অন্য খেলা

  • যুব অলিম্পিকে ব্যাডমিন্টনের পুরুষ সিঙ্গলস ফাইনালে স্বর্ণপদক অধরাই থেকে গেল লক্ষ্য সেনের।

    Newsbazar24,ডেস্ক, ১৩ অক্টোবরঃ বুয়েনস আইরস,  : যুব অলিম্পিকের ব্যাডমিন্টনের পুরুষ সিঙ্গলসের ফাইনালে পৌঁছেও স্বর্ণপদক অধরাই থেকে গেল  ভারতীয় শাটলার লক্ষ্য সেনের। এবারও গত ২০১০ সালের  যুব অলিম্পিকে প্রণয় কুমারের মত তাকেও রৌপ্য পদক নিয়ে সন্তুস্ট থাকতে হল। তবে হেরে গেলেও তিনি সমানে সমানে লড়াই করে গেছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্বে। আজ ভোররাতে ব্যাডমিন্টনের পুরুষ সিঙ্গলসের ফাইনালে হেরে রুপো পেলেন তিনি। সোনা জেতেন চিনের লি শিফেং। খেলার ফল ২১-১৫, ২১-১৯। ফাইনালে শুরু থেকেই ম্যাচের রাশ ধরে নেন লি। প্রথম গেমে ১৪-৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান তিনি। কিন্তু পরপর  পয়েন্ট জিতে ম্যাচে ফেরেন লক্ষ্য। ম্যাচে ফিরলেও তাঁর পক্ষে গেম জেতা সম্ভব হলনা। প্রথম গেমে ২১-১৫-তে পরাজিত হন  লক্ষ্য। দ্বিতীয় গেমের শুরু থেকেই সমানে সমানে লড়াই চলে। ৭-৮ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকার পর নিজের  মনেসংযোগ খুইয়ে  টানা চার পয়েন্ট হারান লক্ষ্য। তারপর লড়াই করে  ব্যবধান কিছুটা কমালেও  ২০-১৭-এ এগিয়ে যান লি। শেষদিকে দুটো ম্যাচ পয়েন্ট পেলেও  শেষরক্ষা করতে পারলেন না  লক্ষ্য। দ্বিতীয় গেমে ২১-১৯ পয়েন্টে হেরে যান। খেলা শেষে লক্ষ্য সেন বলেছেন,চিনের লি শিফেং কে অভিনন্দন স্বর্ণ পদক জেতার জন্য। আমি আমার আজকের খেলায় হতাশ, কিন্তু যুব  অলিম্পিকে এসে অনেক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করলাম যা আমার আগামী ম্যাচ গুলোতে কাজে লাগবে। (ছবিতে বামে লক্ষ্য সেন)    

  • যুব অলিম্পিকের ব্যাডমিন্টনের পুরুষ সিঙ্গলসে পদক নিশ্চিত ভারতীয় যুব শাটলার লক্ষ্য সেনের.

    Newsbazar24, ডেস্ক, ১২ অক্টোবর : ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের পুরুষ সিঙ্গলসের তথা জুনিয়ার এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন লক্ষ্য সেন  ইতিহাস থেকে আর একধাপ  দূরে। আগামীকাল যুব অলিম্পিকের ব্যাডমিন্টনের পুরুষ সিঙ্গলসের ফাইনালে জিতলেই প্রথম ভারতীয় শাটলার হিসেবে যুব অলিম্পিকে সোনা জেতার নজির গড়বেন তিনি।আজ সেমিফাইনালে জাপানের কোদাই নারাওকার বিরুদ্বে  প্রথম ম্যাচে  পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নেন লক্ষ্য। জুনিয়র এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন এই শাটলার প্রথম গেমে ১৪-২১ এ   হেরে যান।কিন্তু  দ্বিতীয় গেমে দুরন্ত  খেলে কামব্যাক করেন এবং  ২১-১৫ ব্যবধানে জেতেন। তৃতীয় গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলে  ৩৬ মিনিট ধরে এবং  শেষপর্যন্ত ২৪-২২ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে পৌছান এবং রৌপ্য পদক নিশ্চিত করেন  এই ভারতীয় শাটলার।  এর আগে, ২০১০ সালে যুব অলিম্পিকে প্রণয় কুমারও ফাইনালে পৌঁছালেও সোনা জয় করতে পারেন নি।

  • এশিয়ান গেমসের পর যুব অলিম্পিকেও স্বর্ণপদক শুটার সৌরভ চৌধুরির

    Newsbazar24, ডেস্ক, ১২ অক্টোবর :  এশিয়ান গেমসে  সোনা জয়ের পর  যুব অলিম্পিকে ও সাফল্য ভারতের  শুটার সৌরভ চৌধুরি। ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে ২৪৪.২ পয়েন্ট পেয়ে সোনা জেতেন সৌরভ। যা সিনিয়র পর্যায়ের রেকর্ডের থেকে ০.৬ পয়েন্ট বেশি। গতকাল কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে ৫৮০ পয়েন্ট পেয়ে ফাইনালের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেন  সৌরভ। জানা যায়  ফাইনালে সৌরভের সামনে কোন শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দিতা  গড়ে তুলতে পারেননি অন্যান্য প্রতিযোগীরা । প্রথম পাঁচ শট পর্যন্ত ০.৯ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন সৌরভ। এরপর প্রতি রাউন্ডেই লিড বাড়তে থাকে তার । শেষপর্যন্ত কোরিয়ার সুং উন-র থেকে ৭.৫ পয়েন্ট বেশি পেয়ে সোনা জেতেন সৌরভ। 

  • চতুর্থ যুব অলিম্পিকে ভারত ২টি স্বর্ণপদক ও ৩টি রৌপ্যপদক লাভ করল

    Newsbazar24, ডেস্ক, ১০ অক্টোবরঃ এই বছর আরজেন্টিনার রাজধানী বুয়েনোস আয়ার্স-এ যুব অলিম্পিকের আসর বসেছে।  ভারত এবার চতুর্থ যুব অলিম্পিকের আসরে মোট ৪৬ সদস্যের দল পাঠিয়েছে। তাঁরা অংশ নিচ্ছেন ১৩টি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়। এখন পর্যন্ত ভারত ২টি সোনা, ৩টি রুপো লাভ করেছে। ভারতের হয়ে প্রথম সোনা লাভ করলেন ১৫ বছর বয়সী মিজোরামের ভারোত্তোলক জেরেমি লালরিননুয়াঙ্গা।৬২ কেজি বিভাগে স্বর্ণপদক জিতলেন তিনি। গত সোমবার যুব অলিম্পিকে প্রথমে স্ন্যাচে ১২৪ কেজি ও পরে ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১৫০ কেজি - মোট ২৭৪ কেজি ওজন তোলেন জেরেমি। বাকি প্রতিযোগীরা অনেক দূরে   ছিলেন ।দ্বিতীয় তুরস্কের  তপতাস কানের তোলেন ২৬৩ কেজি (১২২কেজি + ১৪১ কেজি)।  তৃতীয় কলম্বিয়ার ভিয়ার এস্তিভেন হোসে  ২৬০ কেজি (১১৫কেজি + ১৪৩ কেজি) ওজন তুলে ব্রোঞ্জ পদক জেতেন।  দ্বিতীয় সোনাটি আসে শুটিং থেকে। প্রথম ভারতীয় শুটার হিসেবে যুব অলিম্পিকে সোনা জিতলেন  মানু ভাকের। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে ২৩৬.৫ পয়েন্ট পেয়ে সোনা জেতেন মানু। এর আগে যুব অলিম্পিকের মঞ্চে শাহু মানে ও মেহুলি ঘোষ রুপো জিতলেও শুটিং-এ সোনা এই প্রথম। এ ছাড়াও ৪৪ কেজি জুডোতে তাবাবি দেবী রৌপ্য পদক লাভ করেন।   (প্রথম ছবিতে পদক হাতে মানু ভাকের,দ্বিতীয় ছবিতে জেরেমি লালরিননুয়াঙ্গা)    

  • ২০১৮র পুরুষ বিভাগের বিশ্বকাপ হকির সরকারী ম্যাসকট ‘অলি’ র শুভ উদ্বোধন

    Newsbazar24, ডেস্ক , ৮অক্টোবরঃ  আজ ঊড়িষ্যার পুরীর সৈকতে ঊড়িষ্যা সরকারের ক্রীড়া এবং যুব কল্যান  দপ্তরের উদ্যোগে হকির বিশ্বকাপ ২০১৮র পুরুষ বিভাগের সরকারী ম্যাসকট ‘অলি’ র শুভ উদ্বোধন হল। ২০১৮র পুরুষ বিভাগের বিশ্বকাপ হকি শুরু হবে ২৮শে নভেম্বর ঊড়িষ্যার ভুবনেশ্বরে।        

  • চাঁচল মহকুমায় জেলা যোগাসন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ান মালদা ডিএসএ র তানিস্ঠা দাস

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ৬ অক্টোবরঃ চাঁচল ফিজিক্যাল যোগা এন্ড জিম সেন্টারের পরিচালনায় আজ চাঁচল রবীন্দ্রভবনে অনুষ্ঠিত হল জেলা ভিত্তিক যোগাসন প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় সমগ্র মালদা জেলার প্রায় শতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছিল। মোট ৪টি বিভাগে এই প্রতিযোগিতা হয়। ৮বছর পর্যন্ত বালক ও বালিকা, ৮থেকে ১৬ বছর পর্যন্ত বালক ও বালিকা, ১৬থেকে ২০বছর পর্যন্ত  বালিকা এবং মহিলাদের ২০ বছরের উর্ধে । মহিলাদের ২০ বছরের উর্ধে বিভাগে বাড়ীর গৃহিনীরা অংশগ্রহণ করেছিল। প্রতি বিভাগের প্রথম স্থানাধিকারীকে নিয়ে হয় চ্যাম্পিয়ান অফ  চ্যাম্পিয়ান প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয় মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থার তানিস্ঠা দাস এবং রানার্স হয় মালদা রায়ন্তিকা যোগ সেন্টারের রায়ন্তিকা প্রামানিক। এই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে সমগ্র চাঁচল জুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে গেছে।    

  • হবিবপুর ব্লকে খেত নদী উৎসবকে কেন্দ্র করে ফুটবল, কাবাডি ও তিরন্দাজী প্রতিযোগিতা শেষ হল।

     Newsbazar 24,ডেস্ক, ১লা অক্টোবরঃ খেলার জগতে নূতন প্রতিভা কে তুলে আনার পাশাপশি সাধারন মানুষের সাথে পুলিশের জনসংযোগ বাড়াবার জন্য মালদা জেলায় অনুষ্ঠিত হল খেত নদী উৎসব। মালদা জেলা পুলিশের উদ্যোগে এবং হবিবপুর থানার ব্যাবস্থাপনায় কেন্দপুকুর মাঠে গতকাল শেষ হল পুরুষ ও মহিলা দলের কাবাডি প্রতিযোগিতা, তীরন্দাজী প্রতিযোগিতা ও ফুটবল খেলা। উত্তেজনাপূর্ণ  ফুটবল খেলার ফাইনালে  অংশগ্রহণ করেছিল খোচকান্দর জিতু মেমোরিয়াল ও রানার্স মঙ্গলপুরা প্রগতি  সংঘ। চ্যাম্পিয়ান খোচকান্দর জিতু মেমোরিয়াল এবং রানার্স মঙ্গলপুরা প্রগতি সংঘ। কাবাডিতে পুরুষ বিভাগে বিজয়ী হবিবপুর তাইকুন্ডা ক্লাব ও বিজিত কেন্দপুকুর ভাই বন্ধু ক্লাব। তিরন্দাজীতে পুরুষ বিভাগে প্রথম জিশু মারডী,দ্বিতীয় রাবিন হেমরম তৃতীয় রবি মারডী। মহিলা বিভাগে প্রথম প্রমিলা টুডু,দ্বিতীয় গোলাপী মুরমু ও তৃতিয় রিনা টুডু। প্রতিযোগিতার শুভ সূচনা করেন মালদা জেলা পুলিশের ডিএসপি(ডি এন্ড টি) শ্রী শ্যামল কুমার মণ্ডল। তিনি বলেন খেলাধুলার মধ্য দিয়ে আমরা আদিবাসী সম্প্রদায় সহ সাধারন মানুষের সাথে পুলিশের যোগাযোগ নিবিড় করতে চাই।  এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হবিবপুর ব্লকের বিডিও শ্রী শুভজিত জানা, হবিবপুর থানার আই সি ত্রিদিব প্রামানিক। প্রতিযোগিতা শেষে সফল  প্রতিযোগীদের হাতে পুরুস্কার তুলে দেন তারা।     

  • কোরিয়া ওপেনের কোয়ার্টার-ফাইনালে ভারতীয় শাটলার সাইনা নেহওয়াল

    Newsbazar 24 ডেস্ক,২৭ সেপ্টেম্বরঃ কোরিয়া ওপেনের BWF ওয়ার্ল্ড টুর সুপার ৫০০তে ভারতীয় শাটলার সাইনা নেহওয়াল  কোরিয়ার কিম গা ইউনকে হারিয়ে  কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছালেন । কোরিয়া ওপেনের একমাত্র ভারতীয় হিসেবে সাইনা নেহওয়াল টিকে আছেন এখনও। বুধবার BWF ওয়ার্ল্ড টুর সুপার ৫০০ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে কিম হিয় মিনকে ২১-১২, ২১-১১ -এ পরাজিত করে প্রাক-কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠেন সাইনা। প্রাক-কোয়ার্টার ফাইনালে স্থানীয় কোয়ালিফায়ার কিম গা ইউনের সম্মুখীন হয়েছিলেন। ২১-১৮, ২১-১৮ স্কোরে ৩৭ মিনিটের লড়াইয়ের পর কিম গাকে হারান সাইনা।১০-২ স্কোরে এগিয়ে শুরু করেও কিমের লড়াকু মনোভাবের জেরে গেম ব্রেকে স্কোর ১০-৮ হয়ে যায়। বিরতির পরে সাইনা ১৬-১০ পয়েন্টে এগিয়ে যান। কিন্তু কিম গা ছয় পয়েন্ট জিতে গেমের স্কোর ১৮-১৮ করেন। কিন্তু সাইনা প্রয়োজনীয় তিনটি পয়েন্ট দখল করে প্রথম গেমে জয় নিশ্চিত করেন। দ্বিতীয় গেমে কিম গা ইউন ৮-১ এর ব্যবধানে এগিয়ে শুরু করেন। অভিজ্ঞ সাইনা ধীরে ধীরে ১০-১৩ স্কোরে গেমে ফিরে আসেন। তারপরে পরপর সাতপয়েন্ট জিতে কোরিয়ানকে ১৭-১৩ পেছনে ফেলে দেন এবং ম্যাচ জিতে নেন।  প্রথম রাউন্ডে সেরকম কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে হয়নি সাইনাকে। অবশ্য প্রাক-কোয়ার্টার ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। পঞ্চম বাছাই সাইনা নেহওয়ালের সামনে কোয়ার্টার ফাইনালে কঠিন প্রতিপক্ষ। তৃতীয় বাছাই জাপানি নজমি ওকুহারার মুখোমুখি হবেন তিনি। এর আগের নয়বারের সাক্ষাতে সাইনা ওকুহারার বিপক্ষে ৬-৩-এ এগিয়ে আছেন। যদিও শেষের দুটো সাক্ষাতে সাইনাকে হারতে হয়েছে ওকুহারার কাছে। প্রসঙ্গত এই বছর ১৮ তম এশিয়ান গেমসে এবং কমনওয়েলথ গেমসে সোনা এবং একটি ব্রোঞ্জ জিতেছেন সাইনা নেহওয়াল   ।  

  • চরম দারিদ্র ও প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে সফল মালদার দুই কিশোরী।

    কার্ত্তিক পাল, মালদাঃ চরম দারিদ্র ও প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে সফল মালদার দুই কিশোরী। সম্প্রতি বিহারের পাটনায় অনুষ্ঠিত পূর্বাঞ্চলীয়  অ্যাথলেটিকস মিটে সোনা ও রুপো জিতে নিল মালদার দুই মেয়ে সপ্তমী মণ্ডল ও শিখা মণ্ডল।  শহরের কাছেই পিছিয়ে পরা এলাকা জাহাজফিল্ড। সেখানকার বাসিন্দা এরা দুই জন। সপ্তমীর পিতা অমল মণ্ডল একজন  সবজি বিক্রেতা। তার তিন ছেলেমেয়ের মধ্যে সপ্তমী সবার বড়।শৈশব থেকেই অভাব অনটন ও দারিদ্রের সঙ্গে প্রতিদিন লড়াই করতে করতে আজ এই জায়গায় পৌছেছেন। এখনও প্রাকটিসের পর টিফিন জোটেনা, দুই বেলা আহার ঠিকমত জোটেনা তবুও প্রাকটিস চালিয়ে যেতে হয় কারন তাড়া দেন কোচ কাম গাইড শ্রী মানস রায় বর্মণ। যিনি তার কিছু সহকর্মীকে নিয়ে নিজেদের পকেটের পয়সা খরচ করে গড়ে তুলেছেন ‘প্রতিভার সন্ধানে’ নামে এক অ্যাথলেটিকস কোচিং  সেন্টার । যেখানে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া  ছেলেমেয়েদের নিয়ে নিজেদের অর্থ শ্রম দিয়ে তিলে তিলে গড়ে তুলছেন। রোজ বিকাল ৩টা বাজলেই জাহাজফিল্ডের মাঠে শুরু হয়ে যায় এদেরকে নিয়ে প্র্যাকটিস। এনাদের কোচিং এ সপ্তমী বিগত ৩ বছর ধরে রাজ্য ও জাতীয় স্তরে পদক লাভ করেছে এর আগে সে ২০১৫ সালে রাজ্য অ্যাথলেটিকসে অনুর্ধ ১৮ বিভাগে  ৫ হাজার মিটার দৌড়ে রুপো, ২০১৬ সালে  রাজ্য অ্যাথলেটিকসে সোনা ও পূর্বাঞ্চলে রুপো, ২০১৭ সালে রাজ্যে  রুপো ও পূর্বাঞ্চলে ব্রোঞ্জ জিতেছিল। কিন্তু, এবছর অনুর্ধ ২০ বিভাগে  রাজ্য  ও পূর্বাঞ্চল দুই জায়গাতেই ১০০০০  মিটার ওয়াকিং রেসে সোনা জিতেছে সপ্তমী। পাশাপাশি সপ্তমীর পড়াশুনার দিকেও এদের নজর ছিল । তাই তো সপ্তমীকে গত বছর  খেলাধুলার সাথে সাথে পড়াশুনায় কোচিং দিয়ে মাধ্যমিক পাস করিয়েছেন। আগামীতে যাতে অ্যাথলেটিকসে আরও উন্নতি লাভ করতে পারে এবং প্র্যাকটিসটা চালিয়ে যেতে পারে তার জন্য সপ্তমীকে শহরের বাইরে পুরাতন মালদার মাধাইপুর এ আর হাই স্কুলে একাদশ স্রেনীতে ভর্তি করিয়েছেন। অপরদিকে, পূর্বাঞ্চলীয় অ্যাথলেটিকসেই অনুর্ধ ১৮ বিভাগে  ৩ হাজার মিটার দৌড় বিভাগে রুপো জিতেছে মালদার শিখা মণ্ডল। শিখা নঘরিয়া হাইস্কুলের ক্লাস টেনের ছাত্রী।  শিখার বাবাও পেশায় একজন ভ্যান চালক। শিখাকে অবশ্য কোচিং করান মালদা জেলার অ্যাথলেটিকসের কারিগর শ্রী পুলক ঝা।        

  • তৃতীয় বর্ষ আন্তঃ জেলা সন্তরণ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল মালদায়

    সুমিত ঘোষ,১৫ সেপ্টেম্বর: মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে তৃতীয় বর্ষ আন্তঃ জেলা সন্তরণ প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল শনিবার। দু'দিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় পাঁচটি জেলার প্রায় ১৫০ জন সাঁতারু এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক শুভেন্দু চৌধুরী, প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ রাধাগোবিন্দ ঘোষ, জেলা ক্রীড়া সন্তরণ বিভাগের সম্পাদক দেবব্রত সাহা সহ অন্যান্য অতিথি ও ক্রীড়া প্রেমিরা। দু'দিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় মালদা, মুর্শিদাবাদ কলকাতা, জলপাইগুড়ি ও দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রায় ১৫০ জন সাঁতারু পাঁচটি বিভাগের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। দ্বিতীয় দিনে জেলা ক্রীড়া সংস্থার ৩১তম বার্ষিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। রবিবার প্রায় ৬০০ জন প্রতিযোগিদের নিয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। কলকাতা থেকে আগত সপ্তর্ষি দত্ত জানান, মালদা জেলায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পেরে তাঁরাও খুশি। ক্রীড়া সংস্থার আতিথেয়তায় তাঁরা মুগ্ধ। তাঁরা ভবিষ‍্যতেও মালদায় এধরণের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে চান।  ভিডিও না আসলে একটু অপেক্ষা করুন.....