স্বাস্থ্য কথা

  • খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখুন মিষ্টি কুমড়া, ক্যানসার ছাড়াও আটকাবে অনেক রোগ

    পারমিতা দাস: খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে। পারে ক্যান্সার রোগকে আটকাতে। নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ো খেলে মানব শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে না বলেই জানা গেছে , কেননাটি কুমড়া এমন একটি সবজি, যার রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ। তাই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মিষ্টি কুমড়া ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে। আর্টারির দেয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে মিষ্টি কুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদরোগও প্রতিরোধ করা যায়। চকচকে উজ্জ্বল চুল ও সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন। পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে অক্টোবরের শেষে মিষ্টি কুমড়ার চাহিদা থাকে ভীষণ। কারণ মিষ্টি কুমড়া বা Pumpkin দিয়ে তৈরি করা হয় হ্যালোইনের বিশেষ বাতি। সবজি হিসেবেও এর অবদান কম নয়। মিষ্টি কুমড়ার মতো সুস্বাদু সবজি খুব কমই রয়েছে। হালকা মিষ্টি স্বাদের এই সবজিটি পাওয়া যায় সারা বছর জুড়ে। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে। কেননা মিষ্টি কুমড়া এমন একটি সবজি, যার রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ। শুধু তরকারি হিসেবেই নয়, অন্যান্য ফলের মতো মিষ্টি কুমড়া ব্যবহার করতে পারেন সালাদ বা স্যুপ তৈরিতেও। জেনে নিন মিষ্টি কুমড়ার কিছু উপকারিতা। এবং চেষ্টা করুন নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ো খেতে। ১)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। বিটাক্যারোটিন সমৃদ্ধ এই সবজিটি তাই চোখের জন্য খুবই ভালো। বয়সজনিত রোগ বিশেষ করে রেটিনার বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শুধু চোখের অসুখ নয়, ভিটামিন এ-এর অভাবজনিত অন্যান্য রোগেও মিষ্টি কুমড়া উপকারী। ২)গাজরের তুলনায় মিষ্টি কুমড়াতে অধিক পরিমাণে বিটাক্যারোটিন। গাজরে যেখানে ১৩ মিলিগ্রাম বিটাক্যারোটিন রয়েছে, মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে ৩৩ মিলিগ্রাম বিটাক্যারোটিন। বিটাক্যারোটিন এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। শরীরের ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন দূষণ, স্ট্রেস ও খাবারে যে সব কেমিক্যাল ও ক্ষতিকর উপাদান থাকে সেগুলোর কারণে ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ হতে শুরু করে। ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজের ফলে শরীরের ভালো কোষগুলো নষ্ট হতে শুরু করে এবং খারাপ কোষের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। সবুজ, কমলা, হলুদ রঙের সবজিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি পরিমাণে থাকে। তাই মিষ্টি কুমড়া ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ প্রতিরোধ করতে পারে। ৩)অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মিষ্টি কুমড়া ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে। আর্টারির দেয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে মিষ্টি কুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদরোগও প্রতিরোধ করা যায়। ৪)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে সর্দি-কাশি, ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। মিষ্টি কুমড়ার ভিটামিন এ ও সি চুল ও ত্বক ভালো রাখে। তাই চকচকে উজ্জ্বল চুল ও সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন। ৫)মিষ্টি কুমড়াতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। তাছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম যা হাইপারটেনশন এবং হৃদরোগ দূরে রাখে। এছাড়া মিষ্টি কুমড়ার বিভিন্ন উপাদান। ইউরিনেশনের সমস্যা কমায় ও কিডনিতে পাথর হতে বাধা প্রদান করে। ৬)মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় তা সহজেই হজম হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে মিষ্টি কুমড়ার জুড়ি নেই। ৭)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিংক ও আলফা হাইড্রোক্সাইড। জিংক ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো রাখে ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়া বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও মিষ্টি কুমড়া সাহায্য করে। শুধু তরকারি হিসেবেই নয়, অন্যান্য ফলের মতো মিষ্টি কুমড়া ব্যবহার করতে পারেন সালাদ বা স্যুপ তৈরিতেও। এক কথায়  মিষ্টি কুমড়া সম্পর্কে বলতে গেলে সস্তার সবজি মিষ্টি কুমড়া ১২ মাস পাওয়া যায়। আর এর রেসিপি ও অনেক। নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও বেড়ে ওঠে।

  • আনারস ! চলুন জেনে নিন আপনার জন্য উপকারী না অপকারি ফল

    News Bazar24: বর্ষা কালের পর থেকে শরৎ কাল পর্যন্ত মৌসুমী ফল গুলির মধ্যে আনারস অনেক সুস্বাদু ও উপকারী একটি ফল। তবে স্বাদের পাশাপাশি এর রয়েছে অনেক গুনও। তবে অনেকের ক্ষেত্রেই আবার আনারস আবার অপকারী ফল। ফলে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে আনারস না খওয়াই ভালো। চলুন জেনে নিন আনারসের গুণাগুণ ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। ১. আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ এ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। যেগুলো শরীরের কোষকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। ফলে অথেরোস্ক্লেরোসিস, হার্ট রোগ, বাত এবং বিভিন্ন ক্যান্সার থেকে সুরক্ষিত থাকা যায়। ২. আনারসে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। যা জীবাণুর সংক্রমণ বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবনের পাশাপাশি আনারস খেলে সর্দি-কাশি থেকে কার্যকরভাবে আরোগ্য লাভ সহজ হয়। ৩. প্রচুর পরিমাণ ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে আনারসে। যা হাড় ও কানেক্টিভ টিস্যুকে করে শক্তিশালী। এক কাপ আনারসের জুস আমাদের দৈনিক প্রয়োজনীয় ম্যাঙ্গানিজের ৭৩ ভাগ পূরণ করতে সক্ষম। ৪. আনারস খেলে ভালো থাকবে আপনার দাঁতের মাড়ি আর দাঁত দুটোই। আর ভুলে যাবেন না এতে আছে ক্যালসিয়াম। ৫. আনারস জ্বর ও জন্ডিস রোগের জন্য বেশ উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালরি, যা আমাদের শক্তি জোগায়। গবেষণায় দেখা গেছে, আনারস গলা ব্যথা, সাইনোসাইটিসজাতীয় অসুখগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে। হজমে সাহায্য করে। সঙ্গে শরীরের অন্য অঙ্গগুলোকেও ভালো রাখে। এবার জেনে নিন , সুস্বাদু এই আনারসের বেশ কিছু খারাপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। চলুন জেনে নিন বিষয় গুলো। ১। অ্যালার্জীর আক্রমনঃ আনারস খাওয়ার ফলে অনেক নারী ও পুরুষের দেহে অ্যালার্জী দেখা দিতে পারে। আনারস খাওয়ার ফলে অ্যালার্জীর উপসর্গ হল ঠোঁট ফুলে যাওয়া ও গলায় সুরসুরি বোধ হওয়া।তাই আনারস খাওয়ার আগে তা কেটে লবন পানি দিয়ে ধুয়ে নেয়া উচিত। এভাবে ধুয়ে নিয়ে খেলে কোন সমস্যা হওয়ার সম্ভবনা থাকেনা। ২। নারীর গর্ভপাত ঝুঁকিঃ আনারসের কারণে নারীদের গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। গর্ভাবস্থায় থাকলে নারীদের আনারস খেতে বারণ করা হয়। তাছাড়া গর্ভাবস্থার পরে চাইলে আনারস খেতে পারেন কিন্তু শরীরের অবস্থা বুঝে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে। ৩। বাতের ব্যথা হওয়ার ঝুঁকিঃ যখন আপনি আনারস খাবেন তখন এটি আপনার গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল নালীর কাছে পৌঁছানোর পর এটি অ্যালকোহলে পরিনত হয়। এবং এই কারণে মানুষের দেহে বাতের ব্যথা শুরু হতে পারে। তাই যে সকল মানুষের দেহে বাতের ব্যথা আছে কিংবা সন্দেহ করা হচ্ছে বাত হতে পারে তাদের আনারস না খাওয়াটাই ভালো। ৪। রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়ঃ আনারসে আছে অনেক বেশি পরিমানে প্রাকৃতিক চিনি। আনারসের ২ টি চিনি উপাদান সুক্রোজ এবং ফ্রুক্টোজ যা ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু দেহের ক্ষতি, এটি খাওয়ার উপর নির্ভর করে। এবং আনারসের মধ্যে অতিরিক্ত চিনি আমাদের দেহে রক্তের চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই আনারস বেশি না খেয়ে সপ্তাহে ২ দিন খেতে পারেন। ৫। ওষুধের প্রতিক্রিয়াঃ আনারসে আছে ব্রমিলেইন যা দিয়ে ওষুধ বানানো হয়ে থাকে এবং কোন রোগীর প্রয়োজন পরলে তাকে তা দেয়া হয়ে থাকে। তাছাড়া আপনি যদি কোন কারণে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিকনভালসেন্ট ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আনারস খেতে ডাক্তাররা নিষেধ করে থাকেন। কারন এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ৬। কাঁচা আনারসে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ অনেকেই কাঁচা আনারস ব্যবহার করে থাকেন জুস বানানোর জন্য কিন্তু এটি দেহের জন্য ক্ষতিকর এবং খুব বিষাক্ত। এবং মাঝে মাঝে কাঁচা আনারস খাওয়ার কারণে বমির প্রবনতা দেখা দেয়। ৭। কাঁচা আনারস মুখ ও গলার জন্য ক্ষতিকরঃ কাঁচা আনারসে আছে অনেক বেশি পরিমানে এসিডিটি যা আমদের মুখের ভিতর ও গলায় শ্লেষ্মা তৈরি করে। এবং ফলটি খাওয়ার পর মাঝে মাঝে অনেকের পেটে ব্যথাও হতে পারে। ৮। রক্ত তরলিকরন ওষুধঃ রক্ত তরল করার জন্য যে ওষুধ বানানো হয় তাতে আনারস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই ফল দেহে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াতে বাঁধা প্রদান করে থাকে। ৯। আনারসের ব্রমিলেইনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ ব্রমিলেইন আনারসের একটি উপাদান যা আমদের দেহের প্রোটিনের পরিমাণ নষ্ট করাতে দায়ী থাকে। এবং এই ফল দেহে ডার্মাটাইটিস ও অ্যালার্জী সংক্রামন করে। ১০। দাঁতের জন্য ক্ষতিকরঃ আনারস আমাদের দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। যাদের দাতে কেভিটিস ও জিংজাইভেটিভস এর সমস্যা আছে তাদের আনারস না খাওয়াই ভালো। তবে একটা কথা না বললেই নয়, সেটা হলো ( গর্ভ বতী মহিলা ) ব্যতীত, যাদের পক্ষে আনারস খতিকারক তারা অল্প সল্প আনারস খেলে খেতে পারেন। তবে বেশি মাত্রায় যেন না হয় ।

  • দক্ষিণের হৃদরোগ অভিজ্ঞ ডাক্তারদের মালদায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিলেন ডাক্তার ডি, সরকার

    শঙ্কর চ্ক্রবরতী : হৃদ রোগে আক্রান্ত রুগী রা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঘটি বাটি বেঁচে পারি দিচ্ছে দক্ষিন ভারতে। এবং এর সংখ্যা নিয়মিত বাড়ছে। কলকাতায় প্রচুর হৃদ রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার থাকলেও মানুষ তাদের উপর ভরসা করতে পারছে না। আর এর জন্যই দক্ষিণের হৃদরোগ অভিজ্ঞ ডাক্তারদের উত্তবঙ্গের সদর দরজা মালদায় নিয়ে উদ্যোগ নিয়েছেন   গ্লো  নার্সিং হোমের কর্নধার ডাক্তার দ্বিজেন্দ্র সরকার। সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্তের উপসর্গ এবং নানা সচেতনতা নিয়ে একটি আলোচনা চক্রের আয়োজন করা হল মালদা শহরের রবীন্দ্র ভবন এলাকায় একটি বেসরকারি হোটেলে। জানা গিয়েছে, শহরের এক       গ্লো নার্সিংহোম এর উদ্যোগে মূলত সাধারণ মানুষদের স্বার্থে আয়োজন করা হয়েছিলো এই অনুষ্ঠানের। উপস্থিত ছিলেন, ডাঃ প্রীয়ঙ্কর সিনহা, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা ডি, সরকার, কাউন্সিলার নরেন্দ্রনাথ তেওয়াড়ী, অঞ্জুনাথ তেওয়ারী সহ অন্যান্যরা। আলোচনা চক্রে হৃদরোগে আক্রান্তের উপসর্গ, হৃদরোগে আক্রান্তের আগে করণীয়, কোথায় গেলে সঠিক চিকিৎস পাওয়া যাবে সহ নানা সচেতনতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন নারায়না হেলথ কেয়ারের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডঃ প্রিয়াঙ্ক র সিনহা। যিনি ডাক্তার দেবী শেঠির টিমের অভিজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে পরিচিত।

  • বুকে কোনও ধরণের ব্যথা ছাড়াই হতে পারে হার্ট অ্যাটাক: জেনে নিন কি করবেন ?

    News bazar 24: যখন জমাট বেঁধে হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি করে তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। বয়স, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, উচ্চ কোলেস্টোরলের সমস্যা, অতিরিক্ত মেদ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মদ্যপান, মানসিক চাপ—এগুলি মূলত হার্ট অ্যাটাকের কারণ। অনেক সময় হার্ট অ্যাটাক হলেও সঠিকভাবে বোঝা সম্ভব হয় না। সমস্যা হল কোনও কোনও সময় বুকে কোনও ধরণের ব্যথা ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে, ফলে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কিনা তা খুব ভাল করে বোঝা যায় না। তাই জেনে নেওয়া যাক হার্ট অ্যাটাকের অন্যান্য লক্ষণগুলি সম্পর্কে। ১) হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ট অ্যাটাকের প্রায় ১ মাস আগে থেকেই দুর্বলতা এবং ঘন ঘন শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা শুরু হয়ে যায়। কোনও কারণ ছাড়াই শারীরিক দুর্বলতা এবং খুব সহজেই হাঁপিয়ে উঠে ঘন ঘন শ্বাস নেয়ার সমস্যা শুরুর বিষয়ে সতর্ক থাকুন। এই রকম শারীরিক দুর্বলতা এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা হলে বুঝতে হবে হৃদপিণ্ডের বিশ্রামের প্রয়োজন ২) হটাত্ করে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার সমস্যা শুরু হলে সে তা অবহেলা করবেন না। কারণ, এটিও হার্ট অ্যাটাকের একটি লক্ষণ। যখন হার্ট ব্লক হয় তখন রক্ত সঞ্চালনে হৃদপিণ্ডের অনেক বেশি কাজ করতে হয়। এই অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে ঘামের সৃষ্টি হয় এবং এই ঘাম সাধারণত অনেক ঠাণ্ডা হয়ে থাকে। এই ধরনের সমস্যাকে অবহেলা না করে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। ৩) একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, হার্ট অ্যাটাকের আগে থেকে বেশিরভাগ আক্রান্তরই বদহজমের সমস্যা এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও বুক জ্বালা যা আমরা অনেকে স্বাভাবিক বদহজমের সমস্যা ভেবে অবহেলা করি, তা-ও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের ইঙ্গিত। এর পাশাপাশি আচমকা কোনও কারণ ছাড়াই মাথা ঘোরানো, বমি বমি ভাব এবং বমি করার বিষয়গুলি অবহেলা করবেন না। ৫) শুধু বুকে ব্যথাই নয়, শরীরের অন্যান্য বিশেষ কিছু অঙ্গে ব্যথা অনুভব হওয়াও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। পেটের উপরের অংশ, কাঁধ, পিঠ, গলা, দাঁত ও চোয়াল এবং বাম বাহুতে হুট করে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া বা চাপ অনুভব অথবা আড়ষ্টতা অনুভব করাও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। তাই এই বিষয়গুলিকে মোটেই অবহেলা করবেন না। ৫) শুধু বুকে ব্যথাই নয়, শরীরের অন্যান্য বিশেষ কিছু অঙ্গে ব্যথা অনুভব হওয়াও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। পেটের উপরের অংশ, কাঁধ, পিঠ, গলা, দাঁত ও চোয়াল এবং বাম বাহুতে হুট করে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া বা চাপ অনুভব অথবা আড়ষ্টতা অনুভব করাও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। তাই এই বিষয়গুলিকে মোটেই অবহেলা করবেন না।এরকম সমস্যা হলে সাথে সাথে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। আশে পাশে ডাক্তার না পেলে কাছের যে কোনো স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রুগীকে নিয়ে যান। আপনি এই প্রতিবেদন টি পড়লেন newsbazar24.com এ

  • জেনেনিন কি ভাবে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেও ছানির প্রতিকার করা সম্ভব ?

    news bazar24: যখন আপনার চোখে ছানি পড়বে তখন আপনার চারপাশের সবকিছুই ঝাপসা হয়ে আসবে। সব কিছুই অস্পষ্ট দেখাবে। চোখের ছানি অত্যন্ত ধীর গতিতে বাড়ে। এই ছানি যখন বাড়তে বাড়তে মারাত্মক আকার নেয়, তখনই চোখে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেও ছানির প্রতিকার করা সম্ভব। কিন্তু ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বনের আগে অবশ্যই একজন চক্ষু চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এ বার জেনে নেয়া যাক চোখের ছানি দূর করার কিছু সহজ উপায়। ভিটামিন সি: শরীরের অন্যান্য অঙ্গের চেয়ে চোখের লেন্স ভিটামিন সি বেশী ধারণ করে। যদি আপনার চোখে ছানি (প্রাথমিক পর্যায়ে) হয়ে থাকে তাহলে চক্ষু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে সম্পূরক ভিটামিন সি গ্রহন করুন। পেঁপে: পেঁপের মধ্যে যে এনজাইম থাকে তা প্রোটিন জাতীয় খাবার হজমে সহায়তা করে। চোখে ছানি আছে এমন অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যে তাঁদের প্রোটিন জাতীয় খাবার হজম করতে সমস্যা হয়। এই অতিরিক্ত প্রোটিন চোখের লেন্স-এ গিয়ে জমা হয়ে ছানি তৈরি করতে পারে। তাই ছানি প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত পেঁপে খাওয়া উচিত। গ্রীন টি: চোখের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে গ্রীন টি চমৎকার কাজ করে। গ্রীন টিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা চোখকে সজীবতা প্রদান করে। দুধ ও কাজুবাদাম: চোখে ছানি হলে চোখ জ্বালা করে এবং লাল হয়ে যায়। এক্ষেত্রে দুধের মধ্যে সারারাত কাজুবাদাম ভিজিয়ে রেখে সেই দুধ যদি চোখের পাতায় লাগানো যায় তাহলে চোখ জ্বালা করা এবং লাল হয়ে যাওয়া অনেকটাই কমে যায়। কাঁচা শাক-সব্জি: একাধিক মেডিকেল জার্নাল অনুযায়ী, কাঁচা শাক-সব্জি ভিটামিন এ এর উৎস। তাছাড়া এগুলি বিটা ক্যারোটিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে। রসুন: ছানি পড়া চোখের জন্য রসুন খুবই উপকারী। আপনার চোখ জল দিয়ে ধুয়ে নিলে দৃষ্টি যে রকম পরিষ্কার মনে হবে, রসুনও ঠিক সেই কাজটি করে থাকে। তাই প্রতিদিন ২-৩টি কোয়া রসুন খেতে পারলে উপকার পাওয়া যাবে।

  • কেরলে বাদুড় বা শুয়োর থেকে ছড়ায়নি নিপা ভাইরাস : পুনের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজি।

    ডেস্ক:কেরল সরকারকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল পুনের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজি। কেরলের কোঝিকোড় ও মালাপ্পুরম জেলায় ইতিমধ্যে নিপায় আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। ভয়াল এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুহার খুব বেশি। ফলে কেরল-সহ দক্ষিণ ভারতের একাংশে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে রিপোর্ট পেশ করে পুনের সংস্থাটি। এর পরই এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, কেরলে শুয়োর, বাদুড় বা অন্য কোনও প্রাণী থেকে ছড়ায়নি নিরা ভাইরাস। তাহলে ভাইরাস এল কোথা থেকে? জানতে তদন্ত শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা। কেরলের মোট ২১টি নমুনা পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষায়। এর মধ্যে সাতটি বাদুড়, দু'টি শুয়োর, একটি গবাদি পশু ও একটি ছাগলের নমুনা ছিল। এর মধ্যে করলের পেরাম্বরায় মৃত চামচিকার নমুনাও ছিল। পেরাম্বরায় যে এলাকায় প্রথম নিপার প্রকোপ দেখা গিয়েছিল সেখানে একটি কুয়ো থেকে উদ্ধার হয়েছিল বেশ কয়েকটি মৃত চামচিকা। ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজির তরফে রিপোর্টে জানানো হয়েছে, মৃত কোনও পশুর নমুনাতেই নিপা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। কেরলের পাশাপাশি হিমাচল প্রদেশে মৃত বাদুড়ের নমুনাও পাঠানো হয়েছিল পুনেতে। সেগুলিতেও ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। ভাইরাস মেলেনি হায়দরাবাদ থেকে পাঠানো নমুনাতেও।

  • চল্লিশের পরও চেহারায় যৌবন ধরে রাখুন এই উপায়ে

    news bazar24:চোখের নিচে দিনের পর দিন বলিরেখা বাড়ছে? ক্রমশ কুচকে যাচ্ছে মুখের চামড়া? তাহলে আর দেরি না করে ত্বকের যত্ন নিতে শুরু করুন। শুধু মহিলাদের নয়, পুরুষদেরও ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। না হলে অকালেই বুড়িয়ে যেতে হবে। কিন্তু এমন বেশ কিছু উপায় রয়েছে যেগুলি ঠিক মতো মেনে চললে পঞ্চাশেও চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে পারবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়গুলি কী কী... স্নানের আগে গোটা শরীরে অলিভ অয়েল মেখে নিতে পারলে তা ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা উষ্ণ জলের সঙ্গে এক চামচ মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারলে পেট থাকবে পরিষ্কার আর শরীর থাকবে ঝরঝরে। ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মসৃণ। পুরুষদের চূড়ান্ত  কর্মব্যস্ততার মধ্যেও ১৫ দিন অন্তর অন্তত একবার ফেশিয়াল করা উচিত। না, তার জন্য পার্লারে যাওয়ার দরকার নেই। মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। বা মুলতানি মাটিতে সামান্য গোলাপজল মিশিয়েও মুখে মাখিয়ে রাখুন। ১০-১৫ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন। জলে ভেজানো খেজুর ও ছোলা মিশিয়ে খেতে পারলে পেট থাকবে পরিষ্কার, ত্বক হয়ে উঠবে ঝকঝকে ও তারুণ্য ভরা।   বিভিন্ন ফলের রস ত্বকের জন্য খুব উপকারী। যেমন, গাজর, শসার রস, টোম্যাটো, কমলাবেলুর মতো ফলের রস খেতে পারলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। এই নিয়মগুলি মেনে চলতে পারলেই  আপনার চেহারায় যৌবন হবে দীর্ঘস্থায়ী।    

  • দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলে গা গোলায় বা বমি বমি ভাব? জেনে নিন সহজ সমাধান

    news bazar24:দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলে গা গোলায় বা বমি বমি ভাব? জেনে নিন সহজ সমাধান..... মানুষের শরীরে ৩টি অংশ গতি নির্ণয় করতে পারে এবং সেই তথ্য মস্তিষ্কে পৌছে যায়। এই তিনটি অংশ হল- চোখ, অন্তঃকর্ণ এবং ত্বক। এদের 'সেন্সরি রিসেপ্টর' বলা হয়। যখনই এই ৩ সেন্সরের মধ্যে কোনও অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়, তখনই মূলত মোশন সিকনেস দেখা দেয়।ট্যাক্সি বা বাসে উঠলে এ তো ভারী জ্বালা! কাজের সূত্রে বাড়ির বাইরে বেরোতেই হবে। বাসে-ট্রামেও চড়তে হবে। কিন্তু দ্রুতগতিতে গাড়ি চলতে শুরু করলেই যদি মাথার যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায় বা গা গোলাতে থাকে, তাহলে তো গাড়িতে ওঠাই মুশকিল। তাই লজ্জা এড়াতে বাস-ট্যাক্সিতে ওঠা বন্ধ করে দিয়েছেন? কিন্তু কীভাবে কাটাবেন এই সমস্যা? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কয়েকটা সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই এই সমস্যা এড়ানো যেতে পারে। ১)গাড়িতে বসে সামনের দিকে না তাকিয়ে রাস্তার দিকে তাকানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। ২)যাত্রাপথের গতির বিরপীতে তাকাতেও নিষেধ করছেন ডাক্তাররা। ৩)তেলের গন্ধ কাটাতে ভাল মানের এবং ভাল গন্ধের এয়ারফ্রেশনার কাজে দিতে পারে। ৪)চলতি পথে কিছুক্ষণের জন্য বিরতি নিতে পারলে ভাল হয়। ৫)গাড়ির ভেতর মোবাইল ফোন বা ট্যাব ব্যবহার না করাই ভাল। ৬)যে সিটে কম ঝাঁকুনি, তা বেছে নিতে হবে। ৭)জোরে জোরে শ্বাস নিয়ে আস্তে আস্তে ছাড়তে হবে। ৮)সুন্দর, সুরেলা, স্নিগ্ধ গান শোনা যেতে পারে।

  • একবারও কি ভেবে দেখেছেন, কোথায় যাচ্ছে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ?

    ডেস্কঃ(I.D). ৩০ মার্চ ২০১৮ঃ-শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমলে তা থেকে বিভিন্ন অসুখের সৃষ্টি হতে পারে। তাই স্থূলতাকে বিভিন্ন রোগের কারণ বলে থাকেন চিকিত্সকরা।মেদ ঝরানোর জন্য মানুষ কত কী না করে। সারাদিন শরীরচর্চা থেকে শুরু করে নিয়ম মেনে খাওয়া দাওয়া, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, সবই মানুষ করে চলেছে ওজন কমানোর জন্য।চিকিত্‌সক এবং ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ মেনে ওজন কমানোর জন্য তো কত কীই না করছেন। আর নিয়ম মেনে চললে সাফল্য তো মিলবেই। অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে অনেকেই হয়ে উঠেছেন ফিট। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছেন, কোথায় যাচ্ছে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ?বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নিয়ম মেনে শরীরচর্চা করলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ বিপাক প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে জল এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইডে পরিবর্তিত হয়ে যায়। যা পশরীর থেকে বেরিয়ে যায় পরবর্তীকালে ঘাম এবং প্রস্রাবের সঙ্গে।

  • জেনে নিন জাঙ্ক ফুড বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের কী কী ক্ষতি করে?

    ডেস্কঃ (I.D).২৮ মার্চ ২০১৮ঃ-এখনকার আধুনিক বাবা-মায়েরাও আজকাল বাড়ির তৈরি খাবারের পরিবর্তে দোকানের কেনা খাবার তুলে দিচ্ছেন বাচ্চাদের মুখে। বাচ্চারা একবার পিত্‌জা, বার্গার, স্যান্ডউইচ দেখলে আর কোনও খাবারের দিকে তাকায় না।বাড়ির খাবারের পরিবর্তে রোজ রোজ জাঙ্ক ফুড বাচ্চাদের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছে।  কীভাবে বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে এই সমস্ত জাঙ্ক ফুড? জেনে নিন-স্বাস্থ্যকর বাচ্চাও যদি টানা ৫ দিন জাঙ্ক ফুড খান, তাহলে তাদের মুড, মেজাজ, চিন্তাশক্তির উপর প্রভাব পড়ে। এমনকী বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে জাঙ্ক ফুডের কারণে। জাঙ্ক ফুডে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে। প্রত্যেকদিন জাঙ্ক ফুড খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরির প্রভাবে বাচ্চাদের ওজন বেড়ে যাওয়া এবং অন্যান্য আরও স্বাস্থ্যের সমস্যা হতে পারে। ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুডে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকায় রক্তে সুগারের মাত্রার ভারসাম্য হারিয়ে যায়। যার ফলে উত্তেজনা, বিভ্রান্তি এবং ক্লান্তি দেখা দেয়।