বীরভূম -বর�ধমান

  • তৃণমূল নেতার ছবি দেওয়া ব্যাজ পড়ে মঞ্চে উপস্থিত পুলিশ কর্তা সহ প্রশাসনিক কর্তারা।

    Newsbazar.24,ডেস্ক,১৭ আগস্টঃসরকারী আধিকারিক সহ পুলিশ আধিকারিকরাও  অনুব্রত মণ্ডলের ছবি দেওয়া ব্যাজ পড়ে  অনুষ্ঠান মঞ্চ আলোকিত করলেন।  উপস্থিত ছিলেন  নলহাটির ওসি, এএসআই থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্তারা এবং স্থানীয় তৃণমূল বিধায়কও। অনুষ্ঠানের ছবি প্রকাশিত হতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে।বিরোধী দলগুলি এই ছবি দেখে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তারা বলছেন প্রশাসনের কর্তারা তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে । ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবস  উপলক্ষে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিল নলহাটি ফ্রেন্ডস ক্লাব। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নলহাটি ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। আর এলাকার স্থানীয় তৃণমূল নেতারাই এই ক্লাবটিরহর্তা কর্তা বিধাতা। এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় যুবকদের একাংশ ছাড়াও হাজির ছিলেন প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা। হাজির ছিলেন এএসআই শুভঙ্কর ঘোষ, ওসি তথা সিআই অর্ণব গুহ। ছিলেন স্থানীয় বিডিও-ও। এদের বুকে ছিল বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ছবি দেওয়া ব্যাজ। সেই ক্লাবেরই রক্তদান শিবিরের অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক কর্তাদের অনুব্রত মণ্ডলের ছবি দেওয়া ব্যাজ পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। ফলে যেটুকু সময় তাঁরা অনুষ্ঠানে ছিলেন, তাঁদের বুকে দেখা গিয়েছে সেই ব্যাজ।  

  • মধুচক্রের হদিশ মিলল সিউড়িতে : কলেজ ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে নাবালিকারাও এই কাজের সঙ্গে যুক্ত

    News bazar24:এবার মধুচক্রের হদিশ মিলল সিউড়ির বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মহিলা থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে একটি বেসরকারি হোটেলে। কলেজ ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে নাবালিকারাও এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ। পুলিশকে বহুবার জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ । খুবই কম পয়সায় হোটেলগুলির ঘর ভাড়া দেওয়া হয়। পকেটমানি বাঁচিয়ে সেই ঘর ভাড়া নেয় কলেজ পড়ুয়ারাই। মূলত তারাই সেখানে দেহব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার অতর্কিতে ওই হোটেলে অভিযান চালায় পুলিস। ৭ তরুণী ও ৬ জন যুবককে আটক করেছে পুলিস। সিল করে দেওয়া হয়েছে হোটেলটি, আটক করা হয় হোটেলের দুই কর্মীকে। সূত্রের খবর তাদেরকে জেরা করেই এর মূল চক্রের হদিশ খুঁজতে পুলিশ।

  • মেয়ে সেজে প্রাক্তন স্ত্রীকে অপহরণের ছক স্বামীর : গনধোলাই।

    News bazar24:প্রাক্তন স্ত্রীর উপর প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে উঠেছিল স্বামী। শেষমেশ মেয়ে সেজে প্রাক্তন স্ত্রীকে অপহরণের ছক কষল স্বামী। যদিও শেষপর্যন্ত স্ত্রীর চিত্কারে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। চলে উত্তমমধ্যম। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের সিউড়িতে। বছর দুয়েক আগে সিউড়ির মাটপলসা গ্রামের বাসিন্দা রাজিয়া বিবির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ছোট আলুন্দা গ্রামের বাসিন্দা শেখ আবদুল্লাহের। বাড়ির সম্মতিতেই চার হাত এক হয়। কিন্তু বিয়ের পর পরই সামনে আসে আবদুল্লাহের আসল রূপ। রেজিয়া জানতে পারেন, বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আবদুল্লাহ। এলাকার মানুষের কাছে মেয়ে ও মাদক পাচারকারী বলে পরিচিত তাঁর স্বামী। রাজিয়া শোনেন, তাঁর স্বামী আবদুল্লাহ কখনও মাদ্রাসা স্কুল খুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে মেয়ে পাচার করেছে। কখনও আবার লুকিয়ে মাদক পাচারের সঙ্গেও যুক্ত ছিল। এছাড়াও আরও নানাধরনের অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আবদুল্লাহ। স্বামীর এসব কুকীর্তি মানতে পারেননি রাজিয়া। প্রতিবাদ করেন। অভিযোগ, এরপরই স্ত্রী রাজিয়ার উপর অত্যাচার করতে শুরু করে আবদুল্লাহ। শুরু হয় মারধর। নিজেদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকে সে। এরপরই মাস ছয়েকের মধ্যে আবদুল্লাহকে ডিভোর্স দিয়ে বাপের বাড়িতে ফিরে আসেন রাজিয়া। অভিযোগ, তারপর থেকেই প্রাক্তন স্ত্রীকে বিক্রি করার জন্য সুযোগ খুঁজতে থাকে আবদুল্লাহ। নানা ফন্দি আঁটে সে। যদিও কোনও চেষ্টাই সফল হয়নি। আবদুল্লাহ জানতে পারে, রোজই সিউড়ি আসেন রাজিয়া। একথা জানতে পেরেই ফের রাজিয়াকে অপহরণের ছক কষে আবদুল্লাহ। বোরখা পরে প্রথমে মেয়ে সাজে আবদুল্লাহ। তারপর বোবার অভিনয় করে। টাকা দিয়ে ড্রাইভারকে হাত করে একটি মারুতি গাড়ি ভাড়া করে আবদুল্লাহ। তারপর সেই গাড়ি নিয়ে রাজিয়ার সামনে হাজির হয়। মেয়ের ছদ্মবেশে আবদুল্লাহকে দেখে স্বাভাবিকভাবেই চিনতে পারেনি রাজিয়া। নিশ্চিন্ত মনে গাড়িতে উঠে বসেন তিনি। রাজিয়া গাড়িতে ওঠার পরই ছদ্মবেশে ছেড়ে আসল মূর্তি ধরে আবদুল্লাহ। শুরু হয় মারধর। রাজিয়া যাতে চিত্কার করতে না পারেন, সেজন্য তাঁর মুখ চেপে ধরা হয়। গলাও টিপে ধরা হয়। এইভাবেই বেশ কিছুটা রাস্তা পেরিয়ে যায়। তারপর ছোটো আলুন্দা গ্রামের কাছে গাড়ি আসতেই, কোনওভাবে নিজেকে ছাড়িয়ে চিত্কার শুরু করেন রাজিয়া। ধাক্কাতে থাকেন গাড়ির কাঁচ। এদৃশ্য চোখে পড়ে গ্রামবাসীদের। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা গাড়ির পিছু ধাওয়া করতে শুরু করেন। বেশ কিছুটা যাওয়ার পর গাড়িটি ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় রাজিয়াকে। টেনেহিঁচড়ে বের করা হয় আবদুল্লাহকেও। তারপরই রাজিয়ার মুখ থেকে সব শোনার পর শুরু হয় গণধোলাই !

  • নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়নজুলিতে উলটে গেল বাস। দুর্ঘটনায় ৩০ জন

    News bazar24:রেষারেষি করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়নজুলিতে উলটে গেল বাস। দুর্ঘটনায় ৩০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। রবিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে বর্ধমান-আরামবাগ রোডের রায়নার মিরেপোতা বাজারে। আসনে বসে থাকা অনেক যাত্রীই চোখ বুঝে ঝিমোচ্ছেন। কেউ বা খবরের কাগজে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছেন। প্রায় প্রত্যেকেই সকালের বাসে কাজে যোগ দিতে যাচ্ছেন। আচমকাই বিকট শব্দ। কিছু বুঝে ওঠার আগেই হুড়মুড়িয়ে একে অপরের ঘাড়ে গিয়ে পড়লেন যাত্রীরা। কারোর মাথায় আঘাত লাগল, কারও বা হাত-পা আটকে গেল বাসের সিটের নীচে। জানলার কাচ ভেঙে ক্ষতবিক্ষত হলেন অনেকে। শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে দেখলেন, একটি বাসের যাত্রীরা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। বাস সামনের অংশ ভেঙে গুড়িয়ে গিয়েছে। রবিবার সকালে মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকলেন বর্ধমানের রায়নার মিরেপোতা বাজারের বাসিন্দারা। স্থানীয়রা বলেন, বর্ধমান থেকে মেদিনীপুরের মেচেদা স্টেশনগামী বাসটি দ্রুতগতিতে যাচ্ছিল। সামনে একটি বর্ধমান-আরামবাগ রুটের বাসের সঙ্গে রেষারেষি চলছিল। মিরেপোতা বাজারের কাছে আরামবাগ রুটের বাসটিকে ডানদিক ধরে ওভারটেকের চেষ্টা করে মেচেদা রুটের বাসটি। সেইসময় অপর বাসটি আরও ডানদিকে চলে আসে। ফলে মেচেদাগামী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডানদিকে থাকা একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা মেরে নয়নজুলিতে উলটে যায় । প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রাই যাত্রীদের উদ্ধার করতে থাকেন। পরে খবর পেয়ে সেহারাবাজার ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

  • ঝাড়ফুঁক করতে গিয়ে সাপে কামড়ানো রুগীর মৃত্যু বর্ধমানে

    News Bazar24:বর্ষসাপের কামড় খাওয়া রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বদলে নিয়ে যাওয়া হল ওঝার বাড়িতে। চলল ঝাড়ফুঁক। গাছের শিকড়-বাকড় খাইয়ে বাঁচানোর চেষ্টা! কিন্তু শেষপর্যন্ত সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়। কোনও তুকতাকই কাজে আসে না। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় মহিলার। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। মৃতার নাম ডলি মালিক। কালনার ঝেড়ো গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন ডলি। বুধবার সন্ধ্যায় বাড়িতেই রুটি করছিলেন ডলি। সেইসময়ই হঠাত্ হাতে ছোবল মারে বিষধর সাপ। ডলি মালিকের ডান হাতে ছোবল মারে সাপটি। চিত্কার করে ওঠেন ডলি। তাঁর চিত্কার শুনে ছুটে আসেন বাড়ির লোকেরা। সাপে কেটেছে বুঝতে পেরেই হাতে শক্ত করে বাঁধন বেঁধে দেন তাঁরা। তারপরই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বদলে মোটর সাইকেলে চাপিয়ে ডলি মালিককে নিয়ে ওঝার বাড়িতে হাজির হন আত্মীয়রা। সেখানেই চলে ঝাঁড়ফুক। তারপর শিকড়-বাকড় খাইয়ে বাড়িতে ফেত পাঠিয়ে দেওয়া হয় ডলিকে। এরপর যত সময় গড়ায় ততই অবনতি ডলি মালিকের স্বাস্থ্যের অবনতি হতে থাকে। শেষমেশ তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কালনা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। কালনা হাসপাতালের চিকিত্সকরা ডলি মালিককে মৃত বলে ঘোষণা করেন ।

  • পেট ব্যথাতেও গুনিন। বেঘোরে প্রাণ গেল কুলতলির ক্লাস সেভেনের ছাত্রীর।

    News bazar24:বাড়িতে জানানোয় প্রথমটাই বিশেষ আমল দেননি তাঁরা। ভেবেছিলেন, সময় পেরোলেই কমে যাবে পেটে ব্যাথা। কিন্তু তা কমেনি। অতঃপর, মেয়ের চিকিত্সা করাতেই হবে। কিন্তু পেটের ব্যাথা নিরাময়ে মেয়েকে চিকিত্সকের বদলে নিয়ে যাওয়া হল গুণিনের কাছে। আর তাতেই হল কাল! মেয়ে বাড়ি ফিরল বটে, তবে প্রাণ ছিল না তাতে। পেট ব্যথাতেও গুনিন। বেঘোরে প্রাণ গেল কুলতলির ক্লাস সেভেনের ছাত্রীর। পরিবারের লোকজন চিকিত্‍সকের কাছে না নিয়ে গিয়ে স্থানীয় এক ওঝার কাছে নিয়ে যান ছাত্রীকে। ওঝা তাবিজ বেধে দেয়। কিন্তু তাতে কী আর রোগ সারে। বিকেলে অবস্থার অবনতি হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্‍সক কিশোরীকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যান্য দিনের মত স্কুলে গিয়েছিল মমতাজ মণ্ডল। গোপালগঞ্জ হাইস্কুলের ক্লাস সেভেনের ছাত্রী মমতাজ। স্কুলে অসুস্থ বোধ করে। তীব্র পেট ব্যথা। কোনওক্রমে বাড়ি ফেরে মমতাজ। বাড়ি কুলতলি থানার দু নম্বর গরানকাটি গ্রামে। মেয়েকে কাতরাতে দেখে বাড়ির লোকজন গুণিনের কাছে নিয়ে যায় মমতাজকে। গুণিন ঝাঁড়ফুক করে তাবিজ দিয়ে দেয়। কিন্তু কিন্তু ব্যথা কমেনি। বরং অবস্থার অবনতি হয়। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত বলে ঘোষণা করেন। ছবি: প্রতীকী আপনি এই খবর টি  পড়লেন news Bazar24.comএ।

  • ক্লাসে মোবাইল ঘাটতে বারন করায় এক ছাত্রের ঘুষিতে নাক ফাটল শিক্ষকের

    Newsbazar 24,ডেস্ক,২৬ জুলাইঃ  বীরভূমের নলহাটির হরিপ্রসাদ হাইস্কুলে ক্লাস চলাকালীন এক ছাত্রের ঘুষিতে বাংলার শিক্ষকের নাক ফাটল ।   বাংলা ক্লাস চলাকালীন একাদশ শ্রেণির ছাত্রকে মোবাইল ঘাটতে বারণ করেছিলেন ওই শিক্ষক। তিনি কানও ধরেন ওই ছাত্রের। তখন ওই ছাত্র সরাসরি শিক্ষকের মুখে ঘুষি মারে । আগামী বুধবার পরিচালন সমিতির সভা ডেকে ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। অন্যান্য  দিনের মতো বুধবার স্কুলে যান বাংলার শিক্ষক স্বদেশ সাহা। বুধবার দুপুরের দিকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস নিচ্ছিলেন । ক্লাস চলাকালীন আলামিন শেখ ওরফে কাজল নামে এক ছাত্র পিছন দিকের বেঞ্চে বসে মোবাইলে গেম খেলছিল। দেখতে পেয়ে মোবাইল বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করেন । কিন্তু তাতে কান দেয়নি কাজল। এরপর শিক্ষক তাকে ডেকে কান ধরে দু'এক থাপ্পড় দিতেই  ওই ছাত্র পাল্টা শিক্ষকের মুখে ঘুষি চালিয়ে দেয়। তাতেই শিক্ষকের নাক ফেটে রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে যায়।  সহ শিক্ষকরা ছুটে এসে স্বদেশবাবুকে উদ্ধার করে নলহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা করান। এরইমধ্যে স্কুল ছেড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত ছাত্র। বৃহস্পতিবার স্কুলে ছুটি নিয়ে ওই শিক্ষক রামপুরহাটে চিকিৎসকের কাছে  মাথার সিটি স্ক্যান করান। অন্য শিক্ষকরা জানিয়েছেন, 'এমন অভিজ্ঞতা আগে কখনও হয়নি'। অভিযুক্ত ছাত্রের দাবি, সে শিক্ষককে মারেনি। নিজেকে বাঁচাতে হাত দিয়ে মাথা রক্ষা করতে গিয়ে লেগে গিয়েছে। তবে তার সহপাঠী সোমনাথ বিশ্বাস জানিয়েছে, 'শিক্ষক খুব ভাল। তিনি কঠিন বিষয়কে খুব সহজভাবে বুঝিয়ে দেন। এরকম একজন শিক্ষককে এভাবে কেউ মারতে পারে ভাবতে পারছি না'। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাননি প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম মণ্ডল। স্কুলের এক সহকারি শিক্ষক বলেছেন, 'স্কুলের প্রধান শিক্ষকের জন্যই স্কুলে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে চলেছে। তিনি নিয়মিত স্কুলে আসেন না। অভিভাবকদের নিয়ে কোন বৈঠক ডাকেন না। এর আগেও এরকম ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু প্রধান শিক্ষক কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় ঘটনার ফের একই ঘটনা ঘটল। স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি অশোক ঘোষ জানিয়েছেন, বুধবারের বৈঠকে ছাত্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিন থেকে সমস্ত ক্লাসে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কেউ যেন মোবাইল নিয়ে স্কুলে না আসে।  

  • আউশগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক তার এলাকায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে

     Newsbazar, ডেস্ক, ১৭ইজুনঃ আউশগ্রামের তৃণমূল  বিধায়ক অভেদানন্দ থান্ডার তার এলাকায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে। গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন  বিধায়ক।  উল্লেখ্য গত বুধবার রাত নটা নাগাদ আউসগ্রামের বিল্বগ্রামে একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন তৃণমূল নেতা  তথা অঞ্চল সভাপতি উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর কয়েকজন অনুগামীও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই সময় তৃনমূলের আর এক নেতা  জয়মঙ্গল গোষ্ঠীর বেশ কয়েকজন তাদের ওপর লাঠি ও বাঁশ নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ।সেখানে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত হন উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর এক অনুগামীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় রেফার করা হয়। কলকাতার পথে ডানকুনিতেই উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে।  আজ রবিবার খুনের চারদিন পরে বিল্বগ্রামে গিয়েছিলেন বিধায়ক।   নিহত অঞ্চল  সভাপতির বাড়ি ঢুকতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা।  বিধায়কের সামনে তৃণমূল ব্লক সভাপতির  বিরুদ্ধে স্লোগান দেন গ্রামবাসীরা। মাত্র মিনিট তিনেক থাকার পর গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের জেরে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান বিধায়ক।  আরও জানা যায়  স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে আউসগ্রাম ১ ব্লকের বিল্বগ্রাম আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে প্রথম থেকেই মানতে চায়নি এলাকার কার্যকরী সভাপতি জয়মঙ্গল ও তাঁর অনুগামীরা। যদিও তৃণমূলের তরফে এই খুনের ঘটনায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করা হয়েছে।    

  • ঘুমন্ত অবস্থাতেই গৃহবধূকে কুপিয়ে খুন করলেন ‘প্রেমিক’

    news bazar24: ঘুমন্ত অবস্থাতেই গৃহবধূকে কুপিয়ে খুন করলেন ‘প্রেমিক’। স্বামী কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। পাঁচ সন্তানকে নিয়ে একাই বাড়িতে থাকতেন তিনি। পাড়ারই এক যুবকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কও ছিল তাঁদের মধ্যে। কিন্তু ছেলেমেয়ে হচ্ছে ভেবে সেই সম্পর্ক আর রাখতে চাননি। সেই আক্রোশেই ‘প্রেমিক’এর হাতে চরম শাস্তি পেতে হল তাঁকে। অভিযোগ, রবিবার রাতে মংলা শেখ সহরবানুর বাড়িতে ঢোকেন। তখন দুই মেয়ে ও ছেলেকে নিয়ে ঘুমোচ্ছিলেন সহরবানু। সহরবানুর মেয়ের বয়ান অনুযায়ী, আচমকাই মংলা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার মেয়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকেন মংলা। মায়ের চিত্কারে ততক্ষণে ঘুম ভেঙে যান দুই মেয়ে ও ছেলেরও। তাদের ওপরও হামলা চালান মংলা। প্রতিবেশীরা জড়ো হয়ে যাওয়ার বাড়ির পিছন দিয়ে পালিয়ে যান মংলা।মেয়ের দাবি, পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে এই ঘটনা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মৃত্যু হয় সহরবানুর।ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মুরারই থানার পুলিস।ঘটনার পর পলাতক অভিযুক্ত প্রেমিক মংলা সেখ ।

  • প্রেমিকার 'নগ্ন' ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রেমিকের বিরুদ্ধে।

    newsbazar24: প্রেমিকার 'নগ্ন' ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রেমিকের বিরুদ্ধে। আরও অভিযোগ, পুলিসের দ্বারস্থ হলেও মেলেনি কোনও সাহায্য। নানা বাহানা দেখিয়ে বার বার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে অভিযোগকারী যুবতীকে। বীরভূমের সিউড়ির এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ন্দা ডাক্তারি পড়ুয়া কউসর আলির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল এলাকারই এক যুবতীর। দীর্ঘ ৬ বছরের সম্পর্ক ছিল তাঁদের। বিয়ের কথাও শুরু হয়েছিল।কখনও ছেড়ে যাবে না বলে কউসর তাঁকে কথা দিয়েছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। কউসরের কথায় বিশ্বাস করেছিলেন তিনি। এরপর সম্পর্ক দিন গড়াতেই 'প্রেমিক' কউসর বিভিন্ন সময়ে তাঁর কাছে 'নগ্ন-অর্ধনগ্ন' ব্যক্তিগত ছবি চাইতে শুরু করে। 'প্রেমিক'-কে বিশ্বাস করে তাঁর 'আবদার'ও মিটিয়েছিলেন তিনি।অভিযোগ, সেইসময়ই ওই যুবতীর চোখে পড়ে বিভিন্ন সময় তাঁর কাছ থেকে নেওয়া ব্যক্তিগত সব ছবি ফেসবুকে পোস্ট করছে কউসর। ওই যুবতী জানিয়েছেন, বার বার কউসরকে তিনি অনুরোধ করেন এরকম না করতে। কিন্তু তাতে পাত্তা দেয়নি কউসর।পুলিসের দ্বারস্থ হন ওই যুবতী। জেলাশাসকের কাছেও দরবার করেন তিনি। অবিলম্বে অভিযুক্ত কউসরকে গ্রেফতারের দাবি জানান ওই যুবতী। কিন্তু কোথাও কোনও সহযোগিতা পাননি বলেই দাবি তাঁর।