������������


  • তৃতীয় টি-২০ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ ভারতের।

    Newsbazar24, ৮জুনঃ  রোহিত শর্মার দুরন্ত অপরাজিত ব্যাটিংএর উপর  ভর করে রবিবার ব্রিস্টলে তৃতীয় তথা শেষ টি-২০ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে তিনম্যাচের সিরিজ ২-১ জিতল ভারত। এখনও পর্যন্ত ৮টি তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলে ৮টিতেই জয়ী হল বিরাট-বাহিনী। এই প্রথম ইংল্যান্ডে  কোনও টি-২০ সিরিজ জিতল টিম ভারতিয় দল।  রবিবার ব্রিস্টলে টসে জিতে ইংল্যান্ডকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান বিরাট কোহলি। দুই ওপেনার জেসন রয় ও জোস বটলার  ইংল্যান্ডকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়ক্রিয়ে দিয়ে যান। ৭.৫ ওভারে যখন বটলার আউট হন ততক্ষণে স্কোরবোর্ডে ৯৪ রান যোগ করে ফেলেছে জুটি। ঝোড়ো ইনিংস খেলেন জেসন রয়ও। ৩১ বলে ৬৭ রান করেন তিনি। এর পর ইনিংসের হাল ধরেন হেলস। ২৪ বলে ৩০ রান করেন তিনি। ১৪ বলে ২৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস  খেলে নজর কাড়েন বেয়ারস্ট্রো। ২০ ওভারের শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান করে ইংল্যান্ড। ভারতের হয়ে ৪ ওভারে ৪ উইকেট তোলেন হার্দিক পান্ডিয়া। ১৯৯ রানের  টার্গেট তাড়া করতে নেমে যে ধরনের শুরু দরকার ছিল, এদিন তেমনটা হয়নি। মাত্র ৫ রান করেই ফিরে যান ওপেনার শিখর ধবন। তিন নম্বরে নামেন প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করা কে এল রাহুল। কিন্তু, এদিন তিনি শুরুটা ভাল করেও, বেশি রান করতে ব্যর্থ হন। ১০ বলে ১৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তিনি। এরপর অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে সঙ্গে নিয়ে ভারতীয় ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন রোহিত। দুজনই একটি বিষয়ের ওপর নজর রাখেন। তা হল, রান তোলার গতি যাতে কোনওভাবে স্লথ না হয়ে পড়ে। ২৯ বলে ৪৩ রানের ঝকঝকে ইনিংস উপহার দেন কোহলি। তিনি আউট হতে পাঁচ নম্বরে নেমে ঝোড়ো ইনিংস (১৪ বলে ৩৩) খেলেন হার্দিক পাণ্ড্য। দুজনে মিলে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন রোহিত শর্মা। এদিন দুর্ধর্ষ মেজাজে ছিলেন রোহিত। মাত্র ৫৬ বলে নিজের শতরান সম্পন্ন করেন তিনি। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ১১টি চার ও ৫টি ছক্কায়। প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ  ও প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ  রোহিত শর্মা।    

  • বিশ্ব জিমন্যাস্টিক্স এ চোট  সারিয়ে দুরন্তভাবে ফিরে এলেন  দীপা কর্মকার।

    Newsbazar24, ৮জুনঃ আবার জিমন্যাস্টিক্স এ খবরের শিরোনামে দীপা কর্মকার। এবার বিশ্ব জিমন্যাস্টিক্স এ চোট  সারিয়ে দুরন্তভাবে ফিরে এলেন  দীপা কর্মকার।তুরস্কের মেসিনে জিমন্যাস্টিক্স ওয়ার্ল্ড চ্যালেঞ্জ  কাপে সোনা জিতলেন দীপা। এই প্রথম  কোন ভারতীয়  এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন । প্রসঙ্গত দীর্ঘ দিন ধরে চোটের জন্য  ভুগছিলেন দীপা। লিগামেন্টে চোটের পর অস্ত্রোপচার হয়েছিল দীপা। অস্ত্রোপচারের পর দীর্ঘ দিন রিহ্যাব চলেছিল দীপার। প্রায় দু'বছর পর চোট সারিয়ে বিশ্ব জিমন্যাস্টিক্সএ প্রথম শ্রেনীর প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন । ফলে তিনি এই চ্যাম্পিয়নশিপে কতদূর যেতে পারেন, তা নিয়ে ভারতীয়দের মধ্যে সংশয় ছিল । তবে , সকলকে অবাক করে দিয়ে আবার তিনি  প্রমাণ করলেন  তিনি বিশ্বসেরাদের সাথে একসারিতে ।  তাঁর পারফরম্যান্সএ বর্তমানে এতটুকু ঘাটতি নেই। ওয়ার্ল্ড চ্যালেঞ্জ কাপের ফাইনাল ইভেন্টে ১৪.১৫০ পয়েন্ট নিয়ে সোনা জিতে নেন দীপা। তবে এই সাফল্যের পিছনে পুরো কৃতিত্বটাই দীপা দিচ্ছেন তাঁর কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দীকে। চোটের কারনে  চলতি বছর গোল কোস্ট কমনওয়েথ গেমসেও অংশ নিতে পারেননি তিনি। শুধু ফাইনালেই দীপা নজর  কাড়া পারফর্ম করে সোনা জিতে নিয়েছেন সেটা কিন্তু নয়, এই প্রতিযোগীতার প্রথম থেকে দারুণ ছন্দে পাওয়া যায় দীপাকে। ১৩.৪০০ পয়েন্ট নিয়ে রূপো জেতেন ইন্দোনেশিয়ার প্রতিপক্ষ রিফদা ইরফানালুথফি। ১৩.২০০ পয়েন্ট নিয়ে ব্রোঞ্জ জেতেন তুরস্কের গোকসু উখতাস সানলি। এই সাফল্যের জন্য দীপাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, তাঁকে শুভেচ্ছা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজ্যবর্ধন রাঠৌর এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।  

  • রাশিয়ার সামারায় সাম্বা ঝড়ে মেক্সিকো কুপোকাত, কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল।

    Newsbazar24,ডেস্ক, ২ জুলাইঃ  প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে মেক্সিকো বনাম ব্রাজিলের খেলার মূল  নায়ক  নেইমার জুনিয়ার। আর এই নেইমার জুনিয়ারের জন্য ফের একবার  মেক্সিকোকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল । একাই নেইমারে দ্বিতীয়ার্ধের পর থেকে ছিন্ন-ভিন্ন করে দিল মেক্সিকোকে । যার ফলে  ২-০ গোলে  হারল মেক্সিকো। এদিন খেলার শুরু থেকেই ব্রাজিলকে চেপে ধরার চেষ্টা করে মেক্সিকো। নেইমার ও কুটিনহোকে প্রায় বোতলবন্দি করার মতো করে ছক সাজিয়েছিলেন মেক্সিকআন ডিফেন্ডাররা । আক্রমণভাগের একদম সামনে ছিলেন তিন জন । যার নেতৃত্বে ছিলেন হার্নান্ডেজ। পরিকল্পনামাফিক আক্রমণাত্মক খেলাও শুরু করেছিল মেক্সিকো। কিন্তু, ব্রাজিলের অধিনায়ক থিয়াগো সিলভার নেতৃত্বে থাকা ডিফেন্সকে ভেদ করতে পারছিল না মেক্সিকো। বল দখলের লড়াইয়েও প্রথমার্ধে ব্রাজিলের থেকে অনেক বেশি এগিয়েও ছিল মেক্সিকো। মনে হচ্ছিল ব্রাজিল কিছুতেই হয়তো এদিন আর পাল্লা দিতে পারবে না। জাভিয়ার হার্নান্ডেজের প্রতিটি আক্রমণ মিসাইলের মতো আছড়ে পড়ছিল ব্রাজিল ডিফেন্সের গায়ে। একবার হার্নান্ডেজ সুযোগও পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অফসাইড হয়ে যান এবং ব্রাজিলের গোলকিপার অ্যালিস্সন বেকার হার্নান্ডেজের প্রায় ঘাড়ে উঠে বল ছিনিয়ে নেন। নেইমার সুযোগের অপেক্ষায় সমানে নিজের স্থান বদলে যাচ্ছিলেন। আচমকাই ২৫ মিনিটে তিনি একটি বল পেয়ে দুরন্তভাবে মেক্সিকোর বক্সে ঢুকেও পড়েন। সামনে তখন শুধুই মেক্সিকোর গোলকিপার ওছোয়া এবং অধিনায়ক মার্কোজ সামান্য একটু দূরে। এই ফাঁক দিয়ে ই বল রেখেছিলেন নেইমার। কিন্তু, ওছোয়া দুরন্ত রিফ্লেক্সে কোনওমতে হাতের তালুর নিচের অংশ দিয়ে বলের গতি রোধ করে দেন। বলতে গেলে প্রথমার্ধের খেলায় এই একটিমাত্র সুযোগ ছিল ব্রাজিলের আক্রমণের ।  প্রথমার্ধের খেলা গোল শূন্য অবস্থাতেই শেষ হয়।  কিন্তু, দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতেই তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে নামে ব্রাজিল। একসঙ্গে গোটা দল বল নিয়ে মেক্সিকোর বক্সে পৌঁছনোর চেষ্টা করতে থাকে। এরই ফল স্বরূপ ৫১ মিনিটে মেক্সিকোর বক্সে ঢুকে পড়ে ব্রাজিল দল। বক্সের সামনে পাওয়া পাস স্লাইড করে মেক্সিকোর জালে বল ঢুকিয়ে দেন নেইমার। এরপরই আস্তে আস্তে  মেক্সিকোর ঘাড়ে চেপে বসে ব্রাজিল । এই সময় দুই দলের বল দখলে সমান  সমান থাকলেও, ব্রাজিলের আক্রমণ মেক্সিকোর গোলমুখে বেশী আছড়ে পড়েছে।  প্রথম থেকে ঝড়ের গতিতে খেলার মাসুল অবশ্য এই সময় দিতে থাকে মেক্সিকো। তাদের প্লেয়াররা যে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে তা বোঝাই যাচ্ছিল। হার্নান্ডেজকে তুলে নিতে মেক্সিকোর আক্রমণের ঝাঁঝও কমে যায়। ৮৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে সোজা মেক্সিকোর বক্সে ঢুকে পড়েন নেইমার। মেক্সিকোর গোলের একদম সামনে প্রস্তুত হয়েই ছিলেন ফিরমিনো। গোলে বল ঠেলতে কোনও ভুল করেননি তিনি। বলতে গেলে নেইমারের এই অসাধারান  পাস যেন মেক্সিকোর কফিনে শেষ পেড়েকটি পুতে দেয়। আর সেই সঙ্গে মেক্সিকো-র  বিশ্বকাপে -কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার আশা শেষ হয়ে যায়।    

  • রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে ডেনমার্ককে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া

    Newsbazar24, ডেস্ক,২ জুলাইঃ : গতকাল রাতে বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া ও ডেনমার্ক  পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিল। ম্যাচের ৫৭ সেকেন্ডের মাথায়  গোল করেন ডেনমার্কের মাথিয়াস  য়ুর্গেনসেন। বক্সের মধ্যে জটলা থেকে গোল করে ডেনমার্ককে এগিয়ে দেন তিনি। ম্যাচের ৩ মিনিটের মাথায়  র হয়ে মারিও মান্ডজুকিচ গোল করে সমতা ফেরান। আক্রমণ প্রতি আক্রমণে খেলা খুব জমে উঠেছিল। কিন্তু  নির্ধারিত সময়ে  কেঊ গোল করতে পারেননি। ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ম্যাচের ১১৬ মিনিটের মাথায়  ক্রোয়েশিয়া ডেনমার্ক বক্সে ফাউল থেকে পেনাল্টি পায়। তবে অবিশ্বাস্য দক্ষতায় লুকা মডরিচের শট আটকে দেন ডেনমার্কের গোলকিপার ক্যাসপার। শেষ পর্যন্ত খেলা টাইব্রেকারে গড়ায়। ম্যাচ শেষ হল রুদ্ধশ্বাস পেনাল্টি থেকে । ডেনমার্ককে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ আটে পৌঁছল ক্রোয়েশিয়া। দুই গোলকিপার  ডেনমার্কের ক্যাসপার ও ক্রোয়েশিয়ার সুবাসিচ দুজনেই তিনটি করে পেনাল্টি সেভ করলেন যা এক অনন্য রেকর্ড। কোনও ম্যাচে আগে দুই গোলকিপার মিলিয়ে এভাবে তিনটি করে পেনাল্টি সেভ করেননি। এই প্রথম এমন ঘটল। সেবাসিচ টাইব্রেকারের সময় তিনটি পেনাল্টি সেভ করেন। ক্যাসপার টাইব্রেকারে দুইটি ও খেলার অন্তিম লগ্নে ১টি পেনাল্টি সেভ করেন।  ২০০৬ সালে বিশ্বকাপের ম্যাচে পর্তুগালের রিকার্দো তিনটি পেনাল্টি সেভ করে দলকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নক আউটে তোলেন। সেই ম্যাচ হয়েছিল ১২ বছর আগে এই একইদিনে ১ জুলাই।

  • ট্রাইবেকারে ৪-৩ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন স্পেন।

    Newsbazar24, ,ওয়েব ডেস্ক, ১লা জুলাইঃ   ট্রাইবেকারে ৪-৩ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন স্পেন। এবারের বিশ্বকাপের নক-আউট পর্যায়ে এই প্রথম নির্ধারিত সময়ে কোনও ম্যাচের ফল নির্ধারিত না হওয়ায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময় ও টাইব্রেকারে।   ৪-৫-১ ফর্মেশনে দল সাজিয়েছে স্পেন। রাশিয়া দল সাজিয়েছে ৫-৩-২ ফর্মেশনে।১৯৮৬ সালের পর ফের বিশ্বকাপের নক আউট পর্যায় খেলছে এর আগে মোট ১২ বার খেলেছে স্পেন এবং রাশিয়া। ছ'টি ম্যাচে জিতেছে স্পেন। রাশিয়া জিতেছে দু'টি ম্যাচে। চারটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।  তখন অবিভক্ত রাশিয়া ছিল। স্পেনের বিরুদ্ধে শুরু থেকে আক্রমণ তুলে আনছে রাশিয়া।ফ্রি কিক পেল স্পেন। ইগ্নাসেভিচের আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ল রাশিয়া। গোল শোধ করার লক্ষ্যে একের পর এক আক্রমণ চালাচ্ছে রাশিয়া।পাশাপাশি একের পর এক আক্রমণ তুলে আনছে স্পেন। বক্সের বেশ কিছুটা বাইরে থেকে পাওয়া ফ্রি কিক কাজে লাগাতে পারল না রাশিয়া। বক্সের মধ্যে হ্যান্ড বল করায় হলুদ কার্ড দেখলেন জেরার্ড পিকে।  পেনাল্টি পেল রাশিয়া। ৩৭ মিনিটের মাথায়  গোল করে রাশিয়াকে সমতায় ফেরালেন আর্টেম জিউবা। প্রথমার্ধে খেলা ১-১।   শুরু হয়ে গেল দ্বিতীয়ার্ধের খেলা। প্রথমার্ধের পরিসংখ্যানের নিরিখে অনেক এগিয়ে স্পেন। শুরুতেই স্পেনের ভুল পাস থেকে আক্রমণ তুলে এনেছিল রাশিয়া।অসাধারণ সেভ রাশিয়ার গোলরক্ষকের।বল অধিকাংশই ঘুরছে স্পেনের পায়ে। স্পেনের ভুল পাস থেকে আক্রমণ তুলে এনেছিল রাশিয়া।ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালাচ্ছে রাশিয়া। ইস্কো-ন্যাচোর দাপুটে পারফরম্যান্সে রাশিয়ার রক্ষণ দূর্গে ফাটল ধরাতে মরিয়া স্পেন। 0 ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে স্পেনের দখলে।মাঠে নামলেন চেরিসেভ। এই বিশ্বকাপে রাশিয়ার অন্যতম সম্পদ চেরিসেভ। রিয়াল মাদ্রিদের অ্যাকাডেমি থেকে বেড়ে ওঠা ফুটবলার এই চেরিসেভ। দারুণ আক্রমণ তুলে এনেছিল রাশিয়া। বলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলেন না গোলোভিন।  মাঠে নামলেন আন্দ্রে ইনিয়েস্তা। দাভিদ সিলভার পরিবর্তে মাঠে এলেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার।বারবার বাঁ দিক দিয়ে ইস্কোকে কেন্দ্র করে আক্রামণ তুলে আনছে স্পেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না।রাশিয়ার গোলরক্ষক এবং ডিফেন্সের কারণে রক্ষা পায় রাশিয়া। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ থাকল। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধেও কোনও গোল হয়নি। অতিরিক্ত সময়েও একাধিক সুযোগ নষ্ট করে স্পেন। ১১৫ মিনিটে বক্সের মধ্যে পিকে ও র‌্যামোসকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে পেনাল্টির জোরাল আবেদন জানায় স্পেন। তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি সেই দাবি নাকচ করে দেন। ফলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। ট্রাইবেকারে এবার স্পেনের হয়ে গোল করেন আন্দ্রে ইনিয়েস্তা, পিকে ও র‌্যামোস। রাশিয়ার হয়ে গোল করেন স্মলোভ, ইগনাশেভিচ, গলোভিন ও চেরিশেভ। দুর্দান্ত সেভ করে নায়ক হয়ে গেলেন রাশিয়ার গোলরক্ষক ইগর আকিনফিভ। স্পেনের হয়ে টাইব্রেকার নষ্ট করেন কোকে ও ইয়াগো আসপাস।।লুজনিকে নকআউট ম্যাচে স্পেনকে আটকাতে মরিয়া ছিল রাশিয়া। সেটাই তারা করে দেখাল।  

  • সুয়ারেজ-কাভানিরা দৌলতেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল রোনাল্ডো বাহিনীকে

    Newsbazr 24:  ডেস্ক, ১লা জুলাইঃ  সারা খেলায় পর্তুগাল বল দখলের লড়াইয়ে উরুগুয়ের   বিরুদ্ধেও এগিয়ে থাকলেও বোঝাপড়া আর আত্মবিশ্বাসের উপর ভর করেই  জয় ছিনিয়ে নিল  উরুগুয়ে।  মূলত উরুগুয়ের সুয়ারেজ-কাভানিরা দৌলতেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল রোনাল্ডো বাহিনীকে । শনিবার সোচিতে খেলার শুরুতেই সাত মিনিটেই সুয়ারেজের ক্রসে হেডে দুরন্ত গোল করে উরুগুয়েকে এগিয়ে দেন এডিনসন কাভানি। প্রথমার্ধের ২২ মিনিটে পর্তুগাল গোলরক্ষক রুই প্যাট্রিসিও অসধারন দক্ষতায়  সুয়ারেজের  ফ্রি-কিক বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে বাঁচান । প্রথমার্ধে  রোনাল্ডোকে বক্সের মধ্যে বলই ধরতে দিলেন না দিয়েগো গোডিন, হোসে মারিয়া হিমেনেসরা। উরুগুয়ের জমাট রক্ষণভাগ ভাঙ্গতে পারলেন না পর্তুগিজরা। দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিআক্রমণে গোল পেয়ে যায় পর্তুগাল। ৫৫ মিনিটে কর্নার কিক থেকে হেডে পেপের গোলে  সমতায় ফেরে পর্তুগাল। বিশ্বকাপে তো বটেই, ২০১৮ সালে প্রথমবার উরুগুয়ের জালে বল গেল।  ৬২ মিনিটে ফের উরুগুয়েকে এগিয়ে দেন কাভানি। মিনিট দশেক পরেই পায়ে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন জোড়া গোল করা কাভানি। ৭০ মিনিটে গেরেইরোর চিপ শট এগিয়ে এসে ধরতে গিয়েও বল ধরতে পারেননি উরুগুয়ে গোলরক্ষক মুসলেরা কিন্তু বের্নার্দো সিলভার শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। শেষ দিকে মেজাজ হারিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন রোনাল্ডো। পর্তুগালকে ২-১ গোলে হারিয়ে রাশিয়ায় শেষ আটে  উরুগুয়ে।  কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে উরুগুয়ে। আমরা লক্ষ করলাম লাতিন আমেরিকার টিম আর্জেন্টিনার খেলায়  যখন কোনও পরিকল্পনা ছিল না, তখন আর এক লাতিন আমেরিকান দেশ দেখাল, পরিকল্পনামাফিক খেলেও কাজ হাসিল করে ফেলা যায়। বিশ্বকাপের এই আসরে  শুধু দৃষ্টিনন্দন ফুটবল দেখানোই উদ্দেশ্য নয়, এখানে জয় হাসিল করাটাই সর্বাগ্রে। তা-ই করতে হবে। তা-ই করে দেখালেন সুয়ারেজরা। প্রায় শুরু থেক রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলেও জয় হাসিল করে নিলেম তারা। এদিন রোনাল্ডোর মতো ফুটবলারকে একটা শট নেওয়ার জায়গা দেননি উরুগুয়ের রক্ষণভাগের ফুটবলাররা। বল রোনাল্ডোদের পায়ে ঘোরাফেরা করলেও, ডিফেন্স ভাঙতে পারেনি একাবারের জন্যও।    

  • রাশিয়া বিশ্বকাপে প্রি-কোয়ার্টারেই মহাতারকার মহাপতন,৪-৩ এ ফ্রান্সের কাছে হেরে আর্জেন্তিনার বিদায়।

    Newsbazar24: ডেস্ক, ৩০ জুনঃ আজ থেকে শুরু হল  বিশ্বকাপের নক আউট পর্ব। প্রি কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচে কাজান এরিনায় মুখোমুখি  হয়েছিল ফ্রান্স এবং আর্জেন্তিনা। কিন্তু এবারের মত  বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল লিওনেল মেসির দল। এবারের অঘটনের বিশ্বকাপে আরও এক অঘটনের সাক্ষী থাকল ফুটবলপ্রেমীরা। এই মাঠে হেরেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছিল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানি। এবার বিদায় নিল রানার্স দল আর্জেন্তিনা। ৪-৩ গোলে ফ্রান্সের কাছে হেরে গেল আর্জেন্তিনা। বলা ভাল ফ্রান্সের গতিঝড়ের কাছে পর্যুদস্ত হল আর্জেন্টিনা।  এর  নেতৃত্বে ফ্রান্সের উদীয়মান তারকা কিলিন এমবাপে। এই ১৯ বছর বয়সী এমবাপের গতির কাছেই  হার মানতে হল  আর্জেন্তিনাকে। খেলার শুরু থেকেই আক্রমনে আর্জেন্তিনা।  বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি কিক পেয়ে কাজে লাগাতে পারল না আর্জেন্তিনা। এই ম্যাচে আর্জেন্তিনা খেলল ৪-৩-৩ ছকে । ফ্রান্স  ৪-২-৩-১ ফর্মেশানে খেলল।  প্রতি আক্রমণে ফ্রান্স। বক্সের বাইরে এমবাপেকে ফাউল মাসচারেনোর। ফ্রি কিক পেল ফ্রান্স।  দুঃভাগ্য ফ্রান্সের। বারে লেগে ফিরে এল গ্রিজম্যানের ফ্রি কিক। খেলার দশ মিনিটের মধ্যেই পেনাল্টি পেল ফ্রান্স। পেনাল্টি বক্সে এমবাপেকে ফাউল মার্কোস রোহোর।  পেনাল্টি থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দিলেন গ্রিজম্যান।ফ্রান্সের গতির কাছে পিছিয়ে পড়ছে আর্জেন্তিনা। আক্রমণে আর্জেন্তিনা কর্নার পেল । কিন্তু কাজ হল না।  বক্সের বাইরে দারুণ জায়গা থেকে ফ্রি কিক পেল ফ্রান্স।  ফ্রান্সের গতির কাছে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে আর্জেন্তিনার ডিফেন্স।পোগবার শট উড়ে গেল বারের উপর দিয়ে।প্রতি আক্রমণে উঠছে আর্জেন্তিনা।  আক্রমণ তুলে আনার চেষ্টায় আর্জেন্তিনা। কর্নার পেল আর্জেন্তিনা।  ফ্রান্সের নিশ্চিত হ্যান্ডবল এরিয়ে গেল রেফারি। নিশ্চিত পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হল আর্জেন্তিনা।   মেসিকে সহযোগীতা করার মতো ফুটবল খেলতে পারছে না আর্জেন্তিনার বাকি ফুটবলাররা। ম্যাচে দুরন্ত ভাবে ফিরে এসেছে আর্জেন্তিনা। খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনল আর্জেন্তিনা। বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে দর্শণীয় গোল দি মারিয়ার। দি মারিয়ার এই গোল দীর্ঘ দিন মনে রাখবেন ফুটবল প্রেমীরা। শেষ হল প্রথমার্ধের খেলা।প্রথমার্ধের খেলার শেষে আর্জেন্তিনা-১ ফ্রান্স-১ শুরু হল দ্বিতীয়ার্ধের খেলা। প্রথমার্ধের খেলার বিচারে ম্যাচে দাপট রয়েছে আর্জেন্তিনার।প্রথম পরিবর্তন সাম্পাওলির। রোহোর পরিবর্তে মাঠে এলেন ফাজিও। দারুণ মেজাজে দি মারিয়া। অসাধারণ স্কিলের প্রদর্শন দি মারিয়ার। দ্বিতীয়ার্ধের ৪ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি কিক পেল আর্জেন্তিনা।মেসির বাঁ পায়ের শট মর্সেডোর পায়ের টোকায় ঢুকে গেল জালে।  গোল করে এগিয়ে গেল আর্জেন্তিনা।খেলার ফল আর্জেন্তিনার পক্ষে ২-১। এরপর হলুদ কার্ড দেখলেন বেনেগা।  আক্রমণ তুলে আনার চেষ্টায় ফ্রান্স।বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পেল ফ্রান্স। কাজে এল না ফ্রি কিক। দ্বিতীয়ার্ধের ১৩ মিনিটে  গোল করে ফ্রান্সকে সমতায় ফেরাল বেঞ্জামিন পাভার্ড। বক্সের বাইরে আবারও  ফ্রি কিক পেল আর্জেন্তিনা। কিন্তু কাজে এল না।ফের গোল ফ্রান্সের। গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দিলেন এমবাপে।খেলার ফলা ফল ৩-২। মাঠে নামলেন আগুয়েরো। পিরেজের পরিবর্তে মাঠে নামলেন তিনি।ভঙ্গুর ডিফেন্স আর্জেন্তিনার। ফের গোল এমবাপের। ফ্রান্স-৪ আর্জেন্তিনা-২। পাভোমের জায়গায় মাঠে এলেন মেজা। মাতুদির পরিবর্তে মাঠে এলেন টোলিসো।  ফ্রি  কিক পেল ফ্রান্স।মেসির দুর্বল শট ফ্রান্স গোলরক্ষকের কাছে জমা পড়ল।  আশি মিনিট অতিক্রান্ত খেলা।মাতুদির পরিবর্তে মাঠে এলেন টোলিসো।ফ্রি কিক পেল আর্জেন্তিনা।কিন্তু কোন কাজে এল না।   মাঠের বাইরে গেলেন এমবাপে।চার মিনিট অতিরিক্ত সময় যোগ করলেন চতুর্থ রেফারি।মেসির পাস থেকে গোল আগুয়েরোর। হেরে গেল আর্জেন্তিনা। দলকে জেতাতে পারলেন না লিওনেল মেসি। ৪-৩ গোলে ফ্রান্সের কাছে হেরে গেল আর্জেন্তিনা।  আজ পর্যন্ত কোনও বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে গোল করেত পারেননি মেসি। ফুটবল বিশ্ব আশায় ছিল, এবার বুঝি সেই বদনাম ঘোচাবেন মেসি এবং দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলবেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না ২-১ গোলে এগিয়ে গিয়েও ৩-৪ ফলে ফ্রান্সের কাছে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেল মেসির। নকআউটের প্রথম ম্যাচেই মহাতারকার মহাপতন হয়ে গেল।   .

  • সিরিজের দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিতে সিরিজ পকেটস্থ করল।

    Newsbazar24,ডেস্ক, ২৯ জুন :সিরিজের দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামার আগে টসে হেরে যায় ভারত। এদিন টসে হেরে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক গ্যারি উইলসন। কিন্তু অধিনায়কের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা জোগাতে ব্যর্থ হন আয়ারল্যান্ডের বোলাররা ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের উপর কন প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ । প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান তোলে ভারত। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন আয়ারল্যান্ড সফরে প্রথম সুযোগ পাওয়া লোকেশ রাহুল। তিনি যে আইপিএলের ফর্ম এখনও ধরে রেখেছেন তা দেখিয়ে দিলেন রাহুল। মাত্র ৩৬ বলে ৭০ রান করেন লোকেশ রাহুল। রাহুলের ইনিংসটি সাজানো ছিল তিনটি চার এবং ছয়টি ছয় দিয়ে। রাহুল ছাড়াও রান পান সুরেশ রায়না। ৪৫ বলে ৬৯ রান করেন সুরেশ রায়না। পাঁচটি চার এবং তিনটি ছয়ের সৌজন্যে সাজানো ছিল রায়নার ইনিংস। এই দুই ব্যাটসম্যান ছাড়া কিছুটা রান পান মনীশ পান্ডে এবং হার্দিক পান্ডিয়া। ২০ বলে ২১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন মনীশ এবং কার্যকরী ন'বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলেন হার্দিক পান্ডিয়া। ৪টি ছয় এবং ১টি চার দিয়ে সাজানো ছিল হার্দিকের ইনিংস।আয়ারল্যান্ডের হয়ে তিনটি উইকেট নেন কেভিন ও ব্রায়ান। ৪ ওভারে ৪০ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেন তিনি। একটি শিকার পিটার চেসের।  জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১২.৩ ওভারে মাত্র ৭০ রানে গুটিয়ে যায় আয়ারল্যান্ডের ইনিংস। কোনও আইরিশ ক্রিকেটারই এদিন রুখে দাঁড়াতে পারেননি কুলদীপ যাদব, উমেশ যাদবদের সামনে। কোনও আইরিশ ক্রিকেটারই এদিন ২০ রানের গণ্ডি পেরতে পারেনি। আয়ারল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ, মাত্র ১৫ রান করেন তাদের অধিনায়ক। ১৪ রান করেন উইলিয়াম পোলারফিল্ড, ১৩ রান করেন স্টুয়ার্ট থমসন। ১০ রান করে আউট হন বয়েড রাংকিন। এই চার ব্যাটসম্যান ছাড়া কেউ দশ রানের গণ্ডিই টপকাতে পারেনি। ভারতের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন কুলদীপ যাদব এবং যুজবেন্দ্র চহাল। দু'টি উইকেট নেন উমেশ যাদব। একটি করে শিকার সিদ্ধার্থ কল এবং হার্দিক পান্ডিয়ার। ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন কেএল রাহুল। টুর্নামেন্টের সেরা নির্বাচিত হয়েছে যুজবেন্দ্র চহাল।  

  • পয়েন্ট ও গোলপার্থক্য সমান থাকায় ফেয়ার প্লে-র ভিত্তিতে বিশ্বকাপের নক-আউটে জাপান, সেনেগালকে হারিয়ে কলম্বিয়া

    Newsbazar, ডেস্ক, ২৮শে জুনঃ এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ এইচ-এর কোন দুইটি  দল পরের রাউন্ডে যাবে, সেটা আজ ঠিক হয়ে গেল। গ্রুপ এইচ-এর শেষ ম্যাচে ছিল  জাপান-পোল্যান্ড ও কলম্বিয়া-সেনেগাল এর মধ্যে । জাপান ও সেনেগাল ৪ পয়েন্ট নিয়ে যুগ্মভাবে গ্রুপের শীর্ষে  থাকলেও তারা  ০-১ গোলে হেরে গেল। তবে আগেই ছিটকে যাওয়া পোল্যান্ডের কাছে হেরেও নক-আউটে চলে গেল জাপান। অন্যদিকে, কলম্বিয়ার কাছে হেরে ছিটকে গেল সেনেগাল। ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই গ্রুপের শীর্ষে কলম্বিয়া। জাপান ও সেনেগালের পয়েন্ট ও গোলপার্থক্য  সমান থাকায় সেনেগালের চেয়ে কম হলুদ কার্ড দেখাতেই ফেয়ার প্লে নিয়মের ভিত্তিতে নক-আউটে চলে গেল জাপান । এবারের বিশ্বকাপে এই প্রথম এভাবে গ্রুপ লিগ থেকে নক-আউটে গেল কোনও দল। আজকের ম্যাচের আগে গ্রুপ এইচ থেকে পরের রাউন্ডে যাওয়ার লড়াইয়ে এগিয়েছিল সেনেগাল ও জাপান। কিন্তু শেষ ম্যাচে সব হিসেবই বদলে গেল। সেনেগালের বিরুদ্ধে ম্যাচের ৭৪ মিনিটে একমাত্র গোল করেন ইয়েরি মিনা। একইভাবে জাপান-পোল্যান্ড ম্যাচেও প্রথমার্ধে কোনও গোল হয়নি। ৫৯ মিনিটে পোল্যান্ডের হয়ে একমাত্র গোল করেন জ্যান বেডনারেক। তবে নিজেরা হারলেও, কলম্বিয়ার জয়ের ফলে নক-আউটের টিকিট পেয়ে গেল জাপান।

  • এক গোলে জাপানকে হারিয়েও বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করল পোল্যান্ড

    Newsbazar, ২৮শে জুন : পোল্যান্ড বিশ্বকাপের লীগ পর্যায়ের শেষ খেলায় জাপানকে এক গোলে হারিয়েও এবারের মত বিদায় নিল বিশ্বকাপ থেকে। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ওঠার চেষ্টায় জাপান।প্রথম থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে জমে উঠেছে খেলা।মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টায় দুই দল।শুরু দিকে জাপান মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালালেও  মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণের জন্য সমানে লড়াই চালিয়েছে পোল্যান্ড।একের পর এক আক্রমণ তুলে এনে পোল্যান্ডের ডিফেন্সে চিড় ধরানোর চেষ্টায় জাপান।  ঝাকাইয়ের বাঁ পায়ের গোলমুখী শট ও মুটোর গোলমুখী শট  বাঁচালেন পোল্যান্ডের গোলরক্ষক।  অসাধারণ সেভ পোল্যান্ডের গোলরক্ষকের। নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া নেওয়া করে প্রতি আক্রমণ করছে  পোল্যান্ড। অসাধারন  স্কিলের প্রদর্শন জাপানের। দারুণ ছন্দে এশিয়ার জায়েন্টরা। কাউন্টার অ্যাটাকে নিশ্চিত গোল বাঁচালেন কাওয়াসিমা। অবধারিত গোল হজম করা থেকে রক্ষা পেল জাপান।  আক্রমণে পোল্যান্ড।  হাই লাইন ডিফেন্স জাপানের।  কাজে এল না কর্নার। একের পর এক আক্রমণ তুলে এনে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করে তুলেছে জাপান। কর্নার পেল কিন্তু  কাজে এল না ফ্রি কিক।  ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে পোল্যান্ড ।শেষ হল প্রথমার্ধের খেলা। প্রথমার্ধের খেলা গোলশূন্য।বল পজিশনে এগিয়ে থাকলেও প্রথমার্ধে জাপানের খেলার মধ্যেই আধিপত্য ছিল বেশি। শুরু হল দ্বিতীয়ার্ধের খেলা।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আক্রমণে গতি বাড়াচ্ছে পোল্যান্ড। প্রতি আক্রমণে জাপান। কিন্তু কাজের কাজ হল না। জাপানের প্রতিআক্রমণে সুযোগ চলে এসেছিল পোল্যান্ডের কাছেও। কিন্তু অল্পের জন্য সুযোগ হাতছাড়া পোল্যান্ডের। দ্বিতীয়ার্ধের ১৩ মিনিটে  পোল্যান্ডের হয়ে গোল করলেন বেডনারেক। ফ্রি কিক থেকে পোল্যান্ডের প্রথম গোল বেডনারেকের। দেশের জার্সিতে এটাই প্রথম গোল বেডনারেকের। গোল শোধ করতে মরিয়া জাপান। এরপরে আবার বক্সের বাইরে ভাল জায়গা থেকে ফ্রি কিক পেয়েও কাজে লাগাতে পারল না পোল্যান্ড।দ্বিতীয়ার্ধে সম্পূর্ণ অন্য মেজাজে ধরা দিচ্ছে পোল্যান্ড। বল নিয়ন্ত্রণ থেকে আক্রমণ এবং ডিফেন্স, প্রতিটি বিভাগেই দুরন্ত খেলছে পোল্যান্ড।শেষ হল খেলা। ১-০ গোলে জাপানকে হারিয়ে দিল পোল্যান্ড। (উপরের চিত্রটিতে পোল্যান্ডের একমাত্র গোল)    

  • ব্রাজিল সার্বিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ ই-র শীর্ষে থেকে পরের রাঊন্ডে গেল ।

    Newsbazar, ডেস্ক, ২৮শে জুনঃ  গতকাল স্পার্টাক স্টেডিয়ামে   গ্রুপ ই-র শীর্ষে থাকা ব্রাজিল  সার্বিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ ই-র শীর্ষে থেকে পরের রাঊন্ডে গেল   খেলার শুরুতেই ৩ মিনিটের মধ্যে সুযোগ এসে গিয়েছিল ব্রাজিলের কাছে। তবে অফসাইডের জন্য হল না ।চোটের কারণে ম্যাচের শুরুতেই পরিবর্ত খেলোয়াড় নামাতে বাধ্য হল ব্রাজিল। বেরিয়ে গেলেন মার্সেলো।তার জায়গায় পরিবর্ত হিসাবে নামলেন ফিলিপ লুইস।ব্রাজিল আক্রমণ যেমন ভালো, তেমনই ডিফেন্স তেমন জমাট নয়। সার্বিয়া সেই সুযোগেরই সদ্ব্যবহার করতে চাইছে , সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন নেইমার।  সার্বিয়ার গোলরক্ষক বাঁচিয়ে দিলেন।সার্বিয়া কড়া টক্কর দিয়ে চলেছে পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলকে।নেইমারকে কড়া চ্যালেঞ্জ সার্বিয়ার খেলোয়াড়ের। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে উঠছিলেন নেইমার। হলুদ কার্ড দেখলেন জাজিচ। ৩৫ মিনিটে গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দিলেন পাউলিনহো। ব্রাজিল এগিয়ে গেল ১-০ গোলে। ।নেইমারকে কড়া ট্যাকল করতে ছাড়ছেন না সার্বিয়ার খেলোয়াড়রা। মাঝমাঠে তিনিই টার্গেট। কারণ ব্রাজিলের মধ্যমনি তিনিই। প্রথমার্ধের খেলা শেষ। শুরু হল দ্বিতীয়ার্ধের খেলা। সার্বিয়াকে পরের রাউন্ডে যেতে হলে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে জিততেই হবে। তবে ড্র করলেই ব্রাজিল পরের রাউন্ডে চলে যাবে। প্রথমার্ধের বল পজেশনে অনেকটা এগিয়ে রয়েছে ব্রাজিল। সার্বিয়া প্রতিআক্রমণে উঠেছিল। তবে বক্সের কাছে কিছুটা ভুল করে ফেললেন মাটিচ। বল ক্লিয়ার করে দিলেন ব্রাজিলের ডিফেন্ডার। পরপর আক্রমণে ঝড় তুলেছে সার্বিয়া। নেতৃত্বে মিত্রোভিচ। সঙ্গে রয়েছেন মাটিচ, টাডিচরা। ব্রাজিলকে ছাপিয়ে গোল পেতে মরিয়া সার্বিয়া। দারুণ সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন মিত্রোভিচ। গোল পেতে পেতেও পেল না সার্বিয়ানরা। ৬৫ মিনিটে পাউলিনহোকে তুলে নিয়ে ফের্নান্দিনহোকে নামালেন তিতে। গোলের সুযোগ পেয়ে গিয়েছিলেন নেইমার। ব্রাজিল কর্ণার কিক পেল। শট করলেন নেইমার। তবে ফের কর্ণার হয়ে গেল। এবার কর্ণার করলেন উইলিয়ান। তবে কার্যকরী শট হল না। ৬৮ মিনিটে নেইমারের সেট পিস থেকে হেডে গোল করে ব্রাজিলকে ২-০ গোলে এগিয়ে দিলেন অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা।দ্বিতীয় গোল খাওয়ার পর যেন গুটিয়ে গিয়েছে সার্বিয়া। মাঠে ব্রাজিলিয়ান শিল্প ফুটবলের ছোঁয়া দেখাচ্ছেন নেইমার, কুটিনহোরা।  সার্বিয়ার কাছে এই ম্যাচ এখন কঠিন হয়ে গেল। পরের রাউন্ডে জিততে হলে সার্বিয়াকে জিততেই হবে।  মাঠের দর্শক নেইমারের স্কিলের জাদুতে আচ্ছন্ন।সার্বিয়া খেলোয়াড়রা নেমে এসেছে ডিপ ডিফেন্সে। বল নিয়ে নিজেদের মধ্যে পাস খেলে আক্রমণ তৈরির চেষ্টায় ব্রাজিল। ম্যাচের ভবিতব্য প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। নেইমার শেষ লগ্নে ফের সুযোগ তৈরি করে ফেলেছিলেন। ফের একবার গোলকিপার স্টজকোভিচ বাঁচিয়ে দিলেন। বলতে বলতে বাঁশি বাজিয়ে দিলেন রেফারি। সার্বিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬-য় পৌঁছল ব্রাজিল।

  • বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি বিদায় , হেরেও মূল পর্বে মেক্সিকো, সঙ্গে সুইডেন

    Newsbazar, ডেস্ক, ২৭ জুনঃ আজ গ্রুপ এফ-র অন্যতম নির্ণায়ক ম্যাচে  একাতেরিনবার্গ এরিনা স্টেডিয়ামে একে অপরের বিরুদ্ধে  নেমেছিল মেক্সিকো ও সুইডেন। ম্যাচের শুরুতেই ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখলেন মেক্সিকোর গালার্দো । বোঝাই যাচ্ছিল  আজকের খেলা খুব টাফ হবে। কিন্তু প্রথমার্ধের ম্যাচ আক্রমণ প্রতি আক্রমণে খেলা জমে উঠল  ম্যাচের ২৬ মিনিটে  সুইডেনের লারসন কে হলুদ কার্ড দেখানো হল। কিন্তু প্রথমার্ধের খেলা গোলশূন্যভাবে শেষ হল।    দ্বিতীয়ার্ধে গতি বাড়িয়ে শুরু করল মেক্সিকো।কিন্তু দীর্ঘকায় সুইডিশ ডিফেন্ডারদের ভিড়ে সুবিধা করতে পারল না দ্বিতীয়ার্ধের ৫মিনিটে সুইডেন এগিয়ে গেল ১-০ গোলে গোল করলেন আগুস্তিনসন ।১৭ মিনিটের মাথায় বক্সে বার্গকে ফাউল করলেন মোরেনো ।পেনাল্টি পেল সুইডেন   পেনাল্টি থেকে দ্বিতীয় গোল করেন আন্দ্রেয়াস গ্র্যাঙ্কভিস্ট। এবার হল আত্মঘাতি গোল। সুইডেনের ক্রশ আলভারেজের পায়ে লেগে ঢুকে গেল মেক্সিকোরও গোলে। সুইডেন এগিয়ে গেল ৩-০ গোলে। শেষ পর্যন্ত খেলার ফলাফল দাড়াল ৩-০। ফলে সুইডেন  গ্রুপ এফ-এর সেরা হয়ে  নক-আউটে চলে গেল সুইডেন। জার্মানি হেরে যাওয়ায় মেক্সিকোরও নক-আউটে যেতে সমস্যা হল না। আবার বিশ্বকাপে অঘটন ! গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ০-২ গোলে হেরে ছিটকে গেল চারবারের  বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারের ফলে এই গ্রুপ থেকে নক-আউটে চলে গেল মেক্সিকো ও সুইডেন।  নক-আউটে যেতে হলে আজ জিততেই হত জার্মানিকে। কিন্তু আগেই ছিটকে যাওয়া কোরিয়া অসাধারণ লড়াই করল। দু’দলই গোল করার অনেক সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু ৯০ মিনিট পর্যন্ত কোনও দলই গোল করতে পারেনি। কোরিয়ার গোলকিপার জো হাইওনু অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখান। সংযোজিত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে গোল করে কোরিয়াকে এগিয়ে দেন কিম ইয়াং-গাউন। চার মিনিট পরে ব্যবধান বাড়ান সন হিউং-মিন। ফলে হতাশ হয়েই মাঠ ছাড়তে হল জোয়াকিম লো-র দলকে।

  • গ্রুপ সি-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পেরু অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ তে হারিয়েও এবারের মত বিদায় পেরু ও অস্ট্রেলিয়ার।

    Newsbazar ডেস্ক, ২৬ আজ গ্রুপ সি-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পেরুর মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিল পেরু। নিজেদের শেষ ম্যাচ জিতেই বিশ্বকাপ থেকে বাইরে ছিটকে গেল  পেরু। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া গত দুই ম্যাচ হেরে এবং  একটি ম্যাচে  ড্র করে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে এবারের মত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল। প্রথম থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে জমে উঠেছে খেলা। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনছে অস্ট্রেলিয়া।দাপট দেখিয়ে ম্যাচে ধীরে ধীরে জাঁকিয়ে বসার চেষ্টায় অস্ট্রেলিয়া। খেলার ১৮ মিনিটে গতির বিপরীতে গোল করে গেল পেরু।  অসাধারণ গোল। গোল করে পেরুকে এগিয়ে দিলেন আন্দ্রে কারিয়ো।ম্যাচের রাশ ধীরে ধীরে নিজেদের হাতে নিচ্ছে পেরু।অসাধারণ সেভ পেরুর গোলরক্ষকের।গোল হজম করে কিছুটা ব্যাকফুটে অস্ট্রেলিয়া। ভাল জায়গা থেকে পাওয়া ফ্রি কিক কাজে লাগাতে পারল না অস্ট্রেলিয়া।শেষ হল প্রথমার্ধের খেলা। দ্বিতীয়ার্ধের  ৬ মিনিটে পেরুর হয়ে  অসাধারণ গোল করলেন অধিনায়ক পাওলো গেরেরো। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করলেন গেরেরো। বারে বারে আক্রমণ করেও অস্ট্রেলিয়া গোলের মুখ খুলতে পারল না। শেষ পর্যন্ত ২-০ তে হেরে  অস্ট্রেলিয়াকে  বিদায় নিতে হল।    

  • রাশিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ এ-র শীর্ষে উরুগুয়ে, অপর খেলায় মিশরকে ২-১ গোলে হারাল সৌদি

    Newsbazar, ডেস্ক, ২৫শে জুনঃ আজ বিশ্বকাপ ফুটবলের   গ্রুপ এ-র শেষ  ম্যাচে সামারা এরিনা স্টেডিয়ামে উরুগুয়ে ও রাশিয়াএকে অপরের বিরুদ্ধে নেমেছিল  । ইতিমধ্যেই দুই দলই দুটি করে ম্যাচ জিতে নকআউট রাউন্ডে চলে গিয়েছে। কিন্তু আজ ছিল তাই গ্রুপ শীর্ষে থেকে নকআউটে যাওয়ার লড়াই।  ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে ফ্রিকিক পেল উরুগুয়ে। শট নেবেন সুয়ারেজ।  ওয়ালের পাশ দিয়ে জমি ঘেসা জোরালো শটে উরুগুয়েচে এগিয়ে দিলেন ১-০ গোলে। ২৫মিনিটের মাথায় দিয়োগো লাক্সাতের দূরপাল্লার জোরালো শট চেরশেভের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে বল ঢুকে গেল গোলে, ফল হয় ২-০ ।.প্রথমার্ধে রাশিয়া ২-০ তে  পিছিয়ে থাকে।   দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক গোল মিসের পর অবশেষে গোল পেলেন কাভানি।খেলার শেষ লগ্নে উরুগুয়ে ৩-০  গোলে এগিয়ে গেল।কর্ণার থেকে অনেকটা লাফিয়ে হেড নিয়েছিলেন গডিন, বাঁচিয়েচিলেন রুশ গোলরক্ষক। কিন্তু ফিরতি বলে গোল করলেন কাভানি।রাশিয়াকে ৩-০ গোলে হারাল উরুগুয়ে। এই গ্রুপের অপর ম্যাচে মিশরকে ২-১ গোলে হারাল সৌদি আরব। এই ম্যাচ নিয়মরক্ষার ছিল, কারণ দুদলই ছিটকে গিয়েছে।  (উপরের চিত্রটিতে উরুগুয়ের সুয়ারেজ ফ্রিকিক থেকে জমি ঘেসা জোরালো শটে গোল করেন।)  

  • ইংল্যান্ড নবাগত পানামাকে ৬-১ ব্যাবধানে পরাজিত করে নকআউট রাউন্ডে

    Newsbazar, ডেস্ক, ২৪ জুনঃ আজ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের হ্যাট্রিকের জোরে রেকর্ড ৬-১ গোলের বড়  ব্যবধানে পানামাকে হারিয়ে নকআউট রাউন্ডে চলে গেল । অন্যদিকে পানামার পক্ষে বলার মতো হল, দ্বিতীয়ার্ধে পরিবর্ত হিসেবে নামা বালয়-এর গোলে তারা বিশ্বকাপে প্রথম গোল তুলে নিল। প্রথম থেকেই ইংল্যান্ডর আক্রমণাত্মক ফুটবলের দৌলতে দিশাহারা  হয়ে পড়ে নবাগত পানামা। এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের বেশ কিছু অসাধারণ সেটপিস মুভমেন্ট  আমরা দেখতে পেলাম ।  প্রথম গোল আসে ম্যাচের ৮ মিনিটে। দেশের হয়ে খেলতে নেমে প্রথম গোল করেন ডিফেন্ডার জন স্টোন্স। ইংল্যান্ডর প্রথম কর্ণার   বক্সের মধ্যে ব্রিটিশ মিডফিল্ডার ম্যাগুয়ের ও পানামিয়ান ডিফেন্ডার গোমেজের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির মধ্যেই  বক্সে ভাসানো বলে  মাথা ছুইয়ে গোল করে যান স্টোন্স। পরের গোল আসে পেনাল্টি থেকে। ইংল্যান্ডের মুহূর্মুহু আক্রমণের মুখে  ২২ মিনিটে বক্সের মধ্যে পানামার এসকোবার ফাউল করেন জেসি লিঙ্গার্ডকে। অধিনায়ক হ্যারি কেন। মাথা ঠান্ডা রেখে গোল করেন। তার পরের গোলটি ম্যাচের অন্যতম সেরা। অনেকক্ষণ ধরে পেনাল্টি বক্সে ছটফট করলেও কাজের কাজটা করতে পারছিলেন না। কিন্তু ৩৬ মিনিটে মাঠের বাঁপ্রান্তে অ্যাশলি ইয়ং-এর সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে হঠাত গতি বাড়িয়ে  জেসি লিঙ্গার্ড চমৎকার বাঁক খাওয়া ভলিতে গোলের উপরের কোনা দিয়ে গোল করেন। পাঁচ মিনিটও কাটতে না কাটতেই আসে ইংল্যান্ডের চতুর্থ গোল। বক্সের অনেকটা বাইরে ফ্রিকিক পেয়েছিল তারা। ট্রিপার বল বাড়ান হেন্ডারসনকে লক্ষ্য করে। হেন্ডারসন বক্সের ফার পোস্টে বল তোলেন। প্রথম হেড নেন স্টার্লিং। কিন্তু, তা বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন পানামার গোলকিপার পেনেদো। কিন্তু ফিরতি বলে গোল করে যান সেই স্টোন্স। প্রথমার্ধের শেষ গোলটি আসে সংযুক্ত সময়ে। জন স্টোন্সকে আটকাতে গিয়ে তাঁকে বক্সের মধ্যে ফাউল করা হয়। প্রায় আগের পেনাল্টিটিরই রিপ্লে ঘটিয়ে ম্যাচে তাঁর দ্বিতীয় গোল তুলে নেন কেন। বিরতির আগেই ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে পিছিয়ে পরে পানামা।  দ্বিতীয়ার্ধ-র খেলা ঝিমিয়ে পড়ে। তবে এর মধ্যেও মাঝ মাঝে আক্রমণ চলে   ম্যাচের ৬২ মিনিটের মাথায় হ্যাট্রিক করেন হ্যারি কেন। এক্ষেত্রে অবশ্য তাঁর বিশেষ কৃতিত্ব ছিল না। তাঁর বদলি মাঠের বাইরে অপেক্ষা করছেন, এই অবস্থায় লফটাস-চিকের নেওয়া একটি জোরালো শট, তাঁর পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে ঢুকে যায় পানামার গোলে। এরপরেই তাঁকে তুলে নামানো হয় জেইমি ভার্ডিকে। পানামার জন্য ম্যাচ ও এখনও অবধি বিশ্বকাপের সেরা মুহূর্ত আসে যখন, ৭৮ মিনিটে পরিবর্ত হিসেবে নামা খেলোয়ার বালয় গোল করেন। এটিই পানামার বিশ্বকাপে অভিষেক গোল। গোলটি কিন্তু অত্যন্ত দর্শনীয়। ইংল্যান্ড বক্সের অনেকটা বাইরে থেকে বক্সের মধ্যে ফ্রিকিক নিয়েছিলেন পানামার খেলোয়ার আভিলা। পেছন থেকে অনেকটা দৌড়ে এসে চলতি বলেই নিখুতভাবে পা ঠেকিয়ে বল গোলে রাখেন ফেলিপে বালয়। এই বর্ষীয়ান খেলোয়ারের নাম কিন্তু পানামার ফুটবল ইতিহাসে উঠে গেল। তবে মারধর করে খেলার প্রবণতা না কমালে কিন্তু এগোতে পারবে না পানামা।  

  • গ্রুপের শীর্ষস্থানে থাকার লড়াইয়ে জাপান ও সেনেগাল ২-২ তে ড্র করল।

    Newsbazar, ডেস্ক, ২৪ জুনঃ আজ বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি  হয়েছিল  গ্রুপ 'এইচ'-এর প্রথম দুইস্থানে থাকা জাপান এবং সেনেগাল। আক্রমণ প্রতি আক্রমণে কেলা  ২-২ গোলে ড্র হল । দু’দলেরই পয়েন্ট দাঁড়াল ৪।  এই দু'টি দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিতেছে। কলম্বিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়েছে জাপান এবং সেনেগাল ওই একই ব্যবধানে হারিয়েছে পোল্যান্ডকে। ২-২ গোলে ড্র হল জাপান-সেনেগাল ম্যাচ। দু’দলেরই পয়েন্ট দাঁড়াল ৪। আজ যে দল জিতত তারাই চলে যেত শেষ ১৬-য়। ম্যাচ ড্র হওয়ায় গ্রুপ স্টেজের শেষ রাউন্ড পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে দু’দলকেই। আজকের ম্যাচে দু’দলই আক্রমণাত্মক  ফুটবল খেলে। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় সেনেগাল। খেলার ১০ মিনিটের মাথায় বা পায়ের দুর্দান্ত শটে গোল করেন মানে।  গোল খেয়ে চাপ বাড়ায় জাপান। ৩৪ মিনিটে গোল শোধও করে তারা। গোল করে যান তাকাশি। বক্সের বাদিক থেকে ডান পায়ের দুরন্ত শটে গোল করেন। প্রথমার্ধ ছিল ১-১। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ চলতে থাকে। ৭১ মিনিটে ফের সেনেগাল এগিয়ে যায়। এবার গোল করেন মুসা ওয়েগ। ৭ মিনিট পর গোল শোধ করে দেন কেইসুকি হন্ডা। শেষ ১২ মিনিটে শত চেষ্টা করেও দু’দল গোল সংখ্যা বাড়াতে পারেনি। আজ জিতলেই এশিয়ার প্রথম দল হিসেবে শেষ ১৬-য় চলে যেত জাপান। কারণ, প্রথম ম্যাচে তারা ২-১ গোলে হারিয়েছিল কলম্বিয়াকে। এদিকে, সেনেগালও তাদের প্রথম ম্যাচে পোল্যান্ডকে হারিয়েছিল ২-১ গোলে। দ্বিতীয়  ম্যাচ শেষে দু’দলেরই পয়েন্ট এখন ৪। জাপানের পরের ম্যাচ পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে। এদিকে, সেনেগাল পরবর্তী ম্যাচ খেলবে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে। তার আগে আজ মুখোমুখি হচ্ছে  পোল্যান্ড ও কলম্বিয়া। (উপরের চিত্রটিতে জাপানের কেইসুকি হন্ডা দ্বিতীয় গোল শোধ করার পর  উল্লাসে।)

  • বেলজিয়াম ৫-২ গোলে তিউনিশিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জেতার অন্যতম দাবিদার হিসেবে তুলে ধরল।

    Newsbazar ডেস্ক, ২৩শে জুনঃ , বেলজিয়াম নিজেদের বিশ্বকাপ জেতার অন্যতম দাবিদার হিসেবে প্রমাণ করল । ৫-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে তিউনিশিয়াকে হারিয়ে নকআউট পর্বে যাওয়া নিশ্চিত করে ফেলল তারা। তবে চোট আঘাতে জর্জরিত তিউনিশিয়াও সীমিত সাধ্যে ভাল লড়াই করেছে। প্রথম ম্যাচে নবাগত পানামাকে ৩-০, পরের ম্যাচে তিউনিশিয়াকে ৫-২! দুরন্ত গতিতে ছুটছে বেলজিয়ামরা  , তাদের এই জেতার ক্ষুধা দেখে তাদেরকে  বিশ্বকাপ জেতার অন্যতম দাবিদার বলে মনে হয় ।  বেলজিয়ামের হ্যাজার্ড-লুকাকুদের লড়াকু মনোভাব দেখে  মনে হচ্ছে এরা আগামী ম্যাচগুলোতে নামী দলগুলোকে বেগ দেবে। । আগের ম্যাচে পানামা রক্ষণ জমাট করে খেলেছিল। প্রথম অর্ধে গোলই পায়নি রেড ডেভিলস-রা। শেষ অবধি অবশ্য ৩-০ গোলে জেতে তারা। এই ম্যাচে তিউনিশিয়া কিন্তু আক্রমণাত্মক ফুটবলই খেলল। তাতে একটু জায়গা পেতেই তিউনিশিয়াকে ঝলসে দিল বেলজিয়ানরা। আগের ম্যাচে জোড়া গোল করা লুকাকু ফের এউ ম্যাচে দুই গোল  করলেন। জোড়া গোল করলেন আগের ম্যাচে বোতলবন্দী হয়ে থাকা এডেন হ্যাজার্ডও। এদিন প্রথম গোলের খাতা খুলেছিলেন বেলজিয়ান অধিনায়কই। ম্যাচের ৬ মিনিট-র মাথায় পেনাল্টি থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করে যান হ্যাজার্ড। এরপর আবার ১৬ মিনিটে মার্টিন্সের থ্রু ধরে কোনাকুনি শটে বল জালে জড়ান লুকাকু। কিন্তু ইংল্যান্ড ম্যাচের মতোই এই খেলাতেও ফিরেছিল তিউনিশিয়া। মাত্র ২ মিনিট যেতে না যেতেই বক্সের বাইরে থেকে খাজরির তোলা ফ্রিকিকে মাথা ছুঁইয়ে গোল করে যান তিউনিশিয় স্ট্রাইকার ডিলন ব্রন। কিন্তু ভাগ্য এই ম্যাচে তিউনিশিয়ার সঙ্গে ছিল না। গোলের একটু পরেই চোট পেয়ে বেরিয়ে যান ব্রন। এরপর প্রথমার্ধের শেষ দিকে চোট পান প্রধান ডিফেন্ডার বেন ইওসেফও। এরপরও মাঝে মাঝেই বেলজিয়ান বক্সে হানা দিলেও তিউনিশিয়ার সেসব আক্রমণ কার্যকর হয়নি। বরং সংযুক্ত সময়ে মুনিয়ের-এর থ্রু বল ধরে তাঁর দ্বিতীয় গোল করে যান লুকাকু। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আবার শুরু হয় বেলজিয়ান আক্রমণ। পেছন থেকে আসা একটি লহ বল বুক দিয়ে নামিয়ে নিয়ে দুই সেন্টার হাফকে কাটিয়ে গেলকিপারকেও পরাস্ত করে ফাঁকা গোলে বল ঠেলে গোল করে যান। এরপরও আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে খেলা সচল ছিল। তবে ততক্ষণে বেলজিয়ামের দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়া সুনিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। তাই লুকাকু ও হ্যাজার্ডকে তুলে নামানো হয় ফেলাইনি ও বাতশুয়াইকে। শেষের দিকে বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন বাতশুয়াই কখনও তিউনিশিয় গোলকিপার মুস্তাফা, তিউনিশিয় ডিফেন্ডারদের কাছে, কখনওনিজের ভুলে আটকে যাচ্ছিলেন তিনি। অবশেষে ৯০ মিনিটে শিকে ছেঁড়ে তার। তিয়েলেম্যান্স-এর অসাধারণ পাস থেকে দুরিদান্ত ফিনিশে গোল করেন তিনি। ম্য়াচের শেষ গোল আসে সংযুক্ত সময়ে। তিউনিশিয়ার হয়ে ব্যবধান কমিয়ে যান খাজরি। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। ফুটবলে গোলই সব না হলেও গোল দেখতেই দর্শকরা উন্মুখ থাকেন। এই ম্যাচে অন্তত তার কোনও অভাব ছিল না। পানামার বিরুদ্ধে ম্যাচে বেলজিয়াম দেখিয়েছিল কিভাবে ডিপ ডিফেন্স-এর বিরুদ্ধে গোল তুলে আনতে হয়। এই ম্যাচে দেখাল আক্রমণাত্মক দলের বিরুদ্ধেও তারা কম যায় না।  

  • বার্ষিক সাধারণ সভা ঘিরে শতাব্দী প্রাচীন মোহনবাগান ক্লাব রণক্ষেত্র

    ডেস্ক, ২৩শে জুনঃ শতাব্দী প্রাচীন মোহনবাগান ক্লাবের  বার্ষিক সাধারণ সভা হয়ে উঠল রণক্ষেত্র। মোহনবাগান ক্লাবের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝগড়া মারামারিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল সভা।  একদিকে  টুটু বসুর লোকজন অন্যদিকে  অঞ্জন মিত্রর লোকজন।  গোলমাল দেখে সভা বানচাল করে দেন  অঞ্জন মিত্র। অন্য দিকে সভা চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানান টুটু বসু। যা নিয়ে দফায় দফায় দুই গোষ্ঠী বিতর্কে জড়ায়। মোহনবাগান ক্লাব সূত্রে জানা যায় , টুটু বসুকে সভাপতি হিসাবে মানতে আর রাজী নন  অঞ্জন  মিত্র গোষ্ঠীএবং তারা  ক্লাবে সভাপতি পদে নতুন করে নির্বাচন করতে চাইছেন। এদিকে টুটু  বসু নিজেকে সভাপতি হিসাবে দাবি করছেন। কি জন্য এই পরিস্থিতির  সৃষ্টি হল? আমরা যদি একটু অতীতে ফিরে যাই তাহলে আমরা দেখতে পাব ২০১৭ সালের ১৩ জুন সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ান টুটু বসু। তারপরে একাধিকবার অঞ্জন মিত্র নিজে এই পদত্যাগ গৃহীত হয়নি বলে জানান। তারপরে যত সভা হয়েছে সব জায়গাতেই টুটু বসুকে সভাপতি হিসাবে সভাপতিত্ব করেছেন। টুটু বসু  ক্লাবের আগামী নির্বাচন পর্যন্ত তিনি নিজের পদে বহাল থাকতে চান বলে জানান। তাঁর দাবি ছিল, তাঁকে সভাপতি পদ না ছাড়তে অনুরোধ করা হয়েছিল। পদত্যাগ গৃহীত হয়নি। তাই তিনি সভাপতি পদে থেকে কাজ চালিয়ে যাবেন। সেই অনুযায়ী বার্ষিক সাধারণ সভাও ডাকেন। তবে এদিন শুরু থেকেই গোলমাল শুরু হয়। মঞ্চে বাবুন বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও প্রাক্তন খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, সত্যজিতরা ছিলেন। সকলে মিলে ক্লাব সদস্যদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে দফায় দফায় ক্লাব সদস্যরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। টুটু গোষ্ঠী চাইছিল তিনি সভাপতি পদে থাকুন। আর বিরোধী অঞ্জন গোষ্ঠী নতুন করে সভাপতি নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করেছে। বাংলার ফুটবল মহল এই ঘটনায় বিস্মিত ও লজ্জিত। মোহনবাগান ক্লাবের  কর্মকর্তারা একবার ভেবে দেখেছেন কি তারা বাংলার ফুটবলের সন্মান কে কোথায় নামালেন?    

  • আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন প্রায় শেষ, ক্রোয়েশিয়া আর্জেন্টিনাকে ৩-০তে উড়িয়ে দিল

    Newsbazar, ডেস্ক,  ২২ জুন : মস্কো: এবারও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন   বোধহয় অধরাই থেকে গেল । গতকাল ভারতীয় সময় গভীর রাতে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ১৬-য় উঠে গেল ক্রোয়েশিয়া।গ্রুপ ডি-র এই ম্যাচে  প্রথমার্ধ্ব গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয়ার পর  দ্বিতীয়ার্ধ্বে ক্রোয়েশীয় ফুটবলাররা গোলের মালা পরিয়ে দেন মেসির দেশকে। আর্জেন্তিনার দুর্বল রক্ষণ ভেঙে গোল করেন আন্তে রেবিক, লুকা মদ্রিক ও ইভান রাকিতিক। এখনও পর্যন্ত দুটি ম্যাচ খেলে আর্জেন্তিনা পয়েন্ট পেয়েছে মাত্র ১টি, অর্থাৎ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত। শেষ ১৬-র লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে তাদের নাইজিরিয়াকে হারাতে তো হবেই, পাশাপাশি প্রার্থনা করতে হবে, অন্য ম্যাচের ফলও যাতে তাদের অনুকূলে যায়। নির্দিষ্ট কয়েকটি মুহূর্ত ছাড়া মেসি ঝলকানি গতকালের ম্যাচে প্রায় টেরই পাওয়া যায়নি। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে আর্জেন্তিনীয় গোলরক্ষক উইলি ক্যাবালেরোর মারাত্মক ভুলের সুযোগ নিয়ে প্রথম গোলটি করেন রেবিক। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ক্যাবালেরো তা সরাসরি তুলে দেন রেবিকের পায়ে। এত বড় সুযোগ রেবিক হাতছাড়া করেননি। দ্বিতীয় গোলটি করেন রিয়্যাল মাদ্রিদ তারকা মদ্রিক ৮০ মিনিটে। তৃতীয় গোলটি আসে ইনজুরি টাইমে, বার্সেলোনায় মেসির সতীর্থ রাকিতিকের শট থেকে। তবে শুধু আর্জেন্তিনার ভুল নয়, ম্যাচের সিংহভাগ সময়েই প্রাধান্য ছিল ক্রোয়েশিয়ার। বিশেষত দ্বিতীয়ার্ধ্বে ফাঁকফোকর খুঁজে নিয়ে আর্জেন্তিনার রক্ষণকে নাস্তানাবুদ করে তোলেন লুকা মদ্রিক। দ্বিতীয়ার্ধ্বের মাঝামাঝি সময়ে আর্জেন্তিনা একবার ম্যাচে ফিরে আসার সম্ভাবনা দেখিয়েছিল। কিন্তু মদ্রিক ঠিক সে সময় গোল করে ম্যাচ পুরোপুরি নিয়ে আসেন ক্রোয়েশিয়ার দিকে। আর্জেন্তিনার  শেষ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য  দিয়েগো মারাদোনা আগাগোড়াই ছিলেন  স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে। চোখে মুখে অবিশ্বাস নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। এর আগে ২০০২-য় গ্রুপ পর্যায়েই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় আর্জেন্তিনা। এবারও সেই আশঙ্কা মারাত্মকভাবে চেপে বসেছে তাদের ঘাড়ে।

  • ব্রাজিলকে লড়াইতে ফেরালেন কুটিনহো ও নেইমার, সাম্বা ঝড়ে শেষ পর্যন্ত কাত কোস্টারিকা।

    Newsbazar, ডেস্ক,  ২২ জুন : অবশেষ কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌছালো ব্রাজিল। যার  জন্য দীর্ঘ  ৯০ মিনিট অপেক্ষা করতে হল। শেষ পর্যন্ত  লড়াই চালিয়েও অবশেষে হার মানল  কোস্টারিকা। অপ্রতিরোধ্য  গোলরক্ষক নাভাসকে হার মানিয়ে ব্রাজিলকে জয় এনে দিলেন  কুটিনহো। খেলার অতিরিক্ত  ছ'মিনিটের ব্রাজিল  ঝড়ে ঊড়ে গেল  কোস্টারিকার ৯০ মিনিট লড়াই। ৯১ মিনিটে  কুটিনহো ও ৯৬ মিনিটে নেইমারের গোলে ব্রাজিল দু'গোলে হারাল কোস্টারিকাকে। বারে বারে আক্রমণের ঝড় তুলেও গোল করতে ব্যর্থ ব্রাজিল। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে নেইমার-কুটিনহোরা একের পর এক আক্রমণ তৈরী করছিলেন । কিন্তু প্রত্যেকটি  আক্রমণই কোস্টারিকা রুখে  দিয়েছে  কখনও গোলরক্ষক নাভাস, কখনও কোস্টারিকার ডিফেন্ডাররা আটকে দিলেন সাম্বাদের।  ব্রাজিল টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত থেকে বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছিল । কিন্তু প্রথম ম্যাচেই সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে আটকে যায়  ব্রাজিল। সেই কারণেই দ্বিতীয় ম্যাচ জিততে প্রথম থেকেই মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালাচ্ছিল ব্রাজিল। কিন্তু আক্রমণের ঝড় তুলেও এদিন নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল। তবে ম্যাচের  একেবারে শেষ  লগ্নে  নেইমার-কুটিনহোদের ভাগ্য ফিরল । একের পর এক আক্রমণের ফল মিলল ৯১ মিনিটের মাথায়। নেইমারের বাড়ানো বল থেকে কুটিনহো গোল করে দলকে এগিয়ে দিলেন। আর একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল নেইমারের।  এদিনও ব্রাজিল যেমন আক্রমণের ঝড় তুলেছিল, কোস্টারিকাকে গোলের মালা পরতে পারত। কিন্তু কোস্টারিকা সমানে  টক্কর দিয়ে গিয়েছে ব্রাজিলকে। বুঝিয়ে দিয়েছে তারাও তৈরি ব্রাজিলের মতো দলকে রুখে দিতে। কিন্তু যে লড়াই চালাল কোস্টারিকা তা মাঠে মারা গেল একেবারের শেষ লগ্নে। এদিন দুই লাতিন আমারিকা দেশের ফুটবল বেশ উপভোগ্য। আক্রমণাত্মক ব্রাজিল, আর রক্ষণ  সামলে প্রতি আক্রমণ-নির্ভর ফুটবল খেলা কোস্টারিকার লড়াই জমে ওঠে প্রথম থেকেই। দ্বিতীয়ার্ধে তা চরম রূপ নেয়। এরই মধ্যে নাটক ঘটল ম্যাচের ৭৫ মিনিটে নেইমারকে বক্সে ফেলে দেওয়ার জন্য পেনাল্টি দিয়েও প্রত্যাহার করেন রেফারি। প্রতিবাদ করে হলুদ কার্ড দেখেন নেইমার।  

  • পেরুর এবারের মত বিশ্বকাপ অভিযান শেষ ফ্রান্সের কাছে ১-০ তে হেরে।

    Newsbazar,ডেস্ক, ২১শে জুনঃ বিশ্বকাপে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আজ একাটেরিনবার্গ এরিনায় মুখোমুখি হয়েছিল  ফ্রান্স এবং পেরু। প্রথম ম্যাচে হারের ফলে বিশ্বকাপ অভিযানে নিজেদের টিকিয়ে  রাখতে হলে এই ম্যাচে যে কোনও মূল্যে জয় প্রয়োজন ছিল  পেরুর। কিন্তু পারল না পেরু।এবারের মত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল পেরুকে ১-০ তে হেরে । অন্য দিকে, গত ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর ফলে এই ম্যাচে জিতে  পরবর্তী রাউন্ড পাকা করে নিল  ফ্রান্স। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ তুলে আনার চেষ্টায় পেরু। সহজ সুযোগ মিস করলেন  ফ্রান্সের এমবাপে। আজ শততম ম্যাচটি খেলছেন ফ্রান্সের  গোলরক্ষক। ফ্রি কিক পেয়েও কাজে লাগাতে পারল না পেরু।হলুদ কার্ড দেখলেন পেরুর অধিনায়ক পাওলো গেরেরো।আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে উঠেছে ম্যাচ। সহজ সুযোগ হারাল পেরু। নিশ্চিত গোল মিস করলেন পেরুর অধিনায়ক। আবার সহজ সুযোগ মিস করলেন  ফ্রান্সের এমবাপে।গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে দিলেন এমবাপে।গোল শোধের চেষ্টায় একের পর এক আক্রমণ তুলে আনছে পেরু। অসাধারণ আক্রমণ! প্রেসিং ফুটবল খেলছে ফ্রান্স। ফ্রান্সের আক্রমণে দিশেহারা পেরু।প্রথমার্ধ শেষে খেলার ফল ফ্রান্স-১ পেরু-০। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে চোট পেয়েছেন উমতিতি। চোট গুরুতর।দুর্ভাগ্য পেরুর। পোস্টে লাগল আকুইনোর শট। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে ওঠেছিল  খেলা। দুর্দান্ত ফুটবল খেলল পেরু। ভাল খেললেও  কাঙ্খিত গোল পেতে ব্যর্থ পেরু। খেলার অন্তিম পর্বে  সুবিধাজনক জায়গা থেকে ফ্রি কিক পেল পেরু।পাওলো গেরেরোর শট সোজাসুজি আশ্রয় নিল ফ্রান্সের গোলরক্ষকের হাতে।খেলা শেষ। এমবাপের গোলে পেরুকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিল ফ্রান্স। (উপরের ছবিটিতে ফ্রান্সের এমবাপে একমাত্র গোলটি করছেন)     

  • অসাধারণ গতিময় ফুটবল খেলে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ম্যাচ ড্র রাখল অস্ট্রেলিয়া

    Newsbazar,ডেস্ক, ২১শে জুনঃ ম্যাচের শুরুতেই দ্রুত গতিতে অস্ট্রেলিয়া বক্সে আক্রমণ হেনেছিল ডেনমার্ক। জর্গেনসেনের সঙ্গে  পাস খেলতে খেলতে  বক্সে উঠে এসেছিলেন এরিকসেন। এরপর জর্গেনসেনের একটি ক্রস পাসে  পেছন থেকে উঠে এসে  বাউন্স খাওয়া বলে অসাধারণ ভলিতে গোল করে যান এরিকসেন। ফল হয় ১-০।   সেই সময় দুরন্ত গতিতে একের পর এক আক্রমণ তুলে আনছিল ডেনমার্ক। মনে হচ্ছিল আরও গোল খাবে অসিরা।  কিন্তু তার পর থেকে আস্তে  আস্তে খেলাটা ধরে  নেয়  অস্ট্রেলিয়া। শুরুর ঝড় সামলে ধীরে ধীরে  আক্রমণ করতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। চাপ বাড়ছিল ড্যানিশ ডিফেন্সে। মাঠেও কখনও বাঁদিক, কখনও ডানদিক দিয়ে দ্রুত গতিতে উঠে আসছিলেন অস্ট্রেলিয় ৭ নম্বর  লেকি। সারা ম্যাচে দুর্দান্ত খেললেন লেকি।  সারা মাঠ দাপিয়ে বেড়ান লেকি। একের পর এক মাইনাস করেছেন ডেনমার্কের বক্সে। এরকমই একটা ক্রসে  বক্সের মধ্যে হাতে লাগিয়ে হ্যান্ডবল করে বসেন ডেনমার্কের ফরোয়ার্ড পলসেন। প্রথমে রেফারি খেলা না থামালেও পরে ভিএআর-এর সাহায্য নিয়ে পলসেনের বিরুদ্ধে ফাউল দেন। তাঁকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়, এবং অস্ট্রেলিয়া পেনাল্টি পায়। বিশ্বকাপে ভিএআর-এর সাহায্যে প্রথম গোল খেয়েছিল  অস্ট্রেলিয়া । এদিন সেই ভিএআর-এর সুবিধা পেল অস্ট্রেলিয়া। পেনাল্টিতে  গোল করেন  অসি অধিনায়ক জেদিনাক। এই নিয়ে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মোট ৩ টি গোল হল তাঁর। দ্বিতীয়ার্ধের খেলার শুরুতে কিছুটা গতি বাড়িয়ে খেলা  শুরু করে ডেনমার্ক। শুরুতেই অসি বক্সে হানা দিতে শুরু করে ডেনমার্ক। এসময় বক্সের মধ্যে পড়ে যান ডেনমার্কের স্ট্রাইকার পলসেন। কিন্তু তার পা থেকে বেরনো বল ফাঁকায় পেয়েও সিসতো গোলে বল রাখতে  পারেননি। এরপর আর কোনও গেল না হলেও তুল্যমূল্য লড়াই হয় দুই দলের। অবশ্যই আক্রমণের ঝাঁঝ বেশি ছিল সকারুদের। দুটি নিশ্চিত সুযোগ তাদের হাতছাড়া হয়। একবার বক্সের ভেতর ক্রশে মাথা ছুঁইয়েও গোলে রাখতে পারেননি লেকি। আর একবার চোট পাওয়া নাবৌটের বদলে মাঠে নামা তরুল আরজানির গোলের একেবারে সামনে বাড়ানো শট শেমিচেলকে ছাড়িয়ে চলে যায়। ফাঁকা গোলে অস্ট্রেলিয়ার কেউ বলে সামান্য ছোঁয়া লাগাতে পারলেই গোল হতে পারত। কিন্তু কেউ এসে পৌঁছাননি দ্বিতীয় পোস্টে। সুযোগ পেয়েছিল ডেনমার্কও। সবমিলিয়ে একটি জমজমাট বিশ্বকাপ গ্রুপ লিগের ম্যাচের সাক্ষি হল সামারা এরিনা. (উপরের ছবিটিতে অসি অধিনায়ক জেদিনাক পেনাল্টি থেকে গোল করছেন)       

  • অসাধারন ফুটবল খেলেও গোল করতে না পারার জন্য বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল মরক্কোকে

    Newsbazar, ডেস্ক,২০জুনঃ খেলা শুরুর তিন মিনিটের মাথায় গোল পর্তুগালের। গোল করলেন রোনাল্ডো । গোল খেয়েও আহতবাঘের মত বারে বারে ঝাপিয়ে পড়েছে পর্তুগালের বিরুদ্ধে কিন্ত  গোল করতে না পারার জন্য এবারের মতো বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে    মরক্কোকে। দীর্ঘ ২০ বছর পর বিশ্বকাপের আসরে এসেও শুধুমাত্র  গোল করতে না পারার জন্য  বিদায় নিতে হল । ম্যাচের শুরুতেই  গোল করেলেন  রোনাল্ডো। তারপর থেকে গোটা মাঠজুড়ে শুধু মরক্কো আর মরক্কো। বারবারে আক্রমণ  আছড়ে পড়ছে পর্তুগালের বক্সে।  কিন্তু গোলের দিশা খুঁজে পাননি মরক্কোর ফুটবলাররা। তারই খেসারত দিতে হল তাঁদের।আজ  গ্রুপ বি-র দ্বিতীয় ম্যাচ দুটি দলই জেতার তাগিদ  নিয়ে এদিন মাঠে নেমেছিল। খেলার শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই রোনাল্ডোর গোলে পর্তুগাল এগিয়ে  গেলেও  র সারা ম্যাচেই মরক্কো দারুন ফুটবল উপহার দিয়েছে। সাফল্য না পেলেও ভালো ফুটবল খেলেছে মরক্কো । এর আগের ম্যাচে মরক্কো শেষ মূহূর্তে আত্মঘাতী গোল খেয়েছিল আর এই ম্যাচে ভাল খেলেও পারজিত হতে হল।  মোট কথা, দুর্ভাগ্য তাড়া করে বেড়াল তাঁদের। গত ম্যাচে হারার  জন্য এই ম্যাচে জেতার জন্য বাড়তি তাগিদ ছিল তাদের। কিন্তু শুরুতেই গোল খেয়ে তাঁদের আশাহত হয়ে হয়। তারপর পুরো ৯০ মিনিট প্রাধান্য বজায় রেখেও ব্যর্থ মনোরথ হয়ে ফিরল মরক্কো। এদিন রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচেই রোনাল্ডো নিজের চতুর্থ গোলটি করে ফেললেন। সেইসঙ্গে তিনিই হলেন পর্তুগালের দ্বিতীয় ফুটবলার যিনি কোনও একটি বিশ্বকাপে চার বা তার বেশি  গোল করলেন।  

  • আবার ২০১৮-র বিশ্বকাপে অঘটন,পোল্যান্ড সেনেগালের কাছে ২-১ গোলে পরাজিত হল।

    Newsbazar24:, ডেস্ক, ১৯ জুনঃ আবার ২০১৮-র বিশ্বকাপে  অঘটন! আজ  বিশ্বকাপে দুইবারের সেমিফাইনালিস্ট পোল্যান্ড দল  প্রথম ম্যাচেই হেরে গেল  আফ্রিকার দল সেনেগালের কাছে ২-১ গোলে। সেনেগাল এর আগে ২০০২ বিশ্বকাপে  প্রথম আবির্ভাবেই কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত গিয়েছিল।  সকলের আশা ছিল এই ম্যাচে পোল্যান্ডই যোগ্য দল হিসাবে জয়ী হবে।  কিন্তু সেনেগাল মাঠে নেমে প্রমান করে দিল তারাও কম শক্তিশালী দল নয়।  লিভারপুলের ফরওয়ার্ড সাদিও মানের নেতৃত্বে এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে  থাকে সেনেগাল। খেলা শুরুর প্রথম দশ মিনিট পোল্যান্ড একাধিক আক্রমণ তুলে আনলেও, ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে তুলে নিতে বেশি সময় লাগেনি সেনেগালের। প্রথম দশ মিনিটের পর থেকেই মুহুর্মুহু আক্রমণ তুলে আনতে থাকে সেনেগাল। আর এরই সুবাদে ম্যাচের ৩৭ মিনিটে গোল পেয়ে যায় সেনেগাল। যদিও গোলটি  আত্মঘাতী গোল। প্রথমার্ধ শেষে সেনেগালের পক্ষে খেলার ফল ছিল ১-০। আশা ছিল পোল্যান্ড দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণে গিয়ে খেলার রাশ নিজেদের হাতে নেবে । কিন্তু  উল্টে  সেনেগালই একের পর এক আক্রমণ  সংঘটিত করতে থাকে। প্রথমার্ধের মতোই দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ঝাঁঝ  বজায় রাখে তারা। এরই সুফল হিসেবে ম্যাচের  ৬০ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে সেনেগালকে এগিয়ে দেন নিয়াং। ২ গোলের লিড পেলেও আক্রমণ থামায়নি সেনেগাল। কারণ ডিফেন্সের উপর চাপ না বাড়তে দেওয়ার আরেক উপায়ই যে আক্রমণ তা ভালো মতোই জানাতেন সেনেগালের কোচ।  কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারেনি সেনেগাল। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে পোল্যান্ডের হয়ে একটি গোল শোধ করেন ক্রিচোবিয়াক। শেষ পর্যন্ত সেনেগালে  ২-১ ব্যবধানেই জয়ী হয় । এদিন গোটা ম্যাচের নিয়ন্ত্রন হাতে রাখলেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিততে পারল না পোল্যান্ড।                                                                (উপরের চিত্রটিতে গোলের পর সেনেগালের খেলোয়াড়দের উল্লাস)

  • এবার বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দল ব্রাজিল সুইজারল্যান্ডের সাথে ড্র করল।

    Newsbazar, ১৮ই জুনঃ রাশিয়া বিশ্বকাপ-২০১৮র  চতুর্থ দিনে আবার অঘটন  ঘটল। প্রথম অঘটন ছিল গত বিশ্বকাপের  চ্যাম্পিয়ন জার্মানির হার মেক্সিকোর কাছে এবং দ্বিতীয় অঘটন  এবার বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দল  ব্রাজিলের  সাথে সুইজারল্যান্ডের ড্র। বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীরা আক্রমণাত্মক ফুটবল দেখার আশায় বুক বেধে ছিলেন। কিন্তু আবার ইউরোপিয়ান দেশের গতির কাছে লাতিন আমেরিকার ফুটবল শৈলী চাপা পড়ে গেল। ম্যাচ শেষ হল অমিমাংসিত ভাবে। ব্রাজিল খেলার শুরুতেই ঝড় তুলে  ২০ মিনিটে দুর্দান্ত গোল করেন ফিলিপে কুটিনহো।    এরপর আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে উঠে  ম্যাচ। সুইজারল্যান্ড সমানে লড়াই চালিয়ে  যায়।  যদিও সেই সময় নেইমারদের খেলা দেখে মনে হচ্ছিল, তাঁরা সহজেই জিতে যাবেন।প্রথমার্ধের শেষে  এক  গোলেই এগিয়েছিল ব্রাজিল।   দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সুইজারল্যান্ড-র আক্রমণ  ব্রাজিলের গোলে  আছড়ে পড়তে থাকে। ৫০ মিনিটের মাথায় শাকিরির বাড়ানো বলে মাথা ছুঁইয়ে গোল পেয়ে যান জুবের। খেলার ফল দাঁড়ায় ১-১। এরপর বারেবারে  আক্রমণ শানাতে থাকে ব্রাজিল। কিন্তু গোলের কাছে পৌঁছেও কাঙ্খিত লক্ষে  ব্যর্থ হন ব্রাজিলিয়ারা ।  প্রতি আক্রমণেই জোর দেয় সুইজারল্যান্ড। সুইজারল্যান্ড ডিপ ডিফেন্স লোক বাড়িয়ে  ব্রাজিলের সাথে খেলা অমীমাংসিত রাখার কাজে সফল । নেইমারকে বারবার বিপক্ষ ডিফেন্ডারদের শরীরি ফুটবলের ফাঁদে আটকে পড়তে হয়েছে । এই ম্যাচে রেফারিং নিয়ে বিতর্ক কিন্তু থেকেই গেল । জুবের  হেডে গোল করার ঠিক আগে মার্কার মিরান্ডাকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেন। ব্রাজিলের ফুটবলাররা ফাউলের আবেদন জানালেও, রেফারি কর্ণপাত করেননি। এরপর ৭৪ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল জেসাসকে বক্সের মধ্যে জাপটে ধরে ফেলে দেন সুইৎজারল্যান্ডের ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জি। এক্ষেত্রেও পেনাল্টির আবেদনে সাড়া দেননি রেফারি। নেইমারকে প্রথম থেকেই ফাউল করতে থাকেন বিপক্ষ ডিফেন্ডাররা। সেক্ষেত্রেও রেফারির তেমন কড়া মনোভাব দেখা যায়নি।