রাজ�য


  • ষষ্ঠীর রাতে এক লক্ষ টাকার জাল নোট উদ্ধার করল মালদার কালিয়াচক থানার পুলিশ।

    সুমিত ঘোষ:ফের এক লক্ষ টাকার জাল নোট উদ্ধার করল মালদার কালিয়াচক থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায় বেআইনিভাবে অস্ত্র তৈরি করার অভিযোগে ধৃত বিহারের 2 যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করে সোমবার রাতে মৌজমপুর এলাকায় হানা দিয়ে 1 লক্ষ টাকার জাল নোট উদ্ধার করতে সাফল্য হয় পুলিশ। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কালিয়াচকে অস্ত্র কারখানার হদিশ পায় কালিয়াচক থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কালিয়াচক এবং মোথাবাড়ি থানার পুলিশ যৌথভাবে হানা দিয়ে শুক্রবার ভোর রাতে আলিপুর পুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের শের শোরশাহি স্ট্যান্ড এলাকায় হানা দেয়। সেখানে হানা দিয়ে পুলিশ একটি গ্রিল ফ্যাক্টরি তে তল্লাশি চালিয়ে এই অস্ত্র কারখানার হদিশ পাই। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ভিন রাজ্য বিহারের দুই যুবক কে। পুলিশ সূত্রে জানা গেয়েছিল মৌজম পুর এর শের শাহী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় ওই গ্রিল ফ্যাক্টরির ভেতরে অস্ত্র তৈরীর কারখানা বিগত বেশ কিছুদিন ধরে চলে আসছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদ সেকের ওই গ্রিল ফ্যাক্টরি টি বলে জানা গিয়েছিল। তার গ্রিল ফ্যাক্টরি তেই বিহারের এই দুই যুবক গোপনে অস্ত্র তৈরি করার কাজ করছিল। ধৃত বিহারের এই দুই যুবককে মালদা জেলা আদালতে পেশ করে সাত দিনের পুলিশি হেফাজতে নিয়েছিল কালিয়াচক থানার পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সোমবার রাতে ওই গ্রিল ফ্যাক্টরির মালিকের বাড়িতে হানা দেয় কালিয়াচক থানার পুলিশ। তার বাড়িতে হানা দিয়ে উদ্ধার হয় এক লক্ষ টাকার জাল নোট। সবগুলি ছিল নতুন 2000 টাকার। তবে এখনো পলাতক ওই গ্রিল ফ্যাক্টরির মালিক। পুরো ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

  • নবপত্রিকা কী ? সপ্তমীর সকাল সকাল কেন স্নান করানো হয় "কলা বউ" কে!

    ডেস্ক:আজ মহাসপ্তমী। সকাল সকাল নবপত্রিকা স্নানের মধ্যে দিয়ে শুরু হলো সপ্তমী পুজোর শুভ সূচনা।বিভিন্ন ঘাট ও পুকুরে আজ সকালে নবপত্রিকা স্নানের দৃশ্য ছিলো চোখে পড়ার মত। এখন অনেকেরই প্রশ্ন, ছোটবেলায় জ্ঞান হবার পর থেকে আমরা সকলেই দুর্গাপুজোর সপ্তমীর ভোরে মহা সমারোহে ঢাকের বাদ্যির সাথে সাথে গঙ্গায় বা নদীতে “কলা-বৌ” স্নান করানোর আয়োজন দেখি । স্নান করিয়ে সেই কলাবৌটিকে নতুন লালপাড় শাড়ি পরিয়ে মাদুর্গার পাশে রাখা হয় এবং পুজোর পাঁচটাদিন পুজো করা হয় ঐ কলাবৌটিকে । বিসর্জনের দিন প্রতিমার সাথে তাকে ও বিসর্জন দেওয়া হয় । ছোটবেলায় প্রশ্ন করলে বলা হত ওটি গণেশের কলা-বৌ । আদতে গণেশ কিন্তু বিয়েই করেন নি । মা দুর্গাকেই ঐ রূপে পুজো করা হয় । সত্যি কথা বলতে, আমাদের কৃষিপ্রধান দেশে এই কলাবৌটির পুজোটি এই প্রসঙ্গে যথেষ্ট তাতপর্য পূর্ণ । বেদে আছে ভূমি হল মাতা, মৃত্শক্তি যা ধারণ করে জীবনদায়িনী উদ্ভিদকে । আযুর্বেদের ঐতিহ্যবাহী ভারতবর্ষে রোগভোগের প্রাদুর্ভাব ও কিছু কম নয় । এবং মা দুর্গার চিন্ময়ীরূপটি এই কলা-বৌয়ের অবগুন্ঠনেই যে প্রতিস্থাপন করা হয় সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই । এই কলাবৌকে বলা হয় নবপত্রিকা । নয়টি প্রাকৃতিক সবুজ শক্তির সঙ্গে আধ্যাত্মিক চেতনশক্তির মিলন হয় দেবীবন্দনায় । সম্বচ্ছর যাতে দেশবাসীর রোগ ভোগ কম থাকে এবং দেশ যেন সুজলা-সুফলা-শস্য-শ্যামলা হয়ে ওঠে সেই বাসনায় এই নবপত্রিকাকে দুর্গারূপে পুজো করা হয় । ন’টি উদ্ভিদের প্রত্যেকটির গুরুত্ব আছে । প্রত্যেকটি উদ্ভিদ ই দুর্গার এক একটি রূপ এবং তার কারিকাশক্তির অর্থ বহন করে । এরা সমষ্টিগত ভাবে মাদুর্গা বা মহাশক্তির প্রতিনিধি । যদিও পত্রিকা শব্দটির অর্থ হল পাতা কিন্তু নবপত্রিকায় নয়টি চারাগাছ থাকে । আবক্ষ অবগুন্ঠনের আড়ালে নববধূর একটি প্রতিমূর্তি কল্পনা করা হয় । বাসন্তী এবং দুর্গা এই দুই পুজোতেই নবপত্রিকা অর্চনার নিয়ম আছে । যে ক’টি চারাগাছের সমষ্টিকে একত্রিত করে অপরাজিতার রজ্জু দিয়ে বেঁধে নবপত্রিকা তৈরী করা হয় সেই নয়টি উদ্ভিদের নাম শ্লোকাকারে লেখা আছে আর এই ন’টি গাছের প্রত্যেকের আবার অধিষ্ঠাত্রী দেবী আছেন রম্ভা, কচ্বী, হরিদ্রা চ জয়ন্তী বিল্বদাড়িমৌ। অশোক মানকশ্চৈব ধান্যঞ্চ নবপত্রিকা ।। অর্থাত (১) কলা–ব্রহ্মাণী(শক্তিদাত্রী) (২) কালো কচু– কালিকা (দীর্ঘায়ুদাত্রী) (৩) হলুদ– ঊমা( বিঘ্ননাশিনী) (৪) জয়ন্তী–জয়দাত্রি, কার্তিকী( কীর্তিস্থাপয়িতা ) (৫) বেল–শিবাণী(লোকপ্রিয়া) (৬) ডালিম–রক্তবীজনাশিনী( শক্তিদাত্রী) (৭) অশোক–দুর্গা(শোকরহিতা) (৮) মানকচু– ইন্দ্রাণী( সম্পদদায়ী) (৯) ধান–মহালক্ষ্মী( প্রাণদায়িনী) মহাসপ্তমীর সূচনা হয় নবপত্রিকার স্নানপর্ব দিয়ে । নবপত্রিকা দেবীদুর্গার প্রতিনিধি । শ্বেত অপরাজিতা লতা এবং হরিদ্রাক্ত সূতা দিয়ে এই ন’টি উদ্ভিদ একসাথে বেঁধে নদীতে স্নান করানো হয় । দেবীর প্রিয় গাছ বেল বা বিল্ব । নদীতে নবপত্রিকা স্নানের পূর্বে কল্পারম্ভের শুরুতে দেবীর মুখ ধোয়ার জন্য যে দাঁতন কাঠি ব্যাবহৃত হয় তাও আট আঙুল পরিমিত বিল্বকাঠেরই তাছাড়া মন্ত্রে সম্বোধন করে নবপত্রিকাকে দেবীজ্ঞান করা হয় । শস্যোত্পাদনকারিণি দেবী দুর্গা স্বয়ং কুলবৃক্ষদের প্রধান অধিষ্ঠাত্রীদেবতা ও যোগিনীরা দেবীর সহচরী । স্নানান্তে নতুন শাড়ি পরিয়ে তিনটি মঙ্গলঘটে আমপাতা, সিঁদুর স্বস্তিকা এঁকে জল ভরে একসাথে ঢাকের বাদ্য, শঙ্খ, ঘন্টা এবং উলুধ্বনি দিয়ে বরণ করে, মন্ডপে মায়ের মৃন্ময়ীমূর্তির সাথে স্থাপন করা হয় । এই তিনটি ঘটের একটি মাদুর্গার ঘট, একটি গণেশের এবং তৃতীয়টি শান্তির ঘট । নবপত্রিকার পূজা একাধারে কৃষিপ্রধান ভারতবর্ষের বৃক্ষপূজা অন্যদিকে রোগব্যাধি বিনাশকারী বনৌষধির পূজা । মহাসপ্তমীর ভোরে বিল্ববৃক্ষের পূজা, নবপত্রিকা এবং জলপূর্ণ ঘটস্থাপন এর দ্বারাই দেবীপূজার সূচনালগ্ন ঘোষিত হয় । “ওঁং চন্ডিকে চল চল চালয় চালয় শীঘ্রং ত্বমন্বিকে পূজালয়ং প্রবিশ। ওঁং উত্তিষ্ঠ পত্রিকে দেবী অস্মাকং হিতকারিণি” এঁরাই আবার নবদুর্গা রূপে পূজিতা হ’ন । তাই দুর্গাপূজার মন্ত্রে পাই “ওঁ পত্রিকে নবদুর্গে ত্বং মহাদেব-মনোরমে” ভবিষ্যপুরাণে পাওয়া যায়.. "অথ সপ্তম্যং পত্রিকাপ্রবেশন বিধিঃ" নবপত্রিকাকে জনপদে মঙ্গলের দৃষ্টি দিয়ে বিচার করে পূজা করা হয় । একাধারে এটি কৃষিপ্রধান দেশের চিরাচরিত কৃষিলক্ষ্মী যা প্রাক্‌-আর্যসভ্যতার নিদর্শন অন্যাধারে জীবজগতের কল্যাণকর এই উভিদগুলির রোগনিরাময়ক গুণাবলীর জন্য বনৌষধিও বটে । তাই এই ন’টি গাছকে অপরাজিতা লতা দিয়ে বেঁধে দেওয়ার অর্থ হল জনকল্যাণকর এই উদ্ভিদগুলি যেন রোগ-ব্যাধির হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করে বা মানুষ যেন এই পুজার মাধ্যমে রোগ ব্যাধিকে জয় করতে পারে । তবে এই তো গেলো শাস্ত্রের কথা। কিন্তু মানুষ এতো কিছু না জানলেও, আজ সকাল থেকেই ভোগ নিয়ে হাজির হয়েছএন মন্ডপে। স্নান করে পবিত্র মনে অঞ্জলী দেবার প্রতীক্ষায়।

  • ডেস্ক:লায়ন্স ক্লাব অব মালদা অপরাজিত এর উদ্যোগে এক সপ্তাহের রেশন

    ডেস্ক:লায়ন্স ক্লাব অব মালদা অপরাজিত এর উদ্যোগে পুজোর চারদিন সহয়তা শিবির খোলা হলো ।tআজ মহা ষষ্ঠীর পূর্ণ লগ্নের সন্ধ্যায় এই শিবিরের উদ্বোধন করলেন স্বামী সুরতানন্দ জি মহারাজ । উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর সুমলা আগরওয়ালা।এদিন আর্থিক দিক দিয়ে অভাবী পঞ্চাশটি পরিবার কে এক সপ্তাহের মুদি বাজার প্যাকেট করে উপহার দেন অপরাজিত এর সদস্যরা। ক্লাবের পক্ষে রমা সিনহা জানান, প্রতি বছরই জেলা শাসকের বাংলোর সামনে এই শিবির করা হয়ে থাকে। প্রতি বছর নতুন কিছু করার চেষ্টা করা হয়। এই বছর এক সপ্তাহের রেশন দেওয়া হয়। এছাড়াও পুজোর চারদিন এই শিবিরের পানীয় জল ছাড়াও দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন সহয়তার ব্যাবস্থা রাখা হয়েছে।

  • মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার অটো ও একটি লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্ ৩ জন , গুরুতর আহত ১৩ জন।

     Newsbazar 24 ডেস্ক, ১৫ অক্টোবর : আজ ভোর ৪টা নাগাদ মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার জিগরির মোড়ে ৩৪ নম্বর জাতীয়  অটো ও  একটি পণ্যবোঝাই লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্ ৩ জন , গুরুতর আহত  ১৩ জন।   আহতদের প্রথমে স্থানীয় তারাপুর হাসপাতালে ভরতি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। ফরাক্কা থানার পুলিশ পণ্যবোঝাই লরি ও অটোটি আটক করেছে। তবে লরির চালক পলাতক ৷ মৃতদের নাম বাবর আলি (৩৮), মেসের আলি (৬০) ও আনসারুল শেখ (২১)। মৃত বাবর আলির বাড়ি সামশেরগঞ্জ থানার হিজলতলায়। মেসের আলির বাড়ী  ফরাক্কা থানার মহাদেবনগরে, এরা দুই জনেই মৎস্য ব্যবসায়ী ফরাক্কায় যাচ্ছিলেন মাছ কিনতে। আর আনসারুল শেখের বাড়ী  সামসেরগঞ্জের চাঁদপুরে তিনি ফরাক্কায় কাজে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন (উপরের ছবিতে দুর্ঘটনায় মৃত আনসারুল শেখ ও মেসের আলি (৬০) )  

  • উত্তর দিনাজপুরে আনুমানিক ৫ কোটি টাকার ব্রাউন সুগার সহ পাচারকারী গ্রেপ্তার

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ১৫ অক্টোবর : উত্তর দিয়াজপুর জেলার চাকুলিয়া থানার কানকি বাসস্ট্যান্ড এলাকা  থেকে ১৭টি ব্রাউন সুগারের প্যাকেট সহ এক মাদক পাচারকারীকে  গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃত পাচারকারীর নাম  ডালিম শেখ। তার  বাড়ী মুর্শিদাবাদের নতুনগ্রামে ।পুলিশ তাকে আজ ইসলামপুর মহকুমা আদালতে পেশ করেছে এবং  তাকে  ১৪ দিনের জন্য পুলিশি হেপাজতে নেওয়ার আবেদন  করেছে।    জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়  "গোপন সূত্রে খবর পেয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলার চাকুলিয়া থানার পুলিশ কানকি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ১৭টি ব্রাউন সুগারের প্যাকেট সহ এক মাদক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে।  সে ব্রাউন সুগার নিয়ে শিলিগুড়ি যাচ্ছিল। ধৃতের কাছ থেকে ১.৭ কেজি ব্রাউন সুগার উদ্ধার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে যার আনুমানিক মূল্য পাঁচ কোটি টাকার উপরে। প্রাথমিকভাবে অনুমান বাংলাদেশ থেকে নিয়ে এসে পাচার করা হচ্ছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনায় বাকি কেউ জড়িত আছে কি না তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।  

  • কলকাতা সহ,বিভিন্ন জেলার যা খবর, ষষ্ঠীতে রাস্তায় রাস্তায় একেবারে উপচে পড়া ভিড়।

    ডেস্ক:  রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঠাকুর দেখা শুরু হয়ে গিয়েছিল পঞ্চমীতেই।কলকাতার প্রধান পূজো গুলো আবার দ্বিতীয়া থেকেই খুলে দেওয়া হয় দর্শকদের জন্য। উত্তর বঙ্গ সহ দক্ষিণের বিভিন্ন জেলার যা খবর, ষষ্ঠীতে রাস্তায় রাস্তায় একেবারে উপচে পড়া ভিড়। উত্সবের আনন্দে মেতে উঠেছে আট থেকে আশি। সকাল থেকেই ঠাকুর দেখার দেখার ভিড় হতে শুরু করে। এরপর বেলা যত গড়িয়েছে, ভিড়ও তত বেড়েছে। কলকাতার রাজপথে ভিড় তো রয়েছেই, কিন্তু ভিড় টানার নিরিখে পিছিয়ে নেই ছোটো বাজেটের পুজোগুলিও। এবার থিম পুজোই বেশি। নতুন চিন্তা, নতুন ভাবনা। নানা সাজেপর মণ্ডপ, প্রতিমা, আলোকসজ্জা। মালদাতেও এবছর থিম পুজোর প্রতিযোগিতা। দুই পৌরসভা সহ গ্রামের পূজো গুলোও এবার নজর কাড়ছে। মালদার সর্বজয়ী, অভিযাত্রী, ইউনাইটেড ইয়ংস, অনীক সংঘ, মঙ্গল সমিতি, হিমালয় সংঘ, বিবেকানন্দ পল্লীর পূজো ইতি মধ্যে সারা ফেলে দিয়েছে। বলা বাহুল্য, তিতলির সৌজন্য পুজোর কিছুদিন আগে থেকেও মুখ ভার ছিল আকাশের। কিন্তু পঞ্চমীর সকাল থেকেই আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু করেছে। বৃষ্টির কোনও নামগন্ধ নেই। দক্ষিণের একডালিয়া এভারগ্রীন, সুরুচি সংঘ, মুদিয়ালীর পাশাপাশি উত্তরের সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার, মহম্মদ আলি পার্ক, কলেজ স্কোয়ার, মিলন সংঘ, নলিনী সরকার স্ট্রিট, ৯ পল্লীর মন্ডপে ছিল রেকর্ড ভিড়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই বেড়েছে সেই ভিড়ও। যত সময় এগোচ্ছে ভিড় তত বাড়ছে। এদিকে মেট্রো স্টেশনগুলিতে পা রাখার উপায় নেই। রাস্তায় দু-পা এগোতেই হাঁপিয়ে ওঠার জোগাড়! ষষ্ঠীতেই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে অষ্টমী, নবমীতে ভিড় যে কতটা হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে ভিড় যতই হোক না কেনো কষ্ট হলেও পুজোর এই কয়দিন অনোনদে মেতে উঠতে হবে। কারন শারদ উৎসব মানেই যে সব ধর্মের মানুষের আনন্দে মেতে ওঠার উৎসব।

  • বিশ্ব বাংলা শারদ সন্মান : জেলার সেরা পূজা হিসাবে হিলির বিপ্লবী সংঘ,

    অজয় সরকার, বালুরঘাট, ১৫ অক্টোবরঃ সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশ্ব বাংলা শারদ সন্মান ২০১৮ ঘোষণা করা হল। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শাসকের সভাকক্ষে সাংবাদিক সম্মেলনে জেলা তথ্য ও সাংস্কৃতিক দপ্তরের আধিকারিক শান্তনু চক্রবর্তী জানান, এবারে জেলার সেরা পূজা হিসাবে হিলির বিপ্লবী সংঘ, গঙ্গারামপুরের চিত্তরঞ্জন স্পোর্টিং এ্যান্ড কালচারাল ক্লাব ও বালুরঘাটের অভিযাত্রী ক্লাব এ্যন্ড লাইব্রেরীকে বিবেচিত করা হয়েছে। জেলার সেরা মন্ডপ হিসাবে গঙ্গারামপুরের হাইস্কুলপাড়া সার্বজনীন দুর্গাপূজা, বালুরঘাটের কচিকলা একাডেমী ও বালুরঘাটের সৃজনী সংঘ এ্যান্ড লাইব্রেরী হিসাবে বিবেচিত হয়। সেরা প্রতিমায় প্রথম ত্রিমোহিনীর অমর ফ্রেন্ডস্‌ স্টাফ, দ্বিতীয় বিংশ শতাব্দী ক্লাব বালুরঘাট ও তৃতীয় ইউথ ক্লাব গঙ্গারামপুর। গ্রীন পূজা হিসাবে বালুরঘাটের আর্য সমিতি প্রথম, দ্বিতীয় হিসাবে বিবেচিত হয়েছে বালুরঘাটের দিশারী ক্লাব এ্যন্ড লাইব্রেরী ও তৃতীয় বালুরঘাটের মহামায়া ক্লাব। পূজার পরে এই সব ক্লাবের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বলে প্রশাসন সুত্রে জানানো হয়েছে।

  • দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে নতুন বস্ত্র বিতরণ

    সুমিত ঘোষ:বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারদ উৎসব কে সামনে রেখে শুভ ষষ্ঠীর সকালে পুরাতন মালদার নারায়ণপুরের পার দিঘি এলাকায় দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে নতুন বস্ত্র বিতরণ করলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী রঞ্জিত মুসারদি। এদিন তিনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে সপরিবারে আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় পৌঁছে গিয়ে দূঃস্থ প্রায় শতাধিক মানুষদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করেন এবং কিছু শুকনো খাবার তুলে দেন। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

  • আজ মহাষষ্ঠী : জগতের কল্যাণ কামনায় দেবী দুর্গা এলেন মর্ত্যলোকে।

    ডেস্ক: আজ মহাষষ্ঠী। মহালয়া দিয়ে শুরু হওয়া দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা আজ থেকে জমে উঠেছে মন্ডপে মন্ডপে। শরতের আকাশে বর্ষার কৃষ্ণবর্ণ মেঘ যখন শুভ্ররূপ ধারণ করে, তখন পৃথিবীতে আগমণ ঘটে দেবী দুর্গার। দেবিদুর্গার আরাধনা লাভের জন্যই এই মহোৎসব। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে, পুরানকালে দেবতারা মহিষাসুরের অত্যাচারে স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হয়েছিল। তখন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের শরীর থেকে আগুনের তেজরশ্মি একত্রিত হয়ে আর্বিভূত হয় দুর্গা দেবীর। দেবী দুর্গাকে সকল দুঃখের বিনাশকারিনী বলা হয়। তিনিই পরমব্রহ্ম, অন্যান্য দেব দেবীরা হলো তাঁর বিভিন্ন রূপ মাত্র। আজ থেকে ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীতে ভাগ হয়ে দুর্গাপূজা পালন হবে। দুর্গাপূজার ষষ্ঠ দিনটিকে দুর্গা ষষ্ঠী বা মহাষষ্ঠী বলা হয়। এই দিনে দেবী দুর্গা কৈলাশের যাত্রা শেষ করে মর্তে আগমন করেন। দিনটি শুরু হয় দেবীর মুখ উন্মোচন ও বোধন দিয়ে। ষষ্ঠীপূজার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ষষ্ঠী হলো চান্দ্র মাসের ষষ্ঠ দিন। সে অনুযায়ী প্রতি মাসেই ষষ্ঠী আসে বিভিন্ন তাৎপর্য নিয়ে। যেমন নীলষষ্ঠী, জামাইষষ্ঠী, দুর্গাষষ্ঠী। দুর্গাষষ্ঠীতে বংশধরদের কল্যাণ কামনা করা হয়। মায়েরা দুর্গাপূজা শুরুর এই দিনে সন্তানদের মঙ্গল কামনা করে দেবীকে অঞ্জলি দেন। দুর্গা ষষ্ঠী মায়েদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। সারাদিন উপোষ মায়েরা সন্তানের সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করবেন। এই বিশেষ দিনে আমিষ ও চাল খাওয়া থেকে বিরত থাকেন অনেকেই।

  • সরকারি অনুষ্ঠানসহ মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানেও জমি মাফিয়ারা উপস্তিত থাকছেন-শঙ্কর মালাকার।

    Newsbazar 24 ,ডেস্ক, মালদা, ১৪ অক্টোবর : শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ির জমি মাফিয়ারা  সরকারি অনুষ্ঠানসহ মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানেও যোগ দিচ্ছে । অভিযোগ জানানোর পরও পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে, এবং  সেই সকল জমি মাফিয়াদের নামের তালিকা তৈরি করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখতে চলেছেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির কংগ্রেস বিধায়ক শংকর মালাকার।  উত্তরবঙ্গ সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রী পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন  জমি মাফিয়াদের গ্রেপ্তারের জন্য । তাঁরই নির্দেশে গ্রেফতার করা হয়েছিল তৃনমূলের এক কাউন্সিলার  জমি মাফিয়াকে। তারপরেও  পুলিশ কিছু  ধড়পাকড় করে । শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের তরফে প্রায় একমাস ব্যাপী অভিযান চালানো হয়।  বিধায়কের অভিযোগ, যাদের ধরা হয়েছে তাদের মধ্যে রাঘব বোয়ালরা নেই।    তিনি এই ব্যাপারে  জমি মাফিয়াদের পাশাপাশি  ভূমি রাজস্ব দপ্তরের  বিএল আর ও সহ আধিকারিকদের বিরুদ্বে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন এদের দ্বারা পতিত জমি সরকারি জমিতে পরিণত হয়। একজনের  জমি অন্যের নামে পরিবর্তিত হয়ে যায়।শংকর মালাকার বলেন  জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লক সহ শিলিগুড়ি মহকুমার অধীন খড়িবাড়ি, মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি এলাকায় এমন অভিযোগ রয়েছে অনেক। দলগতভাবে সেই সব অভিযোগের নথি সংগ্রহ করা হচ্ছে। বেশকিছু নথি সংগ্রহের কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।  সূত্রের খবর অনুযায়ী বিধায়কের আরও অভিযোগ, এইসব জমি মাফিয়ারা, উত্তরবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে অংশ নেন। কিংবা অনুষ্ঠান মঞ্চের আশপাশে ঘোরা ফেরা করতে দেখা যায়। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি নিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন শঙ্কর মালাকার। তার মধ্যে কয়েকজন ধরাও পড়ে। অভিযোগ বেশিরভাগই অধরা থেকে গিয়েছে বলে অভিযোগ। তাই ফের জমি মাফিয়াদের নাম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠাচ্ছেন তিনি।