স�বাস�থ�য কথা

  • কি কি নিয়ম মানলে ডায়াবেটিস দূরে রাখা যায় জানেন কি ?

    newsbazar24:  নিত্যদিন অনেক তরুণও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। ডায়াবেটিসের সরাসরি নিরাময় হয়না তাই এতে আক্রান্ত হলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। তবে কিছু উপায় রয়েছে যা আগে থেকে পালন করলে ডায়াবেটিস দূরে রাখা যায়।  ১।ধূমপানে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এর কারণ হলো দেহের হরমোনজনিত পরিবর্তন। এ কারণে ডায়াবেটিস থেকে দূরে থাকতে ধূমপান বর্জন করা উচিত।  ২। আপনি যদি নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন করেন তাহলে তা নানাভাবে আপনার স্বাস্থ্যের উপকার করবে। বিশেষ করে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন রোগ দূরে রাখায় এর ভূমিকা রয়েছে। এতে ডায়াবেটিসের মতো রোগও দূরে থাকবে।  ৩। মাত্রাতিরিক্ত খাবার খাওয়া ডায়াবেটিসের অন্যতম কারণ। এ কারণে খাবারের পরিমাণ কমানো উচিত আগেভাগেই। খাবার খাওয়া কমানোর জন্য ছোট ছোট প্লেটে অল্প করে খাবার নিতে পারেন। এছাড়া খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস জল খেয়ে নিলেও তাতে খাবারের পরিমাণ কমতে পারে।  ৪। ধবধবে সাদা আটা-ময়দা বাদ দিয়ে লাল আটার তৈরি রুটি ও অন্যান্য খাবার খান। এটি আপনার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাবে।  ৫। সকালের খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাবার। এটি কখনোই বাদ দেওয়া ঠিক নয়। সকালের নাস্তায় প্রোটিন যুক্ত করলে তা সারাদিনের ক্ষিদা কমায়। এতে শরীর যেমন সুস্থ থাকে তেমন ডায়াবেটিসও দূরে থাকে।  ৬। ফাস্ট ফুড দোকানের জাংক খাবার ও অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর খাবারে উচ্চমাত্রায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে, যা আপনার রক্তে ক্ষতিকর কোলস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি রক্তের শর্করার মাত্রাও বাড়ায়। তাই এসব খাবার বাদ দিতে হবে।  ৭। আপনি যদি বিকালের ক্ষুধা নিবৃত্ত করার জন্য অস্বাস্থ্যকর পিজা বা ফাস্ট ফুড বাদ দিয়ে তাজা ফলমূল কিংবা স্যালাড খেতে পারেন তাহলে তা ডায়াবেটিস থেকে আপনাকে রক্ষায় সহায়তা করবে।  ৮। মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ আপনার রক্তের শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এ কারণে মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। প্রয়োজনে ইয়োগা, মেডিটেশন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করুন।  ৯। রাতে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমান। এতে আপনার দেহের ওপর চাপ কমবে এবং ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ দূরে থাকবে। ঘুমের অভাবে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ক্ষতি হয়।  ১০। নিয়মিত গ্রিন টি পান করুন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ বিভিন্ন উপাদান রয়েছে, যা রক্তের শর্করা কমাতে ভূমিকা রাখে।  ১১। শরীরের ইনসুলিনের ভারসাম্যহীনতায় রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিক হয়ে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি হয়। সময় থাকতেই ডায়াবেটিস সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো। এতে আগে থেকেই রোগটি সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা যায়।

  • জানেন কি শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে ডাবের জলের গুণাবলী ?

    newsbazar24: জানেন কি শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে ডাবের জলের গুণাবলী ?এই প্রচণ্ড গরমে অনেকেই ধোঁয়া ওঠা চায়ের চেয়ে ঠান্ডা কিছু দিয়ে গলা ভেজাতে ভালবাসেন। আর সে ক্ষেত্রে কচি ডাবের জল যেন অমৃত! এই গরমের তীব্র দাবদাহে ডাবের জলের মতো শান্তি ও তৃপ্তি বোধহয় আর কিছুতেই নেই! তবে শুধু তেষ্টা মেটাতেই নয়, গরমে শরীর ভাল রাখতেও ডাবের জল অত্যন্ত উপকারী। জেনে নিন ১) প্রচণ্ড গরমে শরীরে ঘামের সঙ্গে অনেকটা জল বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দেয়। একই সঙ্গে ডি-হাইড্রেশনের সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে ডাবের জল অত্যন্ত উপকারী। ডাবের জলে থাকা কার্বোহাইড্রেড শরীরে শক্তির ঘাটতিও পূরণ করে।২) গরমের তীব্র দাবদাহে রক্তচাপ মারাত্মক বেড়ে যেতে পারে! অনেকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে অনেকটা জল বেরিয়ে যাওয়ায় রক্তচাপ অস্বাভাবিক ভাবে কমে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাবের জল অত্যন্ত কার্যকরী! ডাবের জলে থাকা ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম আর পটাশায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।৩) গরমে কচি ডাবের জল শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি শরীরে পটাশিয়াম, সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।৪) ডাবের জলে যেহুতু চিনি খুব কম পরিমাণে থাকে, তাই সহজেই ওজন কমাতে সাহায্য করে। ফাইবারে ভরপুর ডাবের জল খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে।৫) ডাবের জল রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই এই গরমে ডায়াবিটিক রোগীদর জন্য ডাবের জল খুবই উপকারী।

  • জানেন কি মুরগীর মেটে কতটা উপকারী?

    newsbazar24: মাংসের লিভার (যকৃৎ) বা মেটে আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী, এ কথা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু মুরগির মাংসের মেটেও কি ততটাই উপকারী? জেনে নেওয়া যাক এ বিষয়ে পুষ্টিবিদদের মতামত।১) মুরগির লিভারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রন, ফাইবার ছাড়াও আরও অনেক স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর উপাদান।২) মুরগির লিভার বা মেটেতে রয়েছে দস্তা বা জিঙ্ক যা জ্বর, সর্দি-কাশি, টনসিলাইটিস সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে।৩) মুরগির লিভারে রয়েছে ভিটামিন-এ এবং বি যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি ও মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক।৪) মুরগির লিভারে রয়েছে কোলাজেন ওইলাস্টিন নামের একটি উপাদান যা আমাদের শরীরের শিরা-উপশিরায় রক্ত প্রবাহ সহজ ও স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।৫) মুরগির লিভারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আর ফাইবার যা শরীর ও হৃদযন্ত্রের পক্ষে খুবই উপকারী।৬) মুরগির লিভার বা মেটেতে রয়েছে সেলেনিয়াম নামের একটি জরুরি উপাদান যা কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এই সেলেনিয়াম শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ছোট-বড় সংক্রমণ, শরীরের গাঁটে গাঁটে ব্যথা, কৃমির সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম।৭) শরীরের বিভিন্ন অপুষ্টিজনিত সমস্যা দূর করতে এবং দ্রুত ওজন বাড়াতে মুরগির লিভার বা মেটে অত্যন্ত কার্যকর! এ ছাড়াও, ডায়বেটিসের মতো অসুখে আক্রান্তদের জন্য মুরগির লিভার বা মেটে খুবই উপকারী। পুষ্টিবিদদের মতে, মুরগির মাংসের তুলনায় মুরগির লিভারের পুষ্টিগুণ কোনও অংশে কম নয়। তবে একটা বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন, যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের মুরগির মেটে না খাওয়াই ভাল। কারণ, মুরগির মেটে খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। ফলে বাড়বে উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের সমস্যা।

  • হেঁচকি বন্ধ করার এই ১০টি অব্যর্থ উপায়

    newsbazar24: আপনাকেও হয়তো কখনও না কখনও হেঁচকি নিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে! এই রকম পরিস্থিতিতে চট করে হেঁচকি বন্ধ করতে হলে কী করবেন? আসুন জেনে নিন এমন ১০টি অব্যর্থ উপায়, যেগুলির যে কোনও একটি কাজে লাগালেই এই সমস্যার থেকে দ্রুত নিস্তার পাবেন...হেঁচকি বন্ধ করার সেরা ১০ কৌশল:১) চট করে ১ চামচ মাখন বা চিনি খেয়ে নিন। হেঁচকি দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।২) বেশি করে জল খান। বিশেষ করে এই সময় ঠান্ডা জল খেলে হেচকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।৩) হেচকির সমস্যা শুরু হলে নিশ্বাস নেওয়ার সময় নাক হালকা চাপ দিয়ে চেপে ধরুন। এই পদ্ধতি হেঁচকির সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে।৪) হঠাৎ করে হেঁচকি শুরু হলেই, লম্বা শ্বাস নিয়ে নাক-মুখ বন্ধ রেখে বাতাস ভেতরে বেশ কিছু ক্ষণ রাখুন। যত ক্ষণ সম্ভব দম ছাড়বেন না। সমস্যা মিটে যাবে।৫) হেচকির সমস্যা শুরু হলে হাতের কাছে কাগজের ব্যাগ বা বড় ঠোঙা থাকলে তার ভেতরে মাথা ঢুকিয়ে নিশ্বাস নিন। কিছু ক্ষণের মধ্যেই হেঁচকি বন্ধ হয়ে যাবে।৬) লম্বা শ্বাস নিন। এ বার হাঁটুকে বুকের কাছাকাছি এনে দু’ হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরুন। কয়েক মিনিট এ ভাবেই থাকুন। এই পদ্ধতিতে হেঁচকি দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।৭) হেঁচকি বন্ধ করতে লেবুর রসের সঙ্গে সামান্য আদার কুচিও একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে কিছু ক্ষণের মধ্যেই সমস্যা মিটে যাবে।৮) হঠাৎ করে হেঁচকি শুরু হলেই, দুই কানে দুই আঙ্গুল ঢুকিয়ে যত ক্ষণ সম্ভব দম বন্ধ করে থাকুন। দেখবেন হেঁচকি নিমেষেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।৯) দ্রুত হেঁচকি বন্ধ করার জন্য জিভে এক টুকরো পাতিলেবু রেখে কিছু ক্ষণ চুষুন। এটি হেঁচকি বন্ধ করতে খুবই কার্যকর একটি।১০) মুখের ভেতরে উপরের অংশটিতে ভাল করে মালিশ করুন। প্রয়োজনে গলার পেছনের অংশে হালকা মালিশ করুন। এই পদ্ধতিতে হেঁচকি দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।

  • কি করে ভালো রাখবেন আপনার স্বাস্থ্য, জেনে নিন

    newsbazar24: শরীর ভালো থাকলে বাড়ে কাজের স্পৃহা। নিয়মিত যোগব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি, খাদ্য তালিকা নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতির মাধ্যমে মানুষ স্বাস্থ্য ঠিক রাখার উপায় খোঁজেন। কিন্তু ব্রিটেনের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস ও এক্সারসাইজ বিষয়ক শিক্ষক ড. নেডাইন স্যামি বলেছেন, আমাদের নিজেদের মনের ওপরে বিশেষ খেয়াল রাখা দরকার। আত্ম-সচেতনতা বাড়িয়ে মনের ওপরে আমাদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো সম্ভব। ড. স্যামির মতে, আত্ম-সচেতনতা এমন এক জিনিস যা মানুষকে তার নিজের আবেগ, অনুভূতি ও ইচ্ছা-অনিচ্ছা অনেক নিবিড়ভাবে বুঝতে সহায়তা করে। নিজের অনুভূতিকে বোঝার মধ্য দিয়েই মানুষ নিজের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার দিকে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে পারে। বলা যায় এটাই হতে পারে স্বাস্থ্য ভালো রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়।ড. নেডাইনের মতে, নিজের সম্পর্কে ব্যক্তির ধারণা যত নির্ভুল ও গভীর হবে, ততই সে তার নিজের শক্তি ও দুর্বলতার দিকগুলো জানবে। এই জানার মাধ্যমেই নিজের দুর্বলতাগুলোকে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এজন্য তিনি এমন কিছু কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন যা শারীরিকভাবে কর্মক্ষম থাকতে জিমে যাওয়া কিংবা ভোরবেলা দৌড়ানোর চেয়ে অনেক বেশি কায়িক শ্রমের ব্যবস্থা করবে।এই যেমন আপনাকে অনেক বেশি কায়িক পরিশ্রমে ব্যস্ত রাখতে পারে আপনার পোষা কুকুরটি। এবারিস্টউইথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের শিক্ষক ড. রিস থেচারের বক্তব্য, জিম হয়ত কারো কারো জন্য একটা ভালো সমাধান হতে পারে। কিন্তু তা সবার জন্য নয়। তাই এক্ষেত্রে মোক্ষম উপায় হতে পারে একটি কুকুর পোষা। কারণ কুকুরকে যদি দিনে দুই বার অন্তত ৩০ মিনিট করে হাঁটাতে হয় তখন আপনিও নিজে থেকেই হাঁটবেন। আর এভাবেই রোজকার হাঁটার ভেতর দিয়ে শরীর ও মনের সুরক্ষা হবে। সুস্বাস্থ্য অর্জন করতে হলে তারা পরামর্শ দিয়েছেন বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিজ্জ খাদ্য গ্রহণের। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সপ্তাহে অন্তত ৩০ পদের সবজি ও ফল-ফলাদি গ্রহণ করলে সুস্বাস্থ্য অর্জন করা সম্ভব। লন্ডন কিংস কলেজের একজন গবেষণা ফেলো ড. মেগান রসি বলেন, শুধু বেশি করে সবজি ও ফল-ফলাদি খেলেই হবে না। এর মধ্যে বিভিন্ন জাতের ভিন্নতাও থাকা জরুরি। প্রতি সপ্তাহে সব পদ মিলিয়ে যদি ভিন্ন-ভিন্ন ৩০ পদের সবজি ও ফল-ফলাদি খাওয়া যায় তাহলে তা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। আমাদের পাকস্থলীতে মাইক্রোবায়োম নামের একটি ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। এই ব্যাকটেরিয়া মানুষের সুস্বাস্থ্যের ওপরে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে। তাই বেশি বেশি লতা-পাতা ও উদ্ভিজ্জ সবজি খেতে পরামর্শ দিয়েছেন ড. রসি।সুস্থ থাকার জন্য বেশি বেশি হাসার পাশাপাশি দৈনিক গড়ে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দিয়েছে বিজ্ঞানীরা। একটানা ঘুমের ঘাটতি চলতে থাকলে শরীরের উপরে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এক্সেটার ইউনিভার্সিটির স্পোর্ট এন্ড হেলথ সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক ড. গেভিন বাকিংহাম বলেছেন, ঘুম কম হলে মানুষের নতুন জিনিস শেখার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। তাই দেহ ও মনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।-বিবিসি

  • আজ থেকেই শরীরের মেদ দ্রুত ঝরান, জেনে নিন টিপস

    newsbazar24:কাজের চাপে অনেকেই বাড়ি থাকতে না পারার কারণে বাইরের খাবারে ভরসা রাখছেন। খেতে ভালোবাসলে ওজন নিয়েও সবার সচেতন থাকা উচিত বলে আজকাল ডাক্তাররা মনে করছেন। অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড বা অন্যান্য বাড়ির খাবার যেক্ষেত্রে অতিরিক্ত চর্বি বা তেল রয়েছে, সেগুলো মাত্রাধিক খেলে নানান রোগের সাথে শরীরে বাড়ছে ওজন। যা কম বেশি কুফল আমাদের সবার জানা। শীত হোক বা গ্রীষ্ম, শরীর তরতাজা আর ফিট রাখার জন্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ওজন না হওয়াটাই ভালো। কিন্তু কিভাবে শরীরের জমা অতিরিক্ত ফ্যাট ঝরাবেন-১.সঠিক পুষ্টি ২. জল খান ৩. ঘুমের পরিমাণ একটু বাড়ান ৪. ভিনিগার খান ৫. ফ্যাট খেলেও হেলদি ফ্যাট খান ৬. পানীয় বাছুন বুঝে ৭. ফাইবার রাখুন খাবারে ৮. রিফাইন এবং প্রসেসড ফুড বন্ধ করুন ৯. শরীরচর্চা আবশ্যক ১০. আয়রনের প্রয়োজন আছে ১১. উপবাস দরকার ১২. শেষ পাতে দই রাখুন ১৩. অল্প পরিমাণে খান, বারেবারে খান ১৪.প্রোটিন ডায়েট ১৫. স্ট্রেংথ ট্রেনিং শুরু করুন

  • গর্ভাবস্থায় ভুলেও খাবেন না এসব জিনিস !

    newsbazar24: চিকিৎসাশাস্ত্রে এর মেয়াদ ১০ মাস ১০ দিন হলেও এই সময় একটা মেয়ে অনেক কিছু দেখে এবং শেখে। নতুন করে এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়। এক নতুন জীবন জন্ম দেওয়ার জন্যে নানান দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পড়ে। যে আসছে তার ভালো থাকার জন্যে নিজের ভালো থাকাটাও যে অনেক জরুরী, এই বোধ একটা মেয়েকে এই সময় সচেতন করে তোলে। দায়িত্ববোধ আর কর্তব্যের মেলবন্ধন তাকে বারবার নতুন নতুন ভালো কিছু শিখতে সাহায্য করে। এই সময়টা একটা মেয়ের কাছে খুব গুরত্বপূর্ণ। ভালো থাকার জন্যে নানা বিধি নিষেধ মেনে চলতে হয়। পরিবারের বড়রা তাকে গাইড করার জন্যে থাকলেও নিজের ব্যাপারে নিজের কিছু কিছু জিনিস জেনে রাখা জরুরি। হাঁটাচলা, ঘুম সমস্ত কিছুর পাশাপাশি খাওয়া দাওয়ার উপরেও সমান ভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অনেক কিছু পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত, আবার অনেক কিছু খাওয়া উচিত নয়। আজকের বিষয়ে আলোচনা করবো কী কী গর্ভাবস্থায় খাওয়া উচিত নয়। ১. চিজ থেকে দূরে থাকুন: চীজ অনেকেই খেতে ভালোবাসেন। কিন্তু আনপ্রসেসড চীজ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। কারণ এতে লিস্টেরিয়া নামক ব্যাক্টেরিয়া থাকে। একই ভাবে নরম চীজ এ জল বেশি থাকে যাতে ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ বেশি হয়। ২. কাঁচা ডিম ভুলেও না: কাঁচা ডিম বা হাফ সিদ্ধ ডিম খেতে যারা ভালোবাসেন, এবার সময় এসেছে এগুলোকে না বলার। একই ভাবে প্রসেসড মিট বা রোস্ট খাওয়াকেও না বলুন। এক্ষেত্রে টকসোপ্লাজমা ব্যাক্টেরিয়া শরীরের মধ্যে গেলে শরীরের ক্ষতি করতে পারে। সি ফিশ বা সমুদ্রের মাছ খাওয়া ভালো, এতে ওমেগা -৩ থাকে। তবে সেই মাছও খান পরিমিত পরিমাণে। ৩. মাল্টিভিটামিনের আগে ডাক্তারের পরামর্শ: অনেক খাবার আমরা এই সময় খেয়ে থাকি যাতে ভিটামিনের অভাব শরীরে না হয়। এমন কোনো খাবার খাবেন না যাতে বেশি পরিমাণে ভিটামিন-A আছে। এমনকি মাল্টি ভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়ার আগেও ডক্টরের পরামর্শ নিয়ে খান। ৪. বাসি স্যালাড বা কাটা ফল খাবেন না: সবুজ স্যালাড স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। অবশ্যই স্যালাড খান কিন্তু কখনোই অনেকক্ষন আগের কেটে রাখা স্যালাড খাবেন না। বাইরের কাটা স্যালাডকেও এখন না বলুন। অনেক আগের কাটা স্যালাডে লিষ্টেরিয়া প্যারাসাইট থাকে। ৫. ধুমপান ও মদ্যপান থেকে দূরে থাকুন: কোনো রকম নেশাকে না বলুন। ধূমপান বা অ্যালকোহল কোনোটাই এই সময় নেওয়া উচিত না। অতিরিক্ত ডোপামিন হরমোন ক্ষরণ এই সময় বাচ্চার ক্ষতি করে। ঘুমানোর সময় ওজন কমানোর প্রক্রিয়া( আজ রাতেই চেষ্টা করুন) ওজন কমানোর একমাত্র সমাধান-৩০ দিনের মধ্যে 28কেজি ওজন কমান ঘুমানোর সময় ওজন কমানোর প্রক্রিয়া( আজ রাতেই চেষ্টা করুন) ৬. বেশি চা, কফি খাবেন না: অনেকের মধ্যেই চা বা কফি খাওয়ার প্রবণতা আছে। স্ট্রেস কমাতে অনেকে এক কাপ চা বা কফি বেছে নেন। চেষ্টা করুন এই প্রবণতা কমানোর। অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে গেলে মিসক্যারেজের সম্ভাবনা বা কম ওজনের শিশু হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। ৭. পেঁপে ও কলা থেকে দূরে: ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো। এই সময় ফল বা ফলের রস শরীরের পক্ষে উপকারী। কিন্তু ফলের ক্ষেত্রেও একটু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। কলা বা পেঁপে এমনি সময় স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী হলেও গর্ভাবস্থায় না খাওয়া উচিত। কলা বা পেঁপে তে যে ফাইবার থেকে তা দেহের তাপ বাড়িয়ে তোলে। তেঁতুলে ভিটামিন - সি থাকলেও এই ভিটামিন এই সময় শরীরে অতিরিক্ত যাওয়া উচিত নয়। ৮. ঠান্ডা পানীয়কে না বলুন: অনেকেই আছেন যারা বাজার চলতি ঠান্ডা পানীয় খেতে ভালোবাসেন। খাওয়ার পর বা যে কোনো সময় একটু গলা ভিজিয়ে আরাম পান। অনেকে কাজের চাপে খেতে চান এনার্জি ড্রিংক। চেষ্টা করুন এগুলো এই সময়ে এড়িয়ে চলার। কারণ এতে থাকে সংরক্ষক বা preservatives, যা শরীরের জন্যে ক্ষতিকারক। ৯. অ্যালার্জি হয় এমন খাবার খাবেন না: বাইরে বা অন্য কোথাও গেলে খাবার খাওয়ার আগে জেনে নিন খাবারে এমন কিছু দেওয়া আছে কিনা যা থেকে আপনার অ্যালার্জি হয়। ডাক্তারের পরামর্শ জুরুরি: ভালো ডক্টরের সঙ্গে পরামর্শ করে নিজের ডায়েট বেছে নিন।

  • দিনে কতগুলো ডিম খওয়া হৃদ রোগের কারণ হতে পারে?

    News Bazar24: ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো কিনা এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বহুদিন ধরেই বিতঅসু করে আসছেন। আমেরিকান মেডিক্যাল জার্নাল জে এ এম এ-র প্রকাশিত এক জরিপ রিপোর্টে বলা হচ্ছে, প্রতিদিন মাত্র দুটি ডিম খেলেই হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হয়, এবং অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। এতে বলা হয়, আসলে ডিম খাওয়াটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো কিনা – তা হয়তো নির্ভর করে আপনি কতগুলো ডিম খাচ্ছেন তার ওপর। ডিম নিয়ে এ উদ্বেগের কারণ হচ্ছে: ডিমের কুসুমে থাকে বিপুল পরিমাণ কোলেস্টেরল। একটি বড় আকারের ডিমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১৮৫ মিলিগ্রাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে মানুষের খাদ্যে দিনে সর্বোচ্চ ৩০০ মিলিগ্রামের বেশি কোলেস্টেরল থাকা উচিত নয়। অথচ এর অর্ধেকেরও বেশি কোলেস্টেরল আছে একটি মাত্র ডিমে। ঝুঁকি আসলে কতটা? এ জরিপে মোট ৬টি পরীক্ষার উপাত্ত ব্যবহৃত হয়েছে – যা ১৭ বছর ধরে ৩০ হাজার অংশগ্রহণকারীর কাছ থেকে সংগ্রহ করা। গবেষকরা এর পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে – খাবারের সাথে দিনে ৩০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল গ্রহণ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে ১৭ শতাংশ, আর অকালমৃত্যুর সম্ভাবনা বাড়ে ১৮ শতাংশ। বিশেষ করে ডিমের ক্ষেত্রে গবেষকরা দেখতে পান যে প্রতি দিন তিন থেকে চারটি ডিম খাবার সাথে হৃদরোগের ৬ শতাংশ বাড়তি ঝুঁকি এবং অকালমৃত্যুর ৮ শতাংশ বাড়তি ঝুঁকির সম্পর্ক আছে। তবে এর মধ্যে বেশ কিছু ‘যদি’ আছে জরিপটি বলছে, হৃদরোগ বা অকালমৃত্যুর সাথে ডিমের এই সম্পর্কের সাথে বয়স, ফিটনেসের স্তর, তামাক ব্যবহার, বা উচ্চ রক্তচাপের মতোআগে থেকে বিদ্যমান কোন স্বাস্থ্য সমস্যার সম্পর্ক নেই। “আমাদের জরিপে দেখা গেছে যে দুজন লোক যদি হুবহু একই খাবার খায়, এবং একজনের ক্ষেত্রে শুধু ডিমের পরিমাণটিই আলাদা হয় – তাহলে এ লোকটির হৃদযন্ত্রের সমস্যার ঝুঁকি বেশি হবে” – এ কথা বলছেন জরিপ রিপোর্টটির অন্যতম প্রণেতা, এবং নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক নোরিনা এ্যালেন। ‘আগেকার গবেষণার সাথে এ ফলাফল মিলছে না’ এর আগের গবেষণায় বলা হয়েছিল, ডিম খাওয়া এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ার মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু নতুন এই গবেষণার সাথে সেসব ফলাফল মিলছে না। নোরিনা এ্যালেন বলছে, আগেকার জরিপগুলোতে নমুনার বৈচিত্র্য কম ছিল এবং অংশগ্রহণকারীদের ওপর নজর রাখা হয়েছিল কম সময় ধরে। তবে এই গবেষকরাও স্বীকার করছেন যে তাদের জরিপ পদ্ধতি বা বিশ্লেষণেও ভুল থাকতে পারে। কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন, নতুন এ গবেষণার ফল ‘পর্যবেক্ষণমূলক’ – তারা ইঙ্গিত করছেন যে ডিম খাওয়ার সাথে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক থাকতে পারে – কিন্তু ‘একটার কারণেই যে অন্যটা হচ্ছে’ তা প্রমাণ করতে পারেননি। তাহলে এবার বলুন, দিনে ক’টা ডিম খাওয়া যাবে? কতগুলো ডিম খাওয়া নিরাপদ – এ প্রশ্ন করা হলে নোরিনা এ্যালেন বলছেন, সপ্তাহে তিনটির বেশি নয়। তিনি আরো বলেন, “আমি ডিম খাওয়া একেবারে বাদ দিতে বলছি না, শুধু কমাতে বলছি – এবং কুসুম বাদ দিয়ে প্রধানত ডিমের শ্বেতাংশটাই খেতে বলছি।” এক জরিপে বলা হয়, একজন আমেরিকান বছরে গড়ে ২৫২টি ডিম খায়। সেদেশে ২০ শতাংশ মৃত্যু হয় হৃদরোগের কারণে। কিন্তু জাপানে এক জন লোক বছরে গড়ে ৩২৮টি ডিম খায়, কিন্তু সেখানে হৃদরোগে মৃত্যু হয় মাত্র ১১ শতাংশ লোকের।

  • যেসব গাছ লাগালে, মশা পালাবে এলাকা ছেড়ে! জেনে নিন

    newsbazar24: একটু একটু করে প্রতিদিনই চড়ছে তাপমাত্রার পারদ! গরম বাড়তেই ফের বেড়েছে মশার উপদ্রব। তাই মশা তাড়ানোর ধূপ, তেলের বিক্রি বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু মশা তাড়ানোর বাজার চলতি ওই সব ধূপ, তেলের রাসায়নিক যুক্ত ধোঁয়া মশা তাড়ায় ঠিকই, তবে তা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যেও মারাত্মক ক্ষতিকর! রাসায়নিক যুক্ত এই ধোঁয়ার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আমাদের শ্বাসযন্ত্র।ভাবছেন, তাহলে কি সারাদিন মশারি টাঙিয়ে তার মধ্যে ঢুকে বসে থাকবেন? মোটেই না! এমন বেশ কয়েকটি গাছ আছে, যেগুলির গন্ধ মশা মোটেই সহ্য করতে পারে না। ওই গাছগুলি যদি বাড়ির আশেপাশে লাগানো যায়, তাহলে তার গন্ধের চোটে এলাকা ছেড়ে পালাবে মশার দল! আসুন এ বার জেনে নেওয়া যাক কোন কোন গাছ লাগালে মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব- ১) গাঁদা ফুলের গন্ধে শুধু মশা নয়, যে কোনও পোকা-মাকড়ই এর ধারে কাছে ঘেঁষে না। তাই বাড়ির চারপাশে গাঁদা গাছ লাগান। দূরে থাকবে মশা, মাছি, পোকা-মাকড়। একই সঙ্গে বাড়বে বাড়ির শোভাও! ২) তুলসির একাধিক স্বাস্থ্য ও আয়ুর্বেদিক গুণের আমরা অনেকেই জানি। তুলসি গাছ পরিবেশকে জীবাণুমুক্ত, বিশুদ্ধ রাখতে সাহায্য করে। তুলসির গন্ধ মশা, মাছি, পোকা-মাকড়কে দূরে রাখে। তাই বাড়িতে টবে হলেও তুলসি গাছ লাগান। ৩) লেবু পাতার গন্ধ মশা, মাছি একেবারেই সহ্য করতে পারে না। তাই মশা তাড়াতে বাড়িতে লেবু গাছ লাগাতে পারেন। ৪) রসুন শুধু রান্নায় স্বাদ বাড়ায় না, একই সঙ্গে দ্রুত ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। কিন্তু জানেন কি, বাড়িতে রসুন গাছ লাগালে মশার উপদ্রব থেকেও সহজে মুক্তি পাওয়া যায়! বিশ্বাস না হলে বাড়িতে রসুন গাছ লাগান আর ফল পান হাতেনাতে।    

  • খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখুন মিষ্টি কুমড়া, ক্যানসার ছাড়াও আটকাবে অনেক রোগ

    পারমিতা দাস: খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে। পারে ক্যান্সার রোগকে আটকাতে। নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ো খেলে মানব শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে না বলেই জানা গেছে , কেননাটি কুমড়া এমন একটি সবজি, যার রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ। তাই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মিষ্টি কুমড়া ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে। আর্টারির দেয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে মিষ্টি কুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদরোগও প্রতিরোধ করা যায়। চকচকে উজ্জ্বল চুল ও সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন। পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে অক্টোবরের শেষে মিষ্টি কুমড়ার চাহিদা থাকে ভীষণ। কারণ মিষ্টি কুমড়া বা Pumpkin দিয়ে তৈরি করা হয় হ্যালোইনের বিশেষ বাতি। সবজি হিসেবেও এর অবদান কম নয়। মিষ্টি কুমড়ার মতো সুস্বাদু সবজি খুব কমই রয়েছে। হালকা মিষ্টি স্বাদের এই সবজিটি পাওয়া যায় সারা বছর জুড়ে। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ার উপস্থিতি আপনাকে রাখতে পারে অনেক অসুখ-বিসুখ থেকে দূরে। কেননা মিষ্টি কুমড়া এমন একটি সবজি, যার রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ। শুধু তরকারি হিসেবেই নয়, অন্যান্য ফলের মতো মিষ্টি কুমড়া ব্যবহার করতে পারেন সালাদ বা স্যুপ তৈরিতেও। জেনে নিন মিষ্টি কুমড়ার কিছু উপকারিতা। এবং চেষ্টা করুন নিয়মিত মিষ্টি কুমড়ো খেতে। ১)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। বিটাক্যারোটিন সমৃদ্ধ এই সবজিটি তাই চোখের জন্য খুবই ভালো। বয়সজনিত রোগ বিশেষ করে রেটিনার বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শুধু চোখের অসুখ নয়, ভিটামিন এ-এর অভাবজনিত অন্যান্য রোগেও মিষ্টি কুমড়া উপকারী। ২)গাজরের তুলনায় মিষ্টি কুমড়াতে অধিক পরিমাণে বিটাক্যারোটিন। গাজরে যেখানে ১৩ মিলিগ্রাম বিটাক্যারোটিন রয়েছে, মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে ৩৩ মিলিগ্রাম বিটাক্যারোটিন। বিটাক্যারোটিন এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। শরীরের ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন দূষণ, স্ট্রেস ও খাবারে যে সব কেমিক্যাল ও ক্ষতিকর উপাদান থাকে সেগুলোর কারণে ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ হতে শুরু করে। ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজের ফলে শরীরের ভালো কোষগুলো নষ্ট হতে শুরু করে এবং খারাপ কোষের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। সবুজ, কমলা, হলুদ রঙের সবজিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি পরিমাণে থাকে। তাই মিষ্টি কুমড়া ফ্রি রেডিকাল ড্যামেজ প্রতিরোধ করতে পারে। ৩)অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মিষ্টি কুমড়া ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে। আর্টারির দেয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে মিষ্টি কুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদরোগও প্রতিরোধ করা যায়। ৪)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে সর্দি-কাশি, ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। মিষ্টি কুমড়ার ভিটামিন এ ও সি চুল ও ত্বক ভালো রাখে। তাই চকচকে উজ্জ্বল চুল ও সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খেতে পারেন। ৫)মিষ্টি কুমড়াতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। তাছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম যা হাইপারটেনশন এবং হৃদরোগ দূরে রাখে। এছাড়া মিষ্টি কুমড়ার বিভিন্ন উপাদান। ইউরিনেশনের সমস্যা কমায় ও কিডনিতে পাথর হতে বাধা প্রদান করে। ৬)মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় তা সহজেই হজম হয়। হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে মিষ্টি কুমড়ার জুড়ি নেই। ৭)মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিংক ও আলফা হাইড্রোক্সাইড। জিংক ইমিউনিটি সিস্টেম ভালো রাখে ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়া বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও মিষ্টি কুমড়া সাহায্য করে। শুধু তরকারি হিসেবেই নয়, অন্যান্য ফলের মতো মিষ্টি কুমড়া ব্যবহার করতে পারেন সালাদ বা স্যুপ তৈরিতেও। এক কথায়  মিষ্টি কুমড়া সম্পর্কে বলতে গেলে সস্তার সবজি মিষ্টি কুমড়া ১২ মাস পাওয়া যায়। আর এর রেসিপি ও অনেক। নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও বেড়ে ওঠে।