������������


  • বিশ্বকাপ হকি ২০১৮ এর কোয়ার্টারফাইনালে ভারত কঠিনলড়াইয়ে নেদারল্যান্ডস-র মু খোমুখি

    ডেস্ক,  ১২ ডিসেম্বর : বিশ্বকাপ হকিতে ভারত গ্রুপ লীগে শীর্ষে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করল।  ভারতের কোচ হরেন্দ্র সিং বলেন, এবার  আসল বিশ্বকাপ শুরু হবে বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) থেকে । কোয়ার্টার ফাইনালে  কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ভারত নামবে নেদারল্যান্ডস-এর বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত বিগত  ১৯৭৫ সালে  ভারত শেষবার হকি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল এবং  একবারই ট্রফিও জিতেছিল। এবারের  বিশ্বকাপ হকিতে ভারতের খেলা দেখে হকি  বিশেষজ্ঞরা বলছেন  এবার হয়ত সেই  ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে । তবে কোয়ার্টারফাইনালে  ভারত কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি ডাচদের বিরুদ্ধে । এখনও পর্যন্ত  বিশ্বকাপে এখনও একবারও নেদারল্যান্ডসকে হারাতে পারেনি ভারত। দুই দল বিশ্বকাপে ৬বার মুখোমুখি হয়েছে। ৫বারই জিতেছে ডাচরা। আরেকটি ম্যাচ ড্র হয়েছিল। সাম্প্রকতিক ফর্মের নিরিখেও বলা যেতে পারে দুই দলের কেউই এগিয়ে বা পিছিয়ে নেই। বিশ্বক্রমতালিকাতেও  পাশাপাশি দুইদল আছে। ভারত পাঁচে তো ডাচরা চারে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শেষবার দুইদল মুখোমুখি হয়েছিল। ১-১ ফলে অমিমাংসিত ছিল সেই ম্যাচ । গ্রুপ পর্যায়ে দুই দলই কিন্তু প্রচুর গোল করেছে। ভারত করেছে ১২টি গোল, নেদারল্যান্ড ১৮টি। ভারত গোল হজম করেছে ৩টি, নেদারল্যান্ড ৫টি। ডাচদের কিন্তু মাঝমাঠ ও আক্রমণে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের অভাব নেই। অধিনায়ক বিলি বাক্কার আছেন, আছেন সিভ ব্যান অ্যাস, জেরোয়েন হার্টজবার্গার, মাইক্রো প্রুইজসার, কেম্পেরম্যান-রা। ফলে ভারতীয় রক্ষণের জন্য কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। আগামীকালের  প্রথম কোয়ার্টারফাইনালে জার্মানি খেলবে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে। জার্মানি বনাম বেলজিয়াম, বিকাল ৫টা ভারত বনাম নেদারল্যান্ডস, সন্ধ্যা ৭টা । খেলা দেখা যাবে  স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্ক-এ।  

  • রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে অ্যাডিলেড টেস্টে ভারতের দুরন্ত জয়, চার টেস্টের সিরিজ়ে ১-০ তে এগিয়ে ভারত।

    Newsbazar 24 Web Desk , ১০ ডিসেম্বর : ভারত অ্যাডিলেডে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৩১ রানে পরাজিত করে চার টেস্টের সিরিজ়ে ১-০ তে  এগিয়ে গেল । ৩২৩ রানের লক্ষমাত্রা  নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে ২৯১ রানেই শেষ হয়ে যায় অজিবাহিনী । পাশাপাশি এই টেস্ট জয়ের মাধ্যমে আরও একটি নতুন রেকর্ড গড়ল ভারত। এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ায় কোনও টেস্ট সিরিজ়ের প্রথম ম্যাচ জিতল।        টি-২০ সিরিজ ১-১ ড্র দিয়ে শুরু হয় ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফর তারপর টেস্ট শুরু হয়। ডেভিড  ওয়ার্নার-স্টিভ স্মিথ ছাড়া  অস্ট্রেলিয়াকে হারাবার  এটাই সেরা সুযোগ বলে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অভিমত। যদিও  ভারতীয় দল ভালভাবেই জানে অস্ট্রেলিয়াকে অস্ট্রেলিয়ার মাঠিতে হারানো সহজ নয়। । কাজেই, প্রথম থেকে ম্যাচে কোনও সুযোগ যাতে হাতছাড়া না হয়  তা নিয়ে তৎপর ছিল ভারটীয় দল।  প্রথম  টেস্টে টসে জিতে ব্যাটিং নেন কোহলি। ব্যাটিং সহায়ক উইকেট থাকলেও প্রথম দিনে মুখ থুবড়ে পড়ে ভারতের ব্যাটিং অর্ডার। ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে অবশ্য পূজারা করেন ১২৩ রান। ২৫০ রানে শেষ হয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রথম উইকেট নেন হ্যাজ়েলউড, ২টি করে উইকেট নেন স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও নাথান লিওন। অজ়িরা তাদের প্রথম ইনিংসে সেরকম সুবিধা করতে পারেনি। তাদের ইনিংস শেষ হয় ২৩৫ রানে। সর্বোচ্চ ৭২ রান করেন ট্রেভিস হেড। ভারতের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন বুমরাহ, অশ্বিন। ২টি করে উইকেট নেন ইশান্ত শর্মা ও মহম্মদ শামি। এরপর ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিতে থাকে। লোকেশ রাহুল করেন ৪৪ রান। চেতেশ্বর পূজারা ও অজিঙ্কা রাহানে যথাক্রমে ৭১ ও ৭০ রান করেন। ৩০৭ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস। ৩২৩ রানের টার্গেট খাড়া করে অস্ট্রেলিয়ার সামনে। তবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। হাতে ৪টে সেশন থাকলেও ব্যাটিংয়ে চাপ নজরে আসছিল। যা কাজে লাগাতে ভুল করেনি ভারত। ৪৪ রানের মধ্যে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। চতুর্থ দিনের শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৪ রান করে অজ়িরা। পঞ্চম দিনে ব্যাট করতে নেমে প্রথম থেকে কোনও সুবিধা করতে পারেননি কামিন্সরা। টিম পেইন করেন ৪১। বুমরাহ, অশ্বিন ও শামি নেন তিনটি করে উইকেট। একটি উইকেট নেন ইশান্ত শর্মা।   

  • হকি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ভারত কানাডা ভারতের কাছে পর্যুদস্ত।

    ডেস্ক, ৮ই ডিসেম্বরঃ হকি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে  ভারত। শনিবার গ্রুপ স্টেজের শেষ ম্যাচে কানাডাকে ৫-১ গোলে হারায় ভারত। ভারতের হয়ে ললিত উপাধ্যায় দুটো গোল করেন ও  হরমনপ্রীত সিং, কানগুজাম, অমিত রোহিদাস ১টি করে গোল করেন।   উড়িষ্যার কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে আজ ভারত প্রথম থেকেই  আক্রমণাত্মক  খেলা শুরু করে। যার জেরে খেলা শুরুর মাত্র বারো মিনিটের মাথায় ভারত এগিয়ে যায়  হরমনপ্রীত সিং-র গোলে। পেনাল্টি কর্নার থেকে তিনি এই গোল করেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোয়ার্টারে তেড়েফুঁড়়ে আক্রমণে নামে কানাডা। সেইসঙ্গে কানাডার রক্ষণ এই সময় অসাধারণ খেলে। যার জেরে ভারতের একের পর এক আক্রমণ কানাডার রক্ষণের সামনে আঁছড়়ে পড়ে। এরই মধ্যে খেলার উনচল্লিশ মিনিটে গোল একটি গোল করে খেলায় সমতা ফেরায় কানাডা। ফ্লোরিস ভ্যান সন কানাডার হয়ে গোলটি করেন। তৃতীয় ও চতুর্থ কোয়ার্টারে চার-চারটি গোল করে ভারত। সহ-অধিনায়ক চিঙ্গলেনসানা কাঙ্গুজাম ৪৬ মিনিটে একটি গোল করে ব্যবধান বাড়ান। এই গোলের রেশ মিটতে না মিটতেই ফের গোল। এবার ভারতের হয়ে ব্যবধান বাড়ান ললিত উপাধ্যায়। তিনি ৪৭ মিনিটে গোলটি করেন। ৫১ মিনিটে অমিত রোহিদাস একটি গোল করেন। এর ফলে ভারত ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। খেলার একদম শেষমুহূর্তে ৫৭ মিনিটে ললিত আরও একটি গোল করেন। এর ফলে ললিত এদিনের ম্যাচে তাঁর দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেন এবং সেইসঙ্গে ভারতের গোলের সংখ্যা ৫-এ নিয়ে যান। ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠকে  ভারতীয় দলের কোচ হরেন্দ্র সিং  জানান, 'দল এখন নক-আউট পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এই সুযোগের জন্য  দীর্ঘদিন ধরে দল প্রস্তুতি নিয়েছে।'    

  • ৩৬ তম জেলা বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসবে চ্যাম্পিয়ন কালিয়াচক জোন, রানার্স হরিশ্চন্দ্রপুর জোন

    কার্ত্তিক পাল,মালদা,৭ ডিসেম্বরঃ  গতকাল ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হল মালদা জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের উদ্যোগে  প্রাথমিক, নিন্ম বুনিয়াদি বিদ্যালয় ,মাদ্রাসা , শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে ৩৬ তম জেলা বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসব ২০১৮। গত ৫ই ডিসেম্বর বুধবার  মালদা শহরের  বৃন্দাবনী় ময়দানে ৩৬ তম জেলা বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসবের শুভ উদ্বোধন হয়েছিল। আমরা আগেই জানিয়েছিলাম প্রথমদিন জেলার ৭টি জোনের ক্ষুদে  ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং দ্বিতীয়দিনে খেলার মূল পর্ব  শিশু দের তিনটি বিভাগে  মোট ২৮ টি ইভেন্টের খেলা  হবে। দ্বিতীয় দিনে এই বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসবের পতাকা উত্তোলন করেন জেলা  শাসক কৌশিক ভট্টাচার্য। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন সন্মানীয় অতিথিবৃন্দ। অতিথিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল, ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা ইংরেজবাজার পৌরসভার পৌরপিতা নীহার রঞ্জন ঘোষ,জেলা পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষ, রাজ্যের প্রাপ্তন মন্ত্রী ও কাউন্সিলার কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শক্তিপদ পাত্র, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা মোয়াজ্জেম হোসেন ও ডা  ডি সরকার ইংরেজবাজার পৌরসভার উপ পৌরপিতা বাবলা সরকার, কাউন্সিলর  শুভদীপ সান্যাল ,পরিতোষ চৌধুরী ,জেলা শিশু ক্রীড়া উৎসবের সম্পাদক  মন্ডলীর  সদস্য   শুভেন্দু চন্দ্র দাস,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান আশিশ কুন্ডু সহ অন্যান্য অতিথি বৃন্দরা। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দিতে গিয়ে  জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান আশিশ কুন্ডু বলেন বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসব এক বিরাট কর্মযজ্ঞ। জেলার ১৪৬ টি অঞ্চল ৩১ টি সার্কেল ও ৭ টি জোনাল শিশু  ক্রীড়া খেলা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে ।আজ শিশুদের তিনটি বিভাগের মোট ২৮ টি ইভেন্ট খেলা হবে ।আশিশ বাবু  বলেন প্রাথমিক পড়ুয়াদের পুঁথিগত বিদ্যা দানের পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি সমান নজর দেওয়া শিক্ষকদের একান্ত দরকার। তাতে স্কুলছুট পড়ুয়াদের স্কুলমুখী করা সহজ হবে ।তিনি  বলেন মুখ্যমন্ত্রী চেয়েছেন সকল শিশুরা স্কুলে আসুক তাদের মুখে হাসি ফুটুক ।তাই শিক্ষকদের এই ব্যাপারে সক্রিয় হতে হবে যাতে সকল বাচ্চারা শিক্ষার আঙিনায় এসে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এর পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি ও তাদের নজর দিতে হবে। বিদ্যালয় এর পাঠদান ও ক্রীড়া পারিস্পরের পরিপূরক। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক জেলাশাসক কৌশিক ভট্টাচার্য্য জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মানুবর্তিতা ও ক্রীড়ার উপর সমান জোর দিয়েছেন।আমরা তার নির্দেশিত পথেই এগোতে চাই, আমাদের জেলায় সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাতা দেওয়া হয়ে থাকে । শিক্ষার  ক্ষেত্রে পাশাপাশি শিশুদের খেলার উপরও আমরা জেলায় জোর দিয়ে থাকি। ইতিমধ্যে হবিবপুর ব্লকের কেন্দ পুকুরের মাঠে বিরাট মাপের স্টেডিয়াম হচ্ছে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর  থেকে অর্থ বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে ।তার কাজ শুরু হয়ে গেছে ।জেলার মাঠ গুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন করার কথা ভাবা হচ্ছে। এরপর শুরু হয় ক্ষুদেদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।  শিশুদের বালক(ক) বিভাগে ৭৫ মিটার দৌড়ে প্রথম হন কালিয়াচক জোনের কমলপুর প্রাইমারী স্কুলের সাবেদুল মোমিন। বালিকা(ক) বিভাগে ৭৫ মিটার দৌড়ে প্রথম হন  কালিয়াচক জোনের ভগবতীপুর প্রাইমারী স্কুলের ইসমাতারা। বালক(খ) বিভাগে ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হন রতুয়া জোনের ফিরোজ আলি। বালিকা (খ) বিভাগে ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হন কালিয়চক জোনের আব্দুল জলিলটোলা প্রাইমারী স্কুলের  সাহেদা খাতুন।সর্বশেষ প্রতিযোগিতা ছিল রিলে রেস।তীব্র উত্তেজনার মধ্য দিয়ে বালক ও বালিকাদের রিলে রেসে প্রথম হয় কালিয়াচক জোন। এ ছাড়া ৩৬ তম মালদা জেলা বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসবের সাতটি জোনের  মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কালিয়াচক জোন তাদের প্রাপ্ত পয়েন্ট ৯২। রানার্স হয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর জোন।প্রসঙ্গত আজকের প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টের প্রথম স্থানাধিকারীরা রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে।

  • ৩৬ তম মালদা জেলা বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসবের শুভ সুচনা

    কার্ত্তিক পাল,মালদা, ৫ ডিসেম্বরঃ মালদা জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের উদ্যোগে  প্রাথমিক, নিন্ম বুনিয়াদি বিদ্যালয় ,মাদ্রাসা , শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে ৩৬ তম মালদা জেলা বার্ষিক  শিশু ক্রীড়া উৎসবের শুভ  সুচনা আজ বুধবার  বৃন্দাবনী ময়দানে হল। এই প্রতিযোগিতা দুই দিন ধরে অর্থাৎ আজ ও কাল চলবে। আগামীকাল খেলার মূল পর্ব অর্থাৎ ইভেন্টগুলো চলবে। আজ প্রথম দিনে জেলার ৭টি জোনের ক্ষুদে  ক্রীড়াবিদকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই সাতটি জোন হল কালিয়াচক  , গাজোল ,চাচল , হরিশ্চন্দ্রপুর  , রতুয়া , ইংলিশ বাজার , ও  হবিবপুর। এদিন মাঠে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা সদরের মহকুমা শাসক পার্থ চক্রবর্তী , মালদা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি আশিস কুন্ডু । তারা  সকল ক্ষুদে  ক্রীড়াবিদদের জুতা প্রদানের মধ্য দিয়ে তাদের বরন করে নেন।   মালদা জেলার বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের  নেতারা  ফুল চকলেট দিয়ে  শিশুদের বরন করে নেন । এ ব্যাপারে জেলার  সাংবাদিকরাও পিছিয়ে ছিলেন না তারা  শিশু দের কম্বল বিতরণ করেন ।মালদা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের  সভাপতি আশিস কুন্ডু জানান  " আমাদের  জেলার   ১৪৬টি অঞ্চল, ৩১ টি সার্কেল ও ৭টি  জোনাল  শিশু ক্রীড়া উৎসব  ইতিমধ্যে সুচারুভাবে শেষ হয়েছে  । আজ এই খেলার শুভ  উদ্বোধন  হলো । খেলার  প্রথম দিনে আমরা  ছাত্র ছাত্রী দের  মাপ জোক  ও জুতা প্রদান সহ সমস্ত  ক্ষুদে ছাত্র ছাত্রী দের সংবর্ধনা  দেওয়া হয়  । আগামীকাল খেলার মূল পর্ব  শিশু দের তিনটি বিভাগে  মোট ২৮ টি ইভেন্টের খেলা  হবে ।  

  • ৩৬ তম বার্ষিক গাজোল জোনাল শিশু ক্রীড়া উৎসব অনুষ্ঠিত হল

    ডেস্ক,মালদা, ৩ ডিসেম্বরঃ আজ পুরাতন মালদার মিশন রোডের শিমুল ডাব ময়দানে ৩৬ তম বার্ষিক গাজোল জোনাল শিশু ক্রীড়া উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এই  ক্রীড়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করে গাজোল জোনাল শিশু ক্রীড়া উৎসব কমিটি আদিনা চক্র। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আদিনা চক্র এবং মালদা চক্রের দুই সার্কেলের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক ভরত ঘোষ ও সৌমিত্র সরকার  মহাশয় এছাড়াও এ ক্রীড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুরাতন মালদা ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মৃণালিনী মন্ডল মাইতি সহ-সভাপতি হারেজ আলী এছাড়াও গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেজিনা বিবি জোনাল ক্রীড়া সম্পাদক পবন কুমার সিংহ সহ বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষক শিক্ষিকা সহ অন্যান্যরা ।আজকের ক্রীড়া  অনুষ্ঠানে মোট চারটি চক্রের তথা গাজোল নর্থ ,গাজল, পান্ডুয়া , আদিনা সার্কেলের  মোট ২৮ টি বিভাগে ১৯৩ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে ।  ছাত্র  ছাত্রীরা মার্চ পাসের মাধ্যমে খেলার সূচনা করে মত এবং অতিথিদের সম্মান জ্ঞাপন করে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশ নেয় এই খেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের দ্বারা বিভিন্ন ধরনের নৃত্য প্রদর্শন করা হয়।  

  • অবশেষে বাংলা রঞ্জি ট্রফিতে রুদ্ধশ্বাস জয় পেল মাত্র ১ উইকেটে তামিলনাডুর বিরুদ্বে।

    ডেস্ক, ১লা ডিসেম্বরঃ  শেষ পর্যন্ত বাংলা  জয় পেল । তামিলনাড়ুকে চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে  ১ উইকেটে হারিয়ে ৬ পয়েন্ট ঘরে তুলল  বাংলা।  টার্নিং উইকেটের জন্য বাংলার  ব্যাটসম্যানরা সমস্যায়  পড়েছিল। তবে তরুণ প্রদীপ্ত প্রামাণিকের লড়াইয়ের জন্য বাংলা জয়ের রাস্তা দেখল।  তিনি ৯৭ বলে ২৫ রান না তুললে আজ বাংলাকে কিন্তু খালি হাতেই ফিরতে হত। কারণ, সহ-অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি ৪০ রান করলেও, আবার অবিবেচকের মত   নিজের উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে দলের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আজ দিনের শুরুতে অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি ও আমির গনি যখন ব্যাট করতে নামেন, তখন জয়ের জন্য আর ১২৮ রান দরকার । হাতে বাকি ৮ উইকেট। শুরুতেই  মনোজ (১৮) ও গনি (২৫)’কে ফিরিয়ে বাংলাকে জোড়া ধাক্কা দেন বিপক্ষের পেসার টি.নটরাজন। ১২১ রানে তখন ৪ উইকেট হারিয়ে তখন বেশ চাপে বাংলা । এরপর অনুস্টুপ, ঋত্বিক ও শ্রীবৎস ফিরে যাওয়াতে  দ্রুত ম্যাচে ফিরে আসে তামিলনাডু এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তামিলনাডুর বাঁহাতি স্পিনার রাহিল শাহের। মাত্র ১৫০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলা যখন পরাজয়ের প্রায় দোরগোড়ায় তখন    বাংলার সহ অধিনায়ক সুদীপ তরুণ প্রদীপ্তকে নিয়ে লড়াই চালাতে শুরু করেন। অষ্টম উইকেটে এই দু’জন  মূল্যবান ৫৭ রান যোগ করায় ম্যাচ বাংলার দিকে চলে আসে। যদিও জয়  সহজ ছিল না। আরও  রুদ্বশ্বাস উত্তেজনা বাকি ছিল। কারণ, যখন জয়ের জন্য   আর মাত্র ৯ রান  দরকার  ঠিক তখন স্টেপ আউট করে মারতে গিয়ে স্টাম্প আউট হয়ে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে এলেন অভিজ্ঞ সুদীপ। ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েও ,আসল সময় চাপের মুখে ভেঙে পড়েন  তিনি। তবে উত্তেজনা এবং টেনশনের এখানেই শেষ নয়। স্কোরবোর্ডে বাংলার  রান তখন  ২১৫ । ম্যাচ ‘টাই’। এমন সময় রান আউট হয়ে যান অশোক দিন্দা। কিন্তু প্রদীপ্ত ত্তখনও অনড় জয়ের লক্ষে।  তাঁর ‘উইনিং শট’এর  জন্য  অবশেষে  বাংলা ম্যাচ জিতল।  বাংলা  ৪ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে রঞ্জি ট্রফির নক-আউটে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখল ।    

  • ২৪ তম বার্ষিক ইংলিশ বাজার জোনাল শিশু ক্রীড়া সাড়ম্বরে মুচিয়ার মোহন বাগান মাঠে অনুষ্ঠিত হলো।

    ডেস্ক, মালদা, ১লা ডিসেম্বরঃ ২৪ তম বার্ষিক ইংলিশ বাজার জোনাল শিশু ক্রীড়া উৎসব শনিবার  মুচিয়ার মোহন বাগান মাঠে অনুষ্ঠিত হলো ।এই খেলার ইংলিশ বাজার ও পুরাতন মালদার মোট পাঁচটি  চক্রের  তিন শতাধিক শিশুরা এই  ক্রীড়ায় অংশগ্রহণ করে । পতকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে এই শিশু  ক্রীড়ার উদ্বোধন করেন মালদা জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি আশিস কুন্ডু । এছাড়া মাঠে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবী মানিকচক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে র রোগীর কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান  বিশ্বজিত মন্ডল। বিডিও শ্রীনরত্তম বিশ্বাস  ও পুরাতন মালদা র  পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মৃণালিনী মাইতি ও বিভিন্ন  শিক্ষক  সংগঠনের  নেতা ।মুলত শিশু দের তিনটি বিভাগে মোট ২৮ ইভেন্ট  খেলা হয় ।   খেলার ফাঁকে  ফাঁকে স্হানীয়   বিভিন্ন  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  ছাত্র ছাত্রীরা নাচ গান সহ বিভিন্ন সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান প্রদর্শন করে। খেলাকে  ঘিরে  শিক্ষক দের উপস্থিতি ছিলো লক্ষ্যনীয় । যে পাচটি চক্র  এই খেলায় অংশগ্রহণ করেন  তারা হলো  মালদা  চক্র  সহ আর্বান ,আর্বান  এক , সদর উত্তর  ,সদর দক্ষিণ চক্র  ।ইংলিশ বাজার জোন সহ জেলায় মোট সাতটি জোনের খেলা ১লা ও ৩রা ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত  হবে ।এর পর ৫ ও ৬ই ডিসেম্বর  মালদা  শহরের বৃন্দাবনী ময়দানে  জেলা  শিশু  ক্রীড়া মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত  হবে । ইংলিশ বাজার জোনাল শিশু ক্রীড়া কমিটির  সভাপতি  ভরত ঘোষ  জানান  " গত পনের দিন থেকে  পুরাতন মালদা  চক্রের শিশু ক্রীড়ার খেলা শুরু হয়েছে । অঞ্চল,  চক্রের খেলা সম্পন্ন করার পর আজ জোনাল শিশু ক্রীড়ার খেলা সম্পন্ন হচ্ছে । এই খেলায়  ইংলিশ বাজারের  চারটি  চক্র  ও পুরাতন মালদা র  একটি মোট পাঁচটি চক্রের খেলা শেষ হল ।  শিশুদের  তিনটি বিভাগে  মোট ২৮ টি ইভেন্ট  খেলা হয় । পাচটি চক্রের  মোট ২৮০ জন ক্ষুদে ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণ করে ।"

  • মানিকচক চক্র -১ এর বার্ষিক চক্র শিশু ক্রীড়া উৎসব ।

    মালদা, ৩০ নভেম্বরঃ রাহুল মন্ডল,মানিকচক♦ শুক্রবার মালদার মানিকচক চক্র -১ এর  বার্ষিক চক্র শিশু ক্রীড়া উৎসব ২০১৮  অনুষ্ঠিত হল ।  এদিন মানিকচক চক্র এর সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা বিভিন্ন ক্রীড়া মূলক প্রতিযোগিতা শয় অংশগ্রহণ করে ।  এদিনের অনুষ্ঠানে উদ্বোধক অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌড় চন্দ্র মন্ডল । প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলার  ডিপিএসসি-র চেয়ারম্যান আশিষ কুন্ডু ।  এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কবিতা মন্ডল, অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক মোঃ আজিজুর রহমান,শিক্ষা কর্মাধক্ষ্য মহারানী প্রমানিক,কর্মাধক্ষ্য আসাউদ জামান(ফেকেন),বিশিষ্ট সমাজ সেবী সুনন্দ মজুমদার ,মোয়াজ্জেম হোসেন  সহ বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ,শিক্ষিকারা এবং পড়ুয়ারা। উদ্বোধন শেষে গৌড়চন্দ্র মন্ডল বলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকারা হল ছোটো পড়ুয়াদের জীবন গড়ার কারিগর ।  পড়াশোনা পাশাপাশি খেলাধুলা খুব প্রয়োজন শিশুদের ।  মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বিদ্যালয়ের উন্নতমানের পরিকাঠামো জন্য বিশেষ জোর দিয়েছে ,যা আমাদের সকলে একসাথে মিলে দায়িত্ব নিয়ে পূরণ করতে  হবে ।  আগামী ৪ ডিসেম্বর এই মাঠে জোনাল বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসব ২০১৮ অনুষ্ঠিত হবে ।

  • মালদা চক্রের শিশু ক্রীড়ায় সেরা মুচিয়া ও সাহাপুর অঞ্চল ।

    ডেস্ক, মালদা, ২৯ নভেম্বরঃ পুরাতন মালদার মালদা চক্রের  শিশু ক্রীড়া চক্রের  খেলা  বৃহস্পতিবার  মুচিয়া  অঞ্চলের  মোহনবাগান মাঠে সম্পন্ন হলো । এই চক্রের খেলায় সাহাপুর   ,মুচিয়া  মঙ্গলবাড়ি  গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরাতন মালদা  পৌরসভার  মোট  ২২৮ জন ছাত্র ছাত্রী   অংশগ্রহণ করে ।   পতকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে এই শিশু ক্রীড়ার উদ্বোধন করেন মালদা জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি আশিস কুন্ডু ।  ছাত্র ছাত্রী দের  তিনটি  বিভাগে  মোট  ২৮টি ইভেন্টর খেলা  হয়। উপস্থিত ছিলেন  বিশিষ্ট সমাজ সেবী  তথা মানিকচক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে র  রোগী কল্যাণ সমিতির  চেয়ারম্যান  বিশ্বজিত মন্ডল  ।  পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থেকে  চ্যাম্পিয়ন হয়  মুচিয়া  অঞ্চল  শিশু ক্রীড়া। এবং রানার্সআপ হয়  সাহাপুর  গ্রাম  পঞ্চায়েত  । চ্যাম্পিয়ন  ও রানার্সআপ  দলকে  ট্রফি তুলে দিলেন  অবর বিদ্যালয়ে পরিদর্শক ভারত ঘোষ  ঘোষ ।  মালদা চক্রের  শিশু ক্রীড়া কমিটির  কার্যকরী সম্পাদক  সুমন্ত প্রামাণিক  জানিয়েছেন  চক্রের  চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের   দুই শতাধিক  ছাত্র ছাত্রী দের  নিয়ে  এই খেলা  সম্পন্ন হয়েছে । সমস্ত  শিক্ষক  শিক্ষিকা  মন্ডলি  এই খেলায়  অংশগ্রহণ করেছেন। এবং  সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ।এই খেলায়  পয়েন্টর বিচারে  চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ  হয়েছে মুচিয়া  ও সাহাপুর অঞ্চল ।" এই খেলায়  প্রয়াত  DPSC চেয়ারম্যান  রামপ্রবেশ মন্ডলের  নামে  খেলার  মুল মঞ্চের  নাম নামাঙ্কিত  করা হয় ।