ডক্টর বলছে..

  • জ্বর নিয়ে হাজার মতামত ! জেনেনিন জ্বর হলে আপনার করনীয় কি?

    News bazar24: রাজ্য জুড়ে ভাইরাল জ্বরের কবলে অসংখ্য মানুষ। জ্বর নিয়ে মানুষের মধ্যে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। বেশ কিছু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান মানুষের অনভিজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে লুটে চলেছে পয়শা। অথচ একটু সচেতন হলেই মানুষ জানতে পারবেন জ্বরের প্রকার ভেদ ও লক্ষ্মণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক জ্বর নিয়ে নানা তথ্য আমাদের জানালেন  ডা: সূর্য কান্ত ত্রিপাঠী।     চিকেন পক্সের লক্ষণ, চিকিৎসা, প্রতিকার জীবানুঃ ভ্যারিসেলা জোস্টার নামক ভাইরাস। বিবরণঃ খুব ছোয়াচে একটি রোগ, মূলত শিশুরাই এর আক্রমনের শিকার হয় তবে বয়স্করাও এর হাত থেকে নিরাপদ নয়। লক্ষনঃ সাধারণত আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সংষ্পর্শে এলে ২-৩ সপ্তাহ পরে এই রোগের লক্ষন দেখা দেয়। প্রথম দিকে হঠাৎ করেই জ্বর আসে, পিঠের পিছনের দিকে ব্যথা হয় এবং গা ম্যাজ ম্যাজ করে। জর আসার ১ অথবা ২ দিন পর প্রথমে শরীরের উপরের অংশে এবং পরে মুখ ও হাতে পায়ে ফুস্কুরির মতো গোটা উঠে। ১ দিনের মধ্যেই এটা পেকে যায় বা এতে পুঁজ জমে। অল্প কিছু দিনেই এটা শুকিয়ে চল্টা পড়ে। জটিলতাঃ অনেক সময় এর জটিলতা হিসাবে                নিউমোনিয়া, এনকেফেলাইটিস, গ্লুমেরুলোনেফ্রাইটিস সহ ইত্যাদি রোগ হতে পারে। চিকিৎসাঃ শিশুদের লক্ষন উপশম ব্যতিত তেমন কোন চিকিৎসার প্রয়জন নেই। তবে ফুস্কুরিতে ইনফেকশন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়টিক খেতে হতে পারে। যেসব রোগীর রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কম অথবা যাদের বয়স বেশী কিংবা রোগের তীব্রতা বেশী তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিভাইরাল (এসাইক্লোভির) খেতে হতে পারে। টাইফয়েড টাইফয়েড রোগের জীবাণু হলো সালমোনেলা টাইফি (প্যারা টাইফয়েডের-সালমনেলা প্যারা টাইফি)। লক্ষণঃ প্রথমে অল্প মাত্রার জর হলেও এর তীব্রতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং ৪ -৫ দিন পর তা অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় পৌছে। এর সাথে মাথা ব্যথা, শরীর ও হাতে পায়ে ব্যথা সহ গা ম্যাজ ম্যাজ করা ভাব ও থাকে। পরীক্ষাঃ ব্লাড কালচার এর নির্দিষ্ট পরীক্ষা, এ ছাড়া ভিডাল (widal) টেষ্ট দ্বারাও এরোগ নির্ণয় করা যায় । চিকিৎসাঃ ব্লাড কালচার এর ফলাফল অনুযায়ী অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিক সেবন করতে অথবা শিরায় গ্রহন করতে হয়। সাবধাণতাঃ চিকিৎসা না নিলে এ রোগের জটিলতা হিসাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।      কালাজ্বর কালাজ্বরের কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা হিন্দি দুটি শব্দ কালা এবং আজর থেকে কালাজ্বর শব্দটি এসেছে। কালা অর্থ কাল এবং আজর শব্দের অর্থ ব্যাধি। তাই যে অসুখে ভুগলে শরীর কালো হয়ে যায় তাকে কালাজ্বর বলে। লিশমেনিয়া ডোনোভানি জাতীয় প্রটোজোয়া যা স্যান্ড ফ্লাই দাড়া মানুষে সংক্রমিত হয়। লক্ষনঃ প্রথমে অল্প মাত্রার জর থাকলেও পরবর্তীতে তা তীব্র মাত্রা ধারণ করে এবং নিয়মিত বিরতিতে আসা যাওয়া করে। ধীরে ধীরে মুখের রঙ কালচে হয়ে যাওয়া সেই সাথে কাশি এবং ডায়রিয়া ও থাকতে পারে। পরীক্ষাঃ অস্থি মজ্জা থেকে স্মেয়ার নিয়ে জীবানু সনাক্ত করা হয়, লিম্ফ নোড, লিভার বা প্লিহা (spleen) থেকেও স্মেয়ার নেয়া যায়, এসব কালচার করেও জীবানু নিশ্চিত করা যায়। রক্ত (সেরোলোজিকাল) পরীক্ষার মাধ্যমে ও এই রোগ নির্ণয় (৯৫%) করা যায়। চিকিৎসাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সোডিয়াম স্টিলবোগ্লুকোনেট নামক ঔষধ শিরায় প্রয়োগ করতে হয়।              ইনফ্লুয়েঞ্জা ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু) এর কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এ অথবা বি মানব দেহে এই রোগ করে থাকে। লক্ষনঃ কাপুনি দিয়ে জর, সমস্ত শরীর ও হাতে পায়ে ব্যথা, তীব্র মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা এবং শুকনো কাশি এই রোগের লক্ষন হিসাবে পরিচিত। পরীক্ষাঃ তেমন কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়না তবে সি,এফ,টি পরীক্ষাটি করে অনেক সময় রোগ নির্ণয় করা হয়। চিকিৎসাঃ বিশ্রাম নেয়া সেই সাথে জর উপশমের জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষুধ খেলে এই রোগ এমনিতেই ভালো হয়ে যায়, তবে সাথে অন্য ইনফেকশন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক সেবন করতে হয়। জটিলতাঃ এ রোগের জটিলতা হিসাবে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন, নিউমনিয়া সহ অন্যান্য রোগ দেখা দিতে পারে।       ম্যালেরিয়া ম্যালেরিয়া জ্বরের কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা প্লাজমোডিয়াম, ফেলসিপেরাম*, ভাইভক্স, ওভালে অথবা ম্যালেরি এর যেকোনো একটি জীবানু বহনকারী মশার দংশন থেকে এ রোগ হয়। লক্ষনঃ খুব উচ্চ তাপমাত্রায় (চল্লিশ ডিগ্রি ফাঃ পর্যন্ত) কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা এবং তা ঘাম দিয়ে ছেড়ে যাওয়া। জ্বর আসা যাওয়া নিয়মিত ও নির্দিষ্ট বিরতিতে (যেমন ১ দিন পর পর ৩-৪ ঘন্টা দীর্ঘ) হতে পারে তবে এটা ঠিক কোন জীবানু টি আক্রমণ করেছে তার উপর নির্ভরশীল। পরীক্ষাঃ রক্তের ব্লাড ফিল্ম নামক পরীক্ষাটি দ্বারা জীবানু নিশ্চিত করা যায়। চিকিৎসাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্লোরোকুইন, কুইনাইন, ফেন্সিডার ইত্যাদি নির্দিষ্ট নিয়মে সেবন করতে হয়। জটিলতাঃ রক্ত শুন্যতা, প্লিহা (Spleen) বড় হয়ে যাওয়া, কোমা সহ মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। প্রতিরোধঃ কোনো অঞ্চলে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব থাকলে সে স্থানে যাবার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কলোরোকুইন বা প্রগুয়ানিল জাতীয় ঔষধে এ রোগের প্রকোপ থেকে বাচা যায়।               ডেংগু / ডেঙ্গী জ্বরের কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা দুই ধরণের ডেঙ্গু রোগ লক্ষ্য করা যায়, ক্লাসিকাল ডেংগু ও হেমোরেজিক ডেংগু। ক্লাসিকাল ডেংগু রোগ হলে হঠাৎ করে তীব্র জর, মাথা ব্যাথা, তীব্র শরীর ব্যাথা সেই সাথে rash উঠতে পারে, যা প্রথমে পায়ে এবং পরে বুকে এবং পিঠের দিকে ছড়ায়। সাধারণত ৩-৪ দিন পর জর চলে যায় এবং পরে তা আবার অল্প মাত্রায় আসতে পারে। হেমোরেজিক ডেংগু হলো দুই ধরণের ডেঙ্গুর সবচেয়ে খারাপ ধরণ টি। সাধারণত একই রোগীর দ্বিতীয় বার ডেংগু জর হলে এমনটি হয় বলে ধরে নেয়া হয়। রোগটি শুরু হয় অল্প মাত্রার জর দিয়ে এবং শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়। এ রোগ হলে হঠাৎ করেই রোগী শক এ চলে যেতে পারে এবং ত্বক, কান, নাক এমনকি পায়ুপথ দিয়ে রক্তপাত শুরু হতে পারে। এই ধরনের ডেংগু জরে রোগীর মৃত্যুর হার বেশী। পরীক্ষাঃ বিভিন্ন পরীক্ষার (নিউট্রালাইজেশন, সিএফটি, হিমাগ্লুটিনেশন) মাধ্যমে রক্তে ডেংগুর এন্টিবডি দেখে এই রোগ শনাক্ত করা হয়। রক্তে প্লাটেলেট কমে যায় বলে বার বার প্লাটেলেট কাউন্ট ও এস,জি,পি,টি পরীক্ষা সহ অন্য পরীক্ষাও করা হয়ে থাকে। চিকিৎসাঃ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি হয়েই এই রোগের চিকিৎসা নেয়া উচিত। এর পরেও কোনো সমস্যা হলে আপনার নিকটতম স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। জ্বর সংক্রান্ত যে কোনো পরীক্ষা বিনামূল্যে করা হয়। আপনি খবরটি পড়লেন newsbazar24 এ।  

  • সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই করা উচিত নয়।

    news bazar24:সাপে কামড়ালে অধিকাংশ মানুষেরই যে ভয় পেয়ে মৃত্যু হয়, এই তথ্য হয়তো অনেকেরই জানা। প্রচলিত কিছু ধারণা, কুসংস্কারের বশে অনেকেই সাপের কামড়ে আক্রান্তের উপরে এমন কিছু টোটকা প্রয়োগ করেন, যাতে হিতে বিপরীত হয়। কিন্তু সাপের কামড়ালে ভয় না পাওয়াটা যেমন জরুরি, তেমনই সাপের কামড়ানোর পরে সঠিক পদক্ষেপগুলি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই করা উচিত নয়।শরীরের যে অংশে সাপ কামড়েছে, সেই জায়গাটি বেশি নড়াচড়া করাবেন না। আক্রান্তকে হাঁটাচলাও করতে দেবেন না। বেশি হাঁটাচলার ফলে মাংসপেশিতে টান পড়ে বিষ দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।সাপে কামড়ানোর পরে কখনওই কোনও ব্যথা কমানোর ওষুধ (পেইন কিলার) আক্রান্তকে খাওয়াবেন না। এর ফলে আক্রান্তের শরীরের প্রকৃত অবস্থা বোঝা কঠিন হবে। অনেক সময় আক্রান্তের যন্ত্রণা আরও বেড়ে যেতে পারে।যেখানে সাপে কামড়েছে, তার আশেপাশে কখনওই চিড়ে বা কেটে দেবেন না। এমন করলে উল্টে রক্তে দ্বিগুণ গতিতে সাপের বিষ ছড়িয়ে পড়ে। যার প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কেও। এর ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।। সাপে কামড়ালে আক্রান্তকে দ্রুত নিয়ে যান হাসপাতালে।যাঁকে সাপে কামড়েছে, তাঁকে কখনওই কাত করে শোয়াবেন না। সব সময়ে সোজা করে শোওয়াবেন। ঠিক যে ভাবে স্ট্রেচারের উপরে শোওয়ানো হয়।

  • দুধ নিঃসন্দেহে একটি সুপারফুড

    ডেস্কঃ (I.D). ১০ মার্চ ২০১৮ঃ-  সমস্ত বয়সের মানুষের জন্য দুধ উপকারী। দুধে এমন কিছু উপদান থাকে, যা শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। দুধ নিঃসন্দেহে একটি সুপারফুড। সম্প্রতি ফুড সায়েন্স এবং নিউট্রিশন জার্নালে একটি তথ্য প্রকাশ হয়েছে, যে সমস্ত গরু শুধুমাত্র ঘাস খায়, সেই গরুর দুধ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। ঘাস খাওয়া গরুর দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ওমেগা থ্রি, যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরের উপকারের জন্য ওমেগা সিক্স এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড খুবই প্রয়োজনীয় দুটি উপাদান। তবে, প্রচুর পরিমাণে ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড এবং খুব কম পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। পাশাপাশি ওবেসিটি এবং ডায়াবিটিসের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। তাই গবেষকরা পরামর্শ দিচ্ছেন শুধুমাত্র ঘাস খায় এমন গরুর দুধ খেতে। কারণ, একমাত্র ঘাস খাওয়া গরুর দুধেই রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এবং এই দুধ আমাদের শরীরে ওমেগা সিক্স এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে। এর ফলে হৃদরোগ সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

  • ওজন কমছে না কিছুতেই,ওজন কমাতে খাবার খান ধীরে সুস্থে

    ডেস্কঃ(I.D). ০৯ মার্চ ২০১৮ঃ-ওজন কমানো এত সহজ কাজ নয়। তার জন্য দরকার কঠিন পরিশ্রম, নিয়ম মেনে চলা, ডেডিকেশন, নিজের উপর সংযম। এ সব মেনে না চললে অনেক চেষ্টা করেও কিছুতেই ওজন কমাতে পারবেন না। সম্প্রতি গবেষকরা জানাচ্ছেন, ওজন কমানোর জন্য শুধু সঠিক ডায়েট মেনে খাবার খেলেই চলবে না। খাবার খেতে হবে ধীরে ধীরে। তাড়াতাড়ি খাওয়া চলবে না একেবারেই।ওজন কমানোর উপর জাপানের কিউসু বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সমীক্ষা চালানো হয়। যেখানে ৬০ হাজার মানুষের খাওয়ার ধরন, তাঁদের ওজন বাড়া-কমার দিকে নজর দেওয়া হয়। সমীক্ষায় ৬০ হাজার মানুষকে ২টি দলে ভাগ করে দেওয়া হয়। প্রথম দলের ব্যক্তিরা তাড়াতাড়ি খাবার খান। দ্বিতীয় দলের ব্যক্তিরা ধীরে ধীরে। সমীক্ষা শেষে দেখা যায়, যাঁরা খাবার ধীরে ধীরে খেয়েছিলেন, তাঁদের ওজন কমেছে, তাড়াতাড়ি খাবার খাওয়া লোকেদের তুলনায়। তাঁদের মধ্যে শুধু ওবেসিটির মাত্রাই কমে গিয়েছে, তাই নয়, শারীরিক অসুস্থতার মাত্রাও কমে গিয়েছে। চিকিত্‌সকরা জানাচ্ছেন, ধীরে ধীরে খাবার চিবিয়ে খেলে পাকস্থলী সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। চিবিয়ে খাওয়ার সময়ে আমাদের শরীর থেকে অনেক উপকারী হরমোন নির্গত হয়। তাড়াতাড়ি গিলে খেলে যা সম্ভব হয় না। তাই ওজন কমাতে হলে শুধু ডায়েট মেনে খাবার খেলেই চলবে না, খেতে হবে ধীরে সুস্থে।

  • কোষ্ঠকাঠিন্য হলে এই খাবারগুলো একদম খাবেন না

    ডেস্কঃ(I.D).২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ঃ- অনিয়মিত জীবন-যাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুডের কারণে বহু মানুষ কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যায় ভোগেন। একবার কোষ্ঠকাঠিন্য হলে অনেক নিয়ম মানা প্রয়োজন। জেনে নিন কোন কোন খাবার একেবারেই খাওয়া উচিত্‌ নয় এই সময়ে। ১) প্রচুর পরিমানে ফ্যাট থাকার কারণে অতিরিক্ত ভাজাভুজি খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত্‌ নয় এই সময়ে। কারণ, এই ধরনের খাবার হজম হতে অনেক সময় নেয়। ২) ভাতে প্রচুর পরিমানে কার্বোহাইড্রেট থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্যর সময়ে সাদা ভাত খাওয়া একেবারেই উচিত্‌ নয়। বরং এই সময়ে ব্রাউন রাইস খাওয়া উপকারী। ৩) অ্যালকোহলের কারণে আমাদের শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যায়। এর ফলে মাথা যন্ত্রণা এবং মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ডিহাইড্রেশন এবং কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা অ্যালকোহল বর্জন করুন। পরিবর্তে প্রচুর পরিমানে জল খান। ৪) চিপস খেতে যতই ভালো লাগুক না কেন, কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যায় চিপস শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

  • ঘুমের সমস্যা ? তাড়াতাড়ি ঘুমানোর যদি কোন উপায় থাকে, তাহলে কেমন হয়?

    ডেস্ক ;২০ ফেব্রুয়ারী -বহু মানুষ ঘুম না হওয়ার সমস্যায় ভোগেন। হাজার রকম পদ্ধতি অবলম্বন করেও কোনও উপকার পান না। কিন্তু তাড়াতাড়ি ঘুমানোর যদি কোন উপায় থাকে, তাহলে কোমন হয়?সম্প্রতি বেলর ইউনিভার্সিটির গবেষক ড. মিশেল স্কালিন একটি পরীক্ষা করেন। সেই পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি তাড়াতাড়ি ঘুম আসার উপায় খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি। কিন্তু কেমন ছিল ড. স্কালিনের পরীক্ষা পদ্ধতি?প্রথমে, ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সী ৫৭ জন প্রাপ্ত বয়ষ্ক ব্যক্তিকে দুটি দলে বিভক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর দু'টি দলকেই ড. স্কালিন তাঁর ল্যাবরেটরিতে ঘুমাতে বলেন। প্রথম দলকে তিনি বলেন, তাঁরা যেন তাঁদের শেষ করে ফেলা কাজগুলোর কথা লিখে ফেলেন। দ্বিতীয় দলকে বলা হয়, আগামিতে যে যে কাজ তাঁরা করতে চান, সেগুলো লিখে ফেলতে।পরীক্ষায় দেখা যায়, যাঁরা শেষ করা কাজ লিখছিলেন, তাঁদের তুলনায় ৯ মিনিট আগে ঘুমিয়ে পড়েছেন যাঁরা আগামিতে কী কী কাজ করবেন, সেগুলো লিখেছিলেন। তাই পরীক্ষা শেষে ড. মিশেল স্কালিনের পরামর্শ, আপনি যদি তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়তে চান, তাহলে আগামিতে কোন কোন কাজ করতে চান, সেগুলো লিখতে থাকুন।

  • শিশুদের জন্মগত ককলিয়া জনিত সমস্যা সম্পর্কে সেমিনার

    ডেস্ক ঃ জন্মগত ককলিয়া জনিত সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে রবিবার একটি সেমিনার আয়োজিত হতে চলেছে দক্ষিণ কলকাতায়। সেখানে হাজির থাকবেন শহরের নামজাদা নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞরা। ডেসিবেল হিয়ারিং ক্লিনিক নামে ওই সংস্থার দাবি, গত ১৮ বছরে ভারতে চল্লিশ হাজারের বেশি ককলিয়া প্রতিস্থাপন করে বধির শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরানো গিয়েছে। বিশ্বজুড়ে সংখ্যাটা প্রায় ৫ লক্ষ। ডেসিবেল হিয়ারিং ক্লিনিক নামে ওই সংস্থার শিবিরে রবিবার থাকবেন চিকিত্সক রবিনকুমার রায়চৌধুরী, অমিতাভ রায়চৌধুরী, এনভিকে মোহন, জয়তী সেনগুপ্ত, মানবেন্দ্র নারায়ণ ভট্টাচার্য ও কৃত্তিকা আয়াঙ্গার। 

  • শিশুদের জন্মগত ককলিয়া জনিত সমস্যা সম্পর্কে সেমিনার

    ডেস্ক ঃ জন্মগত ককলিয়া জনিত সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে রবিবার একটি সেমিনার আয়োজিত হতে চলেছে দক্ষিণ কলকাতায়। সেখানে হাজির থাকবেন শহরের নামজাদা নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞরা। ডেসিবেল হিয়ারিং ক্লিনিক নামে ওই সংস্থার দাবি, গত ১৮ বছরে ভারতে চল্লিশ হাজারের বেশি ককলিয়া প্রতিস্থাপন করে বধির শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরানো গিয়েছে। বিশ্বজুড়ে সংখ্যাটা প্রায় ৫ লক্ষ। ডেসিবেল হিয়ারিং ক্লিনিক নামে ওই সংস্থার শিবিরে রবিবার থাকবেন চিকিত্সক রবিনকুমার রায়চৌধুরী, অমিতাভ রায়চৌধুরী, এনভিকে মোহন, জয়তী সেনগুপ্ত, মানবেন্দ্র নারায়ণ ভট্টাচার্য ও কৃত্তিকা আয়াঙ্গার। 

  • চিনির বদলে পাতে রাখুন গুড়। রান্নাতেও গুড়, রুটি দিয়েও গুড়।

    ডেস্ক ঃ রান্নায় চিনি, রুটিতেও চিনি? উল্টে দিন। চিনির বদলে পাতে রাখুন গুড়। রান্নাতেও গুড়, রুটি দিয়েও গুড়। গুড়ের অঢেল গুণ। মার গুড় দিয়ে রুটি চিনি দিয়ে চা....। সিনেমার পর্দায় ফাটাফাটি ডায়ালগ। জিতের মুখে শুধু নয়, রক বা চায়ের দোকানে এ ডায়ালগ শুনে চায়ের ভাঁড়ে বা গ্লাসে কখনও চা চলকে ওঠেনি, এমনটা হওয়ার কথা নয়। চিনি না গুড়, বিতর্ক চিরকালের। শীতের ব্রেকফাস্টে চিনি দিয়ে রুটি খাবেন নাকি নলেন গুড়ে ডুবিয়ে, তা ঠিক করবেন খাদ্যরসিকই। তবে, সতর্ক থাকতে হবেই। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু চিনি ছাড়া কি চা চলে? চিনির চেহারা ভদ্রলোকের মতো শুভ্র ও পবিত্র। আর গুড়ের চেহারায় কোনও কৌলীন্য নেই। তাই গুড়ের চেয়ে চিনিই বেশি সমাদৃত। চিনি তৈরি হয় আখের রস থেকে। আর গুড় হয় সাধারণ আখের রস বা খেজুর রস জ্বাল দিয়ে। চিনিতে রয়েছে সুক্রোজ নামে শর্করা। আর গুড়ে সুক্রোজের সঙ্গে থাকে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লোহা। সেই সঙ্গে সামান্য প্রোটিনও থাকে গুড়ে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, উপকারের প্রশ্ন উঠলে এগিয়ে থাকবে গুড়। চিনির চেয়ে কেন এগিয়ে গুড়? কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ। শরীরে হজমের এনজাইমের কার্যকারিতা বেড়ে যায় গুড় খেলে। যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাঁরা লাঞ্চ বা ডিনারের ২০ মিনিট পর অল্প গুড় খেয়ে নিতে পারেন। অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। গুড়ে রয়েছে প্রচুর আয়রন। ফলে, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। লিভার পরিষ্কার রাখে। ১৫দিন অন্তর অল্প পরিমাণ গুড়। শরীরের থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বের করে দেয়। ফ্লু সারায় গুড়। কাশি, ঠান্ডা লেগে নাক দিয়ে জল পড়া, মাইগ্রেন, পেট ফাঁপার মতো রোগে উপকারি গুড়। হালকা গরম জলে অল্প গুড় মিশিয়ে সেই জল খেলে উপকার। বা চায়ে চিনির বদলে গুড় দিয়ে খেলে উপকার। প্রি-মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম কমায়। পিরিয়ডসের আগে অল্প পরিমাণ গুড়। এন্ড্রোফাইন বা হ্যাপি হরমোন বেরিয়ে শরীরকে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গুড়ে থাকে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, জিঙ্ক আর সেলেনিয়ামের মতো মিনারেল। ফলে, শরীরে ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ রোধ করে। এ ছাড়া বিভিন্ন ইনফেকশন থেকে লড়াই করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।   তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, গুড়ে থাকে প্রচুর ক্যালরি। তাই যাঁদের ডায়াবেটিস আছে বা যাঁরা ওজন কমাচ্ছেন, তাঁদের গুড় না খাওয়াই ভাল।

  • হার্ট অ্যাটাকের প্রথম লক্ষণগুলো কী কী? জেনে নিন এখনই

    ডেস্ক ঃ বুকের বাঁদিকে হালকা ব্যথা, কাঁধ, ঘাড়, সারা শরীরে ব্যথা এবং অস্বস্তি...এমন উপসর্গ হতে হতেই হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। এতদিন পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাকের এই সমস্ত লক্ষণগুলোই জানা ছিল আমাদের। কিন্তু সম্প্রতি গবেষণায় জানা গিয়েছে, হার্ট অ্যাটাক হওয়ার বেশ কিছুক্ষণ আগে থেকেই বিভিন্ন লক্ষণ দেখা যায়। গবেষণায় জানা যাচ্ছে, কোনওরকম শারীরিক কসরত্‌ ছাড়াই হঠাত্‌ করে ঘেমে যাওয়াও হার্ট অ্যাটাকেরই লক্ষণ। যে লক্ষণটা আমরা সবথেকে বেশি এড়িয়ে যাই, তা হল, মহিলাদের ক্ষেত্রে মেনোপজের কারণেও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। যাঁদের ধূমপানের অভ্যাস রয়েছে, ডায়াবিটিসের সমস্যা রয়েছে, উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে এবং অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেশি থাকে।