ডক্টর বলছে.

  • হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠী কি বলেন, হৃরোগ সম্পর্কে ?

    News Bazar24: বিশ্বখ্যাত ভারতীয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠী। হৃরোগ সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পড়ুন এই প্রতিবেদন ১. হৃদপিন্ড আমাদের মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। একজন সাধারণ মানুষ তার নিজের হৃদযন্ত্রের যত্ন নেয়ার জন্য কী করতে পারেন? -ডায়েট: শর্করা জাতীয় খাবার কম, প্রোটিন বেশি এবং যতটা সম্ভব কম তেল। ব্যায়াম: দৈনিক জোরে আধঘন্টা করে সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন হাঁটা, লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি ব্যবহার, সম্ভব হলে নিকট দূরত্ব হেঁটে চলাচল এবং পারতপক্ষে দীর্ঘক্ষণ স্থবির বসে থাকা পরিহার করা। ধূমপান ত্যাগ করা। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে ও ডায়াবেটিস থাকলে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা ২. আমরা কি আমাদের চর্বিকে পেশিতে রুপান্তর করতে পারি? -এটা প্রচলিত ভয়ানক ধারণাগুলোর মধ্যে একটি। চর্বি চর্বিই, দেহের জন্য অত্যন্ত বাজে। পেশি আর চর্বির গঠন, টিস্যু এসব আলাদা। চর্বিকে পেশিতে রূপ দেয়ার ধারণাটি একটি মিথ্যা গুজব। ৩. একটা ব্যাপার খুবই ভয়ের যে, আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ-সবল মানুষও আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং কোনো লক্ষণ ছাড়াই। এই ব্যাপারটা আসলে কী? -হ্যাঁ, এটাকে আমরা আসলে ‘সাইলেন্ট অ্যাটাক’ বলে থাকি। আর সেজন্যই আমরা বয়স ত্রিশের বেশি এমন সবাইকে উপদেশ দিয়ে থাকি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে। ত্রিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের এটা মাথায় রাখা উচিত। ৪. অনেকেই বলে থাকেন, হৃদরোগ ব্যাপারটা বংশানুক্রমিক। আসলেই কি তা-ই? -হ্যাঁ। হৃদরোগ ব্যাপারটা বংশানুক্রমিক। ৫. হাঁটা না জগিং- কোনটা বেশি ভালো? নাকি অধিকতর তীব্র ব্যায়ামগুলো হৃদযন্ত্রের জন্য বেশি ভালো? -দুইয়ের মধ্যে সব দিক দিয়ে হাঁটাই ভালো। জগিং করলে আপনি অল্প সময়ে হাঁপিয়ে যাবেন। এছাড়াও পায়ের গোড়ালি ও হাঁটুর উপর বাজে প্রভাব পড়ে। জগিং থেকে আপনি হৃদযন্ত্রের জন্য যতটা উপকার আশা করেন হাঁটা থেকে তার সবটাই পাবেন, উল্টো এর কোনো বাজে দিক নেই। ৬. যারা নিম্ন রক্তচাপে ভোগেন, তারাও কি হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন? ব্যাপারটা খুবই বিরল বলা যায়। ৭. কোলেস্টেরল কি ছোটবেলা থেকে জমা হওয়া শুরু হয়? নাকি পরিণত বয়সে বা ত্রিশের পর জমা শুরু হয়? -না, তা নয়। কোলেস্টেরল ছোটবেলা থেকেই নালীগাত্রে জমতে থাকে, এর জন্য পরিণত বয়স লাগে না। ৮. অনিয়মিত ও বাজে খাদ্যাভ্যাস কি হৃদপিণ্ডের উপর কোনো বাজে প্রভাব ফেলে থেকে? -যদি আপনি ভাজাপোড়া জাতীয় বিভিন্ন তৈলাক্ত খাবার খান বা এগুলোকেই ‘অনিয়মিত’ বুঝিয়ে থাকেন, তবে হ্যাঁ, এগুলো আপনার হৃদযন্ত্রের উপর বাজে প্রভাব ফেলে। অন্য ডাক্তারদের মতো তাঁরও পরামর্শ জাংক ফুড বর্জন করার। ৯. ঔষুধের সাহায্য ছাড়া কীভাবে আমরা কোলেস্টেরল কমাতে পারি বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি? -আপনার খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন, সুষম খাবারে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন আর নিয়মিত হাঁটুন। খাদ্যতালিকায় বাদাম জাতীয় খাবার রাখুন। এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। ১০. খুব সোজা ভাষায় হৃদযন্ত্রের জন্য কোন খাবারগুলো ভালো আর কোনগুলো খারাপ? -ফল ও শাকসবজি হচ্ছে সবচেয়ে ভালো, আর সবচেয়ে খারাপ বলতে গেলে তেল। ১১. কোন তেল সবচেয়ে ভালো- সয়াবিন, অলিভ ওয়েল নাকি সরিষা? -সব তেলই খারাপ, বিশেষত আমরা যেভাবে খাই! ১২. নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা বলতে আসলে কী কী পরীক্ষা করাতে হবে? আপনি কি বিশেষ কিছু বলতে চান? -সাধারণ রক্ত পরীক্ষা, যেগুলোর দ্বারা আপনি বুঝতে পারবেন আপনার সুগার নিয়ন্ত্রণে কি না, ইসিজি, সামর্থ্য থাকলে ট্রেডমিল টেস্ট ও ইকোকার্ডিওগ্রাম। আর হ্যাঁ, রক্তচাপও পরিমাপ করাতে হবে। ১৩. হার্ট অ্যাটাক হলে প্রাথমিকভাবে কী করা উচিত? -ব্যক্তিকে আগে শোয়ান এবং তার জিহবার নিচে অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষুধ দিন। খুব দ্রুত নিকটস্থ কোনো করোনারি ইউনিটে নিয়ে যান। মনে রাখবেন, মোটামুটি বড় ক্ষতিটা একঘন্টার মাঝেই হয়, আর এক্ষেত্রে সময় মহামূল্যবান। তাই কোনোভাবেই সময় নষ্ট করবেন না। ১৪. আমরা হার্ট অ্যাটাকের জন্য বুকের ব্যথা আর গ্যাসের জন্য বুকের ব্যথার মধ্যে কীভাবে ফারাক করবো? -অনেক ডাক্তারের জন্যেও ব্যাপারটা কঠিন, যদিও অভিজ্ঞ ডাক্তাররা প্রায়ই সঠিক অনুমান করতে পারেন। ইসিজি ছাড়া বোঝা মুশকিল। আর তাছাড়া এটা নিজেরা না করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। ১৫. তরুণ প্রজন্মের মাঝে হৃদরোগ বাড়ছে, আপনার মতে এর কারণ কী? -আমি ৩০-৪০ বছর বয়সের অনেকের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া ও জটিল নানা জিনিস দেখি। আলসে জীবনযাত্রা, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, নেশা, ভাজাপোড়া, ফাস্ট ফুড ইত্যাদিই মূল কারণ। আপনি জেনে অবাক হবেন, আমরা জাতিগতভাবেই ইউরোপিয়ানদের চেয়ে তিনগুণ বেশি হৃদরোগের ঝুঁকিতে। ১৬. একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে কি ১২০/৮০ এর বাইরে রক্তচাপ থাকার পরেও তার সুস্থ থাকা সম্ভব? -হ্যাঁ, সম্ভব। ১৭. এটা কি সত্য যে, নিকটাত্মীয়ের মধ্যে বিবাহ হলে সেক্ষেত্রে সন্তানের হৃদরোগের ঝুঁকি থাকে? -হ্যাঁ, এটা প্রায়ই হয় এবং অবৈজ্ঞানিক কিছু না। ১৮. আমরা অনেকেই অনিয়মিত জীবনযাপন করি, রাত জাগি। এগুলো কি হৃদযন্ত্রের জন্য খারাপ? -আপনি যখন বয়সে তরুণ, প্রকৃতিই আপনাকে এসব অনিয়মিত জীবনের কুপ্রভাব থেকে আপনাকে প্রতিরক্ষা দেয়। কিন্তু যখন বয়স বাড়বে, নিজের দেহঘড়িকে সম্মান করুন ও যত্ন নিন। ১৯. উচ্চ রক্তচাপের ঔষুধের কি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে? -হ্যাঁ, প্রায় সব ঔষুধেরই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। তবে আধুনিক উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধী ঔষধগুলো বেশ নিরাপদ। ২০. অ্যাসপিরিন ও মাথাব্যথার ঔষধগুলো কি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়? -না। ২১. রাতজাগা কর্মীদের কি হৃদরোগের ঝুঁকি দিনের কর্মীদের চেয়ে বেশি হয়? -না। ২২. ডায়াবেটিস আর হার্ট অ্যাটাকের মাঝে কি কোনো যোগসূত্র আছে? -হ্যাঁ, অবশ্যই নিবিড় যোগসূত্র আছে। ডায়াবেটিস রোগীদের যাদের সুগার নিয়ন্ত্রণে নেই, তাদের ঝুঁকির মাত্রা বেশি। ২৩. ব্যস্ত সূচীর মাঝে সেভাবে হাঁটা হয় না, সেক্ষেত্রে কী করা? -সোজা ভাষায় বলি, একটানা বসে থাকবেন না। লাগলে অফিসে এক ডেস্ক থেকে অন্য ডেস্কে যান। কোনো কারণ ছাড়া অন্য ফ্লোরে সিঁড়ি দিয়ে যান। এতেও অনেক কাজ হয়। বাড়িতে টুকিটাকি কাজ করুন, এটাও ভাল। ২৪. ইয়োগা কি উপকারী? -হ্যাঁ, অবশ্যই। এটি চাপমুক্ত রাখে, যা হার্টের জন্য উপকারী। ২৫. আমাদের জীবনে নানা চাপ। নানা কারণে আমাদের হৃদযন্ত্র অত্যধিক চাপের মুখোমুখি হয়? একজন ডাক্তার হিসেবে আপনি চাপমুক্ত থাকার জন্য কি উপদেশ দেবেন? -জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো জরুরি। দেখুন, জীবনের প্রতিটা ব্যাপারই যে একদম নিখুঁত হতে হবে, সবই যে সাফল্যমন্ডিত হতে হবে- এমন তো নয়। একটু অন্য আঙ্গিকে দেখুন জীবনটাকে।

  • দোল উৎসব,উপলক্ষে হোলি খেলার আগে চর্ম বিশেষজ্ঞ ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারবাবুদের পরামর্শ মেনে চলুন

    মালদা, ২১ মার্চ : রঙের উৎসব দোল উৎসব, আর এই দোল উৎসবে যেন আনন্দ ফিকে না হয়ে যায়, তেমন কিছু পরামর্শ দিলেন চর্ম বিশেষজ্ঞ ডাঃ কপিল দেব দাস ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ মলয় সরকার।  বসন্ত উৎসব মানে রঙ আর আবিরের উৎসব। অনেক সময় কেমিক্যাল রং এর কারনে চোখে বা শরীরের চামড়ায় ক্ষতি হতে পারে। কিভাবে রং খেলবেন, কিভাবে সেই আবির বা রং থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন, কি ধরনের রং বা আবির মাখা উচিত, সমস্ত বিষয়গুলি চিকিৎসকেরা জানান। আনন্দের উৎসবে যদি কোন কারনে কোন সমস্যা দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই যেন তারা চিকিৎসক বা হাসপাতালে চিকিৎসা করাবেন। তারা এও জানান, আনন্দের এই রঙের উৎসব যেন কোন কারণে দুঃখের না হয় সেই কারণে আগাম সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

  • মধু ও আমলকি একসাথে খেলে আপনার কি কি উপকার হবে ?

    মধু ও আমলকি একসাথে খেলে আপনার কি কি উপকার হবে ? কীভাবে তৈরি করবেন মধু আমলকী একটি মাঝারি আকৃতির বয়ামে অর্ধেক পরিমাণ মধু নিন। এর মধ্যে কয়েকটি আমলকি দিন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে দিন। কিছুদিন পর দেখবেন আমলকি নরম হয়ে গেছে। এটি অনেকটা জ্যামের মতো হয়ে যাবে। মিশ্রণটি প্রতিদিন সকালে খেতে পারেন। তবে যেকোনো খাবার নিয়মিত খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এবার জেনে নিন মধু আমলকীর গুণাগুণ মধু ও আমলকি একসাথে খেলে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এটি লিভার থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। এটি লিভারের কার্যক্ষমতা ভালো করতে সাহায্য করে। বার্ধক্যের চিহ্ন প্রতিরোধ করে মধুর মধ্যে আমলকি মিশিয়ে খেলে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার গতিকে ধীর করে। এই উপকার পেতে মিশ্রণটি প্রতিদিন এক চা চামচ করে খেতে হবে। এটি বলিরেখা দূর করতেও সাহায্য করে। অ্যাজমা প্রতিরোধ করে মধুর মধ্যে আমলকি ভিজিয়ে খেলে অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস এবং অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা অনেকটাই কমে। এরমধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এটি ফুসফুস থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে এবং ফ্রি রেডিকেলস দূর করতে সাহায্য করে। এটি ফুসফুসের নালীকে সরু করে দেয় এবং অ্যাজমার আক্রমণ প্রতিরোধ করে। কফ, ঠান্ড প্রতিরোধ করে কফ, ঠান্ডা এবং গলার সংক্রমণ প্রতিরোধে এই মিশ্রণ বেশ সাহায্য করে। ঠাণ্ডার সময় এক টেবিল চামচ আমলকি ও মধুর মিশ্রণ খেলে আরাম পাওয়া যায়। এর সাথে একটু আদার রস মেশাতে পারেন। আমলকি ও মধু গলার সংক্রমণের সাথে লড়াই করে। হজমের সমস্যা সমাধানে এসিডিটি আর হজমের সমস্যা সমাধানে আমলকি ও মধু খুব ভালো উপাদান। এটি খাবার ভালোভাবে হজমে সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধেও সাহায্য করে। শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে আমলকি ও মধুর মিশ্রণ শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে এই মিশ্রণ খেলে অন্ত্র ও রক্তের বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়।

  • ব্রেস্ট ক্যান্সার “ কি করে রোধ করবেন ? জানতে হলে লিংক এ ক্লিক করুন…..

    এখন প্রচুর মানুষের এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এই সমস্যা থেকে দূরে থাকতে অনেকটাই সাহায্য করে ব্রেস্ট ম্যাসাজ। ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং মেয়েদের শরীরে প্রয়োজনীয় হরমোনের পরিমাণ বাড়ে। যা কিনা ব্রেস্ট ক্যান্সার রোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই হরমোন ব্রেস্ট ক্যান্সার হাওয়া থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে ব্রেস্টের টিস্যুগুলির পরিবর্তন হয়। যা ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে। ব্রেস্টে ব্যথা অনেকেরই ব্রেস্টে ব্যথা হয় যখন পিরিয়ড চলে। এই ব্যথা কমাতে ব্রেস্ট ম্যাসাজ করা দরকার। নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে এই ধরনের ব্যথা, অস্বস্তি কমে যায়। কিন্তু যদি খুব বেশি ব্যথা করে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। ব্রেস্ট স্যাগিং অনেকেরই ব্রেস্ট খুব অল্প বয়সেই ঝুলে যায়। এতে খুবই অস্বস্তি হয় ও বাজে দেখতে লাগে। এটি আটকাবার জন্য ব্রেস্ট ম্যাসাজ দরকার। রোজ একটু করে, বা সপ্তাহে তিনদিন করলে এই সমস্যা আটকান যায়। ব্রেস্ট ম্যাসাজ ব্রেস্টকে টাইট রাখতে বেশ সাহায্য করে। তার ফলে ব্রেস্ট ঝুলে যায় না। ব্রেস্ট শেপ অনেকেরই শরীরের বৃদ্ধি ঘটার সাথে সাথে ব্রেস্টের বৃদ্ধি সেই ভাবে ঘটে না। এর জন্য নিজের খুবই অস্বস্তি হয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ব্রেস্ট ম্যাসাজের থেকে ভালো আর কিছু হয়না। নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে ব্রেস্টে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। টিস্যুগুলির পরিবর্তন হয়। তার ফলে ধীরে ধীরে ব্রেস্ট বাড়তে থাকে। রোজ স্নানের সময় ব্রেস্ট ম্যাসাজ করলে দেখবেন আস্তে আস্তে ব্রেস্টের বৃদ্ধি ঘটছে। ডিপ্রেশন ব্রেস্ট ম্যাসাজ শুধু ব্রেস্টের বৃদ্ধি ঘটাতে, বা ব্রেস্ট ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে না, বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে, নিয়মিত ব্রেস্ট ম্যাসাজ নাকি ডিপ্রেশন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ব্রেস্ট ম্যাসাজ তিনটি এমন হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায় যা এই ডিপ্রেশনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ সাহায্য করে। এগুলি শরীরের এজিং প্রসেসকেও নিয়ন্ত্রণ করে। যেটি ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। ব্রেস্ট ম্যাসাজ করার কিছু নিয়ম আছে:- ১. ব্রেস্ট যদি বেশি ঝুলে যায় তাহলে, অয়েল ম্যাসাজ করুন। অলিভ তেল বা নারকেল তেল ম্যাসাজ করতে পারেন। এছাড়াও বরফ ম্যাসাজ ব্রেস্টকে সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। কয়েকটা বরফের টুকরো নিয়ে ব্রেস্টের চারপাশে গোল করে ম্যাসাজ করুন। বা কাপড়ের মধ্যে বরফ নিয়েও ম্যাসাজ করতে পারেন। এতেও কাজ হবে। ২. এছাড়াও সরষের তেল সবার বাড়িতেই থাকে। একটু সরষের তেল গরম করে ব্রেস্টএর চারপাশে গোল করে হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। বা ব্যবহার করতে পারেন খাঁটি মধু। এটি ব্রেস্টের শেপ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। সাথে সাথে ম্যাসাজের ফলে রক্ত সঞ্চালনও বাড়ে। ৩. যদি হাতের কাছে কোন তেল না থাকে তাহলে, হাত দুটো ঘষে প্রথমে গরম করে নিন। তারপর গরম হাত দুটো ব্রেস্টের তলায় রাখুন। এরপর দুটো হাত দুদিক থেকে, একটা হাত ঘড়ির কাঁটার দিকে আর অন্য হাতটি ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে ম্যাসাজ করুন। রোজ ১০ থেকে ১৫ মিনিট এই ম্যাসাজ করুন। তাহলে দেখলেন তো ব্রেস্ট ম্যাসাজেরও কত গুণ রয়েছে। তাই ব্রেস্ট ম্যাসাজ শুধু ব্রেস্টের সৌন্দর্য বাড়াতে নয়, ব্রেস্ট ক্যান্সারের মত ভয়াবহ রোগের হাত থেকে নিজেকে দূরে রাখতে রোজ একটু করে ব্রেস্ট ম্যাসাজ করুন ।              - জিৎ বর্মন

  • জ্বর নিয়ে হাজার মতামত ! জেনেনিন জ্বর হলে আপনার করনীয় কি?

    News bazar24: রাজ্য জুড়ে ভাইরাল জ্বরের কবলে অসংখ্য মানুষ। জ্বর নিয়ে মানুষের মধ্যে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। বেশ কিছু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান মানুষের অনভিজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে লুটে চলেছে পয়শা। অথচ একটু সচেতন হলেই মানুষ জানতে পারবেন জ্বরের প্রকার ভেদ ও লক্ষ্মণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক জ্বর নিয়ে নানা তথ্য আমাদের জানালেন  ডা: সূর্য কান্ত ত্রিপাঠী।     চিকেন পক্সের লক্ষণ, চিকিৎসা, প্রতিকার জীবানুঃ ভ্যারিসেলা জোস্টার নামক ভাইরাস। বিবরণঃ খুব ছোয়াচে একটি রোগ, মূলত শিশুরাই এর আক্রমনের শিকার হয় তবে বয়স্করাও এর হাত থেকে নিরাপদ নয়। লক্ষনঃ সাধারণত আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সংষ্পর্শে এলে ২-৩ সপ্তাহ পরে এই রোগের লক্ষন দেখা দেয়। প্রথম দিকে হঠাৎ করেই জ্বর আসে, পিঠের পিছনের দিকে ব্যথা হয় এবং গা ম্যাজ ম্যাজ করে। জর আসার ১ অথবা ২ দিন পর প্রথমে শরীরের উপরের অংশে এবং পরে মুখ ও হাতে পায়ে ফুস্কুরির মতো গোটা উঠে। ১ দিনের মধ্যেই এটা পেকে যায় বা এতে পুঁজ জমে। অল্প কিছু দিনেই এটা শুকিয়ে চল্টা পড়ে। জটিলতাঃ অনেক সময় এর জটিলতা হিসাবে                নিউমোনিয়া, এনকেফেলাইটিস, গ্লুমেরুলোনেফ্রাইটিস সহ ইত্যাদি রোগ হতে পারে। চিকিৎসাঃ শিশুদের লক্ষন উপশম ব্যতিত তেমন কোন চিকিৎসার প্রয়জন নেই। তবে ফুস্কুরিতে ইনফেকশন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়টিক খেতে হতে পারে। যেসব রোগীর রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কম অথবা যাদের বয়স বেশী কিংবা রোগের তীব্রতা বেশী তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিভাইরাল (এসাইক্লোভির) খেতে হতে পারে। টাইফয়েড টাইফয়েড রোগের জীবাণু হলো সালমোনেলা টাইফি (প্যারা টাইফয়েডের-সালমনেলা প্যারা টাইফি)। লক্ষণঃ প্রথমে অল্প মাত্রার জর হলেও এর তীব্রতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং ৪ -৫ দিন পর তা অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় পৌছে। এর সাথে মাথা ব্যথা, শরীর ও হাতে পায়ে ব্যথা সহ গা ম্যাজ ম্যাজ করা ভাব ও থাকে। পরীক্ষাঃ ব্লাড কালচার এর নির্দিষ্ট পরীক্ষা, এ ছাড়া ভিডাল (widal) টেষ্ট দ্বারাও এরোগ নির্ণয় করা যায় । চিকিৎসাঃ ব্লাড কালচার এর ফলাফল অনুযায়ী অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিক সেবন করতে অথবা শিরায় গ্রহন করতে হয়। সাবধাণতাঃ চিকিৎসা না নিলে এ রোগের জটিলতা হিসাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।      কালাজ্বর কালাজ্বরের কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা হিন্দি দুটি শব্দ কালা এবং আজর থেকে কালাজ্বর শব্দটি এসেছে। কালা অর্থ কাল এবং আজর শব্দের অর্থ ব্যাধি। তাই যে অসুখে ভুগলে শরীর কালো হয়ে যায় তাকে কালাজ্বর বলে। লিশমেনিয়া ডোনোভানি জাতীয় প্রটোজোয়া যা স্যান্ড ফ্লাই দাড়া মানুষে সংক্রমিত হয়। লক্ষনঃ প্রথমে অল্প মাত্রার জর থাকলেও পরবর্তীতে তা তীব্র মাত্রা ধারণ করে এবং নিয়মিত বিরতিতে আসা যাওয়া করে। ধীরে ধীরে মুখের রঙ কালচে হয়ে যাওয়া সেই সাথে কাশি এবং ডায়রিয়া ও থাকতে পারে। পরীক্ষাঃ অস্থি মজ্জা থেকে স্মেয়ার নিয়ে জীবানু সনাক্ত করা হয়, লিম্ফ নোড, লিভার বা প্লিহা (spleen) থেকেও স্মেয়ার নেয়া যায়, এসব কালচার করেও জীবানু নিশ্চিত করা যায়। রক্ত (সেরোলোজিকাল) পরীক্ষার মাধ্যমে ও এই রোগ নির্ণয় (৯৫%) করা যায়। চিকিৎসাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সোডিয়াম স্টিলবোগ্লুকোনেট নামক ঔষধ শিরায় প্রয়োগ করতে হয়।              ইনফ্লুয়েঞ্জা ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু) এর কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এ অথবা বি মানব দেহে এই রোগ করে থাকে। লক্ষনঃ কাপুনি দিয়ে জর, সমস্ত শরীর ও হাতে পায়ে ব্যথা, তীব্র মাথা ব্যথা, গলা ব্যথা এবং শুকনো কাশি এই রোগের লক্ষন হিসাবে পরিচিত। পরীক্ষাঃ তেমন কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়না তবে সি,এফ,টি পরীক্ষাটি করে অনেক সময় রোগ নির্ণয় করা হয়। চিকিৎসাঃ বিশ্রাম নেয়া সেই সাথে জর উপশমের জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষুধ খেলে এই রোগ এমনিতেই ভালো হয়ে যায়, তবে সাথে অন্য ইনফেকশন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক সেবন করতে হয়। জটিলতাঃ এ রোগের জটিলতা হিসাবে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন, নিউমনিয়া সহ অন্যান্য রোগ দেখা দিতে পারে।       ম্যালেরিয়া ম্যালেরিয়া জ্বরের কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা প্লাজমোডিয়াম, ফেলসিপেরাম*, ভাইভক্স, ওভালে অথবা ম্যালেরি এর যেকোনো একটি জীবানু বহনকারী মশার দংশন থেকে এ রোগ হয়। লক্ষনঃ খুব উচ্চ তাপমাত্রায় (চল্লিশ ডিগ্রি ফাঃ পর্যন্ত) কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা এবং তা ঘাম দিয়ে ছেড়ে যাওয়া। জ্বর আসা যাওয়া নিয়মিত ও নির্দিষ্ট বিরতিতে (যেমন ১ দিন পর পর ৩-৪ ঘন্টা দীর্ঘ) হতে পারে তবে এটা ঠিক কোন জীবানু টি আক্রমণ করেছে তার উপর নির্ভরশীল। পরীক্ষাঃ রক্তের ব্লাড ফিল্ম নামক পরীক্ষাটি দ্বারা জীবানু নিশ্চিত করা যায়। চিকিৎসাঃ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্লোরোকুইন, কুইনাইন, ফেন্সিডার ইত্যাদি নির্দিষ্ট নিয়মে সেবন করতে হয়। জটিলতাঃ রক্ত শুন্যতা, প্লিহা (Spleen) বড় হয়ে যাওয়া, কোমা সহ মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। প্রতিরোধঃ কোনো অঞ্চলে ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব থাকলে সে স্থানে যাবার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কলোরোকুইন বা প্রগুয়ানিল জাতীয় ঔষধে এ রোগের প্রকোপ থেকে বাচা যায়।               ডেংগু / ডেঙ্গী জ্বরের কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা দুই ধরণের ডেঙ্গু রোগ লক্ষ্য করা যায়, ক্লাসিকাল ডেংগু ও হেমোরেজিক ডেংগু। ক্লাসিকাল ডেংগু রোগ হলে হঠাৎ করে তীব্র জর, মাথা ব্যাথা, তীব্র শরীর ব্যাথা সেই সাথে rash উঠতে পারে, যা প্রথমে পায়ে এবং পরে বুকে এবং পিঠের দিকে ছড়ায়। সাধারণত ৩-৪ দিন পর জর চলে যায় এবং পরে তা আবার অল্প মাত্রায় আসতে পারে। হেমোরেজিক ডেংগু হলো দুই ধরণের ডেঙ্গুর সবচেয়ে খারাপ ধরণ টি। সাধারণত একই রোগীর দ্বিতীয় বার ডেংগু জর হলে এমনটি হয় বলে ধরে নেয়া হয়। রোগটি শুরু হয় অল্প মাত্রার জর দিয়ে এবং শিশুরাই এতে বেশি আক্রান্ত হয়। এ রোগ হলে হঠাৎ করেই রোগী শক এ চলে যেতে পারে এবং ত্বক, কান, নাক এমনকি পায়ুপথ দিয়ে রক্তপাত শুরু হতে পারে। এই ধরনের ডেংগু জরে রোগীর মৃত্যুর হার বেশী। পরীক্ষাঃ বিভিন্ন পরীক্ষার (নিউট্রালাইজেশন, সিএফটি, হিমাগ্লুটিনেশন) মাধ্যমে রক্তে ডেংগুর এন্টিবডি দেখে এই রোগ শনাক্ত করা হয়। রক্তে প্লাটেলেট কমে যায় বলে বার বার প্লাটেলেট কাউন্ট ও এস,জি,পি,টি পরীক্ষা সহ অন্য পরীক্ষাও করা হয়ে থাকে। চিকিৎসাঃ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি হয়েই এই রোগের চিকিৎসা নেয়া উচিত। এর পরেও কোনো সমস্যা হলে আপনার নিকটতম স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। জ্বর সংক্রান্ত যে কোনো পরীক্ষা বিনামূল্যে করা হয়। আপনি খবরটি পড়লেন newsbazar24 এ।  

  • সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই করা উচিত নয়।

    news bazar24:সাপে কামড়ালে অধিকাংশ মানুষেরই যে ভয় পেয়ে মৃত্যু হয়, এই তথ্য হয়তো অনেকেরই জানা। প্রচলিত কিছু ধারণা, কুসংস্কারের বশে অনেকেই সাপের কামড়ে আক্রান্তের উপরে এমন কিছু টোটকা প্রয়োগ করেন, যাতে হিতে বিপরীত হয়। কিন্তু সাপের কামড়ালে ভয় না পাওয়াটা যেমন জরুরি, তেমনই সাপের কামড়ানোর পরে সঠিক পদক্ষেপগুলি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই করা উচিত নয়।শরীরের যে অংশে সাপ কামড়েছে, সেই জায়গাটি বেশি নড়াচড়া করাবেন না। আক্রান্তকে হাঁটাচলাও করতে দেবেন না। বেশি হাঁটাচলার ফলে মাংসপেশিতে টান পড়ে বিষ দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।সাপে কামড়ানোর পরে কখনওই কোনও ব্যথা কমানোর ওষুধ (পেইন কিলার) আক্রান্তকে খাওয়াবেন না। এর ফলে আক্রান্তের শরীরের প্রকৃত অবস্থা বোঝা কঠিন হবে। অনেক সময় আক্রান্তের যন্ত্রণা আরও বেড়ে যেতে পারে।যেখানে সাপে কামড়েছে, তার আশেপাশে কখনওই চিড়ে বা কেটে দেবেন না। এমন করলে উল্টে রক্তে দ্বিগুণ গতিতে সাপের বিষ ছড়িয়ে পড়ে। যার প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কেও। এর ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।। সাপে কামড়ালে আক্রান্তকে দ্রুত নিয়ে যান হাসপাতালে।যাঁকে সাপে কামড়েছে, তাঁকে কখনওই কাত করে শোয়াবেন না। সব সময়ে সোজা করে শোওয়াবেন। ঠিক যে ভাবে স্ট্রেচারের উপরে শোওয়ানো হয়।

  • দুধ নিঃসন্দেহে একটি সুপারফুড

    ডেস্কঃ (I.D). ১০ মার্চ ২০১৮ঃ-  সমস্ত বয়সের মানুষের জন্য দুধ উপকারী। দুধে এমন কিছু উপদান থাকে, যা শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। দুধ নিঃসন্দেহে একটি সুপারফুড। সম্প্রতি ফুড সায়েন্স এবং নিউট্রিশন জার্নালে একটি তথ্য প্রকাশ হয়েছে, যে সমস্ত গরু শুধুমাত্র ঘাস খায়, সেই গরুর দুধ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। ঘাস খাওয়া গরুর দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ওমেগা থ্রি, যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরের উপকারের জন্য ওমেগা সিক্স এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড খুবই প্রয়োজনীয় দুটি উপাদান। তবে, প্রচুর পরিমাণে ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড এবং খুব কম পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণ করলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। পাশাপাশি ওবেসিটি এবং ডায়াবিটিসের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। তাই গবেষকরা পরামর্শ দিচ্ছেন শুধুমাত্র ঘাস খায় এমন গরুর দুধ খেতে। কারণ, একমাত্র ঘাস খাওয়া গরুর দুধেই রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এবং এই দুধ আমাদের শরীরে ওমেগা সিক্স এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে। এর ফলে হৃদরোগ সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

  • ওজন কমছে না কিছুতেই,ওজন কমাতে খাবার খান ধীরে সুস্থে

    ডেস্কঃ(I.D). ০৯ মার্চ ২০১৮ঃ-ওজন কমানো এত সহজ কাজ নয়। তার জন্য দরকার কঠিন পরিশ্রম, নিয়ম মেনে চলা, ডেডিকেশন, নিজের উপর সংযম। এ সব মেনে না চললে অনেক চেষ্টা করেও কিছুতেই ওজন কমাতে পারবেন না। সম্প্রতি গবেষকরা জানাচ্ছেন, ওজন কমানোর জন্য শুধু সঠিক ডায়েট মেনে খাবার খেলেই চলবে না। খাবার খেতে হবে ধীরে ধীরে। তাড়াতাড়ি খাওয়া চলবে না একেবারেই।ওজন কমানোর উপর জাপানের কিউসু বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সমীক্ষা চালানো হয়। যেখানে ৬০ হাজার মানুষের খাওয়ার ধরন, তাঁদের ওজন বাড়া-কমার দিকে নজর দেওয়া হয়। সমীক্ষায় ৬০ হাজার মানুষকে ২টি দলে ভাগ করে দেওয়া হয়। প্রথম দলের ব্যক্তিরা তাড়াতাড়ি খাবার খান। দ্বিতীয় দলের ব্যক্তিরা ধীরে ধীরে। সমীক্ষা শেষে দেখা যায়, যাঁরা খাবার ধীরে ধীরে খেয়েছিলেন, তাঁদের ওজন কমেছে, তাড়াতাড়ি খাবার খাওয়া লোকেদের তুলনায়। তাঁদের মধ্যে শুধু ওবেসিটির মাত্রাই কমে গিয়েছে, তাই নয়, শারীরিক অসুস্থতার মাত্রাও কমে গিয়েছে। চিকিত্‌সকরা জানাচ্ছেন, ধীরে ধীরে খাবার চিবিয়ে খেলে পাকস্থলী সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। চিবিয়ে খাওয়ার সময়ে আমাদের শরীর থেকে অনেক উপকারী হরমোন নির্গত হয়। তাড়াতাড়ি গিলে খেলে যা সম্ভব হয় না। তাই ওজন কমাতে হলে শুধু ডায়েট মেনে খাবার খেলেই চলবে না, খেতে হবে ধীরে সুস্থে।

  • কোষ্ঠকাঠিন্য হলে এই খাবারগুলো একদম খাবেন না

    ডেস্কঃ(I.D).২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ঃ- অনিয়মিত জীবন-যাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুডের কারণে বহু মানুষ কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যায় ভোগেন। একবার কোষ্ঠকাঠিন্য হলে অনেক নিয়ম মানা প্রয়োজন। জেনে নিন কোন কোন খাবার একেবারেই খাওয়া উচিত্‌ নয় এই সময়ে। ১) প্রচুর পরিমানে ফ্যাট থাকার কারণে অতিরিক্ত ভাজাভুজি খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত্‌ নয় এই সময়ে। কারণ, এই ধরনের খাবার হজম হতে অনেক সময় নেয়। ২) ভাতে প্রচুর পরিমানে কার্বোহাইড্রেট থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্যর সময়ে সাদা ভাত খাওয়া একেবারেই উচিত্‌ নয়। বরং এই সময়ে ব্রাউন রাইস খাওয়া উপকারী। ৩) অ্যালকোহলের কারণে আমাদের শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যায়। এর ফলে মাথা যন্ত্রণা এবং মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ডিহাইড্রেশন এবং কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা অ্যালকোহল বর্জন করুন। পরিবর্তে প্রচুর পরিমানে জল খান। ৪) চিপস খেতে যতই ভালো লাগুক না কেন, কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যায় চিপস শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

  • ঘুমের সমস্যা ? তাড়াতাড়ি ঘুমানোর যদি কোন উপায় থাকে, তাহলে কেমন হয়?

    ডেস্ক ;২০ ফেব্রুয়ারী -বহু মানুষ ঘুম না হওয়ার সমস্যায় ভোগেন। হাজার রকম পদ্ধতি অবলম্বন করেও কোনও উপকার পান না। কিন্তু তাড়াতাড়ি ঘুমানোর যদি কোন উপায় থাকে, তাহলে কোমন হয়?সম্প্রতি বেলর ইউনিভার্সিটির গবেষক ড. মিশেল স্কালিন একটি পরীক্ষা করেন। সেই পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি তাড়াতাড়ি ঘুম আসার উপায় খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি। কিন্তু কেমন ছিল ড. স্কালিনের পরীক্ষা পদ্ধতি?প্রথমে, ১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সী ৫৭ জন প্রাপ্ত বয়ষ্ক ব্যক্তিকে দুটি দলে বিভক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর দু'টি দলকেই ড. স্কালিন তাঁর ল্যাবরেটরিতে ঘুমাতে বলেন। প্রথম দলকে তিনি বলেন, তাঁরা যেন তাঁদের শেষ করে ফেলা কাজগুলোর কথা লিখে ফেলেন। দ্বিতীয় দলকে বলা হয়, আগামিতে যে যে কাজ তাঁরা করতে চান, সেগুলো লিখে ফেলতে।পরীক্ষায় দেখা যায়, যাঁরা শেষ করা কাজ লিখছিলেন, তাঁদের তুলনায় ৯ মিনিট আগে ঘুমিয়ে পড়েছেন যাঁরা আগামিতে কী কী কাজ করবেন, সেগুলো লিখেছিলেন। তাই পরীক্ষা শেষে ড. মিশেল স্কালিনের পরামর্শ, আপনি যদি তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়তে চান, তাহলে আগামিতে কোন কোন কাজ করতে চান, সেগুলো লিখতে থাকুন।