বীরভূম -বর�ধমান

  • ২৯ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোট। পতাকা পোড়ানোকে কেন্দ্র করে বীরভূম অশান্ত

    news bazr24:বীরভূম, আসানসোল-সহ বিভিন্ন জায়গায় চলছে শেষ পর্বের প্রস্তুতি। আর এর মাঝেই ফের উত্তপ্ত বীরভূম। পতাকা পোড়ানোকে  কেন্দ্র করে শুরু ঝামেলা। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের দুবরাজপুরের বালিজুরি গ্রাম পঞ্চায়েতের মহুলা গ্রামে। বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরাই এই কাজ করেছে।অভিযোগ, রবিবার সকালে বিজেপির বেশ কিছু পতাকা পুড়ে যাওয়া অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে এলাকার বাসিন্দারা। সেখান থেকেই বাঁধে বচসা। সবমিলিয়ে ভোটের ঠিক আগের দিন এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানোয় আতঙ্কে রয়েছেন গ্রামবাসীরা। 

  • অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি রাখার চাঞ্চল্যকর দাবি জানালো বীরভূম জেলার ভোটকর্মী রা

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ২৭ এপ্রিলঃ বীরভূম জেলার ভোটকর্মীরা দাবী তুলেছেন সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে অবিলম্বে বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি করতে হবে। তারা আজ এই দাবী নিয়ে জেলার  মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে  দেখা করেন । জেলার ভোটকর্মী ঐক্যমঞ্চের পক্ষ থেকে তারা এক  চিঠি দিয়ে  বলেছেন  শাসকদলের হয়ে ভোট করানোর জন্য অনুব্রত মণ্ডল ভোটকর্মীদের হুমকি দিচ্ছেন।  বিভিন্ন সময়ে অনুব্রত মণ্ডলের নানা বক্তব্য যা ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে তার কাটিং  তাঁরা নির্বাচন কমিশনের সামনে তুলে ধরেছেন বলে জানা গিয়েছে। অনুব্রত মণ্ডলের এই সব বক্তব্য ভোটকর্মী ও সাধারন ভোটারদের মনে ভীতির সঞ্চার করেছে বলে তারা মনে করছেন। যার মধ্য দিয়ে সুষ্ঠু  ও অবাধ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে তারা মনে করেন। তাই তারা মনে করেন ভোটপর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি না করলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।       

  • জোর কদমে ভোটের প্রচারে বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুনীল কুমার মণ্ডল

    গৌরনাথ চক্রবর্ত্তী,কাটোয়া, ৪ এপ্রিলঃ যতই ভোট এগিয়ে আসছে বাড়ছে ততই রাজনৈতিক দলের প্রচার।কোথাও সভা করে প্রচার,কোথাও পায়ে হেঁটে প্রচার,কোথাও বা টোটো গাড়িতে বা গরুর গাড়িতে চেপে প্রচার। আগামী ২৯ এপ্রিল বর্ধমান পূর্ব লোকসভা ভোট।তারই প্রস্তুতি হিসাবে বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রে সুনীল মণ্ডলকে দ্বিতীয় বারের জন্য নির্বাচিত করার দায়িত্ব দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সুনীল মণ্ডলের সমর্থনে   কাটোয়া ২নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যবস্থাপনায় শ্রীবাটী অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির উদ্যোগে বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রের প্রার্থী সুনীল কুমার মণ্ডল জোর কতমে  পায়ে হেঁটে ভোটের প্রচার ও জনসংযোগ করলেন।সঙ্গে ছিলেন কাটোয়া ২নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুব্রত মজুমদার, শ্রীবাটী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সাগর প্রধান,উপ প্রধান জগন্নাথ রুদ্র, কাটোয়া ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিষাদ সামন্ত, জেলা পরিষদের সদস্য তুষার সামন্ত ও শ্রীবাটী অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতি কোরবান মিদ্যা সহ তৃণমূল কর্মী,সমর্থক ও সাধারণ মানুষ।মহিলা ঢাকি বাদ্যযন্ত্র সহকারে শ্রীবাটী গ্রাম পঞ্চায়েতের চাণ্ডুলী থেকে প্রচার শুরু করে মূলগ্রাম,নন্দীগ্রাম,পোষ্ট গ্রাম,শ্রীবাটী,নতুনগ্রাম,বাকসা গ্রাম হয়ে মূলটি গ্রামে গিয়ে পদযাত্রা শেষ হয়। সুনীল বাবু বলেন,রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর অনেক উন্নয়ন মূলক কাজ হয়েছে।সুনীলবাবু আরোও বলেন,তিনি নির্বাচনে জিতলে আরোও বেশি করে মানুষের পাশে থাকার সুযোগ পাবেন।

  • রক্ত সঙ্কট দুর করতে ময়দানে আসানসোলের নার্সিং কর্মীরা।

    News Bazar24 : সারা রাজ্য তথা দেশ জুড়ে। রক্তের সঙ্কট। গরমে রক্তদান শিবির করা মুশকিল হয়। সেই  ভোটের আবহে স্বেচ্ছাসেবক পাওয়াও মুশকিল। সব মিলিয়ে রক্তের সঙ্কট। আর এই রক্ত সঙ্কট দুর করতে ময়দানে নামলো আসানসোল জেলা হাসপাতালের নার্সিং কর্মীরা। খবরে প্রকাশ, আসানসোল জেলা হাসপাতালের সরকারি ব্লাডব্যাঙ্কও রক্ত সঙ্কটের এর ব্যতিক্রম ছিল না। রক্তের সঙ্কট শুরু হয়ে গিয়েছিল সেখানে। কিন্তু গত কয়েক দিনে তারা ব্যতিক্রম হয়ে উঠল, বিশেষ এক উদাহরণ তৈরি করে। চরম রক্তসঙ্কট মেটাতে, নিজেরাই রক্ত দান করলেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও অচিকিৎসক কর্মীরা। ভরিয়ে তুললেন হাসপাতালের ব্লাডব্যাঙ্ক। অঙ্গীকার করলেন, রক্তের অভাবে মৃত্যু হতে দেবেন না শহরের কোনও রোগীর। “হাসপাতালে প্রচুর থ্যালাসেমিয়া রোগীর নিয়মিত ব্লাড ট্রান্সফিউশন হয় আমাদের হাসপাতালে। জটিলতা নিয়ে ভর্তি হন বহু প্রসূতি, যাদের এমার্জেন্সি ডেলিভারির সময়ে রক্ত লাগে। এ ছাড়াও বড় বড় অস্ত্রোপচারে রক্তের প্রয়োজন তো হয়ই যে কোনও সময়ে। এর কোনওটাই মরসুম মেনে হয় না। তাই যতই আকাল থাকুক রক্তের, এই ধরনের রোগীদের জন্য যে কোনও সময়ে রক্তের ব্যবস্থা করতে আমরা বদ্ধপরিকর।”– বলছিলেন এই অভিনব রক্তদান উৎসবের উদ্যোক্তা, আসানসোল জেলা হাসপাতালের ব্লাডব্যাঙ্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক, ডক্টর সঞ্জিত চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানান, মূলত নার্সিং স্টাফ দের উৎসাহতেই এই উদ্যোগ।তার কথায়,, আসানসোল শহরের যত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল বা নার্সিংহোম আছে, তার বেশির ভাগটাই রক্তের জন্য নির্ভর করে আসানসোল জেলা হাসপাতালের উপরেই। এই ব্লাডব্যাঙ্কটিই শহরের মূল এবং কেন্দ্রীয় ব্লাডব্যাঙ্ক। সরকারি ব্লাডব্যাঙ্ক এই একটাই আছে। সঞ্জিত বাবু বলেন, “সেই জায়গা থেকেই আমরা দায় অনুভব করি, আমাদের ব্লাডব্যাঙ্কে রক্তের জোগান অব্যাহত রাখা। এই গরমে সেটা খুবই অসুবিধা, তাই নিজেরাই রক্ত দিই। হিসেব করে দেখি, ডাক্তার, নার্স, কর্মী, নিরাপত্তা রক্ষী– সব মিলিয়ে তো সংখ্যা নেহাত মন্দ নয়। তত ইউনিট রক্তও যদি সঞ্চয় করা যায়, সেটাই বা কম কী!” হাসপাতাল সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে এই রক্তদান উৎসব। ৫০ জন কর্মী রক্ত দেন ওই দিন। শুক্রবার এগিয়ে আসেন হাসপাতালের ৩৮ জন সিস্টার। শনিবার রক্ত দেন আরও ২০ জন হাসপাতাল-কর্মী। বাদ ছিলেন না সুইপার বা নিরাপত্তারক্ষীরাও। মঙ্গলবার দেওয়ার কথা আরও ৫০ জনের। ওই দিন নিজেদের বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে আসবেন হাসপাতাল কর্মীরা। এভাবেই আসানসোলের একমাত্র সরকারি ব্লাডব্যাঙ্কটির রক্তের অভাব একটু একটু করে পূরণ করছেন তাঁরা। যা প্রশংসার দাবি রাখে।

  • অভিনব উদ্যোগে মেয়ের জন্মদিন পালন করলেন পিতা

    গৌরনাথ চক্রবর্ত্তী, কাটোয়াঃ পূর্ব-বর্ধমানের দাঁইহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের চৌধুরী পাড়া জি এস এফ পি  বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মিড-ডে মিলে "তিথিভোজ"  নামে বিশেষ আহারের ব্যবস্থা করা হয় গত বুধবার। জেলা সর্ব্বশিক্ষা মিশনের আবেদনে সাড়া দিয়ে দাঁইহাট পৌরসভার  ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শিক্ষক  অজয় কুমার সাহা তাঁর মেয়ে অদ্রিজা সাহার ১০ তম জন্মদিনে ছাত্র-ছাত্রীদের"তিথিভোজ"নামে বিশেষ আহারের ব্যবস্থা করেন।আহারে ছিল ভাত,ডাল,তরকারি ,মুরগির মাংস, মিষ্টি ও পায়েস। উপস্থিত ছিলেন দাঁইহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের পৌরমাতা মাধবী রাজোয়ার,দাঁইহাট পৌরসভার মিড-ডে-মিল ইনচার্জ পরেশনাথ রায়চৌধুরী, চৌধুরী পাড়া জি এস এফ পি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ননীগোপাল মণ্ডল সহ বিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষক -শিক্ষিকা। অদ্রিজা সাহা দাঁইহাট  আদর্শ এফ পি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।  অদ্রিজা সাহা ও তার বাবা শিক্ষক অজয় কুমার সাহা বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে খাবার  পরিবেশন করেন।অদ্রিজার বাবা অজয় কুমার সাহা জানান,আমি পাঁচ বছর ধরে অদ্রিজার জন্মদিন এইভাবে পালন করে আসছি।তিনি চান , মানুষ উৎসাহিত হয়ে এই কাজে এগিয়ে আসুক।এই ধরনের উদ্যোগকে শহরবাসী সাধুবাদ জানিয়েছেন।

  • পরকীয়া সম্পর্ক ভাঙতেই অস্ত্র দিয়ে গৃহবধূর গলায় কোপ, অভিযুক্ত প্রেমিক পলাতক

    newsbazar24: পরকীয়া সম্পর্ক ভাঙতেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে গৃহবধূর গলায় কোপ মারল প্রেমিক।ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার গোপীনাথপুরে।অভিযুক্ত প্রেমিক জাফর আলি ওরফে ফকির ঘটনার পর থেকেই পলাতক। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই গৃহবধূ বর্তমানে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। ওই গৃহবধূর স্বামী সেখ নজরুল ও ফকির দুজনেরই বাড়ি একই গ্রামে। দুই বন্ধু-ই রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। সেই সূত্রে নজরুলের বাড়িতে ফকিরের যাতায়াত ছিল।কিন্তু মাস ছয়েক আগে ফকিরের সঙ্গে নজরুলের স্ত্রীর  বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হতেই  নজরুলের মা বৌমাকে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। দিন কুড়ি আগে নজরুলের স্ত্রী শ্বশুরবাড়িতে আসে। ফকিরের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ রাখেনি তারপর থেকে।অভিযোগ, সম্পর্ক ভাঙার পর থেকেই বাজার-হাটে গেলে ওই গৃহবধূকে হুমকি দিতে শুরু করে ফকির। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূ পুকুর ঘাটে গেলে ফকির তাঁর উপর চড়াও হয়। গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে।রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রাই ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে প্রথমে রায়না প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। তারপর রাতে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয়।গৃহবধূ বর্তমানে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।

  • বীরভূমের নানুরে আবার তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত ১ জন।

    Newsbazar24, ডেস্ক, ৪ নভেম্বর : অনুব্রত মণ্ডলের বীরভূমের নানুরে আবার  তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ।  থমথমে  বীরভূমের নানুরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরী  হওয়ার জন্য  বরা সওতা গ্রাম  পুরুষ শূন্য। গ্রামের চণ্ডীপুরে সংঘর্ষেরে জেরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন ১ জন। তারপর থেকেই থমথমে গ্রাম। এলাকায় চলছে পুলিশি টহল। সূত্রে জানা যায় , নানুরের বরা সওতা গ্রামে বোর্ডগঠনের পর থেকে ১০০দিনের কাজের টাকার বণ্টন ঘিরে বহুদিন ধরেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঠাণ্ডা লড়াই চলছিল। এরপর সেই লড়াই এলাকা দখলের লড়াইয়ের রূপ নেয়। যার জেরে নানুরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে। স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ নানুরের বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতা কাজল শেখ ও তৃণমূল জেলা যুব সভাপতি গদাধর হাজরার মধ্যে গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরেই এই মর্মান্তিক পরিস্থিতি  । গতকাল রাতে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে গুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। চলতে থাকে গুলি। সেই সময় মুকুল মোল্লা নামে এক যুবকের পায়ে গুলি লাগে। মাথা ফেটে আহত হন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের সকলকে বোলপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে যায় এবং গ্রামে পূলিশ প্রহরা বসানো হয়েছে। যদিও বীরভূম জেলা তৃনমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ-র কথা স্বীকার করেননি।  

  • বীরভূমে তৃণমূল ব্লক সভাপতি গুলিবিদ্ব অভিযোগের তীর তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের দিকে

      Newsbazar24,ডেস্ক, ২১ অক্টোবর  : খয়রাশোল ব্লকের তৃণমূল সভাপতি  দীপক ঘোষ আক্রান্ত। তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ এবং  পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় তাঁকে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে স্থানীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।এই হামলার ঘটনায়  বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।  রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনা।  স্থানীয় সূত্রে জানা যায় খয়রাশোল ব্লক তৃণমূলের সভাপতি দীপক ঘোষ আজ এক  তৃণমূল কর্মীকে সঙ্গে করে বাইকে নিজের পুরানো  বাড়িতে যাচ্ছিলেন  । রাস্তায়  তিন দুষ্কৃতী বাইক থামিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। প্রথমে দীপক ঘোষকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। পরে সঙ্গীকে বাদ দিয়ে   দীপক ঘোষকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে খয়রাশোল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় দুর্গাপুরের বেসরকারি হাসপাতালে। আরও জানা গেছে, দীপক ঘোষের সঙ্গে ব্লক তৃণমূল কার্যকরী সভাপতি উজ্বল হকের ঝামেলা দীর্ঘদিনের। খোদ জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল দু'পক্ষকে নিয়ে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। কিন্তু, তাতেও দ্বন্দ্ব মেটেনি বলে অভিযোগ। এ ছাড়াও বেআইনি কয়লা খাদানের দখল কার হাতে থাকবে তা নিয়ে ঝামেলার জেরেই এই হামলা বলে জানা গেছে।প্রসঙ্গত  ১০ সেপ্টেম্বর খয়রাশোল ব্লকের বড়রা এলাকায় তৃণমূল কার্যালয়ে বোমা বিস্ফোরণ হয়। সেখানে দীপকবাবুর অনুগামীরা বসতেন। অভিযোগ, সেখানে বোমা মজুত ছিল।গত  ২৯ জুলাই খয়রাশোলের বাবুইজোড় গ্রামে দলীয় অঞ্চল কমিটির প্রকাশ্য সভা থেকে কাঁকরতলা থানার ওসি পার্থসারথি মুখোপাধ্যায়ের উর্দি খুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন দীপক ঘোষ। খবর পেয়েই খয়রাশোলের উদ্দেশে রওনা দেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তিনি বলেন, আক্রান্ত দীপক ঘোষ  তার অন্যতম হাত। হুমকির সুরে তিনি বলেন, তার নাম অনুব্রত মণ্ডল। তিনি মারামারি করতে চান না। কিন্তু কেউ মারলে পিছিয়ে যাবেন না। জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘটনায় বিজেপিকেই দায়ী করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এলাকায় বিজেপির কোনও সংগঠন না থাকলেও বাইরে থেকে দুষ্কৃতী এনে তাদের দলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। এলাকার ১১ টি পঞ্চায়েতের সবকটি তৃণমূলের দখলে বলে জানিয়েছেন তিনি। যদিও অনুব্রত মণ্ডলের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন যেখানে এলাকার ১১ টি পঞ্চায়েতের সবকটি তৃণমূলের দখলে সেখানে বিজেপি কোথা থেকে আসবে?  তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে।        

  • পূর্ব বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে কয়লা খনি ধসে মৃত দুই

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ৭অক্টোবরঃ পাণ্ডবেশ্বরে কয়লা খনিত ধসে মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। গতকাল রাতে পাণ্ডবেশ্বরের খোট্টাডিহি ইসিএলের কোলিয়ারিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত দুই শ্রমিক কোলিয়ারিতে ওভারম্যান ও ড্রেসারের কাজ করত, নাম চন্দ্রশেখর গিরি ও কালেশ্বর  মাহাতো।  ভোররাতে আচমকাই তাদের উপর কয়লাখনির উপরের অংশ ধসে পড়ার ফলে তারা চাপা পড়ে যায় ।    ইসিএলের কর্মীরা  উদ্ধারকার্যে নেমে পড়েন। তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়।  কিন্তু দীর্ঘ চেষ্টার পর কয়লাখনির ধসে চাপা পড়া দুই শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়।  কয়লাখনিতে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। ঘটনার দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। তা নিয়েও ক্ষোভে ফেটে পড়েন শ্রমিকরা। শ্রমিকদের দাবি, তাঁদের নিরাপত্তা  সুনিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত , তাঁদের বিক্ষোভ  চলবে বলে জানান শ্রমিকরা। অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ  আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও , কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি তাঁদের নিরাপত্তায়। সর্বদা বিপদ মাথায় নিয়ে তাঁদের কাজ করতে হয়। অভিযোগ, দুর্গাপুরে কয়লা তোলার কাজ চলছিল। সেইসময়ই পাণ্ডবেশ্বরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কয়লা তোলার সময় চাল ধসেই বিপত্তি বাধে।  

  • লক্ষাধিক টাকার গয়না সহ নগদ লুঠ করল ডাকাতরা

    পলাশ রায়: পুজোর আগেই বাড়লো চুরি ডাকাতির ঘটনা। পর পর সোনার দোকানে ডাকাতি।রাতের অন্ধকারে, লক্ষাধিক টাকার গয়না সহ নগদ লুঠ করল ডাকাতরা। ঘটনা সূত্রে প্রকাশ, ডাকাতির ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়াতে। কাটোয়ার হাড়িবাড়ি সোনাপট্টি এলাকায় অবস্থিত দোকান দুটি। এলাকায় সোনার দোকান হিসেবে বেশ নামডাক আছে। গতকাল অর্থাৎ সোমবার রাত ১০টা নাগাদ দোকান বন্ধ করে বাড়ি যান দুই দোকানের মালিক। এরপর এদিন সকালে তালা খুলতে এসে মালিক হরিগোপাল পাত্র ও স্বরূপ পাল দেখেন যে, দোকানের শাটার আধখোলা ।এরপর দোকানের ভিতর ঢুকেই দেখেন, সিন্দুক ভাঙা। দোকানের ভিতর লন্ডভন্ড অবস্থা। হরিগোপাল পাত্র ও স্বরূপ পাল জানিয়েছেন, দোকানের লকার ভেঙে লক্ষাধিক টাকার গয়না সহ নগদ টাকা লুঠ করে নিয়ে গেছে ডাকাতরা। সিন্দুক ভেঙে নিয়ে গেছে এই টাকা। শুধু এই দুটি দোকান নয়, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আরও দুটি দোকানের শাটার ভাঙার চেষ্টা করেছিল ডাকাতরা। জেলার মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের অভিযোগ, কটোয়ায় চুরি ডাকাতি নতুন নয়। পুলিশ কে বহু অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্ত কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।