রাজ্য

মালদা

মালদা জেলা জুড়ে পালিত অরণ্য সপ্তাহ উদযাপনে আদমি প্রকল্প

কলকাতা

২১শে জুলাই শহীদ দিবসের সমাবেশ হয়ে উঠল রাজনৈতিক দলবদলের মঞ্চ।

মালদা

মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে যুবককে গণপ্রহার

কলকাতা

লোকসভা ভোটের আগে সংগঠনকে আরও মজবুত করতে জেলা সংগঠনে ব্যাপক রদবদল রাজ্য বিজেপির

মালদা

ওসির ঘুষ খাওয়ার প্রতিবাদ করায় থানার মধ্যে আক্রান্ত পুলিশ আধিকারিক

মালদা

মালদায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উদ্ধার ২০৬ টি তাজা বোমা গ্রেপ্তার ৪

মালদা

বন্ধুর জীবন রক্ষা করতে গিয়ে গুরুতর আহত এক কলেজছাত্র, চাচল থানার কাটা মিল এলাকার ঘটনায় তদন্তে পুলিশ।

কলকাতা

নারদ মামলার অগ্রগতি নিয়ে সিবিআই ২০শে জুলাই হাইকোর্টে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিচ্ছে।

শিলিগুরি দার্জিলিং কোচবিহার,জল্পাই গ

ময়নাগুড়ির একটি পানা পুকুর থেকে উদ্ধার গলায় ফাঁস লাগা সদ্যোজাত শিশুকন্যার দেহ

মালদা

 কালিয়াচকে উদ্ধার লক্ষাধিক টাকার কচ্ছপের হার,পলাতক পাচারকারিরা

মালদা

 আবারও মালদায় জালনোট সহ ধৃত কুখ্যাত দুই দূস্কৃতী

মালদা

পর পর দুই কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার অপরাধে বধূ খুন

খেলা

  • খেলা

    চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে হারিয়ে ১২২তম আইএফএ শিল্ড জিতল ইস্টবেঙ্গল।

    Newsbazar24, ডেস্ক ১৯ জুলাই : আইএফএ শিল্ড  জিতল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার বারাসাতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে ছোটদের ডার্বি ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ১২২তম আইএফএ শিল্ড জিতল  ইস্টবেঙ্গল। ঠিক পনেরো বছর পর শিল্ড হারের বদলা তুলে নিল লাল-হলুদ। ২০০৩ সালে শেষ বার শিল্ড ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই প্রধান। সেই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে শিল্ড জিতে নিয়েছিল সবুজ-মেরুন। এবার ইস্টবেঙ্গলের জুনিয়ার ছেলেরা তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান ক্লাবকে  হারিয়ে শিল্ড জিতে নিল । নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল ১-১ থাকার পর টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে ম্যাচ জিতে নেয় ইস্টবেঙ্গল। এদিন বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে প্রচুর সংখ্যক দর্শক সমাগম হয়েছিল  অনূর্ধ্ব-১৯ ঐতিহাসিক আইএফএ শিল্ডের ফাইনালের সাক্ষী থাকার জন্য। জুনিয়ার ডার্বি হলেও শিল্ড ফাইনালকে ঘিরে উত্তেজনা  ছিল বড়দের ডার্বির মতোই। দুই দলের সমর্থকেরাই প্রিয় দলের একাধিক পতাকা  নিয়ে মাঠে এসেছিলেন । মুখে ছিল রঙের কারুকার্য। অনেকে গোটা শরীরও পেন্ট করান। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই মোহনবাগানকে চাপে রাখে ইস্টবেঙ্গলের তরুণ ফুটবলাররা। দুই দলের খেলার মধ্যেই ধারাবাহিকতা এবং পাসিং ফুটবলের অভাব থাকলেও, তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ম্যাচের রাশ  ইস্টবেঙ্গলের হাতে  থাকলেও, কাজের  কাজটা  করেছিল  মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দিয়েছিলেন সৌরভ দাস। গোল খাওয়ার  খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো একের পর এক আক্রমণ তুলে আনতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু একাধিক আক্রমণ তুলে আনলেও, মোহনবাগানের ছয় গজ বক্সের মধ্যে গিয়ে বারবার ভুল করে ফেলছিল লাল-হলুদ। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দীপ সাহার জোড়াল দুরপাল্লার শট  মোহনবাগান গোলরক্ষককে পরাস্থ করে জড়িয়ে যায় জালে। তবে, এই গোলের ক্ষেত্রে  দীপের থেকেও বেশি অবদান রয়েছে মোহনবাগান  গোলরক্ষক আসাঞ্জা ডায়ামেরির। বল  তাঁর লাইনেই ছিল কিন্তু দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে সেই বল জড়িয়ে যায় জালে। প্রথমার্ধ শেষে খেলার ফল ছিল ১-১। অতিরিক্ত সময়েও গোল করতে  ব্যর্থ  দুই দল। অবশেষে টাইব্রেকারে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দেয় ইস্টবেঙ্গল। টাইব্রেকারে প্রথম শটই বাইরে মারে মোহনবাগান। তাদের দ্বিতীয় শটটি সেভ করে দেয় লাল-হলুদের গোলরক্ষক। এই জয়ের ফলে ২০১২-এর পর ফের একবার আইএফএ শিল্ড জিতল ইস্টবেঙ্গল। এই নিয়ে ২৯ বার শিল্ড জিতল লাল- হলুদ। ফাইনালের আগে পরিসংখ্যানের বিচারে এগিয়েই ছিল ইস্টবেঙ্গল গত চার ম্যাচে ১৭ গোল করা লাল-হলুদ ব্রিগেড হজম করে মাত্র দু'টি গোল। পারফরম্যান্সের বিচারেও এগিয়ে ছিল লাল-হলুদ।   read more...

  • খেলা

    বাংলার ফুটবলে আবার ডার্বি এবার অনূর্ধ্ব-১৯এ উপলক্ষ ১২২তম আইএফএ শিল্ডের ফাইনাল

    Newsbazar24, ১৮ই জুলাইঃ বাংলার ফুটবলে আবার ডার্বি যদিও এখনও ফুটবল মরসুম শুরু হতে বাকী বেশ কয়েকদিন।তবুও বাংলার ফুটবল প্রেমীদের কাছে একটা সুযোগ এসে গিয়েছে ডার্বি উপভোগ করার। উপলক্ষ ১২২তম আইএফএ শিল্ডের ফাইনাল।মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বারাসাত স্টেডিয়ামে ছোটদের ডার্বি ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল- মোহনবাগান।  কিন্তু এই ম্যাচ ঘিরে রয়েছে দারুন উত্তেজনা।  তার উপর ১২২তম আই এফ এ শিল্ডের ফাইনাল। ফাইনালে  মুখোমুখি হচ্ছে গত দু সপ্তাহ ধরে চলা আট দলের লড়াইয়ে সেরা দুই দল। সোমবার টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমির অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৪-১ এ হারিয়ে ১২২তম আইএফএ  শিল্ডের ফাইনালে  ইস্টবেঙ্গল পৌঁছে যায়।  দ্বিতীয় সেমিফাইনালে সেল বার্নপুরের অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ২-১ গোলে হারিয়ে শিল্ডের ফাইনালে জায়গা করে নেয় মোহনবাগান। ফলে খেতাব জয়ের লড়াইয়ে মুখোমুখি চিরকালীন দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান। গত ১৫ বছরে এই প্রথম শিল্ডের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে লাল-হলুদ এবং সবুজ-মেরুন। বৃহস্পতিবার বারাসাত বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই ক্লাব। এই ফাইনালে কে এগিয়ে ? বিগত ম্যাচগুলির পরিসংখ্যান দেখলে  একটু হলেও এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগান যেখানে টাটা ফুটবল একাডেমির বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জিতেছে। সেখানে  একই প্রতিপক্ষের ইস্টবেঙ্গল জিতেছে চার গোলে। যদিও তাদের খেলতে হয়েছে এক্সট্রা টাইম পর্যন্ত। সেমিফাইনালে মোহনবাগান ২-১ গোলে হারিয়েছে বার্নপুর সেইলকে। এই সেইলকেই ৬ গোল দিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের অনূর্ধ্ব ১৯ ফুটবলাররা। এরপরেও ইস্টবেঙ্গলের যেমন আছে লালচানহিমা, ঝন্টু প্রসাদ, সুরঞ্জিত সিংরা। তেমনই তাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য মুখিয়ে আছে সবুজ মেরুনের শুভ ঘোষ, সৌরভ দাস, কৌশিক সাঁতরারা। ইস্টবেঙ্গলের কোচ রঞ্জন চৌধুরী জানান , “মোহনবাগান ভাল দল। ওরা অনেকদিন ধরে একসঙ্গে আছে। আনচেরিও  ওদেরকে ভালভাবে তৈরী করেছে। তবে আমরাও তৈরি।” চোটের জন্য হয়তো সৌরভ মন্ডল অনিশ্চিত। আর মোহনবাগান কোচ আনচেরির কথায়, “ইস্টবেঙ্গল যথেষ্ট কঠিন প্রতিপক্ষ। তবে এই ম্যাচটার আমরাও তৈরি।” read more...

  • খেলা

    তৃতীয় টি-২০ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ ভারতের।

    Newsbazar24, ৮জুনঃ  রোহিত শর্মার দুরন্ত অপরাজিত ব্যাটিংএর উপর  ভর করে রবিবার ব্রিস্টলে তৃতীয় তথা শেষ টি-২০ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে তিনম্যাচের সিরিজ ২-১ জিতল ভারত। এখনও পর্যন্ত ৮টি তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলে ৮টিতেই জয়ী হল বিরাট-বাহিনী। এই প্রথম ইংল্যান্ডে  কোনও টি-২০ সিরিজ জিতল টিম ভারতিয় দল।  রবিবার ব্রিস্টলে টসে জিতে ইংল্যান্ডকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান বিরাট কোহলি। দুই ওপেনার জেসন রয় ও জোস বটলার  ইংল্যান্ডকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়ক্রিয়ে দিয়ে যান। ৭.৫ ওভারে যখন বটলার আউট হন ততক্ষণে স্কোরবোর্ডে ৯৪ রান যোগ করে ফেলেছে জুটি। ঝোড়ো ইনিংস খেলেন জেসন রয়ও। ৩১ বলে ৬৭ রান করেন তিনি। এর পর ইনিংসের হাল ধরেন হেলস। ২৪ বলে ৩০ রান করেন তিনি। ১৪ বলে ২৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস  খেলে নজর কাড়েন বেয়ারস্ট্রো। ২০ ওভারের শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান করে ইংল্যান্ড। ভারতের হয়ে ৪ ওভারে ৪ উইকেট তোলেন হার্দিক পান্ডিয়া। ১৯৯ রানের  টার্গেট তাড়া করতে নেমে যে ধরনের শুরু দরকার ছিল, এদিন তেমনটা হয়নি। মাত্র ৫ রান করেই ফিরে যান ওপেনার শিখর ধবন। তিন নম্বরে নামেন প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করা কে এল রাহুল। কিন্তু, এদিন তিনি শুরুটা ভাল করেও, বেশি রান করতে ব্যর্থ হন। ১০ বলে ১৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তিনি। এরপর অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে সঙ্গে নিয়ে ভারতীয় ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন রোহিত। দুজনই একটি বিষয়ের ওপর নজর রাখেন। তা হল, রান তোলার গতি যাতে কোনওভাবে স্লথ না হয়ে পড়ে। ২৯ বলে ৪৩ রানের ঝকঝকে ইনিংস উপহার দেন কোহলি। তিনি আউট হতে পাঁচ নম্বরে নেমে ঝোড়ো ইনিংস (১৪ বলে ৩৩) খেলেন হার্দিক পাণ্ড্য। দুজনে মিলে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন রোহিত শর্মা। এদিন দুর্ধর্ষ মেজাজে ছিলেন রোহিত। মাত্র ৫৬ বলে নিজের শতরান সম্পন্ন করেন তিনি। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ১১টি চার ও ৫টি ছক্কায়। প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ  ও প্লেয়ার অফ দ্য সিরিজ  রোহিত শর্মা।     read more...

  • খেলা

    বিশ্ব জিমন্যাস্টিক্স এ চোট  সারিয়ে দুরন্তভাবে ফিরে এলেন  দীপা কর্মকার।

    Newsbazar24, ৮জুনঃ আবার জিমন্যাস্টিক্স এ খবরের শিরোনামে দীপা কর্মকার। এবার বিশ্ব জিমন্যাস্টিক্স এ চোট  সারিয়ে দুরন্তভাবে ফিরে এলেন  দীপা কর্মকার।তুরস্কের মেসিনে জিমন্যাস্টিক্স ওয়ার্ল্ড চ্যালেঞ্জ  কাপে সোনা জিতলেন দীপা। এই প্রথম  কোন ভারতীয়  এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন । প্রসঙ্গত দীর্ঘ দিন ধরে চোটের জন্য  ভুগছিলেন দীপা। লিগামেন্টে চোটের পর অস্ত্রোপচার হয়েছিল দীপা। অস্ত্রোপচারের পর দীর্ঘ দিন রিহ্যাব চলেছিল দীপার। প্রায় দু'বছর পর চোট সারিয়ে বিশ্ব জিমন্যাস্টিক্সএ প্রথম শ্রেনীর প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন । ফলে তিনি এই চ্যাম্পিয়নশিপে কতদূর যেতে পারেন, তা নিয়ে ভারতীয়দের মধ্যে সংশয় ছিল । তবে , সকলকে অবাক করে দিয়ে আবার তিনি  প্রমাণ করলেন  তিনি বিশ্বসেরাদের সাথে একসারিতে ।  তাঁর পারফরম্যান্সএ বর্তমানে এতটুকু ঘাটতি নেই। ওয়ার্ল্ড চ্যালেঞ্জ কাপের ফাইনাল ইভেন্টে ১৪.১৫০ পয়েন্ট নিয়ে সোনা জিতে নেন দীপা। তবে এই সাফল্যের পিছনে পুরো কৃতিত্বটাই দীপা দিচ্ছেন তাঁর কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দীকে। চোটের কারনে  চলতি বছর গোল কোস্ট কমনওয়েথ গেমসেও অংশ নিতে পারেননি তিনি। শুধু ফাইনালেই দীপা নজর  কাড়া পারফর্ম করে সোনা জিতে নিয়েছেন সেটা কিন্তু নয়, এই প্রতিযোগীতার প্রথম থেকে দারুণ ছন্দে পাওয়া যায় দীপাকে। ১৩.৪০০ পয়েন্ট নিয়ে রূপো জেতেন ইন্দোনেশিয়ার প্রতিপক্ষ রিফদা ইরফানালুথফি। ১৩.২০০ পয়েন্ট নিয়ে ব্রোঞ্জ জেতেন তুরস্কের গোকসু উখতাস সানলি। এই সাফল্যের জন্য দীপাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, তাঁকে শুভেচ্ছা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজ্যবর্ধন রাঠৌর এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।   read more...

  • খেলা

    রাশিয়ার সামারায় সাম্বা ঝড়ে মেক্সিকো কুপোকাত, কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল।

    Newsbazar24,ডেস্ক, ২ জুলাইঃ  প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে মেক্সিকো বনাম ব্রাজিলের খেলার মূল  নায়ক  নেইমার জুনিয়ার। আর এই নেইমার জুনিয়ারের জন্য ফের একবার  মেক্সিকোকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল । একাই নেইমারে দ্বিতীয়ার্ধের পর থেকে ছিন্ন-ভিন্ন করে দিল মেক্সিকোকে । যার ফলে  ২-০ গোলে  হারল মেক্সিকো। এদিন খেলার শুরু থেকেই ব্রাজিলকে চেপে ধরার চেষ্টা করে মেক্সিকো। নেইমার ও কুটিনহোকে প্রায় বোতলবন্দি করার মতো করে ছক সাজিয়েছিলেন মেক্সিকআন ডিফেন্ডাররা । আক্রমণভাগের একদম সামনে ছিলেন তিন জন । যার নেতৃত্বে ছিলেন হার্নান্ডেজ। পরিকল্পনামাফিক আক্রমণাত্মক খেলাও শুরু করেছিল মেক্সিকো। কিন্তু, ব্রাজিলের অধিনায়ক থিয়াগো সিলভার নেতৃত্বে থাকা ডিফেন্সকে ভেদ করতে পারছিল না মেক্সিকো। বল দখলের লড়াইয়েও প্রথমার্ধে ব্রাজিলের থেকে অনেক বেশি এগিয়েও ছিল মেক্সিকো। মনে হচ্ছিল ব্রাজিল কিছুতেই হয়তো এদিন আর পাল্লা দিতে পারবে না। জাভিয়ার হার্নান্ডেজের প্রতিটি আক্রমণ মিসাইলের মতো আছড়ে পড়ছিল ব্রাজিল ডিফেন্সের গায়ে। একবার হার্নান্ডেজ সুযোগও পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অফসাইড হয়ে যান এবং ব্রাজিলের গোলকিপার অ্যালিস্সন বেকার হার্নান্ডেজের প্রায় ঘাড়ে উঠে বল ছিনিয়ে নেন। নেইমার সুযোগের অপেক্ষায় সমানে নিজের স্থান বদলে যাচ্ছিলেন। আচমকাই ২৫ মিনিটে তিনি একটি বল পেয়ে দুরন্তভাবে মেক্সিকোর বক্সে ঢুকেও পড়েন। সামনে তখন শুধুই মেক্সিকোর গোলকিপার ওছোয়া এবং অধিনায়ক মার্কোজ সামান্য একটু দূরে। এই ফাঁক দিয়ে ই বল রেখেছিলেন নেইমার। কিন্তু, ওছোয়া দুরন্ত রিফ্লেক্সে কোনওমতে হাতের তালুর নিচের অংশ দিয়ে বলের গতি রোধ করে দেন। বলতে গেলে প্রথমার্ধের খেলায় এই একটিমাত্র সুযোগ ছিল ব্রাজিলের আক্রমণের ।  প্রথমার্ধের খেলা গোল শূন্য অবস্থাতেই শেষ হয়।  কিন্তু, দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতেই তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে নামে ব্রাজিল। একসঙ্গে গোটা দল বল নিয়ে মেক্সিকোর বক্সে পৌঁছনোর চেষ্টা করতে থাকে। এরই ফল স্বরূপ ৫১ মিনিটে মেক্সিকোর বক্সে ঢুকে পড়ে ব্রাজিল দল। বক্সের সামনে পাওয়া পাস স্লাইড করে মেক্সিকোর জালে বল ঢুকিয়ে দেন নেইমার। এরপরই আস্তে আস্তে  মেক্সিকোর ঘাড়ে চেপে বসে ব্রাজিল । এই সময় দুই দলের বল দখলে সমান  সমান থাকলেও, ব্রাজিলের আক্রমণ মেক্সিকোর গোলমুখে বেশী আছড়ে পড়েছে।  প্রথম থেকে ঝড়ের গতিতে খেলার মাসুল অবশ্য এই সময় দিতে থাকে মেক্সিকো। তাদের প্লেয়াররা যে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে তা বোঝাই যাচ্ছিল। হার্নান্ডেজকে তুলে নিতে মেক্সিকোর আক্রমণের ঝাঁঝও কমে যায়। ৮৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে সোজা মেক্সিকোর বক্সে ঢুকে পড়েন নেইমার। মেক্সিকোর গোলের একদম সামনে প্রস্তুত হয়েই ছিলেন ফিরমিনো। গোলে বল ঠেলতে কোনও ভুল করেননি তিনি। বলতে গেলে নেইমারের এই অসাধারান  পাস যেন মেক্সিকোর কফিনে শেষ পেড়েকটি পুতে দেয়। আর সেই সঙ্গে মেক্সিকো-র  বিশ্বকাপে -কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার আশা শেষ হয়ে যায়।     read more...

ব্যবসা

detail

বুধবার গঠিত হল মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স এর নতুন কমিটি

জিৎ বর্মন:মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স এর নতুন কমিটিতে জায়গা পেলেন না বিদায়ী সম্পাদক উজ্জ্বল সাহা। প্রাক্তন সম্পাদকের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন আর্থিক অভিযোগের কারণেই ,এমনটা হয়েছে বলে মনে করছেন জেলার ব্যবসায়ী মহল। বুধবার গঠিত হল মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স এর নতুন কমিটি । নতুন কমিটিতে জায়গা পেলেন না গতবারের বিদায়ী সম্পাদক উজ্জ্বল সাহা। কিছুদিন আগেই শ্রী সাহার বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অভিযোগ এবং তার ভিত্তিতে ইংরেজ বাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের ,পরে এই বিদায়ে সম্পাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ৪২০ এবং ৪০৬ ধারায় মামলা রুজু, এছাড়াও অভিযোগকারী ব্যবসায়ী আইনজীবী সঞ্জয় শর্মার তোলা বিস্ফোরক কিছু অভিযোগ। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য যে এই বিদায়ী সম্পাদক মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের মতো ঐতিহ্যবাহী এক সংগঠনের সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের অপব্যবহার করছেন, জড়িয়ে পড়ছেন বিভিন্ন আর্থিক ছাড়াও অন্যান্য অভিযোগে। এরপরই যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েন জেলার প্রায় ৭০ ০০০ ব্যবসায়ীদের মিলিত এই সংগঠনের কর্মকর্তারা। মনে করা হচ্ছে এইসব কারনেই এবারের কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে উজ্জল সাহাকে। এ বিষয়ে মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের নবনিযুক্ত সম্পাদক জয়ন্ত কুন্ডু কে জানতে চাইলে তিনি উজ্জ্বল সাহার ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলতে না চাইলেও, জানান আমাদের এই সংগঠন ৬৩ বছরের পুরনো ।ঐতিহ্যবাহী এই সংগঠন এই সংগঠনে ,ব্যক্তি নয় সব সময় আমরা সংগঠনের মর্যাদা কে সামনে রাখি। এক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি বিশেষের কারণে যদি সংগঠনের ক্ষতি হয়, বা তার সুনাম ক্ষুন্ন হয় তাহলে কখনোই আমরা তার পাশে থাকব না ।আমাদের সংগঠন কখনোই কোনো দুর্নীতির সঙ্গে আপস করবে না ।আমাদের লক্ষ্য কেবলমাত্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করা ,আর সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যাবে এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। সংগঠনের নতুন কমিটিতে অভিযুক্ত উজ্জ্বল সাহা কোন পথ না পাওয়ায় খুশি উজ্জল সাহার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ব্যবসায়ী পবন কুমার শরাফ ও ,তিনি বলেন, আমি অত্যন্ত খুশি, উজ্জ্বল সাহার মত একজন অসাধু ব্যবসায়ী কে কমিটিতে জায়গা না দেওয়ায় ।আমরা খুশি পুলিশ প্রশাসন এবং মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাতে আমরা আপ্লুত ।আইনের ওপর আমাদের পুরো ভরসা আছে, নিশ্চয়ই এই অভিযুক্ত তার প্রাপ্য সাজা পাবে। এ ধরনের একজন অসাধু ব্যবসায়ী যিনি বহু লোককে ঠকিয়েছেন, বহু লোকের কাছ থেকে ঋণ করে তাদের টাকা শোধ করেননি, তার কোন মতেই এই ধরনের সংগঠনের মাথায় থাকা উচিত নয় ।অনেক ব্যবসায়ী এতদিন ভয়ে মুখ খুলতে পারেননি। আশাকরি ,এবারে আমার মত বহু ব্যবসায়ী এগিয়ে এসে তাদের অভিযোগ জানাবেন। এই ঘটনায় খুশি অভিযুক্তের আইনজীবী সঞ্জয় শর্মাও তিনি বলেন অত্যন্ত সদর্থক পদক্ষেপ। এই ধরনের একজন অসাধু লোককে সংগঠনের মাথায় রাখা কখনই উচিত কাজ হতো না। উজ্জল সাহার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বহু অভিযোগ সামনে আসছে ।বহু ব্যবসায়ী আমার কাছেও এসেছেন, এমন ঘটনাও শোনা যাচ্ছে যে কোন দোকান থেকে ৬০ হাজার টাকার মোবাইল কিনে তাকে ২০হাজার টাকা দেওয়ার পর বাকি টাকা তিনি শোধ করেননি ।এগুলি সবই প্রমাণসাপেক্ষ ,তবে আশা রাখি আগামীতে বহু লোক, যারা এতোদিন ভয়ে এগিয়ে এসে এই সম্পাদকের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেননি বা অভিযোগ জানাতে পারেননি, তারা সাহস পাবেন আগামীতে তারা তাদের অভিযোগ জানাবেন। নতুন গঠিত এই কমিটির মেয়াদ থাকবে ২০২১ সাল পর্যন্ত। অন্যদিকে এবারের নতুন কমিটির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন শ্রী দেবব্রত বাসু। এবং সম্পাদক পদে নির্বাচন করা হয়েছে মালদা জেলার প্রতিষ্ঠিত, সৎ এবং আদ্যপ্রান্ত ভালো মানুষ এবং জনপ্রিয় ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত শ্রী জয়ন্ত কুন্ডু কে। সংগঠনের প্রাক্তন সম্পাদক উজ্জল সাহার বর্তমান কমিটিতে জায়গা না পাওয়া প্রসঙ্গে, এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে তার প্রতিক্রিয়া জানার জন্য আমাদের সাংবাদিক, উজ্জল সাহাকে বারবার ফোন করলেও তিনি ফোন তোলেনি। হোয়াটসঅ্যাপেও মেসেজের কোন উত্তর আসেনি ,একবারই মাত্র তিনি ফোন ধরেছিলেন ,তাকে এ বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি এখন ঘুমোচ্ছি পড়ে প্রতিক্রিয়া জানাবো । তারপর বহুবার ফোন করলেও ফোন ধরেননি উজ্জ্বল বাবু। সূত্র মারফত জানা গেছে উজ্জল সাহাকে মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের নতুন কমিটিতে জায়গা দেওয়ার জন্য মোট ২৪ জনের এক্সিকিউটিভ কমিটির একজন ও সুপারিশ করেননি ।ফলে সর্বসম্মতভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংগঠনের সভাপতি এবং সম্পাদকের পদে দেবব্রত বাসু এবং জয়ন্ত কুন্ডুর নাম উঠে আসে। মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের মাথায় অভিযুক্ত উজ্জ্বল সাহাকে সরিয়ে স্বচ্ছ এবং সৎ ভাবমূর্তির জয়ন্ত কুন্ডু এবং দেবব্রত বাসুর নাম উঠে আসায় এখন খুশির হাওয়া মালদা জেলার ব্যবসায়ী মহলে। ... read more

Video Gallery

image