ডিজিটাল সাইন্স

  • চোখের উপরে চাপ না ফেলে রাতের অন্ধকারেও চ্যাট করুন ফেসবুকের ‘ডার্ক মোড’ দিয়ে

    newsbazar24: চোখের উপরে চাপ না ফেলে রাতের অন্ধকারেও চ্যাট করুন ফেসবুকের ‘ডার্ক মোড’ দিয়ে। ফেসবুকে এবার ‘ডার্ক মোড’। চমকে দেওয়া এই নতুন উপায়ে রাতের অন্ধকারেও দিব্যি চ্যাট করা যাবে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্ল্যাটফর্মে এই ‘ডার্ক মোড’-এর দেখা মিলবে।  কী ভাবে নিজের ফোনে এই মোড ব্যবহার করবেন? জেনে নিন—  প্রথমেই আপনার ফোনে মেসেঞ্জারের অ্যাপটি আপডেট করুন। এবার যে কোনও একজনের চ্যাটে ক্লিক করুন। তাকে চাঁদের ইমোজি পাঠাতে হবে। তাহলেই ফোনের স্ক্রিনে গুচ্ছ চাঁদ নেমে আসবে। তাহলেই চালু হবে ডার্ক মোড।প্রসঙ্গত, গত বছরই ফেসবুকের তরফে জানানো হয়েছিল শীঘ্রই তারা নিয়ে আসবে ‘ডার্ক মোড’। অবশেষে এসে গেল সেই মোড। ফেসবুক কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, এই মোড ব্যবহারের ফলে অন্ধকারে চোখের উপরে চাপ পড়া থেকে মিলবে রেহাই।

  • জেনে নিন, উইন্ডোজ ১০ এস এর সুবিধা এবং অসুবিধা

    শংকর চক্রবর্তী : উইন্ডোজ ১০ এস || ক্লাউড অপারেটিং সিস্টেম || সুবিধা এবং অসুবিধা মাইক্রোসফট এর লেটেস্ট উইন্ডোজ ওএস, উইন্ডোজ ১০ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। মাইক্রোসফট এর ভাষ্যমতে উইন্ডোজ ১০ হচ্ছে তাদের তৈরি সর্বশেষ এবং সবথেকে ভালো এবং সবথেকে ফিকারপ্যাকড উইন্ডোজ ভার্সন। উইন্ডোজ ১০ রিলিজের পরে থেকে মাইক্রোসফট এই উইন্ডোজ ভার্সনকে বেজ করে অনেক ধরনের প্ল্যান প্রোগ্রাম, অনেক ধরনের ফিচার ইমপ্রুভমেন্ট আপডেট এবং আরো বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট হাতে নেয়। যেমন- রিসেন্টলি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০ এর জন্য একটি নতুন প্রজেক্ট হাতে নেয় যেটির নাম উইন্ডোজ ১০ অন ARM। তবে উইন্ডোজ ১০ নিয়ে মাইক্রোসফট এর এটিই একমাত্র প্রজেক্ট নয়। উইন্ডোজ ১০ নিয়ে মাইক্রোসফট এর আরো একটি প্রজেক্টের নাম হচ্ছে, উইন্ডোজ ১০ এস (Windows 10 S)। আপনি যদি কখনো ক্রোমবুক ব্যাবহার করে থাকেন অথবা গুগলের ক্রোম ওএস সম্পর্কে জেনে থাকেন, তাহলে আপনি উইন্ডোজ ১০ এস এবং উইন্ডোজ ১০ এসের উদ্দেশ্য সম্পর্কেও বুঝবেন। আজকে মাইক্রোসফট এর এই আরেকটি উইন্ডোজ ভার্সন, উইন্ডোজ ১০ এস নিয়েই আলোচনা করবো। উইন্ডোজ ১০ এস এই প্রজেক্টটি মাইক্রোসফট এর নতুন কোনো প্রজেক্ট না। মাইক্রোসফট তাদের এই নতুন উইন্ডোজ ১০ ভার্সনের ব্যাপারে গত ২০১৭ এর মাঝামাঝি সময়ে এনাউন্স করে। আর এই ভার্সনটি কনজিউমারদের কাছে উইন্ডোজ ১০ ফল ক্রিয়েটরস আপডেটের সাথেই আরেকটি ভার্সন চয়েজ বা বিল্ড চয়েজ হিসেবে রিলিজ করা হয়। উইন্ডোজ ১০ হচ্ছে মূলত মাইক্রোসফট এর তৈরি সাধারণ উইন্ডোজ ১০ এর একটি লাইটওয়েট ভার্সন। লাইটওয়েট বলতে, এই উইন্ডোজ ভার্সনে কোনো ধরনের থার্ড পার্টি Win32 অ্যাপ বা প্রোগ্রাম চলব না। শুধুমাত্র উইন্ডোজ স্টোরে থাকা সকল ইউনিভার্সাল উইন্ডোজ ১০ অ্যাপ চলবে। যারা ইউনিভার্সাল অ্যাপ চেনেন না, তারা জেনে নিন, উইন্ডোজ ১০ এ উইন্ডোজ স্টোরে গিয়ে আমরা যেসব অ্যাপ ডাউনলোড করি এবং ইনস্টল করি সেগুলো শুধুমাত্র উইন্ডোজ ১০ ডিভাইসগুলোর জন্য বিশেষভাবে ডেভেলপ করা এবং এগুলোকেই বলা হয় উইন্ডোজ ইউনিভার্সাল অ্যাপ বা UWP অ্যাপ। আর টিপিক্যাল Win32 অ্যাপ হচ্ছে সেই ধরনের অ্যাপ যেগুলো আমরা উইন্ডোজ স্টোর থেকে ডাউনলোড না করে অন্যান্য সোর্স থেকে ডাউনলোড করি এবং সবথেকে বেশি ব্যাবহার করি। যেমন- গুগল ক্রোম, ফায়ারফক্স, অ্যাডোব ফটোশপ, ইউটরেন্ট ইত্যাদি। এছাড়া আমরা পিসিতে বা ল্যাপটপে যেসব গেমস খেলি সেগুলোর ৯৯% গেম হচ্ছে Win32 প্রোগ্রাম। উইন্ডোজ ১০ এস ভার্সনে এই ধরনের কোনো Win32 প্রোগ্রাম চলবে না। এর কয়েকটি ভালো দিক বা সুবিধা এবং কিছু খারাপ দিক বা অসুবিধাও আছে। সেগুলোর ব্যাপারে নিচে আলোচনা করছি। উইন্ডোজ ১০ এস সুবিধা এবং অসুবিধা প্রথমে অসুবিধার কথাই বলি। অসুবিধা কি কি হবে সেটা আপনি এতক্ষণে হয়ত ধারণা করতেই পেরেছেন। যেহেতু কোনো ধরনের Win32 প্রোগ্রাম চলছে না, তাই আপনি নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক ধরনের প্রোগ্রামই ব্যাবহার করতে পারবেন না। যেমন, আমি যখনই ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে উইন্ডোজ ইনস্টল করি, আমার প্রথম কাজ হয় উইন্ডোজ ভার্সনটি আপগ্রেড করা এবং তারপরই গুগল ক্রোম ডাউনলোড করা এবং ইনস্টল করা। কারণ, গুগল ক্রোম আমার প্রাইমারি ব্রাউজার। কিন্তু আমি যদি উইন্ডোজ ১০ এস ব্যাবহার করি তাহলে আমি গুগল ক্রোম ইনস্টল করতে পারবো না। কারণ, গুগল ক্রোম একটি Win32 প্রোগ্রাম। এটি উইন্ডোজ স্টোরের কোনো ইউনিভার্সাল অ্যাপ না। ধরলাম, গুগল তাদের ক্রোম ব্রাউজারটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ স্টোরে রিলিজ করলো ইউনিভার্সাল অ্যাপ হিসেবে। কিন্তু সেখানেও আরেকটি অসুবিধা থেকে যায়। উইন্ডোজ ১০ এস ব্যাবহার করলে আমি গুগল ক্রোমকে আমার ডিফল্ট ইন্টারনেট ব্রাউজার হিসেবে সেট করতে পারবোনা। উইন্ডোজ ১০ এস ব্যাবহার করলে আমাকে ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে সবসময়ের জন্যই মাইক্রোসফট এজ ব্রাউজার ব্যাবহার করতে হবে। এবং এমনকি আমি অভ্র কিবোর্ড ইনস্টল করে বাংলা টাইপ করতেও পারবোনা। এতক্ষণে নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন যে উইন্ডোজ ১০ এস ব্যাবহার করলে কোনো ধরনের অ্যাডভান্সড লেভেলের কাজ করা যাবেনা যেগুলোর জন্য Win32 প্রোগ্রামের দরকার হয়। কিন্তু উইন্ডোজ ১০ এসের এত বড় একটি ডিসঅ্যাডভান্টেজ থাকা সত্ত্বেও উইন্ডোজ ১০ এসের সবকিছুই খারাপ এমনটা কিন্তু নয়। এবার আলোচনা করা যাক উইন্ডোজ ১০ এসের কয়েকটি ভালো দিক নিয়ে। ভালো দিক নিয়ে বলতে হলে প্রথমেই বলতে হবে উইন্ডোজ ১০ এসের সিকিউরিটির ব্যাপারে। যেহেতু উইন্ডোজ ১০ এস-এ আপনি মাইক্রোসফট স্টোরের বাইরের কোন অ্যাপ বা কোন প্রোগ্রাম ইন্সটল করতে পারছেন না, তাই আপনাকে উইন্ডোজ ১০ এস চালিত ডিভাইসে ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার বা ব্লোটওয়্যার এই ধরনের অনাকাঙ্খিত কোন খারাপ জিনিসের দেখা পাবেন না। কারন, ঠিক গুগল প্লে স্টোরের মত মাইক্রোসফট স্টোরে থাকা সকল অ্যাপ এবং সকল গেমস ১০০% সেফ এবং মাইক্রোসফট নিজেই এটা নিশ্চিত করে। মাইক্রোসফট স্টোরে আপনি প্রয়োজনীয় সকল Win32 অ্যাপস পাবেন না, তবে যেগুলো পাবেন সেগুলো ১০০% নিরাপদ এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। এরপরে উইন্ডোজ ১০ এসের যে ভালো দিকটি আছে সেটি হচ্ছে সাধারন ল্যাপটপ/ডেস্কটপের থেকে আরও ভালো পারফরমেন্স। উইন্ডোজ ১০ এস চালিত একটি ডিভাইস একই কনফিগারেশনে সাধারন উইন্ডোজ ১০ চালিত ডিভাইসের থেকে আরও ফাস্ট হবে এবং আরও বেশি স্মুথ কাজ করবে। কারন, উইন্ডোজ ১০ এস চালিত ডিভাইসে যা করা হবে সবকিছুই মাইক্রোসফট এর তত্ত্বাবধায়নে থাকবে। আপনার ওএস এবং আপনার ইন্সটল করা সকল ইউনিভারসাল অ্যাপস এবং সার্ভিসের ওপরে মাইক্রোসফট এর সম্পূর্ণ কন্ট্রোল থাকবে। এছাড়া উইন্ডোজ স্টোরে যেসব ইউনিভারসাল অ্যাপস আছে সেগুলো বিশেষভাবে উইন্ডোজ ১০ ওএস এ রান করার জন্যই করা এবং অন্যান্য অ্যাপসের থেকে অনেক বেশি অপটিমাইজড। তাই এগুলো অনেক Win32 প্রোগ্রামের মত আপনার ডিভাইসকে দিনদিন স্লো করে দেবেনা। আর এর ফলে আরও যে সুবিধাটি পাবেন তা হচ্ছে ব্যাটারি লাইফ। আপনি যদি আপনার ল্যাপটপে উইন্ডোজ ১০ ইন্সটল না করে উইন্ডোজ ১০ এস ইন্সটল করেন, তবে আপনি কমপক্ষে আগের তুলনায় দিগুন ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন। তো এই ছিল মাইক্রোসফট এর উইন্ডোজ ১০ এস। এতক্ষনে নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন যে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০ এসের সাহায্যে গুগলের ক্রোম ওএস বা ক্রোমবুকের সাথে প্রতিযোগিতা করতে চেয়েছে। কারন, এই দুটি কাস্টোমাইজড ওএসদুটি প্রায় একই উদ্দেশ্যে তৈরি করা। যারা তাদের প্রত্যেকদিনের প্রায় সব কাজ ইন্টারনেট এবং ব্রাউজারের মধ্যেই করে থাকেন এবং যারা মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রাম যেমন ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ইত্যাদির কাজ বেশি করে থাকেন তাদের জন্য উইন্ডোজ ১০ এর পরিবর্তে উইন্ডোজ ১০ এস ভালো একটি চয়েজ হতে পারে। তবে আপনি যদি আমার মত বা আমাদের সবার মত Win32 প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন এবং ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে হাই এন্ড গেমস খেলে থাকেন, তাহলে উইন্ডোজ ১০ এস আপনার জন্য একেবারেই নয়

  • বাজারে এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ ফোন এর ছড়াছড়ি। জেনে নিন কি আছে এই দুই ফোনের পার্থক্য।

    শঙ্কর চক্রবর্তী : এখন মানুষ মোবাইল ছাড়া অচল। বেশিরভাগ মানুষের হাতে একাধিক মোবাইল। প্রত্যেকে চায় নতুন নতুন টেকনোলজির মোবাইল কিনতে। বাজারে বিভিন্ন ওএস এর মোবাইল। যার হার্ডওয়ার ও আলদা আলাদা। এখন সবাই নিজেকে বাহ্যিক ভাবে স্মার্ট করার পাশাপাশি প্রযুক্তির আধুনিক সংস্করণ স্মার্ট ফোন ব্যবহার শুরু করেছে। উন্নত দেশগুলোতে স্মার্ট ফোন হিসেবে iPhone এবং BlackBerry ব্যাপক প্রচলিত। কিন্তু তার পাশাপাশি এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ ফোন গুলোও ব্যাপক চাহিদা তৈরি করেছে এবং তারা বর্তমান বাজারে বড় একটি জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু কোনটি সবচাইতে ভাল? এন্ড্রোয়েড না উইন্ডোজ? নিম্নে এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ এর তুলনামূলক সুবিধা অসুবিধা তুলে ধরা হলোঃ- এন্ড্রোয়েড ফোন এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয় এবং উইন্ডোজ ফোন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা পরিচালিত হয়। এন্ড্রোয়েড এবং উইন্ডোজ ফোনের সবচাইতে বড় পার্থক্য হল Apps ব্যবহারের সুবিধা। এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেমে আমরা ৮,৫০,০০০ এর বেশি Apps ব্যবহার করতে পারি যেখানে উইন্ডোজ সিস্টেমে আমরা ১,৭০,০০০ Apps ব্যবহার করতে পারি যা এন্ড্রোয়েড এর তুলনায় অনেক কম। বর্তমানে ৮ টি অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে যার মধ্যে সর্বশেষ অপারেটিং সিস্টেমটি হচ্ছে kitkat । এন্ড্রোয়েড ফোনের জন্য আমরা Google play সহ আরও বিভিন্ন উৎস থেকে Apps, Games, Movies, Music, ডাউনলোড করতে পারি কিন্তু উইন্ডোজ ফোনের জন্য আমাদেরকে উইন্ডোজ Apps Store থেকে ডাউনলোড করতে হয়। এন্ড্রোয়েড Apps গুলো আমরা যেকোন এন্ড্রোয়েড ফোনের সাথে শেয়ার করতে পারি কিন্তু উইন্ডোজ ফোনের Apps গুলো উইন্ডোজ ফোন ছাড়া শেয়ার করা সম্ভব নয়। এন্ড্রোয়েড ফোন এর নিরাপত্তার জন্য আমরা অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহার করতে পারি, তবে এন্ড্রোয়েড ফোনের তুলনাই উইন্ডোজ ফোনগুলো বেশি নিরাপদ। এন্ড্রোয়েড ফোনগুলো আমরা যেকোন USB পোর্ট এর মাধ্যমে কম্পিউটার এর সাথে connect করতে পারি কিন্তু উইন্ডোজ ফোন কম্পিউটার এ connect এর জন্য ZUNE software ব্যবহার করতে হয়। অনেক সময় অপ্রত্যাশিত applications এবং updates এন্ড্রোয়েড ফোনকে অনেক slow করে দেয়। এই অসুবিধাটি উইন্ডোজ ফোনগুলোতে নেই। এন্ড্রোয়েড ফোন গুলোতে ব্যাটারি চার্জ অনেক কম সময় থাকে কিন্তু উইন্ডোজ ফোনগুলোতে ব্যাটারি চার্জ তুলনামুলকভাবে. অনেক বেশি সময় থাকে। এন্ড্রোয়েড ফোনগুলো যেমন Apps ব্যবহারের জন্য বেশি সুবিধাজনক ঠিক তেমনি উইন্ডোজ ফোনগুলোও performance, web surfing, reading এবং battery life এর জন্য বেশি সুবিধাজনক। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, এন্ড্রোয়েড ফোন এবং উইন্ডোজ ফোন যেমন সুবিধা আছে আবার আসুবিধাও আছে। তবে এন্ড্রোয়েড ফোনের সুবিধা তুলনামূলক ভাবে উইন্ডোজ ফোনের থেকে বেশি। তবে যারা পেশাজীবী তাদের জন্য এন্ড্রোয়েড ফোনের তুলনাই উইন্ডোজ ফোন বেশি সুবিধাজনক। আর যারা বিভিন্ন Apps ব্যবহার করতে পছন্দ করে তাদের জন্য এন্ড্রোয়েড ফোন সবচাইতে বেশি উপকারি। তবে সত্যি কথা বলতে গেলে এন্ড্রোয়েড ফোন যে কেও ব্যাবহার করতে পারে কিন্তু উইন্ডোজ ফোন ব্যাবহার করতে গেলে পড়াশোনা জানা দরকার। আপনি এই খবরটি পড়লেন newsbazar24 এ

  • উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করার পর থেকেই আপনাকে সমস্যাই পড়তে হচ্ছে ? জেনে নিন কিভাবে সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন

    উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করার পর থেকেই  আপনাকে সমস্যাই পড়তে হচ্ছে ?  জেনে নিন কিভাবে সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন-                                           শঙ্কর চক্রবর্তী উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করার পর থেকেই এর ব্যবহারকারীকে পড়তে হচ্ছে নিত্যনতুন সমস্যায়।যদিও এগুলো কোন সমস্যা নয়,মাইক্রোসফট তার বিভিন্ন ফিচার পরিবর্তনের কারনে এই ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।এগুলোর রয়েছে সহজ কিছু সমাধান,তাই নিয়েই আজকের এ পোস্ট। আপনি যদি সরাসরি উইন্ডোজ একটিভ করতে না পারেন তাহলে কে এম এস এক্টিভেটরের সাহায্যে শজেই এক্টিভ করে নিতে পারেন আপনার উইন্ডোজটি। কে এম এস এক্টিভেটর ডাউনলোড করতে kms activator   ২.বন্ধ করুন অটো আপডেট প্রথমে কম্পিউটার এর icon এ right click করে  manage  এ যান এর পর  service এ ক্লিক করুন এখন নিচের দিক থেকে windows update খুজে বের করুন এবং ক্লিক করুন এখন start up type  এ গিয়ে disabled করে stop এ ক্লিক করুন এবং  prosessing হবার পর ok ক্লিক করুন বন্ধ হয়ে গেল আপনার অটো আপডেট। ৩.বাংলা ফন্ট সমস্যা Control panel এ যান Language a Click করুন Add Language click করুন তারপর বাংলা তে ক্লিক করুন বাংলাদেশের জন্য বাংলা নির্বাচন করুন Language preference a click করুন বাংলা (বাংলাদেশ) সিলেক্ট করুন Option এ ক্লিক করুন ৪. ডিলেট করুন windows.old ফোল্ডার সি ড্রাইভে গিয়ে রাইট বাটন ক্লিক করে প্রপার্টিজ এ ক্লিক করুন এবার ডিস্ক ক্লিন আপ এ ক্লিক করুন এবার অপেক্ষা করুন একটু পর দেখাবে আপনি কোন কোন ফোল্ডার ডিলেট করতে চান ঐখান থেকে windows.old ফোল্ডারটি সিলেক্ট করে ওকে করুন। আরো কিছু সমস্যা এবং সমাধান  নিয়ে আমরা হাজির হব পরবর্তী লেখায় । উইন্ডোজ নিয়ে আপনার কোন সমস্যা থাকলে লিখুন আমাকে। sankar.akantoapan@gmail.com

  • আসছে নতুন নিয়ম ঃ মোবাইল ফোনে সিমকার্ড না-থাকলেও কল করা যাবে যে কোনও মোবাইল ফোনে

    news bazar 24 : সিম কার্ডের জামানা শেষ হতে চলেছে ।  মোবাইল ফোনে সিমকার্ড না-থাকলেও কল করা যাবে যে কোনও মোবাইল ফোন বা ল্যান্ডলাইন ফোনে।  মোবাইল ফোনের সিগনাল নিয়ে নালিশ নতুন নয়। এখনো বহু জায়গায় মোবাইল সিগনাল না থাকায় সমস্যায় পড়েন গ্রাহকরা। আর কথা বলতে বলতে কল ড্রপ তো নৈমিত্তিক ঘটনা। এসবের সমাধানে কেন্দ্রীয় সরকারকে দূরসঞ্চারের বিকল্প মাধ্যম ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলে টেলিকম নিয়ামক সংস্থা TRAI. পরামর্শ ছিল ইন্টারনেট টেলিফোনিকে ছাড়পত্র দিক সরকার। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় ইন্টার মিনিস্টিরিয়াল টেলিকম কমিশন। 

  • কম্পিউটারে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন চালাতে পারে bluestacks

    প্রকাশ চন্দ্র মন্দল ঃ উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা যেন তাঁদের কম্পিউটারে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন চালাতে পারেন, কয়েক বছর ধরেই তার ব্যবস্থা করে আসছে ব্লুস্ট্যাক। ব্যাপারটাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে ব্লুস্ট্যাককে সমর্থন জোগালো চিপ নির্মাতা অ্যাডভান্সড মাইক্রো ডিভাইস (এএমডি)। ব্লুস্ট্যাকের নতুন এই সংস্করণ মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ-চালিত অপারেটিং সিস্টেমের ডেস্কটপ, ট্যাবলেট বা নোটবুক কম্পিউটারে সম্পূর্ণ অ্যান্ড্রয়েড চালানো যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে এএমডি। বর্তমানে ব্যবহূত ভার্চুয়ালাইজেশন পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে ব্লুস্ট্যাক অ্যাপ প্লেয়ারের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন চালানোর বদলে নতুন এই সফটওয়্যারটি পুরো অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করবে। এতে অ্যান্ড্রয়েড ইন্টারফেস, সেটিংস, কনফিগারেশন এবং আরও অনেক কিছুর সুবিধা পাওয়া যাবে। এর ওপর গুগল অপারেটিং সিস্টেমে চালিত অ্যাপসগুলো হোস্ট কম্পিউটারের ফাইলে প্রবেশ করতে পারবে। যদিও ব্লুস্ট্যাক এখনো উইন্ডোজের পুরো পর্দায় অ্যাপ চালাতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, চতুর্থ প্রজন্মের এক্সেলারেটেড প্রসেসিং ইউনিটের (এপিইউ) বদৌলতে এ ধরনের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। সফটওয়্যারটি শুধু তাদের সিলিকন দিয়ে তৈরি যন্ত্রে চলবে কি না, এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটি পরিষ্কার করে কিছু বলেনি। 

  • অনলাইন নজরদারিতে আপনার কি করা উচিত ?

    ডেস্ক ঃ অনলাইন নজরদারিতে যুক্তরাষ্ট্রের এনএসএ (ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি) এখন আলোচিত একটি নাম। অনলাইনের এই গোপন নজরদারি বা হ্যাকারদের সাইবার আক্রমণ থেকে নিজেদের কীভাবে রক্ষা করা যায়, এ নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। তবে এ ব্যাপারে ব্যবহারকারীর নিজেরও কিছু করার আছে। একটু সতর্কতা আর ছোট ছোট কিছু পদক্ষেপ নিলে অনলাইনে নিজের নিরাপত্তা অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে। ওয়েব এনক্রিপশনঃ ইন্টারনেট যোগাযোগে যতটুকু সম্ভব নিরাপদ ওয়েব পথ (ট্রাফিক) ব্যবহার করা উচিত। এ জন্য এইচটিটিপিএস এভরিহোয়্যার নামের একটি ছোট প্রোগ্রাম (অ্যাড-অন) ফায়ারফক্স বা ক্রোম ব্রাউজারে ব্যবহার করতে হবে। যেসব ওয়েবসাইটে এইচটিটিপি সিকিউর (https) সুবিধা রয়েছে, সেখানেই এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে এসএসএল এনক্রিপশনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ট্রাফিক নিরাপদ করে ফেলে। অ্যাড-অন নামানোর ঠিকানা https://www.eff.org/https-everywhere।   টর ব্রাউজারঃ ওয়েবসাইট দেখার মুক্ত এই প্রোগ্রামটি স্বেচ্ছাসেবীদের গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এবং সার্ভার ব্যবহার করে অন্যের নজরদারি থেকে ব্যবহারকারীকে বাঁচায়। পাশাপাশি তার প্রকৃত অবস্থান গোপন রাখে। আর ঠিক এ কারণেই টর বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। www.torproject.org ঠিকানা থেকে নামানো যাবে। প্রাইভেট ব্রাউজিংঃ সাইবার ক্যাফে বা পাবলিক ওয়াই-ফাই এলাকা থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ব্রাউজারের প্রাইভেট মোড চালু (অন) করে ওয়েবসাইট দেখার সময় বিভিন্ন তথ্য (ক্যাশ, কুকি, পাসওয়ার্ড) নিরাপদ রাখা যায়। ফায়ারফক্স হলে Firefox>New Private Window -এ ক্লিক করে; গুগল ক্রোমের ক্ষেত্রে Customize and control Google Chrome>New incognito window-এ ক্লিক করে এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে Safety>InPrivate Browsing-এ ক্লিক করে প্রাইভেট মোড চালু করতে হবে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ডঃ ই-মেইল অ্যাকাউন্ট, বিভিন্ন মুঠোফোন ও ওয়েব-সেবায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ঠিক নয়। আবার সহজ, সংক্ষিপ্ত বা পুরাতন কোনো পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ। ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর (স্মল ও ক্যাপিটাল লেটার), সঙ্গে সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন-সংবলিত একটু লম্বা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত। অনেক বেশি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করা যেতে পারে। যেকোনো ব্রাউজারে ব্যবহার উপযোগী তেমনি একটি নিরাপদ এবং বিনা মূল্যের প্রোগ্রাম হলো লাস্টপাস। এটি ডাউনলোড করতে হবে https://lastpass.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। ইনস্টল করার পর ই-মেইল ঠিকানা এবং প্রধান (মাস্টার) পাসওয়ার্ড দিয়ে লাস্টপাসে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর যেকোনো ওয়েবসাইটের লগইন তথ্য সেভ করলে পরবর্তী সময়ে প্রোগ্রামটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেই পূরণ করে দেবে। দুই ধাপের নিরাপত্তাঃ গুগল, টুইটার, ফেসবুক কিংবা ড্রপবক্সসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে এই সুবিধা আছে। দুই ধাপের ব্যাপারটি হলো, কোনো ওয়েব কিংবা ক্লাউড-সেবায় পাসওয়ার্ড লেখার পাশাপাশি নিয়মিত পরিবর্তন ঘটে এমন কোনো নিশ্চিতকরণ নম্বরও বসাতে হয়। যখনই কোনো ওয়েব-সেবায় এই ধরনের সুবিধা থাকবে, তখনই সেটি চালু করতে হবে। যেমন, ফেসবুকে লগইন অ্যাপ্রুভাল কোড চালু থাকলে, পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার পর মুঠোফোনে একটি নিশ্চিতকরণ সংকেত আসবে, সেটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসানোর পরই কেবল ফেসবুকে প্রবেশ করা যাবে। সংযুক্ত ফাইলে ক্লিক না করাঃ ই-মেইল অথবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার সহজেই কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ অন্যের হাতে চলে যেতে পারে। তাই সন্দেহজনক কোনো ওয়েব ঠিকানা, ই-মেইলে পাঠানো অপরিচিত কারও সংযুক্ত (অ্যাটাচমেন্ট) ফাইলে হুট করে ক্লিক করবেন না। এ ছাড়া নামানো কোনো ফাইল অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে স্ক্যান করে তবেই ব্যবহার করুন। নিরাপত্তা সফটওয়্যারঃ কম্পিউটারের নিরাপত্তায় একটি ইন্টারনেট নিরাপত্তা বা অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। প্রোগ্রামটি শুধু ইনস্টল করলেই হবে না বরং এর কার্যকারিতা পেতে হলে সর্বশেষ সংস্করণ অবশ্যই ইন্টারনেট থেকে হালনাগাদ করে নিতে হবে। 

  • মালদার বাঙালি ছেলের হাত ধরে ভারতের সর্বপ্রথম সোশ্যাল নেটওয়ার্ক: jiodost

    ডেস্ক ঃ বর্তমানে বিদেশি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক যেমন-ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটস এয়াপ ইত্যাদি সারা ভারতে দারুন ভাবে বাজিমাত করছে। এতে প্রচুর ফেক আইডিও ভাইরাল হয়ে উঠেছে। এতে ইউজারের নিরাপত্তা নষ্ট হয়ে পড়ে। মানুষ বর্তমানে নিরাপত্তার খোঁজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।এই দুর্বলতাকে ভিত্তি করে মালদহের এক পল্লীগ্রামে মোথাবাড়ির মানস কুমার, সামীম আব্বাস, আনওয়ার হোসেন, বাপন এন্ড গ্ৰপ, ওয়াসিম, আরও কিছু লোকের সহযোগিতায় ভারতের সর্ব প্রথম সোশ্যাল নেটওয়ার্ক jiodost.com এর উদ্ভব হয়েছে । এতে ইউজারের নিরপত্তা রয়েছে। তাছাড়াও এর মাধ্যমে chatting, audio-video call, file transfer, online shopping, points earning ইত্যাদি করা যাবে।

  • 'জনবহুল দেশগুলির' মধ্যে ইন্টারনেট স্পিডে এক নম্বরে পাকিস্তান

    ডেস্ক ঃ 'জনবহুল দেশগুলির' মধ্যে ইন্টারনেট স্পিডে এক নম্বরে পাকিস্তান! হ্যাঁ এমনটাই দাবি পাক সংবাদমাধ্যমের। গ্লোবাল স্পিডটেস্টের রিপোর্ট উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, ২০১৭-তে সবচেয়ে দ্রুততম ইন্টারনেট স্পিড উপভোগ করেছে পাকিস্তান। গত এক বছরে দেশে ইন্টারনেট স্পিড ৫৬ শতাংশ পর্যন্ত  বেড়েছে বলে দাবি পাকিস্তানের। ভারত সেই তুলনায় অনেক নীচে রয়েছে। স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্সের সমীক্ষা অনুযায়ী, নভেম্বরে প্রথম স্থানে রয়েছে নরওয়ে। ডাউনলোড স্পিড ৬২.৬৬ মেগাবাইট প্রতি সেকেন্ড। চিন রয়েছে ৩১ নম্বরে। ২৬.৩২ এমবিএস ডাউনলোড স্পিডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে ৪৪ নম্বর স্থানে। পাকিস্তান সেই নিরিখে আছে ৮৯ নম্বরে। ইন্টারনেট স্পিড ১৩.০৮ এমবিএস। পাকিস্তান থেকে আরও ১৯ নম্বর পিছিয়ে ভারত। মাত্র ৮.৮০ এমবিএস ডাউনলোড স্পিড ভারতের।

  • ২০১৮ থেকে বেশকিছু ফোনে আর কাজ করবে না হোয়াটসঅ্যাপ

    ডেস্ক ঃ নতুন বছর থেকে বেশকিছু ফোনে আর কাজ করবে না হোয়াটসঅ্যাপ। ফেসবুকের তরফে একটি ব্লগে এমনই কথা জানানো হচ্ছে। আপনার ফোনে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমটিটে লেটেস্ট আপডেটেড ইনস্টলড না থাকলে হোয়াটসঅ্যাপ আর চলবে না বলে আগেই জানিয়েছিল ফেসবুক। কোম্পানির তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বছর শেষ হওয়ার আগে অ্যান্ড্রয়েড আপডেট করে নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে হোয়াটসঅ্যাপ আর কাজ করবে না নতুন বছরে। নিরাপত্তার জন্যই এই পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। জানা ‌যাচ্ছে BlackBerry OS, BlackBerry 10 ও Windows Phone 8.0 ফোনে নতুন বছর থেকে আর কাজ করবে না হোয়াটসঅ্যাপ। অন্যদিকে-নোকিয়া এস ৪০ ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ চলবে না ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর থেকে। অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ২.৩.৭-এ হোয়াটসঅ্যাপ আর চলবে না ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারির পর।