খেলা


  • বিশ্ব ফুটবল জগতের মহীরুহের পতন প্রয়াত গর্ডন ব্যাঙ্কস৷

    ডেস্ক, ১২ই ফেব্রুয়ারীঃ বিশ্ব ফুটবল জগতের মহীরুহের পতন ঘটল। প্রয়াত ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ী কিংবদন্তি ব্রিটিশ গোলরক্ষক গর্ডন ব্যাঙ্কস৷ ৮১ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন এই গোলকিপার৷ তার পরিবার  সূত্রে জানানো হয়েছে মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঘুমের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম প্রধান কাণ্ডারি ছিলেন গর্ডন৷ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড জিতেছিল ৪-২ ব্যবধানে৷ সেই ম্যাচে জোড়া গোল হজম করলেও রক্ষণ আগলে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন ব্যাঙ্কস৷ ৭৩টি ম্যাচে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা ছাড়াও তিনি ক্লাব ফুটবলে লেস্টার সিটি ও স্টোক সিটির হয়ে খেলেছিলেন। নিঃসন্দেহে ফুটবলের ইতিহাসে সেরা গোলকিপারদের অন্যতম ব্যাঙ্কস স্মরণীয় হয়ে আছেন বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা মুহুর্তটি উপহার দেওয়ার জন্য। ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জেতার ৪ বছর পরে বিস্ময়কর প্রতিভায়  ফুটবল সম্রাট পেলের হেড জালে জড়ানো থেকে বাঁচিয়ে ছিলেন। বিশ্বকাপ তথা ফুটবলের ইতিহাসে এই মুহূর্ত চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।  

  • তিন ম্যাচের টি২০ সিরিজে দ্বিতীয় ম্যাচে জিতে সিরিজে সমতা ফেরাল ভারতীয় দল

    ডেস্ক, ৮ই ফেব্রুয়ারীঃ তিন ম্যাচের টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে শোচনীয় হারের পর ভারতীয় ক্রিকেট দল দ্বিতীয় ম্যাচে  দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল । আজ  ইডেন পার্কে নিউজিল্যান্ডকে সাত উইকেটে পরাজিত করল ভারতীয় দল। টসে  জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়  নিউজিল্যান্ড। প্রথম ম্যাচের নায়ক সেই  ওপেনার টিম সেইফার্ট আজ রান করতে পারন নি  । দু'জনেই ১২ বলে ১২ রান করে ফিরে যান প্যাভেলিয়নে।এর পর কেন উইলিয়ামসন চেষ্টা করেন  কিন্তু তিনিও  ব্যর্থ হন। মাত্র ২০ রান করে তিনি আউট হয়ে যান।  পরপর তিন জন আউট হয়ে যাওয়ায় কিছুটা বে কায়দায় পড়েন।। এর পর নিউজিল্যান্ড ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন রস টেলর ও কলিন ডে গ্র্যান্ডহোম। টেলর ৪২ ও গ্র্যান্ডহোম ৫০ রান করে আউট হন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে  ৮ উইকেটে ১৫৮ রানে  শেষ হয় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। ভারতের হয়ে তিন উইকেট নেন ক্রুনাল পাণ্ড্যে, দু'টি উইকেট খলিল আহমেদের। একটি করে উইকেট ভুবনেশ্বর কুমার ও হার্দিক পাণ্ড্যের। জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৫৯ রান। রোহিত শর্মা ও শিখৱ ধাওয়ান  ভারতীয় ইনিংসের ভিতটা শক্ত করে দিয়ে যান  । ২৯ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলেন রোহিত তার মধ্যে ৪টি ছয় । ৩১ বলে ৩০ রান করেন শিখর ধাওয়ান। বিজয় শঙ্কর আট বলে ১৪ রান করে আউট হয়ে যান।  এর পর বাকি কাজটি  সাঙ্গ করেন করে দেন দুই উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান ঋষভ পন্থ  ও এমএস ধোনি। তিন নম্বরে নামা ঋষভ পন্থ ২৮ বলে ৪০ রান করে। এমএস ধোনির ১৭ বলে ২০ রান করেন। দু'জনেই অপরাজিত থাকেন। ১৮.৫ ওভারে বাউন্ডারির সাহায্যে  ভারতকে জয় এনে দেন পন্থ।  ভারত ৩ উইকেটে  ১৬২ করে । সাত উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতায় ফেরে ভারত। আজকের ম্যাচের সেরা হয়েছেন ক্রুনাল পাণ্ড্যে। আজকে রোহিত শর্মা আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে সর্বোচচ রানের রেকর্ড গড়ে ফেললেন।   রবিবার শেষ টি২০ ম্যাচ এখন ফাইনাল দুই দলের জন্য।

  • স্কুল অ্যাথলেটিক্সে জাতীয় স্তরে বাংলার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে রওনা হলেন মালদার দুই হত দরিদ্র বালিকা

    মালদা, ৮ ফেব্রুয়ারীঃ আগামী ১০-১২ ই ফেব্রুয়ারী,২০১৯ গুজরাটের নাদিয়াদে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে  অনুর্দ্ধ ১৯  স্কুল জাতীয় অ্যাথলেটিক মিট । উক্ত মিটে বাংলা দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন সপ্তমী মন্ডল এবং তাপসী ঘোষ।সপ্তমী ৩০০০মিটার হাঁটা প্রতিযোগিতায় ও  তাপসী ডিসকাস থ্রো তে অংশগ্রহণ করবে। উক্ত দুইজন ইতিমধ্যে মালদা থেকে রওনা হয়েছেন বাংলা দলের সাথে যোগ দেবার জন্য। প্রসঙ্গত আমরা এর আগে আমাদের এই নিউজ পোর্টালে জানিয়েছিলাম চরম দারিদ্র ও প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে সফল রাজ্য, জাতীয় ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিযোগিতায় মালদার  কিছু কিশোর  কিশোরী। তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য এই সপ্তমী মণ্ডল  ও তাপসী ঘোষ। আমরা আবার বলতে বাধ্য হচ্ছি দারিদ্য কখনও প্রতিভা বিকাশের পথে বাধা সৃস্টি করতে পারেনা। তার জলজ্যান্ত প্রমান এই দুই বালিকা। এরা আবার প্রমান করল অধ্যাবসায় ও লড়াই করার মানসিকতা থাকলে কোন বাঁধা বাধাই নয়। এদের মধ্যে এই লড়াই করার মানসিকতা জাগিয়ে তুলেছেন এদের প্রশিক্ষকরা। সপ্তমীর ক্ষেত্রে মানস রায় বর্মণ ও তাপ্সীর ক্ষেত্রে মালদার স্বনামধন্য অ্যাথলেটিক প্রশিক্ষক পুলক ঝা। আমরা আমাদের নিউজ পোর্টালের পক্ষ থেকে দুই কিশোরীর সাফল্য কামনা করি।        

  • যুবভারতী তে ফিরতি লীগে নেরোকা কে ২-১ পরাজিত করে লিগ জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করল ইস্টবেঙ্গল

    কলকাতা, ৭ই ফেব্রুয়ারীঃ আজ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেক্সিকান স্ট্রাইকারের  জোড়া গোলে ইস্টবেঙ্গল স্বপ্নের জয় ছিনিয়ে নিল ইস্টবেঙ্গল। ফিরতি লীগে নেরোকা এফ সিকে ২-১ পরাজিত করে লিগ জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করল।    ম্যাচ শুরুর তিন মিনিটের মধ্যেই নেরোকাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন চেঞ্চো। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল নেরোকা। তখনও খেলা ঠিকমত ধরতে পারেননি ইস্টবেঙ্গল। সেই সুযোগেই গোলে করে যায় নেরোকা। কাটসুমির সেন্টার লাল হলুদ গোলরক্ষক রক্ষিত ডাগারের হাত থেকে বেরিয়ে এলে তা লালরিনডিকা রালতে বিপদমুক্ত করার বদলে চেঞ্চোকে বাড়িয়ে দেন চেঞ্চো ভুল করেন নি  নতুন দলের হয়ে অভিষেকেই গোল পেলেন তিনি। তবে সেই ভুলকে পেছনে ফেলে দ্রুত মাঝমাঠের দখল নিয়ে সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু গোলমুখে জোবি জাস্টিন ও জাইমে স্যান্টোস কোলাডোর সহজ সুযোগ নষ্ট লালহলুদ ব্রিগেডকে সমতায় ফিরতে দেয়নি। আক্রমণের চাপ সামলাতে একটা সময় পুরো নেরোকার  ডিফেন্সে নেমে আসে। ০-১ গোলে পিছিয়ে থেকেই দ্বিতীয়ার্ধে  ইস্টবেঙ্গল আক্রমণে গতি বাড়াতে থাকে।  ৫৮ মিনিটে অ্যান্তনিও দোভালকে তুলে এনরিক এসকুয়েদাকে নিয়ে আসেন কোচ। তার পরই ঘুরে যায় খেলা। কেন এতক্ষণ তাঁকে বেঞ্চে বসিয়ে রেখেছিলেন কোচ সেটাই এখন প্রশ্ন। ৬৭ মিনিটে গোলের মুখ খোলেন এনরিক এসকুয়েদা। স্যান্টোস কোলাডোর ক্রস ধরে বক্সের মধ্যে থেকেই এসকুয়েদার ক্লিনিক্যাল হেডারে সমতায় ফেরান ইস্টবেঙ্গলকে।  ন'মিনিটের মধ্যে আবারও গোল। এ বারও  সেই এসকুয়েদাই। ব্রেন্ডনের থেকে বল পান সামাদ বক্সের ঠিক ডানদিকে। আর সেখান থেকেই সামাদের মাপা ক্রসে  এসকুয়েদারের  মাপা হেড।  এবং গোল । সেখানেই শেষ হয়ে যায় ম্যাচ। তখনও নির্ধারিত সময়ের খেলা বাকি চার মিনিট। কিন্তু নেরোকা আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। এগিয়ে গিয়েও তাই খালি হাতে ফিরতে হল তাদের। কোলাডো ও  এনরিকের যুগলবন্দীতে জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখল লাল হলুদ শিবির

  • টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের পুরুষ ও মহিলা দল পরাজিত।

    ডেস্ক , ৬ ফেব্রুয়ারি : ওডিআই সিরিজ়ের ব্যাপক সাফল্যের পর  প্রথম টি-২০ ম্যাচে   ভারত মুখ থুবড়ে পড়ল নিউজ়িল্যান্ড-র কাছে এবং  বিশাল ব্যবধানে  পরাজয়  স্বীকার করল। টসে জিতে ভারতীয় দল  প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন । ওয়েলিংটনে প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ২১৯ রান করে নিউজ়িল্যান্ড। ২২০ রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ১৩৯ রানে শেষ হয়ে যায় ভারতীয় ইনিংস। ৮০ রানে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজ়ে ১-০ তে এগিয়ে গেল নিউজ়িল্যান্ড। T-20-তে ভারতের এটাই সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। আজ টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। কিন্তু নিউজ়িল্যান্ড-র ওপেনার টিম সেইফার্টের  ৪৩ বলের অনবদ্য ৮৪  রান করেন যদিও এর মধ্যে তিনি দুবার জীবন পেয়েছেন। ২১৯ রানে ইনিংস শেষ করে  নিউজ়িল্যান্ড। নিউজ়িল্যান্ডের হয়ে কলিন মুনরো ৩৪, কেন উইলিয়ামসন ৩৪ এবং রস টেলর ২৩ রান করেন। হার্দিক পান্ডিয়া ২টি উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার, খলিল আহমেদ, ক্রুনাল পান্ডিয়া ও যুজবেন্দ্র চাহল। ২২০ রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে শিখর ধাওয়ান ও বিজয় শংকর ছাড়া কেউ সেভাবে দাঁড়াতেই পারেননি। ধাওয়ান করেন ২৯ ও শংকর করেন ২৭। শেষ দিকে মহেন্দ্র সিং ধোনি করেন ৩৯ রান। ইনিংসে ৪ বল বাকি থাকতেই ১৩৯ রানে অল আউট হয়ে যায় ভারত। কিউয়িদের হয়ে টিম সাউদি ৩টি উইকেট নেন। ফার্গুসন, স্যান্টনার ও ইশ সোধি ২টি করে উইকেট নেন।  আজ ভারতীয় দলের বাজে ফিল্ডিং হারের অন্যত্ম প্রধান কারন বলে মনে হয়। টি-২০  ক্রিকেটে  গাদা গাদা ক্যাচ ফেলে জেতা সম্ভব নয়। ব্ল্যাক ক্যাপসদের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করা সেইফার্টকে দুইবার জীবন দিয়েছেন ধোনি ও কার্তিক। কার্তিক এরপর আবার রস টেলরের ক্যাচও মিস করেন। পরে অবশ্য দারুণ ক্যআচ নিয়ে মিচেলকে ফিরিয়ে পাপস্খালন করেন কার্তিক।  

  • ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড, প্রথম টি২০: কখন, কোথায় দেখবেন ম্যাচের লাইভ

    ডেস্ক, ৫ই ফেব্রুয়ারীঃ যে ওয়েলিংটনেভারত বনাম নিউজিল্যান্ড, ওডিআই সিরিজ শেষ  হয়েছিল সেখান থেকেই টি২০ সিরিজ শুরু করতে চলেছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড-র । বিরাট কোহলিকে বিশ্রাম দেওয়া শেষ দুটো ওডিআইর মত   টি২০ সিরিজেও দলকে নেতৃত্ব দেবেন রোহিত শর্মা। টি-২০ সিরিজ খেলতে ওয়েলিংটনে ভারতীয় দলে যোগ দিয়েছেন ক্রুনাল পান্ডে ও সিদ্বারথ কল। ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড প্রথম টি২০ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯।খেলা হবে ওয়েলিংটনের ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়ামে। খেলা শুরু হবে ভারতীয় সময় দুপুর ১২.৩০ মিনিট থেকে। খেলা দেখা যাবে স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্কে। ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড প্রথম টি২০-এর লাইভ স্ট্রিমিং দেখা যাবে  

  • পুরুষ এবং মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২০-র ক্রীড়াসূচি প্রকাশিত হল।

    ডেস্ক, ৩০ জানুয়ারীঃ আইসিসি আজ আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ করল  টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২০-র  ক্রীড়াসূচি। পুরুষ এবং মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপ হবে ওই একই বছরে মহিলা ও পুরুষদের।  উভয় বিভাগে ২০২০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের আসরের আয়োজক দেশও হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।  টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য একই দেশে একই বছরে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। পুরুষ এবং মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালও হবে  বিশ্বের অন্যতম বড় স্টেডিয়াম মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। ক্রীড়াসূচী থেকে দেখা যাচ্ছে  কোনও বিভাগেই গ্রুপ লীগে  ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ নেই। বরং অস্ট্রেলিয়া পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে। অন্যদিকে, মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে  অস্ট্রেলিয়াই ভারতের মুখোমুখি হবে সিডনি-তে। ২০২০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে মহিলা ও পুরুষদের প্রতিযোগিতা একই বছরের দুটো সময়ে অস্ট্রেলিয়াতেই অনুষ্ঠিত হবে।  মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপ-এর আসর ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সালে বসবে। শেষ হবে ৮ মার্চ। মোট ২৩টি দল এতে অংশ নেবে। ফাইনাল হবে  ৮ মার্চ।  মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ লিগের ম্যাচঃ (২১ ফেব্রুয়ারি-৩ মার্চ) গ্রুপ এঃ অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ভারত, শ্রীলঙ্কা, কোয়ালিফায়ার ১ গ্রুপ বিঃ ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান, কোয়ালিফায়ার ২ সেমিফাইনালঃ ৫ মার্চ,    ফাইনালঃ ৮ মার্চ পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেট শুরু হবে ১৮ অক্টোবর। প্রতিযোগিতা শেষ হবে ১৫ নভেম্বর। মূল প্রতিযোগিতা শুরুর আগে বেশকিছু যোগ্যতা নির্ণায়ক ম্যাচ আছে পুরুষদের টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপে। এই ম্যাচগুলো খেলা হবে ১৮ অক্টোবর থেকে। সুপার ১২ নিয়ে মূল প্রতিযোগিতা শুরু হবে ২৪ অক্টোবর। যেখানে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে পাকিস্তানের সঙ্গে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া। পুরুষদের গ্রুপ লিগের ম্যাচঃ (২৪ অক্টোবর-৮ নভেম্বর) গ্রুপ ১: পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড, দুজন কোয়ালিফায়ার গ্রুপ ২: ভারত, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, আফগানিস্তান, দুজন কোয়ালিফায়ার সেমিফাইনাল: ১১ নভেম্বর এবং ১২ নভেম্বর, ফাইনাল: ১৫ নভেম্বর    

  • ১৫ বছর পর লিগের জোড়া কলকাতা ডার্বি লাল-হলুদের।ফিরতি পর্বেও ২-০ তে জয় ইস্টবেঙ্গলের

    রবিবার (২৭ জানুয়ারি), ২০১৮-১৯-র আই লিগের ফিরতি ডার্বিতেও জিতল  ইস্টবেঙ্গল! এদিন গোল করে ও করিয়ে ম্যাচের নায়ক জবি জাস্টিন। বিগত ২০০৩-০৪ এ  জাতীয় লিগে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দুই পর্বেই  জয় পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে লাল-হলুদকে এদিন জোড়া গোলে জয় এনে দিলেন জবি জাস্টিন ও কোলাডো।  প্রথম লেগে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে জিতেছিল  লাল হলুদ ব্রিগেড । কোচ বদল করলেও মোহনবাগানের ভাগ্য পরিবর্তন হল না। শঙ্করলালের পরিবর্তে খালিদ জামিলকে নিয়ে এলেও   অবস্থার  বদল হল না।  দ্বিতীয় লেগে ফলাফল হল ২-০ ফলে, ১৫ বছর পর লিগের জোড়া কলকাতা ডার্বির রঙই হল লাল-হলুদ। ওয়ার্ম আপের সময় চোট পেয়ে ডার্বি থেকে ছিটকে গেলেন ইউতা। তাঁর পরিবর্তে দলে  এলেন হেনরি কিসেককা, ডার্বি শুরু হল , খেলার ৫ মিনিটের মাথায়  ইস্টবেঙ্গলের প্রথম আক্রমণ, ডানদিক থেকে টনি ডোভালের ক্রস থেকে কিম কিমার হেড বাইরে,৭  মিনিটে  ডানমাওয়াইয়ার নিচু ক্রসে পা ঠেকাতে ব্যর্থ। ফিরতি বলে ডানমাওয়াইয়ার শট সহজেই শিল্টনের নাগালে। ১৪ মিনিটে কর্নার পেল মোহনবাগান । সনি নর্দির পাস থেকে কিংসলের ট্যাপ ইন বাইরে,তারপর  মোহনবাগানের ওমরকে হলুদ কার্ড দেলহানো হল। ২৬ মিনিট বাঁদিক থেকে সনি নর্দির ক্রস। বক্সের মধ্যে ঠিকমতো শট নিতে পারলেন না ডিকা ,৩০ মিনিটে গোলের কাছ থেকে শট সনি নর্দির। ব্লক করলেন চুলোভা । ৩৫ মিনিটে  জবি জাস্টিনের পাস থেকে গোল কোলাডোর। ইস্টবেঙ্গল ১-০ তে এগিয়ে গেল । ২ মিনিট অতিরিক্ত সময় খেলা হলেও  প্রথমার্ধের শেষে  ১-০ গোল  এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল দ্বিতীয়ার্ধের খেলার শুরুতেই ,ইস্টবেঙ্গলের চুলোভাকে হলুদ কার্ড দেখানো হল ,৫১ মিনিটে বক্সের মধ্যে ডিকার ঘাড় চেপে ধরলেন স্যান্টোস। কোনও কার্ড দেখাননি রেফারি। লালকার্ড দেখতে পারতেন স্যান্টোস।  পিন্টু মাহাতর পরিবর্তে মাঠে এলেন শেখ ফৈয়াজ,৫৩ মিনিটে অফসাইডের জন্য গোলবাতিল মোহনবাগানের। সনি নর্দির কর্নার থেকে কিংসলে হেড দেন। তা পড়ে ড্যারেনের পায়ে। গোলে বল জড়ালেও তা বাতিল করা হয়। ঘন ঘন  আক্রমণে মোহনবাগান। এরপর  ইস্টবেঙ্গলের   লালডানমাউইয়ারের পরিবর্তে মাঠে এলেন ব্র্যান্ডন। ৬৫ মিনিটে সুযোগ হাতছাড়া জবি জাস্টিনের। তাঁর শট ক্রসবারের উপর দিয়ে বাইরে গেল । ৬৯ মিনিটে  জবি জাস্টিনের শট আটকাতে  গিয়ে চোট পেলেন কিংসলে। ৭৬ মিনিটে আবার গোল এবার  কর্নার থেকে হেডে গোল জবি জাস্টিনের। মোহনবাগান ০-২ ইস্টবেঙ্গল। ৮৩ মিনিটে  চুলোভারকে বিপজ্জনক ভাবে  ধাক্কা মেরে সনি নর্দি হলুদ কার্ড দেখেন। ৮৬ মিনিটে এনরিকের শট  রুখলেন শিলটন পাল, নির্ধারিত সময়ের পরেও ৩ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হলেও ফল একই থাকল। পরিশেষে আজকের ডার্বিতে খারাপ রেফারিং-এর কথা উল্লেখ না করলেই নয় ।   লাইন্সম্যান অ্যান্টনি আব্রামের মোহনবাগানের গোল বাতিল নিয়ে বিতর্ক থেকেই গেল। অন্যদিকে  শিল্টন পাল হাইমেকে ফাউল করলে দেখতে পাননি রেফারি সিআর শ্রীকৃষ্ণ। কখনও হাইমে বেঁচে গিয়েছেন নিশ্চিত কার্ড দেখার হাত থেকে।            

  • পুরাতন মালদা এ টি সির উদ্যোগে ১০ কিমি রোড রেসএ প্রথম ফালাকাটার হাসিবুল,দ্বিতীয় ও তৃতীয় মালদার তিলক মণ্ডল ও অনুপ ঘোষ।

    মালদা, ১৩ই জানুয়ারীঃ পুরাতন মালদা অ্যাথলেটিক্স ট্রেনিং সেন্টার ও এম আই সি সি উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী যে শীতকালীন ক্রীড়া উৎসব এর আয়োজন করা হয়েছিল আজ দ্বিতীয় দিনে ১০ কিলোমিটার রোড  রেস এর আয়োজন করা হয়। এই দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হয় সাহাপুরের ডিস্কো মোড় থেকে শেষ হয় পুরাত্ন মালদার নবাবগঞ্জ পর্যন্ত। এই প্রতিযোগিতর শুভ উদ্বোধ্ন করেন মালদা কেন্দ্রের বিধায়ক শ্রী ভুপেন্দ্র নাথ হালদার উপস্থিত ছিলেন বিশিস্ট সমাজসেবী বিভুতু ভুষন ঘোষ । মোট ৩২ জন প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ  করেন।  প্রথম হন জলপাইগুড়ির ফালাকাটার  হাসিবুল রহমান , দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন মালদা প্রতিভার সন্ধানে স্পোর্টস একাডেমীর তিলক মণ্ডল, তৃতীয়  নঘরিয়ার অনুপ ঘোষ।  

  • অজস্র গোলের সুযোগ নষ্ট করে ভারত ২-০ তে পরাজিত সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর কাছে।

    ডেস্ক ১০ জানুয়ারীঃ আজ এশিয়ান কাপে আরব আমিরশাহির জায়েদ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে   সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে সমানে সমানে লড়লেন সুনীলরা। কিন্তু অসংখ্য গোলের সুযোগ তৈরি করেও নিশ্চিত গোলের সুযোগও নষ্ট করল শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে পরাজিত হতে হল ভারতকে। শুরু থেকে  ভারত  সংযুক্ত আরব আমিরশাহীকে চাপেই রেখেছিল ভারত। গোলের কাছে গিয়ে বার কয়েক নিশ্চিত গোলের সুযোগও নষ্ট করল।  প্রথমার্ধে  ভারতীয় দল বেশী  সুযোগ পেল । সংযুক্ত আরব আমিরশাহী একটাই সুযোগ তৈরি করল আর তা থেকেই গোল তুলে নিল। ম্যাচের ৪১ মিনিটে   মাঝ মাঠে  থেকেই আল আহমেদ  বল নিয়ে  ভারতের বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন। সন্দেশ আর আনাসের মধ্যে  ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নিলেন আল আহমেদ।  সেই সুযোগেই ফাকায় দাড়িয়ে থাকা খালফানকে বল বাড়িয়ে দেন আল আহমেদ। দুই ডিফেন্ডারকে টপকে ভারতের গোলে বল ঠেলেন খালফান। গোলকিপার গুরপ্রিত অসহায় ভাবে দাঁড়িয়ে থাকেন। ভারত প্রথমার্ধ শেষ করে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে। গোল খাওয়ার পরই সুনীল ছেত্রী গোলের  সুযোগ নষ্ট করলেন । ৪৩ মিনিটে প্রথম পোস্ট থেকে সুনীলের শট দ্বিতীয় পোস্টের কয়েক ইঞ্চি দূর দিয়ে বেরিয়ে গেল বাইরে। পুরো ম্যাচে প্রচুর গোলের সুযোগ  নষ্ট করল ভারত।   ৮৮ মিনিটে আলি আহমেদ  গোল করে ২-০ করলেন। রক্ষণের সঙ্গে সঙ্গে গুরপ্রিতকেও এ দিন বেশ দিশাহীন দেখাল। ম্যাচ শুরুর আট মিনিটের মধ্যেই অনিরুদ্ধ থাপার কর্নার থেকে সন্দেশ ঝিঙ্গানের হেড অল্পের জন্য বাইরে গেল। ১৩ মিনিটে আবার সেই থাপা-ঝিঙ্গান জুটির গোল মিস। ২৩ মিনিটে থাপার ক্রস থেকে সুনীল ছেত্রীর হেড দারুণভাবে বাঁচিয়ে দিলেন এইসা। ২৮ মিনিটে আবার নিশ্চিত মিস। আশিকের জন্য বক্সের বাইরে থেকে মাপা পাস বাড়িয়েছিলেন সুনীল ছেত্রী। গোলকিপারকে একা পেয়েও গোলে বল রাখতে পারলেন না আশিক। এ ভাবেই প্রথমার্ধে এত আক্রমণ করেও  গোলের মুখ খুলতে পারল না  উল্টে খেলার গতির বিরুদ্বে ভারত শেষ বেলায় গোল খেয়ে গেল । দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে হোলিচরন নার্জারিকে তুলে জেজেকে নামিয়েছিলেন কনস্টানটাইন। কিন্তু তাতেও লাভ হল না। নিজেদের ভুল আর ক্রসপিসের জন্যই পিছিয়ে থাকতে হল ভারতকে । ৫৩ মিনিটে জেজের মিসের পর ৫৫ মিনিটে তাঁর শট ক্রসপিসে লেগে ফিরল। যত সুযোগ নষ্ট করল ভারত তাতে আরব আমিরশাহীকে  গোলের মালা পরাতে পারতেন সুনীল ছেত্রীরা। শেষ মিনিটে যেভাবে আবার ক্রসপিসে লেগে ফিরল সন্দেশ ঝিঙ্গানের হেড তাতে বলাই যায় দিনটা ভারতের ছিল না।  এখন  শেষ ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে  ভারতকে।