খেলা


  • ভারতে আবার বিশ্বকাপ ফুটবল হতে চলেছে আগামী ২০২০ সালে।

    ডেস্ক, ১৬ই মার্চঃ আবার ভারতে অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল হতে চলেছে তবে এবার অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা  বিশ্বকাপ  ছেলেদের নয়। আগামী ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা  মহিলা বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজন করতে চলেছে ভারত। শুক্রবারই ভারতকে এই বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে ফিফা। মিয়ামিতে FIFA Council Meeting-এ  এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত ২০১৭ সালে  ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা বিশ্বকাপ সাফল্যের সঙ্গেই আয়োজন করেছিল ভারত। সাফল্যের সঙ্গেই আয়োজনের পাশাপাশি গোটা দেশ মেতে উঠেছিল ফুটবলে। ২০১৭-র বিশ্বকাপ আয়োজনের পর খুশি হয়েছিল ফিফা। জেভিয়ার সেপ্পি যিনি পুরুষদের টুর্নামেন্টের ডিরেক্টর ছিল তিনিও ভারতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।  তিনি টুইটে লেখেন, ‘‘ভারত ও মহিলা ফুটবলের জন্য দারুন খবর।''  পুরুষদের অনূর্ধ্ব-১৭ ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভারতীয় ফুটবলের ব্যাপক উন্নতি ঘটেছিল তেমনি আবারও  ভারতের দায়িত্বে মহিলা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ আসায় ভারতীয় মহিলা ফুটবলের জন্য একটা নতুন  দিক নির্দেশ উন্মোচিত হবে বলে আশা করা যায়।

  • হোয়াইট ইলেভেনের টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-র ফাইনালে হোয়াইট ইলেভেন ও সাত সকালে, মালদা।

    কার্ত্তিক পাল, মালদা, ১৫ই মার্চঃ হোয়াইট ইলেভেন ক্লাবের পরিচালনায় টি-২০  ক্রিকেট টুর্নামেন্টের  আজ ছিল সেমিফাইনাল খেলা। প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল সাত সকালে, মালদা বনাম সব্যসাচী সংঘ মালদা সাত সকালে টসে জিতে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে করে ৮ঊইকেটে ১৯৩ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সব্যসাচী সংঘ মালদা ১৬৩ রানে সকলে আঊট হয়ে যান। সাত সকালে ৩০ রানে জয়লাভ করে ফাইনালে পৌছে যায়। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে অংশগ্রহণ করে হোয়াইট ইলেভেন ও বহরমপুর সবুজ সংঘ। সবুজ সংঘ টসে জিতে হোয়াইট ইলেভেনকে ব্যাট করতে পাঠায়। তারা ২০ ওভারে ১৩০ রান করে। বহরমপুর সবুজ সংঘ ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ের সন্মুখীন হয়  এবং ৬৩ রানে সকলে আউট হয়ে যায়। হোয়াইট ইলেভেন ৬৭ রানে জয়লাভ করে। অর্থাৎ এই  টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় মুখোমুখি হবে আয়োজক হোয়াইট ইলেভেন ও সাত সকালে, মালদা। ফাইনাল খেলা হবে আগামী রবিবার ১৭ তারিখ।     

  • এআইএফএফ-র সুপার কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল সহ আই লীগের সাতটি দল

    কার্ত্তিক পাল, ১৩ই মার্চঃ এআইএফএফ(ALL INDIA FOOTBALL FEDERATION)  গত মরসুম থেকে আই লিগ ও আইএসএল-এর দলগুলোকে নিয়ে সুপার কাপ চালু করেছে । কিন্তু এই  বছর সুপার কাপ মুখ থুবড়ে পড়তে চলেছে । ইতিমধ্যে  আই লিগে অংশ গ্রহন কারী  দল মোহনবাগান ও মিনার্ভা পাঞ্জাব এফসি সুপার কাপ থেকে নাম তুলে নিল। তাদের অভিযোগ আই লীগের দলগুলোর সঙ্গে অবিচার করা হয়েছে । আরও জানা গেছে যে  একই পথে হাঁটতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল সহ আই লিগের আরও ৫ ক্লাব। সূত্রের খবরে জানা যায়  আই লিগের দলগুলোর সঙ্গে অবিচার করা হয়, এই মর্মে মেল করেছিল ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, চেন্নাই সিটি এফসি, মিনার্ভা পাঞ্জাব, আইজল এফসি, গোকুলম কেরালা ও নেরোকা এফসি। কিন্তু ফেডারেশনের তরফে এই মেলের কোনও জবাব দেওয়া হয়নি। তারপরেই এই দলগুলি ফেডারেশনকে চিঠি লিখে জানায়, তারা সুপার কাপ খেলতে ইচ্ছুক নয়। ফেডারেশন সচিব কুশল দাস এই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকারও করেছেন বলে জানা যায়।    

  • মালদায় হোয়াইট ইলেভেনের পরিচালনায় শুরু হল টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।

    কার্ত্তিক পাল, মালদা, ১৩ই মার্চঃ মালদা শহরে সারা বছর ধরে যে সমস্ত ক্লাব ক্রিকেটের প্রতিভাকে তুলে ধরার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম ঝলঝলিয়ার হোয়াইট ইলেভেন ক্লাব। বিগত কয়েক  বৎসরের ন্যায় এবারও হোয়াইট ইলেভেন ক্লাব “প্রদীপ কর  মেমোরিয়াল চ্যাম্পিয়ান ও রাম চন্দ্র ঘোষ মেমোরিয়াল রানার্স আপ” নক আউট   টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। যার শুভ উদ্বোধন হল আজ মালদা রেল কলোনির  মাঠে।উপস্থিত ছিলেন ইংরেজবাজার পৌরসভার ২২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শ্রী নরেন্দ্র নাথ তেওয়ারী ও পূর্ব রেলওয়ের মালদা ডিভিশানের আধিকারিকগন। ক্লাব সুত্রে  জানা যায়  মোট ৮ টি দল নিয়ে এই খেলা  অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দল গুলি হল মালদা ক্লাব,হোয়াইট ইলেভেন ক্লাব, জেনিথ এফ সি মালদা, সবুজ সংঘ বহরমপুর ,সুজয় স্মৃতি সংঘ ,মালদা সাত সকালে, সব্যসাচী সংঘ মালদা,  ও জে এস একাদশ মালদা । আজকের উদ্বোধনী  প্রথম খেলায় সব্যসাচী সংঘ সুজয় স্মৃতি সংঘকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে উঠে। টসে জিতে সুজয় স্মৃতি সংঘ প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৩ রান করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সব্যসাচী সংঘ ৬ উইকেটে ১৬৪ রান করে। সব্যসাচী সংঘ ৪ উইকেটে জয়লাভ করে। ম্যান অফ দি ম্যাচ হন সব্যসাচী সংঘের মনোজ বড়ুয়া।  দ্বিতীয় খেলায় অংশগ্রহণ করছে মালদা ক্লাব ও সবুজ সংঘ বহরমপুর। মালদা ক্লাব প্রথমে ব্যাট করে ৮উইকেটে ১৫২রান করে। তারপর সবুজ সংঘ বহরমপুর ২উইকেটে ১৫৩ রান করে ৮ উইকেটে জয়লাভ  করে।

  • আই লিগ ২০১৮-১৯, ইস্টবেঙ্গল ও রিয়েল কাশ্মীর ম্যাচ কাশ্মীর থেকে দিল্লী নিয়ে যাওয়া হল! ঝুলেই থাকল মিনার্ভার ভবিষ্যৎ

    ডেস্ক,  ২৫ ফেব্রুয়ারীঃ সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের আই লিগ কমিটির মিটিংয়ে সর্ব সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত  হল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইস্টবেঙ্গল ও রিয়েল কাশ্মীর ম্যাচটি শ্রীনগর থেকে  সরিয়ে কোনও তৃতীয় জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে। সোমবার দিল্লির ফুটবল হাউসের সভায়  সিদ্বান্ত নেওয়া হল  ২৮ ফেব্রুয়ারি ইস্টবেঙ্গল ও রিয়েল কাশ্মীর ম্যাচটি খেলা হবে দিল্লিতে। এই  সভায় সভাপতিত্ব  করেন সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের  সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সুব্রত দত্ত। এ ছাড়া ছিলেন বিকে রোকা, লালঘিনলোভা ও রোচক ল্যাঙ্গার।ছিলেন এআইএফএফ-এর সচিব কুশল দাস ও আই লিগ সিইও সুনন্দ ধর। সাম্প্রতিক কাশ্মীরের পরিস্থিতিতে  রিয়েল কাশ্মীরই চাইছে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইস্টবেঙ্গল ম্যাচটি কোনও তৃতীয় জায়গায় করা হোক।  যার পরই কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় ম্যাচটি দিল্লিতে স্থানান্তরিত করার। ১৮ ফেব্রুয়ারি শ্রীনগরে মিনার্ভা পাঞ্জাব খেলতে না যাওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মত শোনে ফেডারেশন। সেই ম্যাচে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে খেলতে যায়নি মিনার্ভা। দুই দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার পর বিষয়টিকে ফেডারেশনের এক্সিকিউটিভ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য।

  • জেলা বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ান সেবাশ্রম কোচিং সেন্টার

    মালদা, ২৫ ফেব্রুয়ারীঃ মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থার পরিচালনায় ৬৯ তম জেলা  বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা গতকাল শেষ হল। ২৩ এবং ২৪ ফেব্রুয়ারী দুই দিন ধরে মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৮৩৩ জন প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।  এর মধ্যে ৫৮১ জন পুরুষ ও ২৫২ জন মহিলা। দুই দিনে প্রায় অর্ধ শতাধিক ইভেন্টে প্রতিযোগিরা অংশগ্রহণ করে। এই প্রতিযোগিতার পুরুষ ও মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ান হয় সেবাশ্রম কোচিং সেন্টার এবং রানার্স হয় প্রতিভার সন্ধানে কোচিং সেন্টার।     

  • ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে শেষ বলে রোমাঞ্চকর জয় অস্ট্রেলিয়ার

    ডেস্ক ২৪ ফেব্রুয়ারিঃ বিশাখাপত্তনমে  ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে  টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করে ভারত মাত্র ১২৬ রান তুলল। এত কম রানের  ম্যাচ একতরফা  হবে বলে ম্ন্যে হয়েছিল  । কিন্তু সেই ম্যাচই পৌঁছাল চুড়ান্ত রোমাঞ্চকর পর্যায়ে। একেবারে শেষ বলে ৩ উইকেটে জয় পেল অস্ট্রেলিয়া। ক্যুল্টার নাইল ৩ উইকেট এবং ম্যাক্সওয়েলের ৫৬ রান তাদের জয়ের পথ গড়ে দিল । এদিন  মাত্র ১২৬ রান নিয়েও দারুণ লড়াই করলেন ভারতীয় বোলাররা। বিশেষ করে ফিরে এসেই বুমরা ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিলেন। সবচেয়ে বড় কথা ১৯তম ওভারে বল করতে এসে বুমরা মাত্র ২ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে ভারতকে ম্যাচে ফিরিয়ে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ ওভারে ১৪ রান আটকাতে পারেননি উমেশ যাদব। সব মিলিয়ে ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে উইকেটহীন থাকলেন তিনি। শেষের মতো শুরুতেও অজি অধিনায়ক ফিঞ্চ (০)-কে ফিরিয়ে দিয়ে অজিদের ধাক্কা দিয়েছিলেন বুমরা। আর স্টইনিস রান আউট হল ১ রানে। তবে এরপর অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের পথে নিয়ে যাচ্ছিলেন ডার্সি শর্ট (৩৭ বলে ৩৭) ও ম্যাক্সওয়েল (৪৩ লে ৫৬)। তাঁরা দুজে অস্ট্রেলিয়াকে ১৫ ওভারে ১০১ রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন। খেলা ডেথে পৌঁছতেই পথ হারায় অস্ট্রেলিয়া। পরের ৪ ওভারে উঠেছিল মাত্র ১৩। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টেল এন্ডাররা অস্ট্রেলিয়াকে জয় এনে দেন। তার আগে ৩৬ বল খেলে ৬টি চার ও ১টি ছয় মেরে ৫০ রান করেন  রাহুল। রোহিত শর্মা (৫)-র এদিন বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। রাহুলের সঙ্গে ৫৫ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক বিরাট কোহলি (১৭ বলে ২৪)। কিন্তু তখনও ভারতের রান ১০ ওভারে ২ উইকেটে ৮১ থেকে ক্যুল্টার নাইলের ৩ উইকেটে ঘুরে যায় খেলা। ক্যুল্টার নাইলে এদিন তিনি ৪ ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন। একেদিকে একের পর উইকেট পড়েছে, অপরদিক ধরে রাখলেও ধোনিও এদিন ৩৭টি বল খেলে কোনওক্রমে ২৯ রান তুলতে পেরেছেন। শেষের কোনও ব্যাটসম্যানই তাকে যোগ্য সংগত দিতে পারেননি।  

  • মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থার ৬৯ তম জেলা বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হল।

    মালদা, ২৩ ফেব্রুয়ারীঃ মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থার পরিচালনায় ৬৯ তম জেলা বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আজ আনুষ্ঠানিক সূচনা হল মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠে।  এই প্রতিযোগিতার শুভ সূচনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক শুভেন্দু চৌধুরী। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ক্রীড়া পর্ষদের সদস্য এবং ইংরেজবাজার পৌরসভার কাউন্সিলার শ্রী প্রসেনজিত দাস, দেবব্রত সাহা সহ জেলার ক্রীড়াব্যক্তিত্বরা। এই প্রতিযোগিতা দুই দিন ধরে চলবে। প্রতিযোগীদের মার্চ পাস্টের মধ্য দিয়ে আজ সকাল ১১টা নাগাদ এই প্রতিযোগিতা শুরু হয় জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠে। জেলার বিভিন্ন অংশ থেকে প্রায় ৩০০ জন প্রতিযোগী বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ ণেবে এবং দুইদিন ধরে  এই প্রতিযগিতা চলবে। আজ শনিবার মহিলাদের ইভেন্ট চলবে এবং আগামীকাল পুরুষদের প্রতিযোগিতা চলবে।

  • মালদা শহরে শুরু হল গৌতম দাস মেমোরিয়াল নকআউট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।

    মালদা ২২ ফেব্রুয়ারি।  শুক্রবার থেকে মালদা শহরের বৃন্দাবন মাঠে শুরু হলো গৌতম দাস মেমোরিয়াল নকআউট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট।  সুহৃদ মিত্র ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্পের পরিচালনায় এই টুর্নামেন্ট শুরু  হয়েছে।  বিহার, পাটনা এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ সহ মোট ১৬ টি দল এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করছে।  রোজ দুটি করে খেলা অনুষ্ঠিত হবে  এই  ক্রিকেট টুর্ণামেন্টে।  তবে শুক্রবার টুর্নামেন্টের  উদ্বোধনী দিন একটি খেলা হয় মালদা এবং কাঠিয়ারের একটি ক্লাবের মধ্যে। এই  ক্রিকেট টুর্নামেন্ট কমিটির  সদস্য  এবং কোচ প্রভাত চৌধুরী  জানিয়েছেন,  গৌতম দাস মেমোরিয়াল চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেট টুর্ণামেন্টেটি তিন বছরে পড়লো। প্রতিটি খেলা নকআউট পর্যায়ে হবে। প্রতিবছরের মতো এবছরও ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।  জেলার বাইরে এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকেও খেলোয়াড়েরা এসেছেন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অংশগ্রহণ করার জন্য। 

  • বিশ্ব ফুটবল জগতের মহীরুহের পতন প্রয়াত গর্ডন ব্যাঙ্কস৷

    ডেস্ক, ১২ই ফেব্রুয়ারীঃ বিশ্ব ফুটবল জগতের মহীরুহের পতন ঘটল। প্রয়াত ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ী কিংবদন্তি ব্রিটিশ গোলরক্ষক গর্ডন ব্যাঙ্কস৷ ৮১ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন এই গোলকিপার৷ তার পরিবার  সূত্রে জানানো হয়েছে মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঘুমের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম প্রধান কাণ্ডারি ছিলেন গর্ডন৷ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড জিতেছিল ৪-২ ব্যবধানে৷ সেই ম্যাচে জোড়া গোল হজম করলেও রক্ষণ আগলে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন ব্যাঙ্কস৷ ৭৩টি ম্যাচে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা ছাড়াও তিনি ক্লাব ফুটবলে লেস্টার সিটি ও স্টোক সিটির হয়ে খেলেছিলেন। নিঃসন্দেহে ফুটবলের ইতিহাসে সেরা গোলকিপারদের অন্যতম ব্যাঙ্কস স্মরণীয় হয়ে আছেন বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা মুহুর্তটি উপহার দেওয়ার জন্য। ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জেতার ৪ বছর পরে বিস্ময়কর প্রতিভায়  ফুটবল সম্রাট পেলের হেড জালে জড়ানো থেকে বাঁচিয়ে ছিলেন। বিশ্বকাপ তথা ফুটবলের ইতিহাসে এই মুহূর্ত চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।