সম�পাদকের কথা

  • শব্দনৈঃশব্দ্যে দিলীপ তলয়ার

    ছেলেবেলায় চটজলদি লিখে ফেলা শব্দের কিছু কারুকার্য প্রায় সকল স্বাভাবিক মানুষের মধ্যেই দেখা যায়। যেখানে ছবি হোক বা কবিতা, তার বিষয় ঘিরে থাকে মূলত প্রকৃতির সৌন্দর্য আর খানিকটা প্রেম এবং সেই দুইয়েরই এক টানটান শব্দবুনোট, যেখানে সে সময়ের বালখিল্যের প্রতিচ্ছবি হয়ে টাইম ক্যাপসুল প্রস্তুত করে। তারপর বয়স বাড়ার হাতছানিতে সেসব অকাল সৃষ্টি কোথায় লুকিয়ে পড়ে তার হদিশ মেলা ভার। সময়ের এই নির্মোঘ নিয়ম ভেঙে কেউ কেউ হয়তো তার বালখিল্যের অপুষ্টিকে পুষ্ট করার তাগিদে সকলের থেকে পিছু হটে খুঁজে ফেরে বিচিত্র আদিম সত্তার অত্যাশ্চর্য কিছু ফর্মুলা। মরা বাঁচার মাঝের রসদটুকু চিনিয়ে দেন অন্ধকারাচ্ছন্ন গভীর জঙ্গলে গাঢ় সবুজের মাঝে এক নিবিড় ছায়া---কবি দিলীপ তলয়ার।   কবি জন্মগ্রহণ করেন মালদায় ১৯৫৭ সালের ২০ শে সেপ্টেম্বর। যৌবনের অদ্ভুত আবেগে তাড়িত হয়ে তিনি খোঁজে নামেন নাট্যদলের। নাট্যজীবন নিয়ে যে তিনি মোটেও সন্তুষ্ট নন বা বলা ভালো স্বতঃস্ফূর্ত নন ভেবেই ফিরে আসেন ছেলেবেলায় হারিয়ে যাওয়া কবিতার পুনরুজ্জীবনে। শুরু করেন কবিতার যাত্রাপথ। জীবনের নানাবিধ কষ্ট কোনও মানুষকে যে কতখানি শুভ দিকে পরিচালিত করতে পারে তার জলজ্যান্ত দলিল হয়ে মন দেন কবিতা আর কর্মজীবনে। জীবনের শেষ দিকে তিনি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত গ্রামীণ ব্যাঙ্কে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কোনওটাতেই তিনি একে অপরকে সরাসরি প্রভাবিত করতে বরাবরই নারাজ। তাই শত কষ্টের মাঝেও সত্তরের দশকে শুরু করেন নিভৃতে কবিতা যাপন। ধীরে ধীরে লেখা ছাপার জন্য বেছে নেন লিটল ম্যাগাজিন গুলোকে। তারপর সাহিত্য জগতে সাংগঠনিকভাবে যুক্ত হন মালদা সাহিত্য পরিষদে। সেখানে সাধারণ সদস্য থেকে ক্রমে সম্পাদক মণ্ডলী, যুগ্ম সম্পাদক এবং শেষে সম্পাদকের কাজ করেন। সাল ১৯৮৮ র জুন প্রকাশ পায় কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নিসর্গের দিকে’।   এরপর তিনি আর থেমে থাকেননি। নিয়মিত প্রকাশ করে গেছেন তাঁর লেখা কবিতার বই। প্রকাশ পায় পরপর, ‘নিসর্গের দিকে’, ‘সময়ে মানুষ উঠে দাঁড়ায়, রুখে দাঁড়ায়’, ‘সাতে সমুদ্র’, ‘তোমার ঠিকানা’, ‘কাঠের মঞ্চ শীতের ভাষা’, ‘পাথর, উড়ন্ত তাস এবং সলমা জরি’, ‘ও পরমার্থ ও গাছপালা’, ‘নীলসময়েরকুহুগান’, ‘আধেকলীন’, ‘শূন্য থেকে শুরু হলে’, ‘মাধুরীমূলক’, ধূলি ধুসরিত’, ‘জয়ধ্বনি’ এবং ‘কী আশ্চর্য ইঙ্গিত’।   এরই ফাঁকে কখনও একা আবার কখনও যৌথভাবে সম্পাদনা করেন বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন। সাল ১৯৮৩ র সেপ্টেম্বর। ‘দশে দিক’ লিটল ম্যাগাজিন প্রথম তাঁর সম্পাদনার ফসল। তিনি মূলত কবিতাকেন্দ্রিক পত্রিকাই সম্পাদনা করেছেন। পরপর প্রকাশ পায় ‘বাল্মীকি’, ‘যুগলবন্দী’, ‘রহিতাশ্ম’, ‘উৎস’, ‘সাম্প্রতিক পত্রিকার তালিকা’, ‘দিন যায়’, ‘উজ্জ্বল উদ্ধার’, ‘শব্দনৈঃশব্দ্য’ এবং শেষে ‘উত্তর আধুনিক’। এখানে ‘সাম্প্রতিক পত্রিকার তালিকা’ এবং ‘উজ্জ্বল উদ্ধার’ লিটল ম্যাগাজিন হিসেবে প্রকাশ পায়নি, তবে বলা যেতে পারে এই দুটি কাজ মালদা জেলার সাহিত্য জগতের তথ্য একত্রীকরণের প্রাথমিক প্রয়াস। তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা ‘শব্দনৈঃশব্দ্য’ র বিশেষভাবে সমাদৃত একটি সংখ্যা/কাজ হলো ‘চারণ কবি বৈদ্যনাথ স্মরণ সংখ্যা’।   দিলীপ তলয়ার জীবনের প্রায় শেষের দিকে কবিতার পাশাপাশি শুরু করেন গল্প লেখা। ব্যক্তিগত অভিমতে এইসকল গল্প অতটা পরিপক্ক নয়, বলা যায় গল্প লেখা শুরুর প্রক্রিয়া। ব্যক্তিগত যোগাযোগে যারা দিলীপদাকে চেনেন তারা সহজেই ঠাহর করতে পারবেন সেগুলো আসলে তাঁর জীবনের জার্নাল। যেখানে চরিত্রগুলো নাম বদলে বসে রয়েছে। প্রকাশিত গল্পের বইগুলো হলো, ‘ডুমডুমির মাঠ’ এবং ‘জীবন্ত মূর্তি অথবা জবাকুসুম’। শেষের বইটি এখনও প্রকাশ পায়নি। অর্থাৎ তাঁর জীবদ্দশায় তিনি বইটি প্রকাশ দেখে যেতে পারেননি। যদিও সেটির মুদ্রণ সম্পূর্ণ হয়ে প্রকাশকের প্রকাশ অপেক্ষায় রয়েছে।   লিটল ম্যাগাজিনেও অজস্র লেখা তাঁর ছড়িয়ে রয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রায় সবকটি পত্রিকা সহ দক্ষিণের পত্রিকা এবং বাংলাদেশ সহ বেশ কিছু প্রবাসী বাংলা পত্রিকাতেও লিখেছেন। এখানে একটি বিষয় বলে রাখা ভালো, কবি নিজে থেকে যেচে কোথাও লেখা পাঠাতেন না। লেখা চাইলেই কেবল পাঠাতেন। ফলত নামজাদা অনেক পত্রিকা থেকে তিনি দূরে সরে থেকেছিলেন। কিছু পত্রিকায় নাম দেওয়া হলো যেখানে প্রায় নিয়মিতই তিনি লিখেছেন। গৌড়ভূমি, নবজন্ম, বিকল্প, ভিটেমাটি, জোয়ার, আরণ্যক, ধ্রুবজ্যোতি, সূর্যাবর্ত, মুখর, মধ্যবর্তী, সাহিত্য তৃষা, নোনাই, উত্তরের হাওয়া, সৌরিমা, রূপান্তরের পথে সহ অন্যান্য আরও প্রায় একশটি ছোট বড় পত্রিকা।   সাংগঠনিকভাবে মালদা সাহিত্য পরিষদে যুক্ত থেকে দীর্ঘদিন যৌথভাবে কাজ করে তিনি বেরিয়ে পড়েন সেখান থেকে। কারণটা খানিক আদর্শের লড়াই। পরবর্তী সময়ে তিনি মালদার কিছু কবি সাহিত্যিকদের নিয়ে প্রথম দশকের গোড়ার দিকে প্রতিষ্ঠা করেন ‘মালদা সাহিত্য উদ্যোগ’।   ডাল-ভাত-সর্ষেমাখা চচ্চড়ি-আলুভাজা প্রিয় এই কবির খাদ্যতালিকাই তাঁকে চিনিয়ে দেয় তাঁর সম্ভাব্য পুরস্কার পাওয়ার ইচ্ছে। হ্যাঁ, তিনি নেহাতই এসবের তোয়াক্কা করতেন না বলেই পেছন থেকে ডাক দিয়ে সামনে সম্মান নেওয়ার পক্ষে ছিলেন না। কিন্ত যেখানে তিনি আমন্ত্রিত এবং সম্মাননা জ্ঞাপনে ডাকা হয় সেখানে তিনি দৃঢ়ভাবে সসম্মানে সম্মান গ্রহণে হাসিমুখেই বিরাজমান থাকেন। পেয়েছেন সীমান্ত সাহিত্য পুরস্কার (২০০৪), আলিপুরদুয়ার মিউজিক কলেজ সম্মান (২০০৬), উত্তরবঙ্গ নাট্যজগত সম্মান (২০০৬), বিপিন চক্রবর্তী স্মৃতি সম্মান (২০০৭), অনিল বর্মণ স্মৃতি সম্মান (২০১১)।   কর্মজীবন থেকে অবসর গ্রহণের প্রায় পরপরই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং চিকিৎসার কিছু সমস্যার কারণে শরীরে পূর্বে জমে থাকা বেশ কিছু রোগ ধরা দেয়। ৭ই মে ২০১৮ মালদা মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালে দুপুর ১টা ৫০ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সৌজন্যে: Sudipta Das

  • মালদা শহর কি হতে পারে যানজট মুক্ত শহর ?

                শংকর চক্রবর্তী আজ ১৪ মে, মালদা শহরে ছিলোনা ট্রাফিক পুলিশ। বলতে গেলে চোখে পড়েনি ট্রাফিক পুলিশের নজরদারী। চলেছে টোটো। ব্যাংক অফিস শহরের খোলা ছিলো। তারপরেও শহর ছিলো যানজট মুক্ত। শহরের মানুষ অনেক দিন পর প্রাণ খুলে নিশ্বাস নিলো। প্রচুর বয়স্ক মানুষ শান্তিতে রাস্তায় হটালেন। এখন কথা হচ্ছে আজ শহর যানজট মুক্ত থাকলো কি করে? এটাই ভাবতে হবে প্রশাসন কে ! অনেক মানুষের অভিমত শহরে সিভিক পুলিশ না থাকার জন্য এই সুন্দর চিত্র। কারো কথায় প্রাক্তম পুরোপতির লাগাম ছাড়া টোটো র অনুমোদন দেওয়া টোটো চালক রা শহরে না আসার জন্যই শহর এতো পরিষ্কার। তবে যে যাই বলুক না কেন শহর যে আজ যানজট মুক্ত ছিলো, এবং এই দৃশ্য হরতালের দিনও চোখে পড়েনা তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে কি কারণে রোজ শহর হয় যানজটে ভরাক্রান্ত? খালি টোটোর দোষ না সাথে আরো অন্য কারণ, আমার চিন্তাভাবনায় যা মনে হলো তাই তুলে ধরলাম।  ১) ভারতের বেশির ভাগ শহরে দিনের বেলায় ট্রাক পণ্য খালি করার জন্য ঢুকতে দেওয়া হয়না। মালদা শহরে চিত্তরঞ্জন মার্কেট ও বোম্বে রোডে আটার দোকান গুলোতে সারাদিন ট্রাক ঢুকে ও বেরোয়। মালদার প্রশাসন চেম্বার অব কমার্স কে সাপোর্ট করে চোখ ফিরিয়ে থাকে। 2) শহরে ডেকোরেটরএর বাঁশ , লোহা ও আয়রন সিট, কাঁচের সিট , কলের পাইপ, সাইকেল ভ্যানে ওভার লোড করে পথ চলতি মানুষের জন্য মরনফাঁদ হয়ে ধীর গতিতে চলতে থাকে।ফলে এই সাইকেল ভ্যান গুলির পেছনে আটকে পরে অসংখ্য গাড়ি। সৃষ্টি হয় যানজটের। ট্রাফিক পুলিশ ও চেম্বার চুপচাপ। 3) পৌসভার এক শ্রেণীর কর্মীদের মদতে ফুটপাত আজ দোকানি দের দখলে। বেশিরভাগ দোকানের স্যান্ডি সাইনবোর্ড ফুটপাতে। কারো কারো আবার কাস্টমার বসার চেয়ার টুল ফুটপাতে।ফলে বাধ্য হয়েই মানুষ কে রাস্তায় নেমে হাটতে হয়, আর পথ চলতি মানুষ কে পাস কাটিয়ে গাড়ি চালকদের যেতে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।প্রতিবাদের উপায় নেই, কিছু বলার উপায় নেই। ফোঁস করে উঠবে চেম্বার। কিছু বললেই মালদা বন্দ। তারপর পৌরসভার মদতও আছে। 4) মোটর সাইকেল চালাতে গেলে ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাশ করতে হয়। তারপর হাজার নিয়ম। টোটোর ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম নেই। প্রশাসকের পোষ্য পুত্র এরা। স্কুলের শিশুদেরই হোক বা সাধারণ যাত্রীদের নিয়েই হোক এরা নিজেদের মর্জিমাফিক রাস্তায় চলে। যেখানে খুশি থামে। হাত না দেখিয়েই যে দিকে খুশি ঢুকে। যেখানে খুশি দাঁড়িয়ে প্যাসেঞ্জার তোলে। এদের বেশিরভাগ চালক শুকনো নেশা করা অবস্থায় গাড়ি চালায়। আর ট্রাফিক আইন না মেনে গাড়ি চালানোর জন্য যানজটের সৃষ্টি হয়। 5) শহরে অনেক নেতার মদতে এখনো বিক্রি হয়ে চলেছে টোটো। রোজ রোজ টোটোর নতুন দোকান খুলছে। খালি পৌরসভা নয় গ্রাম পঞ্চায়েতের টোটো গুলিও সকাল হতেই শহরে চলে আসছে। 6) অনেক টোটো মালিক একাধিক টোটো কিনে নিয়েছে। যা মাসিক চুক্তিতে ভাড়া দিয়ে থাকে। এই গাড়ি গুলি চালানোর জন্য খালি মালদার গ্রাম শহর নয়, পার্শ্ববতী জেলা এমন কি বিহার ঝাড়খণ্ডের প্রচুর মানুষ গাড়ি চালাতে চলে আসছে। ফলে মালদা শহর সবসময় যানজট যুক্ত থাকছে । গ্রীনিস বুকে মালদা, টোটো শহর হিসেবে জায়গা করতে চলেছে। 7) অতুল মার্কেট থেকে বাস স্ট্যান্ড সরানো হয়েছিল যানমুক্ত শহর করার জন্য । আদৌ কি তা সম্ভব হয়েছে ? রথবাড়ি টুরিস্ট লজের সামনে পাকাপোক্ত ভাবে বাসস্ট্যান্ড হয়ে গেছে। ওখানেই বিক্রি হয় বাসের টিকিট। আর এই বাস গুলো 5-7 মিনিটের ব্যবধানেই রথবাড়ি মোহদীপুর ম্যাক্সি স্ট্যান্ডের সামনে জাতীয় সড়ক বন্ধ করে গাড়ি ঘোরানোর কাজ করে। বাস চালকদের রবীন্দ্রভবনএর কাছে বাস স্ট্যান্ডে যেতে নাকি খুব কষ্ট হয়। আবার অনেকে বলে নেতা, প্রশাসনের সাথে সেটিং। আর এই সেটিংস ই হোক বা অন্য কিছু এটাও যে যানজটের কারণ সেটাও বলার অপেক্ষা রাখেনা। 8) কালিচকে বাইপাসের কাজ শুরু করতে কয়েক বছর লেগেছিল একমাত্র রাস্তা দখলকারী দোকানদার দের সময় মত সরাতে না পারার জন্য। প্রশাসনের অবস্থা সেইসময় লেজেগোবরে হয়ে গেলেও প্রশাসন সেখান থেকে শিক্ষা নেয়নি বলেই আমার মনে হয়। রথবাড়ি মোড় এখন ( জানকি বস্ত্রলায়) এর সামনে একটা লেন রীতিমত কালিয়াচক স্ট্যান্ড। এখানেই আবার টোটো গুলো ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে ।সব মিলিয়ে এখান থেকেই প্রতিদিন যানজটের সূচনা হয়।       আমি একটা কথা জোরের সাথে বলতে পারি বেকারদের কর্মসংস্থান করা হয়েছে এই অজুহাত দিতে গিয়ে সাধারণ পথচারী দের পথ চলার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কি লাভ? মালদা জেলার বর্তমান জেলাশাস ককৌশিক ভট্টাচার্য মালদার খুব নিকট আত্মীয়। আশাকরি মালদার উপর তাঁরও ভালোবাসা আছে। পুলিশ সুপার অর্নব ঘোষ পারেন না এমন কিছু নেই। মালদার অনেক জায়গার ক্রাইম তিনি বন্ধ করে দিয়েছেন। যানজট মুক্ত শহর গড়া এই অফিসারদের পক্ষে খুব সোজা কাজ। মালদার মানুষ আশা করেন যানজট মুক্ত শহর গড়ার। যাতে সাধারণ বয়স্ক মানুষরাও নিরাপদে নিজের হার্ট, প্রেসারের ওষুধটা কিনতে দোকান যেতে পারেন। বড়কথা যান নিয়ন্ত্রিত শহর ই সুন্দর শহরের পরিচয়। ভোটের জন্য সব কিছু করতে পারা, ৫-১০ বছরের জন্য নেতা মন্ত্রীরা এটা আর কি করে বুঝবেন! বুঝলে মালদা কে টোটো শহর বলার কেও সাহস পেতনা। টোটো নিয়ে কেউ রাজনীতি করতো না। এখন দেখার বিষয় আবার কবে…….