You are here: Homeস্বাস্থ্যডক্টরস বলছে...ওষুধ খেয়ে সাময়িক সমস্যা কমানো গেলেও দীর্ঘ সময় হাঁপানির ওষুধ না খাওয়াই ভাল
Friday, 08 May 2015 10:18

ওষুধ খেয়ে সাময়িক সমস্যা কমানো গেলেও দীর্ঘ সময় হাঁপানির ওষুধ না খাওয়াই ভাল

Written by 

ডাঃ এস ত্রিপাঠি ঃ     এই বছর ৫ মে পালিত হয়ে গেলো  বিশ্ব হাঁপানি দিবস। প্রতিবছর এই দিনের থিম থাকে আলাদা। এই বছর ইউ ক্যান কন্ট্রোল ইয়োর অ্যাস্থমা থিমে পালিত হয় বিশ্ব হাঁপানি দিবস। সেইসঙ্গেই রয়েছে সাব-থিম ইটস টাইম টু কন্ট্রোল অ্যাসথমা। ফুসফুসের সমস্যাজনিত কারণে শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় মিউকাসের পরিমান বেড়ে যাওয়ায় শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা তৈরি হয়ে দেখা দেয় হাঁপানির সমস্যা।

সাবধানতা-

ওষুধ খেয়ে সাময়িক ভাবে সমস্যা কমানো গেলেও দীর্ঘ সময় হাঁপানির ওষুধ না খাওয়াই ভাল। এতে অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তার থেকে রোজকার জীবনে কিছু বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করলে রেহাই পাওয়া যেতে পারে সংক্রমণের হাত থেকে। এর মধ্যে রয়েছে-

শোওয়ার ঘর বা আসবাবে বাড়ির পোষ্যকে বেশি আসতে দেবেন না।
কার্পেট বা সফট টয় জাতীয় জিনিস বাড়িতে রাখবেন না।
কেউ ধুমপান করলে সেখানে যাবেন না।
মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।
যেকোনও মরসুমে অ্যালার্জি সম্পর্কে সচেতন থাকুন।
সবসময় সঙ্গে কুইক-রিলিফ হাঁপানির ওষুধ রাখুন।

লক্ষণ-

হাঁপানি ধরা পড়ার আগে দেখা দেয় কিছু লক্ষণ। যেমন-

কাশি-রাতে বা সকালে ঘুম থেকে উঠে অনবরত কাশির সমস্যা।
নাকে সোঁ সোঁ শব্দ হওয়া-শ্বাস-প্রশ্বাসে সোঁ সোঁ শব্দ হওয়া। বিশেষ করে ঘুমের মধ্যে বাড়ে এই আওয়াজ।
বুক শক্ত হয়ে ওঠা-বুকের মধ্যে চাপ বা ভারী ভাব অনুভব করা
শ্বাস-প্রশ্বাস ছোট হয়ে আসা- অনেক সময় মনে হয় শ্বাস-প্রশ্বাস ছোট হয়ে আসছে বা ফুসফুস প্রয়োজনমতো অক্সিজেন ভরতে পারছে না।

হাঁপানির কারণ-

হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার কারণ এখনও অজানা হলেও মূলত জিনগত ও পরিবেশগত কারণেই ফুসফুসে সংক্রমণ থেকে হাঁপানিতে আক্রান্ত হয় মানুষ। যেগুলো থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল-

ঘরের বিছানা, কার্পেট, আসবাবে জমে থাকা ধুলো
সিগারেটের ধোঁয়া
অফিসে ব্যবহৃত রাসায়নিক
ঠান্ডা হাওয়া
অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেও উঠতে পারে হাঁপানির টান।

মনে রাখবেন ঃ - ফুসফুসের সমস্যাজনিত কারণে শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় মিউকাসের পরিমান বেড়ে যাওয়ায় শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা তৈরি হয়ে দেখা দেয় হাঁপানির সমস্যা।

শিশু বয়সে হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সবথেকে বেশি। যেই সমস্যা চলতে থাকে সারাজীবন। এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে ২৩৫ মিলিয়ন শিশু ফুসফুসের সমস্যায় আক্রান্ত।

 

Read 485 times
Login to post comments

ফটো গ্যালারী

আপগ্রেড করুন

Contact Us

Email: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

Face Book: /newsbazar24 

Helpline No- 09434219594/9126173604