উত�তর ও দক�ষিণ দিনাজপ�র

  • তৃনমুল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষের পথের কাঁটা কি এমন ছিলো, যে তিনি হেরে গেলেন ?

    পুজা দাস, বালুরঘাট ২৪ মে ;, গোষ্ঠী কোন্দলই পথের কাঁটা হয়ে গেল বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের তৃনমুল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ এর। তিনি বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের কাছে বত্রিশ হাজার ২৯৩ ভোটের ব্যবধানে হারেন। তৃন্মুল পায় ৫০৫৪৬৩ এবাং বিজেপি ৫৩৯৩১৭ ভোট।বামেরা পায় ৭২৯৯০। গত বার বামেরা ভোট পেয়েছিল তিন লাখের বেশি। বামেদের ভোট ব্যাংকের অধিকাংশই বিজেপির দিকে গিয়েছে, বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তৃনমুলের গোষ্ঠী কোন্দলই কার্যত আরো বিপাকে ফেলেছে তৃণমূলকে। বিশেষ করে তৃণমূল জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্রের খাস তালুক গঙ্গারামপুরে কিন্তু এবারে অবাক করে দিয়েছে সকলকে। সেখানে কিন্তু পদ্ম ফুলের ছড়াছড়ি হয়ে যাওয়াতেই এবারে হার নিশ্চিত হয়ে যায় তৃণমূল প্রার্থীর। 2014 সালে প্রায় কুড়ি হাজার লিড নেওয়া গঙ্গারামপুর বিধানসভাতে, এবার কুড়ি হাজারের বেশি ভোট ডাউন গিয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর। প্রার্থী নিয়ে তৃণমূলের যে বিবাদ বেঁধেছিল, এবারে সেই বিবাদেরই প্রভাব পড়েছে গঙ্গারামপুর বিধানসভায় বলে মনে করা হচ্ছে। তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ হার স্বীকার করে নিয়েই বলেন, যে ট্রেণ্ড চলছে তাতে এবার জয়ের সম্ভাবনা নেই আমাদের। গঙ্গারামপুরে এমন ফলের কারণ নিয়ে জবাব দেবার দায় জেলা সভাপতির। শীঘ্রই এ নিয়ে পর্যাআলোচনা করা হবে। এবং ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য অনেক গুরুত্ব রাখে পর্যালোচনা। তৃনমুল জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র বলেন, এলাকাভিত্তিক রিপোর্ট হাতে পেলে যা বলার বলব। তবে বিপ্লব অনুগামীরা এই হারের জন্যে কিন্তু অর্পিতা ঘোসষ্কেই দায়ি করেছে। তাদের অভিযোগ, অর্পিতা দেবী নিজের কবর নিজেই অনেক দিন আগেই খুড়ে ফেলেছিলেন,তার অহংবোধের জন্য। তাদের আরও অভিযোগ ২০১৪ সালে এই আসন থেকে জয় পেয়ে সংসদে যাওয়ার পর থেকেই তিনি নিজেকে এই জেলায় পুলিশের একাংশের মদতে লাল আলো লাগানো গাড়ির পাশাপাশি পুলিশি এস্কর্ট নিয়ে সাইরেন বাজিয়ে চলাফেরা করার সময় নিজেকে জেলার চিফ মিনিস্টারের মত আচরন করতে শুরু করেন। এছাড়া বন্যার সময় না থাকা, বিশ্ববিদ্যালয় ইস্যুতে গংগারামপুরের বিরুদ্ধাচারন করা সবই তার বিরুদ্ধে গিয়েছে। যার ফলে তিনি ক্রমশই জেলার মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন। এমনকি এই একই কারনে তার নিজের দলের সভাপতির সাথে দুরত্ব বাড়তেও দেখা যায়। ফলস্বরুপ এবার বালুরঘাট আসনে যাতে অর্পিতাকে প্রার্থী করা না হয় তার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র, তৃনমুল সুপ্রীমো মমতা । কিন্তু দলনেত্রী সেই অনুরোধে কান না দিয়ে প্রার্থী হিসেবে অর্পিতা ঘোষকেই এই আসনে প্রার্থী করেন। এরপরেই প্রকাশ্যে এই নিয়ে বিরোধীতা করেন জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র। যদিও নেত্রীর নির্দেশ মেনে জেলা সভাপতি বিষয়টি নিয়ে আর না এগোলেও তার অনুগামীরা প্রকাশ্যে ও সোসাল মিডিয়ায় অর্পিতা ঘোষকে বহিরাগত আখ্যা দিয়ে ট্রোল করতে থাকে। এই নিয়ে দলের অভ্যন্তরে জোর ঝামেলা দেখা দিলে নেত্রীর নির্দেশে গৌতম দেব সহ একঝাক মন্ত্রী নিয়ে এসে বৈঠক বসে একপ্রকার জোড়াতালি দিয়ে ইলেকশন টা এবারের মত পার করে দেওয়ার কথা বলে। সেই মত সাময়িক ঝামেলা মিটিয়ে দুই পক্ষ আসরে নামলেও দুরত্ব একপ্রকার বজায় ছিলই। এমনকি প্রার্থীর সাথে জেলা সভাপতির কথা বার্তা একপ্রকার বন্ধই ছিল। এরই প্রভাব পরেছে ফলাফলে বলে মনে করা হচ্ছে। গংগারমপুর,বালুরঘাট, তপনে ব্যাপক লিড নিয়েছে বিজেপি। এদিকে বিজেপি নেতা নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী বালুরঘাটে গত ২০ এপ্রিল জেলার বুনিয়াদপুরে তাদের দলের প্রার্থীর সমর্থনে যে সভা করেছিলেন তা ছিল জন জোয়াড়ের সমান। সেদিন থেকেই এই আসনে বিজেপি প্রার্থীর জয় অনেকটাই নিশ্চত হয়ে যায় বলে জেলার রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারনা। তৃনমুল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি বিষয়টি যে আন্দাজ করেন নি তা নয়, একদিকে দলের অন্তর্ঘাত, অন্যদিকে মোদী ক্যারিশমা, একবার নয়, বালুরঘাটের দলের প্রার্থীর জন্য তিনি জেলাতে চার চারটি সভা করতে এসেছিলেন।এবং যথারীতি অর্পিতার সব দোষ নিজের কাধে নিয়ে তাকে আড়াল করবার সব রকম প্রয়াস চালিয়েছিলেন। কিন্তু ফল দেখে মনে হচ্ছে জেলার মানুষ তৃনমুল নেত্রীর সেই কথায় সায় দিতে চায় নি। তাই যা হবার তাই হলো। সব চেয়ে বড় কথা তৃনমুল কর্মীরা এবার যে তারা এই আসন টি থেকে বিদায় নিতে চলেছে তা আন্দাজ করেই সকাল থেকে গননা কেন্দ্রের আশে পাশে অনান্য বারের মত ভীড় জমান নি। গননা কেন্দ্রের বাইরে দেখলে মনে হবে যেন শ্মশানের নিস্তব্ধতা। যদিও গননার প্রথম রাউন্ড থেকেই এই আসনে তৃনমুল বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে থাকে। কিন্তু চার রাউন্ড পর থেকেই তৃনমুল প্রার্থী কে পিছনে ফেলে এগিয়ে যায় বিজেপি প্রার্থী। শেষ মেষ প্রায় ৩৩ হাজার ভোটে তৃনমুলের হাত থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়ে । হারের কারণ হিসেবে আরএসপির জেলা সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরী তৃণমূলের অত্যাচার এবং সন্ত্রাস কে দায়ী করেছেন। বিজেপি জয়ী প্রার্থী ডঃ সুকান্ত মজুমদার ও এই জয় তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানুষের রায় বলেই উল্লেখ করেছেন। -

  • অশান্তির জেরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামীকে কুপিয়ে খুন করল স্ত্রী

    newsbazar24: অশান্তির জেরে স্বামীকে কুপিয়ে খুন করল স্ত্রী, একেরপর এক পরকীয়ায় মজে স্ত্রী, সেই নিয়ে নিত্য নিয়ে অশান্তি হত বাড়িতে। শেষে অশান্তির জেরে রেগে গিয়ে স্বামীকে কুপিয়ে খুন করল স্ত্রীর। অমৃতখন্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌরাপাড়া এলাকার ঘটনা। বছর ৪৫-এর  মৃত দশরথ মার্ডি পেশায় কৃষক। স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর কুড়ি আগে দশরথ মার্ডি চৌরাপাড়া এলাকার মানসী টুডুর বিয়ে হয়। শুরু থেকেই মানসীর বাড়িতেই ঘর জামাই থাকতেন দশরথ। জানা গিয়েছে, মনানসীর একাধিক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে প্রায়ই পারিবারিক অশান্তি চলত তাঁদের। সোমবার অশান্তি চরমে পৌঁছলে কুড়ুল ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে দশরথ মার্ডির মাথায় একেক পর এক আঘাত করতে থাকে তার স্ত্রী। আর্তনাদ শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে প্রতিবেশীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় বালুরঘাট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় দশরথকে। সেখানেই তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিস। পাশাপাশি ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিস।  মানসীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 

  • ভাট পাড়ায় নৈহাটি লোকাল লক্ষ্য করে বোমাবাজি , আহত অনেক, পুলিশ এখন জগন্নাথ

    News Bazar24: মঙ্গলবার সকালেও কাঁকিনাড়া স্টেশনে রেল অবরোধ করে চলে বিক্ষোভ। দুষ্কৃতীরা আটকে থানা নৈহাটি লোকাল লক্ষ্য করে বোমাবাজি, ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। কোনওরকমে ট্রেন থেকে নেমে তাঁরা পিছনের রাস্তা দিয়ে পালিয়ে যান। প্ল্যাটফর্মে আতঙ্কিত যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। যদিও ট্রেন লক্ষ্য করে বোমাবাজির কথা অস্বীকার করেছে রেল। ঘটনার সময়ে এলাকায় র্যাফ বা আধাসেনার দেখা নেই বলে ক্ষোভ বাসিন্দদের। এমনকি রেলপুলিসও কোনও পদক্ষেপ করেনি এখনও। শিয়ালদা থেকে পাঠানো হচ্ছে RAF। ঘটনায় ইতিমধ্যেই সিইও-র কাছে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন বিবেক দুবে। ভাটপাড়ায় রাজ্যপালের পরিদর্শনের আবেদন জানালেন অর্জুন সিং। দাবি উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনেরও। বিভিন্ন স্টেশনে আটকে রয়েছে লোকাল ও দূরপাল্লার ট্রেন। এদিন মূলত ২৯ নম্বর রেলগেট থেকে বোমাবাজি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৫ জন আহত হয়েছেন। ভাটপাড়ার উপনির্বাচন ঘিরে রবিবার থেকে অশান্ত হয়ে ওঠে ভাটপাড়া, কাঁকিনাড়া। রাতভোর চলে বোমাবাজি। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিসবাহিনী, RAF মোতায়েন করা হয়। সোমবার জারি করা হয় ১৪৪ জারি। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

  • স্ত্রীকে খুন করে কাঠগড়ায় শিক্ষক স্বামীর

    newsbazar24: অসুস্থ ছেলেকে রায়গঞ্জ হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য নিয়ে যাওয়া নিয়ে বিবাদ । আর সেই বিবাদের চরম পরিণতিতে স্ত্রীর প্রাণহানি। তার জেরে প্রকাশ্যেই ভেঙে পড়লেন শিক্ষক স্বামী। অকপটে দিলেন স্বীকারোক্তি। সকলের সামনে বললেন, “আমার সন্তানদের ভবিষ্যত নষ্ট করেছি আমি। আমাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন।”ঘটনাস্থল উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের উত্তরপাড়া। নিহত মহিলার নাম সোয়েদা আয়েশা সিদ্দিকি (২৮)। অভিযুক্ত স্বামীর নাম তফোজ্জল হোসেন। তাঁর দাবি, তাঁদের অসুস্থ ছেলেকে রায়গঞ্জ হাসপাতালে চিকিত্সার জন্য নিয়ে যাওয়া নিয়ে বিবাদ বাঁধে স্ত্রীর সঙ্গে। বিবাদ চলাকালীন তিনি স্ত্রীকে ধাক্কা মারেন। সেই ধাক্কার জেরে আয়েশা মাটিতে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।এই ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই শিক্ষকের বাড়িতে চড়াও হন। তাঁর বাড়িতে ভাঙচুরও চালান। পরে পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আয়েশার বাবা সৈয়দ আজগর আলি মেয়ের মৃত্যুতে কাঠগড়ায় তুলেছেন জামাইকেই।তাঁর অভিযোগ, এর আগেও মেয়ের উপর অত্যাচার চালিয়েছে তফোজ্জল। টাকার দাবিতে মেয়ের উপর অত্যাচার চালানো হত। তার জেরেই এই ঘটনা। আয়েশার বাবা এ নিয়ে পুলিসের কাছে অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন। যদিও স্ত্রীকে ইচ্ছাকৃত খুনের অভিযোগ মানতে নারাজ তফোজ্জল। তিনি নিজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন কারন তাঁর দাবি, তিনি অনিচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করে ফেলেছেন। 

  • ফণীর দাপট ঃ বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেল গোটা বাড়ি, ভেঙে পড়েছে কমপক্ষে ১৫টি বাড়ি।

    রাজকুমার দাস ঃ ফনির ঝাপটায় বাড়ির উপর বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেল গোটা বাড়ি। বাড়িতে কেউ না থাকায় বরাতজোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন বাসিন্দারা। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘির নন্দকুমার পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মহম্মদ নগর গ্রামে।এদিন সকালে স্থলভাগে ফণি আছড়ে পড়ার কিছু পর রায়দিঘিতে শুরু হয় ঝড়। তুমুল ঝড়ে ছিঁড়ে পড়ে বিদ্যুতের তার। তার ছিঁড়ে বাড়ির উপর পড়ে। তাতেই আগুন ধরে যায় বাড়িটিতে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় ঘরে রাখা সব জিনিস। ঘূর্ণিঝড়ের হাত থেকে ফসলকে বাঁচাতে ধান কেটে ঘরে তুলে রেখেছিলেন। আগুনে সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। আগুনে পুড়ে যায় ঘরে মজুত করা ধান। তবে ঘটনার সময়, বাড়িতে কেউ না থাকায়, কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।অন্যদিকে, মেদিনীপুর শহরের উপর দিয়েও এদিন সকাল ১১টা নাগাদ বয়ে গিয়েছে ঝড়। ঝড়ের দাপটে শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তালপুকুর এলাকায় ভেঙে পড়েছে কমপক্ষে ১৫টি বাড়ি। উড়ে গিয়েছে অ্যাজবেসটসের ছাউনি, টালির চালা। চন্দ্রকোনা রোডের মহারাজপুরে তিনটি বাড়ির উপর দিয়ে বয়ে যায় ঝড়। ঝড়ের তাণ্ডবে সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে বাড়িগুলি।

  • বুনিয়াদপুরে ভোটকর্মীর রহস্যমৃত্যু ঃ রিপোর্ট তলব কমিশনের

    news bazar : ভোট কর্মীর রহস্য মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে।কীভাবে ওই কর্মীর মৃত্যু হল, তা জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।জানা গিয়েছে, মৃতের নাম বাবুলাল মুর্মু। তিনি কুশমন্ডির শিক্ষক। বুনিয়াদপুরের বাসিন্দা। রিসার্ভে থাকা ভোট কর্মী ছিলেন তিনি। এদিন সকালে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় বাবুললাল মুর্মুর দেহ। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বাবুলাল মুর্মুর স্ত্রী জানিয়েছেন, কাল রাতে ভোটের ডিউটির কথা জানিয়েছিলেন তিনি। ভয়ের কথাও জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন, সেন্ট্রাল ফোর্স না থাকলে তিনি ডিউটি করবেন না।পরিবারের দাবি, বাবুলাল মুর্মুর শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হয়েছে। ঘরের মাটিতে রক্ত পড়ে আছে। তবে, মৃত্যুর কারণ এখনও সুস্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। খবর পাওয়া মাত্র নড়েচড়ে বসে কমিশনও। রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।এর পাশাপাশি, তৃতীয় দফার ভোটে এড়ানো গেল না রক্ত। রাজ্যে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটল মুর্শিদাবাদে। ভোটের হিংসায় মুর্শিদাবাদের ভগবামগোলায় প্রাণ গেল এক ভোটারের। তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেসের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে মৃত্যু হয় ওই ভোটারের। নিহতের নাম টিয়ারুল আবুল কালাম। 

  • কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট হবে না এই দাবীতে বুথে তালা লাগালেন গ্রামবাসীরা

    ২২ এপ্রিলঃ  আগামীকাল ভোট অথচ গ্রামের বাসিন্দারা কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া  বুথের ভিতরে ভোটকর্মীদের ঢুকতে তো দিলেন না  উপরন্তু বুথে তালা লাগিয়ে দিয়ে বিক্ষোভ দেখান  তারা । ভোট কর্মীদের সাথে আসা  পুলিশের সঙ্গে  ঝামেলা লেগে যায় গ্রামবাসীদের ।  এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।  এই ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ইটাহার বিধানসভার ৩৬/৫২ নম্বর বুথে। ইটাহার থানার অধীন  বেকিডাঙা জিএসএফপি স্কুলের বুথে গ্রামের ভোটাররা ভোটকর্মীদের বুথে প্রবেশ বাধা দিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়। সেই খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে ইটাহার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, এই বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না দিলে ভোট নিতে দেওয়া হবে না। স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটারদের অভিযোগ, বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই বুথে ব্যাপক গন্ডগোল ও বুথ জ্যামের ঘটনা ঘটে। কোনও ভোটারকে ভোট দিতেই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।               তাই  তাদের দাবি রাজ্য পুলিশ দিয়ে এখানে  তারা ভোট করতে দেবেন না । কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার দাবিতে তাঁরা ভোটকর্মীদের বুথে প্রবেশ আটকে দেওয়ার পাশাপাশি বুথে তালা লাগিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগদ পেতে হয় প্রশাসনকে। ভোটকর্মীরা স্কুলের বারান্দায় অপেক্ষা করতে থাকেন। সর্ব শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা যায় গ্রামবাসীরা নিজেদের দাবীতে অটল। জেলা প্রশাসন এই সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হয়েছে।  

  • বুনিয়াদপুরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সভার পর উঠেছে জল্পনা

    Newsbazar24 : দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সভার পরই উসকে উঠেছে জল্পনা। সূত্রের খবর, রাজ্যের বাকি আসনগুলির মধ্যে কোনও একটিতে প্রার্থী হওয়ার জন্য নরেন্দ্র মোদীর কাছে আবেদন জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গে 'পদ্মবাগান' তৈরিতে মরিয়া গেরুয়া শিবির চাইছে, মোদীকেই মুখ করে এগোতে। আর তাই প্রধানমন্ত্রীকেই প্রধান কাণ্ডারি করে রাজ্যে ভোট বৈতরণী পার করতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। প্রসঙ্গত, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত তিন দফায় মোট ৩৯টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। রাজ্যে লোকসভা আসন মোট ৪২টি। অর্থাত্, আরও ৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা এখনও বাকি রয়েছে বঙ্গ বিজেপির। শেষের দুদফার কোনও আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মোদীকে অনুরোধ করেছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।বুনিয়াদপুরের সভায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া আক্রমণ করেন নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিনের থেকে এদিন প্রধানমন্ত্রীর সুর ছিল অনেকটাই চড়া ও ভিন্ন। সভায় মোদী সাফ বলেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় 'ভালো মানুষ' ভেবেছিলেন। কিন্তু, এখন 'স্বীকার' করছেন যে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে 'ভুল' বুঝেছিলেন। মোদীর এই কথার সূত্র ধরেই রাজ্য বিজেপি বাংলা থেকে লড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়।এরপর সভা শেষ করে জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে নাড়তে মোদী যখন মুকুল রায়ের কাছে এগিয়ে আসেন, তখনই তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে লোকসভায় প্রার্থী হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। মুকুল রায়ের সঙ্গেই ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তাঁরা সরাসরি নরেন্দ্র মোদীকে প্রস্তাব দেন বাংলা থেকে লড়ার জন্য। মোদীকে বলা হয়, প্রথম দু-দফার ভোটের পরই পরিস্থিতিটা অনেকখানি পরিষ্কার। এই পরিস্থিতি তিনি যদি বাংলা থেকে লড়েন, তাহলে তার গুরুত্ব অনেকখানি বেড়ে যাবে।

  • আত্রেয়ী নদীর জল সমস্যাকে হাতিয়ার করে বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ মমতার

    সরোজ কুন্ডু, বালুরঘাট, ১৯ এপ্রিলঃ জেলার গুরুত্বপূর্ণ আত্রেয়ী নদীর জল সমস্যাকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মমতা। বাংলাদেশ থেকে এসে বালুরঘাট ও কুমারগঞ্জের মধ্যে ফের বাংলাদেশে প্রবাহিত এই নদী রক্ষায় কেন্দ্রীয় সরকারের ভাবমূর্তি তুলে তিনি বলেন, আত্রেয়ী নদীর জল আটকে দিয়েছে। এখানকার লোক জল পায়না। এটা বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণ করে। আমি অনেকবার বলেছি। কিন্তু ইন্ডিয়া গরমেন্ট বিজেপি সরকার নড়েও না চড়েও না। বালুরঘাট, গঙ্গারপুরের মানুষ জল না পেলে তাদের কি এসে যায়। কিন্তু অন্যসময় আবার এসে যায়। কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রনে থাকা আধা সামরিক বাহিনীর উদ্দেশ্যে বালুরঘাটের সভামঞ্চ থেকে হিন্দি ভাষাতেই আবেদনের মাধ্যমে নিদান দিলেন বাংলার মূখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়।এদিন বালুরঘাট শহরের টাউন ক্লাব ময়দানের নির্বাচনী প্রচার থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে নেত্রী বলেন, সেন্ট্রাল ফোর্স, স্টেট ফোর্স এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স আপনারা একসাথে কাজ করুন। কোন পার্টির হয়ে কাজ করবেন না। প্রশাসনের হয়ে কাজ করুন বিজেপির হয়ে না। আপনাদের কোন বিষয় থাকলে আমাদের রাজ্য পুলিশ আছে তারা সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে। কেএখন এক সরকার পরে আরেক সরকার আসবে। বিজেপি সরকারে থাকবে না। তখন কি হবে? কে দেখবে? আপনারাও আমাদের ঘরের সন্তান। আপনাদের ভাল চাই, পছন্দ করি এবং স্যালুট করি। আমাদের রাজ্যে আপনাদের কোন পার্থক্য নেই। তাই বলছি এই রাজ্যে একসাথে কাজ করতে। বিজেপির কথা শুনে নয়।

  • প্রার্থীরা মার খেয়েছেন, ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি করেন সূর্যকান্ত মিশ্র

    newsbazar24: রায়গঞ্জের ২২টি বুথে পোলিং এজেন্ট ও ভোটাররা ঢুকতে পারেননি। প্রার্থীরা মার খেয়েছেন। এদিন ভোট শেষের পর সূর্যকান্ত মিশ্র অভিযোগ করেন, স্পর্শকাতর বুথের তালিকা ঠিক মতো হয়নি। প্রসঙ্গত ইসলামপুরের নয়াপাড়া টেরিংবাড়িতে আক্রান্ত হন বাম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম। তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। এহেন পরিস্থিতিতে ভোটারদের নিরাপত্তা কোথায় প্রশ্ন তোলেন তিনি। এরপরই রায়গঞ্জের ২২টি ও ইসলামপুরের ৮টি, মোট ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি করেন সূর্যকান্ত বাবু।পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বায়োপিক 'বাঘিনী'র মুক্তি কেন রদ করা হবে না, সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে তৈরি ছবি 'বাঘিনী'র মুক্তির বিরুদ্ধে ইলেকশন কমিশন অফ ইন্ডিয়ার দ্বারস্থ হয়েছে বিরোধীরা। ছবিটি সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছে কিনা, বিরোধীদের অভিযোগের পর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছে ইলেকশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া। এখন 'বাঘিনী' ছবির রিলিজ বন্ধের বিষয়েও ইলেকশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া-ই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।