অন্য খেলা

  • এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে সেমিফাইনালে হেরে গেলেন সাইনা ও প্রণয়।

    ডেস্ক, ২৯শে এপ্রিল  : এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভারতের পরাজয়।   এর ফলে ব্রোঞ্জ  নিয়েই  সন্তুষ্ট থাকতে হল দুই ভারতীয় খেলোয়াড়  সাইনা নেহওয়াল এবং এইচ এস প্রণয়কে। শুক্রবার এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে পিভি সিন্ধু এবং কিদাম্বি শ্রীকান্ত হেরে  গেলেও সেমিফাইনালে ওঠা সাইনা এবং প্রণয়কে ঘিরে ভারতের  আশা ছিল। কিন্তু শনিবার হতাশ করলেন  এই দুই ভারতীয় শাটলার।পুরুষদের সিঙ্গলসে সেমিফাইনালে অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন ও টুর্নামেন্টের তৃতীয় বাছাই চিনের চেন লং-র কাছে হারলেন এইচএস প্রণয়।  স্ট্রেট গেমে প্রনয় পরাজিত হলেন,  খেলার ফল ২১-১৬, ২১-১৮। অন্যদিকে মহিলাদের সিঙ্গলসে সেমিফাইনালে শেষ চারের লড়াইয়ে সাইনা হারলেন বিশ্বের এক নম্বর ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় তাইওয়ানের তাই সু ইংয়ের কাছে। প্রথম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও ২৫-২৭ ফলে হারেন। আর দ্বিতীয় গেমে ২১-১৮ তে জিতে নেন তাই সু।  

  • কমনওয়েলথ গেমসের টেবিল টেনিসে ভারতের প্রতিনিধিত্বকারী মৈত্রেয়ী সরকার মালদার গর্ব।

    ডেস্ক, ২৯শে এপ্রিলঃ মালদার  মৈত্রেয়ী সরকার ২১ তম কমনওয়েলথ গেমসের টেবিল টেনিসে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং ব্যাক্তিগত বিভাগে পঞ্চম স্থান অধিকার করছেন। তিনি পেশায় একজন ডাক্তার। তিনি একসময় মালদা ক্লাবে টেবিল টেনিস প্রশিক্ষন নিতেন এবং মালদা ক্লাবে প্রশিক্ষন নিতে নিতে তিনি কলকাতায় খেলার সুযোগ পান এবং পরবর্তীকালে কলকাতায় থেকে বিভিন্ন রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায় সাফল্য  লাভ করে ভারতীয় দলে সুযোগ পান এবং কমনওয়েলথ গেমসের যোগ্যতামান অতিক্রম করেন।  এবং পাশাপাশি তার ডাক্তারি পড়াশুনা চালিয়ে যান। সম্প্রতি ২১ তম কমনওয়েলথ গেমসের টেবিল টেনিসে পদক না পেলেও তার খেলা সকলের নজর কাড়ে। এবং  ব্যাক্তিগত বিভাগে পঞ্চম স্থান অধিকার করছেন। মালদা ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।      

  • মালদা জেলা মহিলা কাবাডি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দোহিল হাই স্কুল

    ডেস্ক, ১৬ই এপ্রিলঃ মালদা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার পরিচালনায় ও মালদা স্পোর্টস ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায় মালদা অনীক সংঘের ময়দানে মালদা জেলা মহিলা কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।চ্যাম্পিয়ন হয় দোহিল হাই স্কুল,রানার্স হয় গাজোল ব্লক ক্রীড়া সংস্থা।ফাইনালে খেলার ফল 24-12 পয়েন্ট।চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স দল গুলিকে ট্রফি ও নগদ আর্থিক পুরস্কার এবং প্রত্যেক খেলোয়াড় কে পুরস্কৃত করা হয়।অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর সুমালা আগরওয়ালা,গায়ত্রী ঘোষ,শিপ্রা রায়,অণ্জ্ঞু তেওয়ারি, এবং  নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি ও গোবিন্দ বসাক মহাশয়।

  • কমনওয়েলথ গেমসের শেষ দিনেও পদক,তৃতীয় স্থানে ভারত।

    ডেস্ক ১৫ই এপ্রিল: রবিবার গোল্ড কোস্টে শেষ হল ২১তম কমনওয়েলথ  গেমস। ২৬ টি সোনা, ২০টি রুপো এবং ২০টি ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে পদক তালিকায় তৃতীয় স্থানে  ভারত।  মোট পদক এসেছে ৬৬টি। শেষদিন এল সাতটি পদক। মহিলাদের ব্যাডমিন্টনের সিঙ্গলসের ফাইনালে পিভি সিন্ধুকে হারিয়ে সোনা পেলেন সাইনা নেহওয়াল। ২০১০ সালে নয়াদিল্লি কমনওয়েলথ গেমসের পর  আবার এই প্রতিযোগিতায় সোনা পেলেন সাইনা।  আজ এই একটিই সোনা পেল ভারত। রুপো অবশ্য এসেছে চারটি এবং দু’টি ব্রোঞ্জ। ২০১৪ সালে গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে মোট ৬৪টি পদক জিতেছিল ভারত। যার মধ্যে ১৫টি সোনা, ৩০টি রুপো এবং ১৯টি ব্রোঞ্জ জিতেছিল ভারত। পদক তালিকায় ভারত ছিল ৫ নম্বর স্থানে। ২০১৮ সালে গোল্ড কোস্টে সেখানে ভারতের মোট পদক সংখ্যা ৬৬, যেখানে ২৬টি সোনা জিতেছেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। পদক তালিকায় তিন নম্বর স্থানে শেষ করেছে ভারত। গ্লাসগোতে বক্সিংয়ে ৪টি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ নিয়ে মোট ৫টি পদক জিতেছিল ভারত। এবার গোল্ড কোস্টে বক্সিংয়ে মোট ৯টি পদক জিতেছে ভারত, ৩টি করে সোনা,রুপো এবং ব্রোঞ্জ।  সবমিলিয়ে পারফরম্যান্সের নিরিখে এবং পদকের নিরিখেও গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসকে টেক্কা দিল গোল্ড কোস্ট।

  • কমনওয়েলথের নবম দিনেও ভারতের পদক সংখ্যা ৩৫ , সোনা পেলেন তেজস্বিনী, অনীশ,

    ডেস্ক, ১৩ই এপ্রিলঃ কমনওয়েলথের নবম দিনে সোনা জিতলেন তেজস্বিনী সাওয়ন্ত। এদিন ৫০ মিটার রাইফেল ইভেন্টে সোনা জিতেছেন তিনি। এছাড়া অঞ্জুম মোডগিল রুপো জিতেছেন। এদিন শ্যুটিংয়ে আরও একটি সোনা জিতেছে ভারত। পুরুষদের ২৫ মিটার রাপিড ফায়ার পিস্তল ইভেন্টে দেশের হয়ে ১৬-তম সোনা এনে দিলেন অনীশ। এর পাশাপাশি এদিন ভারতের আরও  পদক জেতার সম্ভবনা উজ্জল হয়েছে। টেবল টেনিসে মনিকা বাতরা, ব্যাডমিন্টনে অশ্বিনী পোন্নাপ্পা, বক্সিংয়ে বজরং পুনিয়া, কুস্তিতে মৌসম খাত্রি, টেবল টেনিসে মৌমা দাস, স্কোয়াশে দীপিকা পাল্লিকাল, ৪০০ মিটার রিলে রেসে ভারতীয় পুরুষ দলের   পদক জয়ের কাছাকাছি রয়েছে। এদিন ভারতের হয়ে ২৫ মিটার রাপিড ফায়ার পিস্তল ইভেন্টে ইতিহাস তৈরি করে ১৫ বছর বয়সী অনীশ ভানওয়ালা সোনা জেতেন। এত কমবয়সে কেউ ভারতের হয়ে সোনা জেতেননি। বক্সিংয়ে ভারতের অমিত পাংগাল ৪৬-৪৯ কেজি বিভাগে উগান্ডার জুমা মিরোকে হারিয়ে পদক জয়ের দোড়গোড়ায় রয়েছেন। কিদাম্বী শ্রীকান্ত পুরুষদের সিঙ্গলসকে ব্যাডমিন্টনের সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন। এছাড়া ব্যাডমিন্টনে সাইনা নেহওয়ালও মহিলাদের সিঙ্গলসে সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন। ফলে এদিন ভারত আরও পদক জিতবে বলে আশা করাই যায়।   মহিলাদের ৫০এম রাইফেল শ্যুটিং প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ পদক জয়ী তেজস্বিনী সাওয়ান্তকে এবং রৌপ্য পদক জয়ী  আঞ্জুম মৌদগিলকে   অভিনন্দিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী।  তাঁদের  এই সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন“দু’দিনে পর পর দুটি পদক! মহিলাদের ৫০এম রাইফেল শ্যুটিং প্রতিযোগিতায় সোনা জিতে নেওয়ার জন্য অভিনন্দন জানাই তেজস্বিনী সাওয়ান্তকেএবং “মহিলাদের ৫০এম রাইফেল শ্যুটিং প্রতিযোগিতায় রৌপ্য পদক জয়ী আঞ্জুম মৌদগিলের জন্য আমরা গর্বিত।” পাশাপাশি ২৫ মিটার রাপিড ফায়ার পিস্তল ইভেন্টে স্বর্ণ পদক জয়ী ১৫ বছর বয়সী অনীশ ভানওয়ালাকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন।  

  • কমনওয়েলথে শুটিংএ এক বঙ্গতনয়ার পদক লাভ এবং ব্যাডমিন্টনের মিক্সড টিম প্রথমবার সোনা পেল

                ডেস্ক, ৯ এপ্রিল : ভারত আবার শুটিংয়ে  পদক জয় করল   এক বঙ্গতনয়ার হাত  ধরে।  কলকাতার মেহুলি ঘোষ ১০ হাজার মিটার এয়ার রাইফেলে রূপো জিতলেন তিনি। এই ইভেন্টে ব্রোঞ্জও এসেছে ভারতের ঝোলায়। জিতেছেন অপূর্বী চান্দেলা। ২৩৩.৫ স্কোর নিয়ে সোনা জিতে নেন অস্ট্রেলিয়ার কেরি বেল। সোনা জয়ের একদম কাছে পৌঁছনোর পরেও কার্যত টাইব্রেকারে বাজি মেরে যান অস্ট্রেলিয় শুটার।একটা সময় দুজনেই কমনওয়েলথ রেকর্ড ২৪৭.2 পয়েন্টে টাই  ছিলেন। এরপর মেহুলি ৯.৯ স্কোর করেন। অন্যদিকে  মার্টিনা ১০.৩ স্কোর করেন।২২৫.৩ স্কোর করে ব্রোঞ্জ পান অপূর্বী।  অন্য দিকে ব্যাডমিন্টনের মিক্সড টিম কমনওয়েলথে প্রথমবার সোনা এনে দিল ভারতকে।   ভারতের ব্যাডমিন্টন দল যৌথ প্রচেষ্টায় কমনওয়েলথের পঞ্চম দিনে ব্যাডমিন্টনের মিক্সড টিম   সোনা এনে দিল ভারতকে। এই প্রথমবার সাইনা নেহওয়াল, কিদম্বী শ্রীকান্তরা সোনা ঘরে তুললেন। অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে অশ্বিনী পোন্নাপ্পা, সাত্ত্বিক রঙ্কিরেড্ডি, কিদম্বী শ্রীকান্ত ও সাইনা নেহওয়ালরা একসঙ্গে অসাধারণ খেলে ৩-১ ব্যবধানে জিতে সোনা নিশ্চিত করলেন।শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, স্কটল্যান্ড মরিশাস ও সিঙ্গাপুরকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত।  

  • কমনওয়েলথ গেমসে টেবল টেনিসে বিশ্বকাপের মত সেরা ভারত

    ডেস্ক, ৮ই এপ্রিলঃ  কমনওয়েলথ গেমসে রবিবারই সকালে পরপর  সোনা পায় ভারত। এয়ার পিস্তল ও ৬৯ কেজি ভারোত্তোলনে থেকে সোনাপ্রাপ্তির পর এবার টেবিল টেনিসে সোনা আনলেন মৌমা দাসরা। ভারতের সপ্তম সোনা এল টেবিল টেনিস থেকে।  মহিলাদের দলগত টেবল টেনিসে সিঙ্গাপুরকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে সোনা জিতল ভারত। বিশ্ব মিটের পর কমনওয়েলথেও টেবিল টেনিসে সেরা হল ভারতের মেয়েরা। আর এই জয়ে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করলেন মৌমা দাস। এদিন সকালে ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে রুপো জিতেছেন হিনা সিধু। তার আগে ভারোত্তোলনের ৬৯ কেজি বিভাগে সোনা জেতেন পুনম যাদব। বেনারসের দাদপুর গ্রাম থেকে উঠে আসা পুনমের বাবা পেশায় একজন কৃষক। মেয়ের খেলার জন্য চারটি মহিষ বিক্রি করে দেন তিনি। বাবাকে হতাশ করেননি পুনম। হতাশ করেননি দেশকেও। কমনওয়েলথে সোনার মেয়ে হলেন পুনম।  ভারত সাতটি সোনা, দুটি রূপো ও দুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতে এখন পর্যন্ত পদক তালিকায় তিন নম্বরে উঠে এসেছে। । এদিন তিনটি সোনার পদক আনার পাশাপাশি ৯৪ কেজি ভরোত্তোলনে ব্রোঞ্জ জেতেন বিকাশ ঠাকুর। তিনি মোট ৩৫১ কেজি ওজন তুলেছেন। এদিন ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে ব্রোঞ্জ জেতেন রবি কুমার। এদিকে ব্যাডমিন্টনে মিক্সড ইভেন্টেও ফাইনালে উঠেছে ভারত। সাইনা-শ্রীকান্তের দারুন পারফরম্যান্সে ভর করে ভারত পৌঁছে গিয়েছে ফাইনালে। এর পাশাপাশি বক্সিংয়েও পদক নিশ্চিত করেছেন মেরি কম। তিনি ৪৮ কেজি বিভাগে সেমিফাইনালে উঠেছেন।  

  • ২১তম কমনওয়েলথ গেমসের প্রথম দিনেই ভারতের সোনা ও রূপোর পদক।

    ডেস্ক, ৫ এপ্রিল : ২১তম কমনওয়েলথ গেমসের প্রথম দিনেই সোনার পদক পেয়ে ভারতকে গর্বিত করলেন  চানু মীরাবাঈ। ওয়েট লিফটিং এ মহিলাদের ৪৮ কেজি বিভাগে এদিন লড়ে সোনা লাভ করেন  তিনি। ছয়টি লিফ্টে ছয়বার রেকর্ড করে শেষপর্যন্ত সোনা পেয়েছেন তিনি। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার কমনওয়েলথ গেমসে পদক পেলেন চানু। চারবছর আগে গ্লাসগোতে রুপো পেয়েছিলেন তিনি। দারুণ পারফরম্যান্সের ফলে নাইজেরিয়ার অগাস্তিনা ওয়াকোলোকেও পিছনে ফেলে দিলেন চানু। ২০১০ কমনওয়েলথ গেমসে নাইজেরিয়ার ভারোত্তোলক অগাস্তিনা ১৭৫ কেজি ওজন তুলে রেকর্ড গড়েছিলেন। আট বছর বাদে ভারতের হয়ে চানু সোনা জিতে ছাপিয়ে গেলেন সকলকে। চানুর সোনা জয়ের পাশাপাশি পুরুষ বিভাগে রুপো জিতলেন গুরুরাজা। চানুর সোনা জেতার আগেই পুরুষদের ৫৬ কেজি বিভাগে রুপো জিতেছিলেন তিনি। গুরুরাজার হাত ধরেই এবার কমনওয়েলথ গেমসে পায় প্রথম পদক। তবে চানুর পারফরম্যান্স সবকিছুকে ছাপিয়ে গেল। এদিন ভারতীয় এই ভারোত্তলোক মোট ২৪৯ কেজি তোলেন। এই ইভেন্টে সোনা গেছে মালয়শিয়ার ঝোলায়। আর ব্রোঞ্জ জেতেন শ্রীলঙ্কার অ্যাথলিট। মালয়শিয়ার ভারোত্তলক মোট ২৬১ কেজি তুলে সোনা জিতে নেন। এদিকে মহিলাদের মিক্সড টিম ইভেন্টে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাডমিন্টনে ৫-০ হারিয়ে দিলেন ভারতীয় শাটলাররা। অন্যদিকে টেবল টেনিসেও শ্রীলঙ্কাকে ৩-০ হারাল ভারতীয় দল। যদিও ভারতীয় মহিলা টেবল টেনিস দল নিজেদের ওপেনিং ম্যাচে ওয়েলসের কাছে হেরে যান।

  • কমনওয়েলথ গেমস ভিলেজে বাবার নাম বাদ নিয়ে ক্ষুব্ধ সাইনা নেওয়াল।

    ডেস্ক, ৩রা এপ্রিল : কমনওয়েলথ গেমসএ অংশগ্রহণ করার জন্য গোল্ড কোস্টে পৌঁছে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা সাইনা নেহওয়াল জানতে পারেন যে  কমনওয়েলথ গেমস ভিলেজে সরকারি কর্তাদের তালিকা থেকে  তার বাবা  হরবীর সিংয়ের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।   এই নিয়ে  রীতিমত ক্ষুব্ধ ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা একের পর এক টুইট করে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দেন। এবার সাইনার সব দাবি এক টুইটেই উড়িয়ে দিল আইওএ। সোমবারই সাইনা টুইট করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন, "যখন কমনওয়েলথ গেমসের জন্য আমরা রওনা হলাম, তখন আমার বাবাকে অন্যতম সরকারি কর্তা হিসেবে দলের সঙ্গে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। তার জন্য পুরো টাকা আমি দিয়েছিলাম। কিন্তু যখন আমরা গেমস ভিলেজে পৌঁছে দেখলাম, বাবার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। বাবা আমার সঙ্গে থাকতে পারবেন না। গোটা ঘটনায় আমি অবাক।" সাইনার আরও অভিযোগ ছিল, " তিনি (বাবা) খেলা দেখতে পারবেন না। গেমস ভিলেজে ঢুকতে পারবেন না, এমনকী তাঁর সঙ্গে দেখাও করতে পারবেন না। এ কী ধরণের সমর্থন?"সাইনা নেহওয়াল এবার আর নিজের ক্ষোভ নিজের মধ্যে রাখলেন না। এবারের টুইটে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের তরফে টুইট করে সাইনাকে জানানো হয়, হরভীর সিং-র নাম অতিরিক্ত কর্মকর্তা হিসেবে নথিভুক্ত আছে। কিন্তু যে পরিমান পারিশ্রমিক দেওয়া আছে তাতে গেমস ভিলেজে থাকার জন্য বরাদ্দ নয়।  টুইটের সঙ্গে গোল্ড কোস্ট গেমস ভিলেজের 'এক্সট্রা অফিসিয়াল'দের জন্য নিয়ম নীতিও জুড়ে দিয়েছে আইওএ। সাইনা লিখেছেন, ভারত থেকে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার সময় তাঁর বাবা দলীয় আধিকারিক হিসেবে তাঁদের সঙ্গে ছিলেন। বাবার পুরো খরচও দেন তিনি। এরপরেও গোল্ড কোস্ট গেমস ভিলেজে আসার পর দেখা গেল আধিকারিক তালিকায় তাঁর বাবার নাম নেই। সাইনার সঙ্গে তিনি থাকতেও পারবেন না।  

  • অল ইংল্যান্ড বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে থেকে বিদায় ভারতীয় শাটলার পিভি সিন্ধুর ।

    ডেস্ক, ১৮ ই মার্চঃ:  অল ইংল্যান্ড বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে হেরে  টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেন ভারতীয় শাটলার পিভি সিন্ধু । শনিবার রাতে, বার্মিংহামে রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনাল ম্যাচে ২১-১৯, ১৯-২১ ও ১৮-২১ গেমে বিশ্বের ২ নম্বর জাপানের আকানে ইয়ামাগুচির কাছে হেরে যান সিন্ধু। ম্যাচটি প্রায় দেড়  ঘণ্টা  ধরে চলে। খেলার পর সিন্ধু বলেন, আজ আমার দিন ছিল না। আমি আজ খেলায় ১০০ শতাংশ উজাড় করে দিয়েছিলাম। কিন্তু ভাগ্য আমার সাথ দেয়নি।  জীবনে চড়াই উতরাই  আছে। কেউ জিতলে  কেউ হারে। এক-একটি পয়েন্টের জন্য দীর্ঘ র‍্যালি চলেছে । আকানে আজ  ভাল খেলেছে। সিন্ধু আরও বলেন  , তিনটি গেমেই টাই-ব্রেক সোজা কথা নয়। স্রেফ ২-৩ পয়েন্ট গোটা পার্থক্য গড়ে দিল। শেষের দিকে ম্যাচ যে কেউ জিততে পারত। প্রতিযোগিতা ভাল কেটেছে। ভবিষ্যতে, আরও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ফিরব এই আশা রাখি।

  • অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে পিভি সিন্ধু সেমিফাইনালে।

    ডেস্ক, ১৬ ই মার্চঃ ভারতীয় শাটলার পিভি সিন্ধু ব্যাডমিন্টনের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যে ওকুহারার কাছে হেরে সোনার পদক হারাতে  হয়েছিল তাঁকে হারিয়ে অল ইংল্যান্ড বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলেন পিভি সিন্ধু। আজ তিনি  দুরন্ত পারফরম্যান্স করেন। তিন গেমের লড়াইয়ের শেষে বিজয়ীর হাসি হাসেন অলিম্পিক্সের রূপোর পদকজয়ী পিভি সিন্ধু।   প্রথম গেমে  হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ২০-২২ হেরে যান তিনি। কিন্তু পরের দুটি গেমে দারুণ কামব্যাক করেন পিভি সিন্ধু। আক্রমণ  ও ধৈর্যের প্রমাণ দিয়ে পরের গেম দুটি বার করে নেন তিনি। খেলার ফল ২১-১৮, ২১-১৮। এক ঘন্টা ২৪ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের পর জয়ের শেষ হাসি তিনি হাসেন।  ম্যাচ জিতে পিভি সিন্ধু জানিয়েছেন, 'আমি এমন অনেক ম্যাচ হেরেছি, যেখানে আমি এগিয়ে ছিলাম। আমি শারীরিক ও মানসিক ভাবে একেক সময় হারতে হয়। কিন্তু তারপরেও দারুণ শক্তিশালী ভাবে ফিরে আসতে হয়। আর যাতে সেটা না হয় সেটা মাথায় রাখতে হয়। ' পাশাপাশি তিনি আরও জানিয়েছেন, 'আমি আমার মানসিক বিষয়টির ওপর কাজ করছি, কারণ অনেক সময় যখন পয়েন্ট প্রয়োজন তখন আমি বাইরে মেরেছি বা নেটে মেরেছি। আমি আত্মবিশ্বাস হারাই ও নার্ভাস হয়ে যাই। তাই এটা শেষ করা দরকার ছিল। ' এদিকে আর এক ভারতীয় পুরুষ শাটলার এইচ এস প্রণয় প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে ইন্দোনেশিয়ার টমি সুগিয়ার্তোকে ৩৮ মিনিটের লড়াইয়ে হারিয়ে কোয়াটার ফাইনালে গেলেন।  প্রণয়ের পক্ষে খেলার ফল ২১-১০,২১-১৯। প্রণয় শেষ আটে পৌঁছলেও হতাশ করলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। চিনের ইউশিয়াং হুয়াংয়ের কাছে ১১-২১, ২১-১৫, ২০-২২ গেমে হারলেন তিনি।    

  • রেলের উদ্যোগে মালদায় শুরু হল কাবাডি প্রতিযোগিতা।

    ডেস্ক, ১৩ই মার্চঃ  রেলওয়ে বোর্ডের উদ্যোগে, পূর্ব রেলওয়ে মালদা ডিভিশানের পরিচালনায় মালদা জেলায় শুরু হল কাবাডি প্রতিযোগিতা। সোমবার মালদার রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনীর (RPF) ট্রেনিং সেন্টার মাঠে খেলার শুভ উদ্বোধন করেন পূর্ব রেলওয়ে মালদা ডিভিশানের  ডিআরএম তনু চন্দ্রা, এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মালদা ডিভিশনের এ,ডিআরএম বিজয় কুমার সাউ, মালদা আরপিএফ এসিটেন্ট কমানডেন্ট জে কে শিবাস্টাব এবং বিভিন্ন পোস্টের ইনস্পেক্টর,ও জওয়েনারা। এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করবেন মালদা, হাওড়া, শিয়ালদহ,  আসানসোল ও জামালপুর ডিভিশানের প্রায় শতাধিক প্রতিযোগী।

  • ১৫ তম ‘মিঃ মালদা’ দেহ সৌষ্ঠব প্রতিযোগিতা

    ডেস্ক, ১৩ই মার্চঃ মালদা ডিসট্রিক্ট ফিজিকাল কালচার অ্যাসোসিয়েশনের  পরিচালনায়  এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল বডি বিল্ডিং এন্ড ফিসিক স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় ১৫ তম ‘মিঃ মালদা’  দেহ সৌষ্ঠব প্রতিযোগিতা (Mr. Malda Body Building Championship 2018) অনুষ্ঠিত হল গতকাল বৃন্দাবনী ময়দানের সামনে মুক্ত মঞ্চে ।জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেছিলেন।মোট ৫ টি বিভাগে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।৫৫ কেজি,৬০ কেজি, ৬৫ কেজি, ৭০ কেজি,  এবং অনূর্ধ ৭০ কেজি ।এই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে প্রচুর দর্শক সমাগম হয়েছিল।প্রদীপ উজ্জলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা করেন বিশিষ্ট .চিকিৎসক নীলরতন সাহা,জেলা ক্রিড়া সংস্থার সম্পাদক  শুভেন্দু  চৌধুরী বিশিষ্ট চক্ষু .চিকিৎসক নীলাদ্রী সাহা ও আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ ।প্রতিটি বিভাগের প্রথম স্থান অধিকারীদের নিয়ে হয়  Mr. Malda প্রতিযোগিতা ।উক্ত প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ান হন .আটলান্টিকা হেলথ সেন্টারের বিক্কি হরিজন ও.রানাস্ হন  কীপ ফিটের প্রদীপ চৌধুরী। চ্যাম্পিয়ানকে নগদ ৫০০০ টাকা ও সুদৃশ্য ট্রফি এবং রানাস্ পান ২০০০ টাকা ও ট্রফি।

  • দীর্ঘ ১৪ বৎসর পর ২০০৪ সালে এথেন্স অলিম্পিক্সে অংশগ্রহণকারী এক ভারতীয় অ্যাথলিট অলিম্পিক্সে পদক পেতে চলেছেন।

    ডেস্ক২রা মার্চঃ দীর্ঘ ১৪ বৎসর পর আর এক ভারতীয় অ্যাথলিট অলিম্পিক্সে পদক পেতে চলেছেন। গত    ২০০৪ সালের এথেন্স অলিম্পিক্সে পঞ্চম হয়েছিলেন ভারতের লং জাম্পার অঞ্জু ববি জর্জ। সেই টুর্নামেন্টে প্রথম , দ্বিতীয়, তৃতীয়  হয়েছিলেন  রাশিয়ার তিন অ্যাথলিট এরা সকলেই ডোপিংয়ে অভিযুক্ত। চতুর্থ হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ব্রাউনি থম্পসন ও ষষ্ঠ হয়েছিলেন জেড জনসন। প্রাথমিক ভাবে অভিযোগ প্রমানিত।   এরপরেই নড়েচড়ে বসেছে ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ব্রিটেনের অলিম্পিক্স অ্যাসোসিয়েশান। তারা সকলে মিলে ইন্টারন্যাশানাল অ্যাসোসিয়েশান অফ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনস বা আইএএএফ কে চিঠি দিয়েছে। নিজেদের প্রতিযোগীদের যাতে পদকগুলি পাইয়ে দেওয়া যায়।  ইন্টারন্যাশানল অলিম্পিক কমিটির কাছে তারা আবেদন করেছেন তিনি অভিযুক্ত রাশিয়ানের পদক পরের তিন প্রতিযোগীকে যেন দিয়ে দেওয়া হয়। যদি আইএএএফ ও আইওসি সহমত হয় তাহলে ভারতের  অঞ্জু ববি জর্জ রূপোর পদক পাবেন। এদিকে ভারতীয় লং জাম্পার জানিয়েছেন তিনি আশাবাদী পদক পাওয়ার বিষয়ে। তিনি জানিয়েছেন তিনটি অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন এক হয়ে আবেদন করেছে ফলে দ্রুত ফল পাওয়া যাবে। এর আগেও এই ধরণের ঘটনার নজির অ্যাথলেটিক্সে রয়েছে সেটাও জানিয়েছেন অঞ্জু ববি জর্জ। যদি  সব কিছু ঠিক ভাবে চললে আগামীদিনে ভারতের আর এক অ্যাথলিট  অঞ্জু ববি জর্জেরনাম অলিম্পিক্স রূপো প্রাপকদের তালিকায় নাম যুক্ত হবে।