অটো মোবাইল

  • পাঁচ বছরের মধ্যে চালকবিহীন গাড়ি আনবে ফোর্ড

    প্রলয় চ্ক্রবর্তি : ২০২১ সালের মধ্যে চালকবিহীন গাড়ি নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন অটোমোবাইল প্রতিষ্ঠান ফোর্ড। গত মঙ্গলবার ফোর্ডের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ফোর্ডের প্রধান নির্বাহী মার্ক ফিল্ডস জানিয়েছেন, তাঁরা সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে এ ব্যাপারে প্রযুক্তিগত সহায়তা নেবেন। তবে কাদের সঙ্গে এ প্রকল্পে প্রযুক্তিগতভাবে সংযুক্ত হবে ফোর্ড, সে ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বছরের জানুয়ারিতে অটোমোবাইল প্রতিষ্ঠান ‘জেনারেল মোটরস’ ও মার্কিন পরিবহন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘লিফট’ যৌথভাবে চালকবিহীন গাড়ির প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এ প্রকল্পে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে জেনারেল মোটরস। তবে গুগলের মতো সম্পূর্ণ চালকবিহীন গাড়ি তৈরির পরিকল্পনা ফোর্ডের নেই। চালক যাতে গাড়িটি সিটে বসে চালাতে পারে, সে ব্যবস্থাও থাকবে। এ বছরের শুরুতে সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সিভিল ম্যাপসে বিনিয়োগ করেছে ফোর্ড। চালকবিহীন গাড়ির জন্য ম্যাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এতে বোঝা যাচ্ছে, চালকবিহীন গাড়ি নিয়ে বেশ ভালোভাবেই মাঠে নামতে যাচ্ছে ফোর্ড। ফোর্ডের পরিকল্পনা হচ্ছে, এ বছরের মধ্যে ৩০টি চালকবিহীন ফিউশন হাইব্রিড প্রটোটাইপ গাড়ি তৈরি করা। আগামী বছর এ রকম ৯০টি গাড়ি তৈরি করতে চায় তারা। ১৯০৩ সালে হেনরি ফোর্ড অটোমোবাইল প্রতিষ্ঠান ফোর্ড স্থাপন করেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফোর্ড। বিশ্বজুড়ে ফোর্ডের ৯০টি কারখানা রয়েছে। ফোর্ডে কাজ করেন দুই লাখ ১৩ হাজার কর্মী।

  • নতুন ইমোজি অ্যাপেলের

    ডেস্কঃ (I.D). ২৭ মার্চ ২০১৮ঃ- বন্ধু, প্রিয়জনদের সঙ্গে সারাদিন চ্যাটে কথাবার্তা লেগেই রয়েছে। সাধারণ মোবাইলের থেকে পেরিয়ে স্মার্টফোন আসার পর চ্যাট বা মেসেজ এখন আরও মজাদার। এখন তো মানুষ ABCD লেখার থেকে বেশি ইমোজিতে কথা বলেন।খুশি হলে এক গাল হাসি মুখের ছবি। দুঃখ পেলে কান্না ভরা মুখ। রেগে গেলে একরকম। আবার যখন তখন যে কাউকে খুশি এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে দিয়ে বলতে পারবেন, না চললাম নয়, বরং ভালোবাসলাম। এরকম আরও কত। হ্যাঁ, এরকমভাবে যা বলতে চাইছেন, তাই ইমোজির মাধ্যমে বলে চ্যাটিং জমে ওঠে প্রতি মুহূর্তে। তবে, এবার শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যেও বেশ কিছু নতুন ইমোজি নিয়ে আসার প্রস্তাব দিয়েছে অ্যাপেল।শারীরিকভাবে যাঁরা অক্ষম, তাঁদের পাশে আমাদের সবসময় দাঁড়ানো উচিত্‌। তাঁদের অক্ষমতাকে নিয়ে হাসাহাসি নয়, বরং তাঁদের সঙ্গে এমন ব্যবহার করা উচিত্‌, যাতে তাঁরা নিজেদের অক্ষম না মনে করেন। আর এই কথাটাই ফের আর একবার মনে করিয়ে দিল অ্যাপেল। সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষদের পাশাপাশি শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিরাও যে ততটাই স্পেশাল, তা বোঝানোর জন্য নতুন ১৩টি ইমোজি নিয়ে আসতে চলেছে অ্যাপেল।হিয়ারিং এইড লাগানো কান, হুইলচেয়ারে বসা এক ব্যক্তি, নকল হাত, সার্ভিস ডগ প্রভৃতি এরকম আরও বেশ কয়েকটি নতুন ইমোজি নিয়ে আসতে চলেছে অ্যাপেল। শোনা যাচ্ছে ২০১৯-র প্রথম দিকেই পাওয়া যাবে ইমোজিগুলি।

  • বাজারে সব থেকে দ্রুতগামী ব্যাটারিচালিত স্কুটার

    ডেস্ক ঃ  পিছনের চাকায় সিঙ্গল ব্রেক। সঙ্গে রয়েছে এলইডি হেডল্যাম্প। ফুল ডিজিটাল ইনফরমেশন ক্লাস্টার। না কোনও সুপারবাইক নয়। এই স্পেসিফিকেশন একটি স্কুটারের। তাও আবার ব্যাটারিচালিত।  মঙ্গলবার ভারতের বাজারে তাদের দ্বিতীয় স্কুটার লঞ্চ করেছেন জাপানি সংস্থা ওকিনাওয়া। দিল্লিতে ৫৯,৮৮৯ টাকা এক্স - শোরুম দামে মিলবে 'প্রেইস' নামে এই স্কুটার। ব্যাটারিচালিত এই স্কুটার গতি ও ফিচারে টক্কর দিতে পারে যে কোনও জ্বালানিচালিত স্কুটারকে।  ওকিনাওয়ার দাবি, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৫ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে এই স্কুটার। ব্যাটারিচালিত স্কুটারের শ্রেণিতে ভারতে যা সর্বোচ্চ। স্কুটারটিতে রয়েছে ১০০০ ওয়াটের ব্রাশলেস  ডিসি মোটর। একবার চার্জে ১৭০-২০০ কিলোমিটার ছুটতে পারে এই স্কুটার। একবার চার্জ হতে সময় লাগে মাত্র ২ ঘণ্টা। সামনের চাকায় রয়েছে ডাবল ডিস ব্রেক। পিছনের চাকায় রয়েছে সিঙ্গল ডিস ব্রেক।  সামনে রয়েছে ডাবল টেলিস্কোপিক সাসপেনশন। রয়েছে এলইডি হেডল্যাম্প ও সিটি লাইট। রয়েছে ইলেক্ট্রনিক অ্যাসিস্ট্যান্ট পার্কিং সিস্টেম।

  • বাজারে সব থেকে দ্রুতগামী ব্যাটারিচালিত স্কুটার

    ডেস্ক ঃ  পিছনের চাকায় সিঙ্গল ব্রেক। সঙ্গে রয়েছে এলইডি হেডল্যাম্প। ফুল ডিজিটাল ইনফরমেশন ক্লাস্টার। না কোনও সুপারবাইক নয়। এই স্পেসিফিকেশন একটি স্কুটারের। তাও আবার ব্যাটারিচালিত।  মঙ্গলবার ভারতের বাজারে তাদের দ্বিতীয় স্কুটার লঞ্চ করেছেন জাপানি সংস্থা ওকিনাওয়া। দিল্লিতে ৫৯,৮৮৯ টাকা এক্স - শোরুম দামে মিলবে 'প্রেইস' নামে এই স্কুটার। ব্যাটারিচালিত এই স্কুটার গতি ও ফিচারে টক্কর দিতে পারে যে কোনও জ্বালানিচালিত স্কুটারকে।  ওকিনাওয়ার দাবি, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৫ কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে এই স্কুটার। ব্যাটারিচালিত স্কুটারের শ্রেণিতে ভারতে যা সর্বোচ্চ। স্কুটারটিতে রয়েছে ১০০০ ওয়াটের ব্রাশলেস  ডিসি মোটর। একবার চার্জে ১৭০-২০০ কিলোমিটার ছুটতে পারে এই স্কুটার। একবার চার্জ হতে সময় লাগে মাত্র ২ ঘণ্টা। সামনের চাকায় রয়েছে ডাবল ডিস ব্রেক। পিছনের চাকায় রয়েছে সিঙ্গল ডিস ব্রেক।  সামনে রয়েছে ডাবল টেলিস্কোপিক সাসপেনশন। রয়েছে এলইডি হেডল্যাম্প ও সিটি লাইট। রয়েছে ইলেক্ট্রনিক অ্যাসিস্ট্যান্ট পার্কিং সিস্টেম।

  • লঞ্চ হতে চলেছে থান্ডারবার্ড ৫০০এক্স। রয়্যাল এনফিল্ডের এই নতুন মডেল

    ডেস্ক ঃ ক্লাসিক ও থান্ডারবার্ড সিরিজের সাফল্যের ওপর ভর করে সম্প্রতি নতুন মডেল 'হিমালয়ান' লঞ্চ করেছে সংস্থাটি। এবার আসতে চলেছে আরও একটি মডেল। আগামী মাসেই সম্ভভত লঞ্চ হতে চলেছে থান্ডারবার্ড ৫০০এক্স। রয়্যাল এনফিল্ডের এই নতুন মডেল থান্ডারবার্ড ৫০০-এর স্পোর্টস মডেল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।  গোটা দেশে মূলত অভিযাত্রীদের মধ্যে জনপ্রিয় রয়্যাল এনফিল্ড। স্পোর্টস সেগমেন্টে এখনো তেমন কলকে পায়নি তারা। এবার সেখানেও সাফল্যের কাহিনী লিখতে কোমর বাঁধছে সংস্থাটি। আর তারই প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে থান্ডারবার্ড ৫০০এক্স লঞ্চ করতে চলেছে রয়্যাল এনফিল্ড। গাড়ির মূল কাঠামো বা ইঞ্জিনে কোনও বদল না হলেও লুক ও অন্যান্য ফিচারে করা হয়েছে আমূল রদবদল। থাকছে ডুয়েল টোন বডি। গাড়ির বডিতে ব্যবহার করা হয়েছে গ্লসি ব্ল্যাক। ফুয়েল ট্যাঙ্কে ব্যবহার করা হয়েছে উজ্জ্বল রং। এক্ষেত্রে মিলবে ৪টি কালার অপশন। লাল, সাদা, নীল ও হলুদ রঙের মধ্যে বেছে নিতে হবে একটিকে। মোটরসাইকেলটির সাইড প্যানেলে থাকবে থান্ডারবার্ড ৫০০এক্স ব্যাজিং।   থান্ডারবার্ড ৫০০-এর মতো থান্ডারবার্ড ৫০০এক্স-এও থাকবে বিএস - ফোর ৪৯৯ সিসি সিঙ্গল সিলিন্ডার ইঞ্জিন। যা থেকে মিলবে ২৭ অশ্বশক্তি। সঙ্গে মিলবে ৪১.৩ নিউটোমিটার টর্ক। থাকবে ৫ স্পিড গিয়ারবক্স। তবে নতুন মোটরসাইকেলটির কিছু ফিচারে রদবদল হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। থাকতে পারে ম্যাট ব্ল্যাক অ্যালয় হুইল। মানানসই রিফ্লেক্টর, টিউবলেস টায়ার, ম্যাট ব্ল্যাক সাইলেন্সর, প্রোজেক্টর হেডল্যাম্প ও এলইডি টেইল ল্যাম্প। থাকবে ২৮০ এমএম ২ পিসটন ফ্রন্ট ব্রেক ও ২৪০ এমএম রিয়ার ব্রেক। আগামী জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে লঞ্চ হতে চলেছে থান্ডারবার্ড ৫০০এক্স।