������������������

  • অবশেষে কোর্টের আদেশে রাজ্য সরকার বিজেপি-র প্রতিনিধি দলকে লালবাজারে আলোচনার জন্য ডাকল ।

    ডেস্ক  ১২ ডিসেম্বর : অবশেষে কোর্টের আদেশে রাজ্য সরকার রথযাত্রা নিয়ে  আলোচনার জন্য বিজেপি-র প্রতিনিধি দলকে ডাকল । বিজেপি-র রাজ্য দপ্তরে চিঠি পাঠিয়ে বিজেপি-র প্রতিনিধি দলকে লালবাজারে আগামীকাল বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি ইতিমধ্যে  চিঠি পেয়ে গেছে। বিজেপি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তাদের তরফে আলোচনায় উপস্থিত থাকবেন মুকুল রায়, প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও জয়প্রকাশ মজুমদার। রাজ্য সরকারের তরফে বৈঠকে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও রাজ্য পুলিশের  ডিজি  উপস্থিত থাকবেন।   প্রসঙ্গত আজকে  বৈঠকের দিন স্থির ছিল। যদিও, সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য সরকার জানায়, বিজেপি-র তরফে যে প্রতিনিধিদের তালিকা পাঠানো হয়েছিল  তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করতে আপত্তি রয়েছে। কারণ ওই তিন প্রতিনিধির মধ্যে মুকুল রায় ও জয়প্রকাশ মজুমদারের নামে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। যদিও, রাজ্য সরকারের আপত্তি খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্ট জানায়,বিজেপি-র  প্রতিনিধিদের যে তালিকা পাঠানো হয়েছিল তাদের সাথে  রথযাত্রার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বৈঠক করতে হবে রাজ্য সরকারকে।পাশাপাশি হাইকোর্ট-র  বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশান বেঞ্চ আরও জানায়, ওই বৈঠক ১৩ ডিসেম্বরের করতে হবে। বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত জানাতে হবে ১৫ ডিসেম্বর।

  • সারদা মামলায় সিবিআই আবার গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছে।

    ডেস্ক,কলকাতা,  ৮ই ডিসেম্বরঃ সারদা মামলায় আবার ডেকে পাঠানো হল  তৎকালীন  বিধাননগর কমিশনাটের গোয়েন্দা প্রধান এবগ বর্তমান মালদা জেলার পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষকে। একইসঙ্গে তলব করা হয়েছে, দিলীপ  হাজরা, শঙ্কর ভট্টাচার্য, প্রভাকর নাগ নামে তিন অফিসারকেও।  সূত্রে জানা যায় গত ৩০ নভেন্বর তাঁদের এই চিঠি পাঠানো হয় । তাঁদেরকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে। এর আগে  জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্তদের কাছ থেকে বেশ কিছু জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।  বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে সেই তালিকা সিবিআই মিলিয়ে দেখতে চায় বলে সূত্রে জানা যায়। এঁর আগেও এঁদের ডেকে পাঠালেও সিবিআই-এর সামনে হাজিরা দেননি। এবার হাজির না  হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। গত  অগাস্টে চার আইপিএস রাজীব কুমার, বিনীত গোয়েল, তমাল বসু এবং অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস পল্লবকান্তি ঘোষকে তলব করেছিল সিবিআই। কিন্তু এরা হাজির হননি। সারদাকান্ডে রাজ্য সরকারের তরফে  বিধাননগর কমিশনারেটের  প্রথম তদন্তকারী অফিসার ছিলেন দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই রাজ্যের তরফে তদন্তে সাহায্য করতে পারে এমন কিছু জিনিস, যেমন পেন ড্রাইভ কিংবা ফোনের কললিস্ট সংক্রান্ত তথ্য তাদেরকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছিল সিবিআই। সেই বিষয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আবার দেব্রব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে  আবার হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।    সূত্রের খবর  কম্পিউটার হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ, কিংবা মোবাইল কললিস্ট তিনি সঠিকভাবে সংগ্রহ করেছিলেন কিনা তা একবার যাচাই করে দেখতে চেয়েছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী আধিকারিকরা।

  • একদিন মাত্র বিশ্ব এইডস দিবস পালন করলেই কি দ্বায়িত্ব শেষ?

    ডেস্ক, কলকাতা,রাজকুমার দাস, ৪ ডিসেম্বরঃ গত ১লা ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়ে গেল গোটা বিশ্বের সাথে আমাদের দেশ তথা আমাদের রাজ্য জুড়ে।১৯৮৮ থেকে এই দিবস পালন শুরু হয়েছে ।এখন তো প্রতিদিন কোনো না কোনো দিবস পালিত হচ্ছে।যা কয়েক বছর আগেও পালন তো দূর লোক কিছুই  জানতেন না ? তবে ডিজিটাল যুগে মাত্র একদিনের জন্য এই দিবস পালন করে কি লাভ? সচেতনতা আরো বাড়াতে হবে দিন প্রতিদিন।একদিনের জন্য রালি বের করে অনুষ্ঠানে অথিতি আপ্যায়ন করে কোনো লাভ হয় কি? তৃনমূল স্তরে   মানুষরা এখনো পিছিয়ে তাদের জন্য প্রচার প্রসার কিছুই নেই।শুধু শুধু একদিনের এইডস ডে পালন না করে আমাদের এগিয়ে আসা উচিত প্রতিদিন সমাজের ভাল কাজের জন্য।অসুরক্ষিত যৌন সঙ্গম শুধু এইডস কে ডেকে আনে না।নিজেদের জীবন কে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়।তাই এই রোগের চিকিৎসা সেবা কিংবা সুরক্ষার প্রচার নিয়মিত চলুক,তাহলে এই দিবস পালনের প্রয়োজনীয়তা হবে না।মানুষের মধ্যে গড়ে উঠবে আরো গাঢ় ভালোবাসার রামধনুর রঙ।ডাক্তার দের শুধু নয় আম জনতার কাছে ও পৌঁছতে হবে আমাদের সকলের।তাহলেই এই ধরনের রোগের থেকে আমরা স্বাধীনতা পাবো।এক নতুন জীবনের ছন্দে বেঁচে থাকার মুক্ত বাতাস।

  • চাকরির নামে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

    newsbazar24: চাকরির নামে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ। অভিযোগ দুই ব্যক্তি খেলার শিক্ষকের চাকরির নামে ১৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় নেতাজি নগরের বাসিন্দা শুভজিত্‍ দে-র কাছ থেকে। চার বছর আগে দক্ষিণ কলকাতার নেতাজি নগরে থাকতে শুরু করে শুভজিত্‍ দে ও তার পরিবার।বিকেলে প্রায় খেলার মাঠে যেতেন শুভজিতের বাবা সুভাষচন্দ্র দে। তিনি রেলের অবসরপ্রাপ্ত অফিসার।সেখানেই তাঁর  আলাপ হয় অমিত পাল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে।অভিযোগ, ছেলেকে সরকারি স্কুলে চাকরি করিয়ে দেওয়ার টোপ দেয় অমিত। আলাপ করিয়ে দেয় তাপস নন্দা নামে এক ব্যক্তির সঙ্গেও।বালিগঞ্জ গার্লস হাইস্কুলে শুভজিতের চাকরি হবে বলে জানিয়ে দেয় ওই দুজনই।প্রায় ২ লক্ষ টাকা নেওয়া হয় শুভজিতের বাবা সুভাষচন্দ্র দে-এর কাছ থেকে। তার কিছুদিন পর শুরু হয় শুভজিতের ওজন নিয়ে সমস্যা। চাকরির জন্য প্রার্থীর যা ওজন হওয়া উচিত, তার থেকে ওজন বেশি শুভজিতের। অভিযোগ, বিষয়টি সামলে নিতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা টাকা দাবি করে ওই দুজন। সেই দাবিও মেটায় দে পরিবার। এরপর রাঁচিতে নিয়ে গিয়ে শুভজিতের শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। সেখানেও কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয় তাঁদের থেকে।শুভজিতের চাকরি হয়নি।  এরপরই এই ঘটনায় পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেছে দে পরিবার।

  • প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গে আসছেন বিজেপির রথযাত্রায়, চারটি সভা করবেন।

    ডেস্ক, ২৯ নভেম্বর : তৃনমূলের ব্রিগেড সমাবেশের আগেই পশ্চিমবঙ্গে  আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজ্য বিজেপি নেতৃবৃন্দ চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে রথযাত্রার মধ্যেই চারটি সভা করার।  প্রধানমন্ত্রীর দফতর  সেই দাবিকে মান্যতা দিল। এবং সেখান থেকে জানিয়ে দেওয়া হল  চারটি সভার তারিখ ও   সভাস্থলও । এবার তৃণমূলের পাশাপাশি  ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিজেপি। রাজ্য কমিটির সিদ্বান্ত অনুযায়ী তিন রথযাত্রা মিলিত হবে ব্রিগেডের সভায়। কিন্তু তিন রথে অমিত শাহ-সহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও বলিউডি কলাকুশলীদের নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেও বিজেপি ভরসা পাচ্ছেন না। শেষপর্যন্ত মোদীর শরণাপন্ন হন। সেইমতো মোদী আসছেন বাংলায়। স্থির হয়েছে রথের মধ্যে চারটি সভা হবে প্রধানমন্ত্রীর । প্রথম সভাটি হবে দুর্গাপুরে। ২৪ ডিসেম্বর সেই সভা হওয়ার  কথা। দ্বিতীয় সভা ২৮ ডিসেম্বর মালদহে, তৃতীয় সভা ৫ জানুয়ারি শ্রীরামপুরে । আর শেষ অর্থাৎ চতুর্থ সভাটি হবে  কৃষ্ণনগরে ১১ জানুয়ারি। স্থির হয়েছে তিনটি রথই বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে  ১৬ জানুয়ারি কলকাতায় আসবে । এখনও চূড়ান্ত হয়নি প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সভার দিনক্ষণ। ৪২টি লোকসভা কেন্দ্র ঘুরে রথ আসবে কলকাতায়। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে জানুয়ারির শেষে বা ফেব্রুয়ারির শুরুতে ব্রিগেডে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। রথযাত্রার সূচনা ৭ ডিসেম্বর থেকে। ৭ ডিসেম্বর থেকে বিজেপির রথযাত্রা শুরু হচ্ছে। প্রথম রথটি কোচবিহার থেকে বের হবে। তারপর গঙ্গাসাগর থেকে সূচনা হবে দ্বিতীয় রথের। তৃতীয় রথটি ১৪ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করবে বীরভূমের তারাপীঠ থেকে। ওইদিনই বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ রথের সূচনা করবেন। আগে স্থির ছিল, ৫ ডিসেম্বর তিনি রথের সূচনা করবেন। কিন্তু ৭ ডিসেম্বর ২ রাজ্যে নির্বাচনের জন্য তিনি ব্যস্ত থাকায় পিছিয়ে ১৪ ডিসেম্বরল কর্মসূচি স্থির করা হয়েছে।  

  • নবরূপে সুসজ্জিত ১৪১ বছরের ভারতবর্ষের প্রথম চশমার দোকান

    ডেস্ক,কলকাতা, ৩০ নভেম্বরঃ রাজকুমার দাস :  বৃহস্পতিবার ডালহৌসির কাছে "লরেন্স এন্ড মেও"-চশমার দোকানের  রি লঞ্চ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক  প্রকাশে প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পল  উদ্বোধন করেন নতুন নিউ লুক স্টাইলিস্ট  চশমার।উদ্বোধনে উপস্থিত "লরেন্স এন্ড মেও"র বিজনেস হেড শ্রী সুমন অঞ্জয় জানান এটাই  ভারতের প্রথম চশমার দোকান ।পরাধীন ভারতবর্ষে ১৮৭৭ সালে এই দোকানের প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। বর্তমানে ১৪১ বছরের  পথ চলা কে মাথায় রেখে দোকানের নতুন ব্র্যান্ড কালেকশন নিয়ে  এগিয়ে চলছে "লরেন্স এন্ড মেও"। চক্ষু পরীক্ষা ,কন্টাক্ট লেন্স ,নানান ধরনের  ফেম,আন্তর্জাতিক  লেন্স সব কিছুই এখানে পরিষেবা রয়েছে। ডালহৌসির উক্ত দোকানে উত্তম কুমার থেকে রবীন্দ্রনাথ সকল মহাগুনী মানুষ রা এসে তাঁদের চশমা নিয়ে গিয়েছিলেন।তাই এই ঐতিহ্য বাহি দোকানের গুরুত্ব অনেকের কাছেই এক নস্টালজিক। (ছবিতে প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পল  ও বিজনেস হেড শ্রী সুমন  অঞ্জয়)   

  • রাজ্যে প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হলেন শাদাফ খান।

    ডেস্ক, কলকাতা, ২৮ নভেম্বর : রাজ্যে প্রদেশ যুব কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত রোহন মিত্র। নতুন সভাপতি নির্বাচিত হলেন শাদাফ খান। এই নির্বাচন এক কথায় বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের পরাজয় কারন রোহন মিত্র সোমেন মিত্রের পুত্র আর শাদাফ খান ছিলেন প্রাক্তন সভাপতি অধীর চৌধুরীর অনুগামী।   প্রদেশ যুব কংগ্রেসের এই সাংগঠনিক পদের  নির্বাচন  দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হল।  গতকাল ও আজ রুদ্ধদ্বার ভোটগ্রহণ পর্ব চলে। ভোটদানে অংশ নিয়েছিলেন রাজ্যে সংগঠনের সদস্যরা। মোট ১৬৪৬৪ জন এই নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। শাদাফ খান পেয়েছেন মোট ৯১৯৫ টি ভোট আর রোহন মিত্র পেয়েছেন ৭২৬৯টি ভোট।  অর্থাৎ  ১৯২৪টি ভোট বেশি পেয়ে জেতেন শাদাফ খান।  নির্বাচন শেষ হওয়ার পর  রাজ্য যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক গালিব হাসান জানান , "আমাদের সংগঠনের রাজ্য শাখার নির্বাচন হয়েছে। সভাপতি, সহ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন প্রার্থীরা। তিনি আরও জানান আমদের দলে গোষ্ঠী বলে কিছুই নেই। আমরা বর্তমানে ঐক্যবদ্ব।নব নির্বাচিত সভাপতির নেতৃত্বে আমরা সাম্প্রদায়িক ও রাজ্যে তৃনমূলের অপশাসনের বিরুদ্বে লড়াই করব।

  • উদ্বোধন হলো অষ্টাদশ নাট্য মেলার :দলগুলোর জন্য সরকারি অনুদান বারোনোর দাবি ব্রাত্যর

    কলকাতা,রাজকুমার দাস : পশ্চিম বঙ্গ নাট্য একাডেমি র উদ্যোগে তথ্য ও সংস্কৃতির বিভাগের অন্তর্গত নাট্য একাডেমির তত্বাবধানে ২৫শে নভেম্বর রবীন্দ্র সদনে উদ্বোধন হয়ে গেল অষ্টাদশ বর্ষের নাট্য মেলার। উৎসব চলবে ৫ই ডিসেম্বর পর্যন্ত।অভিনীত হবে ৩১টি পূর্ণ দৈর্ঘের নাটক,৮৮টি ছোট নাটক,২১টি অন্তরঙ্গ নাটক,ও ১০টি পথ নাটক।এক তারা মঞ্চে ও রাজ্য চারুকলা পর্ষদের মুক্ত মঞ্চে হবে মোট৮টি দলের মূকাভিনয়।৪টি দলের পুতুল নাটক,এবং ১৬জন নাট্য শিল্পী পরিবেশন করবেন নাটকের গান।এই মেলায় এবছর বহিরবঙ্গের দুটি দল যথা মুম্বাইয়ের দর্পন ও বেঙ্গালুরুর স্মরণিকা নাট্যদল অংশ নিচ্ছেন। উদ্বোধনী নাটক ছিল মিনার্ভা রেপার্টরি থিয়েটারের প্রযোজনায় বিপ্লব ব্যানার্জী পরিচালিত নাটক "নাসিকা পুরাণ"। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু,ইন্দ্রনীল সেন,অর্পিতা ঘোষ, তথ্য সংস্কৃতি বিভাগের সচিব পিয়ালী সেনগুপ্ত,নাট্য ব্যাক্তিত্ব অশোক মুখোপাধ্যায়,বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়, সহ সদস্য সচিব বরুন কুমার সাহা প্রমুখ। এদিন ব্রাত্য বাবু জানান নাটকের দলগুলো সরকারী যে গ্রান্ড পায় তা দ্বিগুণ করার প্রস্তাব মুখ্য মন্ত্রীর কাছে দেওয়া হয়েছে আসা করা যায় এতে সব দল গুলোর উন্নতি সাধন হবে। স্থির চিত্রে :-আব্দুল্লা মোল্লা

  • বাংলা ও বাংলা ছবির রাজত্বে ২৪তম কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের ঘন্টা বাজলো মহাতারকাদের নিয়ে

    কলকাতা,রাজকুমার দাস :নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়াম এর ভিতর ও বাহির দর্শক তথা সিনে প্রেমিকদের ভীড়, সেলিব্রিটি স্টার t স্টারদের আনা গোনা সব কিছুই চোখ ঝাঁজানো, উৎসব মুখর এক সন্ধ্যা।আজ উদ্বোধনের মাধ্যমে ২৪তম কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের শুভ সূচনা করেন বলিউড তারকা অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সহ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়,ওয়াহিদা রহমান,জয়া বচন, ছিল মাহেশ ভাট, উৎসব চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী,ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত,মাধবী মুখার্জী,সাবিত্রী চ্যাটার্জী সহ ইন্টারন্যাশনাল ডেলিগেট অতিথিবৃন্দ।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন এই উৎসব সবার।তাই শুধু কুঁড়ি হাজার মানুষ নয় যদি সম্ভব হয় যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গন এ এক লক্ষ্য দর্শকদের এই উৎসবে সামিল করে একসাথে সিনেমা দেখানো যেতে পারে, যা হবে এক বিশ্ব রেকর্ড।আগামী বছর২৫বছর পূর্তি উপলক্ষে তার প্রস্তুতি নিতে হবে এখন থেকে।বাংলা ছবির শতবর্ষে এই প্রথম চলচ্চিত্র উৎসবে উদ্বোধনী সিনেমা "এন্টনি ফিরিঙ্গী" বাংলা সিনেমা দেখানোর দ্বারা উৎসবের সূচনা হয়।আন্তর্জাতিক উক্ত উৎসবে মোট৭০টি দেশের মোট১৭০টি ছবি দেখানো হচ্ছে,স্বল্প দৈর্ঘের ও তথ্য চিত্র সহ মোট১৫০টি ছবি দেখানো শুরু হলো প্রায় ১৬টি প্রেক্ষাগৃহে,সারা শহর জুড়ে উৎসবের আমেজ, নন্দন চত্বর তো এই উৎসবের পীঠস্থান।উৎসবের বৈচিত্রে নতুন সম্ভারে জিরো থেকে উঠে আসা লড়াই করে জেতা অনেকটাই সহজ সাধ্য নয়,তাও এই উৎসব নতুন করে কিছু করে দেখাতে বদ্ধ পরিকর প্রতি বছর বলে জানান বাংলার ব্র্যান্ড এম্বাসেডর শাহরুখ খান।অমিতাভ বচ্চন বাংলার জামাই আদর প্রতিবছরই পায়, এই মঞ্চ থেকে উদ্বোধন হয় বেঙ্গলী ফিল্ম ডিরেক্টরী।আগামী ১৭ই নভেম্বর বেশীর ভাগই সিনে প্রেমীদের ভিড় থাকবে নন্দন প্রাঙ্গন জুড়ে তারই ধারাবাহিকতায় আজ নতুন করে প্রদীপ শিখায় উজ্জ্বল তারাদের ছোঁয়া লাগলো বলে বলা যেতেই পারে।

  • নোটবাতিলের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

    Newsbazar24, ডেস্ক, ৮ নভেম্বর : কেন্দ্রীয় সরকারের নোটবাতিলের সিধান্ত দেশের অর্থনীতি সহ অসংখ্য মানুষের জীবন নষ্ট করেছে। এর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে  জবাবদিহি করতে হবে।নোটবাতিলের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে  কড়া ভাষায় তোপ দাগলেন  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সকালে এক টুইট বার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, আজ নোটবাতিলের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি। এটি কালো দিন।  নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরেই তিনি যেটা বলেছিলেন, এখন সেই মন্তব্যের সঙ্গেই সহমত হচ্ছেন নামকরা অর্থনীতিবিদ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, সবাই। নোট বাতিলের মাধ্যমে সরকার দেশকে প্রতারণা করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সিদ্ধান্তকে বড় কেলেঙ্কারি বলেও অভিযোগ তৃণমূল নেত্রীর। এই সিদ্ধান্ত অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে। পাশাপাশি লক্ষ মানুষের জীবন-জীবিকার ওপরও প্রভাব ফেলেছে। প্রসঙ্গত ২০১৬ সালে ৮ নভেম্বর থেকে দেশজুড়ে পুরানো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বলা হয়, দেশে কালো টাকার বাড়বাড়ন্ত রুখতে ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশে দুর্নীতির হার কমবে।