উত�তর ও দক�ষিণ দিনাজপ�র

  • অ্যাম্বুল্যান্স- এর সুবিধা পেলো দক্ষিণ দিনাজপুর

    news bazar24:দক্ষিন দিনাজপুরঃ জেলায় জেলায় চিকিৎসাব্যবস্থার মানোন্নয়নের জন্য এবার মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অত্যাধুনিক মানের CCU অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হচ্ছে।হাসপাতালে CCU বিভাগে ভরতি এমন দুস্থ রোগীকে উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য বিনামূল্যে পাওয়া যাবে গ্লান যান পরিষেবা। অ্যাম্বুলেন্স পরিচালনার জন্য ১০ জন সিভিক ভলান্টিয়ারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যার মধ্যে চারজন মহিলা ও ছ’জন পুরুষ থাকবেন। প্রত্যেক জেলার পুলিশ সুপারের হাতে একটি করে এই বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স তুলে দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।এবারে ছিল দক্ষিণ দিনাজপুরের পালা। অনুষ্ঠানে ছিলেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুকুমার দে, হাসপাতাল সুপার তপন কুমার বিশ্বাসসহ জেলা পুলিশের পদস্থ কর্তা ও কর্মীরা। আগামী এক সপ্তাহ ধরে চলবে এই প্রশিক্ষণ। জেলা পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে থাকবে অ্যাম্বুলেন্সটি। অনেক ক্ষেত্রেই CCU-তে ভরতি রোগী বা আশঙ্কাজনক কোনও রোগীকে CCU পরিষেবার সাহায্য নিয়ে অন্যত্র স্থানান্তরিত করার প্রয়োজন হয়। তবে, আর্থিক অবস্থার কারণে কখনও কখনও তা সম্ভব হয় না। এমন দুস্থ রোগীদের জন্যই এবার বিনামূল্যে অত্যাধুনিক মানের CCU অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু হল দক্ষিণ দিনাজপুরে।    এবিষয়ে বালুরঘাট হাসপাতালের সুপার তপনকুমার বিশ্বাস বলেন, “অত্যাধুনিক মানের সুসজ্জিত একটি CCU অ্যাম্বুলেন্স মুখ্যমন্ত্রী জেলার পুলিশ সুপারের হাতে তুলে দিয়েছেন। পুলিশের তত্ত্বাবধানে থাকবে অ্যাম্বুলেন্সটি। চিকিৎসা ব্যবস্থায় আরও উন্নতির জন্যই এই অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়েছে। জেলায় সরকারিভাবে এতদিন কোনও CCU অ্যাম্বুলেন্স ছিল না। তবে, এবার তা হাতে আসায় কয়েকদিনের মধ্যেই পরিষেবা চালু করা হবে।” 

  • রাস্তা সংস্কারে হাতে হাত লাগালেন ৮ থেকে ৮০ সকলেই

    news bazar24; পল মৈত্র,বুনিয়াদপুর, দক্ষিন দিনাজপুরঃ বেহাল রাস্তা সংস্কারের জন্য পঞ্চায়েত থেকে প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরে কাজ হয়নি । চলাফেরা সমস্যায় পড়া বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে নিজেরাই হাত লাগালেন রাস্তার কাজে । রবিবার হাতে হাত মিলিয়ে দীর্ঘ প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা সরাই করেন গ্রামের পুরুষ ও মহিলারা । দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী ব্লকের গাঙ্গুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শায়েস্তা বাদ এলাকার কয়েক শ' মানুষ এই কাজে এগিয়ে আসেন । সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান ও প্রশাসন । বংশীহারী  ব্লকের শায়েস্তা বাদ মোরগা বাড়ির এই গ্রামটি বুনিয়াদপুর পুরসভা গড়ে ওঠার আগে শিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্ভুক্ত ছিল । পরবর্তী সময়ে শিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আর কোন অস্তিত্ব না থাকায় শায়েস্তাবাদ মোরগাবাড়ির এই গ্রামটি মহাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়। শায়েস্তাবাদ মোগরাবাড়ির বাসিন্দা আলাউদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করে বলেন আমাদের গ্রামের এই রাস্তাটি বহুদিন আগে নিজেরাই তৈরি করেছিলাম তাই রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য পঞ্চায়েত বা প্রশাসন উদ্যোগী হয় নি । বর্ষার আগে সমস্যার আজ করে গ্রামবাসীরা বাধ্য হয়ে সংস্কারে হাত লাগান । এদিন নিজেরাই টাকা জোগাড় করে বিভিন্ন সামগ্রী কিনে রাস্তার কাজ করেন । গাঙ্গুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পাঞ্জাব চৌধুরী ও গঙ্গারামপুরের মহকুমাশাসক দেবাঞ্জন রায় জানিয়েছেন , বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে ।

  • নতুন ভাবে তৈরি হচ্ছে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়াম

    news bazar24; পল মৈত্র, দক্ষিন দিনাজপুরঃ এগিয়ে চলেছে বাংলা সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সত্যি এই স্লোগানটি বাস্তবে সার্থকরুপ নিয়েছে। নতুনরূপে সাজতে চলেছে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়াম। যার পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বারাদ্দ ২ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা। জেলার বৃহত্তম স্টেডিয়াম হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়াম নতুন রূপে সাজবে। যার ইঙ্গিত কিছুদিন আগেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছিলেন গঙ্গারামপুরের জনসভা থেকে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়াম সম্প্রসারণ কর্মসূচির শিল্যানাস করলেন প্রাক্তন বিধায়ক তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদের অন্যতম সদস্য বিপ্লব মিত্র। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক কৃত্তিবাস নায়েক মহকুমাশাসক দেবাঞ্জন রায় গঙ্গারামপুর পুরসভার পৌর পুরপিতা প্রশান্ত মিত্র বিশিষ্ট সমাজসেবী চিরঞ্জীব মিত্র সহ পুরভার কাউন্সিলরগণ সহ মহকুমা ক্রীড়া সম্পাদক বিভূতিভূষণ চক্রবর্তী। এবিষয়ে মহকুমা ক্রীড়া সম্পাদক  বিভূতিভূষণ চক্রবর্তী বলেন, এটা খুব আনন্দের বিষয় এবং শুধু মহকুমা নয় জেলার সমস্ত ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য একটি নতুন সংযোজন মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিনব উদ্যোগ কে সাড়া জেলার মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন। এলাকার মানুষ খুব খুশী ।

  • ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ রুখতে কড়া হাতে তৎপর জেলা প্রশাসন

    news bazar24;পল মৈত্র,দক্ষিণ দিনাজপুরঃ রাজ্যের অন্য জেলার পাশাপাশি  দক্ষিণ দিনাজপুরেও কন্যা সন্তানের জন্মের হার কমছে ব্যাপকভাবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী। জেলায় পুরুষ ও মহিলা জনংসখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখতে তাই সক্রিয় হল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। গর্ভস্থ ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ বন্ধ করতে শুরু হল সচেতনতামূলক কর্মসূচি। স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে জড়িত সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও এনজিওদের নিয়ে নিয়মিত কর্মসূচি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী দেশে প্রতি একহাজার পুরুষে মহিলার সংখ্যা ৯৪০। এরাজ্যে সেই সংখ্যা ৯৫০। দক্ষিণ দিনাজপুরে প্রতি হাজার পুরুষে মহিলার সংখ্যা ৯৫৬। বালুরঘাট সদর এবং গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতাল ছাড়াও জেলায় রয়েছে ৮টি গ্রামীণ বা ব্লক হাসপাতাল। দেখা যাচ্ছে, প্রতিবছরই জেলার বিভিন্ন হাসপাতালগুলিতে ধারাবাহিকভাবে কন্যা সন্তানের জন্মের হার কমছে। আর কন্যা সন্তানের জন্মের হার কমার পিছনে গর্ভস্থ ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণকেই দায়ি করা হয় অনেকক্ষেত্রে। জেলার বিভিন্ন নার্সিংহোম, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবে গর্ভস্থ ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ পরীক্ষা করা হয় বলে আগেও অভিযোগ উঠেছে। তাতে শিশুর পরিবার জেনে যাচ্ছে গর্ভস্থ ভ্রুণ কন্যা না পুত্র। গর্ভস্থ ভ্রুণ যদি কন্যা হয় তাহলে অনেক সময় গর্ভপাত করানোর মতোও ঘটনা সামনে আসছে। এই কারণে কমছে কন্যা সন্তানের জন্মের হার। সেদিকে নজর রেখে এবার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সচেতনতা প্রচারে নামছে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের উদ্যোগে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে জড়িত সমস্ত সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ক্লিনিকের কর্মকর্তাদের নিয়ে কর্মশালা ও নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচার চালানো শুরু হয়েছে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুকুমার দে বলেন, “সমাজে মহিলাদের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিজ্ঞানসম্মত বিষয়। কিন্তু, আগেই ভ্রূণ নির্ধারণের ফলে বাধা পাচ্ছে কন্যা জন্মদান। জন্মের আগে লিঙ্গ নির্ধারণ যে একটি বড় অপরাধ, এনিয়ে বিশেষ কর্মসূচি শুরু করা হল। স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে জড়িত ক্লিনিক, নার্সিংহোম, স্বেছাসেবী সংস্থা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা শুরু হয়েছে।” 

  • পৌর এলাকাকে সচ্ছ ও পরিস্কার করার লক্ষ্যে কর্মী নিয়োগ

    news bazar24; পল মৈত্র,বুনিয়াদপুর,দক্ষিন দিনাজপুরঃ গত আগষ্ট মাসে গঠিত হয়েছে বুনিয়াদপুর পৌরসভা। প্রথমবার ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। পৌরসভা হলেও বুনিয়াদপুর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে এখনও রয়ে গেছে নোংরা আবর্জনায় ভরতি। পৌরবাসীদের পক্ষ থেকে বারংবার অভিযোগ তোলা হয়েছে এই নিয়ে। এদিকে বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিষ্কার করার লক্ষে অভিযানে নামল বুনিয়াদপুর পৌরসভার। এর জন্য নতুন করে ৭৫ কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে পৌরসভার পক্ষ থেকে। তবে নোংরা ফেলার জায়গা না থাকায় বর্তমানে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। যদিও এই সমস্যা খুব তাড়াতাড়ি মিটবে বলে জানিয়েছেন বুনিয়াদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মণ। ২০১৪ সালে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন বুনিয়াদপুরকে পুরসভা হিসেবে। বংশীহারীর শিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়েকটি এলাকাকে নিয়ে ১৪টি ওয়ার্ড তৈরি গঠন করা হয়। নির্বাচন না হওয়াতে পুরসভার কাজকর্ম হত মহকুমা শাসকের ত্বত্তাবধানে। অবশেষে ২০১৭ আগস্ট মাসে রাজ্যের অন্যান্য পুরসভার সঙ্গে নির্বাচন হয় এই পুরসভার। সেখানে ১৩টি তৃণমূল এবং ১ টি বিজেপি দখল করে। একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর মাসে বোর্ড গঠন করে। এরপর ধীরে ধীরে তৈরি হয় পৌর ভবন। লাগানো হয় রোড লাইট। সংস্কার করা হয় রাস্তা। তবে এর পরেও এলাকায় নোংরা আবর্জনা সে ভাবে পরিষ্কার হয় না বলে ক্ষোভ ছিল এলাকাবাসীর। এদিকে পৌরসভার আবর্জনা ফেলার জায়গা না থাকায় সমস্যা পরে পৌর কর্মীরা। যত্রতত্র নোংরা ফেলতে গিয়ে কয়েকজন পৌরসভার সাফাই কর্মীকে মারধর করে এলাকাবাসীরা বলে অভিযোগ ওঠে। অবশেষে এবার নড়েচড়ে বসল বুনিয়াদপুর পৌরসভা। এলাকার নোংরা আবর্জনা ফেলার জন্য ৭৫ জন কর্মীকে নিয়োগ করল পৌরসভা। এছাড়াও ডোর টু ডোর সার্ভে করা হবে বলে পৌরসভার পক্ষ থেকে জাননো হয়েছে। এবিষয়ে বুনিয়াদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মণ, জানান পৌরসভার নোংরা ফেলার জন্য ও ডোর টু ডোর সার্ভে করার জন্য ৭৫ জন কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে। যাদের পৌরসভা সরাসরি বেতন দেবে। অন্য দিকে পৌর সাফাই কর্মীকে মারধরের ঘটনার কথা সরাসরি স্বীকার করেন নি বুনিয়াদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মণ। তবে এমন ঘটনা কেউ ঘটিয়ে থাকলে তারা ঠিক করছেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে শহর পরিষ্কার করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে পৌরসভার পক্ষ থেকে বলে তিনি জানিয়েছেন। 

  • বুনিয়াদপুর ক্রীয়েটিভ ডান্স অ্যাকাডেমির দুদিন ব্যাপী এক বর্ণাঢ্য নৃত্যানুষ্ঠান

    news bazar24:পল মৈত্র, বুনিয়াদপুর, দক্ষিন দিনাজপুরঃ বুনিয়াদপুর ক্রীয়েটিভ ডান্স অ্যাকাডেমি যা এলাকা সহ সারা জেলায় সুপরিচিত। প্রতি বছরের মতন এবারেরও দুদিন ব্যাপী সান্ধ্য নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করে বুনিয়াদপুর ক্রীয়েটিভ ডান্স অ্যাকাডেমির কর্নধার দেবস্মীতা সিংহ নন্দী ও কৌশিক নন্দী। এই দুজনের ও অ্যাকাডেমির শতাধিক ছাত্র ছাত্রীদের কঠোর পরিশ্রম ও অদম্য মনোবল আজ তাদের মানুষের কাছে পাশাপাশি জেলায় পরিচিতির উচ্চ শিখরে পৌছে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টায় বুনিয়াদপুর ৫১২ নং জাতীয় সড়কের পাশে ফুটবল ময়দানে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার প্রসূন ব্যানার্জী, গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক দেবাঞ্জন রায়, বংশীহারী থানার আইসি বিশ্বজিত ঘোষ, গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী প্রতুল মৈত্র, বুনিয়াদপুর পুরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মন, সাহিত্যিক গোবিন্দ তালুকদার, প্রবীন শিক্ষক তথা সমাজসেবী মনোরঞ্জন সরকার, লোকশিল্পী অরিন্দম সিংহ রানা, বুনিয়াদপুর কালকন্ঠ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক বাপ্পাদিত্য দে সহ অন্যান্য বিশিষ্টরা। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সন্ধ্যায় কচিকাঁচাদের নাচের মাধ্যমে সন্ধ্যা বেলা অনন্য হয়ে ওঠে। অন্যদিকে, অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষন ছিল বিশেষ কিছু নাচ- রাধারমান ভঞ্জন, সাত ভাই চম্পা, যোদা আকবর, মহিষাসুরমর্দিনী, চিত্রাঙ্গদা, ঝাঁসির রানি লক্ষী বাঈ, এই নাচের থিমগুলোর মাধ্যমে ছাত্রীরা দুর্ধর্ষ নাচ পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শক ও বিশিষ্টদের মন জয় করে। প্রতিটি নাচের শেষে হাজার হাততালিতে উপবিষ্ট দর্শকস্থান সহ মঞ্চ কেঁপে ওঠে। এদিন বিভিন্ন নাচের থিম ছাত্রীদের দুধর্ষ নাচ তাদের নাচের ব্যবহৃত পোশাক প্রপস তাদের মেকাপ সহ অসাধারন বহুমূল্যের তৈরি মঞ্চ ও নানান আলোর রোশনাই এর কদর ও বাহবা দর্কদের মুখে মুখে ঘুরতে থাকে যার শ্রেয় যায় ডান্স অ্যাকাডেমির কর্নধার দেবস্মীতা সিংহ নন্দী ও কৌশিক নন্দীকে। এবিষয়ে সিংহ নন্দী বলেন, প্রতিবছর আমরা বাৎসরিক অনুষ্ঠান করি যার মধ্যে আকর্ষনীয় নানান থিমের থাকে আমার ছাত্রীরা দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই সাফল্য এনে দিয়েছে পাশাপাশি রো বড়ো করে অনুষ্ঠান করতে চাইলেও কিছু ক্ষেত্রে বাধ সাধে অর্থ কিন্তু আমার অদম্য ইচ্ছা আর কিছু করার লক্ষ্যে মনোবল শক্ত করার দরুন আমি থেমে থাকিনি আগামীতেও আরো ভালো বড়ো নৃত্যানুষ্ঠান করতে চাই। এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের ভীড় ছিল লক্ষনীয় যাকে ঘীরে মেলার আসর বসে। পাশাপাশি জাতীয় পাশে অনুষ্ঠানটি চলায় যানজট ও কোনো প্রকারের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রচুর পুলিশ ও সিভিক মোতায়েন ছিল। শুক্রবার রাতে দুদিন ব্যাপী নৃত্যানুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে। দুদিন ধরে দুধর্ষ চলতে থাকা অনুষ্ঠান শেষে বাড়িমুখো দর্শকরা মনে সুন্দর একরাশ ঝলমলে অভিজ্ঞতা বহন করে নিয়ে গেলেন  যা নিয়ে এই স্মৃতির রোমন্থন করবেন পাশাপাশি আগামী বছরের এদিনটার জন্য অপেক্ষা করবেন হাজারো মানুষ যার জন্য সেই বিষয়কে মাথায় রেখে তৈরি হচ্ছে বুনিয়াদপুর ক্রীয়েটিভ ডান্স অ্যাকাডেমির ছাত্রীরা তাদের নাচ শেখাতে ব্যাস্ত দেবস্মীতা সিংহ নন্দী।

  • ভবঘুরেদের জন্য ঘর

    news bazar24; বুনিয়াদপুর,দক্ষিণ দিনাজপুরঃ ভবঘুরেদের আশ্রয় ও দেখভালের জন্য এবার উদ্যোগ নিল বালুরঘাট পৌরসভা। শহরের খাদিমপুর লোকনাথ মন্দির সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হচ্ছে ভবঘুরেদের জন্য আবাসন। মোট ৫০ জন ভবঘুরে থাকতে পারবে ওখানে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্র সরকারের জাতীয় নগর জীবিকা মিশন বা এনইউএলএম প্রকল্পের অধীনে ও বালুরঘাট পৌরসভার উদ্যোগে শহরের লোকনাথ মন্দির এলাকায় তৈরি হচ্ছে ভবঘুরেদের জন্য স্থায়ী অবাসন। পৌর এলাকায় রয়েছে এমন ভবঘুরেদের দেওয়া হবে আবাসন গুলি। প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যায়ে তৈরি হচ্ছে আবাসনটি।আগামী মাস দুয়েকের মধ্যেই কাজ শেষ হবে আবাসনের বলে পৌরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এদিকে বালুরঘাট শহরের এমন ভবঘুরেদের চিহ্নিত করণ প্রক্রিয়া শুরু করেছে পৌরসভা। এরজন্য কলকাতা থেকে কয়েকজনের প্রতিনিধি দল এসে পৌঁছেছে বালুরঘাটে। শনিবার রাত থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবঘুরেদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি তাদের তথ্য সংগ্রহ করছেন তারা। শুধু মাত্র আবাসন দেওয়া নয় পাশাপাশি তাদের সব রকম দায়িত্ব নেবে পৌরসভা। এদিকে বালুরঘাট পৌরসভার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫ জন ভবঘুরেকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আর কিছু দিনের মধ্যেই ঘর পাবেন ভবঘুরেরা। এবিষয়ে বালুরঘাট পৌরসভার চেয়ারম্যান রাজেন শীল জানান, লোকনাথ মন্দির এলাকায় ভবঘুরেদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে আবাসন। সেখানে ৫০ জন থাকতে পারবে। থাকার পাশাপাশি তাদের খাওয়া দাওয়ারও ব্যবস্থা করা হবে বলে রাজেনবাবু জানিয়েছেন। প্রকল্প আধিকারিক সুমন কুমার দাস জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তারা শহর এলাকায় ঘর নেই এমন ভবঘুরেদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। রাত দশটার পর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ভবঘুরেদের তথ্য সংগ্রহ করছেন তারা। এখন পর্যন্ত ৩০-৩৫ জনের তথ্য পাওয়া গেছে। সবাই ঘর পাবে কি না সেটা পৌরসভা দেখবে। একজন বা দু’জনের পরিবার হলেও আবাসনে থাকতে পারবে বলে সুমনবাবু জানিয়েছেন।

  • মহিলাদের জন্য কম দামের স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি করে নজির গড়লেন আলো সমবায় সমিতির মহিলারা

    news bazar24; বুনিয়াদপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরঃ  বাজারে বিক্রি হওয়া স্যানিটারি ন্যাপকিনের থেকে কম মূল্যের ন্যাপকিন তৈরি করল মহিলা সমবায় সমিতি “আলো”। সরকারি প্রতিষ্ঠান মঞ্জুষার মাধ্যমে এই স্যানিটারি ন্যাপকিন বাজারে বিক্রি করা হবে। গতকাল জেলাশাসকের দপ্তরে এই সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। গ্রামাঞ্চলে এখনও স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন না অনেক মহিলাই। যার অন্যতম কারণ দাম। ফলে বাড়ছে নানা রোগ। বছর দুয়েক আগে মহিলাদের নিয়ে তৈরি হওয়া আলো সমবায় সমিতি স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরির উদ্যোগ নেয়। ফেমসেক নামে ওই স্যানিটারি ন্যাপকিন বের করে তারা।  সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বাজারে বিক্রি হওয়া স্যানিটারি ন্যাপকিন ১০ টার দাম ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। সেখানে আলোর তৈরির ফেমসেক স্যানিটারি ন্যাপকিন ১০ টার দাম ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। এবিষয়ে সম্পাদিকা গার্গী লাহিড়ি বলেন, আলো তৈরি হয়েছে মহিলাদের নিয়ে কাজ করার জন্য। প্রথম থেকেই তারা স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরিতে উদ্যোগী হয়েছিল। কম দামে মহিলাদের হাতে স্যানিটারি ন্যাপকিন পৌঁছে দিতে প্রথম থেকেই সচেষ্ট ছিল তারা। সরকার ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় যা সম্ভব হল।   

  • তিন তলার ছাদ থেকে পরে গিয়ে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফেরেন

    news bazar24; কুমারগঞ্জের 2 নং সমজিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত আঙ্গিনা বরইট উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শবর্তী গ্রাম নেওনা তে বাড়ি সাইফুর মন্ডলের (২৬) । দিনমজুর পরিবারের ছেলে সাইফুর। অভাব অনটনের সংসারে অর্থ উপার্জনের জন্য গোয়াতে রাজ মিস্তীর কাজ করতে গিয়েছিল সাইফুর। কিন্তু কাজ করার ক্ষেত্রে  অসাবধানতার করণে ঘটে বিপত্তি। প্রায় তিন তলার ছাদ থেকে পরে গিয়ে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফেরেন তিনি। পা ও শরীরের বেশ কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পরে। তারপর গোয়াতে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। পরিবার পরিজন ও পড়া প্রতিবেশীদের সাহায্যে কোলকাতা,  ব্যাঙ্গালোর ও বিহার গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। তাতে অবশ্য শারীরিক কিছুটা উন্নতি ঘটে। কিন্তু প্রায় সাত বছর ধরে শয্যাশায়ী অবস্থায় ঘরে পরে রয়েছেন তিনি। সাইফুরের বাবা আজাহার মন্ডল দিনমজুর। সন্তানের এহেন কষ্ট দেখে তিনিও থাকতে পারেন না। কিন্তু উপায় নেই। স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান, ব্লক প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাত করেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। মিলেছে একের পর এক আশ্বাস।  কাঁদতে কাঁদতে সাইফুর জানায়, বিহারের চিকিৎসকরা বলেছিল সঠিক ভাবে চিকিৎসা করলে আমি সুস্থ হয়ে উঠবো। কিন্তু আমার পরিবারের আর সাধ্য নেই চিকিৎসা করার। তার চিকিৎসার জন্য তিনি সর্বস্তরের সহৃদয় ব্যক্তিদের কাছে সাহায্যের আর্জি জানান। রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ছাত্র-ছাত্রীদের তৈরী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা উন্মীলনের সদস্যরা তাঁকে দেখতে যান। এবিষয়ে ঐ সংগঠনের তরফে দেবাশীষ সরকার জানান, সাইফুরের চিকিৎসার জন্য একটা বিরাট অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। সবাই যদি এগিয়ে আসে তাহলে বছর ২৬শের সাইফুর মন্ডল সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে বলে তিনি জানান।  

  • পরিশ্রম করেও উচ্চমাধ্যমিকে সফল

    news bazar24;পল মৈত্র, বুনিয়াদপুর,দক্ষিন দিনাজপুরঃ পরিবারে আর্থিক অনটন নিত্যসঙ্গী। তাই সাহায্য করতে বাবার মিষ্টির দোকানে জিলিপি বিক্রি করত বিউটি প্রামাণিক। এবছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল সে। সব প্রতিকূলতাকে জয় করে আজ সাফল্য ধরা দিয়েছে। কলা বিভাগে সে এবার ৪৪৫ নম্বর পেয়েছে। শিক্ষিকা হওয়ার ইচ্ছে তার। যদিও উচ্চশিক্ষার জন্য বাধ সেধেছে আর্থিক অনটন। সরকারি বা কোনও ব্যক্তির সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে তার পরিবার। বংশীহারী থানার শেরপুর এলাকায় বাড়ি বলয় প্রামাণিকের। বাড়িতেই ছোটো একটি মিষ্টির দোকান রয়েছে তাঁর। এছাড়াও হাটে ও মেলায় তিনি জিলিপি বিক্রি করেন। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে সংসার বলয়বাবুর। বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে অনেকদিন আগেই। ছোটো মেয়ে বিউটি বংশীহারী গার্লস হাইস্কুল থেকে এবার কলা বিভাগে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৪৫। সংসারে অভাব নিত্যসঙ্গী। তাই বিউটিও বাবাকে দোকান চালাতে সাহায্য করত। হাটে ও মেলাতেও যেত বাবার সঙ্গে জিলিপি বিক্রি করতে। বিউটি নিজেও জিলিপি তৈরি করতে পারে। অনেক ছোটো থেকেই বাবার সঙ্গে একাজ সে করে আসছে। তবে এতে পড়াশোনায় কোনও বাধা পড়েনি। সবকাজ সেরে পড়াশেনাটা ঠিক চালিয়ে যায় বিউটি। তবে উচ্চমাধ্যমিকে সাফল্য পেলেও উচ্চশিক্ষা নিয়ে চিন্তায় রয়েছে বিউটি। কারণ, সংসারের আর্থিক অনটন। পরিবার ও নিজের চেষ্টায় অনেকটা পথ এসেছে সে, আরও এগোতে চায়। ভবিষ্যতে শিক্ষিকা হওয়ার ইচ্ছের কথা জানিয়েছে বিউটি। স্বপ্ন সফল করতে হলে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে তাকে। তাই তার প্রয়োজন সাহায্যের। বিউটির বাবা বলয় প্রামাণিক বলেন, “মেয়ে এমন ভালো ফলাফল করবে স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। সকাল থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত দোকানেই থাকত। তারপর পড়াশোনা করত। প্রথমে যখন ফোন করে বলে ভালো রেজ়াল্ট করেছে কিছুই বুঝতে পারিনি। আমরা সেইভাবে কখনও তো পড়াশোনা করিনি। তাই সবকিছু জানি না। পরে সকলের মুখে শোনার পর বুঝতে পারি মেয়ে খুব ভালো ফলাফল করেছে। একটা সময় ভেবেছিলাম ও হয়তো পাসও করতে পারবে না। আমার ভাবনাকে পালটে দিয়েছে মেয়ে। আমরা খুব খুশি। যতটা পেরেছি করেছি। আবারও করব। তবে বয়স হয়ে যাচ্ছে। কতটা পারব জানি না। কেউ সাহায্য করলে ভালো হয়।” বিউটি বলে, “বাবার দোকানে থাকতাম। টাকা পয়সা নেওয়া, জিলিপি ভাজা সবই করতে পারি। বাকি সময় পড়াশোনা করতাম। দিনে ৯ ঘণ্টা পড়তাম। আমাকে স্কুলের শিক্ষিকারা সহযোগিতা করেছেন। সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”   

  • বালুরঘাটে তৃনমূল কাউন্সিলরদের মদতে টোটো ইউনিয়নের সহযোগিতায় নম্বর প্লেটহীন টোটো চলছে।

    ডেস্ক, ১৫ জুন : বালুরঘাট : উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলার ন্যায় দক্ষিণদিনাজপুরের বালুরঘাট শহরে একের পর এক নম্বর প্লেটহীন টোটো চলছে। প্রশাসনের নাকের ডগায়  শহরে চলছে  এইসব টোটো। শহরের  আমজনতা  সহ নম্বর থাকা টোটো চালকরা   বালুরঘাটে এইভাবে প্রতিদিন  টোটোর সংখ্যা বেড়ে চলায় পৌরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এছাড়াও এ ব্যাপারে টোটো ইউনিয়ন ও পৌরসভার  এক কাউন্সিলরদের মদত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  এছাড়া টোটো ইউনিয়নের নামে কাউন্সিলরকে সামনে রেখে তোলাবাজি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। গতকাল শহরের একাধিক জায়গায় নতুন টোটো চালকদের বাধা দেন পুরোনো চালকেরা । এদিকে আবার পৌরসভার চেয়ারম্যান রাজেন শীল  নতুন করে আরও টোটোর লাইসেন্স দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন । বালুরঘাট শহরে টোটোর সংখ্যা বিগত কয়েক বছরে প্রচুর  বেড়েছে  । বছর দেড়েক আগে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহর এলাকার টোটো ও গ্রামীণ টোটো ভাগ করে দেওয়া হয়। শহরের টোটোয় নীল রং করতে বলা হয়।  গ্রামীণ বা নম্বরছাড়া টোটো শহরে ঘুরলে জরিমানা করা হবে বলে জানানো হয় । প্রথমে সব কিছু  ঠিকঠাক চল ছিল। কিন্তু, কিছুদিন পর  পরিস্থিতি আবার সেই তিমিরে । শহরে ঢুকে পড়েছে গ্রামীণ ও নম্বর প্লেট ছাড়া বহু টোটো। যাতে পৌরসভা বা প্রশাসনের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই বললেই চলে। বালুরঘাটে এই মুহূর্ত ১১৮৫ টোটো চলাচলের লাইসেন্স দেওয়া আছে সরকারিভাবে। এর মধ্যে শহরের ৬১৫ এবং গ্রামীণ এলাকার টোটো ৫৭০টি। তবে লাইসেন্সহীনভাবে কত টোটো শহরে চলছে তার হিসাব প্রশাসনের কাছে নেই। আমজনতার প্রশ্ন এ সমস্যার সমাধান কবে  হবে?

  • বালুরঘাটে বি এসএফ কয়েক লাখ টাকার চোরাই কফ সিরাপ উদ্ধার করল।

    ডেস্ক, ৪ জুন : দক্ষিন দিনাজপুরের বালুরঘাটে বি এসএফ কয়েক লাখ টাকার চোরাই কফ সিরাপ উদ্ধার করল। তাদের অনুমান  এগুলি বাংলাদেশে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে এ ব্যাপারে কাঊকে গ্রেপ্তার  করা যায়নি ।   বি এস এফ সূত্রে জান যায় যে সূত্র মারফত খবর আসে একটা গাড়িতে করে কফ সিরাপ পাচার করা হবে।  সেইমতো বিভিন্ন এলাকায় টহল চালাচ্ছিল বি এস এফ । আজ সকালে অভিযান চালানোর সময় বালুরঘাট থেকে গঙ্গারামপুরগামী রাস্তায় একটি মারুতি ভ্যানকে দেখে   জওয়ানদের সন্দেহ হয়।  গাড়িটিকে দাড়াতে বলে  কিন্তু, দাঁড়ানোর পরিবর্তে গাড়িটি পালিয়ে যায়। ওই গাড়ির পিছু নেয় জওয়ানরা। এরপর পতিরাম থেকে চার কিলোমিটার দূরে বালুরঘাট গঙ্গারামপুর দাঁড়ালহাটমোড় এলাকায়   গাড়িটিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তবে গাড়ির মধ্যে চালক ও খালাসি কেউই ছিল না। তারপর গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩ হাজার ৪০০ বোতল কফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। যার বাজার  মূল্য প্রায় ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৫০ টাকা। এছাড়া মারুতি ভ্যানটিকেও আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করার পর ওই কফ সিরাপগুলি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।     

  • রায়গঞ্জে মহকুমাশাসক নিগ্রহের ঘটনায় জামিন পেলেন তিন শিক্ষক।

    Newsbazar,ডেস্ক, ২৮মেঃ রায়গঞ্জে মহকুমাশাসক নিগ্রহের ঘটনায় জামিন পেলেন ধৃত  তিন শিক্ষক, প্রদীপ সিনহা, মনোজ ভৌমিক ও সঞ্জিত দাস। আজ তাদের হয়ে জামিনের জন্য   অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট অ্যান্ড সেশন জাজ ফার্স্ট কোর্টে সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বিচারক  তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন। জানা যায় যে আজ কলকাতা থেকে স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে শিক্ষকদের জন্য মামলা লড়ার জন্য আসেন বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।    এখানে উল্লেখ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন প্রিজ়াইডিং অফিসার স্কুলশিক্ষক রাজকুমার রায়ের রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে ১৬ মে রায়গঞ্জ শহরে পথ অবরোধ করেন শিক্ষকরা। রায়গঞ্জের মহকুমাশাসক টি এন শেরপা আন্দোলনকারী শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলতে যান। সেই সময় তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ করা হয়।   এই ঘটনায় রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মহকুমাশাসক। জেলা পুলিশের তরফে ঘটনার তদন্তের ভার দেওয়া হয়েছিল উত্তর দিনাজপুরের  ডিএসপিকে। এরপর ঐ  ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে মোট ৬২ জন শিক্ষকের  বিরুদ্ধে মামলা  দায়ের করে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় তিন শিক্ষককে। আজ তাঁরা জামিন পেলেন।  জামিন প্রসঙ্গে বিকাশবাবু বলেন  “প্রিজ়াইডিং অফিসার  হিসাবে কর্মরত অবস্থায় শিক্ষক রাজকুমার রায় খুন হয়েছেন। এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু, তদন্ত না করে কিভাবে  প্রশাসনের তরফে সেটিকে আত্মহত্যার ঘটনা বলা হচ্ছে। সহকর্মী খুন হওয়াতে  শিক্ষকরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। তাঁরা তো কেউ অপরাধী নন। সেই বিক্ষোভের মধ্যে গিয়ে মহকুমাশাসক শিক্ষকদের বললেন, আপনারা কেন বিক্ষোভ করছেন এটা তো একটা আত্মহত্যার ঘটনা।  তদন্ত না করে তিনি কি করে বলেন এটা  আত্মহত্যার ঘটনা । তিনি আরও বলেন, “যাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের  হল। অভিযোগের যদি সত্যতা থেকে থাকে তাহলে যে মুহূর্তে মহকুমাশাসক-র উপর হামলা হল তখনই তাঁদের গ্রেপ্তার না করে  ঘটনার ১১ ঘণ্টা পর তিনি  এফআইআর করলেন। আর  তদন্তকারি এস আই ওই একই বিষয় নিয়ে এফআইআর করলেন ৯ ঘণ্টা পরে।  দুটো এফআইআর-এর মধ্যে মিল নেই। মহকুমাশাসক-রএফআইআরএ রয়েছে ওই দিন বিক্ষোভের মধ্যে তাঁকে মারধর করা হয়েছে। কিন্তু, সাব ইন্সপক্টরের এফআইআরকপিতে রয়েছে শিক্ষকরা রাস্তা আটকে বিক্ষোভ করছিলেন। অনেক বোঝানোর পর তাঁরা বিক্ষোভ তুলে নেন।” শিক্ষকদের গ্রেপ্তারের ঘটনা অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী বলে বিকাশবাবু  বলেন,  পুলিশের ভয় দেখিয়ে শিক্ষকদের সংগঠিত আন্দোলন ভেঙে দেওয়া হয়েছে।  ভোটের কাজ করতে গিয়ে একজন অফিসার কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে গেলেন। কিন্তু, তিনি কোথায় গেলেন সেটা আর কেউ দেখল না ? কেউ খোঁজও করল না ? এবার  দায়িত্ব এড়ানোর জন্য প্রশাসন বলছে  আত্মহত্যা। এ বিষয়ে তদন্ত না করে কিভাবে বলা হচ্ছে আত্মহত্যা। অর্থাৎ আত্মহত্যার তত্তকে সামনে রেখে তদন্ত হবে। সিআইডি  বা স্থানীয় পুলিশের তদন্তে আমদের আস্থা নেই।  অন্য কোনও সংস্থাকে দিয়ে এই তদন্ত করানো যায় কি না তা আমরা দেখব। তার জন্য দরকার হলে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।”

  • খারিজ হয়ে গেল আরাবুল ইসলামের জামিনের আবেদন

    newsbazar24: পঞ্চায়েত ভোটের আগে, ১১ মে, নির্দল সমর্থক হাফিজুল মোল্লা খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আরাবুল ইসলামের জামিনের আবেদন খারিজ হল।৮ জুন পর্যন্ত তাকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বারুইপুর আদালত। আরাবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও খুনের ধারায় মামলা রুজু হয়। আরাবুলকে প্রথমে ২২ মে পর্যন্ত পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেয় বারুইপুর আদালত। কিন্তু, শারীরিক অসুস্থতার কারণে ২২ মে আদালতে সশরীরে হাজিরা দেওয়া থেকে বিরত থাকেন আরাবুল। এরপরই বুকে ব্যথা হওয়ার কারণে এসএসকেএম-এ ভর্তি করা হয় আরাবুলকে।আদালতে জামিনের জন্য আবেদন জানান আরাবুলের আইনজীবী। বিচারক সেই আবেদন খারিজ করে দেন।

  • পঞ্চায়েত নির্বাচনে রায়গঞ্জে মহকুমাশাসক নিগ্রহের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ শিক্ষক।

    ডেস্ক,২০মেঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনে রায়গঞ্জে প্রিসাইডিং অফিসার খুনের ঘটনায় গোটা রাজ্য জুড়ে  চাঞ্চল্য ছড়ায় ।ঘটনার জেরে  ভোট কর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করেন রাস্তা অবরোধ করে । অবরোধ তুলতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন রায় গঞ্জের মহকুমাশাসক টি এন শেরপা। তাকে শারীরিক ভাবে নিগৃহিত করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৬ জনের বিরুদ্বে এফআইআর দায়ের করা হয়। আর সেই  ঘটনার জেরে শনিবার রাতে গ্রেফতার হন মনোজ ভৌমিক, প্রদীপ কুমার সিনহা নামে দুই শিক্ষক। জামিন অযোগ্য ধারা তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। আজ তাঁদের আদালতে তোলা হলে চার দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ওই ঘটনা জড়িত বাকি শিক্ষকদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে। ১৪ মে পঞ্চায়েত নির্বাচনে র জন্য ভোটের ডিউটি করতে গিয়েছিলেন শিক্ষক তথা ভোটকর্মী রাজকুমার রায়। ইটাহারের সোনারপুরের একটি বুথে। ভোটের পরের দিন রায়গঞ্জের সোনাডাঙি রেল লাইনের ধারে রহস্যজনকভাবে দেখতে পাওয়া যায় রাজকুমার রায়ের ছিন্নভিন্ন মৃতদেহ। উঠতে থাকেএকাধিক প্রশ্ন। প্রশাসন জানায়, দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে রাজকুমার রায়ের। ক্ষোভে ফুঁস ওঠেন তাঁর সহযোগী ভোটকর্মীরা। এরপরই পরিস্থিতি সামলাতে বিক্ষুব্ধ ভোটকর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যান মহকুমাশাসক , সেই সময়ে তাঁরে জুতো ছুরে মারধর করা হয়। এই ঘটনার জেরে গ্রেফতার করা হয়েছে ২ শিক্ষককে। ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তাঁদের চিহ্নিত করা হয়।  এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশসূত্রে জানা গেছে, মহকুমাশাসকের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিকে, বিক্ষুব্ধদের ভোট কর্মী হিসাব মানতে নারাজ সরকার। বিক্ষোভকারীরা সিপিএম ঘনিষ্ঠ শিক্ষকসংগঠন এবিটিএর সদস্য বলে জানায় শাসকদল। এখন প্রশ্ন উঠেছে  বেছে বেছে একটি বিশেষ সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্বে এফআইআর করা হল কেন? ওখানে দলমত নির্বিশেষে সকল সংগঠনের সদস্যরা ছিলেন এমনকি শাসক অনুগত সংগঠনের সদস্যরাও ছিলেন। এমনকি ঐ শিক্ষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছিল এবং এখনও উঠছে।        

  • গণনায় কারচুপি ও জালিয়াতির অভিযোগে জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও এর ডাক বিজেপি

    ডেস্ক, ১৯ মে : ভারতীয় জনতা পার্টির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা কমিটিপঞ্চায়েত  ভোটের গণনায় কারচুপি ও জালিয়াতি ও গণনা কেন্দ্রে গুণ্ডামির অভিযোগ তুলে সরব। আজ এ ব্যপারে জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানানো হয়। আগামী বুধবার জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও, ও  বিক্ষোভ কর্মসূচীর ডাক দিয়েছেন তারা।  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার  ত্রিস্তর পঞ্চায়েত,  বহু আসনে বিরোধীরা প্রার্থী দিতে পারেননি এর ফলে লড়াই হয়নি। বাকি আসনে ভোট হয়েছে। ভোটের দিন ব্যাপক সন্ত্রাস   ছাপ্পা ভোট। ব্যালট লুট করে আগুন লাগানো, জলে ফেলে ও ভেঙে দেওয়ার ঘটনা সামনে  এসেছে। বিরোধীরা শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি গণনার দিনও।  জেলার বিভিন্ন গণনাকেন্দ্র থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে পালাতে চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। সন্ধের পর পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের ভোট গণনার সময় বালুরঘাট কলেজে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। বিজেপির অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা গুলি চালিয়ে বিরোধী দলের এজেন্ট ও কর্মীদের ভয় দেখিয়ে  গননা কেন্দ্রের বাইরে বের করে দেয়     তাদের আরও অভিযোগ, কারচুপি করে পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের সব আসনে তৃণমূল জিতেছে। তার জন্যই ঘেরাও আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু সরকার বলেন, “তৃণমূল সাংসদের  নেতৃত্বে পুলিশ আধিকারিকদের সাহায্যে গণনাকেন্দ্রে ঢোকে দুষ্কৃতীরা। তারা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দাপাদাপি করে গণনাকেন্দ্রে ঢুকে ব্যালটে জালিয়াতি করে। তারা আমাদের -র পাওয়া ভোট বাতিল করতে থাকে। এইভাবে তারা জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েত সমিতি আসনগুলি দখল করে। নাহলে অন্ততপক্ষে জেলা পরিষদের ৬টি আসন আমরা পেতাম।  আমরা এ ব্যপারে  জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছি। বুধবার জেলা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হবে।”  

  • উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে ভোটকর্মীদের হাতে নিগৃহীত খোদ মহকুমাশাসক।

    ডেস্ক,১৬ই মেঃ   উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের ঘড়িমোড় এলাকায় অবরোধ তুলতে গিয়ে ভোটকর্মীদের হাতে প্রহৃত হতে হল  খোদ মহকুমাশাসককে।  পরে পুলিশ গিয়ে  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।  আজ ছিল উত্তর দিনাজপুরের ভোটকর্মীদের গণনার কাজের জন্য প্রশিক্ষণ ।কর্মচারীরা  প্রশিক্ষণে যোগ না দিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের মৃত্যুর প্রতিবাদে ঘড়িমোড় এলাকায় পথ অবরোধ করেন তাঁরা। গত ১৪ তারিখ ভোটগ্রহণের কাজে গিয়ে নিখোঁজ হন  ইটাহার সোনাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৮ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসার রাজকুমার রায়। এরপর গতকাল সন্ধের সময় স্থানীয় রেললাইনের পাশ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। পরিজন ও সহকর্মীদের অভিযোগ, খুন করা হয়েছে রাজকুমারবাবুকে। এই ঘটনার প্রতিবাদে ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আজ সকাল থেকে অবরোধ শুরু করেন ভোটকর্মীরা।  অবরোধের খবর পেয়ে টি এন শেরপা সেখানে যান। কথা বলার চেষ্টা করেন অবরোধকারীদের সঙ্গে। তাঁদের দাবি ছিল  মৃত প্রিসাইডিং অফিসার রাজকুমার রায়কে খুন করা হয়েছে। খুনিদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং ভোটকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। হঠাত অবরোধকারীরা উত্তেজিত হয়ে  তাঁর উপর হামলা চালান। শারিরিক নিগ্রহ করেন। রাস্তায় পড়ে যান মহকুমাশাসক। সেখানে থাকা কয়েকজন পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করেন। তারপর খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।  

  • নির্বাচনত্তোর সংঘর্ষএ উত্তরদিনাজপুরে মৃত ১

    ডেস্ক,১৬ই মেল আজও  নির্বাচনত্তোর সংঘর্ষ অব্যাহত। উত্তরদিনাজপুরের গোয়ালপোখর ব্লকের হামদাম গ্রামে    ফরওয়ার্ড ব্লক ও  নির্দলপ্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে  গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক নির্দল  সমর্থকের।সংঘর্ষে দু’পক্ষের আহত হন এক মহিলাসহ ৪ জন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির  নাম মহম্মদ তাসিরুদ্দিন (৫০)।নির্দল প্রার্থীর সমর্থক। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,আজ সকালে উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর ব্লকের হামদাম গ্রামে ফরওয়ার্ড  ব্লকের একটি সভা ছিল। সভা শেষে  বেলা এগারোটা নাগাদ উভয়পক্ষের মধ্যেঘটনাটি ঘটে। ফরওয়ার্ড ব্লক সমর্থকদের হামলায় নির্দল সমর্থক নাসিরুদ্দিনের মৃত্যু হয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে, জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই এই ঘটনা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

  • গ্রাম পঞ্চয়েতে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের ফলে প্রতীক বিলি করা গেল না রায়গঞ্জের ইসলামপুর ব্লকে।

    ডেস্ক , ১ মে : আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে  তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের ফলে প্রতীক বিলি করা গেল না। স্বাভাবিকভাবেই  উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর ব্লকের গোবিন্দপুরে গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬টি আসনে  ঘাসফুল প্রতীক কেউ পেলেন না। তবে জানা গেছে , যে জিতবে তাকেই নেওয়া হবে দলে। চোপড়া বিধানসভার অধীনে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর ব্লকের  গোবিন্দপুর গ্রামপঞ্চায়েত ।   ইসলামপুরের বিধায়ক কানাইলাল আগরওয়াল এর অনুগামী ও  অপরদিকে চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমান এর অনুগামীদের মধ্যে কোন্দল তৃনমূলের প্রার্থী হওয়া নিয়ে ।  শুরু হয় বিবাদ। এক আসনের জন্য দাবীদার ৩/৪ জন। এর ফলে বিরক্ত হয়ে  তৃণমূলের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ঐ গ্রাম পঞ্চায়েতে কাউকেই দলের প্রতীক দেওয়া হবে না । সকলেই লড়বেন নির্দল হয়ে। যে জিতবে তাকে পরবর্তীকালে দলে নেওয়া হবে ।   বিধায়ক হামিদুল রহমান  অবশ্য গোষ্ঠীকোন্দলের ব্যাপার অস্বীকার করে জানান টিকিটের দাবিদার অনেক । সকলেই  দলের  কর্মী। তাই  সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সকলেই  নির্দল হয়ে নির্বাচনে লড়বেন । যে জিতবে তাকেই দলে নেওয়া হবে।  সকলকেই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে মিছিল মিটিং করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে আর এক বিধায়ক কানাইলাল আগরওয়াল জানান প্রতিটি আসনের জন্য  টিকিটের দাবীদার ৩/৪ জন । তাই আমরা যোথভাবে সিদ্ধান্ত নিই সবাই ভোটে লড়বে। যে জিতবে তাকে দল নেওয়ে হবে । এখানে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই হবে কারন সকলেই আমাদের কর্মী ও সমর্থক।

  • উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের কংগ্রেস ও সিপিএম প্রার্থীকে অপহরণের অভিযোগ তৃনমূলের বিরুদ্বে।

    ডেস্ক,  ২৬ এপ্রিল : আবার জেলা পরিষদের  প্রার্থীকে অপহরণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী তাঁকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। কংগ্রেসের  তরফে অভিযোগ, আজ ভোররাত থেকে কংগ্রেস প্রার্থী লিয়াকত আলির বাড়ি ঘিরে রেখেছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পুলিশ সুপারকে বারবার জানানো হলেও তিনি কোনও পদক্ষেপ নেননি। তাই ফোন করা হয় জেলাশাসককে। তাঁর হস্তক্ষেপে লিয়াকতের বাড়ি থেকে চলে যায় ওই দুষ্কৃতীরা। পরে নিজের গাড়ি করে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য রওনা হন লিয়াকত আলি। অভিযোগ, মাঝরাস্তায় তাঁকে ঘিরে ধরে একদল দুষ্কৃতী। তারপর তাঁকে সেখান থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানিয়ে রায়গঞ্জ থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। একই ঘটনা ঘটেছে গতকালও। উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের ২২ নম্বর মহিলা  এসসি  সংরক্ষিত আসনে সিপিএম-র প্রার্থীপদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন আশা পাল ( দাস)। অভিযোগ, গতরাতে আশাদেবীর স্বামী রঞ্জিতবাবুকে মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে স্ত্রী ও মেয়েকে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসতে বাধ্য করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারপর তাদের একটি নম্বরবিহীন গাড়িতে তুলে নিয়ে অপহরণ  করা হয়। কংগ্রেসের বিধায়ক মোহিত সেনগুপ্ত কংগ্রেস কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, “পঞ্চায়েত সমিতির ২১ নম্বর আসনে জেলা পরিষদের কংগ্রেস প্রার্থী লিয়াকত আলিকে শাসকদলের দুষ্কৃতীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার জন্য তাঁর বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে আটকে রেখে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে  তাঁকে অপহরণ করা হয়। এখনও পর্যন্ত তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। এব্যাপারে প্রশাসনকে জানালেও নির্বিকার প্রশাসন।” অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অমল আচার্য বলেন, “এগুলো মিথ্যা প্রচার। অনেক বিরোধী প্রার্থী স্বইচ্ছায় মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।  

  • রায়গঞ্জএ তৃণমূল ও বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ আহত ৬

    ডেস্ক,  ২৬ এপ্রিল : রায়গঞ্জ ব্লকের ভিটি কাটিহার গ্রামে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস এবং নির্দল প্রার্থীর পড়ুন বিক্ষুব্ধ  তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ।  এই ঘটনায় কমপক্ষে ছ’জন আহত হয়েছেন।  পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় আজ সকালে স্থানীয় একটা চায়ের দোকানে কয়েকজন তৃণমূল কর্মী চা খেতে এসেছিলেন। সেখানেই বিক্ষুব্ধ তৃণমূল   নির্দল প্রার্থীর কিছু সমর্থক আচমকা তাঁদের পর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এরপর দু’পক্ষের ঝামেলা সংঘর্ষের রূপ নেয়। আহত দু’জন  রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, নির্দল প্রার্থীর সমর্থকরা আচমকা তাঁদের উপর হামলা চালায়। সেই হামলাতেই তাঁরা আহত হয়েছেন।

  • চোপড়ায় সিপিএম-র প্রার্থীর বাড়িতে লুটপাট এবং অগ্নি সংযোগের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

    ডেস্ক , ২৪ এপ্রিল :  আজ চোপড়ায় সিপিএম-র প্রার্থী আনোয়ারা বেগমের বাড়ি লুটপাট এবং অগ্নি সংযোগের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি চোপড়া ব্লকের ঘিরনিগাঁও পঞ্চায়েতের মিলিক গ্রামে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। সিপিএম-র প্রার্থী আনোয়ারা বেগমের অভিযোগ, “গতরাতে ওই গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছিল। তারই জেরে আজ সকালে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমার বাড়িতে ঢুকে লুটপাট চালায়। ভাঙচুরও করা হয়। পাশাপাশি আমার মেয়েকে খুন করার চেষ্টা হয়।” সিপিএম-র-প্রার্থীর অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় বিধায়ক হামিদুল রহমান। উলটে তাঁর অভিযোগ, তাঁর দলের তিনজনের উপর হামলা করেছিল সিপিএম-র সমর্থকরা। আহতরা প্রত্যেকেই উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন।  এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল দলের কেউ যুক্ত নন। গতকাল মনোনয়নপত্র জমাকে ঘিরে রাজ্যের অন্যান্য এলাকার মতো চোপড়াতেও শাসক দলের সঙ্গে বিরোধীদের সংঘর্ষ হয়।  ঘটনায় তৃণমূলের দুই প্রার্থীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থানার ঘিরনিগাঁও গ্রামে। আহতদের প্রথমে দলুয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় মোতায়েন করা হয় পুলিশবাহিনী। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অতিরিক্ত দিনে উত্তর দিনাজপুর জেলায় সারাদিনে তেমন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও গতকাল রাত ৮টা নাগাদ ঘিরনিগাঁও পঞ্চায়েত এলাকায় সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষ বাধে। CPI(M)-র অভিযোগ, গতকাল তাদের দলের যাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল, তাঁদের আটকে রাখে তৃণমূ ল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পরে সিপিএম-প্রার্থীদের বাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে তৃণমূল কংগ্রেসের ঘিরনিগাঁও পঞ্চায়েতের দুই প্রার্থী জাহিদুল রহমান ও মুকসেদুর এবং তৃণমূল কর্মী আসেল মহম্মদ গুরুতর জখম হন।  

  • কুশমণ্ডির বিধায়ক আক্রান্ত হওয়ার প্রতিবাদে আজ দক্ষিন দিনাজপুর জুড়ে বামফ্রন্টের প্রতিবাদ মিছিল

    ডেস্ক , ২৪ এপ্রিল : গতকাল মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূল  দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন কুশমণ্ডির বাম বিধায়ক  নর্মদা রায় সহ বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থক। আজ জেলাজুড়ে প্রতিবাদ মিছিল বের করে বামফ্রন্ট এই ঘটনার প্রতিবাদে। কুশমণ্ডি, বালুরঘাট, গঙ্গারামপুরে বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। বালুরঘাটের প্রতিবাদ মিছিলে ছিলেন আরএসপি-র জেলা সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরি, সিপিএম-র জেলা সম্পাদক নারায়ণ বিশ্বাস সহ অন্য বাম নেতৃত্ব।   গতকাল কুশমণ্ডি ব্লকের কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতের আসনে আরএসপির প্রার্থীরা  মনোনয়ন দাখিল করার সময়, গেটের ঠিক বাইরে ওই প্রার্থীদের  বেধড়ক মারধর করে সমস্ত কাগজপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথি কেড়ে নেওয়া হয়। আক্রান্ত অবস্থায় ওই প্রার্থী সোজা তাঁদের দলীয় কার্যালয়ে ছুটে আসেন। সেখানে উপস্থিত আরএসপির -র বিধায়ক নর্মদা রায়  বিডিওকে ফোন করে ব্যাপারটি জানান। তবে গেটেই বাইরে বিডিও তার অক্ষমতার  কথা জানাতেই  বিধায়ক জেলা পুলিশ সুপারকে ফোন করে নিরপত্তার দাবিতে। এরপর তিনি কয়েকজন বাম প্রার্থীদের নিয়ে কুশমণ্ডি থানায় ছুটে যান। গেটের বাইরে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা জানানো হলেও রাস্তার ঘেরাটোপ দিতে অস্বীকার করে পুলিশ। কিছু পরেই অবশ্য কুশমণ্ডি থানার আশ্বাসে  বিধায়ক তাঁর গাড়িতে দু’জন মহিলা প্রার্থী সমেত অন্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় ব্লক কার্যালয়ে পৌঁছান। কিন্তু গাড়ি থেকে নামতে না নামতেই বিধায়ক নর্মদা রায় সহ অন্য প্রার্থীদের উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর চলে বিধায়ককে। মাথায় গুরুতর চোট লাগায় বিধায়ক নর্মদা রায়কে উত্তর দিনাজপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য। বর্তমানে তিনি অন্যত্র চিকিৎসাধীন। বিধায়কের উপর হামলার প্রতিবাদে আজ জেলাজুড়ে পথে নামে বামেরা। জেলার বালুরঘাট, কুশমণ্ডি সহ অন্যান্য ব্লকে প্রতিবাদ মিছিল বের করে বামফ্রন্ট কর্মী সমর্থকরা।   এবিষয়ে আরএসপি-র   জেলা সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরি বলেন, গতকাল মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের বিধায়ককে মারধর ও হামলা চালানো হয়। এর প্রতিবাদে আজ তাঁরা পথে।

  • তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিজেপির প্রার্থীর স্বামীকে মারধর, অভিযোগ ঘরছাড়া প্রার্থীর

    ডেস্ক, ২২ এপ্রিল :দক্ষিন দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে  গ্রাম  পঞ্চায়েত থেকে প্রাথীপদ প্রত্যাহার না করায় এক বিজেপি প্রার্থীর স্বামীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃনমূলের বিরুদ্বে। ঘটনায় গুরুতর আহত বিজেপি প্রার্থীর স্বামীর নাম স্বপন বর্মণ(৫০)।তিনি বর্তমানে  বালুরঘাট জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।  এদিকে, আতঙ্কে ছেলেকে নিয়ে ঘর ছেড়েছেন সরস্বতী বর্মণ নামে ঐ বিজেপি  প্রার্থী। তিনি আপাতত বালুরঘাট জেলা বিজেপি কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তৃনমূল  অবশ্য মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। স্বপন বাবুর বাড়ী গঙ্গারামপুর থানার অশোক গ্রামে। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে অশোক গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে বিজেপি-র হয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী সরস্বতী। তাঁর অভিযোগ,  “মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা বলে প্রতিদিন হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল নেতৃত্ব। আমি মনোনয়ন তুলিনি। এরপর আমার স্বামীকে হুমকি দেওয়া হয়। গতকাল বিকেলে বাড়ি থেকে বাজার যাওয়ার পথে কয়েকজন দুষ্কৃতী বাঁশ দিয়ে মারে।” আক্রান্ত স্বপনবাবুকে প্রথমে গঙ্গারামপুর ও পরে বালুরঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর মাথায় আটটি সেলাই পড়েছে। স্বপনবাবুকে মারধরের পরই আতঙ্কে ছেলেকে নিয়ে ঘর ছাড়েন সরস্বতী।   ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব ।  ইতিমধ্যে বিজেপির পক্ষ থেকে  গঙ্গারামপুর থানায় অভিযোগ জানাও হয়েছে।  

  • দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে মূর্তি ভাঙ্গার অভিযোগ

    ডেস্ক, ১৮ এপ্রিল  : দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের জাখিরপুর হাটখোলা এলাকায় রাধাকৃষ্ণের মূর্তি  ভাঙ্গার অভিযোগ উঠল। আজ সকালে মূর্তি ভাঙা অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, গতরাতে কিছু দুষ্কৃতী এই ঘটনা ঘটিয়েছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে।  খবর পাওয়া মাত্র  ঘটনাস্থানে পৌঁছায় কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ। নববর্ষের প্রথম দিন থেকে কুমারগঞ্জের জাখিরপুর হাটখোলা এলাকায় শুরু হয় বাৎসরিক হরিবাসর অনুষ্ঠান। গতরাতে অনুষ্ঠান শেষে সকলে যে যার বাড়ি ফিরে যায়। আজ দুপুরে মহাপ্রভু ভোগের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, গতরাতে সবাই চলে যাওয়ার পর সেখানে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থানে আসেন কুমারগঞ্জ থানার ওসি। এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়। এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে চায়নি পুলিশ।