���������������


  • কলকাতা সহ,বিভিন্ন জেলার যা খবর, ষষ্ঠীতে রাস্তায় রাস্তায় একেবারে উপচে পড়া ভিড়।

    ডেস্ক:  রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঠাকুর দেখা শুরু হয়ে গিয়েছিল পঞ্চমীতেই।কলকাতার প্রধান পূজো গুলো আবার দ্বিতীয়া থেকেই খুলে দেওয়া হয় দর্শকদের জন্য। উত্তর বঙ্গ সহ দক্ষিণের বিভিন্ন জেলার যা খবর, ষষ্ঠীতে রাস্তায় রাস্তায় একেবারে উপচে পড়া ভিড়। উত্সবের আনন্দে মেতে উঠেছে আট থেকে আশি। সকাল থেকেই ঠাকুর দেখার দেখার ভিড় হতে শুরু করে। এরপর বেলা যত গড়িয়েছে, ভিড়ও তত বেড়েছে। কলকাতার রাজপথে ভিড় তো রয়েছেই, কিন্তু ভিড় টানার নিরিখে পিছিয়ে নেই ছোটো বাজেটের পুজোগুলিও। এবার থিম পুজোই বেশি। নতুন চিন্তা, নতুন ভাবনা। নানা সাজেপর মণ্ডপ, প্রতিমা, আলোকসজ্জা। মালদাতেও এবছর থিম পুজোর প্রতিযোগিতা। দুই পৌরসভা সহ গ্রামের পূজো গুলোও এবার নজর কাড়ছে। মালদার সর্বজয়ী, অভিযাত্রী, ইউনাইটেড ইয়ংস, অনীক সংঘ, মঙ্গল সমিতি, হিমালয় সংঘ, বিবেকানন্দ পল্লীর পূজো ইতি মধ্যে সারা ফেলে দিয়েছে। বলা বাহুল্য, তিতলির সৌজন্য পুজোর কিছুদিন আগে থেকেও মুখ ভার ছিল আকাশের। কিন্তু পঞ্চমীর সকাল থেকেই আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু করেছে। বৃষ্টির কোনও নামগন্ধ নেই। দক্ষিণের একডালিয়া এভারগ্রীন, সুরুচি সংঘ, মুদিয়ালীর পাশাপাশি উত্তরের সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার, মহম্মদ আলি পার্ক, কলেজ স্কোয়ার, মিলন সংঘ, নলিনী সরকার স্ট্রিট, ৯ পল্লীর মন্ডপে ছিল রেকর্ড ভিড়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই বেড়েছে সেই ভিড়ও। যত সময় এগোচ্ছে ভিড় তত বাড়ছে। এদিকে মেট্রো স্টেশনগুলিতে পা রাখার উপায় নেই। রাস্তায় দু-পা এগোতেই হাঁপিয়ে ওঠার জোগাড়! ষষ্ঠীতেই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে অষ্টমী, নবমীতে ভিড় যে কতটা হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে ভিড় যতই হোক না কেনো কষ্ট হলেও পুজোর এই কয়দিন অনোনদে মেতে উঠতে হবে। কারন শারদ উৎসব মানেই যে সব ধর্মের মানুষের আনন্দে মেতে ওঠার উৎসব।

  • বিশ্ব বাংলা শারদ সন্মান : জেলার সেরা পূজা হিসাবে হিলির বিপ্লবী সংঘ,

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ১৫ অক্টোবরঃ সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশ্ব বাংলা শারদ সন্মান ২০১৮ ঘোষণা করা হল। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শাসকের সভাকক্ষে সাংবাদিক সম্মেলনে জেলা তথ্য ও সাংস্কৃতিক দপ্তরের আধিকারিক শান্তনু চক্রবর্তী জানান, এবারে জেলার সেরা পূজা হিসাবে হিলির বিপ্লবী সংঘ, গঙ্গারামপুরের চিত্তরঞ্জন স্পোর্টিং এ্যান্ড কালচারাল ক্লাব ও বালুরঘাটের অভিযাত্রী ক্লাব এ্যন্ড লাইব্রেরীকে বিবেচিত করা হয়েছে। জেলার সেরা মন্ডপ হিসাবে গঙ্গারামপুরের হাইস্কুলপাড়া সার্বজনীন দুর্গাপূজা, বালুরঘাটের কচিকলা একাডেমী ও বালুরঘাটের সৃজনী সংঘ এ্যান্ড লাইব্রেরী হিসাবে বিবেচিত হয়। সেরা প্রতিমায় প্রথম ত্রিমোহিনীর অমর ফ্রেন্ডস্‌ স্টাফ, দ্বিতীয় বিংশ শতাব্দী ক্লাব বালুরঘাট ও তৃতীয় ইউথ ক্লাব গঙ্গারামপুর। গ্রীন পূজা হিসাবে বালুরঘাটের আর্য সমিতি প্রথম, দ্বিতীয় হিসাবে বিবেচিত হয়েছে বালুরঘাটের দিশারী ক্লাব এ্যন্ড লাইব্রেরী ও তৃতীয় বালুরঘাটের মহামায়া ক্লাব। পূজার পরে এই সব ক্লাবের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বলে প্রশাসন সুত্রে জানানো হয়েছে।

  • দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে নতুন বস্ত্র বিতরণ

    সুমিত ঘোষ:বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারদ উৎসব কে সামনে রেখে শুভ ষষ্ঠীর সকালে পুরাতন মালদার নারায়ণপুরের পার দিঘি এলাকায় দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে নতুন বস্ত্র বিতরণ করলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী রঞ্জিত মুসারদি। এদিন তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে সপরিবারে আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় পৌঁছে গিয়ে দূঃস্থ প্রায় শতাধিক মানুষদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করেন এবং কিছু শুকনো খাবার তুলে দেন। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

  • আজ মহাষষ্ঠী : জগতের কল্যাণ কামনায় দেবী দুর্গা এলেন মর্ত্যলোকে।

    ডেস্ক: আজ মহাষষ্ঠী। মহালয়া দিয়ে শুরু হওয়া দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা আজ থেকে জমে উঠেছে মন্ডপে মন্ডপে। শরতের আকাশে বর্ষার কৃষ্ণবর্ণ মেঘ যখন শুভ্ররূপ ধারণ করে, তখন পৃথিবীতে আগমণ ঘটে দেবী দুর্গার। দেবিদুর্গার আরাধনা লাভের জন্যই এই মহোৎসব। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে, পুরানকালে দেবতারা মহিষাসুরের অত্যাচারে স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হয়েছিল। তখন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের শরীর থেকে আগুনের তেজরশ্মি একত্রিত হয়ে আর্বিভূত হয় দুর্গা দেবীর। দেবী দুর্গাকে সকল দুঃখের বিনাশকারিনী বলা হয়। তিনিই পরমব্রহ্ম, অন্যান্য দেব দেবীরা হলো তাঁর বিভিন্ন রূপ মাত্র। আজ থেকে ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীতে ভাগ হয়ে দুর্গাপূজা পালন হবে। দুর্গাপূজার ষষ্ঠ দিনটিকে দুর্গা ষষ্ঠী বা মহাষষ্ঠী বলা হয়। এই দিনে দেবী দুর্গা কৈলাশের যাত্রা শেষ করে মর্তে আগমন করেন। দিনটি শুরু হয় দেবীর মুখ উন্মোচন ও বোধন দিয়ে। ষষ্ঠীপূজার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ষষ্ঠী হলো চান্দ্র মাসের ষষ্ঠ দিন। সে অনুযায়ী প্রতি মাসেই ষষ্ঠী আসে বিভিন্ন তাৎপর্য নিয়ে। যেমন নীলষষ্ঠী, জামাইষষ্ঠী, দুর্গাষষ্ঠী। দুর্গাষষ্ঠীতে বংশধরদের কল্যাণ কামনা করা হয়। মায়েরা দুর্গাপূজা শুরুর এই দিনে সন্তানদের মঙ্গল কামনা করে দেবীকে অঞ্জলি দেন। দুর্গা ষষ্ঠী মায়েদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। সারাদিন উপোষ মায়েরা সন্তানের সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করবেন। এই বিশেষ দিনে আমিষ ও চাল খাওয়া থেকে বিরত থাকেন অনেকেই।

  • সরকারি অনুষ্ঠানসহ মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানেও জমি মাফিয়ারা উপস্তিত থাকছেন-শঙ্কর মালাকার।

    Newsbazar 24 ,ডেস্ক, মালদা, ১৪ অক্টোবর : শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ির জমি মাফিয়ারা  সরকারি অনুষ্ঠানসহ মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানেও যোগ দিচ্ছে । অভিযোগ জানানোর পরও পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে, এবং  সেই সকল জমি মাফিয়াদের নামের তালিকা তৈরি করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখতে চলেছেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির কংগ্রেস বিধায়ক শংকর মালাকার।  উত্তরবঙ্গ সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রী পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন  জমি মাফিয়াদের গ্রেপ্তারের জন্য । তাঁরই নির্দেশে গ্রেফতার করা হয়েছিল তৃনমূলের এক কাউন্সিলার  জমি মাফিয়াকে। তারপরেও  পুলিশ কিছু  ধড়পাকড় করে । শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের তরফে প্রায় একমাস ব্যাপী অভিযান চালানো হয়।  বিধায়কের অভিযোগ, যাদের ধরা হয়েছে তাদের মধ্যে রাঘব বোয়ালরা নেই।    তিনি এই ব্যাপারে  জমি মাফিয়াদের পাশাপাশি  ভূমি রাজস্ব দপ্তরের  বিএল আর ও সহ আধিকারিকদের বিরুদ্বে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন এদের দ্বারা পতিত জমি সরকারি জমিতে পরিণত হয়। একজনের  জমি অন্যের নামে পরিবর্তিত হয়ে যায়।শংকর মালাকার বলেন  জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লক সহ শিলিগুড়ি মহকুমার অধীন খড়িবাড়ি, মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি এলাকায় এমন অভিযোগ রয়েছে অনেক। দলগতভাবে সেই সব অভিযোগের নথি সংগ্রহ করা হচ্ছে। বেশকিছু নথি সংগ্রহের কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।  সূত্রের খবর অনুযায়ী বিধায়কের আরও অভিযোগ, এইসব জমি মাফিয়ারা, উত্তরবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে অংশ নেন। কিংবা অনুষ্ঠান মঞ্চের আশপাশে ঘোরা ফেরা করতে দেখা যায়। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি নিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন শঙ্কর মালাকার। তার মধ্যে কয়েকজন ধরাও পড়ে। অভিযোগ বেশিরভাগই অধরা থেকে গিয়েছে বলে অভিযোগ। তাই ফের জমি মাফিয়াদের নাম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠাচ্ছেন তিনি।  

  • শারদ উৎসব উপলক্ষে দুঃস্থ মহিলাদের পাশে " বন্ধু"

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ১৪ অক্টোবরঃ 'বন্ধু' নামে বালুরঘাটের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে রবিবার এলাকরা দুঃস্থ বয়স্কা মহিলাদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণের পাশাপাশি মধ্যাহ্নকালীন আহার এবং মরণোত্তর দেহদান করা হল। এদিন দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট থানার কুড়মাইল এলাকায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। বালুরঘাটের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা 'বন্ধু' র উদ্যোগে ও কামারপাড়ার 'মোরান' নামে অন্য একটি সদস্যার ব্যবস্থাপনায় এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কামারপাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসক ডাঃ সাগর বেসরা, সমাজকর্মী তথা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সর্বোচ্চ রক্তদাতা প্রদীপ সাহা , কুড়মাইল ডায়েট কলেজের শিক্ষক রাজু মণ্ডল , চাইল্ডলাইন-‌এর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সঞ্চালক সূরজ দাশ ও শিক্ষক ও সমাজসেবী তুষারকান্তি দত্ত। কামারপাড়া এলাকার দিলীপ সাহা, অভিজিত সরেন এবং দেবরাজ মোহন্ত নামে তিন যুবক মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকার করেন । তাদের হাতে মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকার পত্র তুলে দেন ডাঃ সাগর বেসরা । উপস্থিত এলাকার বয়স্কা মহিলাদের সচেতনতা বাড়াতে সরকারী বিভিন্ন স্কীম নিয়ে আলোচনা করেন চিকিৎসক বেসরা। এছাড়াও স্বাস্থ্য সচেতনতার বিভিন্ন বিষয়ে সচেতন করেন তাদের। আয়োজক সংস্থা 'বন্ধু'র অন্যতম কর্ণধার শিক্ষক অলিন্দ চক্রবর্তী ও 'মোরান' এর কর্ণধার কৌশিক বিশ্বাস জানান, এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত কামারপাড়া এলাকার দুঃস্থ, অসহায় ও বয়স্কা মহিলাদের হাতে এদিন নতুন বস্ত্র তুলে দিতে পেরে তারা ভীষণ খুশি । অনুষ্ঠান শেষে ডাল,ভাজা, সব্জী, ভাত, সয়াবিনের তরকারি, চিকেন, চাটনি সহকারে মধ্যাহ্নকালীন আহারে অংশগ্রহণ করেছিলেন সকলে ।

  • রাতে উচ্চস্বরে টিভি চালানোর প্রতিবাদ করায় দুই পরিবারে সংঘর্ষ, আহত ৬জন।

    Newsbazar 24 ,ডেস্ক, মালদা, ১৪ অক্টোবর : মালদা শহরের ঝলঝলিয়ার নেতাজি কলোনি এলাকায় অনেক রাতে খুব জোরে  টিভি চালানো নিয়ে বচসার জেরে  আহত হলেন দুই পরিবারের কয়েকজন । তাদের মধ্যে বেশী আহত কয়েকজনকে  মালদা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে । রাতেই দুই পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ  জানানো হয়। ঝলঝলিয়ার নেতাজি কলোনি এলাকার বাসিন্দা রাজকুমার দাস(৪৫) , সুবল দাস (৫৮) ও কৃষ্ণ দাস (৫৬)।  এরা পাশপাশি থাকেন অভিযোগ রাজকুমারের ছেলে তাপস প্রতিদিন রাতে খুব জোরে টিভি  চালিয়ে রাখেন। এনিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বহুবার অভিযোগ জানালেও তাতে কর্ণপাত করেননি তাপস। গতরাতেও একই ঘটনার  পুনরাবৃত্তি ঘটলে  সুবল দাসের  ছেলে জয়ন্ত দাস (২৬) টিভির সাউন্ড কমানোর জন্য রাজকুমারের বাড়িতে বলতে যান। অভিযোগ, সেখানে তাঁকে মারধর করে রাজকুমার ও তাপস। জয়ন্তর চিৎকার শুনে তার বাবা ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হন। এই নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। জখম হন কৃষ্ণ ও রাজকুমারের স্ত্রী চন্দনা।  এরপর গতরাতেই থানায় অভিযোগ জানাতে যায় দুই পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের প্রথমে চিকিৎসার পরামর্শ দেয় পুলিশকর্মীরা। প্রাথমিক চিকিৎসার পর জয়ন্ত, তাপস ও চন্দনাদেবীকে ছেড়ে দেওয়া হলেও মালদা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন সুবল, কৃষ্ণ ও রাজকুমার। সুবলের পরিবারে অভিযোগ গতরাতে  যখন তারা ঘুমোচ্ছিলেন।তখন রাজকুমারের বাড়িতে উচ্চস্বরে টিভি চলছিল। জয়ন্ত এর প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে মারধর করা হয়। ছেলের চিৎকারে শুনে  তার বাবা ও কাকা  ছুটে গেলে তাঁদেরও মারধর করে রাজকুমার ও তাপস।  এদিকে অভিযুক্ত তাপসের বাবা রাজকুমার পালটা অভিযোগ করে বলেন,  যে গত রাতে তার  ছেলে টিভি দেখছিল। সেই সময় সুবলের ছেলে তাদের  বাড়িতে এসে তার  ছেলেকে শাসাতে শুরু করে। প্রতিবাদ করতে গেলে সুবলের পরিবারের সদস্যরা বাঁশ দিয়ে মেরে আমার ছেলের মাথা ফাটিয়ে দেয়।" রাতেই দু'পক্ষের তরফে থানায় মৌখিক অভিযোগ জানানো হয়েছে।ইংরেজবাজার থানার পুলিশে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে। 

  • বৈষ্ণবনগর থানার বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচুর তাজা বোমা উদ্বার।

    Newsbazar 24 ,ডেস্ক, মালদা, ১৪ অক্টোবর : আবার খবরের শিরোনামে মালদা  জেলার বৈষ্ণবনগর থানা। গতকাল আমরা জানিয়েছিলাম বৈষ্ণবনগর থানা সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্বার হয়েছিল জাল নোট। এবার পুজার মুখে বৈষ্ণবনগর থানা এলাকার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার খোসালপুরের  জমি থেকে উদ্ধার হল প্রচুর বোমা৷ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বোমাগুলি বালতি ও জ্যারিকেনে রাখা ছিল। খবর পাওয়া মাত্র পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছায়। পাশাপাশি বম্ব স্কোউয়াড বাহিনীকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঐ জায়গাটিকে ঘিরে রেখেছে। সূত্রে জানা যায় গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা  গতকাল বিকেলে  বাখরাবাদের খোসালপাড়ার  ফাকা জমির একটি  কোনে ঝোপে লুকিয়ে রাখা বেশ কয়েকটি বালতি ও  জ্যারিকেনে সহ বোমাগুলি  দেখতে পান৷ ৷ তাঁরা গ্রামে গিয়ে গোটা ঘটনাটি জানান৷ এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা খবর দেন বৈষ্ণবনগর থানায়৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থানে আসেন পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকে ৯৬টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়৷  বৈষ্ণবনগর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , উদ্ধার হওয়া বোমাগুলি সাধারণ সুতলি বোমা৷ তবে প্রতিটিই তাজা৷ যে কোন মুহূর্তে বিস্ফোরন হতে পারে। স্বাভাবিক ভাবেই এই বোম উদ্বারের ঘটনায় সমগ্র এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে যদিও পুলিশ বোমাগুলিকে নিষ্ক্রিয় করার কাজ শুরু করেছে ৷ পূলিস ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে কে বা কারা সেখানে ওই বোমাগুলে মজুত করেছে। প্রাথমিক ভাবে অনুমান বোমাগুলি অন্য কোথায়ও বানিয়ে এখানে  জমির ঝোপে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।  

  • প্রায় দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর নর্দমা থেকে উদ্ধার হল এক ব্যাক্তির ক্ষতবিক্ষত দেহ।

    News Bazar24: প্রায় দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর নর্দমা থেকে উদ্ধার হল এক ব্যাক্তির ক্ষতবিক্ষত দেহ। শনিবার সকালে মালদহের ইংরেজবাজার শহরের বাঁশবাড়ি এলাকা থেকে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঘটনায় এদিন তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর পেয়ে ছুটে আসে মৃতের পরিবারের লোকেরা। পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে মৃত ব্যাক্তির নাম জয়ন্ত প্রামাণিক(৪২) । বাড়ি মালদহের চাঁচল থানার মালতিপুর এলাকায়। পেশায় তিনি লড়ির খালাসি ছিলেন। পরিবারে রয়েছে স্ত্রী সহ দুই সন্তান। পরিবার সুত্রে জানা গিয়েছে কর্মসুত্রে গত কয়েক বছর ধরে পরিবার নিয়ে ইংরেজবাজার শহরের বাঁশবাড়ি গোসাইঘাট এলাকায় ভাঁড়া থাকতেন। গত দুই দিন থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের লোকেরা তার কোন খোঁজ না পেয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। শনিবার সকালে বাঁশবাড়ি এলাকায় নর্দমার মধ্যে একটি দেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। ইংরেজবাজার থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। দেহটি নর্দমা থেকে উদ্ধার করে সনাক্ত করে। খবর দেয় পরিবারের লোকেদের। পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে মৃতদেহে একাধিক ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। মৃতের মা পূর্ণিমা প্রামাণিকের অভিয়োগ স্ত্রীর সঙ্গে মাঝে মধ্যেই তার বিবাদ লেগে থাকত। সেই কারণে তার ছেলে খুন হতে পারে। তবে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে ঘটনার তদন্তে নেমেছে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ।

  • দুস্হ দের বস্ত্র বিতরণ মালদার মোথাবাড়ি তে

    ঝিনুক মিশ্র :  শতাধিক অসহায় দরিদ্র মানুষের হাতে বস্ত্র তুলে দিলো মোথাবাড়ি এলাকার এক সেচ্ছাসেবি সংস্হা মোথাবাড়ি সল্ফ হেল্ফ গ্রুপ। মোথাবাড়ি এলাকার বাজার পাড়া হালদার পাড়া ঘোষ পাড়া পালপাড়া মন্ডল পাড়া এলাকার মানুষের বস্ত্র বিতরণ করা হয়। মোথাবাড়ি সেল্ফ হেল্প গ্রুপের সম্পাদক তথা বিশিষ্ট সমাজ সেবী আনহারুল হক ব্যক্তি গত উদ্যেগে এই নতুন বস্ত্র বিতরণ করে। এই সংস্হা প্রতি বছর ঈদ ও দূর্গা পূজা তে যাদের নতুন বস্ত্র কিনার ক্ষমতা নেই তাদের নতুন বস্ত্র বিতরণ করে ।এই সংস্হা গত ইদে 400 পরিবারের সদস্যদের হাতে নতুন বস্ত্র বিতরণ করেছিলো । এবার দূর্গা পূজা উৎসব উপ লক্ষ্যে শতাধিক দুস্হর হাতে নতুন বস্ত্র বিতরণ করে। মোথাবাড়ি সেলফ হেল্ফ গ্রুপের সম্পাদক তথা বিশিষ্ট সমাজ সেবী আনহারুল হক জানিয়েছেন " প্রতি বছর ইদ ও দূর্গা পূজা তে আমরা দুস্হ দের নতুন বস্ত্র বিতরণ সহ বিভিন্ন সমাজসেবা মুলক কাজে এগিয়ে করে থাকে।