কলকাতা

  • আজও প্রশ্নপত্র ফাঁস, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ডাবল হ্যাট্রিক করল।

    কলকাতা, ১৯ ফেব্রুয়ারি : আবারও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ। মাধ্যমিক শুরুর প্রথম দিন থেকেই প্রশ্নপত্র  বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে। পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ফাঁস হয়ে যায় আজকের ভৌত বিজ্ঞানের  প্রশ্নপত্র। পরীক্ষা শেষে মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায়, তা  মিলে গেছে ।  এই নিয়ে পরপর ছয়দিন প্রশ্নপত্র ফাঁস। এক কথায় বলা যায়  মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ  প্রশ্নপত্র ফাঁসের ক্ষেত্রে ডাবল হ্যাট্রিক করল। একের পর এক প্রশ্নপত্র ফাঁস, অন্যদিকে পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারির অভাব। প্রশ্ন উঠছে  অভিভাবক ও শিক্ষা মহলে।    অভিভাবকের বক্তব্য, ""এই ঘটনা বারবার কেন হচ্ছে, এবং  এটা প্রশাসনের ব্যর্থতা। এটা কখনই কাম্য নয়। সত্যিই যদি প্রশ্নপত্র  ফাঁস হয়ে যায়, তাহলে নম্বরের ক্ষেত্রে কেউ কেউ বেশি সুবিধা পেতে পারে। প্রসঙ্গত, গতকাল স্কুল শিক্ষা দপ্তরের সচিব মণীশ জৈন, পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়   ভিডিয়ো কনফারেন্সে বৈঠক করেন পুলিশ সুপার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে।  বৈঠকে সবাইকে  পরীক্ষা চলাকালীন নজরদারি বাড়ানো ও সারপ্রাইজ় ভিজ়িটের উপর জোর দিতে বলা হয়েছিল। তারপরেও আবার প্রশ্নপত্র  ফাঁস হয়ে গেল। স্বাভাবিক ভাবেই , পরপর প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। অস্বস্তি ঢাকতে ইতিমধ্যে এই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রী । ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসারের নেতৃত্বে গঠন হয়েছে সিট। প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু সিআইডি তদন্তে চলাকালীন  আবারও  প্রশ্নপ্ত্র ফাঁসের ঘটনা। ফলে প্রশ্ন উঠছে তদন্তের ভূমিকা নিয়ে। এই ঘটনায় রাজ্য সরকারের ব্যার্থতাকে দায়ী করে  সিপিআইএম নেতা তথা বিধানসভার বামপরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী  শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ে পদত্যাগ দাবি করে বলেন, “শিক্ষামন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান কে অবিলম্বে তার দ্বায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া  উচিত”।  

  • রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের ডিএ মামলা নিয়ে আবার হাইকোর্টে রাজ্য সরকারের মুখ পুড়ল।

    কলকাতা, ১৮ ফেব্রুয়ারি : রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের ডিএ  মামলা নিয়ে আবার হাইকোর্টে রাজ্য সরকারের মুখ পুড়ল। ডিএ  মামলা নিয়ে  আবার  শুনানির আবেদন খারিজ করল হাইকোর্ট। আজ  সকালে বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের এজলাসে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনেরাল কিশোর দত্ত সুপ্রিমকোর্টের একটি রায় উল্লেখ করে বলেন  ১৩ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিমকোর্টের ডিএ সংক্রান্ত একটি রায়ে বিচারপতি ইন্দিরা ব্যানার্জি ও আর ভানুমতির বেঞ্চ রায় দেয় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের সমপরিমাণ  ডিএ  দিতে বাধ্য নয়। এই রায়টি উল্লেখ করে রিভিউ পিটিশনের পুনরায় শুনানির আর্জি জানানো হয়। কিন্তু আবেদনকারীর তরফে আইনজীবী ফিরদৌস শামিম সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, "যে বিষয়ের ভিত্তিতে সুপ্রিমকোর্ট ওই রায় দিয়েছে এখানে সেটা প্রাসঙ্গিক নয়। তামিলনাড়ু ইলেক্ট্রিসিটি বোর্ডের একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই রায় দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট।" এরপরই বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দেন। ৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের রিভিউ পিটিশন আবেদনের ভিত্তিতে শুনানির পর আপাতত রায়দান স্থগিত রেখেছে হাইকোর্ট। রিভিউ পিটিশন সংক্রান্ত আবেদনের শুনানিতে শেষদিন রাজ্যের তরফে এজি কিশোর দত্ত আবার  বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও শেখর ববি শরাফের বিশেষ বেঞ্চে সুপ্রিমকোর্টের  রায় উল্লেখ করে বলার চেষ্টা করেন, ডিএ কেন্দ্র বেশি দিচ্ছে না রাজ্য সেটা কী আদৌ বিচার্য? এই নিয়ে রাজ্য সরকার আবার হাইকোর্টে বিশেষ শুনানির আবেদন জানায়।  কিন্তু বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও শেখর ববি শরাফের বিশেষ বেঞ্চ সেই আবেদন খারিজ করে দেন  

  • ভারত সেবাশ্রম সংঘের সহযোগিতায় পূর্ব ভারতের কলকাতায় সর্বপ্রথম চালু হল হোমিওপ্যাথিক ক্যানসার হাসপাতাল।

    কলকাতা, ১৭ ফেব্রুয়ারি : একটি বেসরকারি ক্যানসার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং ভারত সেবাশ্রম সংঘের সহযোগিতায়  আজ কলকাতায় চালু হল হোমিওপ্যাথিক ক্যানসার হাসপাতাল।  আজ দক্ষিণ দমদমের ক্ষুদিরাম বসু সরণিতে এই আউটডোর বিভাগের দ্বারোদ্ঘাটন করেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রধান সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ। উক্ত অনুষ্ঠানে স্বামী বিশ্বাত্মানন্দজী বলেন, "ইতিমধ্যে ক্যানসার চিকিৎসায় ভারত সেবাশ্রম সংঘ নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে । এবার হোমিওপ্যাথিতে ক্যানসার চিকিৎসার উপর ২০টি শয্যার হাসপাতাল তৈরি হতে চলেছে। আজ কালিন্দীতে আউটডোর বিভাগ চালু করা হল। তবে হাসপাতাল তৈরি করার জন্য যে জায়গার প্রয়োজন কালিন্দীতে পর্যাপ্ত জমি না পাওয়ায় অন্য কোথাও সেই হাসপাতাল তৈরি করা যায় কি না তার জন্য জায়গার খোঁজ করা হচ্ছে।" তিনি আরও জানান, ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে কেমোথেরাপি ছাড়াও অন্যান্য কিছু ম্যানেজমেন্ট লাগে। রক্ত দেওয়া, IB ফ্লুইড চালানো, স্যালাইন দেওয়া, অক্সিজেন দেওয়া এগুলি কোনও প্যাথির মধ্যেই পড়ে না। অথচ প্রত্যেকটা প্যাথিতে এর প্রয়োজন আছে। এখানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার পাশাপাশি সেইসব ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থা করে যত শীঘ্র সম্ভব এই হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। আজ থেকে যে আউটডোর সেন্টার চালু হল সেখানে ন্যূনতম খরচে এবং আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হবে। মহারাজ জানান, বেশ কিছু বিদেশি ওষুধ যেগুলি ক্যানসারের ব্যথা কমানোর জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়েছে, সেই ওষুধ গরিব মানুষের মধ্যে কম খরচে দেওয়া যায় এই আউটডোরের লক্ষ্য সেটাই। এছাড়া হোমিওপ্যাথির চিকিৎসার সঙ্গে যোগ চিকিৎসারও যাতে পরিষেবা দেওয়া যায় তারও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রণবানন্দ যোগ ও ন্যাচারোপ্যাথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক পীযূষ চ্যাটার্জি, বাদুড়িয়ার বিধায়ক কাজ়ি আবদুল রহিম, স্থানীয় পৌরমাতা মুনমুন চ্যাটার্জি ও দক্ষিণ দমদম পৌরসভার পৌরপ্রধান পাঁচু রায় প্রমুখ।

  • দুই বাংলার মেল বন্ধনে মুক্তি পেল ভিডিও এলবাম "ভালোবাসা একি নেশা"

    Newsbazar24:, আর কে দাস :--- কলকাতার "চিত্রসাথী ফিল্মস"--ও বাংলাদেশের সাতক্ষীরার তাজ মিউজিক এর যৌথ উদ্যোগে বাংলা গানের এলবাম "ভালোবাসা একি নেশা"- ইউটিউবে মুক্তি পেল।মুক্তি পেল "চিত্রসাথী ফিল্মস"-(ভারত)এর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে। এই গানের শিল্পী কলাকুশলী সকলেই বাংলাদেশের। দুই বাংলার হৃদয় জুড়ে বাংলা ভাষায় বাঙালিদের মেলবন্ধনে এই যৌথ প্রয়াস মানুষের মনে দাগ কাটবে বলে জানিয়েছেন"চিত্রসাথী ফিল্মস"-এর কর্ণধার কলকাতার রাজকুমার দাস। আলবামের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন হৃদয় খান,মডেল হিসেবে অভিনয় করেছেন তাজ আফ্রিদী, ও মডেল রূপকথা মৌ।কালারিস্ট ও সম্পাদনায় শাওন খাঁন, প্রোডাকসন তাজ মিউজিক প্রা লিঃ।লেবেল টি টিভি নেটওয়ার্ক, প্রেম ও তার জন্য ভালোবাসা উজাড় করা সবটাই দায়িত্ব সহকারে সামলেছে আলবামের যুগ্ম পরিচালকদ্বয় এস এইচ হৃদয় ও শাওন খাঁন। ভালোবাসা একি নেশা--গানটি ইতি মধ্যেই দর্শকদের ভালো লাগতে শুরু করেছে, আগামী দিনে দুই বাংলার কাঁটাতার সরিয়ে ভালোবাসার তাঁরে পরিণত হোক দুই বাংলার সমাজ ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন এই কামনা রইলো। বড় পর্দায় দুই বাংলার সিনেমা যৌথ উদ্যোগে যেমন মুক্তি পায়,তেমন পুরোটা নাইবা হলো,সোশ্যাল মিডিয়ায় সারা বিশ্বের বাঙালী দের কাছে এক নিমেষে এই আলবামের পরিচিত ছড়িয়ে পড়েছে।এটা সত্যি সুখবর।

  • মাধ্যমিক পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা, প্রশ্নের মুখে পর্ষদের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা

     মালদা, ১৩ ফেব্রুয়ারীঃ  মাধ্যমিক পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনেও আবার  প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে।  সাথে সাথে প্রশ্নের মুখে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এত কড়াকড়ি। প্রথম দিনের মত মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনে দ্বিতীয় ভাষার প্রশ্নপত্রও  সোশ্যাল মিডিয়ার সৌজন্যে  পরীক্ষা শুরুর আধ ঘণ্টার মধ্যেই মোবাইয়ে মোবাইলে ঘুরতে শুরু করল।    প্রথম দিনের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষা শেষে মধ্যশিক্ষা পর্যদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়  চটজলদি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করে এই প্রশ্ন ফাঁসের কিনারা করার আর্জি জানান। কিন্তু তারপর দ্বিতীয় দিনেও প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা সংকটে ফেলে দিল নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে। এদিন পরীক্ষা শুরুর আধঘণ্টার মধ্যে হোয়াটস অ্যাপে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে হু-হু করে। রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। খতিয়ে দেখা হচ্ছে ওই প্রশ্নপত্র আসল কি না। প্রথম দিনের পরীক্ষা শেষে  বিধাননগর  সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পর্যদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমরা চাই কী করে এই ঘটনা ঘটল তা প্রকাশ্যে আসুক। যদি কেউ প্রশ্নপত্র ফাঁসে যুক্ত থাকে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এদিন ফের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পরিক্ষাত্রীর অবিভাবকরা রীতিমত শঙ্কিত। এদিকে এই ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী মধ্যশিক্ষা পর্যদের পাশে দাঁড়িয়ে আজ এক   সাংবাদিক বৈঠকে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। পার্থবাবু বলেন, "পরপর দু'দিন মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে নানারকম ছবি দেখানো হচ্ছে। তাতে আমার মনে হয় আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা কলুষিত হয়েছে। কোনও কিছু নেই একটা দেখিয়ে দিলাম। এটা প্রত্যেকবারই দেখি। কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমের অতি সক্রিয়তার জন্য এই জিনিসটা আরও সংক্রমিত। এজন্য পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কর্তাদের গাফিলতিকেই দায়ি করল শিক্ষক সংগঠন। আজ বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মী সংগঠনের সহ সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, "মধ্যশিক্ষা পর্ষদ যে অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কাজ করছে, এটা তারই ফল। সরকার বলছে এক, আর কাজ হচ্ছে এক।

  • সিবি আইয়ের জেরা চারদিন অতিক্রান্ত তবুও রেহাই পেলেন না রাজীব কুমার, জেরা আরও চলবে জানাল সিবি আই ।

    ডেস্ক, ১২ই ফেব্রুয়ারীঃ দীর্ঘ চার দিন ধরে কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে জেরা করেও অনেক প্রশ্ন সি বি আইয়ের অফিসারদের কাছে এখনও পরিষ্কার হয়নি বলে রেহাই পেলেন না তিনি। আবার আগামীকাল তাকে জেরা করা হবে বলে সিবি আই সূত্রের খবর। পঞ্চম দিনেও তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হবে। গত চারদিনে ধরে জেরা করার পর  এখনও বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর  তারা পাননি বলে সূত্রের খবর। সেই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে তারা আরও জেরা করতে চান রাজীব কুমারকে। সিবিআই  সূত্রে আরও জানা যায়  সারদা তদন্তের প্রশ্ন শেষ হলে  রোজভ্যালি সংক্রান্ত মামলার তদন্ত শুরু হবে কারন ইতিমধ্যে রোজভ্যালির তদন্তকারী আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত হয়েছেন।   স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে রাজীবকুমার কবে রেহাই পাবেন ।  শনিবার থেকে রাজীব কুমারকে জেরা শুরু করেছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। ১০ জনের টিম দফায় দফায় জেরা করে। রবিবার ও সোমবার তাঁকে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষের সঙ্গ মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়। তারপর মঙ্গলবার রাজীব কুমারকে ৯ ঘণ্টা জেরা করা হয়। এরপর সিবিআই জানিয়ে দিয়েছে বুধবারও তাঁকে জেরা করা হবে। উল্লেখ্য, কুণাল ঘোষ বহু  তথ্য-প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ এনেছেন চিটফান্ড-কাণ্ডে। এদিন ফের রাজীবের  বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে গিয়েছেন সিবিআইয়ের কাছে। তারপর কুণাল ঘোষ আর রাজীব কুমারের জবাবের বিস্তর ফারাক। সেসবও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিবিআই মনে করছে এখনও সিট সংক্রান্ত অনেক প্রশ্নের উত্তর পেতে হবে তাদের। তাই বয়ান রেকর্ড ছাড়া আর পথ খোলা নেই, জেরা চালিয়ে যাওয়া সেই কারণেই।    

  • মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর প্রথম দিনেই প্রশ্নপত্র ফাঁস, সোশ্যাল মিডিয়ায় হুবহু এক প্রশ্নপত্র

    কলকাতা  ১২  ফেব্রুয়ারিঃ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর  প্রথম দিনেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠে পড়ল । পরীক্ষা শুরুর পরই  এই প্রশ্নপত্র  সোশ্যাল মিডিয়া ছড়িয়ে পড়ে ।  এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর দেখা যায়, আসল প্রশ্নের সঙ্গে মিল রয়েছে ওই প্রশ্নপত্রের।  জানা যায় যে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এই ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের ছবি দেখতে পাওয়া যায় । প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার বিষয়টির খোজ খবর  শুরু করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। গতবছর ও স্কুলের ভিতর থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়। তা নিয়ে রাজ্য উত্তাল হয়। এবার তাই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছিল পর্যদ।  তারপরও ঘটে গেল প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা। তাহলে কি ধরে নিতে হবে সর্ষের মধ্যে ভূত এ প্রশ্ন অভিবাবকদের ( ছবিতে বাঁদিকে আসল প্রশ্নপত্র, ডানদিকে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়ানো প্রশ্নপত্র)  

  • এই বৎসর মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গতবারের চেয়ে কম, কিন্তু ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি!

    কলকাতা,১১ ফেব্রুয়ারি :  আগামীকাল থেকে  শুরু হচ্ছে এ বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষা চলাকালীন যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর  ঘটনা না ঘটে তার জন্য নিশ্ছিদ্র ব্যবস্থা নিয়েছে  প্রশাসন।  বিগত  কয়েক বছরের ন্যায় মাধ্যমিক পরীক্ষা ঘিরে গণ টোকাটুকির ঘটনা  বন্ধ  করতে  সমস্ত ধরনের ব্যবস্থা করে রেখেছে পর্ষদ।  এ  প্রবণতায় রাশ টানতে ছাত্রছাত্রীদের মোবাইল  নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র  প্রবেশ  বন্ধ হয়েছে  আগেই। এবার আরও কড়া হল  নিয়ম। এখন থেকে  পড়ুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষক- পরীক্ষকরাও  মোবাইল নিজেদের সঙ্গে  রাখতে পারবেন না।  পরীক্ষা শুরুর আধ ঘণ্টা আগে মোবাইল জমা দিতে  হবে সরকারি  আধিকারিককে। এ কথা  জানান পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়।  প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে একজন সরকারি আধিকারিক থাকছেন। কেন্দ্রটিতে  পরীক্ষা সুষ্ঠূ ভাবে  শেষ করা  তাঁর দায়িত্ব। তাই পরীক্ষা কেন্দ্রের ব্যাপারে  তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হতে চলেছে বলে পর্ষদ জানিয়েছে। সভাপতি জানান  কেউ  যদি এই  নিয়মের পালন  না  করেন  তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে  শৃঙ্খলা  ভঙ্গের অভিযোগ  আনা হবে। পড়তে  হবে  শাস্তির মুখে।  পর্ষদ সভাপতি সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, আরও  জানান, ছাত্রীদের সংখ্যা বাড়লেও মাধ্যমিক মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গতবারের চেয়ে এবার কম।তবে বাড়ছে পরীক্ষকের সংখ্যা। মাধ্যমিকে ছাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে ১৩ শতাংশের বেশি। তিনি জানান, ১১.৫৫-য় প্রশ্নপত্র হাতে পাবে পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষা শুরু হবে ১২টা থেকে। আর পরীক্ষা শেষ হবে বিকেল তিনটেয়।  একইসঙ্গে তিনি জানান, অ্যাডমিট কার্ড হারালে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানাতে হবে। কোনও পরীক্ষার্থী আহত হলে, তার জন্য রাইটার থাকবে। আর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়া নিয়ে পর্ষদ সভাপতি বলেন, জন্মহার কমে যাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমার অন্যতম কারণ হতে পারে। আমরা স্বাস্থ্য দফতরের এমন একটা রিপোর্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, আর অনেক কারণ থাকতে পারে, সেসব গবেষণা সাপেক্ষ। যদিও এই পরীক্ষার্থীর হার কমে যাওয়া উদ্বেগের নয় বলে জানিয়েছেন। আমরা মাধ্যমিক পরীক্ষাকে সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে সমস্তরকম ব্যবস্থা নিয়েছি।

  • আবার বড়বাজারে আগুন এবার কাপড় পট্টীতে

    ডেস্ক, ১০ই ফেব্রুয়ারীঃ আবার কলকাতা শহরে বিধ্বংসী আগুন। পুড়ে ছাই হয়ে গেল বড়বাজারে একটি কাপড়ে গুদাম৷ রবিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ আগুন লাগে৷ঘটনাস্থলে যায় দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে হতাহতের কোনও খবর নেই। কীভাবে আগুন লাগল তা খতিয়ে দেখছে দমকল। ৷দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু জানিয়েছেন, আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে৷ এই অগ্নিকান্ডে কোনও হতাহতের খবর নেই৷ তবে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে৷ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি৷ বড়বাজারে বাগরি মার্কেটের পর ফের আগুন লাগল বড়বাজারে৷ ১৮৬ নম্বর যমুনালাল বাজার স্ট্রিটে দোতলার একটি কাপড়ের গুদামে আগুন লাগে৷ প্রচুর কাপড় মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা গুদামে৷ আশপাশের গুদামেও আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়৷ তার আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে আসা৷ ব্যাবসায়ীদের প্রশ্ন বারে বারে কেন বড়বাজারে আগুন

  • আগামীকাল দ্বিতীয় দফা জেরার মুখোমুখি হতে চলেছেন রাজীব কুমার,সিবিআইয়ের স্পেশাল টিমের কাছে।

    ডেস্ক, ৯ই ফেব্রুয়ারীঃ সারদা-কান্ডে আবার দ্বিতীয় দফায় জেরার মুখোমুখি হতে চলেছেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার। সূত্রের খবর  আগামীকাল রবিবার আবার  রাজীব কুমারকে জেরা করবে সিবিআই। এবার শুধু রাজীব কুমার একা  নয়। জেরা করা হবে তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ কুণাল ঘোষকে। কুণাল ঘোষ এবং রাজীব কুমারকে একসঙ্গে বসিয়ে জেরা করতে পারে সিবিআই। সূত্রে আরও জানা গেছে এবার  রাজীব কুমারকে জেরা করতে সিবিআইয়ের স্পেশাল টিম আগামীকাল রবিবার শিলংয়ে পৌঁছবে । সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে আজ শনিবার সকাল থেকে দফায় দফায় রাজীব কুমারকে জেরা করে সিবিআই।প্রায় চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা তাকে জেরা করা হ্য।এছাড়াও  এদিন তাঁর বয়ান সম্পূর্ণ রেকর্ড করা হয়েছে । আরও জানা গেছে এদিন জেরার আগে রাজীব কুমারের জন্যে ২২ পাতার একটি প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়। প্রায় ৪০টা প্রশ্ন পুলিশ কমিশনারের কাছে রাখা হয় । এদিন জিজ্ঞাসাবাদের আগে রাজীব কুমারের সাথে মুরলীধরন, জাভেদ শামিম শিলংয়ে সিবিআই দফতরে পৌঁছন। কিছুক্ষণ পরে রাজীব কুমারের আইনজীবীও সেখানে পৌঁছান । জিজ্ঞাসাবাদের  সময় তাঁর আইনজীবী সেখানে উপস্থিত থাকতে চান কিন্তু সিবিআই আধিকারিকরা তার  আবেদন না মঞ্জুর করেন। এরপর তাঁর আইনজীবী অনুরোধ করেন, মঙ্গলবার ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে যেহেতু মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে সেই সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ কমিশনারের কলকাতায় থাকা প্রয়োজন। তাই জিজ্ঞাসাবাদের পর্ব দ্রুত শেষ করার জন্য সিবিআইয়ের কাছে আবেদন জানান।