ভ্রমন

  • গীষ্মের ছুটিতে ঘুরে আসুন বক্সাদুয়ারের লেপচাখা গ্রামে

    newsbazar24: গরমের দাবদাহ থেকে কয়েক দিনের জন্য পালিয়ে যেতে চলে যাওয়া যায় বক্সাদুয়ারের লেপচাখা গ্রামে। প্রায় সাড়ে তিন হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত পাহাড়ি এই গ্রামটি। কখনও রোদ ঝলমলে দুপুরের আকাশে হঠাতই উড়ে আসা মেঘের চাদর, ক্ষণিকের জন্য ঢেকে দিয়ে যায় লেপচাখাকে।নিউ আলিপুরদুয়ার স্টেশন থেকে মাত্র ২৬ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে সান্তালাবাড়ি। স্টেশন থেকেই গাড়ি পাওয়া যায়। সেখান থেকে বক্সা দুর্গ যাওয়া যায়। তবে গাড়ি ভিউ পয়েন্ট পর্যন্ত যায়। তার পরে, ৩ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ ট্রেক করে পৌঁছে যাওয়া যায় ইতিহাসের পাতায়।দুর্গ যাওয়ার পথেই পড়ে সদর বাজার। এখানে একটু জিরিয়ে নিতে পারেন। চা-মোমো বা ঠান্ডা পানীয় দিয়ে একটু চাঙ্গা হয়ে আবারও হাঁটুন বক্সা দুর্গের উদ্দেশ্যে, যেখানে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বন্দি করে রাখত ব্রিটিশ সরকার। বক্সা দুর্গের সামনেই রয়েছে বক্সা ডাকঘর ও বক্সা মিউজিয়াম।দুর্গের পরে এবার লেপচাখা গ্রাম। এখান থেকে মাত্র এক ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায় লেপচাখা। ছোট্ট গ্রামটিতে রয়েছে একটি বৌদ্ধ গুম্ফা। সঙ্গে নৈসর্গিক দৃশ্য, যা মুগ্ধ করবে সকলকে।৮০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে থাকার রুম পাওয়া যায় লেপচাখা ইকো হাটে। বিদ্যুৎ থাকলেও তা বেশ অনিয়মিত। তবে, সৌরবিদ্যুৎ রয়েছে। মোবাইল পরিষেবা বলতে বিএসএনএল পাওয়া যায়। মাঝে মাঝে পাওয়া যায় আইডিয়াও।লেপচাখা থেকে ট্রেক করে যাওয়া যায় রোভার্স পয়েন্ট ও রুপম ভ্যালি।লেপচাখার ইকো হাটে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত থাকেন চামা ডুকপা, তেনজিং ডুকপাদের মতো অনেকেই।

  • এই গ্রীষ্মে ঘুরে আসুন ধার্মিক দেশ ভুটানে

    newsbazar24: ভুটান দেশটিতে প্রকৃতি উজাড় করে দিয়েছে সৌন্দর্য। ভারতের পড়শি দেশ ভুটান, পশ্চিমবাংলা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে৷ তাই এই গরমে ঘুরে আসুন ভুটান।ধার্মিক দেশ ভুটান, বৌদ্ধ মনাস্ট্রি ও গুম্ফার দেশ ভুটান ।  অনেক বৌদ্ধ গুম্ফা ও জং ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সারা দেশ জুড়ে৷আছে ভুটানের প্রান চু নদী। যে যেন শাখাপ্রশাখা ছড়িয়ে সারা ভুটানকে পরম আবেগে  আলিঙ্গন করে রেখেছে। ভুটান পাহাড়ি দেশ তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের খনি।পৃথিবীর একমাত্র কার্বন নেগেটিভ দেশ ভুটান। যত পরিমাণ কার্বন উৎপন্ন করে তার চেয়ে বেশি শোষণ করে ভুটান। ফুন্টসোলিংঃ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে হাসিমারা স্টেশনে নেমে অটো বা ভাড়া গাড়িতে ১৮ কিমি দূরে জয়গাঁও পৌঁছন। জয়গাঁওতে ভুটানের প্রবেশদ্বার সুদৃশ্য ভুটান গেট পেরিয়ে ভুটানের  ফুন্টসোলিং আসুন। সম্ভব হলে দেখে নিন ১৯৬৭ সালে তৈরি আপার মনাস্ট্রি। শান্ত সমাহিত পরিবেশ আপনাকে মুগ্ধ করবে। ফুন্টসোলিং থেকে ভাড়া গাড়িতে বা বাসে করে চলুন ১৭২ কিমি দূরে ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে৷ থিম্পু ভুটানের রাজধানী৷ থিম্পুতে এসে মতিজং এর সংস্কৃতি দপ্তরের অফিস থেকে ভুটানের জং বা দুর্গ গুলি ও সেরা সেরা মনাস্ট্রিগুলি দেখার অনুমতি পত্র নিয়ে নেবেন। থিম্পু ঃ পাহাড়ের ছিমছাম শহর থিম্পুতে দেখে নিন সিমতোখা জং,  চিড়িয়াখানা,  টিভি টাওয়ার ভিউ পয়েন্ট, নরজিন ল্যম,, থিম্পু গুম্ফা, হস্তশিল্পকেন্দ্র এবং সিমডেখাং-এর এক টিলার ওপরে  সিমতোখা  জং। জং-য়ের ফ্রেসকো চিত্রগুলি অসাধারণ।  এখানে লামাতন্ত্রের মহাবিদ্যালয় রয়েছে।  সিমতোখা  জংয়ে সূর্যাস্তের সময়    লামা ও দ্রাপাদের সুরেলা মন্ত্রোচ্চারণ ও গ্রন্থপাঠ এবং বিভিন্ন তিব্বতী বাদ্যযন্ত্রের গম্ভীর শব্দ  শিহরণ জাগাবে।  থিম্পু শহরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে মেমোরিয়াল চোর্তেন। এই চোর্তেনটি হলো আধুনিক ভুটানের জনক রাজা জিগমে দোরজি ওয়াংচুর স্মৃতিমন্দির ৷ ওয়াংচু নদীর ধারে রয়েছে দেশের প্রধান জং তাশি-চো জং উল্টোদিকেই রয়েছে সার্ক বিল্ডিং৷থিম্পু শহরে এরপর দেখুন  নতুন তৈরী হাওয়া  বৌদ্ধমন্দিরটি।  পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বুদ্ধমূর্তিটি এখানে রয়েছে। নানা জায়গা থেকে ও অনেক দূর থেকে এই নয়নাভিরাম বুদ্ধমূর্তিটি দেখা যায়। পুনাখাঃ থিম্পু থেকে চলুন পুনাখা৷ পথেই পড়বে  দোচুলা পাস৷ দোচুলা পাসের ওপরে রয়েছে  শতাধিক চোর্তেন ও বৌদ্ধমন্দির৷ রোদ ঝলমলে দিনে এই দোচুলা পাসের ওপর থেকে হিমালয়ের তুষারাচ্ছাদিত শৃঙ্গগুলি চমৎকার দেখা যায়। ঝলমলে রোদ থাকলে পরিষ্কার দেখা যায় শৃঙ্গগুলি৷ এই পাসের বৌদ্ধমন্দিরটি থেকে ভুটানের পাহাড়ি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ এক অপূর্ব অভিজ্ঞতা।  ফো-চু আর মো-চু অর্থাৎ পুরুষ ও প্রকৃতি এই দুই নদীর সঙ্গমে অবস্থিত পুনাখা । নদী দিয়ে ঘেরা কাঠ ও পাথরের তৈরী সাত তলা পুনাখা জং । থিম্পু থেকে পুনাখার দূরত্ব প্রায় ৮৬ কিমি, যেতে সময় লাগে প্রায় তিন ঘণ্টা। পুনাখা জং। ভুটানের অন্যতম পবিত্র জং৷  এখানে অবশ্যই  দেখুন  মধ্যে নামগিয়াল চোর্তেন৷ ওয়াংদি-ফোড্রনঃ পুনাখা থেকেই দেখে নিন ২৩ কিমি দূরের ওয়াংদি-ফোদ্রন। ভুটানের সুইজারল্যান্ড নামে খ্যাত এই জায়গাটি। দেখুন ওয়াংদি-ফোদ্রন জংটি। কথিত আছে ওযাংদি নামে এক কিশোর বালি, মাটি , পাথর দিয়ে একটি খেলনার জং  তৈরী করে। কিন্তু হঠাৎই সে মারা যায়। সেই মডেলেই  গড়ে ওঠে এই ওয়াংদি-ফোদ্রন জংটি। এটি কিন্তু বেশ প্রাচীন জং৷ এখানকার ফ্রেসকো গুলিও দেখার মতো। এই জংটির মধ্যে একটা গা ছমছম করা ব্যাপার আছে। কাছেই আছে রাডাক নাকসাং মন্দির। এর মধ্যে রয়েছে তারাদেবী, শাক্যমুনি ও গুরু রিম্পোচের মূর্তি। পারোঃ দ্বিতীয় পর্যায়ে থিম্পু থেকে চলুন সোনালীরঙা পারো উপত্যকায়৷ থিম্পু থেকে দূরত্ব ৫১ কিলোমিটার, সময় লাগে  ঘণ্টা দেড়েক। যাবার পথেই পড়বে  পারো বিমানবন্দর৷ পারো উপত্যকাটি যেন   জলরঙে আঁকা  শিল্পীর কোনও ক্যানভাস। পাহাড়ের গায়েই রয়েছে সিটি ভিউ পয়েন্ট, এখান থেকে পারোর সান্ধ্যকালীন অবিস্মরনীয় রূপ উপভোগ করুন।   পাহাড়ে ঘেরা পারো  উপত্যকার প্রধান জং হলো রিনপুং জং৷রিন পুং জং৷ জংয়ের গঠনশৈলী অনবদ্য।  জংয়ের দেওয়ালের  চিত্রকলা ও ভিতরের বৌদ্ধমন্দিরটির সৌন্দর্যে মোহিত হবেন৷ রিংপুং জংয়ের  পিছন দিক থেকে  পাহাড়ি উপত্যকা ও নদীর দৃশ্য আপনাকে পাগল করে দেবে। যদি ট্রেকিং করার ইচ্ছে ও শারীরিক ক্ষমতা থাকে। তাহলে  পারো থেকে সারাদিন ট্রেক করে দেখে নিন উঁচু এবং  খাড়া পাহাড়ের গায়ে আশ্চর্যজনক ভাবে অবস্থিত ও নির্মিত তাকসাং মনাস্ট্রি । যাকে বিশ্ব চেনে টাইগার নেস্ট নামে।    সাত কিলোমিটার তিন-চার ঘণ্টায় ট্রেক করে পারো থেকে টাইগার নেস্ট পৌঁছে যান। এই গুম্ফা থেকে উপত্যকার সৌন্দর্য আমৃত্যু মনে থাকবে। চেলে-লাঃ পারো থেকে পাহাড় পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে ওঠা পথ ঘণ্টা দুয়েকে পেরিয়ে উঠে আসুন চেলে-লা (পাস)ভুটানের সবচেয়ে সুন্দর অথচ সবচেয়ে কম বিখ্যাত জায়গা। এটি প্রায় ৪৫০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এবং এটি ভুটানের সর্বোচ্চ রোড-পাস। এর অবস্থান পারো উপত্যকা ও হা উপত্যকার ঠিক মাঝখানে। প্রচণ্ড ঠান্ডা, প্রচণ্ড হাওয়া। খাবার কিছুই পাবেন না।পুরু জ্যাকেট নিয়ে যাবেন। তবে পৌঁছতে পারলে নবকুমার হয়ে যাবেন,’যা দেখিলাম, জন্মজন্মান্তরেও ভুলিবনা’ ভুটানে থাকবেন কোথায়? প্রচুর হোটেল ভুটানে। সব ট্যুরিস্ট স্পটেই। প্রথমেই বলে দিই,  ভুটান কিন্তু দার্জিলিং বা সিকিমের মতো সস্তা নয়। অত্যন্ত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন দেশ ভুটানের বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ, দোকান, গাড়ি ঝাঁ চকচকে। কারণ বিদেশীরাই বেশি আসেন পর্যটক হিসেবে। তাই পরিচ্ছন্নতাও যেমন দামও তেমন। থিম্পু, পারো,  ফুন্টসোলিং-সহ সব জায়গার হোটেল ভাড়া ভারতীয় টাকায় ১৫০০ – ২০০০ টাকা থেকে শুরু। ভুটানের সর্বত্র ভারতীয় টাকা চলে। হোটেল আগে থেকে বুক করে নেবেন অনলাইনে। সব হোটেলে এখন ফ্রি ওয়াইফাই আছে। পরিষেবা ভালোই। খাওয়া থাকা গাড়ী ভাড়া বাবদ দিনপ্রতি কম বেশী ২০০০ টাকায় ভুটান ঘুরে আসা যায়। ভুটানের টাকা হলো ন্যুলট্রাম। বর্তমানে ভুটানের ৫০০ ন্যুলট্রাম সমান আমাদের ভারতীয় টাকায় ৪৯৯ টাকা ২০ পয়সা।

  • জানেন কি দেশে ও বিদেশে ঘুরে কি কি উপকার পাওয়া যায় ?

    newsbazar24: ঘোরাঘুরি বা ভ্রমন, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও কার না ভালো লাগে একটু ঘুরে বেড়াতে? আমরা কেন ভ্রমণ করি? ঘুরে বেড়াতে ইচ্ছা হয় বলেই। শরীর এবং মনের প্রফুল্লতা অর্জনের জন্যও। যেহেতু রোমাঞ্চকর স্থানে সময় কাটানো বা বেড়াতে যাওয়া ভালোলাগার বিষয় যা মনে স্বস্তিও আনে। আর এই ভ্রমণেও আছে নানান রকমের উপকারিতা। সেটা স্বাস্থ্যের জন্যও। আসুন জেনে নেই ভ্রমণের উপকারিতা গুলো- মানসিক চাপ হ্রাস ভ্রমণ মানসিক চাপ কমানো এবং নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ভালো উপায়। ছুটির সময়টা বাড়ির বাইরে গিয়ে কাটান। দেখবেন আপনি দৈনন্দিন ঝামেলা থেকে দূরে থাকবেন। ছুটি শেষে যখন ঘরে ফিরবেন; তখন একটা সতেজ বোধ এবং অনুপ্রেরণা ও আগ্রহ কাজ করবে। সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি  ভ্রমণে বিভিন্ন ধরনের মানুষের সঙ্গে মেশার সুযোগ হয়। আপনার পাশে বসা মানুষটির সঙ্গে আলাপ হতে পারে। এতে আপনার সামাজিক দক্ষতা বাড়বে। অনেকেই আবার নতুন পরিবেশে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন। এমন সমস্যায় ভ্রমণ হতে পারে ভালো সমাধান। ধৈর্যশীলতা বৃদ্ধি- ঘোরাঘুরি করতে গেলে আপনাকে আরো বেশি ধৈর্যশীল হতে হবে। চাওয়া মাত্রই সব হয়তো হাতের কাছে চলে আসবে না। কেননা বের হলেই দেখবেন, কোনো কিছুর জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। খাবারের জন্য রেস্টুরেন্টে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এসব পরিস্থিতি আপনাকে সামাল দিতে হবে। এতে আপনার ধৈর্যশীলতা বাড়বে । আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায় ভ্রমন । বেড়াতে গেলে নিজের প্রতি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ে। আপনাকে লক্ষ্য অর্জনেও সাহায্য করবে ভ্রমন । মনে করুন, পাহাড়ে ওঠার লক্ষ্য অর্জন করলে আপনি হয়তো আবার একটি লক্ষ্য ঠিক করে নিবেন। এভাবে লক্ষ্য অর্জন আপনাকে দিতে পারে আত্মবিশ্বাস এবং সফলতা। ইতিবাচক মানসিকতা ভ্রমণ করলে আপনি কিছুটা ইতিবাচক চিন্তার অধিকারী হবেন। খারাপ আবহাওয়ায় তারিখ পরিবর্তন হতে পারে। তখন নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এসবই আপনাকে অনেক নমনীয় করে তুলবে। আরো বেশি মুক্তমন তৈরি করে দেবে। এসবই আপনার দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগবে।

  • কানাডার নায়াগ্রা ফলস ভ্রমণের উপযুক্ত সময় মে-আগস্ট

    newsbazar24: বিশ্বের সুখী-সমৃদ্ধ দেশের মধ্যে কানাডা অন্যতম। ভ্রমণপিপাসুদের অন্যতম স্বর্গীয় স্থান কানাডা। দেশটির পর্যটন শিল্প ভ্রমণপিপাসুদের মন কেড়েছে। অতিথিপরায়ণ ও বন্ধুসুলভ দেশটি বর্তমানে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। তবে প্রতিটি দেশে ভ্রমণের জন্য একটি সর্বোত্তম সময় রয়েছে। তেমনই কানাডায় ভ্রমণের জন্য মে থেকে আগস্ট সর্বোত্তম সময়।সাধারণত অক্টোবর-নভেম্বর মাস থেকে কানাডায় তুষারপাত শুরু হয়, যা মার্চ অথবা সর্বোচ্চ এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত থাকে। তাই গ্রীষ্মকাল হচ্ছে কানাডা ভ্রমণের সর্বোত্তম সময়।কানাডা শীত প্রধান দেশ। এ দেশে প্রায় ৮ মাস শীত থাকে। কিন্তু মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত কোন শীত থাকে না। সে সময় প্রায় ১৭-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকে। যা ভ্রমণকারীদের জন্য সর্বোত্তম আরাম-আয়েশের সময়। এ সময়কে ‘সামার টাইম’ বলা হয়।কানাডার ১০টি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র হলো- টরেন্টো, নায়াগ্রা ফলস, মন্ট্রিয়াল, ভ্যানকুভার, কানাডিয়ান রকিজ, হুইসলার, ইউকোন, ক্যুইবেক সিটি, অটোয়া, নোভাস্কোচিয়া ও হ্যালিফ্যাক্স। প্রতি বছর প্রায় ৩০ মিলিয়ন মানুষ নায়াগ্রা জলপ্রপাত ভ্রমণ করে থাকে। প্রতি বছর প্রায় ৪৩ মিলিয়ন মানুষ টরেন্টো ভ্রমণ করে থাকে।ভিজিটর ইকোনমি কাউন্সিলের তথ্যমতে, ২০১৮ সালে কানাডায় প্রায় ১৮.৬ মিলিয়ন ট্যুরিস্ট ভ্রমণে করেছিল। দেশটি প্রায় ১৭.৫ বিলিয়ন ডলার আয় করছিল শুধু ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিস্টদের কাছ থেকে। প্রদেশ ভ্রমণের দিক থেকে প্রথমে অন্টারিও, দ্বিতীয় অবস্থানে ব্রিটিশকলম্বিয়া ও তৃতীয় অবস্থানে ক্যুইবেক।সুতরাং আর দেরি না করে এখনি কানাডার ‘ভিজিটর ভিসা’র জন্য আবেদন করে ফেলুন।

  • জুন মাসে ‘থোকায় থোকায়’ জ্বলে জোনাকি, যাবেন নাকি এমন জায়গায়

    newsbazar24:বর্ষার শুরু, অর্থাৎ জুন মাস নাগাদ পুরুষওয়াদিতে সন্ধে হলেই জ্বলে ওঠে হাজার হাজার জোনাকি।এখনও অনেক সময় রয়েছে। প্ল্যান করে ফেলুন আগামী জুন মাসের জন্য। বাণিজ্য নগরী মুম্বই থেকে মাত্র ৪ ঘণ্টা দূরত্বেই রয়েছে এক স্বপ্নপুরী। মুম্বই বা পুণে থেকে নাসিক যাওয়ার পথেই পড়ে আদিবাসী অধ্যুষিত একটি গ্রাম। নাম পুরুষওয়াদি। মহারাষ্ট্রের আকোল জেলার দু’টি নদী, কুরকুন্ডি ও মুলার মাঝে রয়েছে সবুজে ঢাকা এই গ্রাম। গত কয়েক বছর ধরে, জুন মাস এলেই পুরুষওয়াদিতে শুরু হয় ‘ফায়ারফ্লাইজ ফেস্টিভ্যাল’।মহারাষ্টের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পুরুষওয়াদিতে ইকো-ট্যুরিজিম গড়ে তোলার চেষ্টা করছে বর্তমানে। হোম-স্টে, স্থানীয় খাবার, শহুরে জীবন থেকে একটু দূরেই সম্পূর্ণ প্রকৃতির মাঝে সপ্তাহান্তের দু’টি দিন কাটানোর সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলাই তাদের লক্ষণ। কিন্তু, এ সবের জন্য নয়, পুরুষওয়াদির জনপ্রিয়তা বেড়েছে একেবারেই অন্য কারণে। বিভিন্ন পর্যটন সংস্থা ও সংবাদমাধ্যমের সূত্র ধরে জানা যায় যে, বর্ষার শুরু, অর্থাৎ জুন মাস নাগাদ পুরুষওয়াদিতে সন্ধে হলেই জ্বলে ওঠে হাজার হাজার জোনাকি।