রান্না ঘর

  • আপনার জন্য হাজির! সজনে ডাটার নতুন রেসেপি

    তাপসী সরকার:  এখন বাজারে সজনে ডাটা পাওয়া যাচ্ছে, তাই আপনার ব্যাগে সজনে থাকা স্বাভাবিক। চলুন শিখে নিন এক নতুন রেসিপি। সজনে ডাটার তরকারি সজনে ডাটা -৫০০গ্রাম আলু-১ টি (খোসা ছাড়ানো ও স্লাইস করে কাটা) পেঁয়াজ -মাঝারি আকারের ১ টি (বাটা) কাঁচা মরিচ-৬-৮ টি ( বাটা) জিরার গুরা- ৩/৪ চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া - ৩/৪ চা চামচ সরিষার দানা -১ চা চামচ (বাটা) হলুদের গুঁড়া -১/২ চা চামচ লবন-৩/৪ চা চামচ অথবা আপনার স্বাদ মত তেল-১/৪ কাপ পদ্ধতি : প্রথমে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ বেটে নিন। সজনে ডাটার খোসা ছাড়িয়ে ৩ ইঞ্চি করে কেটে নিন। প্যানে তেল হালকা গরম করে তাতে ডাটা ও সব উপকরণ একসাথে দিয়ে একমিনিট নেড়ে তাতে এক কাপ জল দিয়ে ঢেকে দিয়ে রান্না করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত পানি শুকিয়ে না যায়। এরপর তেল ভেসে না উঠা পর্যন্ত নেড়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। আরো দেড় কাপ জল দিয়ে ৬-৭ মিনিট রান্না করুন। সাদা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

  • উৎসব,অনুষ্ঠানে মিষ্টি দই বানাবেন জেনে নিন রেশিপি-

    newsbazar24: উৎসব,অনুষ্ঠান বা পুজো পার্বণ হোক,বাঙালি বাড়িতে মিষ্টি দই এক অপরিহার্য অঙ্গ। ঘন দুধের সাথে চিনি গলিয়ে সেটাকে এমনি দই-র মত গেঁজিয়ে বা বসিয়ে তৈরি করা হয় মিষ্টি দই। এই মিষ্টি দেওয়া দইটি বানানো খুবই সোজা। কিন্তু দইটা বসতে সময় লেগে যায় প্রায় ১০-১২ ঘন্টা মত। সরযুক্ত ঘন দুধকে আরও ঘন করে প্রায় শুরু থেকে অর্ধেকে পরিণত করতে হবে। তারপর তাতে মেশাতে হয় গলানো চিনি। এরপর এতে দই মিশিয়ে বসতে দেওয়া হবে ফ্রিজে। এই যে সাদা টক দই এর টক ভাব, তার সাথে গলানো চিনির মিষ্টত্ব, দুটো মিলিয়ে একটা দারুণ স্বাদ নেয় এই পদটি। যদি মনে হয় একবার বাড়িতে চেষ্টা করে দেখবেন, চিন্তার কী আছে! মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। বাঙালি মিষ্টি দই-র প্রণালী। মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। দই কী করে মিষ্ট বানাবেন। মিষ্টি ইয়োগার্টের প্রণালী। মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। বাঙালি মিষ্টি দই-র প্রণালী। মিষ্টি দই-র প্রস্তুতি প্রণালী। দই কী করে মিষ্ট বানাবেন।  দুধ - ৭৫০ মিলি চিনি - ৭ ১/২ টেবিল চামচ জল - ১/৪ কাপ টাটকা দই - ১/২ কাপ বাদাম - সাজানোর জন্য অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ১.একটা গরম প্যানে দুধটা ঢালুন। ২.এরপর এটা ফুটিয়ে অর্ধেক করে দিন। ৩.অন্যদিকে অন্য একটা প্যানে চিনিটা দিন। ৪.হালকা আঁচে নাড়তে থাকুন। ৫.এই নাড়াচাড়া করার মধ্যে মাঝে মাঝে গ্যাসটা বন্ধ করুন, আবার চালান। যাতে চিনিটা নিচে না ধরে যায়। ৬.বারবার এরকম করতে করতে এক সময় দেখবেন চিনিটা পুরো গলে গেছে এবং একটা হালকা বাদামি রঙ ধরবে। ৭.এবার গ্যাসটা পুরো বন্ধ করে জল দিন। ৮.ভাল করে মিশিয়ে একপাশে রেখে দিন। ৯.দুধটা অর্ধেক হয়ে গেলে,এবার এতে এই চিনির শিরাপটা ঢেলে দিন। ১০.ভাল করে মিশিয়ে গ্যাস থেকে নামিয়ে নিন। ১১.ঠাণ্ডা হতে দিন। মোটামুটি উষ্ণ গরম অবস্থায় এলে দেখুন। ১২.এবার টাটকা টক দইটা এর মধ্যে দিয়ে মেশান। ১৩.পরিবেশনের জন্য কেনা ছোট মাটির মটকায় এটা এবার ঢেলে নিন। ১৪.এবার এই মাটির মটকাগুলো অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে মুড়িয়ে দিন। ১৫.১০-১২ ঘন্টার জন্য ফ্রিজে রাখুন। ১৬.পরিবেশনের আগে ফয়েল সরিয়ে ওপরে কুচনো বাদাম দিয়ে সাজিয়ে দিন।

  • পোস্ত চিকেন বানানোর সহজ রেসিপি...জেনে নিন

    newsbazar24:  চিকেনের যে রেসিপি আজ দেওয়া হল, সেটি একেবারেই ভিন্ন স্বাদের। আজ তাই আপনাদের জন্য রইল পোস্ত চিকেন বানানোর সহজ রেসিপি।পোস্ত চিকেন বানানোর সহজ রেসিপি...জেনে নিন - পোস্ত চিকেন বানাতে লাগবে: ৭৫০ গ্রাম চিকেন,হাফ কাপ নারকেলের দুধ,২টো পেঁয়াজ কুচোনো,৩ চামচ পোস্ত বাটা,২ চামচ আদা বাটা,৫-৬ কোয়া রসুন,১ চামচ করে জিরে গুঁড়ো, হলুদ, লঙ্কার গুঁড়ো,১ চামচ ঘি,৩ চামচ সরষের তেলআর স্বাদ মতো নুন। পোস্ত চিকেন বানানোর পদ্ধতি:প্রথমেই মাঝারি মাপে কাটা চিকেন প্রেসার কুকারে সামান্য নুন দিয়ে সিদ্ধ করে স্টক আলাদা করে নিন।এ বার একটি পাত্রে তেল গরম করে তাতে ঘি দিয়ে তাতে পেঁয়াজ হালকা ভেজে গুঁড়ো মশলা সব একসঙ্গে দিয়ে দিন।রান্না করার সময় জলের বদলে চিকেনের স্টক ব্যবহার করুন। এতে স্বাদ আরও খুলবে।মশলা ভাল করে কষানো হয়ে গেলে তাতে সেদ্ধ করে রাখা চিকেনের টুকরোগুলো দিয়ে দিন।মিনিট পনেরো রান্নার পর উপর থেকে নারকেলের দুধ আর পোস্ত বাটা দিয়ে আরও ১০ মিনিট রান্না করুন।চিকেন খুব ভাল মতো সেদ্ধ হয়ে গেলে আর গ্রেভি কিছুটা শুকিয়ে এলে উপর থেকে সামান্য চিনি ছড়িয়ে দিয়ে নেড়ে চেড়ে নিন।নামিয়ে নিয়ে গরম ভাত বা রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু পোস্ত চিকেন।

  • কী কী উপায়ে এড়ানো যায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে দুর্ঘটনা

    newsbazar24: বাড়ি-ঘর সুরক্ষিত করতে আর একটা বিষয়ে আগাম সতর্ক হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর সেটা হল আমাদের রান্নাঘরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার। গ্যাস সিলিন্ডার থেকেও যে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে, সে কথা আমরা প্রায় সকলেই জানি। গ্যাস বন্ধ করে রান্নাঘর থেকে বেরনোর আগে অবশ্যই দেখে নিন গ্যাসের পাইপটি যেন কোনও ভাবেই গ্যাস ওভেনের গরম বার্নারের গায়ে লেগে না থাকে। অনেকেই গ্যাস জ্বালানোর লাইটার বা দেশলাই ব্যবহারের পর সেটি সিলিন্ডারের উপরেই রেখে দেন। খেয়াল রাখবেন, সিলিন্ডার গরম হতে পারে এমন কোনও কাজ করবেন না। গ্যাস ওভেন, সিলিন্ডার বা গ্যাসের পাইপ কখনওই যেন খুব কাছাকাছি এসে না পড়ে! সব সময় এগুলির মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।পাইপ পরিষ্কার রাখতে অনেকেই গ্যাসের পাইপের গায়ে কোনও কাপড় বা প্লাস্টিক দিয়ে মুড়ে রাখেন। এমনটা কখনওই করবেন না। কারণ, এ ক্ষেত্রে পাইপ থেকে গ্যাস লিক হলেও তা ধরা পড়বে না।একই পাইপ বছরের পর বছর ব্যবহার করবেন না। নিরাপত্তার খাতিরে প্রতি ২-৩ বছর পর পর গ্যাসের পাইপ বদলে ফেলুন।অনেকেই পাইপ পরিষ্কার করতে সাবান ব্যবহার করেন। এমনটা কখনওই করবেন না। কারণ, এর ফলে মারাত্মক বিপদ ঘটে যেতে পারে। গ্যাসের পাইপ পরিষ্কার করার জন্য শুকনো কাপড় ব্যবহার করুন। পাইপটি খুব নোংরা হলে মোছার কাপড়টি হালকা করে জলে ভিজিয়ে নিন। সেই ভেজা কাপড় দিয়েই পরিষ্কার করুন গ্যাসের পাইপ।গ্যাসের পাইপটির গায়ে বা সিলিন্ডারে ‘আইএসআই’ চিহ্ন আছে কিনা, তা দেখে নিতে ভুলবেন না। ‘আইএসআই’ চিহ্ন না থাকলে সেই সিলিন্ডার বা পাইপ অবিলম্বে পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে ফেরত দিন।রান্নাঘর থেকে বেরনোর আগে সিলিন্ডারের মুখ সেফটি ক্যাপ দিয়ে ঢেকে রাখুন।রান্নাঘরে ঢুকেই গ্যাসের গন্ধ পেলে তখনই বাইরে বেরিয়ে আসুন। ওই অবস্থায় কোনও সুইচ বোর্ড বা বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম চালু করবেন না। মনে রাখবেন, রান্নার গ্যাস বাতাসের চেয়ে ভারি। ফলে গ্যাস লিক করলেও তা মেঝের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করে। তাই প্রাথমিক ভাবে কাপড়, তোয়ালে বা হাতপাখার সাহায্যে হাওয়া দিয়ে গ্যাস রান্নাঘরের বাইরে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বুঝলে বা গ্যাসের গন্ধে সারা বাড়িময় ভরে যাচ্ছে বুঝলে দেরি না করে খবর দিন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার হেল্প লাইন নম্বরে।

  • “” আপেল দিয়ে নানা পদের রান্না ““ জেনে নিন আপেল দিয়ে তৈরী বিভিন্ন ধরনের রেসিপি।

    আপেল তো প্রচুর খেয়েছেন। আপনার বাচ্চা খেতে না চাইলেও জোর করে সেদ্ধ করা আপেলও প্রচুর খাইয়েছেন। কিন্তু অনেক মানুষই আছেন, যারা আপেল দিয়ে নানা পদের রান্না খাননি। তাই জেনে নিন আপেল দিয়ে তৈরী বিভিন্ন ধরনের রেসিপি। যা পরিবেশন করলে আপনি হয়ে উঠবেন, গুনবতী রমণী।      আপেলের পায়েশ উপকরণ আপেল ৩টি। তরল দুধ ১ লিটার। চিনি আধা কাপ বা স্বাদ অনুযায়ী। পোলাওয়ের চাল ২ টেবিল-চামচ। এলাচ ৩টি। দারুচিনি ১টি। পদ্ধতি আপেলের উপরের ছোকলাগুলো ছিলে কুচি কুচি করে কেটে নিন। এবার একটি প্যান ওভেনে বসিয়ে আপেলকুচি আর চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না আপেলের রস বের না হয়ে আসে। ভালোভাবে রান্না করে রস বের করবেন। তা নাহলে দুধে মেশালে দুধ ছানা ছানা হয়ে যাবে। এবার অন্য হাঁড়িতে দুধ জ্বাল দিন। সঙ্গে এলাচ আর দারুচিনি দিয়ে ঘন করবেন। দুধ ঘন হয়ে গেলে চাল দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর আপেল-চিনির ঘন মিশ্রণটা দুধে দিয়ে দিন। এবার ভালো করে নাড়তে থাকুন। ফুটতে দিন। আপনি কতটুকু ঘন করবেন সেটার উপর আপনার রান্নার সময়টা নির্ভর করবে। অর্থাৎ বেশি ঘন করতে চাইলে বেশি সময় জ্বালে রাখবেন। তবে নাড়তে ভুলবেন না। রান্না হয়ে গেলে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।       আপেলের হালুয়া উপকরণ আপেল- ১টি ছানা- ১/৪ কাপ (চিনি ছাড়া) চিনি- ১/৪ কাপ ঘি- ১/৪ কাপ এলাচ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ ক্যাশিউ নাট গুঁড়া- ১/২ টেবিল চামচ আমন্ড- ১/২ টেবিল চামচ প্রস্তুত প্রণালি আপেলের খোসা ছাড়িয়ে টুকরা করে নিন। ওভেনে প্যানে ঘি দিয়ে ক্যাশিউ নাট ও আমন্ড দিয়ে ভাজুন কিছুক্ষণ। আপেলের টুকরা দিয়ে ওভেনের ফ্লেম কমিয়ে দিন। নাড়তে থাকুন ঘনঘন। ১০ মিনিট পর ছানা ও চিনি দিয়ে নাড়ুন। আরও কিছুক্ষণ পর মিশ্রণ ঘন হয়ে আসলে এলাচ গুঁড়া, ক্যাশিউ নাট ও আমন্ড ছিটিয়ে নামিয়ে ফেলুন। ডেজার্ট হিসেবে পরিবেশন করুন মজাদার আপেলের হালুয়া। অ্যাপলের চিপস মাঝে মধ্যে ব্যতিক্রমী মজাদার খাবারের আইটেম তৈরি করে প্রিয়জনকে চমকে দিতে অনেকেই পছন্দ করেন। আপনি যদি সেই দলের লোক হন তাহলে শিখে নিন নতুন একটি রেসিপি।       আপেলের চিপস। আলুর চিপস কম-বেশি সবাই খেয়েছেন। কিন্তু আপেলের চিপস! খুব কম লোকই বোধ হয় এর সঙ্গে পরিচিত। আর দিনটা যদি একটু বৃষ্টি বৃষ্টি হয় তাহলে তো কথাই নেই। বৃষ্টি দেখুন আর আপেলের চিপস চিবান। ইচ্ছা করলে বন্ধুদেরও খাইয়ে আপনার নতুন রেসিপিটা পরখ করিয়ে বাহবা নিতে পারেন। উপকরণ – ২টা বড় লাল আপেল – আধা কাপ কাস্টর সুগার – ১ টেবিল চামচ লেবুর রস – অল্প করে দারুচিনি গুঁড়ো প্রণালী ১) প্রথমে সুগার সিরাপ তৈরি করুন। একটি নন-স্টিক প্যানে গরম করে নিন কাস্টর সুগার। আধা কাপ জল দিন। মিশিয়ে গরম করুন যতক্ষণ না চিনি গলে যায়। আঁচ কমিয়ে ৪-৫ মিনিট রাখুন যাতে ঘন হয়ে আসে। আঁচ থেকে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। ২) আপেলগুলোকে চিকন করে স্লাইস করে নিন। ৩) আপেলের স্লাইসের ওপর অল্প করে লেবুর রস মাখিয়ে নিন। এরপর চিনির সিরাপে ফেলে দিন। ভালো করে আপেলের স্লাইসে মাখিয়ে নিন সিরাপ। এভাবে সিরাপে ভিজতে দিন ১০-১৫ মিনিট। ৪) ওভেন প্রিহিট করে নিন ১৮০ ডিগ্রিতে। একটা বেকিং ট্রে তে সিলিকন ম্যাট মেলে নিন। এর ওপর আপেলের স্লাইসগুলোকে রাখুন। ওপরে দারুচিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। ৫) আপেলের স্লাইসগুলোকে বেক করে নিন ৩০-৪০ মিনিট। পরিবেশন করতে পারেন চিজ স্যান্ডউইচের সাথে  ।               - মামন বর্মন আপনার যদি রান্নার ওপর শখ থাকে। আপনিও আমাদের রেসিপি লিখে পাঠাতে পারেন। তবে অবশ্যই একটি ফোন নাম্বার দেবেন। আমাদের whattasaps no 9434219594

  • বাজারে তাল খুব সস্তা। জেনি নিন তালের নানা রেসিপি

    News bazar24: এখন ভাদ্র মাস। বাজারে তালের আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে। তাল পুষ্টি ও ভিটামিন গুনে ভরপুর। এই সময় নিয়মীত তাল খেলে সারা বছর সুস্থ থাকা যায় । তেতো বা মিষ্টি যে কোনো তালেই আপনি পাবেন খাদ্য গুন। তাই যারা তাল প্রেমী তারা নিশ্চয় এই ক’দিন তালের তৈরি নানান খাবার বানিয়ে ফেলেছেন। যারা এখনও বানাননি। যারা জানেন না তাদের জন্য আজক দেয়া হলো কয়েকটি রেসিপি- # তালের আইসক্রিম শেক উপকরণ : তালের রস ৪ কাপ পরিমান, গুঁড়া দুধ ১ কাপ, চিনি আধা কাপ, ঠাণ্ডা জল ২ কাপ, মধু ২ টেবিল চামচ, বরফ কুচি পরিমাণমতো। প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে তালের রস জ্বাল করে ঘন করে নিন। এবার বরফ কুচি ছাড়া বাকি সব উপকরণ একসাথে ব্লেন্ড করে নিন। ঠাণ্ডা করে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার আইস শেক। # তালের পাটিসাপটা উপকরণ : তালের গোলা ১ কাপ, ময়দা আধা কাপ, সাথে চালের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ডিম ১টি। কোরানো নারকেল ১ কাপ, দুধের ক্ষীর আধা কাপ, চিনি আধা কাপ জ্বাল দিয়ে পুর তৈরি করে নিতে হবে। প্রস্তুত প্রণালি : তালের গোলার সঙ্গে বাকি সব উপকরণ মিলিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এবার তাওয়াতে সামান্য ঘি লাগিয়ে হাতলে করে গোলা দিয়ে তাওয়া ঘুরিয়ে রুটি তৈরি করতে হবে। ওপরটা শুকিয়ে এলে পুর দিয়ে পাটির মতো রোল করে পিঠা তৈরি করতে হবে। # তালের হালুয়া উপকরণ : তালের রস লাগবে ২ কাপ পরিমান, তরল দুধ ১ কাপ, গুঁড়া দুধ আধা কাপ পরিমান, ঘি আধা কাপ, এলাচ গুঁড়া আধা চা চামচ, চিনি ১ কাপ, কিসমিস পরিমাণমতো, গোলাপজল ১ চা চামচ। প্রস্তুত প্রণালি : পাকা তাল কচলে প্রথমে রস বের করে তালের তিতা জল বের করে নিন। এবার তালের রস, তরল দুধ, গুঁড়া দুধ, চিনি, এলাচ গুঁড়া সব একসঙ্গে মেখে নিন। এবার প্যানে ঘি দিয়ে মিশ্রণটি ঢেলে দিন। ভালোভাবে নাড়তে থাকুন। যখন আঠালো হয়ে আসবে তখন গোলাপজল ও কিসমিস দিন। শক্ত হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

  • মন চাইলেই বাড়িতে বানিয়ে খান বিরিয়ানী,জেনে নিন কিভাবে বানাবেন বিরিয়ানী

    আয়েশা সিদ্দিকী:এমন অনেক খাদ্যরসিক আছেন, যাঁরা রেস্তোরাঁয় বসে ‘টাইম পাস’ করার জন্যেও বিরিয়ানি খেয়ে নেন। বাড়িতে ডায়নিং টেবিলে খাবার সাজানো, টিভিতে বা হাতের কাছে পড়ে থাকা কোনও ম্যাগাজিনে বিরিয়ানি দেখে অর্ডার দিয়ে টেবিলের খাবার ফের ফ্রিজে তুলে রাখেন। কিন্তু মন চাইলেই তো আর যখন তখন হাতের কাছে বিরিয়ানি পাওয়া যাবে না! তাছাড়া বিরিয়ানি খেতে হলে রেস্তোরাঁ ছাড়া আর কী বা উপায় আছে? উপায় আছে। আজ জেনে নিন বাড়িতে বিরিয়ানি বানানোর সহজ কৌশল। আর মন চাইলেই চটজলদি বানিয়ে ফেলুন বিরিয়ানি! আজ রইল চিকেন বিরিয়ানি বানানোর সহজ রেসিপি। বাসমতী চাল ৭৫০ গ্রাম (বাঁশকাঠি চালেও করা যাবে)। মুরগির মাংস দেড় কেজি (ব্রেস্ট আর লেগ পিস হলেই ভাল হয়)। পেঁয়াজ কুচি ৪-৫টি বড় মাপের। রসুন বড় 8 কোয়া। কাঁচালঙ্কা-আদাবাটা ২ চামচ। টক দই ১ কাপ। গোটা মশলা যেমন- লবঙ্গ, দারচিনি, এলাচ, জায়ফল, জয়িত্রী, ধনে আন্দাজ মতো। দুধে ভেজানো জাফরান বা কামধেনু রঙ সামান্য। কেওড়া জল আন্দাজ মতো। ঘি ৩-৪ চামচ। বেরেস্তা বানানোর পদ্ধতি:— পেঁয়াজ কুচি করে কিছু ক্ষণ দুধে ভিজিয়ে রাখুন। তেল খুব গরম হলে পেঁয়াজ কুচিগুলি দুধ থেকে তুলে নিয়ে ভাজুন। এতে পেঁয়াজে তাড়াতাড়ি বাদামি রঙ ধরবে এবং পেঁয়াজ কুচিগুলিও মুচমুচে হবে। বিরিয়ানির মশলা বানানোর পদ্ধতি:— প্রথমে গোটা মশলাগুলো মিক্সিতে পিষে নিন। এবার কাঁচালঙ্কা, পেঁয়াজ, রসুন ও আদা মিক্সিতে পেষ্ট করে রাখুন। টকদই— এ গুড়ো মশলাগুলো দিয়ে ফেটিয়ে রাখুন। এবার মাংসের মধ্যে সব বাটা মশলা এবং -গুঁড়ো মশলা মেশানো টক দই ও নুন-চিনি দিয়ে ম্যারিনেট করুন। জল দিতে হবেনা। বেশি সময় ধরে ম্যারিনেট করলে মাংস নরম হয়। ফ্রিজেও রাখতে পারেন বেশ কিছুটা সময়। এবার ম্যারিনেট করা মাংস ও গোটা আলু প্রেসার কুকারে দিয়ে ২-৩টি সিটি দিন। খেয়াল রাখবেন রান্নার সময় আঁচ হালকা করে নিতে হবে। বিরিয়ানির ভাত তৈরির পদ্ধতি:— চাল অন্তত ১ ঘণ্টা জলে ভিজিয়ে রাখুন। এবার একটিপাত্রে জল দিয়ে ফুটতে দিন। তাতে জল ঝরিয়ে চালগুলো দিয়ে দিন।ঐ সঙ্গে তেজপাতা ও নুন দিন। চালের পরিমাণ অনুযায়ী জল দিতে হবে। ভাত একটু শক্ত থাকতে নামিয়ে নিন। মশারির নেট বা মিহি তারের চালুনিতে ঢেলে দিয়ে ভাত ঝরঝরে করে নিন। এবার দুধে ভেজানো জাফরান ভাতের উপর ছড়িয়ে দিয়ে অথবা অতি সামান্য কামধেনু রং দিয়ে ভাত সামান্য ঝাঁকিয়ে নিন যাতে ভাতের সঙ্গে কামধেনু রং বা জাফরান ভাল করে মিশে যায়। বিরিয়ানির সাজানোর বা লেয়ার বানানোর পদ্ধতি:— একটি পাত্রে প্রথমে আন্দাজ মতো ভাত দিন। তারপর রান্না করা মুরগির মাংসের কয়েকটি টুকরো, আলু এরপর পেঁয়াজ ভাজা ছড়িয়ে দিন। আগের মতো একইভাবে সামান্য ঝাঁকিয়ে নিন যাতে ভাতের সঙ্গে সব উপকরণ ভাল করে মিশে যায়। সবশেষে কেওড়ার জল ছড়িয়ে দিন। এবার ৩-৪ চামচ ঘি ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন। এই বার ওভেনে একটা তাওয়া রেখে কিংবা একটি ফুটন্ত জলের পাত্রের উপর বিরিয়ানির পাত্রটি বসিয়ে রাখুন ২০—২৫ মিনিট মতো। বিরিয়ানির পাত্রের ঢাকনা ভাল করে বন্ধ করতে হবে। দরকার হলে মাখা ময়দার প্রলেপ দিয়ে ফাঁক বন্ধ করলে ভাল হয়। ব্যস,এবার গরম গরম পরিবেশন করুন। আপনি এই খবরটি পড়লেন Newsbazar24.com এ

  • ঘরোয়া পদ সব সময় ভাল লাগে না।তাই আজ রেস্তোরাঁর মতো চিকেন দো পেঁয়াজা হয়ে যাক

    news bazar24: চিকেন দো পেঁয়াজা বানাতে লাগবে:চিকেন ৫০০ গ্রাম মাঝারি সাইজের টুকরো করা, টমেটো বাটা (পিউরি) ৪টি, পেঁয়াজ (পাতলা করে কাটা) ২-৩টি, রসুন (কুচি করা) ৬-৭ কোয়া।আদা (কুচি করা) ১ ইঞ্চি।ঘি ২ চামচ।লঙ্কা গুঁড়ো ২ চামচ।হলুদগুঁড়ো আধা চামচ।ধনেগুঁড়ো ২ চামচ।গরমমশলা গুঁড়ো ১ চামচ।লেবুর রস ১ চামচ।আদা (লম্বা সরু সুরু করে কাটা) ২ ইঞ্চি।পেঁয়াজ (রিং করে কাটা) ১টা।টমেটো (রিং করে কাটা) ১টা।ক্যাপসিকাম (রিং করে কাটা) ১-২টি।ধনেপাতা (কুচি) আধা কাপ।মাখন আধা চামচ।নুন স্বাদমতো।তেজপাতা ১টি।দারুচিনি ১টি, ছোট এলাচ ২টি, বড় এলাচ ১টি, লবঙ্গ ৩-৪টি।গোলমরিচ ৩-৪ টি।গোটা জিরে আধা চামচ।জয়িত্রী ১-২টি।জায়ফল সামান্য (সব মশলা গুঁড়ো করা)   চিকেন দো পেঁয়াজা বানানোর পদ্ধতি: চিকেন পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। নুন, লংকাগুঁড়ো, লেবুর রস দিয়ে চিকেন ম্যারিনেট করে ১ ঘন্টা রেখে দিন।ম্যারিনেট করা চিকেনে দই, হলুদগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো, গরমমশলা গুঁড়ো মিশিয়ে ৩০-৪০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন।কড়াইতে ঘি গলিয়ে তার মধ্যে গোটা গরমমশলা ফোড়ন দিন।কয়েক সেকেন্ড নাড়াচাড়া করার পর সুন্দর গন্ধ বের হলে গরমমশলা আলাদা পাত্রে ঢেলে রাখুন।আবার কড়াইতে ঘি গরম করে এরপর আদা, রসুন এবং পেঁয়াজ কুচি দিন।কয়েক সেকেন্ড নাড়াচাড়া করার পর টমেটো পিউরি দিন।ভাল করে মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। কম আঁচে ৩-৪ মিনিট কষিয়ে নিন।এরপর কড়াইতে চিকেন ও গুঁড়ো করে রাখা মশলা দিয়ে আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে আস্তে আস্তে নাড়ুন।১৫-২০ মিনিট কষিয়ে নিন, চিকেন সেদ্ধ হয়ে যাবে। চিকেনটা ছড়ানো পাত্রে ঢালুন।রিং করে কাটা সবজি ওপরে গোল করে সাজিয়ে দিন এবং লম্বা সরু সুরু করে কাটা আদা, ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন।মাখন দিয়ে ৩-৪ মিনিটের জন্য রেখে পরিবেশন করুন।

  • ব্রেড কাটলেট বানানোর সহজ রেসিপি

    news bazar24: বিকেল বা সন্ধেয় চা-কফির সঙ্গে কিছু একটা মুচমুচে পদ হিসাবেও পাউরুটিকে কাজে লাগানো যেতেই পারে। হাতের কাছে থাকা উপকরণ দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ব্রেড কাটলেট। এই পদটি বানানো খুবই সহজ আর খেতেও মজাদার।আজ রইল ব্রেড কাটলেট বানানোর সহজ রেসিপি- ছোট সাইজের পাউরুটি: ১০ থেকে ১২টি কুচিয়ে কাটা পনির (২০০ গ্রাম) চিলি ফ্লেক্স: ১ চামচ অরিগ্যানো: ১ চামচ (না হলেও চলবে) গোলমরিচ গুঁড়ো: আধা চামচ নুন, চিনি: স্বাদ মতো কর্নফ্লাওয়ার: ২ চামচ কাটলেট বানানোর পদ্ধতি:   কুচিয়ে কাটা পনির একটি পাত্রে রাখুন। পাউরুটিগুলোর ধার বাদ দিয়ে দিন।এরপর একে একে বাকি উপকরণগুলো পনিরের সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন।সামান্য জল ছিটিয়ে পাউরুটিগুলোকে নরম করে রুটির মতো করে বেলুন। দেখবেন পাউরুটি পাতলা রুটির মতো হয়ে যাবে।এর ভেতর পনিরের পুর ভরে কাটলেটের আকারে মুড়ে ফেলুন। ধারগুলোয় কর্নফ্লাওয়ারের ব্যাটার লাগান।এতে ধার জুড়তে সুবিধা হবে। ছাঁকা তেলে লাল করে ভেজে নিয়ে টোম্যাটো সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন গরম গরম ব্রেড কাটলেট।

  • মাছের একঘেয়ে পদ থেকে মুক্তি পেতে বাড়িতেই বানিয়ে নিন সুস্বাদু গার্লিক ফিশ।

    news bazar24:মাছের একঘেয়ে পদ থেকে মুক্তি পেতে বাড়িতেই বানিয়ে নিন সুস্বাদু গার্লিক ফিশ।রেস্তোরাঁর মত সুস্বাদু অথচ সহজ এই রেসিপি,শিখে নেওয়া যাক সুস্বাদু গার্লিক ফিশ বানানোর কৌশল। ৪ জনের জন্য গার্লিক ফিশ বানাতে লাগবে: ৮ থেকে ১২ টুকরো বোনলেস ভেটকি বা ভোলা মাছ, হাফ চা চামচ লবন, হাফ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, ১ টেবল চামচ সয়া সস, ১ টেবল চামচ ভিনিগার । ব্যাটারের জন্য: ১টা ডিম, ২ টেবল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার, ২ টেবল চামচ ময়দা, ১ চিমটি লবন, হাফ চা চামচ বেকিং পাউডার, ফ্রাই করার জন্য তেল। সসের জন্য: ৮টা (কুচনো) কাঁচা লঙ্কা, ৮ কোয়া রসুন, ১ টেবল চামচ সয়া সস। ১ চা চামচ চিলি সস, ১ টেবল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার, ১ কাপ জল, ১ টেবল চামচ তেল । গার্লিক ফিশ বানানোর পদ্ধতি: মাছ লবন, সয়া সস, গোল মরিচ গুঁড়ো, ভিনিগার দিয়ে হাফ ঘণ্টা ম্যারিনেড করে রাখুন। একটা বড় বাটিতে ডিম, নুন, কর্ন ফ্লাওয়ার, ময়দা, বেকিং পাউডার মিশিয়ে ব্যাটার তৈরি করে নিন। প্রয়োজন হলে একটু জল দিন। এই ব্যাটারে মাছ ডুবিয়ে সোনালি বাদামি করে ভেজে তুলুন। এ বার সস বানানোর জন্য: প্যানে তেল গরম করুন। কাঁচা লঙ্কা কুচি ও রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে জল দিয়ে দিন। ফুটতে শুরু করলে সয়া সস দিন। কর্ন ফ্লাওয়ার জলে গুলে এর সঙ্গে মিশিয়ে দিন। চিলি সস দিয়ে ঘন গ্রভি তৈরি নিন। মাছ পরিবেশন করার প্লেটে সাজিয়ে উপর থেকে গরম এই সস ঢেলে দিন। সুস্বাদু গার্লিক ফিশ তৈরী।