কলকাতা

  • রাজ্যের পঞ্চায়েত গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটল না,ফের শুনানি সোমবার।

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ১৮ই আগস্টঃ রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন এর মামলা সুপ্রিম কোর্টে আবার পিছিয়ে গেল। শুক্রবারও সুপ্রিম কোর্টে  পঞ্চায়েত মামলার ফ্যসালা হল না । বিচারপতি এ এম খাওয়ালিকার অসুস্থ থাকার কারণে পঞ্চায়েত মামলা পিছিয়ে গেল। ফের শুনানি হবে সোমবার। সুপ্রিম কোর্টে   বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী আসনগুলির ভাগ্য নির্ধারণ না করা পর্যন্ত ঝুলে রয়েছে বোর্ড গঠন। তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। রাজ্য  সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ত্রিস্তরীয় বোর্ড গঠনের কাজ শুরু হয়ে গেল শুক্রবার থেকে। কিন্তু অধিকাংশ পঞ্চায়েতেই বোর্ড গঠন করা গেল না। ফলত বিপাকে  সরকার। রাজ্য সরকার প্রথমে ঠিক করে ছিল যে সমস্ত পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করা গেল না, সেই সমস্ত পঞ্চায়েতে  প্রশাসক বসানো হবে। কিন্তু পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার। কারণ পঞ্চায়েত আইন অনুযায়ী পঞ্চায়েতে প্রশাসক বসানো যায় না। কেবলমাত্র পুরসভায় প্রশাসক বসানো যায়। সেই কারণেই সুপ্রিম কোর্টের কথা মাথায় রেখে স্থির হয়, গ্রাম সংসদের সভা থেকেই  হবে উন্নয়নমূলক কাজ। আগামী সোমবার একটা স্থির সিদ্ধান্ত উপনীত হওয়া যাবে বলে মনে করছে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, গত ১৭ মে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হয়। কিন্তু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতা ৩৪ শতাংশ আসনের ভাগ্য সুপ্রিম কোর্টে থেকে যায় । গত ৬ আগস্ট সেই  রায় মিলতে পারে বলে আশা ছিল। কিন্তু শুনানি পিছতে পিছতে ২০ আগস্ট গিয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বোর্ড গঠন করা যাচ্ছে না, এই অবস্থায় আগামী সোমবারের দিকেই তাকিয়ে রাজ্য। রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভবিষ্যৎ ঝুলে রয়েছে তিন মাস অতিক্রান্ত। এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে রাজ্য ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন।  

  • গ্রিন করিডর করে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের নজির গড়ল কলকাতা।

    রাজকুমার দাস: ফের মরণোত্তর অঙ্গদান শহরে। ব্রেন ডেথ রোগীর দেহাংশে নতুন জীবন পেতে চলেছেন তিন জন।শুক্রবার সকালে ব্রেন ডেথ হয় শিলিগুড়ির ১৫ বছর বয়সী কিশোরী মল্লিকা মজুমদারের। কানে সংক্রমণ নিয়ে এসএসকেএমে ভর্তি হন শিলিগুড়ির মল্লিকা। সেখান থেকে ধীরে ধীরে মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ। এসএসকেএমেই চিকিত্সা চলছিল মল্লিকার। এরপর শুক্রবার ব্রেন ডেথ হয় তাঁর। এরপর পরিবারের সদস্যদের বোঝানো হয় মল্লিকার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে বেঁচে থাকবে সে। তারপর পরিবারের সম্মতিতে অঙ্গদানের ব্যবস্থা করা হয়। লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য হায়দরাবাদ থেকে অজয় রামাকান্ত নায়েককে (গ্রহিতা) নিয়ে আসা হয় অ্যাপোলো হাসপাতালে। রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ এসএসকেএমyy-এ অঙ্গ বের করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ লিভার রওনা হয় অ্যাপোলোর উদ্দেশে। ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ চার জন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের তত্বাবধানে অস্ত্রোপচার শুরু হয়। সকাল আটটা নাগাদ অস্ত্রোপচার শেষ হয়।মল্লিকার লিভার রামাকান্তের শরীরে প্রতিস্থাপিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিত্সকরা।অন্যদিকে মল্লিকার দু'টি কিডনি এসএসকেএম-এ ভর্তি দুই রোগীর শরীরে বসানো হয়েছে। একই সঙ্গে পাশাপাশি দু'টি অপারেশন থিয়েটারে এ রাজ্যেরই দুই ব্যক্তির শরীরে কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পূর্ণ হয়েছে। দু'টি অস্ত্রোপচারই করেছেন তিনজন চিকিত্সকের দু'টি দল। দুই কিডনি গ্রহিতা হলেন খড়দার বাসিন্দা মৌমিতা চক্রবর্তী এবং সোদপুরের বাসিন্দা সঞ্জীব দাস। সকাল সাতটা নাগাদ শেষ হয়েছে তাঁদের অস্ত্রোপচার। মল্লিকার রেটিনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। ত্বকের কোষ সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে এসএসকেএমে-র স্কিন ব্যাঙ্কে। বলাবাহুল্য, দিলচাঁদ সিংয়ের সফল হার্ট প্রতিস্থাপনের পর দ্বিতীয়বার এই গ্রীন করিডোর ও অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বিশ্বের দরবারে ক কলকাতা এক নজির সৃষ্টি করলো। যা অন্যান্য দেশ ও রাজ্যকে কলকাতা পথ প্রদর্শক হয়ে নজির সৃষ্টি করলো। আপনি এই খবরটি পড়লেন newsbazar24.com এ

  • বাড়িভাড়া সংক্রান্ত গন্ডগোলের জেরে পুড়ে মৃত্যু ২ বছরের শিশুর

    News bazar24: বাড়ির বড়দের একে অপরের আক্রোশ থামাতে এক শিশুকে বিদায় নিতে হলো পৃথিবী থেকে। অবশেষে, মৃত্যু হল উল্টোডাঙার দীপান্বিতা ভুঁইয়ার। গত শুক্রবার তাকে ধাক্কা দিয়ে ফুটন্ত ভাতের হাড়িতে ফেলে দেয় তাদের বাড়ির ভাড়াটিয়া। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় ২ বছর ১০ মাসের দীপান্বিতাকে এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিত্সকরা জানিয়েছিলেন, পুড়ে গিয়েছে তার দেহের ৭৫ শতাংশ। শনিবার ভোর ৫টায় সেখানেই মৃত্যু হয় দীপান্বিতার। ঘটনা গত মঙ্গলবার, স্বাধীনতা দিবসের আগের দিনের। দীর্ঘদিন ধরেই ভাড়া নিয়ে বিবাদ চলছিল বাড়িওয়ালা সুষেন ভুঁইয়া ও ভাড়াটিয়া রাজকুমারী শ-এর মধ্যে। সুষেন ভুঁইয়া পেশায় গাড়িচালক। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বাড়িভাড়া দিচ্ছিলেন না ভাড়াটিয়া রাজকুমারী শ। গোটা বাড়িটাই আস্তে আস্তে দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাড়িভাড়া সংক্রান্ত গন্ডগোলের জেরে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ লেগেই ছিল। শুক্রবার সেই বিবাদ চরমে ওঠে। শুক্রবার সকালে নিজের ঘরের সামনেই খেলছিল ২ বছর ১০ মাসের দীপান্বিতা। অভিযোগ, সেইসময়ই রাজকুমারী শ তাকে ধাক্কা মারে। ধাক্কার চোটে ফুটন্ত ভাতের হাঁড়ির মধ্যে পড়ে যায় দীপান্বিতা। এই ঘটনায় স্থানীয় থানা তদন্ত শুরু করেছে।

  • তিনবারের প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী র মৃত্যুতে এক সপ্তাহ রাষ্ট্রীয় শোক পালন

    কলকাতা,রাজকুমার দাস: লড়াকু প্রধান মন্ত্রী হিসাবে তিনি ছিলেন এক ব্যাতিক্রমী মানুষ।তাই প্রথম দু বার প্রধান মন্ত্রীর মেয়াদ কম থাকলেও তিনি তার লক্ষে কখনো থেমে থাকেন নি।আজ বিকেল ৫:০৫মিনিটে ভারতের প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী দিল্লীর এইমস হাসপাতালে চির তরে হেরে গেলেন, জীবন যুদ্ধে একদিন ঠিক যেমন ভাবে সবাই কে হার মানতে হয় ঠিক তেমনি।১৯৯৬ সালে প্রথমবার গোয়ালিয়র এর মানুষটি মাত্র ১৩দিনের জন্য দেশের প্রধান মন্ত্রী হন।তারপর ১৯৯৮সালে ১৩মাস,১৯৯৯সালে পুরো ৫বছর মেয়াদ শেষ করে।এই তিন বার প্রধান মন্ত্রী হিসাবে তার শপথ গ্রহণ করা দেশের ইতিহাসে লেখা থাকবেই।২০০৯ সালে স্ট্রোক করে ডিমনেসিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে তার প্রায় বাক শক্তি চলে যায়।তারপর থেকে জন সন্মুখে আর তিনি টেম9ন আসেনি বললেই চলে।১১ই জুন তিনি কিডনী সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং তার সাথে ছিল বার্ধক্য জনিত নানান ধরনের সমস্যা।প্রায় ৯সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর৯৩ বছর বয়সে তিনি আজ চিরবিদায় নিলেন।তার অকাল প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেন তার আমলে (এন ডি এ) মন্ত্রীত্ব প্রাপ্ত ও বর্তমানে বাংলার মুখ্য মন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব। তার প্রয়াণে সাত দিন ধরে রাষ্ট্রীয় শোক চলবে।শুক্রবার দিল্লিতে তার অন্তেষ্টি ক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে।এবং কেন্দ্রীয় অফিসে অর্ধ দিবস ছুটি থাকবে।তার চলে যাওয়া একটা যুগের অবসান ঘটলো।বিজেপি দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন তিনি।তার আত্মার শান্তি কামনা করি।

  • কেরলের বন্যা কবলিত কাঝিকোড় জেলায় ত্রান শুরু ভারত সেবাশ্রমের

    রাজকুমার দাস: কেরলের কোঝিকোড় জেলার বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রান বিতরন শুরু করল ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ। কদিনের টানা বৃষ্টিতে কেরলের কোচি বিমান বন্দর  জলমগ্ন। ট্রেন যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন এলাকায়।কোঝিকোড় জেলার পুঝিমুদি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বড় ক্যাম্প করে ত্রান দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া  কোট্টাতারা, ভিত্রি তালুক,কাপ্পু মন্ডম, বেলা ওন্না সহ বিভিন্ন এলাকায় কয়েকলক্ষ মানুষ জলবন্দী। এইসব এলাকায় দুর্গত মানুষদের উদ্ধার কাজের পাশাপাশি তাদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরন শুরু করেছে ভারত সেবাশ্রম সংঘের সন্নাসী ও সেচ্ছাসেবকরা। সংঘের প্রধান সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ বলেন,কলকাতা ছাড়াও হ্রায়দাবাদ, ত্রিবান্দম ও কন্যাকুমারি ভারত সেবাশ্রম সংঘ থেকে শুকনো খাবার এলাকায় পাঠানো হয়েছে। একটু বৃষ্টি কমলে সেখানে রান্না করা খাবার বিতরন শুরু হবে বলে তিনি জানান। এখন শুকনো খাবার ছাড়াও  বন্যা কবলিত মানুষদের প্রয়োজনীয় জামা - কাপড়ও বিতরন করা হচ্ছে। তিনি নিজে হ্রায়দাবাদ থেকে খাদ্য সামিগ্রী ঘটনাস্থলে পাঠানোর কাজ তদরকি করছেন।

  • সারদা তদন্তে এবার সিবিআই এর নজরে তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে জমা পড়া সন্দেহজনক ড্রাফট

    Newsbazar ডেস্ক, ১৩ই আগস্টঃ সারদা তদন্তে এবার  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এর নজরে সন্দেহজনক ড্রাফট যা তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে । সারদার তদন্ত নেমে  সিবিআই এই ড্রাফটের হদিশ পায় বলে সূত্রের খবর।  ড্রাফটের উৎসের খোজে  রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে চিঠি দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে  ততই  রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বক্তব্যর সংঘাত  বাড়ছে ,সাথে সাথে  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির তৎপরতাও তুঙ্গে । সিবি আই সূত্রে জানা গেছে ২০১৩ সাল থেকে ২ বছরে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২০ থেকে ২৫ টি সন্দেহজনক ড্রাফটের মাধ্যমে টাকা জমা পড়েছে । কারা, কী উদ্দেশে সেই ড্রাফট জমা দিয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে চায় সিবিআই। হরিশ মুখার্জি রোডের এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে এই ড্রাফটগুলি জমা পড়েছে তৃণমূলের অ্যাকাউন্টএ।  এখন সেই ব্যাঙ্কেই সিবিআই-এর তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে। টাকা না চেকে ড্রাফটগুলি কাটা হয়েছিল তা জানতে চেয়েছে সিবিআই। টাকার উৎস কী, কারা জমা দিয়েছিল সেই ড্রাফটগুলি তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।  

  • লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার তথা বামপন্থী আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের জীবনবসান।

    Newsbazar ডেস্ক, ১৩ই আগস্টঃ মহাপ্রয়াণে লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার তথা বামপন্থী আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা  সোমনাথ চট্টোপাধ্য়ায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।  আজ সোমবার সকালে কলকাতার এক বেসরকারি নার্সিংহোমে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। এই বয়সে তিনি ডায়ালিসিসের ধকল নিতে পারছিলেন না, তার উপর তিনি শ্বাসকষ্টেও ভুগছিলেন। এরপর  এদিন সকালে তাঁর আবার হার্ট অ্যাটাক হয়। তারপরই  জীবনাবসান হয়।    ১৯২৯ সালের ২৫ জুলাই আসামের তেজপুরে জন্মগ্রহণ করেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বাবা নির্মল চন্দ্র চ্যাটার্জি ছিলেন প্রখ্যাত আইনজীবি। যদিও নির্মলবাবুর সাথে রাজনৈতিক মতাদর্শে বিস্তর  ফারাক ছিল তবুও কমিউনিস্ট নেতা জ্যোতি বসুর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল। কমিউনিস্ট পার্টিকে যখন নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পর যখন দলীয়  নেতাদের  গ্রেফতার করা হচ্ছিল  তখন নির্মল চন্দ্র তাঁদের মুক্তির জন্য লড়াই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন । নির্মলবাবু তার ছেলে সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে  কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভর্তি করেন। সেখানে স্কুলের পড়া শেষ করে প্রেসিডেন্সি কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। এরপর কেমব্রিজের জেসাস কলেজ থেকে তিনি আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন, এবং দেশে ফিরে এসে কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিশ শুরু করেছিলেন। আইনজীবী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়েছিল । পরবর্তীকালে সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। যোগ দেন সিপিআইএম-এ। মোট ১০ বার তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। দীর্ঘদিন লোকসভায় দলের নেতার দায়িত্ব সামলেছেন।  ২০০৮ সালে ইউপিএ-১ সরকারের উপর থেকে সমর্থন তুলে নেয় সিপিআইএম। সেসময় দল তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিল স্পিকার পদে পদত্যাগ করার জন্য। কিন্তু স্পিকার একটি সাংবিধানিক পদ, এই যুক্তিতে তিনি পদত্যাগ করতে অসম্মত হন। অবশেষে ২০০৮ সালের ২৩শে  জুলাই সিপিআইএমের পলিট ব্যুরো সিদ্ধান্ত অনুযায়ী  তাঁকে বিতাড়িত করা হয় । তবে তারপরেও দলের বিভিন্ন নেতা ও কর্মীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল তাঁর। দলের বিরুদ্ধে কোনও বিরূপ মন্তব্যও করেননি। ব্যক্তি সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে দল মত নির্বিশেষে শ্রদ্ধা করতেন সাংসদরা। তবে ২০০৫ সালে ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় আস্থাভোট নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের সমালোচনা করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। আদালতের নির্দেশ সমর্থন করে বিজেপি তাঁর কড়া সমালোচনা করেছিল। ১৯৯৬ সালে সোমনাথ আউটস্ট্যান্ডিং পার্লামেন্টারিয়ানের পুরষ্কার পেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন এবং তাঁর পরিবার ও সমর্থকদের সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এক টুইটবার্তায়  তিনি সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে জাতীয় রাজনীতির স্টলওয়ার্ট বলে বর্ণনা করেছেন । সংসদীয় রাজনীতিকে সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় সমৃদ্ধ করেছেন বলে এবং সমাজের দরিদ্র ও নিচুতলার মানুষের জন্য সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় কাজ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তথা লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করে এক শোকবারতায় বলেছেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে রাজনৈতিক জগতের অপূরণীয় ক্ষতি ।  তাঁর আত্মীয়-পরিজন ও অনুগামীদের সমবেদনা জানাই । তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক জগতে তাঁর অভাব পূরণ হওয়ার নয়।  তিনি তো শুধু রাজনীতিবিদ ছিলেন না, ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবীও। নিজেকে রাজনীতিতে অনেক উপরে নিয়ে গিয়েছিলেন। হয়েছিলেন লোকসভার স্পিকার। তাই তাঁর কৃতিত্ব স্মরণাতীত। ১৯৭১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি ১০ বার লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু ভারতের রাজনৈতিক জগতের ইন্দ্রপতন। এমনটাই মন্তব্য করলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান তথা সিপিএম নেতা বিমান বসু। এ ছাড়াও সোমনাথ বাবুর  মৃত্যুতে গণ আন্দোলনের  অপূরণীয় ক্ষতি হল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সিপিএম নেতা ও বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী এক বিবৃতিতে বলেছেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে দেশের, রাজ্যের, দলের এবং বামপন্থী মননের অপূরণীয় ক্ষতি হল।  পশ্চিমবঙ্গ হারাল এক অভিভাবককে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বেলভিউ হাসপাতালে সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে  বললেন ভারতীয় রাজনীতির একজন বিবেকবান রাজনীতিক ছিলেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়।  শুধু রাজ্যের নয়, দেশের ক্ষতি বলেও মন্তব্য করেছেন অধীর চৌধুরী।  

  • ফের নিম্ন চাপ : সোমবার থেকে শুক্রবার রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির সম্ভবনা

    Newsbazar24:ফের এক নাগাড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতে। রবিবার এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। নিম্নচাপের জেরে সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও ছত্তিসগড়ের একাংশে। উপগ্রহ পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের কাছে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। যা আগামী সোম বা মঙ্গলবার সেই ঘূর্ণাবর্তটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। যা পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর বা ওড়িশার বালেশ্বর জেলা দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও ছত্তিসগড়ের একাংশে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৩৫ - ৫৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ে হাওয়া বইতে পারে। উত্তাল হবে সমুদ্র। ফলে উপকূলবর্তী এলাকার মত্স্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

  • এবার দুর্গা বিসর্জন আটকানোর হিম্মত করলে মমতার সচিবালয়ের এক একটা ইট ধসিয়ে দেব'':

    News bazar24 : স্কুলে স্কুলে সরস্বতী পুজো বন্ধ করে দিচ্ছেন। তোষণের একটা সীমা থাকা দরকার। শনিবার সাম্প্রতিককালে সবচেয়ে ধারালো ভাষায় মমতাকে বিঁধলেন অমিত শাহ। অমিতের হুঙ্কার, 'বিজেপি সরকারে আসছে দুর্গা বিসর্জনও হবে। স্কুলে স্কুলে সরস্বতী পুজো। এবার দুর্গা বিসর্জন আটকানোর হিম্মত করলে মমতার সচিবালয়ের এক একটা ইট ধসিয়ে দেব'। দেশের আর্থিক উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গের অংশগ্রহণ ক্রমশ কমছে বলেও পরিসংখ্যান পেশ করে দাবি করেন অমিত শাহ। তাঁর কথায়, 'স্বাধীনতার পরে দেশের আর্থিক উন্নয়নে ২৫ শতাংশ অংশই ছিল বাংলার। কংগ্রেস সরকার ক্ষমতা থেকে সরার আগে তা নেমে আসে ১৩ শতাংশে। বামেরা যাওয়ার সময়ে আরও কমে হয়ে যায় ৪ শতাংশ। বিগত ৭ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের আর্থিক উন্নতিতে বাংলার যোগদান ৩ শতাংশে নামিয়ে দিয়েছেন। বাংলা ২৫ থেকে ৩ শতাংশে চলে গেল। সিপিএম, তৃণমূল ও কংগ্রেস উন্নয়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনটি দলকেই সুযোগ দিয়েছেন বাংলার মানুষ। এবার একটা সুযোগ দিন নরেন্দ্র মোদীকে।

  • দমদম বিমানবন্দরে অবতরণ করে অমিত শাহের বিমান

    News bazar24:শনিবার বেলা ১১.৩০ মিনিটে দমদম বিমানবন্দরে অবতরণ করে অমিত শাহের বিমান। বেলা ১১.৪৪ মিনিটে বিমানবন্দর থেকে এক্সাইড মোড়ে পোর্ট ট্রাস্টের অতিথিনিবাসের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। এদিন অমিত শাহকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন বিজেপির এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাহুল সিন্হা। এছাড়াও ছিলেন কয়েকশ বিজেপি কর্মী সমর্থক। অমিত শাহের সফরকে কেন্দ্র করে এদিন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো। সিআইএসএফ-এর কড়া নজরদারিতে মাছি গলার উপায় ছিল না এদিন। পুলিস কুকুর দিয়ে বিমানবন্দরের প্রতিটি কোণে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীরা। জেড প্লাস স্তরের নিরাপত্তা পান অমিত শাহ। ফলে তাঁর নিরাপত্তায় স্বাভাবিকভাবে ছিল বাড়তি তত্পরতা। অমিত শাহের সফরকে কেন্দ্র করে এদিন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো। সিআইএসএফ-এর কড়া নজরদারিতে মাছি গলার উপায় ছিল না এদিন। পুলিস কুকুর দিয়ে বিমানবন্দরের প্রতিটি কোণে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীরা। জেড প্লাস স্তরের নিরাপত্তা পান অমিত শাহ। ফলে তাঁর নিরাপত্তায় স্বাভাবিকভাবে ছিল বাড়তি তত্পরতা। শনিবার মেয়ো রোডে অমিত শাহের সভাকে কেন্দ্র করে শাসক - বিজেপি তরজা চরমে পৌঁছেছে। জাতীয় নাগরিকপঞ্জি ইস্যু থেকে ব্যানার বিতর্ক, অমিত শাহ কী বলেন সেদিকে রাজ্যবাসীর সঙ্গে তাকিয়ে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহল।