���������������


  • আট থেকে আশি, বসন্ত উৎসবে রেঙ্গে গেলো মালদার অলি গলি

    সুমিত ঘোষ : একটি নৃত্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার আয়োজন করা হলো বসন্ত উৎসবের। এই মর্মে এদিন সকালে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল গোটা মালদা শহর জুড়ে। আট থেকে আশি, হলুদ এবং লাল পড়া শাড়ি পড়ে প্রভাতফেরিতে পা মেলান মহিলারা। প্রভাত ফেরীতে পা মেলান জেলা পরিষদের মেন্টর কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী এবং বিশিষ্ট শিল্পী তপন পন্ডিত। জানা যায় পরে এই প্রভাতফেরি গিয়ে শেষ হয় শুভঙ্কর শিশু উদ্যানে। সেখানে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয় বসন্ত উৎসব। একে অপরের গালে রং বাহারি রঙ মাখিয়ে এবং আলিঙ্গন করে বসন্ত উৎসবে শামিল সকলে।

  • মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকএ ব্যাপক রক্তের সংকট ।

    মালদা,২০ মার্চঃ  নির্বাচন ঘোষনার পর কোন রাজনৈতিক দল রক্তদান শিবির  করতে পারে না তার জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক রক্তের সংকটে ভুগছে।বুধবার মালদা শহরের ফোয়ারা মোড় এলাকায় ডিস্ট্রিক ভলান্টারী ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশন ও মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে যৌথ উদ্যোগে ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। এই দিনের অনুষ্ঠান আয়োজক মালদা ডিস্ট্রিক ভলান্টারী ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশনের সম্পাদক উত্তম কুমার ঝা সংবাদমাধ্যমকে জানান বর্তমান মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক শূন্য। যেখানে আমাদের প্রত্যেক মাসে বেসরকারি নার্সিং হোম ও হাসপাতাল মিলিয়ে রক্তের চাহিদা থাকে ২৩০০০ ইউনিট।নির্বাচন ঘোষণ পর কোন রাজনৈতিক দল রক্তদান শিবির করতে পারেবে না। শুধু পারে একমাত্র ভলেন্টিয়ারি  অর্গানাইজেশনরা আমরা মালদা ডিস্ট্রিক ভলান্টারী ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশন ও মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে যৌথ উদ্যোগে বুধবার ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। এই দিন প্রায় শতাধিক মানুষ রক্তদান করেছেন এই শিবিরে। আশা করা যায় সামনের দোল উৎসবে হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংকের রক্তশূন্যতা থেকে কিছুটা রেহাই পাওয়া যাবে।হক জাফর ইমাম। মালদা। নির্বাচন ঘোষণ পর কোন রাজনৈতিক দল রক্তদান শিবির করতে পারে না তার জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক রক্তের সংকটে ভুগছে।বুধবার মালদা শহরের ফোয়ারা মোড় এলাকায় ডিস্ট্রিক ভলান্টারী ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশন ও মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে যৌথ উদ্যোগে ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। এই দিনের অনুষ্ঠান আয়োজক মালদা ডিস্ট্রিক ভলান্টারী ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশনের সম্পাদক উত্তম কুমার ঝা সংবাদমাধ্যমকে জানান বর্তমান মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক শূন্য। যেখানে আমাদের প্রত্যেক মাসে বেসরকারি নার্সিং হোম ও হাসপাতাল মিলিয়ে রক্তের চাহিদা থাকে ২৩০০০ ইউনিট।নির্বাচন ঘোষণ পর কোন রাজনৈতিক দল রক্তদান শিবির করতে পারেবে না। শুধু পারে একমাত্র ভলেন্টিয়ারি  অর্গানাইজেশনরা আমরা মালদা ডিস্ট্রিক ভলান্টারী ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশন ও মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে যৌথ উদ্যোগে বুধবার ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। এই দিন প্রায় শতাধিক মানুষ রক্তদান করেছেন এই শিবিরে। আশা করা যায় সামনের দোল উৎসবে হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংকের রক্তশূন্যতা থেকে কিছুটা রেহাই পাওয়া যাবে।রক্তের সংকটে ভুগছে মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক।

  • রাহুল গান্ধীর সভাস্থলে জোরদার নিরাপত্তা ব্যাবস্থা, বসানো হল একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা।

    মালদা, ২০ মার্চ:  ২০১৯ লোকসভার নির্বাচনী প্রচার সমাবেশে যোগ দিতে  মালদায় কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী সভাস্থলে নিরাপত্তার নজরদারির জন্য একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা। আগামী ২৩শে মার্চ মালদার চাঁচলের কলমবাগান ময়দানে আসছেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী। সভাস্থলের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে বুধবার দিল্লি থেকে এস পি জি – র টিম চাঁচলের কলমবাগান মাঠে আসে। এদিন সমাবেশ প্রাঙ্গণ পরিদর্শন সহ নিরাপত্তার বিষয়টিগুলিও খতিয়ে দেখেন এস পি জি -র টিম। ওই টিমের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা কথা বলেন দমকলের আধিকারিক ও জেলা পুলিশের কর্তাদের সঙ্গেও । পুলিশ ও প্রশাসন সূত্র থেকে জানা গেছে , রাহুল গান্ধীর জেলা সফরে নিরাপত্তার যেন কোন ফাঁক না থাকে সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে । সভাস্থল ঘিরেও কড়া নজরদারি থাকবে । কন্ট্রোল রুম করা হচ্ছে । বসানো হচ্ছে একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরাও । উল্লেখ্য, এদিন ওই ময়দানে উত্তর মালদহের কংগ্রেসের প্রার্থী ঈশা খান সহ কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতৃত্বও উপস্থিত ছিলেন । ঈশা খান বলেন , ” সভাস্থলের নিরাপত্তার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে এসপিজি-র টিম আজকে এই মাঠ পরিদর্শন করেছেন । ” তিনি আরোও বলেন , ” মালদার মাটি কংগ্রেসের মাটি , মালদার মাটি বরকত গনি খান সাহেবের মাটি , প্রিয়দার মাটি। জোট হোক , আর না হোক , কংগ্রেস আপন শক্তিতেই মালদায় উত্তর ও দক্ষিণ দুই কেন্দ্রেই জিতবে । আমাদের নিজেদের শক্তির উপরে ভরসা আছে ।

  • মালদায় লোকসংগীতের কদরে মোহর ও স্বপ্নউড়ান স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে ।

    মালদা, ২০ মার্চ:  মোহর ও স্বপ্নউড়ান স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে  মালদা দূর্গাকিংকর সদনে লোকসংগীত সন্ধ্যা আয়োজন করা হয়। এই দিনের লোকসংগীত সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত লোকগীতিকার অভিজিৎ বসু ও তীর্থ বিশ্বাস।এই দিনের অনুষ্ঠানে মোহর ও স্বপ্নউড়ান স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে বিশিষ্ট সমাজ সেবক হিসাবে ভারতীয় রেডক্রস সমিতি মালদা শাখার সম্পাদক ডাক্তার ডি.সরকাররের হাতে একটি মোমেন্টো তুলে দেওয়া হয়  এছাড়াও বিখ্যাত লোকগীতিকার অভিজিৎ বসু ও তীর্থ বিশ্বাসের হাতেও একটি করে মোমেন্টো তুলে দেওয়া হয়। এই দিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার ডি বোস, দেবশ্রী সরকার বোস, মালদা গ্লো নার্সিংহোমের সি ই ও সুমিত  সরকার  প্রমূখ। এই দিনের লোকসংগীত সন্ধ্যা অনুষ্ঠানের শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে স্বপ্নউড়ান স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্য সুমিত সরকার সংবাদমাধ্যমকে বলেন আমরা লক্ষ্য করে দেখেছি লোকসংগীতের প্রতি আকর্ষণ দিনের পর দিন কমে চলেছে আমাদের লক্ষ্য সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের জন্য কাজ করা তার সাথে লোকসংগীতের ওপর মানুষের চাহিদা বাড়ানো।

  • মালদা কলেজ ছাত্র সংসদের উদ্যোগে বুধবার বসন্ত উৎসবে সামিল মালদা উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী মৌসম বেনাজির নুর।

    মালদা, ২০ মার্চ:  মালদা কলেজের বসন্ত উৎসবে ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গে আবির , রঙ খেলে নাচে-গানে খোশমেজাজে সময় কাটালেন মালদা উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ পদপ্রার্থী মৌসম বেনাজির নুর।যদিও তিনি এবারের লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল দলের প্রার্থী পদে দাঁড়িয়েছেন কিন্তু আজ কোন নির্বাচনের প্রচার নয়। বুধবার দিনটা পুরোপুরি মালদা কলেজের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে দোল উৎসবে পালন করে অনেকটা সময় কাটালেন মৌসম নুর। তিনি বলেন,  আমি শিক্ষা কেন্দ্রের রাজনীতি করতে আসি নি।  কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা আমাকে বসন্ত উৎসবে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।  ওদের আমন্ত্রণ পেয়ে আমি এসেছি। এদিন দোল উৎসব পালনের সময় কলেজ লাইফের কথা মনে পড়ে গেল।  একটা সময় আমিও এভাবে কলেজে বসন্ত উৎসব করেছি। বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে নাচ-গান এবং সংস্কৃতি চর্চাই মাতোয়ারা থাকতাম।  এদিন আমাকে সেই বাল্যকালের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। বুধবার মালদা কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে বসন্ত উৎসব পালিত হয়।  এই কলেজেই মঞ্চ করে সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় এই বসন্ত উৎসব । সেখানেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তৃণমূল সাংসদ মৌসুম নূরকে।  মৌসম নুর আসতেই কলেজ পড়ুয়া নতুন ভোটাররা ঘিরে ধরেন সংসদকেকে। দুই গালে রঙ মাখিয়ে এবং ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন মৌসম নূরকে। ছাত্র-ছাত্রীদের এই বাঁধ ভাঙ্গা অভিনন্দনের উচ্ছ্বাস আর ধরে রাখতে পারেন নি সাংসদ মৌসম বেনাজির নুর। একটা সময় কলেজের ছাত্রীদের সঙ্গে আবির মেখে হাতে হাত মিলিয়ে রবীন্দ্র সংগীতের তালে তালে নৃত্য করেন সাংসদ মৌসম বেনাজির নুর। এরপর মোবাইলে সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন কলেজ পড়ুয়ারা।  রঙিন সাজে সজ্জিত কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের মধ্যেই আবির,  রঙ নিয়ে বসন্ত উৎসব পালন করেন। এদিন সংসদ মৌসুম বেনাজির নূর বলেন,  এবারে আমি উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল দলের প্রার্থী হয়েছি।  কিন্তু মালদা কলেজ দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত । তাই আমি এখানে কোন রকম রাজনীতি এবং ভোট প্রচার করতে আসি নি।  শুধু ছাত্র-ছাত্রীদের আমন্ত্রণ পেয়ে বসন্ত উৎসবে সামিল হয়েছি। কোন রাজনৈতিক বার্তা আমি এই শিক্ষা কেন্দ্রে থেকে দিতে চাই না।  বসন্ত উৎসবে শামিল হয়ে আনন্দ উপভোগ করেছি।মৌসুম বেনাজির নূর আরও বলেন,  এদিনের উৎসবে আমার ছোটবেলার কলেজ লাইফের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।  রাজনীতির বাইরে আমি সবার অনুরোধে এই উৎসবে শামিল হতে পেরেছি । এতে খুব ভালো লাগছে।  পড়ুয়ারাও আমার সঙ্গে এদিন রং খেলেছে । তবে শুক্রবার পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন জায়গায় দোল উৎসব পালন হবে । বিভিন্ন জায়গায় আমি বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানে যাওয়ার চেষ্টা করব।  পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গেও সময় কাটাব । এই দুই দিনের জন্য কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি আমি রাখিনি।

  • গ্রামের হাতুড়ে চিকিৎসকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

    মালদা, ২০ মার্চ:  গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তারের গলায় তার পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে   খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে, মঙ্গলবার বিকেলে মালদা হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পশ্চিম বাঁধ এলাকায়।  আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকেরা প্রথমে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে স্থানান্তর করা হয় মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে। কিছুক্ষণ চিকিৎসা চলার পর তার মৃত্যু হয়। পরিবারের লোকেরা অবশ্য কে বা কারা ওই হাতুড়ে চিকিৎসক কে খুন করেছে তা বলতে পারেনি।  পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃতের পরিবারের লোকেরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত হাতুড়ে চিকিৎসকের নাম জয়নাল আলী(৩০)। বাড়ি মালদা চাঁচল থানার মোবারক পুর এলাকায়। জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে তাকে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মালদা হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পশ্চিম বাঁধের ধারে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। তার মোটরবাইকটিও সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়। মৃতর পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে ওষুধ বিক্রি করতে অন্য গ্রামে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিল জয়নাল। কেউ বা কারা তাকে রাস্তায় একলা পেয়ে খুন করার চেষ্টা করে। তার গলায় ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তারা তারা বলতে পারেননি। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তবে ঠিক কি কারণে খুনের ঘটনা ঘটলো, তা কিনারা করতে তদন্ত শুরু করেছে মালদা হরিশচন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

  • বালুরঘাট শহর সংলগ্ন চকভৃগু এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ২০ মার্চ:  ভয়াবহ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটল বালুরঘাট শহর সংলগ্ন চকভৃগু এলাকায়। অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের আবাসিক গৃহ। বুধবার দুপুর একটা নাগাদ এই অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। এদিন দুপুরে চকভৃগু  নদীপার উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে চকভৃগু তপন রাস্তার ধারে একটি খাতাপত্রের দোকানে প্রথম আগুন লাগে। পাশেই ছিল দুটি হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকান।  দুপুরে মুর্হূর্তেই আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। ওই দোকানঘরগুলির পেছনেই ছিল বালুরঘাট নদীপার উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস। নীচে ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রদের শৌচাগার। ছাত্রাবাসের দোতালার জানালাও আগুনে পুড়ে যায়।  আগুনে পরপর তিনটি দোকান সম্পূর্ণ ভষ্মীভূত হয়ে যায়। যারমধ্যে একটি খাতাপত্রের দোকান ও দুটি হোমিওপ্যাথি ঔষধের দোকান। আগুন দাউ দাউ করে জ্বলতে দেখে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। খবর দেওয়া হয় দমকল দপ্তরে। খবর পেয়ে বালুরঘাট থেকে দমকলের দুটি ইঞ্জিন সেখানে ছুটে আসে। বিপদের আশঙ্কায় বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি ক্লাস ছুটি দেওয়া হয়। এই ঘটনার জেরে প্রায় ঘন্টাখানেক চকভৃগু তপন রুটে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়েই ডিএসপি হেড কোয়ার্টার ধীমান মিত্র সেখানে ছুটে আসেন। প্রায় এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। বিদ্যুতের সার্কিটের কারণেই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

  • কলকাতায় আমরা চিত্রপ্রেমী"-র উদ্যোগে বসন্ত উৎসব

    :--কলকাতা,রাজকুমার দাস, ২০ মার্চঃ-শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশন এর কাছে ৮ নং ওয়ার্ডের মধ্যে শ্যাম পার্কে আমরা চিত্রপ্রেমী একটি ফটোগ্রাফি ক্লাব এর তরফ থেকে হয়ে গেল এক রাঙাময় বসন্ত উৎসব। রবীন্দ্র নৃত্য, গান ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে কোনো জাতি ভেদাভেদ না করে সর্ব ধর্মের সমন্বয় বাচ্চা থেকে বয়স্ক, পুরুষ এবং মহিলা সবাই বসন্তের আঙিনায় উৎসবে মাতোয়ারা ছিলেন, প্রায় হাজার খানেক মানুষ একত্রিত হয়েছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ৮ নং ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধি পার্থ মিত্র ও বোরো ৩ এর চেয়ারম্যান অনিন্দ্য রাউত। এটা এই সংগঠনের চতুর্থতম বর্ষ। অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখানো হয় সাধনা নিউজ টিভি চ্যানেলে। এই ক্লাবের মূল উদ্যোক্তা রাজীব মুখার্জী সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন আমরা উদ্যোক্তারা নিজেদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং সদস্যদের উদ্দীপনা, ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই অনুষ্ঠানটা করে থাকি এবং কোনো সদস্য বা অতিথিদের থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয়না, স্বইচ্ছায় কেউ কেউ দিয়ে থাকে এরমধ্যে কোনো কিছু বাধ্যতামূলক নয়। এখন এই সংগঠনটির প্রায় ১২০০ ওপরে সদস্য সংখ্যা, যারা ফটোগ্রাফি শিখতে চায় তাদেরকে তারা বিনামূল্যে ফটোগ্রাফি শেখায়।

  • হোলি উৎসব মানেই কি রঙ বা আবীর ? কি ভাবে এলো এই উৎসব ? হোলি উতসবের পেছনে কি আছে ধার্মিক তথ্য ?

    সুতপা অধিকারী ঃ হোলি উৎসবে সাধারণত রঙ বা আবির(এক ধরনের গুড়ো রং) নিয়ে একে অন্যের গাঁয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু কি ভাবে এলো এই উৎসব ? হোলি উতসবের পেছনে কি আছে ধার্মিক তথ্য ? এই সব নিয়েই আমাদের এই প্রতিবেদন ! স্কন্দপুরাণ গ্রন্থের ফাল্গুনমাহাত্ম্য গ্রন্থাংশে হোলিকা ও প্রহ্লাদের উপাখ্যান বর্ণিত হয়েছে। হোলিকা ছিলেন মহর্ষি কশ্যপ ও তাঁর পত্নী দিতির পুত্র হিরণ্যকশিপুর ভগিনী। ব্রহ্মার বরে হিরণ্যকশিপু দেব ও মানব বিজয়ী হয়ে দেবতাদের অবজ্ঞা করতে শুরু করেন। ভক্ত প্রহ্লাদ অসুর বংশে জন্ম নিয়েও পরম ধার্মিক ছিলেন। তাঁকে যখন বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও হত্যা করা যাচ্ছিল না তখন হিরণ্যকিশপুর বোন হোলিকা প্রহ্লাদকে কোলে নিয়ে আগুনে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন। কারণ হোলিকা এই বর পেয়েছিল যে আগুনে তার কোন ক্ষতি হবে না। কিন্তু অন্যায় কাজে শক্তি প্রয়োগ করায় হোলিকা প্রহ্লাদকে নিয়ে আগুনে প্রবেশ করলে বিষ্ণুর কৃপায় প্রহ্লাদ অগ্নিকুণ্ড থেকেও অক্ষত থেকে যায় আর ক্ষমতার অপব্যবহারে হোলিকার বর নষ্ট হয়ে যায় এবং হোলিকা পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়, এই থেকেই হোলি কথাটির উৎপত্তি। অন্যদিক বসন্তের পূর্ণিমার এই দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কেশি নামক অসুরকে বধ করেন। কোথাও কোথাও অরিষ্টাসুর নামক অসুর বধের কথাও আছে। অন্যায়কারী, অত্যাচারী এই অসুরকে বধ করার পর সকলে আনন্দ করে। এই অন্যায় শক্তিকে ধ্বংসের আনন্দ মহাআনন্দে পরিণত হয়। দোলযাত্রা বা হোলি উৎসব সংক্রান্ত পৌরাণিক উপাখ্যান ও লোককথাগুলি মূলত দুই প্রকার: প্রথমটি দোলযাত্রার পূর্বদিন পালিত বহ্ন্যুৎসব হোলিকাদহন বা নেড়াপোড়া সংক্রান্ত, এবং দ্বিতীয়টি রাধা ও কৃষ্ণের দোললীলা বা ফাগুখেলা কেন্দ্রিক কাহিনী। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোলপূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির বা গুলাল নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সহিত রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়। দোলযাত্রার দিন সকালে তাই রাধা ও কৃষ্ণের বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নাত করে দোলায় চড়িয়ে কীর্তনগান সহকারে শোভাযাত্রায় বের করা হয়। এরপর ভক্তেরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রং খেলেন। দোল উৎসবের অনুষঙ্গে ফাল্গুনী পূর্ণিমাকে দোলপূর্ণিমা বলা হয়। আবার এই পূর্ণিমা তিথিতেই চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম বলে একে গৌরপূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়। অঞ্চল ভেদে হোলি বা দোল উদযাপনের ভিন্ন ব্যাখ্যা কিংবা এর সঙ্গে সংপৃক্ত লোককথার ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু উদযাপনের রীতি এক ।বাংলায় আমরা বলি ‘দোলযাত্রা’ আর পশ্চিম ও মধ্যভারতে ‘হোলি’,। রঙ উৎসবের আগের দিন ‘হোলিকা দহন’ হয় অত্যন্ত ধুমধাম করে । শুকনো গাছের ডাল, কাঠ ইত্যাদি দাহ্যবস্তু অনেক আগে থেকে সংগ্রহ করে সু-উচ্চ একতা থাম বানিয়ে তাতে অগ্নি সংযোগ করে ‘হোলিকা দহন’ হয় । পরের দিন রঙ খেলা । বাংলাতেও দোলের আগের দিন এইরকম হয় যদিও তার ব্যাপকতা কম। দোলযাত্রা উৎসবের একটি ধর্মনিরপেক্ষ দিকও রয়েছে। এই দিন সকাল থেকেই নারীপুরুষ নির্বিশেষে আবির, গুলাল ও বিভিন্ন প্রকার রং নিয়ে খেলায় মত্ত হয়। শান্তিনিকেতনে বিশেষ নৃত্যগীতের মাধ্যমে বসন্তোৎসব পালনের রীতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময়কাল থেকেই চলে আসছে। দোলের পূর্বদিন খড়, কাঠ, বাঁশ ইত্যাদি জ্বালিয়ে এক বিশেষ বহ্ন্যুৎসবের আয়োজন করা হয়। যেহেতু উৎসবটি রং নিয়েই তাই কিশোর এবং তরুণদের মধ্যে রঙের প্যাকেট একটি উল্লেখযোগ্য উপহার। এই উৎসবের তাৎপর্য একে অন্যের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সবচেয়ে ভালো উপায় পছন্দের মানুষকে মিষ্টি মুখ করানো। হিন্দু ধর্মের কোনো কোনো গোত্র এই দিনে বিবাহিত মেয়েকে এবং মেয়ের জামাইকে নতুন কাপড় উপহার দেয়। হোলির আগের দিন শ্রীকৃষ্ণের পূজা করা হয়। তখন শুকনো রং ছিটানো হয়। এই হোলির জন্য শাঁখারি বাজারে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার রং আবির এবং বিভিন্ন ওয়াটার গান বিক্রি হয়। হোলির আগের দিন কেবল পরিচিতদের মধ্যেই শুকনো রং ছিটানো হয়। বিভিন্ন ধরনের দেশি-বিদেশি রঙের পসরা নিয়ে বসে দোকানিরা। হোলি খেলার দিন তাঁতিবাজার, সুতারনগর, শাঁখারিবাজার, গোয়ালনগর, রায়সাহেব বাজার, ঝুলবাড়িসহ আরো কিছু কিছু পাড়া বাজারের দোকানগুলো হোলি খেলার সময়ে বন্ধ থাকে। কেউ কেউ হোলি না খেললেও জানালার পাশে দাঁড়িয়ে অথবা বাড়ির ছাদে উঠে উপভোগ করেন হোলি খেলা। অনেকে বিশ্বাস করে এই রঙ খেলার মাধ্যমে নিজেদের সব অহংকার, ক্রোধ যেনো শেষ হয়ে যায় এবং সকলে মিলেমিশে উপভোগ করে এই হোলি উৎসব বা দোল পূর্ণিমা। যা একটি আনন্দের উৎসব ।  

  • কংগ্রেসের জেতা আসনে প্রার্থী না দিয়ে সৌজন্য দেখালো বামফ্রন্ট !পাশাপাশি দ্বিতীয় দফায় ১৩ জনের নাম ঘোষনা করল

    ডেস্ক, ১৯ শে মার্চঃ কংগ্রেসের সাথে সমাঝোতার রাস্তা খোলা রেখে  জন্য  বামফ্রন্ট ১৭ আসন ছেড়ে রেখে আগে ২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছিল । এর ফলে কংগ্রেস  অপমানিত বোধ করে  একলা লড়ার বার্তা দিয়েছিল। তারপরই বাকি ১৭ আসনের মধ্যে ১৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল সিপিএম। তবে কংগ্রেসের জেতা চারটি আসনে প্রার্থী না দিয়ে বামফ্রন্ট  বুঝিয়ে দিল , তাঁরা কোনওভাবেই জোট ভাঙার দায় নেবে না। বিতীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বিমান বসু বলেন, আমরা এখনও সৌজন্য বজায় রেখে কংগ্রেসের জেতা চারটি আসনে প্রার্থী দিইনি। এখনও ফাঁকা রেখেছি। তার মানে এই নয় যে ভবিষ্যতে দেব না। কংগ্রেস কিন্তু আমাদের জেতা দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। সোমবার রাতে কংগ্রেসের ঘোষিত ১১ জনের তালিকায় রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদের প্রার্থীর নামও রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা চেয়েছি বিজেপি ও তৃণমূল বিরোধী ভোট এক জায়গায় রাখতে। সে জন্যই ৪২ আসনে একেবারে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা না করে ধাপে ধাপে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ  করলাম। উল্লেখ্য, প্রথম দফায় ২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। এরপর বামফ্রন্ট দ্বিতীয় তালিকাও প্রকাশ করে দিল। ফলে বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট ভেস্তেই গেল। বামফ্রন্টের তরফে বিমান বসু জানিয়েছেন, তাঁরা ১৩ আসনে প্রার্থী দিচ্ছেন। কংগ্রেসের জেতা চার আসনে তাঁরা এখনও প্রার্থী দিচ্ছেন না। দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকাঃ - ১)কলকাতা উত্তর - কনীনিকা ঘোষ, ২) বাঁকুড়া- অমিয় পাত্র, ৩) শ্রীরামপুর- তীর্থঙ্কর রায়, ৪) মথুরাপুর - শরৎ হালদার, ৫) ঝাড়গ্রাম- দেবলীনা হেমব্রম, ৬) কৃষ্ণনগর- শান্তনু ঝা, ৭) দার্জিলিং -সমন পাঠক, ৮) হাওড়া- সুমিত অধিকারী, ৯) বারাকপুর - গার্গী চট্টোপাধ্যায়, ১০) বোলপুর- রামচন্দ্র ডোম, ১১) তমলুক- শেখ ইব্রাহিম, ১২) আসানসোল- গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায় ১১) কাঁথি- পরিতোষ পট্টনায়ক