���������������


  • বালুরঘাটে এক বৃদ্ধাকে বেধড়ক মারধোর করে রাস্তায় ফেলে দেবার অভিযোগে গ্রেপ্তার বৃদ্ধার নাতি।

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ১৪ ডিসেম্বরঃ এক বৃদ্ধাকে বেধড়ক মারধোর করে রাস্তায় ফেলে দেবার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ওই বৃদ্ধার  নাতি। নাতির মারে তার পাঁজরের হাড় ভেঙ্গে গেছে বলে হাসপাতাল সুত্রে খবর। শুক্রবার দুপুরে বালুরঘাট শহরের ১৭ নং ওয়ার্ডের বঙ্গী নিউ কলোনী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, জখম ওই বৃদ্ধার নাম শিখা সাহা (‌৮০)‌। স্বচ্ছল ওই পরিবারে দুই ছেলেকে নিয়ে একসময় ভালোই ছিলেন বৃদ্ধা শিখা সাহা। দীর্ঘ দিনেই দুই ছেলেই মধ্যে সম্পত্তি বন্টন করে দিয়েছেন। বড় ছেলে পেশায় পুলিস কর্মী কয়েক বছর আগে মারা যাবার পরে বৌমা ও নাতির সঙ্গেই থাকতেন তিনি। স্থানীয় লোকজন জানায়, প্রায় প্রতিদিনই মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরে নাতি রাহুল সাহা। বাড়িতে ঢুকে মাঝে মাঝেই ওই বৃদ্ধাকে মারধোর করে। শুক্রবার সকালেও লোহার রড দিয়ে এলোপাথারী মারধোর করে। এরপরে কান্না ও যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকলে তাঁকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চলে যায় ওই গুণধর নাতি। তার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান তাঁরা। প্রতিবেশিরা প্রতিবাদ করতে তাদের উপর হাঁসুয়া নিয়ে তেড়ে আসে বলে অভিযোগ। এরপরে প্রতিবেশিরাই একজোট হয়ে বালুরঘাট থানায় ও জেলা প্রটেকশন অফিসারকে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি বালুরঘাট হাসপাতালে ভর্তি করেন তাঁকে। ওই বৃদ্ধার সিটিস্ক্যান ও এক্স-‌রের পরে চিকিৎসকরা জানান, তার পাঁজরের হাড় ভেঙ্গে গেছে। পুলিসি অভিযোগের পরেই বালুরঘাট থানার পুলিস বাড়িতে এসে রাহুল সাহাকে গ্রেপ্তার করে। এলাকার বাসিন্দা নবকুমার সাহা জানান, এদিন সকালে ওই বৃদ্ধা রাস্তায় পড়ে ছটফট করতে থাকলে প্রতিবেশিরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। বালুরঘাট থানায় ও জেলা প্রটেকশন অফিসারের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে।  

  • দীর্ঘদিন পর ইংলিশ বাজার পৌরসভার বোর্ড মিটিং এ শাসক দলের মধ্যে দন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠল।

    মালদা, ১৪ ডিসেম্বরঃ  অবশেষে প্রায়  ৮ মাস পর ইংলিশ বাজার পৌরসভার বোর্ড মিটিং বসল । যেখানে প্রতি মাসে অনুষ্ঠিত হবার কথা এই বোর্ড মিটিং। দীর্ঘ কয়েক মাস পর   বোর্ড মিটিং শুরু হওয়ায় প্রথমেই অশান্তির সৃষ্টি হয়। রেগে গিয়ে মিটিং ছেড়ে বাইরে বেড়িয়ে আসেন বাম কাউন্সিলার দোলন চাকি। পরে অবশ্য  চেয়ারম্যান নিহার রঞ্জন ঘোষ বাইরে বেরিয়ে এসে ওই বা কাউন্সিলর কে ভেতরে নিয়ে যান। এই ঘটনায় কাউন্সিলার  দোলন চাকির সাথে চেয়ারম্যানের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তিনি অভিযোগ করে বলেন এতদিন মিটিং ডাকা হয়নি কেন এর গ্রহণযোগ্য কারণ চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার কোন উত্তর দিতে পারেননি তিনি। এই বোর্ডের আমলে তাদের কোনো সম্মান নেই। দলীয়ভাবে সরকারি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে, তাদের কোন পরামর্শ নেওয়া হয় না। তিনি বোর্ড মিটিং চলাকালীন এইসব নিয়ে প্রশ্ন করায় তাকে বাধা দেওয়া হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এই কারণেই তিনি মিটিং ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন। অন্যদিকে এতদিন পর কেন বোর্ড মিটিং ডাকা হল  এই নিয়ে  প্রশ্ন তোলেন  ইংরেজ বাজার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান  ও বর্তমান কাউন্সিলার কৃষ্ণেন্দু  নারায়ণ চৌধুরী।পাশাপাশি  কি কারণে তিনি বোর্ড মিটিং করেননি তার জবাব চান এবং  পুর আইন মানা হচ্ছে না বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই কাজ হচ্ছে এই অভিযোগ তুলেন কৃষ্ণেন্দু বাবু।কিন্তু এর কোন সদুত্তর দিতে পারেননি চেয়ারম্যান। অন্যদিকে এই বিষয়ে ইংলিশ বছর পৌরসভার চেয়ারম্যান নিহার রঞ্জন ঘোষ জানান প্রায় ছয় মাস পর আজ বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এতদিন পর বোর্ড মিটিং হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি জানান তেইশ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বর্ণালী হালদারের নামে একটি কোর্টে একটি মামলা চলছে। যেহেতু কোর্টে মামলা চলছে তাই মৌখিকভাবে আলোচনা হয়েছিল যতদিন না মামলার নিষ্পত্তি হচ্ছে ততদিন বোর্ড মিটিং স্বগিত রাখা হবে। কিন্তু বোর্ড মিটিং করা অত্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ায় ওই মামলার নিষ্পত্তি  না  হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা না করে বোর্ড মিটিং ডাকা হয়। বোর্ড মিটিং একটু তর্ক-বিতর্ক হয়েছে এ  কথা স্বীকার করে নেন চেয়ারম্যান।  উপস্থিত ২৬ জন কাউন্সিলর এর মতামত নেওয়া হয়। এদিনের এই বোর্ড মিটিংয়ে।  শহরের রাস্তা় এবং নিকাশি বাবস্থা নিয়ে আগামীতে জোর দেওয়া  হবে বলে জানান চেয়ারম্যান। পাশাপাশি শহর উন্নয়নে আরও নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় এই বোর্ড মিটিংয়ে বলে জানান চেয়ারম্যান নীহাররঞ্জন বাবু। পাশাপাশি রেললাইনের ওপারে  এর ওয়ার্ড গুলিকেও  গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।

  • পাঁচ রাজ্যে কংগ্রেসের জয়ে মালদার মোথাবাড়ি ও বৈষ্ণবনগরে মিছিল, উচ্ছাস কংগ্রেস কর্মীদের।

    মালদা, ১৪ ডিসেম্বরঃ পাঁচ রাজ্যে কংগ্রেসের  জয়ে   ঢেউ  আছড়ে  পড়লো   মালদা  জেলায়  ।  মোথাবাড়িতে এদিন কংগ্রেস  কর্মীরা এদিন বিশাল মিছিল করে । কংগ্রেস  কর্মীরা এদিন পঞ্চানন্দপুরের  থেকে মিছিল  বের করে উত্তর লক্ষ্মীপুর,  অচিন্তলা,  বাবলা হয়ে  মোথাবাড়ি  প্রর্যন্ত  মিছিল করে । কার্যত  এদিন  মোথাবাড়ির কংগ্রেস  কর্মীরা  উল্লাসে ফেটে  পড়ে ।  মিছিলে    কংগ্রেস  কর্মীরা পটকা ফাটাতে  থাকে  । ছাত্র  পরিষদ  ও  যুব কংগ্রেসের  কর্মীরা এই মিছিলে  যোগদান  করে । ছাত্র  পরিষদের  কালিয়াচক দুই নং ব্লকে র  সভাপতি  আসিফ সেখ জানান  " আজ মুলত যুব ও ছাত্র পরিষদের  উদ্যোগে এই মিছিল  হয় । মিছিলে  প্রায়  400/500 জনের মতো কর্মী উপস্থিত  ছিলেন । আমাদের বিশ্বাস  কংগ্রেস  আবার  এই জেলাতে লোকসভা নির্বাচনে  ভালো ফল করবে  । কারন আগামী তে রাহুল এবার প্রধান মন্ত্রী  হচ্ছে  মানুষ এটি বুঝে নিয়েছে । ফলে আমরা ই দুটি লোকসভা  পাচ্ছি ।" ব্লক  কংগ্রেসের  সভাপতি  দুলাল  সেখ  জানান  "  কংগ্রেস  কোনো  দিন এই রাজ্যে  থেকে শেষ  হয়ে যাবে না । যারা  এই দলটাকে  ছুড়ি মেরেছে  তারা নিজের  স্বার্থে  এই কাজ করেছে । কিন্তু  কংগ্রেসের  বেইমানিরা ভোটে দাড়ালে বোঝতে পারবে  জনগন  কাদের কাছে আছে ।" পাশাপাশি বৈষ্ণবনগরের কংগ্রেস  কর্মীরা বিশাল মিছিল করে। বৈষ্ণবনগরের পার্টি অফিস থেকে মিছিল বের হয়ে বেদরাবাদ, কৃষ্ণপুর সহ সমস্ত বৈষ্ণবনগরের এলাকায় মিছিল পরিক্রমা করে। প্রায় ৫০০ কর্মীরা এই মিছিলে সামিল হন। এই মিছিলের পুরোভাগে ছিলেন সুজাপুরের বিধায়ক ঈশা খান চৌধুরী ও কালিয়াচক ৩নং ব্লক কংগ্রেস সভাপতি আজিজুল হক। বিধায়ক ঈশা খান চৌধুরী বলেন আগামী লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস মালদা জেলায় দুটি আসন পাবে। কংগ্রেস এই রাজ্য থেকে শেষ হয়ে যাবে না। যারা ভাবছেন কংগ্রেস শেষ হয়ে গেছে তারা মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন।     

  • টোটো চালকরা আন্দোলনে, মালদাবাসী প্রত্যক্ষ করল টোটোবিহীন যানজট মুক্ত মালদা শহর

    মালদা, ১৩ ডিসেম্বরঃ টোটো চালকদের হয়রানির প্রতিবাদে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে টোটো চালকরা বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন দিল জেলার পরিবহণ দপ্তরের অফিসে। টোটো চালকদের টোটো বন্ধ রেখে   এই আন্দোলনের ফলে  মালদাবাসী আবার আর একদিন প্রত্যক্ষ করল  যানজট  মুক্ত শহরের রাস্তাঘাট । মালদাবাসী আজ  শহরের কোনো রাস্তাতেই টোটোর দেখা পাননি। টৌটোর অত্যাচারে  অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়া রাস্তা আজ যেন  মুক্ত বিহঙ্গের মত । শহরের  মূল রাস্তা গুলিতে যাত্রী সহ সাধারণ মানুষ  স্বতস্ফুর্ত ভাবে যাতাযাত করল । আবার রাস্তায় দেখা পাওয়া গেল  হারিয়ে যাওয়া পুরনো রিক্সা ও আটো। যদিও বেশ কিছু মানুষ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে টোটোয় চাপার। টোটো ইউনিয়নের সভাপতি সংবাদমাধ্যমকে জানান বিভিন্ন ভাবে হয়রানি হতে হচ্ছে তাদের। তাই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টোটো বন্ধ করে বিক্ষোভে সামিল হন তারা। এদিন দুপুরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে তারা জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। একটি দাবিপত্র তারা পরিবহন দপ্তরের আধিকারিকের  হাতে তুলে দেন। পরে তারা ইংরেজবাজার পৌরসভার সামনেও তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।  মালদা ইংরেজবাজার পৌরসভার পৌরপ্রধান নীহার রঞ্জন ঘোষের হাতে স্মারকলিপির  কঁপিটি তুলে দেন ।  স্মারকলিপির কপি পেয়ে মালদা ইংরেজবাজার এর বিধায়ক তথা ইংরেজবাজার পৌরসভার পৌরপ্রধান নীহার রঞ্জন ঘোষ টোটো চালক দের আশ্বাস দেন তিনি তাদের দাবীগুলি  দ্রুত  সমাধানের চেষ্টা করবেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়ন ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। টোটো চালক আন্দোলনকারী নিখিল দাস সংবাদমাধ্যমকেজানান, আগামী দিনে তাদের দাবি পুরন না হলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাটবেন।  

  • সংবাদ মাধ্যমের খবরের জেরে ও কর্মী সংগঠনের আন্দোলনের চাপে বন্ধ হয়ে যাওয়া ৩৪নং জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ আবার শুরু হচ্ছে।

    কার্ত্তিক পাল, মালদা, ১৩ই ডিসেম্বরঃ আমাদের সংবাদ মাধ্যম সহ অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমের  খবরের পরিপ্রেক্ষিতে এবং  ফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন ওয়াকার্স ইউনিয়নের আন্দোলনের চাপে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন  National Highway Authority of India অর্থাৎ নাই কর্তৃপক্ষ ৩৪নং  জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজের  বকেয়া টাকার মধ্যে ৪২০ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে । এর ফলে  ৩৪নং  জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের বাকী কাজ থমকে গেছিল তা শুরু হওয়ার ক্ষেত্রে আর কোন বাঁধা থাকল না। গত মঙ্গলবার এই ব্যাপারে মালদার এক বেসরকারি হোটেলে সাংবাদিক সন্মেলনে ফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন ওয়াকার্স ইউনিয়নের সম্পাদক সুনীল সরকার উপস্থিত সংবাদমাধ্যমকে জানান যে মুর্শিদাবাদ থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত ৩৪নং জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের  যে কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক অনুদান বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য, সেই  কাজ পুনরায় চালু হবে সংবাদ মাধ্যমের খবরের জেরে এবং আমাদের ওয়াকার্স ইউনিয়নের আন্দোলনের চাপে পাশাপাশি রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর চাপ সৃষ্টির ফলে কেন্দ্রীয় সরকার বাধ্য হয়েছে বকেয়া টাকার মধ্যে ৪২০ কোটি টাকা মঞ্জুর করতে। তিনি আরও জানান  কেন্দ্রীয় সরকার বকেয়া টাকা এইচসিসিকে (হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি) ইতিমধ্যে দিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছে।  তাই এইচসিসি অসম্পূর্ণ ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শুরু করে দিয়েছে পাশাপাশি মালদার বাইপাসের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে।   হিন্দুস্থান কনস্ট্রাকশন কোম্পানির যে সমস্ত  কর্মী কাজ হারিয়ে অসহায় অবস্থায় পড়েছিলেন   তারা আবার নতুন  উদ্যমে  কাজ শুরু করে দিয়েছেন।    তিনি আরও জানিয়েছেন আমাদের শ্রমিক সংগঠন ফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন ওয়াকার্স ইউনিয়ন জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ বন্ধের বিরুদ্বে এবং  বকেয়া টাকা ম্নজুরের দাবীতে দীর্ঘদিন ধরেই লড়াই আন্দোলন চালিয়ে আসছে  কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। তারই ফলস্বরূপ  বাইপাসের ১৪ কিলোমিটার এবং মুর্শিদাবাদ থেকে রায়গঞ্জের ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ আগামী এপ্রিল থেকে মে মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।  এই বন্ধ হয়ে যাওয়া কাজটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি প্রথম থেকেই লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।  কাজ হারানো শ্রমিকদের পাশে তিনি  প্রথম থেকেই ছিলেন এবং এখনও আছেন ।  যার ফলে শ্রমিকেরা আবার নতুন করে  কাজ ফিরে পেয়েছেন।পাশাপাশি মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলার জেলা শাসকরা  আমাদের এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন। আমরা চাই আগামী এপ্রিল ও মে মাসের মধ্যে ৩৪নং জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের  কাজ শেষ হোক । এর ফলে দক্ষিণবঙ্গের সাথে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। পাশাপাশি আমরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সংবাদ মাধ্যম এবং  মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলার জেলা শাসকদের ধন্যবাদ জানাই আমদের কর্মী সংগঠনের পক্ষ থেকে ।

  • মালদায় উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ মনসা মঙ্গল কীর্তনের উদ্বোধন

    মালদা, ১৩ই ডিসেম্বরঃ প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও  উত্তর বঙ্গের সর্ব বৃহৎ শ্রী শ্রী মা মনসা মঙ্গল গুণ কীর্তন অনুষ্ঠান শুরু হল কালিয়াচক ৩নং ব্লকের অন্তর্গত মীর্জাচক ফুটবল খেলার মাঠে ।এই শ্রী শ্রী মা মনসা মঙ্গল গুণ কীর্তন অনুষ্ঠান এবছর ১৫ তম বর্ষে পদার্পণ করল।এই উপলক্ষে এক বিরাট মেলা বসে মীর্জাচক ফুটবল খেলার মাঠে ।   আজ এই  কীর্তন অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন হল। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি  ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ও সকলের প্রিয়  মাননীয় বিশ্বজিৎ মণ্ডল, কালিয়াচক ৩নং ব্লকের বিডিও  মাননীয় খোকন বর্মন, বেদরাবাদ প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসক ডাঃ বিকাশ ঘোষ, বেদরাবাদ গ্রাম.প.প্রধান মাননীয়া রীতা ঘোষ। এই মেলার উদ্যোক্তারা হলেন -প্রতাপ মালাকার, সুশেন সরকার, উৎপল ঘোষ, নিখিল চন্দ্র দাস প্রমুখরা। এই মেলা 2004 সাল থেকে মাহা সারম্বরের সহিত পালিত হয়ে আসছে। ১৩ থেকে ১৯শে  ডিসেম্বর পর্যন্ত এই মেলা চলবে এবং এই মনসা মঙ্গল সংকীর্তন  প্রতিযোগিতা মূলক ভাবে হয়। যার ফলস্বরূপ ভালো অভিনয় করা দল ও অভিনেতারা পুরষ্কার পাবেন তাদের অভিনয় ও গানের বিচারে  হিসাবে। এই মেলায় হাজারেরও বেশি  দুস্হজনেদের শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়। এই মেলায় জনগনের ভীষন উৎসাহ ও  উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো।  প্রায় এক লক্ষ লোকের সমাগম হয় এই মেলায়।  

  • মালদার গাজোলের ভরা হাটে ধৃত পকেটমার, গণপিটুনিতে গুরুতর আহত

    মালদা, ১৩ ডিসেম্বর :  আজ   গাজোলের হাটে জনতার হাতে ধরা পড়ল এক পকেটমার। হাটে উপস্থিত স্থানীয় লোকজন তাকে গণপিটুনিতে প্রায় আধমরা করে ফেলে। তার সাথে থাকা আর একজন সেই সুযোগে পালিয়ে যায়। পুলিশ খবর পেয়ে আহত যুবককে উদ্ধার করে গাজোল হাসপাতালে ভর্তি করে। জানা যায় ধৃত যুবকের নাম মাকসেদুর রহমান । তার বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডি থানা এলাকায়।   মালদা জেলার গাজোল হাট  উত্তরবঙ্গের বিখ্যাত  হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার ও রবিবার এই হাট বসে। কিন্তু বৃহস্পতিবার এই হাট ব্যাপক ভাবে বসে। এই দিন হাটে প্রায়  লাখ খানেক  ক্রেতা বিক্রেতার সমাগম হয়। শুধু মালদা জেলা নয়, পাশের দুই জেলা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের বহু এলাকা থেকে মানুষজন এই হাটে আসেন। আজ দুপুরে ভরা হাটে  হঠাৎ হাসিনা বিবি নামে এক মহিলার ব্যাগ কেটে টাকা হাতিয়ে নেয় ধৃত ঐ যুবক। ওই মহিলার  চিৎকারে  স্থানীয় মানুষজন অভিযুক্তকে ধরে ফেলেন। তারপরে মাকসেদুরকে একটি ইলেকট্রিক পোলে  বেঁধে  শুরু হয় গণপ্রহার। অবশেষে সে  স্বীকার করে , তারা দু’জন ওই হাটে কেপমারি করতে এসেছিল। তার সঙ্গীর নাম মজিবুর রহমান। তারা ওই মহিলার ব্যাগ থেকে ২৫০০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনতাই করে। তবে মহিলার টাকা মাকসেদুরের কাছে  পাওয়া যায়নি। সে জানায়  টাকা তার সঙ্গীর কাছে আছে।

  • শিলিগুড়ির বিশেষ সংশোধনাগারে বিচারধীন এক বন্দীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

    ডেস্ক, শিলিগুড়ি, ১২ ডিসেম্বর : শিলিগুড়ির বিশেষ সংশোধনাগার থেকে বিচারধীন এক বন্দীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। জানা যায়  মৃতের নাম ভুষা বিরজা। তার বাড়ি শিলিগুড়ির খড়িবাড়ি এলাকায়। সংশোধনাগার কতৃপক্ষ এই ঘটনার বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে পাশাপাশি এই ঘটনায়  শোকজ় করা হয়েছে সংশোধনাগারের হেড ওয়ার্ডেন এবং আরও এক ওয়ার্ডেনকে। মদ পাচারের অভিযোগে গতকাল ভুষা বিরজাকে গ্রেপ্তার করে আবগারি দপ্তরের আধিকারিকরা। পরে তুলে দেওয়া হয় খড়িবাড়ি থানার পুলিশের হাতে। গতকালই তাকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তার জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন। আজ সকালে সংশোধনাগার থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। সংশোধনাগার সূত্রে খবর, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয় ওই ব্যক্তি। সংশোধনাগারের সুপার জানান, আত্মহত্যার কারন এখনও  জানা যায়নি। গতকালই সংশোধনাগারে ওই বন্দীকে নিয়ে আসা হয়েছিল। হেড ওয়ার্ডেন তপন মণ্ডল ও ওয়ার্ডেন প্রদীপ দেবনাথকে শোকজ় করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত।"

  • আগামী ২০১৯-র শেষে মালদায় চালু হবে বিমান পরিষেবা।

    মালদা,১২ ডিসেম্বর : মালদাবাসীর কাছে সুখবর। মাত্র 45 মিনিটে পৌঁছে যান   কলকাতা। কিংবা কলকাতা থেকে আসুন মালদায়। এক ঘণ্টায় মালদা থেকে পৌঁছে যান কোচবিহার। আর মাত্র 18 মিনিটে যান  বালুরঘাট। ভাড়া দুই হাজার থেকে 2500 টাকা মাত্র। রাজ্য সরকারের তৎপরতায় 2019 এই বিমান ভ্রমণের স্বাদ পাবে মালদাবাসী। মালদা বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা অরবিন্দ সাহা এদিন আমাদের জানালেন, ফারাক্কা ব্যারেজের কাজ চলায় একটু ধীর গতিতে চলছে মালদা বিমানবন্দর তৈরির কাজ। 2019 এর ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে এই বিমান পরিষেবার। তিনি আরো জানান প্রায় 12 মিটার জুড়ে চলছে রানওয়ে তৈরীর কাজ। তৈরি করা হবে ভি,আই,পি ট্যাক্সি স্ট্যান্ড, থাকছে ভিআইপি দোকানও। এর ফলে কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। তিনি আরো জানান, পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশ মতো আপাতত প্রতি বুধবার করে চালানো হবে হেলিকপ্টার। মাত্র 45 মিনিটেই মালদা থেকে কলকাতা কিংবা কলকাতা থেকে মালদা পৌঁছে যাবেন যাত্রীরা। এছাড়াও মালদা থেকে বাগডোগরা এবং সেখান থেকে গুহাটি পর্যন্ত চালানো হবে হেলিকপ্টার। যাত্রীসংখ্যা মাথায় রেখে ভাড়া বাড়তেও পারে আবার কম তো পারে বলে তিনি জানান। যাত্রীর সংখ্যা কম হলে ভাড়া একটু বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তবে সব মিলিয়ে খুব তাড়াতাড়ি বিমান পরিষেবা চালু হবে মালদায় বলে এদিন জানান অরবিন্দ সাহা।এদিকে বিমান পরিষেবা চালুর খবর হতেই খুশিতে মেতে উঠেছে জেলার ব্যবসায়ী মহল।

  • গণতন্ত্র বাঁচানোর স্বার্থে মালদা জেলা বিজেপি আন্দোলনে নামল

    মালদা,১২ ডিসেম্বর : গণতন্ত্র বাঁচানোর স্বার্থে আন্দোলনে নামল মালদা জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। এই মর্মে এদিন মালদা জেলায় প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে মহকুমা শাসকের নিকট একটি দাবি পেশ করল জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। জানা যায় এদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েকশো বিজেপি কর্মী মিছিল করে এসে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে হাজির হয়। প্রায় ৩০ মিনিট জেলা প্রশাসনিক ভবনে তারা বিক্ষোভ ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে। এরপর বিভিন্ন দাবিদাবা নিয়ে মহকুমা শাসকের নিকট একটি দাবি সনদ পেশ করে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। এ বিষয়ে মালদা জেলা বিজেপির সভাপতি সঞ্জিত মিশ্র জানান, বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত প্রায় 600 জন বিজেপি কর্মীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন রাজ্য সরকারের দালালে পরিণত হয়েছে। দমন-পীড়নের রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মালদা জেলায় যে সকল পঞ্চায়েত তারা দখল করেছে সে সকল পঞ্চায়েতে তাদের কর্মীদের কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাই গণতন্ত্র বাঁচানোর স্বার্থে আজ গোটা রাজ্য জুড়ে তাদের এই কর্মসূচি।