সবার জন�য


  • "শাশুড়ির জিহ্বা" অফিস বা শোবার ঘরে লাগান । ঘর ঠান্ডা থাকবে..

    সৃজা ভকত : আপনি কি জানেন, গৃহসজ্জার উদ্ভিদ খালি ঘরের ভেতরকার সাজসজ্জা বা মান বাড়ায় না, গাছের শ্বসন প্রক্রিয়া চলাকালীন উদ্ভিদ বাতাসে অতিরিক্ত জল বাষ্প করে ছেড়ে দেয় যা ঘর ঠান্ডা করার পাশাপাশি বেশ চনমনেও করে দেয়। তাই আপনার ঘরকে ঠান্ডা রাখতে লাগান বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। বলাবাহুল্য, অফিসের ডেস্কে একখানা ছোট্ট চারাগাছ শাশুড়ির জিহ্বা (mother-in-law's tongue) নামের অত্যন্ত অনন্য এই উদ্ভিদ আসলে বাতাস থেকে বিষাক্ত পদার্থ টেনে নেয় এবং বাতাসকে তাজা করে, অক্সিজেন এবং আর্দ্রতা বাড়ায়। রান্নাঘরের জানলা দিয়ে উঁকি দিলেই দেখতে পাওয়া সবুজ পাতা শুধু প্রকৃতির অবস্থা না, মনের অবস্থাও ভালো করে দেয়। ঘর সাজাতে সেই কারণেই বাড়ছে গাছের কদর। বাড়িতে এ বিভিন্ন জায়গায় মানানসই গাছ থাকলে ঘরের পরিবেশ বেশ আরামদায়ক তো থাকেই, ঘরে কোণে বা বিছানার পাশে টেবিলের উপর বেশ সুন্দর নান্দনিক গাছ মন ভালো করে দেয়। গৃহসজ্জার উদ্ভিদ ঘরের সাজের মান বাড়ায় না, গাছের শ্বসন প্রক্রিয়া চলাকালীন উদ্ভিদ বাতাসে অতিরিক্ত জল বাষ্প করে ছেড়ে দেয় যা ঘর ঠান্ডা করার পাশাপাশি বেশ চনমনেও করে দেয়। সুতরাং এই গ্রীষ্মে আপনার বাড়িতে এই ৬ টি গাছ নিয়ে এসে ঘরকে করুন শীতল, মনকেও রাখুন আরামে। আর সেই জন্যই এই গরমে বাড়ি ঠাণ্ডা রাখতে কোন কোন গাছ লাগাবেন দেখে নিন এক নজরে, অ্যালোভেরা (aloe vera) পাতায় জলের পরিমাণ প্রচুরয়। অ্যালোভেরা বায়ু পরিশোধন করার আদর্শ গাছ এবং এর রক্ষণাবেক্ষণও কম। এই গাছটার নামটাই একেবারে আলাদা। শাশুড়ির জিহ্বা (mother-in-law's tongue) নামের অত্যন্ত অনন্য এই উদ্ভিদ আসলে বাতাস থেকে বিষাক্ত পদার্থ টেনে নেয় এবং বাতাসকে তাজা করে, অক্সিজেন এবং আর্দ্রতা বাড়ায়। rubber fig গাছটি বাতাস থেকে বিষাক্ত পদার্থ টেনে নেয় এবং তাপমাত্রার ভারসাম্য বাড়ায়। areca palm গাছের পাতার পৃষ্ঠভূমি বেশি যে কারণে এটি অক্সিজেন উৎপাদপন বৃদ্ধি করে। এর পাশাপাশি, আপনার বাড়িতে উপযুক্ত গ্রীষ্মমন্ডলীয় স্পর্শ যোগ করতে হলে এই গাছের জুড়ি নেই। ficus উদ্ভিদ বায়ু শীতল এবং আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে এবং এটি যেখানে স্থাপন করা হয় সেই পার্শ্ববর্তী এলাকায় আর্দ্রতার পরিমাণও বাড়ে। শাশুড়ির জিহবা  (mother-in-law's tongue) নামের অত্যন্ত অনন্য এই উদ্ভিদ আসলে বাতাস থেকে বিষাক্ত পদার্থ টেনে নেয় এবং বাতাসকে তাজা করে, অক্সিজেন এবং আর্দ্রতা বাড়ায়।

  • চুল শুকোতে হেয়ার ড্রায়ার নয়, ব্যবহার করুন পাতলা গামছা

    newsbazar24: মোটা তোয়ালে নয়, পাতলা গামছা বা কাপড় ব্যবহার করুন চুল মুছতে।অনেকেই মোটা টাওয়েল দিয়ে চুল মোছেন। এতেও চুলের ক্ষতি  হয়। চুলের ডগা ফাটে বা স্প্লিট এন্ডস হয়। বদলে পাতলা কাপড় দিয়ে অনেক ক্ষণ ধরে মাথা মুছুন। এতে চুলের জোলে ভাব অনেকটা কমে যাবে।গ্রীষ্ম হোক বা বর্ষা স্নানের পরে ভিজে চুল শুকনো বড় ঝক্কির ব্যাপার। তার উপরে চুল যদি লম্বা হয়, তা হলে ব্যস্ততার মধ্যে তার বারোটা বাজে। কিন্তু গরমে ভিজে চুল নিয়ে বাইরে বেরলে ঘাম আর নুন মিশে চুলের অবস্থা আরও খারাপ হয়। বর্ষাতেও বাতাসে আর্দ্রতা থাকায় চুল শুকোতে সমস্যা হয়।অথচ চুলের গোড়া ঠিক করে না শুকোলে তা খুবই ক্ষতিকারক। গোড়ায় ময়লা জমতে থাকে। ফলে খুশকি, চুল পড়া ইত্যাদি সমস্যা হতে থাকে। তাই তাড়াহুড়োয় অফিস যাওয়ার আগে বা কলেজে ঠিক সময়ে পৌঁছতে নির্ভর করতে হয় হেয়ার ড্রায়ারের উপরে।কিন্তু এই ব্লো ড্রায়ারের মাধ্যমে চুল শোকানো যে আরও কত বড় ক্ষতি করতে পারে তার কোনও সীমা নেই। চুল রুক্ষ হওয়া তো রয়েইছে, এ ছাড়া হেয়ার ড্রায়ারের গরম হাওয়া মাথার ত্বকেরও ক্ষতি করে। ঘন ঘন হেয়ার ড্রায়ার চুলের গোড়াকেও নষ্ট করে। তাই হেয়ার ড্রায়ার ছাড়া চুল শোকাতেই পরামর্শ দেন ত্বক বিশেষজ্ঞরা। আপনিও কয়েকটি কৌশল মেনে চললেই এই সমস্যার সহজ সমাধান এসে যাবে হাতের মুঠোয়।চুল শোকাতে সময় লাগলেও চেষ্টা করুন কিন্তু প্রাকৃতিক রোদ, হাওয়া বা পাখার হাওয়ায় চুল শুকনোর। কোনও টেবিল ফ্যান থাকলে তার সামনে চুল শোকান। ‌তবে গামছা দিয়ে জোরে চুল ঝাড়বেন না। কিছুক্ষণ শুরনো কাপড় পেঁচিয়ে রাখুন। এতে চুলের জল অনেকটাই শুকোবে।চুলের কিছু অংশ, বিশেষ করে গোড়া শুকোলে, বড় দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে ফ্যানের তলায় বসুন। এতে বাকি চুলও তাড়াতাড়ি শুকোবে। তবে হালকা হাতে চুল আঁচড়াবেন।চুল হালকা ভিজে থাকতেই লিভ-ইন কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এতে চুল ফুলে থাকে ও সুগন্ধও থাকে। চুল আরও মোলায়েম হয়।চুল ভিজে অবস্থায় আঁচড়ানোর আগে সিরাম লাগান। এতে চুলে জট ছাড়বে। চুলের মধ্যে বাতাসও যাতায়াত করতে পারবে। ফলে চুল শুকোবে তাড়াতাড়ি।

  • আগামিকাল মাধ্যমিকের ফল ঘোষনা, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন অনলাইনে

    newsbazar24: আগামিকাল মাধ্যমিকের ফল ঘোষনা, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন অনলাইনে , রাত পোহালেই মাধ্যমিকের ফলাফল,গত ১২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮৮ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ করতে চলেছে পর্ষদ ।এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১০.৬৬ লক্ষ। ভোটের আবহেই মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশ হতে চলেছে। গত ৮ মে ফলাফলের তারিখ ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) । আগামিকাল সকাল ১০টার পর থেকে পর্ষদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট www.wbbse.org-এ ফলাফল জানা যাবে। এছাড়াও যে সমস্ত ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার্থীরা ফলাফল জানতে পারবেন সেগুলি নিচে দেওয়া হল।  www.wbbse.org, www.wb.allresults.nic.in (এখনও চালু হয়নি), এবং www,examresults.net, www.exametc.com, www.indiaresult.com, www.result.shikshaওয়েবসাইট ছাড়াও এসএমএসের মাধ্যমেও ফলাফল জানা যাবে। WB <রোল নম্বর> পাঠিয়ে দিতে হবে 54242/ 56263/58888 নম্বরে। এছাড়াও আপনার মোবাইল নম্বরটি প্রি রেজিস্টার করতে পারেন, এতে রেজাল্ট বেরনো মাত্রই এসএমএস পৌঁছে যাবে আপনার কাছে। তার জন্য www.exametc.com-এ মোবাইল নম্বর এবং রোল নম্বর দিয়ে রেজিস্টার করুন। বা গুগুল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন Madhyamik Result 2019 বা www.result.shiksha অ্যাপগুলি। 

  • সন্ধ্যের খাবার মেনুতে রাখুন চিকেন সুই মাই ও চিকেন গিয়োজ়া, রেসিপি জেনে নিন

    newsbazar24:  চিকেন সুই মাই- চিকেন সুই মাই বানানোর জন্য উপকরণ: চিকেন কুচি ৪০ গ্রাম, চিনা ড্রায়েড মাশরুম একটি, গ্রাউন্ড আধ চা চামচ, জ়াওশিং ওয়াইন ১ চা চামচ, তিল আধ চা চামচ, ক্যাস্টর আধ চা চামচ, অয়েস্টার সস ১ চা চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ১/৪ চা চামচ, নুন ১/৪ চা চামচ, ওয়ানটন শিট ৪টি। প্রণালী: নুন দিয়ে মাংস মিনিট পাঁচেক ম্যারিনেট করে রাখুন। জল দিয়ে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। মাশরুম, চিকেন, গ্রাউন্ড, তিল, জ়াওশিং ওয়াইন, ক্যাস্টর একসঙ্গে পাত্রে ভাল করে মিশিয়ে নিন। বারবার পিটিয়ে সেটার মণ্ড তৈরি করুন। এর মধ্যে অয়েস্টার সস, কর্নফ্লাওয়ার, নুন দিয়ে মেশান। ওয়ানটন শিট ছড়িয়ে এই মিশ্রণ দিন। ভাল করে ওয়ানটন শিট মুড়ে নিন। এ বার মিনিট দশেক ভাপিয়ে নিলে তৈরি চিকেন সুই মাই। দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯ চিকেন গিয়োজ়া-  চিকেন গিয়োজ়া বানানোর জন্য উপকরণ: কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, গিয়োজ়া স্কিন ২৬টি, ভেজিটেবল অয়েল ২-৩ টেবিল চামচ, স্প্রিং অনিয়ন ৪টি, আদা দেড় ইঞ্চি, রসুন কোয়া একটি, সয়া সস ২ টেবিল চামচ, অয়েস্টার সস ২ টেবিল চামচ, তিল তেল আধ টেবিল চামচ,  চিকেন কিমা ১৪০ গ্রাম। প্রণালী: স্প্রিং অনিয়ন, বাঁধাকপি, পেঁয়াজ ও রসুন কুচিয়ে নিতে হবে। এর মধ্যে সয়া সস, অয়েস্টার সস, তিল তেল, নুন দিয়ে মিশিয়ে নিন। একটি পাত্রে এই মিশ্রণ নিয়ে তার মধ্যে চিকেন কিমা মিশিয়ে নিন। হাতের তালুতে ডাম্পলিং স্কিন নিয়ে তার মধ্যে এই মিশ্রণ বেশি করে দিন। আঙুল দিয়ে ডাম্পলিং স্কিনের দু’পাশে জল লাগিয়ে ভাঁজ করতে শুরু করুন। প্লিট করে পুরোটা মুড়ে দিন। খেয়াল রাখবেন যেন পুর বেরিয়ে না যায়। একটি পাত্র গরম করে তাতে অল্প তেল দিন। একে একে গিয়োজ়া প্যানে রাখুন। একটা দিক মিনিট দুয়েক সোনালি হতে দিন। উলটে দেবেন না। দু’মিনিট পরে বেশ খানিকটা জল ছড়িয়ে দিন গিয়োজ়ার উপরে। উপরে স্টিমিং লিড দিয়ে ঢাকা দিন। মিনিট পাঁচেক রান্না হতে দিন। জলটা বাষ্পীভূত হয়ে গেলে চিকেন গিয়োজ়া নামিয়ে নিন। তারপর সাজিয়ে দিন খাবার পাতে। 

  • পেটের মেদ ঝরিয়ে ফেলুন তুলসি পাতার তৈরি চায়ে

    newsbazar24: পেটের মেদ ঝরিয়ে ফেলুন তুলসি পাতার তৈরি চায়ে, তুলসি পাতার একাধিক ঔষধি গুণ আর রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি। যুগ যুগ ধরেই ছোটোখাটো নানা রোগের ওষুধ হিসেবে তুলসি পাতার ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে জানেন কি পেটের বাড়তি মেদ ঝটপট ঝরিয়ে ফেলতেও তুলসি পাতা অব্যর্থ টোটকা হিসেবে কাজ করে? পেটের বাড়তি মেদ ঝরাতে কষ্টকর শরীরচর্চার বদলে কাজে লাগিয়ে দেখুন তুলসির টোটকা। জেনে নিন তার পদ্ধতি...সর্দি-কাশিতে তো বটেই, পেটের বাড়তি মেদ ঝটপট ঝরিয়ে ফেলতেও তুলসি চা অত্যন্ত কার্যকরী একটি ঔষধি পানীয়। জেনে নিন কী ভাবে বানাবেন তুলসি চা। তুলসি চায়ের উপকরণ:৩-৪টি তুলসি পাতা,২ কাপ কাপ জল,আধা চামচ মধু।  তুলসি চা বানানোর পদ্ধতি:প্রথমে একটি পাত্রে ২ কাপ কাপ জল দিয়ে মাঝারি আঁচে বসিয়ে দিন।জল ফুটে উঠলে তাতে ৩-৪টি তুলসি পাতা দিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে নিন।পাত্রের জল কিছুটা শুকিয়ে ১ কাপের মতো হয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন।এ বার এর সঙ্গে আধা চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে খেয়ে দেখুন এই চা। প্রতিদিন অন্তত দু’বার তুলসি চা খেয়ে দেখুন। দ্রুত ঝরবে পেটের মেদ, শরীর থাকবে চনমনে।

  • জীবনে সফল হওয়ার ৭টি উপায়, জেনে নিন

    newsbazar24: সাফল্য যেন সোনার হরিণ কিংবা রাতের শেষ রেলগাড়িটা। সবাই ছুটছে তার দিকে। সবার মনে প্রশ্ন, হরিণের দেখা মিলবে কবে কিংবা রেলগাড়িটা কি ধরতে পারব? কেউ সাফল্যের জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা করে যান, কেউবা মাঠে নেমেই গোল দেন। আবার কেউ সাফল্যের জন্য পরিশ্রম না করে একঘেয়ে জীবনের ঘানি টানেন। সাফল্য বিষয়টিকে আকাশে ঘুড়ি ওড়ানোর সঙ্গে মেলানো যায়। ঘুড়িকে যত ওপরে ওড়ানোর চেষ্টা করবেন ততই আপনাকে বাতাসের বিরুদ্ধে সুতায় টান দিতে হবে। বাতাসের সঙ্গে তাল মেলালেই ভজকট, ঘুড়ি নিচে নামতে শুরু করবে। মার্কিন লেখক, বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা জেমস অ্যালটুচ্যার কোরা ডাইজেস্টে তাঁর পোস্টে সফল হওয়ার সাতটি উপায় নিয়ে বলেছেন। স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিতে হবেঃ শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যের সঙ্গে কিন্তু আমাদের অভ্যাসগুলো জড়িত। খুব সহজে বদভ্যাসে জড়িয়ে পড়া যায়, সুঅভ্যাসের জন্য সময় দিতে হয়। সাফল্যের জন্য শরীরের যত্ন নিতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয়ে জোর আনতে হবে। সৃজনশীলতার বিকাশে নজর দিতে হবে। নেতিবাচক মানুষ ও পরিবেশ এড়িয়ে চলতে হবে। সবকিছুই আজকের বিষয়ঃ ভবিষ্যৎ কিংবা অতীত বলে তেমন কিছু নেই, বিষয়টি আপেক্ষিক। সাফল্যের জন্য আপনাকে আজ কাজ করতে হবে। আজ যদি কাজ ভালো করেন তাহলে কিন্তু দারুণ একটি ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে আপনার জন্য। আর যদি আজকের দিনটিতে আপনি কোনো কাজই না করেন, তাহলে কিন্তু আগামীকাল বলবেন আমার অতীতটা তেমন ভালো কাটেনি। চেষ্টা করুন প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্ত নিজের জন্য কাজ করতে। কাজের সঙ্গে সঙ্গে পরিবার ও নিজের উন্নতির জন্য ঘড়িতে সময় রাখার দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিদিন ১ শতাংশ হলেও নিজেকে বদলে ফেলার চেষ্টা করতে পারেন। হ্যাঁ-না বলুন ভেবেচিন্তেঃ সফল ব্যক্তিরা হ্যাঁ-না বলেন ভেবেচিন্তে। বুদ্ধিবৃত্তিক কিংবা সৃজনশীল যেকোনো সুযোগ মিললে হ্যাঁ বলুন। আনন্দ কিংবা মনন বিকাশ হতে পারে এমন কাজকে সব সময়ই হ্যাঁ বলা শিখুন। সরলভাবে ভাবুন, শিখুনঃ সবকিছুকে সাধারণভাবে ভাবতে শিখুন। শিশুরা সবকিছু সরলভাবে ভাবার চেষ্টা করে বলে তারা জীবনের সরলতা খুঁজে পায়। তাদের মতো ভাবার চর্চা করুন। নিয়মিত ধ্যান করার অভ্যাস করলে আপনার ভাবনাশক্তি ও সৃজনশীল মনের জোর বাড়বে। পড়তে হবে অনেকঃ মানুষ হিসেবে আমরা সবাই সবকিছু জানি না। জানার জন্য বই পড়তে হবে। ফিকশন, নন-ফিকশন সব ধরনের বই পড়তে হবে। বহুমাত্রিক সাফল্যের জন্য চেষ্টা করুনঃ মার্কিন ধনকুবের ওয়ারেন বাফেট তরুণদের এক জায়গায় বিনিয়োগ করতে পরামর্শ দেন না। তিনি অনেক জায়গায় বিনিয়োগের পরামর্শ দেন, যেন একটি বিনিয়োগে ব্যর্থ হলেও অন্য জায়গায় সামনে এগোনোর সুযোগ থাকে। একটি বিষয়ে সাফল্য এলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অন্য বিষয়ে মনঃসংযোগ করুন। আমেরিকায় মিলিয়নিয়ররা কমপক্ষে পাঁচটি ভিন্ন রকমের সূত্র থেকে অর্থ আয় করেন। আপনি কর্মজীবনে সাফল্যের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার সুযোগ থাকলেও পড়ছেন না, কিংবা আপনার লেখালেখির শখকে মাটি চাপা দিয়ে রেখেছেন। সফল যাঁদের আমরা উদাহরণ হিসেবে দেখি তাঁরা কিন্তু কখনোই একটি বিষয়ে আটকে থাকেননি। ভয় বনাম জড়তাঃ আপনি সবার সামনে কথা বলতে ভয় পান। আবার যা বলতে চান তা ঠিকমতো বলতে পারেন না। সফল ব্যক্তিরা নিজের ভয়কে জয় করতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। আপনি যে বিষয়ে ভয় পান, সে বিষয়টিকে ভয় হিসেবে মনে করলে আজীবনই তা আপনার জন্য জড়তা। ভয় কাটিয়ে জড়তা এড়িয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

  • প্রচণ্ড গরমে ত্বককে ঠিক রাখতে কি কি করবেন? জেনে নিন

    newsbazar24: এই গরমে বাইরে বেরোলে কিছু প্রস্তুতি নিয়ে বের হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, বাইরে সূর্যের প্রখর মেজাজ যেন চোখ রাঙাচ্ছে! আবার ঝড়বৃষ্টিও আসতে পারে যেকোনো সময়। সূর্যের অতিবেগুনি আলোকরশ্মি আমাদের চুল আর ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। আবার গরমে ঘেমে জলশূন্যতা এমনকি হিটস্ট্রোকের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। সেই সঙ্গে ধুলাবালু তো রয়েছেই। গরমে রোদ ও ধুলাবালুর হাত থেকে বাঁচতে চাই সচেতনতা। বাইরে বের হওয়ার আগে সঙ্গে কয়েকটি প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে নিন। তাতে আপনার ত্বক, চুল, চোখ যেমন রোদ ও ধুলাবালুর হাত থেকে বাঁচবে। ছোট-বড় সবারই ত্বকের ব্যাপারে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। রোদ থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ত্বকের। সে কারণে নিতে হবে বিশেষ ব্যবস্থা। এ বিষয়ে থাকল বেশ কিছু পরামর্শ।ত্বকে লাগাতে হবে সানস্ক্রিন, রোদে বের হলে অবশ্যই উন্মুক্ত ত্বকে সানস্ক্রিন ক্রিম বা লোশন বা পাউডার মাখতে হবে। বাইরে বের হওয়ার অন্তত ২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন মেখে নিন, যা রোদ থেকে ত্বককে রক্ষা করে। সারা দিন যদি রোদের মধ্যে থাকতে হয়, তবে একবার সানস্ক্রিন মাখলে তা সারা দিন কাজ করবে না। নির্দিষ্ট সময় পরে সানস্ক্রিনের প্রভাব শেষ হয়ে যায়। তাই সাধারণত প্রতি দুই-তিন ঘণ্টা পরপর সানস্ক্রিন মাখলে ত্বক ভালো হয়। খেয়াল রাখতে হবে সানস্ক্রিন নিজের ত্বকের সঙ্গে মানানসই কি না?সঙ্গে নিতে হবে ছাতা, রোদ থেকে বাঁচতে ছাতা হতে পারে আপনার সবচেয়ে উপকারী বন্ধু। এটি শরীরকে রোদের হাত থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করবে। আবার বৃষ্টির হাত থেকেও রক্ষা করবে। বলতে গেলে পরম বন্ধু। বাজারে নানা রং আর আকৃতির ছাতা পাওয়া যায়। আপনার পছন্দসই ছাতা রাখতে হবে সঙ্গে। গরমে ত্বক ঠিক রাখতে প্রচুর পরিমাণে জল, জল জাতীয় খাবার ও ফলমূল খান। এতে ত্বকের আর্দ্রতার মাত্রা ঠিক থাকবে। এ ছাড়া বাইরে বের হওয়ার সময় ব্যাগের ভেতর জলের বোতল নিয়ে নিন। সঙ্গে আরও রাখুন স্যালাইনের প্যাকেট এবং ঘাম মোছার জন্য টিস্যু, পরিষ্কার রুমাল।শরীর বারবার ঘামলেআবার শরীরের যেসব জায়গায় ঘাম জমে স্যাঁতসেঁতে হয়ে থাকার আশঙ্কা থাকে, যেমন বাহুর নিচে, গলার নিচে, স্তনের নিচে, বদ্ধ জুতা পরলে আঙুলের ফাঁকে-সেসব জায়গায় আলাদা করে ট্যালকম পাউডার মেখে নিতে পারেন। এতে সেসব জায়গায় জমে থাকা ঘাম শোষণ করে জায়গাটি শুষ্ক থাকে।স্নান করতে হবে নিয়মিত, গরমে একটা মূল সমস্যা পরিছন্ন থাকা। রোদে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়। বাতাসের প্রচুর ধুলাবালু-ময়লা ত্বকে আটকে ব্রণ কিংবা র‌্যাশ হতে পারে। তাই সব সময় ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রতিদিন কয়েকবার ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ভেজা (ওয়েট) টিস্যু দিয়েও মুখ পরিষ্কার করা যায়। পরিচ্ছন্ন থাকতে দিনে অন্তত দুই থেকে তিনবার স্নান করা উচিত।

  • এই গরমে বদলে ফেলুন নিজের লাইফ স্টইল

    newsbazar24: ক্লাস, কাজ কিংবা ঘোরাঘুরির জন্য অনেকেই এই গরমে চলছেন আপন পথ ধরে। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রোদে বেরোনো। কিন্তু রোদটাকে উপেক্ষা করে কিছু এক্সেসরিজের ব্যবহারে এই গরমেও নিজের মধ্যে নিয়ে আসতে পারেন স্টাইলিশ লুক।গরমে সূর্যের প্রচণ্ড তাপ ও রোদ থেকে মুখ আর চুল বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন ক্যাপ ও হ্যাট।বাড়ছে রোদ, সঙ্গে আছে প্রচণ্ড তাপদাহ। গরমে যেন হাঁসফাঁস অবস্থা! সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তাপমাত্রার এই বাড়তি মেজাজে তরুণ-তরুণীরা ভুগছে অস্বস্তিতে। বাড়তি তাপমাত্রা আর চারপাশের যান্ত্রিকতা কেড়ে নিচ্ছে পরিবেশের স্বাভাবিক রূপ। তাই বলেতো আর জীবন থেমে থাকে না! গরমকে ছুটিতে পাঠাতে বা গরম থেকে স্বস্তি পেতে সঙ্গে রাখুন (ব্যবহার করুন) আরামদায়ক আর ফ্যাশনেবল আনুষঙ্গিক কিছু জিনিস।পরিবর্তনশীল ঋতুর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে তরুণ-তরুণীদের পোশাক-পরিচ্ছদে আসে নানা পরিবর্তন। যোগ হয় হাল ফ্যাশনের আরামদায়ক পোশাক ও অন্যান্য অনুষঙ্গ। গরমের কথা মাথায় রেখে তরুণ-তরুণীরা চান আরামদায়ক ও ফ্যাশনেবল পোশাক ও অনুষঙ্গ পরতে। আরামদায়ক পোশাকের জন্য কেউ কেউ ঢুঁ মারতে পারেন ফ্যাশন হাউসগুলোতে। ব্র্যান্ডের ক্যাপের মধ্যে পাবেন বেইলি হ্যাটম, জ্যাকসন, বারশাহ, স্কালা, অ্যাডিডাস, রিবক, কলম্বিয়া ইত্যাদি। ওয়েস্টেকস, লিভাইস, এক্সটাসি, লি, সোল ড্যান্সের দোকানেও পেয়ে যাবেন পছন্দের ক্যাপ। দাম ২০০ থেকে ৫০০ টাকা।মাথার উপরে কাঠফাটা রোদ! ভয় নেই। রোদ থেকে বাঁচতে ঢাল হিসেবে ছাতাটাই যথেষ্ট। তবে তা কালো রঙের না হলেই বেশি ভালো। বাহারি বিভিন্ন রঙের প্রিন্টেড ও ফুলেল নকশা করা ছাতা ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া চায়নিজ, জাপানিজ নানা ধরনের ছাতা বাজারে পাওয়া যায়। বহনের সুবিধার জন্য এমন ছাতা নিন, যাতে ব্যাগে রাখা যায়। এসব ছাতা পাওয়া যাবে ৩০০-৭০০ টাকার মধ্যে।মেয়েরা সাধারণত স্কার্ফ পরেন না। তবে গরমের সময় ওয়েস্টার্ন পোশাকটাকেই বেশি গুরুত্ব দেন মেয়েরা। আর ওয়েস্টার্ন পোশাকের সাথে স্কার্ফ বেশ ভালো মানিয়ে যায়। এছাড়া এই স্কার্ফ আপনার মাথার ত্বক এবং চুলকে রক্ষা করবে রোদের তীব্রতা থেকে। তাই এই গরমে পোশাকের সাথে মিলিয়ে রাখুন রঙিন স্কার্ফ।গরমে জুতো পরা বেশ কষ্টকর। কারণ জুতো পায়ে বাতাস ঢুকতে বাঁধা দেয়। তাই গরমের সময় নানা ডিজাইনের এবং বিভিন্ন রঙের স্যান্ডেলই বেশি আরামদায়ক। পা ঘামার হাত থেকে বাঁচতে চাইলে এই গরমটা স্যান্ডেল পরে নিশ্চিন্তে কাটিয়ে দিতে পারেন। প্রচণ্ড সূর্যের দাবদাহ থেকে রেহাই পেতে চলার পথে অবশ্যই দরকার রোদ চশমার। তবে নিজের মুখের গড়নের সঙ্গে মানানসই রোদ চশমাই বেছে নিন। শুধু ফ্যাশনের মোটিফ নয়, সানগ্লাস এই রোদে অতি দরকারি একটা জিনিস। কাপড়ের সঙ্গে চাইলে মানিয়ে পরতে পারেন রোদ চশমা। বাজারে ব্র্যান্ড ও নন ব্র্যান্ড দুই ধরনের চশমাই পাওয়া যায়। ব্র্যান্ডের মধ্যে আছে পোলিশ, ক্রিস্টিওডিওর, ডলচি অ্যান্ড গ্যাবানা, ম্যাক্স মারা ক্যারেরা, কার্টিয়ের, ডিজেল, শ্যানেল, পিয়েরে কারদিন, গুচি, পোলোও ডক্সলি। দাম ৫০০ থেকে ৭০০০ টাকা।

  • এই গরমের ছুটিতে বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন মিষ্টি পোলাও

    newsbazar24: এই গরমের ছুটিতে বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন মিষ্টি পোলাও,ছুটির দিনে বাড়িতে পঞ্চব্যঞ্জন রাঁধেন নিশ্চয়ই! কিন্ত বেশি তেল-মশলা দিয়ে রান্না খাবারে শরীর খারাপ হতে পারে। তার চেয়ে সুস্বাদু অথচ স্বাস্থ্যকর খাবার রাঁধতে পারেন।যেমন ধরুন মিষ্টি পোলাও। রাঁধতে বেশি সময় লাগে না। আবার ভারি লাগে না পেটও। শুধু ছুটির দিনেই কেন, চাইলে অতিথি আপ্যায়নও করতে পারেন এই মিষ্টি পোলাও দিয়ে। মিষ্টি পোলাও বানানোর উপকরণ:বাসমতি চাল- ৩ কেজি, জল- ১২ কাপ,কেশর- ৬-৭টি, দুধ- ২ টেবিল চামচ, ঘি- ২০০ গ্রাম, কাজু বাদাম- ১৫০ গ্রাম, কিশমিশ- ৫০ গ্রাম, গোটা গরমমশলা- ২ টেবিল চামচ, জায়ফল- এক চিমটে, জয়িত্রী- এক চিমটে, গরম মশলা গুঁড়ো- আধ চা চামচ, কেওড়া জল- কয়েক ফোঁটা, গোলাপ জল- কয়েক ফোঁটা, চিনি- ১০০ গ্রাম, নুন- স্বাদ মতো,  প্রথমে বাসমতি চাল জলে ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পরে চাল ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। উষ্ণ গরম দুধে কেশর ভিজিয়ে রাখুন। এ বার কড়াইয়ে ঘি গরম করে চাল ছে়ড়ে দিন। চাল সামান্য ভাজা ভাজা হয়ে এলে একে একে বড় এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, এক চিমটে নুন ও চিনি দিন। পরিমাণ মতো জল দিয়ে ভাল করে নাড়াচাড়া করে ঢাকা দিন। ভাত ফুটে জল শুকিয়ে এলে নামিয়ে নিন। একটি কড়াইয়ে ঘি গরম করে কাজুবাদাম হালকা নেড়ে নিন। একই সঙ্গে কিশমিশ, জায়ফল, জয়িত্রী দিয়ে দিন। এ বার মশলা মাখা কাজুবাদাম, কেওড়া জল, গোলাপ জল ও গরম মশলা গুঁড়ো পোলাওয়ের মধ্যে মিশিয়ে দিন। দুধে ভিজিয়ে রাখা কেশরও পোলাওয়ের পাত্রে মিশিয়ে ঢাকা দিয়ে এক বার ভাল করে ঝাঁকিয়ে নিন। উপরে গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন পোলাও।

  • জানেন কি নতুন প্রিপেড প্ল্যান নিয়ে এল এয়ারটেল ?

    newsbazar24: বাজারে টিকে থাকতে প্রতি সপ্তাহেই পোস্টপেড ও প্রিপেডে নতুন প্ল্যান নিয়ে আসছে এয়ারটেল। এবার প্রিপেডে ১২৯ টাকা ও ২৪৯ টাকা প্রিপেড প্ল্যান নিয়ে হাজির হল গুরুগ্রামের কোম্পানিটি। জিও ১৪৯ টাকা ও ২৯৯ টাকা প্ল্যানের সাথে প্রতিযোগিতায় এই দুটি প্ল্যান নিয়ে এসেছে এয়ারটেল।১২৯ টাকা প্ল্যানে আনলিমিটেড কল এর সাথেই দিনে ১০০ টি এসএমএস ব্যবহার করা যাবে। এই প্ল্যানের ভ্যালিডিটি ২৮ দিন। ১২৯ টাকা প্ল্যানে দিনে ২জিবি ডেটা ব্যবহার করা যাবে। সাথে থাকছে এয়ারটেল টিভি আর উইঙ্ক মিউজিক সাবস্ক্রিপশান। অর্থাৎ ১২৯ টাকা প্ল্যানে মোট ৫৬জিবি ডেটা ব্যবহার করা যাবে। ২৪৯ টাকা প্ল্যানের সাথেও থাকছে আনলিমিটেড কল এর সাথেই দিনে ১০০ টি এসএমএস। এই প্ল্যানের ভ্যালিডিটি ২৮ দিন। ২৪৯ টাকা প্ল্যানে দিনে ২জিবি ডেটা ব্যবহার করা যাবে। এই প্ল্যানের সাথেও থাকছে এয়ারটেল টিভি আর উইঙ্ক মিউজিক সাবস্ক্রিপশান। তবে ২৪৯ টাকা প্ল্যানের সাথে একটি বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে এয়ারটেল।২৪৯ টাকা প্ল্যানের সাথে ৪ লক্ষ টাকার জীদন বিমা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিচ্ছে টেলিকম কোম্পানিটি। এইচ ডি এফ সি লাইফ আর ভারতী আক্সা এর সাথে হাত মিলিয়ে এই জীবন বিমা পরিষেবা দিচ্ছে এয়ারটেল। তবে এই পরিষেবার সুবিধা পেতে গ্রাহকের বয়স ১৮ থেকে ৫৪ বছরের মধ্যে হবে। জীবন বিমা চালিয়ে সেতে প্রতি মাসে ২৪৯ টাকা রিচার্চ করতে হবে। এই রিচার্জ বন্ধ করে দিলে জীবন বিমা অবৈধ হয়ে যাবে।