স্বাস্থ্য কথা

  • কেরলে বাদুড় বা শুয়োর থেকে ছড়ায়নি নিপা ভাইরাস : পুনের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজি।

    ডেস্ক:কেরল সরকারকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল পুনের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজি। কেরলের কোঝিকোড় ও মালাপ্পুরম জেলায় ইতিমধ্যে নিপায় আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। ভয়াল এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুহার খুব বেশি। ফলে কেরল-সহ দক্ষিণ ভারতের একাংশে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে রিপোর্ট পেশ করে পুনের সংস্থাটি। এর পরই এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, কেরলে শুয়োর, বাদুড় বা অন্য কোনও প্রাণী থেকে ছড়ায়নি নিরা ভাইরাস। তাহলে ভাইরাস এল কোথা থেকে? জানতে তদন্ত শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। কেরলের মোট ২১টি নমুনা পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষায়। এর মধ্যে সাতটি বাদুড়, দু'টি শুয়োর, একটি গবাদি পশু ও একটি ছাগলের নমুনা ছিল। এর মধ্যে করলের পেরাম্বরায় মৃত চামচিকার নমুনাও ছিল। পেরাম্বরায় যে এলাকায় প্রথম নিপার প্রকোপ দেখা গিয়েছিল সেখানে একটি কুয়ো থেকে উদ্ধার হয়েছিল বেশ কয়েকটি মৃত চামচিকা। ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজির তরফে রিপোর্টে জানানো হয়েছে, মৃত কোনও পশুর নমুনাতেই নিপা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। কেরলের পাশাপাশি হিমাচল প্রদেশে মৃত বাদুড়ের নমুনাও পাঠানো হয়েছিল পুনেতে। সেগুলিতেও ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। ভাইরাস মেলেনি হায়দরাবাদ থেকে পাঠানো নমুনাতেও।

  • চল্লিশের পরও চেহারায় যৌবন ধরে রাখুন এই উপায়ে

    news bazar24:চোখের নিচে দিনের পর দিন বলিরেখা বাড়ছে? ক্রমশ কুচকে যাচ্ছে মুখের চামড়া? তাহলে আর দেরি না করে ত্বকের যত্ন নিতে শুরু করুন। শুধু মহিলাদের নয়, পুরুষদেরও ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। না হলে অকালেই বুড়িয়ে যেতে হবে। কিন্তু এমন বেশ কিছু উপায় রয়েছে যেগুলি ঠিক মতো মেনে চললে পঞ্চাশেও চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে পারবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়গুলি কী কী... স্নানের আগে গোটা শরীরে অলিভ অয়েল মেখে নিতে পারলে তা ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা উষ্ণ জলের সঙ্গে এক চামচ মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারলে পেট থাকবে পরিষ্কার আর শরীর থাকবে ঝরঝরে। ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মসৃণ। পুরুষদের চূড়ান্ত  কর্মব্যস্ততার মধ্যেও ১৫ দিন অন্তর অন্তত একবার ফেশিয়াল করা উচিত। না, তার জন্য পার্লারে যাওয়ার দরকার নেই। মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। বা মুলতানি মাটিতে সামান্য গোলাপজল মিশিয়েও মুখে মাখিয়ে রাখুন। ১০-১৫ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন। জলে ভেজানো খেজুর ও ছোলা মিশিয়ে খেতে পারলে পেট থাকবে পরিষ্কার, ত্বক হয়ে উঠবে ঝকঝকে ও তারুণ্য ভরা।   বিভিন্ন ফলের রস ত্বকের জন্য খুব উপকারী। যেমন, গাজর, শসার রস, টোম্যাটো, কমলাবেলুর মতো ফলের রস খেতে পারলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। এই নিয়মগুলি মেনে চলতে পারলেই  আপনার চেহারায় যৌবন হবে দীর্ঘস্থায়ী।    

  • দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলে গা গোলায় বা বমি বমি ভাব? জেনে নিন সহজ সমাধান

    news bazar24:দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলে গা গোলায় বা বমি বমি ভাব? জেনে নিন সহজ সমাধান..... মানুষের শরীরে ৩টি অংশ গতি নির্ণয় করতে পারে এবং সেই তথ্য মস্তিষ্কে পৌছে যায়। এই তিনটি অংশ হল- চোখ, অন্তঃকর্ণ এবং ত্বক। এদের 'সেন্সরি রিসেপ্টর' বলা হয়। যখনই এই ৩ সেন্সরের মধ্যে কোনও অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়, তখনই মূলত মোশন সিকনেস দেখা দেয়।ট্যাক্সি বা বাসে উঠলে এ তো ভারী জ্বালা! কাজের সূত্রে বাড়ির বাইরে বেরোতেই হবে। বাসে-ট্রামেও চড়তে হবে। কিন্তু দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলেই যদি মাথার যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায় বা গা গোলাতে থাকে, তাহলে তো গাড়িতে ওঠাই মুশকিল। তাই লজ্জা এড়াতে বাস-ট্যাক্সিতে ওঠা বন্ধ করে দিয়েছেন? কিন্তু কীভাবে কাটাবেন এই সমস্যা? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েকটা সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই এই সমস্যা এড়ানো যেতে পারে। ১)গাড়িতে বসে সামনের দিকে না তাকিয়ে রাস্তার দিকে তাকানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। ২)যাত্রাপথের গতির বিরপীতে তাকাতেও নিষেধ করছেন ডাক্তাররা। ৩)তেলের গন্ধ কাটাতে ভাল মানের এবং ভাল গন্ধের এয়ারফ্রেশনার কাজে দিতে পারে। ৪)চলতি পথে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিতে পারলে ভাল হয়। ৫)গাড়ির ভেতর মোবাইল ফোন বা ট্যাব ব্যবহার না করাই ভাল। ৬)যে সিটে কম ঝাঁকুনি, তা বেছে নিতে হবে। ৭)জোরে জোরে শ্বাস নিয়ে আস্তে আস্তে ছাড়তে হবে। ৮)সুন্দর, সুরেলা, স্নিগ্ধ গান শোনা যেতে পারে।

  • একবারও কি ভেবে দেখেছেন, কোথায় যাচ্ছে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ?

    ডেস্কঃ(I.D). ৩০ মার্চ ২০১৮ঃ-শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমলে তা থেকে বিভিন্ন অসুখের সৃষ্টি হতে পারে। তাই স্থূলতাকে বিভিন্ন রোগের কারণ বলে থাকেন চিকিত্সকরা।মেদ ঝরানোর জন্য মানুষ কত কী না করে। সারাদিন শরীরচর্চা থেকে শুরু করে নিয়ম মেনে খাওয়া দাওয়া, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সবই মানুষ করে চলেছে ওজন কমানোর জন্য।চিকিত্‌সক এবং ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ মেনে ওজন কমানোর জন্য তো কত কীই না করছেন। আর নিয়ম মেনে চললে সাফল্য তো মিলবেই। অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে অনেকেই হয়ে উঠেছেন ফিট। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছেন, কোথায় যাচ্ছে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ?বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নিয়ম মেনে শরীরচর্চা করলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ বিপাক প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে জল এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইডে পরিবর্তিত হয়ে যায়। যা পশরীর থেকে বেরিয়ে যায় পরবর্তীকালে ঘাম এবং প্রস্রাবের সঙ্গে।

  • জেনে নিন জাঙ্ক ফুড বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের কী কী ক্ষতি করে?

    ডেস্কঃ (I.D).২৮ মার্চ ২০১৮ঃ-এখনকার আধুনিক বাবা-মায়েরাও আজকাল বাড়ির তৈরি খাবারের পরিবর্তে দোকানের কেনা খাবার তুলে দিচ্ছেন বাচ্চাদের মুখে। বাচ্চারা একবার পিত্‌জা, বার্গার, স্যান্ডউইচ দেখলে আর কোনও খাবারের দিকে তাকায় না।বাড়ির খাবারের পরিবর্তে রোজ রোজ জাঙ্ক ফুড বাচ্চাদের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছে।  কীভাবে বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে এই সমস্ত জাঙ্ক ফুড? জেনে নিন-স্বাস্থ্যকর বাচ্চাও যদি টানা ৫ দিন জাঙ্ক ফুড খান, তাহলে তাদের মুড, মেজাজ, চিন্তাশক্তির উপর প্রভাব পড়ে। এমনকী বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে জাঙ্ক ফুডের কারণে। জাঙ্ক ফুডে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে। প্রত্যেকদিন জাঙ্ক ফুড খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরির প্রভাবে বাচ্চাদের ওজন বেড়ে যাওয়া এবং অন্যান্য আরও স্বাস্থ্যের সমস্যা হতে পারে। ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুডে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকায় রক্তে সুগারের মাত্রার ভারসাম্য হারিয়ে যায়। যার ফলে উত্তেজনা, বিভ্রান্তি এবং ক্লান্তি দেখা দেয়।

  • কিডনির অসুখের ঝুঁকি কমাতে পারে ওবেসিটি অপারেশনে

    ডেস্কঃ (I.D). ২৮ মার্চ ২০১৮ঃ-অতিরিক্ত পরিমাণে মেদ জমে গেলেই ওবেসিটির মতো রোগ দেখা দিতে পারে। আর এর ফলে অন্য বিভিন্ন রোগের প্রকোপ দেখা দিতে পারে শরীরে। হৃদরোগ, রক্তচাপ, টাইপ টু ডায়েবিটিস, কার্ডিভ্যাসকুলার রোগের মতো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফিট আর সুস্থ থাকার জন্য মানুষ কত কি-ই না করে চলেছেন। ডায়েট মেনে খাবার খাওয়া থেকে শুরু করে শরীরচর্চা, সব কিছুই চলছে নিয়ম মেনে। ওজন কমানোর জন্য চিকিত্সকের পরামর্শও নিচ্ছেন। তবে, ওজন কমানোর চিকিত্‌সা করানো নিয়ে অনেক মানুষের মধ্যেই সংশয় থাকে। তাঁরা মনে করেন, ওজন কমানোর চিকিত্‌সা এবং অপারেশন ডেকে আনতে পারে আরও নানা অসুখ। কিন্তু চিকিত্‌সকরা এ ব্যাপারে ইতিবাচক কথাই বলছেন।হৃদরোগ, রক্তচাপ, টাইপ টু ডায়েবিটিস, কার্ডিভ্যাসকুলার রোগের মতো বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। শুধু তাই নয়, ওবেসিটির কারণে দেখা দিতে পারে কিডনির সমস্যাও। তাই শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলা খুবই দরকারি। ওবেসিটি বা শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ ঝরানোর জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় চিকিত্‌সা করা হয়। যেমন, ডায়েটারি মডেফিকেশন, ফার্মালজিক্যাল এবং সার্জিক্যাল ট্রিটমেন্টও করা হয় মেদ ঝরানোর জন্য। একটি তথ্য প্রকাশ হয়েছে। যেখানে বলা হচ্ছে, কিডনির সমস্যা মারাত্মক আকার নিলে তা প্রাণঘাতীও হতে পারে। তথ্যে জানানো হচ্ছে, সার্জিক্যাল ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে মেদ ঝরানো একদিকে যেমন ওবেসিটির হাত থেকে মুক্তি দেয়, তেমনই কিডনির অসুখের ঝুঁকিও কমিয়ে দিতে পারে।সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অফ গথেনবার্গের গবেষকরা একটি পরীক্ষা করেন। যেখানে তাঁরা ৩৭ থেকে ৬০ বছর বয়সী প্রায় ৪ হাজার রোগীর মধ্যে একটি সমীক্ষা চালান। ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চালানো হয় এই সমীক্ষা। নজর রাখা হয় ওই ৪ হাজার মানুষের উপর। ওই ব্যক্তিদের অর্ধেকের মেদ ঝরানোর জন্য সার্জারি ট্রিটমেন্ট করা হয়। এবং বাকি ব্যক্তিদের নন-সার্জিক্যাল উপায়ে মেদ ঝরানো হয়। সমীক্ষা শেষে গবেষকরা জানাচ্ছেন, যাঁদের অপারেশনের মাধ্যমে মেদ ঝরানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে কিডনির সমস্যা, ক্যানসার, বিভিন্ন কার্ডিওভ্যাসকুলার রোগের ঝুঁকি অনেক কমে গিয়েছে বাকিদের তুলনায়।

  • জেনে নিন কীভাবে মুক্তি পাবেন বাতের ব্যাথা থেকে -

    ডেস্কঃ (I.D).২৭ মার্চ ২০১৮ঃ-শুধু বেশি বয়সের মানুষই নন, কমবয়সীরাও বাতের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে। অনেক ওষুধ খেয়েও কিছুতেই বাতের ব্যাথা থেকে মুক্তি পান না বহু মানুষ। কিন্তু এমন কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে, যাতে বাতের কষ্ট থেকে কিছুটা রেহাই পেতে পারেন।  অনিয়মিত জীবনযাপন, বংশগত, অন্য বিভিন্ন রোগের প্রভাবে, এছাড়া আরও অনেক কারণে বাতের সমস্যা দেখা দিতে পারে। শুধু বেশি বয়সের মানুষই নন, কমবয়সীরাও বাতের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে। অনেক ওষুধ খেয়েও কিছুতেই বাতের ব্যাথা থেকে মুক্তি পান না বহু মানুষ। কিন্তু এমন কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে, যাতে বাতের কষ্ট থেকে কিছুটা রেহাই পেতে পারেন। জেনে নিন উপায়গুলো- চিকিত্সকদের মতে, বাত সাধারণত আমাদের দুটো হাড়ের সংযোস্থলে হয়ে থাকে। তাই ছোটবেলা থেকেই হাড়ের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। আমাদের এমন সমস্ত খাবার খেতে হবে, যা হাড়কে মজবুত রাখে। বাতের সমস্যা তৈরি করে যে সমস্ত খাবার যেমন, মিষ্টি, ডিম, সোয়াবিন এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য খাওয়া কম করতে হবে।বাতের ব্যাথায় কষ্ট পেলেও অস্থির না হয়ে মনকে শান্ত রাখতে হবে। উত্তেজিত হলে কষ্ট বাড়ে। তাই মন এবং মস্তিষ্ককে শান্ত রাখতে যোগাসন অভ্যাস করুন।বাতের ব্যাথা কমাতে প্রচুর পরিমাণে তাজা শাক-সব্জি, ফল খাওয়া খুব জরুরি। মিহি চিনি, শস্যদানা, রিফাইন্ড অয়েল এবং ট্রান্স ফ্যাট খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এবং অতিরিক্ত নুন খাওয়া ত্যাগ করতে হবে।ব্যাথা, যন্ত্রণা কমানোর জন্য দারুণ উপকারী হল ব্যায়াম। বাতের সমস্যা অতিরিক্ত হলে একজন অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তিনিই বিভিন্ন ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনার কষ্টের উপশম ঘটাতে পারবেন। আমরা সকলেই জানি, হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। ব্যাথা, যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে রোজকার খাবারে হলুদের ব্যবহার করুন।

  • গলার ক্যানসারের ফলে রয়েছে প্রাণ সংশয়ে,গলার ক্যানসারের লক্ষণগুলি জেনে নিন-

    ডেস্কঃ (I.D).২৭ মার্চ ২০১৮ঃ- সব জটিল রোগে বিশেষ করে আক্রান্ত হন পুরুষরা। গলার ক্যানসারের ফলে রয়েছে প্রাণ সংশয়েও। তবে, প্রথম পর্যায়ে ক্যানসার ধরা পড়লে, চিকিত্‌সা তাড়াতাড়ি শুরু হলে সেরে ওঠার সম্ভাবনাও থাকে। এর জন্য জানা থাকা দরকার গলার ক্যানসারের লক্ষণগুলি। জেনে নিন- যদি আপনার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কাশি হয়, তাহলে অবশ্যই সঙ্গে সঙ্গে চিকিত্‌সকের কাছে যান। গলার ক্যানসারের প্রথম লক্ষণ হতে পারে কাশি,গলার ক্যানসারে আক্রান্ত হলে গলায় ব্যথা এবং খাবার গিলতে সমস্যা হতে পারে । এমন কোনও লক্ষণ যদি দেখেন, তাহলে অবহেলা করবেন না,৪-৫ দিন টানা যদি কানে ব্যথা থাকলে অবহেলা করবেন না। ফেলে না রেখে চিকিত্‌সকের সঙ্গে পরামর্শ করুন,কখনও কখনও অনেক কারণেই মুখে ঘা হয়। কিন্তু সেই ঘা যদি ১৫ থেকে ২০ দিনেও না সারে, তাহলে অবশ্যই চিকিত্‌সকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন,বয়ঃসন্ধির কারণে ছেলেদের গলার স্বর বদলে যায়। কিংবা ঠান্ডা লাগার কারণেও আমাদের গলা কখনও কখনও ভেঙে যায়। এটা স্বাভাবিক। কিন্তু অসময়ে গলা ভেঙে গেলে, এবং তা অনেক দিন ধরে না সারলে চিন্তার কারণ হতে পারে।        

  • গরমে যে পানীয়গুলো অবশ্যই খাবেন

    ডেস্কঃ(I.D). ২৫ মার্চ ২০১৮ঃ-স্বাস্থ্যকর পানীয় খেলেই চলবে না। তার জন্য রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট সময়েও। সময় মেনে খেলে তা শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।গরমকালটা এসেই গেল। একটু বেলা বাড়লেই রোদের তাপে আর বাইরে বেরনো যাচ্ছে না। গরমের তাপ এতটাই। এই সময়ে বেশিরভাগ মানুষই শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার জন্য কোল্ড ড্রিঙ্কস বা আইসক্রিম খেয়ে থাকেন। কিন্তু নিউট্রিশনিস্টরা জানাচ্ছেন, গরমে শরীর সুস্থ রাখতে কোল্ড ড্রিঙ্কস বা আইসক্রিম নয়, বরং এমন কিছু পানীয় খেতে হবে, যা স্বাস্থ্যকরও। তবে শুধু স্বাস্থ্যকর পানীয় খেলেই চলবে না। তার জন্য রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট সময়েও। সময় মেনে খেলে তা শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। ডাবের জল- গরমে শরীর সুস্থ রাখতে সকালে বা দুপুরের আগে ডাবের জল খান। বদহজমের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে ডাবের জল। বাটারমিল্ক- দুপুরের খাবারের পর বাটারমিল্ক খান। লেবুর সরবত- সন্ধের খাবারের আগে এক গ্লাস লেবুর সরবত খান। লেবুর সরবতে একটু নুন, চিনি, জিরে গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। গরমে এই সমস্ত পানীয় শরীরের কী কী উপকার করে?  বদহজম, অম্লতা, পেট ফাঁপার হাত থেকে রক্ষা করে,ত্বক ভালো রাখে, জ্বর প্রতিরোধ করে,শরীরের বিভিন্ন ব্যথা প্রতিরোধ করে।