ফ�ট বল

  • লাল হলুদের দায়িত্ব নিতে চলেছেন নূতন স্প্যানিশ কোচ আলেজান্দ্রো মেন্ডেজ গার্সিয়া

    Newsbazar24, ডেস্ক, ১৮ আগস্টঃ  চলতি কলকাতা ফুটবল লীগে  ডার্বির আগেই ইস্টবেঙ্গলের কোচ হয়ে আসছেন স্প্যানিশ কোচ আলেজান্দ্রো মেন্ডেজ গার্সিয়া।  তার সঙ্গে  আসছেন ভিডিও অ্যানালিস্ট ম্যারিও রিবেরা ও ফিজিও কার্লোস নাদারকে। বিগত ৩ বছর ধরে (২০০২ থেকে ২০০৫)  তিনি স্পোর্টিং গিজন  ইউথ টিমে এবং ২বছর (২০০৫ থেকে ২০০৭)  রিয়াল মাদ্রিদের ইউথ টিমের কোচ ছিলেন।  তারপর  ২০০৭-এ সেল্টা বি টিমের ম্যানেজার হন। ২০০৮ এ  সেল্টা মূল দলের কোচিং করে ২০০৯-এ চলে আসেন  রিয়াল মাদ্রিদ কাস্টিলায়। ২০১৩-এ রেসিং সান্টাদোর হয়ে চলতি মরশুমে বুর্গোসের দল সামলান এই স্প্যানিশ কোচ। অবশেষে  ভারতে আসতে চলেছেন কলকাতার  লাল-হলুদ ক্লাবে। ক্লাব সূত্রে খবর  কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে । স্প্যানিশ কোচ আলেজান্দ্রো চলে এলেই ছুটি হয়ে যাচ্ছে সুভাষ ভৌমিকের। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তারা যেমন সিনিয়র দল নিয়ে ভাবছেন তেমনই সাপ্লাই লাইন হিসাবে জুনিয়র দল নিয়েও তাদের রয়েছে নানারকমের পরিকল্পনা। পরের বছর ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেললে, তাদের বি দলকে আই লিগ খেলানো যায় কিনা তার জন্য বিনিয়োগকারী সংস্থা ও ফেডারেশনের সঙ্গে কথা বলবেন তারা।এই ব্যাপারে সুভাষ ভৌমিক জানান যে, ক্লাবের তরফ থেকে আগেই সব কিছুই আমাকে জানানো হয়েছে । এই  নিয়ে আর কিছু বলতে চাই না।”  

  • ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশানের সহ সভাপতি সুব্রত দত্ত প্রশাসক হিসাবে আন্তর্জাতিক স্তরে ফুটবল প্রশাসনে

    Newsbazar, 24 ডেস্ক, ১৩ই আগস্টঃ অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ)-এর সহ সভাপতি ও আইএফএ-এর বর্তমান চেয়ারম্যান  সুব্রত দত্ত সাউথ ওয়েস্ট এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সোয়াফ)-এর সহ সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হলেন ।  গতকাল রবিবার সৌদি আরবের জেডডায়  সাউথ ওয়েস্ট এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা  অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সোয়াফের সভাপতি হয়েছেন সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি আদিল ইজ্জাত এবং সহকারী সভাপতি হয়েছেন সুব্রত দত্ত। এর পাশাপাশি কার্যকরী কমিটিতে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং নেপালের প্রতিনিধিরা। চলতি অগস্টের শেষেই ভারতে আসার কথা সাউথ ওয়েস্ট এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি আদিল ইজ্জাতের। এ আইএফএফ সভাপতি প্রফুল পটেলের সঙ্গে দেখা করার কথা তাঁর। জানা গিয়েছে, প্রতি বছর সাড়ে তিন কোটি টাকার করে এআইএফএফ-কে দেবে সোয়াফ। এর পাশাপাশি এএফসি এশিয়ান কাপের আগে আগামী ১৬ নভেম্বর ভারত এবং সৌদি আরবের মধ্যে একটি প্রস্তুতি ম্যাচেরও আয়োজন করেছেন।  

  • জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হল ইস্টবেঙ্গলের ৯৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস,

    Newsbazar24, ডেস্ক, ১ আগস্টঃ আজ ভারতের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ইস্টবেঙ্গলের ৯৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস। জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হল ইস্টবেঙ্গলের ৯৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস, উক্ত অনুষ্টানে  উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, কোয়েস গ্রুপের প্রতিনিধি সুব্রত নাগ, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব, প্রাক্তন মন্ত্রী ক্ষিতি গোস্বামী, জীবনকৃতি সম্মানে সম্মানিত সুরজিত সেনগুপ্ত ও সুনীল ভট্টাচার্য। ভারত গৌরব সম্মানে সম্মানিত গুরবক্স সিংয়ের পরিবর্তে তাঁর ছেলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ক্লাব সভাপতি প্রনব দাশগুপ্ত, সচিব কল্যাণ মজুমদার ও ইস্টবেঙ্গলের কর্তা, সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে।   সৌজন্যের আবহাওয়ায় অনুষ্ঠানের শুরুতে  প্রাক্তন মন্ত্রী ক্ষিতি গোস্বামীকে ডেকে নিজের পাশে বসালেন  ক্রীড়া মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এবং ইস্টবেঙ্গলের অনুষ্ঠানে ফুল নিয়ে ঢুকলেন মোহনবাগানের ফুটবল সচিব বাবুন ব্যানার্জি। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রাক্তন কর্তাদের সশ্রদ্ধ প্রনাম  ও সম্মান জানিয়ে  সচিব কল্যাণ মজুমদার বলেন, এই প্রথমবার ফ্লাডলাইটে খেলবে ইস্টবেঙ্গল। নতুন এক যুগের সূচনায় ক্লাবের সকল সদস্য  সমর্থক শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দন জানান তিনি।ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “ইস্টবেঙ্গলের হার না মানা মনোভাব ভাল লাগে। শুধু খেলাই নয়, একাডেমী করে ইস্টবেঙ্গল নতুন প্রতিভা তুলে আনার চেষ্টা করছে। তবে আমি বাংলার ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বেশি খুশি হব যেদিন ভারত এশিয়ান গেমস বা অলিম্পিকে খেলবে। আর বাংলার ফুটবলার তুলে এনে এই স্বপ্নপূরণের দায়িত্ব ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহামেডানকেই নিতে হবে”। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, “আমি আদ্যন্ত ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। শতবর্ষে চাই  ইস্টবেঙ্গল আই লিগ বা আইএসএল জিতুক”। কোয়েস কর্তা সুব্রত নাগ বলেন, “ইস্টবেঙ্গলের মত  এক বিশাল প্রতিষ্ঠান যার  কয়েক কোটি  সমর্থক সমগ্র  বিশ্ব জুড়ে। তাদের কথা মাথায় রেখেই আমরা ইস্টবেঙ্গলের সাথে গাটছাড়া বাঁধি। আমি  প্রবাসি বাঙালিদের কাছ থেকে  বহু ইমেল পাই। তাদের ইমেল থেকে উৎসাহ পাই। তাতে বুঝতে পারি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক”।  তিনি আরও বলেন এই  মরসুমে ইস্টবেঙ্গল যাতে  আইএসএল- খেলতে পারে তার জন্য , আমরা সাধ্যমত চেষ্টা চালাচ্ছি। এই মরসুমে যদি নাও খেলতে পারি, পরের মরসুমে নিশ্চয়ই খেলব আইএসএল। মোহনবাগানের পক্ষ থেকে  ফুটবল সচিব বাবুন ব্যানার্জি শুভেচ্ছা  জানিয়ে বলেন  “বাংলার  ফুটবল নিয়ে আমি স্বপ্ন দেখি। মোহনবাগান, ইষ্টবেঙ্গল আইএসএল ফাইনাল খেলুক, সেটাই চাই। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান ছাড়া ফুটবল হয় না। আমাদের লড়াই বাংলার মধ্যে। বাংলার বাইরে আমরা বাঙালি”। জীবনকৃতি সম্মানে ভূষিত সুরজিত সেনগুপ্ত বলেন, “জীবনে অনেক সম্মান পেয়েছি। তবে সব থেকে আনন্দ পাই ইস্টবেঙ্গল সম্মান জানালে”। একই সম্মানে সম্মানিত সুনীল ভট্টাচার্য , আনন্দিত  ও  অভিভূত ।  

  • মোহনবাগান দিবসে মোহনবাগান রত্ন দেওয়া হল প্রদীপ চৌধুরিকে।

    Newsbazar24, ডেস্ক,২৯ জুলাই  আজ ছিল মোহনবাগান দিবস। আজ থেকে ঠিক ১০৭ বছর আগে  এই দিনটিতে একদল ভারতীয় খালি পায়ে পরাধীন ভারতে ব্রিটিশ দল ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে শিল্ড জিতে ভারতীয় ফুটবলে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করে ছিল মোহনবাগান। ঐতিহাসিক এই  দিনকে স্মরনে রাখার জন্য  প্রতি বছরই এই দিনে মোহনবাগান দিবস পালন করে  ক্লাব। এই বিশেষ দিনে বিভিন্ন কৃতী ব্যক্তিত্বকে সম্মানিত করে মোহনবাগান। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এবার মোহনবাগান দিবসে গোল্ড কার্ড দেওয়া হল  প্রাক্তন অধিনায়ক থেকে বর্তমান অধিনায়কদের। এই কার্ড দিয়ে  দলের ম্যাচ দেখা ছাড়াও, বেশ  কিছু সুবিধা পাবেন এই অধিনায়করা। চুনী গোস্বামীর হাতে প্রথম কার্ডটি তুলে দেওয়া হল । অথচ, বর্তমান মোহনবাগান সচিব অঞ্জন মিত্র একসময়  এই চুনী গোস্বামীরই সদস্য কার্ড বাতিল করেছিলেন । তাহলে কি নির্বাচনের আগে প্রাক্তনদের মন জয় করার চেষ্টায় মোহন সচিব? এর  পর একে একে গোল্ড কার্ড তুলে দেওয়া হয় অরুময়নৈগম , নঈমউদ্দিন,  ভবানী রায়, শ্যাম থাপা, গৌতম সরকার, কৃষ্ণেন্দু রায়, সত্যজিৎ চ্যাটার্জি, সংগ্রাম মুখার্জি, বাইচুং ভুটিয়া, দেবজিৎ ঘোষ, শিলটন পালসহ আরও অন্যান্য অধিনায়কদের হাতে। তালিকায় সুব্রত ভট্টাচার্যের নাম থাকলেও, কল্যাণীতে ভবানিপুরের অনুশীলন থাকায় এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন নি তিনি। বিদেশীদের মধ্যে  প্রাক্তন অধিনায়ক হিসাবে ব্যারেটো, ওডাফার নাম থাকলেও, কিন্তু নাম নেই সনি নর্দির। যদিও অধিনায়ক হিসেবে ব্যারেটো বা ওডাফার যে সার্ভিস পেয়েছে ক্লাব সেই সার্ভিস পায়নি সোনির থেকে। গত মরশুমে অধিনায়ক হিসেবে সনি শুরু করলেও, চোট পেয়ে মাঝপথে দেশে চলে যান তিনি। তাই হয়ত সনির নাম বিবেচনা করেনি অঞ্জন মিত্ররা। এই বছর মোহনবাগান রত্ন দেওয়া হল প্রদীপ চৌধুরিকে। ক্লাবের প্রতি তাঁর অবদানের কথা মাথায় রেখে মোহনবাগান ক্লাবের সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হল তাঁকে। তাঁকে পরিয়ে দেওয়া হল গোলাপের মালা ও সবুজ মেরুন উত্তরীয়। হাতে তুলে দেওয়া হয় ১ লক্ষ টাকার চেক ও  মোহনবাগান রত্ন। গোস্বামী। ২০১৭-১৮ মরসুমের জন্য বর্ষসেরা ফুটবলার শিলটন পালকে পুরস্কৃত করলেন মন্ত্রী অরূপ রায়। অনুষ্ঠানে এসেছিলেন শিলটনের মা।  ফুটবল বিভাগের মতোই পুরস্কৃত করা হল  গত মরসুমের ক্রিকেটে মোহনবাগানের নাম উজ্জ্বল করা ক্রিকেটার সুদীপ চ্যাটার্জি হাতে পুরস্কার তুলে দেন চুনী গোস্বামী।  ২০১৭-১৮ মরসুমে সেরা যুব ফুটবলার হিসাবে সৌরভ দাসের হাতে পুরস্কার তুলে দেন রাধেশ্যাম আগরওয়াল।  বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হল রহিম আলিকে। অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে ভারতের  হয়ে জার্সিতে ভাল খেলার জন্য এবং ২০১৭-১৮ মরসুমের আই লিগে ভাল ফল করার জন্য বিশেষ পুরস্কারে সম্মানিত করা হচ্ছে রহিমকে। সর্বশেষে চালু করা হল  ক্লাবের নতুন ওয়েবসাইট – www.mohunbaganac.co.org    

  • দর্শকদের জন্য 24 ঘণ্টার হেল্পলাইন ও বিমার ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব

    Newsbazar 24, ডেস্ক, ২৭ জুলাই :বাংলার ঐতিয্যবাহী ইস্টবেঙ্গল ক্লাব মাঠে খেলা দেখতে আসা সব দর্শক সমর্থকদের জন্য এক অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করল। খেলা দেখতে আসা সব দর্শকদের চিকিৎসার সাহায্য করার জন্য ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন চালু করার পরিকল্পনা করেছে ইস্টবেঙ্গল। ক্লাবের অন্যতম কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার আরও জানিয়েছেন, শুধুমাত্র ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সমর্থক নয় অন্য যে কোনও ক্লাবের কোনও সমর্থক যদি এই ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইনে চিকিৎসা সংক্রান্ত   কোন সাহায্য চান , তাহলে তাদের পাশেও  দাঁড়াবে ইস্টবেঙ্গল। চিকিৎসা সংক্রান্ত দরকারে কোনও হাসপাতালে গেলে সুবিধা পাওয়া যাবে তার দিশা দেখাবে লাল-হলুদের এই হেল্পলাইন। তিনি আরও জানিয়েছেন আমরা এই ব্যাপারে  সমস্ত হাসপাতালগুলিকে  চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেব, যাতে ইস্টবেঙ্গলের এই  হেল্পলাইনের চিঠি নিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে  প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুযোগসুবিধা দেওয়া হয়। অনূর্ধ্ব-১৯ আইএফএ  শিল্ড ফাইনাল দেখে ফেরার সময় আহত হন অনির্বাণ কংসবণিক নামে ইস্টবেঙ্গলের এক সমর্থক। ইতিমধ্যে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা অনির্বাণের চিকিৎসার খরচ বহন করার  কথা ঘোষণা করেছে ইস্টবেঙ্গল। ভবিষ্যতে অন্য কেউ যাতে এই সমস্যায় না পড়ে তার জন্য  ইস্টবেঙ্গল ক্লাব এই উদ্যোগ নেওয়ার চিন্তা করেছে। এছাড়াও  এবার ইস্টবেঙ্গলের  হোম ম্যাচে খেলা দেখতে আসা সকল দর্শককে বিমার আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছে ইস্টবেঙ্গল। যদি কোনও দর্শক আহত হন বা মারা যান তাহলে সংশ্লিষ্ট  দর্শক বিমার সুবিধা পাবেন। বিষয়টিকে বাস্তব রুপ দেবার জন্য  ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিমা সংস্থার সাথে  কথাবার্তা শুরু করা হয়েছে বলে দেবব্রত সরকার জানিয়েছেন।আশা করছি কিছুদিনের মধ্যে আমরা এটা চালু করতে পারব।      

  • মালদার ২ উদীয়মান ফুটবলারের পাশে জেলা প্রশাসন

    কার্তিক চ্ন্দ্র পাল : কে বললো মালদায় কালচার বলতে আম আর গম্ভীরা ! এবার অনূর্ধ্ব ১৮ ভারতীয় দলের বাছাই পর্বে ডাক পেল মালদার ২ উদীয়মান ফুটবলার। আগামী ২৮ তারিখ উত্তরপ্রদেশের কানপুরে নির্বাচন হবে খেলোয়াড়দের। জেলা ক্রীড়া সংঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে মোট ৫জন খেলোয়ার নির্বাচনের ডাক পেয়েছে। তারমধ্যে মালদা জেলা থেকে ২জন রওনা দিচ্ছেন কানপুরের উদ্দেশ্য। যাওয়ার আগে মালদা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাদের হাতে খেলার কীটস ব্যাগ তুলে দেন প্রশাসনিক কর্তারা। সোমবার বিকাল ৫টা নাগাদ,মালদা জেলা প্রশাসনিক ভবনে খেলোয়াড়দের হাতে দুটি খেলার কীটস ব্যাগ তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা শাসক ,জেলা পরিষদ , মলয় মুখোপাধ্যায় , মালদা জেলা ক্রিয়া সংসদের সহ-সভাপতি শান্তনু সাহা সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। উল্লেখ্য, মালদার ইংরেজবাজার থানার মিল্কি অঞ্চলের শ্যামপুর কলোনির বাসিন্দা পেশায় ভ্যানচালক, সেখ ইদুয়ার ছেলে সেখ রাহুল ডাক পেয়েছে অনূর্ধ্ব ১৮ ভারতীয় ফুটবল দলের খেলোয়ার নির্বাচনে। অন্যদিকে পুরাতন মালদার বাসিন্দা পেশায় কৃষক মোজারুল সেখের ছেলে আকমান হোসেন, সেও ডাক পেয়েছে খেলার নির্বাচনে। তবে এদিন আকমান হোসেন উপস্থিত না হলেও, তার খেলার কিটস ব্যাগ তুলে দেওয়া হয় রাহুলের হাতে। দুই খেলোয়াড়ের শুভেচ্ছা কামনা করে জেলা প্রশাসনের কর্তারা।তাদের উদ্যোগে সর্বতোভাবে সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছেন মালদা জেলা প্রশাসন। জেলার ক্রীড়া বিদদের অভিমত ,মালদার এই দুই কৃতি ভারতীয় দলে যদি জায়গা করে নিতে পারে, তাহলে আগামী এশিয়ান স্কুল ফুটবল চাম্পিয়ানশিপ টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে বলে মালদার মানুষ আশা করতে পারেন।মালদার ২ উদীয়মান ফুটবলারের পাশে জেলা প্রশাসন

  • চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে হারিয়ে ১২২তম আইএফএ শিল্ড জিতল ইস্টবেঙ্গল।

    Newsbazar24, ডেস্ক ১৯ জুলাই : আইএফএ শিল্ড  জিতল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার বারাসাতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে ছোটদের ডার্বি ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ১২২তম আইএফএ শিল্ড জিতল  ইস্টবেঙ্গল। ঠিক পনেরো বছর পর শিল্ড হারের বদলা তুলে নিল লাল-হলুদ। ২০০৩ সালে শেষ বার শিল্ড ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই প্রধান। সেই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে শিল্ড জিতে নিয়েছিল সবুজ-মেরুন। এবার ইস্টবেঙ্গলের জুনিয়ার ছেলেরা তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান ক্লাবকে  হারিয়ে শিল্ড জিতে নিল । নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল ১-১ থাকার পর টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে ম্যাচ জিতে নেয় ইস্টবেঙ্গল। এদিন বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে প্রচুর সংখ্যক দর্শক সমাগম হয়েছিল  অনূর্ধ্ব-১৯ ঐতিহাসিক আইএফএ শিল্ডের ফাইনালের সাক্ষী থাকার জন্য। জুনিয়ার ডার্বি হলেও শিল্ড ফাইনালকে ঘিরে উত্তেজনা  ছিল বড়দের ডার্বির মতোই। দুই দলের সমর্থকেরাই প্রিয় দলের একাধিক পতাকা  নিয়ে মাঠে এসেছিলেন । মুখে ছিল রঙের কারুকার্য। অনেকে গোটা শরীরও পেন্ট করান। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই মোহনবাগানকে চাপে রাখে ইস্টবেঙ্গলের তরুণ ফুটবলাররা। দুই দলের খেলার মধ্যেই ধারাবাহিকতা এবং পাসিং ফুটবলের অভাব থাকলেও, তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ম্যাচের রাশ  ইস্টবেঙ্গলের হাতে  থাকলেও, কাজের  কাজটা  করেছিল  মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দিয়েছিলেন সৌরভ দাস। গোল খাওয়ার  খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো একের পর এক আক্রমণ তুলে আনতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু একাধিক আক্রমণ তুলে আনলেও, মোহনবাগানের ছয় গজ বক্সের মধ্যে গিয়ে বারবার ভুল করে ফেলছিল লাল-হলুদ। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দীপ সাহার জোড়াল দুরপাল্লার শট  মোহনবাগান গোলরক্ষককে পরাস্থ করে জড়িয়ে যায় জালে। তবে, এই গোলের ক্ষেত্রে  দীপের থেকেও বেশি অবদান রয়েছে মোহনবাগান  গোলরক্ষক আসাঞ্জা ডায়ামেরির। বল  তাঁর লাইনেই ছিল কিন্তু দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে সেই বল জড়িয়ে যায় জালে। প্রথমার্ধ শেষে খেলার ফল ছিল ১-১। অতিরিক্ত সময়েও গোল করতে  ব্যর্থ  দুই দল। অবশেষে টাইব্রেকারে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দেয় ইস্টবেঙ্গল। টাইব্রেকারে প্রথম শটই বাইরে মারে মোহনবাগান। তাদের দ্বিতীয় শটটি সেভ করে দেয় লাল-হলুদের গোলরক্ষক। এই জয়ের ফলে ২০১২-এর পর ফের একবার আইএফএ শিল্ড জিতল ইস্টবেঙ্গল। এই নিয়ে ২৯ বার শিল্ড জিতল লাল- হলুদ। ফাইনালের আগে পরিসংখ্যানের বিচারে এগিয়েই ছিল ইস্টবেঙ্গল গত চার ম্যাচে ১৭ গোল করা লাল-হলুদ ব্রিগেড হজম করে মাত্র দু'টি গোল। পারফরম্যান্সের বিচারেও এগিয়ে ছিল লাল-হলুদ।  

  • বাংলার ফুটবলে আবার ডার্বি এবার অনূর্ধ্ব-১৯এ উপলক্ষ ১২২তম আইএফএ শিল্ডের ফাইনাল

    Newsbazar24, ১৮ই জুলাইঃ বাংলার ফুটবলে আবার ডার্বি যদিও এখনও ফুটবল মরসুম শুরু হতে বাকী বেশ কয়েকদিন।তবুও বাংলার ফুটবল প্রেমীদের কাছে একটা সুযোগ এসে গিয়েছে ডার্বি উপভোগ করার। উপলক্ষ ১২২তম আইএফএ শিল্ডের ফাইনাল।মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বারাসাত স্টেডিয়ামে ছোটদের ডার্বি ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল- মোহনবাগান।  কিন্তু এই ম্যাচ ঘিরে রয়েছে দারুন উত্তেজনা।  তার উপর ১২২তম আই এফ এ শিল্ডের ফাইনাল। ফাইনালে  মুখোমুখি হচ্ছে গত দু সপ্তাহ ধরে চলা আট দলের লড়াইয়ে সেরা দুই দল। সোমবার টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমির অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৪-১ এ হারিয়ে ১২২তম আইএফএ  শিল্ডের ফাইনালে  ইস্টবেঙ্গল পৌঁছে যায়।  দ্বিতীয় সেমিফাইনালে সেল বার্নপুরের অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ২-১ গোলে হারিয়ে শিল্ডের ফাইনালে জায়গা করে নেয় মোহনবাগান। ফলে খেতাব জয়ের লড়াইয়ে মুখোমুখি চিরকালীন দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান। গত ১৫ বছরে এই প্রথম শিল্ডের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে লাল-হলুদ এবং সবুজ-মেরুন। বৃহস্পতিবার বারাসাত বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই ক্লাব। এই ফাইনালে কে এগিয়ে ? বিগত ম্যাচগুলির পরিসংখ্যান দেখলে  একটু হলেও এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগান যেখানে টাটা ফুটবল একাডেমির বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জিতেছে। সেখানে  একই প্রতিপক্ষের ইস্টবেঙ্গল জিতেছে চার গোলে। যদিও তাদের খেলতে হয়েছে এক্সট্রা টাইম পর্যন্ত। সেমিফাইনালে মোহনবাগান ২-১ গোলে হারিয়েছে বার্নপুর সেইলকে। এই সেইলকেই ৬ গোল দিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের অনূর্ধ্ব ১৯ ফুটবলাররা। এরপরেও ইস্টবেঙ্গলের যেমন আছে লালচানহিমা, ঝন্টু প্রসাদ, সুরঞ্জিত সিংরা। তেমনই তাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য মুখিয়ে আছে সবুজ মেরুনের শুভ ঘোষ, সৌরভ দাস, কৌশিক সাঁতরারা। ইস্টবেঙ্গলের কোচ রঞ্জন চৌধুরী জানান , “মোহনবাগান ভাল দল। ওরা অনেকদিন ধরে একসঙ্গে আছে। আনচেরিও  ওদেরকে ভালভাবে তৈরী করেছে। তবে আমরাও তৈরি।” চোটের জন্য হয়তো সৌরভ মন্ডল অনিশ্চিত। আর মোহনবাগান কোচ আনচেরির কথায়, “ইস্টবেঙ্গল যথেষ্ট কঠিন প্রতিপক্ষ। তবে এই ম্যাচটার আমরাও তৈরি।”

  • রাশিয়ার সামারায় সাম্বা ঝড়ে মেক্সিকো কুপোকাত, কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল।

    Newsbazar24,ডেস্ক, ২ জুলাইঃ  প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে মেক্সিকো বনাম ব্রাজিলের খেলার মূল  নায়ক  নেইমার জুনিয়ার। আর এই নেইমার জুনিয়ারের জন্য ফের একবার  মেক্সিকোকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হল । একাই নেইমারে দ্বিতীয়ার্ধের পর থেকে ছিন্ন-ভিন্ন করে দিল মেক্সিকোকে । যার ফলে  ২-০ গোলে  হারল মেক্সিকো। এদিন খেলার শুরু থেকেই ব্রাজিলকে চেপে ধরার চেষ্টা করে মেক্সিকো। নেইমার ও কুটিনহোকে প্রায় বোতলবন্দি করার মতো করে ছক সাজিয়েছিলেন মেক্সিকআন ডিফেন্ডাররা । আক্রমণভাগের একদম সামনে ছিলেন তিন জন । যার নেতৃত্বে ছিলেন হার্নান্ডেজ। পরিকল্পনামাফিক আক্রমণাত্মক খেলাও শুরু করেছিল মেক্সিকো। কিন্তু, ব্রাজিলের অধিনায়ক থিয়াগো সিলভার নেতৃত্বে থাকা ডিফেন্সকে ভেদ করতে পারছিল না মেক্সিকো। বল দখলের লড়াইয়েও প্রথমার্ধে ব্রাজিলের থেকে অনেক বেশি এগিয়েও ছিল মেক্সিকো। মনে হচ্ছিল ব্রাজিল কিছুতেই হয়তো এদিন আর পাল্লা দিতে পারবে না। জাভিয়ার হার্নান্ডেজের প্রতিটি আক্রমণ মিসাইলের মতো আছড়ে পড়ছিল ব্রাজিল ডিফেন্সের গায়ে। একবার হার্নান্ডেজ সুযোগও পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অফসাইড হয়ে যান এবং ব্রাজিলের গোলকিপার অ্যালিস্সন বেকার হার্নান্ডেজের প্রায় ঘাড়ে উঠে বল ছিনিয়ে নেন। নেইমার সুযোগের অপেক্ষায় সমানে নিজের স্থান বদলে যাচ্ছিলেন। আচমকাই ২৫ মিনিটে তিনি একটি বল পেয়ে দুরন্তভাবে মেক্সিকোর বক্সে ঢুকেও পড়েন। সামনে তখন শুধুই মেক্সিকোর গোলকিপার ওছোয়া এবং অধিনায়ক মার্কোজ সামান্য একটু দূরে। এই ফাঁক দিয়ে ই বল রেখেছিলেন নেইমার। কিন্তু, ওছোয়া দুরন্ত রিফ্লেক্সে কোনওমতে হাতের তালুর নিচের অংশ দিয়ে বলের গতি রোধ করে দেন। বলতে গেলে প্রথমার্ধের খেলায় এই একটিমাত্র সুযোগ ছিল ব্রাজিলের আক্রমণের ।  প্রথমার্ধের খেলা গোল শূন্য অবস্থাতেই শেষ হয়।  কিন্তু, দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতেই তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে নামে ব্রাজিল। একসঙ্গে গোটা দল বল নিয়ে মেক্সিকোর বক্সে পৌঁছনোর চেষ্টা করতে থাকে। এরই ফল স্বরূপ ৫১ মিনিটে মেক্সিকোর বক্সে ঢুকে পড়ে ব্রাজিল দল। বক্সের সামনে পাওয়া পাস স্লাইড করে মেক্সিকোর জালে বল ঢুকিয়ে দেন নেইমার। এরপরই আস্তে আস্তে  মেক্সিকোর ঘাড়ে চেপে বসে ব্রাজিল । এই সময় দুই দলের বল দখলে সমান  সমান থাকলেও, ব্রাজিলের আক্রমণ মেক্সিকোর গোলমুখে বেশী আছড়ে পড়েছে।  প্রথম থেকে ঝড়ের গতিতে খেলার মাসুল অবশ্য এই সময় দিতে থাকে মেক্সিকো। তাদের প্লেয়াররা যে ক্লান্ত হয়ে পড়ছে তা বোঝাই যাচ্ছিল। হার্নান্ডেজকে তুলে নিতে মেক্সিকোর আক্রমণের ঝাঁঝও কমে যায়। ৮৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে সোজা মেক্সিকোর বক্সে ঢুকে পড়েন নেইমার। মেক্সিকোর গোলের একদম সামনে প্রস্তুত হয়েই ছিলেন ফিরমিনো। গোলে বল ঠেলতে কোনও ভুল করেননি তিনি। বলতে গেলে নেইমারের এই অসাধারান  পাস যেন মেক্সিকোর কফিনে শেষ পেড়েকটি পুতে দেয়। আর সেই সঙ্গে মেক্সিকো-র  বিশ্বকাপে -কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার আশা শেষ হয়ে যায়।    

  • রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে ডেনমার্ককে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া

    Newsbazar24, ডেস্ক,২ জুলাইঃ : গতকাল রাতে বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া ও ডেনমার্ক  পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিল। ম্যাচের ৫৭ সেকেন্ডের মাথায়  গোল করেন ডেনমার্কের মাথিয়াস  য়ুর্গেনসেন। বক্সের মধ্যে জটলা থেকে গোল করে ডেনমার্ককে এগিয়ে দেন তিনি। ম্যাচের ৩ মিনিটের মাথায়  র হয়ে মারিও মান্ডজুকিচ গোল করে সমতা ফেরান। আক্রমণ প্রতি আক্রমণে খেলা খুব জমে উঠেছিল। কিন্তু  নির্ধারিত সময়ে  কেঊ গোল করতে পারেননি। ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ম্যাচের ১১৬ মিনিটের মাথায়  ক্রোয়েশিয়া ডেনমার্ক বক্সে ফাউল থেকে পেনাল্টি পায়। তবে অবিশ্বাস্য দক্ষতায় লুকা মডরিচের শট আটকে দেন ডেনমার্কের গোলকিপার ক্যাসপার। শেষ পর্যন্ত খেলা টাইব্রেকারে গড়ায়। ম্যাচ শেষ হল রুদ্ধশ্বাস পেনাল্টি থেকে । ডেনমার্ককে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ আটে পৌঁছল ক্রোয়েশিয়া। দুই গোলকিপার  ডেনমার্কের ক্যাসপার ও ক্রোয়েশিয়ার সুবাসিচ দুজনেই তিনটি করে পেনাল্টি সেভ করলেন যা এক অনন্য রেকর্ড। কোনও ম্যাচে আগে দুই গোলকিপার মিলিয়ে এভাবে তিনটি করে পেনাল্টি সেভ করেননি। এই প্রথম এমন ঘটল। সেবাসিচ টাইব্রেকারের সময় তিনটি পেনাল্টি সেভ করেন। ক্যাসপার টাইব্রেকারে দুইটি ও খেলার অন্তিম লগ্নে ১টি পেনাল্টি সেভ করেন।  ২০০৬ সালে বিশ্বকাপের ম্যাচে পর্তুগালের রিকার্দো তিনটি পেনাল্টি সেভ করে দলকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নক আউটে তোলেন। সেই ম্যাচ হয়েছিল ১২ বছর আগে এই একইদিনে ১ জুলাই।