বিনা মূল্যের প্রোগ্রাম হলো লাস্টপাস। এটি ডাউনলোড করতে হবে https://lastpass.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। ইনস্টল করার পর ই-মেইল ঠিকানা এবং প্রধান (মাস্টার) পাসওয়ার্ড দিয়ে লাস্টপাসে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর যেকোনো ওয়েবসাইটের লগইন তথ্য সেভ করলে পরবর্তী সময়ে প্রোগ্রামটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেই পূরণ করে দেবে। দুই ধাপের নিরাপত্তাঃ গুগল, টুইটার, ফেসবুক কিংবা ড্রপবক্সসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এই সুবিধা আছে। দুই ধাপের ব্যাপারটি হলো, কোনো ওয়েব কিংবা ক্লাউড-সেবায় পাসওয়ার্ড লেখার পাশাপাশি নিয়মিত পরিবর্তন ঘটে এমন কোনো নিশ্চিতকরণ নম্বরও বসাতে হয়। যখনই কোনো ওয়েব-সেবায় এই ধরনের সুবিধা থাকবে, তখনই সেটি চালু করতে হবে। যেমন, ফেসবুকে লগইন অ্যাপ্রুভাল কোড চালু থাকলে, পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার পর মুঠোফোনে একটি নিশ্চিতকরণ সংকেত আসবে, সেটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসানোর পরই কেবল ফেসবুকে প্রবেশ করা যাবে। সংযুক্ত ফাইলে ক্লিক না করাঃ ই-মেইল অথবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার সহজেই কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ অন্যের হাতে চলে যেতে পারে। তাই সন্দেহজনক কোনো ওয়েব ঠিকানা, ই-মেইলে পাঠানো অপরিচিত কারও সংযুক্ত (অ্যাটাচমেন্ট) ফাইলে হুট করে ক্লিক করবেন না। এ ছাড়া নামানো কোনো ফাইল অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে স্ক্যান করে তবেই ব্যবহার করুন। নিরাপত্তা সফটওয়্যারঃ কম্পিউটারের নিরাপত্তায় একটি ইন্টারনেট নিরাপত্তা বা অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। প্রোগ্রামটি শুধু ইনস্টল করলেই হবে না বরং এর কার্যকারিতা পেতে হলে সর্বশেষ সংস্করণ অবশ্যই ইন্টারনেট থেকে হালনাগাদ করে নিতে হবে। 

  • পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ 2018 - (18,000) আসন্ন পুলিশ এসআই, কনস্টেবল বিজ্ঞপ্তি, খালি পদ

    ডেস্কঃ(I.D). ৩০ মার্চ ২০১৮ঃ-পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ পুলিশ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সাব ইন্সপেক্টর ও কনস্টেবল পোস্টের 1২,500 পদে নিয়োগের জন্য নির্ধারিত আবেদন দাখিল করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে চাকরি খুঁজছে এবং সরকারি সেক্টরে তাদের কর্মজীবন নিশ্চিত করার জন্য আবেদনকারীদের, এই তাদের জন্য একটি সুবর্ণ কাজের সুযোগ। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ 2018 এর যোগ্যতা মাপকাঠি পূরণকারী প্রার্থীগণ যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে শেষ তারিখের নীচে অথবা তার আগে তাদের অ্যাপ্লিকেশনগুলি জমা দিতে পারেন। আবেদনকারীরা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ 2018 এসআই, কনস্টেবল মত যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। মানদণ্ড, নির্বাচন প্রক্রিয়া, ইত্যাদি কিভাবে প্রয়োগ করা হয় ভাল।পুলিশ ডিপার্টমেন্টে যোগদানের স্বপ্ন দেখছে এমন সম্ভাব্য প্রার্থীদের জন্য গ্রেট নিউজ এখানে আছে। সম্প্রতি, বোর্ড একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে যেখানে এটি নির্দিষ্ট করা হয়েছে যে তারা 18,000 সাব ইন্সপেক্টর, কনস্টেবল চাকরির জন্য তরুণ এবং দক্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী নিয়োগের খোঁজ করছে। তাই 2018 সালে এই পুলিশ জবসের জন্য অপেক্ষা করছে এমন প্রার্থীরা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ডিপার্টমেন্টে অবস্থান করার জন্য এই সুযোগটি ব্যবহার করতে পারেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদনকারীদের 10 টি শ্রেণী / ম্যাট্রিকুলেশন / 1২ তম শ্রেণি / ইন্টারমিডিয়েট / স্নাতক শ্রেণীর কোনও সরকারি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান / বোর্ড হতে ন্যূনতম পাসের শতকরা পাস নম্বর থাকতে হবে। আমরা ইন্টেন্ডার্সগুলিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিই এবং এই পোস্টে আমরা আরও কিছু আপডেট করে রেখেছি। প্রতিষ্ঠানের নাম-পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ 2018 পোস্টের নাম (গুলি)-কনস্টেবল, সাব ইন্সপেক্টর খালি সংখ্যা-18,000 যোগ্যতা-10th, 12th, ডিগ্রী শেষ তারিখ-শুরুর তারিখ শীঘ্রই আপডেট করা হবে।  পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কনস্টেবল এসআই যোগ্যতা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের জন্য আবেদন করতে আগ্রহী এমন প্রতিদ্বন্দ্বীরা যদি যোগ্যতা অর্জন করতে চায় তবে তাদের যোগ্যতা থাকতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বীগণ এছাড়াও অফিসিয়াল সাইট বা অফিসিয়াল ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিস্তারিত নিশ্চিত করতে পারেন: বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদনকারীদের 10 টি শ্রেণী / ম্যাট্রিকুলেশন / 1২ তম শ্রেণি / ইন্টারমিডিয়েট / স্নাতক শ্রেণীর কোনও সরকারি স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান / বোর্ড হতে ন্যূনতম পাসের শতকরা পাস নম্বর থাকতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ চাকরি বয়স সীমা এবং বয়স আতিথ্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ চাকরি বয়স সীমা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী হওয়া উচিত। ন্যূনতম বয়স হল 18 বছর এবং সর্বাধিক বয়স ২5 বছর। আর এসসি, এসটি, পিডব্লিউডি, পিএইচ, নারী ও অন্যান্যদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা তেলঙ্গানা সরকারের নিয়ম অনুযায়ী 05 বছরের বেশি সময় পর্যন্ত সর্বোচ্চ বয়স সীমাবদ্ধতার জন্য উপযুক্ত। নির্বাচন প্রক্রিয়া ভুক্তভোগীদের রক্ষণাবেক্ষণ রাউন্ডের সময় প্রদর্শিত কর্মক্ষমতা ভিত্তিতে 12,500 খালি জন্য নির্বাচিত করা হবে। কেরালার পুলিশ এসআই কনস্টেবলের জন্য 1২ হাজার টিকিটের চূড়ায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে লিখিত পরীক্ষা, শারীরিক পরিমাপের পরীক্ষা, শারীরিক দক্ষতা পরীক্ষা এবং ব্যক্তিগত সাক্ষাতকার / ডকুমেন্ট যাচাইকরণ। নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য আবেদনকারীকে সেই রাউন্ডগুলি পরিষ্কার করতে হবে। আবেদন ফী জেনারেল বা ওবায়দর প্রতিদ্বন্দ্বীগণকে 400 / -র আবেদন ফি প্রদান করতে হবে, তবে অন্যান্য সংরক্ষিত শ্রেণীর সকল প্রার্থীকে ২00 / - টাকা দিতে হবে। আবেদনকারীদের আবেদন ফি সম্পূর্ণ করতে ফি প্রদান করতে হবে। আমরা আবেদনকারীদের অর্থ প্রদানের আগে আঞ্চলিক ওয়েবসাইট বা অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি চেক করতে ইন্টেন্ডারদের পরামর্শ দিই। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ 2018 এর জন্য আবেদন করতে হবে প্রার্থীরা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নীচের লিঙ্ক দেখতে পারেন অনলাইনে অনলাইন লিঙ্কটি সন্ধান করুন প্রয়োজনীয় তথ্য সহ আবেদনপত্র পূরণ করুন। আবেদন ফি (কোনও অগ্রগতি ছাড়াই বিজ্ঞপ্তি / ওয়েবসাইট পুনর্বিবেচনা করুন) আবেদন ফর্ম পুনর্বিবেচনা করুন। তারপর অনলাইন মোডে আবেদনপত্র জমা দিন ভবিষ্যতের রেফারেন্স জন্য মুদ্রণ আউট নিন শারীরিক দক্ষতা টেস্ট (পুরুষ ও মহিলা) পুরুষ উচ্চতা: 167.6 সেমি,,বুকে: 86.3 সেন্টিমিটার কম হতে হবে না্‌,বিস্তারযোগ্য: 5 সেমি মহিলা উচ্চতা - 157.5 সেমি্‌,ওজন - 47 কিলোগ্রাম অন্য টেস্ট 15 সেকেন্ডে 100 মিটার,170 মিটার 170 সেকেন্ডে,উচ্চ ঝাঁপ: 1.20 মিটার,লম্বা ঝাঁপ দাও: 3.80 মিটার,শট রাখা,(7.26 কেজি): 5.60 মিটার চোখের দৃষ্টিশক্তি দূরত্ব দৃষ্টি: ডান চোখ 6/6,বাম চোখ 6/6 দৃষ্টি কাছাকাছি: ডান চোখের 0/5,বাম চোখ 0/5

  • পশ্চিমবঙ্গের বন বিভাগের নিয়োগ 2018

    ডেস্কঃ(I.D). ৩০ মার্চ ২০১৮ঃ-পশ্চিমবঙ্গের সকল কর্মী শিকারীদের জন্য সর্বশেষ সংবাদ আপডেট এখানে, বিশ্বব্যাংক পুলিশ নিয়োগ বোর্ডটি পশ্চিমবঙ্গের বন বিভাগের নিয়োগ 2018 বিজ্ঞপ্তি ঘোষণা করেছে। বিষয়বস্তু অনুমোদিত ওয়েবসাইট www.policewb.gov.in এ অনলাইন ফর্ম নির্দেশ পূরণ করতে সক্ষম। 259 টি খালি পদে প্রার্থী নিয়োগের জন্য বিশ্বব্যাংকের চাকরি শুরু হয়েছে। ডব্লিউবি ফরেস্ট রবার্ট জব 2018 বিজ্ঞাপনের জন্য নির্ধারিত তারিখের আগে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিশ্বব্যাংকের বন গার্ডের রিক্যুইটি প্রতিটি যোগ্যতা প্রার্থীদের জন্য প্রযোজ্য। ডব্লুবি বন বিভাগের রিক্যিটি নোটিফিকেশন 2018 ফর্মের জন্য অনুসন্ধানকারী সকল আবেদনকারীরা 1 9 মে ২018 তারিখে শেষ হবে। ২9 9 জন বন বিভাগের নিয়োগ 2018 www.policewb.gov.in- এ খালি রাখার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।২018 সালের মধ্যে ২01২ সালের ভর্তির যোগ্যতা অনুযায়ী মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পাস করা হবে। ছাত্রছাত্রীরা কমপক্ষে 18 বছর থেকে সর্বোচ্চ 32 বছর বয়সী সীমা পশ্চিমবঙ্গে লগইন করতে পারবেন ২5 9 ফরেস্ট গার্ডের চাকরির মেয়াদ ২01888। অফিসের মতে, বিশেষ শ্রেণীর জন্য কিছু বয়স সীমা সংরক্ষিত থাকে। অনলাইন আবেদন করার আগে আপনাকে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি পরীক্ষা করতে হবে।wbprb.applythrunet.co.in হল অ্যাপ্লিকেশন ডকুমেন্ট ওয়েব ঠিকানা এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল বেঙ্গল রেজিমেন্টের ২01২ সালের জন্য আবেদন। WB পুলিশ ভর্তি বোর্ড (WBPRB) প্রতিরক্ষা পেশা উদ্বোধন সংস্থার সদস্য যারা ফ্রস্টের ছেলে / মেয়েদের ফাঁকা পোস্টে কনস্টেবল, ড্রাইভার, সাব ইন্সপেক্টর, সহকারী উপ-পরিদর্শক, কুক, কম্পিউটার অপারেটর, সাফাইওয়ালা, পানি পুরুষ, বন দফতর সম্প্রতি ডব্লিউবি ফোরাম বিভাগের পুরুষ / মহিলা প্রার্থীকে জবাবদিহিমূলক কাজের জন্য জারি করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অনলাইন ফর্ম পূরণ করতে হবে এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি শুরু করতে হবে, বিভাগ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শারীরিক মান পরীক্ষা। বিশ্বব্যাংক ফরেস্ট গার্ড সিরিজ 2018 এবং পরীক্ষার প্যাটার্নে সাধারণ সচেতনতা ও সাধারণ জ্ঞান, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত (মধ্যম মানের), রিজনিং অন্তর্ভুক্ত হবে।

  • নতুন ইমোজি অ্যাপেলের

    ডেস্কঃ (I.D). ২৭ মার্চ ২০১৮ঃ- বন্ধু, প্রিয়জনদের সঙ্গে সারাদিন চ্যাটে কথাবার্তা লেগেই রয়েছে। সাধারণ মোবাইলের থেকে পেরিয়ে স্মার্টফোন আসার পর চ্যাট বা মেসেজ এখন আরও মজাদার। এখন তো মানুষ ABCD লেখার থেকে বেশি ইমোজিতে কথা বলেন।খুশি হলে এক গাল হাসি মুখের ছবি। দুঃখ পেলে কান্না ভরা মুখ। রেগে গেলে একরকম। আবার যখন তখন যে কাউকে খুশি এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বলতে পারবেন, না চললাম নয়, বরং ভালোবাসলাম। এরকম আরও কত। হ্যাঁ, এরকমভাবে যা বলতে চাইছেন, তাই ইমোজির মাধ্যমে বলে চ্যাটিং জমে ওঠে প্রতি মুহূর্তে। তবে, এবার শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যেও বেশ কিছু নতুন ইমোজি নিয়ে আসার প্রস্তাব দিয়েছে অ্যাপেল।শারীরিকভাবে যাঁরা অক্ষম, তাঁদের পাশে আমাদের সবসময় দাঁড়ানো উচিত্‌। তাঁদের অক্ষমতাকে নিয়ে হাসাহাসি নয়, বরং তাঁদের সঙ্গে এমন ব্যবহার করা উচিত্‌, যাতে তাঁরা নিজেদের অক্ষম না মনে করেন। আর এই কথাটাই ফের আর একবার মনে করিয়ে দিল অ্যাপেল। সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষদের পাশাপাশি শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিরাও যে ততটাই স্পেশাল, তা বোঝানোর জন্য নতুন ১৩টি ইমোজি নিয়ে আসতে চলেছে অ্যাপেল।হিয়ারিং এইড লাগানো কান, হুইলচেয়ারে বসা এক ব্যক্তি, নকল হাত, সার্ভিস ডগ প্রভৃতি এরকম আরও বেশ কয়েকটি নতুন ইমোজি নিয়ে আসতে চলেছে অ্যাপেল। শোনা যাচ্ছে ২০১৯-র প্রথম দিকেই পাওয়া যাবে ইমোজিগুলি।

  • মুসাফির - by Aparna

    মুসাফির অপর্না চক্রবর্তী ,মালদা                         আমি হলাম ক্লান্ত পথিক জীবন যুদ্ধে আমি বার বার হেরে গেছি। তবুও এই ছিন্ন মন নিয়ে  হেঁটে চলেছি এক অজানা পথের সন্ধানে।  জানিনা তার শেষ কোথায়! আমি সচক্ষে দেখেছি  জীবন দিয়ে অনুভব করেছি- - এই জীবন নামক অঙ্কটা কি দুর্বিসহ,কি কঠিন। বাস্তবতার কছে বারে বারে হেরে যাচ্ছি। আমি সীমাবদ্ধ আমার সেই ছোট্ট আমিটাতেই।  তবুও এই শূন্য মনটা বারে বারে স্বপ্ন সাজাই।  এই স্বপ্নই সবকিছু শেষ করে দিল। গ্রাস করে ফেলল   আমার ছোট্ট আমিটাকে। আর আমায় করল  ঘর ছাড়া মুসাফির।                                        

  • ঝড়ের সময়ে কী করবেন,আসছে কালবৈশাখি

    ডেস্কঃ(I.D). ২৫ মার্চ ২০১৮ঃ- চৈত্রের শুরু, আর তাতেই মেজাজ দেখাতে শুরু করেছে কালবৈশাখি। ইতিমধ্যেই তার হালকা ঝলক দেখিয়ে গিয়েছে প্রকৃতি। কালবৈশাখির প্রচণ্ড এলোমেলো ঝড় হলে কী করবেন? প্রচণ্ড ঝড়ে তছনছ হয়ে যেতে পারে জনজীবন। কালবৈশাখি আসলেই নানা জায়গা থেকে খবর পাওয়া যায় নানা দুর্ঘটনার। আপনিও যাতে ঝড়ের প্রভাবে দুর্ঘটনায় না পড়েন, তাই জেনে নিন প্রচণ্ড ঝড়ে কীভাবে বাঁচবেন। ড্যাম্প বা অন্য কোনও কারণে যদি বাড়িতে কোথাও কোনও ফাটল ধরে থাকে, তাহলে অবশ্যই এখনই সারিয়ে ফেলুন, জানালা-দরজার লক ঠিক আছে কিনা দেখে নিন,হ্যারিকেনে সবসময় কেরোসিন তেল ভরে হাতের কাছে রাখুন। এছাড়া, মোমবাতি কিংবা ব্যাটারি চালিত কোনও আলো সবসময় হাতের কাছে রাখুন। যাতে লোডশেডিং হলে অন্ধকারে অসুবিধা না হয়,ঘরে পর্যাপ্ত পরিমানে শুকনো খাবার, জল, ওষুধ হাতের কাছে রাখবেন,অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওয়াটারপ্রুফ ফাইলে ভরে রাখুন,মোবাইলে সবসময় পুরো চার্জ দিয়ে রাখুন, ঝড়-বৃষ্টির সময়ে ঘরের বাইরে বেরোবেন না। বাচ্চাদের সবসময় নজরে রাখুন। যাতে তারা কোনওভাবেই ঘরের বাইরে যেতে না পারে,ঝড়ের সময়ে বাড়ির ইলেক্ট্রিক কানেকশন বন্ধ করে দিন। মেন সুইচ বন্ধ রাখুন।

  • সম্পর্কের যেকোনো সমস্যার একমাত্র সমাধান ব্রেক-আপ নয় ! সম্পর্ক ভাল রাখতে কিছু টিপস মেনে চলুন

     সম্পর্ককে টিকিয়ে বা আগলে রাখার দায়ভার কার- নারী না পুরুষের? উত্তরটি সহজ- দু’জনেরই। কিন্তু কৌশলগত দিক থেকে এই দায়িত্ব-কর্তব্য ও বোঝাপড়াগুলো দু’জনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।   দায়িত্ব নিন দু’জনেই একটি কথা উভয়েরই মনে রাখা উচিত, একতরফা আর যাই হোক সম্পর্ক হয় না। আমরা প্রায়ই ভুল করি, রিলেশনশিপ টিকিয়ে রাখা ও ভাঙনের সমস্ত দায়িত্ব ও সম্ভাবনা একটি পক্ষের ওপর ছেড়ে দিই। পুরুষেরা নারীদের আর নারীরা পুরুষদের দোষারোপ করেন। আপনিই ভাবুন, একটি সম্পর্ক কী করে একটি পক্ষ সামলে নেবেন? বাকি যিনি থাকবেন তার কোনো রেসপনসিবিলিটি, সেনসিবিলিটি ও যত্নের প্রয়োজন নেই? যদি না-ই থাকে, তাহলে তা সম্পর্ক নয়। সম্পর্কটা দাড়িপাল্লার মতো, যার দু’টো দিক সমান ভার নিলেই ভারসাম্য বজায় থাকে।     নিজেকে দিয়ে বিচার করুন আপনি কর্মজীবী, আপনার সঙ্গীও তাই। কর্মক্ষেত্র ছাড়াও আপনাদের উভয়েরই পরিবার, বন্ধু ও অন্যান্য সামাজিক কিছু সম্পর্ক রয়েছে। দু’জনের দিক থেকেই এ বিষয়গুলোকে ছাড় দিন। লক্ষ্য করুন, আপনার আচরণে আপনার সঙ্গী এসব সম্পর্ক সহজভাবে সচল রাখতে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন কিনা। যদি তিনি আপনাকে এ বিষয়ে ছাড় দিতে পারেন তাহলে আপনিও দিন। যদি আপনি তাকে চাপে রাখেন, তার স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধার কারণ হন, তাহলে একটা সময় পর আপনার সহজ বিষয়গুলোকেও আপনার সঙ্গীর কাছে কঠিন হয়ে ঠেকবে। তৈরি হবে তুলনাবোধ। তার মনে হবে- তিনি আপনাকে ছাড় দিচ্ছেন, তবে আপনি কেন নন?     ভয় নয় আশ্রয় হোন   সঙ্গীর কাছে আপনার প্রতিমূর্তি কী বা কেমন তা নিয়ে ভেবেছেন কখনও? তিনি কি আপনাকে ভয় পান নাকি আশ্রয় ভাবেন? আপনার কথা বা আচরণ কি তার ভয়ের কারণ? সম্পর্কে ভয় দূরত্ব সৃষ্টি করে। বর্তমান সময়ে রিলেশনশিপে স্ট্যাবিলিটির চেয়ে ব্রেক-আপের সংজ্ঞা বেশি স্পষ্ট। এসময়ের অনেক  ব্যস্ততম মানুষটিও সবচেয়ে বেশি সম্পর্কযুক্ত থাকার ক্ষমতা রাখেন। শুধু চাই ইচ্ছেটা। কাজের ফাঁকে ফাঁকে দু’একটা ফোন করে খোঁজখবর নিন- তিনিকেমন আছেন, খেয়েছেন কিনা। আদতে একদম সময় নেই বলে কিছু নেই, ভুলে যাওয়াটা ভিন্ন বিষয়।     মনোযোগ দিন, বাধা নয় প্রিয় মানুষের প্রতি মনোযোগ মানেই এই নয়, তার দিকে সর্বক্ষণ নজর রাখতে হবে, তাকেই সারাক্ষণ ভাবতে হবে। তবে খেয়াল রাখা জরুরি। হতে পারে আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি একটু বেশিই যত্নশীল, স্নেহপরায়ণ বা অবসেসড। কিন্তু এতে আপনি বিরক্ত। একটু ভেবে দেখুন তো- তিনি আপনাকে ভালোবাসেন বলেই আপনাকে নিয়ে ভাবেন, এতে বিরক্তি প্রকাশের কিছু নেই। হ্যা, যদি তার এই যত্নশীলতা আপনার স্বাভাবিক চলাফেরাকে বাধাগ্রস্ত করে তবে সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। ব্যাপারটি আপনার সঙ্গীকে ঠাণ্ডা মাথায় বুঝিয়ে বলুন। সুন্দরভাবে বললে বা বোঝালে সবই সম্ভব।   অযথা দোষারোপ করবেন না   কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দোষারোপ করবেন না। ভুল সবারই হয়, ক্ষমা করুন। আর যদি আপনার ভুলের জন্য সে আপনাকে দোষারোপ করে তাহলে ক্ষমা চেয়ে নিন। সম্পর্কটাই যদি মূখ্য হয়, তবে ক্ষমা চাইতে বা করতে ক্ষতি কী।  তবে এখানেও কথা আছে- আপনি কী চান সম্পর্কটা নিয়ে? যদি নিতান্ত ওই ব্যক্তিটিকেই আর সহ্য না হয় বা ভালোলাগা কেটে যায় অথবা নতুন কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাহলে ভিন্ন বিষয়। সেক্ষেত্রে নতুন সম্পর্ককে আমন্ত্রণ জানানোর খাতিরে বর্তমান সঙ্গীর সঙ্গে নেতিবাচক আচরণ বা তাকে অহেতুক দোষারোপ না করে সরাসরি বলে দিন সত্যটা। অযথা সম্পর্কের সমস্ত অসময়ের দোষ তার কাঁধে চাপাবেন না।                                   - শঙ্কর চক্রবর্তী