দেশ


  • সব পেট্রোপণ্য জিএসটির আওতায় আনা উচিত বললেন ইন্ডিয়ান অয়েলের চেয়ারম্যান

    news bazar24: পেট্রল-ডিজেলের দাম আকাশ ছুঁয়েছে।এর একটা কারণ কেন্দ্রের শুল্ক ও রাজ্যের ভ্যাট। দুপক্ষের কেউই তাদের শুল্ক কম করতে চাইছে না  মঙ্গলবার কলকাতায় পেট্রলের দাম ছিল ৭৯.৫৩ টাকা প্রতি লিটার। গত ৯ দিনে দেশে পেট্রলের দাম বেড়েছে ২ টাকারও বেশি। এরকম এক অবস্থায় পেট্রোপণ্যের ওপর থেকে কেন্দ্রের শুল্ক কম করার দাবি উঠছে। পাশাপাশি পেট্রল ও ডিজেলে জিএসটি বসানোর দাবি বহু পুরনো। এবার সেই দাবিই তুললেন ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশনের চেয়ারম্যান।আইওসির চেয়ারম্যান সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করার কোনও নির্দেশ আমাদের দেওয়া হয়নি। কিন্তু তেলের দাম এতটাই বাড়ছিল ‌যে টানা ১৯ দিন তেলের দাম রোজ নির্ধারণ করা থামিয়ে রাখা হয়। কিন্তু সব পেট্রোপণ্য জিএসটির আওতায় আনা উচিত।’ বর্তমানে ভারতে পেট্রল ও ডিজেলের ‌যে দাম তা পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার থেকেও বেশি। তেলের দাম তো কমছেই না বরং বাড়ছে হুহু করে। জিএসটি চালু করলে দেশজুড়ে তেলের দাম একই হবে। ফলে সরকার শুল্ক ছাড়তে না ছাড়লে জিএসটি লাগুই একটি রাস্তা বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।বর্তমানে দেশের অধিকাংশ পণের ওপরে জিএসটি লাগু হলেও পেট্রল, ডিজেল, অপরিশোধিত তেল, বিমানের জ্বালানী ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপরে এখনও জিএসটি লাগু হয়নি।

  • বৃহস্পতিবার কর্ণাটকে একই মঞ্চে কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিএম, কিসের ইঙ্গিত?

    Newsbazar,ডেস্ক, ২২শে মে  বৃহস্পতিবার কর্ণাটকে শপথ নিতে চলা এইচডি কুমারস্বামীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকছেন কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিএম ও  সমাজবাদী পার্টী থেকে শুরু করে অনেক আঞ্চলিক দল। এই মঞ্চ থেকে বিজেপি বিরোধী জোট গঠন করার  সুচনা করা হবে বলেই কংগ্রেস জানিয়েছে। ২০১৯ লোকসভা ভোটে কেন্দ্রের প্রধান শাসক দল বিজেপিকে ঠেকাতে দেশের ছোট-বড় বেশ কয়েকটি বিরোধী দল একজোট হতে একে অপরকে আহ্বান জানিয়েছে। কুমারস্বামীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতারা আমন্ত্রিত হয়েছেন। রাহুল গান্ধী ও সনিয়া গা্ন্ধীকে নিজে গিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছেন এইচডি কুমারস্বামী। কংগ্রেস জোট সরকার গড়ছে। ফলে এঁরা দুজনে আসছেন বলে জানা গেছে। এর পাশাপাশি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসছেন। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি, উত্তরপ্রদেশের বিরোধী নেতা সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, জেডিএসের সঙ্গী বিএসপির নেত্রী মায়াবতী ও আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী যাদব ও  উপস্থিত থাকছেন । দক্ষিনের  অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইড়ু, তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও ও তাঁর পুত্র কেটি রামা রাও, ডিএমকে কার্যকরী সভাপতি এমকে স্তালিন ও অভিনেতা-রাজনীতিবিদ কমল হাসান কুমারস্বামীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসছেন। এইচডি কুমারস্বামী বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রে বিজেপি বিরোধী জোটের মুখ্য প্রবক্তা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন । তিনি জেতার পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করে অভিনন্দন জানান ও বিজেপি বিরোধিতা চালিয়ে যেতে বলেন। বাংলার নেত্রীও বৃহস্পতিবার কংগ্রেস-সিপিএমের সঙ্গে একইমঞ্চ-এ থাকবেন।  

  • শব্দনৈঃশব্দ্যে দিলীপ তলয়ার

    ছেলেবেলায় চটজলদি লিখে ফেলা শব্দের কিছু কারুকার্য প্রায় সকল স্বাভাবিক মানুষের মধ্যেই দেখা যায়। যেখানে ছবি হোক বা কবিতা, তার বিষয় ঘিরে থাকে মূলত প্রকৃতির সৌন্দর্য আর খানিকটা প্রেম এবং সেই দুইয়েরই এক টানটান শব্দবুনোট, যেখানে সে সময়ের বালখিল্যের প্রতিচ্ছবি হয়ে টাইম ক্যাপসুল প্রস্তুত করে। তারপর বয়স বাড়ার হাতছানিতে সেসব অকাল সৃষ্টি কোথায় লুকিয়ে পড়ে তার হদিশ মেলা ভার। সময়ের এই নির্মোঘ নিয়ম ভেঙে কেউ কেউ হয়তো তার বালখিল্যের অপুষ্টিকে পুষ্ট করার তাগিদে সকলের থেকে পিছু হটে খুঁজে ফেরে বিচিত্র আদিম সত্তার অত্যাশ্চর্য কিছু ফর্মুলা। মরা বাঁচার মাঝের রসদটুকু চিনিয়ে দেন অন্ধকারাচ্ছন্ন গভীর জঙ্গলে গাঢ় সবুজের মাঝে এক নিবিড় ছায়া---কবি দিলীপ তলয়ার।   কবি জন্মগ্রহণ করেন মালদায় ১৯৫৭ সালের ২০ শে সেপ্টেম্বর। যৌবনের অদ্ভুত আবেগে তাড়িত হয়ে তিনি খোঁজে নামেন নাট্যদলের। নাট্যজীবন নিয়ে যে তিনি মোটেও সন্তুষ্ট নন বা বলা ভালো স্বতঃস্ফূর্ত নন ভেবেই ফিরে আসেন ছেলেবেলায় হারিয়ে যাওয়া কবিতার পুনরুজ্জীবনে। শুরু করেন কবিতার যাত্রাপথ। জীবনের নানাবিধ কষ্ট কোনও মানুষকে যে কতখানি শুভ দিকে পরিচালিত করতে পারে তার জলজ্যান্ত দলিল হয়ে মন দেন কবিতা আর কর্মজীবনে। জীবনের শেষ দিকে তিনি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত গ্রামীণ ব্যাঙ্কে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কোনওটাতেই তিনি একে অপরকে সরাসরি প্রভাবিত করতে বরাবরই নারাজ। তাই শত কষ্টের মাঝেও সত্তরের দশকে শুরু করেন নিভৃতে কবিতা যাপন। ধীরে ধীরে লেখা ছাপার জন্য বেছে নেন লিটল ম্যাগাজিন গুলোকে। তারপর সাহিত্য জগতে সাংগঠনিকভাবে যুক্ত হন মালদা সাহিত্য পরিষদে। সেখানে সাধারণ সদস্য থেকে ক্রমে সম্পাদক মণ্ডলী, যুগ্ম সম্পাদক এবং শেষে সম্পাদকের কাজ করেন। সাল ১৯৮৮ র জুন প্রকাশ পায় কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নিসর্গের দিকে’।   এরপর তিনি আর থেমে থাকেননি। নিয়মিত প্রকাশ করে গেছেন তাঁর লেখা কবিতার বই। প্রকাশ পায় পরপর, ‘নিসর্গের দিকে’, ‘সময়ে মানুষ উঠে দাঁড়ায়, রুখে দাঁড়ায়’, ‘সাতে সমুদ্র’, ‘তোমার ঠিকানা’, ‘কাঠের মঞ্চ শীতের ভাষা’, ‘পাথর, উড়ন্ত তাস এবং সলমা জরি’, ‘ও পরমার্থ ও গাছপালা’, ‘নীলসময়েরকুহুগান’, ‘আধেকলীন’, ‘শূন্য থেকে শুরু হলে’, ‘মাধুরীমূলক’, ধূলি ধুসরিত’, ‘জয়ধ্বনি’ এবং ‘কী আশ্চর্য ইঙ্গিত’।   এরই ফাঁকে কখনও একা আবার কখনও যৌথভাবে সম্পাদনা করেন বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন। সাল ১৯৮৩ র সেপ্টেম্বর। ‘দশে দিক’ লিটল ম্যাগাজিন প্রথম তাঁর সম্পাদনার ফসল। তিনি মূলত কবিতাকেন্দ্রিক পত্রিকাই সম্পাদনা করেছেন। পরপর প্রকাশ পায় ‘বাল্মীকি’, ‘যুগলবন্দী’, ‘রহিতাশ্ম’, ‘উৎস’, ‘সাম্প্রতিক পত্রিকার তালিকা’, ‘দিন যায়’, ‘উজ্জ্বল উদ্ধার’, ‘শব্দনৈঃশব্দ্য’ এবং শেষে ‘উত্তর আধুনিক’। এখানে ‘সাম্প্রতিক পত্রিকার তালিকা’ এবং ‘উজ্জ্বল উদ্ধার’ লিটল ম্যাগাজিন হিসেবে প্রকাশ পায়নি, তবে বলা যেতে পারে এই দুটি কাজ মালদা জেলার সাহিত্য জগতের তথ্য একত্রীকরণের প্রাথমিক প্রয়াস। তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা ‘শব্দনৈঃশব্দ্য’ র বিশেষভাবে সমাদৃত একটি সংখ্যা/কাজ হলো ‘চারণ কবি বৈদ্যনাথ স্মরণ সংখ্যা’।   দিলীপ তলয়ার জীবনের প্রায় শেষের দিকে কবিতার পাশাপাশি শুরু করেন গল্প লেখা। ব্যক্তিগত অভিমতে এইসকল গল্প অতটা পরিপক্ক নয়, বলা যায় গল্প লেখা শুরুর প্রক্রিয়া। ব্যক্তিগত যোগাযোগে যারা দিলীপদাকে চেনেন তারা সহজেই ঠাহর করতে পারবেন সেগুলো আসলে তাঁর জীবনের জার্নাল। যেখানে চরিত্রগুলো নাম বদলে বসে রয়েছে। প্রকাশিত গল্পের বইগুলো হলো, ‘ডুমডুমির মাঠ’ এবং ‘জীবন্ত মূর্তি অথবা জবাকুসুম’। শেষের বইটি এখনও প্রকাশ পায়নি। অর্থাৎ তাঁর জীবদ্দশায় তিনি বইটি প্রকাশ দেখে যেতে পারেননি। যদিও সেটির মুদ্রণ সম্পূর্ণ হয়ে প্রকাশকের প্রকাশ অপেক্ষায় রয়েছে।   লিটল ম্যাগাজিনেও অজস্র লেখা তাঁর ছড়িয়ে রয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রায় সবকটি পত্রিকা সহ দক্ষিণের পত্রিকা এবং বাংলাদেশ সহ বেশ কিছু প্রবাসী বাংলা পত্রিকাতেও লিখেছেন। এখানে একটি বিষয় বলে রাখা ভালো, কবি নিজে থেকে যেচে কোথাও লেখা পাঠাতেন না। লেখা চাইলেই কেবল পাঠাতেন। ফলত নামজাদা অনেক পত্রিকা থেকে তিনি দূরে সরে থেকেছিলেন। কিছু পত্রিকায় নাম দেওয়া হলো যেখানে প্রায় নিয়মিতই তিনি লিখেছেন। গৌড়ভূমি, নবজন্ম, বিকল্প, ভিটেমাটি, জোয়ার, আরণ্যক, ধ্রুবজ্যোতি, সূর্যাবর্ত, মুখর, মধ্যবর্তী, সাহিত্য তৃষা, নোনাই, উত্তরের হাওয়া, সৌরিমা, রূপান্তরের পথে সহ অন্যান্য আরও প্রায় একশটি ছোট বড় পত্রিকা।   সাংগঠনিকভাবে মালদা সাহিত্য পরিষদে যুক্ত থেকে দীর্ঘদিন যৌথভাবে কাজ করে তিনি বেরিয়ে পড়েন সেখান থেকে। কারণটা খানিক আদর্শের লড়াই। পরবর্তী সময়ে তিনি মালদার কিছু কবি সাহিত্যিকদের নিয়ে প্রথম দশকের গোড়ার দিকে প্রতিষ্ঠা করেন ‘মালদা সাহিত্য উদ্যোগ’।   ডাল-ভাত-সর্ষেমাখা চচ্চড়ি-আলুভাজা প্রিয় এই কবির খাদ্যতালিকাই তাঁকে চিনিয়ে দেয় তাঁর সম্ভাব্য পুরস্কার পাওয়ার ইচ্ছে। হ্যাঁ, তিনি নেহাতই এসবের তোয়াক্কা করতেন না বলেই পেছন থেকে ডাক দিয়ে সামনে সম্মান নেওয়ার পক্ষে ছিলেন না। কিন্ত যেখানে তিনি আমন্ত্রিত এবং সম্মাননা জ্ঞাপনে ডাকা হয় সেখানে তিনি দৃঢ়ভাবে সসম্মানে সম্মান গ্রহণে হাসিমুখেই বিরাজমান থাকেন। পেয়েছেন সীমান্ত সাহিত্য পুরস্কার (২০০৪), আলিপুরদুয়ার মিউজিক কলেজ সম্মান (২০০৬), উত্তরবঙ্গ নাট্যজগত সম্মান (২০০৬), বিপিন চক্রবর্তী স্মৃতি সম্মান (২০০৭), অনিল বর্মণ স্মৃতি সম্মান (২০১১)।   কর্মজীবন থেকে অবসর গ্রহণের প্রায় পরপরই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং চিকিৎসার কিছু সমস্যার কারণে শরীরে পূর্বে জমে থাকা বেশ কিছু রোগ ধরা দেয়। ৭ই মে ২০১৮ মালদা মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালে দুপুর ১টা ৫০ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সৌজন্যে: Sudipta Das

  • বিষাক্ত মদপানে মৃত্যু ১১জনের গুরুতর অসুস্থ বহু মানুষ।

    Newsbazar,ডেস্ক, ২০ শে মেঃ উত্তরপ্রদেশের কানপুরে বিষমদ পানে  মৃত্যু হল এখন পর্যন্ত  ১১ জনের। জেলার বিভিন্ন  হাসপাতালে বহু মানুষ এখনও  গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়  মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের মধ্যে সমাজবাদী পার্টির প্রাক্তন বিধায়কের এক আত্মীয়ও রয়েছেন। গত শনিবার পাঁচজনের মৃত্যু পর কানপুরের বিষমদের ঘটনা সামনে আসে। রবিবার কানপুরের রুরা গ্রামে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়। মদ বিক্রেতা সতীশ মিশ্রের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। পুলিশের তল্লাশিতে জানা গিয়েছে, কানপুরের রুরা গ্রামে বিষ মদে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই পালিয়ে যাওয়ার আগে দোকান মালিক ও কর্মীরা সেখানে থাকা মদের প্যাকেটে আগুন লাগিয়ে দেন। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মৃতের পরিবারগুলিকে দুলক্ষ টাকা করে সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন। একইসঙ্গে গোটা ঘটনার পিছনে যারা জড়িতে তাদের তাড়াতাড়ি গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন। আফগারি বিভাগের আধিকারিকদের সাসপেন্ড করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।      

  • কাশ্মীরে এশিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘতম(১৪ কিঃমিঃ) জোজিলা টানেল-র কাজের শুভ সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী।

    Newsbazar ডেস্ক, ২০শে মেঃ গতকাল এশিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘতম টানেল জোজিলা টানেল-র কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন এই টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাশাপাশি আরও বেশকিছু  উন্নয়নমূলক প্রকল্প নিয়ে জম্মু-কাশ্মীরে এসেছেন তিনি। সব মিলিয়ে এদিন প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা করেন তিনি।  এখানে তিনি তার  বক্তব্য-এ বললেন  জম্মু-কাশ্মীরের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয়  সরকার খুবই সচেষ্ট। এই টানেলটি হবে জোজিলা গিরিখাতে। কাশ্মীর ও লাদাখ দুই উপত্যকার মাঝের এই গিরিখাতটির উচ্চতা সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ১১ হাজার ৫৭৮ ফুট। শ্রীনগর-লেহ ন্যাশনাল হাইওয়ের ওপরে ১৪ কিলেমিটার দীর্ঘ টানেলটির কাজ শুরু হল আজ। নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটিই হবে এশিয়ার দীর্ঘতম টানেল।  শীতকালের  তিন-চারমাস তুষাড়রপাতে বন্ধ থাকত এই হাইওয়ে। ফলে কাশ্মীরের বাকি অংশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেত লাদাখ উপত্যকার। এই টানেলটির কাজ সম্পূর্ণ হলে আর সেই অসুবিধা থাকবে না। মোদী বলেন 'এই জোজিলা টানেল কোনও সাধারণ টানেল নয়, এটি আধুনিক যুগের একটি বিস্ময় হতে চলেছে।' কারণ ওই উচ্চতায় এত দীর্ঘ টানেল গড়াটা এমনিতেই স্থাপত্যের  দিক থেকে চ্যালেঞ্জের। পাশাপাশি প্রযুক্তির দিক থেকেও অত্যাধুনিক ব্যবস্থাকে কাজে লাগানো হচ্ছে। তিনি জানান এই দীর্ঘ টানেলের ভেতর অক্সিজেন সরবরাহের পরিমাণ ঠিক রাখতে একটি সুউচ্চ টাওয়ার গড়া হবে। কুতুব মিনারের চেয়ে সাত গুন উঁচু হবে সেই টাওয়ারটি। তার মাধ্যমে টানেলে জমা হওয়া কার্বন ডাই অক্সাইড বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এদিন লাদাখ ময়দানে উপত্যকার জনপ্রিয়তম ব্যক্তিত্ব বৌদ্ধ ধর্মগুরু উনিশতম কুশক বকুল রিনপোচে-এর শতবর্ষ উদযাপনের সমাপ্তি অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে ভাষণ দেন মোদী। সেখানে তিনি বলেন, 'এই টানেল উপত্যকাকে বাকি দেশের সঙ্গে জুড়ে দেবে। শুধু তাই নয় এর ফলে উপত্যকার যুবদের কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে। যা এই বৌদ্ধ ধর্মগুরুরও স্বপ্ন ছিল।' একেবারে নিজস্ব স্টাইলে স্থানীয় ভাষায় এদিন বলা শুরু করেছিলেন মোদী। প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে ময়দানে যথেষ্ট ভিড় ছিল। তারা এতে উদ্বেলিত হয়ে যায়। এরপর স্থানীয় আবেগকে আরও উস্কে মোদী বলেন উনিশতম কুশক বকুল রিনপোচে-এর কথা। বলেন, 'তাঁর অবদানের কথা কে ভুলতে পারে? অন্যের সেবায় তিনি তাঁর জীবন উৎসর্গ করেন।'  

  • আবার ছত্তিসগড়ে মাওবাদী হামলায় নিহত নিরাপত্তাবাহিনীর ছয় জওয়ান

     Newsbazar ডেস্ক, ২০শে মেঃ আবার ছত্তিসগড়ে  মাওবাদী হামলা। আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে  নিরাপত্তাবাহিনীর ছয় জওয়ানকে  হত্যা করল মাওবাদীরা। ঘটনাটি ঘটেছে  দান্তেওয়াড়ার চোলনার গ্রামের মধ্যে।  সূত্রে জানা যায় নিরাপত্তা বাহিনী টহল দেওয়ার সময় দান্তেওয়াড়ার চোলনার গ্রামের জঙ্গলে  আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায় মাওবাদীরা। মৃত ছয় জওয়ানের মধ্যে  রয়েছেন ছত্তিসগড় সশস্ত্র বাহিনীর তিনজন এবং জেলার সশস্ত্র বাহিনীর তিনজন। একজনকে  আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রায়পুরের হাসপাতালে। তাঁকে হেলিকপ্টারে করে রায়পুরে নিয়ে যাওয়া হয়।নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের থেকে অস্ত্রও লুঠ করে মাওবাদীরা। এর মধ্যে রয়েছে দুটি একে ৪৭ রাইফেল, দুটি ইনসাস। অ্যান্টি নকশাল ডিআইজি সুন্দর রাজ জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনীর টহলের সময় মাওবাদীরা  আইইডি বিস্ফোরণ ঘটান ।এবং সেখানে  ছয় জওয়ানের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পরেই সেখানে সিআরপিএফ-এর বাহিনী পাঠানো হয়। মাওবাদীদের সন্ধানে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। আইজি বিবেকানন্দ সিনহা জানিয়েছেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছয় জওয়ানকে নিয়ে টহল দিতে গিয়েছিল একটি জিপ। সেটাকেই টার্গেট করে মাওবাদীরা।      

  • কর্ণাটকে ইয়েদুরাপ্পা আস্থা ভোটে না গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা,রাহুলের কড়া ভাষায় আক্রমণ বিজেপিকে।

    Newsbazar, ডেস্ক,১৯শে মেঃ কর্ণাটকে বিএস ইয়েদুরাপ্পা মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ   নিয়েও শেষ অবধি বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমানে ব্যর্থ ।আস্থা ভোটে না গিয়ে বিধানসভায় আবেগপ্রবণ ভাষণ দিয়ে কংগ্রেস-জেডিএস জোটের চক্রান্তকে দোষারোপ করে শেষ অবধি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন বিজেপি নেতা বিএস ইয়েদুরাপ্পা।     বিজেপির ছিল ১০৪ জন বিধায়ক । প্রয়োজন ছিল ১১২ জনের । তবে সেই সংখ্যায় পৌঁছতে ব্যর্থ হলেন তাঁরা।  যদিও কংগ্রেস-জেডিএস জোটের বক্তব্য ছিল  যে বিজেপির কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠ  বিধায়ক নেই। ফলে তাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারবে না। বরং তাদের  জোটের হাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক রয়েছে।  তাদের মোট ১১৬জন কং-জেডিএস বিধায়ক  রয়েছেন । এদিন দুপুরের পর থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় বিজেপি সম্ভবত সরকার গঠন করতে পারবে না। কারণ সব বিধায়কদের কংগ্রেস-জেডিএস কব্জা করে  রেখেছে। নিখোঁজ দুই কংগ্রেস বিধায়কও শেষ বেলায় শিবিরে ফিরে আসেন। তারপর আর বিজেপি নিজেদের জয় ধরে রাখতে পারেনি। বিধানসভায় আস্থা ভোটের আগে বক্তব্য রাখেন ইয়েদুরাপ্পা। কংগ্রেস-জেডিএসকে ঝেড়ে আক্রমণ করেন। তবে শেষ অবধি হার স্বীকার করতে হল। এখন প্রশ্ন হল, কী হবে কর্ণাটক বিধানসভার ভবিষ্যৎ কি হবে? এ যাত্রায়  বিজেপি আর সরকার গড়তে পারবে না। তাই স্বাভাবিকভাবেই সরকার গড়ার দাবীদার  কংগ্রেস-জেডিএস  জোট।  ইয়েদুরাপ্পা  রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিলেই কং-জেডিএসের তরফে রাজ্যপালের কাছে আবেদন জানানো হবে যাতে এই জোটকে সরকার গড়তে দিতেন। রাজ্যপাল  আবেদন জানালেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন জেডিএস নেতা এইচডি কুমারস্বামী। এবার কংগ্রেস জেডিএস জোটকে সেই বিধানসভায় দাঁড়িয়েই সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। এক্ষেত্রে ফের আস্থা ভোট হবে। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন প্রমাণ করতে পারলেই কর্ণাটকে নতুন করে কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকার কাজ শুরু করবে। আপাতত যা খবর তাতে কংগ্রেস-জেডিএস, নির্দল ও বিএসপি বিধায়ক মিলিয়ে ১১৭টি আসন জেতা রয়েছে জোটের। ফলে সরকার গড়ার ম্যাজিক ফিগার ১১২-১১৩টি ভোট জোগাড় করা কোনওভাবেই অসুবিধার হবে না। এবার রাজ্যপাল বালা কংগ্রেস-জেডিএস জোটকে সরকার গড়তে সময় দেবেন। এবং আগামীতে কর্ণাটকে জোটের সরকার হবে। কর্ণাটকে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা পদত্যাগের ঘোষণা করতেই দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বিজেপি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র, অমিত শাহ ও আরএসএসকে  আক্রমণ করলেন । সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল বেশ কড়া ভাষায় কেন্দ্র সরকারকে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন, বিজেপি নেতারা জাতীয় সঙ্গীত শেষ হওয়ার আগেই বিধানসভা ত্যাগ করেন।  দেশের কোনও কিছুর  প্রতিই নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ ও আরএসএসের  শ্রদ্ধা নেই। সংসদ, বিধানসভা, সুপ্রিমকোর্ট কোনও কিছুর প্রতি শ্রদ্ধা নেই।    

  • রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট কি নূতন সম্পর্কে ?

    news bazar24:  অতি সম্প্রতি গোটা বলিউডে  গুঞ্জন রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের  সম্পর্কে নিয়ে। সোনাম কাপুরের রিসেপশনে রণবীর-আলিয়ার সম্পর্ক নিয়ে আরও বেশী করে  গুঞ্জন ছড়িয়ে  পড়ে । ওইদিন রণবীর কাপুরের সঙ্গে অনিল কন্যার রিসেপশনে হাজির হন আলিয়া ভাট।সেই ছবি দেখে  ভক্তদের মধ্যে জোর গুঞ্জন শুরু হয়।  এরপরই ‘আপ কি আদালত’-এ রণবীরকে নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। রণবীরের নাম শুনেই লাল হয়ে যায় আলিয়ার গাল। এবং, সেখানে তিনি মজা করে বলেন, রণবীরের নাম শুনে হাসি পাচ্ছে তাঁর। প্রথমে সেই হাসি বন্ধ করতে হবে।আলিয়ার পর রণবীরকেও সেই একই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের সামনে রণবীর বলেন, আলিয়ার উপর তাঁর ‘বয়ক্রাস’ রয়েছে।‘রাজি’ কেমন হয়েছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রণবীর বলেন, ভারতীয় সিনেমার মধ্যে অন্যতম ভাল সিনেমা হল রাজি। তিনি দেখেছেন এবং তাঁর ভাল লেগেছে ।

  • কর্ণাটকে ইয়েদুরাপ্পা সরকার আগামীকাল শক্তি পরীক্ষা দিতে হবেঃ সুপ্রিম কোর্ট

    Newsbazar ডেস্ক, ১৮ই মেঃ সুপ্রিম কোর্টে কর্ণাটক নিয়ে  কংগ্রেস-জেডিএসের করা মামলার শুনানি ছিল। বিরোধীদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও  রাজ্যপাল বাজুভাই বালা  বিজেপিকে কেন সরকার গঠনের আহ্বান জানালেন তা নিয়েই মামলা ছিল। বুধবার মধ্যরাতের পর ফের এদিন সকালে সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ১) ফ্লোর টেস্ট শনিবার বিকেল চারটে-য় করতে হবে। আর  বেশি সময় দেওয়া যাবে না। যত শীঘ্র সম্ভব সমস্ত আয়োজন করতে হবে। ২) বিধানসভার  প্রোটেম স্পিকার ফ্লোর টেস্ট কীভাবে হবে তা নির্ধারণ করবেন। কোনও ধরনের গোপন ব্যালটে ভোট হবে না বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে না পারা পর্যন্ত কোনও অ্যাংলো ইন্ডিয়ান প্রতিনিধিকে ইয়েদুরাপ্পা সরকার মনোনীত করতে পারবে না।  একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, একদিনের মধ্যে বিএস ইয়েদুরাপ্পা সরকার কোনও ধরনের নীতি নির্ধারক মূলক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। এদিকে, কর্ণাটক বিজেপি নেতা শোভা করন্ডলাজে অবশ্য ১২০ জনেরও বেশি বিধায়কের সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। এদিন সাংবাদিকদের তিনি বলেন, 'সুপ্রিম কোর্ট বিধানসভায় কাল বিকেল ৪টায় বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের আদেশ দিয়েছেন। বিজেপি এই রায়কে স্বাগত জানায়। আমরা নিশ্চিত কাল বিজেপি ও অন্যান্য বিধায়করা যারা বিজেপিকে সমর্থনকরছেন,কাল বিকেল ৪টায় তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে পারবেন। সুপ্রিম কোর্টের রায়, তাঁর দলের দাবি কেই 'যথার্থতা' দিয়েছে বলে দাবি করলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি। রাহুল বলেন বিজেপি, তাদের হাতে যে সংখ্যাগরীষ্ঠতা আছে বলে সবাইকে ধোকা দিচ্ছিল, এবারে তা ধরা পড়ে যাবে। টুইটারে রাহুল এও অভিযোগ করেন, আইনি পথে আটকে গিয়ে এবার বিজেপি যাবতীয় বেআইনি পথ নেবে। সংখ্যা জোগার করতে 'অর্থ ও পেশী শক্তি' নিয়ে মরিয়া বিজেপি ঝাঁপিয়ে পড়বে।  

  • কর্ণাটকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন ইয়েদুরাপ্পা সূত্রের খবর।

    Newsbazar,24 ডেস্ক, ১৬ইমেঃ সুত্রের খবর কর্ণাটকে পরবর্তী সরকার গড়তে চলেছে বিজেপিই। তবে কর্নাটকে সরকার গঠনের জোর তত্পরতা কংগ্রেস-জেডিএস এবং বিজেপি উভয় শিবিরেই আছে।আজই বিজেপি পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ইয়েদুরাপ্পা। সুত্রের আরও খবর রাজ্যপাল একক  বৃহত্তম দল হিসাবে বিজেপি পরিষদীয় দলের নেতা ইয়েদুরাপ্পাকে সরকার গঠনের জন্য ডাকছেন। সেক্ষেত্রে আগামীকাল কর্ণাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন বিএস ইয়েদুরাপ্পা।  এখনও পর্যন্ত একজন নির্দল এবং সাতজন কংগ্রেস বিধায়কের সমর্থনের কথা জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল থেকে এইসব বিধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। এদিন ইয়েদুরাপ্পা রাজ্যপাল ভাজুভাই ভালার সঙ্গে দেখা করে সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছেন। রাজভবন থেকে বেরিয়ে  ইয়েদুরাপ্পা বলেছেন, এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন রাজ্যপাল। রাজ্য বিধানসভার ২২৪ আসনের মধ্যে ১০৪ আসনে জিতে বিজেপি একক সংখ্যারগরিষ্ঠতা পেয়েছে। কিন্তু সরকার গঠনের জন্য আরও ৭ বিধায়ক দরকার। বিজেপির অন্যান্য নেতারাও সরকার গঠনের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।  অন্যদিকে, সরকার গঠনের দাবীদার জেডিএস শিবিরেও। কংগ্রেস নিঃশর্ত ভাবে তাদের সমর্থন দিয়েছে এবং দলের পরিষদীয় নেতা নির্বাচিত  হয়েছেন এইচ ডি কুমারস্বামী। তিনি অভিযোগ করেছেন,  ঘোড়া কেনাবেচার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চাইছে বিজেপি। মঙ্গলবার সন্ধেয় নিজেদের সংখ্যা সম্পর্কে রাজ্যপালের সাথে দেখা করে সংখ্যা জানিয়েছে  কংগ্রেস ও জেডিএস। কিন্তু বুধবার সকালে বিধায়কদের সঙ্গে যোগাযোগ করা না যাওয়ায় সতর্ক হয়ে যায় কংগ্রেস ও জেডিএস। নব নির্বাচিত কংগ্রেস বিধায়কদের বৈঠকও পিছিয়ে দেওয়া হয়। কেননা রাজশেখর পাটিল, নগেন্দ্র, আনন্দ সিং-এর সঙ্গে কংগ্রেস কোনও ভাবেই যোগাযোগ করতে পারেনি। একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, নগেন্দ্র ও আনন্দ সিং বিজেপির রেড্ডি ভাইদের খুব কাছের। অন্য একটি সূত্রের খবর, দুই জেডিএস বিধায়ক রাজা ভেঙ্কটাপ্পা নায়ক এবং ভেঙ্কট রাও নাডাগৌড়াকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। কংগ্রেস ও জেডিএস-এর একাধিক বিধায়ককে বিজেপি-র তরফে তাদের দলে যোগ দিতে বলা হয়েছে বলে দাবি।      

  • বারাণসীতে নির্মীয়মাণ ফ্লাইওভার ভেঙে পড়ে মৃত্যু ১২ জনের।

     Newsbazar, ১৫ইমেঃ ফিরল পোস্তা ফ্লাইওভার দুর্ঘটনার ভয়াবহ স্মৃতি। উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে নির্মীয়মাণ ফ্লাইওভার ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। মনে করা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এদিকে, ভগ্নস্তূপে আটকে রয়েছেন অন্তত ৫০ জন। তাঁদের উদ্ধারের কাজ চলছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। বারাণসীর ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশনের কাছে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, যাঁরা ভগ্নস্তূপে আটকে রয়েছেন তাঁদের বেশিরভাগ জনই শ্রমিক। তাঁরা ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজের কর্মী। এদিকে, ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে  ঘটনাস্থলে পৌঁছন উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব কুমার মৌর্য। এদিন , মৃতদের পরিবারের জন্য় ৫ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতদের পরিবারের জন্য ২ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

  • আগামী ২৪ ঘন্টায় আবহাওয়া সংক্রান্ত আভাস

    Newsbazar,১৫ইমেঃ কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের  পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম-সহ অসম, মেঘালয়া, নাগাল্যান্ড, মনিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরায় আগামী ২৪ ঘন্টায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বৃষ্টি হবে জন্মু ও কাশ্মীর, হিমাচলপ্রদেশ এবং উত্তরাখন্ডেও। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে পাকিস্তান এবং সংলগ্ন আফগানিস্হানে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রয়েছে। সেটি আগামী ৪৮ ঘন্টায় পূর্বদিকে সরে যাবে। মধ্য পাকিস্হান এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম রাজস্হান এবং পাঞ্জাবে সাইক্লোনের একটি চক্রও রয়েছে। ২৪ ঘন্টার পর এটি দুর্বল হয়ে পড়বে। একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশে এবং সন্নিহিত অঞ্চলে সাইক্লোনের একটি চক্র রয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টা সেটি ঐ অঞ্চলে থাকবে, এরপর এটি দুর্বল হয়ে পড়বে।      

  • আসন সংখ্যায় বিজেপিকে হারাতে পারল না কংগ্রেস

    news bazar24:রাহুল গান্ধীর হাতছাড়া হল আরও একটা রাজ্য।কর্ণাটক রাজ্যে ফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে, প্রাপ্ত ভোটের হারে বিজেপির চেয়ে এগিয়ে কংগ্রেস।বিজেপির থেকে প্রায় ১.৫ লক্ষ ভোট বেশি পেলেও নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, আসনপ্রাপ্তির নিরিখে অনেক পিছিয়ে হাত শিবির।  গণনা অনুসারে কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনে মোট ৩৮ শতাংশ ভোট পেয়েছে কংগ্রেস। সেখানে ৩৬.৭ শতাংশ ভোট গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে। জেডিএস পেয়েছে ১৭.৭ শতাংশ। অর্থাত্ বিজেপির থেকে ১.৩ শতাংশ বেশি ভোট পেয়েছে কংগ্রেস। এই পরিসংখ্যানই বলছে, স্ট্রাইকিং রেটে কংগ্রেসকে মাত দিয়েছে বিজেপি।কম ভোট পেয়েও তা আসনে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছে তারা। এর পাশাপাশি বিরোধী ভোট ভাগাভাগির সুফলও পেয়েছে গেরুয়া শিবির। উল্লেখ্য, কংগ্রেস ও জেডিএসের মিলিত ভোটের হার ৫৫.৭ শতাংশ।     নির্বাচনী কৌশলেই বিরোধীদের কুপোকাত করছে বিজেপি। কীভাবে? সম্প্রতি ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে ৪৩ শতাংশ ভোট নিয়ে ৩৬টি আসন পেয়েছে বিজেপি।গেরুয়া শিবিরের চেয়ে সামান্য কম ৪২.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে মাত্র ১৬টি আসন পেয়েছে সিপিএম। আরএসপি (০.৮%) ও সিপিআই (০.৮%) যোগ করলে বিজেপির চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে বামফ্রন্ট। 

  • মালদা শহর কি হতে পারে যানজট মুক্ত শহর ?

                শংকর চক্রবর্তী আজ ১৪ মে, মালদা শহরে ছিলোনা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে চোখে পড়েনি ট্রাফিক পুলিশের নজরদারী। চলেছে টোটো। ব্যাংক অফিস শহরের খোলা ছিলো। তারপরেও শহর ছিলো যানজট মুক্ত। শহরের মানুষ অনেক দিন পর প্রাণ খুলে নিশ্বাস নিলো। প্রচুর বয়স্ক মানুষ শান্তিতে রাস্তায় হটালেন। এখন কথা হচ্ছে আজ শহর যানজট মুক্ত থাকলো কি করে? এটাই ভাবতে হবে প্রশাসন কে ! অনেক মানুষের অভিমত শহরে সিভিক পুলিশ না থাকার জন্য এই সুন্দর চিত্র। কারো কথায় প্রাক্তম পুরোপতির লাগাম ছাড়া টোটো র অনুমোদন দেওয়া টোটো চালক রা শহরে না আসার জন্যই শহর এতো পরিষ্কার। তবে যে যাই বলুক না কেন শহর যে আজ যানজট মুক্ত ছিলো, এবং এই দৃশ্য হরতালের দিনও চোখে পড়েনা তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে কি কারণে রোজ শহর হয় যানজটে ভরাক্রান্ত? খালি টোটোর দোষ না সাথে আরো অন্য কারণ, আমার চিন্তাভাবনায় যা মনে হলো তাই তুলে ধরলাম।  ১) ভারতের বেশির ভাগ শহরে দিনের বেলায় ট্রাক পণ্য খালি করার জন্য ঢুকতে দেওয়া হয়না। মালদা শহরে চিত্তরঞ্জন মার্কেট ও বোম্বে রোডে আটার দোকান গুলোতে সারাদিন ট্রাক ঢুকে ও বেরোয়। মালদার প্রশাসন চেম্বার অব কমার্স কে সাপোর্ট করে চোখ ফিরিয়ে থাকে। 2) শহরে ডেকোরেটরএর বাঁশ , লোহা ও আয়রন সিট, কাঁচের সিট , কলের পাইপ, সাইকেল ভ্যানে ওভার লোড করে পথ চলতি মানুষের জন্য মরনফাঁদ হয়ে ধীর গতিতে চলতে থাকে।ফলে এই সাইকেল ভ্যান গুলির পেছনে আটকে পরে অসংখ্য গাড়ি। সৃষ্টি হয় যানজটের। ট্রাফিক পুলিশ ও চেম্বার চুপচাপ। 3) পৌসভার এক শ্রেণীর কর্মীদের মদতে ফুটপাত আজ দোকানি দের দখলে। বেশিরভাগ দোকানের স্যান্ডি সাইনবোর্ড ফুটপাতে। কারো কারো আবার কাস্টমার বসার চেয়ার টুল ফুটপাতে।ফলে বাধ্য হয়েই মানুষ কে রাস্তায় নেমে হাটতে হয়, আর পথ চলতি মানুষ কে পাস কাটিয়ে গাড়ি চালকদের যেতে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।প্রতিবাদের উপায় নেই, কিছু বলার উপায় নেই। ফোঁস করে উঠবে চেম্বার। কিছু বললেই মালদা বন্দ। তারপর পৌরসভার মদতও আছে। 4) মোটর সাইকেল চালাতে গেলে ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাশ করতে হয়। তারপর হাজার নিয়ম। টোটোর ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম নেই। প্রশাসকের পোষ্য পুত্র এরা। স্কুলের শিশুদেরই হোক বা সাধারণ যাত্রীদের নিয়েই হোক এরা নিজেদের মর্জিমাফিক রাস্তায় চলে। যেখানে খুশি থামে। হাত না দেখিয়েই যে দিকে খুশি ঢুকে। যেখানে খুশি দাঁড়িয়ে প্যাসেঞ্জার তোলে। এদের বেশিরভাগ চালক শুকনো নেশা করা অবস্থায় গাড়ি চালায়। আর ট্রাফিক আইন না মেনে গাড়ি চালানোর জন্য যানজটের সৃষ্টি হয়। 5) শহরে অনেক নেতার মদতে এখনো বিক্রি হয়ে চলেছে টোটো। রোজ রোজ টোটোর নতুন দোকান খুলছে। খালি পৌরসভা নয় গ্রাম পঞ্চায়েতের টোটো গুলিও সকাল হতেই শহরে চলে আসছে। 6) অনেক টোটো মালিক একাধিক টোটো কিনে নিয়েছে। যা মাসিক চুক্তিতে ভাড়া দিয়ে থাকে। এই গাড়ি গুলি চালানোর জন্য খালি মালদার গ্রাম শহর নয়, পার্শ্ববতী জেলা এমন কি বিহার ঝাড়খণ্ডের প্রচুর মানুষ গাড়ি চালাতে চলে আসছে। ফলে মালদা শহর সবসময় যানজট যুক্ত থাকছে । গ্রীনিস বুকে মালদা, টোটো শহর হিসেবে জায়গা করতে চলেছে। 7) অতুল মার্কেট থেকে বাস স্ট্যান্ড সরানো হয়েছিল যানমুক্ত শহর করার জন্য । আদৌ কি তা সম্ভব হয়েছে ? রথবাড়ি টুরিস্ট লজের সামনে পাকাপোক্ত ভাবে বাসস্ট্যান্ড হয়ে গেছে। ওখানেই বিক্রি হয় বাসের টিকিট। আর এই বাস গুলো 5-7 মিনিটের ব্যবধানেই রথবাড়ি মোহদীপুর ম্যাক্সি স্ট্যান্ডের সামনে জাতীয় সড়ক বন্ধ করে গাড়ি ঘোরানোর কাজ করে। বাস চালকদের রবীন্দ্রভবনএর কাছে বাস স্ট্যান্ডে যেতে নাকি খুব কষ্ট হয়। আবার অনেকে বলে নেতা, প্রশাসনের সাথে সেটিং। আর এই সেটিংস ই হোক বা অন্য কিছু এটাও যে যানজটের কারণ সেটাও বলার অপেক্ষা রাখেনা। 8) কালিচকে বাইপাসের কাজ শুরু করতে কয়েক বছর লেগেছিল একমাত্র রাস্তা দখলকারী দোকানদার দের সময় মত সরাতে না পারার জন্য। প্রশাসনের অবস্থা সেইসময় লেজেগোবরে হয়ে গেলেও প্রশাসন সেখান থেকে শিক্ষা নেয়নি বলেই আমার মনে হয়। রথবাড়ি মোড় এখন ( জানকি বস্ত্রলায়) এর সামনে একটা লেন রীতিমত কালিয়াচক স্ট্যান্ড। এখানেই আবার টোটো গুলো ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে ।সব মিলিয়ে এখান থেকেই প্রতিদিন যানজটের সূচনা হয়।       আমি একটা কথা জোরের সাথে বলতে পারি বেকারদের কর্মসংস্থান করা হয়েছে এই অজুহাত দিতে গিয়ে সাধারণ পথচারী দের পথ চলার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কি লাভ? মালদা জেলার বর্তমান জেলাশাস ককৌশিক ভট্টাচার্য মালদার খুব নিকট আত্মীয়। আশাকরি মালদার উপর তাঁরও ভালোবাসা আছে। পুলিশ সুপার অর্নব ঘোষ পারেন না এমন কিছু নেই। মালদার অনেক জায়গার ক্রাইম তিনি বন্ধ করে দিয়েছেন। যানজট মুক্ত শহর গড়া এই অফিসারদের পক্ষে খুব সোজা কাজ। মালদার মানুষ আশা করেন যানজট মুক্ত শহর গড়ার। যাতে সাধারণ বয়স্ক মানুষরাও নিরাপদে নিজের হার্ট, প্রেসারের ওষুধটা কিনতে দোকান যেতে পারেন। বড়কথা যান নিয়ন্ত্রিত শহর ই সুন্দর শহরের পরিচয়। ভোটের জন্য সব কিছু করতে পারা, ৫-১০ বছরের জন্য নেতা মন্ত্রীরা এটা আর কি করে বুঝবেন! বুঝলে মালদা কে টোটো শহর বলার কেও সাহস পেতনা। টোটো নিয়ে কেউ রাজনীতি করতো না। এখন দেখার বিষয় আবার কবে…….

  • বুথ ফেরত সমীক্ষায় কর্ণাটকে ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হচ্ছে,একক বৃহত্তম দল হতে পারে বিজেপি।

    Newsbazar24 ডেস্ক,১৩ইমেঃ গতকাল কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচন -২০১৮  শেষ হওয়ার পর সন্ধ্যায় ভারতের বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ও সমীক্ষক সংস্থা  এবং স্থানীয় কন্নড় ভাষার  সংবাদমাধ্যমও নিজেদের সমীক্ষা ফলাফল প্রকাশ করেছে।তাতে দেখা যাচ্ছে  ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হচ্ছে দক্ষিনের  এই  গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার জেডি (এস)-এর কিংমেকার হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রচন্ড। ২২৪টি আসনের মধ্যে ২২২টি আজ ভোটগ্রহণ হয়েছে। সরকার গড়তে চাই কমপক্ষে  ১১৩জন বিধায়ক। এবার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কার কি ফলাফল।    এবিপি নিউজ-সি ভোটারের সমীক্ষা অনুসারে বিজেপি পেতে পারে ৯৭ থেকে ১০৭টি আসন। কংগ্রেস ৮৭ থেকে ৯৯টি, জেডি (এস) ২১ থেকে ৩০টি ও অন্যান্যরা ৪টি আসন পেতে পারে। টাইমস নাও-ভিএমআরের  হিসাব অনুযায়ী, কংগ্রেস ৯০ থেকে ১০৩টি আসন পেতে পারে । বিজেপি পেতে পারে  ৮০-৯৩টি আসন।জেডি(এস)- পেতে পারে ৩১-৩৯টি আসন। রিপাবলিক টিভি-র  সমীক্ষায় বিজেপি-র ঝুলিতে যেতে পারে  ৯৫-১০৪টি আসন।কংগ্রেসকে পেতে পারে ৭৩ থেকে ৮২টি আসন। দেবগৌড়ার দল পেতে পারে ৩২-৪৩টি আসন। নিউজএক্স সমীক্ষায় জানিয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস ও জেডি (এস) যথাক্রমে ১০২-১১০, ৭২-৭৮ ও ৩৫-৩৯টি আসন পেতে পারে। ইন্ডিয়া টুডে- অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার সমীক্ষা অনুসারে ১০৬-১১৮টি আসন পেতে পারে কংগ্রেস, বিজেপি ৭৯ থেকে ৮২টি।  দেবগৌড়ার দল পেতে পারে ২২-৩০টি আসন।  কন্নড় সংবাদমাধ্যম বিজয়বাণীর বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী বিজেপি ১০৫টি আসন পেতে পারে   কংগ্রেস পেতে পারে ৭৮টি আসন। জেডিএস পেতে পারে ৩৩টি আসন। এছাড়া অন্যান্যরা পেতে পারে ৬টি আসন। স্থানীয় সুবর্ণবাণী সংবাদমাধ্যমের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী কংগ্রেস সবচেয়ে বেশি আসন পেতে পারে । কংগ্রেস পেতে পারে ১০৬-১১৮টি আসন। বিজেপি পেতে পারে ৭৯-৯২টি আসন।  জেডিএস পেতে পারে ২২-৩০টি আসন। এবং অন্যান্যদের ভাগ্যে জুটতে পারে ১ থেকে ৪টি । টিভি কন্নড়ের বুথ ফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি একশোর বেশি আসন পেলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। বিজেপি পেতে পারে ১০৩টি আসন। এছাড়া কংগ্রেস পেতে পারে ৮৬টি আসন। এছাড়া জেডিএস পেতে পারে ৩১টি আসন।      

  • কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচন -১৮,ভোট পড়েছে ৭০ শতাংশ ভোট হয়েছে শান্তি পূর্ণভাবে

     Newsbazar, ডেস্ক, ১২ইমেঃ কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহন পর্ব শান্তিপূর্ণ ভাবে শেষ হয়েছে।  সময় পেরিয়ে যাবার পরেও  কয়েকটি কেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের লাইন থাকলেও মোটামুটি ৭০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কয়েকটি বুথে ইভিএম খারাপ হওয়া, ভোটার তালিকায় নাম না থাকার মতো ঘটনা নিয়ে বিপত্তি ছাড়া মোটের ওপর ভোট হয়েছে শান্তি পূর্ণ। এছাড়া কয়েক জায়গায় টাকা বা গয়না বিলিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগও উঠেছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায় বারে কর্ণাটকে মোট ভোটার ছিলেন ৪.৯৭ কোটি। প্রার্থী ছিলেন প্রায় ২৬০০ জন। এদিন ভোট হয় মোট ২২২টি কেন্দ্রে। দুটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত ছিল। জয়নগরে বিজেপি প্রার্থী তথা বিধায়ক বি এন কুমার মারা যাওয়ার কারণে সেখানে ভোট হয়নি।এছাড়া ব্যাপক পরিমাণে ডুপ্লিকেট ভোটার  কার্ড পাওয়ার জন্য  বন্ধ ছিল রাজরাজেশ্বরী কেন্দ্রের ভোট। এছাড়া ইভিএম খারাপ হয়ে যাওয়ায় হেব্বলেপ দু নম্বর বুথে আগামী সোমবার  ফের ভোট গ্রহন হবে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে চিক্কবল্লপুর ও রামনগরে। এই দুই কেন্দ্রে ভোট পড়ে ৭৬ শতাংশ। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যভাবে কম ভোট পড়েছে বেঙ্গালুরু শহরে। উত্তর ও দক্ষিণ দুটি কেন্দ্রেই ভোটার হার ছিল ৪৭ শতাংশ। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার বাদামী কেন্দ্রের টিপ্পুনগরে ১৪২, ১৪৩ ও ১৪৪ নম্বর বুথেও খুব কম ভোট পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কাজের অভাবে বাসিন্দারা সবাই জেলার বাইরে আছে। তাই এখানে ভোট কম। কালবুর্গীতে প্রচন্ড গরমের জন্য ভোট কম পড়েছে বলে দাবি বাসিন্দাদের। আবার হুবলিতে প্রচন্ড বৃষ্টিতে থমকে যায় ভোটগ্রহন প্রক্রিয়া। সকাল সকাল ভোটের লাইনে দেখা গিয়েছে দুই প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড় ও অনিল কুম্বলেকে। কুম্বলে রাজ্যবাসীকে বেশি করে ভোট দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছিলেন। ভোট দিতে দেখা গিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনন্ত কুমার মল্লিকার্জুন খাগড়ে-কে। তুমাকুরুর একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছিলেন শতায়ু পেরনো সিদ্ধগঙ্গা মঠের প্রধাণ শিবকুমার স্বামীজীও। ভোট দিয়েছেন প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী বিজেপি নেতা এস এম কৃষ্ণ। চামুন্ডেশ্বরীতে ভোট দেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। শিমোগার শিখরপুরে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ইয়েদুরাপ্পা। অনেক প্রতিবন্ধী ভোটারকেও ভোট দিতে দেখা গিয়েছে। বিয়ের আসর থেকে ভোট দিতে এসেছেন এক নবদম্পতিও। আবার অনেক নবীন ভোটারকে ভোট দিয়ে উৎসাহে  সেলফি তুলতে দেখা গিয়েছে। কারন এবারই তারা প্রথম ভোট দিলেন।

  • কোন ব্যক্তির উদ্ভাবন বা আবিস্কারকে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করতে হবে। : ডঃ হর্ষবর্ধন

    Newsbazar , ডেস্ক, ১১ইমেঃ বিজ্ঞানের দ্বারা অসম্ভব বিষয়েরও মীমাংসা সম্ভব।  একইসঙ্গে, কোন ব্যক্তির উদ্ভাবন বা আবিস্কারকে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করতে হবে। এজন্য, নিরন্তর চিন্তাভাবনা করার প্রয়োজন আছে যাতে নতুন কিছু উদ্ভাবন করা সম্ভব হয় এবং যেটি মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা যায়। অতএব আমাদের নতুন কিছু করে দেখানোর প্রচেষ্টা অবশ্যই নতুন কিছু করে দেখানোর প্রচেষ্টা অবশ্যই চালাতে হবে। এ ধরনের উদ্ভাবন বা আবিস্কারে অবশ্যই সহযোগিতা করবে সরকার। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বন ও পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রী ডঃ হর্ষবর্ধন আজ এখানে একথা জানান জুলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (জেডএসআই) পরিদর্শন করার পর। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পরিবেশের অবক্ষয় নিয়ন্ত্রনে আনতে দেশবাসীকে সচেষ্ট হতে হবে। একইসঙ্গে নজর রাখতে হবে যাতে জলবায়ুর ওপর কোনও নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে। তিনি ‘ডঃ হর্ষবর্ধন’  নামাঙ্কিত অ্যাপের উল্লেখ করে ঐ অ্যাপের সাহায্যে পরিবেশ-সহায়ক ‘গ্রীন গুড ডিডস’ আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান, যে আন্দোলনের ফলে আগামী প্রজন্মের শিশু এবং পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে। তিনি দেশের নাগরিকদের পরিবেশ সহায়ক দায়িত্বগুলির কথা স্মরণ করিয়ে তাদের আচার-ব্যবহার যাতে ক্রমে পরিবেশ-বান্ধব হয়ে ওঠে সে ব্যাপারে নজর দিতে বলেন।        এই উপলক্ষ্যে ডঃ হর্ষবর্ধন ভারতীয় প্রাণীতত্ব সর্বেক্ষনের ‘এসচুয়াবাইন বায়ো ডাইভারসিটি ইন ইন্ডিয়া’ বইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন। সংস্হার নির্দেশক ডঃ কৈলাশ চন্দ্রের হাতে পোলিও দুর করা নিয়ে নিজের লেখা বই ‘এ টেল অফ টু ড্রপস’ তুলে দেন। ডঃ চন্দ্র সংস্হার দেশব্যাপি কাজকর্ম সম্পর্কেও মন্ত্রীকে অবগত করেন। দেশে এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ৬৯৩টি প্রজাতির প্রাণীর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তা সত্ত্বেও বহু প্রজাতির অস্তিত্ব এখনও মেলে নি বলে ডঃ চন্দ্র জানান। অনুষ্ঠানে প্রাণী বিজ্ঞানী (এফ)কে সি গোপ-ও উপস্হিত ছিলেন।

  • জবাই করার আগে ট্রাক ভর্তি কুকুর উদ্ধার অসমে

    News bazarer:ভাগাড়কাণ্ডের মাঝেই অসমে ধরা পড়ল কুকুরভর্তি মিনিট্রাক। বুধবার রাতে অসমের নওগাঁও জেলার কোলিয়াবোরের কাছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রাক থেকে উদ্ধার করা হয় কমবেশি ৬০টি কুকুর। জবাই করার জন্য তাদের পাচার করা হচ্ছিল বলে জানতে পেরেছে অসম পুলিস। বুধবার রাত ১০.৩০ মিনিট নাগাদ নওগাঁওয়ের কোলিয়াবোরের কাছে একটি গাড়ির সঙ্গে মিনিট্রাকের সংঘর্ষ হয়। ঘটনায় আহত তিন জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পলাতক মিনিট্রাকের চালক ও তাঁর সহযোগী। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিস্মিত হন পুলিসকর্মীরা। ট্রাকের মধ্যে পা-মুখ বাঁধা অবস্থায় ছিল সারমেয়গুলি। রাস্তা থেকে তাদের বেআইনিভাবে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। দীর্ঘক্ষণ খাবার-জল না পেয়ে কাহিল হয়ে পড়েছিল প্রাণীগুলি। যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল তারা। তাদের মধ্যে পাঁচটি মৃত কুকুর ছিল। বাকি সারমেয়গুলিকে হাতিবোন্ধায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন নওগাঁওয়ের পুলিস সুপার শঙ্কর রাইমেধি। পিপল ফর অ্যানিম্যাল সংগঠনের চেয়ারপার্সন সংগীতা গোস্বামী বলেন, 'ঘটনাটি আমরা খতিয়ে দেখছি। কুকুরগুলিকে পুলিস ছেড়ে দিয়েছে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত হতে চাইছি আমরা। অল্প কিছু টাকার জন্য বেশ কয়েকজন যুবক কুকুর পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। নিদারুণ অত্যাচার চালানো হয় সারমেয়গুলির উপর। তারা যাতে চেঁচাতে না পারে সে জন্য সেলাই করে দেওয়া হয় কুকুরগুলির মুখ।

  • ভারতীয় সভ্যতা নিয়ে নতুন দিল্লির ভারতীয় যাদুঘরে প্রদর্শনী

    Newsbazar, ৫মেঃ নতুন দিল্লির ভারতীয় যাদুঘরের প্রেক্ষাগৃহে  আজ শনিবার এক প্রদর্শনী শুরু হল। প্রদর্শনীর বিষয় ‘ভারত  ও বিশ্ব : ৯টি গল্পে এক ইতিহাস ’। আজ  বিকেল ৫টায় প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন  কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ডঃ মহেশ শর্মা। লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়াম, নতুন দিল্লীর ভারতীয় যাদুঘর এবং মুম্মাইয়ের ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ বাস্তু সংগ্রহালয়ের উদ্যোগে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে প্রাচীনকাল থেকে ভারতীয় সভ্যতার ক্রমবিকাশ এবং বর্হিবিশ্বের সঙ্গে তার যোগাযোগের নানা দিক কালানুক্রমে তুলে ধরা হচ্ছে। ২০ লক্ষ বছরের ইতিহাস প্রদর্শনীতে স্হান পাচ্ছে। ভারতের স্বাধীনতার ৭০ বছর পূর্তি উদযাপনের অঙ্গ হিসাবে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে ব্রিটিশ মিউজিয়ামের ২০০টি নমুনা এবং ভারতের ২০টি যাদুঘর ও ব্যক্তিগত সংগ্রহের নানা নমুনা থাকছে।

  • আমুল, মাদার ডেয়ারির দুধও আর খাটি নয় ।দাবি দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের

    news bazar24 : দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনর দাবি, আমুল, মাদার ডেয়ারির দুধও খাটি নয় , ওই দুই সংস্থার দুধের ২১টি নমুনায় ভজালের স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে। তবে তাতে স্বাস্থ্যের কোনও ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।  দিল্লির স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কথায়, দুধে ৫ শতাংশ স্নেহপদার্থ বা ফ্য়াট থাকার কথা। সেখানে দুধের ২১টি নমুনায় মাত্র ৩ শতাংশ স্নেহপদার্থ ছিল। সহজ কথায় বললে, দুধে জল মেশানো হয়েছিল। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে দিল্লি জুড়ে মোট ১৭৭টি দুধের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। যার মধ্যে ১৬৫টি নমুনার ফল ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। ২১টি নমুনায় ভেজাল রয়েছে বলে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে। দিল্লি সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবে তারা। 

  • পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচটি রাজ্যের রাজ্য দূষণ পর্ষদকে শক্তিশালী করার ব্যবস্হা নিল এনএমসিজি

    Newsbazar24.com,ঃপশ্চিমবঙ্গ-সহ গঙ্গা অববাহিকাবাহী পাঁচটি রাজ্যের রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে শক্তিশালী করার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে নির্মল গঙ্গা বিষয়ক জাতীয় মিশন বা এনএমসিজি। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া বাদবাকি রাজ্যগুলি হল উত্তরাখন্ড, উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও ঝাড়খন্ড। একইসঙ্গে গঙ্গা পুনরুজ্জীবনের কাজকে ত্বরান্বিত করতে এই মিশন দেশের সুপ্রাচীন বৈজ্ঞানিক বিগ সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্হা বা জিআইএস প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছে। সম্প্রতি নির্বাহী সমিতির একাদশতম বৈঠকে এই প্রকল্পের অনুমোদন পাওয়া যায়। এই প্রযুক্তি গঙ্গা পুনরুজ্জীবনের কাজে ব্যবহার করার জন্য হিসেব মতো ৮৬.৮৪ কোটি টাকা খরচ হবে। প্রকল্পটিতে ডিজিটাল এলিভেশন মডেল বা ডিইএম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, যার ফলে, সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা যাবে। এই প্রযুক্তির সাহায্যে একটি এলাকার সম্পূর্ণ ভৌগোলিক বিবরণ চিহ্নিত করা সম্ভব হবে এবং এর ফলে, নীতি নির্ধারকরা প্রাপ্ত তথ্যের পর্যালোচনা করতে পারবেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারবেন। এই জিআইএস প্রযুক্তি নমামী গঙ্গে কর্মসূচিতে ব্যবহারের ফলে বিকেন্দ্রীকরণও সম্ভব হবে। এছাড়াও, এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে জনসাধারণ এ বিষয়ে তাদের মতামত জাতীয় স্তরে পৌঁছে দিতে পারবে। পাশাপাশি, গঙ্গা অববাহিকাবাহী পাঁচটি রাজ্যে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে শক্তিশালী করার প্রকল্পটি রূপায়িত হলে পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচটি রাজ্য প্রায়শই গঙ্গা জলের মান নির্ধারণ করতে পারবে এবং যদি কোন পার্থক্য থাকে জলে, তখন যথাযথ ব্যবস্হা নিতে পারবে।        প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে ৩৫৮.৪৩ কোটি টাকার দুটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে যাতে হুগলি-চুঁচুড়া এবং মহেশতলা পৌর এলাকায় নিকাশী ব্যবস্হার বিকাশ ঘটানো যায়। দুটি প্রকল্প রূপায়ণের ফলে দিন প্রতি প্রায় ৫৬ মিলিয়ন লিটার নোংরা জল সরাসরি গঙ্গা জলে মিশে যাওয়া রোখা সম্ভব হবে। মহেশতলায় এই প্রকল্পের আওতায় নিকাশী নালা ভিন্নমুখী করার কাজ হবে(২৭কিমি)। একইসঙ্গে পরিকাঠামোর পুনর্বাসনের কাজ এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজও হবে। এর জন্য খরচ হবে ১৯৮.৪৩ কোটি টাকা। হুগলি-চুঁচুড়ার ২০ কিমি লম্বা নিকাশী নালা, দুটি পাম্পিং স্টেশন, পরিকাঠামোর পুনর্বাসন প্রভৃতির কাজ হবে। এর জন্য হিসেব মতো ১৬০ কোটি টাকা খরচ হবে।    

  • ২০১৯-র পদ্ম পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন জমা নেওয়া শুরু

    নয়াদিল্লী,৪মেঃ ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকেরপক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে পদ্ম পুরস্কারের জন্য অনলাইনে মনোয়নয়ন/ প্রস্তাব পাঠানোর প্রক্রিয়া গত পয়লা মে শুরু হয়েছে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর। আগামী বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের নাম ঘোষনা করা হবে।        এই পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন বা প্রস্তাবনা কেবলমাত্র অনলাইনেই (www.padmaawards.gov.in.) পাঠানো যাবে। যে কোনও ব্যক্তিই নিজের বিবরণী সহ মনোনয়ন বা প্রস্তাবনা পাঠাতে পারেন। মনোনয়ন বা প্রস্তাবনা পাঠানোর সময় সমস্ত প্রাসঙ্গিক বিবরণ সর্বোচ্চ ৮০০ শব্দের মধ্যে লিখতে হবে। ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত বিশদ তথ্য দেওয়া রয়েছে। যে ব্যক্তির নাম পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন বা প্রস্তাবনা হিসাবে পাঠানো হচ্ছে, তাঁর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট ও গুনাবলী এবং ব্যতিক্রমী সাফল্যের কথা বিবরণীতে উল্লেখ করতে হবে।        পদ্ম-পুরস্কার অর্থাৎ পদ্মবিভূষন, পদ্মভূষন ও পদ্মশ্রী দেশের সর্বোচ্চ অ-সামরিক সম্মান। ১৯৫৪ সাল থেকে প্রতি বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন এই পুরস্কার প্রদান করা হয়ে আসছে। এই পুরস্কার শিল্প, সাহিত্য ও শিক্ষা, ক্রীড়া, চিকিৎসা, সমাজসেবা, বিজ্ঞান ও কারিগরি, নাগরিক পরিষেবা, বাণিজ্য, শিল্প সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়।  পুরস্কারের বিষয়ে বিশদ জানতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ওয়েবসাইট (www.mha.nic.in) দেখা যেতে পারে।

  • রাজস্থান উত্তর প্রদেশে ঝড় বৃষ্টিতে মৃত ১০০ এর উপর

    News bazar24 :&প্রবল বৃষ্টিতে ক্রমশ গুরুতর হচ্ছে উত্তর প্রদেশ এবং রাজস্থানের অবস্থা। ধুলোঝড় এবং প্রবল বৃষ্টির জেরে রাজস্থান এবং উত্তর প্রদেশে ১০০ জনেরও বেশি মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। আহত কমপক্ষে ২০০। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে ইতিমধ্যেই ওই দুই রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জোর কদমে চলছে উদ্ধার কাজও। আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তর প্রদেশ এবং রাজস্থানে শক্তিশালী ঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। জানা যাচ্ছে, পূর্ব রাজস্থানের আলোয়ার, ধওলপুর, ভরতপুর জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে বিদ্যুত্ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বিস্তীর্ণ এলাকায়। উপড়ে পড়েছে একাধিক গাছ। তবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ভরতপুর জেলায়।;

  • বিহারে বাসে আগুন লেগে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু ২৭ জন যাত্রীর ,আহত অনেক

    newsbazar24 : বাসে আগুন লেগে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হল ২৭ জন যাত্রীর। আহত বেশ কয়েকজন। আহতদের প্রত্যেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের মোতিহারিতে ২৮ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর। জানা যাচ্ছে, ৩২ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি মুজফ্ফরপুর থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। ২৮ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর কোটওয়া থানা এলাকার চেতয়ার কাছে বাঁক নিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি উল্টে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই তাতে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাসটিতে। স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্ঘটনার পরই ছুটে আসেন উদ্ধারকাজে। তারা জানিয়েছেন, ৫ জনকে উদ্ধার করা গেলেও বাকিদের সেখান থেকে বের করা যায়নি। এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে আখ্যা দিয়ে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বিহারের মু্খ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।

  • আপনি কি ট্রেনে চা কফি কিনে খান ? জেনে নিন কি দিয়ে বানানো হয় সেই চা ।

    news bazar24 : ট্রেনে কি আর চা কফি কিনে খাবেন ? বাথরুম থেকে জল নিয়ে তা দিয়ে চা-কফি বানানো হচ্ছে। সেকেন্দ্রাবাদ রেল স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেনের কামরায় তিনজন চা-বিক্রেতার এই কীর্তির ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিও হাতে পেয়ে এক ভেন্ডিং কন্ট্রাক্টরকে ১ লক্ষ টাকা জারিমানা করল দক্ষিণ-মধ্য রেল। সেই সঙ্গে এই ধরনের কীর্তি ভবিষ্যতে আর ঘটলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে ভারতীয় রেল। ট্রেনে চা-বিক্রেতাদের রমরমা নতুন নয়। সকাল হোক বা বিকেল, দূরপাল্লার ট্রেনে চায়ের খোদ্দের থাকেই। কিন্তু, তারা যা কিনে খাচ্ছেন সেটা কী আদৌ নিরাপদ? কী থাকছে সেই চায়ে? গত বছর ডিসেম্বর মাসে ওই ভিডিওটি তোলা হয়। সেখানে দেখা গেছে, এক চা বিক্রেতা স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেনের বাথরুম থেকে চায়ের ক্যানে জল ভরে নিয়ে বেরচ্ছেন। তাঁকে সাহাজ্য করতে এগিয়ে এসেছেন আরও তিন চা বিক্রেতা।          দক্ষিণ-মধ্য রেলের মূখ্য জনসংযোগ আধিকারিক উমাশঙ্কর কুমার বলেন, এই ঘটনার তদন্ত করে ট্রেনের সাইড ভেন্ডিং কন্ট্রাক্টরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এরপর থেকে কাকে এই লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হবে।