কলকাতা

  • এসএসকেএমে ভর্তি চিটফান্ড কাণ্ডে জেলবন্দি সারদা কর্তা

    newsbazar24: এসএসকেএমে ভর্তি চিটফান্ড কাণ্ডে জেলবন্দি সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন। সোমবার সন্ধ্যায় এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হল সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনকে। জেলবন্দি সুদীপ্ত সেনের মলদ্বারে ফোঁড়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জেল হাসপাতালে রেখে তাঁর চিকিৎসা করা যাবে না তাই এসএসকেএমে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকরা অ্যকুউট ইনফেকশন থেকে সেপটিকের আশঙ্কা করছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর,শারীরিক অবস্থা বুঝেই আগামিকাল কিংবা বুধবার অস্ত্রোপচার করা হতে পারে সুদীপ্ত সেনের। গত মাসে বারাসতে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে হাজিরা দিতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। 

  • কলকাতাই দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতকে দিশা দেখাবে , আবার বাংলাকে চালকের আসনে বসাব'' : মোদী

    প্রকাশ মিশ্র, কলকাতা: কলকাতাই যে পূর্ব ভারতের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে, তা আবার আরো একবার স্পষ্ট করে দিলেন নরেন্দ্র মোদী। তাঁর কথায়,''কলকাতা একটা বড় কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। সমগ্র পূর্ব ভারতের উন্নতির জন্য কলকাতাই দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতকে দিশা দেখাবে। বাংলার মহাপুরুষরা দেশকে পথ দেখিয়েছেন। আবার বাংলাকে চালকের আসনে বসাব''। প্রধানমন্ত্রীর মতে, পূর্ব ভারতকে শক্তিশালী করতে হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এটা দেশের উন্নতির জন্যেও দরকার। রাজ্য সরকারকে সবরকম সহযোগিতা করেছে কেন্দ্র। কিন্তু তারা উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেয়নি। নরেন্দ্র মোদী বলেন,''২০১৩ সালেই বলেছিলাম, ভারতকে উন্নত দেশ তৈরি করতে হলে সামঞ্জস্য আনতে হবে। পশ্চিম ভারতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখতে পাবেন। কিন্তু পূর্ব ভারতে মানবসম্পদ ও খনিজ রয়েছে। আইএএস-আইপিএস অফিসরা উঠে আসছেন পশ্চিমবঙ্গ থেকে। অথচ এতবড় অঞ্চল পিছিয়ে পড়েছে''। পঞ্চায়েত ভোটের হিংসা ও দুদফার লোকসভার ভোট নিয়ে মোদীর পর্যবেক্ষণ, যেভাবে হিংসার দিকে এগিয়ে চলেছে বাংলা এবং হিংসাত্মকদের উত্সাহ দেওয়া চলছে, তেমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল আটের দশকে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সঙ্গে। বিপজ্জনক পরিস্থিতি। গুরুত্ব দিয়ে বিচার করতে হবে।মানুষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সপা-বসপা জোট হওয়ার জেরে উত্তরপ্রদেশে আসন সংখ্যা কমতে পারে। সেই ঘাটতি পশ্চিমবঙ্গে পুষিয়ে নেবেন মোদী? এই রকম প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে আজ প্রধানমন্ত্ ন্ত্রী এই ধরনের মন্তব্য করেন।

  • কাল নির্বাচন কমিশনের দ্বিতীয় পরীক্ষা: তাই কী প্রস্তুতি নিল কমিশন

    কলকাতা: রাত পোহালেই দ্বিতীয় দফা নির্বাচন।আর এই নির্বাচনের আগে রাজ্যের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। কাল বৃহস্পতিবার রাজ্যের তিনটি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট। তার আগে সোমবার ১৯৮৪ ব্যাচের আই এ এস অফিসার অজয় নায়েককে বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। এর আগে রাজ্যে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল কমিশন। প্রথমে যিনি এই পদে এসেছিলেন তাঁকে নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। তৃণমূলের তরফে ওই আধিকারিকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, পাশাপাশি সিপিএম থেকে শুরু করে অন্য দলগুলিও প্রতিবাদ করে। শেষমেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বদলে দেওয়া হয়। নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক হন বিবেক দুবে। এদিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজ্যের কয়কেটি লোকসভা কেন্দ্রের ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখল নির্বাচন কমিশন। এ রাজ্য ছাড়া ত্রিপুরা পূর্ব কেন্দ্রের নির্বাচনী প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গোটা দেশের সঙ্গে এ রাজ্যের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রেও ভোট হবে ১৮ এপ্রিল। তাই এই তিনটি কেন্দ্র নির্বাচনের জন্য কতটা তৈরি তা খতিয়ে দেখেছে কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরা থেকে শুরু করে আরও কয়েকজন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তাছাড়া রাজ্যে কমিশনের আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশ কর্তারাও অংশ নেন বৈঠকে। ১৮ তারিখ দ্বিতীয় দফার ভোট মেটার চার দিন পর ২৩ তারিখ তৃতীয় দফার ভোট। সেদিন এ রাজ্যের যে সমস্ত কেন্দ্রে ভোট হবে সেখানকার প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখেছে কমিশন। লোকসভা ভোটের মতো বড় নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয় অনেক দিন আগে। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা প্রতিটি রাজ্য ঘুরে দেখে ভোটের দিন ঠিক করেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন আছে তা দেখে নিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়। এরপর ভোট পর্ব শুরু হয়ে গেলে দিল্লি থেকে ভিডিওকনাফারেন্স করে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়। এদিন সে মতোই ভোট গ্রহণ কেন্দ্র গুলিতে কী ধরনের সুবিধা আছে তা জেনে নেন কমিশনের আধিকারিকরা। পুলিশ আধিকারিকরাও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে তথ্য দিয়েছেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। কোন কেন্দ্রের কোথায় কত পরিমাণ বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে সেটিও জানিয়ে দেওয়া হয়। যদিও এত কিছুর পরেও মানুষ নির্ভর করতে পারছেনা নির্বাচন কমিশন কে।

  • নো কেন্দ্রীয় বাহিনী নো ভোট

    সুমিত ঘোষ , ১৩ এপ্রিল: প্রথম দফার ভোটে আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি তে  যে ভাবে তৃণমূলের বাহিনী বিভিন্ন বুথে ভোটার দের বাঁধা দিয়ে ভোট লুট করেছে তার প্রতিবাদে আজ পশ্চিম বাংলার দায়িত্ব প্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের অধিকারকের অফিসের সামনে ধর্নায় বসে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির নির্বাচনের আহ্বায়ক মুকুল রায় সহ সদ্য তৃণমূল থেকে আসা এক সময়ের দাপুটে ছাত্র নেতা এবং নব প্রজন্মের আইকন শঙ্কুদেব পাণ্ডা।  মূলত তাঁদের দাবি যে ভাবে তৃণমূলের বাহিনী রাজ্যের প্রথম দফা ভোটে ভোটার দের বাঁধা দিয়ে ভোট লুট করেছে এবং নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া এই ভোট প্রক্রিয়া চালিয়ে ছেন তার প্রতিবাদে এই অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি। তাঁদের দাবি প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে হবে এবং এ রাজ্যের প্রতিটি ভোটার যেন নির্বিগ্নে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেটি সুনিশ্চিত করতে হবে ।

  • অগণতান্ত্রিক ভোট প্রক্রিয়ার জন্য অবস্থান বিক্ষোভ শঙ্কুদেব পান্ডার

    সুমিত ঘোষ  :  এক সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে ছাত্রনেতা  শঙ্কুদেব পাণ্ডা আজ বিজেপিতে। কিছুদিন আগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অনশনের  পাশে  দাঁড়ান শঙ্কু। বর্তমান শিক্ষার অবনতির বিরুদ্ধে শঙ্কুদেব পান্ডা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিও  করেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী প্রথম দফা ভোট প্রক্রিয়া শুরুহওয়ার পর ভোট কেন্দ্রে তৃণমূলের বাহিনীদের ভোট লুটের কারণে ও রাজ্য পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার জন্য আজ এই দাপুটে শঙ্কুদেব পান্ডার ভূমিকা সারা ফেলে দেয় রাজ্য রাজনীতিতে। তিনি দাবি করেন এ রাজ্যের প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তাই আজ এই   দাবীতে অনড়  থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন এর দফতরে লাগাতার অবস্থান বিক্ষোব চালান তিনি ও তার অনুগামীরা।  তার এই কর্মসূচিতে তার অনুগামীদের ভূমিকাও ছিল চোখে পড়ার মতো। মূলত তারা রাস্তায় বসে অবস্থান বিক্ষোভ চালাতে থাকেন। শঙ্কুদেব পাণ্ডা ও তার অনুগামীদের স্লোগানের মধ্যে দিয়ে উঠে আসে পশ্চিম বঙ্গের দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত মুখ্য কেন্দ্রীয় নির্বাচন আধিকারিকের অপসারণ এর কথা এবং এও বলেন  পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করেছে ,ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। পুলিশ  দলদাসে পরিণত হয়েছে । তাই এর দ্রুত নিস্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।  এই বিক্ষোভে সামিল হন রাজ্য বিজেপির অন্যতম নেতা মুকুল রায় ও অন্যান্য নেতৃত্ব বৃন্দ।

  • সেক্টর ফাইভের বহুতলে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের 2টি ইঞ্জিন

    News Bazar24: সেক্টর ফাইভের বহুতলে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের 2টি ইঞ্জিন। সেক্টর ফাইভের গ্লোবসাইন নামক বহুতলের তৃতীয় তলে একটি বেসরকারি কলেজের অফিসে আগুন লাগে। কাঁচ দিয়ে ঘেরা বহুতলে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। আগুন ঘিরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে সেক্টর ফাইভের অফিস পাড়ায়। দমকলের প্রাথমিক অনুমান শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে।

  • লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় আগামীকাল রাজ্যে আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভোটগ্রহন।

    Newsbazar24, ডেস্ক, ১০ এপ্রিলঃ  আগামীকাল থেকে  শুরু হচ্ছে  দেশজুড়ে লোকসভা  নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব । রাজ্যের দুটি লোকসভা কেন্দ্র আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে   প্রথম দফার ভোটগ্রহণ আগামীকাল । সব বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে করা হয়েছে সুরক্ষা বলয়। সঙ্গে থাকছেন মাইক্রো অবজ়ারভাররা। থাকছে ওয়েবকাস্টিং, ভিডিয়ো ক্যামেরা ও  সিসিটিভি-র নজরদারি। বুথের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে সাহায্য করতে  রয়েছে কুইক রেসপন্স টিমও। এই সুরক্ষা ব্যবস্থার উপর ভর করেই কমিশনের প্রতিশ্রুতি আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হবে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ। দু'দফাতেই নির্বাচনে লড়াই হবে চতুর্মুখী। আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের চিত্র।         কোচবিহারঃ- মোট ভোট কেন্দ্র   ১৪৮৭ মোট বুথ     ২০১০ মোট ভোটার  ১৮,১০,৬৬০ সার্ভিস ভোটার    ৩৫৪০ মোট প্রার্থী      ১১ ১ ১৫৩ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে না      ৮৫৭  টি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে       ·     জেলায় স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা   ৬৮২  টি,  ১৮০ টি বুথে কাজ করবে অফলাইন CC ক্যামেরা       ·     ২৮৯  টি বুথে কমিশনের সরাসরি নজরদারি , ভিডিয়ো পার্সনের সঙ্গে ক্যামেরা থাকবে  ২২৮  টি বুথে       ·      মাইক্রোঅবজ়ারভার থাকবে  ৩৫০ টি বুথে  ,   মোতায়েন থাকবে  ৪৭  কম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী জেলার সব বুথে যেহেতু কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায়নি, তাই বুথে বুথে "সেন্ট্রাল ফোর্স সিকিউরিটি মেজ়ার" রাখা হচ্ছে। আলিপুরদুয়ারঃ- মোট ভোট কেন্দ্র  ১৪৫৭ , মোট বুথ            ১৮৩৪   মোট ভোটার       ১৬,৪৩,৪১৬ সার্ভিস ভোটার       ৪৭৬৭ মোট প্রার্থী            ৭   ১ ০২০ টি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ৮১৪ টি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে না ,সেগুলিতে থাকবে শুধু রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ৫৪৪ ১৮০  টি বুথে কোনও অফলাইন CC ক্যামেরা কাজ করবে না  ২৫৮  টি বুথে কমিশনের সরাসরি নজরদারি ভিডিয়ো পার্সনের সঙ্গে ক্যামেরা থাকবে  ১৪৬ টি বুথে মাইক্রোঅবজ়ারভার থাকবে  ৪৪০  টি বুথে মোতায়েন থাকবে ৩৬  কম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি কোনও ভোটকর্মী কর্তব্যরত অবস্থায় মারা যান, তাহলে তাঁর পরিবারকে 10 লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। যদি অঙ্গহানি হয় তাহলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে 5 লাখ টাকা।   কমিশনের নিষেধাজ্ঞা বুথের মধ্যে প্রিজ়াইডিং অফিসার, সেক্টর অফিসার ও অবজ়ারভার ছাড়া কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। ভোটাররাও মোবাইল ফোন নিয়ে বুথে যেতে পারবেন না। রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের ক্ষেত্রেও মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ বহাল থাকবে।সেক্টর অফিসার, এমারজেন্সি রিকোয়ারমেন্ট অফ ইলেকশন, কমিশন ফোর্স অবজ়ারভার ছাড়া কেউ বুথের 200 মিটারের মধ্যে গাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন না। পোলিং বুথের 200 মিটারের বাইরে তৈরি করতে হবে রাজনৈতিক দলগুলির বুথ। পোলিং বুথের 200 মিটারের মধ্যে কোনও প্রচার সংক্রান্ত পোস্টার, ব্যানার লাগানো যাবে না।

  • শাসক দলকে চাপে রাখতে রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে অপসারণের দাবিতে কমিশনে বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহা

    Newsbazar24 ,ডেস্ক, ৯ এপ্রিলঃ  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার  রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য নতুন এক  অযৌক্তিক  পদ সৃষ্টি করে  রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে রাজ্য সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়োগ করেছেন।বিজেপির উত্তর কলকাতার প্রার্থী রাহুল সিনহা এই মর্মে  নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাবেন বলে আজ জানালেন। রাহুল সিনহা আর বলেন, সুরজিৎ কর পুরকায়স্থের জন্য থানার আইসি-ওসিরা এমনকি  এস পি রা ও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।  এদিন একেবারে নাম করে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় তোলেন  এবং বলেন , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের স্বার্থ চরিতার্থ করছেন। পার্টির কাছে প্রমাণ সহ রিপোর্ট দাখিল করেছেন কলকাতা উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, আমরা দলের তরফে কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি। অবিলম্বে এই পদের অবলুপ্তি ঘটানোর দাবি জানাব। এবং সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে এই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার আবেদনও করা হবে। এই অভিযোগ নিয়ে সুরজিৎবাবু কোনও প্রতিক্রীয়া পাওয়া যায়নি . প্রসঙ্গত  সুরজিৎবাবু একটা সময়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও  তারপর রাজ্য পুলিশের ডিজিও ছিলেন। এখন রাজ্য সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদ সৃষ্টি করে অবসরের পর  তাকে আবার নিয়োগ করা  হয়েছে । অবসরের পর তাঁর নিয়োগ নিয়ে পুলিশ মহলে  বিতর্ক তৈরি হয়েছিল ।  ফের সেই বিতর্ক সামনে নিয়ে এল বিজেপি লোকসভা নির্বাচনের আগে । এখন দেখার নির্বাচন কমিশন কি ব্যাবস্থা নেয়?

  • আসানসোল এবং ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের সিপিআই(এম) প্রার্থীরা আক্রান্ত , অভিযুক্ত তৃনমূল

    Newsbazar24 ,ডেস্ক, ৯ এপ্রিলঃ  সিপিআই(এম) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক সূর্য মিশ্র আজ এক প্রেস  বিবৃতিতে জানিয়েছেন ,মঙ্গলবার রাজ্যের দুটি লোকসভা কেন্দ্র আসানসোল এবং ডায়মন্ড হারবারের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই(এম) প্রার্থী যথাক্রমে গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জি এবং ডা. ফুয়াদ হালিম  নির্বাচনী প্রচারের সময় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীবাহিনীর হাতে আক্রান্ত হয়েছেন। এদিন সকালে আসানসোলের বারাবনীর মদনপুর গ্রামে পুলিশ প্রশাসনকে আগাম অবহিত করে নির্বাচনী প্রচারের সময় গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জির ওপরে তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত কয়লা মাফিয়াদের বাহিনী আক্রমণ চালায়। এই ঘটনায় গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জি সহ ছয়জন সিপিআই(এম) নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদিনই দুপুরে ডায়মন্ড হারবারের ফলতায় ডা. ফুয়াদ হালিমকে প্রচারে বাধা দিতে রাজ্যের শাসকদলের দুষ্কৃতীবাহিনী হামলা চালিয়েছে। প্রার্থীসহ সাতজন সিপিআই(এম) নেতাকর্মী আহত হয়েছেন সেখানে। ডায়মন্ড হারবারে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর জয় সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে ধারাবাহিক মরিয়া আক্রমণ চালাচ্ছে শাসকদলের দুষ্কৃতী বাহিনী। আগের দিন সোমবার পুলিশ প্রশাসনকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে শাসকদলের হামলা সম্পর্কে আশঙ্কার কথা আগাম জানানো সত্ত্বেও ফলতায় এদিনের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে সোমবার বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিআই প্রার্থী পল্লব সেনগুপ্তকেও গাড়ি থামিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা খুনের হুমকি দিয়েছে। বামফ্রন্ট প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারে বাধা ও আক্রমণের ঘটনাগুলি প্রমাণ করছে এরাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কতটা দুর্বল ও মরিয়া হয়ে গেছে। আমরা সিপিআই(এম)’র পক্ষ থেকে শাসকদলের দুষ্কৃতীদের এই সব আক্রমণের তীব্র নিন্দা করছি এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাওয়ার পরে প্রচারকালে প্রার্থীদের ওপরে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকরী ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানাচ্ছি। যেহেতু পুলিশ প্রশাসনকে বামফ্রন্ট প্রার্থীদের প্রচার কর্মসূচীগুলি সম্পর্কে আগাম অবহিত করার পরেও উপরোক্ত আক্রমণের ঘটনাগুলি ঘটেছে, তাই এর জন্য দায়ী অফিসারদের চিহ্নিত করে তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। বামফ্রন্ট প্রার্থীদের ওপরে শাসকদলের আক্রমণ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আগামীকাল বুধবার রাজ্যের সর্বত্র নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচীর সঙ্গে যুক্ত করে প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত করার আবেদন জানাচ্ছি। ৯ এপ্রিল, ২০১৯,কলকাতা

  • পুলিশ আধিকারিকদের বদলি প্রসঙ্গে মমতার বিরুদ্বে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

    Newsbazar 24 , ডেস্ক।৭ এপ্রিলঃ  কলকাতার পুলিশ কমিশনার সহ রাজ্যের একাধিক পুলিশ কর্তার বদলি নিয়ে  রীতিমত ক্ষোভ প্রকাশ করে  নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে  মুখ খুলে একাধিক অভিযোগ তোলেন  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। । কমিশনকে পক্ষপাত দুষ্ট বলেও মন্তব্য করেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা চিঠির জবাবে নির্বাচন কমিশন সাফ  জানিয়ে দিল  যে নির্বাচনের সময় চাইলেই কোনও অফিসারকে বদলি করা যেতে পারে। সেই সাংবিধানিক অধিকার তাদের রয়েছে। সিপি-এসপি বদলি নিয়ে মমতার লেখার চিঠির প্রসঙ্গে কমিশন আরও জানিয়েছে যে, নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার পর কমিশনকে রিপোর্ট করেন অফিসাররা। কমিশন চাইলে তাঁদের নতুন জায়গায় পোস্টিং দিতে পারে। আবার সরিয়ে নিয়ে যেতে পারে অন্যত্র। আর তা সংবিধান মেনেই হচ্ছে বলেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে  ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৮-এ ধারায় সাফ বলা রয়েছে, রাজ্য সরকার যে অফিসারকে নির্বাচন সামলানোর দায়িত্ব দেবে, নির্বাচন কমিশনকে রিপোর্ট করতে হবে তাঁকে। নির্বাচন কমিশনের হয়ে আইন-শৃঙ্খলা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সামলাবেন তিনি। এই বিষয়ে কেরল হাইকোর্টের একটি রায় তুলে ধরে নির্বাচন কমিশন।  শুধু তাই নয়, মমতার চিঠি নিয়ে রীতিমত অসন্তোষ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট চালু হয়ে যাবার পর নির্বাচন কমিশনের  একটি পদক্ষেপকে স্বৈরাচারী ও কেন্দ্রের শাসক দলের পক্ষপাতিত্ব করার তকমা দেওয়া র ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে অভিহিত করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় পর্যবেক্ষক ও ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার ও স্পেশ্যাল পুলিশ অবজার্ভারের রিপোর্টের ভিত্তিতেই ওই ৪ পুলিশ কর্তাকে বদলি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।