বীরভূম -বর্ধমান

  • পূর্ব বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে কয়লা খনি ধসে মৃত দুই

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ৭অক্টোবরঃ পাণ্ডবেশ্বরে কয়লা খনিত ধসে মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। গতকাল রাতে পাণ্ডবেশ্বরের খোট্টাডিহি ইসিএলের কোলিয়ারিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত দুই শ্রমিক কোলিয়ারিতে ওভারম্যান ও ড্রেসারের কাজ করত, নাম চন্দ্রশেখর গিরি ও কালেশ্বর  মাহাতো।  ভোররাতে আচমকাই তাদের উপর কয়লাখনির উপরের অংশ ধসে পড়ার ফলে তারা চাপা পড়ে যায় ।    ইসিএলের কর্মীরা  উদ্ধারকার্যে নেমে পড়েন। তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়।  কিন্তু দীর্ঘ চেষ্টার পর কয়লাখনির ধসে চাপা পড়া দুই শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়।  কয়লাখনিতে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। ঘটনার দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। তা নিয়েও ক্ষোভে ফেটে পড়েন শ্রমিকরা। শ্রমিকদের দাবি, তাঁদের নিরাপত্তা  সুনিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত , তাঁদের বিক্ষোভ  চলবে বলে জানান শ্রমিকরা। অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ  আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও , কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি তাঁদের নিরাপত্তায়। সর্বদা বিপদ মাথায় নিয়ে তাঁদের কাজ করতে হয়। অভিযোগ, দুর্গাপুরে কয়লা তোলার কাজ চলছিল। সেইসময়ই পাণ্ডবেশ্বরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কয়লা তোলার সময় চাল ধসেই বিপত্তি বাধে।  

  • লক্ষাধিক টাকার গয়না সহ নগদ লুঠ করল ডাকাতরা

    পলাশ রায়: পুজোর আগেই বাড়লো চুরি ডাকাতির ঘটনা। পর পর সোনার দোকানে ডাকাতি।রাতের অন্ধকারে, লক্ষাধিক টাকার গয়না সহ নগদ লুঠ করল ডাকাতরা। ঘটনা সূত্রে প্রকাশ, ডাকাতির ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়াতে। কাটোয়ার হাড়িবাড়ি সোনাপট্টি এলাকায় অবস্থিত দোকান দুটি। এলাকায় সোনার দোকান হিসেবে বেশ নামডাক আছে। গতকাল অর্থাৎ সোমবার রাত ১০টা নাগাদ দোকান বন্ধ করে বাড়ি যান দুই দোকানের মালিক। এরপর এদিন সকালে তালা খুলতে এসে মালিক হরিগোপাল পাত্র ও স্বরূপ পাল দেখেন যে, দোকানের শাটার আধখোলা ।এরপর দোকানের ভিতর ঢুকেই দেখেন, সিন্দুক ভাঙা। দোকানের ভিতর লন্ডভন্ড অবস্থা। হরিগোপাল পাত্র ও স্বরূপ পাল জানিয়েছেন, দোকানের লকার ভেঙে লক্ষাধিক টাকার গয়না সহ নগদ টাকা লুঠ করে নিয়ে গেছে ডাকাতরা। সিন্দুক ভেঙে নিয়ে গেছে এই টাকা। শুধু এই দুটি দোকান নয়, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আরও দুটি দোকানের শাটার ভাঙার চেষ্টা করেছিল ডাকাতরা। জেলার মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের অভিযোগ, কটোয়ায় চুরি ডাকাতি নতুন নয়। পুলিশ কে বহু অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্ত কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

  • বীরভূমের কাঁকড়তলায় মা মাটি মানুষের তৃণমূলের অফিসে ভয়াবহ বিস্ফোরন

    Newsbazar24, ডেস্ক, ১০ই সেপ্টেম্বরঃ আবার তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ। এবার ঘটনাস্থল  বীরভূমের কাঁকড়তলার বড়রা অঞ্চলের তৃণমূল পার্টি অফিস।  এখনও পর্যন্ত বিস্ফোরণে হতাহতের কোনও খবর নেই। তবে বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে পার্টি অফিসের লোহার দরজা-জানলা উড়ে গিয়ে প্রায় ৩০-৪০ ফুট দূরে ছিটকে পড়ে এবং  পার্টি অফিসের একটা অংশ ধসে যায়। ঘটনায় বিজেপির ওপরে দায় চাপিয়েছেন বীরভূম তৃণমূলের জেলা  সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বিরোধীদের অভিযোগ পার্টি অফিসে প্রচুর শক্তিশালী বোমা মজুত করা ছিল।  স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালে বীরভূমের কাঁকড়তলার বড়রা অঞ্চলের মা মাটি মানুষের তৃণমূলের কার্যালয়টি তৈরি হয়েছিল।এদিন সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ  হটাত তীব্র বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে  এলাকা। তারপরেই  দেখা যায় মা মাটি মানুষের তৃণমূলের কার্যালয়টি ভেঙে পড়েছে। কাঁকড়তলা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়  ইতিমধ্যে তারা তদন্ত শুরু করেছে পার্টি অফিসে মজুত বোমা থেকে বিস্ফোরণ, নাকি অন্য কিছু থেকে এই বিস্ফোরণ। এদিনের বিস্ফোরণের পরেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। তৃণমূলের তরফে পার্টি অফিসে বোমা মজুতের খবর অস্বীকার করা হয়েছে। তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘটনায় বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপিয়েছেন। সন্নিহিত ঝাড়খণ্ড থেকে এসে বিজেপির দুষ্কৃতীরাই এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত এর আগে ২৩ অগাস্ট পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ের মকরমপুরে তৃণমূল পার্টি অফিসে বিস্ফোরণ হয়। সেই বিস্ফোরণে একাধিক তৃণমূলকর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। বিস্ফোরণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছিল, ওইদিন সকালে দলীয় অফিসে বৈঠকের জন্য হাজির হয়েছিলেন বহু কর্মী-সমর্থক। সেই সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। গতবছর মে মাসে বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছিল আউসগ্রামের পিচকুরিতে থাকা তৃণমূলের পার্টি অফিস।বিরোধীরা  অভিযোগ করেছিল, পার্টি অফিসে মজুত বোমা থেকে বিস্ফোরণ হয়েছিল।  

  • টিএমসিপি পরিচালিত ছাত্র সংসদের শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে চটুল নাচ, ভাইরাল ভিডিও

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ৯ই সেপ্টেম্বরঃ অনুব্রত মণ্ডলের খাস তালুকে লাভপুরের শম্ভুনাথ কলেজে পালিত হচ্ছে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানেই চলছে চটুল নাচ। । ইতিমধ্যেই সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যতদূর জানা গেছে , অনুব্রত মণ্ডলের ভাগ্নে রাজা ঘোষ ওই কলেজের পরিচালন কমিটির সম্পাদক। সূত্রে জানা যায় বীরভুমের লাভপুরের শম্ভুনাথ কলেজেই শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল তৃণমূল পরিচালিত ছাত্র সংসদ। ঘটনাচক্রে অনুব্রত মণ্ডলের ভাগ্নে রাজা ঘোষ ওই কলেজের পরিচালন কমিটির সম্পাদক।  সেখানেই হয় এই চটুল নাচ। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই নিন্দায় সরব হয়েছে শিক্ষক মহল। শিক্ষা মহলের একাংশের অভিযোগ  শুধু লাভপুর শম্ভুনাথ কলেজেই নয়, তৃণমূল পরিচালিত একাধিক কলেজে চটুল নাচ, সাথে সাথে ডিজের ব্যবহার  দেখা গিয়েছে। কলেজের অনুষ্ঠানে কোনও কিছুরই অভাব রাখা হচ্ছে না ।  

  • ৪ বছরের শিশুর পেট থেকে পাওয়া গেল কুলের বীজ, নাটবল্টু কাপড়ের টুকরো ও মাটি

    Newsbazar24,ডেস্ক ,২৫ অগাস্ট : বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ডাক্তাররা এক  ৪ বছরের শিশুর পেটের অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে সফল । পেট থেকে বের করা হল ২০৩ টি কুলের বীজ, একটি নাটবল্টু, বেশ কিছু কাপড়ের টুকরো ও মাটি। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে বলে  জানা গেছে।  হুগলির শ্যামবাজারের বাসিন্দা  ৪ বছরের রুইদাসের সমস্যা  শুরু হয়েছিল ৩-৪মাস আগে। শিশু রুইদাসের  পেটে ব্যথার সঙ্গে পেট শক্ত হয়ে যাচ্ছিল। পায়খানায় হচ্ছিল না। প্রথমে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করলে  এক্স রে করা হয়। এরপর সেখানকার চিকিৎসকরা শিশু-সহ অভিভাবকদের পাঠিয়ে দেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে। ১৪ অগাস্ট শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে। চলতে থাকে চিকিৎসা। চিকিৎসকরা অনুমান করেন, পেটে শক্ত কিছু রয়েছে। শিশুটিকে ভর্তি করে নেওয়া হয় সেখানে। নানা পরীক্ষার পর অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। ২৫ অগাস্ট নরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দশজনের চিকিৎসকদল এই অস্ত্রোপচার করেন। ২০৩ টি কুলের বীজ, নাটবল্টু পাওয়ার পর তাজ্জব হয়ে যান চিকিৎসকরা। শিশুটির অভিভাবকরা জানিয়েছেন, বাড়ির কাছেই একটি কুল গাছ রয়েছে। সেখান থেকেই সে কুল খেতে পারে। মাটি মুখে দিতে তারা দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু পেট থেকে যে পরিমাণ মাটি পাওয়া গিয়েছে, সেটা একটু অস্বাভাবিক লেগেছে চিকিৎসকদের। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন  শিশুটি মানসিকভাবে সুস্থ নয়। তাই তার সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিং করা দরকার ।  

  • তৃণমূল নেতার ছবি দেওয়া ব্যাজ পড়ে মঞ্চে উপস্থিত পুলিশ কর্তা সহ প্রশাসনিক কর্তারা।

    Newsbazar.24,ডেস্ক,১৭ আগস্টঃসরকারী আধিকারিক সহ পুলিশ আধিকারিকরাও  অনুব্রত মণ্ডলের ছবি দেওয়া ব্যাজ পড়ে  অনুষ্ঠান মঞ্চ আলোকিত করলেন।  উপস্থিত ছিলেন  নলহাটির ওসি, এএসআই থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্তারা এবং স্থানীয় তৃণমূল বিধায়কও। অনুষ্ঠানের ছবি প্রকাশিত হতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে।বিরোধী দলগুলি এই ছবি দেখে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তারা বলছেন প্রশাসনের কর্তারা তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে । ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবস  উপলক্ষে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিল নলহাটি ফ্রেন্ডস ক্লাব। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নলহাটি ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। আর এলাকার স্থানীয় তৃণমূল নেতারাই এই ক্লাবটিরহর্তা কর্তা বিধাতা। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় যুবকদের একাংশ ছাড়াও হাজির ছিলেন প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা। হাজির ছিলেন এএসআই শুভঙ্কর ঘোষ, ওসি তথা সিআই অর্ণব গুহ। ছিলেন স্থানীয় বিডিও-ও। এদের বুকে ছিল বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ছবি দেওয়া ব্যাজ। সেই ক্লাবেরই রক্তদান শিবিরের অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক কর্তাদের অনুব্রত মণ্ডলের ছবি দেওয়া ব্যাজ পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। ফলে যেটুকু সময় তাঁরা অনুষ্ঠানে ছিলেন, তাঁদের বুকে দেখা গিয়েছে সেই ব্যাজ।  

  • মধুচক্রের হদিশ মিলল সিউড়িতে : কলেজ ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে নাবালিকারাও এই কাজের সঙ্গে যুক্ত

    News bazar24:এবার মধুচক্রের হদিশ মিলল সিউড়ির বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মহিলা থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে একটি বেসরকারি হোটেলে। কলেজ ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে নাবালিকারাও এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ। পুলিশকে বহুবার জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ । খুবই কম পয়সায় হোটেলগুলির ঘর ভাড়া দেওয়া হয়। পকেটমানি বাঁচিয়ে সেই ঘর ভাড়া নেয় কলেজ পড়ুয়ারাই। মূলত তারাই সেখানে দেহব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার অতর্কিতে ওই হোটেলে অভিযান চালায় পুলিস। ৭ তরুণী ও ৬ জন যুবককে আটক করেছে পুলিস। সিল করে দেওয়া হয়েছে হোটেলটি, আটক করা হয় হোটেলের দুই কর্মীকে। সূত্রের খবর তাদেরকে জেরা করেই এর মূল চক্রের হদিশ খুঁজতে পুলিশ।

  • মেয়ে সেজে প্রাক্তন স্ত্রীকে অপহরণের ছক স্বামীর : গনধোলাই।

    News bazar24:প্রাক্তন স্ত্রীর উপর প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে উঠেছিল স্বামী। শেষমেশ মেয়ে সেজে প্রাক্তন স্ত্রীকে অপহরণের ছক কষল স্বামী। যদিও শেষপর্যন্ত স্ত্রীর চিত্কারে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। চলে উত্তমমধ্যম। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের সিউড়িতে। বছর দুয়েক আগে সিউড়ির মাটপলসা গ্রামের বাসিন্দা রাজিয়া বিবির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ছোট আলুন্দা গ্রামের বাসিন্দা শেখ আবদুল্লাহের। বাড়ির সম্মতিতেই চার হাত এক হয়। কিন্তু বিয়ের পর পরই সামনে আসে আবদুল্লাহের আসল রূপ। রেজিয়া জানতে পারেন, বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আবদুল্লাহ। এলাকার মানুষের কাছে মেয়ে ও মাদক পাচারকারী বলে পরিচিত তাঁর স্বামী। রাজিয়া শোনেন, তাঁর স্বামী আবদুল্লাহ কখনও মাদ্রাসা স্কুল খুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে মেয়ে পাচার করেছে। কখনও আবার লুকিয়ে মাদক পাচারের সঙ্গেও যুক্ত ছিল। এছাড়াও আরও নানাধরনের অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আবদুল্লাহ। স্বামীর এসব কুকীর্তি মানতে পারেননি রাজিয়া। প্রতিবাদ করেন। অভিযোগ, এরপরই স্ত্রী রাজিয়ার উপর অত্যাচার করতে শুরু করে আবদুল্লাহ। শুরু হয় মারধর। নিজেদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকে সে। এরপরই মাস ছয়েকের মধ্যে আবদুল্লাহকে ডিভোর্স দিয়ে বাপের বাড়িতে ফিরে আসেন রাজিয়া। অভিযোগ, তারপর থেকেই প্রাক্তন স্ত্রীকে বিক্রি করার জন্য সুযোগ খুঁজতে থাকে আবদুল্লাহ। নানা ফন্দি আঁটে সে। যদিও কোনও চেষ্টাই সফল হয়নি। আবদুল্লাহ জানতে পারে, রোজই সিউড়ি আসেন রাজিয়া। একথা জানতে পেরেই ফের রাজিয়াকে অপহরণের ছক কষে আবদুল্লাহ। বোরখা পরে প্রথমে মেয়ে সাজে আবদুল্লাহ। তারপর বোবার অভিনয় করে। টাকা দিয়ে ড্রাইভারকে হাত করে একটি মারুতি গাড়ি ভাড়া করে আবদুল্লাহ। তারপর সেই গাড়ি নিয়ে রাজিয়ার সামনে হাজির হয়। মেয়ের ছদ্মবেশে আবদুল্লাহকে দেখে স্বাভাবিকভাবেই চিনতে পারেনি রাজিয়া। নিশ্চিন্ত মনে গাড়িতে উঠে বসেন তিনি। রাজিয়া গাড়িতে ওঠার পরই ছদ্মবেশে ছেড়ে আসল মূর্তি ধরে আবদুল্লাহ। শুরু হয় মারধর। রাজিয়া যাতে চিত্কার করতে না পারেন, সেজন্য তাঁর মুখ চেপে ধরা হয়। গলাও টিপে ধরা হয়। এইভাবেই বেশ কিছুটা রাস্তা পেরিয়ে যায়। তারপর ছোটো আলুন্দা গ্রামের কাছে গাড়ি আসতেই, কোনওভাবে নিজেকে ছাড়িয়ে চিত্কার শুরু করেন রাজিয়া। ধাক্কাতে থাকেন গাড়ির কাঁচ। এদৃশ্য চোখে পড়ে গ্রামবাসীদের। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা গাড়ির পিছু ধাওয়া করতে শুরু করেন। বেশ কিছুটা যাওয়ার পর গাড়িটি ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় রাজিয়াকে। টেনেহিঁচড়ে বের করা হয় আবদুল্লাহকেও। তারপরই রাজিয়ার মুখ থেকে সব শোনার পর শুরু হয় গণধোলাই !

  • নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়নজুলিতে উলটে গেল বাস। দুর্ঘটনায় ৩০ জন

    News bazar24:রেষারেষি করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়নজুলিতে উলটে গেল বাস। দুর্ঘটনায় ৩০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। রবিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে বর্ধমান-আরামবাগ রোডের রায়নার মিরেপোতা বাজারে। আসনে বসে থাকা অনেক যাত্রীই চোখ বুঝে ঝিমোচ্ছেন। কেউ বা খবরের কাগজে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছেন। প্রায় প্রত্যেকেই সকালের বাসে কাজে যোগ দিতে যাচ্ছেন। আচমকাই বিকট শব্দ। কিছু বুঝে ওঠার আগেই হুড়মুড়িয়ে একে অপরের ঘাড়ে গিয়ে পড়লেন যাত্রীরা। কারোর মাথায় আঘাত লাগল, কারও বা হাত-পা আটকে গেল বাসের সিটের নীচে। জানলার কাচ ভেঙে ক্ষতবিক্ষত হলেন অনেকে। শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে দেখলেন, একটি বাসের যাত্রীরা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। বাস সামনের অংশ ভেঙে গুড়িয়ে গিয়েছে। রবিবার সকালে মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকলেন বর্ধমানের রায়নার মিরেপোতা বাজারের বাসিন্দারা। স্থানীয়রা বলেন, বর্ধমান থেকে মেদিনীপুরের মেচেদা স্টেশনগামী বাসটি দ্রুতগতিতে যাচ্ছিল। সামনে একটি বর্ধমান-আরামবাগ রুটের বাসের সঙ্গে রেষারেষি চলছিল। মিরেপোতা বাজারের কাছে আরামবাগ রুটের বাসটিকে ডানদিক ধরে ওভারটেকের চেষ্টা করে মেচেদা রুটের বাসটি। সেইসময় অপর বাসটি আরও ডানদিকে চলে আসে। ফলে মেচেদাগামী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডানদিকে থাকা একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা মেরে নয়নজুলিতে উলটে যায় । প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রাই যাত্রীদের উদ্ধার করতে থাকেন। পরে খবর পেয়ে সেহারাবাজার ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

  • ঝাড়ফুঁক করতে গিয়ে সাপে কামড়ানো রুগীর মৃত্যু বর্ধমানে

    News Bazar24:বর্ষসাপের কামড় খাওয়া রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বদলে নিয়ে যাওয়া হল ওঝার বাড়িতে। চলল ঝাড়ফুঁক। গাছের শিকড়-বাকড় খাইয়ে বাঁচানোর চেষ্টা! কিন্তু শেষপর্যন্ত সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়। কোনও তুকতাকই কাজে আসে না। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় মহিলার। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। মৃতার নাম ডলি মালিক। কালনার ঝেড়ো গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন ডলি। বুধবার সন্ধ্যায় বাড়িতেই রুটি করছিলেন ডলি। সেইসময়ই হঠাত্ হাতে ছোবল মারে বিষধর সাপ। ডলি মালিকের ডান হাতে ছোবল মারে সাপটি। চিত্কার করে ওঠেন ডলি। তাঁর চিত্কার শুনে ছুটে আসেন বাড়ির লোকেরা। সাপে কেটেছে বুঝতে পেরেই হাতে শক্ত করে বাঁধন বেঁধে দেন তাঁরা। তারপরই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বদলে মোটর সাইকেলে চাপিয়ে ডলি মালিককে নিয়ে ওঝার বাড়িতে হাজির হন আত্মীয়রা। সেখানেই চলে ঝাঁড়ফুক। তারপর শিকড়-বাকড় খাইয়ে বাড়িতে ফেত পাঠিয়ে দেওয়া হয় ডলিকে। এরপর যত সময় গড়ায় ততই অবনতি ডলি মালিকের স্বাস্থ্যের অবনতি হতে থাকে। শেষমেশ তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কালনা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। কালনা হাসপাতালের চিকিত্সকরা ডলি মালিককে মৃত বলে ঘোষণা করেন ।