ক্রিকেট

  • রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে অ্যাডিলেড টেস্টে ভারতের দুরন্ত জয়, চার টেস্টের সিরিজ়ে ১-০ তে এগিয়ে ভারত।

    Newsbazar 24 Web Desk , ১০ ডিসেম্বর : ভারত অ্যাডিলেডে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৩১ রানে পরাজিত করে চার টেস্টের সিরিজ়ে ১-০ তে  এগিয়ে গেল । ৩২৩ রানের লক্ষমাত্রা  নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে ২৯১ রানেই শেষ হয়ে যায় অজিবাহিনী । পাশাপাশি এই টেস্ট জয়ের মাধ্যমে আরও একটি নতুন রেকর্ড গড়ল ভারত। এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ায় কোনও টেস্ট সিরিজ়ের প্রথম ম্যাচ জিতল।        টি-২০ সিরিজ ১-১ ড্র দিয়ে শুরু হয় ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফর তারপর টেস্ট শুরু হয়। ডেভিড  ওয়ার্নার-স্টিভ স্মিথ ছাড়া  অস্ট্রেলিয়াকে হারাবার  এটাই সেরা সুযোগ বলে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অভিমত। যদিও  ভারতীয় দল ভালভাবেই জানে অস্ট্রেলিয়াকে অস্ট্রেলিয়ার মাঠিতে হারানো সহজ নয়। । কাজেই, প্রথম থেকে ম্যাচে কোনও সুযোগ যাতে হাতছাড়া না হয়  তা নিয়ে তৎপর ছিল ভারটীয় দল।  প্রথম  টেস্টে টসে জিতে ব্যাটিং নেন কোহলি। ব্যাটিং সহায়ক উইকেট থাকলেও প্রথম দিনে মুখ থুবড়ে পড়ে ভারতের ব্যাটিং অর্ডার। ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে অবশ্য পূজারা করেন ১২৩ রান। ২৫০ রানে শেষ হয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রথম উইকেট নেন হ্যাজ়েলউড, ২টি করে উইকেট নেন স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও নাথান লিওন। অজ়িরা তাদের প্রথম ইনিংসে সেরকম সুবিধা করতে পারেনি। তাদের ইনিংস শেষ হয় ২৩৫ রানে। সর্বোচ্চ ৭২ রান করেন ট্রেভিস হেড। ভারতের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন বুমরাহ, অশ্বিন। ২টি করে উইকেট নেন ইশান্ত শর্মা ও মহম্মদ শামি। এরপর ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিতে থাকে। লোকেশ রাহুল করেন ৪৪ রান। চেতেশ্বর পূজারা ও অজিঙ্কা রাহানে যথাক্রমে ৭১ ও ৭০ রান করেন। ৩০৭ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস। ৩২৩ রানের টার্গেট খাড়া করে অস্ট্রেলিয়ার সামনে। তবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। হাতে ৪টে সেশন থাকলেও ব্যাটিংয়ে চাপ নজরে আসছিল। যা কাজে লাগাতে ভুল করেনি ভারত। ৪৪ রানের মধ্যে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। চতুর্থ দিনের শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৪ রান করে অজ়িরা। পঞ্চম দিনে ব্যাট করতে নেমে প্রথম থেকে কোনও সুবিধা করতে পারেননি কামিন্সরা। টিম পেইন করেন ৪১। বুমরাহ, অশ্বিন ও শামি নেন তিনটি করে উইকেট। একটি উইকেট নেন ইশান্ত শর্মা।   

  • অবশেষে বাংলা রঞ্জি ট্রফিতে রুদ্ধশ্বাস জয় পেল মাত্র ১ উইকেটে তামিলনাডুর বিরুদ্বে।

    ডেস্ক, ১লা ডিসেম্বরঃ  শেষ পর্যন্ত বাংলা  জয় পেল । তামিলনাড়ুকে চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে  ১ উইকেটে হারিয়ে ৬ পয়েন্ট ঘরে তুলল  বাংলা।  টার্নিং উইকেটের জন্য বাংলার  ব্যাটসম্যানরা সমস্যায়  পড়েছিল। তবে তরুণ প্রদীপ্ত প্রামাণিকের লড়াইয়ের জন্য বাংলা জয়ের রাস্তা দেখল।  তিনি ৯৭ বলে ২৫ রান না তুললে আজ বাংলাকে কিন্তু খালি হাতেই ফিরতে হত। কারণ, সহ-অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি ৪০ রান করলেও, আবার অবিবেচকের মত   নিজের উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে দলের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আজ দিনের শুরুতে অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি ও আমির গনি যখন ব্যাট করতে নামেন, তখন জয়ের জন্য আর ১২৮ রান দরকার । হাতে বাকি ৮ উইকেট। শুরুতেই  মনোজ (১৮) ও গনি (২৫)’কে ফিরিয়ে বাংলাকে জোড়া ধাক্কা দেন বিপক্ষের পেসার টি.নটরাজন। ১২১ রানে তখন ৪ উইকেট হারিয়ে তখন বেশ চাপে বাংলা । এরপর অনুস্টুপ, ঋত্বিক ও শ্রীবৎস ফিরে যাওয়াতে  দ্রুত ম্যাচে ফিরে আসে তামিলনাডু এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তামিলনাডুর বাঁহাতি স্পিনার রাহিল শাহের। মাত্র ১৫০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলা যখন পরাজয়ের প্রায় দোরগোড়ায় তখন    বাংলার সহ অধিনায়ক সুদীপ তরুণ প্রদীপ্তকে নিয়ে লড়াই চালাতে শুরু করেন। অষ্টম উইকেটে এই দু’জন  মূল্যবান ৫৭ রান যোগ করায় ম্যাচ বাংলার দিকে চলে আসে। যদিও জয়  সহজ ছিল না। আরও  রুদ্বশ্বাস উত্তেজনা বাকি ছিল। কারণ, যখন জয়ের জন্য   আর মাত্র ৯ রান  দরকার  ঠিক তখন স্টেপ আউট করে মারতে গিয়ে স্টাম্প আউট হয়ে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে এলেন অভিজ্ঞ সুদীপ। ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েও ,আসল সময় চাপের মুখে ভেঙে পড়েন  তিনি। তবে উত্তেজনা এবং টেনশনের এখানেই শেষ নয়। স্কোরবোর্ডে বাংলার  রান তখন  ২১৫ । ম্যাচ ‘টাই’। এমন সময় রান আউট হয়ে যান অশোক দিন্দা। কিন্তু প্রদীপ্ত ত্তখনও অনড় জয়ের লক্ষে।  তাঁর ‘উইনিং শট’এর  জন্য  অবশেষে  বাংলা ম্যাচ জিতল।  বাংলা  ৪ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে রঞ্জি ট্রফির নক-আউটে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখল ।    

  • ভারতীয় মহিলা দল টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে

    Newsbazar 24, ডেস্ক,, ১৬ নভেম্বর : মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডকে ৫২ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ভারত। ম্যান অফ দি ম্যাচ  হলেন মিতালি রাজ।  ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট পেয়ে টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলেন মিতালি রাজরা। গতকাল প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান করে ভারত। ওপেন করতে নেমে ৫৬ বলে ৫১ রান করেন মিতালি রাজ। অন্য ওপেনার স্মৃতি মন্ধনা করেন ৩৩ রান। এরপর আর কোনও ভারতীয় ব্যাটসম্যান তেমন রান পাননি।জবাবে ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ড ৮উইকেটে ৯৩ রান করে। ভারত আগামী শনিবার অস্ট্রেলিয়ার সাথে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে।

  • ‘আইসিসি মহিলা টি২০ বিশ্বকাপ, প্রথম ম্যাচে ভারতের জয়, ক্যাপ্টেনের রেকর্ড

    Newsbazar24. ডেস্ক, ১0 নভেম্বরঃ ‘আইসিসি মহিলা টি২০ বিশ্বকাপ ২০১৮’-এর প্রথম ম্যাচেই ভারতের মহিলা দল দুইবারের বিশ্ব  চ্যাম্পিয়ান নিউজিল্যান্ডকে  ৩৪ রানে হারিয়ে মহিলা টি২০ বিশ্বকাপে দারুণ ভাবে শুরু করল ভারত। এই ম্যাচে ভারতীয় দলের অধিনায়ক ক্যাপ্টেন হরমনপ্রিত  রেকর্ড গড়া শতরান করলেন। মাত্র ৫১ বলে ৭টি চার ও ৮টি বিশাল ছয়ের সাহায্যে তিনি করলেন ১০৩। যোগ্য সহায়তা দিলেন তরুণী সেনসেশন জেমাইমা (৪৫ বলে ৫৯)।  এদের ব্যাটে ভর করে ভারত প্রথমে  নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল  ৫ উইকেটে ১৯৪ রান করল। জবাবে নিউজিল্যান্ড ৯ উইকেটে ১৬০ রানে  আটকে থেকে গেল ভারতীয় বোলারদের দাপটে।   নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ওপেনার সুজি বেটস (৫০ বলে ৬৭) ও উইকেটরক্ষক  কেটি  মার্টিন (২৫ বলে ৩৯) ছাড়া কেউই বিশেষ রান পেলেন না। এ ছাড়া দুই অঙ্কের রান করেছেন অ্যানা পিটারসন (১২ বলে ১৪) ও লেই কাসপেরেক (৯ বলে ১৯)। ভারতের পক্ষে প্রথম আন্তর্জাতিক টি২০-তে অভিষেক হওয়া দয়ালান হেমলতা ৪ ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে ৩টি ও পুনম যাদব ৩টি করে উইকেট নিলেন।  এছাড়া অরুন্ধতি রেড্ডি ১টি ও রাধা যাদব ২টি উইকেট পান। তবে এদিনের ম্যাচের নায়িকা অবশ্যই ক্যাপ্টেন হরমনপ্রিত। তাঁকে ছাড়া আর কাউকে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার দেওয়া সম্ভব ছিল না। এদিন তিনি টি-২০ ক্রিকেটে শুধু যে প্রথম ভারতীয়  মহিলা হিসেবে শতরান করলেন এবং  এটিই মহিলাদের আন্তর্জাতিক টি-২০তে তৃতীয় দ্রুততম শতরান। এদিন টসে ডিতে গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে প্রথছমে ব্যাট করার সিদ্ভান্ত নেওয়ার পর শুরুতে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান তানিয়া ভাটিয়া (৬ বলে ৯) ও তারকা ব্যাটসম্যান স্মৃতি মান্ধানা (৭  বলে ২)-র উইকেট হারিয়ে কিছুটা হলেও চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। একেবারে বাউন্ডারি লাইনে লাফিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচে মান্ধানাকে ফেরান হেইলি জেনসেন। দয়ালান হেমলতা (৭ বলে ১৫) -ও বেশি ক্রিজে স্থায়ী হননি। ৬ ওভারে ৪০ রানে ৩ উইকেট, ব্যাট করতে নামেন ভারতীয় অধিনায়ক। ইনিংসের শুরুতে কয়েকটি বল একটু দেখে খেলেন। প্রথমে ১৩ বলে মাত্র ৫ রান করেন। এরপরই শুরু হয় কউর ধামাকা। পরের ২০ বলে করেন ৪৫ রান। ৩৩ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করেন। পরের পঞ্চাশ রান করতে নেন ১৬ বল। মাত্র ৪৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ভারতীয় অধিনায়ক। শেষপর্যন্ত ১০৩ রান করে আউট হন। নিজের ইনিংসে মারেন সাতটি চার ও আটটি ছয়। জেমিমা রদ্রিগেজ়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে ১৩৪ রান তোলেন। জেমিমা ৪৫ বলে ৫৯ রান করে আউট হন। ভারতের রান ১৮.২ ওভারে ১৭৪ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান হরমনপ্রিত ও জেমাইমা। তাঁদের করা ১৩৪ রানের পার্টনারশিপ মহিলাজের টি২০আইতে  সর্বোচ্চ। এরপর রবিবার (১১ নভেম্বর) ভারতের পরের ম্যাচ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।  

  • টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পরাজিত করল

    ডেস্ক, কলকাতা, ৪ নভেম্বর : কলকাতার ইডেন গার্ডেনে  ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারত সহজেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পরাজিত করল। প্রথম ইনিংসে ভারতীয় বোলারদের অসাধারন  বোলিংএ ওয়েস্ট ইন্ডিজ  মাত্র ১০৯ রানে সকলে আউট হয়ে যান, জবাবে রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাওয়ান  ও রোহিতকে  হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রথমে মনীশ পাণ্ডে (২৪ বলে ১৯) ও পরে ক্রুণাল পাণ্ডিয়া (৯ বলে ২১)-কে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচ জেতালেন দীনেশ  কার্তিক (৩৪ বলে ৩১)। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলাররা শুরুতেই ভারতকে চাপে ফেলে দেন। আর কিছু রান করতে পারলে   হয়ত এই ম্যাচ জিতে যেতে পারত। ইনিংসের প্রথম ওভারেই রোহিত শর্মাকে (৮ বলে ৩) ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ওশানে থমাস। নিজের পরের ওভারেই তিনি ফিরিয়ে দেন শিখর ধাওয়ানকেও।(৬ বলে ৬) ।তবে এদিন ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের মধ্যে সেরা ছিলেন অধিনায়ক কার্লোস ব্রেথওয়েট।  ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে তিনি ঋষভ পন্থ (৪ বলে ১) ও লোকেশ রাহুল (২২ বলে ১৬)-কে ফিরিয়ে দেন। একটি মেডেন ওভারও করেছেন ব্রেথওয়েট। তাঁর দাপটে ৭ ওভারে ভারত ৪৫/৪ হয়ে গিয়েছিল। এখান থেকেই খেলাটা ধরেছিলেন দীনেশ কার্তিক ও মনীশ পাণ্ডে। শ্রীলঙ্কায় নিদহাস ট্রফির পর এদিন আবারও ম্যাচ জেতার নায়ক দিনেশ কার্ত্তিক। ১৫  ওভারে ভারতের ৮৩ রানের মাথায় অবশ্য খয়ারপিয়েরের বলে আফট হয়ে যান মনীশ। ব্যাটে ৫ বলে ৯ করার পর বল হাতে পিয়ের ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নিলেন।এরপর ক্রিজে এসেছিলেন ভারতের হয়ে প্রথম টি-২০ ম্যাচ ক্লেলতে নামা   ক্রুণাল পাণ্ডিয়া। ৩টি চার মেরে তিনি ৯ বলে ২১ রানের অসাধারন  ইনিংস খেলে যান।  

  • ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ একদিবসীয় সিরিজে ভারত ২-১এ এগিয়ে গেল।

    Newsbazar24, কার্ত্তিক চন্দ্র পাল,২৯ অক্টোবর : পুনের  হারের পর দারুণভাবেই ফিরে এল ভারতীয় দল। মুম্বইয়ের ব্র্যাবর্ন স্টেডিয়ামে উইন্ডিজ়কে ২২৪ রানে হারিয়ে সিরিজ়ে ২-১-এ এগিয়ে গেল বিরাটের ভারত।  রোহিত শর্মা (১৬২) ও রায়ডু (১০০)র জোড়া শতরানের দৌলতে ৩৭৭ রান করার পরেও , গত তিন ম্যাচের  পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে কিছুটা লড়াই আশা করেছিল ক্রিকেট প্রেমীরা।  কিন্তু ভারতের পাহাড় প্রমান রানের কাছে  আত্মসমর্পন করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারতীয় বোলাররা  ৩৬.২ ওভারে  ওয়েস্ট ইন্ডিজকে  গুটিয়ে দিল মাত্র ১৫৩ রানে। ২২৪ রানের  বিশাল ব্যবধানে জিতে ভারত সিরিজে ২-১ ফলে এগিয়ে গেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ছন্নছাড়া ব্যাটিং  আমরা প্রত্যক্ষ করলাম । একমাত্র অধিনায়ক জেসন হোল্ডার (৫৪) ছাড়া আর কেউ সামান্য প্রতিরোধও গড়তে পারলেন না। ব্যাটিং-এর পর বোলিং-এও ভারতীয় দল সফল । ইনিংসের শুরুর থেকেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যানদের বাড়তে দেননি ভারতীয়রা। প্রথম স্পেলে দুর্দান্ত বল করেন জসপ্রীত বুমরা। একটিও উইকেট  না পেলেও  তাঁর বিরুদ্ধে প্রথম পাওয়ার প্লে-তে হাতই খুলতে পারলেন না ওয়েস্ট ইন্ডিজ   ব্যটসম্যানরা। ৮ ওভারে  বুমরা দেন মাত্র ২৫ রান। তাঁর জুড়ি ভূবনেশ্বর কুমার  সামান্য রান দিলেও চন্দ্রপল হেমরাজকে (১৪) ভারতের হয়ে উইকেট শিকার করা শুরু করেন তিনিই।  ভারতের ফিল্ডিং- আজও অসাধারন । যার জন্য প্রথম ৭ ওভারেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৪/৩ হয়ে গিয়েছিল। কিয়েরন পাওয়েল (৪)-কে রানআউট করেন বিরাট কোহলি। আর কূলদীপের ক্ষিপ্রতার শিকার হয়ে এদিন কোনও রান না করেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিংয়ের বড় ভরসা শাই হোপ। তবে এদিনের  বোলিং এ নায়ক  খলিল আহমেদ। এশিয়া কাপেই অভিষেক হয়েছিল এই তরুণ বাঁহাতি পেসারের।  ভারতের পেস বোলিং বৈচিত্রে নতুন সংযোজন হিসেবে তিনি আবির্ভূত । শুরুর ধাক্কাটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সামলে উঠতে না উঠতেই মাত্র ৪ ওভারের ছোট্ট স্পেলে ১১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটিংয়ের কোমর ভেঙে দেন খলিল।  

  • টানটান উত্তেজনার মধ্যে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ টাই হল

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ২৪ অক্টোবরঃ টানটান উত্তেজনার মধ্যে  শেষ হল ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ। ম্যাচের শেষ বল পর্যন্ত লড়াই চলল। ম্যাচের শেষ ওভারে অসাধারণ বোলিং আর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ম্যাচে ফিরলেও জয়  কিন্তু অধরাই থেকে গেল টিম ইন্ডিয়ার।বিরাটের অসাধারন রেকর্ডের দিনে জমজমাট লড়াই উপভোগ করল বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীরা। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের  সেট ব্যাটসম্যান হোপকে বেঁধে রাখল ভারতীয় দলের অসাধারণ বোলিং । ম্যাচের সেরা হলেন বিরাট কোহলি। এদিন টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেয়  ভারত। ৬ উইকেটে ৩২১ রানে শেষ করে  ওয়েস্টইন্ডিজের সামনে ৩২২ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখে টিম ইন্ডিয়া। প্রথমে ব্যাট  করতে নেমে ভারেতর দুই ওপেনার রোহিত শর্মা (৪) ও শিখর ধাওয়ান (২৯) তাড়াতাড়ি ফিরে যান। তিন নম্বরে নেমে কোহলি ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন অম্বাতি রায়াডুকে নিয়ে। রায়াডু দারুণ খেলছিলেন। তবে নার্সের বলে স্যুইপ করতে গিয়ে ৭৩ রানে ফিরে যান। তবে কোহলি ভুল করেননি।  তিনি যে বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান তা ফের বুঝিয়ে দিলেন এদিন। ১২৯ বলে ১৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে গেলেন তিনি। মাঝে মহেন্দ্র সিং ধোনি (২০), ঋষভ পন্থ (১৭), রবীন্দ্র জাদেজা (১৩)-রা কোহলির সঙ্গে কুছুটা সংগত দেন । অর্ধশতরানের আগেই কোহলির ক্যাচ ফেলেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। তারই খেসারত দিল দল। কোহলি একাই  দায়িত্ব নিয়ে  ভারতকে তিনশো পার করিয়ে দিলেন। ভারত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩২১ রান করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে অ্যাশলে নার্স ও ওবেড ম্যাককয় ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। মার্ল স্যামুয়েলস ও কেমার রোচ ১টি করে উইকেট পেয়েছেন। ওয়েস্টইন্ডিজ ব্যাট করতে নেমে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা খেলতে থাকেন । ৭৮ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট  হারালেও চতুর্থ উইকেটে হোপ ও হেটমায়ার অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুন্য দেখান।  হোপ আর হেটমেয়ার জুটি জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন ওয়েস্টইন্ডিজকে। হেটমেয়ার ৬৪ বলে ৯৪ রান করেন। নিশ্চিত সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন চাহালকে মাঠের বাইরে ফেলতে গিয়ে। তবে হোপই ওসেটইন্ডিজের আশা জিইরে রাখেন শেষপর্যন্ত। কুলদীপ তিনটি উইকেট পান ৬৭ রান দিয়ে। চাহাল ও স্বামী একটি করে উইকেট পান।  

  • ভারতের বিরুদ্ধে একদিবসীয় ও টি-২০ সিরিজের ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ঘোষণা

    Newsbazar 24, মালদা, ৮ অক্টোবর : সোমবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ভারতের  বিরুদ্ধে  আগামী  ২টি একদিবসীয়  ও ২টি টি-২০ সিরিজের দল ঘোষণা করে দিল। আগামী ২১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ একদিনের সিরিজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের  বিধ্বংসী ওপেনার ক্রিস গেইল ও স্পিনার সুনীল নারাইন নেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৫ সদস্যের দলে।  ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ডের পক্ষে জানানো হয়েছে, ব্যক্তিগত কারণে ভারত সফর ও তারপরের ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরে তিনি থাকছেন না। তার সঙ্গে ৫ ওয়ানডে ও ৩ টি২০ ম্যাচের দলে রাখা হয়নি স্পিনার সুনীল নারাইনকেও। বাদ পড়েছেন ডোয়েন ব্রাভোও। তবে  টি২০ ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে থাকছেন অভিজ্ঞ ড্যারেন ব্রাভো ও অলরাউন্ডার কিরন পোলার্ড। আরেক অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল একদিনের ক্রিকেট ও টি২০ দুই দলেই খেলেন। কিন্তু চোটের জন্যই তিনি ওয়ানডে সিরিজে থাকছেন না। তবে তাঁকে টি২০ দলে রাখা হয়েছে। নভেম্বরে সিরিজ শুরুর আগেই তিনি সুস্থ হয়ে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। আলজারি জোসেফকেও ভারত সফরে রওনা হওয়ার আগে ফিটনেস টেস্টে পাস করতে হবে।  আগামী একদিনের বিশ্বকাপ, আবার তার পরের বছরই  টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য  কিছু নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে ওপেনার চন্দরপল হেমরাজ, অলরাউন্ডার ফাবিয়ান অ্যালেন ও জোরে বোলার ওশানে থমাসকে। টেস্ট দলে থাকা তরুণ সুনীল অম্ব্রিশকেও সীমিত ওভারের দলে রাখা হয়েছে। তাদের বোর্ড জানিয়েছে, গত ২ বছর ধরে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজ এ ও বি দলের হয়ে এবং ক্যারিবয়ান প্রিমিয়ার লিগে ভাল খেলেছেন। জানা গিয়েছে গুয়াহাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সীমিত ওভারের এই দুই দলই শিবির করবে। তাই ভারতের ভিসা ও বিমানের টিকিট ইত্যাদি পেতে যাতে সমস্যা না হয়, তার জন্যই এত আগে থেকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটের দুটি দল ঘোষণা করা হয়েছে। একদিনের আন্তর্জাতিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে নেতৃত্ব দেরৃবেন জেসন হোল্ডার। আর টি২০ দলটির নেতৃত্বে থাকছেন কার্লোস ব্রেথওয়েট। ওয়ানডের দলঃ  জেসন হোল্ডার (অধিনায়ক), ফাবিয়ান অ্যালেন, সুনীল অম্ব্রিশ, দেবেন্দ্র বিশু, চন্দরপল হেমরাজ, শিমরন হেতমিয়ের, শাই হোপ, আলজারি জোসেফ, এভিন লুইস, অ্যাশলে নার্স, কিমো পল, রোভমান পাওয়েল, কেমার রোচ, মারলন স্যামুয়েলস, ওশানে থমাস। টি-২০ দল  কার্লোস ব্রেথওয়েট (অধিনায়ক), ফাবিয়ান অ্যালেন, ড্যারেন ব্রাভো, শিমরন হেতমিয়ের, এভিন লুইস, ওবেড ম্যাকয়, অ্যাশলে নার্স, কিমো পল, খারি পিয়ের, কিয়েরন পোলার্ড, রোভমান পাওয়েল, দেনেশ রামদিন, আন্দ্রে রাসেল, শেরফানে রাদারফোর্ড, ওশানে থমাস। ।  

  • ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে বাদ শিখর ধাওয়ান,দলে এলেন তরুণ মুখ মায়াঙ্ক ও সিরাজ।

    Newsbazar24, ডেস্ক, ৩০ সেপ্টেম্বরঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজে বাদ পড়লেন শিখর ধাওয়ান। নূতন করে অন্তভুক্ত হলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও মহম্মদ সিরাজ। ধারাবাহিক ভাবে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভাল খেলার পুরস্কার পেলেন এই দুই তরুণ ক্রিকেটার। আসন্ন এই সিরিজে  বিশ্রাম দেওয়া হল  পেস জুটি ভূবনেশ্বর ও বুমরাকেও  জানিয়েছেন নির্বাচকেরা।   প্রসঙ্গত এশিয়া কাপে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হয়েছেন শিখর ধাওয়ান। কিন্তু সেটা ছিল একদিবসীয়  খেলা।   কিন্তু গত ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজে ৮ ইনিংস খেলে তিনি করেছিলেন মাত্র ১৬২ রান। অন্যদিকে মায়াঙ্ক গত রঞ্জি ট্রফিতে  ৮ ম্যাচে তিনি করেছেন ১১৬০ রান। দলে রেখে দেওয়া হয়েছে পৃথ্বী শ-কেও। গত ইংল্যান্ড সফরে  একটি টেস্টেও প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি তিনি। এবার ধাওয়ান না থাকায় অবশেষে ভারতের হয়ে, লোকেশ রাহুলের সঙ্গে তিনি ওপেন করার সুযোগ পাবেন বলে মনে হয় এছাড়াও  ইংল্যান্ড সফরের শেষ টেস্টে ভাল খেলার সুবাদে রাহুল আপাতত টিকে গেলেন।  ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে  ভাল খেলতে না পারলে  মায়াঙ্ককে জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। কারন এই মুহূর্তে মায়াঙ্ক খুবই ভাল ফর্মে আছেন। মায়াঙ্ক ও পৃথ্বি দুজনেই ভারত এ দলের হয়ে ইংল্যান্ড সফরে দারুন  খেলেছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বোর্ড একাদশের হয়ে প্রস্তুতি ম্যাচে  ৯০ রান করেছেন। দলে আরেক নতুন মুখ জোরে বোলার মহম্মদ সিরাজ। সাম্প্রতিক চতুর্দেশীয় সিরিজে ভারত এ দলের হয়ে তিনি অস্ট্রেলিয়া এ, দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের বিরুদ্ধে অসাধারণ বল করেছেন। এক  ম্যাচে ৫৯ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৮টি উইকেট!  এছাড়াও ভারতীয় বোর্ডের সফর পলিসি প্রশ্নের মুখে কারন গত তিন-চার মাসে একের পর এক জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার চোট পেয়েছেন। ভারতীয় বোর্ডের  কার্যনির্বাহী সেক্রেটারি অমিতাভ চৌধুরি জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে পেস জুটি ভূবনেশ্বর ও বুমরাকেও আরও ভালভাবে ফিট থাকার জন্য এই সিরিজে  বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চোটের কারনে  রয়েছে হার্দিক ও ইশান্ত শর্মাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।  সবচেয়ে খারাপ  অবস্থা করুণ নায়ারের। ইংল্যান্ড সফরে একটিও ম্যাচ খেলার সুযোগ না দিয়ে  পরের সিরিজেই তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়া হল। তাঁকে খেলার সূযোগ না দিয়ে  বাদ  দেওয়া হল কেন এ প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায়নি বোর্ড কর্তাদের কাছে । তবে সম্ভবত টেস্টে ত্রিশতরান করা নায়ারের থেকে ওভাল টেস্টে অভিষেকে অর্ধশতরান করা হনুমা বিহারীকে তাঁর জায়গায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। স্পিনের ক্ষেত্রে অবশ্য কোনও নতুন চমক নেই।  অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজার উপরই আস্থা রাখা হয়েছে । তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন চায়নাম্যান কূলদীপ যাদবও। আগামী ৪ অক্টোবর থেকে রাজকোটে সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। পরের টেস্ট ১২ অক্টোবর থেকে, হায়দরাবাদে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট সিরিজের সম্পূর্ণ দল  - বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), কেএল রাহুল, পৃথ্বী শ, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, চেতেশ্বর পূজারা, আজিঙ্কা রাহানে (সহ-অধিনায়ক), হুনুমা বিহারী, ঋষভ পন্থ (উইকেটরক্ষক), আর অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, মহম্মদ শামি, উমেশ যাদব, মহম্মদ সিরাজ, শর্দুল ঠাকুর  

  • আরবের মাটিতে এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারত মখোমুখি।

     Newsbazar24, ডেস্ক, ২৭ সেপ্টেম্বরঃ এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ।  গতকাল আরবে পাকিস্তানকে ৩৭ রানে হারিয়ে  বাংলাদেশ  ফাইনালে   ভারতের মুখোমুখি।  বাংলাদেশের আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের সামনে ৯ উইকেটে ২০২ রান  করে  পাকিস্তান। টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত  নেয়  বাংলাদেশ।  ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে যখন বিপর্যয়ের   মুখোমুখি , তখন তাদের  সমর্থকরাও  ভাবতে পারেনি  এই ম্যাচে বাংলাদেশ আবার ফিরে আসবে। কিন্তু আবুধাবি সাক্ষী থাকল বাঙালির লড়াইয়ের ।, মুশফিকুর রহিমের অন্যবদ্য লড়াইয়ে  জয়ের পথে ফিরে এল  বাংলাদেশ। ১২ রানে তিন উইকেট পড়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশকে টেনে তোলেন মুশফিকুর রহিম ও মহম্মদ মিঠুন। তাদের উপর ভর করেই এল জয়।মুশফিকুর রহিম (৯৯) মিঠুনকে সঙ্গে তিনি বাংলাদেশকে ভদ্রস্থ জায়গায় পৌঁছে দেন। মিঠুন ব্যক্তিগত ৬০ রানের মাথায় আউট হন। ১২ রানে তিন উইকেট হারানোর ১৪৪ রান করে যায় মুশফিকুর-মিঠুন জুটি। মিঠুনের ফিরে যাওয়ার পরই ১০ বলে ৯ রান করে ফিরে যান ইমরুল কায়েস। কিন্তু একদিকে মুশফিকুরের লড়াই চলতেই থাকে। ব্যক্তিগত ৯৯ রানে মুশফিকুর ফিরে যাওয়ার সময়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১৯৭ উইকেটে। তারপর অবশ্য ৪২ রানের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় তাঁদের ইনিংস। তবে পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারলেন না বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ১ ওভার ১ বল বাকি থাকতেই বাংলাদশের ইনিংস শেষ। ৪৮.৫ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৩৯ রান। অর্থাৎ পাকিস্তানের কাছে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ২৪০ রান।  পাকিস্তানেরও  ইনিংসের শুরুটাও ভাল হয়নি । প্রথম ওভারই ধাক্কা মেহেদির। আবারও  দ্বিতীয় ওভারে ধাক্কা  বোলার মুস্তাফিজুরের । ওপেনার ফাকহার জামান ও বাবর আজমের আউট হয়ে যাবার পর  সরফরাজের আউটে কোমর ভেঙে যায় পাকিস্তানের। পাকিস্তানকে সেখান  থেকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন শোয়েব মালিক ও ইমামুল হক। কিন্তু শোয়েব ফিরতেই পাকিস্তানের ব্যাটিংএ ধ্বস নামে, একে একে ফিরে যান  অন্য ব্যাটসম্যানরা। ৪৬ তম ওভারে নবম উইকেটের পতনের পর আর কিছুই করার ছিল না পাকিস্তানের। হার তখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। শেষমেশ ৩৭ রানে পরাজিত হন ইমানুলরা।  মুস্তাফিজুর রহমানের আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেননি পাক ব্যাটসম্যানরা। মুস্তাফিজুর নেন চার উইকেট। মেহেদি নেন দুই উইকেট। ভারত ইতিমধ্যেই এশিয়া কাপ ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে। এদিনের পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ রূপ নিয়েছে সেমিফাইনালের। সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ২৪০-এর লক্ষ্যমাত্রা রাখে বাংলাদেশ। শেষমেশ পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপ ফাইনালের টিকিট পেয়ে গেলেন মুশফিকুর-মিঠুনরা। কিন্তু  মুশফিকুরের ভাগ্যটা শেষ পর্যন্ত সঙ্গ দিল না  তাই আক্ষেপ থেকেই  গেল মুশফিকুর রহিমের। সেই কারণে নড়বড়ে ৯৯ রানেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরতে হল বাংলাদেশের লিটল মাস্টারকে। পাঁজরের হাড় ভাঙা। ব্যাথানাশক ওষুধ খেয়ে নেমেছিলেন মুশফিকুর। কিন্তু শাহিন আফ্রিদির বলে উইকেট রক্ষকের হাতে ধরা পড়ে গেলেন সরফরাজ খান। ফলে সেঞ্চুরিটা আর তার করা হল না । আগামীকাল শুক্রবার এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত ও বাংলাদেশ।এখন দেখার এশিয়া কাপ কোথায় যায় ভারতে না বাংলায়। এশিয়া চুপ