১৯-২০

  • মিলনের স্থায়িত্ব বাড়াতে তরমুজ আর পাতি লেবু দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ভায়াগ্রা

    newsbazar24: গবেষকরা বলছেন, যৌন মিলনের স্থায়িত্ব বাড়াতে যে সমস্ত পন্থার সাহায্য নেন পুরুষরা, তার মধ্যে অন্যতম হল ভায়াগ্রার ব্যবহার৷ এই ওষুধের মধ্যে থাকে সিট্রুলিন, লাইকোপেনের মতো পদার্থ। যা পুরুষদের যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। আর সেই জাদুতেই দীর্ঘক্ষণ সঙ্গিনীর সঙ্গে রতিক্রিয়ায় মত্ত থাকেন পুরুষরা৷ তবে একথাও ঠিক যে কোনও কোনও ভায়াগ্রার সাইড এফেক্ট বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে মারাত্মক৷ এর ব্যবহারে জীবনে নেমে আসতে পারে চরম বিপদ৷ তবে একথা অনেকেরই অজানা যে, ঘরোয়া উপায়েই এড়ানো যায় ভায়াগ্রার এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া৷ অর্থাৎ, ঘরোয়া সরঞ্জাম দিয়েই চটজলদি বানিয়ে ফেলা যায় ভায়াগ্রা৷ যা কোনও ভাবেই শরীরে কোনও কুপ্রভাব ফেলবে না৷জানা গিয়েছে, আমাদের চোখের সামনেই এমন দুই ফল রয়েছে, যা ভায়াগ্রা তৈরির মূল উপকরণ হিসাবে কাজে লাগে। প্রথমটি ফলটি হল তরমুজ এবং দ্বিতীয়টি ফল পাতি লেবু। এবার বলা যাক কীভাবে ঘরে বসেই এই ভায়াগ্রা তৈরি করা যাবে৷এক্ষেত্রে প্রথমে ছোট ছোট করে তরমুজ কেটে নিতে হবে। তারপর সেটিকে মিক্সার বা জুসারের মিশিয়ে নিতে হবে৷ তরমুজের খানিকটা সাদা অংশও ওই মিশ্রণে যোগ করতে হবে৷ এরপর ওই তরমুজের জুস একটি পাত্রে ঢেলে তাকে ফোটাতে হবে। এরপর ওই মিশ্রণে একটা গোটা পাতিলেবুর রস মেশাতে হবে৷ এবং নজরে রাখতে হবে যেন মিশ্রণটি পুড়ে না যায়৷ যতক্ষণ না মিশ্রণটি ঘন হয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ নাড়িয়ে যেতে হবে৷এবার আগুন থেকে সরিয়ে মিশ্রণটিকে ঠান্ডা হতে দিতে হবে। এবং সম্পূর্ণ ঠান্ডা হলে সেটিকে ছেঁকে নিতে হবে৷ একটি পরিষ্কার কাঁচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। প্রত্যেকদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এবং রাতে খাবার আগে দু’চামচ করে খেতে হবে। ওজন বেশি হলে ৩ থেকে ৪ চামচও খেতে হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একসপ্তাহের মধ্যেই হাতেনাতে এর ফল পাওয়া যাবে৷ এবং মিশ্রণটি সমস্ত বয়সের জন্যই খুবই কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন৷ মিশ্রণে কোনও ভাবেই যেন নুন, চিনি মেশান না হয়৷ তবে এর উপযোগিতা হারিয়ে যাবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

  • কি করে বুঝবেন আপনার পার্টনার পরকীয়ার মত অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে কিনা?

    চন্দ্রিমা অধিকারী :  আজকাল বিয়ের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কও চোখের পলকে ভেঙে দিচ্ছেন অনেকেই। আর যারা বিবাহবিচ্ছেদে যেতে পারছেন না বা মন্দিরে চাইছেন না তাদের মধ্যে অনেককেই পরকীয়ার মত অবৈধ একটি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। পরকীয়ার সম্পর্ক একটি বিষাক্ত সম্পর্ক। একটি সুন্দর হাসিখুশি সুখের সংসার নিমিষেই গুঁড়িয়ে দেবার ক্ষমতা রাখে এই পরকীয়ার সম্পর্ক। কেউ নিজের ইচ্ছায় এই বিষাক্ত সম্পর্কের পথে পা বাড়ান আবার কেউ মনের অজান্তেই জড়িয়ে পড়েন। মনের মত স্বামী/স্ত্রী না পেলে অনেকে সচেতন ভাবেই পরকীয়া করেন। আবার, ঘরের স্বামী/স্ত্রীর কাছ থেকে অবহেলার শিকার হয়ে মনের অজান্তেই অন্য কারো সাথে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেকে। পরকীয়ার বিষ সংসারে ঢুকলে সুখ শান্তি কিছুই আর অবশিষ্ট থাকে না। বিয়ের মত একটি পবিত্র বন্ধনকেও বিষাক্ত মনে হয় তখন। কিন্তু কিভাবে বুঝবেন আপনার স্বামী/ স্ত্রী কোন পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়েছেন কিনা? আসুন জেনে নেয়া যাক কি কি লক্ষনে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার স্বামী/ স্ত্রী পরকীয়া করছেন কিনা। সঙ্গী যদি ফোন বা ইন্টারনেটে আসক্ত হয়ে পড়েন সঙ্গী ফোনের পেছনে কতটা সময় ব্যয় করছেন সেদিকে নজর রাখুন। একসাথে বসে থেকে বা ঘুরতে গেলে যদি তিনি ফোন নিয়েই ব্যস্ত থাকেন, মেসেজ বা ইন্টারনেট ব্রাউজিং করেন- তাহলে তা নিশ্চিতভাবে অন্য একটি সম্পর্কেরই ইঙ্গিত। এছাড়া দিনের বেশিরভাগ সময়ে তাকে যদি ফোনালাপে ব্যস্ত পাওয়া যায় তাহলেও বিষয়টি লক্ষণীয়। অনেকে বলতে পারেন কাজের প্রয়োজনে মানুষ ফোন বেশি ব্যবহার করতেই পারে। কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, কাজের প্রয়োজনে ফোনালাপ এবং কারো সাথে প্রেমময় ফোনালাপের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে এবং এই পার্থক্য বোঝার মত ক্ষমতাও বিবাহিত প্রত্যেক মানুষের হওয়া উচিত। শুধুমাত্র ফোন নয়, ফেসবুক কিংবা অন্যান্য যোগাযোগের মাধ্যমের প্রতি আসক্তির মাত্রার ওপরও নজর দেবেন। পরিবারের পেছনে কম সময় ব্যয় সঙ্গী যদি আপনাকে আগের চাইতে কম সময় দেয়া শুরু করেন, তাহলে এটিও একটি লক্ষণ হিসেবে ধরে নেয়া যায়। খুব ভালো করে আপনার সঙ্গীর প্রতিদিনকার কাজকর্ম লক্ষ্য করুন। যদি বুঝতে পারেন যে আগের চাইতে কম সময় পাচ্ছেন, তাহলে বোঝার চেষ্টা করুন সেই বাড়তি সময়টা তিনি কীভাবে ব্যয় করছেন। আপনি তাকে সময় দেয়ার কথা বলে দেখুন, একসাথে বসে টিভি দেখার কথা বলুন, তাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার আমন্ত্রন জানান, আত্মীয় স্বজনদের ও পারিবারিক বন্ধুদের সময় দেয়ার কথা বলুন। তিনি যদি আপনাকে অজুহাত দেখিয়ে না বলেন তাহলে জানার চেষ্টা করুন অজুহাতটি সত্যি কিনা। সঙ্গী যদি পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করে বিনা কারণে, তাহলে ধরে নিতে পারেন তিনি পরকীয়ায় লিপ্ত। নতুন কোন নাম আপনার সঙ্গীটির মুখে যদি নতুন কোন একটি নাম ঘন ঘন শুনতে পান, তবে একেও পরকীয়ার লক্ষণ হিসেবে নিতে পারেন। সঙ্গীর যে বন্ধুটির কথা আগে কখনো শোনেননি, এমন কারো কথা ঘনঘন শুনলে তাকে জিজ্ঞেস করুন এবং তার মুখের ভাব লক্ষ্য করুন। যদি তিনি প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান, কিংবা তার মুখের অভিব্যক্তি বদলে যায় তবে বিষয়টি অবশসই চিন্তার।  অকারণে রেগে যাওয়া- আরও একটি বিষয় আছে যা বিশেষ ভাবে লক্ষণীয়। তা হল আপনার সঙ্গীর কথায় রাগের সুর। খেয়াল করে দেখুন তো, আগে যে বিষয়গুলো আপনার সঙ্গীর রাগের উদ্রেক করতো না সেসব বিষয়ে কি তিনি রেগে যাচ্ছেন? কিংবা কথায় কথায় আপনাদের দাম্পত্য জীবনকে অভিশাপ হিসেবে অভিহিত করছেণ? তার এসব কথার কোন যুক্তি আছে কিনা এইসব ব্যাপারগুলো লক্ষ্য করুন। বিনা কারণে অযৌক্তিক রাগ করা, কিংবা সবসময় খিটখিট করা পরকীয়ার অন্যতম লক্ষণ। আপনার সাথে যৌনসম্পর্কে উদাসীনতা সঙ্গী যদি আপনার সাথে যৌনসম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন তাহলে আপনি এটি পরকীয়ার নিশ্চিত লক্ষন হিসেবে ধরতে পারেন। যিনি অন্যের সাথে সময় কাটিয়ে আপনার প্রতি উদাসীন, তার মুখের অভিব্যক্তিই আপনাকে সব কথা বলে দেবে। আপনার সাথে সম্পর্ক স্থাপনে সঙ্গী আগ্রহী নন, অর্থাৎ তার চাহিদাটি পূরণ হচ্ছে অন্য কারো মাধ্যমে। এছাড়াও অভ্যাস বশত যৌন সম্পর্ক করছেন কিনা স্রেফ আপনাকে খুশি করতে, সেটিও লক্ষ্য করুন। আপনার প্রতিদিনের রুটিন খুঁটিয়ে জিজ্ঞেস করা- এছাড়া খেয়াল করে দেখুন আপনার স্বামী/ স্ত্রী আপনার প্রতিদিনকার রুটিন সম্পর্কে হঠাৎ অতিরিক্ত নজর দিচ্ছেন কিনা অর্থাৎ আপনি কটায় বাড়ি ফিরবেন বা কোন কোন জায়গায় কখন যাবেন এই ধরনের প্রশ্ন করছেন কিনা। তাহলে নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আপনার চোখ এড়িয়ে নিরাপদে সম্পর্ক চালিয়ে যেতেই তার এত জিজ্ঞাসা। নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন আপনার স্বামী/স্ত্রী যদি হঠাৎ নিজের ত্বক, সাজগোজ, শারীরিক গঠন কিংবা পরিহিত পোশাক আশাকের দিকে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে শুরু করেন, তাহলে আপনি একে পরকীয়ার একটি লক্ষণ হিসেবে ধরে নিতে পারেন। এখানে একটি বিষয়ে পরিষ্কার হওয়া দরকার যে সঙ্গী আপনার জন্যই নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করছেন কিনা। কারন অনেক স্বামী/স্ত্রীই আছেন যারা দাম্পত্য জীবনে পুনরায় রোমান্স ফিরিয়ে আনতে এই পন্থা বেছে নেন। কিন্তু আপনি এই দ্বিধাবোধের অবসান করতে পারেন নিজেকে ২/৩ টি প্রশ্ন করে। আর তা হল, আপানার স্বামী/স্ত্রী কি আপনার পছন্দ অনুযায়ী নিজেকে উপস্থাপন করছেন? তিনি কি শুধুমাত্র আপনাকে দেখানর জন্যই বিশেষ পোশাক ও সাজগোজ করেন? আমাকে কেমন দেখাচ্ছে এই ধরনের প্রশ্ন আপনাকে করা হচ্ছে কিনা সেটাও লক্ষ্য করুন। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি "না" হয়, তাহলে আপনি ধরে নিতে পারেন আপনার সঙ্গী পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িত আছেন।

  • বিয়ের আগের কোন ভুল গুলো দাম্পত্য জীবনে অশান্তি কারণ হয় ?

    সোনালী নস্কর: ভালোবাসা থাকে মানুষের মনে। তাই মনের ভালোবাসা হচ্ছে- সত্যিকারের ভালোবাসা। আর এই জটিল সম্পর্কটির ব্যাপারে আমরা অনেক কিছু ভাবি না, চিন্তা করি না বলেই সম্পর্ককে ধরে রাখতে পারি না। বিয়ের আগের প্রেমের সময় করা কিছু ভুল কেড়ে নিতে পারে আপনার সংসারের শান্তি। চলুন জেনে নেওয়া যাক দাম্পত্য জীবনে যে ভুলগুলো হতে পারে অশান্তি কারণ-   শারীরিক সম্পর্ক বি আগে শারীরিক সম্পর্ককে কোনও ধর্মই সমর্থন করে না। সব ধর্মেই এ বিষয়ে রয়েছে কড়া নিষেধ। যদি বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক হয়, তবে তা মনের ভেতর সূক্ষ্ম পাপবোধ প্রবেশ করিয়ে দেয়। আর ভালোবাসার মানুষটিকে বিয়ের পরও তা মনের ভেতর কাঁটার মতো বিঁধে থাকে। তাই বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কে না জড়ানোই উচিত হবে। প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব রক্ষা বর্তমান প্রেমের সম্পর্কের আগেও হয়তো আরেকটি প্রেমের সম্পর্ক ছিল আপনার। এ ক্ষেত্রে এ ব্যাপারটি বর্তমান ভালোবাসার মানুষটির কাছে গোপন না করাই ভালো। আবার অনেকেই প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে গেলেও প্রাক্তন প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখে। বিয়ের পর এমনটি হলে, তা সংসারে আগুন লাগানোর জন্য যথেষ্ট। অর্থনৈতিক আশ্বাস আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে এমন কোনো অর্থনৈতিক আশ্বাস দেবেন না, যা আপনার পক্ষে পূরণ করা সম্ভব নয়। অনেক সময় আবেগের বশে বলে ফেলা কথা বা প্রতিশ্রুতি হয়তো পরবর্তীতে রাখার মতো অবস্থা থাকে না। ফলে বিয়ের পরে মেয়েদের আশা ভঙ্গ হয়। আর এর থেকেই তারা স্বামীদের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা সম্পর্কে কটু কথা ভুলেও নিজের প্রেমিক বা প্রেমিকা সম্পর্কে কোনো কটু কথা আপনার পরিবারের কাউকে বা বন্ধুদের বলবেন না। কারণ বিয়ের পর আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকার কানে এসব কথা কোনো না কোনোভাবে পৌঁছবেই। আর তখন তৈরি হবে সংসারে অশান্তি। সত্য গোপন করা আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে আপনার পরিবার সম্পর্কিত সব তথ্য জানান। কারণ বিয়ের পর তিনি যদি গোপন কিছু জানতে পারেন, তাহলে তা সংসারে অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। বন্ধুদের অতিরিক্ত সময় দেওয়া বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা দিতে সবারই ভালো লাগে! তবে তা অভ্যাস বা আসক্তির পর্যায়ে যেন না চলে যায়।

  • লং ডিসট্যান্স সম্পর্ক নিয়ে চিন্তিত ? সফল হতে পারে যদি জানা থাকে কৌশল

    ইন্দ্রজিৎ দাস ঃ চাকরি বা পড়ার সুবাদে প্রেমিক আর আপনি যদি আলাদা শহরে থাকেন, তা হলে আকাশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস না ফেলে বরং প্রেমটা টিকিয়ে রাখার উপায় ভাবুন! ঘাবড়াবেন না, আপনার হাতেও কিন্তু একটা অস্ত্র আছে! দু’জনের মধ্যে ভৌগোলিক দূরত্বটাকেই কাজে লাগান। দূরত্ব থাকলে যে প্রেমের রস আরও গাঢ় হয়, সে আপ্তবাক্যকে সত্যি করে তোলার এই তো সময়! ছোট ছোট উপহার পাঠান দারুণ দামি কিছু পাঠাতে হবে না। বরং এমন কিছু পাঠান যা ওঁর খুব কাছের কিন্তু দূরে থাকার কারণে মিস করেন। ওঁর সঙ্গে কথা বলার সময় একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন সেগুলো কী। সেই মতো ছোট্ট সুন্দর উপহার পাঠিয়ে দিন ওঁর কাছে। সততা বজায় রাখুন লং ডিসট্যান্স সম্পর্কে আপনি কখনও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন, কখনও ঈর্ষাকাতর হয়ে পড়বেন, এ সবই খুব স্বাভাবিক। মনের মধ্যে সে সব পুষে না রেখে ওঁকে জানান। দু’জনে মিলে কাটিয়েও উঠতে পারবেন। চিঠি লিখুন হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারের যুগে চিঠি তার কদর হারিয়েছে বলে মনে হলেও এখনও হাতে লেখা চিঠির পাশে দাঁড়াতে পারে না ইলেকট্রনিক মেসেজ। মনের কথা গুছিয়ে লিখে ফেলুন রঙিন কাগজে আর পাঠিয়ে দিন ওঁর ঠিকানায়।  একটু নতুনত্ব আনুন নিজের ভিতরের সৃজনশীলতাটাকে বের করে আনুন। দু’জনের ছবি দিয়ে তৈরি করে ফেলুন মজার সব মিম আর ওঁকে পাঠিয়ে দিন। তারপর দেখুন না কী হয়!   পজ়িটিভ থাকুন এটা সবচেয়ে জরুরি পয়েন্ট! লং ডিসট্যান্স সম্পর্কে নানা সময় নানা চ্যালেঞ্জ আসে, সে সব মোকাবিলা করার জন্য মনের জোর ধরে রাখতেই হবে। বিশ্বাস রাখুন, ভালো কিছুই হবে আপনাদের সঙ্গে। আর একান্ত অসুবিধে হলে টুক করে ওঁর শহরে পৌঁছে যাওয়ার রাস্তা তো খোলাই আছে! সারাদিনের কথা শেয়ার করুন লং ডিসট্যান্স সম্পর্কে সারাক্ষণই মনে হয় ঠিক করে কথা বলা হচ্ছে না। সারাদিনে যা যা ঘটল, ওঁর সঙ্গে শেয়ার করুন, ওঁর কথাও জানতে চান।    

  • প্রেম ভাঙার পর ‘এক্স’ কে কি সোশাল মিডিয়ায় ব্লক করবেন ?

    News bazar 24 : ব্রেকআপের পর সোশাল মিডিয়ায় প্রাক্তনকে ব্লক করে দেওয়া উচিত কিনা, সেটা নিয়েও ভাবতে বসেন অনেকে। সোশাল মিডিয়ায় প্রাক্তনকে ব্লক করবেন কিনা, এক কথায় সে প্রশ্নের উত্তর দেওয়াটা মুশকিল কারণ শুধু ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়ে এর উত্তর হয় না। কাজেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কিছু কথা মাথায় রাখা দরকার। সোশাল মিডিয়ায় ওঁর পোস্ট কি আপনাকে প্রভাবিত করছে? আপনার উত্তরটা যদি ‘হ্যাঁ’ হয়, তা হলে ব্লক করা আপনার দিক থেকে ভালো। আপনার প্রাক্তন যদি ফুর্তিতেই থাকেন, দিব্যি নিজের সোশাল মিডিয়ায় নিত্যনতুন ফোটো বা স্টেটাস আপডেট দেন, সেটা দেখলে আপনার খারাপ লাগা স্বাভাবিক, বিশেষ করে আপনি যদি এখনও পুরোনো কথা ভুলতে না পেরে থাকেন। কিছুক্ষণ পর পর ওঁর স্টেটাস চেক করার চেয়ে বরং ব্লক করে দেওয়া ভালো।  মানসিক শান্তি পেতে চান? নিজের সোশাল মিডিয়া পোস্ট নিয়ে কি আপনি সারাক্ষণ সচেতন থাকছেন? কিছু পোস্ট করার আগে মনে হচ্ছে আপনার প্রাক্তন আবার কিছু ভাববেন না তো? এ ক্ষেত্রেও নিজের স্বাতন্ত্র ও মানসিক শান্তি ফিরে পেতে ওঁকে ব্লক করাই ভালো। বিশেষ করে আপনার জীবনে যদি নতুন কেউ এসে থাকেন, তা হলে প্রাক্তনকে ব্লক করে দিন। নিঃসঙ্কোচে খুশিমতো পোস্ট করতে পারবেন। প্রাক্তনকে দ্রুত ভুলে যেতে চান? ‘চোখের বার তো মনের বার’ বলে যে প্রবাদটা আছে সেটা কিন্তু একেবারে ফেলে দেওয়ার মতো নয়। সারাক্ষণ প্রাক্তনকে চোখের সামনে দেখতে হলে ওঁকে ভুলে যাওয়া আপনার পক্ষে সম্ভব নয় এবং এটা সোশাল মিডিয়ার ক্ষেত্রেও সত্যি। ফলে সাময়িকভাবে হলেও ব্লক করে দিন। পরে যদি পুরোনো স্মৃতি থেকে বেরোতে পারেন, তা হলে ফের ফলো করার অপশন তো রইলই! ব্লক? নাকি আনফলো? যদি সত্যিই পুরোনো প্রেমের স্মৃতি আপনার কাছে আর গুরুত্বপূর্ণ না হয়ে থাকে, তা হলে ব্লকের বদলে আনফলো অপশনটাও ভেবে দেখতে পারেন। সে ক্ষেত্রে একটা আপাত ভদ্রতার মোড়কও থাকবে, আপনাকেও আর হৃদয়ভঙ্গের বেদনা পেতে হবে না।  নিজের প্রতি সৎ থাকুন প্রাক্তনকে ব্লক করবেন, না আনফলো, নাকি খুব স্বাভাবিক আচরণই চালিয়ে যাবেন, এটা সম্পূর্ণভাবেই নির্ভর করছে আপনার মানসিকতার উপর এবং এ ক্ষেত্রে নিজের কাছে সৎ থাকাটাই সবচেয়ে জরুরি।

  • আপনি নরম মনের মানুষ ! প্রেমে ব্যর্থ হলে কি করবেন ?

    Newsbazar24: জীবনে প্রেম আসা যেমন সত্যি, তেমনি প্রেম ভেঙে যাওয়াও সত্যি, একতরফা ভালোবেসে বিনিময়ে কিছু ফেরত না পাওয়াও চূড়ান্ত বাস্তব! ফলে প্রত্যাখ্যানের যন্ত্রণা গিলে ফেলা ছাড়া কিছু করার নেই। বরং মেনে নিয়ে জীবনের পথে এগিয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। বলা যতটা সহজ, করা অবশ্য ততটা নয়। কারণ প্রতি মুহূর্তে আপনাকে তাড়া করে বেড়াবে ব্যর্থতার গ্লানি, না পাওয়ার কষ্ট আর সবচেয়ে বেশি, আপনার আহত ইগো। এই কষ্টগুলো ভুলতে একটু সময় দিতেই হবে, কারণ সময়ের চেয়ে বড়ো শুশ্রূষাকারী আর কেউ নেই। আর একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, একটা সম্পর্ক ভেঙে গেছে বা একতরফা ভালোবাসার কোনও ইতিবাচক প্রতুত্তর আসেনি মানেই যে আপনি জীবনে ব্যর্থ, তা মোটেই নয়। কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন এই ব্যর্থতাবোধ? আপনার কষ্ট আরও একটু সহনীয় করে তুলে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার কিছু সন্ধান দিলাম আমরা। নিজেকে দোষারোপ নয় একটা সম্পর্ক গড়ে না ওঠার বা না টেকার হাজারটা কারণ থাকতে পারে। শুধু শুধু নিজেকে দোষারোপ করবেন না। আর যদি ধরে নিই, আপনার দোষেই সম্পর্ক টেকেনি, তাতেই বা কী আসে যায়? আপনার প্রাক্তনের অবস্থানটাও সহানুভূতির চোখে দেখার চেষ্টা করুন। সবসময় মনে রাখবেন, একটা সম্পর্ক দানা বাঁধেনি ঠিকই, কিন্তু আপনার জীবনটাও শেষ হয়ে যায়নি। বরং কিছুটা আত্মসমীক্ষা করে দেখতে পারেন, কেন প্রেমটা হল না বা ভেঙে গেল। ভবিষ্যতে একই ধরনের পরিস্থিতি এড়িয়ে চলুন। ধৈর্যই একমাত্র পথ প্রেম ভেঙে গেলে অথবা ভালোবাসার প্রতিদান না পেলে অনেকেই অস্থির হয়ে উলটোপালটা কাজ করে বসেন। কোনও পরিস্থিতিতেই ধৈর্য হারাবেন না। সব কিছু জীবনে পাওয়া যায় না, এটা মনে রাখবেন। আর হ্যাঁ, একটা সম্পর্ক টিকল না বলেই বন্ধুবান্ধবদের চাপে তড়িঘড়ি আর একটা সম্পর্কে পা বাড়াবেন না। সঠিক মানুষটির জন্য অপেক্ষা করতে শিখুন। নিজেকে নতুন করে চিনুন প্রেমের পথে ব্যর্থ বলেই কি হাহাকার করে বাকি জীবনটা কাটাবেন? প্রেম, ভালোবাসা, রোমান্টিক সম্পর্কের বাইরেও জীবনে অনেক কিছু আছে, সে সব অভিজ্ঞতাও সমান জরুরি। জীবনটাকে উপভোগ করুন, নতুন কোর্স করুন, নতুন জায়গায় বেড়াতে যান, কেরিয়ার তৈরি করুন। খুব শিগগিরই হতাশা কাটিয়ে জীবনের নতুন মানে খুঁজে পাবেন আপনি। ঝগড়াঝাঁটি নয় কোনও মতেই আপনার ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে কথা কাটাকাটি, তর্কাতর্কিতে যাবেন না। ঝগড়াঝাঁটি, সম্পর্ক কেন দানা বাঁধল না বলে কৈফিয়ত চাওয়া, এ সব কোনও কিছুই আপনাকে কোথাও পৌঁছতে সাহায্য করবে না, তিক্ততাই বাড়বে শুধু। বরং তাঁর সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিন এবং নিজেকে বলুন, উনি কোনওদিন ফিরে আসতে চাইলেও আপনি তাঁকে সে সুযোগ দেবেন না। মনে জোর আনুন, নিজেকে অনেক বেশি সাহসী মনে হবে। মেনে নিতে শিখুন কোনও কিছু চেয়েও না পেলে অপমানিত, আহত বোধ করা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু পরিস্থিতি মেনে নিয়ে নিজের পথে এগিয়ে যেতে পারার চেয়ে বড়ো গুণ আর নেই। আপনি যেমন জোর করে ভালোবাসা আদায় করে নিতে পারবেন না, অন্য কেউও আপনার কাছ থেকে জোর করে ভালোবাসা আদায় করতে পারবে না। এই কথাটা মনে রাখুন, আর মাথা উঁচু রাখুন। সব শেষে বলি নিজে কে ভাল বাসতে শিখুন।

  • সম্পর্কের যেকোনো সমস্যার একমাত্র সমাধান ব্রেক-আপ নয় ! সম্পর্ক ভাল রাখতে কিছু টিপস মেনে চলুন

     সম্পর্ককে টিকিয়ে বা আগলে রাখার দায়ভার কার- নারী না পুরুষের? উত্তরটি সহজ- দু’জনেরই। কিন্তু কৌশলগত দিক থেকে এই দায়িত্ব-কর্তব্য ও বোঝাপড়াগুলো দু’জনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।   দায়িত্ব নিন দু’জনেই একটি কথা উভয়েরই মনে রাখা উচিত, একতরফা আর যাই হোক সম্পর্ক হয় না। আমরা প্রায়ই ভুল করি, রিলেশনশিপ টিকিয়ে রাখা ও ভাঙনের সমস্ত দায়িত্ব ও সম্ভাবনা একটি পক্ষের ওপর ছেড়ে দিই। পুরুষেরা নারীদের আর নারীরা পুরুষদের দোষারোপ করেন। আপনিই ভাবুন, একটি সম্পর্ক কী করে একটি পক্ষ সামলে নেবেন? বাকি যিনি থাকবেন তার কোনো রেসপনসিবিলিটি, সেনসিবিলিটি ও যত্নের প্রয়োজন নেই? যদি না-ই থাকে, তাহলে তা সম্পর্ক নয়। সম্পর্কটা দাড়িপাল্লার মতো, যার দু’টো দিক সমান ভার নিলেই ভারসাম্য বজায় থাকে।     নিজেকে দিয়ে বিচার করুন আপনি কর্মজীবী, আপনার সঙ্গীও তাই। কর্মক্ষেত্র ছাড়াও আপনাদের উভয়েরই পরিবার, বন্ধু ও অন্যান্য সামাজিক কিছু সম্পর্ক রয়েছে। দু’জনের দিক থেকেই এ বিষয়গুলোকে ছাড় দিন। লক্ষ্য করুন, আপনার আচরণে আপনার সঙ্গী এসব সম্পর্ক সহজভাবে সচল রাখতে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন কিনা। যদি তিনি আপনাকে এ বিষয়ে ছাড় দিতে পারেন তাহলে আপনিও দিন। যদি আপনি তাকে চাপে রাখেন, তার স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধার কারণ হন, তাহলে একটা সময় পর আপনার সহজ বিষয়গুলোকেও আপনার সঙ্গীর কাছে কঠিন হয়ে ঠেকবে। তৈরি হবে তুলনাবোধ। তার মনে হবে- তিনি আপনাকে ছাড় দিচ্ছেন, তবে আপনি কেন নন?     ভয় নয় আশ্রয় হোন   সঙ্গীর কাছে আপনার প্রতিমূর্তি কী বা কেমন তা নিয়ে ভেবেছেন কখনও? তিনি কি আপনাকে ভয় পান নাকি আশ্রয় ভাবেন? আপনার কথা বা আচরণ কি তার ভয়ের কারণ? সম্পর্কে ভয় দূরত্ব সৃষ্টি করে। বর্তমান সময়ে রিলেশনশিপে স্ট্যাবিলিটির চেয়ে ব্রেক-আপের সংজ্ঞা বেশি স্পষ্ট। এসময়ের অনেক  ব্যস্ততম মানুষটিও সবচেয়ে বেশি সম্পর্কযুক্ত থাকার ক্ষমতা রাখেন। শুধু চাই ইচ্ছেটা। কাজের ফাঁকে ফাঁকে দু’একটা ফোন করে খোঁজখবর নিন- তিনিকেমন আছেন, খেয়েছেন কিনা। আদতে একদম সময় নেই বলে কিছু নেই, ভুলে যাওয়াটা ভিন্ন বিষয়।     মনোযোগ দিন, বাধা নয় প্রিয় মানুষের প্রতি মনোযোগ মানেই এই নয়, তার দিকে সর্বক্ষণ নজর রাখতে হবে, তাকেই সারাক্ষণ ভাবতে হবে। তবে খেয়াল রাখা জরুরি। হতে পারে আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি একটু বেশিই যত্নশীল, স্নেহপরায়ণ বা অবসেসড। কিন্তু এতে আপনি বিরক্ত। একটু ভেবে দেখুন তো- তিনি আপনাকে ভালোবাসেন বলেই আপনাকে নিয়ে ভাবেন, এতে বিরক্তি প্রকাশের কিছু নেই। হ্যা, যদি তার এই যত্নশীলতা আপনার স্বাভাবিক চলাফেরাকে বাধাগ্রস্ত করে তবে সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। ব্যাপারটি আপনার সঙ্গীকে ঠাণ্ডা মাথায় বুঝিয়ে বলুন। সুন্দরভাবে বললে বা বোঝালে সবই সম্ভব।   অযথা দোষারোপ করবেন না   কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দোষারোপ করবেন না। ভুল সবারই হয়, ক্ষমা করুন। আর যদি আপনার ভুলের জন্য সে আপনাকে দোষারোপ করে তাহলে ক্ষমা চেয়ে নিন। সম্পর্কটাই যদি মূখ্য হয়, তবে ক্ষমা চাইতে বা করতে ক্ষতি কী।  তবে এখানেও কথা আছে- আপনি কী চান সম্পর্কটা নিয়ে? যদি নিতান্ত ওই ব্যক্তিটিকেই আর সহ্য না হয় বা ভালোলাগা কেটে যায় অথবা নতুন কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাহলে ভিন্ন বিষয়। সেক্ষেত্রে নতুন সম্পর্ককে আমন্ত্রণ জানানোর খাতিরে বর্তমান সঙ্গীর সঙ্গে নেতিবাচক আচরণ বা তাকে অহেতুক দোষারোপ না করে সরাসরি বলে দিন সত্যটা। অযথা সম্পর্কের সমস্ত অসময়ের দোষ তার কাঁধে চাপাবেন না।                                   - শঙ্কর চক্রবর্তী