রাজ্য


  • তেভাগা আন্দোলনের খাঁপুরের শহীদ কৃষকদের আত্মবলিদান দিবস উদযাপন

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ২০ ফেব্রুয়ারিঃ তেভাগা আন্দোলনে যোগ দিয়ে বালুরঘাট থানার খাঁপুরের শহীদ কৃষকদের আত্মবলিদান দিবসে জেলার সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি অনুষ্ঠানে যোগ দিল। এ উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছিল এদিন খাঁপুরে।  ৪৭ সালের আজকের দিনে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে তেভাগা আন্দোলনে শহীদ হয়েছিলেন খাঁপুরের ২২ জন কৃষক। কিন্তু শহীদ এই সব পরিবারের হাল ফেরেনি আজও। সরকারী সমস্ত সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই সব পরিবারগুলি। যদিও প্রতিবছরই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শহীদদের স্মরণ করা হয় বছরের এই দিনটিতে। নিজেদের রক্তে বোনা ধানের তিন ভাগের দাবিতে এই আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ১৯৪৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি। এলাকার কৃষকরা খাঁপুরের জমিদার ও ব্রিটিশ পুলিশের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে রুখে দাঁড়িয়েছিল। কৃষকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমানোর জন্য শেষমেশ পুলিশ গুলি চালিয়েছিল। এই ঘটনায় এলাকার তরতাজা ২২ জন যুবক-‌যুবতী প্রাণ হারিয়েছিল। স্বাধীনতার পরেও দীর্ঘদিন ব্রাত্য  ছিল এই এলাকা। যদিও পরে খাঁপুরের শহীদদের স্মৃতিতে সেখানে একটি শহীদ বেদি গড়ে তোলা হয়েছিল। সেই ফলকের প্রথমেই রয়েছে শহীদ যশোদা রানী সরকারের নাম। যশোদা রানী সরকারের ছেলে ৯৪ বছরের বৃদ্ধ দেবেন্দ্র নাথ সরকার জানান, তিনি কোনোরকম সরকারী সাহায্য পান না। অতিকষ্ট দিন কাটে তার। শহীদ ভাদু বর্মনের ছেলে অধীন বর্মন নিজে এখন অন্যের জমিতে চাষাবাদ করে দিনযাপন করেন। খাঁপুরের বাসিন্দা অধীর বর্মন ও তাঁর স্ত্রী বীনা বর্মন জানান, তাদের পরিবারের দুজন তেভাগা আন্দোলনে শহীদ হয়েছিলেন। কিন্তু কোনরকম সরকারী সাহায্যই মেলেনা। ফলে অন্যের জমিতে দিনমজুরি করে দিনযাপন করতে হয় তাদের। যাদের আন্দোলনের ফলে আজ দেশ স্বাধীন হয়েছে, যাদের লড়াই এর ফলে কৃষকরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখেছে আজ সেই সব শহীদদের পরিবারই ব্রাত্য। সরকারের তাদের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার লোকজন। 

  • জল সহায়করা ৫ দফা দাবিতে স্মারকলিপি জমা দিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শাসককে।

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ২০ ফেব্রুয়ারিঃ জল সহায়করা তাদের মাসিক বেতন ও বীমা সুরক্ষা প্রদান সহ মোট ৫ দফা দাবিতে স্মারকলিপি জমা দিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শাসককে। জেলার সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনস্ত গ্রামগুলি থেকে  নলকূপগুলির জল সংগ্রহের জন্য জলবন্ধু নিয়োগ করা হয়েছে বেশ কয়েকবছর আগে । জলবন্ধুরা বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে গিয়ে নলকূপগুলির জল সংগ্রহ করে। পরে সেগুলি পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠায়। দীর্ঘদিন ধরে গ্রামপঞ্চায়েতের প্রতিটি গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে জল সংগ্রহ করলেও তাদের অস্থায়ীভাবে রাখা হয়েছে। ওয়াটার ফেসিলিটেটররা পশ্চিমবঙ্গ ওয়াটার ফেসিলিটেটর ইন মনিটরিং ওয়েলফেয়ার সংগঠন গড়ে স্মারকলিপি জমা দিল। সংগঠনের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি তৃপ্তি সরকার জানান, মাসিক বেতন ও বীমা সুরক্ষা প্রদান করা, সচিত্র পরিচয়পত্র প্রদান, ভলেন্টিয়ার ফেসিলিটেটর নাম বাদ দিয়ে ওয়াটার ফেসিলিটেটর নাম দেওয়া, পঞ্চায়েতের অন্যান্য কাজে যুক্ত করা সহ ‌মোট ৫ দফা দাবিতে জেলা শাসকে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। যাতে তাদের কাজ থেকে বাদ না দেওয়া হয় সেজন্য তারা এদিন স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। ‌

  • মাধ্যমিকের অংক পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী।

    অজয় সরকার, গঙ্গারামপুর, ২০ ফেব্রুয়ারিঃ মাধ্যমিকের অংক পরীক্ষা খারাপ দিয়ে মানসিক অবসাদের জেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। গঙ্গারামপুর থানার পূর্ব বেলবাড়ি এলাকার ঘটনা। পুলিশ সুত্রে জানা যায়, মৃত ওই ছাত্রের নাম অন্তর শীল(‌১৮)‌। বাবা আনন্দ শীল কৃষিকাজ করেন। পরিবারের এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে অন্তর বড়। গঙ্গারামপুর থানার বোড়ডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছিল সে। নয়াবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষার আসন বসেছিল অন্তরের। অন্তরের মা তুলসী শীল জানান, বাংলা, ইংরেজী পরীক্ষা ভালো হলেও এবারে অংক পরীক্ষা খারাপ হয়েছিল। এরপর থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিল সে। কিন্তু সে বাড়িতে এ ঘটনা ঘটাবে তা কেউই বুঝে উঠতে পারে নি। বুধবার সকালে অন্তরের বাবা আনন্দ শীল ও মা তুলসী দেবী জমিতে গিয়েছিলেন সরষে তুলতে। বাড়িতে তখন বোন ঈশিতা একাই ছিল। অনেক বেলা হয়ে গেলেও দাদা ঘুম থেকে না ওঠায় তাকে ডাকাডাকি শুরু করে। কিন্তু তাতেও কোনো সাড়া না মেলায় সে ঘরের দরজার নীচ দিয়ে উঁকি মেরে দেখতে চেষ্টা করে। সে সময়েই দাদার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায়। ঈশিতার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। খবর পেয়ে বাবা ও মা দুজনেই জমি থেকে চলে আসেন। প্রতিবেশীরাই ঘরের দরজা ভেঙ্গে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। তড়িঘড়ি গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎস মৃত বলে জানায়। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে। অন্তরের বোন ঈশিতা জানায়, ঘরে রাতে একাই থাকত দাদা। এদিন সকালে ঘুম থেকে না ওঠায় ডাকতে গিয়ে দেখতে পায় গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে সে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। ‌  

  • শিলিগুড়ি পৌর নিগমের ন্যায্য পাওনা আদায়ের দাবীতে মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসছেন মেয়র

    শিলিগুড়ি, ২০ ফেব্রুয়ারি :  শিলিগুড়ি পৌর নিগমের  রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে  বঞ্চিত  হচ্ছে এবং এটা রাজ্য সরকারের ইচ্ছাকৃত।  এই অভিযোগ করেছেন শিলিগুড়ি পৌর নিগমের মেয়র অশোক ভট্টাচার্য।  এর আগেও বহুবার  রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তিনি  এনেছেন । নিজেদের ন্যায্য পাওনা  আদায় করতে এবার কলকাতায় ধরনায় বসার  সিদ্বান্ত নিয়েছেন তিনি। আগামী ১ মার্চ কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসবেন বলে তিনি সংবাদমাধ্যমকে গতকাল জানান । তিনি আরও জানান যে সেখানে উপস্থিত থাকবেন বিরোধী দলের নেতারাও।  এই ধরনা য় নেতাদের পাশাপাশি আমন্ত্রণ জানানো হবে রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদেরও। ওই দিনই বিকেলে শিলিগুড়ি সম্পর্কিত বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখাও করবেন তিনি। গতকাল শিলিগুড়িতে  সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অশোকবাবু বলেন, "১ মার্চ মেট্রো চ্যানেলে আমরা শিলিগুড়ি পৌর নিগমের  পক্ষ থেকে ধরনা কর্মসূচি নিয়েছি। আমাদের কাউন্সিলর, শ্রমিক সংগঠন ছাড়াও শিলিগুড়ি ও কলকাতার বুদ্ধিজীবীরাও থাকবেন এই ধর্নায় । বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান ছাড়াও  থাকবেন সুজন চক্রবর্তীসহ সি পি এমের অন্য নেতারাও। আমরা ইতিমধ্যে পুলিশ কমিশনারকে ধর্নার জন্য অনুমতি  চেয়েছি। অনুমতি না পেলেও আমরা ধর্নায় বসব।  দিনের পর দিন শিলিগুড়িকে বঞ্চনা করা হচ্ছে। প্রাপ্য টাকা দেওয়া হচ্ছে না।  ইচ্ছাকৃতভাবে ষড়যন্ত্র করে প্রাপ্য টাকা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে শিলিগুড়ি পৌর নিগমকে। বারবার বলেও কাজ না হওয়ায়, এবার কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসব আমরা। । অশোকবাবু আরও বলেন, "আগামী অর্থবছরের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য আমরা  ৫৪ কোটি টাকার প্রকল্প পাঠিয়েছিলাম। মাত্র ১০ কোটি টাকার কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে । শিলিগুড়ি পৌরনিগমকে স্তব্দ করে দেওয়ার প্রচেস্টা চালাচ্ছে রাজ্য সরকার । শিলিগুড়ির উন্নয়নের স্বার্থে  আমি বিরোধীদেরও এই ধর্নায় সামিল হয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি।    যদিও শিলিগুড়ি পৌরনিগমের বিরোধী তৃনমূল কাউন্সিলারদের  দাবি, কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে বসার সিদ্ধান্ত আসলে মেয়রের রাজনৈতিক  স্ট্যান্ট।  শিলিগুড়ির উন্নয়নে রাজ্য সরকারের নানা কাজে বাঁধা সৃস্টি  করছেন  মেয়র  এবং কাজ করতে না পেরে এইসব  মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।  

  • মেয়েকে অপহরনের অভিযোগে থানায় সুবিচার না পেয়ে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হতভাগ্য পিতা

    মালদা, ২০ ফেব্রুয়ারি : মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে এই অভিযোগে আজ মালদা পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হন  তার বাবা। তার অভিযোগ ১ সপ্তাহ অতিক্রান্ত তার মেয়ে নিখোজ থানায় জানিয়েও এখনও পর্যন্ত মেয়ের খোজ না পেয়ে তিনি বাধ্য হয়ে পুলিশ সুপারের  শরণাপন্ন হন।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায় বৈষ্ণবনগর থানার সুকদেবপুরের  গৌতম রায়। গত  ১৩ তারিখ থেকে মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছেন না। খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, দুইশত বিঘি গ্রামের টোটোন মণ্ডল ও তার বাড়ির লোকজন তাঁর মেয়েকে অপহরণ করেছে।  ঐ দিনই অর্থাৎ ১৩ তারিখেই গৌতমবাবু বৈষ্ণবনগর থানায় মেয়ের অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন এবং সেখানে  তিনি টোটোন সহ ৪ জনের নাম অভিযোগ করেন । আজ গৌতমবাবুর কাছ থেকে জানা যায় ,বিগত ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তার  মেয়ে দুইশত বিঘি গ্রামে গৃহশিক্ষকের কাছে পড়তে গেছিল। তারপর থেকে তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায় নি । তিনি এই ব্যাপারে  বৈষ্ণবনগর থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন । তার আরও অভিযোগ, পুলিশ তার মেয়েকে উদ্ধারের জন্য  কোনও উদ্যোগ  নিচ্ছে না। আমি প্রতিদিন থানায় আসছি আর কোন খোজ না পেয়ে বাড়িতে ফিরে আসছি। প্রতিদিন থানায় গিয়ে ঘুরে আসছি। বাধ্য হয়ে আজ পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জানাতে এসেছি।  আমার সামনেই পুলিশ সুপার বৈষ্ণবনগর থানার  আই সি -কে ফোন করে দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন।  

  • রতুয়া ব্লক তৃনমূল কংগ্রেস কমিটির উদ্যোগে নিহত বীর জওয়ানদের স্মরণে মৌন মিছিল

    মালদা ২০ ফেব্রুয়ারি :জম্মু কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় নিহত ৪২ জন বীর জওয়ানের  প্রতি শ্রদ্ধা জানালো রতুয়া ব্লকের তৃনমূল কংগ্রেস কমিটি । এই মর্মে বুধবার বেলা ১১টায় এক মৌন মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলে উপস্থিত  ছিলেন প্রায়  তিন শতাধিক তৃনমূল কংগ্রেস কর্মী সহ বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা    তৃনমূল কংগ্রেস নেতা মহঃ ইয়াসিন সহ অন্যান্য ব্লক নেতৃবৃন্দ।  মিছিল শেষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে তৃনমূল কংগ্রেস নেতা মহঃ ইয়াসিন  জানান, শহীদদের স্মরণে আজকের এই পদযাত্রা। শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা এবং স্বজনহারা পরিবারদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয় এদিন।  

  • শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মশালা সাহাপুর কাদিরপুর কিরণময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

    মালদা ২০ ফেব্রুয়ারি : একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা মালদা জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করেছে । সংস্থাটি বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে শিশুদের হাতে কলমে শ্রেণিকক্ষে পাঠ দানের মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিষয়ক নানা ধরনের পাঠদান করছে।ও হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়া ও শিশুদের বোঝানোর কাজ করছে। সম্প্রতি সংস্থাটি পুরাতন মালদার সাহাপুর অঞ্চলের কাদিরপুর কিরণময়ী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিশুদের নিয়ে এই ধরনের একটি কর্মশালার আয়োজন করে । কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন জ্ঞান দেন। কেমন ভাবে ছাত্র ছাত্রীরা খাওয়া দাওয়ার আগে 6 টি বিশেষ পদ্ধতিতে হাত ধরে এবং নিজের শরীর সুস্থ রাখতে কি কি করতে হবে তা হাতে কলমে বুঝিয়ে বলেন এই ধরনের কর্মশালায় শিশুদের বিশেষ উপকার হচ্ছে বলে জানা গেছে। সংস্হা টি জেলার  বিভিন্ন  প্রাথমিক  বিদ্যালয়ে গিয়ে  শিশু দের এই ভাবে  স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন  করবে  বলে জানিয়েছেন ।

  • ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত দুটি গৃহস্থ বাড়ি, ক্ষয়ক্ষতি কুড়ি লক্ষ টাকা, অসহায় পরিবারের পাশে তৃণমূল নেতা।

    মালদা ২০ ফেব্রুয়ারি : গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিক করে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত হয়ে গেল দুটি গৃহস্থ বাড়ি। ক্ষয়ক্ষতি প্রায় কুড়ি লক্ষ টাকা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার রতুয়া 1 নম্বর ব্লকের কাহালা গ্রাম পঞ্চায়েতের কমলপুর গ্রামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়ে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা তৃণমূল নেতা মোহাম্মদ ইয়াসিন। অসহায় পরিবারের হাতে তুলে দিলেন কিছু আর্থিক সাহায্য। জানা গেছে ওই এলাকার বাসিন্দা নন্দলাল মহালদার এবং সান্তালাল মহালদার। তারা সম্পর্কে দুই ভাই। পেশায় দুই জনই মাছ ব্যবসায়ী। প্রতিদিনের মতো আজ সকালে রান্না করছিলেন নন্দলাল মহালদারের স্ত্রী। ঠিক সেই সময় গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ লিক করে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। মূহুর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কোনমতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন সদস্যরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভস্মীভূত হয়ে যায় দাদা ভাইয়ের দুটি বাড়ি। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বাড়িতে থাকা সমস্ত জিনিসপত্র। পরিবার সূত্রে জানা গেছে প্রায় কুড়ি লক্ষ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আগামীকাল একটি জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য বাড়িতে 6 লক্ষ টাকা ছিল। সেই টাকা, কিছু চাঁদি, সোনা এবং অন্যান্য আসবাবপত্র এদিনের এই অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বলে দাবি পরিবারের। বাইট পরিবারের সদস্য। অন্যদিকে এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা তৃণমূল নেতা মোহাম্মদ ইয়াসিন। তিনি অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। কিছু শুকনো খাবার, ত্রিপল, বস্ত্র এবং আর্থিক সাহায্য তুলে দেন দুই পরিবারের হাতে। পরে তিনি জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে এসে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিষয়টি বিডিও কে তিনি জানাবেন। জেলা পরিষদের গীতাঞ্জলি প্রকল্পের মাধ্যমে একটি বাড়ির ব্যবস্থা করা যায় সেটিও তিনি চেষ্টা করবেন। তার পাশাপাশি রতুয়া এক নম্বর ব্লকে দমকল কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য জেলায় প্রস্তাব রাখবেন এবং দরকার হলে দমকল মন্ত্রীর সাথেও কথা বলবেন তিনি বলে জানান। বাইট মহম্মদ ইয়াসিন।

  • ছাগল চুরি হাতেনাতে ধরে ফেলায় আক্রান্ত ছাগলের মালিক

    মালদা, ১৯সে জানুয়ারীঃ গতকাল রাত্রে ইংরেজবাজারের ঝলঝলিয়ার হরিজনপাড়ায় ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে এক যুবক। ছাগলের মালিক ঐ যুবককে গালিগালাজ করেন। তখনকার মত সেই যুবক চলে গেলেও কিছুক্ষন পরে সেই যুবক তার দলবল নিয়ে এসে হামলা্রিবারেরমহিলা ও তার পরিবারের উপর। এমনকি মহিলা ও পরিবারের লোকজনকে মারধর করে বলে অভিযোগ। মহিলা আহত হন বর্তমানে ঐ  আক্রান্ত মহিলা বর্তমানে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , মাস দুয়েকের মধ্যে গীতাদেবীর ৪টি ছাগল চুরি যায়। গতকাল বিকেলে স্থানীয় বিকাশ হরিজন নামে এক যুবককে ছাগল চুরির সময় হাতেনাতে ধরে ফেলেন গীতাদেবী। রাগে গালিগালাজ করেন গীতাদেবী। পরে সন্ধেয় মদ্যপ অবস্থায় দলবল নিয়ে  গীতাদেবীর বাড়িতে চড়াও হয় বিকাশ। বাঁশ দিয়ে গীতাদেবীর মাথায় মারে সে। গীতাদেবীকে বাঁচাতে এগিয়ে যান তাঁর ছেলে কুন্দন হরিজন ও বোনের ছেলে আনন্দ হরিজন। তাঁদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর কুন্দন ও আনন্দকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গীতাদেবী এখনও সেখানে চিকিৎসাধীন। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় পুলিশে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

  • আজও প্রশ্নপত্র ফাঁস, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ডাবল হ্যাট্রিক করল।

    কলকাতা, ১৯ ফেব্রুয়ারি : আবারও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ। মাধ্যমিক শুরুর প্রথম দিন থেকেই প্রশ্নপত্র  বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে। পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ফাঁস হয়ে যায় আজকের ভৌত বিজ্ঞানের  প্রশ্নপত্র। পরীক্ষা শেষে মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায়, তা  মিলে গেছে ।  এই নিয়ে পরপর ছয়দিন প্রশ্নপত্র ফাঁস। এক কথায় বলা যায়  মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ  প্রশ্নপত্র ফাঁসের ক্ষেত্রে ডাবল হ্যাট্রিক করল। একের পর এক প্রশ্নপত্র ফাঁস, অন্যদিকে পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারির অভাব। প্রশ্ন উঠছে  অভিভাবক ও শিক্ষা মহলে।    অভিভাবকের বক্তব্য, ""এই ঘটনা বারবার কেন হচ্ছে, এবং  এটা প্রশাসনের ব্যর্থতা। এটা কখনই কাম্য নয়। সত্যিই যদি প্রশ্নপত্র  ফাঁস হয়ে যায়, তাহলে নম্বরের ক্ষেত্রে কেউ কেউ বেশি সুবিধা পেতে পারে। প্রসঙ্গত, গতকাল স্কুল শিক্ষা দপ্তরের সচিব মণীশ জৈন, পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়   ভিডিয়ো কনফারেন্সে বৈঠক করেন পুলিশ সুপার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে।  বৈঠকে সবাইকে  পরীক্ষা চলাকালীন নজরদারি বাড়ানো ও সারপ্রাইজ় ভিজ়িটের উপর জোর দিতে বলা হয়েছিল। তারপরেও আবার প্রশ্নপত্র  ফাঁস হয়ে গেল। স্বাভাবিক ভাবেই , পরপর প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। অস্বস্তি ঢাকতে ইতিমধ্যে এই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রী । ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসারের নেতৃত্বে গঠন হয়েছে সিট। প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু সিআইডি তদন্তে চলাকালীন  আবারও  প্রশ্নপ্ত্র ফাঁসের ঘটনা। ফলে প্রশ্ন উঠছে তদন্তের ভূমিকা নিয়ে। এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের ব্যার্থতাকে দায়ী করে  সিপিআইএম নেতা তথা বিধানসভার বামপরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী  শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ে পদত্যাগ দাবি করে বলেন, “শিক্ষামন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান কে অবিলম্বে তার দ্বায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া  উচিত”।