মেদনীপ�র

  • কর্মী সভায় যাবার পথে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে নিগৃহীত বিজেপির দিলীপ ঘোষ, অভিযোগের তীর তৃনমুলের দিকে।

    Newsbazar24, ডেস্ক, ১৭ সেপ্টেম্বরঃ পূর্ব মেদিনীপুরের কন্টাই যাবার পথে কাঁথির রাস্তায় আক্রান্ত  হলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষের গাড়িতে হামলার পর ভাঙচুর চালানো হয়।এবং তার গাড়ির সামনের ও পিছনের কাঁচ যথেচ্ছভাবে ভেঙ্গে দেবার অভিযোগ  উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকী দিলীপ ঘোষ নিগৃহীতও হন বলে অভিযোগ।  সেখানেই  বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে  সংঘর্ষ বাধে। মোট ১৫টি গাড়ি ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এলাকায় নামানো হয়েছে র‍্যাফ ও বিরাট পুলিশ বাহিনী। দিলীপ ঘোষকে উদ্ধার করে পুলিশি নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে। সোমবার কাঁথিতে বিজেপির একটি কর্মিসভা ছিল। সেখানেই যাচ্ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দিলীপ ঘোষকে কালো পতাকা দেখানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়। সেইমতো কালো পতাকা দেখানো কর্মসূচির সময় বিজেপি কর্মীরা টিপ্পনি কাটে। মুহূর্তেই আগুন জ্বলে ওঠে। রণক্ষেত্রের রূপ নেয় কাঁথি। দিলীপ ঘোষ বলেন, “কাঁথির সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীর  উপস্থিতিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার সময়  তিনি  নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলেও অভিযোগ তাঁর।  পুলিশের সামনেই তৃণমূলের পতাকা নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশ সক্রিয় হলে বিজেপি কর্মীদের এভাবে রক্ত ঝরত না। আমাকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, দিদি তো বলেন, ভারতে গণতন্ত্র নেই। কিন্তু বাংলায় কি গণতন্ত্র রয়েছে? তাহলে কি এই সেই গণতন্ত্রের নমুনা! এই কি গণতন্ত্রের চিত্র! যেখানে সভা-সমিতি করা যায় না। আমরা তো কোনও পাবলিক মিটিংও করতে যাচ্ছিলাম না, আমরা হাউস মিটিংয়ে যাচ্ছিলাম। তারপরও হামলা চালানো হল। গাড়ি ভাঙচুর করা হল। আমাদের পাঁচজন গুরুতর জখম হয়েছেন। আমার গাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ি।   তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী  বিজেপি রাজ্য সভাপতির এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন।  তাঁর দাবিতিনি পাল্টা বিবৃতিতে বলেছেন , এই ঘটনায় তৃণমূল দায়ী নয়, এসব বিজেপির অন্তর্কলহের ফল। ওঁদের মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন নিয়ে দলের অন্দরেই ঝামেলা রয়েছে। তার ফলস্বরূপ এই ঘটনা ঘটেছে। আর দিলীপবাবু তো কথায় কথায়, মেরে দেব ফাটিয়ে দেব, গর্তে পুতে দেব- এসব মন্তব্য করে বেড়ান। তার ফল  এখন তাকে ভুগতে হচ্ছে ।     

  • স্বাধীনতা দিবসের রাতেই মায়ের কোল থেকে হারিয়ে গেল তিন দিনের শিশু।

    নিউজ বাজার২৪:স্বাধীনতা দিবসের রাতেই মায়ের কোল থেকে হারিয়ে গেল তিন দিনের শিশু। ছেলেকে নিয়ে বাসস্ট্যান্ডের এক কোণে পড়ে ছিলেন মা। ওটাই বাড়ি। ওটাই একমাত্র মাথা গোঁজার ঠাঁই। খোলা বাসস্ট্যান্ডেই ভবঘুরে মায়ের কোলে ঘুমিয়ে ছিল একরত্তি ছেলে। মঙ্গলবার রাতে সেই যাত্রী প্রতীক্ষালয় থেকেই হঠাত্ উধাও হয়ে যায় ছেলে। এরপর থানাতে গেলেও পুলিশ কোনো কথা না শুনে সন্তান হারা মহিলাকে তাড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ।

  • বৃষ্টিতে জলে ভাসছে ঘাটাল :নৌকা করেই চলছে যাতায়াত

    Newsbazar24:ক্ষিরপাইয়ের জলে ভাসছে ঘাটাল পুরসভার ৩,৪,৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ড । নৌকা করেই চলছে যাতায়াত। গোটা শহরটাকেই গিলে খেয়েছে ক্ষিরপাইয়ের জল। ক্ষ্যাপা ষাঁড়ের মতো ফিবছর বর্ষায় ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে ক্ষীরপাই। শিলাবতীর উপনদী তখন উন্মত্ত। কুলভাঙা এই স্রোতই ভাসিয়ে দেয় ঘাটাল শহরকে। চারিদিকে শুধু জল আর জল। ঘাটাল শহরটাই এখন একটা আস্ত নদী। নৌকা করেই চলছে অফিস কাছারি, স্কুল,কলেজ। ঘাটালের ভৌগোলিক অবস্থানেই লুকিয়ে আছে ঘাটালের দুর্দশার কারণ। আশপাশের জেলার থেকে অনেকটাই নিচুতে ঘাটাল। তাই অন্য সব জেলার জল যখন নামতে থাকে তখন জলে ফুলে ফেঁপে ওঠে ঘাটাল। কারণ অন্য জেলার জল এসে ঢোকে ঘাটালেই।

  • ‘বহিরাগত এনে বাংলার বুকে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করলে, আমরা চুপ করে থাকব না’- ফিরহাদ হাকিম

    Newsbazar 24 , ডেস্ক, ২৮ জুলাই : গত ১৬ জুলাই মেদিনীপুর কলেজ ময়দানে সভা করে তৃণমূলের সিন্ডিকেট রাজের পতন ঘটানোর কথা বলেছিলেন  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার তাঁর পাল্টা সভায়  ঐ মেদিনীপুর কলেজ মাঠে  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দিল্লি থেকে উৎখাত করার ডাক দিলেন  তৃণমূল কংগ্রেস। এই  সভা থেকেই  তৃণমূলের প্রথম সারির সকল নেতারা তোপ দাগলেন নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে। আগামীদিনে দেশকে নেতৃত্ব দিতে বাংলার লড়াকু নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়োজনের কথা বললেন তাঁরা তুলে ধরলেন। এই কলেজ ময়দানে সভা করে নরেন্দ্র মোদী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সবকিছুতেই সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন। সিন্ডিকেট করেই তৃণমূল ভোটে জিতছে বলেও অভিযোগ ছিল তাঁর। তার প্রত্যুত্তরে শনিবার প্রধানমন্ত্রীকে পাল্টা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তৃণমূলকে সিন্ডিকেট করে ভোট করতে হয় না। তার কারণ তৃণমূলের উন্নয়নের সিন্ডিকেট আছে। কন্যাশ্রী-সবুজশ্রীর সিন্ডিকেট আছে। নরেন্দ্র মোদীর মতো গুজরাটের দাঙ্গার সিন্ডিকেট নেই। খুনের সিন্ডিকেট নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একই সুরে বলেন, হ্যাঁ, আমরা সিন্ডিকেট করেছি। তা মানুষের সিন্ডিকেট। আর একটা সিন্ডিকেট করতে চলেছি আমরা, তা হল বিজেপির ভারত ছাড়ো সিন্ডিকেট। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা আমাদের নেত্রী হিসেবে পেয়েছি এমন একজনকে যিনি জনগণের পাহারাদার। সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দেশকে নেতৃত্ব দেবেন। শুধু বাংলায় নয়, এখন ভারতের প্রয়োজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে। তার আগে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন সংসদে একজন মহম্মদ বিন তুঘলকে দেখতে পাচ্ছি। তিনি একের পর এক তুঘলকি সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশকে রসাতলে পাঠাচ্ছেন। নোটবন্দি থেকে শুরু করে জিএসটি- সর্বত্রই তুঘলকি সিদ্ধান্তের ছায়া স্পষ্ট। তাই এই অপশাসনের মুক্তি দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশের নেতৃত্বে আনতে হবে। ফিরহাদ হাকিম বলেন, বহিরাগতদের এনে বাংলার বুকে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করলে, আমরা চুপ করে বসে থাকব না। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, আমরা বাংলা মায়ের দামাল ছেলে, শান্তিপ্রিয়। কিন্তু শত্রু হানা দিলে বাংলা মায়ের সম্মান রক্ষায় আমরা চুপ থাকব না। আমরাও অস্ত্র তুলে নিতে জানি। মা তোমার ভাবনা নেই।  এদিন মেদিনীপুরের সভা থেকে বিজেপিকে শুধু রথ আর তলোয়ারের কথা বলা দল বলে কটাক্ষ করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়রা।  এছাড়াও সুব্রত বক্সি, মানস ভুঁইয়া-রাও তোপ দাগেন বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশ্যে।  

  • মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা চলাকালীন মঞ্চের সামিয়ানা ভেঙে আহত ৯০ জন।

    Newsbazar, ডেস্ক, ১৬ই জুলাইঃ মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা চলাকালীন ভেঙে পড়ল মঞ্চের সামিয়ানা। সর্ব শেষ খবরে জানা যায়  এই ঘটনায় জখম হয়েছেন ৯০ জন সমর্থক। তাঁদের তড়িঘড়ি  হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সভা শেষ করেই প্রধানমন্ত্রী যান আহতদের দেখতে। মেদিনীপুর হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে তিনি সমর্থকদের আশ্বস্ত করেন। সোমবার মেদিনীপুর শহরে কলেজ গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কৃষক কল্যাণ সমাবেশে  প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাখার সময় দুর্ঘটনা ঘটে। রবিবার থেকে প্রবল বৃষ্টি চলছিল মেদিনীপুরে।বৃষ্টির কারণেই এই ঘটনা বলে জানা গিয়েছে।  এমনকী মোদীর বক্তব্য রাখার সময়ও বৃষ্টির বিরাম ছিল না। তখনই ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ে সামিয়ানা। আরও বড়সড় বিপর্যয় ঘটতে পারত। অনেকেই চাপা পড়ে গিয়েছিলেন। হুড়োহুড়িতে অনেকেই আহত হয়েছেন। তাঁদের বের করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিজেপির স্বেচ্ছাসেবকদের অভিযোগ, লোহার বিমের উপরে লাগানো ছিল ত্রিপল ও কাপড়ের সামিয়ানা। মোদীকে দেখার জন্য অনেকে ওই লোহার বিমের উপর ওঠার চেষ্টা করেন। একে বৃষ্টি চলছিল, তারপর মানুষের চাপ ফলে ধীরে ধীরে সামিয়ানা চাপা পড়ে যান সমর্থকরা। প্রধানমন্ত্রী মোদী তা দেখতে পেয়ে মানুষের নজর ঘোরাতে স্লোগান দেন। তার কারণ স্লোগান দিয়ে মানুষের নজর অন্য ঘোরাতে আতঙ্কে হুড়োহুড়ির মধ্যে আরও আহতের সংখ্যা বাড়তে পারত। কিন্তু সেই বিপর্যয় ঘটেনি। এরপর ভাষণ শেষ করে নরেন্দ্র মোদী আহতদের দেখতে যান। মেদিনীপুর হাসপাতালে চিকিৎসকদের নির্দেশ দেন আহতদের চিকিৎসা ও যথাযথ শুশ্রুষার ব্যবস্থা করার। তিনি হাসপাতালে ভর্তি সমর্থকদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি বলেন, একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে। ভয় পেলে হবে না। মনে সাহস রাখতে হবে। সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। চিকিৎসকদের তিনি বলেন, আহতদের যথাসাধ্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে। আর আহত সমর্থকদের বলেন, ভরসা রাখতে। তিনি পাশে থাকবেন তাঁদের। এদিন আহতদের মাথায় হাত বুলিয়ে তাঁর ভরসার বার্তা যান প্রধানমন্ত্রী।  ঐ সমাবেশে গিয়ে আহত হয়ে শুয়েছিলেন হাসপাতালের বেডে এক তরুণী । হঠাৎ দেখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এগিয়ে আসছেন তাঁর দিকে। প্রধানমন্ত্রী জিজ্ঞাসা করেন কেমন আছো, কোথায় লেগেছে? যন্ত্রণা ভুলে তরুণী তখন বলে উঠলেন- একটা অটোগ্রাফ দেবেন প্লিজ! হাসপাতালের বেডে থাকা রোগীর কাতর আবেদন ফেলতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী।  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য শুনতে গিয়ে প্যান্ডেলের একাংশ ভেঙে চাপা পড়ে গিয়েছিলেন মেদিনীপুরের দুই বোন অনিতা আর নীতা। তাঁদের মা-ও গুরুতর জখম হয়েছিলেন। তারপরই হাসপাতালে ভর্তি। অনিতার পায়ে লেগেছে। নীতা তো জ্ঞানই হারিয়েছিলেন চাপা পড়ে। আর তাঁদের মায়ের কোমরে আর পায়ে ব্যাথা। হাসপাতালে বেডে অসম্ভব যন্ত্রণা নিয়ে যখন শুযেছিলেন, তখনই তাঁকে দেখতে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই মুহূর্তে ভুলে গিয়েছিলেন সমস্ত যন্ত্রণা। মোদীকে দেখেই তিনি তাই অটোগ্রাফ চেয়ে বসলেন অনিতা। আসলে ওই তরুণীতে ভাবতেও পারেননি, যাঁকে একবার চোখের দেখা দেখতে আর তাঁর বক্তব্য শুনতে এসেছিলেন, তাঁকে একেবারে কাছ থেকে দেখতে পাবেন। তাই দেরি না করে শখ মিটিয়ে নিলেন প্রবল যন্ত্রণা উপেক্ষা করেও।  

  • মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা সাফল্যমণ্ডিত করে তোলার জন্য রাজ্য বিজেপির প্রচারাভিযান শুরু হল।

    Newsbazar24, ডেস্ক,১১ই জুলাইঃ  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গে আসছেন আগামী ১৬ই জুলাই । বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব যাপিয়ে পড়েছে এই সমাবেশকে সফল করার জন্য। ইতিমধ্যে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে শুরু হল প্রচারাভিযান। রাজ্যে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন করার কর্মসূচি নেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থল ভরিয়ে তোলার জন্য শুরু হল প্রস্তুতি সভাও। সোমবারই বিজেপির প্রথম সারির সমস্ত নেতারা মেদিনীপুরের সভাস্থল পরিদর্শন করেন ।  রাজ্যের জঙ্গলমহলের জেলাগুলি থেকে দুই লক্ষাধিক মানুষের সমাগম করার উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি সভা। মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম বিজেপির সভায় বিপুল জনসমাগম দেখে উৎসাহিত রাজ্য সভাপতি  দিলীপ ঘোষ জানান ১৬ জুলাই মোদী সভা করবেন মেদিনীপুরে, তার আগে বিভিন্ন জেলায় প্রস্তুতি সভা চলবে। ২০১৬ সালের পর ২৭ মার্চ খড়গপুরে সভার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসছেন মেদিনীপুরে। সেই কারণে এই সভাকে পরিপূর্ণ করে   তোলাইআমাদের  মূল লক্ষ্য । সামনেই  ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচন । সেই কারণেই মেদিনীপুরের এই সভার রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে । নিছকই কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি মন্ত্রকের সভাই থাকছে না এটি। কার্যত রূপ নিচ্ছে রাজনৈতিক সভায়। যে সভায় মূল টার্গেট হবেন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ আরও জানান, ইতিমধ্যেই পুলিশের অনুমতি মিলেছে। জেলা শাসকের দফতরও সবুজ সংকেত দিয়েছে এই সভা নিয়ে। এখন আর কোনও প্রতিবন্ধকতা নেই। সোমবার থেকে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে সভার। এই মর্মে সোমবার রাতে মেদিনীপুর শহরের একটি হলে আলোচনা হয় বিজেপি নেতৃত্বের। উপস্থিত ছিলেন  দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, রাহুল সিনহা জয়প্রকাশ মজুমদার, লকেট চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে এলাকার নেতৃত্ব। রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব ছাড়া ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিবপ্রকাশ, সম্পাদক সুরেশ পূজারি প্রমুখ। এদিন এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থেকে শুরু করে মূর্তি পরিচ্ছন্ন করার কর্মসূচিও নেওয়া হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। বিজেপি কর্মীরা দলে দলে ভাগ হয়ে এই কর্মসূচি পালন করবে। চিত্র-১ মেদিনীপুর শহরের একটি হলে প্রস্তুতি বৈঠকে  বিজেপি নেতৃত্ব। চিত্র-২ মেদিনীপুর কলেজ মাঠ পরিদর্শনে   বিজেপি নেতৃত্ব।    

  • কান্দি থেকে দিঘা যাওয়ার পথে মর্মান্তিক গাড়ী দুর্ঘটনায় মৃত ৬ আহত ২০

    ডেস্ক, ২৭ জুনঃ পূর্ব মেদিনীপুরের কান্দি থেকে দিঘা যাওয়ার পথে মর্মান্তিক গাড়ী    দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তৃণমূল নেতা-সহ ৬ জনের।  ঐ ঘটনায়  আহতদের কাছাকাছি  কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। স্থানিয়  সূত্রে জানা যায় মঙ্গলবার রাত দশটা নাগাদ কান্দি থেকে রওনা দেয় একটি বোলেরো গাড়ি। তাতে ছিলেন, তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য দেবসাগর দে, অঞ্চল সভাপতি  সমর মণ্ডল, কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ হায়দার আলি, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কালাম শেখ, অসিত দাস ও গাড়ির চালক  প্রদীপ সুমার দাস। তাদের সাথে ছিল  দুটি টুরিস্ট বাস। বুধবার ভোর ৫ টা ১৫ নাগাদ পূর্ব মেদিনীপুরের মারিশদায় ১১৬ বি জাতীয় সড়কে দিঘা থেকে কলকাতা গামী একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বোলেরো গাড়িটির। ঘটনাস্থলেই মারা যান দেবসাগর দে, সমর মণ্ডল. হায়দার আলি, কালাম শেখ এবং গাড়ির চালক প্রদীপকুমার দাস। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় অপর যাত্রী অসিত দাসকে। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে উদ্ধারের কাজে হাত লাগান। দুর্ঘটনায় কম   বেশী ২০ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে কয়েকজন শিশুও রয়েছে।  আহতদের নিয়ে যাওয়া হয় কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর আহতদের বেশিরভাগকেই ছেড়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার ফলে রাস্তায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয় পরে আস্তে আস্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।  

  • হলদিয়ার কাছে সাগরদ্বীপে এক পণ্যবাহী জাহাজে ভয়াবহ আগুন, নাবিক ক্রু সহ সকলকে উদ্বার।

    Newsbazar24: ডেস্ক, ১৪ই জুনঃ  হলদিয়ার কাছে সাগরদ্বীপে এভি এসএসএল  কলকাতা  নামের এক পণ্যবাহী জাহাজে ভয়াবহ আগুন। জাহাজের বেশিরভাগটাই  আগুনে পুড়ে গিয়েছে  বলে জানা গিয়েছে। নৌবাহিনীর কোস্ট গার্ড খবর পায় যে  এভি এসএসএল কলকাতা নামের এক  জাহাজে আগুন লেগেছে। খবরটি  তারা পান ঐ জাহাজের ক্যাপ্টেনের কাছ  থেকে  খবর  পেয়ে জাহাজে থাকা ২২ জন ক্রুকে উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড। জাহাজের আগুন নেভাতে বিশাখাপত্তনম থেকে একটি জাহাজ আনার কথা জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছান কোস্টগার্ডের দুটি জাহাজ রাজকিরণ এবং ডর্নিয়ার। অবশ্য তাদের পৌছাতে  সময় লাগে  প্রায় তিনঘণ্টা।  ততক্ষণে জাহাজের অধিকাংশ পুড়ে গিয়েছে তবে জাহাজে আটকে থাকা সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে  সূত্র থেকে জানা  গিয়েছে। শ্রেয়াস শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিকসের অধীনে রয়েছে কন্টেনারবাহী জাহাজটি। কৃষ্ণপত্তনম থেকে সেটি কলকাতার দিকে আসছিল। বুধবার রাত ১০টা নাগাদ জাহাজের ডেকে একটি বিস্ফোরণ হয়। তারপরেই জাহাজটিতে আগুন লেগে যায় বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি সাগরদ্বীপের কাছে অবস্থান করছে বলে জানা গিয়েছে।  

  • তৃণমূল বিজেপির সংঘর্ষে বোমা ও গুলি রনক্ষেত্র ঝাড়গ্রাম

    ডেস্ক, ৩০ মেঃ  উত্তপ্ত ও রনক্ষেত্র ঝাড়গ্রাম তৃণমূল বিজেপির সংঘর্ষে । বিজেপির  অভিযোগ সশস্ত্র তৃণমূল কর্মীরা ঝাড়গ্রাম শহরে তাদের দলীয় দফতরে হামলা চালিয়েছে। যদিও তৃনমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে যে তাদের শান্তি মিছিলে প্রথমে হামলা চালায় বিজেপি। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে। সূত্রের খবরে জানা যায় , বুধবার রাতে ঝাড়গ্রাম শহরে বিজেপি দলীয় দফতরে বৈঠক চলছিল। সেখানে উপস্থিত  ছিলেন বিজেপি সাধারণ সম্পাদক(সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় সহ বহু বিজেপি কর্মী ও নেতা। বিজেপির অভিযোগ, সেই  সময় তৃণমূলের বাইক বাহিনী  পার্টি অফিস ঘিরে ফেলে। আরও অভিযোগ, জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি আর্য ঘোষের নেতৃত্বে বাইক বাহিনী পার্টি অফিস ঘিরে বোমাবাজি করে ও গুলি চালায়। পার্টি অফিসের সামনে থাকা দলের নেতা-কর্মীদের বাইকগুলিও ভাঙচুর করা হয়। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশকে  ঘটনটি বার বার  জানানো সত্ত্বেও , কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। পরে রাত বারোটা নাগাদ পুলিশ এসে  সেখানে আটকে থাকা বিজেপির নেতা-কর্মীদের উদ্ধার করে। বিজেপি সূত্রে খবর, রাতেই ঝাড়গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংকে জানিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আর্য ঘোষ জানিয়েছেন, তাদের তরফে বিজেপির ওপর কোনও হামলা হয়নি। বরং তৃণমূলের বাইক মিছিলে হামলা চালিয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ বিজেপির পার্টি অফিস থেকে তির ও বোমা ছোড়া হয়। তাদের এক কর্মী সূরজ সিং বিজেপির ছোড়া তিরে আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে তৃণমূল।  

  • প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করার অভিযোগ উঠল গৃহবধূর বিরুদ্ধে

    news bazar24:প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করার অভিযোগ উঠল এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে,মনুয়াকাণ্ডের ছায়া ধরা পড়ল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারের কালাপেনিয়া গ্রামে।বছর আঠাশের গোবর্ধন সামন্তের সঙ্গে সমীর বর্মনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব। সেই সুবাদেই গোবর্ধনের স্ত্রী উমার সঙ্গে পরিচয় হয় সমীরের। গোবর্ধনের বাড়িতে প্রায় রোজই যেত সমীর।প্রথমে স্বামীর উপস্থিতিতে যাওয়াআসা, পরে তাঁর অনুপস্থিতিতেই। ফলে স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে গাঢ় হতে থাকে সম্পর্ক। ইদানীং সমীরের সঙ্গে উমা বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। গোবর্ধনের বাড়ি না থাকার সুযোগে এরপর উমারে কাছে আসতে শুরু করে সমীর। গোবর্ধনের বাবা বৌমার এই সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।গোবর্ধনকে বিষয়টি জানান তিনি। এরপরই চরমে ওঠে দাম্পত্য কলহ।গোবর্ধনের বাবার মৃত্যুর পর আরও বেপরোয়া ওঠে সমীর ও উমা। অবাধেই মেলামেশা করতে থাকে তারা। গোবর্ধন মানসিক অবসাদে নেশাগ্রস্ত হয়ে ওঠে।সোমবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় দু’কিলোমিটার দূরে রাজনগর রামচন্দ্র আদর্শ বিদ্যাপীঠের  স্কুলের পেছনে তার দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, সমীরকে নিয়ে গোবর্ধন ও উমার সঙ্গে রোজই ঝগড়া হত।রবিবার বাড়ি থেকে সন্ধ্যায় বেরোয় গোবর্ধন। রাতে আর ফিরত আসেনি।বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কের জন্য গোবর্ধন সমীর ও উমা খুন করেছে বলে অভিযোগ।