শিলিগুরি দার্জিলিং কোচবিহার,জল্পাই গ

  • আন্দোলনের চাপে শিলিগুড়িতে গ্রেপ্তার হওয়া দুই বাম নেতাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হল।

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ২৫ সেপ্টেম্বরঃ  উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল শিলিগুড়িতে  বামফ্রন্ট বিক্ষোভ  মিছিল করে। সেই মিছিলে  মুখ্যমন্ত্রীর কুশপুত্তলি পোড়ানোকে কেন্দ্র করে পুলিশের সাথে ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়। সেই সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে কেরোসিন ছেটানোর অভিযোগে শিলিগুড়ির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে দুই  সিপিএম  নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।খবর পেয়ে রাতেই থানায়  ছুটে যান মেয়র অশোক ভট্টাচার্য ও সিপিএমের  জেলা সম্পাদক জীবেশ সরকার। এই বিষয়ে মেয়র অশোক ভট্টাচার্য পুলিশকে বলেন, " সমস্ত অভিযোগ হাস্যকর। আমরা কুশপুতুল দাহ করার চেষ্টা করেছিলাম, তাতে একটু কেরোসিন ছিটে গিয়ে থাকতে পারে। উল্টে আমাদের কর্মী সমর্থকেরা পুলিশকে জল দিয়েছে চোখ ধোবার জন্য। ওই দুই নেতাকে মুক্তি না দিলে  আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁমকি  দেন তিনি। এরপরই পিছু হটে পুলিশ। রাত দুটো নাগাদ তাদের ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় মেয়র অশোক ভট্টাচার্য সহ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ওই অভিযুক্তদের ধরতে রাতে আর কোনও অভিযান হয়নি। পরে অশোকবাবু সাংবাদিকদের জানান , "শাসকদলের নির্দেশে মিথ্যা মামলা করে দুই নেতাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। অবশেষে সুমতি হয়েছে। তাই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মিথ্যা মামলায় ছাত্রদের গ্রেপ্তার করা হলে ফের আন্দোলন হবে। বাম আমলেও কুশপুতুল পোড়ানো হত। কিন্তু এখন  পুলিশ শাসকদলকে তোষণ করার জন্য  আমাদের বাধা দিচ্ছে।"  

  • গ্রেপ্তার করে আমাদের আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা যাবে নাঃ মেয়র শিলিগুড়ি

    Newsbazar24,ডেস্ক, ২৪ সেপ্টেম্বর  : বামফ্রন্টের বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে  ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল  শিলিগুড়িতে। বিক্ষোভ শেষে  মুখ্যমন্ত্রীর কুশপুতুল দাহ করতে গেলে তাদের বাধা দেয় পুলিশ। বাম নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপর শিলিগুড়িতে বামেদের দলীয় কার্যালয় ঘেরাও করে পুলিশ। এই ঘটনায় দুই সিটু নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত ২০ সেপ্টেম্বর ইসলামপুরের দাড়িভিট হাইস্কুল  প্রাঙ্গণে ছাত্র ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে  গুলিবিদ্ধ হয় দুই ছাত্র। ওইদিনই হাসপাতালে মৃত্যু হয় ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র রাজেশ সরকারের। ২১ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাপস বর্মণ নামে আরও এক ছাত্রের। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে তাঁদের। যদিও পুলিশ  সেই অভিযোগ মানতে চায়নি । এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ শিলিগুড়িতে শান্তিপূর্ণ মিছিল করে বামেরা। মিছিল শেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশপুতুল দাহ করতে যাচ্ছিল তারা। তখনই পুলিশ তাদের বাধা দেয়। কুশপুতুল নিয়ে টানাটানিও হয় বাম নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের। তখনই কুশপুতুল পোড়ানোর জন্য নিয়ে যাওয়া কেরোসিন ছিটকে গিয়ে পড়ে  কয়েকজন পুলিশকর্মীর গায়ে। এই ঘটনার ভিডিয়ো রেকর্ডিং করা হয়। সেই ভিডিয়োটি দেখার পর ক্ষুব্ধ পুলিশকর্মীরা শিলিগুড়িতে বামের দলীয় কার্যালয় ঘিরে রাখে। তাদের অভিযোগ, কেরোসিন ঢেলে পুলিশকর্মীদের গায়ে আগুন দিতে গেছিল বাম নেতা-কর্মীরা। অভিযুক্তদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হবে।কিছুক্ষণ পর দলীয় কার্যালয় ছেড়ে মেয়র বেরিয়ে যেতেই কার্যালয়ের বাইরে থেকে দু'জনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার খবর পেয়েই রাতে থানায় যান মেয়র অশোক ভট্টাচার্য  । তিনি বলেন,  "শান্তিপূর্ণ ভাবে আমরা কুশপুতুল দাহ করতে গেছিলাম। আমরা দলীয় কার্যালয়ে ছিলাম। পুলিশের গায়ে কোনও কেরোসিন ছেটানো হয়নি। এসব করে আমাদের  আন্দোলন থামানো যাবে না।"                              (ছবিটি whatsapp থেকে  প্রাপ্ত)

  • মন্ত্রীর মন্তব্য ,হাতজোড় করছি, কেউ আমাকে কাকা বলে ডাকবেন না,কোচবিহার তৃণমূলের গোষ্ঠী-কোন্দল প্রকাশ্যে

    Newsbazra24 ,ডেস্ক, ২৩ সেপ্টেম্বর : "আমি হাত জোড় করে বলছি, আমাকে  কেউ কাকা বলে ডাকবেন না!  জ্যাঠা, মামা, ভাই, দাদা- যা খুশি বলে আমায় ডাকুন, কিন্তু কাকা বলে নয় । আজ কোচবিহারে সাংবাদিক বৈঠকের মাঝেই এই মন্তব্য করলেন তৃণমূলের ডাকাবুকো মন্ত্রী তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন  মন্ত্রী  রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। কিন্তু হঠাৎ তাঁর কাকা ডাকের  প্রতি এত বিরূপতা কেন এই প্রশ্নের তিনি কোনও উত্তর দেননি।  তবে কোচবিহারের রাজনৈতিক মহলের অনুমান , মন্ত্রীর এই মন্তব্য কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ পার্থপ্রতীম রায়কে উদ্দ্যেশ্যে করে । একসময় মন্ত্রীর  অনুগত ছিলেন বর্তমান সাংসদ  পার্থপ্রতীম। কাকা  বলে ডাকতেন মন্ত্রীকে। এখন তাঁদের দুইজনের মধ্যে সম্পর্কের  অবনতি ঘটেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, কাকা বলে ডাকবেন না বলে পার্থপ্রতীম রায়কেই বার্তা দিলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। সাংসদ পার্থপ্রতীমবাবুও এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। রবীন্দ্রনাথ ঘোষের হাত ধরেই রাজনীতিতে হাতেখড়ি পার্থপ্রতিম রায়ের।  এখন তিনি লোকসভার তৃণমূল সাংসদ। মন্ত্রীকে কাকা বলে ডাকতেন। কিন্তু এখন উভয়ের মধ্যে সাপ নেঊল সম্পর্ক।  বিরোধ শুরু হয়েছিল জেলা যুব সংগঠনের সভাপতি কে হবেন, তা নিয়ে। মন্ত্রীর ছেলে পঙ্কজ ঘোষকে পিছনে ফেলে  পার্থপ্রতীম হয়েছিলেন যুব সভাপতি।  এরপর পঞ্চায়েতে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে তীব্র মতবিরোধ হয় উভয়ের।এমনকী সাংসদের বউদিকে হারিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মন্ত্রীর অনুগামীদের বিরুদ্ধে।  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রীকে ধমক দিয়ে বলেন, সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। দলের মধ্যে কোনও বিভেদ  মানব না। কিন্তু বিভেদ চলছেই তৃণমূলে।  কোচবিহারে  নিত্য লেগে আছে গন্ডগোল। তৃণমূল ও যুব তৃণমূলের লড়াই তুমুল।  দেওয়ানহাটে মন্ত্রীকে হেনস্থা করা হয়। তারপরই ঘনিষ্ঠ মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রবীন্দ্রনাথবাবু। এরপরই আজ সাংবাদিক বৈঠক করে মন্ত্রী অনুরোধ করেন, তাঁকে যেন কেউ কাকা বলে না ডাকে। আবার  কোচবিহার তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী-কোন্দল প্রকাশ্যে এল ।     

  • শিলিগুড়ি আদালত চত্বরে শিলিগুড়ি বার অ্যাসোসিয়েশনের ধর্না মঞ্চ ভেঙ্গে দিল প্রশাসন

    Newsbazar, ডেস্ক, ২৩ সেপ্টেম্বর : গতকাল রাতে শিলিগুড়ি আদালত চত্বরে শিলিগুড়ি বার অ্যাসোসিয়েশনের  ধর্না মঞ্চ ভেঙ্গে দেওয়া হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে। জানা গেছে দার্জিলিংর জেলাশাসক জয়শী দাশগুপ্ত আদালত চত্বরের ধরণা মঞ্চকে অবৈধ  ঘোষনা করে  মঞ্চ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। শিলিগুড়ি বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের  পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে  কোর্টের নতুন ভবনের দাবিতে এই মঞ্চ তৈরি করে ধরনায় বসেছিলেন সদস্যরা। গতকাল রাতে এই মঞ্চ ভেঙে ফেলার  পর  উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আদালত চত্বর। পূর্ত দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়র, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সহ একাধিক আধিকারিক ও ঠিকাদার সংস্থার কর্মীদের আটক করে বিক্ষোভ দেখান আইনজীবীরা। তাঁরা আদালতের গেটের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থানে যান জেলাশাসক। আন্দোলনকারীদের সাথে কথা  শিলিগুড়ি বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদিকা বিদিশা দে বলেন, "আমরা উন্নয়নের বিরোধী নই। হয়তো আমাদের আন্দোলনকে ভয় পেয়ে রাতে প্রশাসনের তরফে মঞ্চ ভাঙা হল। অ্যাসোসিয়েশনের সভানেত্রী গঙ্গোত্রী দত্ত বলেন, "২০১১ সাল থেকে নতুন ভবনের জন্য আমাদের আন্দোলন শুরু হয়েছে। কিন্তু সাত বছর পেরিয়ে গেলেও সেই কাজ শুরু হয়নি। সেই দাবিতেই আমরা মঞ্চ বানিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছিলাম। কিন্তু প্রশাসন এসে তা ভেঙে দিয়েছে। জেলাশাসক আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন আবার  মঞ্চ বানিয়ে দেবেন। আর যদি তা না করা হয় তবে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। সেই সঙ্গে আমরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির পথে যেতে বাধ্য হব।  (ছবিটি whats app থেকে পাওয়া)

  • চোরাই কাঠ উদ্ধার করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হলেন এক বনকর্মী

    Newsbazar24 ডেস্ক, ২২ সেপ্টেম্বর : চোরাই কাঠ উদ্ধার করতে গিয়ে  দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হলেন এক বনকর্মী। বন বিভাগের গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শিলিগুড়ির  মাটিগাড়া ব্লকের শিবমন্দির এলাকায় চোরাই কাঠের কারবারীদের বিরুদ্ধে হানা দেয় বন দপ্তরের কর্মীরা। পরপর পাঁচটি দোকানে হানা দিয়ে  উদ্ধার করা হয় ১০ লাখ টাকা মূল্যের চোরাই কাঠের তৈরি আসবাবপত্র। অভিযানের খবর পাওয়ামাত্র দুষ্কৃতীরা পাল্টা হামলা শুরু করে  বনকর্মীদের উপরে। তদেরকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়, গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। সেসময় এক বনকর্মীর মাথায় ইট লেগে মাথা ফেটে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মাটাগাড়া থানার পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণ করে। বিন বিভাগের তরফে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতরা হল উত্তম সিং, দীপঙ্কর মিত্র ও ফুলেন বর্মণ।ধৃতরা  সকলে বর্তমানে  মাটিগাড়ার বাসিন্দা।  চোরাই কাঠের কারবারীদের বিরুদ্ধে গঠিত  টাস্ক ফোর্সের প্রধান সঞ্জয় দত্ত বলেন, "অভিযান চলাকালীন একটা দল আমাদের উপর আক্রমণ করে। ঢিল ছোড়ে। যদিও অভিযান অব্যাহত থাকে। তবে, ওই এলাকায় চাউমিন বস্তি বলে একটি জায়গা আছে। সেখানকার ১০টি পরিবার একযোগে চোরাই কাঠের আসবাবপত্র বানায়। যা পরবর্তীতে খোলা বাজারে বিক্রি হয়। সেখানে আগামীতে অভিযান চালানো হবে।" সঞ্জয় দত্ত আরও বলেন, "আজকের অভিযান চলাকালীন দেখা যায় প্রতিটি দোকানই অবৈধভাবে চলছে। কোনও দোকানেই নেই ট্রেড লাইসেন্স, নেই বন বিভাগের তরফে দেওয়া সেকেন্ডারি ইউনিট লাইসেন্সও। সেই দোকানগুলির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" (ছবিগুলি whats app থেকে পাওয়া)  

  • শিলিগুড়িতে ধুমধাম করে বিশ্বকর্মা পুজো : শহর থেকে উধাও টোটো আর অটো

    News bazar24: শিলিগুড়িতে ধুমধাম করে বিশ্বকর্মা পুজো পালন করছে সকলেই আর সেই আড়ম্বরে শহর থেকে উধাও হয়েছে টোটো অটো যেসব স্ট্যান্ডে রোজ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গিজগিজ করে টোটো আর অটো পথ চলা হয়ে পড়ে দায় সেই জায়গা থেকে এদিন প্রায় কোন জায়গায় অটো মেলেনি শিলিগুড়ি কোট মোড় কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে বিধান রোডে গোষ্ঠ পাল মূর্তির সামনে শিলিগুড়ি গার্লস হাই স্কুলের পিছনে বাঘাযতীন পার্ক আশিঘর মরে চাম্পাসারি মরে শিব মন্দির বিভিন্ন অলিখিত স্ট্যান্ডে অঘোষিত ধর্মঘট বেশিরভাগ বাইরে বেরোয় নি কেউ কেউ বেলার দিকে বেরোলেও সংখ্যা ছিল খুবই নগণ্য ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষকে অনেকেই ছুটি হওয়ায় প্রথম পুজোর কেনাকাটা সারতে বেরিয়ে ছিলেন কিন্তু যাত্রীবাহী কোনো গাড়ি না পেয়ে বিপাকে পড়তে হয়েছে তাদের দিনভর চলেছে এই যান যন্ত্রনা বিপর্যস্ত এক সরস রস পথিক-এর মন্তব্য রোজ টোটো অটোর যন্ত্রণায় পথ চলা দায় হয়ে পড়ে এদিন টোটো না পেয়ে পথ চলা দায় হয়ে পড়ল

  • হাতি পূজো: সুর্য্য, কাবেরি, হিলারি,ডায়না, রাজা, শ্রাবনী এই ছয় কুনকি হাতির আজ পূজিত হয়

    ভাস্কর বাগচী : সোমবার মেটেলি ব্লকের গাছবাড়িতে বিশ্বকর্মার বাহন হাতিপুজো দেখতে পর্যটকদের ঢল নামল।প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও নিয়ম নিষ্ঠার সাথে ধুমধাম করে পালন করা হয় হাতি পুজো। গ্রামবাসিদের সাথে পর্যটকেরাও পুজোতে অংশ নেয়।তারাও এদিন সকাল থেকে উপোস করে থাকে পুজো শেষ না হওয়া পর্যন্ত।সুর্য্য, কাবেরি, হিলারি,ডায়না, রাজা, শ্রাবনী এই ছয়টা কুনকি হাতিকে এদিন পুজো করা হয়।সকাল সকাল তাদের মুর্তি নদিতে ঘসে মেজে স্নান করানো হয়।এরপর তাদের রঙ বেরং এর চক দিয়ে সাজানো হয়। গায়ে প্রতি হাতির নাম লিখে দেওয়া হয়।তাদের পুজো মন্ডপে নিয়ে আসা হয়। শংক্ষ্য বাজে। উলুধ্বনি দেওয়া হয়।পুরোহিত নিয়মনীতি মেনে মন্ত্র উচ্চারন করে পুজো করে। পুজো শেষ হলেই হাতিদের ভালমন্দ খাওয়ান হয়। পর্যয়কেরাও কলা, আপেল সহ অনান্য ফলমুল হাতিদের নিজের হাতে খাইয়ে দেন। শেষে গ্রামবাসি ও পর্যটকেরা বসে একসাথে ভুড়ি ভোজন করে। সব মিলিয়ে ডুয়ার্সে বেড়াতে এসে বিশ্বকর্মা পুজোর দিন হাতি পুজোতেই মেতে ওঠে।

  • ধসে আটকে পড়া পর্যটক দের উদ্ধার করলো শিলিগুড়ির সাংবাদিকরা

    শিলিগুড়ি, ১৫ সেপ্টেম্বর: সাংবাদিক দীপ্তেন্দু দত্তের উদ্যোগে ধসে আটকে পড়া পর্যটক দের উদ্ধার করলো পর্যটন দপ্তর। উল্লেখ্য, শিলিগুড়ি সিকিম সড়কে ক্রমাগত বৃষ্টির কারণে প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন জায়গায় ধস নেমে আসছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ধসের কারণে আটকে পড়েছে বেশকয়েকশো পর্যটক এবং সেই সঙ্গে কিছু সাধারন মানুষ‌ও। তাদের মধ্যে অনেকেই আবার ধসের পাথর পার করে পায়ে হেঁটে সেবক পর্যন্ত পৌঁছচ্ছেন। কিন্তু কোন যানবাহন না থাকায় শিলিগুড়িতে আসা রীতিমতো দুষ্কর হয়ে গিয়েছিল তাদের জন্য। অন্যদিকে ধসের খবর সংগ্রহ করতে গিয়েছিল শিলিগুড়ি থেকে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক, আর সেই সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়েই বিষয়টি নজরে আসে চিত্রসাংবাদিক দীপ্তেন্দু দত্তের। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব এর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তুলে ধরেন তিনি, তার কিছুক্ষণের মধ্যেই পর্যটনমন্ত্রী তার আত্মসহায়ক কে দিয়ে খবর পাঠান যে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এনবিএসটিসির বাস পাঠানো হবে তাদের উদ্ধার কার্যে। উল্লেখ্য যে আজ দীপ্তেন্দু দত্তের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শুভঙ্কর পাল সহ আরো বেশ কিছু সাংবাদিক। আমরা নিউজ বাজার২৪ এর গোষ্ঠী সাংবাদিক দীপ্তেন্দু দত্ত,শুভঙ্কর পাল সহ সকল সাংবাদিক বন্ধুদের জন্য গর্বিত। ভিডিও না আসলে একটু অপেক্ষা করুন...

  • বিজেপির প্রধান নগর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ

    ভাস্কর বাগচী : বিজেপির দার্জিলিং জেলা সভাপতি অভিজিৎ রায় চৌধুরী ও মহিলা মোর্চার সম্পাদক অনিন্দিতা রায় 10 এর উপর আক্রমণ ও তৃণমূল দুষ্কৃতীদের হেনস্তার অভিযোগ এবং দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে প্রধান নগর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল দার্জিলিং শিলিগুড়ি জেলা যুব মোর্চা সভাপতি কাঞ্চন দেবনাথ এর নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখান যুব মোর্চার সদস্য সমর্থক রা প্রধান নগর থানার আইসি পংকজ থাকে তারা একটি স্মারকলিপিও দেন এই স্মারকলিপি পুলিশ কমিশনার এর উদ্দেশ্যে দেওয়া বলে জানিয়েছেন কাঞ্চন বাবু তার দাবি যেভাবে বিজেপি জেলা সভাপতি ও সম্পাদক কে আক্রান্ত হতে হয়েছে তা গণতন্ত্র বিঘ্নিত হয়েছে দ্রুতই দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করা হবে

  • শিলিগুড়িতে ১৩৮ কেজি গাঁজা সহ গ্রেপ্তার দুই

    ভাস্কর বাগচী, শিলিগুড়ি, ১৪ সেপ্টেম্বর : ভিন রাজ্যে পাচার হবার ঠিক আগ মুহূর্তে প্রচুর পরিমানে গাঁজা সহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করলো এনজেপি থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, ধৃতদের নাম দীনেশ কুমার ধনকার, বাড়ি বিহারে এবং উত্তম দেব বর্মা, বাড়ি ত্রিপুরায়। ধৃতদের কাছ থেকে পুলিশ ১৩৮ কিলো গাঁজা উদ্ধার করেছে। গতকাল গভীর রাতে গোপন সূত্রের মাধ্যমে শিলিগুড়ির ফুলবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ওই ধৃতদের প্রচুর গাঁজা সমেত গ্রেপ্তার করে এবং তাদের থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনা চক্রে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তাও পুলিশ জানার চেষ্টা করে। এছাড়াও পুলিশ তাদের কাছ থেকে একটি ত্রিপুরা নম্বর পিকআপ ভ্যানও বাজেয়াপ্ত করেছে। উদ্ধার হওয়া গাজার বাজারমূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা। আজ ধৃতদের জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠানো হলে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে দেওয়া হয়েছে।