লাইফ স্টাইল

  • চুল শুকোতে হেয়ার ড্রায়ার নয়, ব্যবহার করুন পাতলা গামছা

    newsbazar24: মোটা তোয়ালে নয়, পাতলা গামছা বা কাপড় ব্যবহার করুন চুল মুছতে।অনেকেই মোটা টাওয়েল দিয়ে চুল মোছেন। এতেও চুলের ক্ষতি  হয়। চুলের ডগা ফাটে বা স্প্লিট এন্ডস হয়। বদলে পাতলা কাপড় দিয়ে অনেক ক্ষণ ধরে মাথা মুছুন। এতে চুলের জোলে ভাব অনেকটা কমে যাবে।গ্রীষ্ম হোক বা বর্ষা স্নানের পরে ভিজে চুল শুকনো বড় ঝক্কির ব্যাপার। তার উপরে চুল যদি লম্বা হয়, তা হলে ব্যস্ততার মধ্যে তার বারোটা বাজে। কিন্তু গরমে ভিজে চুল নিয়ে বাইরে বেরলে ঘাম আর নুন মিশে চুলের অবস্থা আরও খারাপ হয়। বর্ষাতেও বাতাসে আর্দ্রতা থাকায় চুল শুকোতে সমস্যা হয়।অথচ চুলের গোড়া ঠিক করে না শুকোলে তা খুবই ক্ষতিকারক। গোড়ায় ময়লা জমতে থাকে। ফলে খুশকি, চুল পড়া ইত্যাদি সমস্যা হতে থাকে। তাই তাড়াহুড়োয় অফিস যাওয়ার আগে বা কলেজে ঠিক সময়ে পৌঁছতে নির্ভর করতে হয় হেয়ার ড্রায়ারের উপরে।কিন্তু এই ব্লো ড্রায়ারের মাধ্যমে চুল শোকানো যে আরও কত বড় ক্ষতি করতে পারে তার কোনও সীমা নেই। চুল রুক্ষ হওয়া তো রয়েইছে, এ ছাড়া হেয়ার ড্রায়ারের গরম হাওয়া মাথার ত্বকেরও ক্ষতি করে। ঘন ঘন হেয়ার ড্রায়ার চুলের গোড়াকেও নষ্ট করে। তাই হেয়ার ড্রায়ার ছাড়া চুল শোকাতেই পরামর্শ দেন ত্বক বিশেষজ্ঞরা। আপনিও কয়েকটি কৌশল মেনে চললেই এই সমস্যার সহজ সমাধান এসে যাবে হাতের মুঠোয়।চুল শোকাতে সময় লাগলেও চেষ্টা করুন কিন্তু প্রাকৃতিক রোদ, হাওয়া বা পাখার হাওয়ায় চুল শুকনোর। কোনও টেবিল ফ্যান থাকলে তার সামনে চুল শোকান। ‌তবে গামছা দিয়ে জোরে চুল ঝাড়বেন না। কিছুক্ষণ শুরনো কাপড় পেঁচিয়ে রাখুন। এতে চুলের জল অনেকটাই শুকোবে।চুলের কিছু অংশ, বিশেষ করে গোড়া শুকোলে, বড় দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে ফ্যানের তলায় বসুন। এতে বাকি চুলও তাড়াতাড়ি শুকোবে। তবে হালকা হাতে চুল আঁচড়াবেন।চুল হালকা ভিজে থাকতেই লিভ-ইন কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এতে চুল ফুলে থাকে ও সুগন্ধও থাকে। চুল আরও মোলায়েম হয়।চুল ভিজে অবস্থায় আঁচড়ানোর আগে সিরাম লাগান। এতে চুলে জট ছাড়বে। চুলের মধ্যে বাতাসও যাতায়াত করতে পারবে। ফলে চুল শুকোবে তাড়াতাড়ি।

  • পেটের মেদ ঝরিয়ে ফেলুন তুলসি পাতার তৈরি চায়ে

    newsbazar24: পেটের মেদ ঝরিয়ে ফেলুন তুলসি পাতার তৈরি চায়ে, তুলসি পাতার একাধিক ঔষধি গুণ আর রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি। যুগ যুগ ধরেই ছোটোখাটো নানা রোগের ওষুধ হিসেবে তুলসি পাতার ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে জানেন কি পেটের বাড়তি মেদ ঝটপট ঝরিয়ে ফেলতেও তুলসি পাতা অব্যর্থ টোটকা হিসেবে কাজ করে? পেটের বাড়তি মেদ ঝরাতে কষ্টকর শরীরচর্চার বদলে কাজে লাগিয়ে দেখুন তুলসির টোটকা। জেনে নিন তার পদ্ধতি...সর্দি-কাশিতে তো বটেই, পেটের বাড়তি মেদ ঝটপট ঝরিয়ে ফেলতেও তুলসি চা অত্যন্ত কার্যকরী একটি ঔষধি পানীয়। জেনে নিন কী ভাবে বানাবেন তুলসি চা। তুলসি চায়ের উপকরণ:৩-৪টি তুলসি পাতা,২ কাপ কাপ জল,আধা চামচ মধু।  তুলসি চা বানানোর পদ্ধতি:প্রথমে একটি পাত্রে ২ কাপ কাপ জল দিয়ে মাঝারি আঁচে বসিয়ে দিন।জল ফুটে উঠলে তাতে ৩-৪টি তুলসি পাতা দিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে নিন।পাত্রের জল কিছুটা শুকিয়ে ১ কাপের মতো হয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন।এ বার এর সঙ্গে আধা চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে খেয়ে দেখুন এই চা। প্রতিদিন অন্তত দু’বার তুলসি চা খেয়ে দেখুন। দ্রুত ঝরবে পেটের মেদ, শরীর থাকবে চনমনে।

  • প্রচণ্ড গরমে ত্বককে ঠিক রাখতে কি কি করবেন? জেনে নিন

    newsbazar24: এই গরমে বাইরে বেরোলে কিছু প্রস্তুতি নিয়ে বের হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, বাইরে সূর্যের প্রখর মেজাজ যেন চোখ রাঙাচ্ছে! আবার ঝড়বৃষ্টিও আসতে পারে যেকোনো সময়। সূর্যের অতিবেগুনি আলোকরশ্মি আমাদের চুল আর ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। আবার গরমে ঘেমে জলশূন্যতা এমনকি হিটস্ট্রোকের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। সেই সঙ্গে ধুলাবালু তো রয়েছেই। গরমে রোদ ও ধুলাবালুর হাত থেকে বাঁচতে চাই সচেতনতা। বাইরে বের হওয়ার আগে সঙ্গে কয়েকটি প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে নিন। তাতে আপনার ত্বক, চুল, চোখ যেমন রোদ ও ধুলাবালুর হাত থেকে বাঁচবে। ছোট-বড় সবারই ত্বকের ব্যাপারে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। রোদ থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় ত্বকের। সে কারণে নিতে হবে বিশেষ ব্যবস্থা। এ বিষয়ে থাকল বেশ কিছু পরামর্শ।ত্বকে লাগাতে হবে সানস্ক্রিন, রোদে বের হলে অবশ্যই উন্মুক্ত ত্বকে সানস্ক্রিন ক্রিম বা লোশন বা পাউডার মাখতে হবে। বাইরে বের হওয়ার অন্তত ২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন মেখে নিন, যা রোদ থেকে ত্বককে রক্ষা করে। সারা দিন যদি রোদের মধ্যে থাকতে হয়, তবে একবার সানস্ক্রিন মাখলে তা সারা দিন কাজ করবে না। নির্দিষ্ট সময় পরে সানস্ক্রিনের প্রভাব শেষ হয়ে যায়। তাই সাধারণত প্রতি দুই-তিন ঘণ্টা পরপর সানস্ক্রিন মাখলে ত্বক ভালো হয়। খেয়াল রাখতে হবে সানস্ক্রিন নিজের ত্বকের সঙ্গে মানানসই কি না?সঙ্গে নিতে হবে ছাতা, রোদ থেকে বাঁচতে ছাতা হতে পারে আপনার সবচেয়ে উপকারী বন্ধু। এটি শরীরকে রোদের হাত থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করবে। আবার বৃষ্টির হাত থেকেও রক্ষা করবে। বলতে গেলে পরম বন্ধু। বাজারে নানা রং আর আকৃতির ছাতা পাওয়া যায়। আপনার পছন্দসই ছাতা রাখতে হবে সঙ্গে। গরমে ত্বক ঠিক রাখতে প্রচুর পরিমাণে জল, জল জাতীয় খাবার ও ফলমূল খান। এতে ত্বকের আর্দ্রতার মাত্রা ঠিক থাকবে। এ ছাড়া বাইরে বের হওয়ার সময় ব্যাগের ভেতর জলের বোতল নিয়ে নিন। সঙ্গে আরও রাখুন স্যালাইনের প্যাকেট এবং ঘাম মোছার জন্য টিস্যু, পরিষ্কার রুমাল।শরীর বারবার ঘামলেআবার শরীরের যেসব জায়গায় ঘাম জমে স্যাঁতসেঁতে হয়ে থাকার আশঙ্কা থাকে, যেমন বাহুর নিচে, গলার নিচে, স্তনের নিচে, বদ্ধ জুতা পরলে আঙুলের ফাঁকে-সেসব জায়গায় আলাদা করে ট্যালকম পাউডার মেখে নিতে পারেন। এতে সেসব জায়গায় জমে থাকা ঘাম শোষণ করে জায়গাটি শুষ্ক থাকে।স্নান করতে হবে নিয়মিত, গরমে একটা মূল সমস্যা পরিছন্ন থাকা। রোদে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়। বাতাসের প্রচুর ধুলাবালু-ময়লা ত্বকে আটকে ব্রণ কিংবা র‌্যাশ হতে পারে। তাই সব সময় ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রতিদিন কয়েকবার ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ভেজা (ওয়েট) টিস্যু দিয়েও মুখ পরিষ্কার করা যায়। পরিচ্ছন্ন থাকতে দিনে অন্তত দুই থেকে তিনবার স্নান করা উচিত।

  • এই গরমে বদলে ফেলুন নিজের লাইফ স্টইল

    newsbazar24: ক্লাস, কাজ কিংবা ঘোরাঘুরির জন্য অনেকেই এই গরমে চলছেন আপন পথ ধরে। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রোদে বেরোনো। কিন্তু রোদটাকে উপেক্ষা করে কিছু এক্সেসরিজের ব্যবহারে এই গরমেও নিজের মধ্যে নিয়ে আসতে পারেন স্টাইলিশ লুক।গরমে সূর্যের প্রচণ্ড তাপ ও রোদ থেকে মুখ আর চুল বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন ক্যাপ ও হ্যাট।বাড়ছে রোদ, সঙ্গে আছে প্রচণ্ড তাপদাহ। গরমে যেন হাঁসফাঁস অবস্থা! সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তাপমাত্রার এই বাড়তি মেজাজে তরুণ-তরুণীরা ভুগছে অস্বস্তিতে। বাড়তি তাপমাত্রা আর চারপাশের যান্ত্রিকতা কেড়ে নিচ্ছে পরিবেশের স্বাভাবিক রূপ। তাই বলেতো আর জীবন থেমে থাকে না! গরমকে ছুটিতে পাঠাতে বা গরম থেকে স্বস্তি পেতে সঙ্গে রাখুন (ব্যবহার করুন) আরামদায়ক আর ফ্যাশনেবল আনুষঙ্গিক কিছু জিনিস।পরিবর্তনশীল ঋতুর সঙ্গে খাপ খাওয়াতে তরুণ-তরুণীদের পোশাক-পরিচ্ছদে আসে নানা পরিবর্তন। যোগ হয় হাল ফ্যাশনের আরামদায়ক পোশাক ও অন্যান্য অনুষঙ্গ। গরমের কথা মাথায় রেখে তরুণ-তরুণীরা চান আরামদায়ক ও ফ্যাশনেবল পোশাক ও অনুষঙ্গ পরতে। আরামদায়ক পোশাকের জন্য কেউ কেউ ঢুঁ মারতে পারেন ফ্যাশন হাউসগুলোতে। ব্র্যান্ডের ক্যাপের মধ্যে পাবেন বেইলি হ্যাটম, জ্যাকসন, বারশাহ, স্কালা, অ্যাডিডাস, রিবক, কলম্বিয়া ইত্যাদি। ওয়েস্টেকস, লিভাইস, এক্সটাসি, লি, সোল ড্যান্সের দোকানেও পেয়ে যাবেন পছন্দের ক্যাপ। দাম ২০০ থেকে ৫০০ টাকা।মাথার উপরে কাঠফাটা রোদ! ভয় নেই। রোদ থেকে বাঁচতে ঢাল হিসেবে ছাতাটাই যথেষ্ট। তবে তা কালো রঙের না হলেই বেশি ভালো। বাহারি বিভিন্ন রঙের প্রিন্টেড ও ফুলেল নকশা করা ছাতা ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া চায়নিজ, জাপানিজ নানা ধরনের ছাতা বাজারে পাওয়া যায়। বহনের সুবিধার জন্য এমন ছাতা নিন, যাতে ব্যাগে রাখা যায়। এসব ছাতা পাওয়া যাবে ৩০০-৭০০ টাকার মধ্যে।মেয়েরা সাধারণত স্কার্ফ পরেন না। তবে গরমের সময় ওয়েস্টার্ন পোশাকটাকেই বেশি গুরুত্ব দেন মেয়েরা। আর ওয়েস্টার্ন পোশাকের সাথে স্কার্ফ বেশ ভালো মানিয়ে যায়। এছাড়া এই স্কার্ফ আপনার মাথার ত্বক এবং চুলকে রক্ষা করবে রোদের তীব্রতা থেকে। তাই এই গরমে পোশাকের সাথে মিলিয়ে রাখুন রঙিন স্কার্ফ।গরমে জুতো পরা বেশ কষ্টকর। কারণ জুতো পায়ে বাতাস ঢুকতে বাঁধা দেয়। তাই গরমের সময় নানা ডিজাইনের এবং বিভিন্ন রঙের স্যান্ডেলই বেশি আরামদায়ক। পা ঘামার হাত থেকে বাঁচতে চাইলে এই গরমটা স্যান্ডেল পরে নিশ্চিন্তে কাটিয়ে দিতে পারেন। প্রচণ্ড সূর্যের দাবদাহ থেকে রেহাই পেতে চলার পথে অবশ্যই দরকার রোদ চশমার। তবে নিজের মুখের গড়নের সঙ্গে মানানসই রোদ চশমাই বেছে নিন। শুধু ফ্যাশনের মোটিফ নয়, সানগ্লাস এই রোদে অতি দরকারি একটা জিনিস। কাপড়ের সঙ্গে চাইলে মানিয়ে পরতে পারেন রোদ চশমা। বাজারে ব্র্যান্ড ও নন ব্র্যান্ড দুই ধরনের চশমাই পাওয়া যায়। ব্র্যান্ডের মধ্যে আছে পোলিশ, ক্রিস্টিওডিওর, ডলচি অ্যান্ড গ্যাবানা, ম্যাক্স মারা ক্যারেরা, কার্টিয়ের, ডিজেল, শ্যানেল, পিয়েরে কারদিন, গুচি, পোলোও ডক্সলি। দাম ৫০০ থেকে ৭০০০ টাকা।

  • জানেন কি নতুন প্রিপেড প্ল্যান নিয়ে এল এয়ারটেল ?

    newsbazar24: বাজারে টিকে থাকতে প্রতি সপ্তাহেই পোস্টপেড ও প্রিপেডে নতুন প্ল্যান নিয়ে আসছে এয়ারটেল। এবার প্রিপেডে ১২৯ টাকা ও ২৪৯ টাকা প্রিপেড প্ল্যান নিয়ে হাজির হল গুরুগ্রামের কোম্পানিটি। জিও ১৪৯ টাকা ও ২৯৯ টাকা প্ল্যানের সাথে প্রতিযোগিতায় এই দুটি প্ল্যান নিয়ে এসেছে এয়ারটেল।১২৯ টাকা প্ল্যানে আনলিমিটেড কল এর সাথেই দিনে ১০০ টি এসএমএস ব্যবহার করা যাবে। এই প্ল্যানের ভ্যালিডিটি ২৮ দিন। ১২৯ টাকা প্ল্যানে দিনে ২জিবি ডেটা ব্যবহার করা যাবে। সাথে থাকছে এয়ারটেল টিভি আর উইঙ্ক মিউজিক সাবস্ক্রিপশান। অর্থাৎ ১২৯ টাকা প্ল্যানে মোট ৫৬জিবি ডেটা ব্যবহার করা যাবে। ২৪৯ টাকা প্ল্যানের সাথেও থাকছে আনলিমিটেড কল এর সাথেই দিনে ১০০ টি এসএমএস। এই প্ল্যানের ভ্যালিডিটি ২৮ দিন। ২৪৯ টাকা প্ল্যানে দিনে ২জিবি ডেটা ব্যবহার করা যাবে। এই প্ল্যানের সাথেও থাকছে এয়ারটেল টিভি আর উইঙ্ক মিউজিক সাবস্ক্রিপশান। তবে ২৪৯ টাকা প্ল্যানের সাথে একটি বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে এয়ারটেল।২৪৯ টাকা প্ল্যানের সাথে ৪ লক্ষ টাকার জীদন বিমা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিচ্ছে টেলিকম কোম্পানিটি। এইচ ডি এফ সি লাইফ আর ভারতী আক্সা এর সাথে হাত মিলিয়ে এই জীবন বিমা পরিষেবা দিচ্ছে এয়ারটেল। তবে এই পরিষেবার সুবিধা পেতে গ্রাহকের বয়স ১৮ থেকে ৫৪ বছরের মধ্যে হবে। জীবন বিমা চালিয়ে সেতে প্রতি মাসে ২৪৯ টাকা রিচার্চ করতে হবে। এই রিচার্জ বন্ধ করে দিলে জীবন বিমা অবৈধ হয়ে যাবে।

  • হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে গেলেই সর্বনাশ! কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে, জানবেন কি করে ?

    newsbazar24: নিজস্ব প্রতিবেদন: রান্নার গ্যাসের একটা সিলিন্ডার কতদিন চলতে পারে, সে সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা আমাদের অনেকেরই আছে। বাড়িতে কত জনের রান্না হচ্ছে বা কী ভাবে রান্না করা হচ্ছে— এমন বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর  নির্ভর করে যে, একটা গ্যাস সিলিন্ডার মোটামুটি কতদিন চলবে। কিন্তু যতই ধারণা থাকুন না কেন, মাস খানেক চলার পর একটা দুশ্চিন্তা কিন্তু থেকেই যায়, বার বার ফিরে আসে... এই বুঝি গ্যাস ফুরিয়ে গেল!রান্নাবান্না জোর কদমে চলছে, এরই মধ্যে হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে গেলেই সর্বনাশ! কারণ, রান্না চলাকালীন এমনটা হলে ঝক্কি তো কম হয় না! কিন্তু সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস পড়ে রয়েছে তা কী করে বুঝবেন? অনেকেই এ ক্ষেত্রে এলপিজি সিলিন্ডার হাতে তুলে ধরে বা ঝাঁকিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন যে, সিলিন্ডারে আর কতটুকু গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে। কিন্তু এ পদ্ধতিতেও অনুমানের উপরেই নির্ভর করতে হয়। নিশ্চিন্ত হওয়া যায় না। তবে একটা পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে সহজেই বুঝে নেওয়া যায় যে, সিলিন্ডারে আর ঠিক কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই উপায়... পদ্ধতি:১) প্রথমে একটা ভিজে কাপড় দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডারটিকে খুব ভাল করে মুছে নিতে হবে। খেয়াল রাখবেন, সিলিন্ডারের গায়ে যেন কোনও ধুলোর আস্তরণ জমে না থাকে।২) সিলিন্ডার ভাল করে মোছা হয়ে গেলে ২-৩ মিনিট পর দেখবেন, সিলিন্ডারের কিছুটা অংশের ভিজে ভাব শুকিয়ে গিয়েছে আর বাকি অংশ তখনও ভিজে রয়েছে।৩) সিলিন্ডারের যে অংশটা শুকোতে বেশি সময় নিচ্ছে, সেই অংশ টুকুই রান্নার গ্যাসে ভরা রয়েছে আর যে অংশটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে গিয়েছে, সিলিন্ডারের সেই অংশটি খালি! কারণ, সিলিন্ডারের যে অংশে তরল রয়েছে, সেখানকার তাপমাত্রা খালি জায়গার তুলনায় কিছুটা হলেও কম হবে। তাই সিলিন্ডারের যে অংশে গ্যাস রয়েছে, সেই অংশটির তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত কম বলে শুকোতে বেশি সময় লাগে।

  • জানেন কি সস্তার সানগ্লাস ব্যবহারের ফলে চোখের কী কী ক্ষতি হতে পারে?

    newsbazar24: এই গরমে বাড়ির বাইরে পা রাখতে হলে তিনটে জিনিস সঙ্গে রাখতেই হয়, জলের বোতল, ছাতা আর সানগ্লাস। খাবার জলের বোতল রাস্তার কোনও দোকান থেকেও পেয়ে যাবেন, ছাতার বদলে টুপিও ব্যবহার করেন অনেকে। তবে রোদ থেকে চোখ বাঁচাতে সানগ্লাসের বিপল্প নেই। শুধু রোদের তেজ থেকেই নয়, পোকা-মাকর, রাস্তার ধুলোবালি বা সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির কুপ্রভাব থেকেও চোখকে রক্ষা করে সানগ্লাস। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আমাদের চোখের রেটিনা ও কর্নিয়ার মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই শুধুমাত্র ফ্যাশনের জন্যই নয়, চোখের সুরক্ষায়ও সানগ্লাস অত্যন্ত জরুরি!কিন্তু অনেকেই ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে বা চোখকে সাময়িক আরাম দিতে সস্তার সানগ্লাস ব্যবহার করেন। কিন্তু সস্তার সানগ্লাস ব্যবহারের ফলে চোখের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা থেকেই যায়। কারণ, সস্তার সানগ্লাসে ব্যবহৃত নিম্ন মানের রঙিন প্লাস্টিকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ঠেকানোর কোনও ক্ষমতা নেই। উল্টো তা চোখের জন্য তা মারাত্মক ক্ষতিকর। দুর্বল হয়ে পড়তে পারে আমাদের দৃষ্টিশক্তি। চক্ষু বিশেষজ্ঞদের (অপথালমোলজিস্ট) মতে, সস্তায় চোখ বাঁচাতে গিয়ে উল্টে আরও ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনতে পারে। জানেন কি সস্তার সানগ্লাস ব্যবহারের ফলে চোখের কী কী ক্ষতি হতে পারে?১) অতিরিক্ত মাত্রায় বা নিয়মিত সস্তার সানগ্লাস ব্যবহারের ফলে অকালেই চোখে ছানি পড়ে যেতে পারে।২) শুকিয়ে যেতে পারে চোখের কর্নিয়া।৩) সস্তার রঙিন চশমা নিয়মিত ব্যবহারের ফলে চোখের পাওয়ার অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যেতে পারে, ঘন ঘন মাথাব্যথাও হতে পারে।৪) সস্তার রঙিন চশমার অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ‘আইলিড’ ক্যান্সারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।৫) সস্তার সানগ্লাস নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ‘রিফ্রাক্টিভ এরর’ বা চোখের প্রতিসারক ত্রুটি বহুগুণ বেড়ে যায়। এই সমস্যার ফলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যেতে পারে।

  • আপনার হাইট কি কম? রোগ বাসা বাঁধতে পারে শরীরে, জেনে নিন-

    newsbazar24: আপনার হাইট কি কম? তা হলে এক গভীর সমস্যায় রয়েছেন আপনি। এর ফলে সামাজিক থেকে শারীরিক— বিবিধ বিপদ ঘটতে পারে আপনার জীবনে। ১৮-৫০ বছর বয়সি ৬০০ মানুষের উপরে সমীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা দেখেছেন, মহিলাদের তুলনায় বেঁটে পুরুষরা বেশি রাগ করেন। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার অফ ডিজিজ কন্ট্রোল ইন আটলান্টা তাদের এক সমীক্ষায় জানিয়েছে, লম্বাদের তুলনায় বেঁটে মানুষ বেশি মাত্রায় রেগে যান। এই রাগ থেকে দেখা দিতে পারে হরেক বিপদ।  তাঁরা তাঁদের রিপোর্টে দেখিয়েছেন যে, কোনও লম্বা মানুষের উপস্থিতি বা তাঁর সঙ্গে তুলনা বেঁটে মানুষদের ক্রোধকে বাড়িয়ে দেয়। রাগ এখানে একটা প্রতিরক্ষার অস্ত্র হিসেবে কাজ করে। কিছু দিন আগে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক দল একই বিষয়ে কাজ করেছিল এবং এই সমস্যাকে তারা ‘শর্ট ম্যান সিনড্রোম’ বলে উল্লেখ করেছিল। মনে রাখা প্রয়োজন, ইতিহাসের দুই রাগী পুরুষ— নেপোলিয়ন ও হিটলার, দু’জনেই ছিলেন বেঁটে। এবং তাঁদের অতিরিক্ত রাগারাগি মোটেও ভাল ফল দেয়নি। শর্ট ম্যান সিনড্রোম থেকে উচ্চ রক্তচাপ-জনিত রোগ বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। আর বেশি রেগে থাকলে সামাজিক সমস্যা তো ঘটতেই পারে।

  • নিয়মিত সেক্স-এ ওজন হুড়মুড়িয়ে বাড়ে,জেনে নিন

    newsbazar24: জীবনে ভাল থাকতে সুস্থ সেক্স-এর বিকল্প খুব কমই আছে ! বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়মিত যৌনতায় হৃদযন্ত্র ভাল থাকে, রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখে, ঘুমের সমস্যা থাকে না! শুধু শরীর নয়, মনও থাকে ফুরফুরে! আর ওজন? এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মত দু’রকম! একাংশের দাবি– নিয়মিত সেক্স-এ ওজন হুড়মুড়িয়ে বাড়ে, একাংশ বলছেন, নিয়মিত যৌনতায় ওজন কমে!সেক্স-এর সময় ইসট্রোজেন, প্রোজেস্টেরনের মতো সেক্স হরমোনের অস্থিতিশীলতা দেহের ওজন বাড়ায়।একাধিক পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, সেক্স-এর পর চূড়ান্ত খিদে পায় ! ফলে বেশি খাওয়া হয়ে যায়! সুযোগ পেয়ে ওজনও বাড়ে চড়চড়িয়ে !অন্যদিকে, বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, সেক্স দেহের অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরিয়ে দেয়! প্রতি আধ ঘণ্টা সেক্স-এ ১০০ থেকে ৩০০ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরে যায়।অনেক সময় সেক্স পোজিশনের উপরও ওজন নির্ভর করে! কেউ যদি নিজে শান্ত থাকেন, যাবতীয় কসরৎ তার পার্টনার করে যান, তাহলে নিঃসন্দহে তাঁর ক্যালোরি ক্ষয় হবে না! ওজনও কমবে না!

  • গরমে ঠান্ডা থাকার উপায়, জেনে নিন-

    newsbazar24 : তাপমাত্রার পারদ যে ভাবে বাড়ছে তাতে এই আলোচনা খুবই স্বাভাবিক।  বাঙলা ও বাঙালি চায়ের কাপে তুফান তুলবে না, তা হয় না।  কিন্তু তাপমাত্রা যখন ৪০ পেরিয়ে ৪২ এর দিকে যাচ্ছে তখন চায়ের প্রতিও আসছে অনীহা।  আবার রবিবারের বাজারের ব্যাগে মাটনটাও এখন বাদ দিতে হচ্ছে।  তাহলে উপায়! ভোজন রসিক বাঙালি কি তাহলে এখন উপোসি থাকবে? একেবারেই নয়, বরং বেছে নিন এমন কিছু খাবার এবং পানীয়, যাতে আপনার স্বাদকোরকেও তৃপ্তি থাকে, আবার যে পরিমাণ ঘামছেন, তাতে কাহিলও না হয়ে পড়েন।তরমুজ কিনে নিন, এতে থাকা ৯২ শতাংশ জল আপনার ডিহাইড্রেশন কমাতে সাহায্য করবে।  এদিকে পেটও ভরা থাকছে, তাই ভাজাভাজি খাবারের প্রতিও নজর কম যাবে, আপনার ওজনও থাকবে আয়ত্তে।  লো ব্লাড প্রেশারের সমস্যা, কার্ডিও ভাসকুলার ডিসিজ় বা হার্টের সমস্যা থাকলে, তরমুজের ভিটামিন আপনাকে তরতাজা রাখবে এই গরমেও।  ফলে যে পরিমাণ ঘেমে নেয়ে একশা হচ্ছেন আপনি, তাতে শরীরের যতটা সোডিয়াম বেরিয়ে যাচ্ছে তার রিকভারির দায়িত্ব নিচ্ছে তরমুজ।টোম্যাটোটোম্যাটোর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপেন, ভিটামিন সি, জলীয় পদার্থ আপনাকে এই গরমে কী কী সুবিধা দেয় আপনার জানা নেই।  প্রথমত আপনি জলীয় পদার্থতে পেট ভরালে বেশি ক্যালোরি খরচ হচ্ছে না তা হজম করতে, দ্বিতীয়ত লাইকোপেন আপনার স্কিনের উপরে আল্ট্রাভায়োলেট রে-র যে ক্ষতিকর প্রভাব তাকে আটকায়, তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যাওয়া আটকে দেয়।  আপনার স্মৃতিশক্তি প্রখর করে, হার্টের অসুখ থেকে সুরাহা দেয়, এমনকি আটকে দিতে পারে স্ট্রোকও।  সকলেই জানি ভিটামিন সি ঠাণ্ডা লাগতে দেয় না।  আর এই ঘেমে নেয়ে থাকায় আমরা বারবার সর্দি গর্মিতে ভুগি।  সেটা থেকে প্রোটেক্ট করে টোম্যাটো।শশা খেয়ে তো আপনি ওজন কমান, কেন জানেন? শশায় থাকে ৯৫ শতাংশ জল! আর শশার ফাইবার যে আপনার কন্স্টিপেশন কমায় সেটা জানেন তো? কাজেই সিস্টেম ক্লিয়ার থাকাটা এই গরমে খুবি জরুরি।  সঙ্গে পেট ভরা ভাব আর ৯৫ শতাংশ জল হওয়ায় গরমে সহজেই শরীরের ভিতরের কলকব্জা ঠাণ্ডা থাকছে।  যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  তাই টুকটাক মুখ চালাতে খেয়ে নিন শশা।ব্লু বেরি, ব্ল্যাকবেরি বা স্ট্রবেরি খেতে তো দিব্যি লাগে।  জানেন কি, এতে আছে প্রচুর ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।  যা আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, খিদে কমায়, শরীরের যে কোনও ক্ষত সারিয়ে দেয় সহজেই।  এই গরমে আপনাকে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচায় এই বেরিগুলোই।  তাই বেরি রাখুন আপনার স্যালাডে, কাসটার্ডে আর গরমে থাকুন ফিট অ্যাণ্ড ফাইন।দই এর চেয়ে ভালো যে আর কিছুই নেই, তা আমি আপনি সকলেই জানি।  দইয়ে থাকে প্রোটিন, ব্যাকটিরিয়া, ভিটামিন, মিনারেলস।  যা আপনার মুড ভালো করার দায়িত্ব নেয়, সঙ্গে শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমায়, প্রয়োজনীয় প্রোটিনও দেয়, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।  তাই এই গরমে ভরসা রাখুন দইয়ে।যখন ঘেমে নেয়ে আপনি ক্লান্ত হন, বুঝবেন শরীরের সোডিয়াম পটাশিয়াম ম্যাগনেশিয়াম বেরিয়ে যাচ্ছে অনেকটাই, তাই আপনি ক্লান্ত।  ডাবের জল খেলে আপনার এই ঘাটতিগুলো সহজেই মিটবে। তাছাড়াও এতে কোনও অ্যাডেড সুগার থাকে না, ফলে ফলের জল থেকে শরীরের প্রয়োজনীয় সুগার আপনি পাচ্ছেন, এছাড়াও পাচ্ছেন এমন কিছু, যা হার্টের স্বাস্থ্য, স্কিনের যত্ন নিচ্ছে।  সঙ্গে  ডায়াবেটিকদের খেয়ালও রাখছে।  আপনার ওজনও থাকছে আয়ত্তে।  তাই চা কফি ভুলে এই গরমে ডুব দিন ডাবের জলেই।দুধের ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি প্রোটিন ৪০-৪২ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও আপনাকে স্বস্তি দেয়।  তাই দুধ শুধুই বাচ্চাদের খাবার ভাববেন না, ভাববেন না এটা জলের থেকে ঘন, তাই এতে কোনও হাইড্রেশনের ব্যবস্থা নেই।  এতে যা কিছু আছে তা আপনার শরীরকে গরমে সমস্যা থেকে দূরেই রাখবে।গরমে ধোঁয়া ওঠা চা আপনার ভালো নাই লাগতে পারে, তবে চাইলে আইসড টি খেতেই পারেন।  যে কোনও ভেষজ চা এই সময়ে আমাদের খুব আরাম দেয়।  এতে শরীরে জলও যায় আবার রিফ্রেশিংও লাগে।  আই এই আইসড টি খেলে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস আর মধু মিশিয়ে নিন।  অনেকটাই রিফ্রেশিং লাগবে।  সারাদিনে দুবার এই চা খান, আর দেখুন শরীর কতটা ঝরঝরে থাকে।  লেবুর গন্ধে আপনি থাকবেন তরতাজা।লেবুর চা তো হল, এবার বলি লেবুর জলের কথা।  ভিটামিন সি-এর উৎস এই লেবুর জল।  ঘন্টার পর ঘন্টা যখন আপনার ঘাম বেরিয়ে আপনি ক্লান্ত , খেয়ে নিন এক গ্লাস লেবুর জল।  পরের কয়েকটা ঘণ্টা থাকবেন ঠাণ্ডা।  রিফ্রেশড থাকতে তাই লেবু আনুন বাড়িতে।এক গ্লাস শশার রস খেয়ে নিতে পারেন, এই গরমে শশায় থাকা নব্বই শতাংশ জলই আপনাকে ঠাণ্ডা রাখবে সারাটাদিন।  সারাদিন তাই হাইড্রেটেড থাকতে, হেল্দি থাকতে শশার রস খেতেই পারেন, মিক্সিতে দিয়ে এত ঝক্কি না করতে চাইলে কাঁচা শশাও যে খেতে পারেন সে তো আগেই বলা হয়েছে,  তাতেও লাভ ছাড়া ক্ষতি নেই।