অন্য খেলা

  • স্কুল অ্যাথলেটিক্সে জাতীয় স্তরে বাংলার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে রওনা হলেন মালদার দুই হত দরিদ্র বালিকা

    মালদা, ৮ ফেব্রুয়ারীঃ আগামী ১০-১২ ই ফেব্রুয়ারী,২০১৯ গুজরাটের নাদিয়াদে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে  অনুর্দ্ধ ১৯  স্কুল জাতীয় অ্যাথলেটিক মিট । উক্ত মিটে বাংলা দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন সপ্তমী মন্ডল এবং তাপসী ঘোষ।সপ্তমী ৩০০০মিটার হাঁটা প্রতিযোগিতায় ও  তাপসী ডিসকাস থ্রো তে অংশগ্রহণ করবে। উক্ত দুইজন ইতিমধ্যে মালদা থেকে রওনা হয়েছেন বাংলা দলের সাথে যোগ দেবার জন্য। প্রসঙ্গত আমরা এর আগে আমাদের এই নিউজ পোর্টালে জানিয়েছিলাম চরম দারিদ্র ও প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে সফল রাজ্য, জাতীয় ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিযোগিতায় মালদার  কিছু কিশোর  কিশোরী। তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য এই সপ্তমী মণ্ডল  ও তাপসী ঘোষ। আমরা আবার বলতে বাধ্য হচ্ছি দারিদ্য কখনও প্রতিভা বিকাশের পথে বাধা সৃস্টি করতে পারেনা। তার জলজ্যান্ত প্রমান এই দুই বালিকা। এরা আবার প্রমান করল অধ্যাবসায় ও লড়াই করার মানসিকতা থাকলে কোন বাঁধা বাধাই নয়। এদের মধ্যে এই লড়াই করার মানসিকতা জাগিয়ে তুলেছেন এদের প্রশিক্ষকরা। সপ্তমীর ক্ষেত্রে মানস রায় বর্মণ ও তাপ্সীর ক্ষেত্রে মালদার স্বনামধন্য অ্যাথলেটিক প্রশিক্ষক পুলক ঝা। আমরা আমাদের নিউজ পোর্টালের পক্ষ থেকে দুই কিশোরীর সাফল্য কামনা করি।        

  • পুরাতন মালদা এ টি সির উদ্যোগে ১০ কিমি রোড রেসএ প্রথম ফালাকাটার হাসিবুল,দ্বিতীয় ও তৃতীয় মালদার তিলক মণ্ডল ও অনুপ ঘোষ।

    মালদা, ১৩ই জানুয়ারীঃ পুরাতন মালদা অ্যাথলেটিক্স ট্রেনিং সেন্টার ও এম আই সি সি উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী যে শীতকালীন ক্রীড়া উৎসব এর আয়োজন করা হয়েছিল আজ দ্বিতীয় দিনে ১০ কিলোমিটার রোড  রেস এর আয়োজন করা হয়। এই দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হয় সাহাপুরের ডিস্কো মোড় থেকে শেষ হয় পুরাত্ন মালদার নবাবগঞ্জ পর্যন্ত। এই প্রতিযোগিতর শুভ উদ্বোধ্ন করেন মালদা কেন্দ্রের বিধায়ক শ্রী ভুপেন্দ্র নাথ হালদার উপস্থিত ছিলেন বিশিস্ট সমাজসেবী বিভুতু ভুষন ঘোষ । মোট ৩২ জন প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ  করেন।  প্রথম হন জলপাইগুড়ির ফালাকাটার  হাসিবুল রহমান , দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন মালদা প্রতিভার সন্ধানে স্পোর্টস একাডেমীর তিলক মণ্ডল, তৃতীয়  নঘরিয়ার অনুপ ঘোষ।  

  • কালিতলা ক্লাবের পরিচালনায় এস আর এম বি কাপের ফাইনালে সবুজ সংঘ বহরমপুর

    কার্ত্তিক চন্দ্র পাল,মালদা  ৩ জানুয়ারীঃ মালদহের  কালিতলা ক্লাবের পরিচালনায় এস আর এম  বি কাপের  সীমিতওভারের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের  ফাইনালে সবুজ সংঘ বহরমপুর। আজ ছিল টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনাল। মুখোমুখি হয়েছিল এ এন্ড এস ক্রিকেট একাডেমী,কলকাতা  ও সবুজ সংঘ বহরমপুর । সবুজ সংঘ টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্বান্ত নেয়। এ এন্ড এস ক্রিকেট একাডেমী,কলকাতা শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। মাত্র ৮৯ রানে এ এন্ড এস ক্রিকেট একাডেমীর সকলে আউট হয়ে যান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে  সবুজ সংঘ  ৬।২ ওভারে ২উইকেটে ৮৪ রান সংগ্রহ করে। ৮ঊইকেটে জয়লাভ করে। ম্যান অফ দি ম্যাচ হন যুগ্মভাবে বিবেক সিংহ ও শ্যাম শেখর মণ্ডল,সবুজ সংঘ বহরমপুর       আগামীকাল ফাইনালের অপর খেলায় মুখোমুখি হবে মালদা অনীক সংঘ ও  অগ্রগামী  সংঘ

  • বাঙ্গীটোলা গ্রামে নৈশভলিবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ান ইষ্ট্রান রেলওয়ে হাওড়া

    ডেস্ক, ২৪ ডিসেম্বরঃ বাঙ্গীটোলা ক্লাবের পরিচালনায় রাজ্য  ও জাতীয়  স্তরের  একঝাঁক  খেলোয়াড়  নিয়ে  আন্তর্জাতিক  মানের  নৈশভলিবল প্রতিযোগিতা  হয়ে গেল  বাঙ্গীটোলা হাহ স্কুল মাঠে।মাত্র ৪টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেছিল।   এই খেলায়  ইষ্ট্রান রেল  (হাওড়া),ইনকাম ট্যাক্স  কলকাতা, রাইবেরেলি সাঁই, উত্তর  প্রদেশ ও আড়াই  ডাঙা বিবেকানন্দ  ইউথ ক্লাবের মতো  দল এই খেলায়  অংশগ্রহণ করে। লীগ কাম নক আউট ভিত্তিতে খেলা হয়। পরবর্তীতে ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণ করে ইষ্ট্রান রেল  (হাওড়া),ও ইনকাম ট্যাক্স  কলকাতা। তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল খেলায় ইষ্ট্রান রেলওয়ে  হাওড়া ভলিবল দল     কলকাতার  ইনকাম  ট্যাক্স দলকে ৩-২   গেমে পরাজিত করে  চ্যাম্পিয়ন  হয়  । খেলায়  ম্যান    অফ দি ম্যাচ ইনকাম ট্যাক্সের রাজ ও  ম্যান  অফ দি সিরিজ  হয় ইষ্ট্রান  রেলওয়ের  রানা । বিজয়ী দলকে  উদ্যোক্তা. দের পক্ষ থেকে  ১৫০০০ টাকা , রানার্সআপ  দলকে  ১০০০০  টাকা   ও ট্রফি  প্রদান করা  হয় ।ম্যান  অফ দি ম্যচ পায়  ১০০০ টাকা  ও ম্যান অফ দি সিরিজ  পায়  ২০০০ টাকা । টান টান  উত্তেজনা ও বিপুল জনসমাগমের  মধ্য দিয়ে এই প্রতিযোগিতা  শুরু  হয়। খেলায়  উপস্থিত  ছিলেন মোথাবাড়ীর বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন,  কালিয়াচক দুই নং ব্লকে র সভাপতি টিঙ্কু  রহমান বিশ্বাস  ও বাঙ্গীটোলা গ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সান্তারা খাতুন  ।

  • রাজ্য শিশু ক্রীড়ায় মালদার ক্ষুদে প্রতিযোগীদের ঝুলিতে দুটি সোনা সহ চার পদক ।

    কার্ত্তিক পাল, মালদা, ২৩ ডিসেম্বরঃ  ৩৬ তম  মালদা জেলা বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসবের পর মালদা জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি আশিস কুন্ডু  জানিয়েছিলেন, প্রতিটি ইভেন্টের প্রথম স্থানাধিকারী যারা রাজ্য স্তরের শিশু ক্রীড়ায় অংশগ্রহণ করবে তাদেরকে বিশেষ প্রশিক্ষন দেওয়া হবে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে। তারপরই তিনি এইবারই প্রথম নঘড়িয়ার হাই স্কুল  মাঠে মালদা জেলার স্বনামধন্য অ্যাথলেটিক্স  প্রশিক্ষক পুলক ঝার  তত্ত্বাবধানে ১৫ দিনের বিশেষ কোচিং  ক্যাম্পের  ব্যবস্থা করেন। এই শিবিরে অর্থাৎ কোচিং  ক্যাম্পে ২৮টি ইভেন্টের ২৮জন ক্ষুদে ক্রীড়াবিদকে তিনি এমনভাবে গড়ে তোলেন যে দীর্ঘ ১৪ বছর পর রাজ্য শিশু ক্রীড়া উৎসবে মালদা জেলা পেল দুটি  সোনা , একটি রুপা ও একটি  ব্রোঞ্জ পদক।  গরিব  দুস্হ পরিবারের তিন  সন্তান রাজ্য শিশু ক্রীড়ায়  মালদার সুনাম বজায়  রাখলো।  রাজ্য  শিশু ক্রীড়ায়   মালদার সম্মান  বৃদ্ধি  করলো  জেলার  তিন শিশু ক্রীড়াবিদ   ,রতুয়ার  প্রনব মন্ডল,  কালিয়াচকের ছোটন ঘোষ ও  মুসরে জাহান । প্রথম দিন২১-১২-১৮  শুক্রবারঃ খ বিভাগে   দৈর্ঘ্য লম্ফনে  প্রথম  হয়ে সোনা পায়  মালদার  মুসরেজাহান ।  দ্বিতীয় দিন ২২-১২-১৮ খ বিভাগে   মিটার দৌড়ে  সোনা জেতে রতুয়ার  প্রনব মন্ডল,  প্রনব  দ্বিতীয় দিনে  ২০০ মিটার দৌড়ে  সোনার পাশাপাশি  ১০০মিটার  দৌড়ে ও ব্রোঞ্জ পদক জয় লাভ করে । এবং  গ বিভাগে  উচ্চ  লম্ফনে  দ্বিতীয়  হয়ে রুপা পায়  ছোটন  মন্ডল ।   প্রসঙ্গত  উল্লেখ্য গত  ২১ ও ২২  ডিসেম্বর  যুবভারতী  ক্রীড়াঙ্গণের পাশে সাই এর মাঠে  রাজ্য  শিশু ক্রীড়া  অনুষ্ঠিত  হয় ।  এই খেলায়   তিনটি  বিভাগে  মোট ২৮ টি ইভেন্টে  খেলা  হয়  । রাজ্যর  প্রতিটি জেলা থেকে মোট  ৩৫০শিশু ক্রীড়াবীদ অংশগ্রহণ করে । মালদা  জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি আশিস কুন্ডু জানান  ," আমরা  এবছর  প্রথম  জেলার প্রতিযোগিতার   সফল  প্রথম স্থানাধিকারী শিশু দের  নঘড়িয়ার মাঠে কোচ পুলক ঝার নেতৃত্বে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা  করি ।তাই এবছর অন্যান্য বারের চেয়ে  ভালো  ফল হয়েছে । ১৪  বছর পর রাজ্য  শিশু ক্রীড়ায়  মালদা সোনা পেলো। এই কৃতিত্ব  অবশ্য পুলক ঝার ১৫দিনের  প্রশিক্ষণ শিবির।" প্রশিক্ষক পুলক ঝা জানান , " মালদায় বহু  প্রতিভা । সারা বছর  যদি বিদ্যালয়ে  পড়াশোনার  পাশাপাশি  খেলাধুলার গুরুত্ব  দেওয়া হয়  তবে এই জেলা  থেকে  আরো অনেক  প্রতিভা বের হবে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সফলতা লাভ করবে পুরস্কার  পাওয়া যাবে ।"

  • প্রথম ভারতীয় হিসেবে সিন্ধু বিডব্লুএফ ওয়ার্ল্ড ট্যুর চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন।

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ১৬ ডিসেম্বর : ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। প্রথম ভারতীয় হিসেবে পিভি সিন্ধু এই প্রথম বিডব্লুএফ ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হলেন  নোজোমি অকুহারাকে হারিয়ে। একটিও ম্যাচ না হেরে ফাইনালে পৌঁছেছিলেন তিনি। ব্যাডমিন্টনের বিশ্বক্রমতালিকায়  ছয় নম্বর থাকা সিন্ধু  এই বছর এই প্রতিযোগিতার আগে একটি খেতাবও জিততে পারেননি । পাঁচ-পাঁচটি প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠেও প্রতিবারই তাকে ব্যর্থ হতে  হয়েছে । কিন্তু রবিবার, সেইসব বদনাম ঘুচিয়ে দিলেন তিনি। এই প্রতিযোগিতায় তিনি ছিলেন ফর্মের চুড়ান্ত শিখায়। বিশ্বের এক নম্বর তারকাকে হারিয়েছেন এবং শনিবার রানক ইন্তাননকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছিলেন। রবিবার ফাইনালে সিন্ধু ২১-১৯, ২১-১৭-তে হারিযে দিলেন নোজোমি ওকুহারাকে। সেমিফাইনা‌ল জিতে সিন্ধু বলেছিলেন, ‘‘আমি আশা করি মরসুমটা সোনা দিয়ে শেষ করতে পারব।  তবে আমি চাপের মধ্যে না থেকে  আমি শুধু আমার স্বাভাবিক গেমই খেলব। যেভাবে এই শেষ চারটি ম্যাচ খেলেছি। আর যদি জিততে পারি তাহলে সেটা  আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে।'' শুরুতেই ৭-৩এ এগিয়ে গিয়েছিল সিন্ধু। এর পর ওকুহারা কিছুটা লড়াইতে ফিরে এসে  ৭-৫ করেন। প্রথম গেমের মাঝামাঝি সময়ে সিন্ধু ১১-৬এ এগিয়ে যান। তার পর ১৪-৬ থেকে ১০-১৪ করেন ওকুহারা। সেখান থেকে ১২-১৬তে নিয়ে যান  ম্যাচ। লড়াই চলে যায় সমানে সমানে। একটা সময় ম্যাচ ১৬-১৬ হয়ে যায়। কিন্তু সিন্ধু শেষ পর্যন্ত ২১-১৯এ সেই ম্যাচ জিতে নেন।

  • দুরন্ত খেলে পিভি সিন্ধু “বিডব্লুএফ ওয়ার্ল্ড ট্যুর ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনালে।

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ১৫ ডিসেম্বর : ব্যাডমিন্টন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশানের  “বিডব্লুএফ ওয়ার্ল্ড  ট্যুরের সেমিফাইনালে  জয় ছিনিয়ে নিলেন পিভি সিন্ধু।বিশ্বের ছ'নম্বর খেলোয়াড় রানক ইন্তাননকে ২১-১৬, ২৫-২৩-এ পরাজিত করে  ফাইনালে পৌছে গেলেন সিন্ধু। এই টুর্নামেন্টের প্রথম থেকেই যেভাবে শুরু করেছিলেন তাতে   সিন্ধুর কাছে এটা শুধু সময়ের অপেক্ষা ছিল ।  এই নিয়ে টানা চার ম্যাচ জিতেই  ফাইনালে পৌঁছলেন তিনি। চ্যাম্পিয়নশিপ এখন মাত্র সময়ের অপেক্ষা। বর্তমানে যে ফর্মে তিনি রয়েছেন তাতে বিশ্বের ব্যাডমিন্টনপ্রেমীরা চ্যাম্পিয়ান হিসাবে পিভি সিন্ধুকে দেখতে চাইছেন। বিশ্বের ছ'নম্বরকে সিন্ধু সেমিফাইনালে শনিবার মাত্র ৫৪ মিনিটের ম্যাচে হারিয়ে আবার নিজেকে চেনালেন। শুরুতেই সিন্ধু দারুণ শুরু করে ৬-৪এ এগিয়ে গিয়েছিলেন। ইন্তানিন ঘুরে দাঁড়িয়ে পাল্টা লড়াই দিলেও শেষ পর্যন্ত প্রথম গেম জিতে নেন সিন্ধু ২১-১৬তে। দ্বিতীয় গেমে  রানক ইন্তানন শুরু থেকেই সিন্ধুকে কড়া টক্কর দিয়ে ম্যাচকে টাইব্রেকারে নিয়ে যান তিনি। কিন্তু সিন্ধু নিজের নার্ভের উপর নিয়ন্ত্রণ রেখে ম্যাচ শেষ করেন ২৫-২৩-এ। প্রসঙ্গত এর আগে তিনি এক অঘটন ঘটিয়েছেন বিশ্বের ১ নম্বরকে হারিয়ে। অন্যদিকে, পুরুষদের সিঙ্গলসে ভারতের জন্য দুঃখের  দিন। পিভি সিন্ধুর পাশাপাশি পুরুষ সিঙ্গলসের  সেমিফাইনালে নেমেছিলেন ভারতের সমীর ভর্মা। তিনি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে হেরে গেলেন ।  প্রথম সেট জিতে নিয়েছিলেন সমীর। কিন্তু পরের দুই সেটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান প্রতিপক্ষ শি কি। কিন্তু শি কি জেতেন ১২-২১, ২২-২০, ২২-১৭তে।  

  • বিশ্বকাপ হকি ২০১৮ এর কোয়ার্টারফাইনালে ভারত কঠিনলড়াইয়ে নেদারল্যান্ডস-র মু খোমুখি

    ডেস্ক,  ১২ ডিসেম্বর : বিশ্বকাপ হকিতে ভারত গ্রুপ লীগে শীর্ষে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করল।  ভারতের কোচ হরেন্দ্র সিং বলেন, এবার  আসল বিশ্বকাপ শুরু হবে বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) থেকে । কোয়ার্টার ফাইনালে  কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ভারত নামবে নেদারল্যান্ডস-এর বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত বিগত  ১৯৭৫ সালে  ভারত শেষবার হকি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল এবং  একবারই ট্রফিও জিতেছিল। এবারের  বিশ্বকাপ হকিতে ভারতের খেলা দেখে হকি  বিশেষজ্ঞরা বলছেন  এবার হয়ত সেই  ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবে । তবে কোয়ার্টারফাইনালে  ভারত কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি ডাচদের বিরুদ্ধে । এখনও পর্যন্ত  বিশ্বকাপে এখনও একবারও নেদারল্যান্ডসকে হারাতে পারেনি ভারত। দুই দল বিশ্বকাপে ৬বার মুখোমুখি হয়েছে। ৫বারই জিতেছে ডাচরা। আরেকটি ম্যাচ ড্র হয়েছিল। সাম্প্রকতিক ফর্মের নিরিখেও বলা যেতে পারে দুই দলের কেউই এগিয়ে বা পিছিয়ে নেই। বিশ্বক্রমতালিকাতেও  পাশাপাশি দুইদল আছে। ভারত পাঁচে তো ডাচরা চারে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শেষবার দুইদল মুখোমুখি হয়েছিল। ১-১ ফলে অমিমাংসিত ছিল সেই ম্যাচ । গ্রুপ পর্যায়ে দুই দলই কিন্তু প্রচুর গোল করেছে। ভারত করেছে ১২টি গোল, নেদারল্যান্ড ১৮টি। ভারত গোল হজম করেছে ৩টি, নেদারল্যান্ড ৫টি। ডাচদের কিন্তু মাঝমাঠ ও আক্রমণে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের অভাব নেই। অধিনায়ক বিলি বাক্কার আছেন, আছেন সিভ ব্যান অ্যাস, জেরোয়েন হার্টজবার্গার, মাইক্রো প্রুইজসার, কেম্পেরম্যান-রা। ফলে ভারতীয় রক্ষণের জন্য কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। আগামীকালের  প্রথম কোয়ার্টারফাইনালে জার্মানি খেলবে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে। জার্মানি বনাম বেলজিয়াম, বিকাল ৫টা ভারত বনাম নেদারল্যান্ডস, সন্ধ্যা ৭টা । খেলা দেখা যাবে  স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্ক-এ।  

  • হকি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ভারত কানাডা ভারতের কাছে পর্যুদস্ত।

    ডেস্ক, ৮ই ডিসেম্বরঃ হকি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে  ভারত। শনিবার গ্রুপ স্টেজের শেষ ম্যাচে কানাডাকে ৫-১ গোলে হারায় ভারত। ভারতের হয়ে ললিত উপাধ্যায় দুটো গোল করেন ও  হরমনপ্রীত সিং, কানগুজাম, অমিত রোহিদাস ১টি করে গোল করেন।   উড়িষ্যার কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে আজ ভারত প্রথম থেকেই  আক্রমণাত্মক  খেলা শুরু করে। যার জেরে খেলা শুরুর মাত্র বারো মিনিটের মাথায় ভারত এগিয়ে যায়  হরমনপ্রীত সিং-র গোলে। পেনাল্টি কর্নার থেকে তিনি এই গোল করেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোয়ার্টারে তেড়েফুঁড়়ে আক্রমণে নামে কানাডা। সেইসঙ্গে কানাডার রক্ষণ এই সময় অসাধারণ খেলে। যার জেরে ভারতের একের পর এক আক্রমণ কানাডার রক্ষণের সামনে আঁছড়়ে পড়ে। এরই মধ্যে খেলার উনচল্লিশ মিনিটে গোল একটি গোল করে খেলায় সমতা ফেরায় কানাডা। ফ্লোরিস ভ্যান সন কানাডার হয়ে গোলটি করেন। তৃতীয় ও চতুর্থ কোয়ার্টারে চার-চারটি গোল করে ভারত। সহ-অধিনায়ক চিঙ্গলেনসানা কাঙ্গুজাম ৪৬ মিনিটে একটি গোল করে ব্যবধান বাড়ান। এই গোলের রেশ মিটতে না মিটতেই ফের গোল। এবার ভারতের হয়ে ব্যবধান বাড়ান ললিত উপাধ্যায়। তিনি ৪৭ মিনিটে গোলটি করেন। ৫১ মিনিটে অমিত রোহিদাস একটি গোল করেন। এর ফলে ভারত ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। খেলার একদম শেষমুহূর্তে ৫৭ মিনিটে ললিত আরও একটি গোল করেন। এর ফলে ললিত এদিনের ম্যাচে তাঁর দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেন এবং সেইসঙ্গে ভারতের গোলের সংখ্যা ৫-এ নিয়ে যান। ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠকে  ভারতীয় দলের কোচ হরেন্দ্র সিং  জানান, 'দল এখন নক-আউট পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এই সুযোগের জন্য  দীর্ঘদিন ধরে দল প্রস্তুতি নিয়েছে।'    

  • ৩৬ তম জেলা বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসবে চ্যাম্পিয়ন কালিয়াচক জোন, রানার্স হরিশ্চন্দ্রপুর জোন

    কার্ত্তিক পাল,মালদা,৭ ডিসেম্বরঃ  গতকাল ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হল মালদা জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের উদ্যোগে  প্রাথমিক, নিন্ম বুনিয়াদি বিদ্যালয় ,মাদ্রাসা , শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে ৩৬ তম জেলা বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসব ২০১৮। গত ৫ই ডিসেম্বর বুধবার  মালদা শহরের  বৃন্দাবনী় ময়দানে ৩৬ তম জেলা বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসবের শুভ উদ্বোধন হয়েছিল। আমরা আগেই জানিয়েছিলাম প্রথমদিন জেলার ৭টি জোনের ক্ষুদে  ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং দ্বিতীয়দিনে খেলার মূল পর্ব  শিশু দের তিনটি বিভাগে  মোট ২৮ টি ইভেন্টের খেলা  হবে। দ্বিতীয় দিনে এই বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসবের পতাকা উত্তোলন করেন জেলা  শাসক কৌশিক ভট্টাচার্য। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন সন্মানীয় অতিথিবৃন্দ। অতিথিবৃন্দের মধ্যে ছিলেন মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল, ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা ইংরেজবাজার পৌরসভার পৌরপিতা নীহার রঞ্জন ঘোষ,জেলা পুলিশ সুপার অর্ণব ঘোষ, রাজ্যের প্রাপ্তন মন্ত্রী ও কাউন্সিলার কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শক্তিপদ পাত্র, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা মোয়াজ্জেম হোসেন ও ডা  ডি সরকার ইংরেজবাজার পৌরসভার উপ পৌরপিতা বাবলা সরকার, কাউন্সিলর  শুভদীপ সান্যাল ,পরিতোষ চৌধুরী ,জেলা শিশু ক্রীড়া উৎসবের সম্পাদক  মন্ডলীর  সদস্য   শুভেন্দু চন্দ্র দাস,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান আশিশ কুন্ডু সহ অন্যান্য অতিথি বৃন্দরা। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দিতে গিয়ে  জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান আশিশ কুন্ডু বলেন বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসব এক বিরাট কর্মযজ্ঞ। জেলার ১৪৬ টি অঞ্চল ৩১ টি সার্কেল ও ৭ টি জোনাল শিশু  ক্রীড়া খেলা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে ।আজ শিশুদের তিনটি বিভাগের মোট ২৮ টি ইভেন্ট খেলা হবে ।আশিশ বাবু  বলেন প্রাথমিক পড়ুয়াদের পুঁথিগত বিদ্যা দানের পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি সমান নজর দেওয়া শিক্ষকদের একান্ত দরকার। তাতে স্কুলছুট পড়ুয়াদের স্কুলমুখী করা সহজ হবে ।তিনি  বলেন মুখ্যমন্ত্রী চেয়েছেন সকল শিশুরা স্কুলে আসুক তাদের মুখে হাসি ফুটুক ।তাই শিক্ষকদের এই ব্যাপারে সক্রিয় হতে হবে যাতে সকল বাচ্চারা শিক্ষার আঙিনায় এসে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এর পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি ও তাদের নজর দিতে হবে। বিদ্যালয় এর পাঠদান ও ক্রীড়া পারিস্পরের পরিপূরক। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক জেলাশাসক কৌশিক ভট্টাচার্য্য জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মানুবর্তিতা ও ক্রীড়ার উপর সমান জোর দিয়েছেন।আমরা তার নির্দেশিত পথেই এগোতে চাই, আমাদের জেলায় সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাতা দেওয়া হয়ে থাকে । শিক্ষার  ক্ষেত্রে পাশাপাশি শিশুদের খেলার উপরও আমরা জেলায় জোর দিয়ে থাকি। ইতিমধ্যে হবিবপুর ব্লকের কেন্দ পুকুরের মাঠে বিরাট মাপের স্টেডিয়াম হচ্ছে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর  থেকে অর্থ বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে ।তার কাজ শুরু হয়ে গেছে ।জেলার মাঠ গুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন করার কথা ভাবা হচ্ছে। এরপর শুরু হয় ক্ষুদেদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।  শিশুদের বালক(ক) বিভাগে ৭৫ মিটার দৌড়ে প্রথম হন কালিয়াচক জোনের কমলপুর প্রাইমারী স্কুলের সাবেদুল মোমিন। বালিকা(ক) বিভাগে ৭৫ মিটার দৌড়ে প্রথম হন  কালিয়াচক জোনের ভগবতীপুর প্রাইমারী স্কুলের ইসমাতারা। বালক(খ) বিভাগে ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হন রতুয়া জোনের ফিরোজ আলি। বালিকা (খ) বিভাগে ১০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হন কালিয়চক জোনের আব্দুল জলিলটোলা প্রাইমারী স্কুলের  সাহেদা খাতুন।সর্বশেষ প্রতিযোগিতা ছিল রিলে রেস।তীব্র উত্তেজনার মধ্য দিয়ে বালক ও বালিকাদের রিলে রেসে প্রথম হয় কালিয়াচক জোন। এ ছাড়া ৩৬ তম মালদা জেলা বার্ষিক শিশু ক্রীড়া উৎসবের সাতটি জোনের  মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কালিয়াচক জোন তাদের প্রাপ্ত পয়েন্ট ৯২। রানার্স হয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর জোন।প্রসঙ্গত আজকের প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টের প্রথম স্থানাধিকারীরা রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে।