দেশ


  • যৌন অপরাধের তদন্তের জন্য একটি বিশেষ বিভাগ চালুর সুপারিশ কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু বিকাশ মন্ত্রীর

    প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো ভারত সরকার : মহিলা ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ মোকাবিলা ও প্রতিরোধের জন্য গ্রহনীয় পদক্ষেপ সম্বন্ধে জানিয়ে প্রত্যেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন শ্রীমতী মানেকা সঞ্জয় গান্ধী। যৌন অপরাধ বা বিশেষভাবে, শিশুদের বিরুদ্দে যৌন অপরাধের তদন্তের জন্য একটি বিশেষ বিভাগ চালুর সুপারিশ করেছেন মন্ত্রী। এটি একটি গুরুত্বপূ্র্ণ পদক্ষেপ হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। যৌন অপরাধের তদন্তের স্বার্থে ফরেন্সিক ল্যাব চালুর ক্ষেত্রেও রাজ্যগুলিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন মহিলা ও শিশু বিকাশ মন্ত্রী। শ্রীমতী মানেক সঞ্জয় গান্ধী চিঠিতে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে- ১. প্রত্যেক পুলিশ আধিকারিককে বিশেষ করে যারা অপরাধের প্রমাণ চিহ্ন সংগ্রহ ও সংরক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন, যৌন অপরাধের বিভিন্ন দিক সম্বন্ধে তাদেরকে পুনরায় প্রশিক্ষণ দেওয়া। ২. শিশুদের বিরুদ্দে যৌন অপরাধের মামলাগুলি তদন্তের কাজ বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শেষ করার জন্য পুলিশ আধিকারিকদের নির্দেশ জারি করা। ৩. যৌন অপরাধের মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিক যদি তদন্তে বাধা দিচ্ছেন বা অপরাধীর সঙ্গে মিলিত রয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা। শ্রীমতী মানেকা গান্ধী লিখেছেন পেশাদারীভাবে দ্রুত তদন্ত শেষ করাই আপরাধীকে দমনের একমাত্র উপায়। কিন্তু সেটি কেবল রাজ্যই করতে পারবে যেহেতু পুলিশ দপ্তর রাজ্যের দায়িত্ব পরে। অভিযোগ জানানোর জন্য ই-বক্স বা হেল্পলাইন নম্বর ১০৯৮ সম্বন্ধে শিশুদের সচেতন করে তুলতে তিনি রাজ্যগুলিকে অনুরোধ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে তাঁর মন্ত্রক হিংসাত্মক ঘটনায় আক্রান্ত মহিলাদের জন্য আজ অবধি ১৭৫টি ওয়ান-স্টপ সেন্টার খুলেছে। এই কেন্দ্রগুলি চালু করা হয়েছে যাতে বিপদের সময় পুলিশ বা চিকিৎসার ব্যবস্হা নাগালের মধ্যে না থাকলে, মহিলারা এখানে সাহায্য পেতে পারেন। তিনি চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন যে যৌন অপরাধের ক্ষেত্রে রিপোর্ট লেখা না হলে, পকসো আইনের ২১ নম্বর ধারা প্রয়োগ করা যায়। ২১ নং ধারায় বলা হয়েছে যে এইসব অপরাধের রিপোর্ট লিখতে অস্বীকার করলে, সেই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে আইনের ১৯ বা ২০ নম্বর ধারা অনুযায়ী শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। তিনি মহিলা ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ দমনের বিষয়ে বিভিন্ন রাজ্য সরকারের পরামর্শও চেয়েছেন।

  • ভাড়া কমতে চলেছে রাজধানী -শতাব্দীর

    ডেস্ক : আবার গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে ভারতীয় রেল শতাব্দী ও রাজধানী এই দুই ট্রেনের এসি-টু টিয়ার কামরাগুলিকে ২৫০টি এসি-থ্রি টিয়ার দিয়ে প্রতিস্থাপিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে খবর। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে দেশে মোট ৪২টি রাজধানী ট্রেন, ৪৬টি শতাব্দী এবং ৫৪টি দূরন্ত এক্সপ্রেস চলে। এক প্রবীণ রেল আধিকারিক মিডিয়াকে জানিয়েছেন, প্রতিটি রাজধানী এক্সপ্রেসের সঙ্গেই দুটি করে এসি-টু টিয়ার কামরা থাকে। কিন্তু যাত্রীরা সাধারণত ওই কামরায় যাতায়াত করতে পছন্দ করেন না। ফলে, অধিকাংশ সময় রাজস্ব ঘাটতি হয় রেলের। অন্যদিকে, এসি-থ্রি টিয়ার কামরায় টিকিটের চাহিদা সব সময় বেশী থাকে। ফলে, থ্রি টিয়ার কামরার সংখ্যা বাড়ালে লাভও বাড়বে রেলের।

  • নববর্ষে ভারতের মধ্যে প্রথম গ্রিন স্টেশনের সম্মান পেল হাওড়া স্টেশন।

    ডেস্ক, ১৫ই এপ্রিলঃ  নববর্ষে  ভারতের মধ্যে প্রথম গ্রিন স্টেশনের সম্মান পেল হাওড়া স্টেশন।  পরিবেশবান্ধব স্টেশন হিসেবে হাওড়া  এই কৃতিত্বের অধিকারী হল। বাংলা নববর্যের পয়লায়  বিল্ডিং কাউন্সিল ও সিআইআই এই বিরল সম্মান তুলে দেয় হাওড়া স্টেশনের অধিকর্তার হাতে। হাওড়া  স্টেশনকে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় এনে, এবং তাকে  ঘিরে পরিবেশবান্ধব হাওড়াকে গ্রিন স্টেশনের তকমা এনে দিল।  এর আগে ব্রিটিশ আমলে তৈরি বিল্ডিং হাওড়াকে এনে দিয়েছিল হেরিটেজ তকমা।   সেই কারণেই এই সম্মান আরও তাৎপর্যপূর্ণ। ১৮৫৪ সালে হাওড়া স্টেশন চালু হয়েছিল। অর্থাৎ ১৬৪ বছর আগে চালু এই হাওড়া স্টেশন দেশের সবথেকে বৃহত্তম স্টেশন হিসেবে স্বীকৃত। ২৩টি প্ল্যাটফর্ম সমন্বিত এই স্টেশনে বৈদ্যুতিকরণ হয় ১৯৫৪ সালে। এখন আবার এই স্টেশনে লেগেছে সৌর  বিদ্যুতের স্পর্শ। আর শুরু হয়েছে সবুজায়ন। তারই ভিত্তিতে এই নয়া মুকুট উঠল হাওড়া স্টেশনের মাথায়। গত আগস্ট থেকে 'সবুজায়ন'-এর পথে হাঁটতে শুরু করেছিল হাওড়া স্টেশন। হাওড়া স্টেশনকে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় আনতে নয়া এই পরিকল্পনা করে রেলমন্ত্রক। তিনমাসের মধ্যেই স্টেশনের ছাদে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল বসানোর কাজ শুরু হয়। প্যানেল বসানো হবে ২৩টি প্ল্যাটফর্মের ছাদে। এই প্রকল্প থেকে তিন মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।  এর ফলে ৬০ শতাংশ বিদ্যুতের চাহিদা মিটছে হাওড়া স্টেশনের। দেশের দ্বিতীয় সুপ্রাচীন স্টেশন এই হাওড়া। ঐতিহ্যের এই হাওড়া স্টেশন সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় আসায় দিনের বেলায় বিদ্যুৎ চাহিদা অনেকাংশেই মিটে যাবে। গঙ্গাপারের হাওড়া স্টেশন থেকে প্রতিদিন ২৯৩টি ট্রেন যাতায়াত করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। দেশের মধ্যে হাওড়া জংশনে সবথেকে বেশি ট্রেনের চাপ। সবথেকে বেশি যাত্রী এই হাওড়া স্টেশন দিয়েই যাতায়াত করে। সেই নিরিখে নতুন এই মর্যাদা হাওড়া স্টেশন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রভূত সম্মানের।  

  • প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ডঃ আম্বেদকর জাতীয় স্মারক সৌধের উদ্বোধন করলেন

    ডেস্ক, ১৩ই এপ্রিলঃ ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকর জন্মজয়ন্তীর প্রাক্কালে দিল্লির ২৬, আলিপুর রোডে আজ  ডঃ আম্বেদকর জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করলেন  প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লীর মেট্রোতে চড়ে সাধারন যাত্রীদের সাথে ভ্রমণ করে এই স্থানটিতে আসেন।  সেখান থেকে দিল্লীর আলিপুর রোডে আসেন উদ্বোধন করার জন্য।এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান, প্রযু্ক্তি, আবহাওয়া ও বন দপ্তরের মন্ত্রী শ্রী হরিশ বর্ধন, ও খাদ্য,ক্রেতাসুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী শ্রী রামবিলাস পাশোয়ান এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সামাজিক ন্যায়বিচার দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী রামদাস আটাওউয়ালা এবং ঐ দপ্তরের সচিব শ্রীমতি জি লাটাকৃষ্ণা।   এই বিশেষ স্থানটিতেই ডঃ আম্বেদকর ১৯৫৬-র ৬ ডিসেম্বর মহাপরিনির্বাণ লাভ করেছিলেন। ২৬, আলিপুর রোডের ডঃ আম্বেদকর মহাপরিনির্বাণ স্থলটি ২০০৩-এর ডিসেম্বরে জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছিলেন তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। পরে, ২০১৬-র ২১ মার্চ সেখানে ডঃ আম্বেদকর জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতীয় সংবিধানের স্রষ্টা বাবাসাহেব আম্বেদকরের এই স্মৃতিসৌধকে একটি গ্রন্থের আদলে নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে রয়েছে এক বিশেষ সংগ্রহশালা যেখানে স্থিরচিত্র, চলচ্চিত্র, শ্রুতিদৃশ্যমাধ্যম এবং মাল্টি-মিডিয়া প্রযুক্তির সাহায্যে ডঃ আম্বেদকরের জীবন ও অবদানকে সুপরিস্ফুট করে তোলা হয়েছে।

  • হিমাচল প্রদেশ-পঞ্জাব সীমান্তে স্কুলবাস উল্টে মৃত্যু কমপক্ষে ২৬ জনের।

    ডেস্ক ঃ স্কুলবাস উল্টে মৃত্যু হল কমপক্ষে ২৬ জনের। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছাত্র। ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ২৫ জন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাটি ঘটেছে হিমাচল প্রদেশ-পঞ্জাব সীমান্তের কাংড়া জেলার নুরপুর এলাকায়। দুর্ঘটনার পর সেখানে শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। জানা গেছে, সোমবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ স্থানীয় একটি স্কুল থেকে ছাত্র ও শিক্ষক-শিক্ষিকা মিলে ৬০ জনকে নিয়ে রওনা দেয় বাসটি। নুরপুর এলাকায় বাসটি পৌঁছতেই, হঠাত্ নিয়ন্ত্রণ হারান চালক। সরু একটি বাঁকে গিয়ে অবশেষে বাসটি খাদে উল্টে যায়। পুলিস জানিয়েছে, রাস্তা থেকে প্রায় ২০০ ফুট নিচে পড়ে যায় বাসটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ২০ জন ছাত্রের। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়।

  • আপাতত স্বস্তি। টানা ২ দিন জেলে থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেলেন টাইগার

    ডেস্ক ঃ হরিণ শিকার মামলায় জামিন পেলেন সলমন খান। ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত মুচলেকা দিয়ে এদিন সলমনের জামিন মঞ্জুর করে যোধপুর আদালত। আজ, (শনিবার) সন্ধেয় জেল থেকে ছাড়া পাবেন তিনি। বিদেশে যাওয়ার আগে অনুমতি নিতে হবে আদালতের। ২০ বছর আগে রাজস্থানের কঙ্কনি গ্রামে 'হাম সাথ সাথ হ্যায়' ছবির শ্যুটিং করতে গিয়ে বিরল প্রজাতির হরিণ শিকার করেন সলমন খান। সেই মামলাতেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তিনি। তাঁকে ৫ বছরে জেলের সাজা শুনিয়েছেন আদালত। তবে আদালতের কাছে জামিনের আবেদন করেন ভাইজানের আইনজীবী। এদিন (শনিবার) ছিল সলমনের জামিনের আবেদনের শুনানি। তাঁর সেই জামিন মঞ্জুর করেন যোধপুর সেশনস কোর্টের বিচারক রবীন্দ্র জোশি। 

  • সলমন গেলো যোধপুর সেন্ট্রাল জেলে । সেখানে তিনি ১০৬ নম্বর কয়েদি।

    ডেস্ক ঃ ৫ বছরের কারাবাসের সাজা শুনেছেন বলিউড তারকা সলমন খান। বৃহস্পতিবার রাতে তাই তাঁর ঠিকানা যোধপুর জেল। তবে, রাতে জেলে কাটাতে হলেও, কোন ভিআইপি ব্যবস্থা মিলবে না সলমনের। এদিন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যোধপুরের ডিআইজি(কারা) বিক্রম সিং। ১৯৯৮ সালের ২ অক্টোবর ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’-এর  শুটিংয়ের সময় যোধপুরে গিয়ে ঝামেলায় জড়ান সলমন খান। রাজস্থানের যোধপুরের কঙ্কনিতে বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করেন সলমন খান, সইফ আলি খান, সোনালি বেন্দ্রে এবং তব্বু। ওই ঘটনার পরই মামলা দায়ের করা হয় সলমন, সইফদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে মামলা চলার পর বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করে যোধপুর আদালত। বণ্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনের ৯/৫১-এর ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে সলমনকে। তবে, বাকিদের প্রত্যেকে বেকসুর খালাস করার ঘোষণা করে আদালত।

  • দলিত আন্দোলন ঘিরে অব্যাহত হিংসা, বিধায়কের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল

     ডেস্ক, ৩রা এপ্রিলঃ তপশিলি জাতি ও উপজাতিদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনে বদল দলিতরা মেনে নিতে না পেরে আন্দোলনে নেমেছে। তার জেরে দেশের নানা প্রান্তে ভোগান্তির শেষ নেই। অশান্তির জেরে ইতিমধ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০। পাশাপাশি আহত হয়েছেন বহু মানুষ। ধ্বংস হয়েছে সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি। ব্যাহত হয়েছে সাধারণ জনজীবন।  বিজেপি শাসিত রাজস্থানেও  দলিত অসন্তোষ ঘিরে উত্তাল। সেখানের বর্তমান বিধায়ক ও প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় । রাজস্থানের হিন্দাউনে কারাউলিতে এই ঘটনা ঘিরে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ৫ হাজার জনের একটি দল ওই দুই বিধায়কের বাড়িতে আগুন লাগায় বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য ,দুজন বিধায়কই দলিত সম্প্রদায়ভূক্ত। বর্তমান বিধায়ক রাজকুমারী জাতভ ও প্রাক্তন বিধায়ক ভারোসীলাল জাতভের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় রীতিমত চাপে  প্রশাসনকে। উল্লেখ্য, রাজকুমারী জাতভ বিজেপির বিধায়ক অন্যদিকে প্রাক্তন বিধায়ক ভারোসীলাল কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন। দেশজোড়া দলিত আন্দোলের প্রেক্ষিতেই এই ঘটনা বলে খবর। তবে শুধুমাত্র বিধায়কদের বাড়িতে অগ্নি সংযোগই নয়, বিশালাকার জনতা ক্রমাগত এই দুই বিধায়কতের বাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে থাকে। জানা গিয়েছে এলাকার ব্যাবসায়ী সমিতি এদিন দলিত বিরোধী আন্দোলন নিয়ে সোচ্চার হয়। উল্লেখ্য়, এই ব্যবসায়ী সমিতির বেশিরভাগ সদস্যই এলকার উচ্চজাতির প্রতিনিধি । তাঁরা একটি মিছিলও বের করেন এদিন। এই মিছিলের পরই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয় পুলিশকে।    

  • ইরাকে নিহত ভারতীয়দের প্রত্যেককে ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণের ঘোষনা প্রধানমন্ত্রীর।

    ডেস্ক, ৩রা এপ্রিলঃ ইরাকে আইএস হামলায় নিহত ৩৯জন ভারতীয়দের প্রত্যেকের পরিবারবর্গকে  ১০ লক্ষ টাকা এককালীন অনুদান  দেওয়ার ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইরাকে ঐ  ভারতীয়রা  ২০১৪ সাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। সরকারের পক্ষ থেকে এতদিন ধরে  এঁরা বেঁচে রয়েছে বলে জানানো হয়। তবে কয়েকদিন আগে সংসদে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ঘোষণা করেন এই ভারতীয়দের  কেউই আর বেঁচে নেই। তারপর থেকেই সমালোচনা শুরু হয়। কেন এতদিন সরকার তথ্য গোপন করে ছিল, তা নিয়ে বিরোধীরা নিশানা করে। মৃতদের দেহ দেশে ফেরত আনার পরও চাকরি দেওয়ার প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ভিকে সিং বিতর্কিত মন্তব্য করে বলেন, এটা বিস্কুট বিলি নয়। এই সবের পর এদিন মোদীর ক্ষতিপূরণের ঘোষণা ড্যামেজ কন্ট্রোলের কাজ করল বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিকে পাঞ্জাবের ২৭ জনকে সেরাজ্যের সরকার ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেবে বলে ঘোষণা করেছে। ঘটনা হল, ২০১৪ সালে ইরাকে কাজ করতে যাওয়া ৪০ জনের মধ্যে একজন বেঁচে দেশে ফিরে আসতে পেরেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন ইরাকে সব ভারতীয় মারা গিয়েছেন। যদিও সরকার সেইসময়ে তা স্বীকার করেনি। এখন স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে।  

  • সংবাদমাধ্যমের ওপর লাগাম কষার লক্ষ্যে পদক্ষেপ করেও পিছু হঠল ভারত সরকার

    ডেস্ক ঃ সংবাদমাধ্যমের ওপর লাগাম কষার লক্ষ্যে পদক্ষেপ করেও পিছু হঠল সরকার। সাংবাদিকদের পরিচয়পত্রের প্রস্তাব দিয়েও ফিরিয়ে নিল কেন্দ্র।  ভুয়ো খবর রুখতে সোমবার একটি প্রস্তাব জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। তাতে উল্লেখ করা হয় কোনও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভুয়ো খবর প্রকাশ বা সম্প্রচার করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে বাতিল হবে তার পরিচয় পত্র। প্রথমবার দোষ প্রমাণিত হলে ৩ মাসের জন্য বাতিল হবে আবেদনপত্র। দ্বিতীয়বার দোষী সাব্যস্ত হলে পরিচয়পত্র বাতিল হবে ৬ মাসের জন্য। তৃতীয়বার দোষী সাব্যস্ত হলে আজীবন বাতিল হবে পরিচয়পত্র।  কেন্দ্রের এহেন প্রস্তাবনায় দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সাংবাদিকরা তো বটেই বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রথিতযশারা অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের মুখ বন্ধ করতে এই প্রস্তাব করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।  দেশে সংবাদমাধ্যমের নিয়ন্ত্রক প্রধান ২ সংস্থা প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া ও নিউজ ব্রডকাস্টারস অ্যাসোসিয়েশনের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠে যায়। সাংবাদিক বা সংবাদ মাধ্যমের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখে এই সংস্থাদুটি।  সমালোচনার মুখে পদক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার পরই পুরনো প্রস্তাবনা ফিরিয়ে নেয় সরকার। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে প্রেস কাউন্সিল ও এনবিএ-র অধিকারে হস্তক্ষেপ করবে না কেন্দ্র। 

  • মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকর আর এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন।

    ডেস্ক, ১লা এপ্রিলঃ মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকর আর এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন।  আপনারা হয়ত ভাবছেন সচিন তেন্ডুলকার তো খেলা ছেড়ে দিয়েছেন তাহলে তিনি আবার কি নজির গড়লেন?   খেলায় নয় তবে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে  বিগত ছয় বছরের বেতন ও ভাতার পুরো টাকা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দান করলেন  সচিন  তেন্ডুলকর। রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে সম্প্রতি তাঁর মেয়াদ শেষ করেছেন সচিন। গত ছয় বছরে তেন্ডুলকর মাসিক বিভিন্ন রকমের ভাতা ছাড়াও প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা বেতন হিসেবে পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদী তার এই দান গ্রহণ করছেন এবং  তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশও করছেন সচিন তেন্ডুলকরকে। তিনি জানিয়েছেন যে তার এই পদক্ষেপ দেশের আর্ত মানুষকে সাহায্য করবে।  রাজ্যসভার মনোনীত সাংসদ হিসাবে রাজ্যসভায় তার ও অভিনেত্রী রেখার  অনুপস্থিতি নিয়ে  সমালোচনার ঝড় উঠেছিল । কিন্তু  সচিন তেন্ডুলকর  তাঁর এমপি ল্যাড-এর টাকা খুব ভাল ভাবে ব্যবহার করেছেন। তেন্ডুলকরের অফিস থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এমপি ল্যাডে পাওয়া ৩০ কোটি টাকার মধ্যে ৭.৪ কোটি টাকা ১৮৫ টি প্রোজেক্টের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়াও শিক্ষার উন্নতিতে ব্যয় হয়েছে টাকা। স্কুল ঘর তৈরিতেও টাকা খরচ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দুইটি বিদ্যালয়ের নুতন গৃহ নির্মাণের আর্থিক সাহায্য পেয়েছে।  এছাড়াও সংসদ  হিসাবে  আদর্শ গ্রাম যোজনা স্কিমের অধীনে দুটি গ্রাম  দত্তক নিয়েছিলেন সচিন। এদের একটি অন্ধ্রেরএবং অপরটি মহারাষ্ট্রে।  

  • স্টিল উত্পাদনে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান দখল করল ভারত

    ডেস্কঃ(I.D). ৩০ মার্চ ২০১৮ঃ-স্টিল উত্পাদনে জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান দখল করল ভারত,স্টিল উত্পাদনে এশিয়ার দৈত্য চিনের পরই ভারত। জাপানকে ছাড়িয়ে গেল দেশ। ফেব্রুয়ারিতে দেশে স্টিল উত্পাদনে বৃদ্ধি হয়েছে ৩.৪ শতাংশ। মোট উত্পাদন হয়েছে ৮.৪ মিলিয়ন টন। জাপান উত্পাদন করেছে ৮.২ মিলিয়ন টন। শুধুমাত্র এই একটি মাস নয়, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে স্টিল উত্পাদনে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান দখল করল ভারত। বিশ্বজুূড়ে স্টিল উত্পাদনে ভারতের আগে রয়েছে চিন। গতবছরও ভারতের স্থান ছিল তৃতীয়। ২০১৭ সালে জাপানের স্টিল উত্পাদন ছিল ১০৪.৭ মিলিয়ন টন। সেখানে ভারত ১০১.৪ স্টিল উত্পাদন করেছিল। ২০১৬ সালে এই ফারাক ছিল ৯.৩ মিলিয়ন টন। তার আগের বছর ২০১৫ সালে ১৬ মিলিয়ন টন ফারাক ছিল। ফলে প্রতিবছরই ব্যবধান কমাচ্ছিল ভারত। ২০১৮ সালের শুরুতেই পিছিয়ে গেল জাপান। গত বছর ফেব্রুয়ারির তুলনায় দেশে এবছর ফেব্রুয়ারি স্টিল উত্পাদন বৃদ্ধি পেয়েছে ৩.৪৩ শতাংশ। 

  • পাকিস্তানি গায়ক আতিফ আসলামকে দিয়েই গান গাওয়াচ্ছেন সলমন

    ডেস্কঃ (I.D).২৮ মার্চ ২০১৮ঃ-রেস-এর প্রত্যেকটি সিক্যুয়েলেই আতিফ ইসলামের গান এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে। সলমন খানের ‘রেস থ্রি’-তে গান গাইবেন পাকিস্তানি গায়ক আতিফ ইসলাম। ইতিমধ্যেই সলমনের সিনেমায় আতিফের গান নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।  সলমন খানের লেখাতেই এবার সুর দেবেন আতিফ। এখন দেখার ‘ভাইজান’-এর লেখা গান গেয়ে ‘রেস থ্রি’-র দর্শকদের কতটা মোহিত করতে পারেন পাকিস্তানি গায়ক। এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় সম্প্রতি পাকিস্তানি গায়ক রাহাত ফতেহ আলি খান-কে নিয়ে আপত্তি তোলেন। অরিজিত সিং-এর পরিবর্তে কেন পাকিস্তানি গায়ক দিয়ে সিনেমায় গান গাওয়ানো হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। দলজিত সিং দোসাঞ্জ, সোনাক্ষী সিনহা অভিনীত 'ওয়েলকাম টু নিউ ইয়র্ক'-এ কেন অরিজিত সিং-এর পরিবর্তে রাহাত ফতেহ আলি খানকে দিয়ে গান গাওয়ানো হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বাবুল সুপ্রিয়।‘রেস থ্রি’-তে সলমন খানের সঙ্গে রয়েছেন অনিল কাপুর, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ, ববি দেওল এবং ডেইজি শাহ। সলমনের সিনেমা দিয়েই এবার ‘ইয়ামলা পাগলা দিওয়ানা’-র পর বি টাউনে ফের কামব্যাক করছেন ববি।

  • মঙ্গলবার বিরোধীদের হাতে একাধিক অস্ত্র তুলে দিল বিজেপি

    ডেস্কঃ (I.D). ২৭ মার্চ ২০১৮ঃ- সকালে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার আগেই টুইটারে কর্ণাটক নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে বিজেপির অস্বস্তি বাড়ান দলেরই আইটি সেলের প্রধান। ঘণ্টা কয়েক কাটতে না কাটতেই বেফাঁস বলে দলের অস্বস্তি বাড়ান খোদ বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। একের পর এক ভুল করে মঙ্গলবার বিরোধীদের হাতে একাধিক অস্ত্র তুলে দিল বিজেপি।  বেঙ্গালুরুতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে অমিত শাহ বলেন, ‘কর্ণাটকে ‌যদি কখনও দুর্নীতিপরায়ণ সরকারের প্রতি‌যোগিতা হয় তাহলে সেখানে সবার প্রথমে থাকবে ইয়েদুরাপ্পা সরকার।’ কোনও রসিকতা নয়, কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ইয়েদুরাপ্পার কথাই বলেন শাহ।অমিত শাহের ওই মন্তব্যের পরই কংগ্রেস সভাপতি ট্যুইট করেন, ‘বিজেপি তার গোপন তথ্য আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। অমিত শাহ নিজের মুখেই বলেছেন, ইয়েদুরাপ্পা সরকার দেশের সবচেয়ে দুর্নীতিপারায়ণ সরকার।’ কর্ণাটক কংগ্রেসের নেতা দিব্যা সান্ধানা ট্যুইট করেন, ‘কে জানত অমিত শাহের মুখ থেকেই সত্যিটা বেরিয়ে পড়বে!’ আসরে নামে কর্ণাটক কংগ্রেসও। দলের তরফে ট্যুইটারে লেখা হয়েছে, ‘সত্যি কখনও চাপা থাকে না। বিজেপি সভাপতির কথা শুনে চমকে ‌ওঠে পাশে বসা ইয়েদুরাপ্পা। সভাপতির দিকে ঝুঁকে কিছ বলতেই অমিত শাহ নিজেকে সংশোধন করে নেন। বলেন, ‘দুর্নীতিপারয়ণ সরকারের দৌড়ে প্রথমে থাকবে সিদ্দারামাইয়া সরকার।’ কিন্তু ততক্ষণে ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে। ওই মন্তব্যের পরই ময়দানে নেমে পড়ে কংগ্রেস।অমিত শাহও এখন স্বীকার করছেন, ইয়েদুরাপ্পা সরকারই ছিল সবচেয়ে দুর্নীতিপারয়ণ।

  • কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে সঞ্জয় দত্ত ও মাধুরী দীক্ষিত রসায়নের কথা,

    ডেস্কঃ(I.D). ২৬ মার্চ ২০১৮ ঃ- বি-টাউনে এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে সঞ্জয় দত্ত ও মাধুরী দীক্ষিত রসায়নের কথা। হ্যাঁ, খবরটা ঠিকই শুনছেন তবে বাস্তবে নয়, সিনেমার প্রয়োজনেই ২১ বছর পর রিল লাইফে ফের দেখা যাবে বলিউডের একসময়ের এই হিট জুটিকে। করণ জোহরের প্রযোজনায় আর অভিষেক বর্মন পরিচালিত আগামী ছবিতে অভিনয় করার কথা ছিল শ্রীদেবীর। যে ছবিতে অভিনয় করছেন বরুণ ধাওয়ান, আলিয়া ভাট, আদিত্য রয় কাপুর এবং সঞ্জয় দত্ত। ছবির নাম 'শিদ্দত'। তবে শ্রীদেবীর অকাল মৃত্যুতে তাঁর জায়গায় এই ছবিতে অভিনয় করবেন মাধুরী দীক্ষিত। এই ছবিতে মাধুরী শুধু শ্রীদেবীর জায়গাই নিচ্ছেন না, পাশাপাশি তাঁর একসময়ের সহ অভিনেতা তথা প্রেমিক সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে ২১ বছর পর অভিনয়ও করবেন।সঞ্জয়-মাধুরী জুটি মানেই ছিল হিট। ১৯৯১ সালে 'সাজন' ফিল্মে এই জুটির রসায়ন সবথেকে বেশি আলোচনায় আসে। শুধু সিনেমার পর্দাতেই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও তথন জমে উঠেছিল সঞ্জয়-মাধুরীর প্রেম। তাঁদের প্রেম নিয়ে বি-টাউনে বেশ চর্চাও হয়। তবে মুম্বই বিস্ফোরণকাণ্ডে সঞ্জয় দত্তের নাম জড়ানোর পর তাঁর থেকে দূরে সরে যান মাধুরী। শেষবার তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল ১৯৯৭ সালে মাহান্ত 'ছবিতে'। তারপর আর তাঁরা একসঙ্গে কাজ করেননি। জনপ্রিয় এই জুটিকে আর একসঙ্গে কাজ করাতে পারেননি বলিউডের বহু পরিচালক, প্রযোজক। তবে তাঁরা যা পারেননি। মৃত্যুর পর সেটাই করে দেখালেন শ্রীদেবী।  ২১ বছর পর ফের কাছাকাছি আনছেন সঞ্জয়-মাধুরী জুটিকে।

  • ১.৮ লাখ টাকা জরিমানা হায়দরাবাদির

    ডেস্কঃ(I.D).২৬ মার্চ ২০১৮ঃ-গত এক বছরে জোরে গাড়ি চালিয়ে ট্রাফিক আইন ভেঙেছেন মোট ১২৭ বার। গতির নেশা নাকি ট্রাফিক আইনকে ডোন্ট কেয়ার!জোরে গাড়ি চালিয়ে ট্রাফিক আইন ভাঙাই নেশা হন্ডা জ্যাজ-এর মালিক তেলেঙ্গানার এক ব্যক্তির।২০১৭ সালের ৪ এপ্রিল থেকে ২০১৮ সালের ১০ মার্চ প‌র্যন্ত এ জন্য তাঁর জরিমানা হয়েছে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। পরিসংখ্যানটি পাওয়া গিয়েছে তেলেঙ্গানার ই-চালান পোর্টাল থেকে। সেই টাকা আদায় করতেই এখন হন্যে হয়ে ঘুরছে পুলিস।কিছুদিন আগে স্পিড লিমিট ভাঙার জন্য ওই হন্ডা গাড়ির মালিককে ধরা হয় হায়দরাবাদের আউটার রিং রোডে। ওই রাস্তায় সে সময় গাড়ির গতির সর্বোচ্চ সীমা ছিল ১২০ কিলোমিটার। তার পরেও তিনি আইন ভাঙেন জোরে গাড়ি চালিয়েছেন। হায়দরাবাদের এয়ার ট্রাফিক পুলিস স্টেশনের ইনস্পেক্টর ডি ভি রেড্ডি  জানিয়েছেন, ‘আমরা ওই হন্ডা জ্যাজ গাড়ির চালককে মেসেজ পাঠিয়েছি। ও ‌যদি কোনও ফোন ব্যবহার না করে তাহলে তা পাবে না। তাই টোল প্লাজাগুলিকে গাড়িটির নম্বর দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেটিকে আটকে জরিমানা আদায় করা হবে।’

  • দিল্লিতে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের ডাকা বৈঠকে যোগ দিতে হাজির তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    ডেস্কঃ(I.D).২৬ মার্চ ২০১৮ঃ- ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা, ২০১৯ নির্বাচনের আগে অ-বিজেপি জোট গড়ার পক্ষে একাধিক দল আসরে নেমেছে।সোমবার সেই জল্পনা আরও উস্কে দিয়ে দিল্লিতে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের ডাকা বৈঠকে যোগ দিতে হাজির তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি, ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গেও দেখা করার কথা রয়েছে মমতার। সেখানেই রাহুল গান্ধী উপস্থিত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।কয়েকমাস ধরেই বিজেপি বিরোধী একাধিক দল একজোট হওয়ার পক্ষে বারবার প্রশ্ন তুলেছে। সংসদে টিডিপি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, সিপিএমের মত দল ইতিমধ্যেই নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছে। মঙ্গলবার অনাস্থা আনতে চলেছে কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে এবার অবিজেপি জোট গড়ার লক্ষ্য নিয়ে দিল্লিতে হাজির মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামীকাল সংসদেও যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মনে করা হচ্ছে সেখানে বিজেপি বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে দেখা করবেন মমতা।

  • সেনাবাহিনীর উচিত পাকিস্তানের প্রতিটি বুলেটের জবাব হিসেবে এক একটা বোমা ফেলা,মন্তব্য অমিত শাহের

    ডেস্কঃ(I.D). ২৫ মার্চ ২০১৮ঃ-সেনাবাহিনীর উচিত পাকিস্তানের প্রতিটি বুলেটের জবাব হিসেবে এক একটা বোমা ফেলা। এটাই একমাত্র সমাধান। সীমান্তে ‌যখন বুলেট চলে তখন কোনও শান্তির কথা চলে না।’ পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করা সত্বেও কেন পাকিস্তানি অনুপ্রবেশ ও গোলাগুলি কমছে না তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ওই মন্তব্য করেন অমিত শাহ।সীমান্তপার সন্ত্রাস ও পাকিস্তানের গোলাগুলির সমাধানের রাস্তা বাতলে দিলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ।উত্তরপ্রদেশে উপনির্বাচনে হারের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘কেন হার তা নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে উপনির্বাচন হয় এলাকাভিত্তিক সমস্যার উপরে ভিত্তি করে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন হবে অনের বড়বড় ইস্যুর উপরে ভিত্তি করে। বিজেপি সেখানে ভালো ফল করবে।’

  • ভদ্রকে বন্ধ ইন্টারনেট,রামনবমীতে সজাগ ওড়িশা

    ডেস্কঃ(I.D). ২৫ মার্চ ২০১৮ঃ-রামনবমীতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া ব্যবস্থা নিল ওড়িশার ভদ্রক জেলা প্রশাসন। গত বছর গোলমালের কথা মাথায় রেখে এবার সোশ্যাল মিডিয়াতেও কড়াকড়ি করা হল। ৪৮ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।শনিবার সন্ধ্যে ছটা থেকে আগামী দু’দিন ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকবে। জেলা পুলিস সুপার অনুপ সাহু সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয় রামনবমীর মিছলকে কেন্দ্র করে ‌যতে কোনও অশান্তি ছড়িয়ে পড়তে না পারে তার জন্য ৫০ প্ল্যাটুন পুলিস মোতায়েন করা হয়েছে।গতবছর রাম নবমীতে ভদ্রকের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করেই সেবার দেব-দেবী সম্পর্কে কুরচিকর মন্তব্য করা হয়। তাতেই অশান্তির সৃষ্টি হয়। দুপক্ষের গোলমালে গ্রেফতার করা হয় ১৫০ জনকে। এবার তাই কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন।

  • এবার সস্তা হচ্ছে শতাব্দী এক্সপ্রেস।

    ডেস্কঃ(I.D). ২৫ মার্চ ২০১৮ঃ-এবার সস্তা হচ্ছে শতাব্দী এক্সপ্রেস। এমনটাই খবর সংবাদ মাধ্যমে। দেশের ২৫টি রুটের শতাব্দী এক্সপ্রেসকে চিহ্নিত করেছে রেল। বেশি ভাড়ার কারণে ওইসব রুটে ‌শতাব্দী এক্সপ্রেসে যাত্রীসংখ্যা খুবই কম। ফলে ক্রমে লোকসানে চলেছে ট্রেন। সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে ওইসব রুটে ভাড়া কম করার কথা ভাবছে রেল। গত বছর দেশের দুটি রুটে শতাব্দীর ভাড়া কম করা হয়। দেখা ‌যায় এতে ‌আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ ও ‌যাত্রীসংখ্যা বেড়েছে ৬৩ শতাংশ। তার পরেই অন্যান্য রুটে ভাড়া কম করার কথা ভাবা হচ্ছে।ফ্লেক্সি ফেয়ার সিস্টেম চালু হওয়ার পর শতাব্দী, রাজধানী ও দুরন্ত-র মতো ট্রেনের ভাড়া অনেকটাই বেড়েছে। এখন দেখা ‌যাচ্ছে ওইসব ট্রেনে বহু আসন খালি থাকছে। ফলে দেশের ৪৫টি রুটে চলা শতাব্দী এক্সপ্রেসের উপরেও সেই কোপ পড়ে। পরীক্ষামূলভাবে প্রথমে আজমের-জয়পুর ও বেঙ্গালুরু-মাইসুরু রুটে ভাড়া কম করা হয়।

  • আয়ুষমান ভারতে' অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা, উপকৃত হবেন অন্তত ৫০ কোটি মানুষ।

    ডেস্ক ঃ 'আয়ুষমান ভারতে' অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বাজেটে এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। এই প্রকল্পে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা মিলবে।  এই প্রকল্পের জন্য বাজেটে প্রায় সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। উপকৃত হবেন অন্তত ৫০ কোটি মানুষ। বিশ্বের বৃহত্তম সামাজিক প্রকল্প হিসেবে মনে করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বিমা যোজনা ও সিনিয়র সিটিজেন হেলথ ইনস্যুরেন্স প্রকল্প অন্তর্ভূক্ত হবে এই আয়ুষ প্রকল্পে। 

  • সমস্ত সরকারি বিদ্যালয়ে শৌচালয়ের সুবিধা নিশ্চিত করতে স্বচ্ছ বিদ্যালয় কর্মসূচি

    ডেস্ক, ২০ মার্চঃ স্বচ্ছ ভারত অভিযানের আওতায় ২০১৫-র ১৫ অগাস্টের মধ্যে সমস্ত সরকারি বিদ্যালয়ে ছেলে ও মেয়েদের জন্য পৃথক শৌচালয়ের সুবিধা প্রদানে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক স্বচ্ছ বিদ্যালয় কর্মসূচি গ্রহন করে। এই কর্মসূচিতে সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ২ লক্ষ ৬১ হাজার ৪০০ বিদ্যালয়ে ৪ লক্ষ ১৭ হাজার ৭৯৬-টি শৌচালয় নির্মানের যে লক্ষ্য ছিল তা পূরণ হয়েছে।           লোকসভায় প্রশ্নোত্তরপর্বে সোমবার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য দেন মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী শ্রী উপেন্দ্র কুশওয়াহা। তিনি আরও জানান, স্বচ্ছ বিদ্যালয় কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয়ে শৌচালয় নির্মানে ৬৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্হা সামিল হয়েছে।           মন্ত্রক ‘স্বচ্ছ ভারত’ সম্পর্কিত ছোট পুস্তিকা প্রকাশ করেছে। সেইসঙ্গে, স্বচ্ছ বিদ্যালয় কর্মসূচির আওতায় শৌচালয় নির্মানের বিশদ বিবরণও দেওয়া রয়েছে। বিদ্যালয়ে শৌচালয় নির্মান ও তার নির্মান প্রক্রিয়ায় নজর রাখার প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট রাজ্যের। ৩০০ জনের বেশি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বিদ্যালয় শৌচাগার নির্মাণ প্রক্রিয়ায় নজরদারির জন্য বিভিন্ন জেলা সফর করেছেন। এছাড়াও, মন্ত্রক স্বচ্ছ বিদ্যালয় কর্মসূচিতে নির্মিত শৌচালয়গুলির উপযুক্ত রক্ষনাবেক্ষন এবং সেগুলিকে সর্বক্ষন ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার ব্যাপারে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে পরামর্শ দিয়েছে।           সর্বশিক্ষা অভিযান এবং রাষ্ট্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা অভিযানের আওতায় শৌচালয় সহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপযুক্ত রক্ষনাবেক্ষন ও মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়গুলিতে শৌচালয় নির্মানে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য পৃথক তহবিল বরাদ্দ করা হয়।           এছাড়াও পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রক সমস্ত রাজ্যের পঞ্চায়েতিরাজ দপ্তরকে তাদের গ্রামপঞ্চায়েত উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনার আওতায় বিদ্যালয়ে শৌচালয় নির্মান, ছেলে ও মেয়েদের পৃথক শৌচালয়ের ঘাটতি পূরন, বর্তমানে চালু শৌচালয়গুলির উপযুক্ত রক্ষনাবেক্ষন এবং পানীয় জলের সুবন্দোবস্ত করতে উপযুক্ত নীতি গ্রহনের পরামর্শ দিয়েছে।         

  • বিহারের রাজ্যপাল শ্রী সত্যপাল মালিক ওড়িশার রাজ্যপালের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন .

    ডেস্ক, ২০ মার্চঃ  আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন যে  বিহারের রাজ্যপাল শ্রী সত্যপাল মালিককে ওড়িশার রাজ্যপালের কার্যভার নির্বাহের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে । ওড়িশার বর্তমান রাজ্যপাল শ্রী এস.সি জামির-এর কার্যকালের মেয়াদ আজ শেষ হচ্ছে। এরপর নিয়মিত ব্যবস্হা না হওয়া পর্যন্ত শ্রী মালিক ওড়িশার রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।       

  • আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য প্রশিক্ষনে ‘টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম’ কর্মসূচী।

    ডেস্ক, ১৯ শে মার্চঃ রাজ্যসভায় বুধবার প্রশ্নোত্তরপর্বে এক লিখিত জবাবে  ক্রীড়মন্ত্রী কর্নেল রাজ্যবর্ধন রাঠোর জানান , অলিম্পিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলিতে অংশগ্রহনের জন্য পদক-সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদদের সুসংবদ্ধ প্রশিক্ষন প্রদানে জাতীয় ক্রীড়া উন্নয়ন তহবিলের আওতায় ক্রীড়ামন্ত্রক ‘টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম’ বা টপ কর্মসূচি রূপায়ন করছে। এই কর্মসূচির সুযোগ-সুবিধা প্রদানে দেশের প্রতিভাসম্পন্ন ও সম্ভবানময় খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করা হয়। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে শলা-পরামর্শ করে এবং প্রতিভা অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করা হয়। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে অ্যাথলিটদের ধারাবাহিক সাফল্যের দিকটি বিবেচনা করে তাদের কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হয়। মনোনিত অ্যাথলিটদের বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে সুসংবদ্ধ প্রশিক্ষন গ্রহনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি ও যোগ্যতা অর্জনের জন্যই এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। অলিম্পিক সহ গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলির জন্য জাতীয় দল নির্বাচনের প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট জাতীয় ক্রীড়া সংগঠনের। প্রতিভা, মেধা ও ধারাবাহিক সাফল্যের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে অ্যাথলিটদের জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে নির্বাচন করা হয়, যাতে তারা আন্তর্জাতিক মঞ্চে, জাতির গর্ব বাড়াতে পারে এবং দেশের হয়ে গৌরব আর্জন করতে পারে।

  • আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য প্রশিক্ষনে ‘টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম’ কর্মসূচী।

    ডেস্ক, ১৯ শে মার্চঃ রাজ্যসভায় বুধবার প্রশ্নোত্তরপর্বে এক লিখিত জবাবে  ক্রীড়মন্ত্রী কর্নেল রাজ্যবর্ধন রাঠোর জানান , অলিম্পিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলিতে অংশগ্রহনের জন্য পদক-সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদদের সুসংবদ্ধ প্রশিক্ষন প্রদানে জাতীয় ক্রীড়া উন্নয়ন তহবিলের আওতায় ক্রীড়ামন্ত্রক ‘টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম’ বা টপ কর্মসূচি রূপায়ন করছে। এই কর্মসূচির সুযোগ-সুবিধা প্রদানে দেশের প্রতিভাসম্পন্ন ও সম্ভবানময় খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করা হয়। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে শলা-পরামর্শ করে এবং প্রতিভা অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করা হয়। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে অ্যাথলিটদের ধারাবাহিক সাফল্যের দিকটি বিবেচনা করে তাদের কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হয়। মনোনিত অ্যাথলিটদের বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে সুসংবদ্ধ প্রশিক্ষন গ্রহনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি ও যোগ্যতা অর্জনের জন্যই এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। অলিম্পিক সহ গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলির জন্য জাতীয় দল নির্বাচনের প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট জাতীয় ক্রীড়া সংগঠনের। প্রতিভা, মেধা ও ধারাবাহিক সাফল্যের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে অ্যাথলিটদের জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে নির্বাচন করা হয়, যাতে তারা আন্তর্জাতিক মঞ্চে, জাতির গর্ব বাড়াতে পারে এবং দেশের হয়ে গৌরব আর্জন করতে পারে।