শিলিগুরি দার্জিলিং কোচবিহার,জল্পাই গ

  • শিলিগুড়িতে ১৩৮ কেজি গাঁজা সহ গ্রেপ্তার দুই

    ভাস্কর বাগচী, শিলিগুড়ি, ১৪ সেপ্টেম্বর : ভিন রাজ্যে পাচার হবার ঠিক আগ মুহূর্তে প্রচুর পরিমানে গাঁজা সহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করলো এনজেপি থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, ধৃতদের নাম দীনেশ কুমার ধনকার, বাড়ি বিহারে এবং উত্তম দেব বর্মা, বাড়ি ত্রিপুরায়। ধৃতদের কাছ থেকে পুলিশ ১৩৮ কিলো গাঁজা উদ্ধার করেছে। গতকাল গভীর রাতে গোপন সূত্রের মাধ্যমে শিলিগুড়ির ফুলবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ওই ধৃতদের প্রচুর গাঁজা সমেত গ্রেপ্তার করে এবং তাদের থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনা চক্রে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তাও পুলিশ জানার চেষ্টা করে। এছাড়াও পুলিশ তাদের কাছ থেকে একটি ত্রিপুরা নম্বর পিকআপ ভ্যানও বাজেয়াপ্ত করেছে। উদ্ধার হওয়া গাজার বাজারমূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা। আজ ধৃতদের জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠানো হলে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে দেওয়া হয়েছে।

  • উত্তরের চা বাগান থেকে উদ্ধার পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃতদেহ

    ভাস্কর বাগচী,শিলিগুড়ি, ১৩ সেপ্টেম্বর: গণেশ পুজোর দিন চা বাগানে হাতির মৃত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য রাজগঞ্জ অঞ্চলে। সূত্রে প্রকাশ, আজ রাজগঞ্জের সরস্বতীপুর চা বাগান থেকে উদ্ধার হয় একটি পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃতদেহ। স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে খবর, আজ দুপুরে সরস্বতীপুর থেকে সালুগাড়া রেঞ্জে যাবার রাস্তায় সাধারণ মানুষরা দেখতে পান নদীর ধারে হাতির মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। এবং তারাই নিজ উদ্যোগে খবর দেয় সালুগাড়া রেঞ্জে। এরপরেই সালুগারা রেঞ্জের বনকর্মীরা এসে মৃত হাতিকে উদ্ধার করে। বৈকুন্ঠপুর বনবিভাগের বনকর্মীরা হাতিটি কিভাবে মারা গেল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং ময়নাতদন্তের পরেই জানা যাবে বলেছে বনবিভাগ। এদিকে বিভিন্ন কারনে এই ভাবে হাতির অস্বাভাবিক মৃতুতে উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে হাতির সংখ্যা যথেষ্ট পরিমাণ কমছে বলে পশু প্রেমীদের অভিমত। অবিলম্বে হাতিদের বিষয়ে নজর না দিলে আগামীতে হাতি মৃত্যুর হার বাড়বে বলে তাদের অভিমত।

  • ওদলাবাড়ি চা বাগান থেকে উদ্ধার আজগর সাপ

    মালবাজার, ১৩ সেপ্টেম্বর : আজ সকাল সকাল ওদলাবাড়ি চা বাগানের কর্মীরা হয়ত নতুন জীবন ফিরে পেলো। বাগানের মধ্যেই বিশালাকার সাপ নিয়ে আতঙ্ক। ঘটনা সূত্রে প্রকাশ, আজ সকালে মালবাজার মহকুমার ওদলাবাড়ি চাবাগান থেকে ১২ ফিট লম্বা একটি অজগর উদ্ধার করল তারঘেরা বন দপ্তরের কর্মিরা। চা বাগানের কর্মী চন্দন বিশাকর্মা জানান, এদিন সকালে শ্রমিকেরা যখন বাগানের ৭ নাম্বার সেকসনে পাতা তুলছিলেন তখন তাদের পায়ে এই অজগরের লেজটি লাগে। আর লেজে পা পরতেই নড়েচড়ে ওঠে অজগর টি। এরপর তা দেখে লাফিয়ে পালায় ও চিৎকার করতে থাকে ওই শ্রমিক।চিৎকার শুনে সেই সময় অন্য শ্রমিকেরাও ছুটে আসে এবং দেখে বাগানের মধ্যে বিরাট অজগর টিকে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় গাজল ডোবা বিট অফিসে। এরপর গাজলডোবা বিট অফিসের বন কর্মিরা এবং তারঘেরা রেঞ্জের বন কর্মিরা এসে উদ্ধার করে ওই অজগরটিকে। অবশ্য প্রাথমিক চিকিৎসার পর তারঘেরা জঙ্গলে ছেরে দেওয়া হবে অজগরটিকে বলে বন দপ্তর জানিয়েছে। তবে সকলেই অনুমান করছে যে সম্ভবত নিকটবর্তী গাজলডোবা জঙ্গল থেকেই অজগরটি এসেছিল। এবং মূলত শিকারের খোঁজেই এই চা বাগানে আসে।

  • কোচ বিহারে ২ বছরের শিশুর প্রাণ নিল পোলট্রি ফার্মের মালিক

    News bazar24:প্রতিদিনের মত খেলা করছিল ভাই বোন। পাশেই ছিলো পোলট্রি ফার্ম। দূর থেকে ছোট্ট ছোট্ট মুরগির ছানা দেখলেও, মা বারণ করে দেওয়ায় এর আগে কোনওদিনও তাদের কাছে যায়নি বছর দুয়েকের ইন্দ্রাক্ষী সরকার ও তার পাঁচ বছরের দাদা কৌশিক। কিন্তু এদিন ভুলটা করে ফেলেছিল। ছোট্ট মুরগির ছানা কাছ থেকে দেখার জন্য একেবারে পোলট্রি ফার্মে ঢুকে পড়েছিল ভাইবোন। মুরগির ছানাদের সঙ্গে ইশারায় কথা বলার ফাঁকেই ইন্দ্রাক্ষী কখন ছুঁয়ে ফেলেছিল খাঁচা। বোনকে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখে, তার গায়ে হাত দেয় দাদা। দুজনের মুখ দিয়েই গ্যাজলা বেরোতে থাকে। ছেলেমেয়ে অনেকক্ষণ বাড়ি না ফেরায় পোলট্রি ফার্মের কাছে যেতে বাবা-মা যা দেখলেই, তাতে ছ্যাঁক উঠল বুকটা। কোচবিহারের পুণ্ডিবাড়ি থানা এলাকার বানেশ্বরের ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। ইন্দ্রাক্ষী ও কৌশিক ভাইবোন। পাশের বাড়ির পাশেই থাকেন পোল্ট্রি ব্যবসায়ী ইন্দ্রজিত্ দাস। তাঁর বাড়িতে পোলট্রি ফার্ম রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানেই খেলছিল ইন্দ্রাক্ষী ও কৌশিক। কিন্তু মুরগির খাঁচাতেই ছিল মরণফাঁদ। খেলতে গিয়ে বুঝতেই পারেনি দুবছরের শিশুকন্যা। খেলতে খেলতে মুরগির খাঁচা ছুঁয়ে ফেলাতেই মৃত্যু হল তার। বোনকে ধরায় বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয় তার পাঁচ বছরের দাদাও। এম জে এন হাসপাতালে শিশুকন্যা নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্সকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক তার দাদা। অভিযোগ, চুরি আটকাতে মুরগির খাঁচায় বিদ্যুতের তার জড়িয়ে দেন ফার্মের মালিক ইন্দ্রজিত্। এই ঘটনার পর এলাকার লোক ইন্দ্রজিতের ফাঁসির দাবি করছে।

  • মশা ছাড়াও আজকাল মশারির মধ্যে কি ঢুকছে জানেন ? জানতে হলে পড়ুন এই খবরটি

    Newsbazar24:এখন ডেঙ্গুর জন্য খালি মশারি টাঙানো নয়,আরও অনেক কিছুর জন্য অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে ঘুমোন,নইলে কি হবে? শুনুন তাহলে, সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানার মধ্যে তার পায়ের কাছেই যাকে খুঁজে পেলেন গৃহকর্তা, তাতে তাঁর চক্ষু চড়কগাছ। মশারি টানানো বিছানার মধ্যে তার পায়ের কাছে বিরাজ করছে এক সাপ। দেখে এক লাফে বিছানা থেকে নেমে পড়েন গৃহকর্তা। মালবাজারের গাজলডোবা ৭ নম্বর কলোনির এলাকার এই ঘটনার পরবর্তী মোড় আরও রোমাঞ্চকর। রবিবার সকালে ঘরে বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন গোসাই দাস সরকার। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ায় চোখ পরে পায়ের দিকে। দেখেন একটি সাপ তার পায়ের কাছে। বাদামি লালচে সেই সাপ দেখে কোনও মতে বিছানা থেকে নেমে পড়েন তিনি।ঘর থেকে বেরিয়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিষয়টি জানান তিনি। ততক্ষণে চিত্কারে সাড়া পড়ে গিয়েছে গোসাই দাস সরকারের প্রতিবেশীদের মধ্যেও। খবর শুনে গোসাইয়ের বাড়িতে ভিড় জমে অত্যুত্সাহীদের। অনেকেই সাপটির দেখা পেতে চান। গোসাই ঘরে ঢুকে দেখেন সাপটি খাটের ওপর নেই। শুরু হয় খোঁজ। দেখা যায়, সাপটি খাটের উপরে পাটাতনে আশ্রয় নিয়েছে। খবর দেওয়া হয় বনদফতরে।পরে বনকর্মীরা গিয়ে প্রায় ঘণ্টা খানেকের চেষ্টায় সাপটি উদ্ধার করেন। গৃহকর্তা জানিয়েছেন, এই ধরনের সাপ তারা এলাকায় আগে দেখেননি। তবে এই ঘটনার পর থেকেই এলকার মানুষ নড়েচড়ে বসেছেন। দোকান খুলতেই ভালো ও নতুন মশারি কেনার ধুম পরেগেছে। আপনি এই খবরটি পড়লেন newsbazar24.com এ

  • মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বেআইনি জমির কারবারী প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে থানা ঘেরাও

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ৫ আগস্টঃ শিলিগুড়ির প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা  হিম্মত সিং চৌহান  যার  বিরুদ্ধে একাধিক সরকারি জমি ও বেসরকারি জমি হাতিয়ে নেওয়া ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় তাঁকে এতদিন  পুলিশ তাকে কিছুই  বলতে পারছিল না । অবশেষে  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হস্তক্ষেপ করতে হল তার  কড়া নির্দেশের পর তাঁকে তড়িঘড়ি  গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিন হিম্মতেকে গ্রেফতার করতেই এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।  শিলিগুড়ি শহরজুড়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিযোগ, তৃণমূল সমর্থকরা শূন্যে তিন রাউন্ড গুলিও চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাতেও বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ শনিবার রাতে চম্পাসারি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে হিম্মত সিং চৌহানকে। গ্রেফতারির পর স্থানীয় তৃণমূল নেতা মনা পালের নেতৃত্বে প্রধান নগর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। হিম্মত সিং চৌহানকে ছেড়ে দেওয়ার দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। পুলিশ বাধ্য হয় লাঠিচার্জ করতে। এরপরই হিম্মল সিং চৌহানকে প্রধাননগর থানা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় নিউ জলপাইগুড়ি থানায়।  হিম্মত সিং চৌহানকে স্থানান্তরিত করার সময় পুলিশের গাড়ির পিছু নেয় কর্মী সমর্থকরা। তখনই শূন্যে গুলি ছোড়া হয়। উল্লেখ্য, এই হিম্মত সিং শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করেছিলেন। কিন্তু তিনি পরাজিত হন নির্বাচনে। তবে এলাকা এই তৃণমূল নেতার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। প্রসঙ্গত এর আগে: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই  চলছে জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে ধড়পাকড় অভিযান। সেই অভিযানে  মাটিগাড়া থানার পুলিশের হাতে ধড়া পরেছিল  তৃণমূল যুব কংগ্রেসের স্থানীয় নেতা শম্ভু বর্মণ ওরফে রাহুল। জানা গেছে, শম্ভু বর্মণ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের পাথরঘাটা ও চম্পাশরী ব্লকের যুব সভাপতির দ্বায়িত্বে রয়েছেন। যদিও এবিষয়ে যুব জেলা সভাপতি বা মাদারের জেলা সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিরোধীরা এই ঘটনায় কটাক্ষ করতে ছাড়েননি, তার বলছেন জমি মাফিয়া তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দিতে হল।      

  • শিলিগুড়িতে চালু হল জন-আহার কর্মসূচি, মাত্র ৫ টাকায় ভাত ডাল, তরকারি

    Newsbazar24,ডেস্ক, ২৫ জুলাই: শিলিগুড়িতে  লায়নস ক্লাব অফ শিলিগুড়ি গ্রেটার চালু করল নতুন কর্মসূচি জন-আহার। মাত্র ৫ টাকায় ভাত ডাল, তরকারি ও আচার।আপাতত  এক বছর পরিষেবা দেওয়া হবে বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে লায়নস ক্লাব অফ শিলিগুড়ি গ্রেটারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যে   তাদের বিনামূল্যে খাওয়ানোর চিন্তা ভাবনা ছিল। কিন্তু, মানুষের আত্মসম্মানে যাতে আঘাত না লাগে তার জন্য সামান্য অর্থে আমরা পেটভরে  খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছি। প্রতিদিন শিলিগুড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজির হচ্ছেন লায়নস ক্লাব অফ শিলিগুড়ি গ্রেটারের সদস্যরা। দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে দুটো অবধি শিলিগুড়ির একাধিক ব্যস্ত এলাকায় জন-আহারের খাবার পৌঁছএ দেওয়া হচ্ছে এবং খাবার নেবার জন্য ব্যপক জনসমাগম হচ্ছে। এবং আরও জানানো হয়েছে  যে রেলের তরফে যে জন আহার চালু আছে। আমরা তার চেয়েও কম খরচে এই খাবার দিচ্ছি। এক বছর এই পরিষেবা চলবে। সপ্তাহে ৫ দিন বাসিন্দারা এই পরিষেবা পাবেন।"

  • শিলিগুড়ি বাগডোগরার প্রধাননগরে ক্যাটারিং ব্যবসায়ী দম্পতি খুনের সমাধান করল পুলিশ।

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ২৪ জুলাইঃ শিলিগুড়ি  বাগডোগরার প্রধাননগরে ক্যাটারিং ব্যবসায়ী দম্পতি খুনের সমাধান করল পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে ওই ব্যবসায়ীর এক মহিলা কর্মী ও তার প্রেমিক সঞ্জয় তামাংকে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে লুঠের উদ্দেশেই এই খুন ।  পুলিশ সূত্রে আরও জানা  যায় খুনের ঘটনার পরেই সন্দেহ জনক মনে হওয়ায় আটক করা হয়েছিল শিলিগুড়ির প্রধাননগরের নাম করা ক্যাটারিং ব্যবসায়ী অজয় কুশওয়ার মহিলা কর্মী সেওয়াকে। খুনের দিন সে ব্যবসায়ীর বাড়িতে অন্য একটি ঘরে ছিল। বাড়িতে বড় খুনের ঘটনা ঘটলেও সেওয়ার ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ ছিল। পাশেই শ্বশুর বাড়ি থাকলেও, কেউ কোনও কিছু টের পাননি বলে জানানোয় প্রথম থেকেই সন্দেহজনক মনে হয়েছিল সেওয়ারকে। সেই  মতো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে শিলিগুড়ি কমিশনারেটের গোয়েন্দারা। জেরায় ভেঙে পড়ে সে। তার প্রেমিকই যে এই খুনের ঘটনায় জড়িত তাও জানায় সেওয়া। এরপর কালিম্পং থেকে গ্রেফতার করা হয় সঞ্জয় তামাংকে। মঙ্গলবার দুই অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়। জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ীয় বাড়িতে ওই দিন রাতে পাঁচ লক্ষ টাকা ছিল। সে কথা আগে থেকেই জানত সেওয়া। সেই ভাবেই প্রেমিককে সব জানিয়েছিল সেওয়া। গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে অজয় কুশওয়ার ও তাঁর স্ত্রী মীনাকে ভারী কিছু দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করে। যদিও তাদের দুই শিশু সন্তান পাশেই ঘুমিয়ে ছিল। খুনের পর পুলিশ কুকুর আনা হয়েছিল, সেই পুলিশ কুকুর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে সিঙ্গিঝোড়া চা-বাগান কাছে গিয়ে থমকে যায়। পুলিশের প্রথম থেকেই অনুমান ছিল , খুনে জড়িত রয়েছে পরিচিতরাই।  

  • কুরিয়ার কোম্পানির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচার করতে গিয়ে ধৃত পাচারকারীরা।

    Newsbazar24, ডেস্ক, ২৩ জুলাই : কুরিয়ার কোম্পানির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচার করতে হাতেনাতে ধরা পড়ল পাচারকারীরা। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে। কুরিয়র কম্পানির ম্যানেজার সহ গ্রেপ্তার করা হল তিন জনকে৷ আগামীকাল তাদের শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হবে৷ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটান পুলিশের ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের  আধিকারিকরা হানা দেয়  এয়ার লিঙ্ক এয়ারওয়েজ ক্যুরিয়র সার্ভিস অফিসে । সেখানে দেখা যায় চারটি পার্সেল গুয়াহাটি থেকে এসেছে যেগুলির মধ্যে কোন প্রাপকের নাম বা কি আছে পার্সেলএ  তার কোন উল্লেখ নেই এবং প্রাপকের নাম বা ঠিকানা কিছুই নেই । সেগুলি  একটি অটোতে করে  বিহারে নিয়ে  যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। পার্সেলগুলি খুলে দেখা যায় যে মনিপুরী গাঁজা।  বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যাদের মধ্যে  ওই কুরিয়র কম্পানির ম্যানেজার। ধৃতের নাম সন্দীপ জৈন। বাকী ধৃতরা হল গৌতম গুপ্তা,  মহম্মদ ফিরোজ ও সন্দীপ জৈন। গৌতম গুপ্তা বিহারের বাসিন্দা। গুয়াহাটি থেকে ওই বিপুল পরিমাণ গাঁজা শিলিগুড়ি নিয়ে আসছিল সে। মহম্মদ ফিরোজ নিউ জলপাইগুড়ির বাসিন্দা। শিলিগুড়ি থেকে বিহারে গাঁজা পাচারের ক্ষেত্রে ফিরোজের অটো ব্যবহার করা হচ্ছিল। শুধু অটো ব্যবহারই নয়, গাঁজা পাচারচক্রের সঙ্গেও সে জড়িত বলে খবর। এছাড়া, ওই কুরিয়র কম্পানির ম্যানেজার সন্দীপ জৈনও এই ঘটনায় জড়িত বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট সূত্রের খবর, প্রায় ১০৪ কেজি মণিপুরী গাঁজা বিশেষভাবে টিনের বাক্সে ভরে পাচার করা হচ্ছিল। যার আনুমানিক বাজারদর প্রায় ১০ লাখ টাকারও বেশি।  এছাড়াও গাঁজার গন্ধ যাতে বাইরে না বেরিয়ে আসে সেজন্য বিশেষ সতর্কতাও অবলম্বন করা হয়েছিল।  এবিষয়ে ডিটেকটিভ ডিপার্টপমেন্টের ডিসিপি নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী জানান সোর্সের  খবর অনুযায়ী  তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত  করা হয়েছে একটি অটো। উদ্ধার হয়েছে ১০৪ কেজি গাঁজা। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই গাঁজা বিহারে পাচার করা হচ্ছিল। তবে, সঠিক কোন ঠিকানায় পাচার করা হচ্ছিল তা এখনও জানা যায়নি। এই ঘটনায় আরও কে কে জড়িত আছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও অনেক কিছু জানা যাবে বলে আশা করা যায়।

  • শিলিগুড়ির প্রধাননগরে ক্যাটারিং ব্যবসায়ী দম্পতি খুন,পাশে ঘুমন্ত দুই শিশু সন্তান

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ২২শে জুলাইঃ শিলিগুড়ির প্রধাননগরে এক ক্যাটারিং ব্যবসায়ী  দম্পতি খুন। পাশেই ঘুমিয়ে ছিল তাদের দুই শিশু সন্তান।যদিও ঐ ব্যাবসায়ীর  শ্বশুর বাড়ি পাশেই ছিল কিন্তু তারা  কেউ  কিছু টের পাননি বলে জানা গেছে । শিলিগুড়ির প্রধাননগরের নাম করা ক্যাটারিং ব্যবসায়ী অজয় কুশওয়ার। তার স্ত্রী মীনা স্বামীর ব্যবসায় সাহায্য করতেন । ঐ মৃত ক্যাটারিং ব্যবসায়ীর এক কর্মী জানান তিনি  রাত প্রায় এগারোটা নাগাদ তার মালিকের সাথে কথা বলেছিলেন। পরে অনেক  রাতে বাড়িতে ক্যাটারিং-এর জিনিসপত্র রাখতে এসে  দেখেন বাড়ির দরজা খোলা। তারপর তারা  ঘরে ঢুকে দেখেন  অজয় ও মীনার দেহ পড়ে রয়েছে। তবে বিছানায় ঘুমোচ্ছিল তাদের দুই শিশু সন্তান। অজয় ও মীনা দুজনেরই মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার সাথে সাথে পুলিশকে খবর দেন। খবর পাওয়া পরেই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। রবিবার সকালে  পুলিশ কুকুরকে এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। । স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই পুলিশ কুকুর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে সিঙ্গিঝোড়া চা-বাগান কাছে গিয়ে থমকে যায়। পুলিশের অনুমান, খুনে জড়িত রয়েছে পরিচিতরাই। পুরনো কোনও শত্রুতা কিংবা আর্থিক লেনদেনের জেরে এই খুন হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান পুলিশের। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।