সবার জন্য


  • “” আপেল দিয়ে নানা পদের রান্না ““ জেনে নিন আপেল দিয়ে তৈরী বিভিন্ন ধরনের রেসিপি।

    আপেল তো প্রচুর খেয়েছেন। আপনার বাচ্চা খেতে না চাইলেও জোর করে সেদ্ধ করা আপেলও প্রচুর খাইয়েছেন। কিন্তু অনেক মানুষই আছেন, যারা আপেল দিয়ে নানা পদের রান্না খাননি। তাই জেনে নিন আপেল দিয়ে তৈরী বিভিন্ন ধরনের রেসিপি। যা পরিবেশন করলে আপনি হয়ে উঠবেন, গুনবতী রমণী।      আপেলের পায়েশ উপকরণ আপেল ৩টি। তরল দুধ ১ লিটার। চিনি আধা কাপ বা স্বাদ অনুযায়ী। পোলাওয়ের চাল ২ টেবিল-চামচ। এলাচ ৩টি। দারুচিনি ১টি। পদ্ধতি আপেলের উপরের ছোকলাগুলো ছিলে কুচি কুচি করে কেটে নিন। এবার একটি প্যান ওভেনে বসিয়ে আপেলকুচি আর চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না আপেলের রস বের না হয়ে আসে। ভালোভাবে রান্না করে রস বের করবেন। তা নাহলে দুধে মেশালে দুধ ছানা ছানা হয়ে যাবে। এবার অন্য হাঁড়িতে দুধ জ্বাল দিন। সঙ্গে এলাচ আর দারুচিনি দিয়ে ঘন করবেন। দুধ ঘন হয়ে গেলে চাল দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর আপেল-চিনির ঘন মিশ্রণটা দুধে দিয়ে দিন। এবার ভালো করে নাড়তে থাকুন। ফুটতে দিন। আপনি কতটুকু ঘন করবেন সেটার উপর আপনার রান্নার সময়টা নির্ভর করবে। অর্থাৎ বেশি ঘন করতে চাইলে বেশি সময় জ্বালে রাখবেন। তবে নাড়তে ভুলবেন না। রান্না হয়ে গেলে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।       আপেলের হালুয়া উপকরণ আপেল- ১টি ছানা- ১/৪ কাপ (চিনি ছাড়া) চিনি- ১/৪ কাপ ঘি- ১/৪ কাপ এলাচ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ ক্যাশিউ নাট গুঁড়া- ১/২ টেবিল চামচ আমন্ড- ১/২ টেবিল চামচ প্রস্তুত প্রণালি আপেলের খোসা ছাড়িয়ে টুকরা করে নিন। ওভেনে প্যানে ঘি দিয়ে ক্যাশিউ নাট ও আমন্ড দিয়ে ভাজুন কিছুক্ষণ। আপেলের টুকরা দিয়ে ওভেনের ফ্লেম কমিয়ে দিন। নাড়তে থাকুন ঘনঘন। ১০ মিনিট পর ছানা ও চিনি দিয়ে নাড়ুন। আরও কিছুক্ষণ পর মিশ্রণ ঘন হয়ে আসলে এলাচ গুঁড়া, ক্যাশিউ নাট ও আমন্ড ছিটিয়ে নামিয়ে ফেলুন। ডেজার্ট হিসেবে পরিবেশন করুন মজাদার আপেলের হালুয়া। অ্যাপলের চিপস মাঝে মধ্যে ব্যতিক্রমী মজাদার খাবারের আইটেম তৈরি করে প্রিয়জনকে চমকে দিতে অনেকেই পছন্দ করেন। আপনি যদি সেই দলের লোক হন তাহলে শিখে নিন নতুন একটি রেসিপি।       আপেলের চিপস। আলুর চিপস কম-বেশি সবাই খেয়েছেন। কিন্তু আপেলের চিপস! খুব কম লোকই বোধ হয় এর সঙ্গে পরিচিত। আর দিনটা যদি একটু বৃষ্টি বৃষ্টি হয় তাহলে তো কথাই নেই। বৃষ্টি দেখুন আর আপেলের চিপস চিবান। ইচ্ছা করলে বন্ধুদেরও খাইয়ে আপনার নতুন রেসিপিটা পরখ করিয়ে বাহবা নিতে পারেন। উপকরণ – ২টা বড় লাল আপেল – আধা কাপ কাস্টর সুগার – ১ টেবিল চামচ লেবুর রস – অল্প করে দারুচিনি গুঁড়ো প্রণালী ১) প্রথমে সুগার সিরাপ তৈরি করুন। একটি নন-স্টিক প্যানে গরম করে নিন কাস্টর সুগার। আধা কাপ জল দিন। মিশিয়ে গরম করুন যতক্ষণ না চিনি গলে যায়। আঁচ কমিয়ে ৪-৫ মিনিট রাখুন যাতে ঘন হয়ে আসে। আঁচ থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। ২) আপেলগুলোকে চিকন করে স্লাইস করে নিন। ৩) আপেলের স্লাইসের ওপর অল্প করে লেবুর রস মাখিয়ে নিন। এরপর চিনির সিরাপে ফেলে দিন। ভালো করে আপেলের স্লাইসে মাখিয়ে নিন সিরাপ। এভাবে সিরাপে ভিজতে দিন ১০-১৫ মিনিট। ৪) ওভেন প্রিহিট করে নিন ১৮০ ডিগ্রিতে। একটা বেকিং ট্রে তে সিলিকন ম্যাট মেলে নিন। এর ওপর আপেলের স্লাইসগুলোকে রাখুন। ওপরে দারুচিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। ৫) আপেলের স্লাইসগুলোকে বেক করে নিন ৩০-৪০ মিনিট। পরিবেশন করতে পারেন চিজ স্যান্ডউইচের সাথে  ।               - মামন বর্মন আপনার যদি রান্নার ওপর শখ থাকে। আপনিও আমাদের রেসিপি লিখে পাঠাতে পারেন। তবে অবশ্যই একটি ফোন নাম্বার দেবেন। আমাদের whattasaps no 9434219594

  • শিল্পী স্বাগতা পালের একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান আগামীকাল শিশির মঞ্চে:-

    কলকাতা,রাজকুমার দাস:বাংলা ও বাঙালিয়ানা হওয়ার স্রোতে আমরা নিজেদের খুব গর্বিত মনে করি। আর গর্বের জায়গা থেকে শুরু হয় এক আলাদা ভাবে লড়াই।যা নিজস্ব ঘরানা কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।তেমনি বাচিক শিল্পী স্বাগতা পাল তার একক লড়াই কে এগিয়ে নিয়ে চলেছে,আগামী কাল ২৫শে সেপ্টেম্বর শিশির মঞ্চে "সারথি"আয়োজিত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সারস্বত সন্ধ্যায় স্বনামধন্য কবি সব্যসাচী দেব,সৈয়দ হাসমত জালান,অনির্বাণ ঘোষ সহ সারথীর অন্যতম প্রধান পার্থ মুখোপাধ্যায়কে সংবর্ধনা প্রদান করে তারপর স্বাগতার একক আবৃত্তি শুরু হবে।শিল্পী তার নিজস্ব বাচন ভঙ্গিমায় সুরেলা কণ্ঠে যে দর্শকদের আকৃষ্ট করে রাখবে তা বলাই চলে,আবহ শান্তনু ব্যানার্জী,পার্থ ঘোষের সুযোগ্য ছাত্রী স্বাগতা এগিয়ে চলুক।এদিন দ্বিতীয় পর্যায়ে রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করবেন শ্রাবনী সেন, কথা ও কবিতার সঙ্গত দেবেন সারথীর পার্থ মুখার্জী,অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় থাকছেন মধুমিতা বসু ও দেবাশীষ পাল, স্বাগতার ইতিমধ্যেই চারটি আবৃত্তির এলবাম প্রকাশিত হয়েছে।বাচিক শিল্পী হিসেবে তিনি নিয়মিত ডাক পান সরকারী অনুষ্ঠানে।কখনও সঞ্চালনায় আবার কখনও বা আবৃত্তিতে।স্বাগতার চলার পথ সুগমতর ভাবে এগিয়ে চলুক,এই কামনা করি।

  • কর্মজীবন থেকে সমাজের আয়নায় । অশোক কুমার "সার্চ আউট ট্রুথ ইন দ্য লাইট অফ নলেজ"

    একজন লেখক ই  পারেন সমাজের প্রতিচ্ছবি তার লেখনীর মধ্যে দিয়ে সমাজের ঘটেযাওয়া মুহূর্ত গুলিকে তার শব্দজালে প্রস্ফুটিত করতে। আর এমন এ একটি লেখা হচ্ছে "সার্চ আউট ট্রুথ ইন দ্য লাইট অফ নলেজ"। বইটিতে রয়েছে অতিবাহিত সমাজ এবং যেই সামাজের বাধা বিপত্তিকে পেরিয়ে সহজ সরলভাবে জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। সমাজে সকলেই ভিন্নধরনের বাধা বিপত্তির মাঝে পড়েন ভেঙেও পড়েন কিন্তু সেই বিপত্তিকে পেরিয়ে যাওয়ার পরের কৃতিত্বে সবকিছুকে ভুলে ও বসেন।  লোখক এই বিপত্তিকে এবং তার কৃতিত্বকে তার লেখনীর মধ্যে তুলে ধরেছেন লেখক শ্রী অশোক কুমার। লেখক শ্রী অশোক কুমার হালদার তিনি রেলওয়ে কর্মরত মেল এক্সপ্রেস গার্ড। অশোক কুমার হালদারের বাড়ি মালদা শহরের বিধান পল্লীতে। তার লেখা চারখানা নোবেল প্রকাশিত হয়েছে। যথাক্রমে বইগুলির নাম (১) “সার্চ আউট ট্রুথ ইন দ্য লাইট অফ নলেজ” এই বইটি বিজ্ঞান ও দর্শন উপর ভিত্তি করে লেখা ।(২) “রিমুভ দ্য ডার্ক টু এওএক উপ দ্য লাইট অফ নলেজ” এই বইটি বিজ্ঞান ও দর্শন উপর ভিত্তি করে লেখা।(৩) “দ্য রেডিক্যাল চেঞ্জ অব হিউমেন সোসাইটি অ্যান্ড উইথ ইটস সায়েনটিফিক অবজারভেশন” এই বইটি বিজ্ঞান ও দর্শন উপর ভিত্তি করে লেখা।(৪) “দ্য ড্রাইভারশিফাই লাইফ জার্নি অফ হিউমেন বিনস” তার লেখা বই প্রকাশিত হয়ে গেল ১৩ ই সেপ্টম্বর ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অফ মিডিয়া অ্যান্ড ইন্টারটেন্মেড ইনডাশাট্রি এন্ড এশিয়ান অ্যাকাডেমি অর্ফ আর্ট প্রেজেন্টেড চতুর্থ  গ্লোবাল লিটারএসি ফেস্ট্রিবেল নওডার অনুষ্ঠান মিঞ্চে  অশোক কুমার হালদারের তার লেখা নোবেল  “দ্য ড্রাইভারশিফাই লাইফ জার্নি অফ হিউমেন বিনস” ইনোগ্রেসেন করলেন অনারবেল মিনিষ্টিার রামদাস আটওয়ালে মিনিস্ট্রি অফ সোসাল জাসটিস অ্যান্ড এমপাউয়ারমেন্ট মিনিষ্টিার গর্ভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া, নিউদিল্লী।

  • বাজারে এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ ফোন এর ছড়াছড়ি। জেনে নিন কি আছে এই দুই ফোনের পার্থক্য।

    শঙ্কর চক্রবর্তী : এখন মানুষ মোবাইল ছাড়া অচল। বেশিরভাগ মানুষের হাতে একাধিক মোবাইল। প্রত্যেকে চায় নতুন নতুন টেকনোলজির মোবাইল কিনতে। বাজারে বিভিন্ন ওএস এর মোবাইল। যার হার্ডওয়ার ও আলদা আলাদা। এখন সবাই নিজেকে বাহ্যিক ভাবে স্মার্ট করার পাশাপাশি প্রযুক্তির আধুনিক সংস্করণ স্মার্ট ফোন ব্যবহার শুরু করেছে। উন্নত দেশগুলোতে স্মার্ট ফোন হিসেবে iPhone এবং BlackBerry ব্যাপক প্রচলিত। কিন্তু তার পাশাপাশি এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ ফোন গুলোও ব্যাপক চাহিদা তৈরি করেছে এবং তারা বর্তমান বাজারে বড় একটি জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু কোনটি সবচাইতে ভাল? এন্ড্রোয়েড না উইন্ডোজ? নিম্নে এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ এর তুলনামূলক সুবিধা অসুবিধা তুলে ধরা হলোঃ- এন্ড্রোয়েড ফোন এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয় এবং উইন্ডোজ ফোন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয়। এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ ফোনের সবচাইতে বড় পার্থক্য হল Apps ব্যবহারের সুবিধা। এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেমে আমরা ৮,৫০,০০০ এর বেশি Apps ব্যবহার করতে পারি যেখানে উইন্ডোজ সিস্টেমে আমরা ১,৭০,০০০ Apps ব্যবহার করতে পারি যা এন্ড্রোয়েড এর তুলনায় অনেক কম। বর্তমানে ৮ টি অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে যার মধ্যে সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেমটি হচ্ছে kitkat । এন্ড্রোয়েড ফোনের জন্য আমরা Google play সহ আরও বিভিন্ন উৎস থেকে Apps, Games, Movies, Music, ডাউনলোড করতে পারি কিন্তু উইন্ডোজ ফোনের জন্য আমাদেরকে উইন্ডোজ Apps Store থেকে ডাউনলোড করতে হয়। এন্ড্রোয়েড Apps গুলো আমরা যেকোন এন্ড্রোয়েড ফোনের সাথে শেয়ার করতে পারি কিন্তু উইন্ডোজ ফোনের Apps গুলো উইন্ডোজ ফোন ছাড়া শেয়ার করা সম্ভব নয়। এন্ড্রোয়েড ফোন এর নিরাপত্তার জন্য আমরা অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহার করতে পারি, তবে এন্ড্রোয়েড ফোনের তুলনাই উইন্ডোজ ফোনগুলো বেশি নিরাপদ। এন্ড্রোয়েড ফোনগুলো আমরা যেকোন USB পোর্ট এর মাধ্যমে কম্পিউটার এর সাথে connect করতে পারি কিন্তু উইন্ডোজ ফোন কম্পিউটার এ connect এর জন্য ZUNE software ব্যবহার করতে হয়। অনেক সময় অপ্রত্যাশিত applications এবং updates এন্ড্রোয়েড ফোনকে অনেক slow করে দেয়। এই অসুবিধাটি উইন্ডোজ ফোনগুলোতে নেই। এন্ড্রোয়েড ফোন গুলোতে ব্যাটারি চার্জ অনেক কম সময় থাকে কিন্তু উইন্ডোজ ফোনগুলোতে ব্যাটারি চার্জ তুলনামুলকভাবে. অনেক বেশি সময় থাকে। এন্ড্রোয়েড ফোনগুলো যেমন Apps ব্যবহারের জন্য বেশি সুবিধাজনক ঠিক তেমনি উইন্ডোজ ফোনগুলোও performance, web surfing, reading এবং battery life এর জন্য বেশি সুবিধাজনক। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, এন্ড্রোয়েড ফোন এবং উইন্ডোজ ফোন যেমন সুবিধা আছে আবার আসুবিধাও আছে। তবে এন্ড্রোয়েড ফোনের সুবিধা তুলনামূলক ভাবে উইন্ডোজ ফোনের থেকে বেশি। তবে যারা পেশাজীবী তাদের জন্য এন্ড্রোয়েড ফোনের তুলনাই উইন্ডোজ ফোন বেশি সুবিধাজনক। আর যারা বিভিন্ন Apps ব্যবহার করতে পছন্দ করে তাদের জন্য এন্ড্রোয়েড ফোন সবচাইতে বেশি উপকারি। তবে সত্যি কথা বলতে গেলে এন্ড্রোয়েড ফোন যে কেও ব্যাবহার করতে পারে কিন্তু উইন্ডোজ ফোন ব্যাবহার করতে গেলে পড়াশোনা জানা দরকার। আপনি এই খবরটি পড়লেন newsbazar24 এ

  • বাজারে তাল খুব সস্তা। জেনি নিন তালের নানা রেসিপি

    News bazar24: এখন ভাদ্র মাস। বাজারে তালের আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে। তাল পুষ্টি ও ভিটামিন গুনে ভরপুর। এই সময় নিয়মীত তাল খেলে সারা বছর সুস্থ থাকা যায় । তেতো বা মিষ্টি যে কোনো তালেই আপনি পাবেন খাদ্য গুন। তাই যারা তাল প্রেমী তারা নিশ্চয় এই ক’দিন তালের তৈরি নানান খাবার বানিয়ে ফেলেছেন। যারা এখনও বানাননি। যারা জানেন না তাদের জন্য আজক দেয়া হলো কয়েকটি রেসিপি- # তালের আইসক্রিম শেক উপকরণ : তালের রস ৪ কাপ পরিমান, গুঁড়া দুধ ১ কাপ, চিনি আধা কাপ, ঠাণ্ডা জল ২ কাপ, মধু ২ টেবিল চামচ, বরফ কুচি পরিমাণমতো। প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে তালের রস জ্বাল করে ঘন করে নিন। এবার বরফ কুচি ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসাথে ব্লেন্ড করে নিন। ঠাণ্ডা করে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার আইস শেক। # তালের পাটিসাপটা উপকরণ : তালের গোলা ১ কাপ, ময়দা আধা কাপ, সাথে চালের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ডিম ১টি। কোরানো নারকেল ১ কাপ, দুধের ক্ষীর আধা কাপ, চিনি আধা কাপ জ্বাল দিয়ে পুর তৈরি করে নিতে হবে। প্রস্তুত প্রণালি : তালের গোলার সঙ্গে বাকি সব উপকরণ মিলিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এবার তাওয়াতে সামান্য ঘি লাগিয়ে হাতলে করে গোলা দিয়ে তাওয়া ঘুরিয়ে রুটি তৈরি করতে হবে। ওপরটা শুকিয়ে এলে পুর দিয়ে পাটির মতো রোল করে পিঠা তৈরি করতে হবে। # তালের হালুয়া উপকরণ : তালের রস লাগবে ২ কাপ পরিমান, তরল দুধ ১ কাপ, গুঁড়া দুধ আধা কাপ পরিমান, ঘি আধা কাপ, এলাচ গুঁড়া আধা চা চামচ, চিনি ১ কাপ, কিসমিস পরিমাণমতো, গোলাপজল ১ চা চামচ। প্রস্তুত প্রণালি : পাকা তাল কচলে প্রথমে রস বের করে তালের তিতা জল বের করে নিন। এবার তালের রস, তরল দুধ, গুঁড়া দুধ, চিনি, এলাচ গুঁড়া সব একসঙ্গে মেখে নিন। এবার প্যানে ঘি দিয়ে মিশ্রণটি ঢেলে দিন। ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। যখন আঠালো হয়ে আসবে তখন গোলাপজল ও কিসমিস দিন। শক্ত হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

  • মুক্তি পেলো "আমি রাজনীতি চাইনা"

    কলকাতা,রাজকুমার দাস:৩১শে অগাস্ট মুক্তি পেল এন কে ডি প্রোডাকশনে নতুন বাংলা ছবি "আমি রাজনীতি চাইনা"।পরিচালনায় সিমান্ত চ্যাটার্জী,নামেই ছবির বিষয় অনেকটাই পরিস্কার।কাহিনী বিকাশ সরকার,সঙ্গীত পরিচালক অরিজিৎ ব্যানার্জী,রাহুল রাজ দেব নিবেদিত ছবির প্রযোজনা করেছেন ভাস্কর দেব। ছবিতে বহিঃদৃশ্যায়ন ও সংগীত সুন্দর।তবে চরিত্র নির্বাচন ক্ষেত্রে পরিচালক কে আরো একটু সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। যেমন কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের অনেকের দেখে মনেই হবেনা গ্রাজুয়েশন সমাপ্ত করার স্টুডেন্ট বলে।দুলাল লাহিড়ীর ছেলের চরিত্রে যে অভিনয় করেছেন তিনি ও বেমান।গল্পের তেমন জোর নেই ,তবে গীতশ্রী র অভিনয় বেশ ভালো।অনিন্দ্য,দেবেশ রায় চৌধুরী নিজেদের ভূমিকায় যথা যথ।আগামী দিনে "আমি রাজনীতি চাইনা"-র নাম করণঅন্তত ঠিকঠাক ভাবে যেন পুরো টিম করেন সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।নাম এমন হবে যেন শিরোনাম নামের টানে দর্শক সিনেমা হলের সামনে আসে।

  • মন চাইলেই বাড়িতে বানিয়ে খান বিরিয়ানী,জেনে নিন কিভাবে বানাবেন বিরিয়ানী

    আয়েশা সিদ্দিকী:এমন অনেক খাদ্যরসিক আছেন, যাঁরা রেস্তোরাঁয় বসে ‘টাইম পাস’ করার জন্যেও বিরিয়ানি খেয়ে নেন। বাড়িতে ডায়নিং টেবিলে খাবার সাজানো, টিভিতে বা হাতের কাছে পড়ে থাকা কোনও ম্যাগাজিনে বিরিয়ানি দেখে অর্ডার দিয়ে টেবিলের খাবার ফের ফ্রিজে তুলে রাখেন। কিন্তু মন চাইলেই তো আর যখন তখন হাতের কাছে বিরিয়ানি পাওয়া যাবে না! তাছাড়া বিরিয়ানি খেতে হলে রেস্তোরাঁ ছাড়া আর কী বা উপায় আছে? উপায় আছে। আজ জেনে নিন বাড়িতে বিরিয়ানি বানানোর সহজ কৌশল। আর মন চাইলেই চটজলদি বানিয়ে ফেলুন বিরিয়ানি! আজ রইল চিকেন বিরিয়ানি বানানোর সহজ রেসিপি। বাসমতী চাল ৭৫০ গ্রাম (বাঁশকাঠি চালেও করা যাবে)। মুরগির মাংস দেড় কেজি (ব্রেস্ট আর লেগ পিস হলেই ভাল হয়)। পেঁয়াজ কুচি ৪-৫টি বড় মাপের। রসুন বড় 8 কোয়া। কাঁচালঙ্কা-আদাবাটা ২ চামচ। টক দই ১ কাপ। গোটা মশলা যেমন- লবঙ্গ, দারচিনি, এলাচ, জায়ফল, জয়িত্রী, ধনে আন্দাজ মতো। দুধে ভেজানো জাফরান বা কামধেনু রঙ সামান্য। কেওড়া জল আন্দাজ মতো। ঘি ৩-৪ চামচ। বেরেস্তা বানানোর পদ্ধতি:— পেঁয়াজ কুচি করে কিছু ক্ষণ দুধে ভিজিয়ে রাখুন। তেল খুব গরম হলে পেঁয়াজ কুচিগুলি দুধ থেকে তুলে নিয়ে ভাজুন। এতে পেঁয়াজে তাড়াতাড়ি বাদামি রঙ ধরবে এবং পেঁয়াজ কুচিগুলিও মুচমুচে হবে। বিরিয়ানির মশলা বানানোর পদ্ধতি:— প্রথমে গোটা মশলাগুলো মিক্সিতে পিষে নিন। এবার কাঁচালঙ্কা, পেঁয়াজ, রসুন ও আদা মিক্সিতে পেষ্ট করে রাখুন। টকদই— এ গুড়ো মশলাগুলো দিয়ে ফেটিয়ে রাখুন। এবার মাংসের মধ্যে সব বাটা মশলা এবং -গুঁড়ো মশলা মেশানো টক দই ও নুন-চিনি দিয়ে ম্যারিনেট করুন। জল দিতে হবেনা। বেশি সময় ধরে ম্যারিনেট করলে মাংস নরম হয়। ফ্রিজেও রাখতে পারেন বেশ কিছুটা সময়। এবার ম্যারিনেট করা মাংস ও গোটা আলু প্রেসার কুকারে দিয়ে ২-৩টি সিটি দিন। খেয়াল রাখবেন রান্নার সময় আঁচ হালকা করে নিতে হবে। বিরিয়ানির ভাত তৈরির পদ্ধতি:— চাল অন্তত ১ ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখুন। এবার একটিপাত্রে জল দিয়ে ফুটতে দিন। তাতে জল ঝরিয়ে চালগুলো দিয়ে দিন।ঐ সঙ্গে তেজপাতা ও নুন দিন। চালের পরিমাণ অনুযায়ী জল দিতে হবে। ভাত একটু শক্ত থাকতে নামিয়ে নিন। মশারির নেট বা মিহি তারের চালুনিতে ঢেলে দিয়ে ভাত ঝরঝরে করে নিন। এবার দুধে ভেজানো জাফরান ভাতের উপর ছড়িয়ে দিয়ে অথবা অতি সামান্য কামধেনু রং দিয়ে ভাত সামান্য ঝাঁকিয়ে নিন যাতে ভাতের সঙ্গে কামধেনু রং বা জাফরান ভাল করে মিশে যায়। বিরিয়ানির সাজানোর বা লেয়ার বানানোর পদ্ধতি:— একটি পাত্রে প্রথমে আন্দাজ মতো ভাত দিন। তারপর রান্না করা মুরগির মাংসের কয়েকটি টুকরো, আলু এরপর পেঁয়াজ ভাজা ছড়িয়ে দিন। আগের মতো একইভাবে সামান্য ঝাঁকিয়ে নিন যাতে ভাতের সঙ্গে সব উপকরণ ভাল করে মিশে যায়। সবশেষে কেওড়ার জল ছড়িয়ে দিন। এবার ৩-৪ চামচ ঘি ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন। এই বার ওভেনে একটা তাওয়া রেখে কিংবা একটি ফুটন্ত জলের পাত্রের উপর বিরিয়ানির পাত্রটি বসিয়ে রাখুন ২০—২৫ মিনিট মতো। বিরিয়ানির পাত্রের ঢাকনা ভাল করে বন্ধ করতে হবে। দরকার হলে মাখা ময়দার প্রলেপ দিয়ে ফাঁক বন্ধ করলে ভাল হয়। ব্যস,এবার গরম গরম পরিবেশন করুন। আপনি এই খবরটি পড়লেন Newsbazar24.com এ

  • উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করার পর থেকেই আপনাকে সমস্যাই পড়তে হচ্ছে ? জেনে নিন কিভাবে সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন

    উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করার পর থেকেই  আপনাকে সমস্যাই পড়তে হচ্ছে ?  জেনে নিন কিভাবে সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন-                                           শঙ্কর চক্রবর্তী উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করার পর থেকেই এর ব্যবহারকারীকে পড়তে হচ্ছে নিত্যনতুন সমস্যায়।যদিও এগুলো কোন সমস্যা নয়,মাইক্রোসফট তার বিভিন্ন ফিচার পরিবর্তনের কারনে এই ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।এগুলোর রয়েছে সহজ কিছু সমাধান,তাই নিয়েই আজকের এ পোস্ট। আপনি যদি সরাসরি উইন্ডোজ একটিভ করতে না পারেন তাহলে কে এম এস এক্টিভেটরের সাহায্যে শজেই এক্টিভ করে নিতে পারেন আপনার উইন্ডোজটি। কে এম এস এক্টিভেটর ডাউনলোড করতে kms activator   ২.বন্ধ করুন অটো আপডেট প্রথমে কম্পিউটার এর icon এ right click করে  manage  এ যান এর পর  service এ ক্লিক করুন এখন নিচের দিক থেকে windows update খুজে বের করুন এবং ক্লিক করুন এখন start up type  এ গিয়ে disabled করে stop এ ক্লিক করুন এবং  prosessing হবার পর ok ক্লিক করুন বন্ধ হয়ে গেল আপনার অটো আপডেট। ৩.বাংলা ফন্ট সমস্যা Control panel এ যান Language a Click করুন Add Language click করুন তারপর বাংলা তে ক্লিক করুন বাংলাদেশের জন্য বাংলা নির্বাচন করুন Language preference a click করুন বাংলা (বাংলাদেশ) সিলেক্ট করুন Option এ ক্লিক করুন ৪. ডিলেট করুন windows.old ফোল্ডার সি ড্রাইভে গিয়ে রাইট বাটন ক্লিক করে প্রপার্টিজ এ ক্লিক করুন এবার ডিস্ক ক্লিন আপ এ ক্লিক করুন এবার অপেক্ষা করুন একটু পর দেখাবে আপনি কোন কোন ফোল্ডার ডিলেট করতে চান ঐখান থেকে windows.old ফোল্ডারটি সিলেক্ট করে ওকে করুন। আরো কিছু সমস্যা এবং সমাধান  নিয়ে আমরা হাজির হব পরবর্তী লেখায় । উইন্ডোজ নিয়ে আপনার কোন সমস্যা থাকলে লিখুন আমাকে। sankar.akantoapan@gmail.com

  • নিজেই বানিয়ে নিন টুথপেস্ট , জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন টুথপেস্ট

    newsbazar24: মুখের স্বাস্থের দিক দিয়ে চিন্তা করলে সকালে ও রাতে অন্তত দু’বার ব্রাশ করা উচিত। কিন্তু বাজার চলতি কোন টুথপেস্ট ভাল বা কোনটায় ক্ষতিকারক রাসায়নিক রয়েছে, তা বোঝা মুশকিল। এমন অবস্থায় বিকল্প হিসেবে যদি ঘরে তৈরি টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘরে টুথপেস্ট তৈরির পদ্ধতি। টুথপেস্ট তৈরি করতে যা যা লাগবে: ১. বেকিং সোডা আধা কাপ। ২. সামুদ্রিক লবণ ১ চামচ। ৩. পিপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল ১০ থেকে ১৫ ড্রপ এর পরিবর্তে লবঙ্গের তেলও ব্যবহার করতে পারেন। ৪. ফুটানো বিশুদ্ধ জল। টুথপেস্ট তৈরির পদ্ধতি: ১. প্রথমে সব উপকরণ জোগাড় করে নিন। এ বার একটি পাত্রে বেকিং সোডা নিয়ে নিন। ২. বেকিং সোডার মধ্যে একে একে লবন, পিপারমিন্ট অয়েল বা লবঙ্গের তেল মিশিয়ে নিন। ৩. সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নেওয়ার পর তাতে ধীরে ধীরে জল মেশাতে শুরু করুন। মিশ্রণটি যখন ঘন, থকথকে হয়ে যাবে তখন জল মেশানো বন্ধ করে দিন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল টুথপেস্ট। ৫. এবার একটি পাত্রে মিশ্রণটি ঢেলে নিন এবং সংরক্ষণ করুন।তবে হ্যাঁ এই তুথ পেস্ট ফ্রিজে নয়। সাধারন আদ্রতায় রাখুন।  

  • ঘরোয়া পদ সব সময় ভাল লাগে না।তাই আজ রেস্তোরাঁর মতো চিকেন দো পেঁয়াজা হয়ে যাক

    news bazar24: চিকেন দো পেঁয়াজা বানাতে লাগবে:চিকেন ৫০০ গ্রাম মাঝারি সাইজের টুকরো করা, টমেটো বাটা (পিউরি) ৪টি, পেঁয়াজ (পাতলা করে কাটা) ২-৩টি, রসুন (কুচি করা) ৬-৭ কোয়া।আদা (কুচি করা) ১ ইঞ্চি।ঘি ২ চামচ।লঙ্কা গুঁড়ো ২ চামচ।হলুদগুঁড়ো আধা চামচ।ধনেগুঁড়ো ২ চামচ।গরমমশলা গুঁড়ো ১ চামচ।লেবুর রস ১ চামচ।আদা (লম্বা সরু সুরু করে কাটা) ২ ইঞ্চি।পেঁয়াজ (রিং করে কাটা) ১টা।টমেটো (রিং করে কাটা) ১টা।ক্যাপসিকাম (রিং করে কাটা) ১-২টি।ধনেপাতা (কুচি) আধা কাপ।মাখন আধা চামচ।নুন স্বাদমতো।তেজপাতা ১টি।দারুচিনি ১টি, ছোট এলাচ ২টি, বড় এলাচ ১টি, লবঙ্গ ৩-৪টি।গোলমরিচ ৩-৪ টি।গোটা জিরে আধা চামচ।জয়িত্রী ১-২টি।জায়ফল সামান্য (সব মশলা গুঁড়ো করা)   চিকেন দো পেঁয়াজা বানানোর পদ্ধতি: চিকেন পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। নুন, লংকাগুঁড়ো, লেবুর রস দিয়ে চিকেন ম্যারিনেট করে ১ ঘন্টা রেখে দিন।ম্যারিনেট করা চিকেনে দই, হলুদগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো, গরমমশলা গুঁড়ো মিশিয়ে ৩০-৪০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন।কড়াইতে ঘি গলিয়ে তার মধ্যে গোটা গরমমশলা ফোড়ন দিন।কয়েক সেকেন্ড নাড়াচাড়া করার পর সুন্দর গন্ধ বের হলে গরমমশলা আলাদা পাত্রে ঢেলে রাখুন।আবার কড়াইতে ঘি গরম করে এরপর আদা, রসুন এবং পেঁয়াজ কুচি দিন।কয়েক সেকেন্ড নাড়াচাড়া করার পর টমেটো পিউরি দিন।ভাল করে মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। কম আঁচে ৩-৪ মিনিট কষিয়ে নিন।এরপর কড়াইতে চিকেন ও গুঁড়ো করে রাখা মশলা দিয়ে আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে আস্তে আস্তে নাড়ুন।১৫-২০ মিনিট কষিয়ে নিন, চিকেন সেদ্ধ হয়ে যাবে। চিকেনটা ছড়ানো পাত্রে ঢালুন।রিং করে কাটা সবজি ওপরে গোল করে সাজিয়ে দিন এবং লম্বা সরু সুরু করে কাটা আদা, ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন।মাখন দিয়ে ৩-৪ মিনিটের জন্য রেখে পরিবেশন করুন।