২৪ প�রগনা ( উঃ ও দঃ)

  • সন্ধ্যায় ফের নতুন করে ভাটপাড়ায় উত্তেজনা, প্রচুর বোমাবাজি! পুলিশ পেটালো আধাসেনাকে

    News Bazar24 :দিনভর উত্তপ্ত ভাটপাড়া। সন্ধ্যায় ফের নতুন করে ভাটপাড়ায় উত্তেজনা ছড়াল। চলল গুলি। সেইসঙ্গে ব্যাপক বোমাবাজির অভিযোগ। বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে গুলি চলে। ২৫ রাউন্ডের উপর গুলি চলে বলে অভিযোগ। এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয়। দরজা, জানলা সব বন্ধ করে ঘরের মধ্যে সিঁটিয়ে গিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। ঝাঁপ বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় দোকানদারেরাও। এলাকা পুরো সুনসান চেহারা নিয়েছে।অলিতেগলিতে মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি চলে। এমনকি মদন মিত্রের গাড়ি লক্ষ্য করেও বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে। অলিতেগলিতে মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি চলে। এমনকি মদন মিত্রের গাড়ি লক্ষ্য করেও বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে। ভা অশান্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। অশান্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন। এদিকে গুলি বোমাবাজির মধ্যেই অভিযোগ, পুলিসের মারে আহত হয়েছেন এক সিআইএসএফ কর্মীও। জখম সিআইএসএফ কর্মীর নাম অজয় সিং। অভিযোগ তিনি বোমাবাজির জন্য দুষ্কৃতীদের আটকানোর চেষ্টা করছিলেন। তাই পুলিশ নাকি অজয় সিংহ কে মারধোর করে। এদিকে গুলি বোমাবাজির মধ্যেই অভিযোগ, পুলিসের মারে আহত হয়েছেন এক সিআইএসএফ কর্মীও। জখম সিআইএসএফ কর্মীর নাম অজয় সিং।

  • বন্ধ বারাসাত হাসনাবাদ লাইনের ট্রেন, বিক্ষোভ বারাসাত স্টেশনে

    সুতপা বাগ :শুক্রবার রাতের পর শনিবার সকালেও বাতিল হয় বেশ কয়েকটি ট্রেন। ডাউন ট্রেন না যাওয়ায় বাতিল করা হয় বেশ কয়েকটি আপ ট্রেন। যার জেরে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। ফণির জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় শিয়ালদহ - হাসনাবাদ শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয় রেল। একের পর এক ট্রেন বাতিল হতে থাকায় বারাসত স্টেশনে অবরোধে বসেন যাত্রীরা। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় বনগাঁ শাখার ট্রেনও। রাত পর্যন্ত স্বাভাবিক হয়নি শিয়ালদা - বনগাঁ শাখার ট্রেন চলাচল। শনিবার সকালেও তার প্রভাব পড়ে ট্রেন চলাচলে। সকালে বাতিল হয় একাধিক আপ ট্রেন। যার জেরে বিপদে পড়েন যাত্রীরা।

  • বামফ্রন্ট প্রার্থীর গাড়ি আটকে প্রকাশ্যে খুনের হুমকি

    Desk:বামফ্রন্ট প্রার্থীর গাড়ি আটকে প্রকাশ্যে খুনের হুমকি। একেবারে আঙুল উঁচিয়ে হুমকি, আর যেন এলাকায় না দেখি। লাশ হয়ে ফিরতে হবে। সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদ থানার মুরারীশাহ চৌমাথায়। এদিন সিপিআই(এম) মুরারীশাহ পার্টি দপ্তরে বামফ্রন্ট প্রার্থীর সমর্থনে কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় বামফ্রন্ট সমর্থিত সিপিআই প্রার্থী পল্লব সেনগুপ্ত উপস্থিত হন। কর্মীসভা চলাকালীন বামফ্রন্টের কর্মীদের ফোনে হুমকি দিতে থাকে। সে কথা পুলিশকে ফোন করে বলা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় নির্ভয়ে সভা করুন। বাজারে আসা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় এদিকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমা মজুত করতে থাকে মুরারীশাহ বাজারে বাজারে। দুষ্কৃতী আর পুলিশের সহবস্হানে চলতে থাকে বামফ্রন্টের কর্মীসভা। ইতিমধ্যে দেখা যায় উত্তর ২৪পরগনা জেলা পরিষদের শিক্ষা, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের স্হায়ী সমিতির সদস্য ফিরোজ কামাল গাজি ওরফে বাবু মাস্টার আসে সিপিআই(এম) দপ্তরের ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে জড়ো হওয়া দুষ্কৃতীদের কাছে। কিছু সময় কথা বলে চলে যায়। এরপর কর্মীসভা শেষ করে পল্লব সেনগুপ্ত, সুবিদ আলি গাজি, কুমারেশ কুন্ডু, সুবীর মুখার্জি গাড়ি নিয়ে সবেমাত্র রওনা দেবেন এমন সময় অপেক্ষারত মুরারীশাহ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০২নং বুথের সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসের আজগার গাজি,স্হানীয় কুখ্যাত দুষ্কৃতী সারিফুল গাজি ওরফে কালু সহ আট দশ জনের দুষ্কৃতীদল বামফ্রন্ট প্রার্থীর গাড়ি আটকায়। প্রার্থীর মুখের সামনে আঙুল উঁচিয়ে হুমকি দেয় এই এলাকায় যেন আর না দেখি। যদি আসেন লাশ হয়ে ফিরতে হবে। ঘটনাস্হলের ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে দাঁড়িয়ে হাসনাবাদ থানার এসআই প্রশান্ত মণ্ডল ঘটনা উপভোগ করলেন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। প্রার্থী পল্লব সেনগুপ্ত উপস্থিত পুলিশ আধিকারিককে বললেন আপনার সামনে আমাদের হুমকি দেওয়া হলো গাড়ি আটকে। আপনি নীরব থাকলেন। তখনও তিনি নীরব।

  •  প্রাক্তন স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে

    newsbazar24: প্রাক্তন স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের জীবনতলার নবপল্লির ঘটনা।  মৃতের নাম আলেয়া বিবি(২৫)।  কয়েক বছর আগে প্রতিবেশী যুবক রফিকুলের সঙ্গে বিয়ে হয় আলেয়ার। কিন্তু বিয়ের পর  নিত্য অশান্তি লেগেই থাকত।রফিকুল নেশার টাকা জোগাড়ের জন্য মাঝেমধ্যে চুরিও করে। বারবার বারণ করা সত্ত্বেও স্ত্রী আলেয়ার কথা শোনেনি স্বামী রফিকুল। এরপর ৯ মাস আগে  তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। ধান শুকোতে দিতে যাচ্ছিলেন আলেয়া বিবি,সেই সময় প্রাক্তন স্বামী রফিকুল  ধারালো অস্ত্র নিয়ে আলেয়া বিবির উপর হামলা চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আলেয়ার।মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত স্বামী রফিকুলকে গ্রেফতার করেছে ঘুঁটিয়ারি শরিফ ফাঁড়ির পুলিস।

  • টিটাগরের সতীশ শর্মা খুনের ঘটনায় গ্রেফতার আরও ২

    শ্রাবনী নাগ ও সৈকত জামান : টিটাগরের সতীশ শর্মা খুনের ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেফতার করল পুলিস। ধৃত দুজনের নাম সঞ্জয় দাস ও শেখ সমির ওরফে সঞ্জীব। ধৃতরা দুজনই খড়দহের বাসিন্দা। সোমবারই এই ঘটনায় ভোলা প্রসাদ ও কালা মুন্না নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। ধৃতদের বিরুদ্ধে ৩০২, আইপিসি ৩৪, ২৫/২৭ অস্ত্র আইনের ধারায় মামলা রুজু করেছে টিটাগড় থানার পুলিস। বারাকপুর আদালতে তাদের পেশ করা হয়েছে। ধৃতদের ১০ দিনের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে পুলিস। তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃত কালা মুন্নাই সতীশকে গুলি করেছিল। জেরায় কালা মুন্না নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে বলে পুলিসের দাবি। ঘটনায় আরও ২ জন জড়িত। তাদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে। এদিকে, মঙ্গলবার ভোররাতে মৃত্যু হয় টিটাগড়ের গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী সতীশ মিশ্রের। সোমবার ভরদুপুরে টিটাগড়ের মুচিপাড়ায় তালপুকুরে নির্মীয়মাণ কালী মণ্ডপের সামনে সতীশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। গুলিতে হৃদপিণ্ড এফোঁড় ওফোঁড় হয়ে যায় তাঁর। প্রথমে স্থানীয় বিএনবসু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু কি কারনে এই তৃণমূল নেতাকে খুন করা হলো সেই বিষয়ে এখনো ধন্দে পুলিশ, কারণ খুন করার কথা স্বীকার করলেও কারণ নিয়ে এখনও সন্তুষ্ট জনক উত্তর পায়নি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পুলিশ।

  • দক্ষিন ২৪ পরগনার বারুইপুরে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ।

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ৭অক্টোবরঃ আজ দুপুর প্রায় ১২টা নাগাদ দক্ষিন ২৪ পরগনার বারুইপুরের গোবিন্দপুরে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ।  বিস্ফোরণের সঙ্গে এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বিস্ফোরণের ধোঁয়া কমে যাবার পর স্থানীয় বাসিন্দারা যান ঘটনাস্থলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকল ও বিশাল পুলিশ বাহিনী। সূত্রে জানা গেছে  বিস্ফোরণে বাড়িটির কিছু অংশ ধসে পড়েছে। আরও  জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে মৃতদের পাশের একটি বাগানের মধ্যে বস্তা চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। এবং ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে । স্থানীয় মানুষদের কাছ থেকে জানা যায় , সামনেই দুর্গা পুজোর জন্য প্রচুর বাজী তৈরী করছিলেন বেআইনি ওই কারখানার মালিক। বর্ষার জন্য আতসবাজির মশলা  আগুনে শুকাতে গিয়ে  বিস্ফোরণ  হতে পারে।  গত বছর ১৪ জুলাই বারুইপুরেরই গায়েনপাড়ায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছিল। মারা গিয়েছিলেন কারখানার মালিক। বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে গিয়েছিল। বাড়ির অ্যাসবেস্টসের ছাদ উড়ে গিয়েছিল। মশলার  মেশানোর সময় আগুন ধরে যায় বলে পরে জানা গিয়েছিল। স্থানীয় মানুষজন এ ব্যাপারে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন বাজি কারখানাগুলিতে পুলিশি তল্লাশি হয় না বললেই চলে। আর বেআইনি কারখানার মালিকরা অর্থের বিনিময়ে এলাকার রাজনৈতিক নেতা আর পুলিশকে  হাতে রেখে কারবার করেন বলে অভিযোগ। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুজোর মুখেই ফের বাজি কারখানাগুলিতে অভিযান চালানো হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তবে বাজি কারখানার আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ     

  • আমডাঙায় আবার সংঘর্ষ সিপিএম সমর্থকদের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

    Newsbazar,24 ডেস্ক,১০ সেপ্টেম্বরঃ  উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায় সংঘর্ষের ঘটনায় সোমবার আরজি কর হাসপাতালে আহত তৃণমূল কর্মী সাত্তার মণ্ডলের মৃত্যু হয়। এনিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হল। এদিকে এই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় সিপিএম সমর্থকদের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ  হয় বলে অভিযোগ। আতঙ্কে অনেকেই এলাকা ছাড়া বলে জানা গিয়েছে। ফের উত্তেজনা  আমডাঙায়। এদিন সকালে আরজি কর হাসপাতালে আহত তৃণমূল কর্মী সাত্তার মণ্ডলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই বেছে বেছে সিপিএম কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা  ও অগ্নিসংযোগ করা হয়  বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আতঙ্কে অনেকেই এলাকা ছাড়া বলে জানা গিয়েছে।  প্রসঙ্গত  আমডাঙায় সংঘর্ষে এর আগে  মৃত্যু হয়েছিল দুই তৃণমূল কর্মী কুদ্দুস আলি এবং নাসির হালদারের এবং সিপিএম কর্মী মুজফফর আহমেদেরও মৃত্যু হয়েছিল ওই দিন। পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে  আমডাঙার বহিচগাছি, তাড়াবেড়িয়া, মরিচা, বোদাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সন্ধের পর এলাকার আলো নিভিয়ে দুপক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।  সংঘর্ষের পর দিন কয়েক ধরে এলাকার বিভিন্ন বাগান থেকে শয়ে শয়ে বোমা উদ্ধার হয়। রাস্তার পাশ থেকে এবং বাগান থেকে ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়। এছাড়ার রাস্তার ধার থেকে বিচ্ছিন্নভাবে বোমা উদ্ধার করে সিআইডির বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড। আমডাঙায় সিপিএম ও তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনায় ক্লোজ করা হয়েছিল থানার ওসিকে। যদিও, এলাকায় পুলিশ প্রহরা কিংবা ওসি বদল কিছুতেই যে কিছু হয়নি, তা আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল সোমবার।  

  • পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে ঘিরে আবারও রক্তাক্ত রাজ্য এবার মৃত ৩ জন।

    Newsbazar24,ডেস্ক, ২৯ অগাস্ট : পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে ঘিরে আবারও রক্তাক্ত রাজ্য। এবার ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায় । মঙ্গলবার সন্ধেয় আমডাঙার তাড়াবেড়িয়ায় সিপিএম ও তৃণমূলের সংঘর্ষে মৃত তিন জন। জানা গেছে তার মধ্যে  দুইজন তৃণমূলের ও একজন  সিপিএম-এর। সংঘর্ষে যথেচ্ছভাবে বোমা ও গোলাগুলি চলে বলে জানা গেছে। এলাকায়  যথেষ্ট উত্তেজনা থাকায় পঞ্চায়েতের বোর্ডগঠন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়াও সংঘর্ষ নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ  করেছে। মৃত,  কুদ্দুস গনি ও নাসির হালদার তৃণমূলের ও মোজাফ্ফল পিয়াদা  সিপিএমর বলে জানা গেছে। সংঘর্ষে আহত  কমপক্ষে ২৮ জন। এঁদের কয়েকজন ভর্তি বারাসত হাসপাতালে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এনআরএস-এ ভর্তি আছেন  সাতজন। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ১০জনকে। আজ ছিল আমাডাঙার তাড়াবেড়িয়ায় গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন। পঞ্চায়েতের ১৯ টি আসনের মধ্যে  তৃণমূল ৯ টি, সিপিএম ৭ টি, বিজেপি, কংগ্রেস ও নির্দলরা একটি করে আসন পায়। স্থানীয় সূত্রে  জানা গিয়েছে, এলাকায় তৃণমূল ও সিপিএম-এর মধ্যে লড়াই দীর্ঘদিনের। বিজেপি ও কংগ্রেস সিপিএম-কে সমর্থনের কথা জানিয়েছিল। বিরোধীরা আগে থেকেই অভিযোগ করছিল তাদের জয়ী প্রার্থীদের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে মামলা হয় হাইকোর্টে। হাইকোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়, বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ করার জন্য। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধের পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। দুপক্ষের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুই তৃণমূল কর্মীর। প্রথমের দিকে পুলিশও এলাকায় ঢুকতে পারেনি বলে জানা গিয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বোমাবাজি ও গুলির লড়াই চলে। শুধু তাড়াবেড়িয়াতেই নয়,  মরিচা ও বোদাই গ্রামএ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ যাতে এলাকায় ঢুকতে না পারে সেজন্য রাস্তাও কেটে দেওয়া হয়। রাতের দিকে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে পরিস্থিতির সামাল দেয়। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।   আতঙ্কে এলাকা ছেড়েছেন বহু মানুষ। এলাকায় জায়গায় জায়গায় পড়ে রয়েছে বহু বোমা। এলাকায় তৃণমূলই প্রথম হামলা চালায় বলে দাবি বিরোধীদের। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, নির্দল সদস্যের তৃণমূলকে সমর্থনের সম্ভাবনা তৈরি হতেই হামলা চালায় বিরোধীরা। সিপিএম ও বিজেপি যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। প্রসঙ্গত পঞ্চায়েতের মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়ে গণ্ডগোল হয়েছিল। ভোটের দিনে খুন হয়েছিলেন এক সিপিএম কর্মী।    

  • খোদ পুলিশকর্তার বাড়ীতে ডাকাতি।

    Newsbazae24,ডেস্ক, ১৯ আগস্টঃ খোদ পুলিশকর্তার বাড়ীতে  ডাকাতি। ঘটনাটি  খড়দহ থানার শান্তিনগরে।  বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও গয়নাগাটি সহ প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার জিনিষপ্ত্র খোয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে অনুমান, পরিবারের পরিচিতদের মধ্যে কেউ এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। পরিবারের কর্তা রয়েছেন তালতলা থানায় আর তাঁর ভাই রয়েছেন ঠাকুরপুকুর থানায়। সূত্রে জানা যায় যে সকালে  দুষ্কৃতীদলের সদস্যরা বাড়ী এসে সব খোজ খবর নিয়ে যায় । আর বিকেলে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। পুলিশকর্মীর স্ত্রী জানিয়েছেন, শনিবার বেলা বারোটা নাগাদ দুজন  বিবেকদা বাড়ি আছেন কিনা খোঁজ করেন। সেই সময় তাঁর স্ত্রী জানান, বাড়ি নেই। বিকেলে ডাক দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দরজা খোলেন পুলিশকর্মী দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী। ওই সময় বাড়িতে একাই ছিলেন তিনি। সেই সময় পিছন দিক থেকে একজন   দেবাশিস বাবুর স্ত্রীর মুখ চেপে  ধরেন। বটির বাট দিয়ে পিঠে আঘাত করে মেঝেতে ফেলে  দেওয়া হয়।  আর  আলমারির চাবি দেওয়ার জন্য অত্যাচার করতে থাকে । চাবি দিতে অস্বীকার করায় রিভলবার বের করে ভয় দেখানো হয়। সেই সময় চাবি দিয়ে দেন দেবাশিস  বাবুর স্ত্রী। তাদের সাথে এক মহিলাও ছিল  তার মুখ ছিল কাপড় দিয়ে ঢাকা। মুখে রুমাল চাপা দিয়ে ধরায়  তিনি সংজ্ঞা হারান। এরপর ডাকাতদল কখন বেরিয়ে গিয়েছে তা বলতে পারেননি দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী।  পুলিশকর্মী দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী জানিয়েছেন, আলমারির লকার থেকে গয়না খোয়া গিয়েছে। এছাড়াও হাতব্যাগ সাফ করে দিয়েছে হানাদাররা। পরে দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের ছেলে বাড়ি গিয়ে মা-কে অচৈতন্য অবস্থায় দেখতে পান। ওই পুলিশকর্মীর বাড়িতে ঢোকার একাধিক রাস্তা রয়েছে। সারা দিনে সেই রাস্তায় যুবকদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছেন প্রতিবেশীরা। তবে তা দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়নি। খবর পাওয়ার পর ঘটনার তদন্ত শুরু  করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। ঐ বাড়ির দুই ভাই পুলিশকর্মী। পুলিশ কর্তার বাড়িতেই ডাকাতদলের  হানায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।    

  • বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়া থেকে ডেঙ্গুর সূত্রপাত হলো বাংলায়

    পার্থ রায়,বারাসাত:উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বাদুড়িয়ায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। মৃতের নাম কাসের আলি মোল্লা। আর এই খবরে অনেকেরই মনে পড়ছে গত বছরের ডেঙ্গির ত্রাস। গত বছর বর্ষা শেষে গোটা রাজ্যে ভয়াল আকার ধারণ করেছিল ডেঙ্গি। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রায় ১৪ হাজার মানুষ। মৃত্যু মিছিল শুরু হয়েছিল কলকাতা-সহ একাধিক শহরে। বাদ যায়নি গ্রামাঞ্চলও। গত বছর বর্ষা শেষে গোটা রাজ্যে ভয়াল আকার ধারণ করেছিল ডেঙ্গি। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রায় ১৪ হাজার মানুষ। মৃত্যু মিছিল শুরু হয়েছিল কলকাতা-সহ একাধিক শহরে। বাদ যায়নি গ্রামাঞ্চলও। মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছিলেন কাসের আলি। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দিনকয়েক আগে তাঁকে বসিরহাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। আপনি এই খবরটি পড়লেন Newsbazar24.com এ