লাইফ স্টাইল

  • ৫ কৌশলে আপনি পাবেন ঘন, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল, সুন্দর চুল

    newsbazar24:  চুলের ধরন অনুযায়ী যত্ন নেবার কৌশলও আলাদা হয়। স্বাস্থ্যবান সুন্দর চুল শুধু আমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ব্যক্তিত্বের ওপরেও প্রভাব ফেলে।তাই মহিলা বা পুরুষ, উভয়ের জন্যই চুলের স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চুলের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে একটু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। কারণ, একেক জনের চুলের ধরন একেক রকমের।চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে বিশেষ ৫টি বিষয় মেনে চলা জরুরি। আসুন জেনে নেওয়া যাক--১) ভিজে চুল ড্রায়ার দিয়ে শুকানোর চেষ্টা না করাই ভাল। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। তাছাড়া চুলের গোড়াও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। ২) সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার উষ্ণ তেল দিয়ে মালিশ করতে পারেন। চুলের গোঁড়ার আদ্রতা বজায় রাখতে এর তুলনা হয় না। মালিশের জন্য নারকেল তেল, আমন্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। আঙুলের ডগা দিয়ে চুলের গোঁড়ায় মালিশ করুন। শ্যাম্পু করার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে তেল মালিশ করুন। ৩) অবসাদ বা ক্লান্তি চুলের রং ও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই স্ট্রেসমুক্ত থাকতে নানা ধরনের কৌশল যেমন, মেডিটেশন, মিউজিক থেরাপি কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন। ৪) সুন্দর চুলের জন্য প্রথমেই খাওয়া-দাওয়ার দিকে নজর দিতে হবে। সবুজ সবজি ও ফলের রস চুলের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। স্বাস্থ্যবান, ঝলমলে চুলের জন্য দুধ ও ফ্রেশ দই খেতে পারেন। নারকেলও চুলকে স্বাস্থ্যবান করে তুলতে সহায়তা করে। ৫)  ভিজে চুল কখনওই আঁচড়াবেন না। চুলের জট ছাড়ানোর জন্য বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন। কাঠের চিরুনি ব্যবহার করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। সপ্তাহে একবার ডিপ কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট ট্রাই করুন। চুলের যত্নে কখনওই কড়া কেমিক্যাল ব্যবহার করবেন না।

  • নিজেই বানিয়ে নিন টুথপেস্ট , জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন টুথপেস্ট

    newsbazar24: মুখের স্বাস্থের দিক দিয়ে চিন্তা করলে সকালে ও রাতে অন্তত দু’বার ব্রাশ করা উচিত। কিন্তু বাজার চলতি কোন টুথপেস্ট ভাল বা কোনটায় ক্ষতিকারক রাসায়নিক রয়েছে, তা বোঝা মুশকিল। এমন অবস্থায় বিকল্প হিসেবে যদি ঘরে তৈরি টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘরে টুথপেস্ট তৈরির পদ্ধতি। টুথপেস্ট তৈরি করতে যা যা লাগবে: ১. বেকিং সোডা আধা কাপ। ২. সামুদ্রিক লবণ ১ চামচ। ৩. পিপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল ১০ থেকে ১৫ ড্রপ এর পরিবর্তে লবঙ্গের তেলও ব্যবহার করতে পারেন। ৪. ফুটানো বিশুদ্ধ জল। টুথপেস্ট তৈরির পদ্ধতি: ১. প্রথমে সব উপকরণ জোগাড় করে নিন। এ বার একটি পাত্রে বেকিং সোডা নিয়ে নিন। ২. বেকিং সোডার মধ্যে একে একে লবন, পিপারমিন্ট অয়েল বা লবঙ্গের তেল মিশিয়ে নিন। ৩. সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নেওয়ার পর তাতে ধীরে ধীরে জল মেশাতে শুরু করুন। মিশ্রণটি যখন ঘন, থকথকে হয়ে যাবে তখন জল মেশানো বন্ধ করে দিন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল টুথপেস্ট। ৫. এবার একটি পাত্রে মিশ্রণটি ঢেলে নিন এবং সংরক্ষণ করুন।তবে হ্যাঁ এই তুথ পেস্ট ফ্রিজে নয়। সাধারন আদ্রতায় রাখুন।  

  • কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ে মুখের দাগ সহজে দূর করুন

    news bazar24: মুখের দাগ মেটাতে নানা বাজার চলতি ক্রিম, লোশন ব্যবহার করেও ফল মিলছে না?জেনে নেওয়া যাক কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিঃ- তৈলাক্ত ও সাধারণ ত্বকে শশার রস, আলুর রস দিয়ে দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এই রস ব্যবহার করতে পারেন। শুধু মধুও প্রতিদিন দাগের উপরে লাগাতে পারেন। এতে করে দাগ কমে আসবে। তবে খেয়াল রাখবেন আপনার ত্বকে মধুর ব্যবহারে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হচ্ছে কিনা।  অ্যালোভেরার রস প্রতিদিন দাগের জায়গায় লাগালে দ্রুত তা কমে যাবে। চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে একটু গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান। এরপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মিশ্র ও সাধারণ ত্বকে দাগ হলে ল্যাভেন্ডার তেল লাগাতে পারেন।  রসুন ও লবঙ্গের মিশ্রণ করে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে লাগিয়ে নিন। সকালে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন। যে কোনও ত্বকের দাগ কমাতে পাকা কলার পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন।  টমোটোর রস মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এতেও দাগ দূর হয়। কাঁচা হলুদ ও মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন।  নারকেল তেল ও টি-ট্রি অয়েল প্রতিদিন দু’বার করে দাগের জায়গায় ব্যবহার করা যেতে পারে।  নিয়মিত লেবুর রস মুখে দিতে পারেন। আমন্ড অয়েল ও মধু মুখে লাগিয়ে হালকা করে ঘষুন। এর পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন। অ্যালোভেরা জেল ও আলুর পেষ্ট নিয়মিত মুখে লাগাতে পারেন। গুঁড়ো দুধ ও গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। কমলা লেবুর খোসা গুঁড়ো করে তার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। দ্রুত ফল পাবেন। লেবুর রস, মধু ও কাচা পেঁপে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। দাগ কমাতে এটি ব্যবহার করতে পারেন। উপকার পাবেন। মেছেতার জায়গায় লেবুর রস, সামান্য ভিনেগার ব্যবহার করা যেতে পারে। কেউ চাইলে এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে জল মিশিয়ে নিতে পারেন। কোনও প্রসাধন সামগ্রী কেনার আগে ভাল করে দেখে শুনে নিন।তবে বেশি দাগ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

  • মানসিক চাপ, ক্ষোভ কাটাতে গালিগালাজ দেওয়া ভালো

    news bazar24: পরিবারের গুরুজনদের সামনে বা পাড়া-প্রতিবেশীদের সামনে মুখ ফসকে ভাষা খুব খারাপ বেরিয়ে পড়লেই মুশকিল, ইদানীং চিকিত্সকেরা কিন্তু ‘কু-কথা’ বলার এই অভ্যাসকেই সুস্থ থাকার সহজ চাবিকাঠি ব্লেছেন। মানসিক চাপ, অবসাদ, মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রে গালিগালাজ খুবই কার্যকরী প্রমাণ মিলেছে মার্কিন গবেষণায়। এই ধারণার সঙ্গে একমত ব্রিটিশ গবেষক এবং মনোবিজ্ঞানীরাও।কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক ও ফলিত ভাষাতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ডঃ কিরিকুস অ্যান্টনিও জানান, যে সব মানুষ উত্তেজিত হলেও গালিগালাজ দিতে পারেন না বা দেন না তাঁদের মধ্যে মানসিক অবসাদ, উচ্চ রক্তচাপ, নানা স্নায়বিক সমস্যা দেখা যায়।গালিগালাজ আসলে মন থেকে রাগ, ক্ষোভ বের করে মানসিক চাপ কাটানোর সহজ উপায়। 

  • শরীরের নমনীয়তা বাড়াতে এই আসনগুলি নিয়মিত করুন

    news bazar24:  জেনে নিন কিছু আসন যা প্রতিদিন নিয়মিত চর্চা করলে আপনার শরীরের নমনীয়তা বাড়বে। বাড়বে যৌন মিলনের স্ফুর্তি। শরীর ও মন— দুয়ের উপরেই যোগের প্রভাব অপরিসীম। ১)চক্রাসন: চক্রাসন বা হুইল পোজ আপনার মেরুদণ্ডের নমনীয়তা বাড়ায়। একই সঙ্গে গোটা শরীরের নমনীয়তা বাড়ায়। ২)সুপ্ত বদ্ধ কোনাসন: এই আসন উরু ও নিতম্বের শক্তি বাড়ায়। যৌন মিলন এবং সন্তান প্রসবকালে এই আসন অত্যন্ত উপযোগী। ৩)আনন্দ বলাসন: এই আসন আপনার উরু, হাঁটু, জঙ্ঘা সহ শরীরের নীচের অংশের নমনীয়তা বাড়ায় এই আসন। জরায়ুর সংকোচন, প্রসারণে সাহায্য করায় এই আসন মেয়েদের ঋতুকালে (মেনস্ট্রুরেশন) ও যৌন মিলনের সময় আনন্দ বলাসন অত্যন্ত উপযোগী। ৪) হলাসন: মেরুদন্ডের নমনীয়তা বাড়াতে, পিঠ, কোমররে ব্যথা সারাতে অবশ্যই রোজ করুন এই আসন। হাতের পেশীর জোরও বাড়ায় হলাসন। ৫) অধমুখ শ্বনাসন: এই আসন গোটা শরীরের নমনীয়তা, ব্যালান্স যেমন বাড়ায় তেমনই মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে আপনাকে রিল্যাক্সড করে। মনোসংযোগ বাড়ায়। ৬) প্রসারিত পদোত্তাসন: প্রসারিত পদত্তোসন বা স্ট্যান্ডিং স্ট্রেডল ফরওয়ার্ড বেন্ড মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, শরীরের ব্যালান্স বাড়ায়। শরীরের নীচের অংশের পেশীর নমনীয়তা বাড়ায়। ৭) সেতুবন্ধন আসন: সেতুবন্ধন আসন বা ব্রিজ পোজ গোটা শরীরের নমনীয়তা বাড়ায়। নীচের অংশের পেশী যেমন সবল করে, তেমনই ঘাড়ের ব্যালান্সও বাড়ায়।

  • আসছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি "মনবারে"

    news bazar24; খুব শীঘ্র আসছে  স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি "মনবারে"। varada entertainment প্রোডাকশন হাউসের এক অন্য ধরনের মিষ্টি প্রেমের গল্প নিয়ে তৈরী এই ছবিটি ডিরেকশন করেছেন সমীর সিংহ, মেকাপ বাবন ইসলাম। ছবিটিতে মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করেছেন  দেবাংশু রায়। তার সাথে অভিনেত্রী ছিলেন দিল্লীর মেয়ে পুনম রানা।এই ছবিটির পুরোতাই শ্যুটিং হয়েছে দিল্লিতে। ছবিটির নির্দেশক সমীর সিংহ ছবি টা নিয়ে খুব আশাবাদী। তিনি বলেন এই ছবিটি একটি প্রেমের গল্প হলেও একদম অন্যরকম ঘরানায় তৈরি। যার ফলে এই ছবিটি আমরা বিভিন্ন ফ্লিম ফেস্টিভ্যালেও নিয়ে যাব। এবং সেখানেও ভাল কিছু করার বিষয়ে আমরা খুব আশাবাদী। দেবাংশুকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন মালদা থেকে গিয়ে ছবিতে অভিনয় করবার রাস্তা টা খুব সহজ ছিল না এর আগে আমি বাংলাদেশের অনেক শর্ট ফ্লিম করেছি এছারা একটি পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবি " হার মানা হার" করেছি। আগামী দিনে পুনম রানার সাথে অনেক গুলি কাজ আসছে।

  • ৮,৫০০টি স্টেশনে সুলভে ন্যাপকিন আর কন্ডোম কেনার জন্য কাউন্টার খোলা হবে

    news bazar24:ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ডের নতুন নতুন টয়লেট পলিসি অনুযায়ী, স্টেশন চত্বরে পুরুষ, মহিলা এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা আলাদা শৌচাগার তৈরি করা হবে। এই শৌচাগারগুলি ব্যবহারের জন্য কোনও টাকা দিতে হবে না সাধারণ মানুষকে।কেন এই পদক্ষেপ? স্টেশন ও স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের অনেকের বাড়িতেই শৌচাগার না থাকায় স্টেশন চত্বরেই শৌচকর্ম করেন তাঁরা। স্টেশনের শৌচাগারে টাকা দিতে হয় বলে সেখানেও অনেকে যেতে চান না। যত্রতত্র শৌচকর্মের ফলে গোটা এলাকাটাই অস্বস্থ্যকর হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতি বদলের জন্যই রেল স্টেশনের শৌচাগারগুলি বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে রেলওয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে।জানা গিয়েছে,রেল স্টেশনেও মিলবে স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং কন্ডোম। শুধুমাত্র যাত্রীরাই নয়, সস্তার এই ন্যাপকিন আর কন্ডোম কেনার সুযোগ পাবেন স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারাও। সম্প্রতি এই সিদ্ধান্তে শিলমোহর দিয়েছে ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ড৷ এই সামগ্রিগুলি বাজার চলতি দামের থেকে অনেকটাই কম দামে পাবেন সাধারণ মানুষ। গোটা দেশের মোট ৮,৫০০টি স্টেশনে এমন কাউন্টার খোলা হবে যেখানে সুলভে ন্যাপকিন আর কন্ডোম কেনার সুযোগ পাবেন সকলে। একটি কাউন্টার থাকবে স্টেশনের বাইরে আর একটি রাখা হবে স্টেশন চত্বরের ভিতরে।শৌচাগার দেখভালের জন্য প্রত্যেকটিতে তিনজন করে কর্মী থাকবেন। 

  • জানেন কি ? চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্যেও কলা খুবই উপকারি।

    ডেস্ক ঃ সারাবছরই পাওয়া যায় ক্লা । জানেন কি, চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্যেও কলা খুবই উপকারি। শুধুমাত্র কলা বা কলার সঙ্গে অন্য কোনও উপাদানের মিশ্রণ চুলের খুশকি দূর করে। পাশাপাশি চুলের রুক্ষতা ও চুল ঝরা নিয়ন্ত্রণেও কলা অত্যন্ত কার্যকরী। কলায় থাকে প্রচুর পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট, পটাশিয়াম, প্রাকৃতিক তেল ও ভিটামিন, যা চুলকে মসৃণ ও ঝলমলে করে তোলে। এ বার জেনে নেওয়া যাক চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য কলার নানান ব্যবহার। কলা, পাতিলেবু ও টকদই: চুলের খুশকি দূর করতে অর্ধেক পাকা কলার সঙ্গে তিন চামচ টক দই ও এক চামচ পাতিলেবুর রস মেশিয়ে চটকে নিন। মিশ্রণটি শুধুমাত্র চুলের গোড়া ও মাথার তালুর ত্বকে ভাল করে লাগান। খেয়াল রাখতে হবে, এই মিশ্রণটি যাতে কোনও ভাবেই মাথার বাকি চুলে না লাগে। ২০-২৫ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। পাতিলেবু আর টকদই চুলকে খুসকিমুক্ত করতে সাহায্য করে। এই মসৃণ করতে কলার ব্যবহার আসলে কন্ডিশনারের কাজ করে। কলা ও মধুর মিশ্রণ: চুল যাঁদের রুক্ষ হয়ে গিয়েছে, তাঁরা কলা এবং মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। এর ব্যবহারে চুলের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে আর সেই সঙ্গে চুল হয়ে উঠবে মোলায়ম। দুটি পাকা কলা এবং দুই চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ভাল করে চটকে নিন। এ বার এই মিশ্রণটি চুলে ভাল ভাবে লাগিয়ে নিন। শাওয়ার ক্যাপ বা ওই জাতীয় কিছু দিয়ে মাথা ঘণ্টাখানেক ঢেকে রাখার পর ঠান্ডা জল দিয়ে চুল ধুয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে মোটামুটি দু’বার এই মিশ্রণ ব্যবহার করলেই চুল হয়ে উঠবে ঝলমলে আর উজ্জ্বল। কলা, ডিম ও লেবুর রস: চুলের বৃদ্ধি এবং নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে এই মিশ্রণ খুবই কার্যকরী। সপ্তাহে অন্তত দুদিন এই মিশ্রণটি ব্যবহার করা যেতে পারে। দুটি চটকে নেয়া কলা, একটি ডিমের শুধু কুসুমের অংশটুকু ও এক চামচ লেবুর রস ভাল করে মিশিয়ে এই মিশ্রণটি তৈরি করে নিন। এই মিশ্রণটি ভাল করে মাথার ত্বকে ও চুলে মাখিয়ে একটি প্লাস্টিক বা ফয়েল জাতীয় কিছু দিয়ে মাথা মুড়ে ফেলুন। এর ওপরে একটি তোয়ালে বা কাপড় জড়িয়ে নিন। এ ভাবে এক ঘণ্টা রাখার পর ভালো করে জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

  • মুখের কালো দাগ দূর করতে লেবু

    লেবু: লেবু ত্বকের কালো দাগ ছোপ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। তুলোর সঙ্গে লেবুর রস মাখিয়ে নিন, তারপর কালো দাগের উপর ৫ মিনিট ধরে ঘষুন। তারপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। তবে মুখে বা শরীরের কোথাও লেবু মাখার পর সরাসরি সূর্যের আলোতে বেরনো যাবে না।

  • ঝড়ের সময়ে কী করবেন,আসছে কালবৈশাখি

    ডেস্কঃ(I.D). ২৫ মার্চ ২০১৮ঃ- চৈত্রের শুরু, আর তাতেই মেজাজ দেখাতে শুরু করেছে কালবৈশাখি। ইতিমধ্যেই তার হালকা ঝলক দেখিয়ে গিয়েছে প্রকৃতি। কালবৈশাখির প্রচণ্ড এলোমেলো ঝড় হলে কী করবেন? প্রচণ্ড ঝড়ে তছনছ হয়ে যেতে পারে জনজীবন। কালবৈশাখি আসলেই নানা জায়গা থেকে খবর পাওয়া যায় নানা দুর্ঘটনার। আপনিও যাতে ঝড়ের প্রভাবে দুর্ঘটনায় না পড়েন, তাই জেনে নিন প্রচণ্ড ঝড়ে কীভাবে বাঁচবেন। ড্যাম্প বা অন্য কোনও কারণে যদি বাড়িতে কোথাও কোনও ফাটল ধরে থাকে, তাহলে অবশ্যই এখনই সারিয়ে ফেলুন, জানালা-দরজার লক ঠিক আছে কিনা দেখে নিন,হ্যারিকেনে সবসময় কেরোসিন তেল ভরে হাতের কাছে রাখুন। এছাড়া, মোমবাতি কিংবা ব্যাটারি চালিত কোনও আলো সবসময় হাতের কাছে রাখুন। যাতে লোডশেডিং হলে অন্ধকারে অসুবিধা না হয়,ঘরে পর্যাপ্ত পরিমানে শুকনো খাবার, জল, ওষুধ হাতের কাছে রাখবেন,অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওয়াটারপ্রুফ ফাইলে ভরে রাখুন,মোবাইলে সবসময় পুরো চার্জ দিয়ে রাখুন, ঝড়-বৃষ্টির সময়ে ঘরের বাইরে বেরোবেন না। বাচ্চাদের সবসময় নজরে রাখুন। যাতে তারা কোনওভাবেই ঘরের বাইরে যেতে না পারে,ঝড়ের সময়ে বাড়ির ইলেক্ট্রিক কানেকশন বন্ধ করে দিন। মেন সুইচ বন্ধ রাখুন।