২৪ প�রগনা ( উঃ ও দঃ)

  • দক্ষিন ২৪ পরগনার বারুইপুরে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ।

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ৭অক্টোবরঃ আজ দুপুর প্রায় ১২টা নাগাদ দক্ষিন ২৪ পরগনার বারুইপুরের গোবিন্দপুরে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ।  বিস্ফোরণের সঙ্গে এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বিস্ফোরণের ধোঁয়া কমে যাবার পর স্থানীয় বাসিন্দারা যান ঘটনাস্থলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকল ও বিশাল পুলিশ বাহিনী। সূত্রে জানা গেছে  বিস্ফোরণে বাড়িটির কিছু অংশ ধসে পড়েছে। আরও  জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে মৃতদের পাশের একটি বাগানের মধ্যে বস্তা চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। এবং ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে । স্থানীয় মানুষদের কাছ থেকে জানা যায় , সামনেই দুর্গা পুজোর জন্য প্রচুর বাজী তৈরী করছিলেন বেআইনি ওই কারখানার মালিক। বর্ষার জন্য আতসবাজির মশলা  আগুনে শুকাতে গিয়ে  বিস্ফোরণ  হতে পারে।  গত বছর ১৪ জুলাই বারুইপুরেরই গায়েনপাড়ায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছিল। মারা গিয়েছিলেন কারখানার মালিক। বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে গিয়েছিল। বাড়ির অ্যাসবেস্টসের ছাদ উড়ে গিয়েছিল। মশলার  মেশানোর সময় আগুন ধরে যায় বলে পরে জানা গিয়েছিল। স্থানীয় মানুষজন এ ব্যাপারে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন বাজি কারখানাগুলিতে পুলিশি তল্লাশি হয় না বললেই চলে। আর বেআইনি কারখানার মালিকরা অর্থের বিনিময়ে এলাকার রাজনৈতিক নেতা আর পুলিশকে  হাতে রেখে কারবার করেন বলে অভিযোগ। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুজোর মুখেই ফের বাজি কারখানাগুলিতে অভিযান চালানো হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তবে বাজি কারখানার আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ     

  • আমডাঙায় আবার সংঘর্ষ সিপিএম সমর্থকদের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

    Newsbazar,24 ডেস্ক,১০ সেপ্টেম্বরঃ  উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায় সংঘর্ষের ঘটনায় সোমবার আরজি কর হাসপাতালে আহত তৃণমূল কর্মী সাত্তার মণ্ডলের মৃত্যু হয়। এনিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হল। এদিকে এই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় সিপিএম সমর্থকদের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ  হয় বলে অভিযোগ। আতঙ্কে অনেকেই এলাকা ছাড়া বলে জানা গিয়েছে। ফের উত্তেজনা  আমডাঙায়। এদিন সকালে আরজি কর হাসপাতালে আহত তৃণমূল কর্মী সাত্তার মণ্ডলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই বেছে বেছে সিপিএম কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা  ও অগ্নিসংযোগ করা হয়  বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আতঙ্কে অনেকেই এলাকা ছাড়া বলে জানা গিয়েছে।  প্রসঙ্গত  আমডাঙায় সংঘর্ষে এর আগে  মৃত্যু হয়েছিল দুই তৃণমূল কর্মী কুদ্দুস আলি এবং নাসির হালদারের এবং সিপিএম কর্মী মুজফফর আহমেদেরও মৃত্যু হয়েছিল ওই দিন। পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে  আমডাঙার বহিচগাছি, তাড়াবেড়িয়া, মরিচা, বোদাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সন্ধের পর এলাকার আলো নিভিয়ে দুপক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।  সংঘর্ষের পর দিন কয়েক ধরে এলাকার বিভিন্ন বাগান থেকে শয়ে শয়ে বোমা উদ্ধার হয়। রাস্তার পাশ থেকে এবং বাগান থেকে ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়। এছাড়ার রাস্তার ধার থেকে বিচ্ছিন্নভাবে বোমা উদ্ধার করে সিআইডির বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড। আমডাঙায় সিপিএম ও তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনায় ক্লোজ করা হয়েছিল থানার ওসিকে। যদিও, এলাকায় পুলিশ প্রহরা কিংবা ওসি বদল কিছুতেই যে কিছু হয়নি, তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল সোমবার।  

  • পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে ঘিরে আবারও রক্তাক্ত রাজ্য এবার মৃত ৩ জন।

    Newsbazar24,ডেস্ক, ২৯ অগাস্ট : পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে ঘিরে আবারও রক্তাক্ত রাজ্য। এবার ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায় । মঙ্গলবার সন্ধেয় আমডাঙার তাড়াবেড়িয়ায় সিপিএম ও তৃণমূলের সংঘর্ষে মৃত তিন জন। জানা গেছে তার মধ্যে  দুইজন তৃণমূলের ও একজন  সিপিএম-এর। সংঘর্ষে যথেচ্ছভাবে বোমা ও গোলাগুলি চলে বলে জানা গেছে। এলাকায়  যথেষ্ট উত্তেজনা থাকায় পঞ্চায়েতের বোর্ডগঠন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়াও সংঘর্ষ নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ  করেছে। মৃত,  কুদ্দুস গনি ও নাসির হালদার তৃণমূলের ও মোজাফ্ফল পিয়াদা  সিপিএমর বলে জানা গেছে। সংঘর্ষে আহত  কমপক্ষে ২৮ জন। এঁদের কয়েকজন ভর্তি বারাসত হাসপাতালে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এনআরএস-এ ভর্তি আছেন  সাতজন। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ১০জনকে। আজ ছিল আমাডাঙার তাড়াবেড়িয়ায় গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন। পঞ্চায়েতের ১৯ টি আসনের মধ্যে  তৃণমূল ৯ টি, সিপিএম ৭ টি, বিজেপি, কংগ্রেস ও নির্দলরা একটি করে আসন পায়। স্থানীয় সূত্রে  জানা গিয়েছে, এলাকায় তৃণমূল ও সিপিএম-এর মধ্যে লড়াই দীর্ঘদিনের। বিজেপি ও কংগ্রেস সিপিএম-কে সমর্থনের কথা জানিয়েছিল। বিরোধীরা আগে থেকেই অভিযোগ করছিল তাদের জয়ী প্রার্থীদের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে মামলা হয় হাইকোর্টে। হাইকোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়, বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ করার জন্য। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধের পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। দুপক্ষের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুই তৃণমূল কর্মীর। প্রথমের দিকে পুলিশও এলাকায় ঢুকতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বোমাবাজি ও গুলির লড়াই চলে। শুধু তাড়াবেড়িয়াতেই নয়,  মরিচা ও বোদাই গ্রামএ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ যাতে এলাকায় ঢুকতে না পারে সেজন্য রাস্তাও কেটে দেওয়া হয়। রাতের দিকে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে পরিস্থিতির সামাল দেয়। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।   আতঙ্কে এলাকা ছেড়েছেন বহু মানুষ। এলাকায় জায়গায় জায়গায় পড়ে রয়েছে বহু বোমা। এলাকায় তৃণমূলই প্রথম হামলা চালায় বলে দাবি বিরোধীদের। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, নির্দল সদস্যের তৃণমূলকে সমর্থনের সম্ভাবনা তৈরি হতেই হামলা চালায় বিরোধীরা। সিপিএম ও বিজেপি যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। প্রসঙ্গত পঞ্চায়েতের মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়ে গণ্ডগোল হয়েছিল। ভোটের দিনে খুন হয়েছিলেন এক সিপিএম কর্মী।    

  • খোদ পুলিশকর্তার বাড়ীতে ডাকাতি।

    Newsbazae24,ডেস্ক, ১৯ আগস্টঃ খোদ পুলিশকর্তার বাড়ীতে  ডাকাতি। ঘটনাটি  খড়দহ থানার শান্তিনগরে।  বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও গয়নাগাটি সহ প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার জিনিষপ্ত্র খোয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে অনুমান, পরিবারের পরিচিতদের মধ্যে কেউ এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। পরিবারের কর্তা রয়েছেন তালতলা থানায় আর তাঁর ভাই রয়েছেন ঠাকুরপুকুর থানায়। সূত্রে জানা যায় যে সকালে  দুষ্কৃতীদলের সদস্যরা বাড়ী এসে সব খোজ খবর নিয়ে যায় । আর বিকেলে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। পুলিশকর্মীর স্ত্রী জানিয়েছেন, শনিবার বেলা বারোটা নাগাদ দুজন  বিবেকদা বাড়ি আছেন কিনা খোঁজ করেন। সেই সময় তাঁর স্ত্রী জানান, বাড়ি নেই। বিকেলে ডাক দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দরজা খোলেন পুলিশকর্মী দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী। ওই সময় বাড়িতে একাই ছিলেন তিনি। সেই সময় পিছন দিক থেকে একজন   দেবাশিস বাবুর স্ত্রীর মুখ চেপে  ধরেন। বটির বাট দিয়ে পিঠে আঘাত করে মেঝেতে ফেলে  দেওয়া হয়।  আর  আলমারির চাবি দেওয়ার জন্য অত্যাচার করতে থাকে । চাবি দিতে অস্বীকার করায় রিভলবার বের করে ভয় দেখানো হয়। সেই সময় চাবি দিয়ে দেন দেবাশিস  বাবুর স্ত্রী। তাদের সাথে এক মহিলাও ছিল  তার মুখ ছিল কাপড় দিয়ে ঢাকা। মুখে রুমাল চাপা দিয়ে ধরায়  তিনি সংজ্ঞা হারান। এরপর ডাকাতদল কখন বেরিয়ে গিয়েছে তা বলতে পারেননি দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী।  পুলিশকর্মী দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী জানিয়েছেন, আলমারির লকার থেকে গয়না খোয়া গিয়েছে। এছাড়াও হাতব্যাগ সাফ করে দিয়েছে হানাদাররা। পরে দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের ছেলে বাড়ি গিয়ে মা-কে অচৈতন্য অবস্থায় দেখতে পান। ওই পুলিশকর্মীর বাড়িতে ঢোকার একাধিক রাস্তা রয়েছে। সারা দিনে সেই রাস্তায় যুবকদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছেন প্রতিবেশীরা। তবে তা দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়নি। খবর পাওয়ার পর ঘটনার তদন্ত শুরু  করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। ঐ বাড়ির দুই ভাই পুলিশকর্মী। পুলিশ কর্তার বাড়িতেই ডাকাতদলের  হানায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।    

  • বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থেকে ডেঙ্গুর সূত্রপাত হলো বাংলায়

    পার্থ রায়,বারাসাত:উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়ায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। মৃতের নাম কাসের আলি মোল্লা। আর এই খবরে অনেকেরই মনে পড়ছে গত বছরের ডেঙ্গির ত্রাস। গত বছর বর্ষা শেষে গোটা রাজ্যে ভয়াল আকার ধারণ করেছিল ডেঙ্গি। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রায় ১৪ হাজার মানুষ। মৃত্যু মিছিল শুরু হয়েছিল কলকাতা-সহ একাধিক শহরে। বাদ যায়নি গ্রামাঞ্চলও। গত বছর বর্ষা শেষে গোটা রাজ্যে ভয়াল আকার ধারণ করেছিল ডেঙ্গি। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রায় ১৪ হাজার মানুষ। মৃত্যু মিছিল শুরু হয়েছিল কলকাতা-সহ একাধিক শহরে। বাদ যায়নি গ্রামাঞ্চলও। মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছিলেন কাসের আলি। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দিনকয়েক আগে তাঁকে বসিরহাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। আপনি এই খবরটি পড়লেন Newsbazar24.com এ

  • দত্তপুকুর থানার কদম্বগাছি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ঘটনা :জামাই কে গুলি করে খুন করলো শশুর

    পার্থ রায়,বারাসত : জামাইকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল শ্বশুরের বিরুদ্ধে। দত্তপুকুর থানার কদম্বগাছি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।  গোয়াখালি গ্রামের বাসিন্দা মনি খান। তাঁর পরিবারের দাবি, শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন মনি। এনিয়ে বিভিন্ন রকম অশান্তি সহ্য করতে হত তাঁকে। ইদানীং তাঁর শ্বশুর নূর মহম্মদের সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত  গন্ডগোল চলছিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চরমে ওঠে অশান্তি। শ্বশুর-জামাইয়ের নিত্য দিনের অশান্তিতে অভ্যস্থ ছিলেন প্রতিবেশী থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যরাও। তাই প্রথমেই খুব বেশি আমল দিতে চাননি তাঁরা। আচমকা একটি গুলির শব্দে টনক নড়ে তাঁদের। দৌড়ে মনিদের বাড়িতে আসতেই নূর মহম্মদকে দৌড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে দেখেন তাঁরা। বাড়ির ভিতরে ঢুকে দেকেন উঠোনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন মনি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চরমে ওঠে অশান্তি। শ্বশুর-জামাইয়ের নিত্য দিনের অশান্তিতে অভ্যস্থ ছিলেন প্রতিবেশী থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যরাও। তাই প্রথমেই খুব বেশি আমল দিতে চাননি তাঁরা। আচমকা একটি গুলির শব্দে টনক নড়ে তাঁদের। দৌড়ে মনিদের বাড়িতে আসতেই নূর মহম্মদকে দৌড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে দেখেন তাঁরা। বাড়ির ভিতরে ঢুকে দেকেন উঠোনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন মনি। তার গায়ে গুলির ক্ষত রয়েছে। বিপদ বুঝতে দেরি হয়নি প্রতিবেশীদের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মনিকে বারাসত জেলা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিত্সকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত নূর মহম্মদের কোনও খোঁজ নেই। এদিকে বাবার এই কীর্তিতে শোকে স্তব্ধ নূর মহম্মদের মেয়ে। স্বামীকে হারিয়ে বাক্যিহারা তিনি। 

  • স্বামীর পরকীয়া প্রেমের প্রতিবাদ করেছিল স্ত্রী ।শ্বশুরবাড়ির লোকেদের হাত খুন হতে হল গৃহবধূকে।

    news bazar24:শ্বশুরবাড়ির লোকেদের হাত খুন হতে হল গৃহবধূকে। ঘটনাটি ঘটেছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত শ্বশুরকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। তাঁকে জেরা করেই শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত। জানা গেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার রায়দিঘি থানার নন্দকুমার গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা সমীর পাত্র। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢোলাহাট থানার দিগম্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সুকুমার ভুঁইয়ার ছোটো মেয়ে ইন্দ্রাণীর সঙ্গে ৩ বছর আগে বিয়ে হয় সমীর পাত্রের। দম্পতির দু'মাসের একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে।জানা গেছে, বিয়ের পর প্রথম দিকে বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল ইন্দ্রাণী ও সমীরের। কিন্তু বেশ কিছুদিন পর থেকেই ছবিটা পাল্টাতে শুরু করে। পণের দাবিতে সমীরের পরিবার ইন্দ্রাণীর উপর অত্যাচার শুরু করে। এমনই অভিযোগ ইন্দ্রানীর মা কল্পনাদেবীর।কল্পনাদেবীর আরও অভিযোগ, প্রতিবেশী একটি মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কেও জড়িয়ে পড়েছিল সমীর। স্বামীর পরকীয়া প্রেমের কথা জানতে পেরে যায় তাঁর মেয়ে ইন্দ্রাণী। এরপরই এই ঘটনার কথা শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে জানায় ইন্দ্রাণী। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির লোকেরা বাড়ির ছেলেকে কিছু বলার বদলে ইন্দ্রাণীর উপরই অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।অবশেষে মঙ্গলবার গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ইন্দ্রাণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় রায়দিঘি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ইন্দ্রানীর মা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ইন্দ্রাণীর শ্বশুরকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।

  • ফুটবল খেলার সময় বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে মধ্যমগ্রামে মৃত এক

    Newsbazar24:ল্যাম্পপোস্টে বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল যুবকের। ফুটবল খেলতে গিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যমগ্রামে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুরসভার উদাসীনতাতেই ওই যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।ঘটনা সূত্রে প্রকাশ,মধ্যমগ্রামের বিবেকানন্দ সংঘের খেলার মাঠ। রবিবার বিকেলে মাঠে ফুটবল খেলার পর লোহার বারপোস্টগুলোকে ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে বাঁধতে গিয়েছিল বছর সতেরোর অজয়। আর তখনই ঘটে যায় মারাত্মক দুর্ঘটনা। ল্যাম্পপোস্টে আর্থিং না থাকায়, লোহার বারপোস্ট ল্যাম্পপোস্টে ছুঁতেই জোরালো ইলেকট্রিক শক লাগে অজয়ের। মাঠেই লুটিয়ে পড়ে অজয়। ক্লাব কর্তৃপক্ষের দাবি, পুরসভার উদাসীনতাতেই ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। যদিও, মধ্যমগ্রাম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুদীপ মিত্র অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি এবিষয়ে কিছু জানতেন না। প্রশ্ন উঠছে, পুরসভার উদাসীনতাতেই কি মৃত্যু? কেন আর্থিং করা হয়নি ল্যাম্পপোস্টে? অভিযোগ জানানোর পরেও কেন এই নিষ্ক্রিয়তা? কার দোষ, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। আর এই তদন্ত কবে শেষ হবে তার খোঁজ আর কেও রাখবে না। আপনি এই খবরটি পড়লেন www.newsbazar24.com এ

  • উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে উদ্ধার তৃণমূল নেতার মৃতদেহ

    নিউজ বাজার২৪ :উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামএর ঘটনা। তৃণমূল কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃত্যুর নাম সুদীপ দাস। এদিন সকালে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃত সুদীপ দাস মধ্যমগ্রামে তৃণমূলের ওয়ার্ডে প্রেসিডেন্ট ছিলেন। গতকাল শনিবার থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। এদিন সকালে একটি কারখানার সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। মধ্যমগ্রামের এক নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত কারখানাটি। সুদীপ দাসের বাড়িও এক নম্বর ওয়ার্ডেই। বাড়ি থেকে কারখানটির দূরত্বও বেশি নয়। গতকাল থেকেই সুদীপ দাসের কোনও খোঁজ মিলছিল না। এদিন সকালে কারখানা থেকে দুর্গন্ধ বেরতে শুরু করলে, শুরু হয় খোঁজ। তখনই সেপটিকের মধ্যে পড়ে থাকা সুদীপ দাসের দেহটি নজরে আসে স্থানীয়দের। তাঁরাই পুলিসে খবর দেন। এরপর পুলিস এসে দেহটি উদ্ধার করে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বারাসত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আপনি এই খবরটি পড়লেন news bazar24.com এ

  • বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্বামীর হাঁসুয়ার কোপে স্ত্রী খুন

    news bazar24:  স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্বামীর হাতে খুন হল স্ত্রী। নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে।সুলতান সর্দার নামে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন সোনারপুরের উকিলার বাসিন্দা ওই যুবতী বলে অভিযোগ। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কথা জেনে ফেলেছিলেন স্বামী। আর তারপর থেকেই সংসারে নিত্য অশান্তি লেগে থাকত।শনিবার রাতে কথা কাটাকাটি হওয়ার সময় আচমকাই রাগের বশে স্ত্রীকে হাঁসুয়ার কোপ মারেন স্বামী। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে দু-টুকরো হয়ে যায় ওই যুবতীর শরীর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।দেহ উদ্ধারের পর ময়ানতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে, ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে সোনারপুর থানার পুলিস।