আইন আদালত

  • হিন্দু উত্তরাধিকার আইন ১৯৫৬, জেনে নিন

    newsbazar24: এই আইন আনুসারে মৃত ব্যক্তির কোনও উইল বা ইচ্ছাপত্র না থাকলে, তার সম্পত্তি নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে বণ্টন করা হবে: প্রথমতঃ যে-সব আত্মীয়রা প্রথম শ্রেণীর উত্তরাধিকারী বলে গণ্য তাদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টন করা হবে। মৃত ব্যক্তি যদি পুরুষ হয়, তাহলে প্রথম শ্রেণীর আত্মীয়রা হবে: পুত্র, কন্যা, বিধবা স্ত্রী, মাতা, মৃত পুত্রের পুত্র ও কন্যা, মৃত পুত্রের বিধবা স্ত্রী (যদি সে ইতিমধ্যে পুনর্বিবাহ না করে থাকে), মৃতা কন্যার পুত্র ও কন্যা, মৃত পুত্রের মৃত পুত্রের পুত্র ও কন্যা এবং মৃত পুত্রের মৃত পুত্রের বিধবা স্ত্রী (যদি সে ইতিমধ্যে পুনর্বিবাহ না করে থাকে)। যদি প্রথম শ্রেণীর কোনও উত্তরাধিকারী না থাকে, তাহলে পর্যায়ক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয়, ইত্যাদি শ্রেণীভুক্ত আত্মীয়দের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টন করা হবে। দ্বিতীয় শ্রেণীর উত্তরাধিকারীরা হল: (১) পিতা; (২) (ক) পুত্রের কন্যার পুত্র, (খ) পুত্রের কন্যার কন্যা, (গ) ভ্রাতা, (ঘ) ভগিনী; (৩) (ক) কন্যার পুত্রের পুত্র , (খ) কন্যার পুত্রের কন্যা, (গ) কন্যzর কন্যার পুত্র, (ঘ) কন্যার কন্যার কন্যা; (৪) (ক) ভ্রাতার পুত্র, (খ) ভগিনীর পুত্র, (গ) ভ্রাতার কন্যা, (ঘ) ভগিনীর কন্যা; (৫) পিতার পিতা; পিতার মাতা; (৬) পিতার বিধবা স্ত্রী - জন্মদাত্রী মা নয়। ভ্রাতার বিধবা স্ত্রী; (৭) পিতার ভ্রাতা, পিতার ভগিনী; (৮) মাতার পিতা; মাতার মাতা; (৯) মাতার ভ্রাতা; মাতার ভগিনী। প্রথমে সম্পত্তি সমানভাবে ভাগ করা হবে পুত্র, কন্যা, বিধবা স্ত্রী ও মাতার মধ্যে। পুত্র বা কন্যা মৃত হলে তাদের প্রাপ্য সম্পত্তি ভাগ করা হবে তাদের উত্তরাধিকারীদের মধ্যে, অর্থাৎ বিধবা স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাদের মধ্যে। কন্যার মৃত্যু হয়ে থাকলে তার ভাগ সেইরকম ভাবে যাবে তার পুত্র ও কন্যার কাছে।প্রথম শ্রেণীর কোনও উত্তরাধিকারী না থাকলে দ্বিতীয় শ্রেণীর উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টন করা হবে। সেক্ষেত্রে তালিকা যেভাবে সাজানো আছে সেভাবে উত্তরাধিকারীরা গুরুত্ব পাবে। অর্থাত্ দ্বিতীয় শ্রেণীর প্রথমে আছে পিতা। পিতা জীবিত থাকলে পিতা একাই পুরো সম্পত্তি পাবে। পিতা মৃত হলে দ্বিতীয় স্থানে যারা আছে, শুধু তারাই সবাই মিলে সমান ভাগে সম্পত্তি পাবে। দ্বিতীয় স্থানের যদি কেউ জীবিত না থাকে, সেক্ষেত্রে তৃতীয়স্থানে যারা আছে তারা সমান ভাগে সম্পত্তি পাবে। ইত্যাদি। দ্বিতীয় শ্রেণীর উত্তরাধিকারীদের কেউ না থাকলে তার অ্যাগনেটরা সম্পত্তি পাবে। অ্যাগনেট হল দুজন ব্যক্তি যদি সম্পূর্ণভাবে পুং পূর্বপুরুষের দ্বারা রক্তের সূত্রে অথবা দত্তকসূত্রে পরস্পরের সাথে সম্পর্কীত হয়।যদি কোনও অ্যাগনেট না থাকে, তাহলে কগনেটরা সম্পত্তি পাবে। কগনেট হল দুই ব্যক্তি যদি রক্তের সূত্রে বা দত্তকসূত্রে পরস্পরের অঙ্গে সম্পর্কীত হন, কিন্তু ঐ রক্তের সূত্র যদি সম্পূর্ণভাবে পুং পূর্বপুরুষ দ্বারা না হয়ে থাকে।মৃত ব্যক্তি যদি নারী হয়, তাহলে প্রথমে সেই নারীর সমস্ত সম্পত্তি (নিজের পিতা-মাতার কাছ থেকে পাওয়া, স্বামী বা শ্বশুর বাড়ি থেকে পাওয়া এবং স্বোপার্জিত) তার পুত্র ও কন্যা (জীবিত ও মৃত) এবং স্বামী সমান ভাবে পাবে। এ ধরণের উত্তরাধিকারীরা না থাকলে সম্পত্তি পাবে তার মৃত স্বামীর উত্তরাধিকারীরা। তারাও না থাকলে, সম্পত্তি যাবে নারীর পিতা ও মাতার কাছে (অন্যথায় তার পিতার উত্তরাধিকারীদের ও পরিশেষে তার মাতার উত্তরাধিকারীদের কাছে)।  (বিশেষ দ্রষ্টব্য: হিন্দু পুরুষের উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে পুত্র, কন্যা ও বিধবা স্ত্রীর মধ্যে সমভাবে সম্পত্তি বণ্টনের যে কথা উল্লেখ করা হয়েছে - সেটি হিন্দুরা যারা দায়ভাগ নিয়মের মধ্যে পড়েন (পশ্চিমবঙ্গে এই নিয়মটিই চালু আছে) - তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মিতাক্ষরা নিয়মে (পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নানান জায়গায় প্রচলিত) যৌথপরিবারের সম্পত্তি (যেটি স্বোপার্জিত বা একান্ত হয়ে যাওয়া সম্পত্তি নয়) বণ্টনের প্রথা পুরনো নিয়মেই চলবে।)মোটামুটি ভাবে এই আইনে হিন্দু নারীদের সম্পত্তিতে পূর্ণ অধিকার দেওয়া হয়েছে। তবে বসতবাড়ির উত্তরাধিকারের ব্যাপারে সমতা রক্ষা করা হয় নি। মৃত ব্যক্তি*র উত্তরাধিকারীদের মধ্যে যদি পুরুষ ও নারী উভয়েই থাকে এবং বসতবাড়িটি পরিবারের ব্যবহারের জন্য থাকে, তাহলে সেই বসতবাড়িতে নারীদের বাস করার অধিকার থাকবে, যদি সে অবিবাহিত, বিবাহ-বিচ্ছিন্না, স্বামী পরিত্যক্তা বা বিধবা হয়। অর্থাত্ বিবাহিত নারীদের সেই বাড়িতে বাস করার অধিকার থাকবে না। শুধু তাই নয়, এই বসতবাড়ির ওপরে নারীদের উত্তরাধিকারীদের প্রাপ্য অংশ থাকবে ঠিকই, কিন্তু সেই অংশ ভাগ করার দাবী তারা তুলতে পারবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত পুরুষ উত্তরাধিকারীরা বাড়িটি ভাগ করে নিজেদের অংশগুলি নেবার সিদ্ধান্ত না নেয়।*হিন্দু উত্তরাধিকার আইন, ১৯৫৬-র সংশোধন হয়েছে ২০০৫ সালে। এই সংশোধনীতে পুরনো আইনে যে লিঙ্গবৈষম্য ছিল সেটাকে সরিয়ে দিয়ে মেয়েদের নীচের অধিকারগুলি দেওয়া হয়েছে - যৌথ-সম্পত্তিতে কন্যা সন্তানের অধিকার পুত্র সন্তানেরই সমান। পুত্র ও কন্যাকে সমভাবে সম্পত্তি বন্টন করতে হবে। যৌথসম্পত্তির ধারদেনাও সমভাবে পুত্র ও কন্যাদের ওপর বর্তাবে।

  • মেয়েরা বিয়ের পরে তাদের আইনি অধিকারগুলি সম্পর্কে সচেতন হন

    newsbazar24: শ্বশুরবাড়িতে যে মেয়েরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাঁদের যোগ্য অধিকার এবং সম্মান পান না, তার সাম্প্রতিক উদাহরণ হল ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়, যেখানে বিচারপতি কে এস রাধাকৃষ্ণন ও দীপক মিশ্রের বেঞ্চ জানায় যে, বাড়ির বউয়ের সঙ্গে পরিবারের সদস্যের মতো ব্যবহার করতে হবে, অপরিচিতের মতো নয়। সে পরিবারের অংশ, বাড়ির কাজের লোক নয়। এবং কোনও পরিস্থিতিতেই তাকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া যাবে না। ভারতীয় আইনে ঠিক কী কী অধিকারের কথা বলা আছে, সেই সম্পর্কে মেয়েদের ভাল ভাবে ধারণা থাকা উচিত—সবধর্মনির্বিশেষে: ১. সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বাঁচার অধিকার। পূত্রবধূর উপর কোনও রকম শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অ্যাক্টের লঙ্ঘন। তাই শুধু যে গায়ে হাত তুললেই নয়, দুর্ব্যবহার ও ইচ্ছাকৃত মানসিক অত্যাচারও ভায়োলেন্সের মধ্যে পড়ে। ২. স্বামী ও পরিবার যে জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত, বধূকে ঠিক সমমানের জীবনযাত্রা দিতে হবে। এমনকী, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে গেলেও স্ত্রী ও তার সন্তানের খাওয়াদাওয়া, থাকার জায়গা, পরিধান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত খরচ বহন করা স্বামীর ‘আইনি’ কর্তব্য। হিন্দু বধূদের অধিকার: ৩. স্ত্রীধন হল সেই সমস্ত উপহার যা বিয়ের আগে বা পরে অর্থাৎ বিয়ে উপলক্ষে এবং সন্তানের জন্মের সময় একজন ভারতীয় বধূ পেয়ে থাকেন। এর মধ্যে পড়ে যে কোনও স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, গয়না, উপহার, টাকা সব কিছুই। হিন্দু সাকসেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী, এই স্ত্রীধনের উপর একজন বধূর সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে। এমনকী, যদি তার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের থাকে, তবেও তিনি যে কোনও সময় স্ত্রীধন তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করতে পারেন। একজন বিবাহিত নারীর স্ত্রীধনের অধিকারকে নস্যাৎ করা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অ্যাক্ট ২০০৫-এর অন্তর্গত একটি অপরাধ। আবার স্ত্রীধন নষ্ট বা তার অপব্যবহারও সেকশন ৪০৫ অনুযায়ী একটি অপরাধ। ৪. যতক্ষণ না বিবাহবিচ্ছেদের সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত স্বামীর উপর স্ত্রীর অধিকারই শেষ কথা। স্ত্রীর সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোনও বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক রাখতে পারেন না কোনও স্বামী। ৫. স্বামী যে বাড়িতে থাকেন, সেই বাড়িতে থাকার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে বিবাহিত স্ত্রীর, সেটা হতে পারে স্বামীর পারিবারিক সম্পত্তি, ভাড়া করা বাড়ি অথবা কর্মসূত্রে পাওয়া থাকার জায়গা। স্ত্রীর সেই বাড়ির মালিক হোন বা হোন, তিনি যতদিন বাঁচবেন, ততদিন সেই বাড়িতে থাকার আইনি অধিকার রয়েছে তাঁর।  মুসলিম বধূদের অধিকার: ৬. হিন্দুদের স্ত্রীধনের মতোই অনেকটা মুসলিমদের মেহের। বিয়ের সময় এটি স্ত্রীকে স্বামীর উপহার এবং একই সঙ্গে একটা প্রতিশ্রুতিও বটে। এর মধ্যে গয়না, নগদ অর্থ, বাড়ি অথবা যে অর্থমূল্য রয়েছে এমন যে কোনও সম্পত্তি হতে পারে। মেহের-এর সম্পূর্ণ অধিকার কিন্তু সেই নারীর এবং সহবাস শুরু করার আগে মেহের স্ত্রীকে দান করতে হয়। তা না হলে স্ত্রী সহবাস আটকে দিতে পারেন। অনাদায়ী মেহেরের জন্য স্ত্রী আইনের দ্বারস্থ হতে পারেন। সেকশন ১২৫-এর মধ্যেও রক্ষণাবেক্ষণের মধ্যে ধরা হয় মেহেরের অর্থ। ৭. শরিয়তী আইন অনুযায়ী স্বামীর মৃত্যুর পরে একজন মুসলিম নারী তাঁর স্বামীর সম্পত্তির আট ভাগের একভাগের ভাগীদার হবেন যদি তাঁদের সন্তানাদি থাকে। সন্তান না থাকলে স্বামীর সম্পত্তির চারভাগের একভাগ স্ত্রীর প্রাপ্য। ৮. বিবাহবিচ্ছেদের পরে, ইদ্দত পর্যায় পর্যন্ত খরচা বহন করা স্বামীর দায়িত্ব। ইদ্দত শেষ হলে যদি সেই নারীর পুনর্বিবাহ না হয় এবং সে নিজের খরচা বহন করতে অক্ষম হয় তবে তার পরিবারের পক্ষ থেকে রক্ষণাবেক্ষণ খরচের জন্য আবেদন করা যায় মুসলিম নারীদের বিবাহবিচ্ছেদ সংক্রান্ত আইনের আওতায়। 

  • কালিয়াচক দুই নং ব্লকের জোনাল কাউন্সিল ফর স্কুল গেমসের কাবাডি প্রতিযোগিতা

    Newsbazar24: কালিয়াচক দুই নং ব্লকের জোনাল কাউন্সিল ফর স্কুল গেমসের অনুর্ধ বালক ও বালিকা বিভাগে কবাডি খেলা হয়ে গেলো উত্তর লক্ষ্মীপুর হাই স্কুল প্রাঙ্গণে । কালিয়াচক জোনাল ক্রীড়া কমিটির সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ সাহা এই খবর জানান, কাবাডি প্রতিযোগিতায় বালক বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন্স হলো উত্তর লক্ষ্মীপুর হাই স্কুল।বালিকা বিভাগে বাঙ্গীটোলা হাইস্কুল কে হারিয়ে তারা চ্যাম্পিয়ন্স হয়। অন্যদিকে বালক বিভাগে তারা ডি এস কে বি স্কুল কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স হয় । আজ উত্তর লক্ষ্মীপুর হাই স্কুলের প্রাঙ্গণে এই খেলা গুলি হয় । অন্যদিকে গত মঙ্গলবার কালিয়াচক দুই নং ব্লকের জোনাল কাউন্সিল ফর স্কুল গেমস এর অনুর্ধ 17 বালক ও বালিকা বিভাগে কবাডি খেলায় চ্যাম্পিয়ন্স হয় বাঙ্গীটোলা হাইস্কুলে। গত এক সপ্তাহ ধরে এই খেলা চলে। ফাইনালে বালক বিভাগে মেহেরপুর হাইস্কুল কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স হয় এবং বালিকা দের বিভাগে কোন দল না থাকায় বাঙ্গীটোলা হাইস্কুল কে চ্যাম্পিয়ন্স ঘোষনা করা হয়। আপনি এই খবরটি পড়লেন www.newsbazar24.com এ

  • কোচের পদ ছাড়লেন লেম্যান

    ডেস্কঃ (I.D).২৮ মার্চ ২০১৮ঃ-অস্ট্রেলিয়া কোচের পদ ছাড়লেন লেম্যান,লেম্যান জানিয়ে দেন, "এটাই তাঁর শেষ টেস্ট। কারণ এই টেস্টের পর আমি কোচের পদ ছাড়ছি।" শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করলেন অস্ট্রেলিয়া দলের হেড কোচ ড্যারেন লেম্যান। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জোহানেসবার্গে চতুর্থ টেস্টের পরই অস্ট্রেলিয়া দলের কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন লেম্যান।কেপ টাউনে বল বিকৃতি-কাণ্ডে নির্বাসিত ক্রিকেটাররা বৃহস্পতিবারই দেশে ফিরে গেছেন। সিডনি বিমান বন্দরে সাংবাদিক সম্মেলনে স্টিভ স্মিথ কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার কিছুক্ষণ পরেই জোহানেসবার্গে লেম্যান জানিয়ে দেন, "এটাই তাঁর শেষ টেস্ট। কারণ এই টেস্টের পর আমি কোচের পদ ছাড়ছি।" স্যান্ডপেপার গেটে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হন ৪৮ বছর বয়সী লেম্যান। সিএ-র প্রধান জেমস সাদারল্যান্ডও মঙ্গলবার জানিয়ে দেন, অজি দলের কোচ হিসেবেই লেম্যান কাজ করে যাবেন। বুধবার স্মিথ-ওয়ার্নারদের শাস্তি ঘোষনার পরেই বল বিকৃতি-কাণ্ডে প্রথম মুখ খোলেন অস্ট্রেলিয় কোচ।বৃহস্পতিবার আবেগপ্রবন লেম্যান জানিয়ে দিলেন তাঁর পদত্যাগের কথা। তিনি জানান, "এই ঘরে যাঁরা বসে আছেন তারা জানেন যে, জীবনের রাস্তায় প্রেমিকের থেকে অনেক দূরে থাকার মানে কী? আমি আমার পরিবারের সাথে কথা বলার পরেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটাই সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময়।"তিনি বলেন, "গত কয়েকদিন ধরে যা ঘটে চলেছে তারপরেও আপনি মনে করতে পারেন, যে আপনি চালিয়ে যেতে পারবেন। কিন্তু আর পারলাম না। এটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমি গত কয়েক দিন ধরে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কর্তাদের সঙ্গে কথাও বলেছি।" সেই সঙ্গে লেম্যান জানান,"খেলোয়াড়দের গুডবাই বলা সবচেয়ে কঠিন কাজ, আর আমি সেই কাজটাই করেছি।" 

  • Conjumar act

  • মহেন্দ্র সিং ধোনির অন্ধ ভক্ত প্রিয়া ওয়ারিরর

    ডেস্কঃ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ঃ- প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়ার জানিয়ে দিলেন, তিনি নিজে মহেন্দ্র সিং ধোনির অন্ধ ভক্ত।শিকারির শিকার হয়েছেন ভাইরাল গার্ল। ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকেই তাঁর পছন্দ, সাফ জানালেন প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়ার। এখনও পর্যন্ত ৪০ লাখের ওপর মানুষ যার অনুরাগী, সেই প্রিয়া ওয়ারিরর জানিয়ে দিলেন, তিনি নিজে মহেন্দ্র সিং ধোনির অন্ধ ভক্ত।একই সঙ্গে নিজের ভাইরাল মুহূর্তের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, "পরিচালক চেয়েছিলেন আমার এবং নায়কের মধ্যে কিউট কিছু ঘটুক। তিনি আমাকে বলেন যদি চাহনি দিয়ে কিছু একটা করা যায়। তখন আমি তাকে বলি, চেষ্টা করে দেখতে পারি।  দক্ষিণী ছবি 'ওরু আদর লাভ'-এ একটি গানের দৃশ্যেই সবার নজরে এসেছেন প্রিয়া। 'মানিক্য মালারায়া পুভি' -এই গানে প্রিয়া এবং 'তাঁর হিরো'র অনবদ্য রসায়ন ইতিমধ্যেই ভাইরাল। ইউটিউবে প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে লাইক । প্রিয়া অবশ্য বলছেন, সবাই বলছে ভাল হয়েছে, কিন্তু এতটা সাফল্য পাবে, বুঝতে পারিনি।প্রিয়ার বাড়ি কেরালার ত্রিশূর শহরে। আর প্রিয়া অভিনীত যে সিনেমার দৃশ্য ভাইরাল হয়েছে সেই 'ওরু আদর লাভ' ছবিটিই প্রিয়ার প্রথম সিনেমা।