বীরভূম -বর�ধমান

  • আউশগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক তার এলাকায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে

     Newsbazar, ডেস্ক, ১৭ইজুনঃ আউশগ্রামের তৃণমূল  বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডার তার এলাকায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন  বিধায়ক।  উল্লেখ্য গত বুধবার রাত নটা নাগাদ আউসগ্রামের বিল্বগ্রামে একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন তৃণমূল নেতা  তথা অঞ্চল সভাপতি উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর কয়েকজন অনুগামীও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই সময় তৃনমূলের আর এক নেতা  জয়মঙ্গল গোষ্ঠীর বেশ কয়েকজন তাদের ওপর লাঠি ও বাঁশ নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ।সেখানে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত হন উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর এক অনুগামীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় রেফার করা হয়। কলকাতার পথে ডানকুনিতেই উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে।  আজ রবিবার খুনের চারদিন পরে বিল্বগ্রামে গিয়েছিলেন বিধায়ক।   নিহত অঞ্চল  সভাপতির বাড়ি ঢুকতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা।  বিধায়কের সামনে তৃণমূল ব্লক সভাপতির  বিরুদ্ধে স্লোগান দেন গ্রামবাসীরা। মাত্র মিনিট তিনেক থাকার পর গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান বিধায়ক।  আরও জানা যায়  স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে আউসগ্রাম ১ ব্লকের বিল্বগ্রাম আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে প্রথম থেকেই মানতে চায়নি এলাকার কার্যকরী সভাপতি জয়মঙ্গল ও তাঁর অনুগামীরা। যদিও তৃণমূলের তরফে এই খুনের ঘটনায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করা হয়েছে।    

  • ঘুমন্ত অবস্থাতেই গৃহবধূকে কুপিয়ে খুন করলেন ‘প্রেমিক’

    news bazar24: ঘুমন্ত অবস্থাতেই গৃহবধূকে কুপিয়ে খুন করলেন ‘প্রেমিক’। স্বামী কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। পাঁচ সন্তানকে নিয়ে একাই বাড়িতে থাকতেন তিনি। পাড়ারই এক যুবকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কও ছিল তাঁদের মধ্যে। কিন্তু ছেলেমেয়ে হচ্ছে ভেবে সেই সম্পর্ক আর রাখতে চাননি। সেই আক্রোশেই ‘প্রেমিক’এর হাতে চরম শাস্তি পেতে হল তাঁকে। অভিযোগ, রবিবার রাতে মংলা শেখ সহরবানুর বাড়িতে ঢোকেন। তখন দুই মেয়ে ও ছেলেকে নিয়ে ঘুমোচ্ছিলেন সহরবানু। সহরবানুর মেয়ের বয়ান অনুযায়ী, আচমকাই মংলা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার মেয়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকেন মংলা। মায়ের চিত্কারে ততক্ষণে ঘুম ভেঙে যান দুই মেয়ে ও ছেলেরও। তাদের ওপরও হামলা চালান মংলা। প্রতিবেশীরা জড়ো হয়ে যাওয়ার বাড়ির পিছন দিয়ে পালিয়ে যান মংলা।মেয়ের দাবি, পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে এই ঘটনা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু হয় সহরবানুর।ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মুরারই থানার পুলিস।ঘটনার পর পলাতক অভিযুক্ত প্রেমিক মংলা সেখ ।

  • প্রেমিকার 'নগ্ন' ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রেমিকের বিরুদ্ধে।

    newsbazar24: প্রেমিকার 'নগ্ন' ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রেমিকের বিরুদ্ধে। আরও অভিযোগ, পুলিসের দ্বারস্থ হলেও মেলেনি কোনও সাহায্য। নানা বাহানা দেখিয়ে বার বার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে অভিযোগকারী যুবতীকে। বীরভূমের সিউড়ির এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ন্দা ডাক্তারি পড়ুয়া কউসর আলির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল এলাকারই এক যুবতীর। দীর্ঘ ৬ বছরের সম্পর্ক ছিল তাঁদের। বিয়ের কথাও শুরু হয়েছিল।কখনও ছেড়ে যাবে না বলে কউসর তাঁকে কথা দিয়েছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। কউসরের কথায় বিশ্বাস করেছিলেন তিনি। এরপর সম্পর্ক দিন গড়াতেই 'প্রেমিক' কউসর বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছে 'নগ্ন-অর্ধনগ্ন' ব্যক্তিগত ছবি চাইতে শুরু করে। 'প্রেমিক'-কে বিশ্বাস করে তাঁর 'আবদার'ও মিটিয়েছিলেন তিনি।অভিযোগ, সেইসময়ই ওই যুবতীর চোখে পড়ে বিভিন্ন সময় তাঁর কাছ থেকে নেওয়া ব্যক্তিগত সব ছবি ফেসবুকে পোস্ট করছে কউসর। ওই যুবতী জানিয়েছেন, বার বার কউসরকে তিনি অনুরোধ করেন এরকম না করতে। কিন্তু তাতে পাত্তা দেয়নি কউসর।পুলিসের দ্বারস্থ হন ওই যুবতী। জেলাশাসকের কাছেও দরবার করেন তিনি। অবিলম্বে অভিযুক্ত কউসরকে গ্রেফতারের দাবি জানান ওই যুবতী। কিন্তু কোথাও কোনও সহযোগিতা পাননি বলেই দাবি তাঁর।

  • তৃণমূল দলকে আমি আর টি এম সি বলি না, বলি টি এম ছি কটাক্ষ বাবুল সুপ্রিয়র।

    Newsbazar, ডেস্ক,১১ইমেঃ ব্যালটে সঠিক লড়াই হলে তৃণমূল কংগ্রেস শেষ হয়ে যাবে । বর্ধমানের মেমারির মহেশডাঙার এক  দলীয় নির্বাচনী সভা থেকে থেকে তৃণমূল কংগ্রেসককে সাবধান করলেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তিনি বলেন,রাজ্যে বিজেপির উত্থান দেখে  দিদিও ভয় পেয়েছেন,  দিদির ভাইয়েরা ভয় পেয়েছেন। তাই লাগাতার বাধা চলছে। রাজ্যে সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করা হয়েছে পূর্বপরিকল্পিতভাবে। তারা ভয় পেয়েছে বলেই, মনোনয়ন করতে বাধা দিয়েছে। মনোনয়ন পর্ব থেকেই  প্রবল গণ্ডগোল পাকানো হচ্ছে। মনোনয়ন করতে দেওয়া হয়নি, মনোনয়ন করলেও প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়েছে, তারপর জোর করে প্রার্থীদের শাসকদলে যোগ দেওয়ানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ভোটে হারার ভয়ে এইসব হচ্ছে । ভোট ব্যালট বক্স পর্যন্ত গেলে তৃণমূল নির্মূল হয়ে যাবে, তাই আগেই ভোট শেষ করে দিতে তৎপর তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের এই ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যের শাসকদল যে ভূমিকা পালন করছে, তারপর ওই দলকে আমি আর টি এম সি বলি না, আমি বলি টি এম ছি। এদিন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার সাধারণ মানুষকে সঠিক পরিষেবা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তোলেন আসানসোলের সাংসদ। তিনি বলেন, কোনও টাকা সরকারের নয়। সব টাকা সাধারণ মানুষের। সাধারণ মানুষের করের টাকায় সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দেওয়া হয়। কিন্তু এই সরকার সেই পরিষেবা দিতে পারছে না। বাবুল  সুপ্রিয়র অভিযোগ, সাধারণ মানুষের করের টাকায় নিজেদের পেট ভরাচ্ছেন  করছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা। কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করে ফেলেছেন এই ক-বছরেই দিদির ভাইয়েরা । পঞ্চায়েত প্রধানের বহুতল বাড়ি। তিনি প্রশ্ন তোলেন  এই বহুতল বাড়ি কাদের টাকায় বানিয়েছেন তিনি?    

  • বীরভূমের সীমান্ত এলাকায় মহম্মদবাজারে গোঁসাইপাহাড়ি পাথরখাদানে বিস্ফোরণ।

    Newsbazar,১০ইমে ডেস্কঃ বীরভূমের সীমান্ত এলাকায়  মহম্মদবাজারে  শিকারিপাড়ার গোঁসাইপাহাড়ি পাথরখাদানে বিস্ফোরণ।  গতকাল রাতে বুধবার  এই বিস্ফোরণ হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা ১৩ এবং আহতদের বেশিরভাগকে ঝাড়খণ্ডের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। মাটির নীচে মজুত বিস্ফোরক সরাতে গিয়ে বিস্ফোরণ বলে জানা গিয়েছে। মহম্মদবাজারের শিকারিপাড়ার গোঁসাইপাহাড়ি পাথর খাদানে বিস্ফোরণ। সরকারি সূত্রে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে ১৩। অভিযোগ, বাকি মৃতদেহ ঝাড়খণ্ডের দিকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।  বীরভূমের পাথর খাদানগুলিতে কাজ করতে আসেন মূলত ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন তার সাথে বীরভুমের স্থানীয় লোকজন। সেক্ষেত্রে, সেখানকার হিসেব পাওয়া খানিকটা মুশকিল। স্থানীয়দের অভিযোগ,  বিস্ফোরণের পর মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকতে এলাকা ঘিরে ফেলে পাথর খাদানের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন। স্থানীয় মানুষকে বাধা দেওয়ার পিছনে স্থানীয় প্রশাসন যুক্ত রয়েছে বলে অভিযোগ। ।

  • তৃণমূল নেতার বাড়ীতে সিবিআই তল্লাসি,লাইসেন্স বিহীন ৯ এমএম পিস্তলও উদ্ধার ।

     Newsbazar, ডেস্ক, ৯ই মেঃ একসময়ের ডাকসাইটে তৃণমূল নেতা  এবং প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলার কপিল মণ্ডলের বাড়িতে সিবিআই  তল্লাশি।স্তরে জানা যায় যে  হিসেব বহির্ভূত সম্পত্তি রাখার জেরে এই তল্লাশি অভিযান  বাড়ি থেকে লাইসেন্স বিহীন ৯ এমএম পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের কাউন্সিলর ছিলেন কপিল মণ্ডল। আসানসোলের রামনগরের দীর্ঘদিনের বাসিন্দা  তৃণমূল নেতা কপিল মণ্ডল। নিজের ও পরিবারের নামে, বেনামে সম্পত্তি, গেস্টহাউস থাকার অভিযোগ উঠছিল। তাঁর সম্পত্তি যে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়, তা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে খবর ছিল । সিবিআই-এর তরফে তাঁর এবং পরিবারের সদস্যদের ওপর নজরদারি শুরু করা হয়। বুধবার সকালে রামনগরের বাড়িতে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা নগদে উদ্ধার করা হয়েছে। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে লাইসেন্স বিহীন একটি নাইন এমএম পিস্তল। পাওয়া গিয়েছে ছয় রাউন্ড কার্তুজও। স্থানীয় থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে লাইসেন্স বিহীন সেই অস্ত্র।  

  • পূর্ব বর্ধমানের কালনায় রাষ্ট্রায়ত্ত ইউকো ব্যাঙ্কে ভয়াবহ ডাকাতি

    ডেস্ক , ২৫ এপ্রিল :  পূর্ব বর্ধমানের কালনায় রাষ্ট্রায়ত্ত  ইউকো ব্যাঙ্কের কালনা সিঙ্গারকোন শাখায় ভয়াবহ ব্যাঙ্ক ডাকাতি। মঙ্গলবার দুপুরে  মুখ বাধা একাধিক দুষ্কৃতী হানা দেয় ঐ ব্যাঙ্কের । বন্দুক  দেখিয়ে কর্মী ও গ্রাহকদের বসে থাকতে বাধ্য করে। ব্যাঙ্কের কর্মীদের ভয় দেখিয়ে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা লুট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে  পুলিশ ব্যস্ত  থাকায় বিষয়টি মঙ্গলবার প্রকাশ্যে আসেনি।  ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা যায় যে  পুরো ঘটনাটি সিসিটিভি বন্দি হয়েছে।  দুষ্কৃতীরা রাজ্যের না বাইরের তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সিটিসিভি ফুটেজ সঠিকভাবে পরীক্ষার জন্য পুলিশের তত্ত্বাবধানে কলকাতায় পাঠানো হয়। ঘটনার পরে আশপাশের জেলাগুলিকে সতর্ক করা হয়।

  • দিলদারের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে করিধ্যা থেকে গ্রেফতার ৪ বিজেপি কর্মী

    ডেস্ক ঃ পুলিশ চাইলে কি না পারে ! দিলদারের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে  করিধ্যা থেকে গ্রেফতার হয়েছে শেখ সফিউল, আপেল শেখ, অসিত সরকার এবং গৌতম কোড়া। ধৃতরা সকলেই বিজেপি কর্মী বলে জানা যাচ্ছে। ধৃতদের ৭দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২৩ এপ্রিল সোমবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার (বর্ধিত) শেষ দিন রাজ্য জুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে গণ্ডগোলের খবর পাওয়া যায়। এদিন কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বীরভূম। এলাকা সকাল থেকেই থমথমে ছিল। সিউড়ি ১ নং ব্লকে বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ হেঁটে যাচ্ছিলেন একদল যুবক। অভিযোগ, ওই যুবকদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চলতে শুরু করে। আর তখনই দিলদারের বুকে ঘুলি লাগে। নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু ঘটে তাঁর। দিলদার হত্যাকাণ্ড ঘিরে চরমে ওঠে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল ও বিজেপি দুই দলই মৃত যুবককে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করে।

  • রাস্তায় এলোপাথাড়ি বোমা-গুলি, গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবকের মৃত্যু বীরভূমে

    ডেস্ক ঃগুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবকের মৃত্যু, রাস্তার ধারে একের পর এক দোকানে আগুন, ভাঙচুর, ধারালো অস্ত্র হাতে এলাকায় উন্মত্ত দাপাদাপি, বিরোধীদের তুলে নিয়ে গিয়ে ‘মারধর’, সংঘর্ষ, প্রাণ বাঁচাতে এলাকা থেকে বেপাত্তা নিরীহ গ্রামবাসী--সোমবার বর্ধিত মনোনয়নের দিনে বীরভূমের খণ্ডচিত্র এমনটাই।  এই সব ঘটনার জেরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছে প্রশাসনের ভূমিকা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে তাঁর জেলায় এতকিছু ঘটে গেলেও বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল নিজস্ব ভঙ্গিতে এদিনও অকাঠ্য যুক্তি দিলেন। তাঁর স্পষ্ট কথা, সংঘর্ষের কোনও ঘটনাই ঘটেনি বীরভূমে। তবে অস্ত্র হাতে টহলদারি কেন? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে অনুব্রত যা বলেন তা শুনে তাজ্জব সকলে। অস্ত্র হাতে চহলদারি নিয়ে প্রশ্ন করায় এদিন বীরভূমের কেষ্টদা বলেন, ‘‘গ্রামের মানুষদের প্রত্যেকেরই বঁটি, কাটারি থাকে। কিন্তু গ্রামে যেহেতু শান দেওয়ার ব্যবস্থা নেই। তাই সেগুলিকে শান দিতেই গ্রামের মানুষ বাইকে চড়ে বেরিয়েছেন।’’  বলা বাহুল্য, সিউড়ির ১ নম্বর ব্লক। মূলত গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবকের মৃত্যু ঘিরেই ঘটনার সূত্রপাত। সোমবার বেলায় রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন বেশ কয়েকজন যুবক। সকাল থেকেই এলাকা ছিল থমথমে, রাস্তায় লোক সংখ্যাও ছিল অন্য দিনের তুলনার কম। অভিযোগ, আচমকাই তাঁদের লক্ষ্য করে আচমকা শুরু হয় এলোপাথাড়ি গুলি। আর তাতে বুকে গুলি লাগে দিলদার নামে এক ব্যক্তির। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। রাস্তার ধারে একাধিক দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে আগুন। ওই অবস্থাতেই প্রাণে বাঁচতে এলাকা থেকে চম্পট দেন স্থানীয়রা।   অভিযোগ, জ্বালিয়ে দেওয়া দোকানগুলির মালিকদের কেউই কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্য নন। তবু রাজনৈতিক সংঘর্ষের রোষে পড়তে হয়েছে আপাত নিরীহ গ্রামবাসীদেরও। এদিকে, নিহত যুবকের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। বিজেপি দাবি করে নিহত যুবক তাদের সদস্য। কিন্তু, শাসকদল তা মানতে নারাজ।

  • অনুব্রত মণ্ডলের খাস তালুক বীরভূমে তৃনমূলের গোষ্ঠীদন্দ্বে হামলা ও মারধরের অভিযোগ।

    ডেস্ক, ২২ এপ্রিলঃ অনুব্রত মণ্ডলের খাস তালুক বীরভূমের ময়ূরেশ্বরে  তৃনমূলের এক গোষ্ঠীর নির্দল হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ায় হামলা ও মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি  বীরভূমের ময়ূরেশ্বরের ২ নম্বর ব্লকের রাধানগর এবং পূর্ব ছোট তুড়িগ্রামে। এই ঘটনায় পুলিশ উল্টে অভিযোগকারীকেই গ্রেফতার করেছে বলে অভিযোগ। প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান মনোনয়ন প্রদানকারীর সমর্থকরা। ময়ূরেশ্বরের ২ নম্বর ব্লকের রাধানগর এবং পূর্ব ছোট তুড়িগ্রাম। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দলের তরফে মনোনয়ন না পাওয়ায় স্থানীয় তৃণমূলের একটি অংশ ছটি আসনে মনোনয়ন জমা দেয় নির্দল হিসেবে। তাঁদের অভিযোগ, গ্রামের সবাই তৃণমূল করে। কিন্তু তৃণমূলের তরফে এবার যাঁদের প্রার্থী করা হয়েছে, তাঁরা সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত। তৃণমূলের ওই অংশের অভিযোগ, মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর থেকেই তা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হতে থাকে। কিন্তু তাতে কোনও কাজ না হওয়ায় হামলা ও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয় মহিলার শ্লীলতাহানি করার পাশাপাশি মোটরবাইক ও ঘরের ব্যবহার্য নানা জিনিস পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও ফল হয়নি। যাঁরা থানায় হামলার অভিযোগ জানিয়েছেন, তাঁদেরকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে রবিবার তাঁরা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁরা হামলার দায় চাপিয়েছে সিপিএম-এর ওপর।সিপিএম এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তৃনমূলের গোষ্ঠীদন্দ্ব আমদের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।        

  • এ রাজ্যেও দুই শিশুকন্যা যৌন নিগ্রহের শিকার, গ্রেপ্তার ৩।

    ডেস্ক, ১৭ই এপ্রিলঃ এ রাজ্যেও দুই শিশুকন্যা যৌন নিগ্রহের শিকার।ঘটনা দুটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের কুলটিতে। আক্রান্ত পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে দু’জন নাবালক।     জানা গেছে যে একটি ঘটনা ঘটেছে কুলটির নিয়ামতপুরে ইসকো রোড এলাকায়। রাস্তার পাশের নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে চার বছরের শিশু কন্যাকে যৌন নিগ্রহ করে। শিশুটি কোনও রকমে পালিয়ে গিয়ে ঘটনাটি মাকে জানায়। পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশে অভিযোগ দায়ের হলে পুলিশ ওই শিশুর দুই প্রতিবেশী কিশোরকে  গ্রেপ্তার করেছে।  অন্যদিকে,অপর ঘটনাটি ঘটেছে  কুলটির নিয়ামতপুরের ব্রহ্মচারীস্থান এলাকায়। সাত আট বছরের এক শিশু কন্যাকে বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে প্রতিবেশী এক যুবক যৌন নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই যুবককে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন প্রতিবেশীরা।  

  • তুলকালাম সিউড়ি জেলাশাসকের অফিসে। বিজেপি-তৃণমূল দুপক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত

    ডেস্ক ঃ  বিজেপি-তৃণমূল দুপক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন। বীরভূমের  বিজেপি জেলা সাধারণ সম্পাদককে  ছুরি মারার অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার সকালে। জেলাশাসকের দফতরে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না, এই অভিযোগ তুলে স্মরকলিপি দিতে যান বীরভূমের জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক কালসোনা মণ্ডল। সেসময়ই তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। তাঁর কোমরে ছুরি মারা হয় বলেও অভিযোগ। অন্যদিকে, মারধর করার অভিযোগ ওঠে বিজেপির জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়কে। অন্যদিকে, কোচবিহারের দিনহাটাতেও বিজেপি প্রার্থীর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে নমিনেশন জমা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন বিজেপি প্রার্থী কালিপদ সরকার। সেই সময়ই দুষ্কৃতীরা তাঁর ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ।  কোচবিহার এম জে এন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বিজেপি নেতাকে।  অন্যদিকে, মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ বাধে মুর্শিদাবাদের লালবাগেও। বিজেপির জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর ঘোষকে লাঠি, উইকেট দিয়ে মারা হয় বলে অভিযোগ।

  • প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করেই দাঙ্গাকবলিত আসানসোল পরিদর্শন করল বিজেপির সংসদীয় প্রতিনিধি দল।

    ডেস্ক, ১লা এপ্রিলঃ প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা  করেই দাঙ্গাকবলিত  আসানসোল পরিদর্শন করল   বিজেপির সংসদীয় প্রতিনিধি দল। বেলা প্রায় সাড়ে বারোটা নাগাদ আসানসোলে পৌঁছয় ৪ সদস্যের দল। দলে রয়েছেন শাহনওয়াজ হোসেন, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়,ওম মাথুর ও বিডি রাম। ঘুরে দেখলেন বিভিন্ন ত্রাণ শিবির। কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্যের শাসক দলকে। প্রতিনিধিদলের অভিযোগ হিংসা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রকেও রিপোর্ট দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। সকাল আটটা  নাগাদ ধর্মতলা থেকে রওনা হয় বিজেপির প্রতিনিধি দল। নেতৃত্বে বিজেপির সাংসদ ওম মাথুর , শাহনওয়াজ হোসেন, রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ছাড়াও ছিলেন বিডি রাম। শনিবারেই প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছিল নির্বাচনের আচরণবিধি লাগু হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিধিদলকে আসানসোল যেতে দেওয়া হবে না। বিজেপির তরফে পাল্টা জানানো হয়েছিল পুলিশের বাধা উপেক্ষা করেই যাওয়া হবে সেখানে। ঘোষণা মতোই কাজ হয় রবিবার সকালে। বাঁশড়া মোড় ও কালীপাহাড়ির কাছে প্রতিনিধিদলের গতি রোধ করা হয়। কিন্তু আসানসোলে যাওয়ার ব্যাপারে অনড় থাকেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। পুলিশের অনুরোধ উপেক্ষা করেই আসানসোলের দিকে রওনা হয়ে যায় দলটি। আসানসোলে পৌঁছে উত্তর ধাদকা, রামকৃষ্ণপুর-সহ একাধিক ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দলটি। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথাও বলেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার আসানসোল যাওয়ার পথে সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়কে বাধা দেয় পুলিশ। শনিবার রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী এবং সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীকে আসানসোল ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ। বিজেপির প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানিয়েছেন, হিংসা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রকেও রিপোর্ট দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, নতুন করে অশান্তি এড়াতে ইন্টারনেট পরিষেবা ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৪৪ ধারা বহাল থাকছে সোমবার মধ্যরাত পর্যন্ত।  

  • রানিগঞ্জে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় দুই মূল অভিযুক্ত তৃনমূলের বলে অভিযোগ।

    ডেস্ক, ৩১শে মার্চঃ  রানিগঞ্জে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় দুই মূল অভিযুক্ত র সঙ্গে   তৃণমূলের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব  বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি । অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে,বলে পুলিশ জানিয়েছে। রানিগঞ্জ পুলিশ গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে  ৫১ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যার প্রথমেই রয়েছে বিল্লি ওরফে ইন্তেখাপ খানের নাম। সে তৃণমূলের স্থানীয় নেতা বলে জানা গিয়েছে। দ্বিতীয় নামটি হল সানি ওরফে শাহিদ শেখ। সে ওই বিল্লির শাগরেদ বলে জানা গিয়েছে। আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেট সূত্রে খবর, বিল্লি আর সানিই সেদিনের অশান্তির মূলে। এরাই রামনবমীর মিছিলে প্রথমে হামলা চালায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এখন পর্যন্ত গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, গোষ্ঠী সংঘর্ষের পরে কুলটি এলাকায় লুকিয়ে ছিল তারা। জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক কমিটি ছাড়াও ওয়ার্ড কমিটির প্রসিডেন্ট ছিল এই বিল্লি ওরফে ইন্তেখাপ খান। আগেও বিল্লির বিরুদ্ধে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকা দখল বজায় রাখতে বিল্লিকে মেনে নেয় তৃণমূল। এমনকী এই বিল্লি তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক, প্রাক্তন কাউন্সিলের অতি ঘনিষ্ঠ ছিল বলেও অভিযোগ। ফলে শাসক ঘনিষ্ঠতার কারণেই বিল্লির বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নেয়নি। বিল্লির মতোই তার প্রধান সহযোগী সানিও তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে স্থানীয় সূত্রে। রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে সোমবার অশান্তি ছড়ায় রানিগঞ্জের রাজারবাঁধ এলাকায়। মিছিল যাওয়ার সময় পাশের একটি বাড়ির ছাদ থেকে ইট ছোড়া হয়। এরপরেই এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ি, বাজার, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে তাদের ওপরও বোমা ছোড়া হয়। গুরুতর আহত হন কমিশনারেটের ডিসি অরিন্দম দত্ত চৌধুরী।  

  • আসানসোল-রানিগঞ্জ ঘুরলেন রাজ্যপাল ঃরাজ্যপালকে কাছে পেয়ে তাঁর কাছে ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    ডেস্ক ঃ আজ রানীগঞ্জে দাড়িয়ে রাজ্যপাল জানালেন, 'শান্তির বার্তা' নিয়েই আসানসোল-রানিগঞ্জে এসেছেন তিনি। শনিবার আসানসোল- রানিগঞ্জের পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে যান রাজ্যপাল। সকালে প্রথমে আসানসোলে পৌঁছন কেশরীনাথ ত্রিপাঠি। আসানসোল সার্কিট হাউজে রাজ্য পুলিস ও প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। ঘুরে দেখেন বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকা। কল্যাণনগরে গিয়ে ঘরছাড়াদের সঙ্গেও কথা বলেন রাজ্যপাল।  আসানসোল থেকে তারপর রানিগঞ্জে যান কেশরীনাথ ত্রিপাঠি। রাজ্যপালকে কাছে পেয়ে তাঁর কাছে ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিভিন্ন অভিযোগ জানা তাঁরা। এরপরই রাজ্যপাল বলেন, "যা হয়েছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। একে অপরের ধর্মকে শ্রদ্ধা জানাতে হবে। শান্তি বজায় রাখতে হবে। শান্তি বজায় রাখার বার্তা নিয়ে এসেছি আমি।" কলকাতায় ফিরে গিয়েই রাজ্য সরকারের সঙ্গে আসানসোল-রানিগঞ্জের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি কথা বলবেন বলেও, এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করেন কেশরীনাথ ত্রিপাঠি।

  • রানীগঞ্জ ও আসানসোলের দাঙ্গাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল ।

    ডেস্কঃ(I.D). ৩০ মার্চ ২০১৮ঃ-  বিজেপির পক্ষ থেকে আজ জানানো হয়েছে যে , শাহনওয়াজ হোসেনের নেতৃত্বে  ৪ সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসানসোলের  দাঙ্গাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন ।কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলে থাকবেন বিহারের প্রাক্তন পুলিস প্রধান। একইসঙ্গে দলে থাকবেন সাংসদ রূপা গাঙ্গুলিও। বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, শনি অথবা রবিবারই আসানসোল যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপি প্রতিনিধি দলের। নির্দিষ্ট সময়সূচি এদিন রাতের মধ্যেই চূড়ান্ত করা হবে।এদিনই আসানসোল কাণ্ডে রাজ্যের ঘাড়ে দায় চাপালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হংসরাজ আহির। তিনি বলেন, "আইন-শৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয়। মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।"একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশেও তোপ দাগেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। রাজ্য সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, "নিরাপত্তার স্বার্থে একজন মুখ্যমন্ত্রীর সবসময় নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। সব বিষয় নিয়ে রাজনীতি করা উচিত হয়নি।"দফায় দফায় গোষ্ঠী সংঘর্ষে রবিবার থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রানিগঞ্জ। অশান্তি ছড়ায় আসানসোলেও। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রানিগঞ্জে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানান আসানসোলের স্থানীয় সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। নবান্নকে আধাসেনা মোতায়েনের প্রস্তাব দেয় কেন্দ্র। কিন্তু কেন্দ্রের সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেয় রাজ্য। সাফ জানিয়ে দেয়, আসানসোল- রানিগঞ্জের পরিস্থিতি সামলাতে রাজ্য পুলিসই যথেষ্ট।

  • অস্ত্রোপচার করতেই পেট থেকে বেরিয়ে এল ১০ কেজির টিউমার।

    ডেস্কঃ (I.D).২৮ মার্চ ২০১৮ঃ-ঘটনাটি আসানসোলের,পেটে ব্যথা। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিত্সক। এরপর অস্ত্রোপচার করতেই পেট থেকে বেরিয়ে এল ১০ কেজির টিউমার। জানা গেছে, কয়েকদিন ধরেই পেটে ব্যথা হচ্ছিল ওই মহিলার। চিকিত্সকের কাছে যেতেই তিনি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বলেন। সেসব পরীক্ষাও হয়। রিপোর্ট দেখে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিত্সক। তারপর অপারেশন টেবিলে মহিলার পেটে কাঁচি চালাতেই থ হয়ে যান চিকিত্সক। পেট থেকে বেরিয়ে আসে সুবৃহত্ টিউমার।আসানসোল রেল হাসপাতালে ওই মহিলার অস্ত্রোপচার করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সুস্থ আছেন তিনি।

  • রামপুরহাটে ত্রিশূল নিয়ে মিছিল বিজেপি নেত্রীর।

    ডেস্কঃ(I.D). ২৬ মার্চ ২০১৮ ঃ-লকেটের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের,রবিবার রামপুরহাটে ত্রিশূল নিয়ে মিছিল বিজেপি নেত্রীর। মিছিলে বহিরাগতরাও ছিলেন, অভিযোগ পুলিসের। রামনবমীতে খোলা অস্ত্র নিয়ে মিছিলের জেরে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল বীরভূম জেলা পুলিসের। রামপুরহাটে পৌঁছে তিনি একটি ট্যুইট করেন। তাতে বলেন, ''আমি এখন রামপুরহাটে। রামনবমী পালন করতে এসেছি।'' প্রশাসনকে একপ্রকার চ্যালেঞ্জ জানিয়েই মিছিল করেন তিনি।  তিনি  বহিরাগতদের নিয়ে মিছিল করেন বলে দাবি পুলিসের। অস্ত্র নিয়ে মিছিল করার ক্ষেত্রে আগে থেকেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল প্রশাসন। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই ত্রিশূল হাতে মিছিল করেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি ট্যুইটে আরও লেখেন, ''রামনবমীর মিছিল টিএমসির শান্তিবাহিনী ও জেলা পুলিস অরগানাইজিং কমিটিকে হেনস্থা করছে।''অন্যদিকে, খড়্গপুরে তলোয়ার হাত মিছিল করেছিলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, "রামনবমীতে অস্ত্রমিছিল হবেই। কেউ বাধা দিতে এলে লঙ্কাকাণ্ড বেঁধে যাবে।" দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয় পুলিস, সেটাই দেখার। লকেটের বিরুদ্ধে এফআইআর প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন. 'রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই কাজ করা হয়েছে।' 

  • বিদেশি মদের বোতল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে ৬ জন

    ডেস্কঃ(I.D).০৮ মার্চ ২০১৮ঃ- আসানসোল দক্ষিন থানার সাউথ পুলিশ পোষ্টের অন্তর্গত গোপালপুর এলাকায় অনেকদিন ধরেই বন্ধ ছিল একটি মদের দোকান, পিছনেই ছিল গোডাউন। ঝোপঝাড় আগাছায় ভরে গিয়েছে এলাকা। কার্যত একটি ভূতুড়ে বাড়ির চেহারা নিয়েছিল এলাকা। দিনেরবেলাতেও সেখানে পা ফেলতে ভয় পেতেন অনেকে। কিন্তু ওই দোকানের মধ্যেই ছিল লুকিয়ে ছিল কয়েক লক্ষ টাকার ‘গুপ্তধন’, তা জানতেন না অনেকেই।বুধবার কোনওভাবে খবরটা কানে এসেছিল গোপালপুরেরই কয়েকজন যুবকের। ছক করেই তারা হানা দেয় সেখানে। বন্ধ মদের কারখানা ও গোডাউন থেকে আসবাবপত্র ও স্টক করে রাখা মদের বোতল চুরি করতে গিয়েই বিপত্তি। পিছন থেকে হাজির উর্দিধারী পুলিস। বিদেশি মদের বোতল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে ৬ জন।পুলিস জানিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই এলাকায় দুষ্কৃতী রাজ চলছিল। বন্ধ মদের কারখানা থেকে স্টকে থাকা মদ লুটপাট চালাচ্ছে দুস্কৃতিরা। সেগুলি বাজারে চড়া দামে বিক্রিও হচ্ছিল। খবর পেয়েই ইদানীং ওই এলাকায় পাহারা দিচ্ছিলেন পুলিস কর্মীরা। বুধবার রাতে ৬ জন চুরি করতে গেলেই তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলা হয়।