কলকাতা

  • কলকাতায় আমরা চিত্রপ্রেমী"-র উদ্যোগে বসন্ত উৎসব

    :--কলকাতা,রাজকুমার দাস, ২০ মার্চঃ-শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশন এর কাছে ৮ নং ওয়ার্ডের মধ্যে শ্যাম পার্কে আমরা চিত্রপ্রেমী একটি ফটোগ্রাফি ক্লাব এর তরফ থেকে হয়ে গেল এক রাঙাময় বসন্ত উৎসব। রবীন্দ্র নৃত্য, গান ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে কোনো জাতি ভেদাভেদ না করে সর্ব ধর্মের সমন্বয় বাচ্চা থেকে বয়স্ক, পুরুষ এবং মহিলা সবাই বসন্তের আঙিনায় উৎসবে মাতোয়ারা ছিলেন, প্রায় হাজার খানেক মানুষ একত্রিত হয়েছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ৮ নং ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধি পার্থ মিত্র ও বোরো ৩ এর চেয়ারম্যান অনিন্দ্য রাউত। এটা এই সংগঠনের চতুর্থতম বর্ষ। অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখানো হয় সাধনা নিউজ টিভি চ্যানেলে। এই ক্লাবের মূল উদ্যোক্তা রাজীব মুখার্জী সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন আমরা উদ্যোক্তারা নিজেদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং সদস্যদের উদ্দীপনা, ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই অনুষ্ঠানটা করে থাকি এবং কোনো সদস্য বা অতিথিদের থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয়না, স্বইচ্ছায় কেউ কেউ দিয়ে থাকে এরমধ্যে কোনো কিছু বাধ্যতামূলক নয়। এখন এই সংগঠনটির প্রায় ১২০০ ওপরে সদস্য সংখ্যা, যারা ফটোগ্রাফি শিখতে চায় তাদেরকে তারা বিনামূল্যে ফটোগ্রাফি শেখায়।

  • হোলি উৎসব মানেই কি রঙ বা আবীর ? কি ভাবে এলো এই উৎসব ? হোলি উতসবের পেছনে কি আছে ধার্মিক তথ্য ?

    সুতপা অধিকারী ঃ হোলি উৎসবে সাধারণত রঙ বা আবির(এক ধরনের গুড়ো রং) নিয়ে একে অন্যের গাঁয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু কি ভাবে এলো এই উৎসব ? হোলি উতসবের পেছনে কি আছে ধার্মিক তথ্য ? এই সব নিয়েই আমাদের এই প্রতিবেদন ! স্কন্দপুরাণ গ্রন্থের ফাল্গুনমাহাত্ম্য গ্রন্থাংশে হোলিকা ও প্রহ্লাদের উপাখ্যান বর্ণিত হয়েছে। হোলিকা ছিলেন মহর্ষি কশ্যপ ও তাঁর পত্নী দিতির পুত্র হিরণ্যকশিপুর ভগিনী। ব্রহ্মার বরে হিরণ্যকশিপু দেব ও মানব বিজয়ী হয়ে দেবতাদের অবজ্ঞা করতে শুরু করেন। ভক্ত প্রহ্লাদ অসুর বংশে জন্ম নিয়েও পরম ধার্মিক ছিলেন। তাঁকে যখন বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও হত্যা করা যাচ্ছিল না তখন হিরণ্যকিশপুর বোন হোলিকা প্রহ্লাদকে কোলে নিয়ে আগুনে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন। কারণ হোলিকা এই বর পেয়েছিল যে আগুনে তার কোন ক্ষতি হবে না। কিন্তু অন্যায় কাজে শক্তি প্রয়োগ করায় হোলিকা প্রহ্লাদকে নিয়ে আগুনে প্রবেশ করলে বিষ্ণুর কৃপায় প্রহ্লাদ অগ্নিকুণ্ড থেকেও অক্ষত থেকে যায় আর ক্ষমতার অপব্যবহারে হোলিকার বর নষ্ট হয়ে যায় এবং হোলিকা পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়, এই থেকেই হোলি কথাটির উৎপত্তি। অন্যদিক বসন্তের পূর্ণিমার এই দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কেশি নামক অসুরকে বধ করেন। কোথাও কোথাও অরিষ্টাসুর নামক অসুর বধের কথাও আছে। অন্যায়কারী, অত্যাচারী এই অসুরকে বধ করার পর সকলে আনন্দ করে। এই অন্যায় শক্তিকে ধ্বংসের আনন্দ মহাআনন্দে পরিণত হয়। দোলযাত্রা বা হোলি উৎসব সংক্রান্ত পৌরাণিক উপাখ্যান ও লোককথাগুলি মূলত দুই প্রকার: প্রথমটি দোলযাত্রার পূর্বদিন পালিত বহ্ন্যুৎসব হোলিকাদহন বা নেড়াপোড়া সংক্রান্ত, এবং দ্বিতীয়টি রাধা ও কৃষ্ণের দোললীলা বা ফাগুখেলা কেন্দ্রিক কাহিনী। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোলপূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির বা গুলাল নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সহিত রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়। দোলযাত্রার দিন সকালে তাই রাধা ও কৃষ্ণের বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নাত করে দোলায় চড়িয়ে কীর্তনগান সহকারে শোভাযাত্রায় বের করা হয়। এরপর ভক্তেরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রং খেলেন। দোল উৎসবের অনুষঙ্গে ফাল্গুনী পূর্ণিমাকে দোলপূর্ণিমা বলা হয়। আবার এই পূর্ণিমা তিথিতেই চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম বলে একে গৌরপূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়। অঞ্চল ভেদে হোলি বা দোল উদযাপনের ভিন্ন ব্যাখ্যা কিংবা এর সঙ্গে সংপৃক্ত লোককথার ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু উদযাপনের রীতি এক ।বাংলায় আমরা বলি ‘দোলযাত্রা’ আর পশ্চিম ও মধ্যভারতে ‘হোলি’,। রঙ উৎসবের আগের দিন ‘হোলিকা দহন’ হয় অত্যন্ত ধুমধাম করে । শুকনো গাছের ডাল, কাঠ ইত্যাদি দাহ্যবস্তু অনেক আগে থেকে সংগ্রহ করে সু-উচ্চ একতা থাম বানিয়ে তাতে অগ্নি সংযোগ করে ‘হোলিকা দহন’ হয় । পরের দিন রঙ খেলা । বাংলাতেও দোলের আগের দিন এইরকম হয় যদিও তার ব্যাপকতা কম। দোলযাত্রা উৎসবের একটি ধর্মনিরপেক্ষ দিকও রয়েছে। এই দিন সকাল থেকেই নারীপুরুষ নির্বিশেষে আবির, গুলাল ও বিভিন্ন প্রকার রং নিয়ে খেলায় মত্ত হয়। শান্তিনিকেতনে বিশেষ নৃত্যগীতের মাধ্যমে বসন্তোৎসব পালনের রীতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময়কাল থেকেই চলে আসছে। দোলের পূর্বদিন খড়, কাঠ, বাঁশ ইত্যাদি জ্বালিয়ে এক বিশেষ বহ্ন্যুৎসবের আয়োজন করা হয়। যেহেতু উৎসবটি রং নিয়েই তাই কিশোর এবং তরুণদের মধ্যে রঙের প্যাকেট একটি উল্লেখযোগ্য উপহার। এই উৎসবের তাৎপর্য একে অন্যের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সবচেয়ে ভালো উপায় পছন্দের মানুষকে মিষ্টি মুখ করানো। হিন্দু ধর্মের কোনো কোনো গোত্র এই দিনে বিবাহিত মেয়েকে এবং মেয়ের জামাইকে নতুন কাপড় উপহার দেয়। হোলির আগের দিন শ্রীকৃষ্ণের পূজা করা হয়। তখন শুকনো রং ছিটানো হয়। এই হোলির জন্য শাঁখারি বাজারে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার রং আবির এবং বিভিন্ন ওয়াটার গান বিক্রি হয়। হোলির আগের দিন কেবল পরিচিতদের মধ্যেই শুকনো রং ছিটানো হয়। বিভিন্ন ধরনের দেশি-বিদেশি রঙের পসরা নিয়ে বসে দোকানিরা। হোলি খেলার দিন তাঁতিবাজার, সুতারনগর, শাঁখারিবাজার, গোয়ালনগর, রায়সাহেব বাজার, ঝুলবাড়িসহ আরো কিছু কিছু পাড়া বাজারের দোকানগুলো হোলি খেলার সময়ে বন্ধ থাকে। কেউ কেউ হোলি না খেললেও জানালার পাশে দাঁড়িয়ে অথবা বাড়ির ছাদে উঠে উপভোগ করেন হোলি খেলা। অনেকে বিশ্বাস করে এই রঙ খেলার মাধ্যমে নিজেদের সব অহংকার, ক্রোধ যেনো শেষ হয়ে যায় এবং সকলে মিলেমিশে উপভোগ করে এই হোলি উৎসব বা দোল পূর্ণিমা। যা একটি আনন্দের উৎসব ।  

  • কংগ্রেসের জেতা আসনে প্রার্থী না দিয়ে সৌজন্য দেখালো বামফ্রন্ট !পাশাপাশি দ্বিতীয় দফায় ১৩ জনের নাম ঘোষনা করল

    ডেস্ক, ১৯ শে মার্চঃ কংগ্রেসের সাথে সমাঝোতার রাস্তা খোলা রেখে  জন্য  বামফ্রন্ট ১৭ আসন ছেড়ে রেখে আগে ২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছিল । এর ফলে কংগ্রেস  অপমানিত বোধ করে  একলা লড়ার বার্তা দিয়েছিল। তারপরই বাকি ১৭ আসনের মধ্যে ১৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল সিপিএম। তবে কংগ্রেসের জেতা চারটি আসনে প্রার্থী না দিয়ে বামফ্রন্ট  বুঝিয়ে দিল , তাঁরা কোনওভাবেই জোট ভাঙার দায় নেবে না। বিতীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বিমান বসু বলেন, আমরা এখনও সৌজন্য বজায় রেখে কংগ্রেসের জেতা চারটি আসনে প্রার্থী দিইনি। এখনও ফাঁকা রেখেছি। তার মানে এই নয় যে ভবিষ্যতে দেব না। কংগ্রেস কিন্তু আমাদের জেতা দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। সোমবার রাতে কংগ্রেসের ঘোষিত ১১ জনের তালিকায় রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদের প্রার্থীর নামও রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা চেয়েছি বিজেপি ও তৃণমূল বিরোধী ভোট এক জায়গায় রাখতে। সে জন্যই ৪২ আসনে একেবারে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা না করে ধাপে ধাপে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ  করলাম। উল্লেখ্য, প্রথম দফায় ২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। এরপর বামফ্রন্ট দ্বিতীয় তালিকাও প্রকাশ করে দিল। ফলে বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট ভেস্তেই গেল। বামফ্রন্টের তরফে বিমান বসু জানিয়েছেন, তাঁরা ১৩ আসনে প্রার্থী দিচ্ছেন। কংগ্রেসের জেতা চার আসনে তাঁরা এখনও প্রার্থী দিচ্ছেন না। দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকাঃ - ১)কলকাতা উত্তর - কনীনিকা ঘোষ, ২) বাঁকুড়া- অমিয় পাত্র, ৩) শ্রীরামপুর- তীর্থঙ্কর রায়, ৪) মথুরাপুর - শরৎ হালদার, ৫) ঝাড়গ্রাম- দেবলীনা হেমব্রম, ৬) কৃষ্ণনগর- শান্তনু ঝা, ৭) দার্জিলিং -সমন পাঠক, ৮) হাওড়া- সুমিত অধিকারী, ৯) বারাকপুর - গার্গী চট্টোপাধ্যায়, ১০) বোলপুর- রামচন্দ্র ডোম, ১১) তমলুক- শেখ ইব্রাহিম, ১২) আসানসোল- গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায় ১১) কাঁথি- পরিতোষ পট্টনায়ক

  • অবশেষে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে মালদায় রাহুল গান্ধির জনসভার জটিলতা কাটল।

    মালদা, ১৯ মার্চঃ মালদা, ১৯ মার্চ : অবশেষে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপে মালদায় রাহুল গান্ধির জনসভার জটিলতা কাটল।কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধি মালদায় নির্বাচনী প্রচারে আসছেন । শনিবার চাঁচলের কলমবাগানে এই জনসভা হবে। রাজ্যে এটাই তাঁর প্রথম নির্বাচনী জনসভা। ইতিমধ্যে জেলা কংগ্রেসের তরফে কলমবাগানে  মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।  গতকাল চাঁচলে সাংবাদিক বৈঠকে জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোস্তাক আলম  অভিযোগ করেছিলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধির জনসভা ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করছে জেলা প্রশাসন।  তিনি বলেছিলেন ,প্রশাসনের বিরুদ্ধে  আমরা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানোর সঙ্গে সঙ্গে আদালতের দ্বারস্থ হব।অবশেষে নির্বাচন কমিশন হস্তক্ষেপ করে জটিলতা কাটালো।  মোস্তাক আলম বলেন, প্রথমে এই সভা হওয়ার কথা ছিল ১৫ মার্চ। কিন্তু হেলিপ্যাড সহ আরও কিছু সমস্যার জন্য সভা ৭ দিন পিছিয়ে যায়।  ২৩ মার্চ রাহুল গান্ধির সভার অনুমতির জন্য  আমরা প্রথমে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ জেলাশাসকের সাথে যোগাযোগ করি। । তিনি জানান , এই সভার যাবতীয় অনুমতি মহকুমাশাসকই দেবেন। এরপর আমরা চাঁচলের মহকুমাশাসকের কাছে সেই আবেদনপত্র জমা দিই। তিনি অনুমতি দিয়েছেন। তবে তাঁর শর্ত ছিল, রাহুল গান্ধির জনসভায় মাইক ব্যবহার করা যাবে না।  এর কারণ জানতে চাইলে মহকুমাশাসক জানান, এর  আগে হবিবপুর ব্লকে বহুজন মুক্তি পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল সভা করার জন্য আবেদন জানিয়েছিল। কোনও পরীক্ষার তিনদিন আগে থেকে কোনও মাইক বাজানো যাবে না। এই যুক্তিত্তে ২০০৯-র একটি অর্ডার  দেখিয়ে ওই দলটিকে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। আমাদের বক্তব্য  মুর্শিদাবাদে রাজ্য সরকারের দুই মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ফিরহাদ হাকিম এবং অনুব্রত মণ্ডল জনসভা করেছেন। গতকাল উত্তর দিনাজপুরে রাজ্য বামফ্রন্টের সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র সভা করেছেন। ২৫ মার্চ আলিপুরদুয়ারে মুখ্যমন্ত্রী সভা করতে যাচ্ছেন।  এই সব ঘটনা দেখে  আমরা মনে করছি, রাজ্য সরকার ও তৃণমূল একজোট হয়ে মালদায় রাহুল গান্ধির সভা বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। অন্য জেলাগুলিতে মন্ত্রীরা মাইক বাজিয়ে সভা করতে পারলে মালদায় রাহুল গান্ধির সভা হবে না কেন? আমরা লিখিতভাবে প্রশাসনকে জানিয়ে দিয়েছি, চাঁচল মহকুমায় এখন কোনও পরীক্ষা নেই। তবুও প্রশাসন মাইক বাজিয়ে সভা করার অনুমোদন দিচ্ছে না। প্রশাসনের এই ষড়যন্ত্রের কথা আমরা আগামীকালই নির্বাচন কমিশনকে জানাব।"     তিনি আরও বলেন, "পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এক মন্ত্রী  মালদায় এসে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের উপর চাপ তৈরি করছেন। এই ঘটনার আমরা তীব্র প্রতিবাদ করেছি। সংবাদমাধ্যমের মধ্যমে আমরা গোটা ঘটনা রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিক ও জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নজরে আনতে চাইছি। CBSE পরীক্ষা সারা দেশেই চলছে। শুধু মালদা জেলায় এই পরীক্ষা হচ্ছে না। রাহুলজি অন্য জায়গায় প্রতিদিনই সভা করছেন। অন্য নেতারাও সভা করছেন। কিন্তু কোথাও কোনও সমস্যা হচ্ছে না। আসলে মালদা কংগ্রেসের শক্ত জমি। সেকারণেই শাসকদল প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে এই নাটক শুরু করেছে।" কংগ্রেসের রাজ্য  কমিটির সদস্য শুভঙ্কর সরকার বলেন, " ভারতবর্ষে যে অরাজক অবস্থা  চলছে তার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন রাহুল গান্ধি। এছাড়াও  পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল যে অরাজকতা চালাচ্ছে, তার বিরুদ্ধেও আমাদের লড়াই।  সেকারণে রাহুল গান্ধিকে বিরোধীরা ভয় পাচ্ছে। রাহুল গান্ধি যাতে উত্তর মালদায় এসে সভা করতে না পারে তার একটা চেষ্টা চলছিল। আমরা নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। অবশেষে আমরা সভায় মাইক ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছি।"  

  • কংগ্রেসের সাথে সমাঝোতার রাস্তা খোলা রেখে বামফ্রন্ট আংশিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল

    Newsbazar24, ডেস্ক, ১৫ মার্চঃ কংগ্রেসের জন্য আর দেরী না করে সমাঝোতার রাস্তা খোলা রেখে কংগ্রেসের জন্য ১৭টি আসন ছেড়ে  দিয়ে বামফ্রন্ট আংশিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল। শুক্রবার বামফ্রন্টের বৈঠকের পর লোকসভার ২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বামফ্রণ্ট। প্রসঙ্গত রায়গঞ্জ-মুর্শিদাবাদের দাবি কংগ্রেস ছেড়ে দিলেও এখনও জোট-জট কাটেনি। ইতিমধ্যে নির্বাচন ঘোষণার পরেই  তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে প্রথম ৪২ আসনেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে । বিজেপি এখনও প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে সক্ষম হয়নি। বামফ্রন্ট ১৩ মার্চ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার কথা জানিয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের সঙ্গে জোট-জট কাটাতে না পেরেই এই বিলম্ব বলে জানানো হয়েছে বামফ্রন্টের তরফে। আজকের প্রকাশিত তালিকায় সি পি এম প্রার্থী দিয়েছে-১৬ টি, ফরওয়ার্ড ব্লক- ৩, আরএসপি-৩,সি পি আই-৩টি আসনে:-        এখন দেখে নেওয়া যাক এদিন বামফ্রন্টের তরফে প্রকাশিত  আংশিক প্রার্থী তালিকাঃ *কোচবিহার গোবিন্দ রায় (ফরওয়ার্ড ব্লক)  *আলিপুরদুয়ার মিলি ওঁরাও (আরএসপি)  *জলপাইগুড়ি ভগীরথ রায় (সিপিএম)  * রায়গঞ্জ মহম্মদ সেলিম (সিপিএম)  *বালুরঘাট  রণেন বর্মন (আরএসপি) *মুর্শিদাবাদ বদরুদ্দোজা খান (সিপিএম) *রানাঘাট রমা বিশ্বাস (সিপিএম) *বনগাঁ অলোকেশ দাস (সিপিএম) *দমদম নেপালদেব ভট্টাচার্য (সিপিএম) *বারাসত হরিপদ বিশ্বাস (ফরওয়ার্ড ব্লক) *বসিরহাট পল্লব সেনগুপ্ত (সিপিআই)* জয়নগর সুভাষ নস্কর (আরএসপি) *ডায়মন্ড হারবার ফুয়াদ হালিম (সিপিএম) *যাদবপুর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (সিপিএম) *দক্ষিণ কলকাতা নন্দিনী মুখোপাধ্যায় (সিপিএম) *উলুবেড়িয়া মাকসুদা খাতুন (সিপিএম) *হুগলি প্রদীপ সাহা (সিপিএম) *আরামবাগ শক্তিমোহন মালিক (সিপিএম) *ঘাটাল তপন গঙ্গোপাধ্যায় (সিপিআই)* মেদিনীপুর বিপ্লব ভট্ট (সিপিআই) *পুরুলিয়া বীর সিং  মাহাতো (ফরওয়ার্ড ব্লক) *বিষ্ণুপুর সুনীল খাঁ (সিপিএম) *বর্ধমান পূর্ব ঈশ্বরচন্দ্র দাস (সিপিএম) *বর্ধমান-দুর্গাপুর আভাস রায়চৌধুরী (সিপিএম) *বীরভূম ডা. রেজাউল করিম (সিপিএম) (উপরের ছবিতে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছেন এবং নীচের ছবিতে বামফ্রন্ট-র বৈঠকের ছবি)  

  • আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ৪২ কেন্দ্রেই প্রার্থী ঘোষনা এসইউসির

    বিশেষ সংবাদদাতা, ১৪ই মার্চঃ  রাজ্যের ৪২ টি লোকসভা কেন্দ্রেই প্রার্থী দিল এসইউসিআই। বিভিন্ন ইস্যু ভিত্তিক কর্মসূচিতে সিপিএম সহ বামফ্রন্টের সঙ্গে এসইউসিআইকে দেখা গেলেও ভোট ময়দানে জোটে যাচ্ছে না শিবদাস ঘোষের পার্টি। এসইউসিআইয়ের মতে সামান্য কয়েকটা আসনের জন্য সিপিএম-সিপিআই সংগ্রামী বামপন্থার রাস্তা পরিত্যাগ করে লজ্জাজনক ভাবে কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে। বিজেপি এবং কংগ্রেসকে একই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ বলে মনে করেন এসইউসিআই নেতারা। বুধবার এসইউসিআই দফতরে সাংবাদিক সম্মেলন করে দলীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষনা করেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রভাস ঘোষ। শুধু এরাজ্যেই নয়, অসম, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ,  কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, ছত্তিশগড়, দিল্লি, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, ঝাড়খন্ড সহ  দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ১১৯ টি কেন্দ্রে প্রতিন্দন্দ্বীতা করবে এসইউসিআইয়ের প্রার্থীরা। বুধবার তা জানিয়ে দেন প্রভাস ঘোষ।

  • তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেন

     Newsbazar24: ডেস্ক,১২ মার্চঃ পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2019 ) প্রার্থী তালিকা  ঘোষণা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরনো সাংসদদের মধ্যে  দশ জনকে এবার বাদ দেওয়া হল । তাঁদের জায়গায়  নতুন মুখ নিয়ে আসা হয়েছে । তিনি  বলেন  প্রার্থী তালিকার মধ্যে ৪১ শতাংশই মহিলা। শুধু এ রাজ্য নয় রাজ্যের বাইরেও লড়বে  তৃণমূল। এক নজরে দেখে নিন বাংলার  কোন  আসন  থেকে  কার ভাগ্যে শিকা ছিড়ল কেন্দ্র -            প্রার্থী    ১) কোচবিহার- পরেশ চন্দ্র অধিকারী ২)আলিপুরদুয়ার- দশরথ তিরকে ৩) জলপাইগুড়ি- বিজয়চন্দ্র  বর্মণ ৪) দার্জিলিং- অমর সিং রাই ৫) রায়গঞ্জ- কানাইয়ালাল আগরওয়াল ৬) বালুরঘাট- অর্পিতা ঘোষ ৭) মালদা উত্তর- মৌসম নূর 8) মালদা দক্ষিণ- ড: মোয়াজ্জেম হোসেন  ৯) জাঙ্গিপুর- খলিলুর রহমান  ১০) বহরমপুর- অপূর্ব সরকার  ১১) মুর্শিদাবাদ- আবু তাহের খান ১২) কৃষ্ণনগর- মহুয়া মৈত্র ১৩) রানাঘাট- রূপালি বিশ্বাস  ১৪)বনগাঁ- মমতাবালা ঠাকুর  ১৫) বারাকপুর- দীনেশ ত্রিবেদী  ১৬) দমদম- সৌগত রায় ১৭) বারাসত- কাকলি ঘোষ দস্তিদার  ১৮) বসিরহাট- নুসরত জাহান  ১৯) জয়নগর- প্রতিমা মণ্ডল  ২০) মথুরাপুর- চৌধুরি মোহন জাটুয়া   ২১) ডায়মন্ড হারবার- অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়   ২২) যাদবপুর- মিমি চক্রবর্তী   ২৩)কলকাতা দক্ষিণ- মালা রায়   ২৪)কলকাতা উত্তর- সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়  ২৫) হাওড়া- প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়  ২৬)উলুবেড়িয়া- সাজদা আহমেদ  ২৭)শ্রীরামপুর- কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়  ২৮)হুগলি- ড: রত্না দে নাগ   ২৯)আরামবাগ- অপরূপা পোদ্দার   ৩০) তমলুক- দিব্যেন্দু অধিকারী   ৩১)কাঁথি- শিশির অধিকারী   ৩২)ঘাটাল- দীপক অধিকারী (দেব)  ৩৩) ঝাড়গ্রাম- বীরবাহা সোরেন ৩৪)মেদিনীপুর- মানস ভুঁইয়া  ৩৫)পুরুলিয়া- ড: মৃগাঙ্ক মাহাত  ৩৬) বাঁকুড়া- সুব্রত মুখোপাধ্যায়  ৩৭) বিষ্ণুপুর- শ্যামল সাঁতরা  ৩৮)বর্ধমান পূর্ব-  সুনীল মণ্ডল  ৩৯)বর্ধমান দূর্গাপুর- সংঘমিত্রা মমতাজ  ৪০)আসানসোল- মুনমুন সেন  ৪১)বোলপুর- অসিত মাল  ৪২)বীরভূম- শতাব্দী রায়  

  • আজ বিকেলে রাজ্যের প্রার্থী তলিকা নিয়ে দিল্লিতে আলোচনায় বসছেন অমিত শাহ। সন্ধ্যায় ঘোষণা

    News Bazar24 :আজ সোমবার দিল্লিতে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে প্রার্থী তলিকা নিয়ে আলোচনায় বসছেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। ওই বৈঠকে থাকবেন অমিত শাহ ও কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। থাকছেন দিলীপ ঘোষ সহ রাজ্যের ৪ শীর্ষ নেতা। বিজেপি সূত্রে খবর, আজ সন্ধ্যে সাড়ে সাতটার পর দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে ওই বৈঠক হবে। ইতিমধ্যেই প্রার্থীদের একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। উল্লেখ্য, রাজ্যের কৃষ্ণ নগর ও উত্তর মালদা এই দুটি আসনের দিকে চোখ আছে খোদ অমিত শাহর, বাকি আসন গুলোর জন্য খোসরা তালিকার দিকে নজর দেওয়া হবে। সেই তালিকা ধরেই কাটাছেঁড়া করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। করা হবে প্রয়োজনীয় দরকষাকষি। এনিয়ে স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য নেতাদের মতামতও নেওয়া হবে। সম্প্রতি দেশের তিন রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর পর কিছুটা অস্বস্তিতে বিজেপি। সেকথা মাথায় রেখেই লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ওপরে জোর দিচ্ছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। ফলে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা নিচ্ছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। পুরোটাই রাজ্য নেতাদের ওপরে ছেড়ে দেওয়া হয়নি। মতামত নেওয়া হবে আর এস এস এর ও, এই তথ্য গুলো জানা গেছে এক সূত্র থেকে।

  • :সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের কবে কোথায় ভোট দেখুন।

    ডেস্ক , ১০ মার্চ :সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গেল। আজ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা ঘোষনা করেন   সাত দফাতেই ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গে । এক নজরে দেখে নিন  কোথায় কবে হবে নির্বাচন। প্রথম দফায় ১১ই এপ্রিলঃ কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার দ্বিতীয় দফায়  ১৮ শে এপ্রিলঃ দার্জিলিং, রায়গ্নজ,জলপাইগুড়ি তৃতীয় দফা ২৩শে এপ্রিলঃ মালদা উত্তর,মালদা দক্ষিন, বালুরঘাট, জঙ্গীপুর, মুর্শিদাবাদ    চতুর্থ দফা ২৯ শে এপ্রিলঃ বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট,বোলপুর, পূর্ব বর্ধমান,আসানসোল, দুরগাপুর, বীরভুম   পঞ্চম দফা ৬ই মেঃ উলুবেড়িয়া, বনগাঁ, হুগলি,বারাকপুর, শ্রীরামপুর,আরামবাগ,  হাওড়া   ষষ্ঠ দফা ১২ই মেঃ  তমলুক, কাঁথি, ঘাটাল,পুরুলিয়া,ঝাড়্গ্রাম,বাঁকুড়া,বিষ্ণুপুর মেদিনীপুর, সপ্তম দফায়ঃ ১৯ শে মেঃ দমদম ,বারাসাত, জ্যংর,মথুরাপুর,কলকাতা উত্তর,   কলকাতা দক্ষিন, বসিরহাট, ডায়মন্ডহারবার, যাদবপুর   

  • বামফ্রন্ট রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদে প্রার্থী ঘোষনা করে কংগ্রেসকে চাপে ফেলে দিল।

    কলকাতা, ৮ মার্চ : আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদে  সি পি এম  লড়াই করবে এবং গতবারের বিজয়ী প্রার্থীরাই সেখান থেকে দাড়াবেন। আজ এক  সাংবাদিক বৈঠকে  এ কথা জানালেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। মুর্শিদাবাদ থেকে বদরুজ্জা খান  এবং  রায়গঞ্জ থেকে মহম্মদ সেলিমকে ফের প্রার্থী করা হচ্ছে বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে।  তিনি আরও জানান যে, মালদা দক্ষিণ, মালদা উত্তর, জঙ্গিপুর ও বহরমপুরে বামফ্রন্ট  প্রার্থী দেবে না। শরিক দলগুলোর ক্ষেত্রে প্রত্যেকে নিজেদের জেতা আসনে প্রার্থী দেবে। শরিকরা যদি কোনও নির্দিষ্ট আসনে প্রার্থী দিতে চায় সেবিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে।"   তিনি আরও বলেন, " দেশ থেকে  সাম্প্রদায়িক বিজেপি এবং রাজ্য থেকে ফ্যাসিস্ট  তৃণমূলকে হটাতে হবে , এদেরকে পরাস্ত করার জন্য  সর্বশক্তি দিয়ে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। এরা উভয়েই সাম্প্রদায়িক  দুই সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাস্ত করার কথা ঘোষণা করছি।  এখনই সম্পূর্ণ তালিকা ঘোষণা করা হয়নি। আগামীদিনে এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"  প্রসঙ্গত কংগ্রস নেতৃত্বর একাংশ চেয়েছিল, রায়গঞ্জ থেকে দীপা দাশমুন্সিকে প্রার্থী করতে। কিন্তু, প্রথম থেকেই সিপিএম রাজী ছিল না। আজ প্রথম পর্যায়ের প্রার্থী ঘোষণার পর স্পষ্ট হয়ে গেল যে রায়গঞ্জ আসন ছাড়তে চায় না বামফ্রন্ট। রাজ্যের রাজনৈতিক মহল  মনে করছে কংগ্রেসকে বার্তা দিতে বিতর্কিত দুই  আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে  কংগ্রেসকে চাপে ফেলে দিল বামফ্রন্ট ।