খেলা


  • আইপিএল ২০১৮-র ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ২ উইকেটে হারিয়ে।

    Newsbazar, ডেস্ক,২২শে মেঃ  আজ আইপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হয়েছিল  সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও চেন্নাই সুপার কিংস মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ের মাঠে।উত্তেজনাপূর্ণ এই  ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ২ উইকেটে হারিয়ে ২০১৮ আইপিএলের ফাইনালে চলে গেল চেন্নাই সুপার কিংস। এদিন সানরাইজার্সের ১৩৯ রান তাড়া করতে নেমে ৫ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যায় ধোনিবাহিনী। এদিন  টসে জিতে প্রথমে বিপক্ষকে ব্যাট করতে পাঠালেন চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। শুরুতেই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ । প্রথম ওভারের প্রথম বলেই চাহরের বলে আউট হন শিখর ধবন। তিন নম্বরে নেমে কেন উইলিয়ামসন শুরুটা ভাল করলেও, তাকে বড় রানে পরিণত করতে ব্যর্থ হন। ১৫ বলে ২৪ রান করে আউট হন হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন  । এদিন চেন্নাই বোলারদের অসাধারন  বোলিং হায়দরাবাদ ব্যাটসম্যানদের আটকে দেয়। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে হাদরাবাদ দল। শেষের দিকে কার্লোস ব্রেথওয়েট (২৯ বলে ৪৩) না করলে ১০০ রানের গণ্ডিও টপকাতে পারত না সানরাইজার্স। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন ব্রেথওয়েটই। এছাড়া ২৪ রান করেন ইউসুফ পাঠান। অন্যদিকে, এদিন চেন্নাইয়ের ডোয়েন ব্রাভো নেন ২টি উইকেট। চাহর, এনগিডি, শার্দুল ও জাডেজা নেন একটি করে উইকেট। চেন্নাই দলে একটি পরিবর্তন করা হয়। স্যাম বিলিংসের জায়গায় প্রথম এগারোয় ফেরেন শেন ওয়াটসন। দ্বিতীয় ইনিংস-র শুরুতে  মনে হয়েছিল  সহজেই এই ম্যাচ জিতে যাবেন  ধোনিরা। কিন্তু,  বাস্তবে হল তার উল্টোটা। এত অল্প রানে নিয়েও  যে  লড়াই চালানো যায় , তা দেখাল সানরাইজার্স।  আর এর ফলে  দর্শকরা  একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ এদিন উপভোগ করলেন। হায়দ্রাবাদের ১৪০ রান  তাড়া করতে নেমে বিপক্ষের মতো শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। প্রথম ওভারে ০  রানে ফেরেন ওয়াটসন। তিন নম্বরে নামা সুরেশ রায়না শুরুটা ঝড়ের গতিতে করেন। পরপর তিনটি বাউন্ডারি মারেন। তবে, বেশিক্ষণ টেকেননি। ১৩ বলে ২২ রান করে আউট হন। চেন্নাইয়ের মিডল-অর্ডারে প্রায় ধস নামে। এক এক করে ফিরে যান অম্বাতি রায়াডু (০), অধিনায়ক ধোনি (৯)। ব্যর্থ হন ডোয়েন ব্রাভো (৭) , রবীন্দ্র জাডেজা (৩)।  চেন্নাই শিবির যখন প্রায় হারের মুখে তখন অন্যপ্রান্তে থেকে দলের সতীর্থদের আউট হওয়া দেখছেন ওপেনার ফাফ ডুপ্লেসি। একপ্রান্ত তিনি কার্যত আগলে রাখেন। তখনও চেন্নাইয়ের লোয়ার মিডল অর্ডারে ধস চলছে। ফিরে যাচ্ছেন চাহর (১০) ও হরভজন সিংহ (২)।   কিন্তু, হাল ছাড়তে নারাজ ছিলেন ডুপ্লেসি। শার্দুল ঠাকুরকে নিয়ে বৈতরণী পার করেন এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৬৭ রান (৪২ বলে) করে। শেষ দিকে, শার্দুল  ৫ বলে ১৫রান করেন।  ২০তম ওভারের প্রথম বলে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে চেন্নাইকে ফাইনালে পৌঁছে দিলেন ফ্যাফ ডু প্লেসি।   এই নিয়ে সপ্তমবার আইপিএল ফাইনালে পৌঁছল  চেন্নাই সুপার কিংস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), শিখর ধবন, মণীষ পাণ্ডে, কার্লোস ব্রেথওয়েট, ইউসুফ পাঠান, শাকিব আস হাসান, শ্রীবৎস গোস্বামী, রশিদ খান, সিদ্ধার্থ কৌল, ভূবনেশ্বর কুমার ও সন্দীপ শর্মা। চেন্নাই সুপার কিংস: মহেন্দ্র সিংহ ধোনি (অধিনায়ক), ফাফ ডুপ্লেসি, অম্বাতি রায়াডু, সুরেশ রায়না, শেন ওয়াটসন, ডোয়েন ব্রাভো, রবীন্দ্র জাডেজা, লুঙ্গি এনগিডি, হরভজন সিংহ, দীপক চহর ও শার্দুল ঠাকুর

  • আইপিএল-২০১৮ (IPL 2018) প্লে-অফ কবে কে কার মুখোমুখি ?

    Newsbazar ডেস্ক, ২১ মেঃ ২০১৮-র আইপিএল প্রায় শেষ পর্বে ।  লিগে আটটি দলের মধ্যে অবশেষে প্রথম চারটি দল কারা প্লে-অফ খেলবে তাও ঠিক হয়ে গিয়েছে।  আসুন আমরা দেখে নেই  প্লে-অফে কবে কে কার মুখোমুখি হচ্ছে । প্রথম কোয়ালিফায়ার:  আগামীকাল ২২মে ২০১৮, আইপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে মঙ্গলবার মুখোমুখি  হচ্ছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং চেন্নাই সুপার কিংস, খেলা হবে  মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে । এই ম্যাচের বিজয়ী দল সরাসরি পৌছে যাবে ফাইনালে। ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টা থেকে। এলিমিনেটর: ২৩মে ২০১৮, আইপিএলের এলিমিনেটরে রাজস্থান রয়্যালসের মুখোমুখি হবে কলকাতা নাইট রাইডার্স বুধবার ইডেন গার্ডেন্সে ।  এই ম্যাচে যে হারবে, সে ছিটকে যাবে টুর্নামেন্ট থেকে। খেলা শুরু সন্ধ্যা ৭টা থেকে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার: ২৫মে ২০১৮, প্রথম কোয়ালিফায়ারের পরাজিত দল মুখোমুখি হবে, এলিমিনেটরের বিজয়ী দলের। শুক্রবার এই ম্যাচে যে দল জিতবে সেই দলই জায়গা নিশ্চিত করে নেবে ২০১৮ আইপিএলের ফাইনালে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ইডেন গার্ডেন্সে শুরু এই ম্যাচ। ফাইনাল: ২৭মে ২০১৮, দু'টি কোয়ালিফায়ারে বিজয়ী দলের মধ্যে রবিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে খেলা হবে ফাইনাল ম্যাচ। এই ম্যাচও শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টা থেকে।  

  • এবারের মত আইপিএল অভিযান শেষ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের।

    Newsbazar ডেস্ক,২০মেঃ আজ  টসে জিতে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন দিল্লি ডেয়ারডেভিলস অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। এবং  নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান তোলে দিল্লি। দিল্লির ঋষভ পন্থ ৪টি  চার এবং  ৪টি ছয় মেরে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন  ঋষভ ছাড়া দিল্লির হয়ে ঝোড়ো ব্যাটিং করেন অলরাউন্ডার বিজয় শঙ্কর। ৩০ বলে ৪৩ রান করে  অপরাজিত  থাকেন বিজয়।  ৪৩ রানের মধ্যে ছিল ৩টি চার এবং ২টি ছয় । এই দুই জন ছাড়া কোনও কোনও দিল্লি ব্যাটসম্যানই এদিন বড় রান পাননি। ১২ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন পৃথ্বীশ। ২২ রান করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ৬ রানে আউট হন অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। মুম্বইয়ের হয়ে একটি করে উইকেট নেন ক্রুণাল পান্ডিয়া, যশপ্রীত বুমরা এবং ময়াঙ্ক মারকান্ডে। জবাবে মুম্বাই  ১৭৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৯.৩ ওভারেই  সকলেই আউট হয়ে যান।শুরুটা ভাল করলেও  পরের পর উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে পড়ে যায় মুম্বই। এদিন মুম্বইয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন এভিন লুইস। লুইস ছাড়া ম্যাচের শেষের দিকে মুম্বইকে জয়ের আশা দেখানো বেন কার্টিং ২০ বলে করেন ৩৭ রান। কিছুটা চেষ্টা করেন হার্দিক পান্ডিয়া(২৭)। এছাড়া মুম্বইয়ের কোনও ব্যাটসম্যানই এদিন ভাল রান পাননি। ১২ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সূর্যকুমার যাদব, ৫ রানে ফেরেন ঈশান কিষান, ৭ রান করেন কিরন পোলার্ড। ৪ রান করে আউট হন ক্রুণাল পান্ডিয়া, ৩ রানে আউচ হল ময়াঙ্ক মারকান্ড। কোন রান না করেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান  যশপ্রীত বুমরা। তবে এই  ম্যাচে চরম ব্যর্থ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ১৩ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন রোহিত। দিল্লির হয়ে ব্যাট হাতে সেই ভাবে বড় রান না করতে পারলেও দারুণ ফিল্ডিং করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। গ্লেন ম্যাক্স ওয়েল এবং ট্রেন্ট বোল্ট যুগলবন্দিতে দুই উইকেট পায় দিল্লি। দিল্লির হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন নেপালের সন্দীপ লামিচানে, অমিত মিশ্র এবং হর্ষল পটেল। একটি উইকেট পান  ট্রেন্ট বোল্টের।  

  • আইপিএলে প্রচুর সুযোগ পেয়েও সব থেকে খারাপ পারফর্ম করেছেন তিনজন

    news bazar24:আইপিএলে প্রতিটি দলে  চারজন করে বিদেশি রাখার নিয়ম। এই চারজন বিদেশির পারফরম্যান্সের উপর অনেক ক্ষেত্রেই নির্ভর করে টিমের জেতা-হারা।  নিলামে যাঁদের নেওয়ার জন্য ওত পেতে রেখেছিলেন ফ্রাঞ্চাইজি কর্তারা,প্রচুর পরিমাণ অর্থ নেওয়ার পরও চলতি আইপিএলে চরম ব্যর্থ হন সেই তিনজন ক্রিকেটার। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, অ্যারন ফিঞ্চ, বেন লাফলিন,- গ্লেন ম্যাক্সওয়েল- ভারতে তাঁর পারফরম্যান্স একেবারে খারাপ। এদেশে সর্বসাকুল্যে তাঁর ব্যাটিং গড় ১৯.৫৭। এবার প্রথম পাঁচটি ইনিংসে ম্যাক্সওয়েলের গড় ছিল মাত্র ১৯। এবং ছ'ওভার বল করে পেয়েছিলেন মাত্র একটা উইকেট। টানা পাঁচ ম্যাচে খারাপ পারফর্ম করেও তিনি দলে ছিলেন। এদিকে, কলিন মুনরো মাত্র দু'টো ম্যাচে খারাপ খেলেই দলের বাইরে চলে যান। মুনরোর ব্যাটিং গড় ছিল ৩৭। যেখানে ম্যাক্সওয়েলের গড় শেষ পর্যন্ত ছিল মাত্র ২৫। বেন লাফলিন- বাংলাদেশ প্রিমিয়র লিগে বোলার হিসাবে দারুন পারফর্ম করেছিলেন। রাজস্থান ম্যানেজমেন্ট তাঁকে ব্যাক-আপ বোলার হিসাবে রেখেছিল। কিন্তু জোফরা আর্চার চোট পাওয়ার পরই লাফলিনের শিঁকে ছেড়ে। প্রথম তিন ম্যাচে তাঁর ইকোনমি রেট ছিল ১০.৮৫। পেয়েছিলেন তিন উইকেট। এর পর জোফরা চোট সারিয়ে ফিরে আসার পরও দলে সুযোগ পেতে থাকেন লাফলিন। তাঁর বোলিং গড় ছিল ৯.৩৩। তার পর দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। অ্যারন ফিঞ্চ- টি-২০ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান (১৫৬) করার রেকর্ড তাঁর পকেটে। এবার আইপিএল নিলামে পাঞ্জাব তাঁকে নিয়েছিল ৬.২ কোটি টাকার বিনিময়ে। মিডল অর্ডারে নেমে প্রথম ছ'ম্যাচে ফিঞ্চের গড় মাত্র ছয়। মাঝে তাঁকে বসিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাঞ্জাব ম্যানেজমেন্ট।

  • আইপিএল-এ কলকাতা সরাসরি প্লে অফে হায়দরাবাদকে হারিয়ে।

    Newsbazar ডেস্ক, ১৯ মে : আইপিএলের  গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৫ উইকেটে হারিয়ে  সরাসরি প্লে অফে চলে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ১৭২ রান তাড়া করতে নেমে প্রয়োজনীয় রান তুলে নিল দীনেশ কার্তিকের দল। ১৪ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয় দল হিসাবে শেষ চারে জায়গা পেল কেকেআর। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫ রান। ২ বল বাকী থাকতেই জয় তুলে নিল কলকাতা। এদিন হায়দরাবাদের হয়ে ওপেন করতে নামেন শিখর ধাওয়ান ও বাংলার শ্রীবতস গোস্বামী। অসাধারণ শুরু করেন দুজনে। ৫ ওভারে বিনা উইকেটে ৫১ রান তোলে। ১১ ওভারের মধ্যে  একশোরান  তুলে ফেলে হায়দরাবাদ। মাঝে গোস্বামী ৩৫ রানে ফেরেন। তবে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে নিয়ে ইনিংস টানেন ধাওয়ান। উইলিয়ামসন ৩৬ ও ধাওয়ান ৫০ রানে ফিরলে কলকাতা খেলা ধরে নেয়। অসাধারণ বোলিং করেন সুনীল নারিন। ৪ ওভারে  ২৩ রানে ১ উইকেট নেন। এছাড়া শেষ ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের বলে চারটি উইকেট পড়ে। তিনি ৪ ওভারে ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন। শেষ ৯ ওভারে হায়দরাবাদ তোলে মাত্র ৬৮ রান। মনীশ পাণ্ডে ২৫ রান করেন। এছাড়া শেষদিকে ইউসুফ পাঠান ২, কার্লোস ব্রেথওয়েট ৩, শাকিব ১০ রানে ফেরেন। শেষ ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ পরপর আউট করেন রশিদ খান, মনীশ পান্ডে ও শাকিবকে। রান আউট হন ভুবনেশ্বর কুমার। তার আগে ধাওয়ানকে ফেরান প্রসিদ্ধ। রান তাড়া করতে নেমে  কলকাতার হয়ে  সংহার মূর্তি ধরেন সুনীল নারিন। প্রথম ৪ ওভারে ৫৩ তুলে ফেলে কলকাতা। নারিন মাত্র ১০ বলে ২৯ রান করে ফেরেন। বিস্ফোরক এই শুরুই কলকাতাকে রান তাড়া করা সহজ করে  দেয়। দ্বিতীয় উইকেটে ক্রিস লিন ও রবীন উথাপ্পা জুটি ৬৭ রান যোগ করে। ৪৩ বলে ৫৫ রানে লিন ও উথাপ্পা ৩৪ বলে ৪৫ রান করেন। শেষদিকে ২২ বলে অপরাজিত ২৬ রান করে ম্যাচ জেতান  দীনেশ কার্তিক। এদিন জিতে সরাসরি প্লে-অফে চলে গেল কলকাতা।  

  • গুরুত্বহীন আই পি এলের ম্যাচে দিল্লি চেন্নাই সুপার কিংসকে ৩৪রানে হারিয়ে দিল।

    Newsbazar,১৮ইমেঃ আজ ফিরোজ শাহ কোটলায় দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের মুখোমুখি হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস।  গুরুত্বহীন ম্যাচ হলেও দুই দলই চেয়েছিল এই ম্যাচে  জিততে । দিল্লি অসাধারন বোলিং করে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৩৪ রানে হারাল।এদিন জিতে দিল্লি ১৩ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট পেল। চেন্নাই ১৩ ম্যাচে ১৬ পয়েন্টেই  রইল। আর একটি ম্যাচ বাকী থাকল মহেন্দ্র সিং ধোনির দলের। টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক।দিল্লি দলের শুরুটা ভালো হয়নি। পৃথ্বীশ ১৭ ও শ্রেয়স আইয়ার ১৯ রান করে আউট হয়ে যান । তিন নম্বরে নামা ঋষভ পন্থ শুরুটা ভালো করলেও এদিন বেশি রান করতে পারলেন না। তিনি ৩৮ রানে ফিরে যান । মিডল অর্ডারের আর কোনও ব্যাটসম্যান দাড়াতে  পারেননি। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ৫, অভিষেক শর্মা ২ রানে ফেরেন। শেষদিকে বিজয় শঙ্কর ৩৬ ও হর্ষল প্যাটেল ৩৬ রান করেন।শেষ পর্যন্ত দিল্লী নির্ধারিত২০ ওভারে ৫উইকেটে ১৬২ রান করেন। চেন্নাইয়ের হয়ে ৩ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন লুঙ্গি এনগিডি। রবীন্দ্র জাদেজা ৪ ওভারে ১৯ রানে ১ উইকেট নেন। এছাড়া শার্দুল ঠাকুর ৪ ওভারে ২৭ রানে ১ উইকেট নেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে চেন্নাইয়ের হয়ে অম্বাতি রায়াডু একমাত্র  লড়াইকরেন । ২৯ বলে ৫০ রান করেন। কিন্তু তার এই লড়াই কোন কাজে লাগল না।  শেষদিকে রবীন্দ্র জাদেজা অপরাজিত ২৭  রান করেন। এছাড়া আর কেউ উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেননি। চেন্নাই ৬ উইকেটে ১২৮ রান করে সকলে আঊট হয়ে যান।  চেন্নাই ম্যাচ হারল ৩৪ রানে।   দিল্লির হয়ে নেপালের স্পিনার সন্দীপ লামিছানে ৪ ওভারে ২১ রানে ১ উইকেট পান। এছাড়া অমিত মিশ্র ২০ রানে ২ উইকেট, হর্ষল প্যাটেল ২৩ রানে ১ উইকেট ও ট্রেন্ট বোল্ট রানে ২  উইকেট নেন।    

  • বাউন্ডারি লাইনে অবিশ্বাস্য ক্যাচ নিয়ে 'স্পাইডারম্যান হয়ে উঠলেন এবি ডিভিলিয়ার্স।

    news bazar24:  অসাধারণ ক্যাচ ধরলেন উড়ন্ত ডিভিলিয়ার্স ।  বৃহস্পতিবার চিন্নাস্বামীতে হয়ে গেলেন 'স্পাইডারম্যান'। শুধু ব্যাট হাতে নয়, বাউন্ডারি লাইনে অবিশ্বাস্য ক্যাচ নিয়ে অতিমানবীয় হয়ে উঠলেন এবি ডিভিলিয়ার্স।বৃহস্পতিবার প্রথমে বাইশ গজে এবি ডিভিলিয়ার্সের  ব্যাটিং তাণ্ডব দেখে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৩৯ বলে ৬৯ রান করেন বেঙ্গালুরুর এই ব্যাটসম্যানটি।  হায়দরাবাদের  ইনিংসের অষ্টম ওভারে মইন আলির শেষ বলে অ্যালেক্স হেলসের শটটি ছয় বলেই ধরে নিয়েছিলেন সবাই। কিন্তু বল বাউন্ডারির কাছে পৌঁছতেই হায়দরাবাদ সমর্থকদের উল্লাস বদলে যায় বিলাপে। দেখা যায়, বাউন্ডারি লাইনে উড়ন্ত ক্যাচ ধরে সতীর্থদের দিকে ছুটে আসছেন ডিভিলিয়ার্স ।এবিডি'র ওই ক্যাচ নিয়ে বিরাট কোহলি বলেন,"ক্যাচটা নিল যেন একেবারে স্পাইডারম্যান।

  • হায়দরাবাদকে হারিয়ে ব্যাঙ্গালোর প্লে অফের আশা জিইয়ে রাখল

    Newsbazar ডেস্ক, ১৭ইমেঃ আজ চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে  গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মিডল অর্ডারের দৌলতে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২১৮ রান তুলল । তিন বিদেশ এবি ডিভিলিয়ার্স, মঈন আলি ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের ব্যাটিং তাণ্ডব দেখল দর্শকরা।  সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে জিততে হলে করতে হবে ২১৯ রান। এদিন হারলে আরসিবি প্লে-অফ থেকে বিদায় নেবে। আর বড় ব্যবধানে জিতলে শেষ চারের আশা জিইয়ে থাকবে। শেষ পর্যন্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ১৪রানে জিতে প্লে অফের আশা জিইয়ে রাখল  কোহলিরা ১৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এল। কিংস ইলেভেন পঞ্জাব পাঁচ নম্বর থেকে সাত নম্বরে নেমে গেল। এদিন হায়দরাবাদ টসে জিতে ব্যাঙ্গালোরকে ব্যাট করতে পাঠান। শুরুটা ভালো হয়নি। পার্থিব প্যাটেল ১ রানে ও  বিরাট কোহলিও ১২ রানে ফিরে যান। তারপরই এবি ডিভিলিয়ার্স ও মঈন আলি অনবদ্য পার্টনারশিপ-এ ১০৭ রান তোলেল । এবিডি ৩৯ বলে ৬৯ ও আলি ৩৪ বলে ৬৫ রান করেন।  তারপরে শেষদিকে ফের ধুন্ধুমার ব্যাটিং।এবার  কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ও সরফরাজ খান। গ্র্যান্ডহোম ১৭ বলে ৪০ ও সরফরাজ ৮ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। গ্র্যান্ডহোমকে বাউন্ডারি লাইনে অসাধারণ ক্যাচ নিয়ে ফেরান রশিদ খান। শেষ অবধি ব্যাঙ্গালোর ৬ উইকেট ২১৮ হারিয়ে রান তোলে। সানরাইজার্সের হয়ে বোলিংয়ে একমাত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন রশিদ খান। তিনি ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। সন্দীপ শর্মা ৪ ওভারে ৪০ রানে ১ উইকেট ও সিদ্ধার্থ কউল ৪ ওভারে রান দিয়ে ২ উইকেট পান। জবাবে হায়দরাবাদের হয়ে রান তাড়া করতে নেমে অনবদ্য ব্যাটসম্যানশিপ দেখান অধিনায়ক কেন  উইলিয়ামসন ও মনীশ পান্ডে।  প্রথম দিকে ওভারে ব্যাটিংয়ে ভাল রান তুলতে না পেরে শেষদিকে মেক- আপ করতে পারল না হায়দরাবাদ। কেন উইলিয়ামসন ৪২ বলে ৮১ রান করেন। মনীশ পান্ডে ৩৮ বলে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ অবধি ১৪ রানে ম্যাচ হারতে হয়। ব্যাঙ্গালোরের হয়ে যুজবেন্দ্র চাহাল, মহম্মদ সিরাজ ও মঈন আলি ১টি করে উইকেট নেন।    

  • আইপিএল-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কলকাতা রাজস্থান রয়্যালসকে ৬ উইকেটে হারাল

     Newsbazar, ১৫ইমেঃ :   আজ ইডেনে আইপিএল-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেকলকাতা নাইট রাইডার্স  রাজস্থান রয়্যালসকে ৬ উইকেটে পরাজিত করে।  এদিন প্রথমে ব্যাট করে ১৪২ রান করে রাজস্থান। জবাবে ২ ওভার বাকি থাকতেই জলের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যায় নাইটরা। এই জয়ের ফলে কেকে আর –এর প্রথম চারে যাওয়ার সুযোগ তৈরী হল। মঙ্গলবার ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে টসে জিতে ফিল্ডিং এর সিদ্বান্ত নেন অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক।   রাজস্থানের দুই ওপেনার রাহুল ত্রিপাঠী এবং জস বাটলার ভালই শুরু করেন । কিন্তু প্রথম উইকেট পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে রাজস্থান রয়্যালসের ইনিংস। এ দিন রাজস্থানের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জস বাটলার। ৫টি চার এবং ২টি ছয় দিয়ে ২২ বলে ৩৯ রান করেন বাটলার।  রান পান রাহুল ত্রিপাঠীও। ৪টি চার এবং ১টি ছয়ের সৌজন্যে ২৭ রান করেন তিনি। এই দুই জন ছাড়া রাজস্থানের কোনও ব্যাটসম্যানই এদিন দাঁড়াতে পারেননি কলকাতার বোলিং অ্যাটাকের সামনে। অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে করেন ১১ রান। সঞ্জু স্যামসন আউট হল ১২ রানে।বেন স্টোকস করেন মাত্র ১১ রান। ১ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন স্টুয়ার্ট বিনি। শেষের দিকে ২৬ রান করে রাজস্থানের রানকে ১৪০-এর গণ্ডি পেরতে সাহায্য করেন জয়দেব উনাদকট। মূলত কুলদীপ যাদবের দুরন্ত বোলিংয়ের শিকার  রাজস্থান। ৪ ওভারে ২০ রান খরচ করে ৪ উইকেট নেন কুলদীপ। দু'টি করে উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ এবং আন্দ্রে রাসেল। একটি করে উইকেট নেন শিভম মাভি এবং সুনীল নারিন।১৯ ওভারেই ১৪২ রানে অল আউট হয়ে যায় রাজস্থান রয়্যালস। জবাবে, ব্যাট করতে নেমে ঝোড়ো শুরু দেন নারিন। প্রথম চার বলে ২টি চার ও ২ ছয় মেরে ২০ রান তুলে নেন। কিন্তু দ্বিতীয় ওভারেই আউট হয়ে যান তিনি (৭ বলে ২১)। তিন নম্বরে নামেন উথাপ্পা। কিন্তু, তাঁর খারাপ ফর্ম অব্যাহত রয়েছে। ৪ রান করেই ফিরে যান তিনি। এরপর নীতীশ রাণার সঙ্গে দলের স্কোরকে এগিয়ে নিয়ে যান ওপেনার ক্রিস লিন। এদিন তিনি ৪৫ রান করেন। রানা করেন ২১। এই দুজন আউট হলে, জয় নিশ্চিত করেন অধিনায়ক কার্তিক (৩১ বলে অপরাজিত ৪১) এবং আন্দ্রে রাসেল (৫ বলে ১১)। এই জয়ের ফলে ১৩ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিন নম্বরে রয়েছে কেকেআর।  

  • ঘরের মাঠে আজ হায়দরাবাদকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্লে-অফে প্রায় নিশ্চিত করে ফেলল চেন্নাই।

    Newsbazar ডেস্ক, ১৩ইমেঃ চেন্নাই সুপার কিংস এদিন প্রথমে টসে জিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ব্যাট করতে পাঠায় ।  প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান তোলে হায়দরাবাদ। হায়দরাবাদের হয়ে ৪৯ বলে ৭৯ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন শিখর ধবন। ১০টি চার এবং ৩টি ছয় দিয়ে সাজানো ছিল শিখরের ইনিংস। শিখর ছাড়াও রান পান  অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ৫টি চার এবং ২টি ছয়ের সৌজন্যে ৩৯ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তবে, এই দুই হায়দরাবাদের ব্যাটসম্যান ছাড়া বিশেষ রান পাননি অ্যালেক্স হেলস(২), মনীশ পান্ডেরা(৫)। শেষের দিকে ২১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন দীপক হুডা। চেন্নাইয়ের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন দীপক চাহার এবং ডোয়েন ব্র্যাভো। দু'টি শিকার শার্দূল ঠাকুরের। জবাবে ১ ওভার বাকি থাকতেই মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। চেন্নাইয়ের হয়ে ম্যাচ উইনিং অপরাজিত ১০০ রানের ইনিংস খেলেন অম্বতি রায়ডু। ৭টি চার এবং ৭টি ছয় দিয়ে সাজানো ছিল চেন্নাইয়ের ইনিংস। রায়ডু ছাড়া চেন্নাইকে জয়ের রাস্তায় ফিরতে সাহায্য করেন শেন ওয়াটসন। ৩৫ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলেন ওয়াটসন। ৫টি চার এবং ৩টি ছয় দিয়ে সাজানো ছিল ওয়াটসনের ইনিংস। শেষের দিকে ১৪ বলে ২০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তবে, উল্লেখযোগ্য ভাবে এই ম্যাচে রান পাননি ধারাবাহিক ভাবে ভাল খেলা সুরেশ রায়না। এদিন রশিদ খান ছাড়া হায়দরাবাদের কোনও বোলারই ভাল রান করতে পারেননি। একটি উইকেট পান সন্দীপ শর্মা।  

  • কোহলি ও ডিভিলিয়ার্স এর দৌলতে দিল্লিকে সহজেই পরাজিত করল ব্যাঙ্গালোর

    ডেস্ক, ১২ইমেঃ আজ দিল্লির ফিরোজ শা কোটলার মাঠে আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচএ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দিল্লি ডেয়ারডেভিলস কে  পরাজিত করে। বিরাট কোহলি ও এবি ডিভিলিয়ার্স অসাধারণ ব্যাটিংএর উপর ভর করে  সহজে ম্যাচ জিতে নিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স  ব্যাঙ্গালোর। দিল্লির করা ১৮১ রান তাড়া করতে নেমে বিরাট কোহলির দল ১ ওভার বাকী থাকতে ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল।  কোহলি করলেন ৪০ বলে ৭০ রান। আর ডিভিলিয়ার্স ৩৭ বলে ৭২ রান করে অপরাজিত রইলেন। এর  ফলে এত সহজে আরসিবি ম্যাচ জিতে নিল। এদিন দিল্লির ফিরোজ শা কোটলার মাঠে টসে জিতে ব্যাঙ্গালোর অধিনায়ক বিরাট কোহলি দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠান। শুরুতেই যুজবেন্দ্র চাহালের বলে ২ রানে ফেরেন পৃথ্বী শ। এরপরে জেসন রয়-ও চাহালের স্পিনে বোল্ড হয়ে ১২ রানে ফেরেন। মিডল অর্ডারে অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার ৩২ রান করেন। শেষদিকে বিজয় শঙ্কর ২০ বলে ২১ রান করেন। এবং প্রথমবার আইপিএল খেলতে নেবে অভিষেক শর্মা মাত্র ১৯ বলে ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর অনবদ্য ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে দিল্লি ৪ উইকেটে ১৮১ রানে পৌঁছে যায়।  আরসিবির হয়ে যুজবেন্দ্র চাহাল ৪ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। এছাড়া মইন আলি ২৫ রানে ১ উইকেট নেন। দিল্লির হয়ে প্রথমবার খেলতে নামা সন্দীপ লামিচেনে ৪ ওভার বল করে ২৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। আর কোনও বোলার এত কম রান দেননি। ট্রেন্ট বোল্ট ৪০ রানে ২ উইকেট নেন। হর্ষল প্যাটেল ৫১ রানে ১ টি ও অমিত মিশ্র ৩৩ রানে ১ উইকেট নেন। যদিও তাতে আরসিবিকে হারানো যায়নি। এদিন জিতে আরসিবি ১১ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট অন্যদিকে দিল্লি ১২ ম্যাচে ৬ পয়েন্টেই থাকল।    

  • রাহুল ও অশ্বিন-এর চমকপ্রদ ব্যাটিং সত্ত্বেও পাঞ্জাব হেরে গেল কেকেআর এর কাছে।

    ডেস্ক, ১২ইমেঃ ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে আজ ছিল আইপিএলের ৪৪তম ম্যাচ।  কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের ঘরের মাঠে এই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। লিগ।   টেবলে পঞ্জাব অনেক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।  এখন  তাদের  ১২ পয়েন্ট। বাকী চারটে  ম্যাচের মধ্যে ২টি জিতলেই প্লে-অফ নিশ্চিত। এদিকে কলকাতার অবস্থা খারাপ । বাকী ৩টি ম্যাচের সবকটিই জিততে হবে। কারণ ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট পয়ে রয়েছে কলকাতা। ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে মুম্বই ও রাজস্থান। আইপিএল-এর আজকের ম্যাচে  কিংস ইলেভেন পঞ্জাবকে  কলকাতা নাইট রাইডার্স ৩১রানে পরাজিত করলেও  ম্যাচে দু’দলের ব্যাটিংএ  বিস্ফোরণ। কেকেআর-এর সুনীল নারিন ও দীনেশ কার্তিকের চমকপ্রদ ব্যাটিং এ ৬ উইকেটে ২৪৫ রান তোলে। জবাবে ৮ উইকেটে ২১৪ রান করল পঞ্জাব।  লোকেশ রাহুল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন বিস্ফোরক ব্যাটিং এর স্বাক্ষর রেখে গেলেন। আজ টসে  জিতে পাঞ্জাব কেকেআর কে ব্যাট করতে পাঠায়।  প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নারিনের ৩৬ বলে ৭৫ ও অধিনায়ক কার্তিকের ২৩ বলে ৫০ রানের সুবাদে ৬ উইকেটে ২৪৫ রান করে কেকেআর। আইপিএল-এর ইতিহাসে এটাই কেকেআর দলের সর্বোচ্চ স্কোর। এবারের আইপিএল-এ এটাইএখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশী রান  কোনও দলের সবচেয়ে বেশি রান। পঞ্জাবের হয়ে অ্যান্ড্রু টাই ৪১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিলেও, রানের গতি আটকাতে  পারেননি। আগেই বলে প্লে-অফে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখার জন্য দু’দলের কাছেই এই ম্যাচ জেতা জরুরি ছিল। পঞ্জাবের অধিনায়ক অশ্বিন  প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আফশোস করবেন। তাঁর দলে যতই ক্রিস গেইল, রাহুলরা থাকুন না কেন, মেন্টর বীরেন্দ্র সহবাগের সেরা ফর্মের সময়ও ২০ ওভারে ২৪৬ রানের টার্গেট অত্যন্ত কঠিন ছিল। তবে  শুরুটা দারুণ করেছিলেন রাহুল (২৯ বলে ৬৬) ও গেইল (২১)। অ্যারন ফিঞ্চ ৩৪ ও অশ্বিন ২২ বলে ৪৫ রান করেন। আন্দ্রে রাসেল তিনটি এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ দু’টি উইকেট নেন।

  • সানরাইজার্স হায়দরাবাদ আজ অতি সহজেই দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে ৯ উইকেটে পরাজিত করল।

    Newsbazar, ১০ই মেঃ আই পি এলের লীগ টেবিলের শীর্ষে থাকা সানরাইজার্স হায়দরাবাদ আজ অতি সহজেই লীগ টেবিলের সবচেয়ে নীচে থাকা দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে ৯ উইকেটে পরাজিত করল। কিন্তু আজকের  ম্যাচ স্মরণীয় হয়ে থাকল দিল্লির তরুণ তারকা ব্যাটসম্যান ঋষভ পন্থের অসাধারণ শতরানের জন্য। মাত্র ৬৩ বলে ১২৮ রান করে  অপরাজিত থাকেন  পন্থ। এই আইপিএলের সর্বোচ্চ রানের অধিকারী হলেন এদিন ঋষভ পন্থ।  দিল্লিকে  ৫ উইকেটে ১৮৭ রানে পৌছে দেন। তবে রান তাড়া করতে নেমে অপূর্ব ব্যাটসম্যানশিপ দেখাল হায়দরাবাদ। মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ৭ বল বাকী থাকতে প্রয়োজনীয় রান তুলে নিলেন কেন উইলিয়ামসনরা। ১৪ রানে তাড়াতাড়ি অ্যালেক্স হেলস আউট হয়ে গেলেও দ্বিতীয় উইকেটে শিখর ধাওয়ান ও কেন উইলিয়ামসন ১৭৬ রানের অপরাজিত পার্টনারশিপ গড়েন। ধাওয়ান ৫০ বলে ৯২ রানে ও উইলিয়ামসন ৫৩ বলে ৮৩ রানে অপরাজিত থাকেন। এদিন হারের ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্লে-অফ থেকে বাইরে চলে গেল দিল্লি। কোনও বোলারই এদিন হায়দরাবাদের এই দুই ব্যাটসম্যানের সামনে কার্যকর হতে পারেননি। হর্ষল প্যাটেল একটিমাত্র উইকেট নেন। বাকী সকলেই ধাওয়ান-উইলিয়ামসন জুটির সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন। এদিন টসে জিতে দিল্লি ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। ঋষভ পন্থ-র অসাধারন ব্যাটিং এ  দিল্লি ৫ উইকেটে ১৮৭ রান করে। ঋষভ পন্থ এদিন শেষ অবধি ৬৩ বলে ১২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন।  এই আইপিএলের সর্বোচ্চ রানের অধিকারী হলেন এদিন ঋষভ পন্থ। তিনি ছাড়া আর কেউ এদিন দিল্লির হয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাটিং করতে পারেননি। পৃথ্বী শ (৯), জেসন রয় (১১), শ্রেয়স আইয়ার (৩), হর্ষল প্যাটেল (২৪), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৯) সকলেই কম রানে আউট হন। দিল্লি ব্যাটিংকে একা টানেন ঋষভ পন্থ। তিনি সবচেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন হায়দরাবাদের দুই সবচেয়ে স্ট্রাইক বোলার ভুবনেশ্বর কুমার ও সিদ্ধার্থ কউলের বিরুদ্ধে। ভুবির   ৪ ওভারে পন্থ নেন ৫১ রান। এবং সিদ্ধার্থ কউল-র ৪ ওভারে  ৪৮ রান করেন । শেষ ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারকে পিটিয়ে ২৬ রান নেন পন্থ। হায়দরাবাদের হয়ে একমাত্র শাকিব আল হাসান ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।  

  • ইডেন গার্ডেনসে আইপিএল-এ ছন্নছাড়া ব্যাটিং ও বোলিং-এর জন্য ম্যাচ হারল কলকাতা

    Newsbazar ডেস্ক, ১০ইমেঃ গতকাল রাতে ইডেনে টসে জিতে কেকেআর  মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠান। মুম্বইয়ের হয়ে শুরু করেন এভিন লিউয়িস ও সূর্যকুমার যাদব। লিউয়িস ১৩ বলে ১৮ রান করে ফেরেন। দলের রান তখন ৪৬। এরপরে ৩৬ রান করে ফিরে যান সূর্যকুমারও। মুম্বই তখন ৯ ওভারে ৬২। এরপরে নামেন ইশান কিষাণ।  বিস্ফোরক ব্যাটিং করে ১৭ বলে অর্ধশতরান করেন ইশান। শেষ অবধি ২১ বলে ৬২ রান করে আউট হন। শেষদিকে রোহিত শর্মা ৩১ বলে ৩৬ রান, বেন কাটিং ৯ বলে ২৪ রান ও ক্রুণাল পান্ডিয়া ২ বলে ৮ রান করে মুম্বইয়ের রানকে ২১০-এ পৌঁছে দেন। ১৩ ওভার শেষে মুম্বই ছিল ১১২ রান ৩ উইকেটে। শেষ সাত ওভারে রোহিতরা তোলেন ৯৮ রান। কলকাতার হয়ে সুনীল নারিন ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। ইনিংসের শেষ ওভারে পীযূষ চাওলার বলে ২২ রান ওঠে। চাওলা শেষ অবধি ৪ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট পান। কাকে ছেড়ে কাকে ধরবেন! যেমন ব্যাটিং, তেমন বোলিং, তেমনই জঘন্য অধিনায়কত্ব। মুম্বই জুজু থেকে এই মরশুমেও বেরোতে পারল না কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম মরশুম থেকে শুরু করে এখনও সেই মুম্বই জুজু তাড়া করে বেড়াচ্ছে কেকেআরকে। প্রথমে জঘন্য বোলিং করে মুম্বইকে বোর্ডে ২১০ রান তুলতে দিলেন কেকেআর বোলাররা। তারপরে ব্যাটিংয়ে নেমে ষোলোকলা পূর্ণ করলেন ব্যাটসম্যানরা। নিট ফল, ১০২ রানের ম্যামথ ব্যবধানে ম্যাচ হেরে প্লে-অফে ওঠা এভারেস্টের চূড়ায় ওঠার মতোই দুর্গম করে ফেলল দীনেশ কার্তিকের ছেলেরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে  ছন্নছাড়া ব্যাটিং। ওভারের দ্বিতীয় বলে ৪ রানে আউট সুনীল নারিন। তারপরে রবীন উথাপ্পার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ২১ রানে রান আউট ক্রিস লিন। তারপর থেকেই ম্যাচ কে কে আর-র হাত থেকে বেরিয়ে যায়। তারপরে আর কেউ ক্রিজে দাড়াতে পারেন নি একমাত্র  নীতীশ রানা ২১ রান করেন  আন্দ্রে রাসেল (২), দীনেশ কার্তিক (৫), রিঙ্কু সিং (৫), পীযূষ চাওলারা (১১) একে একে এলেন আর গেলেন। ক্রিস লিন ও শেষদিকে কার্তিকের রান আউট যেন কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিয়ে গেল। বিরক্তিকর ব্যাটিং করে অবশেষে ১৮.১ ওভারের মাথায় ১০৮ রানে অলআউট হল কেকেআর। মুম্বই ইডেনে জিতে গেলেন। এদিন জিতে ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্টে উঠে এল মুম্বই। অন্যদিকে কলকাতা পরপর ম্যাচ হেরে সেই ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্টে থাকল। এবং সবচেয়ে বড় কথা লিগ টেবলের চার  নম্বর জায়গায় কলকাতাকে পিছনে ফেলে  উঠে এল মুম্বই। কেকেআর নেমে গেল পাঁচ নম্বরে। এদিন হারের ফলে কলকাতাকে শেষ তিনটি ম্যাচে সবকটিই জিততে হবে। তাহলে শেষ চারে ওঠার আশা থাকবে। একটিও ম্যাচ হারা মানে প্লে-অফ থেকে ছিটকে যেতে হবে।  

  • বিসিসিআই ইংলন্ড সফরে ওডিআই এবং টি২০ সিরিজের দল ঘোষনা করল।

    Newsbazar, ৮ মে : আজ বিসিসিআই ইংলন্ড সফরে  ওডিআই এবং টি২০ সিরিজের জন্য যে দু'টি দল ঘোষণা করল। ইংলন্ড সফরে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দেবেন বিরাট কোহলি। বিসিসিআই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই এবং টি২০ সিরিজের জন্য যে দু'টি দল ঘোষণা করেছে তাতে রয়েছে  অম্বতি রায়ডু এবং কেএল রাহুল। কেদার যাদব এবং মণীশ পান্ডের পরিবর্তে দলে নেওয়া হয়েছে এই দুই ক্রিকেটারকে। রায়ডু এবং রাহুলের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন সিদ্ধার্থ কল।  অন্য দিকে, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক টেস্টে ভারতীয় দলের জার্সিতে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। বিসিসিআই বিরাটকে আফগানিস্তান টেস্টের জন্য চাইলেও, সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটার্স(সিওএ) চেয়েছিল ইংল্য়ান্ড সফরের আগে ইংল্যান্ডের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে কাউন্টি খেলুক বিরাট। সিওএ-এর ইচ্ছাই পরিপূর্ণ হল শেষ পর্যন্ত। মঙ্গলবারে নির্বাচকমণ্ডলীর বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুতে ১৪ জুন থেকে শুরু হতে চলা ঐতিহাসিক টেস্টের জন্য অধিনায়ক বেছে নেওয়া হয় অজিঙ্ক রাহানেকে। পাশাপাশি দলে বিরাটের পরিবর্তন হিসেবে সুযোগ দেওয়া হয়েছে তরুণ শ্রেয়াস আইয়ারকে। ইংল্যান্ড সফরে ভারতের ওডিআই দল: বিরাট কোহলি(অধিনায়ক), শিখর ধবন, রোহিত শর্মা, কেএল রাহুল, শ্রেয়াস আইয়ার, অম্বতি রায়ডু, মহেন্দ্র সিং ধোনি(উইকেটরক্ষক), দীনেশ কার্তিক, যুজবেন্দ্র চাহাল, কুলদীপ যাদব, ওয়াশিংটন সুন্দর, ভুবনেশ্বর কুমার, যশপ্রীত বুমরা, হার্দিক পান্ডিয়া, সিদ্ধার্থ কল, উমেশ যাদব ইংল্যান্ড সফরে ভারতের টি২০ দল: বিরাট কোহলি(অধিনায়ক), শিখর ধবন, রোহিত শর্মা, কেএল রাহুল, সুরেশ রায়না, মনীষ পান্ডে, মহেন্দ্র সিং ধোনি(উইকেটরক্ষক), দীনেশ কার্তিক, যুজবেন্দ্র চাহাল, কুলদীপ যাদব, ওয়াশিংটন সুন্দর, ভুবনেশ্বর কুমার, যশপ্রীত বুমরা, হার্দিক পান্ডিয়া, সিদ্ধার্থ কল, উমেশ যাদব  

  • আরসিবি-র প্লে-অফে যাবার স্বপ্ন শেষ

    Newsbazar ডেস্ক, ৭ মে :  সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৫রানে পরাজিত করে আরসিবি-র প্লে-অফে  যাবার  স্বপ্ন শেষ করে দিলেন। আরসিবি বোলারদের দাপটে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ  ১৪৬ রানের মধ্যে আটকে থাকল। হায়দরাবাদের মাঠেই  ঘরের ছেলে মহম্মদ সিরাজ দুর্দান্ত বোলিং করলেন। ৪ ওভারে  ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে একাই ভাঙলেন হায়দরাবাদ ব্যাটিংকে। কোহলিদের জিততে হলে নির্ধারিত ২০ ওভারে করতে হবে ১৪৭ রান। এদিন রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক শুরু করেন আরসিবি বোলাররা। শুরু থেকেই কোনও হায়দরাবাদি ব্যাটসম্যান ছন্দ খুঁজে পাননি। অ্যালেক্স হেলস (৫), শিখর ধাওয়ান (১৩), মনীশ পাণ্ডেরা (৫) রান পাননি। হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও শাকিব আল হাসান প্রতিরোধ গড়েন। উইলিয়ামসন ৫৬ ও শাকিব ৩৫ রান করেন। আর কোনও ব্যাটসম্যান বড় রান পাননি। টিম সাউদি ও মহম্মদ সিরাজ ৩টি করে উইকেট নেন। এছাড়া উমেশ যাদব ও যুজবেন্দ্র চাহাল ১টি করে উইকেট নিয়েছেন। সাউদি ৩০ রানে ৩ উইকেট ও সিরাজ ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন।  জবাবে ব্যাট করতে নেমে  নির্ধারিত ২০ ওভারে সেই রান তুলতে পারলেন না আরসিবি। মূলত ভুবনেশ্বর কুমারের জন্য ।  এদিন শেষ ওভারে আরসিবির প্রয়োজন ছিল মাত্র ১২ রান। ড্র করতে বা সুপার ওভারে নিয়ে যেতে হলে অন্তত ১১ রান। তবে  শেষ ওভারে ভুবি  কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ও মনদীপ সিংকে আটকে দিলেন। আরসিবি ম্যাচ হারল ৫ রানে। আবার শেষ লে গ্র্যান্ডহোমকে ইয়র্কারে বোল্ড করে নিজে একটি উইকেটও তুলে নিলেন ভুবি। তবে এদিন ফের আবার ভুবনেশ্বর কুমারের  অনবদ্য বোলিং করে ৪ ওভারে দিলেন ২৭ রান ১ উইকেটের বিনিময়ে।

  • কিংস ইলেভেন পঞ্জাব রাজস্থান রয়্যালসকে ৬ উইকেটে পরাজিত করে লিগ টেবলের তৃতীয় স্থানে।

    Newsbazar, ডেস্ক  ৬ইমেঃ রবিবারসীয়  আই পি এল-র দ্বিতীয় খেলায় ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালসকে ৬ উইকেটে  পরাজিত করে কিংস ইলেভেন পঞ্জাব ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের তৃতীয় স্থানে চলে গেল। আর  রাজস্থান রয়্যালস ৯ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের শেষেই থাকল। কিংস ইলেভেন পঞ্জাব টসে জিতে বোলিং করতে নেমে লিগের শেষ স্থানাধীকারী রাজস্থান রয়্যালসকে ১৫২ রানে বেঁধে রাখল এদিন শুরু থেকেই উইকেট হারাতে শুরু করে রাজস্থান। ২ রানে ফেরেন ডার্সি শর্ট। অধিনায়ক রাহানে  ৫ রান করে আউট করেন। ওপেন করতে নেমে জোস বাটলার অনবদ্য খেলেন। করে  যান ৩৯ বলে ৫১ রান। সঞ্জু স্যামসন ২৮ রান করেন। এই দুজনে ফিরতেই রাজস্থান ব্যাটিংয়ে ধস নামে। ১৩ ওভারে ১০০ রান থেকে শেষ ৭ ওভারে মাত্র ৫০ রান তোলেন রাহানেরা। এদিন ফের একবার বেন স্টোকস (১২), রাহুল ত্রিপাঠী (১১), জোফ্রা আর্চার (০), কৃষ্ণাপ্পা গৌতমরা (৫) ব্যর্থ হন। শেষদিকে শ্রেয়স গোপাল ১৬ বলে ২৪ রান করে দলকে দেড়শো রানের পৌছে দেন। শেষ অবধি রাজস্থান ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান করেছে । এদিন কিং ইলেভেন পঞ্জাবের হয়ে মুজিব উর রহমান ৩টি, অ্যান্ড্রু টাই ২টি, রবিচন্দ্রণ অশ্বিন, অঙ্কিত রাজপুত ও অক্ষর প্যাটেল ১টি করে উইকেট পেয়েছেন। রান তাড়া করতে নেমে পঞ্জাবের হয়ে ওপেন করতে নামেন বিধ্বংসী জুটি ক্রিস গেইল ও কেএল রাহুল। তবে এদিন গেইল ৮ রানে ফিরে যান , বেন স্টোকসের  বলে ২ রানে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ময়াঙ্ক আগরওয়ালও। করুণ নায়ারকে নিয়ে জুটি বাঁধেন রাহুল। করুণ ২৩ বলে ৩১ রান করে অনুরীত সিংয়ের বলে বোল্ড হন। এরপরে অক্ষর প্যাটেল (৪) তাড়াতাড়ি ফিরে যান। এই সময়ে ম্যাচ থেকে কিছুটা দূরে সরে গিয়েছিল পঞ্জাব। শেষদিকে ৪ ওভারে করতে হতো ৪৩ রান। এই অবস্থা থেকে ব্যাটিংয়ে ঝড় তোলেন কেএল রাহুল।জোফ্রা আর্চারের বলে ১৭তম ওভারে নেন ১৬ রান। ১৮ তম ওভারে উনাদকাটের বলে নেন ১৫ রান। ব্যস, ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে পঞ্জাব। শেষ ২ ওভারে করতে হতো ১২ রান। রাহুল ৮ বল বাকী থাকতে চার মেরে ম্যাচ জিতিয়ে দেন। নিজে অপরাজিত থাকেন ৫৪ বলে ৮৪ রান করে। এদিনের জয়ের ফলে পঞ্জাব ৯ ম্যাচে ৬টি জিতে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে চলে গেল। চার নম্বরে নেমে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বর্তমানে লিগের প্রথম দুটি দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও চেন্নাই সুপার কিংস।

  • আই পি এল এ কলকাতা মুম্বই এর কাছে ১৩ রানে হেরে প্লে-অফের রাস্তা কঠিন করে তুলল ।

    Newsbazar ডেস্ক, ৬মেঃ আজ আইপিএল এর ৩৭তম ম্যাচে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্স মুম্বই ইন্ডিয়ান্স-এর কাছে ১৩ রানে হেরে গেল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে  প্লে-অফের রাস্তা আরও কঠিন হয়ে উঠল।  এদিন টসে জিতে কলকাতা নাইট রাইডার্স অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক মুম্বইকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান। মুম্বইয়ের হয়ে দারুণ শুরু করেন সূর্যকুমার যাদব ও এভিন লিউয়িস।  প্রথম দশ ওভারের মধ্যে বিনা উইকেটে ৯০ রান তুলে ফেলে মুম্বই। একসময়ে  মনে হচ্ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স-২০০ রানের গন্ডি পেরিয়ে যাবে,  তখনই সুনীল নারিন ও আন্দ্রে রাসেলের হাত ধরে খেলায় ফেরে কেকেআর। রাসেল ৪৩ রানে ফেরান লিউয়িসকে। তারপরে নারিনের স্পিনে আবার  ১১ রানে ফিরে যান রোহিত শর্মা। তবে একদিক ধরে রেখে আক্রমণ করে যাচ্ছিলেন সূর্য়কুমার। প্রাক্তন এই কেকেআর তারকা ৩৯ বলে ৫৯ রান করে ফেরেন রাসেলের বলে। শেষদিকে হার্দিক পান্ডিয়া ২০ বলে ৩৫ রান করলেও উল্টোদিকে ক্রুণাল পান্ডিয়া ১১ বলে ১৪ রান ও জেপি ডুমিনি ১১ বলে ১৩ রান করেন। ফলে স্লগ ওভারে মুম্বই ব্যাটিংকে আটকে দেয় কলকাতা। সবমিলিয়ে ৪ উইকেটে ১৮১ রান তুলেছে মুম্বই। কেকেআর-এর হয়ে নারিন ৪ ওভারে ৩৫ রানে ২ উইকেট ও আন্দ্রে রাসেল ২ ওভারে ১২ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে  কলকাতা নাইট রাইডার্স শুরুটা ভালই হয়েছিল ওপেন করেন  ক্রিস লিন ও শুভমান গিল। ৩ ওভারে। ম্যাকক্লেনেঘনের বলে ১৭ রানে আউট লিন রান ২৮/১।৩৫ বলে ৫৪ রান করে আউট উথাপ্পা। ৩২ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করলেন রবীন উথাপ্পা। ১৫তম ওভারে  কেকেআর  ৪ উইকেটে ১২২ করেন  ।শেষ ৪ ওভারে জেতার জন্য প্রয়োজন ছিল  ৫৪ রান।  সেই রান তুলতে ব্যর্থ হলেন কেকেআর ব্যাটসম্যানরা। ২০ ওভার শেষে কলকাতা তুলল ৬ উইকেটে ১৬৮ রান। হারল ১৩ রানে।  

  • চেন্নাই সুপার কিংস রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৬ উইকেটে হারিয়ে লীগ টেবিলের শীর্ষে

    Newsbazar, ৫মেঃ আজ আইপিএলের ৩৫ তম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংস খুব সহজেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে  ৬ উইকেটে হারিয়ে দিল।এই জয়ের ফলে প্লে-অফের খুব কাছে পৌঁছে গেল সিএসকে। দশ ম্যাচ থেকে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে এল চেন্নাই সুপার কিংস। অন্যদিকে, এই ম্যাচে হেরে বিরাটদের প্লে-অফে যাওয়া আরও কঠিন হয়ে গেল। এ দিন প্রথমে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন  চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর সিদ্ধান্ত যে  সঠিক ছিল , তা ম্যাচের প্রথম থেকেই প্রমান করতে  থাকেন সিএসকের বোলাররা। বিশেষ করে রবীন্দ্র জাডেজা এবং হরভজন সিং এর স্পিন জুটি। চেন্নাইয়ের স্পিনারদের দাপটে, তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে আরসিবির  বিখ্যাত ব্যাটিং লাইনআপ। মনন ভোরার পরিবর্তে পার্থিব পটেল চেষ্টা করেন কিছুটা। শেষের দিকে চেষ্টা করেন টিম সাউদি। এই দুই ক্রিকেটার ছাড়া এদিন অন্য  আরসিবি ক্রিকেটারই ব্যাট হাতে শুধু ব্যর্থ। ওপেন করতে নেমে ৪১ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন পার্থিব। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল দু'টি ছয় এবং পাঁচটি চার দিয়ে। শেষের দিকে ২৬ বলে ৩৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। এই দুই ব্যাটসম্যান ছাড়া আর কেউ দু’অঙ্কের রান পাননি। অধিনায়ক বিরাট কোহলি করেন মাত্র আট রান। ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম করেন পাঁচ রান। এক রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন চোট  সারিয়ে মাঠে ফেরা এবি ডিভিলিয়ার্স। শেষপর্যন্ত ৯ উইকেটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১২৭ রান করে আরসিবি। চেন্নাইয়ের হয়ে তিনটি উইকেট নেন রবীন্দ্র জাডেজা এবং দু'টি উইকেট নেন হরভজন সিং। একটি করে শিকার লুঙ্গি এনগিডি এবং ডেভিড উইলির। দু'টি উইকেট আসে রান আউট হিসবে। জবাবে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে, দুই ওভার বাকি থাকতেই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। চেন্নাইয়ের হয়ে ম্যাচ শেষ করেন অধিনায়ক এম এস ধোনি এবং ডোয়েন ব্র্যাভো। ২৩ বলে অপরাজিত ৩১ রানের ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলেন এমএসডি। আরসিবির বিরুদ্ধে জিতলেও একটা সময় পর পর দু' উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় চেন্নাই। সেই সময় দলের হাল শক্ত হাতে ধরেন ধোনি এবং ব্র্যাভো। ধোনিকে ১৪ রান করে যোগ্য সঙ্গত দেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ক্রিকেটার। ধোনি এবং ব্র্যাভো ছাড়াও এদিন রান পান অম্বতি রায়ডু(৩২), সুরেশ রায়না(২৫)। তবে রান পাননি দলে নতুন আসা ব্যাটসম্যান ধ্রুব সোরে(৮)। রান পাননি শেন ওয়াটসনও(১১)। আরসিবির হয়ে দু'টি উইকেট নেন উমেশ যাদব, একটি করে উইকেট নেন কোলিন ডি গ্র্যান্ডহোম এবং মুরুগান অশ্বিন। এই ম্যাচে জয়ের ফেলে দশ ম্যাচ থেকে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠে এল চেন্নাই সুপার কিংস।  

  • এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে সেমিফাইনালে হেরে গেলেন সাইনা ও প্রণয়।

    ডেস্ক, ২৯শে এপ্রিল  : এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভারতের পরাজয়।   এর ফলে ব্রোঞ্জ  নিয়েই  সন্তুষ্ট থাকতে হল দুই ভারতীয় খেলোয়াড়  সাইনা নেহওয়াল এবং এইচ এস প্রণয়কে। শুক্রবার এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে পিভি সিন্ধু এবং কিদাম্বি শ্রীকান্ত হেরে  গেলেও সেমিফাইনালে ওঠা সাইনা এবং প্রণয়কে ঘিরে ভারতের  আশা ছিল। কিন্তু শনিবার হতাশ করলেন  এই দুই ভারতীয় শাটলার।পুরুষদের সিঙ্গলসে সেমিফাইনালে অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন ও টুর্নামেন্টের তৃতীয় বাছাই চিনের চেন লং-র কাছে হারলেন এইচএস প্রণয়।  স্ট্রেট গেমে প্রনয় পরাজিত হলেন,  খেলার ফল ২১-১৬, ২১-১৮। অন্যদিকে মহিলাদের সিঙ্গলসে সেমিফাইনালে শেষ চারের লড়াইয়ে সাইনা হারলেন বিশ্বের এক নম্বর ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় তাইওয়ানের তাই সু ইংয়ের কাছে। প্রথম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও ২৫-২৭ ফলে হারেন। আর দ্বিতীয় গেমে ২১-১৮ তে জিতে নেন তাই সু।  

  • কমনওয়েলথ গেমসের টেবিল টেনিসে ভারতের প্রতিনিধিত্বকারী মৈত্রেয়ী সরকার মালদার গর্ব।

    ডেস্ক, ২৯শে এপ্রিলঃ মালদার  মৈত্রেয়ী সরকার ২১ তম কমনওয়েলথ গেমসের টেবিল টেনিসে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং ব্যাক্তিগত বিভাগে পঞ্চম স্থান অধিকার করছেন। তিনি পেশায় একজন ডাক্তার। তিনি একসময় মালদা ক্লাবে টেবিল টেনিস প্রশিক্ষন নিতেন এবং মালদা ক্লাবে প্রশিক্ষন নিতে নিতে তিনি কলকাতায় খেলার সুযোগ পান এবং পরবর্তীকালে কলকাতায় থেকে বিভিন্ন রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায় সাফল্য  লাভ করে ভারতীয় দলে সুযোগ পান এবং কমনওয়েলথ গেমসের যোগ্যতামান অতিক্রম করেন।  এবং পাশাপাশি তার ডাক্তারি পড়াশুনা চালিয়ে যান। সম্প্রতি ২১ তম কমনওয়েলথ গেমসের টেবিল টেনিসে পদক না পেলেও তার খেলা সকলের নজর কাড়ে। এবং  ব্যাক্তিগত বিভাগে পঞ্চম স্থান অধিকার করছেন। মালদা ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।      

  • ২০১৯এর ক্রিকেট বিশ্বকাপের ভারতীয় দলের খেলা।

    ডেস্ক , ২৫ এপ্রিল :  ২০১৯এর  ৩০ মে থেকে শুরু হচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ। মোট দশটি দেশ এই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে। চলবে ১৪ জুলাই পর্যন্ত। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের মোট ১২টি জায়গায় এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। গোটা টুর্নামেন্টে মোট ৪৮টি ম্যাচ খেলা হবে। এরমধ্যে ৪৫টি ম্যাচ গ্রুপ স্টেজে খেলা হবে। গ্রুপ স্টেজে প্রতিটা দল ন’টা করে ম্যাচ খেলবে। শীর্ষস্থানে থাকা চারটে দল নক আউটে পৌঁছবে। ১৯৯২ সালে বেনসন অ্যান্ড হেজেস বিশ্বকাপ যে ফরম্যাটে খেলা হয়েছিল, এবারও সেই ফরম্যাটেই খেলা হবে। , গ্রুপ লিগে  ভারতীয় দলের খেলা । ৫ জুন ,২০১৯- দক্ষিণ আফ্রিকা, ৯ জুন ,২০১৯ – অস্ট্রেলিয়া,১৩ জুন , ২০১৯– নিউজ়িল্যান্ড,১৬ জু্‌২০১৯ – পাকিস্তান, ২৩ জুন,২০১৯ – আফগানিস্তান, ২৭ জু্‌২০১৯ - ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ,  ৩০ জুন,২০১৯ – ইংল্যান্ড , ২ জুলা্‌২০১৯ – বাংলাদেশ ও ৬ জুলাই২০১৯ – শ্রীলঙ্কা   কলকাতায় আইসিসির বৈঠকে ঠিক হয়েছে ৩০ মে থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বারোটি জায়গায় হবে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি। বুধ বা বৃহস্পতিবার আইসিসি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করতে পারে।

  • মোহনবাগানের সুপার কাপ অভিযান শেষ

    ডেস্ক, ১৭ই এপ্রিলঃ বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ৪-২ গোলে হেরে সুপার কাপ থেকে বিদায় নিল মোহনবাগান। আজকের সেমিফাইনালে প্রথমার্ধে ১ গোলে এগিয়ে থেকেও জয় ধরে রাখতে পারল না । বেঙ্গালুরু এফসি ১০ জনে খেলে জয় ছিনিয়ে নিয়ে গেল। মঙ্গলবার সুপার কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে পুরনো প্রতিপক্ষ বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামে মোহনবাগান। আমরা দেখেছি অতীতে যখনই এই দু'টি দল মুখোমুখি হয়েছে তখনই উত্তেজনাপূর্ণ  ম্যাচ হয়েছে। এদিনও দেখা যায় একই ছবি। কিন্তু চেনা পরিচত মোহন ফুটবলারদের মেজাজটারই আজ বড় অভাব ছিল ম্যাচের শুরু থেকে। শেষ পর্যন্ত হারতে হলেও ম্যাচের শুরুটা কিন্তু ভালই করেছিল সবুজ মেরুন ব্রিগেডের। আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতেই ম্যাচটি শুরু করেছিল শঙ্করলাল চক্রবর্তীর ছেলেরা। প্রথমার্ধে দাপটও ছিল মোহনবাগানের। ম্যাচের ৪১ মিনিটে আক্রম মোগরাভির পাস থেকে গোল করে বাগানকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন ক্যামরুনের স্ট্রাইকার ডিপান্ডা ডিকা। এক গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধে মাঠ ছাড়ে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। আশা করা হয়েছিল প্রথমার্ধের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল তুলে নিয়ে জয় নিশ্চিত করতে ঝাঁপাবে মোহনবাগান। সুবিধাও পেয়ে গিয়েছিল বাগান ব্রিগেড। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই লাল-কার্ড দেখেন বেঙ্গালুরুর নিশু কুমার। মনে করা হয়েছিল ১০ জনের বেঙ্গালুরু আর হয়তো ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না বেঙ্গালুরু বিরুদ্ধে। বাগান সমর্থকরা যখন ধরে নিয়েছেন ম্যাচ হাসতে হাসতে জিতবে তাঁদের প্রিয় দল, তখনই বেঙ্গালুরুর ত্রাতা হয়ে অবতীর্ণ হন মিকু। ৬১ মিনিটে উদান্ত সিংহের পাস ধরে গোল করে বেঙ্গালুরুকে খেলায় ফিরিয়ে আনেন ভেনিজুয়েলার এই স্ট্রাইকার। প্রথম গোলের রেশা কাটতে না কাটেই ফের মিকু ম্যাজিক। টনির বাড়ানো পাস থেকে গোল করে যান তিনি। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে বক্সের নিজেদের বক্সের মধ্যে উদান্ত সিংহকে মোহন ডিফেন্ডার রানা ঘড়ামি ফাউল করলে পেনাল্টি পায় অ্যালবার্তো রোকার দল। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি মিকু। পাশাপাশি করে যান নিজের হ্যাট্রিকও। ৮৯ মিনিটি মোহনবাগানের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন সুনীল ছেত্রী। প্রিয় দলের হার নিশ্চিত জেনে যখন মোহন সমর্থকেরা ধীরে ধীরে মাঠ ছাড়তে শুরু করেছেন সেই সময় দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান কমান ডিকা।  

  • মালদা জেলা মহিলা কাবাডি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দোহিল হাই স্কুল

    ডেস্ক, ১৬ই এপ্রিলঃ মালদা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার পরিচালনায় ও মালদা স্পোর্টস ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায় মালদা অনীক সংঘের ময়দানে মালদা জেলা মহিলা কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।চ্যাম্পিয়ন হয় দোহিল হাই স্কুল,রানার্স হয় গাজোল ব্লক ক্রীড়া সংস্থা।ফাইনালে খেলার ফল 24-12 পয়েন্ট।চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স দল গুলিকে ট্রফি ও নগদ আর্থিক পুরস্কার এবং প্রত্যেক খেলোয়াড় কে পুরস্কৃত করা হয়।অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর সুমালা আগরওয়ালা,গায়ত্রী ঘোষ,শিপ্রা রায়,অণ্জ্ঞু তেওয়ারি, এবং  নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি ও গোবিন্দ বসাক মহাশয়।

  • কমনওয়েলথ গেমসের শেষ দিনেও পদক,তৃতীয় স্থানে ভারত।

    ডেস্ক ১৫ই এপ্রিল: রবিবার গোল্ড কোস্টে শেষ হল ২১তম কমনওয়েলথ  গেমস। ২৬ টি সোনা, ২০টি রুপো এবং ২০টি ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে পদক তালিকায় তৃতীয় স্থানে  ভারত।  মোট পদক এসেছে ৬৬টি। শেষদিন এল সাতটি পদক। মহিলাদের ব্যাডমিন্টনের সিঙ্গলসের ফাইনালে পিভি সিন্ধুকে হারিয়ে সোনা পেলেন সাইনা নেহওয়াল। ২০১০ সালে নয়াদিল্লি কমনওয়েলথ গেমসের পর  আবার এই প্রতিযোগিতায় সোনা পেলেন সাইনা।  আজ এই একটিই সোনা পেল ভারত। রুপো অবশ্য এসেছে চারটি এবং দু’টি ব্রোঞ্জ। ২০১৪ সালে গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে মোট ৬৪টি পদক জিতেছিল ভারত। যার মধ্যে ১৫টি সোনা, ৩০টি রুপো এবং ১৯টি ব্রোঞ্জ জিতেছিল ভারত। পদক তালিকায় ভারত ছিল ৫ নম্বর স্থানে। ২০১৮ সালে গোল্ড কোস্টে সেখানে ভারতের মোট পদক সংখ্যা ৬৬, যেখানে ২৬টি সোনা জিতেছেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। পদক তালিকায় তিন নম্বর স্থানে শেষ করেছে ভারত। গ্লাসগোতে বক্সিংয়ে ৪টি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ নিয়ে মোট ৫টি পদক জিতেছিল ভারত। এবার গোল্ড কোস্টে বক্সিংয়ে মোট ৯টি পদক জিতেছে ভারত, ৩টি করে সোনা,রুপো এবং ব্রোঞ্জ।  সবমিলিয়ে পারফরম্যান্সের নিরিখে এবং পদকের নিরিখেও গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসকে টেক্কা দিল গোল্ড কোস্ট।