মেদনীপ�র

  • হলদিয়ার কাছে সাগরদ্বীপে এক পণ্যবাহী জাহাজে ভয়াবহ আগুন, নাবিক ক্রু সহ সকলকে উদ্বার।

    Newsbazar24: ডেস্ক, ১৪ই জুনঃ  হলদিয়ার কাছে সাগরদ্বীপে এভি এসএসএল  কলকাতা  নামের এক পণ্যবাহী জাহাজে ভয়াবহ আগুন। জাহাজের বেশিরভাগটাই  আগুনে পুড়ে গিয়েছে  বলে জানা গিয়েছে। নৌবাহিনীর কোস্ট গার্ড খবর পায় যে  এভি এসএসএল কলকাতা নামের এক  জাহাজে আগুন লেগেছে। খবরটি  তারা পান ঐ জাহাজের ক্যাপ্টেনের কাছ  থেকে  খবর  পেয়ে জাহাজে থাকা ২২ জন ক্রুকে উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড। জাহাজের আগুন নেভাতে বিশাখাপত্তনম থেকে একটি জাহাজ আনার কথা জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছান কোস্টগার্ডের দুটি জাহাজ রাজকিরণ এবং ডর্নিয়ার। অবশ্য তাদের পৌছাতে  সময় লাগে  প্রায় তিনঘণ্টা।  ততক্ষণে জাহাজের অধিকাংশ পুড়ে গিয়েছে তবে জাহাজে আটকে থাকা সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে  সূত্র থেকে জানা  গিয়েছে। শ্রেয়াস শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিকসের অধীনে রয়েছে কন্টেনারবাহী জাহাজটি। কৃষ্ণপত্তনম থেকে সেটি কলকাতার দিকে আসছিল। বুধবার রাত ১০টা নাগাদ জাহাজের ডেকে একটি বিস্ফোরণ হয়। তারপরেই জাহাজটিতে আগুন লেগে যায় বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি সাগরদ্বীপের কাছে অবস্থান করছে বলে জানা গিয়েছে।  

  • তৃণমূল বিজেপির সংঘর্ষে বোমা ও গুলি রনক্ষেত্র ঝাড়গ্রাম

    ডেস্ক, ৩০ মেঃ  উত্তপ্ত ও রনক্ষেত্র ঝাড়গ্রাম তৃণমূল বিজেপির সংঘর্ষে । বিজেপির  অভিযোগ সশস্ত্র তৃণমূল কর্মীরা ঝাড়গ্রাম শহরে তাদের দলীয় দফতরে হামলা চালিয়েছে। যদিও তৃনমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে যে তাদের শান্তি মিছিলে প্রথমে হামলা চালায় বিজেপি। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে। সূত্রের খবরে জানা যায় , বুধবার রাতে ঝাড়গ্রাম শহরে বিজেপি দলীয় দফতরে বৈঠক চলছিল। সেখানে উপস্থিত  ছিলেন বিজেপি সাধারণ সম্পাদক(সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় সহ বহু বিজেপি কর্মী ও নেতা। বিজেপির অভিযোগ, সেই  সময় তৃণমূলের বাইক বাহিনী  পার্টি অফিস ঘিরে ফেলে। আরও অভিযোগ, জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি আর্য ঘোষের নেতৃত্বে বাইক বাহিনী পার্টি অফিস ঘিরে বোমাবাজি করে ও গুলি চালায়। পার্টি অফিসের সামনে থাকা দলের নেতা-কর্মীদের বাইকগুলিও ভাঙচুর করা হয়। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশকে  ঘটনটি বার বার  জানানো সত্ত্বেও , কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। পরে রাত বারোটা নাগাদ পুলিশ এসে  সেখানে আটকে থাকা বিজেপির নেতা-কর্মীদের উদ্ধার করে। বিজেপি সূত্রে খবর, রাতেই ঝাড়গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংকে জানিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আর্য ঘোষ জানিয়েছেন, তাদের তরফে বিজেপির ওপর কোনও হামলা হয়নি। বরং তৃণমূলের বাইক মিছিলে হামলা চালিয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ বিজেপির পার্টি অফিস থেকে তির ও বোমা ছোড়া হয়। তাদের এক কর্মী সূরজ সিং বিজেপির ছোড়া তিরে আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে তৃণমূল।  

  • প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করার অভিযোগ উঠল গৃহবধূর বিরুদ্ধে

    news bazar24:প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করার অভিযোগ উঠল এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে,মনুয়াকাণ্ডের ছায়া ধরা পড়ল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারের কালাপেনিয়া গ্রামে।বছর আঠাশের গোবর্ধন সামন্তের সঙ্গে সমীর বর্মনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব। সেই সুবাদেই গোবর্ধনের স্ত্রী উমার সঙ্গে পরিচয় হয় সমীরের। গোবর্ধনের বাড়িতে প্রায় রোজই যেত সমীর।প্রথমে স্বামীর উপস্থিতিতে যাওয়াআসা, পরে তাঁর অনুপস্থিতিতেই। ফলে স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে গাঢ় হতে থাকে সম্পর্ক। ইদানীং সমীরের সঙ্গে উমা বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। গোবর্ধনের বাড়ি না থাকার সুযোগে এরপর উমারে কাছে আসতে শুরু করে সমীর। গোবর্ধনের বাবা বৌমার এই সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।গোবর্ধনকে বিষয়টি জানান তিনি। এরপরই চরমে ওঠে দাম্পত্য কলহ।গোবর্ধনের বাবার মৃত্যুর পর আরও বেপরোয়া ওঠে সমীর ও উমা। অবাধেই মেলামেশা করতে থাকে তারা। গোবর্ধন মানসিক অবসাদে নেশাগ্রস্ত হয়ে ওঠে।সোমবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় দু’কিলোমিটার দূরে রাজনগর রামচন্দ্র আদর্শ বিদ্যাপীঠের  স্কুলের পেছনে তার দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, সমীরকে নিয়ে গোবর্ধন ও উমার সঙ্গে রোজই ঝগড়া হত।রবিবার বাড়ি থেকে সন্ধ্যায় বেরোয় গোবর্ধন। রাতে আর ফিরত আসেনি।বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কের জন্য গোবর্ধন সমীর ও উমা খুন করেছে বলে অভিযোগ। 

  • নন্দীগ্রামে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু ২ সিপিএম সমর্থকের।

    ডেস্ক, ১৪ই মেঃ একদা খবরের শিরোনামে থাকা নন্দীগ্রামেও পঞ্চায়েত ভোটের বলি হলেন দুই সিপিএম সমর্থক। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় অপু মান্না, যোগেশ্বর ঘোষ নামে দুই সিপিএম সমর্থকের।  তৃণমূলের বাইক বাহিনী গুলি করে খুন করেছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকের অধিকাংশ আসনে শাসকদলের অত্যচারে ও ভয়ে বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারনি, ফলে স্বভাবতঃই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগেই জয় পেয়েছে তৃণমূল এই ব্লকে যদিও তাদের ভাগ্য ঝুলে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু দু নম্বর ব্লকে সিপিএম-সহ বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পেরেছে।আজ ভোট শুরু হতেই নন্দীগ্রাম ২নং ব্লকের বিভিন্ন জায়গা থেকে অল্প বিস্তর গণ্ডগোলের খবর পাওয়া যাচ্ছিল। স্থানীয় সূত্রে যানা যায় বেলা বাড়তেই  নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের গোপালপুর ৪০ নম্বর বুথে গণ্ডগোল শুরু হয়। তৃণমূলের বাইক বাহিনী তাণ্ডব শুরু করে । ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা জনসাধারনকে ভয় দেখিয়ে চলে যেতে বাধ্য করে। সেই সময় অপু মান্না এবং যজ্ঞেশ্বর ঘোষ এর প্রতিবাদ করেন তারা বলেন যে তারা নিজেদের ভোট নিজেরাই দেবেন। সেই সময় এই দুজনের ওপর গুলি বোমা নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এই দুই সিপিএম কর্মীর। ভ্যানের ওপর দুজনের দেহ রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয়রা। যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।