উত�তর ও দক�ষিণ দিনাজপ�র

  • "২০২১ সালের পর নবান্ন ছেড়ে কালীঘাটে দিদিমণিকে সবজি কাটতে হবে : দিলীপ ঘোষ

    Newsbazar24,পল মিত্র, দক্ষিন দিনাজপুরঃ দক্ষিন দিনাজপুর জেলার করদহ জনসভার মঞ্চ থেকেই একহাত নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জিকে হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বললেন, "২০২১ সালের পর নবান্ন ছেড়ে কালীঘাটে দিদিমণিকে সবজি কাটতে হবে। আর কোনও কাজ থাকবে না।" এদিকে, শনিবার বিজেপি-র সভায় অনেক বামকর্মী ও নেতারা যোগ দেন। গতকালও বিজেপিতে যোগ দিলেন তপনের আরএসপি নেতা ও প্রাক্তন স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ জিল্লুর রহমান। তাঁর নেতৃত্বে করদহে কয়েক হাজার বাম নেতা ও কর্মী বিজেপিতে যোগ দেয়। জিল্লুর রহমান সহ অন্য নেতাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন দিলীপবাবু। এছাড়াও সভায় হাজির ছিলেন বিজেপির জেলা সম্পাদক বাপি সরকার, মালদার সভাপতি সঞ্জিত মিশ্র, মাফুজা খাতুন সহ অন্য জেলা নেতৃত্ব। গতকাল জনসভা থেকে দিলীপবাবু বলেন, "যত রাগ সরকারি আধিকারিকদের উপর। ওরা নিরীহ প্রাণী। যাবে কোথায় ! অতএব বদলি করাও। আমি বলছি, সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের বদলি করে দিলেও পদ্মফুল আর ঘাসফুল হবে না। ওটা পদ্মফুলই থাকবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক ঝটকাতে তিনজন মন্ত্রীর চাকরি চলে গেছে। ৮ জন মন্ত্রীর দপ্তর বদল হয়েছে। বিজেপি সামান্য ভোট পেয়েছে, তাতেই এই ঝটকা। ২০১৯ এর নির্বাচনে ২২টার বেশি আসন পেলে অর্ধেক মন্ত্রিসভার রদবদল হবে এবং জেলা তৃণমূলের সভাপতি পালটে যাবে। আর ২০২১-এ পুরো সরকারটা পালটে যাবে। তখন দিদিমণিকে নবান্ন থেকে কালীঘাটে গিয়ে সবজি কাটতে হবে। আর কোনও কাজ থাকবে না।" বিজেপির জেলা সভাপতি প্রসঙ্গেও ক্ষোভ উগরে দেন দিলীপ ঘোষ। পুলিশ সুপারকে কার্যত হুমকি দিয়ে বলেন, "এখানকার এসপি শুভেন্দু সরকারকে বলেছিলেন, ওকে দেখে নেবেন। উনি দেখছেন। কিন্তু যখন আমরা দেখব, তখন ভগবানও ওনাকে দেখবে না। আপনি চাকরি করেন, করুন। রাজনীতি করবেন না। আর যদি রাজনীতি করতে হয়, তাহলে ওই পোশাক খুলে আসুন। আমাদের সামনে লড়ুন। তখন দেখে নেব কত ধানে কত চাল। অবসর নেওয়ার পরও কোর্ট-কাছারি করতে করতে আপনার সময় শেষ হয়ে যাবে।"

  • ছাত্র ছাত্রীদের নতুন দিশা দেখাচ্ছে উজ্বল কিডস্ ওয়ার্ল্ড স্কুল

    পল মৈত্র,গঙ্গারামপুর,দক্ষিন দিনাজপুরঃ উজ্বল কিডস্ ওয়ার্ল্ড একটি কম্বাইন স্কুল। কম্বাইন কথাটির অর্থ হলো এই স্কুলটি বাংলা মিডিয়াম এবং ইংলিশ্‌ মিডিয়ামের কম্বাইন। এখানে wb বোর্ড এবং cbsc বোর্ড একসাথে অনুসরন করা হয়। এটি একটি নতুন আধুনিক ভাবে ছাত্র ছাত্রীদের প্রতিভা প্রদর্শন ধারনাকৃত স্কুল। যেখানে প্রায় ৭০০ রো বেশি ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা করে এই স্কুলে। তাদের সাহিত্য, গান বাজনা, নাচ,আর্ট, আত্মরক্ষার জন্য ক্যারাটে ও বিজ্ঞানমনস্ক দিক দিয়ে নতুন কিছু তৈরী করা হয়। দক্ষিন দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর, বুনিয়াদপুর ও হরিরামপুরে স্কুলগুলি রয়েছে। যার মধ্যে প্রধান ও উল্লেখযোগ্য হলো গঙ্গারামপুর বেলবাড়িতে অবস্থিত উজ্বল কিডস্ ওয়ার্ল্ড স্কুলটি। যেখানে প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীরা সহ তাদের অভিভাবরা খুব উপকৃত হচ্ছেন বলে জানা গেছে। স্কুলের নানান বিজ্ঞানমূলক পঠন পাঠনের মাধ্যমে এবং তারা ছোট থেকে বাংলা ও ইংরাজী ভাষায় দক্ষ হয়ে উঠছে। এই স্কুলের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীকে ইন্ডিপেনডেন্ট বা স্বাধীন চেতন করে গড়ে তোলা। এখানে ছাত্র ছাত্রীরা চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে নয় কিছু শিখে নিজের প্রতিভাকে তুলে ধরার জন্যই এই স্কুলে পড়ছে বলে জানান স্কুলের কর্নধার তথা প্রিন্সিপাল অসীম ঘোষ। তিনি নিজেই একজন গবেষক ও ইন্জিনিয়ার, তিনি স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের টেকনলোজির ক্লাস করান, এর ফলে ছাত্র ছাত্রীরা এয়ার কুলার, এয়ার কন্ডিশান, রেফ্রিজারেটর, ইলেকট্রিক সাইকেল, ইলেকট্রিক কার, ইলেকট্রিক ট্রেন সহ নানান টেকনলোজি তৈরি করতে চোস্ত ও ওয়াকিবহাল হয়ে পড়েছে। বর্তমানে একটি হেলিকপ্টার বাননোর কাজ চলছে যা প্রায় ৪০০ কিমি অবধি যেতে পারবে বলে দাবী করেন প্রিন্সিপাল অসীম ঘোষ। স্কুলটির জন্ম ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারি। স্কুলের কর্নধার অসীম ঘোষের দাদা শহীদ উজ্বল ঘোষের নামে করা হয়েছে যিনি একজন এই দেশের সৈনিক ছিলেন দেশের মানুষদের সুরক্ষা দিতে গিয়ে ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রীল কারগীল যুদ্ধে শহীদ হয়ে ভারত মায়ের কোলে চিরনীদ্রায় শায়িত হন এই বীর সৈনিক। জানা গেছে খুব অল্প সময়ের মধ্যে স্কুলটি সাফল্য ও জনপ্রীয়তা লাভ করেছে। এবিষয়ে প্রিন্সিপাল অসীম ঘোষ বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সারা ভারতবর্ষে ৫০০ টি উজ্বল কিডস্ ওয়ার্ল্ড স্কুল করাবো। বর্তমানে ৩ টি স্কুল রয়েছে। আরো ১০টি স্কুলের কাজ চলছে যা চলতি বছরের নভেম্বরের দিকে চালু হয়ে যাবে। আমাদের স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকা, ছাত্র ছাত্রীরা সকলেই শৃঙ্খলাবদ্ধ ও নিষ্ঠাপরায়ণ। স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের জন্য বোর্ডিং রয়েছে পাশাপাশি হোষ্টেল রয়েছে খেলা ধূলা করার জন্য মাঠ সাতার শেখার জন্য সুইমিং পুল রয়েছে। তিনি আরো জানান, স্কুলের পাশাপাশি তিনি উজ্বল টেক্সটাইল ইন্ডাসট্রি তৈরি করেছেন। আগামী দিনে হাসপাতাল, ইন্জিনিয়ারিং ও মেডিকেল কলেজ করবেন বলে জানিয়েছেন। যা সমগ্র ভারতবর্ষে এক অনন্য নজীর সৃষ্টি করবে। তবে স্কুলটি আমি স্কুল বলবোনা বরং বলবো মুক্ত বিহঙ্গদের স্বাধীনতার জায়গা যা আগামীদিনে এদের প্রতিভাবান্‌ গড়ে তুলবে সমগ্র দেশ জুড়ে আলোকিত ও পরিচিত হবে উজ্বল কিডস্ ওয়ার্ল্ড স্কুল বলে জানান কর্নধার তথা প্রিন্সিপাল অসীম ঘোষ। সর্বশেষে বলাই বাহুল্য এই স্কুলটি ছাত্র ছাত্রীদের নতুন আলোর দিশা দেখাচ্ছে।

  • একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত বুনিয়াদপুর পৌর এলাকা

    news bazar24: বুনিয়াদপুর,দক্ষিণ দিনাজপুরঃ(পল মৈত্র)- চলতি বছরে গত দুই মাসেএকের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বুনিয়াদপুর পৌর এলাকায়। গত দুমাসে বুনিয়াদপুরে মোট ৯টি চুরির ঘটনা ঘটে।নড়েচড়ে বসেছিল বংশীহারী থানার পুলিশ। অবশেষে গতকাল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মোট চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।ধৃতদের নাম পলাশ প্রামাণিক(২৫), বিধান মণ্ডল(২৬), সুকুমার মাহাত(২৩) ও উত্তম মাহাত(২২)। সুকুমার ও উত্তমের বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ এলাকায়। তাদের মধ্যে কুখ্যাত দুই দুষ্কৃতী পাশের জেলা উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। চুরির ঘটনায় বড় কোনও চক্র রয়েছে বলে পুলিশের অনুমান। ধৃতদের বুধবার গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ৩ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। অন্য দিকে এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা জানতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে বংশীহারী থানার পুলিশ।একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শহরবাসী। একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও একটিরও কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। যা নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল এলাকায়। অবশেষে গতকাল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে চুরির ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করে বংশীহারী থানার পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে সোনার গয়না ও নগদ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের অনুমান ধৃতরা বড় কোনও চক্রের সঙ্গে জড়িত। এই চক্রে আরও অনেকে জড়িত বলে অনুমান পুলিশের।  এবিষয়ে বংশীহারী থানার আইসি বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান, চুরির ঘটনায় যুক্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যার মধ্যে দু’জনের বাড়ি কালিয়াগঞ্জে। তাদের জেরা করা হচ্ছে। চুরির ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  

  • দুটো সরকারি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৩০

    news bazar24: দক্ষিণ দিনাজপুরঃ   দুটি সরকারি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হলেন ৩০ যাত্রী। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার জেরে বেশ কিছুক্ষণ জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। আজ সকালে বালুরঘাট থেকে শিলিগুড়ি অভিমুখে যাচ্ছিল উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার একটি বাস। উলটোদিক থেকে বালুরঘাট অভিমুখে আসছিল অন্য একটি সরকারি বাস। রামপুর এলাকায় ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে সরকারি বাস দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘটনায় দুটি বাসের মোট ৩০ জন আহত হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের তড়িঘড়ি গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। দুর্ঘটনার জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে জাতীয় সড়ক। পরে খবর পেয়ে তপন থানার পুলিশ বাস দুটিকে রাস্তা থেকে সরায়। এরপর স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। মানিক মন্ডল  নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সকালে হঠাৎ আওয়াজ পান। এসে দেখেন দুটি সরকারি বাসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। একটি বাস রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী তুলে সবে ছেড়েছিল। সেই সময় উলটো দিক থেকে আসা আর একটি সরকারি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে। আহতরা বর্তমানে গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

  • বুনিয়াদপুরে ধূমপান মুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে সচেতনতামূলক কর্মশালা

    news bazar24: বুনিয়াদপুর,দক্ষিন দিনাজপুরঃ শুক্রবার দুপুরে বুনিয়াদপুর পুরসভার সভা কক্ষে ধূমপান মুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে ও ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য বর্জন করার লক্ষ্যে এদিন একটি কর্মশালা হয়। উপস্থিত ছিলেন পুরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মন, ভাইস চেয়ারম্যান জয়ন্ত কুন্ডু সহ পুরসভার ১৪ টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলাররা। এদিন উক্ত কর্মশালায় তামাকজাত দ্রব্য সেবনে অপকারিতার দিক তুলে ধরা হয় এবং পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে বলা হয়। কেউ প্রকাশ্যে ধূমপান করলে তাকে ২০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে শুধু তাই নয় স্কুল কলেজের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রী করা ও ১৮ বছরের নীচে কাউকে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রী ও সেবন করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ ধরা পরলে উভয়ের আর্থিক জরিমানা সহ কারাদন্ড বা দুই হতে পারে বলে জানান পুরসভার চেয়ারম্যান অখিল বর্মন। এদিন সভা কক্ষের কর্মশালায় উক্ত বিষয়ের উপর সকলের মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।

  • কুশমন্ডি গ্রামীন হাসপাতালের কর্মীদের আবাসনের বেহাল দশা।

    Newsbazar24,ডেস্ক, ২ জুলাইঃ দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ দিনাজপুররের  কুশমন্ডি গ্রামীন হাসপাতালের কর্মীদের আবাসনের বেহাল দশা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি ব্লকের কুশমন্ডী গ্রামীন হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর সরলা, মহিষবাথান, কুশমন্ডি, খাগড়াকুড়ি সহ বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষেরা নির্ভরশীল। অথচ এই কুশমন্ডি গ্রামীন হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানকারী নার্স সহ হাসপাতালের কর্মীদের আবাসন গুলির এই জীর্ণ দশা প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর ধরেই। আবাসনের ছাদ দিয়ে জল পড়ে, দরজা জানালা গুলির ভগ্নদশা এবং ঘরের প্লাস্টার সহ বিদ্যুতিক সরঞ্জাম গুলির সঙ্গীন অবস্থা। অভিযোগ আবাসন মেরামতির সরকারি হেলদোল বলতে শুধুমাত্র পূর্তদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের দ্বারা একাধিকবার সরজমিনে আবাসনগুলিকে পর্যবেক্ষণ করানো। কুশমন্ডি হাসপাতালের কর্মী ইন্দ্রজিৎ সাহার অভিযোগ আবাসন মেরামতির জন্য একাধিকবার আশ্বাস পাওয়া গেলেও কাজের কাজ এখনো কিছু হয়নি। কুশমন্ডি গ্রামীন হাসপাতালের বি.এম.ও.এইচ অমিত দাস হাসপাতালের কর্মীদের আবাসনগুলির করুণ দশার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমরা আমাদের সমস্যার কথা জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে জানিয়েছি। আমরা আশাবাদী এই আবাসনগুলিকে সর্বাঙ্গীণভাবে সারাই করার জন্য এবছরের মধ্যে স্বাস্থ্য দপ্তর অর্থ বরাদ্দ করবে। এবং তিনি এও জানিয়েছেন যে এর ফলে যারা হাসপাতালের পরিষেবা প্রদান করে চলেছেন তারা আরও ভালভাবে পরিষেবা প্রদান করতে পারবেন। সুতরাং লোকসভা নির্বাচনের পূর্বে কবে এই আবাসনগুলির রুগীরুপ ছেড়ে স্বাস্থ্য ফিরবে সেই আশায় অপেক্ষারত কুশমন্ডি গ্রামীণ হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স এবং হাসপাতালের কর্মীরা।

  • বাজারে বাহারি ফল পাওয়া গেলেও একমাত্র নির্ভেজাল ফল হচ্ছে কাঁচা তাল বা তালের শাঁস

    news bazar24: দক্ষিন দিনাজপুরঃ বাজারে বাহারি ফল পাওয়া গেলেও একমাত্র নির্ভেজাল ফল হচ্ছে কাঁচা তাল বা তালের শাঁস। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারসসহ রকমারি ফলের সঙ্গে বাজারে উঠেছে তাল-শাঁস। অন্যান্য ফলের চেয়ে তাল-শাঁসের বৈশিষ্ট্য একটু আলাদা। এখন তালগাছে ঝুলে আছে কচি তাল। অনেকে বিক্রির জন্য কচি তাল বাজারে তুলেছে। তাই এই গরমে হরেক রকম মৌসুমী ফলের সঙ্গে ফলপিপাসু মানুষের কাছে দিন দিন তাল-শাঁসের কদর বৃদ্ধি পাচ্ছে।কদর বৃদ্ধির একটা অন্যতম কারণ হলো এটিতে কোনো কীটনাশক বা ফরমালিন অথবা কার্বাইড মেশানোর প্রয়োজন পড়ে না। অনেকেই রাস্তার পাশে বসে ও দাঁড়িয়ে এ ফল খাচ্ছেন। কেউ কাঁধি ধরে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে। তীব্র গরমে তাল শাঁস মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী। তাই তীব্র গরমে একটু স্বস্তি পেতে তাল শাঁসের কদর বাড়ছে দক্ষিন দিনাজপুর জেলা জুড়ে।দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে তাল-শাঁস বিক্রি চলছে জমজমাট। এতে করে স্বাবলম্বীও হচ্ছেন বিক্রেতারা। এটি বাজারের রাস্তার পাশে ফুটপাতে বসে দোকানিরা বিক্রি করছেন। অনেক তাল-শাঁস বিক্রেতা স্কুল, কলেজ গেটে বসছে। তাল-শাঁস বিক্রেতাদের মূল টার্গেট অল্প বয়সী ছেলেমেয়ে। অনেকটা তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তাল-শাঁস খাওয়া হয়। কাঁচা তাল শাঁসে যথেষ্ট পরিমান মিনারেল রয়েছে, যা মানব দেহের জন্য উপকারী। তবে বড়রাও শাঁস খাওয়া থেকে পিছিয়ে নেই। রিকসা চালক থেকে শুরু করে সকল শ্রেণী বা পেশার লোকজনই মৌসুমী ফল তাল শাঁস ক্রয় করতে ভীড় করছেন বিক্রেতাদের কাছে।গরমে একটু স্বস্তি পেতে তালের শাঁস খাচ্ছেন ৮ থেকে ৮০ ছেলে বুড়ো সকলেই। তাল-শাঁস ঠান্ডা জাতীয় গরম মৌসুমের সুস্বাদু খাবার। সব বয়সের মানুষের কাছে এটি বেশ প্রিয় খাবার। শখের বসেই অনেকেই তাল-শাঁস খেয়ে থাকে। কম দামে ভালো খাবার বলে বাজারে এর কদরও বেশ ভালো। একটি তাল-শাঁস বর্তমান বাজারে সাত থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক একটি তালের ভেতরে তিন-চারটি আঁটি বা শাঁস থাকে। তাল-শাঁস বিক্রেতারা গ্রামে গ্রামে ঘুরে গাছের মালিকদের কাছ থেকে পাইকারিভাবে কচি তাল কিনছে। একটি গাছে তিন থেকে পাঁচশ তাল ধরে। প্রতিটি কচি তালের পাইকারি দাম তিন থেকে চার টাকা।তাল বিক্রি করে জেলার অনেকে  স্বাবলম্বী হয়েছেন। তাদের মধ্যে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর শেরপুর পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের সুকুমার সরকার জেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে গাছ মালিকদের কাছ থেকে তাল-শাঁস ক্রয় করেন। এরপর সেগুলো বিভিন্ন বাজারে পাইকারী অথবা সুযোগ বুঝে খুচরা বিক্রি করে থাকেন।সুকুমার সরকার জানান, আগে দিনমজুরের কাজ করতেন। সংসার চালাতে হিমশিম খেতেন। তখন তিন বেলা দুই মুঠো ভাত ছাড়া অন্য কোন কিছুর আশা করতেন না। এখন তিনি প্রতিটি তাল শাঁস ৭ টাকা থেকে ১০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। এতে তার প্রতিদিন তিন থেকে চার’শ টাকা আয় হচ্ছে। তাল গাছ কেটে ফেলার কারণে কমে যাওয়ায় তালের ফলন কম হচ্ছে।তিনি আরো জানান, তাল শাঁসের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে চড়া মূল্যে এ মৌসুমী ফল বিক্রি করতে হচ্ছে। আগামীতে এ ফল পাওয়া নাও যেতে পারে বলে তিনি আশংকা প্রকাশ করেন।

  • সবুজয়ান শহর প্রকল্পে নতুন ভাবে সেজে উঠতে চলেছে গঙ্গারামপুর

    news bazar24:গঙ্গারামপুরঃ(পল মৈত্র)-রাজ্য সরকারের অভিনব প্রকল্পের গ্রিন সিটির আওতায় নতুনভাবে সাজতে চলেছে গঙ্গারামপুর।অত্যাধুনিক পথবাতি,ফোয়ারা বসানোর পাশাপাশি নানারকম গাছ ফুলের গাছ লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রবীণদের প্রাতঃভ্রমনের জন্য উদ্যান তৈরি করা হবে।পাশাপাশি রাস্তার মোড়ে মোড়ে আলো দিয়ে গ্রিন সিটিকে সাজানো হবে।সম্প্রতি পুর দপ্তর গঙ্গারামপুর শহরকে গ্রিন সিটির তকমা দিয়ে এই প্রকল্পের জন্য টাকা অনুমোদন করেছে যার কাজ দ্রুত শুরু হবে।এই বিষয়ে গঙ্গারামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র বলেন,গঙ্গারামপুর কে গ্রিন সিটি বানাতে রাজ্য সরকার ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে।ইতিমধ্যে ১ কোটি ৯৮ হাজার টাকা এসেছে।আমাদের নকশা তৈরি হয়ে গিয়েছে।নানা কারনে শহর দূষন হচ্ছে পরিবেশ দূষন মুক্ত রাখতে বেশি গাছ লাগালে দূষন কিছুটা কমবে।তাছাড়া নানারকম সরঞ্জাম দিয়ে শহরকে নতুনভাবে সাজিয়ে তুলবো।পুরসভা সুত্রে জানা গিয়েছে,শহরের কালদিঘী হাসপাতাল মোড় থেকে কাদিঘাট পলিটেকনিক কলেজ মোড় পর্যন্ত প্রায় ৪ কিমি হিলি-গাজোল ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কের মাঝ বরাবর অত্যাআধুনিক মানের আলো বসানো হবে যা শহরকে আলোকিত করবে।কালদিঘী মোড় ও চৌমাথা হাইরোড মোড় এই দুই জায়গায় অর্থাৎ শহরের প্রবেশ পথেই সুবিশাল ফোয়ারা বসানো হবে।আলোক সজ্জার মাধ্যমে সাজিয়ে তোলা হবে।যা সবার দৃষ্টি আকর্ষন করবে।শহরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত খাঁড়িকে সংস্কার করে তার দুপাশ দিয়ে হাঁটার রাস্তা তৈরি হবে।রাস্তার পাশে বসার জন্য সিমেন্ট দিয়ে কংক্রিটের বেঞ্চ করা হবে।তাছাড়াও শহরকে সবুজায়ন গড়ে তুলতে প্রচুর ছোট বড় নানা ধরনের গাছ ও ফুলের গাছ লাগানো হবে।গঙ্গারামপুর শহর গ্রিন সিটি হচ্ছে শুনে বাসিন্দারা আনন্দে বিহ্বল অপেক্ষার সাথে খুশির জোয়ারে ভাসছেন তারা।

  • সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফকে প্রহসন

    news bazar24: গঙ্গারামপুরঃপ্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে হেলমেট বিহীন বাইক আরোহীরা সহাস্যে গঙ্গারামপুরের রাস্তায় দাপিয়ে বেরাচ্ছে।পুরো ঘটনাটি ঘটছে পুলিশি নজরদারির অভাবে।মুখ্যমন্ত্রীর প্রকল্পকে কার্যত বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দিব্যি ঘুরে বেরাচ্ছে বাইক আরোহীরা।হেলমেট বিহীন অবস্থায় বাইকে তিনজনকে হামেশাই সওয়ারি হতে দেখা যাচ্ছে।দ্রুতগতিতে অনিয়ন্ত্রীত ভাবে বাইক চালানোর ফলে মাঝে মধ্যে দূর্ঘটনা ঘটছে।সমস্ত জেলা জুড়ে সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ নিয়ে প্রচুর প্রচার ও ধরপাকড় হয়েছে কিন্তু গঙ্গারামপুর শহরে সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ প্রকল্প কার্যকরী না হওয়ায় এনিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে।এবিষয়ে কর্তব্যরত এক ট্রাফিক পুলিশ জানান,মাঝে মধ্যে ধরপাকড় করা হয়। তবে তারা পুলিশের সামনে দিয়ে ট্রাফিক আইন অমান্য করে বাইক ছুটে যায় সাথে পেট্রোল পাম্পে তেল ও পাচ্ছে।অন্যদিকে যখন জেলার সদর শহর বালুরঘাটে সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ প্রকল্প কার্যকরী হওয়ায় বাইক আরোহীদের মাথায় হেলমেট দেখা যাচ্ছে তখন জেলার গঙ্গারামপুর শহরে ভিন্ন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।প্রতিনিয়ত যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সড়ক দূর্ঘটনা।গঙ্গারামপুর শহরে আইন থাকলেও তা কেউ তোয়াক্কা করছেনা বলে অভিযোগ।চালকেরা ট্রাফিক আইন মানছে না।আবার ট্রাফিক পুলিশও সেই আইন বাস্তবায়নে পদক্ষেপ করছেনা।ফলে অবাধে ট্রাফিক আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে হেলমেট ছাড়াই বাইক আরোহীরা চলছেন।গঙ্গারামপুর শহরের ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতামত পুলিশের নজরদারির অভাবে হেলমেট বিহীন বাইক আরোহীদের দৌরাত্ম বেড়ে গিয়েছে।এলাকায় একদল যুবকের দ্রুতগতিতে বাইক নিয়ে ছুটে বেড়ানোর কারনে অনেকে প্রাণভয়ে রাস্তায় বের হতে ভয় পান।তেমনি মাঝেমধ্যে এলাকায় দূর্ঘটনা ঘটছে।গঙ্গারামপুর শহরের বাসিন্দারা ট্রাফিক আইনকে কঠোরভাবে বহাল করার দাবী তুলেছেন।

  • মদ উচ্ছেদ মহিলা কমিটির থানায় ডেপুটেশন

    newsbazar24: (পল মৈত্র)- বুনিয়াদপুর,দক্ষিন দিনাজপুরঃ বুধবার দুপুরে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বুনিয়াদপুর বংশীহারী থানায় প্রায় শতাধিক মহিলাদল ডেপুটেশন দিলেন। মদ উচ্ছেদ মহিলা কমিটির পক্ষ থেকে এদিন বুনিয়াদপুর শহর থেকে পায়ে হেটে পরিক্রমা করে থানা উপস্থিত হন এবং ডেপুটেশন। উল্লেখ্য মঙ্গলবার বুনিয়াদপুর সরাইহাটের এক আদিবাসী এলাকায় (যারা চোলাই মদ বিক্রী করেন) তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসব বন্ধের জন্য মদ উচ্ছেদ মহিলা কমিটির প্রায় শতাধিক মহিলারা প্রতিবাদ জানালে অত্র এলাকার আদিবাসীরা মহিলাদের উপর লাঠি নিয়ে চড়াও হন পাশাপাশি সেই ঘটনায় ৩ জন মহিলা আহত হন। ঘটনার খবর পেয়ে বংশীহারী থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী উপস্থিত হয়ে মদ উচ্ছেদ মহিলা কমিটির মহিলাদের সুরক্ষা বলয়ে আশ্রয় দেন। বুধবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন চোলাই মদ বিক্রীর প্রতিবাদে তারা থানায় ডেপুটেশন দেন। এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মদ উচ্ছেদ মহিলা কমিটির সম্পাদিকা বাবলি বসাক জানান, গতকালের ঘটনাটি খুব নিন্দনীয়  তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই আজ আমরা সেই ঘটনায় দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও অবৈধ চোলাই মদ বিক্রী বন্ধের জন্য থানায় ডেপুটেশন দিচ্ছি। পাশাপাশি এই মদের নেশায় শ্রমজীবী ও সমাজের গরীব মানুষরা নানান অসুখে ভুগছেন তার সাথে লেগে রয়েছে সাংসারিক দন্দ্ব। তাই আমরা অবিলম্বে চোলাই মদ অবৈধ মদ বিক্রী ও কারবার বন্ধের আর্জী জানাচ্ছি। তা না হলে আমরা ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।অন্যদিকে একই সাথে বুনিয়াদপুর  ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলারা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে ডেপুটেশন দিলেন। প্রসঙ্গত চলতি মাসে পরপর ৯ টি চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ এখনো সেইসব ঘটনার সুরাহা ও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি। পুলিশ প্রশাসনের নিস্কৃয়তার অভিযোগ উঠেছে। এদিন বুনিয়াদপুর ৩ নং প্রায় শতাধিক মহিলারা থানায় লিখিত অভিযোগ করে ডেপুটেশন দেন। এবিষয়ে নুপুর মন্ডল, আরতি সরকার, মৌসুমি বিশ্বাসরা জানান, চলতি মাসে বুনিয়াদপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরপর ৯ টি বড়ো চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি। পাশাপাশি বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে আমরা অবিলম্বে এই ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে পাড়ায় পাড়ায় পাহারা দেওয়ার আর্জি জানাচ্ছি তার সাথে অবিলম্বে ঘটে যাওয়া চুরির ঘটনাগুলির কিনারা করার আবেদন জানাই। আমরা জেনেছি এই থানার পুলিশরা ডাকাত ধরে সুনাম অর্জন করেছেন তাহলে চোর ধরতে বা চুরির ঘটনাগুলির কোনো কিনারা করতে পারছেন না কেন নাকি চোরেদের সাথে পুলিশের সাথে কোনো গোপন আঁতাত রয়েছে ? অবিলম্বে চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার ও চুরির কিনারা না হলে আমারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।