সবার জন�য


  • গ্রাম চর্চার শ্রেষ্ঠ পত্রিকা ‘আগমনী’র দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত।

    কার্ত্তিক পাল , ২৪ ডিসেম্বরঃ ,- গ্রাম চর্চার শ্রেষ্ঠ পত্রিকা ‘আগমনী’। এবার  দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশ পেল । গত বছর পথ চলা শুরু করলেও পত্রিকাটি গবেষণামূলক  তথ্য সমৃদ্ধ হওয়ার সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে । বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে । সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে খুশির খবর । পত্রিকাটির সম্পাদক গৌড় মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ক্ষিতীশ মাহাতো মহাশয় । উপস্থিত ছিলেন পুরুলিয়া সিধু কানু বিড়শা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডঃ স্বপন কুমার মন্ডল । ডঃ পুস্পজিৎ রায়,  অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব মহাশয় । এই পত্রিকা প্রকাশ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। বিষয় ছিল “গ্রাম সংস্কৃতি- নগরায়নের অভিঘাত” উক্ত আলোচনা সভায় বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পুরুলিয়া সিধু কানু বিড়শা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডঃ স্বপন কুমার মন্ডল, ডঃ পুস্পজিৎ রায়,লোকসংস্কৃতিবিদ, ডঃ সুস্মিতা সোম, অধ্যাপক গৌড়বঙ্গ মহাবিদ্যালয়   ও অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব,অধ্যাপক সামসীকলেজ ও অধ্যাপক ডঃ ক্ষিতীশ মাহাতো মহাশয়।               

  • রাজকুমার দাস পরিচালিত শর্ট ফিল্ম "অন্তরালে"---পুরস্কার জিতলো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে:

    ডেস্ক, ২৪ ডিসেম্বরঃ ,- কলকাতা,নিজস্ব প্রতিবেদক:--- যাদবপুরের শহীদনগরে গত ২২ও ২৩ শে  ডিসেম্বর দুদিন ব্যাপী চলে শহীদ স্মৃতি সংঘ আয়োজিত তৃতীয় বর্ষের শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল।উদ্বোধনে ছিলেন পরিচালক অশোক বিশ্বনাথন,সহ উদ্যোক্তাদের পক্ষে ধীমান দত্ত,ও ফিল্ম সমালোচক প্রভাষ  মুখার্জী,প্রমুখ।মোট ২৪ টি শর্ট ফিল্ম ও তিনটি  ডকুমেন্টরি ফিল্ম উৎসবে দেখানো হয়।ডঃ যোগেন্দ্রনাথ বেরা রচিত রাজকুমার দাস পরিচালিত "অন্তরালে"--২৮মিনিটের শর্ট ফিল্ম টি  বেস্ট মিউজিক ক্যাটাগরি তে আর্থিক মূল্য সহ স্মারক ও মানপত্র  তুলে দেন  বিখ্যাত চিত্র পরিচালক শ্রী রাজা সেন।ছবিটি ডাইনী প্রথা ও সমাজের কু সংস্কার বিরুদ্ধে এক সামাজিক বার্তা তুলে ধরেছেন পরিচালক রাজকুমার দাস।"অন্তরালে"--ছবিতে আঞ্চলিক ভাষায় রয়েছে গান।পাশাপাশি ছবির পটভূমিকা সহ বহির্দৃশ্য শুটিং হয়েছে আহারমুন্ডা ফরেস্টে। ছবিতে অভিনয় করেছেন স্মৃতিলেখা ভূঁইয়া,অরুন পাত্র,গৌরগোপাল, গৌরাঙ্গ জানা,আব্দুল্লা মোল্লা,মমতা জানা,পরেশ নন্দী,ডঃ যোগেন্দ্রনাথ বেরা, সহ রাজকুমার দাস স্বয়ং  সহ অন্যান্যরা।  ছবির সম্পাদনায় অনিতেশ অধিকারী,মেকআপ অসীম কুন্ডু , ছবিটি এটি মধ্যে  ব্যাঙ্গালোরে বেঙ্গলী শর্টসে সেমিফাইনাল রাউন্ডে মনোনীত। রাজকুমার দাস ইতিমধ্যেই বহু শর্ট ফিল্ম ও ডকুমেন্টরি ফিল্ম করেছে। অন্তরালে তার নতুন সংযোজন। এই ছবির পুরস্কার প্রাপ্তি আরো এক ধাপ এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে জানান পরিচালক রাজকুমার দাস।তার প্রয়াস আরও সুদূর প্রসারিত হোক এই শুভেচ্ছা রইলো।

  • নতুন বাংলা ছবি "আমি শুধু তোর হলাম" দর্শকের আশা পূর্ণ করতে পারল না।

    কলকাতা,রাজকুমার দাস,৯ ডিসেম্বর :-শুক্রবার লেক মলের সিনে পলিসে  প্রিমিয়ার শো হয়ে গেল সুব্রত হালদার পরিচালিত নতুন বাংলা ছবি "আমি শুধু তোর হলাম"।  ছবির নামেই পরিষ্কার ছবিটি ত্রিকোণ প্রেমের ।নায়ক রণজয় এই ছবিতে অভিনয় করেছেন সুন্দর ও পরিশীল ভাবে।বোঝাই যাচ্ছে সে তৈরি হয়ে ইন্ডাস্ট্রি তে থাকতে এসেছে।তার অভিনয় শৈলী অনেকটাই পরিণত।সেই অর্থে ওড়িয়া ছবিতে কাজ করা বঙ্গ তনয়া নবাগতা ঝিলিক ভট্টাচার্য্য  অভিনয়ে অনেকটাই কাঁচা। ছবিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নায়ক সোহম। রিটায়ার্ড কর্নেল অদৈত্ব বাবুর চরিত্রে ভিক্টর ব্যানার্জী ,কে নতুন ভাবে না পাওয়া গেলে ও এ ছবিতে বিশ্বনাথ বসু ও খরাজ মুখার্জির চরিত্র দর্শকরা মনে রাখবে।ছবির শুটিং আউটডোর লোকেশন অনেকের কাছেই ভালো লাগবে।আয়ুস এর সংগীত পরিচালনা য় গান গুলি সুন্দর উপস্থাপন করেছেন পরিচালক। সুরজিৎ দাস ও কল্লোল দাস নিবেদিত প্রিন্সেস আর্ট প্রোডাকশন প্রযোজিত ছবির  ফাইট এ জুডো রামু  নতুন কিছুই করেন ।চিরাচরিত একই ধাঁচের একশান তুলে ধরেছেন।গল্পের শেষ টা আরও ভালো হওয়া উচিত ছিল।শেষ হয়ে ও যেন হলো না শেষ।  ছবির অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন অনুরাধা রায়,তুলিকা বসু,রাজা দত্ত,সুমন মুখার্জী প্রমুখ।"আমি শুধু তোর হলাম "পরিচালক সুব্রত হালদারের দ্বিতীয় মুক্তি প্রাপ্ত ছবি।আগামী তে তিনি আরো অনেক ভালো ভালো ছবি আমাদের উপহার দিক এই কামনা করি।

  • ৫ কৌশলে আপনি পাবেন ঘন, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল, সুন্দর চুল

    newsbazar24:  চুলের ধরন অনুযায়ী যত্ন নেবার কৌশলও আলাদা হয়। স্বাস্থ্যবান সুন্দর চুল শুধু আমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ব্যক্তিত্বের ওপরেও প্রভাব ফেলে।তাই মহিলা বা পুরুষ, উভয়ের জন্যই চুলের স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চুলের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে একটু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। কারণ, একেক জনের চুলের ধরন একেক রকমের।চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে বিশেষ ৫টি বিষয় মেনে চলা জরুরি। আসুন জেনে নেওয়া যাক--১) ভিজে চুল ড্রায়ার দিয়ে শুকানোর চেষ্টা না করাই ভাল। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। তাছাড়া চুলের গোড়াও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। ২) সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার উষ্ণ তেল দিয়ে মালিশ করতে পারেন। চুলের গোঁড়ার আদ্রতা বজায় রাখতে এর তুলনা হয় না। মালিশের জন্য নারকেল তেল, আমন্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। আঙুলের ডগা দিয়ে চুলের গোঁড়ায় মালিশ করুন। শ্যাম্পু করার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে তেল মালিশ করুন। ৩) অবসাদ বা ক্লান্তি চুলের রং ও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই স্ট্রেসমুক্ত থাকতে নানা ধরনের কৌশল যেমন, মেডিটেশন, মিউজিক থেরাপি কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন। ৪) সুন্দর চুলের জন্য প্রথমেই খাওয়া-দাওয়ার দিকে নজর দিতে হবে। সবুজ সবজি ও ফলের রস চুলের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। স্বাস্থ্যবান, ঝলমলে চুলের জন্য দুধ ও ফ্রেশ দই খেতে পারেন। নারকেলও চুলকে স্বাস্থ্যবান করে তুলতে সহায়তা করে। ৫)  ভিজে চুল কখনওই আঁচড়াবেন না। চুলের জট ছাড়ানোর জন্য বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন। কাঠের চিরুনি ব্যবহার করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। সপ্তাহে একবার ডিপ কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট ট্রাই করুন। চুলের যত্নে কখনওই কড়া কেমিক্যাল ব্যবহার করবেন না।

  • “” আপেল দিয়ে নানা পদের রান্না ““ জেনে নিন আপেল দিয়ে তৈরী বিভিন্ন ধরনের রেসিপি।

    আপেল তো প্রচুর খেয়েছেন। আপনার বাচ্চা খেতে না চাইলেও জোর করে সেদ্ধ করা আপেলও প্রচুর খাইয়েছেন। কিন্তু অনেক মানুষই আছেন, যারা আপেল দিয়ে নানা পদের রান্না খাননি। তাই জেনে নিন আপেল দিয়ে তৈরী বিভিন্ন ধরনের রেসিপি। যা পরিবেশন করলে আপনি হয়ে উঠবেন, গুনবতী রমণী।      আপেলের পায়েশ উপকরণ আপেল ৩টি। তরল দুধ ১ লিটার। চিনি আধা কাপ বা স্বাদ অনুযায়ী। পোলাওয়ের চাল ২ টেবিল-চামচ। এলাচ ৩টি। দারুচিনি ১টি। পদ্ধতি আপেলের উপরের ছোকলাগুলো ছিলে কুচি কুচি করে কেটে নিন। এবার একটি প্যান ওভেনে বসিয়ে আপেলকুচি আর চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না আপেলের রস বের না হয়ে আসে। ভালোভাবে রান্না করে রস বের করবেন। তা নাহলে দুধে মেশালে দুধ ছানা ছানা হয়ে যাবে। এবার অন্য হাঁড়িতে দুধ জ্বাল দিন। সঙ্গে এলাচ আর দারুচিনি দিয়ে ঘন করবেন। দুধ ঘন হয়ে গেলে চাল দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর আপেল-চিনির ঘন মিশ্রণটা দুধে দিয়ে দিন। এবার ভালো করে নাড়তে থাকুন। ফুটতে দিন। আপনি কতটুকু ঘন করবেন সেটার উপর আপনার রান্নার সময়টা নির্ভর করবে। অর্থাৎ বেশি ঘন করতে চাইলে বেশি সময় জ্বালে রাখবেন। তবে নাড়তে ভুলবেন না। রান্না হয়ে গেলে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।       আপেলের হালুয়া উপকরণ আপেল- ১টি ছানা- ১/৪ কাপ (চিনি ছাড়া) চিনি- ১/৪ কাপ ঘি- ১/৪ কাপ এলাচ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ ক্যাশিউ নাট গুঁড়া- ১/২ টেবিল চামচ আমন্ড- ১/২ টেবিল চামচ প্রস্তুত প্রণালি আপেলের খোসা ছাড়িয়ে টুকরা করে নিন। ওভেনে প্যানে ঘি দিয়ে ক্যাশিউ নাট ও আমন্ড দিয়ে ভাজুন কিছুক্ষণ। আপেলের টুকরা দিয়ে ওভেনের ফ্লেম কমিয়ে দিন। নাড়তে থাকুন ঘনঘন। ১০ মিনিট পর ছানা ও চিনি দিয়ে নাড়ুন। আরও কিছুক্ষণ পর মিশ্রণ ঘন হয়ে আসলে এলাচ গুঁড়া, ক্যাশিউ নাট ও আমন্ড ছিটিয়ে নামিয়ে ফেলুন। ডেজার্ট হিসেবে পরিবেশন করুন মজাদার আপেলের হালুয়া। অ্যাপলের চিপস মাঝে মধ্যে ব্যতিক্রমী মজাদার খাবারের আইটেম তৈরি করে প্রিয়জনকে চমকে দিতে অনেকেই পছন্দ করেন। আপনি যদি সেই দলের লোক হন তাহলে শিখে নিন নতুন একটি রেসিপি।       আপেলের চিপস। আলুর চিপস কম-বেশি সবাই খেয়েছেন। কিন্তু আপেলের চিপস! খুব কম লোকই বোধ হয় এর সঙ্গে পরিচিত। আর দিনটা যদি একটু বৃষ্টি বৃষ্টি হয় তাহলে তো কথাই নেই। বৃষ্টি দেখুন আর আপেলের চিপস চিবান। ইচ্ছা করলে বন্ধুদেরও খাইয়ে আপনার নতুন রেসিপিটা পরখ করিয়ে বাহবা নিতে পারেন। উপকরণ – ২টা বড় লাল আপেল – আধা কাপ কাস্টর সুগার – ১ টেবিল চামচ লেবুর রস – অল্প করে দারুচিনি গুঁড়ো প্রণালী ১) প্রথমে সুগার সিরাপ তৈরি করুন। একটি নন-স্টিক প্যানে গরম করে নিন কাস্টর সুগার। আধা কাপ জল দিন। মিশিয়ে গরম করুন যতক্ষণ না চিনি গলে যায়। আঁচ কমিয়ে ৪-৫ মিনিট রাখুন যাতে ঘন হয়ে আসে। আঁচ থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। ২) আপেলগুলোকে চিকন করে স্লাইস করে নিন। ৩) আপেলের স্লাইসের ওপর অল্প করে লেবুর রস মাখিয়ে নিন। এরপর চিনির সিরাপে ফেলে দিন। ভালো করে আপেলের স্লাইসে মাখিয়ে নিন সিরাপ। এভাবে সিরাপে ভিজতে দিন ১০-১৫ মিনিট। ৪) ওভেন প্রিহিট করে নিন ১৮০ ডিগ্রিতে। একটা বেকিং ট্রে তে সিলিকন ম্যাট মেলে নিন। এর ওপর আপেলের স্লাইসগুলোকে রাখুন। ওপরে দারুচিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। ৫) আপেলের স্লাইসগুলোকে বেক করে নিন ৩০-৪০ মিনিট। পরিবেশন করতে পারেন চিজ স্যান্ডউইচের সাথে  ।               - মামন বর্মন আপনার যদি রান্নার ওপর শখ থাকে। আপনিও আমাদের রেসিপি লিখে পাঠাতে পারেন। তবে অবশ্যই একটি ফোন নাম্বার দেবেন। আমাদের whattasaps no 9434219594

  • শিল্পী স্বাগতা পালের একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান আগামীকাল শিশির মঞ্চে:-

    কলকাতা,রাজকুমার দাস:বাংলা ও বাঙালিয়ানা হওয়ার স্রোতে আমরা নিজেদের খুব গর্বিত মনে করি। আর গর্বের জায়গা থেকে শুরু হয় এক আলাদা ভাবে লড়াই।যা নিজস্ব ঘরানা কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।তেমনি বাচিক শিল্পী স্বাগতা পাল তার একক লড়াই কে এগিয়ে নিয়ে চলেছে,আগামী কাল ২৫শে সেপ্টেম্বর শিশির মঞ্চে "সারথি"আয়োজিত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সারস্বত সন্ধ্যায় স্বনামধন্য কবি সব্যসাচী দেব,সৈয়দ হাসমত জালান,অনির্বাণ ঘোষ সহ সারথীর অন্যতম প্রধান পার্থ মুখোপাধ্যায়কে সংবর্ধনা প্রদান করে তারপর স্বাগতার একক আবৃত্তি শুরু হবে।শিল্পী তার নিজস্ব বাচন ভঙ্গিমায় সুরেলা কণ্ঠে যে দর্শকদের আকৃষ্ট করে রাখবে তা বলাই চলে,আবহ শান্তনু ব্যানার্জী,পার্থ ঘোষের সুযোগ্য ছাত্রী স্বাগতা এগিয়ে চলুক।এদিন দ্বিতীয় পর্যায়ে রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করবেন শ্রাবনী সেন, কথা ও কবিতার সঙ্গত দেবেন সারথীর পার্থ মুখার্জী,অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় থাকছেন মধুমিতা বসু ও দেবাশীষ পাল, স্বাগতার ইতিমধ্যেই চারটি আবৃত্তির এলবাম প্রকাশিত হয়েছে।বাচিক শিল্পী হিসেবে তিনি নিয়মিত ডাক পান সরকারী অনুষ্ঠানে।কখনও সঞ্চালনায় আবার কখনও বা আবৃত্তিতে।স্বাগতার চলার পথ সুগমতর ভাবে এগিয়ে চলুক,এই কামনা করি।

  • কর্মজীবন থেকে সমাজের আয়নায় । অশোক কুমার "সার্চ আউট ট্রুথ ইন দ্য লাইট অফ নলেজ"

    একজন লেখক ই  পারেন সমাজের প্রতিচ্ছবি তার লেখনীর মধ্যে দিয়ে সমাজের ঘটেযাওয়া মুহূর্ত গুলিকে তার শব্দজালে প্রস্ফুটিত করতে। আর এমন এ একটি লেখা হচ্ছে "সার্চ আউট ট্রুথ ইন দ্য লাইট অফ নলেজ"। বইটিতে রয়েছে অতিবাহিত সমাজ এবং যেই সামাজের বাধা বিপত্তিকে পেরিয়ে সহজ সরলভাবে জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। সমাজে সকলেই ভিন্নধরনের বাধা বিপত্তির মাঝে পড়েন ভেঙেও পড়েন কিন্তু সেই বিপত্তিকে পেরিয়ে যাওয়ার পরের কৃতিত্বে সবকিছুকে ভুলে ও বসেন।  লোখক এই বিপত্তিকে এবং তার কৃতিত্বকে তার লেখনীর মধ্যে তুলে ধরেছেন লেখক শ্রী অশোক কুমার। লেখক শ্রী অশোক কুমার হালদার তিনি রেলওয়ে কর্মরত মেল এক্সপ্রেস গার্ড। অশোক কুমার হালদারের বাড়ি মালদা শহরের বিধান পল্লীতে। তার লেখা চারখানা নোবেল প্রকাশিত হয়েছে। যথাক্রমে বইগুলির নাম (১) “সার্চ আউট ট্রুথ ইন দ্য লাইট অফ নলেজ” এই বইটি বিজ্ঞান ও দর্শন উপর ভিত্তি করে লেখা ।(২) “রিমুভ দ্য ডার্ক টু এওএক উপ দ্য লাইট অফ নলেজ” এই বইটি বিজ্ঞান ও দর্শন উপর ভিত্তি করে লেখা।(৩) “দ্য রেডিক্যাল চেঞ্জ অব হিউমেন সোসাইটি অ্যান্ড উইথ ইটস সায়েনটিফিক অবজারভেশন” এই বইটি বিজ্ঞান ও দর্শন উপর ভিত্তি করে লেখা।(৪) “দ্য ড্রাইভারশিফাই লাইফ জার্নি অফ হিউমেন বিনস” তার লেখা বই প্রকাশিত হয়ে গেল ১৩ ই সেপ্টম্বর ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অফ মিডিয়া অ্যান্ড ইন্টারটেন্মেড ইনডাশাট্রি এন্ড এশিয়ান অ্যাকাডেমি অর্ফ আর্ট প্রেজেন্টেড চতুর্থ  গ্লোবাল লিটারএসি ফেস্ট্রিবেল নওডার অনুষ্ঠান মিঞ্চে  অশোক কুমার হালদারের তার লেখা নোবেল  “দ্য ড্রাইভারশিফাই লাইফ জার্নি অফ হিউমেন বিনস” ইনোগ্রেসেন করলেন অনারবেল মিনিষ্টিার রামদাস আটওয়ালে মিনিস্ট্রি অফ সোসাল জাসটিস অ্যান্ড এমপাউয়ারমেন্ট মিনিষ্টিার গর্ভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া, নিউদিল্লী।

  • বাজারে এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ ফোন এর ছড়াছড়ি। জেনে নিন কি আছে এই দুই ফোনের পার্থক্য।

    শঙ্কর চক্রবর্তী : এখন মানুষ মোবাইল ছাড়া অচল। বেশিরভাগ মানুষের হাতে একাধিক মোবাইল। প্রত্যেকে চায় নতুন নতুন টেকনোলজির মোবাইল কিনতে। বাজারে বিভিন্ন ওএস এর মোবাইল। যার হার্ডওয়ার ও আলদা আলাদা। এখন সবাই নিজেকে বাহ্যিক ভাবে স্মার্ট করার পাশাপাশি প্রযুক্তির আধুনিক সংস্করণ স্মার্ট ফোন ব্যবহার শুরু করেছে। উন্নত দেশগুলোতে স্মার্ট ফোন হিসেবে iPhone এবং BlackBerry ব্যাপক প্রচলিত। কিন্তু তার পাশাপাশি এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ ফোন গুলোও ব্যাপক চাহিদা তৈরি করেছে এবং তারা বর্তমান বাজারে বড় একটি জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু কোনটি সবচাইতে ভাল? এন্ড্রোয়েড না উইন্ডোজ? নিম্নে এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ এর তুলনামূলক সুবিধা অসুবিধা তুলে ধরা হলোঃ- এন্ড্রোয়েড ফোন এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয় এবং উইন্ডোজ ফোন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয়। এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ ফোনের সবচাইতে বড় পার্থক্য হল Apps ব্যবহারের সুবিধা। এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেমে আমরা ৮,৫০,০০০ এর বেশি Apps ব্যবহার করতে পারি যেখানে উইন্ডোজ সিস্টেমে আমরা ১,৭০,০০০ Apps ব্যবহার করতে পারি যা এন্ড্রোয়েড এর তুলনায় অনেক কম। বর্তমানে ৮ টি অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে যার মধ্যে সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেমটি হচ্ছে kitkat । এন্ড্রোয়েড ফোনের জন্য আমরা Google play সহ আরও বিভিন্ন উৎস থেকে Apps, Games, Movies, Music, ডাউনলোড করতে পারি কিন্তু উইন্ডোজ ফোনের জন্য আমাদেরকে উইন্ডোজ Apps Store থেকে ডাউনলোড করতে হয়। এন্ড্রোয়েড Apps গুলো আমরা যেকোন এন্ড্রোয়েড ফোনের সাথে শেয়ার করতে পারি কিন্তু উইন্ডোজ ফোনের Apps গুলো উইন্ডোজ ফোন ছাড়া শেয়ার করা সম্ভব নয়। এন্ড্রোয়েড ফোন এর নিরাপত্তার জন্য আমরা অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহার করতে পারি, তবে এন্ড্রোয়েড ফোনের তুলনাই উইন্ডোজ ফোনগুলো বেশি নিরাপদ। এন্ড্রোয়েড ফোনগুলো আমরা যেকোন USB পোর্ট এর মাধ্যমে কম্পিউটার এর সাথে connect করতে পারি কিন্তু উইন্ডোজ ফোন কম্পিউটার এ connect এর জন্য ZUNE software ব্যবহার করতে হয়। অনেক সময় অপ্রত্যাশিত applications এবং updates এন্ড্রোয়েড ফোনকে অনেক slow করে দেয়। এই অসুবিধাটি উইন্ডোজ ফোনগুলোতে নেই। এন্ড্রোয়েড ফোন গুলোতে ব্যাটারি চার্জ অনেক কম সময় থাকে কিন্তু উইন্ডোজ ফোনগুলোতে ব্যাটারি চার্জ তুলনামুলকভাবে. অনেক বেশি সময় থাকে। এন্ড্রোয়েড ফোনগুলো যেমন Apps ব্যবহারের জন্য বেশি সুবিধাজনক ঠিক তেমনি উইন্ডোজ ফোনগুলোও performance, web surfing, reading এবং battery life এর জন্য বেশি সুবিধাজনক। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, এন্ড্রোয়েড ফোন এবং উইন্ডোজ ফোন যেমন সুবিধা আছে আবার আসুবিধাও আছে। তবে এন্ড্রোয়েড ফোনের সুবিধা তুলনামূলক ভাবে উইন্ডোজ ফোনের থেকে বেশি। তবে যারা পেশাজীবী তাদের জন্য এন্ড্রোয়েড ফোনের তুলনাই উইন্ডোজ ফোন বেশি সুবিধাজনক। আর যারা বিভিন্ন Apps ব্যবহার করতে পছন্দ করে তাদের জন্য এন্ড্রোয়েড ফোন সবচাইতে বেশি উপকারি। তবে সত্যি কথা বলতে গেলে এন্ড্রোয়েড ফোন যে কেও ব্যাবহার করতে পারে কিন্তু উইন্ডোজ ফোন ব্যাবহার করতে গেলে পড়াশোনা জানা দরকার। আপনি এই খবরটি পড়লেন newsbazar24 এ

  • বাজারে তাল খুব সস্তা। জেনি নিন তালের নানা রেসিপি

    News bazar24: এখন ভাদ্র মাস। বাজারে তালের আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে। তাল পুষ্টি ও ভিটামিন গুনে ভরপুর। এই সময় নিয়মীত তাল খেলে সারা বছর সুস্থ থাকা যায় । তেতো বা মিষ্টি যে কোনো তালেই আপনি পাবেন খাদ্য গুন। তাই যারা তাল প্রেমী তারা নিশ্চয় এই ক’দিন তালের তৈরি নানান খাবার বানিয়ে ফেলেছেন। যারা এখনও বানাননি। যারা জানেন না তাদের জন্য আজক দেয়া হলো কয়েকটি রেসিপি- # তালের আইসক্রিম শেক উপকরণ : তালের রস ৪ কাপ পরিমান, গুঁড়া দুধ ১ কাপ, চিনি আধা কাপ, ঠাণ্ডা জল ২ কাপ, মধু ২ টেবিল চামচ, বরফ কুচি পরিমাণমতো। প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে তালের রস জ্বাল করে ঘন করে নিন। এবার বরফ কুচি ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসাথে ব্লেন্ড করে নিন। ঠাণ্ডা করে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার আইস শেক। # তালের পাটিসাপটা উপকরণ : তালের গোলা ১ কাপ, ময়দা আধা কাপ, সাথে চালের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ডিম ১টি। কোরানো নারকেল ১ কাপ, দুধের ক্ষীর আধা কাপ, চিনি আধা কাপ জ্বাল দিয়ে পুর তৈরি করে নিতে হবে। প্রস্তুত প্রণালি : তালের গোলার সঙ্গে বাকি সব উপকরণ মিলিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এবার তাওয়াতে সামান্য ঘি লাগিয়ে হাতলে করে গোলা দিয়ে তাওয়া ঘুরিয়ে রুটি তৈরি করতে হবে। ওপরটা শুকিয়ে এলে পুর দিয়ে পাটির মতো রোল করে পিঠা তৈরি করতে হবে। # তালের হালুয়া উপকরণ : তালের রস লাগবে ২ কাপ পরিমান, তরল দুধ ১ কাপ, গুঁড়া দুধ আধা কাপ পরিমান, ঘি আধা কাপ, এলাচ গুঁড়া আধা চা চামচ, চিনি ১ কাপ, কিসমিস পরিমাণমতো, গোলাপজল ১ চা চামচ। প্রস্তুত প্রণালি : পাকা তাল কচলে প্রথমে রস বের করে তালের তিতা জল বের করে নিন। এবার তালের রস, তরল দুধ, গুঁড়া দুধ, চিনি, এলাচ গুঁড়া সব একসঙ্গে মেখে নিন। এবার প্যানে ঘি দিয়ে মিশ্রণটি ঢেলে দিন। ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। যখন আঠালো হয়ে আসবে তখন গোলাপজল ও কিসমিস দিন। শক্ত হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

  • মুক্তি পেলো "আমি রাজনীতি চাইনা"

    কলকাতা,রাজকুমার দাস:৩১শে অগাস্ট মুক্তি পেল এন কে ডি প্রোডাকশনে নতুন বাংলা ছবি "আমি রাজনীতি চাইনা"।পরিচালনায় সিমান্ত চ্যাটার্জী,নামেই ছবির বিষয় অনেকটাই পরিস্কার।কাহিনী বিকাশ সরকার,সঙ্গীত পরিচালক অরিজিৎ ব্যানার্জী,রাহুল রাজ দেব নিবেদিত ছবির প্রযোজনা করেছেন ভাস্কর দেব। ছবিতে বহিঃদৃশ্যায়ন ও সংগীত সুন্দর।তবে চরিত্র নির্বাচন ক্ষেত্রে পরিচালক কে আরো একটু সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। যেমন কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের অনেকের দেখে মনেই হবেনা গ্রাজুয়েশন সমাপ্ত করার স্টুডেন্ট বলে।দুলাল লাহিড়ীর ছেলের চরিত্রে যে অভিনয় করেছেন তিনি ও বেমান।গল্পের তেমন জোর নেই ,তবে গীতশ্রী র অভিনয় বেশ ভালো।অনিন্দ্য,দেবেশ রায় চৌধুরী নিজেদের ভূমিকায় যথা যথ।আগামী দিনে "আমি রাজনীতি চাইনা"-র নাম করণঅন্তত ঠিকঠাক ভাবে যেন পুরো টিম করেন সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।নাম এমন হবে যেন শিরোনাম নামের টানে দর্শক সিনেমা হলের সামনে আসে।