গ্রহ শান্তি

  • আপনার জীবনে অর্থের আগমন কবে এবং কী ভাবে হবে,জেনে নিন

    newsbazar24: যদি আপনার কনিষ্ঠা এবং অনামিকা আঙুলকে একে অপরের গায়ে গায়ে লাগানোর পর মাঝখানে ফাঁক দেখা যাচ্ছে, তা হলে বুঝবেন, আপনার আর্থিক স্থিতি ভালো নয়।এই ফাঁক যদি মধ্যমা এবং অনামিকার মধ্যে থাকে, তা হলে এর অর্থ হল, যৌবনে আপনি আর্থিক দিক থেকে সঙ্কটাপন্ন ছিলেন। তবে এখন অবস্থা অনেকটাই ভালোর দিকে।জীবনে ধন-সম্পত্তির আগমন যতটা আপনার দক্ষতার ওপর নির্ভর করে, ততটাই নির্ভর করে আপনার হাতের রেখার ওপরও। আজ পড়ুন, নিজের আঙুল দেখে আপনি কি করে জানবেন যে, আপনার জীবনে অর্থের আগমন কবে এবং কী ভাবে হবে, বা আপনার জীবনে কিসের অভাব থাকবে। * যদি আপনার কনিষ্ঠা এবং অনামিকা আঙুলকে একে অপরের গায়ে গায়ে লাগানোর পর মাঝখানে ফাঁক দেখা যাচ্ছে, তা হলে বুঝবেন, আপনার আর্থিক স্থিতি ভালো নয়। * এই ফাঁক যদি মধ্যমা এবং অনামিকার মধ্যে থাকে, তা হলে এর অর্থ হল, যৌবনে আপনি আর্থিক দিক থেকে সঙ্কটাপন্ন ছিলেন। তবে এখন অবস্থা অনেকটাই ভালোর দিকে। * যদি মধ্যমা এবং তর্জনীর মধ্যে এই ফাঁক থাকে, তা হলে শৈশবে জাতকের আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।* যদি এই ফাঁক কোনও আঙুলের মধ্যে দেখা না-যায়, তা হলে এর অর্থ হল জাতকের জীবনে কখনও অর্থাভাব হবে না। * যদি আঙুলের সমস্ত পর্ব লম্বা হয়, তা হলে ওই ব্যক্তি ধনবান হন। * যদি মধ্যমার তৃতীয় পর্বের পাশে অনামিকা এসে মিলে যায়, তা হলে এমন ব্যক্তি শিল্পী, বুদ্ধিমান, বিদ্বান এবং বিচারশীল হন। এই সব ক্ষেত্রেই তিনি আয় করে থাকেন। * অনামিকা সোজা এবং লম্বা হওয়ার মানে, জাতক অর্থ রোজগারের বিষয়ে কুশলী। * অনামিকা তর্জনীর সমান লম্বা হলে এবং তার প্রথম পর্ব চ্যাপ্টা হলে সেই ব্যক্তি সম্মানিত হন এবং তার জীবনে প্রচুর অর্থের আগমনও হয়। * কোনও ব্যক্তির অনামিকা অন্যান্য আঙুলের তুলনায় বেশি লম্বা হলে, তিনি কোনও সমস্যা ছাড়াই অর্থ আয় করে থাকেন। * যদি জীবনরেখার মধ্য থেকে ছোট ছোট উপরেখা বার হয় এবং সেটা ওপরের দিকে ওঠে, তা হলে বুঝবেন, ব্যক্তি, ওই নির্দিষ্ট বয়সে প্রচুর ধন-সম্পত্তি এবং সম্মান পাবেন। * যদি মস্তিষ্ক রেখা থেকে কোনও রেখা গুরু পর্বতের দিকে যায় এবং তার শেষে কোনও কাটা দাগ থাকে বা কোনও বাঁকা রেখা থাকে, তা হলে এমন ব্যক্তি চেষ্টা করেও অর্থ আয় করতে পারেন না। * বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠের দুই পর্বই যদি কঠিন এবং সমান হয়, তা হলে এটি সম্পত্তি এবং ব্যবসাকে খুব বাড়ায়। 

  • বাস্তুশাস্ত্রের হিসাব বলছে এই নবরাত্রি মরশুমেই টাকার পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা

    newsbazar24: বাস্তুশাস্ত্রের হিসাব বলছে এই নবরাত্রি মরশুমেই টাকার পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা সেদিক থেকে দেখে নেওয়া যাক কয়েকটি টিপস। যাঁরা ধনলাভে আগ্রহী তাঁরা এই সময়ে দূর্গার পূজাপাঠ করুন। নবরাত্রির অষ্টমীর দিন বিশেষত মা দবর্গার পূজায় মনো নিবেশ করলেই ধনলাভের সম্ভাবনা বাড়বে বলে দাবি বাস্তুশাস্ত্রবিদদের।দরজায় মা লক্ষ্মীর ছবি নবরাত্রির সময় দরজায় মা লক্ষ্নীর ছবি রাখলে তা রীতিমত কার্যকরী হতে পারে। এরমাধ্যমে ঘরে আর্থাগম বাড়তে পারে বলে দাবি বিভিন্ন বাস্তুবিদদের। ঘরের ওপর ওম চিহ্ন যে ঘরে থাকছেন সেই ঘরের মাথায় ওম চিহ্ন টাঙিয়ে রাখতে পারেন। তাহলে তা ঘরে আর্থিক আগমন বাড়িয়ে দিতে পারে বলে দাবি বাস্তুশাস্ত্রকারদের।  

  • শস্ত্রমতে কুমারী কাকে বলে ? সকল নারীর মধ্যেই বিরাজিত রয়েছে দেবী শক্তি।

    দেবেন্দ্র ত্রিবেদী : ভারত ও বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মিশনসহ বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী মন্দির বা বাড়ির পুজোয় অষ্টমীর মহাতিথিতে কুমারী পূজা হয়ে থাকে। শাস্ত্রকাররা নারীকে সন্মান ও শ্রদ্ধা করতে এই পূজা করতে বলেছেন। আমাদের সনাতন ধর্মে নারীকে সন্মানের শ্রেষ্ঠ আসনে বসানো হয়েছে। “নিজেদের পশুত্বকে সংযত রেখে নারীকে সন্মান জানাতে হবে”- এটাই কুমারী পূজার মূল লক্ষ্য। বৃহদ্ধর্ম পূরাণ এ রামের জন্য ব্রহ্মার দূর্গা পূজার বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়। তখন শরৎকাল, দক্ষিণায়ণ। দেবতাদের নিদ্রার সময়। তাই, ব্রহ্মা স্তব করে দেবীকে জাগরিত করলেন। দেবী তখন কুমারীর বেশে এসে ব্রহ্মাকে বললেন, বিল্ববৃক্ষমুলে দূর্গার বোধন করতে। দেবতারা মর্ত্যে এসে দেখলেন, এক দুর্গম স্থানে একটি বেলগাছের শাখায় সবুজ পাতার রাশির মধ্যে ঘুমিয়ে রয়েছে একটি তপ্তকাঞ্চন বর্ণা বালিকা। ব্রহ্ম বুঝলেন, এই বালিকাই জগজ্জননী দূর্গা। তিনি বোধন-স্তবে তাঁকে জাগরিত করলেন। ব্রহ্মার স্তুবে জাগরিতা দেবী বালিকা মূর্তি ত্যাগ করে চন্ডিকামূর্তি ধারণ করলেন। তন্ত্রসার মতে, “১ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত বালিকারা কুমারী পূজার উপযুক্ত; তাদের অবশ্যই ঋতুমতি হওয়া চলবে না।” মেরুতন্ত্রে বলা আছে, “ সর্বকামনা সিদ্ধির জন্য ব্রাহ্মণ কন্যা, যশোলাভের জন্য ক্ষত্রিয় কন্যা, ধনলাভের জনয বৈশ্য কন্যা ও পুত্র লাভের জন্য শূদ্রক’ল জাত কন্যা কুমারী পূজার জন্য যোগ্য।” গুণ ও কর্ম অনুসারেই এই জাতি বা বর্ণ নির্ধারিত হয়। সেই জন্যই প্রচলিত শাস্ত্র অনুসারে, বিভিন্ন মিশন ও মন্দির গুলোতে সর্বমঙ্গলের জন্য ব্রাহ্মণ কন্যাকেই দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয়।তবে বেশ কিছু বাড়ীর পুজোয় বর্ন না দেখে বালিকার বংশ ও বালিকার গুণাগুণ দেখা হয়। সকল নারীর মধ্যেই বিরাজিত রয়েছে দেবী শক্তি। তবে কুমারী রূপেই মা দূর্গা বিশেষভাবে প্রকটিত হয়েছিলেন। তাই, কুমারী রূপে নারীকে দেবীজ্ঞানে সন্মান জানানোর একটি বাস্তব উদারহণ হচ্ছে “ কুমারী পূজা। তাই শাস্ত্রবিদ রা যা বলেছেন, সেই মতে চন্ডীতে বলা হয়েছে- যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা। নমস্তেস্যৈ নমস্তেস্যৈ নমস্তস্য নমঃ নমঃ অর্থাৎ যিনি মায়ের রূপ ধরে যে দেবী বিরাজিত, তাকে পুনঃ পুনঃ নমস্কার করি। শস্ত্রমতে কুমারী কাকে বলে? এক বছর থেকে ষোল বছর পর্যন্ত অজাত পুস্পবালাকে কুমারী বলে। মাতৃভাব বিকাশের জন্য রামকৃষ্ণ মঠ বিশেষভাবে এ পূজা করে থাকে। দুর্গাপূজার সময় বা জগদ্ধাত্রী পূজার সময় এ পূজা অনেক আগে থেকেই প্রচলিত। ঠিক ঠিকভাবে পূজা হলে মন বিশুদ্ধ হয়, ঈশ্বরের কৃপালাভ হয়। বয়স অনুসারে কুমারীর নানা শাস্ত্রীয় নাম হয়ে থাকে। যেমন –কালিকা, সুভগা, উমা, মালিনী ইত্যাদি। শান্ত, পবিত্র, সর্তশীলা এসব দৈবী সম্পদের অধিকারিণী কুমারীই জগজ্জননীর প্রতিমারূপে গ্রহণে বিধান আছে। ব্রহ্ম ও শক্তি অভিন্ন। যাকে ঈশ্বর, হরি, গড প্রভৃতি বলা হয়, তাকেই মাতৃভাবে সাধনার সময় বলা হয় জগজ্জননী। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানবজাতির ক্ষেত্রে মায়ের নীরব অবদানের ঋণ পরিশোধ করা অসম্ভব। নারী শক্তিরূপিণী। তাঁর সঠিক মূল্যায়নের অভাবে আমাদের অবক্ষয় নেমে আসে। আবার তাঁর উপযুক্ত মর্যাদায় সমাজ হয় কল্যাণমূখী। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন –‘মেয়েদের পূজা করেই সব জাত বড় হয়েছে। যে দেশে, যে জাত মেয়েদের পূজা নেই, সে দেশ, সে জাত কখনও বড় হতে পারেনি, কস্মিনকালেও পারবে না। মনু বলেছেন, ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতা’। যত্রৈতাস্তু ন পূজ্যতে সর্বাস্তত্রাফলাঃ ক্রিয়াঃ। অর্থাৎ যেখানে নারীগণ পূজিতা হন, সেখানে দেবতারা প্রসন্ন। যেখানে নারীগণ সন্মানিত হন না, সেখানে সকল কাজই নিস্ফল’ (মনুসংহিতা, ৩.৫৬)। যেখানে স্ত্রীলোকের আদর নেই, স্ত্রীলোকেরা নিরানন্দে থাকে, সে সংসারে, সে দেশে কখনো উন্নতির আশা নেই। মাটির প্রতিমায় যে দেবীর পূজা করা হয়, তারই বাস্তব রূপ কুমারী পূজা। কুমারীতে সমগ্র মাতৃজাতির শ্রেষ্ঠ শক্তি –পবিত্রতা, সৃজনী ও পালনী শক্তি,সকল কল্যাণী শক্তি সূক্ষ্মরূপে বিরাজিত তাই কুমারী পূজা। কুমারী প্রতীকে আমাদের মাতৃরূপে অবস্থিত। সর্বব্যাপী ঈশ্বরেরই মাতৃভাবে আরাধনা। যে জাতির মধ্যে শুদ্ধা, শিক্ষিতা, করুণাময়ী মায়ের সংখ্যা বেশি সে মাতৃজাতির সন্তানেরা সমাজের আদর্শ সন্তান। নিজ নিজ শক্তির বিকাশের জন্য সমগ্র নারী জাতির প্রতি প্রয়োজন নিজের মায়ের শ্রদ্ধা। তাই কুমারী পূজার মাধ্যমে সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ শ্রদ্ধা জানায়। যিনি সকল প্রাণীতে মাতৃরূপে আছেন, তাকে প্রণাম। কুমারী পূজার প্রণামে আছে তিনি পরমভাগ্‌নীম এবং ভুবনবাক কুমারীং ভজে। অর্থাৎ কুমারী প্রতীকে জগজ্জনীর পূজায় পরম সৌভাগ্য লাভ হয়। এ কুমারী সমগ্র জগতের বাক্যস্বরূপা, বিদ্যাস্বরূপা। তিনি এক হাতে অভয় এবং অন্য হাতে বর প্রদান করেন। অন্য ধ্যান আছে –ভদ্রবিদ্যাপ্রকাশিনীম। তিনি সকল শুভ বিদ্যার প্রকাশিকা। তাই মাতৃজাতির প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা দেখিয়ে আমরা আমাদের সমাজ ও জীবনকে মহৎ করে তুলতে পারি।

  • মালদায় বন্ধ সফল না বিফল কি বলছেন বাবলা ,? দেখুন ভিডিও….

    জিৎ বর্মন: আজ সাত সকলেই বন্ধ রুখতে ময়দানে নামলেন জেলার তৃনমূল বাহিনী। শহর থেকে গ্রাম ঘুরে বেড়ালে ন ,সারাদিন ধরে। বেশ কিছু বন্ধ হতে যাওয়া অফিস খোলালেন। দলে ছিলেন ইংরেজ বাজার বিধান সভার বিধায়ক তথা পুরোপতি নিহার রঞ্জন ঘোষ, উপ পৌর প্রধান বাবলা সরকার, জেলাপরিষদের সদস্যা প্রতিভা সিং সহ জেলার তৃনমূল নেতা কর্মীরা। বাবলা বাবু জানান, সকাল থেকেই প্রতিটি অফিস অফিস যাওয়া হচ্ছে। কোথাও কোনো সমস্যা হলেই তা সেখানেই মিটিয়ে ফেলা হচ্ছে। বন্ধ সফল না বিফল কি বলছেন বাবলা ,? দেখুন ভিডিও…. ভিডিও না আসলে অপেক্ষা করুন.....

  • সরকারী কর্মচারীদের জন্য রাজ্য সরকারের উপহার,২ দিন ছুটি ঘোষণা .

    ডেস্কঃ(I.D).২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮  দোলে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন ছুটি ঘোষণা করল রাজ্য সরকার ৷ দোল ও হোলি উপলক্ষে দু’দিনই ছুটি দিচ্ছে রাজ্য সরকার ৷ নবান্নের প্রকাশিত ছুটির নির্দেশিকা অনুযায়ী, এবছর দোল ও হোলি দু’দিনই ছুটি পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা ৷ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী চলতি বছরে ১ মার্চ দোল ও ২ মার্চ পড়ছে হোলি ৷ ওই দু’দিন অর্থাৎ বৃহস্পতি ও শুক্রবার সরকারি ছুটি ৷হোলির পর দিন শনি ও রবিবার, সপ্তাহে ওই দুই দিন বন্ধ থাকে সরকারি অফিস ৷ ফলে সরকারি কর্মচারীদের জন্য আরও দুদিন উপরি ছুটি পাওনা ৷ অর্থাৎ এবছর দোল উপলক্ষে টানা চারদিন ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীরা ৷

  • নিজের রাশি দিয়ে মিলিয়ে নিন আপনি কতটা সৌভাগ্যের অধিকারী।

    ডেস্ক ঃ  নিজের রাশি দিয়ে মিলিয়ে নিন আপনি কতটা সৌভাগ্যের অধিকারী। স্যাজিটেরিয়াস (ধনুরাশি): জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে স্যাজিটেরিয়াস রাশির মানব-মানবীরাই সবথেকে বেশি সৌভাগ্যের অধিকারী হন। যেহেতু এই রাশি বৃহস্পতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তাই এই রাশির 'লাক ফ্যাক্টর' গগনচুম্বী।  পাইসেস (মীনরাশি): নেপচুন গ্রহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত পাইসেস রাশিকেও সৌভাগ্যের অধিকারীর তালিকায় রেখেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই রাশির মানুষ সর্বদাই আনন্দের মধ্যে থাকতে পছন্দ করেন। এনারা সাধারণত ভয়ডরহীন কর্মশক্তির অধিকারী হয়ে থাকেন।  টরাস (বৃষরাশি): কর্মক্ষেত্রে টরাস অর্থাৎ মেষরাশির মানুষের ভাগ্যের কোনও তুলনাই হয় না। অফিসে এই রাশির মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব নানা ক্ষেত্রেই উপকারে আসে।  ক্যানসার (কর্কটরাশি): বিশেষজ্ঞদের মতে এই রাশির মানুষ সব সময়ই উষ্ণ সম্পর্কে বিশ্বাস করেন। এদের মধ্যে নাকি সর্বদাই একটা 'লাকি চার্ম' কাজ করে।