শিলিগ�রি দার�জিলিং কোচবিহার,জল�পাই গ

  • সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে কুরুচিকর মন্তব্যের পরেও অধরা পুলিশ আধিকারিক।

    শিলিগুড়ি, ১৭ মার্চ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মায়ের নামে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ উঠল    শিলিগুড়ির এক আউট পোস্টে কর্মরত এ এস আই-এর বিরুদ্ধে। জানা গেছে ঐ এ এস  আই-এর নাম  মহম্মদ খালিলুর রহমান ।  অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে  মহম্মদ খালিলুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। গঠন করা হয়েছে পৃথক কমিটিও। সূত্রে জানা যায়, এই মাসের  গত ১৪ তারিখ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি ফেসবুক পোস্ট করেছিল একজন। সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে কুরুচিকর কথা লেখেন  মহম্মদ খালিলুর রহমান নামে এক পুলিশ আধিকারিক। বিষয়টি নজরে আসার পর  স্থানীয় বিজেপি  নেতৃত্ব  গতকাল খালপাড়া ফাঁড়িতে একটি স্মারকলিপি জমা দেন । একইসঙ্গে ওই অফিসারের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তাঁরা। বিজেপির তরফে স্মারকলিপি জমা পড়ার পর  তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে ।  শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের এক মুখপ্ত্র জানান, "তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষ প্রমাণিত হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" বিজেপি-র শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অভিজিৎ রায় চৌধুরি বলেন, আমার যে বারে বারে বলছি "পুলিশ  তৃণমূলের ক্যাডার। তা আর একবার  প্রমাণ হল। এই ঘটনায় ওই অফিসারের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছি। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত বলেই মনে করি আমরা।" পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায় , উত্তরদিনাজপুর জেলার বাসিন্দা মহম্মদ খালিলুর রহমান। চলতি মাসের ৬ তারিখ থেকে ছুটিতে রয়েছেন তিনি। খালিলুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন "কীভাবে কী হল জানি না। আমি কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।" বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন যে প্রার্থী তথা অভিনেত্রী নুসরত জাহানের বিরুদ্বে কুরুচিকর পোস্টের অভিযোগে সাথে সাথে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অথচ পুলিশের বিরুদ্বে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ উঠার পরেও ঐ পুলিশ কর্মীকে  এখনও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। প্রয়োজনে আমরা এই ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাব।     

  • নারীদিবসের প্রাক্কালে শিলিগুড়িতে মহিলাদের নিরাপত্তায় পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ জেলা বিজেপির জেলা মহিলা মোর্চার।

    ডেস্ক, শিলিগুড়ি, ৭ মার্চ : নারীদিবসের প্রাক্কালে শিলিগুড়িতে মহিলাদের নিরাপত্তায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে রীতিমত অভিযোগ তুলল জেলা বিজেপির  মহিলা মোর্চা। গতকাল শিলিগুড়ি প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠকে এই অভিযোগ তুলে সরব হলেন  শিলিগুড়ি জেলা বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী মাধবী মুখার্জি। তিনি বলেন, "এই জেলায় মহিলাদের নিরাপত্তা দিচ্ছে না পুলিশ। অপরাধীদের ধরা হচ্ছে না।  অপরাধের কিনারা করা  হচ্ছে না। প্রচুর  মামলার  তদন্ত হচ্ছে না। ২০১৮ সালে জেলার এক পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে আট বছর ধরে এক মহিলার সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বেশ কিছু জামিনঅযোগ্য ধারায় এফআইআর   করা হলেও তার বিরুদ্বে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি। উলটে বুক ফুলিয়ে এলাকায় ঘুরছেন অভিযুক্ত পুলিশকর্মী। অভিযোগকারিণীকেই ভয় দেখানো হচ্ছে। এছাড়াও, ভক্তিনগর থানার অধীনে এক মহিলা ও তাঁর বছর সাতেকের শিশুপুত্রকে অপহরণ করে আটকে রাখা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত সেই মামলাতে পুলিশি তদন্ত বিশেষ এগোয়নি। মূল অভিযুক্তকে কি এভাবে আড়াল করার চেষ্টা করছে পুলিশ ?" মাধবীদেবী  আরও  অভিযোগ করেন  "আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দু'দিন পর ঘটা করে আন্তর্জাতিক নারীদিবস পালন করবেন। কিন্তু, এই জেলায় আমরা মেয়েরা  নিরাপত্তার অভাব  বোধ করছি। রক্ষকই যদি ভক্ষক হয়ে ওঠে তখন বিচার কার কাছে  চাইব  ?"  

  • দার্জিলিং ও সিকিমে তুষারপাতের জেরে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্বারে সেনাবাহিনী

    ডেস্ক, ২৮ ফেব্রুয়ারি : পূর্ব সিকিমের ছাঙ্গুতে তুষারপাতের জেরে আটকে পড়েছেন প্রায়  তিন শতাধিক পর্যটক। গতকাল থেকেই ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে  ছাঙ্গু, নাথুলা, বাবামন্দিরসহ বিভিন্ন এলাকায় দুই থেকে তিন ফুট বরফ জমে যায়। সিকিমের লাচুঙে শুরু হয়েছে তুষারপাত। শিলিগুড়িতে চলছে শিলাবৃষ্টি। দার্জিলিং,ও কালিম্পঙে চলছে ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টি। আবহাওয়ার এই অবস্থার আজই পরিবর্তন হচ্ছে না বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। এককথায় সব মিলিয়ে ব্যাহত উত্তরবঙ্গের জনজীবন। গতকাল বরফে মোড়া পাহাড়ি পথে আটকে পড়ে শিশু, মহিলাসহ বহু পর্যটকরা।  জওয়ানরা উদ্ধারকাজে ঝাপিয়ে পড়েন  । পর্যটকদের উদ্ধার করে প্রথমে ১৭ মাইলে নিয়ে আসা হয়। এরপর সেখান থেকে গ্যাংটকে ফিরিয়ে আনা হয়। ভারতীয় সেনা বাহিনীর  কর্নেল এস জে তিওয়ারি বলেন, "উদ্ধারকাজে সেনা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে উদ্ধারকাজ।"  

  • বাংলা বর্তমানে শিল্পের অনুকূল, তাই বিনিয়োগকারীরা আবার রাজ্যে ফিরছেনঃ রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

    শিলিগুড়ি, ২১ ফেব্রুয়ারি :  আজ শিলিগুড়িতে সি আই আই আয়োজিত  "দেশ গঠনে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা" শীর্ষক এক সভায় যোগ দিয়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, বাংলার অবস্থা বর্তমানে শিল্পের অনুকূল, তাই বিনিয়োগকারীরা  আবার রাজ্যে ফিরছেন।" মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগে  দেশের ও বিদেশের শিল্পপতিদের এই রাজ্যে শিল্প স্থাপনের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং ইতিমধ্যে  আবেদনও করেছেন।"  বাংলায় বর্তমানে  সিন্ডিকেটরাজ নেই। সভা শেষে  তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, "শিল্প স্থাপনের একটা আদর্শ জায়গা এখন পশ্চিমবঙ্গ। বর্তমানে উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গর মত উত্তরবঙ্গও পিছিয়ে নেই। "শিল্প স্থাপনের জন্য  শিল্পপতিরা প্রথমেই দেখেন বিদ্যুৎ  ঠিকঠাক আছে কি না। বর্তমানে রাজ্যে বিদ্যুৎ উদ্ববৃত্ত । তারপর রাস্তাঘাট। শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা, মুম্বই, দিল্লির  রাস্তা থেকেও  সুন্দর। এখানে অনেক কাঁচামালও রয়েছে। তিনি আরও বলেন, "বিগত ৩৪ বছরে বামফ্রন্ট সরকারের বাংলাকে মরুভূমি বানিয়েছে।   বামফ্রন্ট সরকারের ভুল শিল্পনীতি, ভুল শ্রমনীতির কারণে শিল্পপতিরা এই এলাকা ছেড়ে ভিন রাজ্যে লগ্নি করেছিল। সেখান থেকে আসতে একটু সময় লাগবে। নতুন সেট আপ করা শুরু হয়েছে। আমরা আশা করছি, ২০২০-র মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা মিলে, বিভিন্ন এলাকা মিলে কমপক্ষে দুই লাখ কোটি টাকার লগ্নি হবে।" তিনি আরও বলেন, "রাজ্যে এত সাইকেল বিলি হচ্ছে কিন্তু  আমাদের সাইকেল আনতে হচ্ছে বাইরে থেকে কারন রাজ্যে সাইকেলের ইন্ডাস্ট্রি নেই । এখানে  কাপড়ের ইন্ডাস্ট্রি নেই। ভিন রাজ্য থেকে  আনতে হচ্ছে। তাই শিল্পপতিদের কাছে আবেদন করলাম, আমাদের এখানে এই সমস্ত ইন্ডাস্ট্রি করুন যেগুলো আমাদের এখানে নেই। এই ইন্ডাস্ট্রিগুলো এখানে হলে আপনারা  লাভের মুখ দেখবেন ।"  

  • শিলিগুড়ি পৌর নিগমের ন্যায্য পাওনা আদায়ের দাবীতে মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসছেন মেয়র

    শিলিগুড়ি, ২০ ফেব্রুয়ারি :  শিলিগুড়ি পৌর নিগমের  রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে  বঞ্চিত  হচ্ছে এবং এটা রাজ্য সরকারের ইচ্ছাকৃত।  এই অভিযোগ করেছেন শিলিগুড়ি পৌর নিগমের মেয়র অশোক ভট্টাচার্য।  এর আগেও বহুবার  রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তিনি  এনেছেন । নিজেদের ন্যায্য পাওনা  আদায় করতে এবার কলকাতায় ধরনায় বসার  সিদ্বান্ত নিয়েছেন তিনি। আগামী ১ মার্চ কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসবেন বলে তিনি সংবাদমাধ্যমকে গতকাল জানান । তিনি আরও জানান যে সেখানে উপস্থিত থাকবেন বিরোধী দলের নেতারাও।  এই ধরনা য় নেতাদের পাশাপাশি আমন্ত্রণ জানানো হবে রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদেরও। ওই দিনই বিকেলে শিলিগুড়ি সম্পর্কিত বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখাও করবেন তিনি। গতকাল শিলিগুড়িতে  সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অশোকবাবু বলেন, "১ মার্চ মেট্রো চ্যানেলে আমরা শিলিগুড়ি পৌর নিগমের  পক্ষ থেকে ধরনা কর্মসূচি নিয়েছি। আমাদের কাউন্সিলর, শ্রমিক সংগঠন ছাড়াও শিলিগুড়ি ও কলকাতার বুদ্ধিজীবীরাও থাকবেন এই ধর্নায় । বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান ছাড়াও  থাকবেন সুজন চক্রবর্তীসহ সি পি এমের অন্য নেতারাও। আমরা ইতিমধ্যে পুলিশ কমিশনারকে ধর্নার জন্য অনুমতি  চেয়েছি। অনুমতি না পেলেও আমরা ধর্নায় বসব।  দিনের পর দিন শিলিগুড়িকে বঞ্চনা করা হচ্ছে। প্রাপ্য টাকা দেওয়া হচ্ছে না।  ইচ্ছাকৃতভাবে ষড়যন্ত্র করে প্রাপ্য টাকা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে শিলিগুড়ি পৌর নিগমকে। বারবার বলেও কাজ না হওয়ায়, এবার কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসব আমরা। । অশোকবাবু আরও বলেন, "আগামী অর্থবছরের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য আমরা  ৫৪ কোটি টাকার প্রকল্প পাঠিয়েছিলাম। মাত্র ১০ কোটি টাকার কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে । শিলিগুড়ি পৌরনিগমকে স্তব্দ করে দেওয়ার প্রচেস্টা চালাচ্ছে রাজ্য সরকার । শিলিগুড়ির উন্নয়নের স্বার্থে  আমি বিরোধীদেরও এই ধর্নায় সামিল হয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি।    যদিও শিলিগুড়ি পৌরনিগমের বিরোধী তৃনমূল কাউন্সিলারদের  দাবি, কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে বসার সিদ্ধান্ত আসলে মেয়রের রাজনৈতিক  স্ট্যান্ট।  শিলিগুড়ির উন্নয়নে রাজ্য সরকারের নানা কাজে বাঁধা সৃস্টি  করছেন  মেয়র  এবং কাজ করতে না পেরে এইসব  মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।  

  • কোচবিহার পঞ্চম আন্তর্জাতিক লিটল ম্যাগাজিন মেলার পরিসমাপ্তি ঘটল

    কোচবিহার,রাজকুমার দাস :---২৫,২৬ও২৭ শে জানুয়ারী কোচবিহারের রাজবাড়ী উদ্যানে তিন দিনের পঞ্চম বর্ষের আন্তর্জাতিক লিটল ম্যাগাজিনের মেলার সমাপ্তি হলো।উদ্যোগে তোর্সা সাহিত্য সংসদ।উদ্বোধন করেন কবি অরুনকুমার চক্রবর্তী(লাল পাহাড়ির দেশে যা "-খ্যাত),  পাশাপাশি ছিলেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক । এই মেলায় বাংলার প্রতিটি জেলা থেকে প্রকাশিত লিটল ম্যাগাজিন এর পাশাপাশি বাংলাদেশের রংপুর,আসামের গৌহাটি প্রমুখ স্থান থেকে পত্র পত্রিকা অংশগ্রহণ করেন। প্রতিদিন চলে নানান ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি কবিতা পাঠ,সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা।প্রায় শতাধিক লিটল ম্যাগাজিন অংশগ্রহণ করেন।সংস্থার সম্পাদক মানস চক্রবর্তী জানান জেলায় সাহিত্য প্রীতি বাড়াতে এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।মেলায় সকলকে নিজের মতো করে আপনজন হয়ে অংশগ্রহণ করতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।নাচ গান আবৃত্তি অঙ্কন প্রমুখ প্রতিযোগিতা ছিল এই সাহিত্য প্রিয় মঞ্চে।সকলের স্বতস্ফুর্ত যোগদান এই মেলাকে আগামী দিনে আরও অনেক পথ এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।এই বছরই প্রথম আন্তর্জাতিক তকমা পেল এই মেলা।তিনদিনের কবি লেখকদের মেল বন্ধনে বেশ জমজমাট পূর্ণ হয়ে উঠেছিল রাজবাড়ীর পার্শবর্তী উদ্যান।আগামী দিনে এই মেলা বিন্দু থেকে সিন্ধুতে পরিণত হবে তা আশা করা যেতেই পারে।

  • তৃণমূল বিজেপি কেউই গরিবদের কথা ভাবে না, বামপন্থীরাই শুধু তাদের কথা ভাবে- অশোক ভট্টাচার্য , সিপি এম নেতা

    ডেস্ক, ২২ জানুয়ারি : আজ শিলিগুড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিপি এম নেতা এবং শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্য একইসাথে তৃণমূল ও বিজেপি-কে কটাক্ষ করে বলেন সমগ্র দেশজুড়ে  বিজেপি  বিরোধী হাওয়া  চলছে। কারন এরা  কেউই গরিবদের কথা ভাবে না। বামপন্থীরাই শুধু তাদের কথা ভাবে। বাকিরা শুধু ভোটের সময় বড় বড় কথা বলে।  মালদায় অমিত শাহর জনসভা  প্রসঙ্গে  তিনি বলেন, "ওর কথা যত কম বলা যায়, ততই ভাল। বাংলায় তৃনমূলের বিকল্প বিজেপি নয় বিকল্প সিপিএম । অমিত শাহরা নিজের রাজ্যে গিয়ে দেখুন আসন্ন নির্বাচনে কী হাল হয় ওদের।" পাশাপাশি অশোকবাবু তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, "তৃণমূল কংগ্রেস সম্পর্কে মানুষের মোহভঙ্গ হয়েছে । তৃণমূল ১৯ তারিখের সভা নিয়ে  অনেক কিছু আশা করেছিল। কিন্তু ,  বাস্তবে তা হয়নি। বিজেপি  ও তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে বলেন, ওরা ভোটের লক্ষ্যে মানুষের কথা বলে। কিন্তু মেহনতি মানুষ, দলিত এবং সমাজের সবস্তরের মানুষের হয়ে আন্দোলন করে একমাত্র বামপন্থীরাই। তাই জনসভায় অমিত শাহ কী বললেন, তাতে কিছু এসে যায় না।" তিনি আরও বলেন, "আজ যারা সভায় গেছিল তারা অমিত শাহকে দেখতেই মালদায় গেছিল।" অশোকবাবু আক্ষেপের সাথে বলেন  "গত কয়েকবছরে শিলিগুড়ি পৌরসভার প্রাপ্য টাকা আটকে দিয়েছে রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী কথা দেওয়া সত্ত্বেও  এখনও  টাকা পেলাম না। তাই ফের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চাই। এখনও আশা ছাড়িনি।"    

  • উদ্বোধন হলো গাজোল উৎসবের, চলবে সাত দিন ধরে

    ডেস্ক: সাত দিনব্যাপী গাজোল উৎসবের সূচনা হয়ে গেল সোমবার। এদিন এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে গাজোল উৎসবের সূচনা করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌড় চন্দ্র মন্ডল, গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ীকা দিপালী বিশ্বাস সহ অন্যান্য। জানা যায় গাজোল উৎসবের বিভিন্ন ধরনের স্টল রয়েছে। সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে সচেতন করা হবে এই স্টল গুলি থেকে।

  • টিএমসিপি সদস্য ও সদস্যাদের সংযত হওয়া উচিত- গৌতম দেব

    শিলিগুড়ি, ১৩ জানুয়ারি : গত ১১ই জানুয়ারী তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মিছিলকে কেন্দ্র করে টিএমসিপি ও এসএফআই সদস্যদের মধ্যে মারামারি হয়েছিল  শিলিগুড়ি মহিলা কলেজে। ছাত্রীদের মধ্যে হাতাহাতির পাশাপাশি এক  অভিভাবককে আটকের ঘটনাও ঘটে। এই ঘটনার প্রতিবাদে বামেরা আন্দোলনে নামে। তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করেন বাম নেতারা। পরিস্থিতির  মোকাবিলায় দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা রাজ্যের পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, "আমাদের ছাত্র সংগঠনের  সদস্য সদস্যাদের  বলব সংযত হতে। আমাদের সহিষ্ণুতা দেখাতে হবে। আমরা বদলা চাই না, বদল চাই।" তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দার্জিলিং জেলা কমিটি বৃহস্পতিবার সকালে এক মহামিছিলের আয়োজনকরেছিল।  নেতৃত্বএ ছিলেন  তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য।  জেলা নেতৃত্বের নির্দেশ  তাই শহরের প্রতিটি কলেজ থেকে পড়ুয়াদের মিছিলে আনা হয়। শিলিগুড়ি মহিলা কলেজে সকলকে  নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে  প্রতিবাদে সরব হন শিলিগুড়ি মহিলা কলেজের এসএফ  আই-এর সদস্যরা।  ত্তখন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের  সদস্যরা  ওই কলেজের এক এসএফ  আই নেতা ও তার বাবা ও দিদিকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পালটা তাদের এক  সদস্যকে মারধরের অভিযোগ ওঠে এসএফআই-র বিরুদ্বে । পরে দুই তরফে শিলিগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এই অবস্থা মোকাবিলায় নামেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গৌতম দেব। তিনি ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বদের উদ্দেশে বলেন, "আমাদের সহনশীল ও ধৈর্যশীল হতে হবে।সিপিএম বা এসআইয়ের মত গুন্ডাবাজী করলে চলবে না। তিনি আরও বলেন  আমাদের মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, বদলা নয় বদল চাই।আমাদের ছেলেমেয়েদের বাইরে থেকে প্ররোচনা দেওয়া হয়। আমি সকলকে বলব, তারা যাতে প্ররোচনায় পা না দেয়।" গৌতমবাবু আরও বলেন, "এই ঘটনায় যে মেয়েটি মার খেয়েছে বলে অভিযোগ, সে ওই কলেজের ছাত্রী কি না তা দেখা দরকা

  • দার্জিলিংর মিরিকে শিক্ষার্থী সহ বাস খাদে পড়ে আহত প্রায় ৩০ জন।

    ডেস্ক,  ৪ জানুয়ারীঃ  পাহাড়ে শিক্ষামূলক ভ্রমণে এসে দুর্ঘটনার কবলে বাস। আহত   প্রায় ৩০ জন। সুত্রে জানা যায় তিনটি বাসে করে মুম্বই থেকে দার্জিলিঙে শিক্ষামূলক ভ্রমণে এসেছিল  বেশ কিছু শিক্ষার্থী সহ  শিক্ষকরা । পাহাড় থেকে নামার সময় তাদের বাস দু'টি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে খাদে পড়ে যায়।  দুর্ঘটনাটি ঘটে মিরিকের গয়াবাড়ির কাছে।   আরও জানা যায়  তিনটি বাস পরপর পাহাড় থেকে নামার সময় পিছনের বাসটি দ্বিতীয় বাসটিকে ধাক্কা মারে। ফলে, দুটি বাসই খাদে পড়ে যায়। দ্বিতীয় বাসটি প্রায় ১৫০ ফুট ও শেষের  বাসটি অন্তত ৫০  ফুট নিচে একটি বাঁশঝাড়ে আটকে যায়।   এলাকাটি জঙ্গলভর্তি  ও দুর্গম হওয়ায় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক না পাওয়ায়  দুর্ঘটনাগ্রস্ত পড়ুয়া ও শিক্ষকরা কারও সঙ্গে যোগোযোগ করতে পারছিল না। স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বারকার্যে হাত লাগান এবং পুলিশে খবর পাঠান। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায় এবং স্থানীয়দের সাহায্যে দুর্ঘটনাগ্রস্তদের রাতেই উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। গভীর রাত  পর্যন্ত চলে উদ্ধারকাজ। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কয়েকজনকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে রেফার করা হয়।