বীরভূম -বর্ধমান

  • পরকীয়া সম্পর্ক ভাঙতেই অস্ত্র দিয়ে গৃহবধূর গলায় কোপ, অভিযুক্ত প্রেমিক পলাতক

    newsbazar24: পরকীয়া সম্পর্ক ভাঙতেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে গৃহবধূর গলায় কোপ মারল প্রেমিক।ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার গোপীনাথপুরে।অভিযুক্ত প্রেমিক জাফর আলি ওরফে ফকির ঘটনার পর থেকেই পলাতক। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই গৃহবধূ বর্তমানে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। ওই গৃহবধূর স্বামী সেখ নজরুল ও ফকির দুজনেরই বাড়ি একই গ্রামে। দুই বন্ধু-ই রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। সেই সূত্রে নজরুলের বাড়িতে ফকিরের যাতায়াত ছিল।কিন্তু মাস ছয়েক আগে ফকিরের সঙ্গে নজরুলের স্ত্রীর  বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হতেই  নজরুলের মা বৌমাকে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। দিন কুড়ি আগে নজরুলের স্ত্রী শ্বশুরবাড়িতে আসে। ফকিরের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ রাখেনি তারপর থেকে।অভিযোগ, সম্পর্ক ভাঙার পর থেকেই বাজার-হাটে গেলে ওই গৃহবধূকে হুমকি দিতে শুরু করে ফকির। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূ পুকুর ঘাটে গেলে ফকির তাঁর উপর চড়াও হয়। গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে।রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রাই ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে প্রথমে রায়না প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। তারপর রাতে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয়।গৃহবধূ বর্তমানে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।

  • বীরভূমের নানুরে আবার তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত ১ জন।

    Newsbazar24, ডেস্ক, ৪ নভেম্বর : অনুব্রত মণ্ডলের বীরভূমের নানুরে আবার  তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ।  থমথমে  বীরভূমের নানুরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরী  হওয়ার জন্য  বরা সওতা গ্রাম  পুরুষ শূন্য। গ্রামের চণ্ডীপুরে সংঘর্ষেরে জেরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন ১ জন। তারপর থেকেই থমথমে গ্রাম। এলাকায় চলছে পুলিশি টহল। সূত্রে জানা যায় , নানুরের বরা সওতা গ্রামে বোর্ডগঠনের পর থেকে ১০০দিনের কাজের টাকার বণ্টন ঘিরে বহুদিন ধরেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঠাণ্ডা লড়াই চলছিল। এরপর সেই লড়াই এলাকা দখলের লড়াইয়ের রূপ নেয়। যার জেরে নানুরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে। স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ নানুরের বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতা কাজল শেখ ও তৃণমূল জেলা যুব সভাপতি গদাধর হাজরার মধ্যে গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরেই এই মর্মান্তিক পরিস্থিতি  । গতকাল রাতে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে গুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। চলতে থাকে গুলি। সেই সময় মুকুল মোল্লা নামে এক যুবকের পায়ে গুলি লাগে। মাথা ফেটে আহত হন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের সকলকে বোলপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে যায় এবং গ্রামে পূলিশ প্রহরা বসানো হয়েছে। যদিও বীরভূম জেলা তৃনমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ-র কথা স্বীকার করেননি।  

  • বীরভূমে তৃণমূল ব্লক সভাপতি গুলিবিদ্ব অভিযোগের তীর তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের দিকে

      Newsbazar24,ডেস্ক, ২১ অক্টোবর  : খয়রাশোল ব্লকের তৃণমূল সভাপতি  দীপক ঘোষ আক্রান্ত। তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ এবং  পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় তাঁকে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে স্থানীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।এই হামলার ঘটনায়  বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।  রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনা।  স্থানীয় সূত্রে জানা যায় খয়রাশোল ব্লক তৃণমূলের সভাপতি দীপক ঘোষ আজ এক  তৃণমূল কর্মীকে সঙ্গে করে বাইকে নিজের পুরানো  বাড়িতে যাচ্ছিলেন  । রাস্তায়  তিন দুষ্কৃতী বাইক থামিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। প্রথমে দীপক ঘোষকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। পরে সঙ্গীকে বাদ দিয়ে   দীপক ঘোষকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে খয়রাশোল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় দুর্গাপুরের বেসরকারি হাসপাতালে। আরও জানা গেছে, দীপক ঘোষের সঙ্গে ব্লক তৃণমূল কার্যকরী সভাপতি উজ্বল হকের ঝামেলা দীর্ঘদিনের। খোদ জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল দু'পক্ষকে নিয়ে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। কিন্তু, তাতেও দ্বন্দ্ব মেটেনি বলে অভিযোগ। এ ছাড়াও বেআইনি কয়লা খাদানের দখল কার হাতে থাকবে তা নিয়ে ঝামেলার জেরেই এই হামলা বলে জানা গেছে।প্রসঙ্গত  ১০ সেপ্টেম্বর খয়রাশোল ব্লকের বড়রা এলাকায় তৃণমূল কার্যালয়ে বোমা বিস্ফোরণ হয়। সেখানে দীপকবাবুর অনুগামীরা বসতেন। অভিযোগ, সেখানে বোমা মজুত ছিল।গত  ২৯ জুলাই খয়রাশোলের বাবুইজোড় গ্রামে দলীয় অঞ্চল কমিটির প্রকাশ্য সভা থেকে কাঁকরতলা থানার ওসি পার্থসারথি মুখোপাধ্যায়ের উর্দি খুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন দীপক ঘোষ। খবর পেয়েই খয়রাশোলের উদ্দেশে রওনা দেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তিনি বলেন, আক্রান্ত দীপক ঘোষ  তার অন্যতম হাত। হুমকির সুরে তিনি বলেন, তার নাম অনুব্রত মণ্ডল। তিনি মারামারি করতে চান না। কিন্তু কেউ মারলে পিছিয়ে যাবেন না। জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘটনায় বিজেপিকেই দায়ী করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এলাকায় বিজেপির কোনও সংগঠন না থাকলেও বাইরে থেকে দুষ্কৃতী এনে তাদের দলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। এলাকার ১১ টি পঞ্চায়েতের সবকটি তৃণমূলের দখলে বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও অনুব্রত মণ্ডলের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন যেখানে এলাকার ১১ টি পঞ্চায়েতের সবকটি তৃণমূলের দখলে সেখানে বিজেপি কোথা থেকে আসবে?  তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে।        

  • পূর্ব বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে কয়লা খনি ধসে মৃত দুই

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ৭অক্টোবরঃ পাণ্ডবেশ্বরে কয়লা খনিত ধসে মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। গতকাল রাতে পাণ্ডবেশ্বরের খোট্টাডিহি ইসিএলের কোলিয়ারিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত দুই শ্রমিক কোলিয়ারিতে ওভারম্যান ও ড্রেসারের কাজ করত, নাম চন্দ্রশেখর গিরি ও কালেশ্বর  মাহাতো।  ভোররাতে আচমকাই তাদের উপর কয়লাখনির উপরের অংশ ধসে পড়ার ফলে তারা চাপা পড়ে যায় ।    ইসিএলের কর্মীরা  উদ্ধারকার্যে নেমে পড়েন। তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়।  কিন্তু দীর্ঘ চেষ্টার পর কয়লাখনির ধসে চাপা পড়া দুই শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়।  কয়লাখনিতে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। ঘটনার দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। তা নিয়েও ক্ষোভে ফেটে পড়েন শ্রমিকরা। শ্রমিকদের দাবি, তাঁদের নিরাপত্তা  সুনিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত , তাঁদের বিক্ষোভ  চলবে বলে জানান শ্রমিকরা। অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ  আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও , কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি তাঁদের নিরাপত্তায়। সর্বদা বিপদ মাথায় নিয়ে তাঁদের কাজ করতে হয়। অভিযোগ, দুর্গাপুরে কয়লা তোলার কাজ চলছিল। সেইসময়ই পাণ্ডবেশ্বরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কয়লা তোলার সময় চাল ধসেই বিপত্তি বাধে।  

  • লক্ষাধিক টাকার গয়না সহ নগদ লুঠ করল ডাকাতরা

    পলাশ রায়: পুজোর আগেই বাড়লো চুরি ডাকাতির ঘটনা। পর পর সোনার দোকানে ডাকাতি।রাতের অন্ধকারে, লক্ষাধিক টাকার গয়না সহ নগদ লুঠ করল ডাকাতরা। ঘটনা সূত্রে প্রকাশ, ডাকাতির ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়াতে। কাটোয়ার হাড়িবাড়ি সোনাপট্টি এলাকায় অবস্থিত দোকান দুটি। এলাকায় সোনার দোকান হিসেবে বেশ নামডাক আছে। গতকাল অর্থাৎ সোমবার রাত ১০টা নাগাদ দোকান বন্ধ করে বাড়ি যান দুই দোকানের মালিক। এরপর এদিন সকালে তালা খুলতে এসে মালিক হরিগোপাল পাত্র ও স্বরূপ পাল দেখেন যে, দোকানের শাটার আধখোলা ।এরপর দোকানের ভিতর ঢুকেই দেখেন, সিন্দুক ভাঙা। দোকানের ভিতর লন্ডভন্ড অবস্থা। হরিগোপাল পাত্র ও স্বরূপ পাল জানিয়েছেন, দোকানের লকার ভেঙে লক্ষাধিক টাকার গয়না সহ নগদ টাকা লুঠ করে নিয়ে গেছে ডাকাতরা। সিন্দুক ভেঙে নিয়ে গেছে এই টাকা। শুধু এই দুটি দোকান নয়, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আরও দুটি দোকানের শাটার ভাঙার চেষ্টা করেছিল ডাকাতরা। জেলার মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের অভিযোগ, কটোয়ায় চুরি ডাকাতি নতুন নয়। পুলিশ কে বহু অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্ত কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

  • বীরভূমের কাঁকড়তলায় মা মাটি মানুষের তৃণমূলের অফিসে ভয়াবহ বিস্ফোরন

    Newsbazar24, ডেস্ক, ১০ই সেপ্টেম্বরঃ আবার তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ। এবার ঘটনাস্থল  বীরভূমের কাঁকড়তলার বড়রা অঞ্চলের তৃণমূল পার্টি অফিস।  এখনও পর্যন্ত বিস্ফোরণে হতাহতের কোনও খবর নেই। তবে বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে পার্টি অফিসের লোহার দরজা-জানলা উড়ে গিয়ে প্রায় ৩০-৪০ ফুট দূরে ছিটকে পড়ে এবং  পার্টি অফিসের একটা অংশ ধসে যায়। ঘটনায় বিজেপির ওপরে দায় চাপিয়েছেন বীরভূম তৃণমূলের জেলা  সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বিরোধীদের অভিযোগ পার্টি অফিসে প্রচুর শক্তিশালী বোমা মজুত করা ছিল।  স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালে বীরভূমের কাঁকড়তলার বড়রা অঞ্চলের মা মাটি মানুষের তৃণমূলের কার্যালয়টি তৈরি হয়েছিল।এদিন সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ  হটাত তীব্র বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে  এলাকা। তারপরেই  দেখা যায় মা মাটি মানুষের তৃণমূলের কার্যালয়টি ভেঙে পড়েছে। কাঁকড়তলা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়  ইতিমধ্যে তারা তদন্ত শুরু করেছে পার্টি অফিসে মজুত বোমা থেকে বিস্ফোরণ, নাকি অন্য কিছু থেকে এই বিস্ফোরণ। এদিনের বিস্ফোরণের পরেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। তৃণমূলের তরফে পার্টি অফিসে বোমা মজুতের খবর অস্বীকার করা হয়েছে। তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘটনায় বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপিয়েছেন। সন্নিহিত ঝাড়খণ্ড থেকে এসে বিজেপির দুষ্কৃতীরাই এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত এর আগে ২৩ অগাস্ট পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ের মকরমপুরে তৃণমূল পার্টি অফিসে বিস্ফোরণ হয়। সেই বিস্ফোরণে একাধিক তৃণমূলকর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। বিস্ফোরণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছিল, ওইদিন সকালে দলীয় অফিসে বৈঠকের জন্য হাজির হয়েছিলেন বহু কর্মী-সমর্থক। সেই সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। গতবছর মে মাসে বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছিল আউসগ্রামের পিচকুরিতে থাকা তৃণমূলের পার্টি অফিস।বিরোধীরা  অভিযোগ করেছিল, পার্টি অফিসে মজুত বোমা থেকে বিস্ফোরণ হয়েছিল।  

  • টিএমসিপি পরিচালিত ছাত্র সংসদের শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে চটুল নাচ, ভাইরাল ভিডিও

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ৯ই সেপ্টেম্বরঃ অনুব্রত মণ্ডলের খাস তালুকে লাভপুরের শম্ভুনাথ কলেজে পালিত হচ্ছে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানেই চলছে চটুল নাচ। । ইতিমধ্যেই সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যতদূর জানা গেছে , অনুব্রত মণ্ডলের ভাগ্নে রাজা ঘোষ ওই কলেজের পরিচালন কমিটির সম্পাদক। সূত্রে জানা যায় বীরভুমের লাভপুরের শম্ভুনাথ কলেজেই শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল তৃণমূল পরিচালিত ছাত্র সংসদ। ঘটনাচক্রে অনুব্রত মণ্ডলের ভাগ্নে রাজা ঘোষ ওই কলেজের পরিচালন কমিটির সম্পাদক।  সেখানেই হয় এই চটুল নাচ। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই নিন্দায় সরব হয়েছে শিক্ষক মহল। শিক্ষা মহলের একাংশের অভিযোগ  শুধু লাভপুর শম্ভুনাথ কলেজেই নয়, তৃণমূল পরিচালিত একাধিক কলেজে চটুল নাচ, সাথে সাথে ডিজের ব্যবহার  দেখা গিয়েছে। কলেজের অনুষ্ঠানে কোনও কিছুরই অভাব রাখা হচ্ছে না ।  

  • ৪ বছরের শিশুর পেট থেকে পাওয়া গেল কুলের বীজ, নাটবল্টু কাপড়ের টুকরো ও মাটি

    Newsbazar24,ডেস্ক ,২৫ অগাস্ট : বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ডাক্তাররা এক  ৪ বছরের শিশুর পেটের অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে সফল । পেট থেকে বের করা হল ২০৩ টি কুলের বীজ, একটি নাটবল্টু, বেশ কিছু কাপড়ের টুকরো ও মাটি। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে বলে  জানা গেছে।  হুগলির শ্যামবাজারের বাসিন্দা  ৪ বছরের রুইদাসের সমস্যা  শুরু হয়েছিল ৩-৪মাস আগে। শিশু রুইদাসের  পেটে ব্যথার সঙ্গে পেট শক্ত হয়ে যাচ্ছিল। পায়খানায় হচ্ছিল না। প্রথমে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করলে  এক্স রে করা হয়। এরপর সেখানকার চিকিৎসকরা শিশু-সহ অভিভাবকদের পাঠিয়ে দেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে। ১৪ অগাস্ট শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে। চলতে থাকে চিকিৎসা। চিকিৎসকরা অনুমান করেন, পেটে শক্ত কিছু রয়েছে। শিশুটিকে ভর্তি করে নেওয়া হয় সেখানে। নানা পরীক্ষার পর অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। ২৫ অগাস্ট নরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দশজনের চিকিৎসকদল এই অস্ত্রোপচার করেন। ২০৩ টি কুলের বীজ, নাটবল্টু পাওয়ার পর তাজ্জব হয়ে যান চিকিৎসকরা। শিশুটির অভিভাবকরা জানিয়েছেন, বাড়ির কাছেই একটি কুল গাছ রয়েছে। সেখান থেকেই সে কুল খেতে পারে। মাটি মুখে দিতে তারা দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু পেট থেকে যে পরিমাণ মাটি পাওয়া গিয়েছে, সেটা একটু অস্বাভাবিক লেগেছে চিকিৎসকদের। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন  শিশুটি মানসিকভাবে সুস্থ নয়। তাই তার সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিং করা দরকার ।  

  • তৃণমূল নেতার ছবি দেওয়া ব্যাজ পড়ে মঞ্চে উপস্থিত পুলিশ কর্তা সহ প্রশাসনিক কর্তারা।

    Newsbazar.24,ডেস্ক,১৭ আগস্টঃসরকারী আধিকারিক সহ পুলিশ আধিকারিকরাও  অনুব্রত মণ্ডলের ছবি দেওয়া ব্যাজ পড়ে  অনুষ্ঠান মঞ্চ আলোকিত করলেন।  উপস্থিত ছিলেন  নলহাটির ওসি, এএসআই থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্তারা এবং স্থানীয় তৃণমূল বিধায়কও। অনুষ্ঠানের ছবি প্রকাশিত হতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে।বিরোধী দলগুলি এই ছবি দেখে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তারা বলছেন প্রশাসনের কর্তারা তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে । ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবস  উপলক্ষে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিল নলহাটি ফ্রেন্ডস ক্লাব। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নলহাটি ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। আর এলাকার স্থানীয় তৃণমূল নেতারাই এই ক্লাবটিরহর্তা কর্তা বিধাতা। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় যুবকদের একাংশ ছাড়াও হাজির ছিলেন প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা। হাজির ছিলেন এএসআই শুভঙ্কর ঘোষ, ওসি তথা সিআই অর্ণব গুহ। ছিলেন স্থানীয় বিডিও-ও। এদের বুকে ছিল বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ছবি দেওয়া ব্যাজ। সেই ক্লাবেরই রক্তদান শিবিরের অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক কর্তাদের অনুব্রত মণ্ডলের ছবি দেওয়া ব্যাজ পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। ফলে যেটুকু সময় তাঁরা অনুষ্ঠানে ছিলেন, তাঁদের বুকে দেখা গিয়েছে সেই ব্যাজ।  

  • মধুচক্রের হদিশ মিলল সিউড়িতে : কলেজ ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে নাবালিকারাও এই কাজের সঙ্গে যুক্ত

    News bazar24:এবার মধুচক্রের হদিশ মিলল সিউড়ির বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মহিলা থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে একটি বেসরকারি হোটেলে। কলেজ ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে নাবালিকারাও এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ। পুলিশকে বহুবার জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ । খুবই কম পয়সায় হোটেলগুলির ঘর ভাড়া দেওয়া হয়। পকেটমানি বাঁচিয়ে সেই ঘর ভাড়া নেয় কলেজ পড়ুয়ারাই। মূলত তারাই সেখানে দেহব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার অতর্কিতে ওই হোটেলে অভিযান চালায় পুলিস। ৭ তরুণী ও ৬ জন যুবককে আটক করেছে পুলিস। সিল করে দেওয়া হয়েছে হোটেলটি, আটক করা হয় হোটেলের দুই কর্মীকে। সূত্রের খবর তাদেরকে জেরা করেই এর মূল চক্রের হদিশ খুঁজতে পুলিশ।